<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"

>
    <channel>
        <title>ShomoyBhela | সময় ভেলা </title>
        	<atom:link href="https://shomoybhela.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <link>https://shomoybhela.com/feed </link>
        <description>  </description>
        <language>bn</language>
                 
    
    <item>
		<title>​সৌদি আরামকোর রাস তানুরা রিফাইনারিতে ড্রোন হামলা, কার্যক্রম বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/853</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 14:35:28 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/853</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর রাস তানুরা রিফাইনারিতে আঘাত হেনেছে। হামলার পর স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে আগুন সীমিত ছিল এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাস তানুরা রিফাইনারির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাস তানুরা সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধন ও রপ্তানি কেন্দ্র। এখানে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করা হয়। সংলগ্ন রপ্তানি টার্মিনাল থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের স্থাপনায় হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। উৎপাদন ও সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে এই হামলাকে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​খামেনি নিহতের পর করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে তাণ্ডব, নিহত ৮! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/852</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 14:51:46 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/852</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবরে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির পুলিশ ও উদ্ধার সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার শত শত বিক্ষোভকারী কনস্যুলেটের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা কনস্যুলেটে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া পাথরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইদি ফাউন্ডেশন রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কনস্যুলেটের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চলছে। জানালা ও দরজার কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ভবনের কিছু অংশে আগুনও দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের ওপর হামলা চালানো হলে &amp;lsquo;অভূতপূর্ব শক্তি&amp;rsquo; দিয়ে জবাব দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খামেনির মৃত্যুর খবরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক অস্থিরতা আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​তেহরানে যৌথ হামলা: খামেনি নিহত, সৌদি–ইসরায়েল চাপের অভিযোগ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/851</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 12:55:03 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/851</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনার পর চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানে হামলার নেপথ্যে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে কথা বললেও ব্যক্তিগত আলোচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে কঠোর পদক্ষেপ নিতে উৎসাহ দিয়েছেন। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র যদি শক্ত অবস্থান না নেয়, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে&amp;mdash;এমন সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, হামলার কিছুক্ষণ আগে খামেনি নিরাপদ স্থানে তার দুই উপদেষ্টা আলি লারিজানি ও আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এরপরই সেখানে অতর্কিত হামলা চালানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওয়াশিংটন পোস্ট তেহরান ইস্যুতে সৌদি আরব ও ইসরায়েলকে &amp;lsquo;মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি&amp;rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশ দুইটির চাপেই ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র:&amp;nbsp; দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরাইলে পাল্টা মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/850</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Feb 2026 15:10:00 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/850</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জবাব দিতে পাল্টা মিসাইল হামলা শুরু করেছে ইরান। এরই মধ্যে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে উত্তর ইসরায়েলে আঘাত করেছে ইরানি মিসাইল। সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পাল্টা মিসাইল হামলায় ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বেজে উঠেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, &amp;ldquo;নাগরিকদের হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশ মেনে চলতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। যেকোনও ধরনের হুমকি নস্যাৎ করতে কাজ করছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে ইসরায়েলের হামলার পরপরই বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের এবারের জবাব হবে বিধ্বংসী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আল জাজিরা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়ায় ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা, কর্মহীন ২ লাখ জেলে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/849</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Feb 2026 12:05:18 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/849</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে টানা দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;এ সময় জেলার ৭ উপজেলার প্রায় ২ লাখ জেলে কর্মহীন হয়ে পড়বেন। তবে এবারই প্রথম ১৩ হাজার ৬০০ জেলে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী পাবেন বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জেলা মৎস্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। তাদের মধ্যে ৯০ হাজার ২০০ জেলে পরিবারকে মাসে ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাল দেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাস এই সহায়তা চলবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
সরেজমিনে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার খবরে জেলেরা নৌকা-ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরছেন। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউ সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখছেন। তবে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় জেলে পল্লীতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জেলেদের অভিযোগ, চাল সহায়তা সময়মতো মেলে না এবং শুধু চাল দিয়ে সংসার চলে না। তারা অভিযানের সময় ঋণের কিস্তি স্থগিত ও নিত্যপণ্যের সহায়তা চেয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, অভিযান সফল করতে ব্যাপক প্রচার ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রথম সপ্তাহেই চাল বিতরণ করা হবে। ঋণের কিস্তি স্থগিতের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, দেশে ইলিশের ৬টি অভয়াশ্রমের মধ্যে দুটি রয়েছে ভোলায়&amp;mdash;মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা | ভোলা&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বলিভিয়ায় সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ১৫ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/848</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Feb 2026 09:20:59 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/848</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায় জাতীয় মুদ্রা বহনকারী একটি সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। রাজধানী লা পাজের কাছে এল আলতো শহরের বিমানবন্দরের নিকটবর্তী মহাসড়কে শুক্রবার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্সেলো স্যালিনাস জানান, নতুন ছাপানো বলিভিয়ান মুদ্রা বহন করে সেনাবাহিনীর হারকিউলিস সি-১৩০ বিমানটি সন্তা ক্রুজ থেকে এল আলতো যাচ্ছিল। অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ে থেকে সরে গিয়ে মহাসড়কে আছড়ে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিস প্রধান পাভেল তোভার জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কতজন যাত্রী এবং কতজন ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির আরোহী ছিলেন তা নিশ্চিত করা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমান বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল সার্জিও লোরা বলেন, বিমানে ছয়জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, দুজন নিখোঁজ। দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া নতুন নোট সংগ্রহ করতে স্থানীয়দের ভিড়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড এপিনোজা জানান, নোটগুলোতে এখনও সিরিয়াল নম্বর বসানো হয়নি, ফলে সেগুলো কার্যকর মুদ্রা নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​২৬ দিনে ৮ বার ভূমিকম্পে কেঁপেছে দেশ, বাড়ছে উদ্বেগ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/847</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 14:31:53 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/847</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে মাত্র ২৬ দিনের ব্যবধানে দেশে ৮ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সর্বশেষ বুধবার রাত ১০টা ৫১ মিনিটে মিয়ানমারে উৎপত্তি হওয়া ৫.১ মাত্রার মাঝারি ভূমিকম্পে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১২৯ কিলোমিটার গভীরে। তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও ঘন ঘন কম্পনে আতঙ্ক বাড়ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাসের শুরুতে ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার কম্পন দিয়ে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিনবার ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার কম্পন ছিল। এরপর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেট এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, ছোট ও মাঝারি মাত্রার ঘন ঘন কম্পন বড় ভূমিকম্পের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। বাংলাদেশ ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে থাকায় ঝুঁকি বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বিল্ডিং কোড মানা, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​৯ গুণীজন ও এক প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক ২০২৬ প্রদান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/846</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 13:53:53 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/846</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে &amp;lsquo;একুশে পদক ২০২৬&amp;rsquo; প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি পদক, সনদ ও সম্মাননার অর্থ তুলে দেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদকপ্রাপ্তরা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিনয়: ফরিদা আক্তার ববিতা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চারুকলা: অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থাপত্য: স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংগীত (মরণোত্তর): আইয়ুব বাচ্চু&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৃত্য: অর্থী আহমেদ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পালাগান: ইসলাম উদ্দিন পালাকার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাংবাদিকতা: শফিক রেহমান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষা: অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভাস্কর্য: তেজস হালদার জস&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রথমবারের মতো একটি ব্যান্ড দল হিসেবে &amp;lsquo;ওয়ারফেজ&amp;rsquo; একুশে পদক গ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁদের অবদান নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও সৃজনশীলতায় উদ্বুদ্ধ করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর আজ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/845</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Feb 2026 09:41:54 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/845</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ নিহত হন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গতবছর বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভীষিকাময় ও শোকাবহ এ দিনটি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৯ সালে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ গুম এবং পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালানো হয়। দেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ওই নৃশংস ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর প্রথম বড় ধরনের আঘাত হিসেবেই মূল্যায়ন করে থাকেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ভয়াবহ ঘটনায় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শপথ গ্রহণকারী দেশের সুরক্ষা কবচ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হারায় তার মেধাবী ও দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের, যা সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর মনোবলে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ দিনটি শুধু বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, &amp;lsquo;২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি &amp;lsquo;শহীদ সেনা দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল, নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।&amp;rsquo;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: মায়ের পর কিশোর শাওনের মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/844</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 12:51:34 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/844</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে মায়ের পর এবার ১৬ বছর বয়সী শাওন মারা গেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, দগ্ধদের ঢাকায় আনার পথে শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানীর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল দু&amp;rsquo;জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সাখাওয়াত ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের ১০০ শতাংশ, শিপনের ৮০ শতাংশ, সামিরের ৪৫ শতাংশ, আয়েশার ৪৫ শতাংশ, স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাছের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, সোমবার ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের &amp;lsquo;হালিমা মঞ্জিল&amp;rsquo; ভবনের তৃতীয় তলায় জমে থাকা গ্যাস থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটে। পরে দগ্ধদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | চট্টগ্রাম]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​‘এল মেনচো’ নিহতের পর মেক্সিকোজুড়ে সহিংসতা, নিহত ২৫ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/843</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 09:43:02 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/843</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;মেক্সিকোর &amp;lsquo;মোস্ট ওয়ান্টেড&amp;rsquo; মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগুয়েরা কার্ভান্তেস ওরফে &amp;lsquo;এল মেনচো&amp;rsquo; নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, দেশটির ৩২টি রাজ্যের মধ্যে অন্তত ২০টিতেই সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে মেক্সিকোর ন্যাশনাল গার্ডের অন্তত ২৫ সদস্য নিহত হয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মেক্সিকান বিশেষ বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান এল মেনচো। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন শহরে অশান্তি ও নাশকতা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমাঞ্চলে ২ হাজার ৫০০ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিকার্ডো ট্রেভিলা। সব মিলিয়ে রোববার থেকে ৯ হাজার ৫০০ সেনা মোতায়েনের তথ্য দিয়েছে সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিযানে এল মেনচোর ছয় দেহরক্ষী নিহত ও তিন সেনা আহত হয়েছেন। সহিংসতায় একজন কারারক্ষী, রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলির কার্যালয়ের এক সদস্য এবং তার অপরাধী চক্রের অন্তত ৩০ সদস্য নিহত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;জালিসকো নিউ জেনারেশন কার্টেল&amp;rsquo; (সিজেজিএন) প্রধান এল মেনচোর মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা বিভিন্ন শহরে সড়ক অবরোধ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/842</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 12:35:24 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/842</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ এ&amp;ndash;সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচিত পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করবেন। সংশোধিত সিটি করপোরেশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী তারা মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং বিধি অনুযায়ী ভাতা পাবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা দক্ষিণ: মো. আব্দুস সালাম&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা উত্তর: মো. শফিকুল ইসলাম খান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খুলনা: নজরুল ইসলাম মঞ্জু&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিলেট: আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নারায়ণগঞ্জ: মো. সাখাওয়াত হোসেন খান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজীপুর: মো. শওকত হোসেন সরকার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪&amp;rsquo;-এর ধারা ২৫ক অনুযায়ী এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৭! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/841</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 11:18:02 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/841</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে শিশুসহ ৭ জন দগ্ধ হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর বাসাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম জানায়, স্থানীয়রা দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | নগর সংবাদ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিয়ের দিনই দুই বোনের মৃত্যু, জোধপুরে শোকের ছায়া! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/840</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 15:01:01 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/840</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভারতের জোধপুরের মানাই গ্রামে নিজেদের বিয়ের দিন দুই বোনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শোভা (২৫) ও ভিমলা (২৩) নামে দুই বোন শুক্রবার রাত পর্যন্ত বিয়ের প্রস্তুতিতে অংশ নেন। পরে রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশের এডিসিপি (ওয়েস্ট) রোশান মীনা জানান, প্রাথমিক তদন্তে তাদের দেহে বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, পারিবারিকভাবে বিয়ে নিয়ে চাপ ছিল বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনদের একজন। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুপার এইটের লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি  শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/839</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 13:08:11 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/839</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দিনের আরেক ম্যাচে সুপার এইটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড। পাল্লেকেল্লেতে বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ৩টায় শুরু হবে ম্যাচটি। গ্রুপ পর্বে &amp;lsquo;বি&amp;rsquo; গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হয়ে সুপার এইটে ওঠে লঙ্কানরা। আর &amp;lsquo;সি&amp;rsquo; গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজকের ম্যাচ নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ইংলিশ শিবির। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে চলতি মাসেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল ইংল্যান্ড। সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাতে চায় তারা।&lt;br /&gt;
ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার হ্যারি ব্রুক বলেন&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;এখানে খেলে এবং এই কন্ডিশনে অভিজ্ঞতা অর্জন করে আমরা আত্মবিশ্বাসী। তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো একটি সিরিজ খেলেছি। আশা করছি সেই অভিজ্ঞতা আজ কাজে লাগবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুপার এইটের ফরম্যাট প্রসঙ্গে ব্রুক আরও বলেন,&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;সুপার এইটে আগের পয়েন্ট বহাল থাকছে না, তাই এটি একদম নতুন শুরু। আমরা সেটি মাথায় রেখেই খেলতে নামছি। কিছু পরিস্থিতিতে আরও সাহসী ক্রিকেট খেলতে হবে বলে মনে করি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​১০% থেকে বাড়িয়ে ১৫%: সব দেশের ওপর শুল্ক বাড়ালেন ট্রাম্প! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/838</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 11:29:11 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/838</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বিশ্বের সব দেশের আমদানি পণ্যের ওপর আরোপিত অস্থায়ী পারস্পরিক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গত বছর তার আরোপ করা শুল্ক বাতিলের সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরই তিনি নতুন এ ঘোষণা দেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে &amp;ldquo;বছরের পর বছর ঠকানো হয়েছে&amp;rdquo; এবং এখন থেকে আইনের আওতায় বাড়তি কর কার্যকর করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, নতুন ১৫ শতাংশ শুল্ক আগামী ১৫০ দিন কার্যকর থাকবে। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, এটিকে স্থায়ী রূপ দিতে তার প্রশাসন কাজ করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছর জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে বিশ্বের সব দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়, শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ট্রাম্প ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার করেছেন এবং কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া উচিত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানের অতর্কিত হামলা, টিটিপি ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/837</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Feb 2026 10:34:34 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/837</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আফগানিস্তানের অভ্যন্তর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় অতর্কিত হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তান সরকার নির্দিষ্ট কোনো স্থানের নাম প্রকাশ না করলেও জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টিটিপি ও সহযোগী আইএসের অন্তত সাতটি ক্যাম্প ও গোপন আস্তানায় অভিযান চালানো হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তাহার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজৌর জেলায় গাড়িবোমা হামলায় ১১ পাকিস্তানি সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার জন্য টিটিপিকে দায়ী করে ইসলামাবাদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত বছরের অক্টোবরেও আফগানিস্তানের গভীরে জঙ্গি আস্তানায় হামলা চালায় পাকিস্তান। দেশটির দাবি, আঞ্চলিক শান্তি ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সর্বশেষ হামলায় হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আফগানিস্তান সরকারও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এ হামলার ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে এবং পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​রাজধানী ঢাকার বাজারে আগুন! ভালো মানের এক হালি লেবুর দাম এখন ১০০-১২০ টাকা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/836</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 09:50:56 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/836</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;​রাজধানী ঢাকার বাজারে ভালো মানের এক হালি লেবুর দাম এখন ১০০-১২০ টাকা। আর ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের এক ডজন (১২টি) ডিমের দাম ১১০ টাকা। অর্থাৎ এক হালি লেবুর দামে এখন এক ডজন ডিম কেনা যাচ্ছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ বৃহস্পতিবার শুরু হলো পবিত্র রমজান মাস। এর আগেই বাজারে লেবুসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ, খেজুর, ব্রয়লার মুরগি ও বিভিন্ন ধরনের মাছ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার, আগারগাঁও তালতলা বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজার সময় ইফতারিতে অনেকেই লেবুর শরবত খান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুর দিকে বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এসব পণ্যের দাম বেড়েছে। অবশ্য এই সুযোগে কেউ কেউ অতিরিক্ত দামও রাখছেন। তবে সপ্তাহখানেক পর অধিকাংশ পণ্যের দাম কমে আসতে পারে বলে জানান তাঁরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজার সময় ইফতারিতে অনেকেই লেবুর শরবত খান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আগে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু ২০ থেকে ৪০ টাকায় কেনা যেত। সেই লেবু এখন ৬০ টাকার নিচে কেনা যায় না। আর একটু ভালো মানের ও বড় আকারের এক হালি লেবু কিনতে লাগছে ১২০ টাকা। অর্থাৎ একটি লেবুর দামই পড়ছে প্রায় ৩০ টাকা। গত বছর রোজা শুরুর আগে এক হালি লেবুর দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজার সময় ইফতারিতে অনেকেই লেবুর শরবত খান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আগে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু ২০ থেকে ৪০ টাকায় কেনা যেত। সেই লেবু এখন ৬০ টাকার নিচে কেনা যায় না।&lt;br /&gt;
ইফতারির বিভিন্ন উপকরণ তৈরির জন্য ভোক্তারা শসা, টমেটো, গাজর, বেগুন কেনেন। বাজারে বেগুন ও শসার দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল ধরনভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের বেগুনের দাম আরও বেশি। আর প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া টমেটো ও গাজরের দামও কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। গত বছরের এ সময়ের তুলনায় বেগুন, শসা, টমেটোর দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেশি রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাজারে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচের মতো নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে ৫৫-৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কৃষি মার্কেটের সবজি বিক্রেতা আব্বাস আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, &amp;lsquo;মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে লেবুর সরবরাহ কম। হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় লেবুর দাম বেড়েছে। আর শসা, টমেটোসহ অন্যান্য সবজির দাম বাড়ার তেমন কারণ নেই। কিন্তু চাহিদা বাড়ায় আড়তে (পাইকারি) দাম বেড়ে গেছে। পাইকারি দামের চেয়ে আমরা ১০-২০ টাকা লাভ রাখি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সপ্তাহ দুই আগে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকায়।&lt;br /&gt;
ব্রয়লারের কেজি ২০০ টাকা ছাড়াল&lt;br /&gt;
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষেরা আমিষের উৎস হিসেবে গরু, খাসি বা দামি মাছ তুলনামূলক কম খান। এর পরিবর্তে তাঁদের কাছে সহজলভ্য হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। কিন্তু রোজা শুরুর আগেই বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লারের দাম কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সপ্তাহ দুই আগে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকায়। এই সময়ে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়েছে। গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এক ডজন ডিমের দাম এখন ১০৫-১১০ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে লেবুর সরবরাহ কম। হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় লেবুর দাম বেড়েছে। আর শসা, টমেটোসহ অন্যান্য সবজির দাম বাড়ার তেমন কারণ নেই। কিন্তু চাহিদা বাড়ায় আড়তে (পাইকারি) দাম বেড়ে গেছে। পাইকারি দামের চেয়ে আমরা ১০-২০ টাকা লাভ রাখি।&lt;br /&gt;
সবজি বিক্রেতা আব্বাস আকন্দ&lt;br /&gt;
বিক্রেতারা জানান, মুরগির বাচ্চার দাম বেড়েছে। আর শীতে খামারে মুরগির মৃত্যুর কারণেও দামে প্রভাব পড়েছে। আর প্রতিবছর রোজার শুরুতে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বাড়ে। এটিও মূল্যবৃদ্ধির আর আরেকটি কারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবার মাছবাজারের খোঁজ নেওয়া যাক। চাষের তেলাপিয়া, পাঙাশ, পাবদা, কই, শিং, রুই, কাতলের দাম আগের চেয়ে কেজিতে ২০-৫০ টাকা বেড়েছে। যেমন গতকাল প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয়েছে ২২০-২৫০ টাকায়। কয়েক দিন আগে ছিল ২০০-২২০ টাকা। মাঝারি আকারের রুই বা কাতলা মাছ ৪০০ টাকার কমে কেনা যায় না। রোজা শুরুর আগে এভাবে মাছ-মুরগির দাম বাড়ায় কষ্ট বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশীয় ফলের মধ্যে ধরনভেদে কলার দাম ডজনে ৩০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া পেঁপে, পেয়ারা, বরই প্রভৃতি ফল আগের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
রাজধানীর পল্লবী এলাকার বাসিন্দা ও একটি পোশাক কারখানার কর্মী শামসুল ইসলাম বলেন, রোজার মধ্যে যেসব জিনিসের চাহিদা বেশি, সব কটির দাম বেড়েছে। এটা তো অস্বাভাবিক। রোজা এলে যেখানে দাম কমার কথা, সেখানে উল্টো দাম বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কয়েক দিন ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট চলছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।&lt;br /&gt;
ফলের দামও চড়া&lt;br /&gt;
রোজা শুরুর আগে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম বেড়েছে। বিদেশি ফলের মধ্যে রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে খেজুর, মাল্টা ও আপেলের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মাল্টা ও আপেলের। গতকাল এক কেজি মাল্টা ৩১০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর আপেল বিক্রি হয়েছে ৩৩০-৪০০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে মাল্টা ও আপেলের দাম কেজিতে ৫০-৮০ টাকা কম ছিল। দেশীয় ফলের মধ্যে ধরনভেদে কলার দাম ডজনে ৩০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া পেঁপে, পেয়ারা, বরই প্রভৃতি ফল আগের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজায় প্রয়োজনীয় ছোলা, অ্যাংকর ডাল, চিনির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়েছে। আর কয়েক দিন ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট চলছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বাজার প্রতিদিন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title> </title>
		<link>https://shomoybhela.com/835</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 09:38:14 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/835</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[​রাজধানী ঢাকার বাজারে ভালো মানের এক হালি লেবুর দাম এখন ১০০-১২০ টাকা। আর ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের এক ডজন (১২টি) ডিমের দাম ১১০ টাকা। অর্থাৎ এক হালি লেবুর দামে এখন এক ডজন ডিম কেনা যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ বৃহস্পতিবার শুরু হলো পবিত্র রমজান মাস। এর আগেই বাজারে লেবুসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ, খেজুর, ব্রয়লার মুরগি ও বিভিন্ন ধরনের মাছ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার, আগারগাঁও তালতলা বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজার সময় ইফতারিতে অনেকেই লেবুর শরবত খান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুর দিকে বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এসব পণ্যের দাম বেড়েছে। অবশ্য এই সুযোগে কেউ কেউ অতিরিক্ত দামও রাখছেন। তবে সপ্তাহখানেক পর অধিকাংশ পণ্যের দাম কমে আসতে পারে বলে জানান তাঁরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজার সময় ইফতারিতে অনেকেই লেবুর শরবত খান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আগে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু ২০ থেকে ৪০ টাকায় কেনা যেত। সেই লেবু এখন ৬০ টাকার নিচে কেনা যায় না। আর একটু ভালো মানের ও বড় আকারের এক হালি লেবু কিনতে লাগছে ১২০ টাকা। অর্থাৎ একটি লেবুর দামই পড়ছে প্রায় ৩০ টাকা। গত বছর রোজা শুরুর আগে এক হালি লেবুর দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজার সময় ইফতারিতে অনেকেই লেবুর শরবত খান। কিন্তু গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আগে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু ২০ থেকে ৪০ টাকায় কেনা যেত। সেই লেবু এখন ৬০ টাকার নিচে কেনা যায় না।&lt;br /&gt;
ইফতারির বিভিন্ন উপকরণ তৈরির জন্য ভোক্তারা শসা, টমেটো, গাজর, বেগুন কেনেন। বাজারে বেগুন ও শসার দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল ধরনভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের বেগুনের দাম আরও বেশি। আর প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া টমেটো ও গাজরের দামও কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। গত বছরের এ সময়ের তুলনায় বেগুন, শসা, টমেটোর দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেশি রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাজারে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচের মতো নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে ৫৫-৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কৃষি মার্কেটের সবজি বিক্রেতা আব্বাস আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, &amp;lsquo;মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে লেবুর সরবরাহ কম। হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় লেবুর দাম বেড়েছে। আর শসা, টমেটোসহ অন্যান্য সবজির দাম বাড়ার তেমন কারণ নেই। কিন্তু চাহিদা বাড়ায় আড়তে (পাইকারি) দাম বেড়ে গেছে। পাইকারি দামের চেয়ে আমরা ১০-২০ টাকা লাভ রাখি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সপ্তাহ দুই আগে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকায়।&lt;br /&gt;
ব্রয়লারের কেজি ২০০ টাকা ছাড়াল&lt;br /&gt;
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষেরা আমিষের উৎস হিসেবে গরু, খাসি বা দামি মাছ তুলনামূলক কম খান। এর পরিবর্তে তাঁদের কাছে সহজলভ্য হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। কিন্তু রোজা শুরুর আগেই বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লারের দাম কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সপ্তাহ দুই আগে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৬০-১৭০ টাকা। গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকায়। এই সময়ে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়েছে। গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এক ডজন ডিমের দাম এখন ১০৫-১১০ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে লেবুর সরবরাহ কম। হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় লেবুর দাম বেড়েছে। আর শসা, টমেটোসহ অন্যান্য সবজির দাম বাড়ার তেমন কারণ নেই। কিন্তু চাহিদা বাড়ায় আড়তে (পাইকারি) দাম বেড়ে গেছে। পাইকারি দামের চেয়ে আমরা ১০-২০ টাকা লাভ রাখি।&lt;br /&gt;
সবজি বিক্রেতা আব্বাস আকন্দ&lt;br /&gt;
বিক্রেতারা জানান, মুরগির বাচ্চার দাম বেড়েছে। আর শীতে খামারে মুরগির মৃত্যুর কারণেও দামে প্রভাব পড়েছে। আর প্রতিবছর রোজার শুরুতে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বাড়ে। এটিও মূল্যবৃদ্ধির আর আরেকটি কারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবার মাছবাজারের খোঁজ নেওয়া যাক। চাষের তেলাপিয়া, পাঙাশ, পাবদা, কই, শিং, রুই, কাতলের দাম আগের চেয়ে কেজিতে ২০-৫০ টাকা বেড়েছে। যেমন গতকাল প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয়েছে ২২০-২৫০ টাকায়। কয়েক দিন আগে ছিল ২০০-২২০ টাকা। মাঝারি আকারের রুই বা কাতলা মাছ ৪০০ টাকার কমে কেনা যায় না। রোজা শুরুর আগে এভাবে মাছ-মুরগির দাম বাড়ায় কষ্ট বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশীয় ফলের মধ্যে ধরনভেদে কলার দাম ডজনে ৩০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া পেঁপে, পেয়ারা, বরই প্রভৃতি ফল আগের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
রাজধানীর পল্লবী এলাকার বাসিন্দা ও একটি পোশাক কারখানার কর্মী শামসুল ইসলাম বলেন, রোজার মধ্যে যেসব জিনিসের চাহিদা বেশি, সব কটির দাম বেড়েছে। এটা তো অস্বাভাবিক। রোজা এলে যেখানে দাম কমার কথা, সেখানে উল্টো দাম বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কয়েক দিন ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট চলছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।&lt;br /&gt;
ফলের দামও চড়া&lt;br /&gt;
রোজা শুরুর আগে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম বেড়েছে। বিদেশি ফলের মধ্যে রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে খেজুর, মাল্টা ও আপেলের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মাল্টা ও আপেলের। গতকাল এক কেজি মাল্টা ৩১০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর আপেল বিক্রি হয়েছে ৩৩০-৪০০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে মাল্টা ও আপেলের দাম কেজিতে ৫০-৮০ টাকা কম ছিল। দেশীয় ফলের মধ্যে ধরনভেদে কলার দাম ডজনে ৩০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া পেঁপে, পেয়ারা, বরই প্রভৃতি ফল আগের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোজায় প্রয়োজনীয় ছোলা, অ্যাংকর ডাল, চিনির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়েছে। আর কয়েক দিন ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট চলছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বাজার প্রতিদিন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ দেশ, তালিকায় বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/834</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 12:24:03 +0600</pubDate>
		<category>সম্পাদকীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/834</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ছয়টি দেশ&amp;mdash;যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) গবেষণাটি নেচার সাসটেইনেবিলিটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহের সংকট দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর। জীবাশ্ম জ্বালানির বর্তমান ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গবেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, তবে শতকের মাঝামাঝি বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) চরম তাপের ঝুঁকিতে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই হার ছিল ২৩ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উচ্চ রেজুলেশনের জলবায়ু ও জনসংখ্যাভিত্তিক মডেল বিশ্লেষণ করে &amp;lsquo;কুলিং ডিগ্রি ডেইজ&amp;rsquo; (CDD) সূচকের মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। বছরে ৩ হাজারের বেশি CDD থাকা অঞ্চলকে &amp;ldquo;চরম তাপপ্রবণ&amp;rdquo; বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চরম তাপে বসবাসকারী সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশগুলো হলো&amp;mdash;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;ভারত&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাইজেরিয়া&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইন্দোনেশিয়া&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিপাইন&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় গড় তাপমাত্রা প্রকৃত ঝুঁকি আড়াল করে দিতে পারে। বাস্তবে দেশের বড় অংশের মানুষ এমন এলাকায় বসবাস করে, যেখানে দীর্ঘস্থায়ী ও বিপজ্জনক তাপমাত্রা নিয়মিত দেখা যায়, যা স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও জীবনযাপনে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপপ্রবাহের কারণে হিটস্ট্রোক, হৃদরোগজনিত চাপ ও কিডনি রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে&amp;mdash;বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে, যাদের শীতলীকরণ সুবিধা সীমিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এয়ার কন্ডিশনের চাহিদা বাড়তে থাকলে &amp;lsquo;কুলিং ট্র্যাপ&amp;rsquo; তৈরি হতে পারে&amp;mdash;কারণ এতে জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহৃত হলে জলবায়ু পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞানীদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারলে প্রাণঘাতী তাপসংকট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | পরিবেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বিশ্বকাপ নাটকে নতুন মোড়, টি-২০ বিশ্বকাপে এখনো  বাংলাদেশের সুযোগ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/833</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 10:17:34 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/833</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে চলমান নাটক এবার নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারত যেতে অস্বীকৃতি জানানো বাংলাদেশকে গত শনিবার বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয় আইসিসি। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে নতুন করে ক্ষীণ আশা দেখা দিয়েছে&amp;mdash;পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে আবার বিশ্বকাপে ফেরানো হতে পারে বাংলাদেশকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করার বিষয়টি বিবেচনায় নিচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। গতকাল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক শেষে বোর্ড প্রধান মহসিন নাকভি জানান, আগামী শুক্রবার বা সোমবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে তাদের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; গ্রুপে প্রথম সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। ওই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দাবির প্রেক্ষিতে তাদের সব ম্যাচ আয়োজন করা হতে পারে শ্রীলঙ্কায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, পাকিস্তান বাদ পড়লে বাংলাদেশকে সেই গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করলে &amp;ldquo;লজিস্টিকাল চ্যালেঞ্জ&amp;rdquo; মোকাবিলা তুলনামূলক সহজ হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপ বর্জন করা পাকিস্তানের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হতে পারে&amp;mdash;কারণ পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে তার জায়গায় খেলবে বাংলাদেশই। ফলে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিসিবি নতুন করে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন সবকিছু নির্ভর করছে পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের ওপর&amp;mdash;তারা বিশ্বকাপে থাকবে, নাকি সরে দাঁড়াবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, মৃত্যু ১৮ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/832</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 09:30:40 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/832</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রেকর্ড পরিমাণ তুষারপাতে রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি ঢেকে গেছে। বাতিল হয়েছে হাজার হাজার ফ্লাইট, বিদ্যুৎ&amp;ndash;বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন আট লাখের বেশি গ্রাহক। দুর্যোগে দেশজুড়ে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫টি অঙ্গরাজ্যে আবহাওয়া&amp;ndash;সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহাওয়ার এই তীব্রতা ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর&amp;ndash;পূর্বাঞ্চলের নিউইয়র্ক ও ম্যাসাচুসেটস থেকে দক্ষিণের টেক্সাস ও নর্থ ক্যারোলাইনা পর্যন্ত। বিভিন্ন এলাকায় ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হয়েছে এবং তাপমাত্রা নেমে গেছে মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তুষারঝড়ের কবলে পড়েছেন প্রায় ১১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে&amp;mdash;পাঁচজন। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিউইয়র্ক শহরে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন গভর্নর ক্যাথি হোকুল। শহরের বাসিন্দাদের প্রয়োজনে সহায়তা চাইতে বলেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। এছাড়া টেনেসি, লুইজিয়ানা, টেক্সাস, ম্যাসাচুসেটস ও কানসাস থেকেও মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তুষারঝড়ের কারণে রোববার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সোমবার আরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছে ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার ডটকম। একই সঙ্গে টেক্সাস থেকে ভার্জিনিয়া পর্যন্ত ৮ লাখ ২০ হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ&amp;ndash;বিচ্ছিন্ন ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়ের বলয় উত্তর&amp;ndash;পূর্বাঞ্চল থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের দিকে সরে গেলেও আর্কটিকের ঠান্ডা বাতাস আরও প্রবেশ করতে পারে। এতে উত্তর&amp;ndash;পূর্বাঞ্চলে আবারও ভারী তুষারপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কয়েক দিন তীব্র শীত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​লালমোহনে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/831</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 16:10:48 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/831</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ভোলার লালমোহনে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার গজারিয়া বাজারের ডা. আজাহার উদ্দিন কলেজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ভোলা বাস টার্মিনাল থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস চরফ্যাসনের উদ্দেশে রওনা দেয়। দুপুর ২টার দিকে গজারিয়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে অটোরিকশার চালকসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবর পেয়ে লালমোহন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, &amp;ldquo;ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​লালমোহনে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/830</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 16:10:47 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/830</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ভোলার লালমোহনে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার গজারিয়া বাজারের ডা. আজাহার উদ্দিন কলেজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ভোলা বাস টার্মিনাল থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস চরফ্যাসনের উদ্দেশে রওনা দেয়। দুপুর ২টার দিকে গজারিয়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে অটোরিকশার চালকসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবর পেয়ে লালমোহন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, &amp;ldquo;ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​গাজীপুরে দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, নারীসহ তিনজনের মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/829</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 15:24:00 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/829</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[গাজীপুরে দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে নয়নীপাড়া এলাকার রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহত নারীর নাম হাফেজা খাতুন মালা (২৫)। তিনি গাজীপুরের কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ নতুন সোমবাজার এলাকার মোজাম্মেল হকের মেয়ে। তাৎক্ষণিকভাবে তার দুই সন্তানের পরিচয় জানা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে মালা তার দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনের দিকে দৌড়ে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও দুই সন্তান নিহত হন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পূবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, &amp;ldquo;এক নারী দুই সন্তান নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিপাইনে ফেরি ডুবে নিহত ১৫, এখনো নিখোঁজ অন্তত ৪৩! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/828</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 10:47:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/828</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে যাত্রীবাহী একটি ফেরি ডুবে গেছে। দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ৪৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (স্থানীয় সময় ভোরে) বাসিলান প্রদেশের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দেওয়া &amp;lsquo;ত্রিশা কেরস্টিন ৩&amp;rsquo; নামের ফেরিটি যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পরই ডুবে যায়।&lt;br /&gt;
ফেরিটিতে মোট ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি জানান, উদ্ধার তৎপরতায় গতি আনতে মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুর্ঘটনার কারণ অজানা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কী কারণে ফেরিটি ডুবে গেছে&amp;mdash; তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে উদ্ধার অভিযানই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: এএফপি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও দেশে বাড়তি দামে বিক্রি চাল-ডাল-তেল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/827</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 09:17:34 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/827</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রমজান সামনে রেখে বাজারে ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো থাকলেও কিছু পণ্যের দাম এখনও তুলনামূলক বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমলেও দেশের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে&amp;mdash;গত বছরের তুলনায় কিছু পণ্য বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত &amp;lsquo;দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা&amp;rsquo; টাস্কফোর্সের দশম সভায় কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মো. মাহবুবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনসহ সংশ্লিষ্টরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে দেখা গেছে&amp;mdash;আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত পাম অয়েলের দাম ১১.৮২ শতাংশ কমলেও দেশের বাজারে তা গত বছরের তুলনায় ০.৬৪ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবার অস্ট্রেলিয়ান মশুর ডাল আন্তর্জাতিক বাজারে ৩০.৯২ শতাংশ এবং ভারতীয় মশুর ডাল ৯ শতাংশ কমলেও দেশে মাঝারি দানার মশুর ডাল ১০.৮৭ শতাংশ ও ছোট দানার মশুর ডাল ২৪.৫৩ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চালের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কম হলেও দেশে মোটা চাল ৮.৫৭ শতাংশ, মাঝারি চিকন চাল ২.৪৪ শতাংশ এবং চিকন চাল ০.৬৫ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে পেঁয়াজ ২২.৬২ শতাংশ কমলেও দেশে তা ২৪.১৪ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদিও চিনি ও ছোলাসহ কিছু পণ্যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের বাজারেও দামের সামঞ্জস্য দেখা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে চিনির দাম গত বছরের তুলনায় ১৪.৯৮ শতাংশ কমেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভা শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এবারের রমজানে কিছু পণ্যের দাম কমবে। তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এবার নিত্যপণ্যের গড় আমদানি ৪০ শতাংশ বেশি। ফলে বাজার পরিস্থিতি আগের বছরের তুলনায় বেশি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবো: তারেক রহমান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/826</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 18:01:05 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/826</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণ পাশে থাকলে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কঠোর হস্তে দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এতে সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষ নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার দুপুরে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, &amp;ldquo;আমরা যতই পরিকল্পনা গ্রহণ করি না কেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না হলে কোনো পরিকল্পনা সফল হবে না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে এবং অপরাধী যে-ই হোক, দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে সারা দেশে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ। বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনসহ অন্যান্য নেতারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জনসভা শেষে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা / রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​​এমবাপ্পের জোড়া গোলে ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/825</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 13:06:37 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/825</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;লা লিগায় কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ভিয়ারিয়ালের মাঠে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই জয়ে বার্সেলোনাকে টপকে শীর্ষে উঠে গেছে লস ব্লাঙ্কোসরা।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার রাতে ম্যাচের প্রথমার্ধে রিয়াল আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পায়নি। ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক লুইস জুনিয়র আর্দা গুলের ও এমবাপ্পের প্রচেষ্টা রুখে দেন। অন্যদিকে স্বাগতিকরাও কয়েকটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাট-ব্যাক থেকে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। যোগ করা সময়ে পেনাল্টিতে পানেনকা শটে দ্বিতীয় গোল করে জয়ের ব্যবধান নিশ্চিত করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই জয়ে টানা পঞ্চম ম্যাচে জয় পেল রিয়াল। ২১ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে তারা শীর্ষে, এক ম্যাচ কম খেলা বার্সা দুই পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ভিয়ারিয়াল ২০ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ঠাকুরগাঁওয়ে ৩.৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/824</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 10:48:52 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/824</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৩ কিলোমিটার পূর্বে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফা জানান, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৩৩১ কিলোমিটার দূরে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূমিকম্পবিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, এটি সম্ভবত অগভীর ভূমিকম্প ছিল এবং বেশিরভাগ মানুষ তা তেমন অনুভব করেননি। তবে ফেসবুকে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক বাসিন্দা ঝাঁকুনি অনুভব করার কথা জানিয়েছেন। বিশেষ করে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল এলাকায় বেশি কম্পন অনুভূত হয় বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​তিন সপ্তাহ ধরে এলপিজি সংকট, দ্বিগুণ দামে মিলছে না সিলিন্ডার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/823</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 10:19:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/823</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ সংকট চলছে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে। সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না, বরং অনেক জায়গায় দাম দ্বিগুণ হলেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ মিলছে না।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর ওপর রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সংকট নতুন করে ভোগান্তি বাড়িয়েছে। লাইনে গ্যাস না পেয়ে অনেক গ্রাহক এলপিজি কিনতে ছুটছেন, কিন্তু বাজারে তা পর্যাপ্ত নেই।&lt;br /&gt;
খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রোববার (২৫ জানুয়ারি) থেকে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়তে পারে, তবে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার নির্ধারিত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১,৩০৬ টাকা হলেও বিভিন্ন এলাকায় তা বিক্রি হচ্ছে&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২,০০০ টাকা&lt;br /&gt;
২,২০০ টাকা&lt;br /&gt;
২,২৫০ টাকা&lt;br /&gt;
এমনকি ২,৫৫০ টাকা পর্যন্ত&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মোহাম্মদপুরের এক গ্রাহক জানান, &amp;ldquo;মাসে গ্যাস বিল দিয়েও আবার আড়াই হাজার টাকায় এলপিজি কিনতে হচ্ছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ নেই&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশে এলপিজির গ্রাহক এক কোটির বেশি। রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় এলপিজির প্রায় ৮০ শতাংশ।&lt;br /&gt;
জাতীয় নির্বাচন ও রমজান সামনে রেখে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় আমদানি বাড়ানোর নির্দেশনা দিলেও জানুয়ারির শেষ দিকেও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানুয়ারিতে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন&lt;br /&gt;
ফেব্রুয়ারিতে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১০০ টন&lt;br /&gt;
এলপিজি আমদানির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;পাইপলাইন গ্যাসেও চাপ কম&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিতাস গ্যাস সূত্র জানায়, দৈনিক চাহিদা ১৮০ কোটি ঘনফুটের বেশি, কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে ১৪৫ কোটি ঘনফুটের মতো, ফলে ঢাকার অনেক এলাকায় চুলায় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;
এদিকে পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। পরে সরবরাহ চালু হলেও চাপ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।&lt;br /&gt;
