রমজান সামনে রেখে বাজারে ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো থাকলেও কিছু পণ্যের দাম এখনও তুলনামূলক বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমলেও দেশের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে—গত বছরের তুলনায় কিছু পণ্য বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ টাস্কফোর্সের দশম সভায় কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মো. মাহবুবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনসহ সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে—আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত পাম অয়েলের দাম ১১.৮২ শতাংশ কমলেও দেশের বাজারে তা গত বছরের তুলনায় ০.৬৪ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
আবার অস্ট্রেলিয়ান মশুর ডাল আন্তর্জাতিক বাজারে ৩০.৯২ শতাংশ এবং ভারতীয় মশুর ডাল ৯ শতাংশ কমলেও দেশে মাঝারি দানার মশুর ডাল ১০.৮৭ শতাংশ ও ছোট দানার মশুর ডাল ২৪.৫৩ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
চালের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কম হলেও দেশে মোটা চাল ৮.৫৭ শতাংশ, মাঝারি চিকন চাল ২.৪৪ শতাংশ এবং চিকন চাল ০.৬৫ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে পেঁয়াজ ২২.৬২ শতাংশ কমলেও দেশে তা ২৪.১৪ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
যদিও চিনি ও ছোলাসহ কিছু পণ্যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের বাজারেও দামের সামঞ্জস্য দেখা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে চিনির দাম গত বছরের তুলনায় ১৪.৯৮ শতাংশ কমেছে।
সভা শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এবারের রমজানে কিছু পণ্যের দাম কমবে। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এবার নিত্যপণ্যের গড় আমদানি ৪০ শতাংশ বেশি। ফলে বাজার পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় বেশি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তিনি।
সময়ভেলা | অর্থনীতি
নিউজটি আপডেট করেছেন : নিজস্ব প্রতিবেদক



সময় ভেলা রিপোর্ট