গ্যাস-এলপিজির দ্বিমুখী সংকটে নগরবাসীর রান্না ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎচালিত চুলায় রান্না করছেন, ফলে বাজারে এ ধরনের চুলার দামও বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ফাইনালে তানজিদ তামিমের ঝড়ো সেঞ্চুরি, প্রথম শিরোপা রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/822</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 10:47:57 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/822</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বিপিএল দ্বাদশ আসরের ফাইনালে জ্বলে উঠলেন তানজিদ হাসান তামিম। যিনি আগের ১২ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র একটি ফিফটি, সেই তামিম ফাইনালে খেললেন বিধ্বংসী ইনিংস&amp;mdash;মাত্র ৬২ বলে ১০০ রান। তার সেঞ্চুরিতে ভর করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স তোলে ১৭৪ রান।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জবাবে রাজশাহীর বোলারদের দুর্দান্ত সম্মিলিত পারফরম্যান্সে চট্টগ্রাম রয়্যালস গুটিয়ে যায় মাত্র ১১১ রানে। ফলে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয় নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই জয়ের মাধ্যমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স তাদের ইতিহাসে প্রথমবার বিপিএল শিরোপা জিতল। যদিও ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল&amp;mdash;অর্থাৎ রাজশাহী নামের এটি দ্বিতীয় শিরোপা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;তামিমের রেকর্ড&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফাইনালের এই সেঞ্চুরির ফলে তানজিদ হাসান তামিম বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিপিএলে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরির মালিক হয়ে গেলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;টুর্নামেন্টজুড়ে দেশি ক্রিকেটারদের আধিপত্য&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের বিপিএলজুড়ে ব্যাটিং-বোলিং&amp;mdash;দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়েছেন দেশি ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দুই তারকা ছিলেন শীর্ষে&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;🏏 সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পারভেজ হোসেন ইমন (সিলেট টাইটান্স) &amp;ndash; ১২ ইনিংসে ৩৯৫ রান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাওহিদ হৃদয় (রংপুর রাইডার্স) &amp;ndash; ১১ ইনিংসে ৩৮২ রান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তানজিদ হাসান তামিম (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) &amp;ndash; ১৩ ইনিংসে ৩৫৬ রান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাজমুল হোসেন শান্ত (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) &amp;ndash; ১৩ ইনিংসে ৩৫৫ রান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডেভিড মালান (রংপুর রাইডার্স) &amp;ndash; ৯ ইনিংসে ৩০০ রান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;🎯 সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শরিফুল ইসলাম (চট্টগ্রাম রয়্যালস) &amp;ndash; ১২ ইনিংসে ২৬ উইকেট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাসুম আহমেদ (সিলেট টাইটান্স) &amp;ndash; ১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিনুরা ফার্নান্দো (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) &amp;ndash; ১১ ইনিংসে ১৮ উইকেট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রিপন মন্ডল (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) &amp;ndash; ৮ ইনিংসে ১৭ উইকেট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;⭐ ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে ছিলেন অনবদ্য। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট&amp;mdash;টুর্নামেন্টের সেরা বোলিং ফিগারও ছিল তারই। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে তিনি জিতেছেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সময়ভেলা স্পোর্টসঃ&lt;/strong&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​অষ্টগ্রামে বিএনপির জনসভায় চেয়ার বসা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/821</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 10:23:12 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/821</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় চেয়ার বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ-৪ (অষ্টগ্রাম-ইটনা-মিঠামইন) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় কাস্তুল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম কিসমতের নেতৃত্বে একটি মিছিল উপস্থিত হয়। এ সময় সভাস্থলে বসা নিয়ে ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে যুবদল কর্মীদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একপর্যায়ে উত্তেজনা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমতসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। তবে অপর পক্ষের দাবি, তাদেরও ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে অসুস্থতার কারণে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জনসভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অষ্টগ্রাম থানার ওসি সোয়েব খান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইরান ঘিরে উত্তেজনা, কাতারে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন যুক্তরাজ্যের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/820</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 09:51:58 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/820</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইরানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারে কাতারে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে যুক্তরাজ্য। দোহা শহরের কাছে আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার যুক্তরাজ্য সরকার জানায়, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কাতার সরকারের আমন্ত্রণে এই মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, টাইফুনগুলো যৌথ আরএএফ&amp;ndash;কাতারি ইউনিট ১২ স্কোয়াড্রন-এর অংশ হিসেবে কাজ করবে, যার মূল লক্ষ্য উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা জোরদার করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, এই অংশীদারত্ব দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন (এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ স্ট্রাইক গ্রুপ) আগামী সপ্তাহের শুরুতে উপসাগরে পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি প্যাট্রিয়ট ও থাড (THAAD) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জামও পাঠানো হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা মোকাবিলায় বাড়তি প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরির উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যের এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ ড্রোন প্রতিহত করতে টাইফুন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, আল উদেইদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সদর দপ্তর রয়েছে এবং অতীতে এই ঘাঁটিতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিলেন তারেক রহমান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/819</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 13:33:23 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/819</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান পৌঁছেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২৮ মিনিটে তিনি সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভার মঞ্চে উপস্থিত হন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নেতা&amp;ndash;কর্মীরা &amp;lsquo;তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম&amp;rsquo;, &amp;lsquo;ভোট দেব কিসে&amp;mdash;ধানের শীষে&amp;rsquo;সহ বিভিন্ন স্লোগানে মাঠ মুখর করে তোলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে জনসভা শুরু হয়। সিলেট জেলা ও মহানগর এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এই জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জনসভা সঞ্চালনা করছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। সভায় দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিলেটের জনসভা শেষে তারেক রহমান সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। পথে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত আরও ছয়টি নির্বাচনী জনসভায় তিনি অংশ নেবেন। এসব সমাবেশে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর বিএনপি-মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকারী কর্মচারিদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ বিশেষজ্ঞদের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/818</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Jan 2026 12:52:18 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/818</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডে বর্তমানে ৮ হাজার ২০০ টাকা মূল বেতন বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডে ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। তবে গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ২১ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে কার্যকর হবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে পুরোপুরি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কমিশন সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় ও ক্রয়ক্ষমতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনলাইনে পরিচালিত এক জরিপে অংশ নেওয়া দুই লাখ ৩৬ হাজারের বেশি মানুষের মতামতও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাবদ চলতি অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রস্তাবে বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাতায়াত ভাতা দশম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সম্প্রসারণ এবং নিম্ন গ্রেডে তুলনামূলক বেশি বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পেনশনভোগীরাও পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন প্রায় ১০০ শতাংশ, ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পাওয়া ব্যক্তিদের ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য ১০ হাজার টাকা এবং কম বয়সীদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের একাংশ এই বেতন বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, এত বড় পরিসরে বেতন বাড়ালে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান না বাড়লে এই বেতন বৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নাও হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ আশ্বস্ত করে বলেন, বেতন বৃদ্ধির ফলে বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ নেবে। তবে তিনি স্বীকার করেন, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সব মিলিয়ে নতুন পে-স্কেল সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য স্বস্তির বার্তা দিলেও, বিপুল ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে অর্থনীতিতে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকারিভাবে নির্ধারিত হলো মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/817</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 17:40:07 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/817</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা&amp;ndash;২০২৫ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন নীতিমালায় মসজিদে কর্মরত খতিব ছাড়া অন্যান্য জনবলের গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। সিনিয়র পেশ ইমামকে ৫ম, পেশ ইমামকে ৬ষ্ঠ ও ইমামকে ৯ম গ্রেডে বেতন দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া মুয়াজ্জিন, খাদিমসহ অন্যান্য পদের বেতনও গ্রেডভিত্তিক নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নীতিমালায় মসজিদ কর্মীদের আবাসন, মাসিক সঞ্চয়, চাকরি শেষে সম্মাননা এবং ছুটি সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতি মাসে সর্বোচ্চ চারদিন সাপ্তাহিক ছুটি ও বছরে ২০ দিনের নৈমিত্তিক ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়োগের ক্ষেত্রে সাত সদস্যের বাছাই কমিটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদে নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই নীতিমালা জারির মাধ্যমে ২০০৬ সালের মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইউরোপ কোনো হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না: ট্রাম্পকে কড়া বার্তা মাক্রোঁর </title>
		<link>https://shomoybhela.com/816</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 16:08:13 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/816</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইউরোপ কোনো ধরনের হুমকি, ভয়ভীতি বা জবরদস্তির কাছে মাথা নত করবে না&amp;mdash;এমন স্পষ্ট ও কড়া বার্তা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ। গ্রিনল্যান্ড দখলের অনুমতি না দিলে ইউরোপের ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প&amp;ndash;এর তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম&amp;ndash;এর মঞ্চে মাক্রোঁ বলেন, &amp;ldquo;আমরা জবরদস্তিকারীদের চেয়ে সম্মানকে এবং শক্তির রাজনীতির চেয়ে আইনের শাসনকে বেশি গুরুত্ব দিই।&amp;rdquo; তিনি জোর দিয়ে বলেন, &amp;lsquo;শক্তিশালী পক্ষের আইন&amp;rsquo; মেনে নিলে ইউরোপ কার্যত পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাক্রোঁ ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজন হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পাল্টা কঠোর বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নিতে পারে। তিনি ইইউর &amp;lsquo;অ্যান্টি-কোয়ার্সন ইনস্ট্রুমেন্ট&amp;rsquo;&amp;mdash;যা অনানুষ্ঠানিকভাবে &amp;lsquo;ট্রেড বাজুকা&amp;rsquo; নামে পরিচিত&amp;mdash;ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি টেন্ডার, প্রযুক্তি ও পরিষেবা খাতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;ldquo;শুল্ককে আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা মৌলিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত ফ্রান্সসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের ওপর ধাপে ধাপে শুল্ক আরোপ করা হবে। ইউরোপীয় নেতারা একে &amp;lsquo;ব্ল্যাকমেইল&amp;rsquo; হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা আগামী বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে বসবেন। এদিকে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাক্রোঁর পাঠানো একটি ব্যক্তিগত বার্তার স্ক্রিনশট প্রকাশ করায় কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে ফ্রান্স।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাক্রোঁ জানান, দাভোসে ট্রাম্প উপস্থিত থাকলেও তার সঙ্গে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়–পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/815</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 15:19:14 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/815</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা&amp;ndash;র ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক&amp;ndash;এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (২১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১&amp;ndash;এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগ পাঠ করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেন। এর মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। মামলার সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন পলক; তাকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অপর আসামি সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম শুনানিতে অংশ নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে জয়ের নির্দেশে পলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি দেন। এর পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও হত্যায় সহায়তার অভিযোগও আনা হয়েছে। এসব ঘটনায় রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ অন্তত ২৮ জন নিহত হন। উত্তরা এলাকায় সংঘটিত আরও ৩৪টি হত্যায় সহায়তার অভিযোগও রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন। ১০ ডিসেম্বর জয়ের আত্মসমর্পণের জন্য জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​না ফেরার দেশে অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/814</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 13:17:54 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/814</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে বুধবার (২১ জানুয়ারি) তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। তিনি জানান, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ চিরবিদায় নেন এই বরেণ্য অভিনেতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৬৪ সালে উর্দু ছবি &amp;lsquo;নয়ি জিন্দেগি&amp;rsquo; দিয়ে নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ইলিয়াস জাভেদের। ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত &amp;lsquo;পায়েল&amp;rsquo; সিনেমার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। নৃত্য পরিচালক হিসেবেও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন তিনি। তার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিনয় জীবনে শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই অভিনেতা *&amp;lsquo;নিশান&amp;rsquo;*সহ বহু ছবিতে স্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্ম নেওয়া ইলিয়াস জাভেদ ১৯৮৪ সালে চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে বিয়ে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​শহীদ শরিফ ওসমান হাদির পরিবারের জন্য ফ্ল্যাট কিনতে ১ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/813</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 12:25:53 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/813</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি&amp;ndash;র পরিবারের জন্য ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে এক কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, লালমাটিয়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন &amp;lsquo;দোয়েল টাওয়ার&amp;rsquo;&amp;ndash;এ ১ হাজার ২১৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনা হবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার অর্থ বিভাগের উত্থাপিত প্রস্তাব অনুমোদন দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, অনুদানের অর্থে কেনা ফ্ল্যাটে শহীদ হাদির স্ত্রী ও সন্তানরা বসবাস করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অর্থ বিভাগ জানায়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পর শহীদের স্ত্রী ও সন্তানের পরিচয় নিশ্চিত সাপেক্ষে অনুদান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, ঢাকা&amp;ndash;৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান বিন হাদি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তার পরিবারের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে বলে আশ্বাস দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ছাড়, ১০ বছরে পরিশোধের সুযোগ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/812</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 11:22:26 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/812</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এই খাতের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ১০ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে, যার মধ্যে থাকবে ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জারি করা সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ইউরোপে সামরিক অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের নগদ প্রবাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত পুনঃতফসিলের জন্য আবেদন করা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলে মোট ঋণের ৩ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে হবে। আগে পুনঃতফসিল করা ঋণ নতুন করে পুনর্গঠনে ডাউন পেমেন্ট লাগবে ২ শতাংশ। গ্রেস পিরিয়ডে শুধু সুদ পরিশোধ করতে হবে, মূল ঋণ কিস্তিতে পরিশোধ শুরু হবে পরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জালিয়াতি বা ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। তবে পুনঃতফসিল থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন ঋণ নিতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/811</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 10:56:41 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/811</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশে কর্মরত নিজেদের কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার পর্যায়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা পিটিআই।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;ভারতের প্রধান হাইকমিশন ঢাকায় অবস্থিত। পাশাপাশি খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশনে কর্মরত কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের পর্যায়ক্রমে ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়&amp;ndash;এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব ভারতীয় কূটনৈতিক মিশন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে এবং নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাহার কেবল সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে ভারতের এই সিদ্ধান্তকে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ঢাকা পোস্ট&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​১০ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত, জামায়াত পাবে ২১৫ আসন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/810</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 09:55:37 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/810</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের আসন বণ্টন প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। জোট সূত্রে জানা গেছে, ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৪ আসনে সমঝোতা হয়েছে এবং ৬টি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামী সর্বাধিক ২১৫টি আসনে নির্বাচন করবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পাবে ২৯টি আসন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জোটের আওতায় ২৩টি আসনে একক প্রার্থী দেবে, তবে উন্মুক্ত ভিত্তিতে আরও ৬টি আসনে অংশ নেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ২ এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি আসনে নির্বাচন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দীর্ঘ আলোচনার পর জোটের সঙ্গে সমঝোতায় না পৌঁছানোয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটি ইতোমধ্যে ২৫৯ আসনে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জোট নেতারা জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী ভোট বিভক্তি ঠেকাতেই এই আসন সমঝোতা করা হয়েছে। বুধবারের মধ্যেই জোটের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত আসন তালিকা প্রকাশ করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয় নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ, অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/809</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 09:28:28 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/809</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ডোনাল্ড ট্রাম্প&amp;ndash;এর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজার হাজার শ্রমিক ও শিক্ষার্থী ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ডিসি, নর্থ ক্যারোলিনা, ওহিওসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মিনিয়াপলিসে সাম্প্রতিক এক অভিবাসন অভিযানে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টের গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক রেনি গুড নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ আরও তীব্র হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিনিয়াপলিসের বিক্ষোভে &amp;lsquo;নো আইস, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ&amp;rsquo; স্লোগানে রাজপথ মুখরিত হয়। ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী এবং নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফে-তে হাইস্কুল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে সমাবেশে অংশ নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইনডিভিবল ও ৫০৫০১-এর মতো রাজনৈতিক সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন ও তৃণমূল গোষ্ঠীগুলো এসব বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয়। তারা অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোর মানবিক সংকট ও সেখানে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, অবৈধ অভিবাসন রোধে তারা ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে। তবে দেশজুড়ে চলমান এই বিক্ষোভ প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইভ্যালির রাসেল ও শামীমা গ্রেপ্তার, ৩৯১ ওয়ারেন্টের তথ্য! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/808</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 17:23:04 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/808</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ&amp;ndash;এর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে মোট ৩৯১টি গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্টের তথ্য রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ডিবির একটি দল তাদের গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিবি সূত্র জানায়, ধানমন্ডি, কাফরুল ও সাভার থানায় দায়ের করা একাধিক মামলায় তাদের বিরুদ্ধে তিন শতাধিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। শুধু ধানমন্ডি থানাতেই রয়েছে শতাধিক পরোয়ানা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থেকে শামীমা নাসরিন ও মোহাম্মদ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​শেখ হাসিনার সাবেক পিয়নের পৌনে ২ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ, স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/807</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 17:10:56 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/807</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা&amp;ndash;র সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (পিয়ন) জাহাঙ্গীর আলমের নামে থাকা প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকার জমি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী কামরুন নাহারের নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আবেদনের পর ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলমের নামে নোয়াখালীর সদর ও চাটখিলে ৩৫ শতাংশ জমি এবং মিরপুরে একটি ফ্ল্যাট জব্দ করা হয়েছে, যার মোট বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি কামরুন নাহারের সাতটি ব্যাংক হিসাবে থাকা এক কোটি তিন লাখ টাকার বেশি অর্থ অবরুদ্ধ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুদকের আবেদনে বলা হয়, জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে প্রায় ১৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৬২৬ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধেও প্রায় সাত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আদালত জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​সাভারে ছয় খুন: হত্যাকে ‘থার্টি ফোর’ বলত সিরিয়াল কিলার সম্রাট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/806</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 13:11:36 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/806</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সাভারে ধারাবাহিক ছয়টি হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া ভবঘুরে মশিউর রহমান সম্রাট (ছদ্মনাম) পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকে &amp;lsquo;থার্টি ফোর&amp;rsquo; বা &amp;lsquo;সানডে মানডে ক্লোজ&amp;rsquo; নামে উল্লেখ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনৈতিক যৌনাচারে লিপ্ত হতে দেখলেই তিনি ভবঘুরে নারী-পুরুষদের হত্যা করতেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাভার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন বলেন, সম্রাট মানসিক রোগী নন; অতিরিক্ত মাদকাসক্তির কারণে তিনি মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে হত্যা তার নেশায় পরিণত হয়। তার প্রকৃত পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি, ছদ্মনামে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এক বৃদ্ধাকে হত্যার পর সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনে আশ্রয় নেন সম্রাট। গত পাঁচ মাসে সেখান থেকে একের পর এক পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার হলেও প্রমাণের অভাবে তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে এক কিশোরীসহ দুজনকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে শনাক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার গ্রেপ্তারের পর সোমবার আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সম্রাট ছয়টি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। পুলিশ ধারণা করছে, এর বাইরেও আরও অপরাধে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বিপিএল সুপার ফোর শুরু আজ, এলিমিনেটরে মুখোমুখি রংপুর–সিলেট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/805</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 11:21:04 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/805</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বিপিএলে লিগ পর্ব শেষ হয়েছে দুদিন আগে। এক দিনের বিরতি শেষে আজ শুরু হচ্ছে সুপার ফোর পর্ব। বরাবরের মতোই নকআউট ধাপে জমে উঠেছে উত্তেজনা। আজকের দুটি ম্যাচই হাইভোল্টেজ হলেও সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে এলিমিনেটর ম্যাচে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এলিমিনেটরে মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্স ও সিলেট টাইটান্স। এই ম্যাচে পরাজিত দল সরাসরি বিপিএল থেকে বিদায় নেবে। কাগজে-কলমে এবারের শক্তিশালী দল রংপুরের বিদায় দেখতে চান না সমর্থকরা, আবার সিলেটের সমর্থকরাও আশা করছেন নিজেদের দলের জয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রংপুর শুরু থেকেই এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার মাথায় রেখে দল গঠন করেছে। বিদেশি তারকায় ভরপুর স্কোয়াড, ছন্দে ফেরা দেশি ক্রিকেটার এবং কোচ মিকি আর্থারের পরিকল্পনায় শেষ দুই ম্যাচ জিতে টেবিলের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে তারা। অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বে ডেভিড মালান ও তাওহীদ হৃদয়ের ওপেনিং জুটিও নজর কাড়ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে সিলেট টাইটান্স নকআউটের আগে বিদেশি শক্তি বাড়িয়েছে। ক্রিস ওকস ও স্যাম বিলিংসকে দলে ভিড়িয়েছে তারা। কোচ সোহেল ইসলামের বিশ্বাস, তারকা ক্রিকেটারদের উপস্থিতি ম্যাচে বাড়তি চাপ তৈরি করবে প্রতিপক্ষের ওপর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে কোয়ালিফায়ারে আজ লড়বে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও চট্টগ্রাম রয়্যালস। লিগ পর্বে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে রাজশাহী ছিল সবচেয়ে স্থিতিশীল দল, আর দেশি ক্রিকেটারনির্ভর চট্টগ্রামও খেলেছে চোখে পড়ার মতো ক্রিকেট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুপার ফোরের শুরুতেই তাই বিপিএল সমর্থকদের জন্য অপেক্ষা করছে টানটান উত্তেজনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ, কাল প্রতীক বরাদ্দ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/804</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 11:01:30 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/804</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার। তফশিল অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী বৈধ প্রার্থীরা লিখিত নোটিশের মাধ্যমে আজকের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের পর প্রার্থিতা প্রত্যাহার বা বাতিলের সুযোগ থাকবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসির তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ আসনে জমা পড়া ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির পর মোট ৪২৫টি মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয় নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত করছে সরকার, সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজারের প্রস্তাব! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/803</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 09:57:48 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/803</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রায় চূড়ান্ত করেছে পে-কমিশন। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হবে। প্রস্তাবিত পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন মূল বেতন দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে তাদের বেতন কাঠামো সংশোধন করা হয়েছিল। নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখা হলেও মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় বেতন বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২০তম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১৪৪ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। সচিবদের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় বরাদ্দ প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে ব্যয় আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ নিয়ে ব্যয়ের সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | জাতীয়&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​চিলিতে ভয়াবহ দাবানল, নিহত ১৯; জরুরি অবস্থা জারি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/802</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 09:15:19 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/802</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চিলির দক্ষিণাঞ্চলে অনিয়ন্ত্রিত দাবানলের তাণ্ডবে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দেশটির নিউবল ও বায়োবায়ো অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তীব্র বাতাস ও প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক উপদ্রুত এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন এবং উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে পেনকো শহরে, যেখানে মুহূর্তের মধ্যেই ঘরবাড়ি ও যানবাহন পুড়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রেসিডেন্ট বোরিক ক্ষতিগ্রস্ত কনসেপসিয়ন শহর পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন এবং কিছু এলাকায় রাতের কারফিউ জারি করেছেন। দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার অগ্নিনির্বাপক কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চিলির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশটিতে দাবানলের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মেরিন প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান স্ট্যালিনের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/801</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 16:25:37 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/801</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;জামালপুরে পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মেরিন প্রকৌশলী (এক্স ক্যাডেট) আশিকুজ্জামান স্ট্যালিন (২৫)। রোববার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে মেলান্দহ উপজেলার ডেফলা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ১২টার দিকে জামালপুর শহর থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে নানাবাড়ি ইসলামপুরে যাচ্ছিলেন স্ট্যালিন। পথে হঠাৎ এক পথচারী দৌড়ে রাস্তা পার হতে গেলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা গাছে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জামালপুর শহরের এম এ রশিদ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনায় আহত পথচারী বর্তমানে জীবিত আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের সাবেক ছাত্র আশিকুজ্জামান স্ট্যালিন ইউরোপের একটি শিপিং কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী, বন্ধু ও স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | সারাদেশ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​পাসপোর্ট র‍্যাংকিংয়ে সপ্তম দুর্বল অবস্থানে বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/800</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 12:59:50 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/800</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বিশ্বের দুর্বল পাসপোর্টগুলোর তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬ (জানুয়ারি সংস্করণ)&amp;ndash;এ এমন তথ্য উঠে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে পঞ্চম দুর্বল অবস্থানে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইনডেক্স অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে বিশ্বের মাত্র ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। ১০১টি অবস্থানের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৫তম। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগের ভিত্তিতে তৈরি এই র&amp;zwj;্যাংকিংয়ে টানা শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির নাগরিকরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তালিকার একেবারে নিচের দিকে রয়েছে পাকিস্তান, ইয়েমেন, ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের, যার অবস্থান ৫২তম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে বিশ্বের ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি গন্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​থাইল্যান্ডে ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ২২! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/799</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 12:38:56 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/799</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;থাইল্যান্ডে যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর নির্মাণাধীন উচ্চগতির রেল প্রকল্পের একটি ক্রেন ভেঙে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২২ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে ব্যাংকক থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত নাখোন রাতচাসিমা প্রদেশের সিখিও জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনটি রাজধানী ব্যাংকক থেকে উবন রাতচাথানির দিকে যাচ্ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় পুলিশ জানায়, চলন্ত ট্রেনের একটি বগির ওপর নির্মাণাধীন উচ্চগতির রেল প্রকল্পে ব্যবহৃত ক্রেন হঠাৎ ভেঙে পড়ে। এতে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয় এবং কিছু সময়ের জন্য আগুন ধরে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ কেটে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্টেট রেলওয়ে অব থাইল্যান্ড জানায়, ট্রেনটিতে যাত্রীর তালিকায় ১৯৫ জনের নাম ছিল। তবে প্রকৃত যাত্রীসংখ্যা যাচাই করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পরিবহনমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ ও নির্মাণকাজে গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানে বিক্ষোভে নিহত ২ হাজার: সরকারি কর্মকর্তা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/798</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 17:49:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/798</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ ও দমন-পীড়নের ফলে এই প্রাণহানি ঘটেছে।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;যদিও ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের এই সংখ্যা স্বীকার করেনি, তবে সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সময় বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী নিহত হন। এর আগে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাও ইরানে শত শত মানুষের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছিল।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এখন দেশটির বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক মহল ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সময়ভেলা | বিশ্ব&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ, আইসিসির অনুরোধেও অনড় বিসিবি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/797</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 16:46:36 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/797</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ নিয়ে মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেছে বিসিবি ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনায় বিসিবি স্পষ্টভাবে জানায়, নিরাপত্তা সংকটের কারণে তারা ভারতে ভ্রমণ করতে আগ্রহী নয় এবং ম্যাচগুলো স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানায়। তবে আইসিসি জানায়, টুর্নামেন্টের সূচি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে এবং বিসিবিকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দু&amp;rsquo;পক্ষ সম্ভাব্য সমাধান খুঁজতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, আইসিসির নিরাপত্তা মূল্যায়নে বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকির মাত্রা &amp;lsquo;মাঝারি থেকে উচ্চ&amp;rsquo; বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত সূচিতে ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতা ও একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইসরোর মহাকাশ মিশনে ধাক্কা, ১৬টি স্যাটেলাইট নিয়ে হারিয়ে গেছে ভারতীয় রকেট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/796</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 16:19:39 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/796</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে তাদের সর্বশেষ মহাকাশ মিশনে। ১৬টি স্যাটেলাইট বহনকারী পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (পিএসএলভি) যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ২০২৬ সালের প্রথম উৎক্ষেপণ অভিযান শুরু করে ইসরো। সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে পিএসএলভি-সি৬২ রকেট উৎক্ষেপণের প্রায় আট মিনিট পর তৃতীয় ধাপে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়, ফলে রকেটটি কক্ষপথচ্যুত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরো চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন জানান, মিশনের শেষ পর্যায়ে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে স্যাটেলাইটগুলো সঠিকভাবে কক্ষপথে স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্তে ব্যর্থতা বিশ্লেষণ কমিটি কাজ শুরু করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিশনে থাকা ১৬টি স্যাটেলাইটের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট ছিল, যার নাম &amp;lsquo;অন্বেষা&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলার বিকল্প বিবেচনায় ট্রাম্প প্রশাসন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/795</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 10:10:08 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/795</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের হুমকি অব্যাহত রেখেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তেহরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে বিমান হামলাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, কূটনীতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পছন্দ হলেও প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিধা করবেন না। সম্ভাব্য হামলার বিষয়টি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত আলোচনায় রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে কয়েক শ মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান সরকার একে &amp;lsquo;দাঙ্গা&amp;rsquo; হিসেবে আখ্যা দিলেও বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিহতদের বড় অংশই সাধারণ নাগরিক। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার নজির টেনে ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের &amp;lsquo;অজুহাত&amp;rsquo; হয়ে উঠতে পারে। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ প্রশাসনের একটি অংশ কূটনৈতিক&lt;br /&gt;
সমাধানের পক্ষে মত দিচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত বিমান হামলায় রূপ নেয় নাকি আলোচনার টেবিলে নিষ্পত্তি হয়&amp;mdash;সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির বড় প্রশ্ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় পিকআপে থাকা দুই ভাইসহ তিনজন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/794</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 17:28:11 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/794</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় শ্রমিকবাহী পিকআপ ভ্যানে থাকা দুই ভাইসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। সোমবার বিকেলে উপজেলার সোতাশী রেলগেটে দুর্ঘটনাটি ঘটে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতরা হলেন&amp;mdash;ময়না ইউনিয়নের বিলকরাইল গ্রামের ছায়ফার মোল্যার দুই ছেলে মো. জব্বার মোল্যা ও মো. মুছা মোল্যা এবং একই গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী জাহানারা বেগম। আহত শ্রমিকেরা ডোবরার একটি জুট মিলে কর্মরত বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পিকআপটি রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা ভাটিয়াপাড়াগামী ভাটিয়াপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেন ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ এবং পাঁচজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোয়ালমারী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, পিকআপ চালকের অসতর্কতার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজিত হলো-বিএমএএএ গেট টুগেদার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/793</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 12:05:24 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/793</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (BMAAA) উদ্যোগে ১০ জানুয়ারি,২০২৬ (শনিবার) অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আবেগঘন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান&amp;mdash; &amp;lsquo;Return to the Tide of Memories &amp;ndash; BMAAA Get Together 2026&amp;rsquo;। এই আয়োজন প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটদের স্মৃতিচারণ, বন্ধুত্বের নবায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে আসা সকল ব্যাচের অ্যালামনাই অংশ নেন। পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে উপস্থিত হয়ে তারা যেন আবার ফিরে যান ক্যাডেট জীবনের স্মৃতিময় দিনগুলোতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল ক্যাডেট প্যারেড, খেলাধুলা, আনন্দঘন আড্ডা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও সুস্বাদু আপ্যায়ন। শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদনমূলক আয়োজন এবং পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ এই পুনর্মিলনীকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, সিনিয়র ও জুনিয়রদের সঙ্গে একত্রে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম সোহরাওয়ার্দী বলেন, দক্ষ নাবিক তৈরিতে মেরিন একাডেমির অবদান গৌরবোজ্জ্বল। বিশ্ব নৌঅঙনে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে তুলতে সাবেক ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে এবং যেকোনো নাবিকের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত তাদের নৈতিক দায়িত্ব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেনারেল সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিবছর চাকরির বাজারে যৌক্তিক সংখ্যক ক্যাডেট অন্তর্ভুক্ত হওয়া জরুরি। নতুনদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা পুরোনো ও অভিজ্ঞ নাবিকদের দায়িত্ব বলেও তিনি মত দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাক্তন ক্যাডেটদের পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা এবং মেরিন একাডেমির গৌরবময় ঐতিহ্যকে নতুন করে উদযাপন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই আয়োজনের অন্যতম কো-স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল মেরিনার্স গ্রুপ। আয়োজকদের মতে, স্পন্সরদের সহযোগিতা অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
BMAAA Get Together 2026&amp;rsquo; শুধু একটি পুনর্মিলনী নয়, বরং এটি ছিল মেরিনারদের ঐক্য, বন্ধুত্ব ও গর্বের এক জীবন্ত প্রতিফলন&amp;mdash;যেখানে অতীতের স্মৃতি, বর্তমানের আনন্দ এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা এক স্রোতে মিলিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশেষ প্রতিবেদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​এল ক্লাসিকো ফাইনালে রিয়ালকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতল বার্সেলোনা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/792</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 10:17:26 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/792</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সৌদি আরবের জেদ্দায় মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকো ফাইনালে নাটকীয় লড়াই শেষে বার্সেলোনা ৩&amp;ndash;২ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। রাফিনহার জোড়া গোল ও রবার্ট লেভান্ডোভস্কির এক গোলেই স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা ঘরে তোলে কাতালান জায়ান্টরা।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩৬ মিনিটে রাফিনহার গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। বিরতির আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রিয়ালকে সমতায় ফেরান। যোগ করা সময়ে লেভান্ডোভস্কি বার্সাকে আবার এগিয়ে দিলেও বিরতির ঠিক আগে গঞ্জালো গার্সিয়া রিয়ালের হয়ে সমতা ফেরান (২&amp;ndash;২)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয়ার্ধে ৭৩ মিনিটে দানি অলমোর পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন রাফিনহা। শেষ পর্যন্ত ৩&amp;ndash;২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে বার্সেলোনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই জয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ইতিহাসে রেকর্ড ১৬তমবার শিরোপা জিতল বার্সা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, বিক্ষোভে নিহত ৫৩৮! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/791</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Jan 2026 09:42:34 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/791</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইরান পরিস্থিতি শুরু করেছে বলেই মনে হচ্ছে এবং বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;এয়ারফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প বলেন, &amp;ldquo;আমরা খুব কঠিন কয়েকটি বিকল্প বিবেচনায় রাখছি। সামরিক বাহিনী বিষয়টি নজরে রেখেছে। আমরা একটি সিদ্ধান্ত নেব।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর মধ্যেই ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩৮ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নিহতদের বেশির ভাগই বিক্ষোভকারী, যদিও এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুঁশিয়ারির জবাবে তেহরান পাল্টা সতর্কতা দিয়ে বলেছে, ইরানে হামলা হলে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, প্রতিবাদ জনগণের অধিকার হলেও &amp;lsquo;দাঙ্গাবাজদের&amp;rsquo; সমাজ অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেওয়া হবে না। গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু হয়ে দ্রুত রাজনৈতিক রূপ নেয় এবং দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | বিশ্ব&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​আগের মতো পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি নাসির উদ্দিন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/790</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 13:19:32 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/790</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ইনসাফ ও ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী এবং কমিশনের কাছ থেকে সবাই ন্যায্য বিচার পাবেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল আবেদনের বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি জানান, মনোনয়ন বৈধতা বা বাতিলের বিরুদ্ধে করা সব আপিলের নিষ্পত্তি হবে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায়। আপিল শুনানি হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলকভাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার আপিল আবেদনের চতুর্থ দিন চলছে। এ পর্যন্ত মোট ২৯৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল জমা দেওয়া যাবে। ১০ জানুয়ারি শুনানি শুরু হয়ে চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণে যুবক নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/789</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 11:21:31 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/789</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ককটেল বিস্ফোরণে সোহান বেপারী (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের ধারণা, ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারিকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহান বেপারী পার্শ্ববর্তী সাতগড়িয়া কান্দি এলাকার দেলোয়ার বেপারীর ছেলে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ভোরে বিকট শব্দের পর একটি রসুন ক্ষেতে সোহানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, মরদেহে ককটেল বিস্ফোরণের আলামত পাওয়া গেছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | সারাদেশ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেলের  জয়-জয়কার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/788</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 11:02:17 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/788</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত &amp;lsquo;অদম্য জবিয়ান ঐক্য&amp;rsquo; প্যানেলের ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় ৩৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. কানিজ ফাতিমা কাকলী।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিএস পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। এজিএস পদে মাসুদ রানা জয়ী হন ৫ হাজার ০০২ ভোট পেয়ে। তিনটি পদেই শিবির সমর্থিত প্যানেল বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জকসু]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​আজ থেকে সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/787</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 09:19:44 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/787</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য জারি করা নোটিশে জানানো হয়, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে। এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল ব্যবসায়ী সমিতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্যবসায়ীদের দাবি, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পরিবেশকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এলপিজির দাম সমন্বয় করেছে। পাশাপাশি প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানি ও জরিমানা বন্ধের দাবিও জানিয়েছে তারা। দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিক্রি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে বিইআরসির সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দাবি মানা হলে বিক্রি পুনরায় শুরু হবে, অন্যথায় বন্ধ থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/786</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 16:54:57 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/786</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। গত বছর (২০২৫) দেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সর্বশেষ একজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার আইইডিসিআরের মিলনায়তনে আয়োজিত &amp;lsquo;নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার ও ঝুঁকি&amp;rsquo; বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআরের পরিচালক তাহমিনা শিরীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইইডিসিআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা জানান, শীতকালে কাঁচা খেজুরের রস পান নিপাহ সংক্রমণের প্রধান কারণ। এছাড়া এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যেও ভাইরাস ছড়াতে পারে। নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তদের প্রায় ৭২ শতাংশের মৃত্যু ঘটে এবং এখনো এর কার্যকর চিকিৎসা বা টিকা নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইইডিসিআরের সংক্রামক রোগ বিভাগের সহযোগী বিজ্ঞানী ডা. সৈয়দ মঈনুদ্দিন সাত্তার জানান, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাটে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি। ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা নিপাহ প্রতিরোধে কাঁচা খেজুরের রস না পান করা, ফল ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির আলটিমেটামের খবর মিথ্যা: বিসিবি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/785</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 16:45:55 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/785</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না&amp;mdash;এমন অবস্থান জানিয়ে আইসিসিকে ইমেইল পাঠালেও পয়েন্ট কাটা বা বাধ্যতামূলকভাবে ভারতে খেলতে হবে&amp;mdash;এমন কোনো আলটিমেটাম পায়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বোর্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবি জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত আইসিসির কঠোর বার্তা সংক্রান্ত খবরগুলো ভিত্তিহীন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বরং ভেন্যু ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে এবং আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবির বক্তব্য অনুযায়ী, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উত্থাপিত উদ্বেগ সমাধানে আইসিসি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছে এবং টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় বিসিবির মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দেয়। বিশ্বকাপ শুরুর আগে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে দুই শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা, ডাকাতির অভিযোগ মিথ্যা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/784</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 11:05:11 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/784</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকায় কেআর শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীদের স্বজনরা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;এর আগে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ ডাকাতদলের হামলায় শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করলেও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত করেছে, সেখানে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম জানান, কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার সকালে পাশ্ববর্তী একটি ইয়ার্ড থেকে সাইফুল ইসলাম (২৫) ও আবদুল খালেক (২৭) নামে দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার দিবাগত রাতে জাপান থেকে আসা একটি জাহাজ ভেড়ানোর সময় ঘন কুয়াশার কারণে বড় জাহাজের নিচে একটি বোট তলিয়ে গেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় জাহাজভাঙা শিল্পে শ্রমিক নিরাপত্তা নিয়ে আবারও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বেসরকারি সংস্থা বিলসের জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে জাহাজভাঙা খাতে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৫৮ জন শ্রমিক হতাহত হয়েছেন, যার মধ্যে চারজন নিহত।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | মেরিন নিউজ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক, সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/783</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jan 2026 10:14:57 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/783</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন আর্থিক বাধ্যবাধকতা যুক্ত হয়েছে। হালনাগাদ &amp;lsquo;ভিসা বন্ড&amp;rsquo; তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মার্কিন নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, বিশেষ করে বি১/বি২ ভিসা পেতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এটি একটি পাইলট কর্মসূচির অংশ, যার লক্ষ্য ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান বা &amp;lsquo;ওভারস্টে&amp;rsquo; কমানো। কনস্যুলার অফিসার আবেদনকারীর প্রোফাইল ও সাক্ষাৎকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড নির্ধারণ করতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জামানতের অর্থ অনলাইনে জমা দিতে হবে এবং শর্ত পূরণ হলে তা ফেরতযোগ্য। তবে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে বা ভিসার স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। বন্ডধারী যাত্রীদের নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জেএফ-১৭ ‘থান্ডার’ যুদ্ধবিমান ক্রয় নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/782</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 17:41:31 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/782</guid>
		<description> জেএফ-১৭ ‘থান্ডারবোল্ট’ যুদ্ধ বিমান </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে নতুন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা সামনে রেখে পাকিস্তানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা আলোচনা করেছে ঢাকা। ইসলামাবাদ সফরে গিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান পাকিস্তান বিমানবাহিনী এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবার সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক করেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আইএসপিআরের বরাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন জানায়, বৈঠকে জেএফ-১৭ &amp;lsquo;থান্ডার&amp;rsquo; যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সম্ভাবনাসহ সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি অপারেশনাল সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পুরোনো যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সফরকালে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ সহায়তা, সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহ এবং কারিগরি সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়। এদিকে বাংলাদেশ আকাশসীমা নজরদারি জোরদার ও এয়ার ডিফেন্স সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা চায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইএসপিআর জানায়, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/781</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 17:17:40 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/781</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&amp;nbsp;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, নতুন ধারার রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণেই পরিকল্পিতভাবে হাদিকে হত্যা করা হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর নির্দেশনায় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। গুলিবর্ষণকারী ফয়সাল করিমসহ প্রধান তিন আসামি বর্তমানে পলাতক এবং ভারতে অবস্থান করছে বলে জানায় ডিবি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান শরিফ ওসমান বিন হাদি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | অপরাধ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে বিতর্ক, ৫২০ দিনে গ্রেপ্তার ৮৭ হাজার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/780</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 13:18:13 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/780</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার নামে সারা দেশে &amp;lsquo;অপারেশন ডেভিল হান্ট&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;ডেভিল হান্ট ফেজ-২&amp;rsquo; অভিযানে নির্বিচারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দুই দফার অভিযানে ২৭ হাজার ৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি জুলাই&amp;ndash;আগস্ট আন্দোলন পরবর্তী মামলা, ওয়ারেন্ট ও অভিযোগে গ্রেপ্তার আরও ৬০ হাজার। সব মিলিয়ে ৫ আগস্ট পরবর্তী ৫২০ দিনে রাজনৈতিক বিবেচনায় ৮৭ হাজার জন গ্রেপ্তারের অভিযোগ রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সমালোচকরা বলছেন, এসব অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, প্রকৃত অপরাধী বাদ দিয়ে সাধারণ মানুষ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার হলে তা সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান চলমান রয়েছে। ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযানে গত ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৪ হাজার ৫৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, নির্বাচন বানচালের যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা | সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানের ৭৮টি শহরে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, নিহত ২০ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/779</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 10:15:02 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/779</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ একাধিক প্রদেশে বিক্ষোভ চলতে থাকায় অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, চলমান বিক্ষোভ ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২৬টিতে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্তত ৭৮টি শহরে বিভিন্ন মাত্রায় বিক্ষোভের প্রভাব পড়েছে। &lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবিসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন বিক্ষোভকারী ও একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। একই সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৯৯০ জন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হুমকি দিয়েছেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। এয়ার ফোর্স ওয়ানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানে আবার অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে দোকানদারদের ধর্মঘটের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, গত রোববার তেহরান, দক্ষিণের শহর শিরাজ এবং পশ্চিম ইরানের কয়েকটি এলাকায় রাতভর বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভে বর্তমান শাসনব্যবস্থা (রেজিম) ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান শোনা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পূর্বাচল নতুন শহরে পুলিশের সবচেয়ে বড় জনবল ও অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রস্তাব ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/778</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 16:44:57 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/778</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;রাজধানীর অদূরে পরিকল্পিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পকে কেন্দ্র করে পুলিশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনবল ও অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;প্রস্তাবনা অনুযায়ী, পূর্বাচলে চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্সসহ একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এই কাঠামোর জন্য একক প্রকল্প হিসেবে ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ভবিষ্যতে পূর্বাচলে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের বসবাস হতে পারে। সে কারণে শুরু থেকেই অপরাধ দমন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবটি বর্তমানে প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। অনুমোদন পেলে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সময়ভেলা | সারাদেশ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​মোহাম্মদপুরে জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরি, ৭০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০০ ভরি রুপা লুট ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/777</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 12:43:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/777</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারে অবস্থিত নিউ রানা জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা দোকানটি থেকে প্রায় ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা ও নগদ চার লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন দোকানের মালিক।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরের দিকে এই চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানের মালিক মাসুদ রানা জানান, রোববার রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যান তিনি। সোমবার সকাল ১০টার দিকে দোকান খুলতে এসে দেখেন কেচি গেট ও সাঁটারের তালা ভাঙা। ভেতরে ঢুকে সিন্দুকসহ দোকানের সব স্বর্ণ ও রুপা চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাসুদ রানা আরও বলেন, দোকানে তার নিজের ৫০ ভরি স্বর্ণ ও বন্ধক রাখা আরও ২০ ভরি স্বর্ণ ছিল। পাশাপাশি প্রায় ৬০০ ভরি রুপা, স্বর্ণ কেনাবেচার রশিদ এবং নগদ চার লাখ টাকাও চুরি হয়েছে। তার হিসাবে, চুরি হওয়া ৭০ ভরি স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং ৬০০ ভরি রুপার মূল্য প্রায় ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৩টা ২১ মিনিটের দিকে একদল চোর দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা গ্লাস ভেঙে সিন্দুক বের করে নেয় এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর একটি পিকআপ ভ্যানে করে সিন্দুকসহ স্বর্ণ ও রুপা নিয়ে পালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএসএফের নির্যাতনে  যুবক নিহত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/776</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 12:25:50 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/776</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;চাঁপাইনবাবগঞ্জের জহুরপুর সীমান্তে বিএসএফের নির্যাতনে রবিউল ইসলাম রবু (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোরের দিকে সদর উপজেলার জহুরপুর সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভারতের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহত রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাতরশিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতের মা সেফালি বেগম বলেন, &amp;zwnj;&amp;lsquo;গতকাল বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয় রবিউল। রাতে বাড়িতে আসেনি। সকালে উঠে শুনি বিএসএফের গুলিতে আমার ছেলে নিহত হয়েছে। তবে বিকেল হতেই আসে অন্য খবর। আমার ছেলেকে মারধর করে মারা হয়েছে। বিএসএফ এ নির্যতন করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, &amp;lsquo;শনিবার রাতে রবিউলসহ ৫-৬ জন অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। পরে বিএসএফ তাদের ধাওয়া দিলে সবাই পালিয়ে যান। তবে পালাতে পারেননি রবিউল। এসময় বিএসএফ তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে যান।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পতাকা বৈঠকে জানিয়েছে বিএসএফ। কাল ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এবার কলম্বিয়া ও কিউবা’কে হুমকি ট্রাম্পের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/775</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 11:00:16 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/775</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে সস্ত্রীক কারাকাস থেকে নিউইয়র্কে তুলে আনার পর এবার কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকেও হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, শিগগিরই কিউবাতেও সরকারের পতন হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ এয়ারফোর্স ওয়ানে বসে গতকাল রোববার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প বলেন, &amp;lsquo;ভেনেজুয়েলা গভীর সংকটে আছে। কলম্বিয়াও গভীর সংকটে আছে। সেখানে একজন অসুস্থ ব্যক্তি দেশ চালাচ্ছেন, যিনি কোকেন তৈরি করে তা যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতে পছন্দ করেন। আমি আপনাকে বলতে চাই, তিনি খুব বেশি দিন এমনটা চালিয়ে যেতে পারবেন না।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কলম্বিয়াতে মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রতি ইঙ্গিত করছেন কি না&amp;mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের জবাব, &amp;lsquo;শুনতে ভালোই লাগছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিউবার প্রসঙ্গ টেনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, দেশটিতে &amp;lsquo;সামরিক হস্তক্ষেপের&amp;rsquo; সম্ভাবনা কম। কারণ, তারা নিজেরাই পতনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প বলেন, &amp;lsquo;কিউবা পতনের মুখে। আমি আসলে জানি না, তারা কীভাবে ধরে রাখতে পারবে। কিন্তু কিউবার এখন কোনো আয় নেই। তারা তাদের সব আয় ভেনেজুয়েলা থেকে ও ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল থেকে পেয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজধানী কারাকাসসহ ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন জায়গায় গত শনিবার &amp;lsquo;বড় পরিসরে&amp;rsquo; হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। ডেল্টা ফোর্সসহ মার্কিন এলিট সেনারা প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর &amp;lsquo;সেফ হাউস&amp;rsquo; বা নিরাপদ আবাসস্থল থেকে তাঁকে আর তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে আনেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাদুরো দম্পতিকে প্রায় ২ হাজার ১০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে নৌ ও আকাশপথে নিউইয়র্কে নেওয়া হয়। মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তাঁদের বিচার করার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। স্থানীয় সময় সোমবার তাঁদের আদালতে তোলার কথা জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র:বিবিসি.সিবিএস&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/774</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 10:43:10 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/774</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সিলেটসহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর মাত্র ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে সিলেট ও আশপাশের এলাকা।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই ভূমিকম্পের কম্পন বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের আসাম রাজ্যেও অনুভূত হয়। পরপর দুইবার ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পাশাপাশি নিশ্চিত করেছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইউএসজিএস-এ প্রথমে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা ৫ দশমিক ৪ ও ৫ দশমিক ২ দেখানো হলেও পরে সংশোধন করে তা ৫ দশমিক ২ ও ৪ দশমিক ৯ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার সকাল ৬টায় নিজের ফেসবুক পোস্টে পলাশ জানান, ভোরে একটি নয়, দুটি ভূমিকম্প হয়েছে। প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি ভারতের আসাম রাজ্যে সংঘটিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির নিকটবর্তী মরিগাঁও এলাকায়। আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প একটি মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প। এ কারণে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের যে কোনো সক্রিয় ফল্ট লাইনে আফটারশক অনুভূত হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: ইত্তেফাক,এনএন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১২ কেজি সিলিন্ডারে পূর্বের দাম থেকে ৫৩ টাকা বেড়েছে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/773</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 16:25:58 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/773</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (৪ জানুয়ারি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম তখন ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা | সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা, লিটন দাসের ডেপুটি হলেন সাইফ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/772</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 13:30:14 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/772</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আসন্ন এই বিশ্বমঞ্চে টাইগারদের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন কুমার দাস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে দল ঘোষণা করে বিসিবি। চমক হিসেবে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওপেনার সাইফ হাসানকে। তবে ঘোষিত স্কোয়াডে জায়গা হয়নি উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাকের আলী অনিকের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উইকেটের পেছনে লিটনের সঙ্গে থাকছেন নুরুল হাসান সোহান। টপ অর্ডারে লিটন ও সাইফ হাসানের সঙ্গে সুযোগ পেয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন। মিডল অর্ডারের ভরসা হিসেবে রাখা হয়েছে তাওহিদ হৃদয় ও শামীম হোসেনকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পেস আক্রমণে অভিজ্ঞতার ওপরই আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। দলে রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব। অলরাউন্ডার হিসেবে স্কোয়াডে জায়গা ধরে রেখেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। স্পিন বিভাগে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের সঙ্গে আছেন শেখ মেহেদী হাসান ও নাসুম আহমেদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;🏏 বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;লিটন দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা | স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/771</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 12:14:52 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/771</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;তেজগাঁও কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানার হত্যার বিচার ও খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে রাজধানীর ফার্মগেট মোড়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা ফার্মগেট মোড়ের চারদিক ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দিয়েছেন। এতে ফার্মগেট ও আশপাশের সড়কে যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। তবে মানবিক বিবেচনায় অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের গাড়ি চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অবরোধ চলাকালে শিক্ষার্থীদের &amp;lsquo;আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে&amp;rsquo;, &amp;lsquo;আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে পারে না&amp;rsquo;, &amp;lsquo;তুমি কে আমি কে, সাকিব সাকিব&amp;rsquo;, &amp;lsquo;লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে&amp;rsquo;-সহ ইত্যাদি বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষার্থীরা বলেন, সাকিবুল হাসান রানার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত ও দৃশ্যমান বিচারিক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তারা রাজপথ ছাড়বেন না। খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে ফার্মগেট এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এড়াতে তেজগাঁও বিভাগের পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করতে দেখা গেছে। তারা শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দাবি&amp;ndash;দাওয়ার বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে শিক্ষার্থীরা পুলিশের এসব আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন। তারা জানান, সাকিবুল হাসান রানার হত্যার ঘটনায় খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। দাবি আদায় না হলে অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসঙ্গত, গত ৬ ডিসেম্বর রাতে তেজগাঁও কলেজের ছাত্রাবাসে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী আহত হন। গুরুতর আহত হন উচ্চ মাধ্যমিকের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা। পরে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা | সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে: ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে সোচ্চার মেরিনাররা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/770</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 11:32:38 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/770</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবি এখন আর শুধু বাংলাদেশ ভূখণ্ডেই সীমাবদ্ধ নেই; প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে কর্মরত বাংলাদেশি মেরিনারদের মাঝেও সেই দাবি সোচ্চার হয়ে উঠেছে। দূর সমুদ্রে অবস্থান করেও ন্যায়বিচারের আহ্বান জানাচ্ছেন প্রবাসী মেরিনাররা।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশি মেরিনার রাকিবুল ইসলাম ফরিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে &amp;ldquo;Justice for Hadi&amp;rdquo; লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে একটি পোস্ট দিয়ে এই প্রতিবাদে যুক্ত হন। পোস্টে তিনি লেখেন&amp;mdash;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;ldquo;ওসমান হাদী হত্যার বিচার সরকারের প্রাধান্য তালিকায় কত নম্বরে আছে, কিংবা আদৌ আছে কি না&amp;mdash;তা জানি না। তবে এই হত্যার বিচার হতেই হবে। কারণ ওসমান হাদী এখন আর কোনো ব্যক্তি নন; হাদী এক অমর বিদ্রোহী ও বিপ্লবী চেতনা। এই হত্যার বিচার না হলে অপমানিত হবে যুগে যুগে এই ভূখণ্ডের মুক্তিকামী লাখো মানুষের আত্মত্যাগ।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও উল্লেখ করেন, হাদী চত্বরে এখনো প্রতিদিন শত শত নারী, তরুণ ও বৃদ্ধ মানুষের উপস্থিতি সেই চেতনাকেই বহন করে। কপালে পতাকা বেঁধে শিশুরাও সেখানে আসে। কেউ সরাসরি রাজপথে, কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে&amp;mdash;নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিচারের দাবিকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;ldquo;বাঁচার অধিকারে আমরা সবাই সমান। আমরা সবাই হাদী&amp;rdquo;&amp;mdash;এই আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, &amp;ldquo;বিপ্লব অমর হোক।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দূর সমুদ্রে থেকেও মেরিনারদের এই কণ্ঠস্বর প্রমাণ করে&amp;mdash;ওসমান হাদী এখন একটি নাম নয়, তিনি হয়ে উঠেছেন ন্যায়বিচার, প্রতিবাদ ও মানবাধিকারের এক অমর প্রতীক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা|মেরিন নিউজ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মাদুরো আটককে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বললেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/769</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 10:08:23 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/769</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো&amp;rsquo;কে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির নবনিযুক্ত মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন বছরের প্রথম দিন নিউইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়া মামদানি বলেন, &amp;ldquo;এটি কার্যত যুদ্ধের মতো একটি কাজ। যা শুধু আন্তর্জাতিক আইনই নয়, দেশীয় আইনকেও উপেক্ষা করে করা হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, জোহরান মামদানি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস&amp;rsquo;কে আটকের ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মাদুরোকে &amp;lsquo;তুলে নেওয়ার&amp;rsquo; প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর তাঁকে বহনকারী একটি উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত **স্টুয়ার্ট এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিমানঘাঁটি**তে অবতরণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় অনুযায়ী শনিবার বিকেল ৫টার দিকে উড়োজাহাজটি সেখানে নামে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে কড়া নিরাপত্তায় তাঁকে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার-এ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে বলা হয়েছে, সেখান থেকেই তাঁকে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে করা মামলায় ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা | বিশ্ব&lt;/h3&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কূটনৈতিক ইস্যুতে আইপিএল থেকে বাদ মুস্তাফিজ, বয়কটের ডাক সমর্থকদের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/768</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 17:49:10 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/768</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান-কে দল থেকে ছেড়ে দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। শনিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে নিলামে কেনা হলেও কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রভাবের কারণে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বোর্ডের নির্দেশ মেনে আগামী মার্চ&amp;ndash;এপ্রিল&amp;ndash;মে&amp;rsquo;র আইপিএল থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিসিসিআই জানিয়েছে, কেকেআর চাইলে মুস্তাফিজের পরিবর্তে বিকল্প ক্রিকেটার নিতে পারবে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কারণে বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সমর্থক আইপিএল বয়কটের ডাক দিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;mdash; সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মার্কিন হামলার পর আতঙ্কে ভেনেজুয়েলার কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি ক্যাপ্টেনের পরিবার ও সহকর্মীরা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/767</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 17:23:05 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/767</guid>
		<description> এ আই দ্বারা তৈরি ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় চলমান মার্কিন সামরিক হামলার খবরে চরম উদ্বেগে পড়েছে ভেনেজুয়েলার কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি জাহাজের ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানের পরিবার। নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের এই ক্যাপ্টেন গত ১ বছর ধরে সেখানকার একটি কারাগারে আটক রয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ &lt;em&gt;এম ভি মেঘনা প্রেস্টিজ&lt;/em&gt;-এ একটি দুর্ঘটনার পর তাকে গ্রেপ্তার করে ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনায় এক স্থানীয় ডুবুরি নিহত হন। পরদিন ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যদিও জাহাজটি পরে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে এসেছে, তবে ক্যাপ্টেন এখনো বন্দি। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ বন্দিত্বে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা শুরু হওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তার স্ত্রী বলেন, &amp;ldquo;যুদ্ধের মধ্যে আমার স্বামী বন্দি&amp;mdash;এই ভয় নিয়ে আমরা প্রতিদিন দিন কাটাচ্ছি। জানি না সে নিরাপদ আছে কিনা।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিবারের সদস্যরা দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ ও মানবিক বিবেচনায় ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/মেরিন নিউজ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী আটক—দাবি ট্রাম্পের ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/766</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 16:14:58 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/766</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস&amp;ndash;কে দেওয়া তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানান, এ অভিযানে অংশ নেয় মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট ডেল্টা ফোর্স।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলায় &amp;lsquo;বড় পরিসরের&amp;rsquo; সামরিক অভিযানের মধ্যেই মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করা হয়। তবে কীভাবে তাঁকে ধরা হয়েছে কিংবা কোথায় নেওয়া হয়েছে&amp;mdash;সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। বিবিসি জানায়, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তথ্য দিতে ৫ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার বিষয়টি ভেনেজুয়েলা সরকার তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি। তবে শনিবার ভোরে হামলার পর রাজধানী কারাকাস&amp;ndash;এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এর একটি শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লা কারলোটা সামরিক বিমানঘাঁটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যটি হলো ফুয়ের্তে তিউনা সামরিক ঘাঁটি&amp;mdash;যেখানে দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট মাদুরো অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলায় স্থল অভিযান চালানোর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেও একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;mdash; সময়ভেলা / আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট ৭ জানুয়ারির মধ্যে দেওয়ার কাজ চলছে: ডিবি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/765</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 10:31:45 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/765</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) পূর্বঘোষিত সময়ের মধ্যেই দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ও তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত নিজস্ব ধারায় এগোচ্ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে আসা ভয়েস রেকর্ড, ভিডিওসহ সব দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের অবস্থান নিয়ে যে তথ্য প্রচার হচ্ছে, তা যাচাই ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো কিছু ভিডিওতে ফয়সাল নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বিদেশে অবস্থানের কথা বলেছেন। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। সর্বশেষ একটি ভিডিওতে তাকে দুবাইয়ের শারজাহতে থাকার দাবি করা হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি যাচাই করছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে একটি ভেরিফাইড নয়&amp;mdash;এমন ফেসবুক পেজ থেকে ফয়সালের মোবাইল লোকেশন ডিওএইচএস এলাকায় পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট কোনো বাসা বা ফ্ল্যাট শনাক্ত করা সম্ভব নয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে সমাবেশে হাদি হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে সরকারকে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্তের একজনকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;mdash; &lt;strong&gt;সময়ভেলা/অপরাধ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত গঠনে অধ্যাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/764</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 09:49:19 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/764</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বাণিজ্য-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠায় অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। সংসদ ভেঙে থাকা অবস্থায় জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা হবে। জেলা জজদের মধ্য থেকে এসব আদালতের বিচারক নিয়োগ দেওয়া হবে এবং আপিল শুনানি হবে হাইকোর্টের নির্ধারিত বাণিজ্যিক আপিল বেঞ্চে। মামলা দায়েরের আগে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতা সালিশি রায়ের মতো কার্যকর হবে। চূড়ান্ত শুনানি শেষ করতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইনজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জেলা আদালতগুলোতে মামলার চাপ থাকায় বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছিল। বিশেষায়িত আদালত চালু হলে সেই জটিলতা কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে আস্থা বাড়বে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বাণিজ্য&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সব ধরনের তামাকপণ্য নিষিদ্ধ: নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর </title>
		<link>https://shomoybhela.com/763</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 18:03:31 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/763</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ই-সিগারেট, ভেপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব ধরনের তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করে &amp;lsquo;ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫&amp;rsquo; কার্যকর করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এ অধ্যাদেশ কার্যকর হয়।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত এ আইনে জনসমাগমস্থল ও গণপরিবহনে ধূমপান ও তামাক ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিধান লঙ্ঘনে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন আইনে ই-সিগারেট, ইএনডিএস, হিটেড টোব্যাকো, নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ&amp;mdash;সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, বিক্রয়স্থলে প্যাকেট প্রদর্শন বন্ধ, সিএসআর কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম-লোগো ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রিও নিষিদ্ধ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তামাক পণ্যের প্যাকেটে ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জরিমানা ও কারাদণ্ড বাড়ানোর পাশাপাশি কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;mdash; সময়ভেলা/আইন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্টগ্রাম ভেন্যু বাতিল, সূচি বদলে অস্বস্তিতে নোয়াখালী এক্সপ্রেস! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/762</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 12:52:44 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/762</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;p&gt;বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চট্টগ্রাম ভেন্যু হঠাৎ বাতিল হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সিলেটে তিনটি ম্যাচ শেষে ৩০ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে গিয়ে দুই দিন বিশ্রাম ও অনুশীলনের পরিকল্পনা থাকলেও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল দলটিকে দ্রুত সিলেটে ফিরে আসতে বলেছে। পরিবর্তিত সূচিতে টানা তিন ম্যাচ রাখায় প্রশ্ন তুলেছে দলটির টিম ম্যানেজমেন্ট।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দুই দিন খেলা স্থগিত হওয়ায় সূচি সমন্বয়ের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম ভেন্যু বাতিল করে সিলেট ও ঢাকায় ম্যাচগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে। ফাইনাল ২৩ জানুয়ারির মধ্যেই শেষ করতে হবে এবং জাতীয় দলের আন্তর্জাতিক সূচি ও প্রডাকশন পরিকল্পনার কারণেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগে সূচি অনুযায়ী ৫&amp;ndash;১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১২টি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। ভেন্যু বাতিলে চট্টগ্রামের দর্শকদের হতাশা স্বীকার করে বিসিবি কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে। নতুন সূচিতে ১&amp;ndash;১২ জানুয়ারি সিলেটে টানা খেলা চলবে। ১৩&amp;ndash;১৪ জানুয়ারি বিরতির পর ১৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ঢাকা পর্ব শুরু হবে। গ্রুপ পর্ব শেষ হবে ১৬&amp;ndash;১৭ জানুয়ারি, এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার ১৯ ও ২১ জানুয়ারি, আর ফাইনাল ২৩ জানুয়ারি ঢাকায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীর মৌচাক ফ্লাইওভারে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/761</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 12:34:14 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/761</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;রাজধানীর মৌচাক ফ্লাইওভারে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক ও মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ৬টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহতরা হলেন অটোরিকশা চালক মো. নয়ন তালুকদার (৭০) ও মোটরসাইকেল আরোহী মো. ইয়াসিন আরাফাত (২১)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহত নয়ন তালুকদার যাত্রাবাড়ী ধলপুর এলাকার রমেজ তালুকদারের সন্তান ও ইয়াসিন আরাফাতে দক্ষিণ মুগদার ১৪১ নম্বর বাশার জহিরুল ইসলামে সন্তান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, আমরা জানতে পেরেছি মৌচাক ফ্লাইওভারের উপরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক ও মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করে। আমরা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/দূর্ঘটনা&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজশাহীতে বালুবোঝাই ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলেই ৪ জন নিহত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/760</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 12:28:02 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/760</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাজারের ভেতর বালুবোঝাই ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলেই চার নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উপজেলার ঝলমলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্থানীয়রা জানান, সকালে ঝলমলিয়ায় কলার হাটে বেচাকেনার সময় একটি দ্রুতগতির ট্রাক সেখানে ঢুকে যায়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস উল্টে যাওয়া ট্রাক উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, বালুবাহী দ্রুত গতির ট্রাক কলাহাটায় ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলে চারজন নিহত হন। একজনের লাশ স্বজনরা বাড়ি নিয়ে গেছেন। অপর তিনজনের লাশ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। গুরুতর একজনের শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আজ সকাল সকালে ফায়ার সার্ভিসের এক বার্তায় জানানো হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাকটি বাজারের ভেতরে উল্টে যায়। খবর পেয়ে পাঁচ মিনিটে মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বর্তমানে সেখানে পুঠিয়া ফায়ার স্টেশন ও নাটোর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: সমকাল&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মানুষের ভালোবাসায় শোকের শূন্যতা পেরিয়ে পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার: তারেক রহমান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/759</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 2026 12:16:21 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/759</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;নিজের নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে পুরো বাংলাদেশই এখন তাঁর পরিবার হয়ে উঠেছে&amp;mdash;এমন অনুভূতির কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান &lt;/span&gt;&lt;strong style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;তারেক রহমান&lt;/strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, শোকের এই কঠিন সময়ে দেশবাসীর বিপুল ভালোবাসা ও সহমর্মিতা তাঁকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।পোস্টে তারেক রহমান গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তাঁর মা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, লক্ষ-লক্ষ মানুষের উপস্থিতি ও শ্রদ্ধা আবারও প্রমাণ করেছে&amp;mdash;বেগম খালেদা জিয়া শুধু তাঁর মা নন, বহু মানুষের কাছে তিনি ছিলেন জাতির মায়ের মতো।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিদেশি কূটনীতিকদের সমবেদনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের উপস্থিতি তাঁদের হৃদয় গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।মায়ের আদর্শের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দেন&amp;mdash;যেখানে তাঁর মায়ের পথচলা থেমেছে, সেখান থেকেই তিনি মানুষের সেবার সেই যাত্রা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে তাঁর মায়ের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং বলেন, ভালোবাসা, ত্যাগ ও দেশপ্রেম থেকেই জাতি শক্তি ও ঐক্য খুঁজে পাবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতির উদ্দ্যেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/758</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 11:21:10 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/758</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতির উদ্দ্যেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দ্যেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা। তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে প্রচার করা হবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, &amp;lsquo;বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায়, ফজরের নামাজের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সবার কাছে দোয়া চাইছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। এ সময় হাসপাতালে তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত ১৫ অক্টোবরও তিনি একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেদিন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানান, তার বুকে সংক্রমণ ছিল এবং হৃদ্&amp;zwnj;যন্ত্র ও ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেন। সে সময় তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি তিনি লন্ডন যান। চার মাস চিকিৎসা শেষে ৬ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দেশে ফেরেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/757</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 09:38:00 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/757</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে বিএনপির মিডিয়া সেল ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্&amp;zwnj;রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিন দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এনসিপি’র মুখপাত্র হচ্ছেন  আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/756</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 18:14:18 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/756</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার বিকেলে এনসিপি সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দলটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদ এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে আজ সন্ধ্যা ৬টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র কেনার তথ্যও নিশ্চিত হয়েছে। কুমিল্লা সদর উপজেলার দক্ষিণ রসুলপুর এলাকার রমজানুল করিম নামে একজন এনসিপি কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর পক্ষে গত বুধবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। বিষয়টি শুরুতে গোপন থাকলেও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাহেব আলী গত শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তথ্য নিশ্চিত করেছেন এনসিপির মুরাদনগর উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী মিনহাজুল হকও। তিনি জানান, আসিফ মাহমুদ তাঁদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র পাঠিয়েছেন এবং জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, &amp;lsquo;আমরা আশাবাদী, আসিফ মাহমুদ মুরাদনগর থেকেই নির্বাচন করবেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মনোনয়নপত্রের রেজিস্ট্রারে আসিফ মাহমুদের বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিউ মার্কেট এলাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকবপুর উল্লেখ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করে ঢাকা-১০ আসন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। এরই মধ্যে তিনি ওই আসনে ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং প্রচারণাও চালাচ্ছেন। ফলে এনসিপিতে তাঁর যোগদান ও একাধিক আসন ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেক্সিকোতে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে  ১৩ জন নিহত, আহত কমপক্ষে ৯৮ জন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/755</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 17:26:41 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/755</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য ওয়াক্সাকায় ২৫০ জন যাত্রী বহনকারী একটি ট্রেন রেললাইন থেকে বিচ্যুত হওয়ায় নিহত হয়েছেন ১৩ জন এবং আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ৯৮ জন।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাজ্যের নিজান্দা শঞরের কাছে ঘটেছে এই ঘটনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক বিবৃতিতে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জানিয়েছে, ট্রেনটিতে ৯ জন ক্রুসহ মোট ২৫০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩ জন, আহত হয়েছেন ৯৮ জন এবং আহতদের মধ্যে ৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাকিরা সবাই বিপদমুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় দুর্ঘটনায় নিহত এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৬ জনের মধ্যে অন্তত ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আরও জানান, রেল এবং রেলওয়ে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে এ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রশান্ত এবং আটলান্টিক&amp;mdash; দুই মহাসাগরের অববাহিকায় অবস্থিত মেক্সিকো। দুই মহাসাগরের তীরবর্তী বিভিন্ন শহর-বন্দররের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ১৯৯৯ সালে &amp;lsquo;আন্তঃমহাসাগরীয় রেল&amp;rsquo; নামের একটি বিশেষ রেল পরিষেবা চালু করে মেক্সিকোর সরকার। এই পরিষেবার সার্বিক দেখভালের দায়িত্বে আছে দেশটির নৌবাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যে ট্রেনটি লাইন থেকে বিচ্যুত হয়েছে, সেটি &amp;lsquo;আন্তঃমহাসাগরীয় রেল&amp;rsquo;-এর অন্তর্ভুক্ত একটি ট্রেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র:আল-জাজিরা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরায়েলের আগ্রাসনে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের  ৭০৬ জন  স্বজন নিহত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/754</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 17:17:13 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/754</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের বহু আত্মীয় স্বজনকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, এ সংখ্যা ৭০৬ জন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউনিয়নের ফ্রিডমস কমিটি এক প্রতিবেদনে জানায়, ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার জন্য ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে এসব হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তারা এখনো সাংবাদিকদের পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। তারা চায় সাংবাদিকরা ফিলিস্তিন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা বন্ধ করুক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাংবাদিক ইউনিয়ন জানায়, এসব মৃত্যু হামলার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়। বরং পরিকল্পনার প্রতিফলন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সহিংসতা এখন আরও বিপজ্জনক ও নৃশংস রূপ নিয়েছে। যার মূল্য দিতে হচ্ছে তাদের সন্তান, স্ত্রী ও মা-বাবাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্রিডমস কমিটির প্রধান মুহাম্মদ আল-লাহহাম বলেন, ফিলিস্তিনি কণ্ঠকে স্তব্ধ করার চেষ্টায় সাংবাদিকদের পরিবারের রক্ত সাক্ষী হয়ে থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাংবাদিকদের সিন্ডিকেটটি তাদের প্রতিবেদনে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়েছে। বলা হয়েছে, সম্প্রতি খান ইউনিসের কাছে সাংবাদিক হিবা আল-আবাদলা, তাঁর মা এবং আল-আস্তাল পরিবারের প্রায় ১৫ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তাদের বাড়ি ধ্বংস হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বজনদের পাশাপাশি গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ২৭৮ জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৭৩ জন ফিলিস্তিনি। তিনজন লেবানিজ ও দুজন ইসরায়েলি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র; আল-জাজিরা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের নতুন নাম ‘নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/753</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 16:03:30 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/753</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নাবিক ও প্রবাসী শ্রমিক কল্যাণ পরিদপ্তরের নাম পরিবর্তন করে &lt;strong&gt;&amp;lsquo;নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর&amp;rsquo;&lt;/strong&gt; করা হয়েছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে &lt;strong&gt;নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিদপ্তরটির ইংরেজি নাম নির্ধারণ করা হয়েছে &lt;strong&gt;&amp;lsquo;Directorate of Seafarers&amp;rsquo; Welfare&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে নাবিকদের কল্যাণ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সময়ভেলা / মেরিন নিউজ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধনে হামলা, আহত কয়েকজন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/752</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 14:58:46 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/752</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের সামনে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (আজ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তেজগাঁও থানা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্যসচিব আবদুর রহমানের অনুসারীরা মানববন্ধনে অতর্কিত হামলা চালান। এতে কয়েকজন ব্যবসায়ী আহত হন। পরে ব্যবসায়ীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলাকারীদের প্রতিহত করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সহস্রাধিক ব্যবসায়ী মানববন্ধনে অংশ নেন। হামলার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অংশগ্রহণকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠক আজ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/751</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 13:08:16 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/751</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার লক্ষ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আজ রোববার ফ্লোরিডায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা ও ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গুরুত্ব পাবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবিসি জানায়, জেলেনস্কি প্রস্তাব দিয়েছেন&amp;mdash;রাশিয়া সেনা প্রত্যাহার করলে ইউক্রেনও দোনবাস থেকে সেনা সরাবে। তবে এ বিষয়ে এখনো রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নেই।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শান্তি আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই কিয়েভ ও খারকিভ-সহ বিভিন্ন এলাকায় রুশ বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। কিয়েভের মেয়র জানান, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।জেলেনস্কির দাবি, ২০ দফার শান্তি পরিকল্পনার প্রায় ৯০ শতাংশ প্রস্তুত। অন্যদিকে ট্রাম্প বলেন, তিনি শান্তি আলোচনায় ইতিবাচক এবং উভয় পক্ষের সঙ্গেই অগ্রগতির আশা করছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান এই যুদ্ধে রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, আজকের বৈঠক যুদ্ধ বন্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিবিসি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীর উত্তরায়  ট্রেনের ধাক্কায়  দুজনের মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/750</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 12:20:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/750</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানীর উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় নাজমুল ইসলাম (৩৪) ও অন্তরা (২২) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে রেললাইন দিয়ে হাঁটার সময় পেছন থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই অন্তরা মারা যান। গুরুতর আহত নাজমুলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ জানায়, অন্তরার মরদেহ স্বজনদের আবেদনে বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং নাজমুলের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতরা দুজনই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/দূর্ঘটনা&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রোনালদোর জোড়া গোলে আল আখদাউদকে হারাল আল নাসর! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/749</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 12:02:10 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/749</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h3&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;সৌদি প্রো লিগে আল নাসর ৩&amp;ndash;০ গোলে হারিয়েছে আল আখদাউদ&amp;ndash;কে। ম্যাচে জোড়া গোল করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, আর যোগ করা সময়ে একটি গোল করেন জোয়াও ফেলিক্স।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আল আওয়াল পার্কে প্রথমার্ধেই দুই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন রোনালদো। এই জয়ে টানা ১০ ম্যাচে শতভাগ জয় নিয়ে সৌদি প্রো লিগে নতুন রেকর্ড গড়েছে আল নাসর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই জয়ে টেবিলের দুইয়ে থাকা আল হিলাল&amp;ndash;এর চেয়ে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে আল নাসর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাদি হত্যার বিচার দাবিতে সারাদেশে অবরোধের ডাক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/748</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 10:01:18 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/748</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে সারাদেশে অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;তিনি জানান, রোববার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের আট বিভাগীয় শহরে একযোগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, শাহবাগে টানা ৩৪ ঘণ্টা অবরোধ কর্মসূচি পালনের পর শনিবার রাতে আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হয়ে হাদি হত্যার বিচার দ্রুত শুরুর আশ্বাস দেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, &amp;ldquo;ভারত থেকে আসামি ফেরত এনে দ্রুত মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। চার্জশিট থেকে রায়&amp;mdash;সব ধাপেই দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করা হবে।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উপদেষ্টা রিজওয়ানা আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সব ধরনের ফরেনসিক পরীক্ষা ও প্রমাণ যাচাই শেষে ৭ জানুয়ারির পর নির্ভুল ও শক্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &amp;ldquo;আমরা এমন একটি চার্জশিট দিতে চাই, যাতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কিছু আসামি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। তবে পালিয়ে গেলেও দায়মুক্তির সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে এবং আসামিদের খুঁজে পাওয়া গেলে ফেরত পাঠাতে সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে বলেও জানান উপদেষ্টা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তদন্তের স্বার্থে সব তথ্য এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিবি পুলিশ রোববার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আরও বিস্তারিত জানাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার সারারাত তারা সেখানে অবস্থান করেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাদির কবর জিয়ারত করতে এলে নিরাপত্তাজনিত কারণে আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে শাহবাগ মোড় ছেড়ে আজিজ সুপারমার্কেটের সামনে অবস্থান নেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা ফের শাহবাগ মোড়ে ফিরে সড়ক অবরোধ শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাতের বিক্ষোভে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, &amp;ldquo;ওসমান হাদি যে লড়াই শুরু করেছিলেন, তা একটি সাংস্কৃতিক লড়াই। আমরা বাংলাদেশপন্থি সব সাংস্কৃতিক সংগঠনকে আমাদের এই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাই।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির অভিযোগ করে প্রশাসনের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং বলেন, &amp;ldquo;কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দায় প্রশাসন এড়াতে পারবে না।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অবরোধ প্রত্যাহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &amp;ldquo;এখানে কেউ এসে অবরোধ তুলে নিতে বললেও আমরা তা মানব না। আমাদের লড়াই চলবে।&lt;br /&gt;
&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শাহবাগ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত জটিল: ডা. জাহিদ হোসেন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/747</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 09:33:58 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/747</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h3&gt;&amp;nbsp;&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চিকিৎসারত খালেদা জিয়া-র শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং তিনি সংকটময় সময় পার করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল-এর সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন,&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;স্বাভাবিকভাবে ওনার অবস্থার উন্নতি হয়েছে&amp;mdash;এ কথা বলা যাবে না। ওনার অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং তিনি একটি সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডা. জাহিদ হোসেন আরও জানান, গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউ এবং পরবর্তীতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান মেডিকেল বোর্ডের এই সদস্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাহাজের শেষ অধ্যায়: মৃত্যু নয়, রূপান্তরের আরেক যাত্রা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/746</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 16:05:47 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/746</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&amp;nbsp;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জাহাজ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যানগুলোর একটি। শত শত নাবিক ও হাজার হাজার টন পণ্য বহন করে বছরের পর বছর সমুদ্র চষে বেড়ায় তারা। তবে মানুষের মতোই জাহাজেরও একটি নির্দিষ্ট আয়ু রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শক্তি কমে আসে, কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং একসময় শেষ হয়ে আসে তাদের ব্যবহারযোগ্য জীবন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাধারণত একটি সমুদ্রগামী জাহাজ প্রায় &lt;strong&gt;২৫ থেকে ৩০ বছর&lt;/strong&gt; পর্যন্ত অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর থাকে। এই সময়ের পর জাহাজের স্টিল কাঠামো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, ইঞ্জিন ও যন্ত্রপাতির দক্ষতা কমে যায় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় দ্রুত বেড়ে ওঠে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও পরিবেশসংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও কঠোর হওয়ায় পুরোনো জাহাজগুলোর পক্ষে এসব মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে নির্দিষ্ট এক পর্যায়ে জাহাজ মালিকদের কাছে তা আর লাভজনক থাকে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
তবে জাহাজের অপারেশন বন্ধ হলেই সেটিকে সরাসরি স্ক্র্যাপে পাঠানো হয় না। এর আগে সম্পন্ন করতে হয় একাধিক আনুষ্ঠানিক ধাপ&amp;mdash;আন্তর্জাতিক সেফটি ও সার্ভে রিপোর্ট প্রস্তুত, পরিবেশ ও বিপজ্জনক বর্জ্যের তালিকা তৈরি এবং জাহাজের বাজারমূল্য নির্ধারণ। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলে জাহাজটি বিক্রি করা হয় শিপ-রিসাইক্লিং বা শিপ-ব্রেকিং ইয়ার্ডে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশে পুরোনো জাহাজগুলোর বড় একটি অংশের শেষ গন্তব্য হয়ে উঠেছে &lt;strong&gt;চট্টগ্রামের শিপ-ব্রেকিং ইয়ার্ডগুলো&lt;/strong&gt;। বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পগুলোর একটি গড়ে উঠেছে এখানে। সমুদ্র থেকে এনে জাহাজগুলো তীরে তোলা হয়। প্রথমে অপসারণ করা হয় জ্বালানি তেল ও ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক উপাদান। এরপর ধাপে ধাপে কেটে ফেলা হয় বিশাল স্টিল কাঠামো।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একটি বড় জাহাজের প্রায় &lt;strong&gt;৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ অংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য&lt;/strong&gt;। এখান থেকে পাওয়া স্ক্র্যাপ স্টিল বাংলাদেশের লোহা-ইস্পাত শিল্পের অন্যতম প্রধান জোগান। এসব ধাতু নতুন জাহাজ, ভবন ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি জাহাজের ইঞ্জিন, যন্ত্রাংশ, বৈদ্যুতিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রিফার্বিশড পণ্য হিসেবে আবার বাজারে ফিরে আসে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে উল্লেখযোগ্য পরিবেশ ও শ্রম-নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। পুরোনো জাহাজে অ্যাসবেস্টস, রাসায়নিক তেল ও ভারী ধাতুর উপস্থিতি শ্রমিক ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। সে কারণে আন্তর্জাতিকভাবে এখন &lt;strong&gt;গ্রিন শিপ-রিসাইক্লিং নীতিমালা&lt;/strong&gt; অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে এসব নীতিমালা বাস্তবায়নের উদ্যোগ বাড়ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বের অন্যান্য দেশ&amp;mdash;ভারত, পাকিস্তান ও তুরস্ক&amp;mdash;এগুলিও জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পের বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। আবার ইউরোপ ও জাপানের মতো কিছু দেশে পুরোনো জাহাজ সংরক্ষণ করে মিউজিয়াম বা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও ইচ্ছাকৃতভাবে জাহাজ ডুবিয়ে তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম প্রবাল প্রাচীর, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সব মিলিয়ে বলা যায়, জাহাজের আয়ু শেষ হওয়া মানেই তার যাত্রার ইতি নয়। রূপ বদলে নতুন কাজে ফিরে আসে এই বিশাল যানগুলো। অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই শিল্পে পরিবেশ সুরক্ষা ও শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/মেরিন নিউজ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মারা গেলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের সহকারী কোচ ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/745</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 14:43:42 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/745</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ঢাকা ক্যাপিটালসের সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি আর নেই। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সিলেটের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া। সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা ক্যাপিটালস সূত্র জানিয়েছে, অনুশীলন সেশন পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মাহবুব আলী জাকি। পরে তাকে সিলেটের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিপিএলের দ্বাদশ আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। ম্যাচের আগে সিলেটে অনুশীলন করেছিল ঢাকা। যেখানে খেলোয়াড়দের অনুশীলন তদারকি করছিলেন সহকারী কোচ মাহমুব আলম জাকি। বিপিএলকে সামনে রেখে মাত্র দিন দুয়েক আগে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। বেশ সাবলীলভাবেই কথা বলছিলেন দলের ভাবনা নিয়ে। যথারীতি ঢাকার প্রথম ম্যাচের আগেও শিষ্যদের নিয়ে কাজ করছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অবশ্য ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি সূত্র জানিয়েছে, অ্যাম্বুলেন্সেও শ্বাস-প্রশ্বাস সচল ছিল জাকির। তবে হাসপাতালে যাওয়ার পর আর তার পালস পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকরাতৎক্ষণাৎ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিমান দূর্ঘটনায় লিবিয়ার সেনা প্রধান সহ ৮ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/744</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 13:17:39 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/744</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লিবিয়ার সেনাপ্রধান মোহাম্মদ আলী আহমেদ আল-হাদ্দাদ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাছে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিধ্বস্ত হয় তাকে বহনকারী বিমান।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই প্রাইভেট জেটটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানে আরও যারা ছিলেন তাদের সবাই নিহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জানা গেছে বিমানে ছিলেন চার উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা এবং তিনজন ক্রু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আব্দুল হামিদ দেবেইবা সেনাপ্রধানের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তুরস্কে সরকারি সফর শেষে দেশে ফেরার পথে তার বিমান বিধ্বস্ত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সেনাপ্রধান আল-হাদাদ পূর্ব লিবিয়ার একজন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ডার ছিলেন। দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়া লিবিয়াকে আবারও এক করতে কাজ করছিলেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০১৪ সালে লিবিয়ায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সেনারা। এরপর দেশটির দীর্ঘকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যু ও ন্যাটোর হস্তক্ষেপের কারণে লিবিয়া দুই ভাগ হয়ে যায়। এরপর এখনো দেশটিকে এক করা যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
সেনাপ্রধানের সঙ্গে নিহত অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন লিবিয়ার স্থল বাহিনীর প্রধান জেনারেল আল-ফিতোরি ঘারিবিল, সেনাবাহিনীর ম্যানুফেকচারিং অথরিটির প্রধান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাহমুদ আল-কাতাই। সেনাপ্রধানের উপদেষ্টা মুহাম্মদ আল-আওয়াসি দিয়াব এবং সেনাপ্রধানের ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার মুহাম্মদ ওমর আহমেদ মাহজুব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তুরস্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লিবিয়া ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেনাপ্রধান আঙ্কারায় এসেছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তার্কিস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়ারলিকা জানিয়েছেন, লিবিয়ার সেনাপ্রধানকে বহনকারী বিমানটি স্থানীয় সময় গতকাল রাত ৮টা ১০ মিনিটে ত্রিপোলীল উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। এর ৪০ মিনিট পর বিমানটির সঙ্গে রেডিও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি জানিয়েছেন, পরবর্তীতে আঙ্কারার হায়মানা বিভাগের কেসিকাভাক বিভাগের কাছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। এরআগে বিমানটি জরুরি অবতরণের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু এরপর আর যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: আলজাজিরা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন  বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/743</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 11:36:30 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/743</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) তাকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সই করা এক প্রজ্ঞাপনে আজ বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এতে বলা হয়েছে, &amp;lsquo;গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, &amp;lsquo;এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন এবং ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি শপথ পাঠ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আইন ও বিচার&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বৈদ্যুতিক জাহাজ তৈরিতে আধিপত্য দেখাবে চীনের দুটি প্রতিষ্ঠান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/742</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 12:30:45 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/742</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি উৎপাদনে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে কনটেম্পরারি অ্যাম্পেরেক্স টেকনোলজি (সিএটিএল) এবং গোশন হাই টেক নামের চীনের দুই প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে এবার জাহাজ নির্মাণে নামছে। ফলে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক ও নতুন শক্তিচালিত জাহাজে বিনিয়োগ বাড়িয়ে চীন বৈশ্বিক জাহাজনির্মাণ শিল্পে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্ত করছে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বজুড়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ জোরদার হওয়ার কারণে সমুদ্রের জাহাজেও এখন পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এই পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে চীনের ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আগামী তিন বছরে সমুদ্রে নামবে বৈদ্যুতিক জাহাজ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বের বড় ইভি ব্যাটারি নির্মাতা সিএটিএল জানিয়েছে, তাদের তৈরি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক জাহাজ আগামী তিন বছরের মধ্যে সমুদ্রে চলাচল শুরু করবে। বর্তমানে বৈশ্বিক ইভি ব্যাটারি বাজারের প্রায় ৩৮ শতাংশ সিএটিএলের দখলে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সাল থেকে জাহাজে ব্যাটারি ব্যবহারের প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করছে। এ পর্যন্ত ৯০০টি নৌযানে ব্যাটারি সরবরাহ করেছে তারা। তাদের ব্যাটারি সংযুক্ত চীনের প্রথম সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক ক্রুজ জাহাজ &amp;lsquo;ইউজিয়ান ৭৭&amp;rsquo; চলতি বছরের জুলাই থেকে চালু হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কনটেইনার জাহাজে গোশনের ব্যাটারি&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গোশন হাই টেক জানিয়েছে, তাদের তৈরি ব্যাটারি প্যাক ব্যবহার করে ১৩২টি স্ট্যান্ডার্ড কনটেইনার বহনে সক্ষম একটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক জাহাজ সফলভাবে চালানো সম্ভব হয়েছে। &amp;lsquo;পাফার ফিশ ব্লু ০১&amp;rsquo; নামের জাহাজটি যৌথভাবে তৈরি করেছে চীনের উহু শিপইয়ার্ড ও সানদিয়ানশুই নিউ এনার্জি টেকনোলজি। জাহাজটি এরই মধ্যে চায়না ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত সনদ পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছর এই জাহাজ বাণিজ্যিকভাবে চলাচল শুরু করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৩ সালের শেষে বিশ্বের প্রথম ৭০০ কনটেইনার বহনে সক্ষম সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক কনটেইনার জাহাজ সরবরাহ করে চীন। ক্লার্কসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষের দিকে বৈশ্বিক জাহাজ নির্মাণ অর্ডারের ৬৫ শতাংশ ছিল চীনা প্রতিষ্ঠানের দখলে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গভীর সমুদ্রের এখনো সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক জাহাজ চালু হয়নি। এর প্রধান কারণ হলো ব্যাটারির অতিরিক্ত ওজন, যা জাহাজের ধারণক্ষমতা ও কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে চলাচল করার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত চার্জিং অবকাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি। তবে আশা করা যাচ্ছে, ২০২৬ সালে চীন এই বাজারে সবার আগে প্রবেশ করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/মেরিন নিউজ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা, ভিসা সেবা স্থগিত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/741</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 10:16:11 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/741</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h3&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সম্প্রতি ঢাকা ও দিল্লিতে দুই দেশের হাইকমিশনারদের পাল্টাপাল্টি তলব এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশবিরোধী বিক্ষোভের ঘটনায় ঢাকা&amp;ndash;দিল্লি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে&lt;/strong&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;গত শনিবার রাতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে একটি চরমপন্থী সংগঠনের বিক্ষোভ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এতে অংশ নেয় &amp;lsquo;অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনা&amp;rsquo;র ২০&amp;ndash;২৫ জনের একটি দল, যারা প্রায় ২০ মিনিট ধরে অবস্থান করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এ সময় তারা ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম. রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর ধারাবাহিকতায় গত সোমবার সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্রে হামলা চালায় কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ভিসা কেন্দ্রটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে উদ্ভূত নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অনিবার্য কারণ উল্লেখ করে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা স্থগিত থাকবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কারণ আজ মঙ্গলবার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন সংকটের ইঙ্গিত মিলছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সম্প্রতি ময়মনসিংহে পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিষয়টিকে আন্তর্জাতিকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।এই প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত রোববার সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দেয়। একই ইস্যুতে গতকাল শিলিগুড়ি, কলকাতা ও গুয়াহাটিতে বিক্ষোভ এবং মুম্বাইয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ এবং আজকের ঘোষিত কর্মসূচির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দিল্লিতে ভিসা সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ঢাকা&amp;ndash;দিল্লি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক একটি স্পর্শকাতর পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সময়ভেলা | কূটনীতি&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এবার এনসিপি’র খুলনা বিভাগীয় প্রধান  মোতালেব শিকদারকে মাথায় গুলি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/740</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 13:00:17 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/740</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকশক্তির বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে খুলনা নগরীর গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশে আল আকসা মসজিদ সড়কের মুক্তা হাউজ থেকে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) অনিমেষ মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,&amp;nbsp;মোতালেব নামের এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করেছে। গুলিটি তার মাথার চামড়া স্পর্শ করে চলে যায়। এতে রক্তক্ষরণ হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মোতালেব এখন আশংকামুক্ত।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে কেন তাকে গুলি করা হয়েছে, কারা জড়িত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি অনিমেষ মন্ডল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
আপডেটেড নিউজ..&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/ব্রেকিং&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গ্রিসে অভিবাসীবাহী নৌকা থেকে উদ্ধার ৫৩৯ জনের মধ্যে ৪৩৭ জনই বাংলাদেশি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/739</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 11:55:11 +0600</pubDate>
		<category>প্রবাসে বাংলাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/739</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;গ্রিসের গাভদোস উপকূলে একটি মাছ ধরার নৌকা থেকে উদ্ধার হওয়া ৫৩৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে ৪৩৭ জনই বাংলাদেশি। স্থানীয় কোস্টগার্ড (লিমেনার্কিও) কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোরে আগিয়া গ্যালিনির দক্ষিণ সমুদ্র থেকে এই অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে তাদের রেথিম্নোর কিত্রেনোসি ভবনে রাখা হয়েছে। সেখানে হেলেনিক কোস্টগার্ড সদস্যদের তত্ত্বাবধানে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে চারজন নারী ও দুটি শিশু রয়েছে; তবে তাদের অধিকাংশই পুরুষ। রেথিম্নোর কোস্টগার্ড প্রধান কিরিয়াকোস পাত্তাকোস জানান, নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এখন তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানবপাচারকারী চক্রকে শনাক্ত করা এবং অভিবাসীদের দ্রুত অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রেথিম্নো পৌরসভার উপমেয়র (নাগরিক সুরক্ষা) ইয়োরগোস স্কোরদিলিস বলেন, এত বিপুলসংখ্যক অভিবাসী সামলানোর মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রেথিম্নোর নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে স্থানীয় প্রশাসন চাপে পড়ছে। তিনি জানান, আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আজ সোমবার ৩০০ জন অভিবাসীকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে এবং বাকিদের আগামী সপ্তাহে পাঠানো হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের জাতীয়তা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪৩৭ জন বাংলাদেশি ছাড়াও ৪৬ জন পাকিস্তানি, ৩৪ জন মিসরীয়, ১২ জন ইরিত্রীয় (যাদের মধ্যে ৪ নারী ও ২ শিশু), ৫ জন সোমালি এবং সুদান, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিনের নাগরিক রয়েছেন। কর্তৃপক্ষের ধারণা, মানবপাচারকারীদের সহায়তায় লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল থেকে অন্তত ৩৬ ঘণ্টার ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা পাড়ি দিয়ে তারা গ্রিসে পৌঁছেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো তথ্য এখনো তাদের জানানো হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: আনাদোলু, রয়টার্স&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/প্রবাসী&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় জরুরি  বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/738</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 10:56:21 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/738</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে বলে বৈঠকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল রোববার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আজ সোমবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ বৈঠকের বিষয়ে জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন, আসন্ন বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এছাড়াও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই যোদ্ধা শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তদের গ্রেপ্তার ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়, সম্প্রতি দুটি জাতীয় দৈনিক ও দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতোমধ্যে ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এসব ঘটনায় আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন&amp;mdash; মো. কাশেম ফারুকি, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, মো. সোহেল রানা এবং মো. শফিকুল ইসলাম। বাকি সন্দেভাজনদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়াও চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের নিকটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের মধ্যে তিনজনকে ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে ওসমান হাদি হত্যায় জড়িত এবং অন্যান্য বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্তদের দ্রুততার সঙ্গে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: যুগান্তর. সমকাল&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুদানের দক্ষিণ দারফুরের একটি ব্যস্ত মার্কেটে ড্রোন হামলায় ১০ জন নিহত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/737</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 10:06:06 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/737</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সুদানের দক্ষিণ দারফুরের একটি ব্যস্ত মার্কেটে ড্রোন হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছেন। তবে কে এ হামলা চালিয়েছে সেটি নিশ্চিত নয়।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সুদানের বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনী ও প্যারামিলিটারি র&amp;zwnj;্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) মধ্যে লড়াইয়ের তীব্রতা বেড়েছে। এমন সময় ব্যস্ত মার্কেটে হামলার ঘটনা ঘটল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। যা রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী ও ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে। এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ। এরসঙ্গে দেশটিতে দেখা দিয়েছে দুর্ভিক্ষ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মানবাধিকার সংস্থা নর্থ দারফুর ইমার্জেন্সি রুমস কাউন্সিল জানিয়েছে, শনিবার (২০ ডিসেম্বর) আরএসএফের নিয়ন্ত্রণাধীন মালহার শহরের আল-হারা মার্কেটে এ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। তবে কারা হামলা চালিয়েছে সেটি জানায়নি সংস্থাটি। ড্রোন হামলার পর অসংখ্য দোকানে আগুন লেগে যায় এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছে তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আন্দোলনের মুখে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ডিনের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/736</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 09:48:14 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/736</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;দিনব্যাপী আন্দোলন এবং উত্তেজনা শেষে দায়িত্ব পালনে অপারগতার কথা জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আওয়ামীপন্থি ছয় ডিন (অনুষদ অধিকর্তা)।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, &amp;#39;আমরা শিক্ষার্থী ও ডিনদের সাথে আলোচনা করেছি। সেখানে ডিনরা উপাচার্যের কাছে তাদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। এখন উপাচার্য তাদের আবেদন গ্রহণ করলেই তাদের দায়িত্ব শেষ হবে।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিন বলেন, ভিসি আমাদের ডেকেছিলেন, আমরা আগেও মৌখিকভাবে দায়িত্ব না দেওয়ার কথা বলেছিলাম। আজ লিখিতভাবে দায়িত্ব পালনে অপারগতার কথা জানিয়ে এসেছি। তবে ভিসি স্যার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে এদিন সকালে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ডিন এবং আওয়ামীপন্থি কয়েকজন শিক্ষকের চেম্বারে যান। তবে এ সময় শিক্ষকরা কেউ নিজেদের দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন না।দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং আইন অনুষদের ডিনদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রক্টর, রেজিস্ট্রারসহ সব দপ্তরের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, আজ মোটামুটি সব আওয়ামীপন্থিদের দপ্তরগুলো তালাবদ্ধ। আমিও এটাই চাই, বিচার না হওয়া পর্যন্ত তালাবদ্ধ থাকুক। সাথে সাথে একটা তালিকা করেছি বিগত জুলাইয়ে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান করা শিক্ষকদের। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির এবং অন্যান্য সংগঠনের কাছে থাকা তালিকাও আহ্বান করছি অনুগ্রহপূর্বক। আমার তালিকায় অনেকে বাদ পড়তে পারে সেটা আপনাদের থেকে সংগ্রহ করবো আগামী ৩দিনের মধ্যে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এসময় ডিনরা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন করার সিদ্ধান্ত জানায় আন্দোলনকারীরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরে বিকেলে প্রশাসন ভবনে উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বৈঠক হয় এবং রাতে আবারও একটি বৈঠক হয়। এসময় পদত্যাগের ঘোষণা দেন ডিনরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতি, ডিন, সিন্ডিকেট, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি এবং শিক্ষা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১২টি অনুষদের ডিন নির্বাচনে আওয়ামীপন্থি হলুদ প্যানেল থেকে ছয়জন প্রার্থী নির্বাচিত হন। গত বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ডিনদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে উপাচার্য ১১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী এসব ডিনদের নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত স্ব-পদে থাকার নির্দেশ দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া ডিনরা হলেন- আইন অনুষদের ডিন আবু নাসের মো. ওয়াহিদ, বিজ্ঞান অনুষদের ড. নাসিমা আখতার, ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. কামরুজ্জামান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক এস. এম. একরাম উল্লাহ, প্রকৌশল অনুষদের বিমল কুমার প্রামাণিক এবং ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের এ. এইচ. এম. সেলিম রেজা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লালমনিরহাটে বিএসএফ’র একজন সদস্যকে  আটক করেছে বিজিবি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/735</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 17:47:44 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/735</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্য। অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের দায়ে তাকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আটক বিএসএফ সদস্যের নাম বেদ প্রকাশ। তিনি ১৭৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অর্জুন ক্যাম্পের টহলদলের সদস্য।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আজ রোববার ভোর ৫টার দিকে বাংলাদেশের প্রায় ১০০ গজ অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। বিএসএফ সদস্যকে দহগ্রাম আঙ্গরপোতা বিজিবি ক্যাম্পে হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবি পতাকা বৈঠকের জন্য বিএসএফকে আহ্বান জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজিবি ও স্থানীয়রা জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ডিএএমপি প্রধান পিলার ১ নম্বরের উপপিলার ৭ নম্বর সংলগ্ন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকা। অপরদিকে ভারতের কোচবিহার রাজ্যের কচুলিবাড়ী থানার কারেঙ্গাতলী এলাকা। আজ রোববার ভোরে ভারতের ১৭৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অর্জুন ক্যাম্পের টহলদলের সদস্য বেদ প্রকাশ ভারতীয় শূন্যরেখা পেরিয়ে বাংলাদেশের প্রায় ১০০ গজ ভেতরে ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় প্রবেশ করেন। এ সময় ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দহগ্রাম আঙ্গরপোতা ক্যাম্পের টহলদলের সদস্যরা তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। ওই বিএসএফ সদস্যের ব্যবহৃত একটি অস্ত্র (শর্টগান), ২ রাউন্ড গুলি, একটি ওয়্যারলেস সেট ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। বর্তমানে ওই বিএসএফ সদস্যকে অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সরঞ্জামসহ দহগ্রামের আঙ্গরপোতা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আঙ্গরপোতা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার রফিকুজ্জামানের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সেলিম আল দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় বিএসএফ সদস্য কনস্টেবল বেদ প্রকাশ বলেছে- কুয়াশায় গরু পাচারকারীদের পিছু নিয়ে ধাওয়া করতে গিয়ে ভুল করে বাংলাদেশে ঢুকেছে। আটককৃত বিএসএফ সদস্যের অস্ত্র-গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরঞ্জামাদিসহ আঙ্গরপোতা ক্যাম্পে বিজিবির হেফাজতে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করার কথা রয়েছে। বিএসএফ দুঃখ প্রকাশ করে ওই বিএসএফ সদস্যের পরিচয় নিশ্চিত করেছে ও তাকে ফেরতের অনুরোধ করেছে। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সীমান্ত চুক্তি ১৯৭৫ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ওই বিএসএফ সদস্যের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নারায়ণগঞ্জে ফেরি থেকে পাঁচটি যানবাহন নদীতে পড়ে তিনজনের মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/734</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 09:34:53 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/734</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে ফেরি থেকে পাঁচটি যানবাহন নদীতে পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (২০ ডিসেম্বর) নিখোঁজের প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর নদী থেকে দু&amp;rsquo;জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে অন্য একজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. হাসিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহত ব্যক্তিরা হলেন&amp;ndash; সিঙ্গাপুরপ্রবাসী মাসুদ রানা (৩০), মোটরসাইকেল আরোহী মো. রফিক (৩৫) ও ভ্যানচালক স্বাধীন (২৫)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রবাসী মাসুদ রানা বক্তাবলী ইউপির গোপালনগরের আতাউর সরদারের ছেলে। তিনি প্রায় এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন এবং পুনরায় বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ শহরে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পরপরই রফিককে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাইনবোর্ড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় তিনি মারা যান। ডুবুরিরা প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে মাসুদ ও স্বাধীনের মরদেহ উদ্ধার করেন। মাসুদের মরদেহটি ফেরির প্রপেলারে আটকে গিয়ে মারাত্মকভাবে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসিনুজ্জামান জানান, প্রশিক্ষণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মাসুদ দুর্ঘটনার শিকার হন। দুর্ঘটনার সময় ঠিক কী ঘটেছিল, তা ট্রাকচালক বলতে পারবেন। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তিনি পালিয়ে যান। তাকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বক্তাবলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. রকিবুজ্জামান জানান, ফেরিটি যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে বক্তাবলীর পূর্ব ঘাট থেকে পশ্চিম ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে থাকাকালীন হঠাৎ ফেরিতে থাকা একটি ট্রাক চালু হয়ে যায়। এতে ট্রাকটি সামনের একটি মোটরসাইকেল, দু&amp;#39;টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও একটি ভ্যানসহ নদীতে পড়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নৌ পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, সম্ভবত ট্রাকটি ফেরিতে ওঠার সময় গিয়ারে রাখা ছিল। সেটি হঠাৎ সামনে চলে গেলে চালক আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। ফলে পাঁচটি যানবাহনই নদীতে ডুবে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাদীর শেষ বিদায়ে আজহারীর আবেগঘন পোস্ট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/733</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 16:04:29 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/733</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এরপর বেলা সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এ নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সোয়া ৩টার দিকে ফেসবুকে তিনি এই পোস্ট দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, দ্রোহের প্রতীক&amp;mdash; শহীদ ওসমান হাদির রাজকীয় বিদায়। ধূমকেতুর মতো এলেন। ন্যায় ও ইনসাফের বলিষ্ঠ কণ্ঠ হিসেবে গোটা জনপদে বিপ্লবের দাবানল ছড়িয়ে হঠাৎ রবের সান্নিধ্যে চলে গেলেন। নিশ্চয়ই আসমানে আমার ভাইকে এর চাইতেও বড় রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানোর আয়োজন চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও লিখেছেন, জুমার নামাজের পরপরই গুলিবিদ্ধ, আবার পরের জুমার রাতেই শাহাদাত বরণ! পেয়েছেন কোটি মানুষের কান্না মিশ্রিত দুআ। সুবহানাল্লাহ! এ এক পরম সৌভাগ্য!&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সবশেষে জনপ্রিয় এই ইসলামিক আলোচক লিখেছেন, হাদির মতো এমন দেশপ্রেমিক, আধিপত্যবাদবিরোধী ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন তরুণরা-ই আগামীর বাংলাদেশ। শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। ইনশাআল্লাহ ওসমান হাদি বেঁচে থাকবেন সহস্র মুক্তিকামী মানুষের ভালোবাসায়। অনুপ্রেরণা জোগাবেন প্রজন্ম হতে প্রজন্ম। সাহসের বাতিঘর হয়ে থাকবেন অগণন মানুষের হৃদয়ে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রিয় হাদী, তুমি আমাদের বুকের ভেতরে আছো: প্রধান উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/732</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 15:56:04 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/732</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ওসমান শরীফ হাদিকে বিদায় দিতে আসি নাই। তুমি আমাদের বুকের মধ্যে আছো। বাংলাদেশ যত দিন টিকে থাকবে, তুমি আমাদের মধ্যে থাকবে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ ওসমান শরীফ হাদির জানাজায় এসে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজকে এখানে হাজির হয়েছে, পথে ঢেউয়ের মত লোক আসছে, সারা বাংলাদেশ জুড়ে কোটি কোটি মানুষ আজকে এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে, তারা তাকিয়ে আছে, হাদিস কথা শোনার জন্য। আজকে বিদেশে যারা আছে, বাংলাদেশি এই মুহূর্তে তারাও হাদির কথা জানতে চায়। প্রিয় ওসমান হাদি তোমাকে আমরা বিদায় দিতে আসি নাই। এখানে তুমি আমাদের বুকের ভেতরে আছো এবং বাংলাদেশ যতদিন আছে তুমি সব বাংলাদেশির বুকের মধ্যে থাকবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, আমরা আজকে তোমাকে, প্রিয় হাদিকে বিদায় দিতে আসিনি। আমরা তোমার কাছে আমরা ওয়াদা করতে এসেছি। তুমি যা বলে গেছো সেটা যেন আমরা পূরণ করতে পারি, সেই ওয়াদা করার জন্য আমরা একত্র হয়েছি। সেই ওয়াদা শুধু আমরা নয়, পুরুষানুক্রমে বাংলাদেশের সব মানুষ পূরণ করবে। সেই ওয়াদা করার জন্যই আমরা তোমার কাছে আজকে এসেছি। সবাই মিলে যে যেখানেই আছি, তোমার যে মানব প্রেম, তোমার যে ভঙ্গি, মানুষের সঙ্গে উঠাবসা, তোমার যে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, সবাই প্রশংসা করছে। সেটা আমরা প্রাণে গ্রহণ করছি। যেটা যেন আমাদের মনে সব সময় জাগ্রত থাকে। আমরা সেটা অনুসরণ করতে পারি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তুমি আমাদের এমন এক মন্ত্র কানে দিয়ে গেছো সেই মন্ত্র বাংলাদেশের কেউ কোনদিন ভুলতে পারবে না। এই মন্ত্র চিরদিন আমাদের কানে বাজবে। সে মন্ত্র বাংলাদেশের বড় মন্ত্র হয়ে আমাদের জাতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। তোমার মন্ত্র ছিল, চল বলবীর চির উন্নত মম শীর, এই উন্নত মম শীরের যে মন্ত্র তুমি দিয়ে গেছো, সেটা সন্তানের বাংলাদেশি সন্তানের জন্মলগ্ন থেকে যতদিন সে বেঁচে থাকবে। আমাদের শির কখনো নত হবে না। সেই মন্ত্র তুমি আমাদের দিয়ে গেছো। আমাদের সব কাজে প্রমাণ করব আমরা দুনিয়ার সামনে মাথা উঁচু করে চলবো, কারো কাছে মাথা নত করব না। সেই মন্ত্র তুমি আমাদের দিয়ে গেছো আমরা সেটা পূরণ করে যাবো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান উপদেষ্টা বলেন, হাদি তুমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিলে এবং সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে নির্বাচন কীভাবে করতে হয় তারও একটা প্রক্রিয়া জানিয়ে গেছে আমাদের। সেই প্রক্রিয়া যেন আমরা সবাই মিলে গ্রহণ করি। কীভাবে প্রচার প্রচারণা কার্য চালাতে হয়, কীভাবে মানুষের কাছে যেতে হয়, কীভাবে মানুষকে কষ্ট না দিয়ে তার বক্তব্য প্রকাশ করতে হয়, কীভাবে বিনীতভাবে মানুষের কাছে আসতে হয়, সবকিছু তুমি শিক্ষা দিয়ে গেছো। আমরা এই শিক্ষা গ্রহণ করলাম, আমরা এই শিক্ষা চালু করতে চাই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, আমরা সবাই আমাদের জীবনে আমাদের রাজনীতিকে এই পর্যায়ে নিয়ে আসতে চাই, যাতে হাদি আমাদের জীবনে স্পষ্টভাবে জাগ্রত থাকে। হাদি তুমি হারিয়ে যাবে না। কোনদিন কেউ তোমাকে ভুলতে পারবে না। তুমি যুগ যুগ ধরে আমাদের সঙ্গে থাকবে। আমাদের তোমার মন্ত্র পুরোপুর মনে করিয়ে দেবে। আমরা সেই মন্ত্র নিয়ে আজকে সামনের পথে এগিয়ে যাব। তোমাকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে তোমার সঙ্গে ওয়াদা করলাম আজকে তোমাকে আল্লাহর হাতে দিলাম, আমানত রেখে গেলাম, আমরা সব সময় তোমার কথা স্মরণ রেখে জাতির অগ্রগতির পথে চলতে থাকবো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইউক্রেনের  বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া: ৭ জন নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/731</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 11:10:44 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/731</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী ইউক্রেনের ওডেসা বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে অভিযানরত রুশ বাহিনী। এতে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৫ জন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ওলেক্সিয়ে কুলেবা। টেলিগ্রামপোস্টে কুলেবা বলেন, &amp;ldquo;আজ সন্ধ্যার পর ওডেসার বন্দর অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এতে ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ওডেসা ইউক্রেনের প্রধান বন্দরশহর। কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী ওডেসায় মোট তিনটি বন্দর আছে। এই ৩ বন্দর দিয়েই ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে রপ্তানি হয় ইউক্রেনের শস্য ও অন্যান্য সামগ্রী। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে বেশ কয়েকবার ওডেসা এবং এর সমুদ্রবন্দরগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন&amp;mdash; শুক্রবার এই তিন বন্দরের একটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রুশ বাহিনী। বন্দরটির নাম পিভদেন্নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি ইউক্রেনে হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। গত বৃহস্পতিবার ওডেসার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলে একটি সেতু ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ধ্বংস করে দেয় রুশ সেনারা। সেতুটি ধ্বংসের ফলে ইউক্রেনের প্রধান নদীবন্&amp;zwnj;দর রেনি এবং মলদোভা ও রোমানিয়া ক্রসিংয়ের সঙ্গে ওডেসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র : রয়টার্স&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচন বানচাল করবার জন্য হাদীকে হত্যা করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/730</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 10:53:40 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/730</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;strong&gt;ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে দেশের সব দল প্রতিবাদ করে হত্যাকারীদের বিচারের দাবি জানিয়ে চলছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মূলত আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অনিশ্চিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এ অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে বলে মনে করে দলটি।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;br /&gt;
গতকাল বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;তিনি বলেন, দেশজুড়ে এমন অরাজক পরিস্থিতি চললেও সরকারের ভূমিকা এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, সম্পাদক নূরুল কবীরের ওপর আক্রমণ, উদীচী ও ছায়ানটে অগ্নিসংযোগ, ভারতীয় হাইকমিশনে হামলা এবং ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার মতো ঘটনা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার এক গভীর ষড়যন্ত্র। কাপুরুষোচিতভাবে শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে আমরা তীব্র ঘৃণা ও নিন্দা জানাচ্ছি। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের জন্য আমরা আবারও দাবি জানাচ্ছি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;বিএনপি মহাসচিব বলেন, অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের ভোটাধিকার তথা গণতান্ত্রিক অধিকারকে ষড়যন্ত্রকারীরা নস্যাৎ করে দেশে ফ্যাসিবাদের একটি নতুন সংস্করণ তৈরি করতে চাচ্ছে। সরকারের নাকের ডগাতেই তারা এই তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে দেশবিদেশে সরকার তথা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়ে চলেছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;মির্জা ফখরুল বলেন, শান্তিকামী দেশবাসীর পক্ষ থেকে এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রকারীদের আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের দেশকে আমরা ধ্বংস হতে দেব না। এ অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে। এজন্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির বৃহত্তর ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত প্রস্থান এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে জাতীয় নির্বাচন আদায়ের সব শক্তিকে আবারও রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুপুরে ওসমান হাদীর জানাজা, যান চলাচলে বিশেষ নির্দেশনা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/729</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 10:14:15 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/729</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির নামাজে জানাজা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির সম্ভাবনা থাকায় আজ শনিবার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শনিবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে খেজুর বাগান ক্রসিং থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ থাকবে। ফলে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল সীমিত থাকবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিএমপি জানায়, সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নগরবাসীকে বিকল্প সড়ক ব্যবহার ও ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিকল্প সড়ক :&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১। মিরপুর রোড টু ফার্মগেট ভায়া মানিক মিয়া অ্যাভিনিউগামী যানবাহন মিরপুর রোড হয়ে উত্তর দিক থেকে আগত ফার্মগেট/সোনারগাঁও অভিমুখী যানবাহন গণভবন ক্রসিং-লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেটের দিকে গমন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২। ফার্মগেট টু মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ভায়া ইন্দিরা রোডগামী যানবাহন ফার্মগেট থেকে খেজুর বাগান ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-বামে মোড় নিয়ে লেক রোড-গণভবন ক্রসিংয়ের দিকে গমন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩। ধানমন্ডি থেকে ফার্মগেটগামী যানবাহন ধানমন্ডি ২৭ থেকে আগত যানবাহন আসাদগেট-গণভবন ক্রসিং ডানে ইউটার্ন করে লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিংয়ের দিকে গমনাগমন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৪। আসাদগেট থেকে ফার্মগেট ক্রসিংগামী যানবাহন আসাদগেট-বামে মোড় নিয়ে গণভবন ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে লেক রোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং-বিজয় সরণি ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে ফার্মগেট ক্রসিংয়ের দিকে গমন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৫। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ ইন্দিরা রোড থেকে ধানমন্ডিগামী যানবাহন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে/ইন্দিরা রোড থেকে আগত যানবাহন খেজুর বাগান ক্রসিং-ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-বামে মোড় নিয়ে লেক রোড-বামে মোড় নিয়ে আসাদগেট-সোজা পথে ধানমন্ডির দিকে গমন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৬। মিরপুর রোড থেকে ধানমন্ডি ২৭ গামী যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ব্লকেড সরিয়ে ফেলা হবে বিধায় মিরপুর রোড থেকে দক্ষিণ অভিমুখী যানবাহন শ্যামলী-শিশুমেলা-গণভবন-আসাদগেট থেকে সোজা ধানমন্ডি ২৭-এর দিকে গমনাগমন করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৭। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েগামী যানবাহনগুলোকে জানাজা নামাজ চলাকালীন ফার্মগেট এক্সিট র&amp;zwj;্যাম্প ব্যবহারের পরিবর্তে এফডিসি (হাতিরঝিল) র&amp;zwj;্যাম্প ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হলো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, সব যানবাহন চালকদের শনিবার সকাল থেকে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকা পরিহার করে ট্রাফিক নির্দেশনা মোতাবেক চলাচলের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। নিরাপত্তার স্বার্থে ও বিড়ম্বনা এড়াতে জানাজায় আগত সর্বসাধারণকে কোনো প্রকার ব্যাগ বা ভারি জিনিসপত্র বহন না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ডিএমপি সম্মানিত নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিরাজগঞ্জ বিসিক উদ্যোক্তা মেলা-২০২৫ শুরু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/727</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 16:01:44 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/727</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জেলা প্রশাসন ও বিসিক সিরাজগঞ্জ আজ থেকে আয়োজন করছে সিরাজগঞ্জ বিসিক উদ্যোক্তা মেলা-২০২৫, যা উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১০ দিনব্যাপী এই মেলায় অংশ নিচ্ছে ৫০টিরও বেশি স্টল, যেখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র, মাঝারি ও নতুন উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই মেলায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে মেরিনার্স গ্রুপ। মেলায় মেরিনার্স গ্রুপের একটি বৃহৎ ও সুসজ্জিত ১১ নং স্টলে প্রদর্শিত হবে তাদের ৪৭টিরও বেশি ভোক্তা পণ্য, যা দেশীয় বাজারে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মেরিনার্স গ্রুপের স্টলে থাকবে খাদ্যপণ্য, বেকারি ও স্ন্যাকস আইটেমসহ বিভিন্ন দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য। গ্রুপটির নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, মাননিয়ন্ত্রণ এবং বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব পণ্য সারা দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। উদ্যোক্তা মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় ক্রেতা, পরিবেশক ও নতুন উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোক্তা মেলা স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসায়িক উদ্যোগকে আরও গতিশীল করবে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং দেশীয় পণ্যের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াবে। মেলায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মেরিনার্স গ্রুপ কর্তৃপক্ষ জানান, দেশীয় উদ্যোক্তা ও শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তারা নিয়মিত এ ধরনের মেলায় অংশগ্রহণ করছে। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্যোক্তা মেলা ও প্রদর্শনীতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরিকল্পনার কথা জানান তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জ বিসিক উদ্যোক্তা মেলা-২০২৫ স্থানীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বাণিজ্য&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদিতে অনুমতি ছাড়া নির্বাচনি সভা, বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আটক! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/726</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 11:32:44 +0600</pubDate>
		<category>প্রবাসে বাংলাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/726</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচার প্রচারণার বিষয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছে দূতাবাস। এরইমধ্যে এমন ঘটনায় কয়েকজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন বলে দূতাবাস জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৭ ডি&amp;zwnj;সেম্বর) রাতে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞ&amp;zwnj;প্তিতে বাংলাদে&amp;zwnj;শি নাগ&amp;zwnj;রিকদের সতর্ক করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় হলরুম ভাড়া করে এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ কিংবা ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে অননুমোদিত বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সভা-সমাবেশ আয়োজন, দলবদ্ধভাবে প্রচার-প্রচারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে সৌদি কর্তৃপক্ষ কয়েকজন বাংলাদেশিকে আটক করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এমতাবস্থায় সৌদি আরবে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশিকে সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ আয়োজন, রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধমূলক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একইসেঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌদি আরবের আইন-কানুন বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানায় দূতাবাস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: বাংলাদেশ দূতাবাস, সৌদি-আরব&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/প্রবাসী&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এ পর্যন্ত ইসরায়েলের ৬১ জন সেনাসদস্যের আত্মহত্যা ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/725</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 18 Dec 2025 09:35:04 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/725</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলের ৬১ জন সেনাসদস্য আত্মহত্যা করেছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এবং মিডল ইস্ট মনিটর এই তথ্য জানিয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সর্বশেষ গত মঙ্গলবার উত্তর ইসরায়েলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে কর্মরত একজন সেনাসদস্য নিজের ওপর গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই সেনাসদস্য ট্র্যাকার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল যে, উত্তর ইসরায়েলে একটি সামরিক ঘাঁটিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই ঘটনার পর দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। হারেৎজ জানিয়েছে, এই সেনাসদস্য সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজের ওপর মরণঘাতী আঘাত চালান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেনাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে চলতি বছরের ২৮ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের গবেষণা ও তথ্যকেন্দ্র একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত অন্তত ২৭৯ জন ইসরায়েলি সেনাসদস্য আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি সাতজন সেনার আত্মহত্যার চেষ্টার বিপরীতে অন্তত একজন সেনার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। গাজায় দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ এবং সামরিক চাপের কারণে সেনাসদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিরাপত্তা শঙ্কায় দুপুর থেকে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/724</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 13:10:48 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/724</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে আইভ্যাক বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ যেসব আবেদনকারীর ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত ছিল, তাদের সবাইকে পরবর্তীতে নতুন তারিখে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়া হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে গত সোমবার বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের চলাফেরায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভের আশঙ্কায় দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জনসমাগম ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী ভারতে গিয়ে অবস্থান করছেন। আদালতের রায়ে দণ্ডিত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের প্রত্যর্পণ চাইলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি দিল্লি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: জাগো নিউজ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শ্রমশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে দালাল চক্র সবচেয়ে বড় বাধা: প্রধান উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/723</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 12:48:46 +0600</pubDate>
		<category>প্রবাসে বাংলাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/723</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শ্রমশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে দালাল চক্র সবচেয়ে বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শ্রমশক্তি রফতানির পুরোটাই দালাল বেষ্টিত। পদে পদে দালালদের প্রতারণার জন্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, এই শ্রমশক্তি রফতানি খাতকে দালাল মুক্ত করতে না পারলে উন্নতি সম্ভব না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পৃথিবীতে তারুণ্যের অভাব, আমরা তারুণ্যের খনি। এটা সোনার চেয়েও দামী। সারা পৃথিবীকে আমাদের কাছে আসতে হবেই, এত তরুণ জনশক্তি আর কোথাও নাই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল প্রবাসীদের কল্যাণে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/প্রবাসী&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৩০ জনের  লাশ উদ্ধার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/722</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 10:41:51 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/722</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ফিলিস্তিনের পশ্চিম গাজা সিটির একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৩০ জন ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স এ তথ্য জানিয়েছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নিহতরা সালেম পরিবারের সদস্য। ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর গাজা সিটির আল-রিমাল এলাকায় তাদের বাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় তারা নিহত হন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিভিল ডিফেন্সের মতে, ওই হামলায় সালেম পরিবারের প্রায় ৬০ জন সদস্য নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া ওই বাড়িটিই ছিল সিভিল ডিফেন্সের শুরু করা একটি সংগঠিত উদ্ধার অভিযানের প্রথম স্থান। এই অভিযানের লক্ষ্য ইসরাইলি হামলায় গাজাজুড়ে ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজারো ফিলিস্তিনিকে খুঁজে বের করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংস্থাটি জানায়, সীমিত সরঞ্জাম&amp;mdash;এর মধ্যে একটি এক্সকাভেটরও রয়েছে&amp;mdash;ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশ উদ্ধারের কাজ অব্যাহত থাকবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৯ কোটি ২০লাখ টাকায় কেকেআর’এ মুস্তাফিজ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/721</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 10:21:19 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/721</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আইপিএল ক্যারিয়ারে নিজের সর্বোচ্চ দামে দল পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের বাঁ-হাতি পেসারকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। তিনি ২ কোটি রুপির ভিত্তিমূল্যে ছিলেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিডে মুস্তাফিজের নাম উঠতেই ভিত্তিমূল্য ২ কোটি রুপিতে তাকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায় চেন্নাই সুপার কিংস। গত মৌসুমে চেন্নাইয়ের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। তাকে দলে নিতে রীতিমতো মরিয়া ছিলেন আইপিএলের সফলতম ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কিন্তু শুরু থেকে তাকে দলে নেওয়ার জন্য বিড শুরু করে কেকেআর। চেন্নাইয়ের সঙ্গে লড়াই করে দাম তুলতে থাকে বাংলার দলটি। মাঝমাখে দিল্লি তাকে দলে নেওয়ার বিডে প্রবেশ করেছিল। তবে দাম ৪ কোটির ওপরে উঠতেই সরে যায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মুস্তাফিজকে দলে নেওয়ার লড়াই শুরু হয় কলকাতা ও চেন্নাইয়ের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত কলকাতা বাংলাদেশের তারকা বাঁ-হাতি পেসারকে রেকর্ড দামে দলে ভিড়িয়েছে। এর আগে বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটারের আইপিএলে এতো দাম ওঠেনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইপিএলে ২০১৬ সালে মুস্তাফিজের অভিষেক হয়। প্রথম মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলে বাজিমাত করেন তিনি। আইপিএলের উদীয়মান হয়ে হায়দরাবাদকে শিরোপা জেতান। এরপর থেকে নিয়মিত আইপিএলে খেলছেন টাইগার এই তারকা। আট মৌসুমের আইপিএল ক্যারিয়ারে ৬০ ম্যাচ খেলে ৬৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হায়দরাবাদের পর তাকে রাজস্থানের জার্সিতে দেখা যায়। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে ও দিল্লি ক্যাপিটালসের পরে চেন্নাইয়ে খেলেছেন। এবার খেলবেন কেকেআরে। তার আগে কলকাতার দলটির জার্সি পরেছেন সাকিক আল হাসান ও মাশরাফি মর্তুজা। এর মধ্যে সাকিব কেকেআরের হয়ে আইপিএলের শিরোপা জিতেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওসমান হাদিকে নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দ্যেশে যাত্রা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/720</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 17:18:18 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/720</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;strong&gt;ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;সোমবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমাবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে, দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে বের করে নেওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এরও আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে অসপ্রে এভিয়েশনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক দল এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি বিভাগে তার চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এ ছাড়া তার চিকিৎসা-সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে তিনি ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং অপরিবর্তিত আছে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/719</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 17:44:18 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/719</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) লাইভ প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ নিশ্চিত করেছে, গুলিতে একজন বন্দুকধারীসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন। অন্য বন্দুকধারী পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং আহত হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ আরও জানিয়েছে, কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এক্স-পোস্টে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ বলেছে, &amp;#39;অভিযান চলছে এবং আমরা লোকজনকে এলাকাটি এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করছি।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;টেলিভিশন নেটওয়ার্ক স্কাই এবং এবিসি&amp;#39;র ফুটেজে মাটিতে পড়ে থাকা মানুষদের দেখা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এক্স-এ প্রচারিত ভিডিওগুলোতে বন্ডি সৈকতে লোকজনকে বিচ্ছিন্নভাবে দৌড়াতে দেখা গেছে। একাধিক গুলির শব্দ এবং পুলিশের সাইরেন শোনা যাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের একজন মুখপাত্র বলেছেন, &amp;#39;আমরা বন্ডিতে সক্রিয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত। আমরা আশেপাশের লোকদের নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের কাছ থেকে তথ্য অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করছি।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র:বিবিসি&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাদীকে হত্যা চেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরবাইক শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/718</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 12:14:15 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/718</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের মালিককে গ্রেফতার করেছে র&amp;zwj;্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র&amp;zwnj;্যাব)।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র&amp;zwnj;্যাব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র&amp;zwnj;্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;র&amp;zwnj;্যাব জানায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আব্দুল হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসমান হাদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ৫৪-৬৩৭৫ বলেও জানায় র&amp;zwnj;্যাব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেফতারকৃত হান্নানের বাবার নাম মো. আবুল কাশেম। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। র&amp;zwnj;্যাব আরও জানায়, হামলার ঘটনায় হান্নান সরাসরি জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদেক শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। মেডিকেল বোর্ড জানায়, ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। তবে তার কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবৃতিতে মেডিকেল আরও জানায়, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: যুগান্তর, সমকাল&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এই ষড়যন্ত্রগুলো এখনই থামবে না, আরও খারাপও হতে পারে-তারেক রহমান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/717</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 10:03:49 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/717</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ষড়যন্ত্র থেমে নেই মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই ষড়যন্ত্রগুলো এখনই থামবে না। আরও খারাপও হতে পারে। আমাদের ভয় পেলে চলবে না, আমাদেরকে আতঙ্কগ্রস্ত হলে চলবে না।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে &amp;lsquo;দেশ গড়ার পরিকল্পনা&amp;rsquo; শীর্ষক এক কর্মশালায় লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। ধারাবাহিক কর্মশালার সপ্তমদিনে বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, যে কথাটা আমি আগে বলেছিলাম যে, নির্বাচন অত সহজ হবে না, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। গত কয়েকদিনের ঘটনা, শুক্রবারের ঘটনা, চট্টগ্রামে আমাদের প্রার্থীর উপরে গুলিবর্ষণের ঘটনা এই সবকিছু নিয়েই কিন্তু প্রমাণিত হচ্ছে যে, যা আমি বলছিলাম তা কিন্তু সত্য হচ্ছে আস্তে আস্তে। কাজেই আমরা যদি নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে নিয়ে না আসি, আমরা যদি নিজেরা ঐক্যবদ্ধ না হই। এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুদানের সন্ত্রাসীদের হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/716</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 09:44:35 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/716</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সুদানের আবেইতে সন্ত্রাসীদের হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৮ জন। শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইএসপিআর জানায়, সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। সেখানে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে বার্তা সংস্থা এএফপি হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সুদানের কোরদোফান এলাকায় জাতিসংঘের ভবনে হামলা হয়েছে। এই হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেসির কলকাতা সফর ঘিরে বিশৃঙ্খলা-ভাঙচুর, ক্ষমা চাইলেন মমতা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/715</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 17:34:11 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/715</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;তিন দিনের সফরে ভারতে এসেছেন লিওনেল মেসি। শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতা পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরের বাইরে তখনো ভক্তদের ঢল। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনিতে তাকে হোটেলে নেওয়া হয়। শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়াম ও যুবভারতীতে যে উপচে পড়া ভিড় হবে তা বলার অপেক্ষা ছিল না। &lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভক্তদের উন্মাদনা শেষ পর্যন্ত বিশৃঙ্খলায় রূপ নেয় অনুষ্ঠানটি। মাঝপথে স্থগিতও করা হয়। মাত্র ২০ মিনিট স্টেডিয়ামে ছিলেন মেসি। ভক্তরা ঠিক মতো দেখতে পাননি। এক ভক্ত ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, দূর থেকে ছোট্ট একটা পাখির মতো দেখা গেছে মেসিকে। অন্য এক ভক্ত জানিয়েছেন, বিয়ে ফেলে ছুঁটে এসেছেন মেসিকে দেখতে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বকাপ জয়ী তারকা মেসি সল্টলেক স্টেডিয়াম ছাড়ার পরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ভক্তরা। ভাঙচুর শুরু করেন স্টেডিয়ামের ভেতর। চেয়ার উঠিয়ে ছুঁড়ে ফেলে তারা। ডাগআউটের ছাউনি ভেঙে ফেলেন। যেন সল্টলেক কোন প্রাকৃতিক দূর্ঘটনায় বিধ্বস্ত এক স্টেডিয়াম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একইভাবে যুবভারতীয়তে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, এ ঘটনায় মেসিকে ভারতে আনার মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মেসির পরবর্তী গন্তব্য হায়দরাবাদ। সেখান থেকে মুম্বাইয়ে হয়ে দিল্লি দিয়ে সফর শেষ করার কথা তার। শতদ্রু গ্রেপ্তার হওয়ায় সূচি অনুযায়ী পরবর্তী অনুষ্ঠানগুলো হওয়া নিয়ে এখন শঙ্কা তৈরি হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে বিশৃঙ্খলায় ব্যথিত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তিনি মেসির কাছে ক্ষমা চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, এমন অব্যবস্থাপনায় তিনি স্তম্ভিত এবং বিচলিত, &amp;lsquo;সল্টলেক স্টেডিয়ামের অব্যবস্থাপনায় আমি বিচলিত এবং স্তম্ভিত। মেসিকে দেখার জন্য মাঠে হাজার হাজার দর্শকের জমায়েত হয়েছিল। আমি মাঝপথে ছিলাম। এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় আমি মেসি, সকল ক্রীড়াপ্রেমী এবং তার ভক্তদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিচ্ছি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: আনন্দ বাজার&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/714</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 13:24:21 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/714</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপি মহাসচিব বলেন, &amp;lsquo;একটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে আমি এসেছি। আপনাদের জানাচ্ছি আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোটি মানুষের প্রিয় মানুষ দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর ধরে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন, তিনি আগামী ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার মাটিতে পা রাখবেন।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, &amp;lsquo;বিগত প্রায় এক যুগ ধরে তিনি গণতান্ত্রিক আদর্শের নেতৃত্ব নিয়েছেন এবং আমাদের দলকে নেতৃত্ব নিয়েছেন। আমাদের গণতন্ত্র উত্তরণের নেতৃত্ব দিয়ে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন। আমি আবার বলছি আগামী ২৫ ডিসেম্বর আমাদের সংগ্রামী নেতা তারেক রহমান আমাদের মাঝে আসছেন।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মির্জা ফখরুল আরও বলেন, &amp;lsquo;শুধু আমাদের পক্ষ থেকে নয়, সকলের পক্ষ থেকে আমরা তার এ আগমনকে স্বাগত জানাই। গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যেসব বাধা সৃষ্টি হয়েছিল, আমরা মনে করি তারেক রহমান দেশে এলেই সেসব বাধা দূর হয়ে যাবে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারেক রহমান ২০০৭ সালে এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর গ্রেফতার হন। ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান। এরপর থেকে তিনি সে দেশেই আছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল এবং কোনো কোনো মামলায় আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পান। তারপর থেকে তার দেশে ফেরার আলোচনা শুরু হয়। তারেক রহমান শিগগিরই ফিরবেন&amp;mdash;এমন কথা বিএনপি নেতারা কয়েক মাস ধরেই বলে আসছেন। তবে কেউ সুনির্দিষ্ট দিন তারিখ বলেননি। এবার দলের মহাসচিব সুনির্দিষ্ট তারিখ জানালেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশীসহ ১৮ জন নাবিককে আটক করেছে ইরান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/713</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 12:34:24 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/713</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশে,ভারত ও শ্রীলঙ্কাসহ ১৮ নাবিককে আটক করেছে ইরান। ওমান উপসাগরের উপকূল থেকে তেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার নিয়ে যাওয়ার পথে তারা আটক হোন । দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, জাহাজটিতে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মোট ১৮ জন নাবিক রয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার দিনগত রাতে এই আটকের ঘটনা ঘটে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হরমুজগানের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ফার্স সংবাদ সংস্থা জানায়, ওমান সাগরের উপকূল থেকে ৬০ লাখ লিটার ডিজেল বহনকারী একটি তেলের ট্যাঙ্কার আটক করা হয়েছে। ট্যাঙ্কারটি অবৈধভাবে জ্বালানি পাচার করছিল বলে দাবি ইরানের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আটকের আগে জাহাজটি ইচ্ছাকৃতভাবে তার সমস্ত নেভিগেশন সিস্টেম বন্ধ করে রেখেছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইরানি বাহিনী নিয়মিতভাবে উপসাগরে অবৈধভাবে জ্বালানি পরিবহনের অভিযোগে জাহাজ আটকানোর ঘোষণা দিয়ে থাকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বের মধ্যে ইরানে খুচরা জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায়, প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাচার অত্যন্ত লাভজনক বলে মনে করা হয়। গত মাসেও গালফ অঞ্চলের পানিতে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করে ইরান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সে সময় ওই জাহাজের বিরুদ্ধে &amp;lsquo;অননুমোদিত পণ্য পরিবহনের&amp;rsquo; অভিযোগ আনা হলেও, ইরানের ওই পদক্ষেপটি কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বলে অভিযোগ ওঠে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে ইরানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নাকচ করে দেয় তেহরান। সর্বশেষ এই জাহাজ জব্দের ঘটনা ঘটল এমন এক সময়, যখন এর মাত্র দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ওয়াশিংটনের দাবি অনুযায়ী, ওই জাহাজটির ক্যাপ্টেন ভেনিজুয়েলা ও ইরান থেকে তেল পরিবহন করছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে, ২০২২ সালে ভেনিজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: এএফপি&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/মেরিন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে: যে কোনো সময় গ্রেফতার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/712</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 10:49:16 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/712</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানীর বিজয়নগরে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, জড়িতদের যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিএমপি কমিশনার বলেন, &amp;lsquo;উই আর ভেরি ক্লোজ টু ডিটেক্ট। হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। জড়িতদের যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, বিকেলে হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে ন্যক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত হামলা উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয় (ডিএমপি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই ঘটনায় নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করে ডিএমপি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, শুক্রবার দুপুরে বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে করে এসে দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদির ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/অপরাধ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কেরানীগঞ্জে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/711</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 10:10:36 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/711</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাবুবাজারে শনিবার ভোরে একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট কাজ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়েছে তারা। ৫টা ৪৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ভবনের ৪২ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন সিঁড়ি দিয়ে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া বিভাগের জ্যেষ্ঠ স্টাফ অফিসার শাহজাহান শিকদার জানান, ওই ভবনের নিচতলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ, সদরঘাট ও সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনসহ মোট ১৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফায়ার সার্ভিস বলছে, ভবনটিতে কাপড় ও তারের গোডাউন রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি জানান, আগুন লাগা ওই ভবনটির নাম জাবালে নুর টাওয়ার যার মালিক হাজি ফারুক হোসেন। তিনি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ আসনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। কেরানীগঞ্জের আগানগর বাবুবাজার ব্রিজের সঙ্গে এই ভবনটির অবস্থান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ব্যাপারে ভবনটির মালিক হাজি ফারুক হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মো. সুমন মিয়া নামে স্থানীয় একজন বলেন, ভবনটির নিচে আন্ডারগ্রাউন্ড। সেখানে শীতের পোশাক মজুত ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিস লিডার হেমায়েত মোল্লা বলেন, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এখনও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অগ্নিকাণ্ড তদন্তে কমিটি: কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক বলেন, আগুনের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন কেরানীগঞ্জ ভূমি দক্ষিণ সার্কেল এসিল্যান্ড আফতাব আহমেদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ওসি তদন্ত, ফায়ার সার্ভিস সদস্য, কলকারখানা পরিদর্শক ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে ফার্মগেট অবরোধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/710</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 12:23:07 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/710</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ঢাকার ফার্মগেট মোড় অবরোধ করেছে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি নেয় কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার সকাল ১০টার দিকে তেজগাঁও কলেজের মূল ফটকের সামনে নিয়ে বিক্ষোভ করে শতাধিক শিক্ষার্থী। এরপর তারা ফার্মেগেট মোড়ে অবস্থান নেয়।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div style=&quot;margin-left:-12px; margin-right:-12px&quot;&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন হাজারও মানুষ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিস্তারিত আসছে...&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র কে জলদস্যু আখ্যা ভেনেজুয়েলার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/709</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 11:51:29 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/709</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ভেনেজুয়েলা উপকূলে বিশাল তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘটনায় ওয়াশিংটনকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছে কারাকাস। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে &amp;lsquo;চুরি&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা&amp;rsquo;র অভিযোগ তুলে ভেনেজুয়েলা বলছে, ওয়াশিংটনের সব পদক্ষেপই দেশটির জ্বালানি সম্পদ দখলের পরিকল্পনার অংশ। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে এই ধরনের আরও পদক্ষেপ নেয়ার কথা বিবেচনা করছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, ভেনেজুয়েলা উপকূলে একটি তেলবাহী জাহাজ আটক করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে &amp;lsquo;চুরি&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা&amp;rsquo;র অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার। এক বিবৃতিতে দেশটি বলেছে, ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই &amp;lsquo;আগ্রাসী নীতি&amp;rsquo; আমাদের জ্বালানি সম্পদ লুটের &amp;lsquo;সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ&amp;rsquo;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র &amp;lsquo;সাম্রাজ্যবাদী পন্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার&amp;rsquo; করছে। লাতিন আমেরিকার এই দেশটির দাবি, ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের এই আক্রমণ অভিবাসন, মাদক পাচার, গণতন্ত্র কিংবা মানবাধিকারের কারণে নয়; বরং &amp;lsquo;এটা সবসময়ই ছিল আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, আমাদের তেল ও জ্বালানি দখলের জন্য।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আমরা ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি ট্যাংকার আটক করেছি&amp;mdash; খুব বড় ট্যাংকার। এখন পর্যন্ত আটক করা ট্যাংকারগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: আনাদুলু, রয়টার্স&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত বাংলাদেশীদের  বিষাদময় প্রত্যাবর্তন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/708</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 10:53:27 +0600</pubDate>
		<category>প্রবাসে বাংলাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/708</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাতকড়া এবং পায়ে শিকল পরানো অবস্থায় ফেরত পাঠানো বাংলাদেশিদের ভাষ্য থেকে বর্বরতার রোমহর্ষক বর্ণনা পাওয়া গেছে। ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ সামরিক ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয় ৩১ বাংলাদেশিকে। তাঁদের ওপর পৈশাচিকতার বিবরণ উঠে এসেছে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটি নিম্নরূপ, নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিচ্ছিলেন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো বাংলাদেশি নাগরিক ফয়সাল আহমেদ (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থাকায় ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে)। তিনি বলেন, &amp;lsquo;এখনো আমার হাতে দাগ, কোমরে দাগ, আমার পুরো শরীরে স্পট হয়ে আছে। বাংলাদেশে বিমানবন্দরে নামার আগে ৭৫ ঘণ্টা আমাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখা হয়েছিল, এমনকি বাথরুমেও যেতে দেয়নি।&amp;rsquo; তিনি জানান, পাঁচ বছর আগে ভিজিট ভিসায় বলিভিয়ায় গিয়ে আর দেশে ফেরেননি তিনি। সেখান থেকে দালালের মাধ্যমে প্রায় ছয় মাসের চেষ্টায় পেরু, ইকুয়েডর, মেক্সিকো হয়ে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ঢোকেন যুক্তরাষ্ট্রে। পরিচিতজনদের বাসায় আশ্রয় নিয়ে তখন থেকেই বৈধ হওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। ফয়সাল আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;ওই সময় পরিস্থিতি অনুকূলে ছিল। থেকে যাওয়ার প্রক্রিয়াটাও খুব ইজ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফয়সাল আহমেদ জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ছয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। সেখান থেকে তাঁকে বাফেলোর একটি ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়। এরপর জায়গা বদলে তিনিসহ আরও কয়েকজনকে হাতে-পায়ে শিকল পরিয়ে নেওয়া হয় লুইজিয়ানার আরেকটি কারাগারে। তিনি বলেন, &amp;lsquo;ভাই, আর কারও যেন এভাবে কারাগারে না থাকা লাগে। ছয়ডা মাস ছিলাম। যে খাবার খাইতে দিত, মানুষ পশুপাখিকেও এমন খাবার খাওয়ায় না।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ওই ফ্লাইটে আরেকজন বিবিসি বাংলাকে বলেন, &amp;lsquo;বাংলাদেশের জন্য বিমানে তুলছে সকাল ৮টায়, কিন্তু হাতে, গলায় ও কোমরে শিকল পরানো ছিল রাত ১২টা থেকেই। এরপর প্রায় ২৭ থেকে ২৮ ঘণ্টা বিমানে ছিলাম। আমাকে বাথরুমেও যেতে দেওয়া হয়নি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, ফ্লাইটে যে ৩১ জন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন তাদের অধিকাংশই নোয়াখালীর বাসিন্দা। এ ছাড়া সিলেট, ফেনী, শরীয়তপুর, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলার লোকও রয়েছেন। আরও অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি রয়েছেন, যাদের ফেরত পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন ফেরত আসা কর্মীরা। ফেরত আসাদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন বলেন, &amp;lsquo;হাতে বেড়ি, পায়ে বেড়ি, কোমরে বেড়ি। আমেরিকা থেকে বিমানে তুলছে ৪০ ঘণ্টা পর। গার্বেজের মতো ছুড়ে ফেলে গেছে বাংলাদেশের বিমানবন্দরে।&amp;rsquo; টেলিফোনে কথা হচ্ছিল এ পরিস্থিতির শিকার আরেকজনের বড় ভাইয়ের সঙ্গে। বিবিসি বাংলাকে তিনি জানান, দুই বছর আগে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বৈধভাবে ব্রাজিল গিয়েছিলেন তাঁর ভাই। নয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন। এর পর থেকেই ছিলেন কারাগারে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, &amp;lsquo;ভাইয়ের জন্য জমি বিক্রি করে টাকার ব্যবস্থা করছিলাম, প্রায় ৩৫ লাখ খরচ হইছে, এখন আমগো কী হইব?&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্র্যাক মাইগ্রেশন সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে গত সাত মাসে এভাবে ফেরত পাঠানো হয়েছে আড়াই শর বেশি বাংলাদেশিকে, যারা নানাভাবে দেশটিতে ঢুকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে থেকে গিয়েছিলেন। মার্কিন আইন অনুযায়ী বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালতের রায় বা প্রশাসনিক আদেশে দেশে ফেরত পাঠানো যায়। আশ্রয়ের আবেদন ব্যর্থ হলে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাঁদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্র্যাক মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, &amp;lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একাধিক দফায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিককে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।&amp;rsquo; তাঁর মতে নথিপত্রহীন কাউকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফেরত পাঠানোটা স্বাভাবিক, কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাতকড়া, পায়ে শিকল পরিয়ে রাখার ঘটনা অমানবিক। ৫০ থেকে ৬০ ঘণ্টা যতক্ষণ তাঁরা ফ্লাইটে ছিলেন হাতে-গায়ে শিকল পরানো ছিল। এমন পরিস্থিতি আসলে একজন ব্যক্তির মধ্যে ট্রমা হয়ে থাকে, আতঙ্ক হয়ে থাকে। সরকারের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলে পদক্ষেপ নেওয়া। অবৈধভাবে কেউ থাকলে বন্দি করে ফেরত পাঠানো হোক, কিন্তু মানবিক দিকও বিবেচনায় রাখা উচিত।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্র্যাক মাইগ্রেশন সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সবশেষ দেশে ফেরত আসা ৩১ জনের মধ্যে অন্তত সাতজন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিল গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। এজন্য একেকজন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করছেন, কিন্তু ফিরছেন শূন্য হাতে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শরিফুল হাসান বলেন, &amp;lsquo;যে এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছিল এবং যারা এ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ছিল, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। অতীতেও নানান অনিয়মের কারণে মালয়েশিয়া, কাতারসহ বেশ কয়েকটি দেশে শ্রমশক্তি পাঠানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের। এমন প্রেক্ষাপটে আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকার যেসব দেশে বৈধভাবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে, সেসব জায়গায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: বিবিসি বাংলা, বাংলাদেশ প্রতিদিন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/প্রবাস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম-এর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/707</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 10:42:37 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/707</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম। তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগ নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আসিফ মাহমুদ যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিলেন এবং মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে পালন করছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরে এ বিষয়ে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রেস সচিব বলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম আজ বিকেল ৫টা নাগাদ প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপস্থিত হয়ে উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র জমা দিলে প্রধান উপদেষ্টা তা গ্রহণ করেন। তাদের পদত্যাগ নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত বছরের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকারে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন সরকারে জায়গা পান। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. নাহিদ ইসলাম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/706</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 13:32:44 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/706</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আজ বুধবার বেলা পৌনে ১টার দিকে প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তালেবুর রহমান বলেন, গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ।&lt;br /&gt;
বিস্তারিত আসছে...&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) </title>
		<link>https://shomoybhela.com/705</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 12:46:44 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/705</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;দেশজুড়ে ২০টি শিল্পনগরীতে ৮৭১টি শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও শিল্পকারখানা স্থাপনে সহায়তা দিতে নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে এসব শিল্পপ্লট বরাদ্দ দিচ্ছে বিসিক।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে শিল্পপ্লট বরাদ্দের এ তথ্য জানিয়েছে বিসিক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্লটে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ড্রেনেজ, রাস্তাসহ অন্যান্য অবকাঠামোর সুবিধা দেওয়া হবে। এই আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ১১ নভেম্বর শুরু হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিসিকের ওয়েবসাইটে প্লটের জন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় শর্ত, ফরম ও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;খালি যত শিল্পপ্লট&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে বরাদ্দের জন্য সবচেয়ে বেশি প্লট আছে মুন্সিগঞ্জের &amp;lsquo;বিসিক বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন ও হালকা প্রকৌশল&amp;rsquo; শিল্পনগরীতে। এখানে ৩২৭টি শিল্পপ্লট বরাদ্দের জন্য উপযোগী অবস্থায় আছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বরাদ্দযোগ্য প্লটসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রাজশাহী-২ (দ্বিতীয়) বিসিক শিল্পনগরী। সেখানে ২১৫টি খালি শিল্পপ্লট আছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীতে (সম্প্রসারিত অংশ) খালি শিল্পপ্লট আছে ৯২টি। এর বাইরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শিল্পনগরীতে ৬৩টি, চুয়াডাঙ্গা শিল্পনগরীতে ৪৫টি, সুনামগঞ্জ শিল্পনগরীতে ২৭টি, মাদারীপুর (সম্প্রসারণ) শিল্পনগরীতে ২৩টি ও ভৈরব শিল্পনগরীতে ১৯টি খালি শিল্পপ্লট আছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া বরগুনা শিল্পনগরীতে ১২টি, নরসিংদী শিল্পনগরীতে (সম্প্রসারণ) ৮টি, পাবনা শিল্পনগরীতে ৭টি, কুড়িগ্রাম ও খাগড়াছড়ি শিল্পনগরীতে ৬টি করে, সিরাজগঞ্জ শিল্পনগরীতে ৫টি; ঝালকাঠি, ফেনীর নিজকুঞ্জরা, মৌলভীবাজার ও নোয়াখালী শিল্পনগরীতে ৩টি করে এবং রাঙামাটি ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম শিল্পনগরীতে ২টি করে খালি শিল্পপ্লট রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জমির দাম কেমন&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিসিকের শিল্পনগরীভেদে জমির দাম ভিন্ন। বিসিকের বিজ্ঞপ্তিতে একরপ্রতি জমির দাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ দাম শতাংশ কিংবা প্রতি বর্গফুট আকারেও হিসাব করা যায়। পরিমাপের হিসাব অনুসারে, বাংলাদেশে ১ একর সমান ৪৩ হাজার ৫৬০ বর্গফুট। আবার ১ একর সমান ১০০ শতাংশ জমি। সে হিসাবে ১ শতাংশ সমান ৪৩৫ দশমিক ৬ বর্গফুট জমি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০টি শিল্পনগরীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামের শিল্পপ্লট আছে মুন্সিগঞ্জের বিসিক বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন ও হালকা প্রকৌশল শিল্পনগরীতে। এই শিল্পনগরীতে প্রতি একর জমির মূল্য ধরা হয়েছে ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। তাতে প্রতি বর্গফুটের দাম হয় প্রায় ২ হাজার ১০৩ টাকা। এখানে ২ হাজার ৬০০ বর্গফুট থেকে ৬ হাজার বর্গফুট পর্যন্ত চার ধরনের প্লট রয়েছে। সে হিসাবে একেকটি প্লটের দাম ৫৪ লাখ ৬৯ হাজার থেকে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে অন্যান্য শিল্পনগরীতে এর প্রায় অর্ধেক দামে শিল্পপ্লট রয়েছে। সবচেয়ে কম দাম রয়েছে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও সুনামগঞ্জের শিল্পপ্লটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিসিকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি শিল্পনগরীতে ডাম্পিং ইয়ার্ড, গ্রিন জোন, ফায়ার সার্ভিস, মসজিদ ও লেক প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এসব শিল্পপ্লট মহাসড়ক, রেলস্টেশন বা নদীর পাশে অবস্থিত হওয়ায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে সুবিধা হবে। জমি বরাদ্দ নেওয়ার পরে এসব শিল্পপ্লট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রেখে ঋণ নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুরুষ শিল্পোদ্যোক্তারা প্লটের মূল্য এককালীন অথবা ছয় বছরে ১২ কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবেন। নারী শিল্পোদ্যোক্তারা এককালীন অথবা সাত বছরে ১৪ কিস্তিতে প্লটের মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। আবেদন জমা দেওয়ার সময় পুরুষ শিল্পোদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত প্লটের জমির মোট মূল্যের ২০ শতাংশ এবং নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে প্লটের জমির মোট মূল্যের ১৫ শতাংশ অর্থের পে&amp;ndash;অর্ডার বা ডিডি সংযুক্ত করতে হবে। বিস্তারিত তথ্য বিসিকের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট শিল্পনগরী থেকে জানান যাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/শিল্প ও বাণিজ্য&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২০ ডিসেম্বর থেকে পূর্বাঞ্চলে  বাড়ছে ট্রেনের ভাড়া! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/704</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 11:37:22 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/704</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;পুরোনো ১১ সেতুতে পন্টেজ চার্জ আরোপ করায় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের ভাড়া আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে বৃদ্ধি পাবে। সর্বনিম্ন পাঁচ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২১৪ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়বে। গতকাল মঙ্গলবার রেলওয়ে থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগে শুধু নতুন নির্মিত ১০০ মিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের সেতুতে পন্টেজ চার্জ ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হতো। এ পদ্ধতিতে প্রতি কিলোমিটার ১৭ কিলোমিটার ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হতো। তবে নতুন নিয়মে সারাদেশে ১০০ মিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের নতুন-পুরোনো সব সেতুতে পন্টেজ চার্জ আরোপ করা হয়েছে। প্রতি কিলোমিটারকে ২৫ কিলোমিটার হিসেবে গণ্য করা হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ নিয়মের ফলে রেলপথে ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৩৮১ কিলোমিটার, যা আগে ছিল ৩৪৬ কিলোমিটার। যদিও রেলপথে দুই শহরের প্রকৃত দূরত্ব ৩২০ কিলোমিটার। সেতুর দৈর্ঘ্যকে ২৫ দিয়ে গুণ করার কারণে রেলওয়ের হিসাবে দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার বেশি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদ্মা সেতু এবং যমুনা রেলসেতুতে পন্টেজ চার্জ আরোপের কারণে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনের ভাড়া আগেই বৃদ্ধি পেয়েছে। রেলের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেছেন, নতুন সেতু নির্মাণ এবং পুরোনো সেতুতে রক্ষণাবেক্ষণ বিনিয়োগ তুলতে পন্টেজ চার্জ আরোপ ও বৃদ্ধি করা হয়েছে। রেলে সর্বশেষ ২০১৬ সালে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ৯ বছরে পূর্বাঞ্চলে অনেকগুলো নতুন সেতু হয়েছে। কিন্তু ভাড়া বাড়েনি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়মে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মেইল ট্রেনে ১৫ টাকা এবং কমিউটারে ২০ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি পাবে। আন্তঃনগরের শোভন চেয়ারে ৪৫ টাকা, প্রথম শ্রেণিতে ৬৪, এসিতে&amp;nbsp; ৮০, কেবিনে ৯৮ এবং এসি কেবিনে ১৪৩ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি পাবে। একই রুটের বিরতিহীন ট্রেনে শোভন চেয়ারে ৪৯, প্রথম শ্রেণিতে ৬৯, এসিতে ৮৮, কেবিনে ১০৮ টাকা এবং এসি কেবিনে ১৫৯ টাকা বাড়ছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা-কক্সবাজার রুটের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৫৮৬ কিলোমিটার। যদিও প্রকৃত দূরত্ব ৪৭৭ কিলোমিটার। এ রুটের শোভন চেয়ারে ৬০ টাকা, প্রথম শ্রেণিতে ৯২, এসিতে ১১৫,&amp;nbsp; কেবিনে ১৩৮ এবং এসি কেবিনে ২০৭ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি পেতে যাচ্ছে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটের বিরতিহীন ট্রেনের এসি কেবিনের ভাড়া দুই হাজার ৪৩০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দুই হাজার ৬৪৪ টাকা হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-ময়মনসিংহ-জামালপুর, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-জামালপুর, চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের ট্রেনের ভাড়াও বৃদ্ধি পাবে। ঢাকা-সিলেট রুটে এসি কেবিনের ভাড়া ১২৭ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/যোগাযোগ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাশিয়ায় একটি সামরিক কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, বিমানের সবাই নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/703</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 10:50:06 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/703</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কাছে সামরিক বাহিনীর একটি মালবাহী (কার্গো) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে পাইলটসহ বিমানটিতে থাকা ৭ জন যাত্রীই নিহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) মস্কোর নিকটবর্তী ইভানোভো এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল এএন-২২ মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট সিরিজের একটি উড়োজাহাজ, যা রুশ সামরিক বাহিনীতে কার্গো বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিমানটির ইঞ্জিনে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই ত্রুটি মেরামতের পর পরীক্ষামূলকভাবে ওড়ানো (টেস্ট ফ্লাইট) হচ্ছিল বিমানটিকে। সামরিক বিমানবন্দর থেকে টেক অফ করার কিছুক্ষণ পরই সেটি ইভানোভো জেলার একটি বিরান, জনশূন্য এলাকায় আছড়ে পড়ে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মস্কো থেকে ইভানোভোর দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উড়োজাহাজটি একটি বিরান, জনশূন্য এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। ফলে পাইলট ও যাত্রীরা ছাড়া আর কারো নিহত বা আহত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমান বিধ্বস্তের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেই কমিটি ইতোমধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই হচ্ছে পাসপোর্ট, স্বস্তিতে আবেদনকারীরা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/702</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 14:55:09 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/702</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
এখন পাসপোর্ট করতে আর থাকছে না পুলিশ ভেরিফিকেশন। আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট অফিসে কাউন্টারগুলোয় নেই আগের মতো উপচেপড়া ভিড়। ছবি তোলা শেষে আবেদনকারীরা হাসিমুখে বের হচ্ছেন। পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিলের ফলে স্বস্তির কথা জানান সেবা নিতে আসা মানুষ। আবার পুলিশ প্রতিবেদন শিথিল করায় পাসপোর্টের প্রক্রিয়াও দ্রুততর হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাসপোর্ট অফিস জানিয়েছে, পুলিশ ভেরিফিকেশন বন্ধ হওয়ায় অপেক্ষমাণ থাকা প্রায় এক লাখ আবেদনকারীকে পাসপোর্ট দেওয়া সহজ হয়েছে। বিগত সময়ে পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তিতে বিলম্বের কারণে সেগুলো ঝুলে ছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেহেদী হাসান গত বৃহস্পতিবার সুপার এক্সপ্রেস আবেদন জমা দিয়েছিলেন সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে। গত রোববার আগারগাঁও অফিসে পাসপোর্ট নিতে এসে তিনি সমকালকে বলেন, পুলিশি তদন্ত তুলে দেওয়ার কারণে একধাপ হয়রানি বন্ধ হয়েছে। পুলিশের হয়রানির কারণে পাসপোর্ট অফিস নিয়েও মানুষের মনে নেতিবাচক ভাবনা ছিল। এখন মানুষের পাসপোর্ট পাওয়া সহজ হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ শিহাব উদ্দিন খান&amp;nbsp; বলেন, আগে অনেক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্যান্য কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশি প্রতিবেদন পেতে দেরির কারণে আবেদনকারীদের পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে পাসপোর্ট অফিস সম্পর্কেও জনসাধারণের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। এটা বাতিল হওয়ায় জনসাধারণ পাসপোর্ট পেতে হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, পুলিশ প্রতিবেদন শিথিল করায় অপেক্ষায় থাকা প্রায় এক লাখ আবেদনকারীকে পাসপোর্ট দেওয়া সম্ভব হয়েছে। দালাল-প্রতারকের দৌরাত্ম্যও কমে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। সেখানে জানানো হয়, নতুন পাসপোর্টের আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ব্যতিরেকে পাসপোর্ট দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সমকাল&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাবনা মেরিন একাডেমিতে গ্র্যাজুয়েশন প্যারেড: ৬৫ ক্যাডেটের প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠিত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/701</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 12:54:40 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/701</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, পাবনার ৪র্থ ব্যাচের নটিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোট ৬৫ জন ক্যাডেটের গ্র্যাজুয়েশন প্যারেড-২০২৫ উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। কুচকাওয়াজ, পুরস্কার বিতরণ ও প্রধান অতিথির অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে পুরো অনুষ্ঠান ছিল প্রাণবন্ত।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে পাবনা বেড়া উপজেলা এর নগরবাড়ীতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসি। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও শ্রেষ্ঠ ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পাবনার জেলা প্রশাসক শাহেদ মোস্তফা, বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনান্ট চাকমা, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা, কাশিনাথপুর পল্লী বিদ্যুৎ ২ এর জিএম আহমদ শাহ আল জাবের বেড়া উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোছা. নুরেণ মায়িশা, উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হায়দার আলী প্রমুখ। বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন মো. তৌফিকুল ইসলাম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্যারেডে নটিক্যাল বিভাগে ৩৩ জন এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৩২ জনসহ মোট ৬৫ ক্যাডেট প্রি-সী কোর্স সম্পন্ন করে প্রশিক্ষণের সমাপনী প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজ শেষে প্রধান অতিথি কৃতী ক্যাডেটদের মাঝে স্বর্ণ, রৌপ্য ও অন্যান্য পুরস্কার প্রদান করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সকল বিষয়ে সর্বোচ্চ মান অর্জন করে সিনিয়র ক্যাডেট ক্যাপ্টেন সুদীপ্ত চক্রবর্তী কমান্ড্যান্ট স্বর্ণপদক লাভ করেন। নটিক্যাল বিভাগের ক্যাডেট ক্যাপ্টেন মো. ইউসুফ হোসেন রাফিদ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ক্যাডেট ক্যাপ্টেন জিসান আবেদীন অর্জন করেন কমান্ড্যান্ট রৌপ্যপদক। পেশাগত বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিতে নটিক্যাল বিভাগের ক্যাডেট তৈয়ব ইবনে নূর দিনার এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ক্যাডেট ক্যাপ্টেন মো. নাইমুল ইসলাম বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের পুরস্কার অর্জন করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খেলাধুলায় উৎকর্ষ প্রদর্শন করে ক্যাডেট ক্যাপ্টেন তানিমুল হাসান, এবং অফিসার লাইক কোয়ালিটিতে কৃতিত্ব দেখিয়ে পুরস্কার পান ক্যাডেট ক্যাপ্টেন শাহরিয়ার হোসেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ মেরিন প্রফেশনালদের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে এবং বাংলাদেশী মেরিনাররা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রীতিভোজের মাধ্যমে গ্র্যাজুয়েশন প্যারেড-এর সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/মেরিন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভক্ষক হয়ে উঠছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/700</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 11:22:45 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/700</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রক্ষকের বদলে ভক্ষক হয়ে নিজেরাই জড়িয়ে পড়ছেন ইয়াবা কারবারে। একের পর এক অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনায় উঠে আসছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম। কেউ হয়ে পড়েছেন মাদকাসক্ত; আবার কেউ টাকা নিয়ে আসামি ছেড়ে দিচ্ছেন। এ ছাড়া অভিযানের সময় টাকা লুট, জব্দ ইয়াবা গায়েব করা, নির্দোষ ব্যক্তিকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর মতো ঘটনাও রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর &amp;lsquo;নথিপত্র জালিয়াতি&amp;rsquo; করে এক কর্মীকে পুনর্বহালের অভিযোগ। ঘটনাগুলো নজরে আসার পর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলেও এ ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএনসি সূত্র বলছে, চলতি বছর এ পর্যন্ত শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের ঘটনায় ৫৭টি বিভাগীয় মামলা হয়েছে। এর মধ্যে একটিতে গুরুদণ্ড হিসেবে এক বছরের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়েছে। আরেক মামলায় শুধু তিরস্কার করা হয়েছে, যা লঘুদণ্ড। বাকি ৫৫ মামলার কার্যক্রম এখনও চলমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে ডিএনসির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোস্তাক আহমেদ সমকালকে বলেন, কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু সাময়িক ব্যবস্থাতেই শেষ নয়। তদন্ত হচ্ছে, বিভাগীয় মামলা হচ্ছে। যেমন, টাঙ্গাইলের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি তদন্ত চলমান।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতি চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ ডিএনসির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে র&amp;zwnj;্যাব। তিনি চট্টগ্রাম &amp;lsquo;খ&amp;rsquo; সার্কেলে পটিয়ার মুজাফফরাবাদ কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। ৮ নভেম্বরের এ ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১০ নভেম্বর মামুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে ডিএনসি। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তিনি মাদক কারবারিদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেছিলেন। পেশাগত পরিচয় কাজে লাগিয়ে এবং সংস্থার জ্যাকেট, ক্যাপ, ওয়াকিটকি ব্যবহার করে তিনি নিরাপদে মাদক বহনে কারবারিদের সহায়তা করতেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পটিয়া থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় র&amp;zwnj;্যাবের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় ডিএনসির এএসআই মামুনকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এখনও মামলাটির তদন্ত চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পটিয়া থানার এসআই প্রদীপ কুমার দে বলেন, তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে একজন ডিএনসির হওয়ায় বিষয়টি লিখিতভাবে সংস্থাকে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনার দুই সপ্তাহ আগেই মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মাদকসহ আটক দুই ব্যক্তিকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে তোলপাড় হয়। জানা যায়, ২১ অক্টোবর ভোরে ডিএনসি মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের এসআই রফিকুল ইসলামসহ ১০ সদস্যের একটি দল সাটুরিয়ার ধানকোড়া ইউনিয়নের তারাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। তখন মাদক কারবারে জড়িত অভিযোগে দুজনকে আটক করে তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন অভিযানকারী দলটিকে ৯ ঘণ্টা আটকে রাখেন। এলাকাবাসীর চাপে পরে এসআই রফিকুল সেই টাকা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এসআই রফিকুল ইসলামকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় ডিএনসি প্রধান কার্যালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাটুরিয়া থানার ওসি আল-মামুন বলেন, &amp;lsquo;এটি আমি যোগ দেওয়ার আগের ঘটনা। ওই সময় অভিযান চালাতে গিয়ে অবরুদ্ধ ডিএনসি কর্মকর্তাদের পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। আর ঘটনাস্থল থেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিএনসির পক্ষ থেকে মামলা দেওয়া হয়। তবে কর্মকর্তাদের আটকে রাখার বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে জুলাইয়ে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে সাড়ে আট লাখ টাকা লুটের ঘটনায় ডিএনসি জেলা কার্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন&amp;ndash; পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, উপপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী উপপরিদর্শক জিয়াউর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাদের বিরুদ্ধে ডিএনসি মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুঞাপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ছালেহা বেগম। তিনি বলেন, গত ১৮ জুন সকালে ডিএনসির দল তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে কোনো মাদক না পেলেও গাড়ির তেল খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন তারা। তখন তাদের ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তারা আবারও ঘরে ঢুকে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালান। শেষে ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখানো হয়। এক পর্যায়ে তারা একটি ঘরের আলমারি খুলে সেখানে থাকা ছয় লাখ ৬৬ হাজার এবং আরেক ঘরের আলমারি থেকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সমকাল&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লেবাননে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/699</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 10:08:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/699</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে এই হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর এলিট রাদওয়ান ফোর্স যেসব অবকাঠামো ব্যবহার করতো, সেখানে এই হামলা চালানো হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, রাদওয়ান ফোর্সের &amp;lsquo;ট্রেনিং ও কোয়ালিফিকেশন গ্রাউন্ড&amp;rsquo; লক্ষ্য করেই মূলত এই বিমান হামলা চালানো হয়। এখান থেকেই হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ও সেগুলো বাস্তবায়ন করে বলে দাবি দখলদার সেনাবাহিনীর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বৈরুতে কয়েকবার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননের অন্যান্য এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দখলদার দেশটির দাবি, হিজবুল্লাহর হুমকি দূর করার উদ্দেশ্যে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। লেবানন সীমান্ত এলাকায় পাঁচটি প্রধান স্থানে এখনো সেনা মোতায়েন রেখেছে ইসরায়েল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হ্যান্ডকাফ ও শরীরে শেকল পরিয়ে আরো ৩১ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/698</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 10:04:52 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/698</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে আরও ৩১ বাংলাদেশিকে। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ সামরিক ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারা পৌঁছান। তবে তাদেরকে হ্যান্ডকাফ ও শরীরে শেকল পরিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। এর আগে চলতি বছর আরও ২২৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম আরও জোরদার করেন। ট্রাম্পের এ নীতির অংশ হিসেবে এরই মধ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বহু মানুষকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশে ফেরত কর্মীদের ব্র্যাকের পক্ষ থেকে পরিবহন সহায়তাসহ জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়। ফেরত আসা এই কর্মীদের মধ্যে অধিকাংশই নোয়াখালীর। এছাড়া সিলেট, ফেনী, শরিয়তপুর, কুমিল্লা সহ বিভিন্ন জেলার কর্মী আছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফেরত আসা বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন, তাদেরকে প্রায় ৬০ ঘণ্টা হাতে হ্যান্ডকাফ ও শরীরে শেকল পরিয়ে দেশে আনা হয়। ঢাকা বিমানবন্দরে এনে তাদের শেকলমুক্ত করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, দেশে ফেরত এই কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জেনেছি এই ৩১ জনের মধ্যে অন্তত সাতজন জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ বুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিয়ে ব্রাজিল গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। এরপর তারা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য আবেদন করলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। নথিপত্রহীন কাউকে ফেরত পাঠানোটা হয়তো স্বাভাবিক কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাতে হাতকড়া, পায়ে শেকল পরিয়ে রাখার ঘটনা অমানবিক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শরিফুল হাসান বলেন, আমরা আগেও বলেছি ব্রাজিলে যাদের কাজের নামে পাঠানো হচ্ছে তাদের অধিকাংশই ব্রাজিল থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। এজন্য একেকজন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা খরচ করছেন কিন্তু ফিরছেন শুন্য হাতে। যে এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছিল এবং যারা এই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ছিলো তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন করে ব্রাজিলে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে সরকারের সতর্ক হতে হওয়া জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় একাধিক দফায় বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এর আগে চলতি বছরের ২৮ নভেম্বর একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩৯ জন ও ৮ জুন একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৪২ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হয়। এর আগে চলতি বছরের ৬ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত একাধিক ফ্লাইটে আরো অন্তত ৩৪ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মার্কিন আইন অনুযায়ী বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালতের রায় বা প্রশাসনিক আদেশে দেশে ফেরত পাঠানো যায়। আশ্রয়ের আবেদন ব্যর্থ হলে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ (আইসিই) তাদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে। সাম্প্রতিক সময়ে এ প্রক্রিয়া দ্রুততর করার কারণে চার্টার্ড ও সামরিক ফ্লাইটের ব্যবহার বেড়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/অভিবাসী&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মা-মেয়েকে হত্যা করে স্কুল ড্রেস পরে পালিয়ে যায় গৃহকর্মী! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/697</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 09:57:37 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/697</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে বোরকা পরে বাসায় ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যার পর স্কুল ড্রেস ও মাস্ক পরে বেরিয়ে যায় গৃহকর্মী। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মা লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫)। এ কথা জানিয়েছে পুলিশ।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ বলছে, চার দিন আগে নিহতের বাসায় কাজ নেয় ওই গৃহকর্মী। নিজেকে আয়েশা নামে পরিচয় দেন। মা ও মেয়েকে হত্যার পর নিহত নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। নিহত লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিণী, আর মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নাফিসার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরায় সানবীমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। তারা মোহাম্মদপুরের শাজাহান রোডের ৩২/২/এ নম্বর বাসার সাততলায় থাকতেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাফিসার বাবা স্কুলের উদ্দেশ্যে সকাল ৭টার দিকে বের হয়ে যান। এর ঘণ্টাখানেক পর ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে ওই বাসায় প্রবেশ করেন গৃহকর্মী আয়েশা। দেড় ঘণ্টা পর ৯টা ৩৬ মিনিটে স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বেরিয়ে যান তিনি। ওই স্কুল ড্রেস নাফিসার। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নাফিসার বাবা বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশের একটি সূত্র বলছে, মাকে হত্যার বিষয়টি বুঝতে পেরে মেয়ে নাফিসা ডাইনিং রুমে রাখা ইন্টারকম থেকে কাউকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হলে সেখানেই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ওই সময় ধস্তাধস্তিতে ইন্টারকমের লাইন খুলে যায়। বাসায় তল্লাশি করে বাথরুমে একটি সুইচ গিয়ার চাকু ও একটি ফল কাটা ছুরি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছুরি দুটি দিয়েই মা-মেয়েকে হত্যা করে গৃহকর্মী আয়েশা। এই ঘটনায় ওই বাসার দারোয়ান মালেককে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষক আজিজুল ইসলাম বলেন, &amp;#39;বাসায় কাজের মহিলা দরকার ছিল। সাধারণত গেটে অনেকে কাজের সন্ধানে আসে। চার দিন আগে একটি মেয়ে আসে। বোরকা পরা মেয়েটি দারোয়ান খালেকের কাছে কাজের সন্ধান করলে, সে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। এরপর স্ত্রী ও মেয়ে তার সঙ্গে কথা বলে কাজে রেখে দেয়। পরে স্ত্রীর মুখে শুনেছি, মেয়েটার নাম আয়েশা। বয়স আনুমানিক ২০ বছর। তার গ্রামের বাড়ি রংপুর। জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা মা আগুনে পুড়ে মারা গেছে। তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, &amp;#39;মেয়েটা কাজ শুরুর পর প্রথম দুদিন সময় মতো এসেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আসে। আজ (সোমবার) কি হয়েছে, এটা তো আর বলার অবস্থা নেই।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শাজাহান রোডে বহুতল ওই ভবনে গিয়ে দেখা যায়, ফ্ল্যাটের দরজা থেকে শুরু করে ভেতরে বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ, বাসার আলমারিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ অবস্থায়। বাসায় ধস্তাধস্তির আলামত, মেঝেতে ও দেয়ালেও রক্তের দাগ। আলমারি ও ভ্যানিটি ব্যাগ তছনছ, আফরোজের মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছে না। অন্য আর কি খোয়া গেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ&amp;ndash;কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, &amp;#39;খবর পেয়ে সাড়ে সকাল ১১টার দিকে বাসায় গিয়ে আফরোজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নাফিসাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ দুটি সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়। দুজনের শরীরে একাধিক স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পেয়েছি, সেসব যাচাই করে তদন্ত চলছে।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গৃহকর্মীর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, &amp;#39;তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে কাজ করছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি, হত্যার আগে পরে তার উপিস্থিতি ও কাজকর্ম বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। বাসায় ধস্তাধস্তির আলামত রয়েছে, মেঝেতে ও দেয়ালে রক্তের দাগ রয়েছে। ঘটনাস্থল দুটি ধারালো ছুরি পাওয়া গেছে। হত্যাকারী বাসার বাথরুমে ফ্রেস হয়েছে, এমন আলামতও রয়েছে।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিসি ইবনে মিজান বলেন, &amp;#39;সিসি ক্যামেরা ফুটেজে একজনই দেখেছি, পরে দেখব আশেপাশে আরও কেউ ছিল কিনা। সিসি ক্যামেরায় দেখা গেছে, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে একজন স্কুল ড্রেস ও মুখে মাস্ক পরে ভবন থেকে বের হয়ে যায়। পরে রিকশায় উঠে।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/অপরাধ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১০ ডিসেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হতে পারে, বিটিভি ও বেতারকে সম্প্রচারে চিঠি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/696</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 17:48:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/696</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণাকে সামনে রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের ভাষণ আগামী ১০ ডিসেম্বর রেকর্ড করা হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারকে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, &amp;ldquo;বিটিভি ও বেতারকে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন ভবনেই সিইসির ভাষণ রেকর্ড করা হবে। ওই দিন অথবা পরদিন ১১ ডিসেম্বর ভাষণটি প্রচার করা হতে পারে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধারণা করা হচ্ছে, সিইসির এই ভাষণের মাধ্যমেই তফসিল ঘোষণা করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল সরাসরি সম্প্রচারিত ভাষণে তফসিল ঘোষণা করেছিলেন। তবে এবার রেকর্ড করা ভাষণ প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি কর্মকর্তারা জানান, তফসিল ঘোষণার সব আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী, ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সিইসি এবং অন্যান্য কমিশনাররা। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকের পরই সাধারণত তফসিল ঘোষণার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সে অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সিইসির রেকর্ড করা ভাষণ প্রচার এবং তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এটা কখনো ঘরে চেষ্টা করবেন না, কবজি ভেঙে যেতে পারে: ধারাভাষ্যকার অ্যালান উইলকিন্স </title>
		<link>https://shomoybhela.com/695</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 14:28:40 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/695</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফিজের কাটারের জাদু দেখছে বিশ্ব। আরব আমিরাতের টি-টোয়েন্টি লিগ ইন্টারন্যাশনাল টি-টোয়েন্টিতে দুই ম্যাচে মোট ৪ উইকেট হলো মোস্তাফিজুর রহমানের। গত শনিবার দুবাইয়ে গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে হারের ম্যাচে ৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট নেন মোস্তাফিজ। &amp;lsquo;ডট&amp;rsquo; বল ছিল ১৩টি। গতকাল আবুধাবি নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে জিতেছে তাঁর দল দুবাই ক্যাপিটালস। বোলিংও দারুণ করেন বাংলাদেশের এই পেসার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধারাভাষ্যকার অ্যালান উইলকিন্স মজা করে বলেন, একজন ফাস্ট বোলারের এভাবে হাতের কবজি স্পিন করা- অবিশ্বাস্য। এটা কখনো ঘরে চেষ্টা করবেন না। কবজি ভেঙে যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুবাই ক্যাপিটালসের ৮৩ রানের বিশাল জয়ে মোস্তাফিজের অবদান ৩ ওভারে ২২ রানে ২ উইকেট। এই ম্যাচে ১১টি বল &amp;lsquo;ডট&amp;rsquo; দেন মোস্তাফিজ। সব মিলিয়ে দুই ম্যাচে ৪২টি বৈধ ডেলিভারির মধ্যে ২৪টি বল &amp;lsquo;ডট&amp;rsquo; দিলেন মোস্তাফিজ। উইকেট মোট ৪টি এবং রান দিয়েছেন ৪৮।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৮৬ রান তুলেছিল দুবাই ক্যাপিটালস। তাড়া করতে নেমে ১৫.৩ ওভারে ১০৩ রানে অলআউট হয় আবুধাবি ক্যাপিটালস। আবু ধাবির হয়ে সর্বোচ্চ ২১ বলে ২৭ রান করা ওপেনার ফিল সল্ট এবং চারে নামা উন্মুক্ত চাঁদকে (০) ফেরান মোস্তাফিজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবুধাবির ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারে ৫ রান দিয়ে উন্মুক্ত চাঁদকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান মোস্তাফিজ। ইনিংসে ষষ্ঠ ওভারে আবারও বোলিংয়ে ফেরানো হয় তাঁকে। এই ওভারে ১১ রান দিলেও দারুণ কাটারে সল্টকে বোকা বানিয়ে তাঁকে কাভারে ক্যাচে পরিণত করেন মোস্তাফিজ। ইনিংসের ১৫তম ওভারে ৭ রান দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্যবসায়ীদের চাপে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ালো সরকার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/694</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 12:44:35 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/694</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;শেষ পর্যন্ত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আমদানিকারক ও বাজারজাতকারীদের চাপে এ দফায় প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ছয় টাকা এবং খোলা সয়াবিনের দাম সাত টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়েছে পামঅয়েলের দাম। বেড়েছে লিটারে ১৬ টাকা।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেও তেলের নতুন দাম নির্ধারণ হয়। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে এভাবে দাম বাড়ানো ভোক্তার ওপর বাড়তি চাপ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তেলের নতুন দরের তথ্য জানিয়েছে ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৯৫, আর খোলা সয়াবিনের দাম ১৭৬ টাকা করা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত এই দুই ধরনের তেলের সরকার অনুমোদিত দর ছিল যথাক্রমে ১৮৯ ও ১৬৯ টাকা। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের নতুন দাম ধরা হয়েছে ৯৫৫ টাকা, এতদিন সরকার নির্ধারিত দাম ছিল ৯২২ টাকা। এবার সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে পামঅয়েলের। এ ধরনের তেলের লিটারে ১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা, এতদিন সরকারি দর ছিল ১৫০ টাকা। যদিও এক সপ্তাহ ধরে বেশি দরেই বিক্রি হয়ে আসছে ভোজ্যতেল। আজ সোমবার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত সপ্তাহে কোনো ঘোষণা ছাড়াই একপ্রকার নীরবে ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দেন। তখন তারা প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দর ৯ টাকা বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬৫ টাকা নির্ধারণ করে বাজারে ছেড়েছিল। এ ছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭৯ ও পামঅয়েল ১৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাজারে নতুন এ দরে তেল সরবরাহ শুরু করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবছর রমজান মাসের আগে কৌশলে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ান বলে অভিযোগ কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব)। সংগঠনটির সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ভোক্তারা এমনিতেই মূল্যস্ফীতির জাঁতাকলে। নতুন করে দর বৃদ্ধিতে কম আয়ের মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বাণিজ্য&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কম্বোডিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ড </title>
		<link>https://shomoybhela.com/693</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 12:15:33 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/693</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সীমান্ত সংঘাতের জেরে কম্বোডিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা বাহিনী। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় ভোরের দিকে এ হামলা চালানো হয়।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর আন্তঃবিভাগ সংযোগ দপ্তরের (আইএসপিআর) প্রধান মেজর জেনারেল উইনথাই সুভারি স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, &amp;lsquo;কম্বোডিয়ার চং এন মা পাস এলাকায় দেশটির সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারগুলো লক্ষ্য করে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অস্ত্রাগারগুলোতে মূলত আর্টিলারি ও মর্টার মজুত করে কম্বোডীয় বাহিনী এবং সেগুলো ব্যবহার করা হয় থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে মেজর জেনারেল উইনথাই সুভারি আরও বলেছেন, &amp;lsquo;গতকাল রোববার কম্বোডীয় সেনাদের হামলায় আমাদের বাহিনীর একজন সেনা নিহত এবং দু&amp;rsquo;জন আহত হয়েছেন। তার প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযান পরিচালনা করেছে থাই সেনাবাহিনী।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে কম্বোডীয় সেনাবাহিনীর আইএসপিআর জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪ মিনিটে কম্বোডিয়ার সেনা স্থাপনা ও সেনবাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ডের বিমান বাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেনাবাহিনী বিবৃতিতে বলেছে, &amp;lsquo;এটি বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে গত বেশ কিছুদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় থাই সেনাবাহিনী বিভিন্ন উসকানিমূলক তৎপরতা চালাচ্ছে। সোমবারের বিমান হামলাও তার অংশ বলেই মনে করছে কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমান হামলায় কম্বোডিয়ার ক্ষয়ক্ষয়তির কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগের দিন রোববার স্থানীয় সময় দুপুর&amp;nbsp; সি সা কেত প্রদেশের সীমান্ত লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে কম্বোডীয় সেনাবাহিনী। এতে দু&amp;rsquo;জন থাই সেনা আহত হন। এ ঘটনার পর পাল্টা জবাব দেয় থাই সেনাবাহিনীও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংঘাত থামার পরপরই কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী চার থাই প্রদেশ বুরি রাম, সুরিন, সি সা কেত এবং উবন রাতচাথানি থেকে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় থাইল্যান্ডের সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের তথ্য অনুসারে, কম্বোডীয় সীমান্তবর্তী গ্রাম-শহরগুলোর ৭০ শতাংশ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিশ্ব&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে মুহুর্মুহ গুলিবর্ষণ; ২৩ তালেবান সেনা নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/692</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Dec 2025 11:57:58 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/692</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;পাকিস্তানের সেনাদের গত দুইদিনের হামলায় কমপক্ষে ২৩ আফগান তালেবান সেনা নিহত হয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। বেলুচিস্তানের চামান সীমান্তে এসব সেনা নিহত হয়েছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারা বলেছে, শুক্রবার মধ্যরাতে সীমান্তের জামান সেক্টরে আফগান সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রথমে ছোট অস্ত্র দিয়ে গুলি করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরপর তাৎক্ষণিকভাবে পাকিস্তানের সেনারা জবাব দেয়। প্রথমে হালকা অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে গোলাগুলি চলে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তালেবান সেনারা যেন পাল্টা জবাব দিতে না পারে সেজন্য পরে ভারী অস্ত্র মোতায়েন ও ব্যবহার করা হয়। যারমধ্যে রকেট লঞ্চার, কামান এবং গুলির ভারী অস্ত্র ছিল। এই হামলায় আফগান তালেবান সেনাদের তিনটি সীমান্ত চৌকি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একটি সূত্র বলেছে, &amp;lsquo;সাধারণ আফগান জনগণ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য নির্ভূল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রথম হামলার পর আফগান সেনারা জনবহুল এলাকায় চলে যায় বলে দাবি করেছে সূত্রগুলো। এরপর সেখান থেকে তারা আবার গুলি ছোড়ে। এর জবাবে ওই জনবহুল এলাকাতেও ভারীয় অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র:দ্যা নিউজ, রয়টার্স, সিএনএন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিশ্ব&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতের একটি নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/691</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 10:16:52 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/691</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভারতের উত্তর গোয়ার আরপোরা এলাকায় একটি নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ৫০ জন আহত হয়ে গোয়া মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন আছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (৭ ডিসেম্বর) ভোরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গোয়া পুলিশ জানিয়েছে, বেশিরভাগেরই ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪ জন পর্যটক ও ১৪ জন কর্মচারী আছেন। বাকি ৭ জনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। এতে ৫০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাতের শেষ প্রহরে ক্লাবটিতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়দের পাশাপাশি কয়েকজন পর্যটকও প্রাণ হারান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত লেখেন, &amp;#39;গোয়ার জন্য আজ অত্যন্ত শোকের দিন। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে পুরো ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং যারা দায়ী হবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনজন দগ্ধ হয়ে এবং বাকিরা ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে তিন থেকে চারজন ছিলেন ভ্রমণকারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের ধারণা&amp;mdash;&amp;lsquo;বার্চ বাই রোমিও লেন&amp;rsquo; নামের ওই ক্লাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, মারা যাওয়া অধিকাংশ ব্যক্তি ক্লাবটির কর্মচারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মোবাইল ফোন ও ফ্রি ফায়ার গেমসের আইডি কিনতে দুই বন্ধুকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ডাকাতি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/690</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 06 Dec 2025 14:54:15 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/690</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নারায়ণগঞ্জে ঘটেছে এক লোমহর্ষক কিশোর অপরাধের ঘটনা। জেলার রূপগঞ্জে মোবাইল ফোন ও ফ্রি ফায়ার গেমসের আইডি কেনার জন্য দুই বন্ধুকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ডাকাতির নাটক সাজিয়েছে এক কিশোর। এ ঘটনায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (৬ ডিসেম্বর) তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে, শুক্রবার রাতে তাদেরকে গ্রেপ্তারের পর এ চাঞ্চল্যকর তথ্য জানায় পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- আব্দুর রশিদের ছেলে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার; হানিফ মিয়ার ছেলে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাবিল এবং আলী হোসেনের ছেলে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহ আলম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারা সবাই কাঞ্চন ভারত চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে শাহরিয়ারের বন্ধু শাহ আলম একটি নতুন মোবাইল কিনলে তার পরিবার তাকে প্রশ্ন করে। এসময় সে টাকার উৎস জানায়। পরে স্থানীয়রা জানতে পেরে তিন কিশোরকে আটক করে মারধর করলে তারা ডাকাতির ঘটনায় জড়িতের কথা স্বীকার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া নগদ ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেপ্তার হওয়া এক কিশোরের বাবা বলেন, &amp;lsquo;আমার ছেলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। কিছু বখাটে বন্ধু বান্ধবের পাল্লায় পড়ে এ কাজ করেছে। মোবাইল কিনে গেম খেলার জন্য তারা এ নাটক সাজিয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, গত ২৪ নভেম্বর রূপগঞ্জের কাঞ্চনে দিনে দুপুরে এক কিশোরের হাত-পা বেঁধে মারধর করে আলমারি ভেঙে নগদ ১০ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওই কিশোরের বাবা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা নতুন মোবাইল ফোন ও ফ্রি ফায়ার গেমসের আইডি কেনার জন্য বাড়িতে ডাকাতির নাটক সাজায় বলে স্বীকার করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: সমকাল, যুগান্তর&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/অপরাধ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১২ টি গ্রুপে ৪৮টি দল; ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কোন গ্রুপে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/689</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 06 Dec 2025 12:37:52 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/689</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;অবশেষে প্রতিক্ষার অবসান ঘটলো। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও জঁমকালো ক্রিয়া আসর-ফুটবলের চূড়ান্ত হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপিং। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত জমকালো ড্র অনুষ্ঠানে নির্ধারিত হলো ৪৮টি দলের ভাগ্য। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছে তুলনামূলক সহজ গ্রুপ। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের গ্রুপে রয়েছে কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টায় শুরু হওয়া এই ড্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনএফএল কিংবদন্তি টম ব্রেডি, এনবিএ তারকা শাকিল ও&amp;rsquo;নিলসহ ক্রীড়াঙ্গনের রথী-মহারথীরা। তাদের হাত ধরেই লটারির মাধ্যমে ১২টি গ্রুপে ভাগ করা হয় দলগুলোকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা পড়েছে &amp;lsquo;জে&amp;rsquo; গ্রুপে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান। শক্তির বিচারে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে যাওয়ার পথটা আলবিসেলেস্তেদের জন্য বেশ মসৃণই মনে হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, &amp;lsquo;সি&amp;rsquo; গ্রুপে ব্রাজিলের সঙ্গী হয়েছে আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কো, স্কটল্যান্ড ও হাইতি। নেইমারদের জন্য এই গ্রুপে মরক্কোই হতে পারে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ড্রয়ের পর &amp;lsquo;এল&amp;rsquo; গ্রুপটি নজর কেড়েছে সবার। সেখানে ইংল্যান্ডের সঙ্গে রয়েছে ২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ক্রোয়েশিয়া, আফ্রিকার শক্তিশালী দল ঘানা এবং পানামা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল পড়েছে &amp;lsquo;কে&amp;rsquo; গ্রুপে, যেখানে তাদের লড়তে হবে কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তানের সঙ্গে। ফ্রান্সের &amp;lsquo;আই&amp;rsquo; গ্রুপটিও বেশ কঠিন। এমবাপ্পেদের লড়তে হবে সাদিও মানের সেনেগাল এবং আর্লিং হলান্ডের নরওয়ের বিপক্ষে। জার্মানি &amp;lsquo;ই&amp;rsquo; গ্রুপে পেয়েছে ইকুয়েডর ও আইভরি কোস্টকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগামী বছরের ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে সহ-আয়োজক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছিল মেক্সিকো।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একনজরে ২০২৬ বিশ্বকাপের ১২টি গ্রুপ:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ এ: মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ ডি (ডেনমার্ক/চেক প্রজাতন্ত্র/আয়ারল্যান্ড/উত্তর মেসিডোনিয়া)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ বি: কানাডা, সুইজারল্যান্ড, কাতার, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ এ (ইতালি/ওয়েলস/বসনিয়া-হার্জেগোভিনা/নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ সি: ব্রাজিল, মরক্কো, স্কটল্যান্ড, হাইতি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ ডি: যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ সি (তুরস্ক/স্লোভাকিয়া/কসোভো/রোমানিয়া)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ ই: জার্মানি, ইকুয়েডর, আইভরি কোস্ট, কুরাসাও।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ এফ: নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া, ইউরোপিয়ান প্লে-অফ বি (ইউক্রেন/পোল্যান্ড/আলবেনিয়া/সুইডেন)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ জি: বেলজিয়াম, ইরান, মিশর, নিউজিল্যান্ড।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ এইচ: স্পেন, উরুগুয়ে, সৌদি আরব, কেপ ভার্দে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ আই: ফ্রান্স, সেনেগাল, নরওয়ে, আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ১ (ইরাক, বলিভিয়া, সুরিনাম)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ জে: আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া, জর্ডান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ কে: পর্তুগাল, কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান, আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ২ (গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো/জ্যামাইকা/নিউ ক্যালেডোনিয়া)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রুপ এল: ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, পানামা, ঘানা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: ফিফা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হঠাৎ উত্তপ্ত দেশের পেঁয়াজ বাজার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/688</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 06 Dec 2025 11:49:30 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/688</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পেঁয়াজের বাজার। দুই দিনের ব্যবধানে খুচরা পর্যায় কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৫ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ করে উৎপাদন এলাকাগুলো থেকে পেঁয়াজ আসা কমে গেছে। তাদের ধারণা, আমদানি করা হবে না&amp;ndash;এমন খবরে মজুতদার ও কৃষকরা ধীরগতিতে পেঁয়াজ ছাড়ছেন। তাছাড়া প্রতিবছর এ সময় বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চলে আসে। এবার এখনও আসেনি।&amp;zwnj; এসব কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল শুক্রবার রাজধানীর&amp;zwnj; মহাখালী, মিরপুর ও কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে। পেঁয়াজের বাজার মাসখানেক আগে হঠাৎ অস্থির হয়ে ওঠে। তখন চার-পাঁচ দিনের ব্যবধানে ৪০ টাকার মতো বেড়ে যায় দাম। প্রতিকেজির দর ওঠে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এরপর সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে দর কিছুটা কমতে থাকে। ধীর ধীরে কমে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় নেমে আসে। ৪-৫ দিন ধরে দাম আবারও বাড়তে শুরু করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত বুধবার খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। তবে গতকাল প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে। সেই হিসাবে দুই দিনের ব্যবধানে বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৪০ টাকা। তবে টিসিবির হিসাবে, গত বছরের চেয়ে এখনও ১০ শতাংশ কম দর রয়েছে পেঁয়াজের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত সপ্তাহে কৃষি উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত আছে। নতুন পেঁয়াজও শিগগিরই বাজারে চলে আসবে। তাই কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। সরকারের এমন পদক্ষেপের সুযোগ নিচ্ছেন মজুতদাররা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা হাসিবুল ইসলাম বলেন, ৩-৪ দিন আগে ১১০ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনেছি। দোকানদার এখন দাম চাচ্ছেন ১৫০ টাকা। বাজার তদারকের বিষয়ে সরকারের ন্যূনতম কোনো নজরদারি নেই। এই সুযোগেই তারা কারসাজি করে দাম বাড়াচ্ছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকায় যেসব জেলা থেকে পেঁয়াজ আসে, সেসব এলাকায় দাম বাড়ছে বলে জানান কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া। তিনি বলেন, দুই দিনের ব্যবধানে উৎপাদন এলাকা ফরিদপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ও পাবনার হাটে প্রতিমণে পেঁয়াজের দাম এক লাফে বেড়েছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: প্রথম আলো, সমকাল, কালবেলা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বাজারদর&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাক্ষস সিয়ামের নায়িকা হচ্ছেন ইধিকা পাল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/687</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 18:05:18 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/687</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ রায়হান রাফী পরিচালিত &amp;lsquo;আন্ধার&amp;rsquo; সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। সেই কাজ গুটিয়ে এবার তিনি হাতে নিচ্ছেন নতুন ছবি &amp;lsquo;রাক্ষস&amp;rsquo;, যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ইতোমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
এই ছবির নায়িকা কে হবেন, তা নিয়ে বেশ কিছুদিন নানা জল্পনা ছিল। কখনো প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, কখনো সাবিলা নূরের নাম শোনা গেলেও পরিচালক-প্রযোজকরা সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেন। শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত হয়েছে যে কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পালই থাকছেন নায়িকার ভূমিকায়। চলতি সপ্তাহেই তার সঙ্গে চুক্তি করা হবে বলে জানা গেছে। সব ঠিকঠাক থাকলে এটাই হবে সিয়াম ও ইধিকার প্রথম জুটি বাঁধা সিনেমা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তামিম রহমানের সিকান্দার ছবিতে তাদের একসঙ্গে অভিনয়ের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তবে সেই প্রকল্প আর এগোয়নি। তাই &amp;lsquo;রাক্ষস&amp;rsquo;-এ তাদের একসঙ্গে দেখা যাবে বলে দর্শকদের নতুন করে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইধিকা পাল বাংলাদেশি দর্শকের কাছে পরিচিতি পান শাকিব খানের &amp;lsquo;প্রিয়তমা&amp;rsquo; সিনেমার মাধ্যমে। পরে শাকিবের বিপরীতে বরবাদ&amp;ndash;এও অভিনয় করেন। শাকিব খানের বাইরে তিনি কাজ করেছেন হাসিবুর রেজার কবি, কলকাতার খাদান এবং দেবের সঙ্গে রঘু ডাকাত ছবিতে। ধীরে ধীরে তিনি দুই বাংলাতেই নিজের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে নিচ্ছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে সিয়ামের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি জংলি&amp;mdash;যেখানে তার সহশিল্পী ছিলেন শবনম বুবলী। পোড়ামন ২- দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর থেকে বাণিজ্যিক ও কনটেন্টনির্ভর&amp;mdash;দুই ধরনের ছবিতেই তিনি নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রযোজনা সংস্থা জানিয়েছে, চলতি মাসেই ঢাকায় শুরু হবে &amp;lsquo;রাক্ষস&amp;rsquo;&amp;ndash;এর শুটিং। এরপর শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন স্থানে দৃশ্যধারণ করা হবে। আন্তর্জাতিক লোকেশন ও আধুনিক অ্যাকশনের পরিকল্পনাও রয়েছে। পরিচালক মেহেদী হাসান এবং সিয়াম আপাতত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে সূত্র জানাচ্ছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে ক্যামেরা&amp;ndash;রোলিং শুরু হবে, আর সব ঠিক থাকলে আসছে ঈদুল ফিতরে ছবিটি মুক্তি পাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিনোদন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আরো ৩৬ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/686</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 16:53:05 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/686</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আরও ৩৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যেসব আসনে আজ প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সেই আসনগুলো হলো; ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৫, নওগাঁ-৫, নাটোর-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৫, নড়াইল-২, খুলনা-১, পটুয়াখালী-২, বরিশাল-৩, ঝালকাঠি-১, টাঙ্গাইল-৫, ময়মনসিংহ-৪, কিশোরগঞ্জ-১, কিশোরগঞ্জ-৫, মানিকগঞ্জ-১, মুন্সিগঞ্জ-৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৮, গাজীপুর-১, রাজবাড়ী-২, ফরিদপুর-১, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, সুনামগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-৪, সিলেট-৪, হবিগঞ্জ-১, কুমিল্লা-২, চট্টগ্রাম-৩, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১৫ ও কক্সবাজার-২।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৩৬ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা দেখুন&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আব্দুস সালাম, দিনাজপুর-৫ আসনে একেএম কামরুজ্জামান, নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ইসলাম ধলু, নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-১ আসনে সেলিম রেজা, যশোর-৫ এম ইকবাল হোসেন, নড়াইল-২ আসনে মো. মনিরুল ইসলাম, খুলনা-১ আসনে আমির এজাজ খান, পটুয়াখালী-২ মো. শহিদুল আলম তালুকদার, বরিশাল-৩ আসনে জয়নাল আবেদিন, ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল, টাঙ্গাইল -৫ আসনে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ময়মনসিংহ-৪ আসনে মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়ালিদ, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মজিবর রহমান, মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এ জিন্নাহ কবির, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা-৭ আসনে হামিদুর রহমান, ঢাকা- ৯ আসনে হাবিবুর রশিদ, ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, গাজীপুর-১ আসনে মো. মজিবুর রহমান, রাজবাড়ী-২ আসনে মো. হারুন অর রশীদ, ফরিদপুর-১ আসনে খন্দকার নাসির উল ইসলাম, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিয়া আক্তার, মাদারীপুর-২ আসনে জাহান্দার আলী খান, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির হোসেন চোধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে নুরুল ইসলাম, সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়া, কুমিল্লা-২ আসনে মো. সেলিম ভূঁইয়&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সপ্তাহে ৩ দিন ঢাকা-টু-করাচি  ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/685</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 16:01:33 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/685</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px; text-align:justify&quot;&gt;&lt;strong&gt;ঢাকা থেকে পাকিস্তানের করাচিতে সপ্তাহে তিনদিন ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হুসেইন খান। খবর পাকিস্তানের গণমাধ্যম&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;https://www.geo.tv/latest/637296-bangladesh-to-launch-direct-flights-to-karachi-high-commissioner&quot; style=&quot;color: rgb(51, 122, 183); box-sizing: border-box; background-color: transparent; text-decoration-line: none;&quot;&gt;জিও নিউজ&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:center&quot;&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px; text-align:justify&quot;&gt;বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিসেস একাডেমিতে বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ তথ্য জানান।করাচি রুটে ফ্লাইট চালুর বিষয়ে ইকবাল হুসাইন খান বলেন, &amp;lsquo;আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করছি। আমাদের জাতীয় বিমান সংস্থা করাচিতে তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে।&amp;rsquo;ফ্লাইটের রুট ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করবে কি না&amp;mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতীয় উড়োজাহাজ যেমন বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারে, তেমনি বিমানের ফ্লাইটও ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে চলবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px; text-align:justify&quot;&gt;সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, পাকিস্তানের ওপর ভারতের চলমান আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলোর ঢাকা রুটে শিগগির ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা কম।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px; text-align:justify&quot;&gt;হাইকমিশনার বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সুযোগ আছে। কিন্তু সরাসরি প্রবেশাধিকার না থাকায় বাণিজ্য সীমিত। অতীতে রেলপথে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য হত। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের খেজুর আঞ্চলিক বাজারে পৌঁছায় দুবাই হয়ে। সরাসরি রুট থাকলে কৃষকদের আয় বাড়বে এবং লাভজনক বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px; text-align:justify&quot;&gt;হাইকমিশনার আরও বলেন, ভৌগোলিক সংযোগের দুর্বলতা দক্ষিণ এশিয়ার অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা। যদিও অতীতে কাফেলার পথ আফগানিস্তান, পেশোয়ার, ঢাকা হয়ে মিয়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এককভাবে কোনো দেশ উন্নতি করতে পারে না&amp;mdash;আঞ্চলিক সহযোগিই এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র বাস্তব পথ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জিও নিউজ , কালবেলা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বাণিজ্য&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে বিএসএফ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/684</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 11:52:12 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/684</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে সুবজ নামের এক বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ)।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) ভোরে সীমান্তের ৮৬৪ ও ৮৬৫ নং পিলারের মাঝামাঝি ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সবুজ (২৫) উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের পঁচাভান্ডার এলাকার শেরাজুল ইসলামের ছেলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সবুজসহ কয়েকজন যুবক সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতের দিকে প্রবেশ করলে ১৬৯ বিএসএফের চেনাকাটা ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি ছোড়ে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সবুজ মারা যায়। পরে বিএসএফ তার মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬১ বিজিবির শমসেরনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কামাল উদ্দিন বলেন, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। মরদেহ বর্তমানে বিএসএফ ভারতের ভেতরে নিয়ে গেছে। পতাকা বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: কালবেলা, ইত্তেফাক&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১৯ টি দেশকে গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব দেবে না যুক্তরাষ্ট্র! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/683</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Dec 2025 11:18:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/683</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের ১৯টি দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব দেওয়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। এর ফলে এই দেশগুলোর নাগরিকরা আর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন, গ্রিন কার্ড বা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত জুনে এসব দেশের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। এবার তা পূর্ণ নিষেধাজ্ঞায় রূপ নিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সিদ্ধান্তের পেছনে সাম্প্রতিক এক হামলার ঘটনাকে মূল কারণ হিসেবে দেখিয়েছে মার্কিন সরকার। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এক আফগান শরণার্থী। এতে একজন সেনা নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন। এর পরই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে শরণার্থী গ্রহণ বন্ধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;যে ১৯ দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা&lt;/strong&gt; : আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামলার ঘটনার পর গতকাল ট্রাম্প মন্ত্রিসভার বৈঠকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। বিশেষ করে সোমালিয়ার শরণার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেন তিনি। তাদের &amp;lsquo;আবর্জনা&amp;rsquo; বলে অভিহিত করেন। এমনকি সোমালি বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরকেও একইভাবে অপমানজনক মন্তব্য করেন ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্ব রেকর্ড ও ম্যাচ সেরা তামিম! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/682</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 17:21:56 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/682</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আইরিশ অধিনায়ক পল স্টার্লিং।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগে ব্যাট করতে নেমে টাইগার বোলারদের তোপে ১৯ ওভার ৫ বলে ১১৭ রানে অলআউট হয়েছে আয়ারল্যান্ড। এই ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। ব্যাট হাতে নয়, ক্যাচ নিয়ে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। ব্যাট হাতে ৩৬ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থেকে ম্যাচ সেরা হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ম্যাচ একাই ৫টি ক্যাচ নিয়েছেন তানজিদ তামিম। যা আন্তর্জাতিক টি&amp;ndash;টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে কোনো ফিল্ডারের যৌথভাবে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড। তবে পূর্ণ সদস্যের দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ম্যাচে ৫টি ক্যাচ ধরার ঘটনা এটিই প্রথম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ম্যাচে গ&amp;zwj;্যারেথ ডেলানি, মার্ক অ&amp;zwj;্যাডায়ার, ম&amp;zwj;্যাথু হামফ্রিজ ও জর্জ ডকরেলের পর বেন হোয়াইটের ক&amp;zwj;্যাচ তালুবন্দি করেন তানজিদ তামিম। তার আগে টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫টি করে নিয়েছেন মালদ্বীপের মালিন্দা ও সুইডেনের সেদিক সাহাক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এলপিজির দাম বাড়লো’ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/681</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 16:32:03 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/681</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২১৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৫.৫৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার নতুন এ দর ঘোষণা করা হয়, যা সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম ২৬ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম ভোক্তাপর্যায়ে ১ টাকা ১৯ পয়সা কমিয়ে ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুদকের কাঠগড়ায় দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/680</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 15:12:52 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/680</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[এবার ঘুষ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রের দুর্নীতিবিরোধী এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক কোনো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ও অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইকবাল মাহমুদ কর্মজীবনে চৌকস আমলা ছিলেন। তিনি একাধিক মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। সিনিয়র সচিব হিসেবে তিনি চাকরিজীবনের ইতি টেনেছিলেন। পরে ২০১৬ সালের মার্চে তৎকালীন সরকার তাঁকে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুদকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়। দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন। দুর্নীতির মামলার কয়েকশ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। সেই সময়কার চেয়ারম্যান এখন নিজেই দুদকের কাঠগড়ায়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র জানায়, ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বাধীন ওই সময়ের কমিশনের দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান ও মো. জহুরুল হকের বিরুদ্ধেও ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি ফ্ল্যাট ক্রয়ের অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরই মধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ জমা পড়ে দুদকে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হয়। স্বাস্থ্য খাতের মাফিয়াখ্যাত মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু দুদকের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। দুদকের রিমান্ড শেষে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দুর্নীতি-সংক্রান্ত কিছু কাজে ইকবাল মাহমুদের সহায়তা পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বিষয়টিও দুদক আমলে নিয়েছে। এক পর্যায়ে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে কমিশনের মানি লন্ডারিং শাখা থেকে। আজ-কালের মধ্যে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই সাদিক মাহমুদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সমকাল&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মাদারীপুরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে  ৩ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/679</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 11:41:44 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/679</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মাদারীপুরের শিবচরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে আড়িয়াল খাঁ ব্রিজের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গাগামী লেনে চলা একটি পণ্যবাহী ট্রাকের পেছনে দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস সজোরে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই একজনসহ মোট তিনজন প্রাণ হারান। শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতাপ দাস নামের এক ব্যক্তি জানান, &amp;lsquo;আমি অন্য একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ করে ভাঙ্গাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস সামনে থাকা পণ্যবাহী ট্রাকের মধ্যে ঢুকে গেল। দুর্ঘটনায় বাসের সামনের দিকের যাত্রীদের হতাহত হবার সম্ভাবনা বেশি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একজনের মরদেহ আমরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে আরও ২ জন মারা গেছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও ওসি জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তারেক রহমান দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন:  সালাহউদ্দিন আহমদ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/678</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Dec 2025 11:35:43 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/678</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[খুব শিগগির বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈঠকের আলোচ্যবিষয় নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, এটা তাঁদের নিয়মিত বৈঠক। এ বৈঠকে তাঁরা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সামনের নির্বাচনী কৌশল, নির্বাচনী প্রচারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রুটিন আলোচনা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থার যাবতীয় সব তথ্য দলীয় নেতা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের কাছে আছে। এ ব্যাপারে তিনি কথা বলবেন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>একনেকে ১৬ হাজার ৩২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮ টি প্রকল্প অনুমোদন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/677</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 18:15:36 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/677</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৬ হাজার ৩২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের মোট ১৮টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ১০১ কোটি ১০ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ ৫ হাজার ৬০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৭৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১ ডিসেম্বর) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ১৮টি প্রকল্পের মধ্যে ১৩টি নতুন এবং ৫টি সংশোধিত প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, সমাজকল্যাণ ও নারী-শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), শিল্প ও গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ-সড়ক-রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ-বন-পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজকের সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুইটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প এবং মানসম্পন্ন বীজ আলু উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধিত সংস্করণ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় তিনটি অনুসন্ধান কূপ খনন এবং সোনাগাজীতে ২২০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প আজকের সভায় অনুমোদন পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর মধ্যে রয়েছে মিরপুর ৯ নম্বর সেকশনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন&amp;ndash;২০২৪ এ আহত বা কর্মক্ষমতা হারানো জুলাই যোদ্ধা পরিবারের জন্য ১৫৬০টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ এবং একই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের জন্য &amp;lsquo;৩৬ জুলাই&amp;rsquo; আবাসিক ফ্ল্যাট প্রকল্প। এছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয় ও সংশ্লিষ্ট আবাসিক এলাকাগুলোর জন্য অগ্নিনিরাপত্তা আধুনিকায়ন এবং সচিবালয়ে নতুন ২১ তলা অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা এমআরটি লাইন&amp;ndash;৬ এর তৃতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং সিরাজগঞ্জ&amp;ndash;রায়গঞ্জ (চান্দাইকোনা) সড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় অনুমোদিত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ গ্রিন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের জাপান হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট স্কলারশিপ অনুমোদিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকো-সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম সংশোধনও অনুমোদিত হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ও কেন্দ্রীয় গবেষণাগারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প সম্পন্ন করার অনুমোদন দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প ক্লাইমেট রেসপন্স রিপ্রোডাকটিভ হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন সার্ভিস ইম্প্রুভমেন্ট এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের অত্যাবশ্যক কার্যক্রম বাস্তবায়ন প্রকল্প সভায় অনুমোদন পেয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া সভায় পূর্বে অনুমোদিত মোট ১৫টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এসবের মধ্যে ছিল বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম কেন্দ্র আধুনিকায়ন, বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়াম উন্নয়ন, অটিজম একাডেমি (NAAND), বিভিন্ন কলেজ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়ন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবুজায়ন, নদী-খাল পুনঃখনন এবং দিনাজপুর পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়নসহ আরও বেশ কিছু চলমান প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/676</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 14:26:34 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/676</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;নাটক, সিনেমা আর বিজ্ঞাপনে অভিনয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন ডা. এজাজ। কিন্তু এবার উল্টো স্রোতে ভাসতে হলো তাঁকে। &amp;lsquo;খাঁটি-ঘি&amp;rsquo; নামের এক অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ তুলেছেন-ডা. এজাজের প্রতি ভরসা করেই তারা &amp;lsquo;খাঁটি-ঘি&amp;rsquo; থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের এবং প্রতারণাপূর্ণ দ্রব্য। ঢাকার এক গ্রাহক বলেন, &amp;lsquo;অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখলেও বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।&amp;rsquo; একই অভিযোগ ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পরিস্থিতি নজরে আসতেই হতাশ ও ক্ষুব্ধ ডা. এজাজ। এক সাক্ষাৎকারে বলেন,&amp;lsquo;সম্প্রতি ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানিয়েছেন, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি তাদের বলেছি-বিজ্ঞাপন করার সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল, তাই বিশ্বাস করেছিলাম।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাঁকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, পণ্যটি পরীক্ষিত ও মানসম্মত।&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে ভোক্তা অধিদপ্তর যেন তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়&amp;mdash;বললেন এজাজ। এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে অভিযোগ দায়েরের পরও বিজ্ঞাপনটি এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেও কোনো ফল পাননি তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;বলেছি যে বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন, মানুষকে আর প্রতারণা করবেন না। কিন্তু তারা শুনছে না। বিষয়টি ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি,-বললেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ডা. এজাজ বলেন,&amp;lsquo;এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি-জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসাকে কেউ যেন আর ব্যবহার করতে না পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ঢাকা মেইল&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১৩ জন ছাত্রীকে বাঁচিয়ে নিজের জীবন দিলেন ২২ বছরের যুবক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/675</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 12:26:01 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/675</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;অসাধারণ সাহস ও আত্মত্যাগের এক বিরল নজির গড়েছেন মিশরের ২২ বছর বয়সী যুবক হাসান আহমেদ আল-গাজ্জার। সিনাইয়ে নদীতে ডুবে যাওয়া একটি মিনিবাস থেকে তিনি ১৩ জন কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করেছেন, কিন্তু নিজে আর ফিরতে পারেননি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হাসানের শোকাহত বাবার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন ছাত্রীদের বহনকারী মিনিবাসটির একটি টায়ার হঠাৎ ফেটে যায়। এর ফলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর মধ্যে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, মেনুফিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসান আহমেদ আল-গাজ্জার দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। যদিও তিনি সাঁতার জানতেন না, তবুও বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে নদীতে ঝাঁপ দেন। তিনি ডুবে যাওয়া যানটির পেছনের দরজা জোর করে খুলে একে একে ১৩ জন ছাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অত্যন্ত শারীরিক ও মানসিক প্রচেষ্টার পর হাসান যখন সব ছাত্রীকে নিরাপদে বাইরে আনতে সক্ষম হন, তখন তিনি নিজে প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি আর নিজের শক্তি ধরে রাখতে পারেননি এবং পানিতে ডুবে যান। সাহসিকতার এই শেষ পরিণতি ছিল হৃদয়বিদারক।&lt;br /&gt;
হাসান তাঁর তরুণ পরিবারকে সাহায্য করার জন্য সিনাইয়ে কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর পেছনে তিনটি ছোট কন্যাকে রেখে গেলেন, যারা এখন অভিভাবকহীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বেদনা ও গর্বের অশ্রু নিয়ে তাঁর বাবা বলেন, &amp;ldquo;আমার ছেলে একজন বীর হিসেবে মারা গেছে, এবং আমি তাকে নিয়ে গর্বিত। সাঁতার না জানা সত্ত্বেও হাসান অন্যদের বাঁচাতে নিজের জীবন বিপন্ন করতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করেননি।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছিল হাসানের জন্মদিনের মাত্র দুই দিন আগে। তাঁর বাবা জানান, তিনি ছেলের জন্য জন্মদিনের কেক তৈরি করেছিলেন এবং খবরটি আসার সময় ছেলের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাসিনার ৫ বছর, রেহানার ৭ বছর ও টিউলিপের ২ বছরের কারাদণ্ড </title>
		<link>https://shomoybhela.com/674</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2025 12:10:04 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/674</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা ও তার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনার ৫ বছর, রেহানার ৭ বছর ও টিউলিপের ২ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত&lt;/strong&gt;।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, মামলার সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান বলেন, আমরা সব সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। সিদ্ধান্ত আদালতের। আমাদের প্রত্যাশা সর্বোচ্চ শাস্তির।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকাল থেকে সরেজমিনে দেখা যায়, রায় ঘোষণা কেন্দ্র করে বাড়তি নিরাপত্তা গ্রহণ পড়তে দেখা গেছে। আদালতের প্রধান ফটকগুলোতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের সর্তক অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে। বিশেষ আদালতের এজলাসের সামনের বারান্দায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ্য কর্মকর্তা বলেন, নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি বাড়তি সতর্কতা রয়েছে। সন্দেহজনদেরও জিজ্ঞাসা করছেন পুলিশ সদস্যরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, শেখ রেহানার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তদন্ত শেষে ১০ মার্চ আরও দুই আসামি যুক্ত হয়ে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার অন্যান্য আসামি ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ ও পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়া দুই আসামি হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এই মামলায় ৩২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৬০ ঘন্টা প্রশিক্ষণ না থাকলে লাইসেন্স দেয়া হবে না: বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/673</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 16:11:57 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/673</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বিআরটিএর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে না। সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ রবিবার সিলেটে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, &amp;lsquo;উপদেষ্টার নির্দেশে দেশব্যাপী এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক লাইসেন্স নিশ্চিতে ৬০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চেয়ারম্যান বলেন, &amp;lsquo;দেশে দুর্ঘটনার ৭৩ ভাগ ঘটছে মোটরসাইকেলের কারণে। তাই মানসম্পন্ন বিআরটিএ অনুমোদিত হেলমেট পরার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
এর আগে, সকালে সিলেটের আলমপুর বিআরটিসি বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মাস্টার ইন্সট্রাক্টর সার্টিফিকেট প্রাপ্তির লক্ষ্যে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার দেবজিৎ সিংহের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরটিএর পরিচালক রুবাইয়াৎ-ই-আশিক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআরটিএ, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক প্রকৌশলী ডালিম উদ্দিন।&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়​]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​অর্থনীতিতে কোবরা ইফেক্ট কি? এর উৎপত্তি কিভাবে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/672</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 15:01:06 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/672</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[​অর্থনীতিতে কোবরা ইফেক্ট কি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে সমস্যা ডেকে আনা। অথবা বলা যেতে পারে হিতে বিপরীত। একে অর্থনীতির ভাষায় কোবরা ইফেক্ট বলা হয়। কেন কোবরা ইফেক্ট নামকরণ! এর পেছনের ইতিহাস তুলে ধরা হলো:&lt;br /&gt;
ব্রিটিশরা ভারত শাসনকালে কোবরা সাপের উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের অনেক সঙ্গী সাপের কামড়ে মারা যায়। এতে তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পরে। সমস্যার সমাধান খুজতে লাগলো। সমাধানে, অতিরিক্ত কোবরা সাপের সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য তারা একটি পুরস্কার চালু করে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন লোক কোবরা সাপ মে&amp;#39;রে নিয়ে আসলে তাদের পুরস্কার প্রদান করা হতো। দরিদ্র ভারতীয়দের মধ্যে বেশ আর্থিক সচ্ছল হবার বিরাট সুযোগ তৈরি হলো।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এমন সময় কিছু লোক অতিরিক্ত পুরস্কারের জন্য নিজ বাসায় কোবরা পালন করা শুরু করে। এবং তার প্রয়োজন অনুযায়ী একটি করে সাপ মেরে নিয়ে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করত।&lt;br /&gt;
সাধারণ লোকের এই চালাকি যখন ব্রিটিশরা জানতে পারে তখন তারা পুরস্কার দেওয়া বন্ধ করে দেয়। ফলস্বরূপ যারা সাপ পালন করছিলো তারা সবগুলো সাপ আবার ছেড়ে দেয়! এতে করে সমস্যা কমার বদলে আরো জটিল আকার ধারণ করে। এই সমস্যাটিকেই পরবর্তীতে নাম দেওয়া হয় &amp;#39;কোবরা ইফেক্ট&amp;#39;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন প্রশ্ন আসতে পারে অর্থনীতিতে এর ব্যবহার কিভাবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অর্থনীতিতে প্রায়শই কোনো একটি আচরণকে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা দেওয়া হয়। কিন্তু মানুষ সেই প্রণোদনা পাওয়ার জন্য এমন কাজ করে যা মূল লক্ষ্যের পরিপন্থী।&lt;br /&gt;
উদাহরণ: ধরা যাক সরকার একটি শিল্পকে দূষণ কমাতে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিটি &amp;#39;কমানো দূষণ ইউনিটের&amp;#39; ওপর ভর্তুকি&amp;nbsp; ঘোষণা করল। কোবরা ইফেক্ট হতে পারে এই যে, কিছু অসাধু কারখানা মালিক&amp;nbsp; প্র্রথম থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে দূষণের মাত্রা বাড়িয়ে দেখাতে পারে, যাতে তারা পরে তা &amp;quot;কমানোর&amp;quot; নাম করে বেশি ভর্তুকি পেতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কৃষ্ণসাগরে তেলবাহী দুই ট্যাংকারে ইউক্রেনের হামলা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/671</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 11:48:37 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/671</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[কৃষ্ণসাগর অতিক্রমের সময় রাশিয়ার কথিত &amp;lsquo;ছায়া নৌবহরের&amp;rsquo; জ্বালানি তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উচ্চগতিতে ছুটে আসা ড্রোনগুলো সরাসরি ট্যাংকারগুলোতে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ঘটে বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়ে আগুন আর কালো ধোঁয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তুরস্কের উপকূলে গত শুক্রবার &amp;lsquo;এমটি কায়রোস&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;বিরাট&amp;rsquo; নামের গাম্বিয়ার পতাকাবাহী ট্যাংকার দুটির ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার &amp;lsquo;বিরাট&amp;rsquo; ট্যাংকারে আরো একটি হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র মতে, এমটি কায়রোস থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেন তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। যাদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাবিক আছেন। তারা সবাই সুস্থ আছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউক্রেনের সামরিক ও নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, হামলায় &amp;lsquo;সি বেবি&amp;rsquo; নামের বিশেষ নৌ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে, যা তৈরি করেছে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা (এসবিইউ)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাশিয়ার তেল নির্ভরশীল যুদ্ধ-অর্থায়ন দুর্বল করতেই সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি অবকাঠামো ও পরিবহনব্যবস্থায় বেছে বেছে হামলা চালাচ্ছে কিয়েভ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পুরনো ও মালিকানা-অস্পষ্ট শত শত জাহাজ নিয়ে &amp;lsquo;ছায়া নৌবহর&amp;rsquo; দাঁড় করিয়েছে মস্কো। বীমা ও রেজিস্ট্রেশন নিয়েও এসব ট্যাংকারকে ঘিরে রয়েছে নানা ধোয়াঁশা।&lt;br /&gt;
কৃষ্ণসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে &amp;lsquo;কায়রোস&amp;rsquo; এবং আরো পূর্ব অঞ্চলে &amp;lsquo;বিরাট&amp;rsquo; ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য মতে, দুটি ট্যাংকারই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/মেরিন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শ্রীলংকায় বন্যা ও ভুমিধসে ১২৩ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১৩০ জন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/670</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 16:54:18 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/670</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া&amp;rsquo;র প্রভাবে প্রবল বর্ষণে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে শ্রীলঙ্কায়। বন্যায় এখন পর্যন্ত ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও ১৩০ জন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শ্রীলঙ্কাজুড়ে বৃষ্টি অব্যাহত আছে। কোনো কোনো এলাকা ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। কলম্বোর কাছে ভারত মহাসাগরে মিশে যাওয়া কেলানি নদীর তীর উপচে অনেক এলাকায় পানি ভেতরে ঢুকে পড়েছে। বন্যার পানিতে আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধারে কাজ করছেন দেশটির সেনা সদস্যরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমসির মহাপরিচালক সাম্পাথ কোটুওয়েগোদার বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। সপ্তাহব্যাপী ভারী বর্ষণে ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ায় ৪৩ হাজার ৯৯৫ জনকে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি শ্রীলঙ্কা ছেড়ে প্রতিবেশী ভারতের দিকে সরে যাচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তায় ত্রাণ কার্যক্রম চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘূর্ণিঝড় বুধবার শ্রীলঙ্কায় সরাসরি আঘাত হানে। এর পর থেকে দ্বীপজুড়ে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি শুরু হয়। সাম্পাথ কোতুওয়েগোদা জানান, সপ্তাহব্যাপী টানা বৃষ্টিতে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৪৪ হাজার লোককে রাষ্ট্র পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণ কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। হেলিকপ্টার ও নৌবাহিনীর নৌকা অসংখ্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমসি জানিয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যাঞ্চল থেকে আরও মৃতদেহ পাওয়ার পর মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। মধ্যাঞ্চলে নিহতদের বেশিরভাগই মারা গেছে কয়েকদিনের ভূমিধসে মাটিচাপা পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কাদার ধস ও বন্যায় অন্তত তিন হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হয়েছে ১৮ হাজারের বেশি মানুষকে। শুক্রবার কলম্বোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। রেল লাইনের পাশে কিছু এলাকায় বন্যা দেখে শনিবার সকাল থেকে মেইন লাইনে চলাচল করা একাধিক ট্রেনের যাত্রা স্থগিত রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের জুনে প্রবল বৃষ্টিতে শ্রীলঙ্কায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ডিসেম্বরে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণ হারায় ১৭ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা / আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খালেদা জিয়ার জন্য সবাই দোয়া করছে, এটা পরম সৌভাগ্যের: মিজানুর রহমান আজহারী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/669</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 16:23:00 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/669</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা পাওয়া পরম সৌভাগ্যের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পোস্টে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, নানা বিভক্তি ও বিভাজনের এ দেশে সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষের সংখ্যা খুবই কম। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এই ক্ষেত্রে অনন্য। দেশপ্রেম ও অতুলনীয় ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি প্রায় সবার কাছে বিশেষ সম্মান ও শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই মুহূর্তে গোটা জাতি তাকে আন্তরিক দোয়ায় স্মরণ করছে। দলমত নির্বিশেষে অগণন মানুষের এমন দোয়া ও ভালোবাসা পাওয়া সত্যিই পরম সৌভাগ্যের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পোস্টের শেষে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন, আমি দেশের তরে সীমাহীন ত্যাগ স্বীকার করা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল এই মহিয়সী নারীর রোগমুক্তি ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা তাকে দ্রুত আরোগ্য দান করুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিজয়-মোসাদ্দেকসহ ১০ ক্রিকেটারের নাম নেই বিপিএল ড্রাফটে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/668</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 14:49:51 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/668</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফিক্সিং সন্দেহে রেড ফ্লাগে থাকা ক্রিকেটারদের নাম বিপিএলের নিলাম থেকে সরিয়ে দিয়েছে বিসিবি। নতুন প্রকাশিত তালিকায় তাদের নাম স্থান পায়নি। নাম সরিয়ে দেওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, শফিউল ইসলাম, আলাউদ্দিন বাবু, সানজামুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মনির হোসেন খান, নিহাদ উজ্জামান এবং আরও দুই বিদেশি ক্রিকেটার ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, বিসিবি জানিয়েছিল বিপিএলের গত আসরে ফিক্সিংয়ের সন্দেহে থাকা ক্রিকেটারদের নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হবে না। শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিলামের আগেরদিন প্রকাশিত তালিকায় দেখা গেছে, সেখানে নেই বিজয়-মোসাদ্দেকসহ ১০ ক্রিকেটারের নাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অভ্যন্তরীন নৌপথে নিয়ন্ত্রণহীন চাঁদাবাজি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/667</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 12:19:20 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/667</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশজুড়ে নৌপথেও চলছে লাগামহীন চাঁদাবাজি। সংঘবদ্ধ অপরাধীচক্র এই চাঁদাবাজিতে সক্রিয়। মেঘনা থেকে পদ্মা, শীতলক্ষ্যা হয়ে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত এই চাঁদাবাজদের অপতৎপরতা। নৌপথে পণ্যবাহী নৌযান টার্গেট করে এরা &amp;nbsp;চাঁদাবাজি করছে।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
ভুক্তভোগী শ্রমিক ও নৌ পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

&lt;p&gt;সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন স্থানে নোঙর করা নৌযান থেকে রাতে এবং দিনের বেলায়ও চাঁদাবাজি করছে। এর কিছু ঘটনায় মামলা হলেও বেশির ভাগ ঘটনা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। ফলে ধরা পড়ছে না অপরাধীরা।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নামে নৌপথে বেশি চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। চাঁদাবাজির শিকার নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে এ নিয়ে ভীতি কাজ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নৌ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নৌপথে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি অব্যাহত থাকলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দুর্বৃত্তদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না। ফলে চাঁদাবাজদের হাতে একপ্রকার জিম্মি তারা।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;জানতে চাইলে নৌ পুলিশের (ঢাকা অঞ্চল) পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন গতকাল শুক্রবার কালের কণ্ঠকে বলেন, &amp;lsquo;নৌপথে সক্রিয় অপরাধীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এতে জড়িতদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর সদরঘাটসহ চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও নারায়ণগঞ্জে নৌপথের বিভিন্ন স্থানের শ্রমিকরা চাঁদাবাজির অভিযোগ করছেন। এসব জেলার ওপর দিয়ে মেঘনা ও পদ্মা নদী প্রবাহিত।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;এই দুই নদী দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল ও চট্টগ্রামের যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী নৌযানে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করা হয়। এই দুই নদীর অসংখ্য সীমানায় রয়েছে চর ও ডুবোচর। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, মোংলা বন্দর, নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় চলাচল করে দেড় হাজারের বেশি মালবাহী জাহাজ ও সহস্রাধিক বাল্কহেড। এসব জায়গায় রাতে ও দিনে চাঁদাবাজি অব্যাহত আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাঁদপুরের মেঘনা নদীর ষাটনল, চরভৈরবী, মল্লিকপুর, ইলিশা ও দড়রচর এলাকার সব ধরনের নৌযানকে চাঁদা দিতে হয়। এ ছাড়া শরীয়তপুরের চর আত্রা, ওয়াপদা, বাবুরচর, খাজুরতলা ও পাইনপাড়া এলাকায় ট্রলার নিয়ে দুর্বৃত্তরা চাঁদাবাজি করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ট্রলার ও স্পিডবোটে করে এসে দুর্বৃত্তরা ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করে। চাহিদামতো চাঁদা না দিলে করা হয় মারধর। এসব ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে কিছু এলাকা থেকে চাঁদাবাজচক্রের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে নৌ পুলিশ। &amp;nbsp;নৌ পুলিশ বলছে, গত ১১ আগস্ট সিলেটের গোয়াইনঘাটে নৌপথে চাঁদাবাজি মামলায় সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী আজমল হোসেনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে র&amp;zwnj;্যাব-৯। পরে তাদের গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজমল জানান, তিনি নৌপথে একটি গ্রুপের চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে, গত বছর ৫ আগস্ট-পরবর্তী জুলাই-আগস্টের সমন্বয়ক হিসেবে তিনি নিজেকে পরিচয় দিতেন। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন সুলতান আহমদ, মো. বিল্লাল, মো. সুবহান, শাকিল, ফারুক মিয়া ও ফয়সাল মৌলভি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে র&amp;zwnj;্যাব জানায়, আজমলের নেতৃত্বে একটি দল নৌপথে নৌকা ও বাল্কহেড আটকে রেখে চাঁদাবাজি করত। এমন অভিযোগে সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় মামলা করেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের আব্দুল আলিম নামের এক ব্যক্তি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কোস্ট গার্ড সূত্র বলছে, এর আগে গত ৬ আগস্ট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি লাইটার জাহাজ চাঁদপুর মোহনাসংলগ্ন এলাকায় নোঙর করলে সাত সদস্যের একটি চাঁদাবাজদল সেখানে চাঁদা দাবি করে। তাদের ধরতে বর্তমানে অভিযান চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ও গাজীপুরের কালীগঞ্জ সীমানায় শীতলক্ষ্যা নদীপথে প্রকাশ্যে মালবাহী নৌযানে চলছে চাঁদাবাজি। মালবাহী জাহাজসহ চাঁদাবাজদের কবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না ছোট ট্রলারও। প্রতিটি নৌযান থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌযানের শ্রমিক ও চালকদের মারধর এবং মালপত্র লুট করে নেওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে বিভিন্ন সার কারখানা, সুগার মিল, জুটমিল, পেপার মিল, সিমেন্টসহ বড় বড় শিল্প-কারখানার বেশির ভাগ পণ্য ও কাঁচামাল আনা-নেওয়া করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, চাহিদামতো চাঁদা না পেলে হামলা ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া নৌপথ দিয়ে চলাচল করা বালু, বাঁশ, পাথরসহ বিভিন্ন মালবাহী ট্রলার আটকে চাঁদা আদায় করে চাঁদাবাজরা। শীতলক্ষ্যা নদীপথে নিয়মিত যাতায়াত করা ট্রলার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এ ধরনের বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে সারসহ অন্যান্য মালপত্র নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর ডাঙ্গা-কালীগঞ্জ সীমানায় পৌঁছলে পেছন থেকে ট্রলার নিয়ে দুর্বৃত্তরা এসে জাহাজের স্টাফদের মারধর করে চাঁদা দাবি করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;(প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা)&lt;br /&gt;
সূত্র: কালের কন্ঠ&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আগারগাঁওয়ে চলছে ‘মক ভোট’, ইসি সানাউল্লাহ’ বলছে-রিহার্সেল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/666</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 11:59:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/666</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে &amp;lsquo;মক ভোটিং&amp;rsquo; (ভোট দেওয়ার অনুশীলন) চলছে। আজ শনিবার সকাল ৮টায় এ কার্যক্রম শুরু হয়। চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি উপলক্ষে এই মক ভোটের আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে নারী ও পুরুষ ভোটারদের স্লিপ সংগ্রহের জন্য পৃথক তিনটি করে ছয়টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। ভোটারেরা প্রথমেই বুথগুলোতে যাচ্ছেন এবং নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোটার স্লিপ সংগ্রহ করছেন। পরে একে একে ভোটারেরা কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভোটকেন্দ্রের বাইরে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে পুলিশ, র&amp;zwj;্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র&amp;zwj;্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের দেখা গেছে। সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে এসব বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেন্দ্রের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক দুটি করে চারটি ভোটকক্ষ করা হয়েছে। কক্ষের সামনে ভোটারদের ভিড় ছিল। পরিবেশও ছিল অনেকটাই বিশৃঙ্খল। এ নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। বলেন, &amp;lsquo;কিছুই হচ্ছে না।&amp;rsquo; তিনি কমিশনের কর্মকর্তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে আবার নতুন করে ভোটারদের সারিতে দাঁড় করানো হয়। মক ভোটার, মক পর্যবেক্ষক, মক সাংবাদিকদের কে কোথায় থাকবেন, কী কী দায়িত্ব পালন করবেন, সেসব বুঝিয়ে দেন। এরপর কেন্দ্রে শৃঙ্খলা আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো, সমকাল&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/665</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 12:24:26 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/665</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যেতে মানা করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার সকালে আবহাওয়ার ১ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ২০৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারে মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। সেজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আবহাওয়া&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হংকংয়ের একটি বহুতল ভবন কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে  ৪৪ নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/664</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 09:40:43 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/664</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[হংকংয়ের একটি বহুতল ভবন কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া এই ঘটনায় এখনো খোঁজ মিলছে না ২৭৯ জনের। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবরে বলা হয়েছে, দেশটির স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরের দিকে শহরের তাই পো এলাকায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার শহরটির প্রধান নির্বাহী জন লি হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লি সাংবাদিকদের বলেছেন, এখনো ২৭৯ জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সেই সঙ্গে ২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গতকাল রাতেও কমপ্লেক্সের ৩২ তলা ভবনগুলোয় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগুনের তীব্র উত্তাপের কারণে ভবনগুলোর ওপরের দিকে যাওয়া যাচ্ছে না।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওয়াং ফুক কোর্ট আবাসিক কমপ্লেক্সে মোট আটটি ভবন রয়েছে। এই ভবনগুলোয় অ্যাপার্টমেন্টের সংখ্যা ২ হাজার। এতে ৪ হাজার ৬০০ জনের বেশি বাসিন্দা বাস করেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তবে আগুন লাগা ভবনের ভেতরে কতজন আটকা পড়েছেন, তা জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। আগুন নেভাতে ৮০০ জনের বেশি দমকল কর্মী কাজ করছেন। ১৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কমপ্লেক্সটি জ্বলছে বলে বিবিসি নিশ্চিত করেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন লি। এ ছাড়া ভবনের আশেপাশের ১৩টি স্কুলের ক্লাস আজ বাতিল করা হয়েছে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনার পর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সরকারি দপ্তরগুলোকে আগুন নিয়ন্ত্রণের সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি হতাহতের ঘটনা যেন কম হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে বলেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এক নজরে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ ও ম্যাচ সূচি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/663</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Nov 2025 13:04:27 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/663</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপিং ও সূচি চূড়ান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার আইসিসি ঘোষণা করেছে টুর্নামেন্টের সূচি। ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু বিশ্বকাপ শেষ হবে ৮ মার্চ। ২০টি দল চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে প্রথম পর্বে। বাংলাদেশ পড়েছে &amp;lsquo;সি&amp;rsquo; গ্রুপে। যেখানে বাংলাদেশের সঙ্গী ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও নবাগত ইতালি। উদ্বোধনী দিনেই প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান অনুমিতভাবেই পড়েছে এক গ্রুপে। &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; গ্রুপে দল দুটির সঙ্গী যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডস।&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;প্রথম পর্ব শেষে চার গ্রুপ থেকে দুটি করে মোট আটটি দল উঠবে সুপার এইটে। দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে এই আট দল। এরপর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;কোন গ্রুপে কারা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;গ্রুপ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo;: ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;গ্রুপ &amp;lsquo;বি&amp;rsquo;: অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, ওমান&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;গ্রুপ &amp;lsquo;সি&amp;rsquo;: বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি, নেপাল&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;গ্রুপ &amp;lsquo;ডি&amp;rsquo;: দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও আরব আমিরাত&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রথম পর্বের সূচি&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;তারিখ&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;সময়&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ম্যাচ&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;
&amp;nbsp;

&lt;div&gt;০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;পাকিস্তান-নেদারল্যান্ডস &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;color:#A52A2A&quot;&gt;০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বাংলাদেশ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলকাতা&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ভারত-যুক্তরাষ্ট্র &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;মুম্বাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;নিউজিল্যান্ড-আফগানিস্তান &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;চেন্নাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ইংল্যান্ড-নেপাল &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;মুম্বাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; শ্রীলঙ্কা-আয়ারল্যান্ড &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;color:#A52A2A&quot;&gt;০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশ-ইতালি &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কলকাতা&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; জিম্বাবুয়ে-ওমান &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; দক্ষিণ আফ্রিকা-কানাডা &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;আহমেদাবাদ&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;নেদারল্যান্ডস-নামিবিয়া &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;দিল্লি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;নিউজিল্যান্ড-সংযুক্ত আরব আমিরাত চেন্নাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান &amp;nbsp; আহমেদাবাদ&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;অস্ট্রেলিয়া-আয়ারল্যান্ড &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;মুম্বাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;শ্রীলঙ্কা-ওমান &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ক্যান্ডি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;নেপাল-ইতালি &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;মুম্বাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; ভারত-নামিবিয়া &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; দিল্লি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp;অস্ট্রেলিয়া-জিম্বাবুয়ে &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; কানাডা-সংযুক্ত আরব আমিরাত দিল্লি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; যুক্তরাষ্ট্র-নেদারল্যান্ডস &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;চেন্নাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; আয়ারল্যান্ড-ওমান &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;color:#A52A2A&quot;&gt;১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলকাতা&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা &amp;nbsp; আহমেদাবাদ&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নেপাল &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; মুম্বাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;যুক্তরাষ্ট্র-নামিবিয়া &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; চেন্নাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ভারত-পাকিস্তান &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;আফগানিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাত দিল্লি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ইংল্যান্ড-ইতালি &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কলকাতা&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ক্যান্ডি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; নিউজিল্যান্ড-কানাডা &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; চেন্নাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; আয়ারল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ক্যান্ডি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;color:#A52A2A&quot;&gt;১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; বাংলাদেশ-নেপাল &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;মুম্বাই&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; দক্ষিণ আফ্রিকা-সংযুক্ত আরব আমিরাত&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;দিল্লি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; পাকিস্তান-নামিবিয়া &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ভারত-নেদারল্যান্ডস &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;আহমেদাবাদ&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ১১&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইতালি &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;কলকাতা&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বেলা ৩&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; কলম্বো&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; আফগানিস্তান-কানাডা &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; চেন্নাই&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭&amp;ndash;৩০ মি.&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; অস্ট্রেলিয়া-ওমান &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; ক্যান্ডি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভূমিকম্পের পূর্বে আপনার মুঠোফোন এলার্ট করবে যেভাবে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/662</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Nov 2025 11:30:48 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/662</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর)&amp;nbsp;সকালে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ৫ দশমিক ৭ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা পাওয়া গেলেও ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে তা সাধারণত সম্ভব হয় না। তবে ভূপৃষ্ঠের কম্পন পর্যালোচনা করে ভূমিকম্প হওয়ার সময় সতর্কবার্তা পাঠিয়ে থাকে গুগলের আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেমসহ বেশ কয়েকটি অ্যাপ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভূমিকম্পের সময় বিভিন্ন এলাকায় অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের সতর্ক করতে ২০২০ সালে আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেম চালু করে গুগল। গুগলের তথ্যমতে, এই সিস্টেম মূলত স্মার্টফোনে থাকা ক্ষুদ্র অ্যাক্সিলোমিটারের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের কম্পন পর্যালোচনা করে ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা পাঠায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভূমিকম্পের উৎস ও মাত্রা সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি নিরাপদ থাকার পরামর্শও দিয়ে থাকে। এই ব্যবস্থা চালু করতে প্রথমে স্মার্টফোনের সেটিংসে প্রবেশ করে সেফটি অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপশন থেকে আর্থকোয়েক অ্যালার্টস নির্বাচন করতে হবে। এরপর পরবর্তী পৃষ্ঠা থেকে আর্থকোয়েক অ্যালার্টস অপশন চালু করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্বজুড়ে এক কোটির বেশি মানুষ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে &amp;lsquo;মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্টস ম্যাপ অ্যাপ&amp;rsquo; ব্যবহার করেন। এটি একটি ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ অ্যাপ, যার মাধ্যমে ভূমিকম্প-সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য জানা যায়। এই অ্যাপটি বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্প শনাক্ত করতে সক্ষম এবং এটি বিনামূল্যে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মেই ব্যবহার করা যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন মাইশেক অ্যাপ। এই অ্যাপটি ভূমিকম্প শনাক্ত ও ব্যবহারকারীদের রিয়েল-টাইম সতর্ক করতে স্মার্টফোন সেন্সর ব্যবহার করে। এই অ্যাপটি প্রায় ১০ লাখ ব্যবহারকারী ব্যবহার করছেন এবং এটি সিটিজেন-সায়েন্স প্রজেক্টে তথ্য সরবরাহ করে ভূমিকম্প-সতর্কতা ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ দেয়। এই অ্যাপটিও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জানা-অজানা&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনার দুটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না উদ্ধার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/661</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 26 Nov 2025 11:11:21 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/661</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না পাওয়া গেছে। অগ্রণী ব্যাংকে থাকা ওই লকার দুটি জব্দ করা হয়েছিল। আদালতের অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকার দুটি খোলা হয়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দায়িত্বশীল একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, লকার খোলার সময় এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজধানীর দিলকুশায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় (সাবেক স্থানীয় কার্যালয় শাখা) শেখ হাসিনার দুটি লকার ছিল। সম্পদের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকির অভিযোগে গত সেপ্টেম্বরে এনবিআরের সিআইসি তা জব্দ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিআইসির শীর্ষপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, &amp;lsquo;আমরা আদালতের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মনীতি মেনে লকার দুটি খুলেছি। সেখানে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না পাওয়া গেছে। এখন ওনার (শেখ হাসিনা) আয়কর রিটার্নে দেওয়া সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অগ্রণী ব্যাংকের এই লকার দুটি জব্দ করার এক সপ্তাহ আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর পূবালী ব্যাংকে থাকা শেখ হাসিনার আরেকটি লকার জব্দ করে এনবিআরের সিআইসি। সেটি রাজধানীর সেনা কল্যাণ ভবনে অবস্থিত পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখার ১২৮ নম্বর লকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পূবালী ব্যাংকের একই শাখায় শেখ হাসিনার দুটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। এর মধ্যে একটি হিসাবে ১২ লাখ টাকার এফডিআর এবং আরেকটি হিসাবে ৪৪ লাখ টাকা পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এনবিআর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ তদন্ত করছে। অন্যদিকে দুদক শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। ইতিমধ্যে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানাসহ তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই আদালত তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও আদেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিনই পালিয়ে ভারতে চলে যান। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কর ফাঁকি ও দুর্নীতির তদন্তে নামে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভিসা জালিয়াতি ও প্রতারণা ঠেকাতে যুক্তরাজ্যের বিশেষ প্রচারণা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/660</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 13:40:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/660</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ভিসা জালিয়াতি ও প্রতারক অভিবাসন সুবিধা প্রদানকারীদের শোষণ থেকে ভিসা আবেদনকারীদের রক্ষায় যুক্তরাজ্য একটি প্রচারণা শুরু করেছে&lt;/strong&gt;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে উল্লেখ করা হয়, অপরাধী এবং প্রতারকদের দ্বারা পরিচালিত প্রতারণামূলক কার্যকলাপের ফলে প্রতি বছর ভিসা আবেদনকারীদের লাখ লাখ পাউন্ড ক্ষতি হয়। বাংলাদেশ এবং বিশ্বজুড়ে দুর্বল মানুষকে শোষণ, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং এর ফলে আইনকে ঝুঁকিতে ফেলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বব্যাপী ভিসা জালিয়াতি এবং অবৈধ অভিবাসন সুবিধা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপরাধীদের নেটওয়ার্ক সম্ভাব্য ভিসা আবেদনকারীদের প্রতারণা করার জন্য ক্রমবর্ধমান পরিশীলিত কৌশল ব্যবহার করছে। ভুক্তভোগীদের প্রায়শই অতিরিক্ত ফিসের বিনিময়ে ভিসা নিশ্চিতকরণ, যথাযথ যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি বা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বাস্তবতা হল আর্থিক ক্ষতি, ভিসা প্রত্যাখ্যান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে হলো-পাচার এবং শোষণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হাইকমিশন বলছে, যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদনকারীদের ভিসা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য সর্বদা সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা উচিত এবং সরকারি ওয়েবসাইট (www.gov.uk) এর মাধ্যমে আবেদন করা উচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ভিসা জালিয়াতি স্বপ্ন ধ্বংস করে এবং পরিবারগুলিকে ধ্বংস করে দেয়। অপরাধমূলক সহায়তাকারীরা উন্নত জীবনের জন্য মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাদের অর্থ চুরি করে এবং তাদের গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট শুধু সরকারি চ্যানেল ব্যবহার করুন, সমস্ত পরামর্শ যাচাই করুন এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের প্রতিবেদন করুন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য সঠিক রুটের মাধ্যমে বৈধ ভিসা আবেদনগুলোকে স্বাগত জানায়। তবে যারা জালিয়াতির চেষ্টা করে তাদের গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড  রিচার্জ চালু হচ্ছে মঙ্গলবার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/659</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 16:58:57 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/659</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;মেট্রোরেলের র&amp;zwnj;্যাপিড পাস ও এমআরটি পাস রিচার্জ করতে আর স্টেশনে যেতে হবে না। ঘরে বসেই কার্ডে টাকা ভরা যাবে (রিচার্জ)। তা করা যাবে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব ধরনের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। আগামীকাল মঙ্গলবার এই রিচার্জ প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করা হবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনে অনলাইনে রিচার্জ প্রক্রিয়া উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার রেজাউল করিম সিদ্দিকী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, বর্তমানে মেট্রোরেলে দুই ধরনের স্থায়ী কার্ড ব্যবহৃত হচ্ছে-র&amp;zwj;্যাপিড ও এমআরটি পাস। নতুন ব্যবস্থায় দুই ধরনের কার্ডই অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ইচ্ছেমতো রিচার্জ করা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে টাকা রিচার্জ করার পর গ্রাহককে তাঁর স্থায়ী কার্ডটি একবার অন্তত স্টেশনে থাকা বিশেষ যন্ত্রে স্পর্শ করিয়ে হালনাগাদ করে নিতে হবে, যা অ্যাড ভ্যালু মেশিন (এভিএম) নামে পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/যোগাযোগ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/658</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 16:19:10 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/658</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার বিকাল ৪টা থেকে এই কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি সূত্র জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রিন্টের কাজ শুরু হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম।&lt;br /&gt;
আজ সোমবার তিনি গণমাধ্যমে জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আজ বিকাল ৪টার পর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।&lt;br /&gt;
ইসি সূত্র জানায়, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তালিকা প্রিন্টের কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য সাময়িকভাবে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ থাকতে পারে। তবে দ্রুতই এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুব এশিয়া কাপ ফাইনালে আজ রাতে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/657</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 17:59:55 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/657</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপের ফাইনালে রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। রোববার (২৩ নভেম্বর) কাতারের দোহায় ওয়েস্ট অ্যান্ড পার্ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি। ফাইনালে বাংলাদেশ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; দলের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান শাহিনস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১৩ সালে যাত্রা শুরুর এই আসরে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা দুবার করে শিরোপা জিতলেও বাংলাদেশের অর্জন বলতে ছয় বছর আগে হওয়া রানার্সআপ। প্রায় পাঁচ বছর আগে আকবর আলীর নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিল বাংলাদেশ। আজ সেই আকবরের কাঁধেই দায়িত্ব&amp;mdash;রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে দেশকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন ট্রফি এনে দেওয়ার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টুর্নামেন্টে হংকং, আফগানিস্তান আর ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে পা রাখে বাংলাদেশ। বিশেষ করে সেমিফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ভারতকে হারায় তারা। সেমিফাইনালের ম্যাচে ভারত &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; দলের বিপক্ষে সুপার ওভারের রোমাঞ্চ ছাপিয়ে জিতে বাংলাদেশ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; দল। একের পর এক হাস্যকর ভুলের পর সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ। যেখানে রিপন মণ্ডলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পরপর দুই বলেই ভারত ২ উইকেট হারায়। ফলে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় স্রেফ ১ রান। সেই সহজ লক্ষ্য কঠিন করে তোলার পর ওয়াইডের কল্যাণে জিতে ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo;-পাকিস্তান শাহিনস এর মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও টেন স্পোর্টস-১।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৭ পেশা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/656</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 17:17:31 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/656</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বিশ্বের বিভিন্ন পেশার মধ্যে এমন কিছু পেশা আছে যেখানে কর্মীরা প্রতিদিন জীবন ঝুঁকির মুখোমুখি হন। শুধু শারীরিক ঝুঁকি নয়, মানসিক চাপ ও স্বাস্থ্যঝুঁকিও এই পেশাগুলোকে বিপজ্জনক করে তোলে। চলুন জেনে নিই বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চাকরিগুলো ও তাদের চ্যালেঞ্জগুলো।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১. ফিশারম্যান/মাছ ধরার পেশা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
মাছ ধরা পেশা পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে উত্তরের সমুদ্র, যেমন আলাস্কা বা উত্তর আটলান্টিক, যেখানে প্রচণ্ড ঝড়, তীব্র ঠান্ডা এবং স্রোতের সঙ্গে লড়াই করতে হয়। মাছ ধরার নৌকা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং পানির তীব্রতা মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে। এই পেশার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দীর্ঘ সময় সমুদ্রে কাটানো, যন্ত্রপাতির দুর্ঘটনা এবং হঠাৎ সৃষ্ট আবহাওয়া। এছাড়া মাছ ধরার সময় শ্রমিকদের হাইপোথার্মিয়া, ডিহাইড্রেশন এবং অসুস্থতার ঝুঁকি থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;২. খনি শ্রমিক/মাইনার&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকি অনেক বেশি। বিশেষ করে কয়লা ও ধাতু খনি শ্রমিকরা গ্যাসের বিষক্রিয়া, ধস বা বিস্ফোরণ এড়াতে প্রতিনিয়ত সতর্ক থাকতে হয়। ধুলার কারণে ফুসফুসের রোগ, সিলিকোসিস, এবং দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট এই পেশার সাধারণ সমস্যা। খনি শ্রমিকরা প্রায়ই মাটির নিচে সঙ্কুচিত ও অন্ধকার পরিবেশে কাজ করেন, যেখানে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা সবসময় থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৩. দমকলকর্মী/ফায়ারফাইটার&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
দমকলকর্মীরা আগুন নিভানোর কাজে জীবন বাজি রাখেন। আগুন, ধোঁয়া, রাসায়নিক পদার্থ এবং ধ্বংসস্তুপের মধ্যে কাজ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া দমকলকর্মীদের মানসিক চাপও বেশি। যে কোনো মুহূর্তে তারা প্রাণহানির ঝুঁকির মধ্যে, অন্যদের রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জীবনও বিপন্ন হয়। উচ্চ তাপমাত্রা, বিষাক্ত ধোঁয়া ও ফার্মাসিউটিক্যাল আগুন বা রাসায়নিক দুর্ঘটনা তাদের জন্য দৈনন্দিন ঝুঁকি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৪. নির্মাণকর্মী/আর্কিটেকচার শ্রমিক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
নির্মাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো উচ্চতা থেকে পতন এবং ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সময় দুর্ঘটনা। ছাদের ওপর বা আকাশচুম্বী বিল্ডিংয়ে কাজ করা কঠিন ও বিপজ্জনক। কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সরঞ্জাম সঠিকভাবে ব্যবহার না হলে দুর্ঘটনা খুব সহজেই ঘটে। তাদের জন্য শারীরিক স্থিতিশীলতা, সতর্কতা এবং অভিজ্ঞতা অপরিহার্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৫. বিমানকর্মী/পাইলট ও এয়ার ক্রু&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পাইলট এবং বিমান ক্রুদের কাজও ঝুঁকিপূর্ণ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের উচ্চ চাপ ও জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে হয়, বিশেষ করে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা যান্ত্রিক ত্রুটি হলে। ফ্লাইটের সময় দীর্ঘ সময় কাজ, ক্লান্তি, এবং মানসিক চাপ এই পেশার সাধারণ সমস্যা। এছাড়া যান্ত্রিক ব্যর্থতা বা অব্যবস্থাপনা জীবনের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৬. পুলিশ, সৈনিক ও সীমান্ত রক্ষী&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পুলিশ ও সৈনিকরা প্রতিনিয়ত অপরাধ, সন্ত্রাস বা যুদ্ধে লিপ্ত থাকেন। অস্ত্রধারী অপরাধী, বোমা বিস্ফোরণ এবং শত্রুর মুখোমুখি থাকা তাদের জীবনের জন্য বড় ঝুঁকি। এছাড়া এই পেশায় মানসিক চাপ, পিটিএসডি এবং ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাবও প্রচুর। তাদের জন্য প্রশিক্ষণ, সতর্কতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৭. বনরক্ষী ও বন্যপ্রাণী গবেষক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বনের মধ্যে কাজ করা বনরক্ষী ও গবেষকরা বিপজ্জনক প্রাণী যেমন বাঘ, সাপ, হাতি, বিষধর প্রাণীর সঙ্গে নিয়মিত মিটিং করেন। তারা দুর্ঘটনা, পথ হারানো, অজানা রোগ বা সংক্রমণ এবং কঠিন পরিবেশের ঝুঁকি বহন করেন। শারীরিক ক্ষমতা, মনোযোগ এবং সতর্কতা তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ক্যারিয়ার]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিয়মিত ব্যয়াম করা কেন গুরুত্বপূর্ণ! জানুন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/655</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 13:01:37 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/655</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা খুবই জরুরি। অল্প বয়সী থেকে বয়স্ক&amp;ndash; যে কেউ যদি প্রতিদিন ব্যায়াম করেন, তাহলে অবশ্যই উপকৃত হবেন। নিয়মিত ব্যায়াম শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সুস্থতা এনে দেয়। এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যাদের বয়স ৬০-এর ওপরে, তারা যদি সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ মিনিট নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাহলে বছরে যে টাকা তিনি চিকিৎসার জন্য ব্যয় করেন, তা অনেকাংশে কমে আসে।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নিয়মিত ব্যায়ামের একাধিক উপকারিতা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হলো&amp;ndash;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত ব্যায়াম হৃৎপিণ্ডের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে ভুগছেন, তারা যদি প্রতিদিন ব্যায়াম করেন, তাহলে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি তিন ভাগের এক ভাগ কমে যায়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত ব্যায়াম করলে মাংসপেশি, হাড় এবং অস্থিসন্ধি শক্ত হয়। মানবদেহে হাড়ের ডেনসিটি বেড়ে যায়, যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও অস্টিওপোরোসিসসহ অস্থিসন্ধির বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত ব্যায়াম করলে অনেক ক্যালরি ক্ষয় হয়, যা স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ধরে রাখে। ওজন ঠিক থাকলে অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যা দূর করে। নিয়মিত ব্যায়াম করার পাশাপাশি আমাদের প্রতিদিনের খাওয়ার প্রতি যত্নশীল হতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত ব্যায়াম ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে স্তন ক্যান্সার, মলাশয় ক্যান্সার অন্যতম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গোটা বিশ্বে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডায়াবেটিক রোগীর জন্য ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম দুই ধরনের ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়। আপনি যদি ডায়াবেটিকের রোগী হন, তাহলে একটি ডায়েরি মেইনটেইন করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। প্রতিদিন আপনার সুগার লেভেল লিখে রাখুন। এভাবে নিয়মিত ব্যায়াম করলে দেখতে পাবেন, আপনার রক্তের গ্লুকোজ লেভেলে কতটা পরিবর্তন এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিদিন ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ে। যার ফলে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে। এর ফলে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ রোগ প্রতিরোধ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের চর্বি কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত ব্যায়াম করলে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে, আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং হতাশা কমিয়ে দেয়। আমাদের নেগেটিভ চিন্তাভাবনা দূর করে। এ ছাড়া মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা দূর করে আমাদের মনকে প্রফুল্ল করে তোলে। সারাদিন অনেক কাজ করার পরও শরীর ও মন সজীব থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেখক: মাস্কুলোস্কেলিটাল ডিজঅর্ডারস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৩১ ঘন্টায় ৪  বার ভূমিকম্প : বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/654</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 10:29:21 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/654</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;গত শুক্রবারের ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের বড় ঝাঁকুনির ভীতি এখনও গেঁথে আছে মানুষের মনে। ওই দুলুনির রেশ না কাটতেই গতকাল শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আরও তিনবার কেঁপেছে দেশের বিভিন্ন এলাকা। আগের দিন ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। আর শনিবার সকালের কম্পনের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর পলাশ; সন্ধ্যায় দুবারের একটি রাজধানীর বাড্ডা, আরেকটি নরসিংদীতেই। সব মিলিয়ে সাড়ে ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা অল্প সময়ে বারবার ভূমিকম্পে বড় বিপর্যয়ের আভাস দিচ্ছেন। তারা বলছেন, চারটি ভূমিকম্পই &amp;lsquo;ফোরশক&amp;rsquo;। বড় কম্পনের আগে প্লেটের ওপর চাপ বাড়তে থাকে, ছোট ছোট কম্পন সেই চাপের ইঙ্গিত। ভূঅভ্যন্তরে শক্তি সঞ্চিত হচ্ছে। সামনে আরও কয়েক দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণে অবিলম্বে প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ তাদের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চার ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী ও ঢাকা&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে মাধবদীতে, কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। স্থায়িত্ব ছিল ২৬ সেকেন্ড। এ ঘটনায় তিন জেলায় প্রাণ হারান অন্তত ১০ জন, আহত ছয় শতাধিক। ঢাকার বহু ভবনে ফাটল, কোথাও কোথাও হেলে পড়ার ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক সংস্থা ইউএসজিএসের মতে, শুক্রবার বাংলাদেশের সাত কোটির মতো মানুষ মৃদু বা হালকা ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর গতকাল শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট ১২ সেকেন্ডে আরও একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়। এটির উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর পলাশ। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। একই দিন শনিবার সন্ধ্যায় পরপর দুটি ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানীর বাড্ডায়। এর এক সেকেন্ড পর সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এটির মাত্রা ৪ দশমিক ৩, উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বড় বিপদের বার্তা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বিপদের বার্তাবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী সরকার বলেন, বড় ভূমিকম্পের আগে ৩০-৪০টি ছোট ছোট ভূমিকম্প হতে পারে। একই স্থানে বারবার কম্পন হলে বুঝতে হবে সামনে বড় বিপদ। সে বিষয়ে অপেক্ষা করতে হবে আরও চার-পাঁচ দিন। তারপর বোঝা যাবে কী হয়!&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেহেদী আহমেদ আনসারী ঢাকার পাশে বারবার ভূমিকম্পকে দেখছেন বড় ভূমিকম্পের লক্ষণ হিসেবে। এ জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার কাছাকাছি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল অস্বাভাবিক বলা যাবে না। এর আগেও হয়েছে। বড় একটা ভূমিকম্প আসার কয়েক বছর আগে থেকে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়। ছোট ভূমিকম্পগুলো বড় ভূমিকম্প যেখানে হবে, সেখানে না হয়ে অন্য জায়গা বা তার আশপাশে হয়। তুরস্কের বড় ভূমিকম্পের আগে ১০০টিরও বেশি ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়েছিল। গত এক বছরে বাংলাদেশে ৫০টিরও বেশি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ছোট এসব কম্পন শক্তি সঞ্চয় করছে। ফলে সামনে বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই বলে আসছেন, দুটি প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশে পড়ায় এখানে বড় ভূকম্পনের ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া নদনদীর গতি পরিবর্তন হওয়ায় তা দেশে বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকি তৈরি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, ঢাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পন হলে দুই থেকে তিন লাখ মানুষ হতাহত হতে পারে। পাঁচ থেকে সাত লাখ মানুষ অবরুদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ভেঙে পড়তে পারে ঢাকা শহরের ৩৫ শতাংশ ভবন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় ধরনের ভূমিকম্প এড়ানো হয়তো সম্ভব নয়, তবে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ভবনের মান পরীক্ষা, ঝুঁকির ভিত্তিতে সেগুলোকে আলাদা করে ফেলা এবং নাগরিককে সতর্ক করার পাশাপাশি নিয়মিত মহড়ার আয়োজন করা যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার কয়েক দশক ধরে ভূমিকম্প নিয়ে কাজ করছেন। বাংলাদেশের ঝুঁকির বিষয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, নরসিংদীতে ভূমিকম্পের কারণ ভূগর্ভে ইন্ডিয়ান প্লেট ও বার্মিজ প্লেটের অবস্থান বদল। তবে এর বাইরে অনেক জায়গায় সাব-প্লেট ক্রিয়াশীল আছে। যেসব স্থানে একটি প্লেট এসে আরেকটি প্লেটের কাছাকাছি মিশেছে বা ধাক্কা দিচ্ছে বা ফাটলের তৈরি হয়েছে, সেটাকে বলা হয় ফল্ট লাইন। বাংলাদেশে এমন কয়েকটি ফল্ট লাইন আছে। এই প্লেটগুলো যখন সরে যায় বা নড়াচড়া করতে থাকে কিংবা একটি অন্যদিকে ধাক্কা দিতে থাকে, তখন এক ধরনের শক্তি সঞ্চিত হতে থাকে। ৮ দশমিক ২ মাত্রার যে শক্তি, সেটা কিন্তু এখনও জমা হয়ে আছে। যে কোনো সময় দেখা যাবে, এর চেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউএসজিএস বলছে, শুক্রবার বাংলাদেশের যেখানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে সেখানে ১৯৫০ সালের পর থেকে শুক্রবারের ভূমিকম্পের আগে ৫ দশমিক ৫ মাত্রা বা এর চেয়ে বড় আকারের ভূমিকম্প হয়েছে ১৪টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের প্রধান উৎস দুটো। এর একটি &amp;lsquo;ডাউকি ফল্ট&amp;rsquo;, যা ভারতের শিলং মালভূমির পাদদেশে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ-জামালগঞ্জ-সিলেট অঞ্চলে বিস্তৃত। এটি প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ। আরেকটি সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, টেকনাফ পর্যন্ত যা সব মিলিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই উৎসটিকে খুব ভয়ংকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই অঞ্চলে গড়ে দেড়শ বছর পরপর ৭ মাত্রার এবং আড়াইশ থেকে তিনশ বছর পরপর ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে থাকে। ১৭৬২ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে ৭ থেকে সাড়ে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের নজির আছে। শেষ এক-দেড়শ বছরে এ অঞ্চলে বড় ভূমিকম্প হয়নি। এখন যে কোনো সময় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে; ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের শঙ্কা এখন নেই। ২০২০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে একটা বড় ভূমিকম্প হবেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক বছরগুলোর পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা গেছে, ২০২১ সালে বাংলাদেশ ও আশপাশের অঞ্চলে ২৭টি ভূমিকম্প হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর পর ২০২২ সালে ১৯টি, ২০২৩ সালে ৩৫টি, ২০২৪ সালে ৫৪টি ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে ৯টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে ছিল সাতটি এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে উৎপত্তিস্থল ছিল দুটি। ২০২৪ সালে ১৩টি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ। ২০২২ সালে কোনো ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশে ছিল না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত কয়েক বছরে যেসব ভূমিকম্প হয়েছে, সেগুলো ছিল ২ দশমিক ৮ থেকে ৬ মাত্রার। ঢাকা ও এর আশপাশে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থাকার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে, তবে মাত্রা ছিল কম। এর মধ্যে ২০১২ সালের ১৮ মার্চ ৪.৫ মাত্রা, ২০০৮ সালের ২৬ জুলাই ৪.৮ মাত্রা এবং ২০০১ সালের ১৯ ডিসেম্বর ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ওইসব ঘটনায় বড় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ২০১১ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঐতিহাসিকভাবেও এ অঞ্চল বড় ভূমিকম্পের সাক্ষী। ১৮৯৭ সালের &amp;lsquo;গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েক&amp;rsquo; (৮.০ মাত্রা) তৎকালীন অবিভক্ত বাংলায় এক হাজার পাঁচশর বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। এ ছাড়া ১৯১৮ সালের শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্প (৭.৬ মাত্রা) ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অধ্যাপক আনসারী বলেন, এ অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ১ মাত্রার একটা ভূমিকম্প হয়েছে, সেটা ১৮৯৭ সালে। এমন ভূকম্পনের শঙ্কা আড়ইশ থেকে তিনশ বছর পর পর আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বড় ঝুঁকিতে ঢাকা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বড় ধরনের যে কোনো ভূমিকম্পে ঢাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে। এখানে ভবন ও জনবসতি অনেক। দেশের উত্তর-পূর্ব ভাগকে &amp;lsquo;অধিক ঝুঁকিপূর্ণ&amp;rsquo; ১ নম্বর অঞ্চল; মধ্যভাগের ২ নম্বর অঞ্চলকে &amp;lsquo;মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ&amp;rsquo; এবং দক্ষিণ-পশ্চিমের ৩ নম্বর অঞ্চলকে &amp;lsquo;কম ঝুঁকিপূর্ণ&amp;rsquo; হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৯ সালে সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি (সিডিএমপি) ও জাইকার যৌথ জরিপের ফল বলছে, ঢাকায় ৭ বা এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে শহরের ৭২ হাজার ভবন ভেঙে পড়বে; ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এক লাখ ৩৫ হাজার ভবন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলও বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০১১ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরীর ৭৮ শতাংশ ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ। গত দেড় দশকে এই হার খুব একটা কমেনি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে ঢাকার ২১ লাখ ভবনের মান যাচাই করা অন্যতম কাজ এবং &amp;lsquo;রেড বিল্ডিং&amp;rsquo; চিহ্নিত করা জরুরি। ভূমিকম্পের আগে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রঙে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;আফটার শক হচ্ছে, পুনরায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
অল্প সময়ে বারবার ভূমিকম্পকে &amp;lsquo;আফটার শক&amp;rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম। গতকাল রাতে তিনি সমকালকে জানান, ভূমিকম্পের পরের ৭২ ঘণ্টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার যে ৫.৭ মাত্রার বড় ধরনের ভূমিকম্প হলো, সেটার পর তিনটি কম্পন আফটার শক। সাধারণত আফটার শকে আগের মাত্রার চেয়ে অন্তত ১ পয়েন্ট কম মাত্রা হয়। তাই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এমন আফটার শক ঘটতে পারে। আতঙ্কিত না হয়ে শকের সময় নিরাপদে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, শুক্রবারের মাত্রা ৬-এর নিচে হলেও ওয়েভ (কম্পন) বেশি সময় স্থায়ী এবং ঝাঁকি বেশি হওয়ার কারণ আমাদের এই অঞ্চলের মাটির গঠন কিছুটা দুর্বল। অপেক্ষাকৃত মাটির গঠন দুর্বল হলে শক বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র:সমকাল, যুগান্তর&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/দুর্যোগ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজকের মুদ্রার বিনিময় হার কত! জেনে নিন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/653</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 11:50:52 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/653</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিন দিন বাড়ছে। এই বাণিজ্য চালিয়ে যেতে মুদ্রা বিনিময়ের পরিমাণও বাড়ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার আজ শনিবার (২২ নভেম্বর) বিনিময় হার :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈদেশিক মুদ্রার নাম &amp;ndash; বাংলাদেশি টাকা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউএস ডলার &amp;ndash; ১২২ টাকা ৫৯ পয়সা&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইউরোপীয় ইউরো &amp;ndash; ১৪১ টাকা ৪৬ পয়সা&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ পাউন্ড &amp;ndash; ১৬০ টাকা ১৩ পয়সা&lt;br /&gt;
অস্ট্রেলিয়ান ডলার &amp;ndash; ৭৯ টাকা ৪৫ পয়সা&lt;br /&gt;
জাপানি ইয়েন &amp;ndash; ৭৮ পয়সা&lt;br /&gt;
কানাডিয়ান ডলার &amp;ndash; ৮৭ টাকা ২৫ পয়সা&lt;br /&gt;
সুইডিশ ক্রোনা &amp;ndash; ১২ টাকা ৮৫ পয়সা&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সিঙ্গাপুর ডলার &amp;ndash; ৯৩ টাকা ৮১ পয়সা&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
চীনা ইউয়ান রেনমিনবি &amp;ndash; ১৭ টাকা ২২ পয়সা&lt;br /&gt;
ভারতীয় রুপি &amp;ndash; ১ টাকা ৩৮ পয়সা&lt;br /&gt;
শ্রীলঙ্কান রুপি &amp;ndash; ২ টাকা ৫১ পয়সা&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(সূত্র : বাংলাদেশ ব্যাংক)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিঙ্গাপুর ডলার &amp;ndash; ৯৩ টাকা ৫৫ পয়সা&lt;br /&gt;
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত &amp;ndash; ২৯ টাকা ৫২ পয়সা&lt;br /&gt;
সৌদি রিয়াল &amp;ndash; ৩২ টাকা ৬২ পয়সা&lt;br /&gt;
কুয়েতি দিনার &amp;ndash; ৩৯৮ টাকা ১০ পয়সা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(সূত্র : গুগল)&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
*যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বাণিজ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/652</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 10:26:40 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/652</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে। আজ শনিবার সকাল&amp;nbsp; ৮টা ১৫ মিনিটে ড্রুক এয়ারের একটি বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে বলা হয়, ড. ইউনূস ও শেরিং টোবগে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী টোবগে গতকালের ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির বিষয়ে খোঁজখবর নেন, এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগেকে ১৯ বার তোপধ্বনির এবং গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। এরপর ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধে যান। সেখানে তিনি স্মৃতিস্তম্ভের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন, এবং দর্শনার্থীদের বইতে স্বাক্ষর করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ &amp;zwj;বিকেলে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। এরপর বিকেল ৩টার দিকে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করবেন। এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী টোবগে তার সম্মানে আয়োজিত একটি সরকারি ভোজসভায়ও যোগ দেবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে তিনি ঢাকায় আসবেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, তিনদিনের এ সফরে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবার সম্ভাবনা রয়েছে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সফরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১৩ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল থাকবেন। যার মধ্যে রয়েছেন ভুটানের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্যমন্ত্রী এবং শিল্প, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীসহ শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আন্তরিক। কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এ বন্ধুত্বকে আরও গভীর করেছে। ২০২০ সালে ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেয়। আসন্ন সফরে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও গভীর করার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আসাদ আলম সিয়াম বলেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ, পর্যটন, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া এবং শিল্পসহ বিস্তৃত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠক শেষে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হতে পারে বলে জানানো হয়। এগুলো হলো আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সরবরাহ, ভুটানে বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, এবং কৃষি সহযোগিতা। বিষয়গুলো এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভুটানের কাছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন, ক্রীড়া ও অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে নতুন সহযোগিতা প্রস্তাব রাখতে পারে। বিশেষ করে ভুটানে বাংলাদেশি পেশাদারদের নিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা চাওয়া হতে পারে। পাশাপাশি আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামীকাল রোববার তিনি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী থিম্পুর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। তাকে বিদায় জানাবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ইত্তেফাক, কালেরকন্ঠ&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুপার ওভারে ভারতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/651</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 10:20:01 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/651</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;কাতারের দোহায় শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের সেমিফাইনালে চরম নাটকীয়তায় ভারত &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; দলকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo;। নির্ধারিত ২০ ওভারে জয় নিশ্চিত করতে না পারার পর সুপার ওভারে দুই উইকেট নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন পেসার রিপন মণ্ডল।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে। হাবিবুর রহমান সোহান ৪৬ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে ৬৫ রান করেন। এসএম মেহেরব ১৮ বলে ৬ ছক্কা ও ১ চারের মারে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া জিসান আলম ১৪ বলে ২৬ ও ইয়াসির আলী ৯ বলে ১৭ রান করেন। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন গুরজাপনিত সিং।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রান তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। প্রথম তিন ওভারে দ্রুত ৪৯ রান তুললেও, বাংলাদেশ রাকিবুল হাসান ও আবু হায়দারের উইকেটে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। তবে একের পর এক ক্যাচ মিস এবং ফিল্ডিং ভুলে ভারত শেষ মুহূর্তে ম্যাচ টাই করে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়। সেখানে রিপন মণ্ডল দুই বলেই দুই উইকেট নেন। প্রথম বলে বোল্ড হন জিতেশ শর্মা, দ্বিতীয় বলে আউট হন আশুতোষ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; দল জয় নিশ্চিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; ও পাকিস্তান শাহিন্সের মধ্যকার জয়ী দল আগামী ২৩ নভেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশ &amp;lsquo;এ&amp;rsquo; দলের মুখোমুখি হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/650</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 09:45:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/650</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ড় ভূমিকম্পে ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার মতো ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে পুরান ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামের বহু সংখ্যক ভবন। বড় ভূমিকম্প হলে ঢাকার ছয় লাখ ভবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁঁকির তালিকায় রয়েছে, যার বেশির ভাগই পুরান ঢাকায়। পাশাপাশি দেশের অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভূকম্পন এলাকার মধ্যে অন্যতম অবস্থানে রয়েছে সিলেট। পার্শ্ববর্তী ডাউকি ফল্ট ও স্থানীয়ভাবে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পের আওতায় রয়েছে এ জেলা। ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলেই এখানকার পুরোনো ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে। একইভাবে চট্টগ্রাম নগরীতে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১১১টি ভবন আছে, যার মধ্যে ৭০&amp;nbsp; থেকে ৭৫ শতাংশ ভবনই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার মতো ঝুঁকিতে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, সামনে রিখটার স্কেলে ৮.২ থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানী। জনসংখ্যার ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বিল্ডিং কোড লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ, অপ্রশস্ত সড়ক অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অভাব এ ঝুঁকি তৈরি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফলে মাঝারি থেকে প্রবল মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী বলেন, বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন তৈরি করলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে- এটাই স্বাভাবিক। ফলে এখনই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে এখনো ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে যে ভবনগুলো গড়ে তোলা হচ্ছে তাতে বিপদের শঙ্কা বেড়েই চলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূমিকম্পে বারবার কেঁপে উঠছে সিলেট। কখনো ভূমিকম্পের উৎপত্তি হচ্ছে সিলেট সীমান্তের পার্শ্ববর্তী ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি ফল্ট থেকে, আবার কখনো উৎপত্তিস্থল সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা স্থানীয় ফল্ট বা চ্যুতিগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠায় ভূমিকম্পের সংখ্যা বাড়ছে। ফলে ভূমিকম্পের &amp;lsquo;ডেঞ্জার জোনে&amp;rsquo; থাকা সিলেটে দুর্যোগের আশঙ্কা বাড়ছে। গত শুক্রবার ঢাকায় অনুভূত হওয়া ভূমিকম্প সিলেটে হলে পুরোনো ভবনগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো- এমন আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। ভূতাত্ত্বিক গঠনের কারণে ভূমিকম্পের জন্য সিলেটকে দেশের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর অন্যতম কারণ ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি ফল্ট। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন ওই ফল্ট থেকে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পে বৃহত্তর সিলেটের বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। যা সিলেটের ইতিহাসে &amp;lsquo;বড় ভুইছাল&amp;rsquo; হিসেবে পরিচিত। এরপর বিভিন্ন সময় ওই ফল্ট থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে, তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু সক্রিয় থাকা এই ফল্ট বারবার বড় ভূমিকম্প ও দুর্যোগের ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২১ সালের মে মাসে ১০ দিনের মধ্যে সিলেটে ২০ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর মধ্যে ডাউকি ফল্টের কাছে ছিল কয়েকটির উৎপত্তিস্থল। বাকিগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেট বিভাগ। ওই সময় ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ২২টি ভবন চিহ্নিত করা হয়েছিল। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পুর প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম শুক্রবার ঢাকার ভূমিকম্পকে সিলেটের জন্য অশনিসংকেত হিসেবে দেখছেন। তার মতে, ঢাকায় ৫.৭ মাত্রার যে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে সেটির উৎপত্তিস্থল &amp;lsquo;মধুপুর ফল্ট লাইন&amp;rsquo; এত দিন নিষ্ক্রিয় ছিল। হঠাৎ করে এটি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সিলেটে ৫.৭ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হলে পুরোনো ভবনগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে ড. জহির বিন আলম বলেন, &amp;lsquo;ঢাকায় নতুন বিল্ডিংগুলোর ক্ষতি কম হয়েছে। সিলেটে এরকম ভূমিকম্প হলে পুরোনো ও নন ইঞ্জিনিয়ারিং বিল্ডিংগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বড় দুর্যোগ মোকাবিলার মাত্র ৩০-৪০ শতাংশ সক্ষমতা সিলেটে রয়েছে। নগরের উপশহর আবাসিক এলাকা পুরোটাই জলাশয় ভরাট করে তৈরি করা হয়েছে। এখানে হাইরাইজ বিল্ডিংও বেশি। তাই বড় ভূমিকম্প হলে ওই এলাকায় বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম নগরে বর্তমানে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১১১টি ভবন আছে। এর মধ্যে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভবনই ভূমিকম্প ঝুঁকিতে। ৭ দশমিক ৫ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা আছে। কারণ দেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রাম নগর। ভবনগুলোতে নেই ভূমিকম্প প্রতিরোধী কোনো ব্যবস্থা।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে নগরে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১১১টি ভবন আছে। এর মধ্যে একতলা ভবন আছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫টি, দুই থেকে পাঁচ তলা ভবন আছে ৯০ হাজার ৪৪৪টি, ৬ থেকে ১০ তলা পর্যন্ত ভবন আছে ১৩ হাজার ১৩৫টি, ১০ তলার ওপরে ভবন আছে ৫২৭টি এবং ২০ তলার বেশি ভবন ১০টি। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক। বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ে উদ্ধার তৎপরতার জন্য নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। অধিকাংশ এলাকার গলিগুলো অত্যন্ত সরু। যেখানে উদ্ধারকারী গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার সুযোগ নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রামে ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে ৬ দশমিক ৯৯ মাত্রার ভূমিকম্পে নগরে ১২টি ভবন হেলে পড়েছিল। ১৯৯৭ সালের ২১ নভেম্বর ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে নগরে পাঁচ তলা ভবন ধসে হতাহতের ঘটনা ঘটে। চউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, চট্টগ্রাম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। তাই বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে নগরের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভূমিকম্পের তিনটি উৎসই চট্টগ্রাম থেকে কাছে। তাই রিকটার স্কেলে ৭ দশমিক ৫ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রায় ভূমিকম্প হলে নগরের ৭৫ শতাংশ ভবন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে বন্দর, ইস্টার্ন রিফাইনারি, কক্সবাজার, মাতারবাড়ীসহ বড় স্থাপনাগুলো। নগরের অধিকাংশ ভবনই বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনগুলোতে নেই ভূমিকম্প প্রতিরোধী কোনো ব্যবস্থা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আবহাওয়া]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্টগ্রামে নির্মিত তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট যাচ্ছে আরব আমিরাতে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/649</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 17:52:09 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/649</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের জাহাজ নির্মাতা ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডে তৈরি ৩ জাহাজ রফতানি হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই)। মায়া, এমি এবং মুনা নামে তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট আমিরাতের কোম্পানি মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে নবনির্মিত ল্যান্ডিং ক্রাফট &amp;lsquo;মায়া&amp;rsquo;তে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাহাজ তিনটি হস্তান্তর করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আব্দুল্লাহ আলহমৌদি বলেন, &amp;lsquo;দুই দেশের দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক আমাদের মধ্যকার বন্ধুত্বকে আরো সুদৃঢ় করবে। আশা করি, ভবিষতে বাংলাদেশ থেকে আরও জাহাজ আমিরাতে রপ্তানি হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক আব্দুর রহিম খান বলেন, &amp;lsquo;ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড দীর্ঘদিন ধরে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ভূমিকা রাখছে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আটটি জাহাজ নির্মাণে ২০২৩ সালে মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। এর মধ্যে রয়েছে দুটি টাগবোট, চারটি ল্যান্ডিং ক্রাফট এবং দুটি ট্যাংকার। ল্যান্ডিং ক্রাফট তিনটিরই দৈর্ঘ্য ৬৯ মিটার, প্রস্থ ১৬ মিটার এবং ড্রাফট ৩ মিটার।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক ক্ল্যাসিফিকেশন সোসাইটি ব্যুরো ভেরিটাসের মানদণ্ড অনুযায়ী নির্মিত এবং ১০ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। প্রায় ৭০০ বর্গমিটার ক্লিয়ার ডেক স্পেস থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ও বাল্ক কার্গো পরিবহনে উপযুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাহাজগুলোতে রয়েছে দুটি ইয়ানমার মূল ইঞ্জিন, ইলেকট্রো-হাইড্রোলিক র&amp;zwnj;্যাম্প উইঞ্চ, ২৪ মিলিমিটার স্টিল ওয়্যার রোপ, উন্নত অ্যাঙ্করিং ও হাইড্রোলিক স্টিয়ারিং ব্যবস্থা। নেভিগেশনের জন্য ইনস্টল করা হয়েছে সিমরাড এস৩০০৯ ইকো সাউন্ডার, ফুরুনো জিপি-৩৯ জিপিএস, নেভিট্রন এনটি-৮৮৮৬ অটোপাইলট, রাডার ও আন্তর্জাতিক মানের কমিউনিকেশন সরঞ্জাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/মেরিন নিউজ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১০০ তম টেস্ট ম্যাচে ১০০ করে ইতিহাস গড়লেন মুশফিক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/648</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 12:11:28 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/648</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলছেন মুশফিকুর রহিম। ঐতিহাসিক ওই মুহূর্তে সেঞ্চুরির ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছেন ডানহাতি ব্যাটার। তার আগে ১০০তম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছিলেন ১০ কিংবদন্তি ব্যাটার। মুশফিকের সেঞ্চুরিতে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন প্রথম ইনিংসে তিনশ&amp;rsquo; রান দলের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ১২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৮৭ রানে ব্যাট করছে। মুশফিক ১০৬ রানে আউট হয়ে ফিরে গেছেন। তার সঙ্গী লিটন দাস পেয়েছেন সেন্চুরি। ১০৩ রানে ব্যাট করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয় দিন স্ট্রাইক প্রান্তে শুরু করেন মুশফিক। সেঞ্চুরির জন্য তার ১ রান দরকার থাকলেও তাড়াহুড়ো ছিল না অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের। প্রথম ওভার তাই মেডেন দেন তিনি। দিনের দ্বিতীয় ওভারে সেঞ্চুরি তুলে নিযে উদযাপনে মাতেন ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডে টেস্ট অভিষেক হওয়া ৩৮ বছর বয়সী মুশফিক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/647</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 10:31:52 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/647</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বেঞ্চের অপর ছয় বিচারপতি হলেন&amp;mdash; বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপিল বিভাগ বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন তৎকালীন আপিল বিভাগ। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হয়। চলতি বছরের ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদন মঞ্জুর করেন সর্বোচ্চ আদালত। দেওয়া হয় আপিলের অনুমতি। এরপর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার ও পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক আপিল করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর ২২, ২৩, ২৮, ২৯ অক্টোবর এবং ২, ৪, ৫, ৬ ও ১১ নভেম্বর শুনানি হয়। শুনানি শেষ করে রায়ের জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ আপিলে বিএনপি মহাসচিবের করা আপিলের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতের করা আপিলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে আপিল শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সম্ভব নয়। কারণ সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা বলা আছে। এখন তো কোনো সংসদ নেই। সংসদ ভেঙে গেছে এক বছরের বেশি সময় আগে। আমরা আশা করছি, চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। আমরা সব আবেদনকারী আপিল বিভাগে এর পরের নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের চাপে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী আনে বিএনপি সরকার। ওই বছর ২৭ মার্চ সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন ঘটে। এরপর এ পদ্ধতির অধীনে ১৯৯৬ সালে সপ্তম, ২০০১ সালে অষ্টম এবং ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে আইনজীবী এম সলিমউল্যাহসহ তিন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন। শুনানির পর তিন বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন। রায়ে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংশোধনী সংবিধানসম্মত ও বৈধ। এ সংশোধনী সংবিধানের কোনো মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে রিট আবেদনকারীরা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। ২০১০ সালে আপিলে শুনানি শুরু হয়। সর্বোচ্চ আদালত এ মামলায় অ্যামিকাস কিউরি (আদালতকে সহায়তাকারী) হিসেবে দেশের আটজন সংবিধান বিশেষজ্ঞের বক্তব্য শোনেন। তাদের প্রায় সবাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দেন। এমনকি সে সময়ের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তখনকার প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ আপিল বিভাগের সাতজন বিচারপতি শুনানি গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে রায় দেন। এ ব্যবস্থা বাতিলের পক্ষে ছিলেন বিচারপতি খায়রুল হকসহ চারজন। আর তিনজন ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠের দেওয়া রায়ে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অর্থাৎ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন অগণতান্ত্রিক এবং তা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে তা বাতিলযোগ্য। তবে প্রয়োজনের নিরিখে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ রায় ঘোষণার সাত দিন পর অর্থাৎ ১৭ মে অবসরে যান এ বি এম খায়রুল হক। অবসরে যাওয়ার প্রায় ১৬ মাস পর ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তখন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে রায় পরিবর্তনের অভিযোগ ওঠে। পূর্ণাঙ্গ রায় থেকে &amp;lsquo;তবে প্রয়োজনের নিরিখে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হতে পারে।&amp;rsquo; এ পর্যবেক্ষণ বাদ দেওয়া হয়। পরে এ পূর্ণাঙ্গ রায়কে আশ্রয় করে দলীয় সরকারের অধীনে পরপর তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন করে ক্ষমতায় টিকে থাকেন শেখ হাসিনা। জুলাই অভ্যুত্থানে গত বছর ৫ আগস্ট তার পতন ঘটে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে (রিভিউ) আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথমআলো, কালবেলা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাপানে ১৭০ টি ভবনে আগুন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/646</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 11:09:00 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/646</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জাপানের দক্ষিনাঞ্চলীয় শহর ওইতায় একটি আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এক রাতেই আগুন লেগে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে ১৭০টিরও বেশি ভবন। রাতভর সেখানে আগুন জ্বলেছে এবং ৩০০টিরও বেশি বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১৯ নভেম্বর) জাপানের জাতীয় অগ্নিনির্বাপণ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাপানের অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, টোকিও থেকে প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার (৪৭৮ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ওইতা শহরের সাগানোসেকি জেলায় মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এ আগুন লাগে। এরপর ক্রমেই এর ভয়াবহতা বাড়তে থাকে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তবে, এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ১৭৫ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে যে, ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং পাহাড়ি শহর থেকে ধোঁয়ার ঘন কুণ্ডলী উপরের দিকে উঠছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, ওইতা প্রিফেকচারের গভর্নরের অনুরোধে একটি সামরিক অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আঞ্চলিক সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওইতা প্রিফেকচারের গভর্নর সম্ভাব্য সহায়তা সম্পর্কে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছেন। ওইতার কিছু অংশে ৩০০ বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ক্যাঙ্গারু কোর্ট কি? কোথা থেকে এলো এই নাম? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/645</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 10:09:55 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/645</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রাজনৈতিক কোনো ঘটনায় জড়িতদের বিচারের সময় &amp;#39;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;#39; শব্দটি প্রায়ই শোনা যায়। যারা এই বিচারের বিরোধিতা করেন তারা সংশ্লিষ্ট আদালতকে &amp;#39;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;#39; বলে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো&amp;mdash;&amp;#39;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;#39; বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়? কোথা থেকেই বা এলো এই নাম?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;#39;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;#39; শব্দবন্ধ থেকে ক্যাঙ্গারুর দেশ অস্ট্রেলিয়ার কথা মনে আসা স্বাভাবিক। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তথ্য বলছে, এই নামটি অস্ট্রেলিয়া থেকে আসেনি। এটি এমন এক বিচারিক প্রহসনের নাম, যেখানে আইন ও ন্যায়বিচারের কোনো তোয়াক্কা করা হয় না। বিশ্বজুড়ে অন্যায্য বিচার প্রক্রিয়াকে বোঝাতে এই কথাটি ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্যাঙ্গারু কোর্ট আসলে কী&lt;br /&gt;
সহজ কথায়, ক্যাঙ্গারু কোর্ট হলো এমন একটি স্বঘোষিত বা অনানুষ্ঠানিক আদালত, যেখানে বিচারের নামে প্রহসন চলে। এখানে স্বীকৃত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে মনগড়াভাবে রায় ঘোষণা করা হয়। এই ধরনের আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় না এবং রায় সাধারণত আগে থেকেই ঠিক করা থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোনো বিচারিক প্রক্রিয়াকে &amp;#39;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;#39; হিসেবে চিহ্নিত করতে হলে এর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকতে হয়:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিচারকের পক্ষপাতিত্ব: বিচারক বা বিচারকমণ্ডলী কোনো এক পক্ষের প্রতি চরমভাবে পক্ষপাতদুষ্ট থাকেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পূর্বনির্ধারিত রায়: বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুর আগেই রায় কী হবে, তা ঠিক করা থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আত্মপক্ষ সমর্থনে বাধা: অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনজীবী নিয়োগ বা নিজের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রায় ঘোষণায় তাড়াহুড়ো: স্বাভাবিক বিচারিক প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বিচারকাজ শেষ করা হয়। শেষে আইনের সুবিধামতো ব্যাখ্যা করে রায় দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্যাঙ্গারু কোর্ট নামটি কোথা থেকে এলো&lt;br /&gt;
ক্যাঙ্গারু কোর্ট নামটি ঠিক কোথা থেকে এসেছে সে সম্পর্কে কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে। কর্নেল ইউনিভার্সির তথ্য বলছে, উনিশ শতকে আমেরিকায় &amp;#39;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;#39; নামটির প্রচলন হয়। কিন্তু এর উৎস নিয়ে দুটি তত্ত্ব প্রচলিত আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম তত্ত্বটি বেশ জনপ্রিয়। এই মত অনুসারে, উনিশ শতকের আমেরিকার প্রত্যন্ত সীমান্ত অঞ্চলে ভ্রাম্যমাণ বিচারকদের অস্তিত্ব ছিল। তারা এক শহর থেকে আরেক শহরে দ্রুত বিচারকাজ শেষ করে ফিস আদায়ে ব্যস্ত থাকতেন। ক্যাঙ্গারুর মতো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় লাফিয়ে লাফিয়ে চলার কারণেই আদালতগুলো ক্যাঙ্গারু কোর্ট নামে পরিচিতি পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয় তত্ত্বটি &amp;#39;ক্যালিফোর্নিয়া গোল্ড রাশ&amp;#39; সময়কালের সঙ্গে সম্পর্কিত। ১৮৪৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় সোনা আবিষ্কার হওয়ার পর ভাগ্য বদলের আশায় পুরো যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ সেখানে পাড়ি জমায়। সে সময় সোনার খনির মালিকানা নিয়ে প্রচুর বিরোধ হতো। অন্যের খনি দখল করা বা &amp;#39;ক্লেইম জাম্পিং&amp;#39; ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এসব বিরোধ মেটাতে দ্রুত ও অনানুষ্ঠানিকভাবে আদালত বসানো হতো। এই অস্থায়ী আদালতগুলো ক্যাঙ্গারু কোর্ট নামে পরিচিতি পায়। সম্প্রতি শেখ হাসিনার মামলার রায় আদালত কর্তৃক মৃত্যুদ্বন্ড দেয়ায় তার অনুসারীরা ব্যাপক ভাবে এই &amp;lsquo;ক্যাঙ্গারু কোর্ট&amp;rsquo; শব্দটি ব্যবহার করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আইন ও বিচার]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্থাপন করবে না: সৌদি আরব </title>
		<link>https://shomoybhela.com/644</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Nov 2025 10:18:22 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/644</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্থাপন করবে না&amp;mdash;এমন আশ্বাস দিয়েছে সৌদি আরব। বিষয়টি ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের একজন ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলকে জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, সৌদি আরব অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ফিলিস্তিন অথরিটিকে আশ্বস্ত করেছে যে, তারা ফিলিস্তিনের স্বার্থ ত্যাগ করবে না। রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়েছে, ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পরই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে।কর্মকর্তার ভাষায়, &amp;lsquo;সৌদি আমাদের বলেছে&amp;mdash;ফিলিস্তিনিদের বাদ রেখে তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন এ বৈঠকে রিয়াদকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে চাপ দেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানান, সৌদির প্রতিশ্রুতির ওপর তাদের আস্থা রয়েছে। তিনি মনে করেন, আব্রাহাম চুক্তির (২০২০) মতো সৌদি হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন করবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজায় হামাসের নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন অথরিটি বা আরব লীগ&amp;mdash;কেউই হামাস বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ মেনে নেবে না। কিন্তু হামাসকে অস্ত্র জমা দিতে বলা হলেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনা-কামালের মৃত্যুদন্ড </title>
		<link>https://shomoybhela.com/643</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Nov 2025 15:26:28 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/643</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চব্বিশের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সঙ্গে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেছে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো সাবেক সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম রায়। মামলার দুই নম্বর অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এক নম্বর অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাইব্যুনাল বলেছে, শেখ হাসিনা ড্রোন, হেলকপ্টার এবং প্রা্ণঘাতী অস্ত্র ব্যহারের নির্দেশ দিয়ে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি করেছেন। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইজিপি প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ পালন করেছেন। শেখ হাসিনা তাদের এই নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম পর্যায়ে শুরুতে বিচারক ট্রাইব্যুনালের জুরিসডিকশন, আসামিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির গ্রাউন্ড আদালতে পড়ে শোনান। শুরুতেই বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার জানান, রায়টি ছয় ভাগে মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলন দমন করার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলির &amp;lsquo;নির্দেশে&amp;rsquo; দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল এবং সাবেক মেয়ার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন কথোপকথন তুলে ধরেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সময়ে হেলিকপ্টার থেকে &amp;lsquo;ছত্রী সেনা নামানোর&amp;rsquo; বিষয় শেখ হাসিনা এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কথোপকথন তুলে ধরা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিচারকাজ চলার সময় অডিও, ভিডিওসহ যেসব তথ্যউপাত্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে সেসবও বর্ণনা করেন বিচারক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার শিকার ও সাক্ষীরা কী বলেছে তার বর্ণনা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ&amp;ndash;অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য&amp;ndash;প্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে যেভাবে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছে, সেগুলোর ভিডিও ও তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনায় ট্রাইব্যুনাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গণ&amp;ndash;অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো শোনানো হয়। এর মধ্যে ছিল ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামালের সাথে ফোনালাপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কার্যক্রম শুরু হয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ২৩ অক্টোবর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনি যুক্তিতর্ক শেষ হলে এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ জানানোর জন্য ১৩ নভেম্বর দিন রাখে ট্রাইব্যুনাল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ট্রাইব্যুনাল আজকের এই দিন ধার্য করে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমও সরাসরি সম্প্রচার করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজামৌলির নতুন ছবির নায়ক মহেশ বাবুর টিজার প্রকাশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/642</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 17:48:28 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/642</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[অস্কারজয়ী &amp;lsquo;আরআরআরের&amp;rsquo; পর নতুন সিনেমা নিয়ে আসছেন এস এস রাজামৌলি। গতকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটির প্রথম ঝলক প্রকাশ করা হয়েছে। &amp;lsquo;বানারাসি&amp;rsquo; নামের সিনেমাটির প্রধান গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন মহেশ বাবু, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারন। প্রথম ঝলক প্রকাশের পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গতকাল হায়দরাবাদে জমকালো এক অনুষ্ঠানে ছবির নাম ও প্রথম ঝলক উন্মোচন করেন রাজামৌলি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রামোজি ফিল্ম সিটির রাতের আকাশ কাঁপিয়ে ওঠে মহেশ-ভক্তদের গলায় গর্জন&amp;mdash;&amp;lsquo;জয় বাবু, জয় জয় বাবু!&amp;rsquo; এই স্লোগানের মধ্যেই শুরু হয় নাম উন্মোচনের আয়োজন। মঞ্চে &amp;lsquo;বারানসি&amp;rsquo;র জনপ্রিয় গান &amp;lsquo;সঞ্চারী&amp;rsquo; পরিবেশন করেন শ্রুতি হাসান। গানটির সুরকার অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এম এম কিরাবাণী। তিনি ছবির প্রধান খলনায়ক &amp;lsquo;কুম্ভের&amp;rsquo; চরিত্রটিরও সংগীত-পরিচিতি তুলে ধরেন; চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারন। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস আছেন &amp;lsquo;মন্দাকিনী&amp;rsquo; চরিত্রে, আর মহেশ বাবু &amp;lsquo;রুদ্র&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত প্রথম ফুটেজ কিছুটা প্রযুক্তিগত বিলম্বের পর শুরু হয়। ছবির গল্প বিস্তৃত হাজার বছরজুড়ে&amp;mdash;প্রাচীন যুগ থেকে আধুনিক সময় পর্যন্ত। রাজামৌলি জানান, ছবির একটি উল্লেখযোগ্য দৃশ্য তিনি তৈরি করেছেন মহাকাব্য &amp;lsquo;রামায়ণের&amp;rsquo; একটি অধ্যায় থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।&lt;br /&gt;
পরিচালকের ভাষায়, &amp;lsquo;ছোটবেলা থেকেই &amp;ldquo;মহাভারত&amp;rdquo; স্তরের একটি স্বপ্নের ছবি বানানোর চিন্তা ছিল। এই ছবিও শুরু করেছি সেই ভাবনা থেকে। &amp;ldquo;রামায়ণ&amp;rdquo; থেকে একটি বড় স্তম্ভ রাখতে চেয়েছিলাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনার বিচারের রায় সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/641</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 16:03:42 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/641</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঘোষণা করা হবে। রায় সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা আদালতের কাছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আবেদন করেছি। এই অপরাধের দায়ে আসামিদের যেন সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলাটি (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। গত বছরের ১৭ অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচারকাজ অনুষ্ঠিত হয়। সেদিনই এ মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম দিকে এ মামলায় শেখ হাসিনাই একমাত্র আসামি ছিলেন। চলতি বছরের ১৬ মার্চ এ মামলায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করার আবেদন করে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) এবং ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মোট পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। গত ১২ মে প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪ হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার রয়েছে। এর ভিত্তিতে ১ জুন ট্রাইব্যুনালে হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লিবিয়া উপকূলে অভিবাসীসহ নৌকা ডুবি: ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/640</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 10:04:06 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/640</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চার বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।&amp;nbsp; স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (১৬ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ডুবে যাওয়া প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশি ২৬ অভিবাসী। তাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ অভিবাসী ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন মিশরীয় ও কয়েকজন সুদানী নাগরিক ছিলেন। ওই নৌকায় আট শিশুও ছিল। তবে তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়, লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে আল-খুমস উপকূলের কাছে এই &amp;zwj;দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক বিবৃতিতে রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, কোস্টগার্ড ও আল-খুমস বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে। শহরের পাবলিক প্রসিকিউশনের নির্দেশে মরদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্ত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বুধবার আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, লিবিয়ান উপকূলের উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি অফশোর সুবিধা আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। একইসঙ্গে নৌকায় থাকা সবার মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে আইওএম জানিয়েছে, লিবিয়ার উপকূলে ৭৫ জন সুদানী শরণার্থী বহনকারী একটি জাহাজে আগুন লাগার পর কমপক্ষে ৫০ জন মারা গেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীর উদ্দেশে আজ দুপুরে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/639</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 10:37:31 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/639</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে বহুল কাঙ্ক্ষিত আদেশ জারি হচ্ছে আজ। দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ বিষয়ে ব্যাখ্যাসহ সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেবেন। এরপর এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হবে। এর আগে বেলা ১১টায় উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে জুলাই আদেশটি পর্যালোচনা করে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হবে। এই আদেশের ভিত্তিতেই একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। দলগুলোর মধ্যে বিরোধ মেটাতে আদেশে একধরনের ভারসাম্য আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে রাজনীতির মাঠ এখনো সরগরম। বুধবারও বিএনপি-জামায়াতের বক্তব্যে অবস্থান ছিল পরস্পরবিরোধী। সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি করতে রোববার পর্যন্ত সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে জামায়াতসহ ৮টি ইসলামি দল। এ সময়ের মধ্যে দাবি না মানলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থানের কথা বলা হয়। এছাড়াও বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের মুখে হুমকি ও পালটা হুমকির বক্তব্য অব্যাহত আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ অবস্থায় অন্যতম দুটি বড় দল হিসাবে তাদের দাবি মানার ক্ষেত্রে সরকার ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে। এজন্য কয়েকটি প্রস্তাব সরকার বিবেচনায় নিয়েছে। প্রথমত, সনদ বাস্তবায়নে গণভোট এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে হবে। এছাড়া পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে গঠিত হবে সংসদের উচ্চকক্ষ। গণভোটে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলোর ওপর বিভিন্ন দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে সনদ বাস্তবায়নে ২৭০ দিনের বাধ্যবাধকতার যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেটিও তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু আগামী সংসদের জন্য সরকার একটি বিল তৈরি করে দেবে। এছাড়াও গণভোটের ব্যালটে একাধিক প্রশ্ন রাখা হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ২৮ অক্টোবর সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এতে বলা হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার একটি আদেশ জারি করবে। কিন্তু আদেশ জারির আগেই কিছু বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ৩ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর আহ্বান করা হয়। কিন্তু দলগুলো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। বরং প্রকাশ্যে তারা মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র জানায়, এই সনদ নিয়ে শুরুতে উপদেষ্টা পরিষদ দ্বিধাবিভক্ত ছিল। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার প্রধান উপদেষ্টার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের জন্য কয়েকজন উপদেষ্টাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান অন্যতম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাষ্ট্র সংস্কারে জুলাই সনদে ৮৪টি প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সুপারিশ অনুসারে প্রস্তাবগুলো তিন ভাগে বাস্তবায়ন হবে। ৯টি নির্বাহী আদেশে, ২৭টি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এবং সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাব গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে। পরবর্তী সংসদ দুটি দায়িত্ব পালন করবে। প্রথমত, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং দ্বিতীয়ত, নিয়মিত আইনসভা। সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশে বলা হয়, আগামী সংসদে নির্বাচিত সদস্যরা প্রথম অধিবেশন শুরুর ২৭০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ অনুসারে সংবিধান সংশোধন করবেন। এই সময়ের মধ্যে তারা সংবিধান সংশোধনে ব্যর্থ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো সংবিধানে প্রতিস্থাপিত হবে। সনদ বাস্তবায়নে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ভিত্তি ধরে সরকার একটি আদেশ জারি করবে। আদেশের নাম হবে &amp;lsquo;জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫&amp;rsquo;। এই আদেশের ওপর হবে গণভোট। ১৭ অক্টোবর সনদে ২৫টি রাজনৈতিক দল সই করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে এ নিয়ে ষষ্ঠবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন ড. ইউনূস। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরের ২৫ আগস্ট প্রথম ভাষণ দেন। পুরো প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ওইদিন বলেছিলেন কখন নির্বাচন হবে, তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এর ১৫ দিন পর ১১ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বার টেলিভিশনের পর্দায় আসেন তিনি। ওইদিন তিনি রাষ্ট্র সংস্কারে ৬টি কমিশন করার ঘোষণা দেন। চলতি বছরের ২৫ মার্চ আবারও জাতির সামনে আসেন। ওইদিন জানান চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন। আড়াই মাস পর ৬ জুন আবারও জাতির সামনে ভাষণ দেন সরকারপ্রধান। এদিন স্পষ্ট করে বলে দেন, ডিসেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচন। চলতি বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান। সেদিন তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে জাতীয় নির্বাচন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তেজগাঁও রেল স্টেশনে দুটি পরিত্যক্ত বগিতে অগ্নিসংযোগ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/638</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 10:30:02 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/638</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রাজধানী তেজগাঁওয়ের রেল স্টেশনের দুটি পরিত্যক্ত রেল বগিতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এসময় হাতে নাতে দুজনকে ধরে তেজগাঁও রেলওয়ে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ট্রেনে অগ্নিসংযোগের কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে পরিত্যক্ত বগির কথা বলেন থানা পুলিশ।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জয়নাল আবেদীন জানান, তেজগাঁওয়ে ট্রেনের পরিত্যক্ত বগিতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ওই বগির দুটি সিট পুড়ে যায়। এ সময় হাতেনাতে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আটক দুইজন হলেন মোরশেদ (৪০) ও জাকির (২৫)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান রেলওয়ে থানার ওসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা রেলওয়ে জেলা পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকার তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত লাইনে থাকা পরিত্যক্ত/নষ্ট কোচের সিটে অজ্ঞাতনামা কয়েক জন দুষ্কৃতিকারী অগ্নিসংযোগ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে। এতে নষ্ট কোচের দুটি সিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আশপাশের স্থানীয় লোকজন ও আরএনবির সহায়তায় ঘটনাস্থলের পাশ থেকে সন্দেহভাজন দুইজনকে&amp;nbsp; জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। এ বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পদ্মা সেতুর নিকট একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে  দুর্বিত্তরা: শরিয়তপুর-ঢাকা বাস চলাচল বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/637</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 10:19:08 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/637</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অনলাইনে ঘোষিত &amp;lsquo;লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতুর সামনে ঢাকা-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করা হয়েছে। এতে সকাল থেকে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে জাজিরার নাওডোবা এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। একপর্যায়ে তস্তারকান্দি এলাকায় একটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবরোধকারীরা সড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মিছিল করেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ সময় দুটি যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবরোধের কারণে সকাল ছয়টা থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সাড়ে ৮টার পর কিছু যানবাহন পারাপার শুরু হলেও এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে জাজিরার জমাদ্দার মোড় এলাকায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল বলেন, &amp;lsquo;সকাল থেকে সড়কের এক কিলোমিটার পশ্চিমে আন্দোলনকারীরা অবস্থান নিয়েছিলেন। পুলিশ সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা ট্রাকে আগুন দেয়।&amp;rsquo; তিনি জানান, আটকে পড়া যানবাহনগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে পদ্মা সেতু পারাপারে সহায়তা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শরীয়তপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতি ফারুক আহম্মেদ তালুকদার বলেন, &amp;lsquo;গতকাল ঢাকায় শরীয়তপুরের দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছিল। আজ পদ্মা সেতু এলাকায় অবরোধ চলছে। তাই আতঙ্কে সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যান চলাচল আবার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায়ের দিন ধার্য হবে আজ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/636</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 09:43:13 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/636</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় কবে ঘোষণা করা হবে, সেই দিন জানা যাবে আজ। গত ২৩ অক্টোবর মামলার বিচারকাজ শেষে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের তারিখ জানানোর জন্য আজকের দিন ধার্য করে দিয়েছিলেন। সেদিন ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছিলেন, রায়ের এই তারিখ হবে অল্প সময়ের মধ্যে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত দায়িত্বপালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি আজ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ট্রাইব্যুনাল এলাকায় যে কোনো ধরনের গোলযোগ ঠেকাতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা থাকবে চার স্থরে। এদিকে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমও ট্রাইব্যুনালের বাড়তি নিরাপত্তার কথা সংবাদিকদের জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ &amp;lsquo;লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ ঘোষণার পর গত ৯ অক্টোবর সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্ট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়। এদিকে প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারের রায়ের দিন ঘোষণা কার্যক্রম ঘিরে সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডার অংশ হিসেবে দেশজুড়ে নৈরাজ্যের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ। তবে এটিকে থ্রেট টু জাস্টিস মনে করি না। বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তারা এমনটা করছে। গতকাল ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে মিজানুল ইসলাম বলেন, আইনানুগভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এখন দেশে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, দৃঢ়তার সঙ্গে এ ধরনের পদক্ষেপকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রুখে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেখ হাসিনা ছাড়া তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তার সময়ের সর্বশেষ পুলিশপ্রধান (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ-আল-মামুনও এ মামলায় আসামি। তবে চৌধুরী মামুন দোষ স্বীকার করে হয়েছেন রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার)। রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যও দিয়েছেন। এ মামলায় মোট ৫৪ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। ২৮ কার্যদিবসে এসব সাক্ষী উপস্থাপন করে তারা। তবে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন হয়নি ট্রাইব্যুনালে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, এ মামলায় মোট ৮৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছিল। তবে রাজসাক্ষীসহ ৫৪ জনকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে চাক্ষুষ সাক্ষী সাতজন, আহত ভুক্তভোগী দুজন, ভুক্তভোগীর পরিবারের আটজন, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাতজন, আহতদের চিকিৎসক সাক্ষী তিনজন এবং জব্দ তালিকার সাক্ষী রয়েছেন ১৪ জন। সাংবাদিক হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক একজন, ঘটনার সমর্থন সাক্ষী দুজন, রাজসাক্ষী একজন, বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা একজন ও মূল তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে একজনের সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট, বিশেষজ্ঞ, ওয়ারলেস বার্তার সাক্ষী হিসেবে একজন করে; ফরেনসিক, ঘটনার পটভূমির সাক্ষী হিসেবে দুজন করে জবানবন্দি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ২৩ অক্টোবর চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন ট্রাইব্যুনালের কাছে। আর তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন দাবি করেন, তার মক্কেলরা নির্দোষ, তারা খালাস পাবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে যেসব মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, তার মধ্যে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা আটটি। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারাধীন পাঁচটি মামলার মধ্যে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে এ মামলাটিই রায় ঘোষণার পর্যায়ে এসেছে সবার অগে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ মামলায় দালিলিক হিসেবে ৯০টি তথ্যচিত্র ও ৩৫টি বস্তুগত প্রমাণ জমা দেওয়া হয় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত, গুলির নির্দেশনা, অডিও-ভিডিওসহ জব্দ করা বিভিন্ন নথিপত্র রয়েছে। মামলার বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহার সাক্ষ্যের দিন চারটি ফোনালাপের অডিও রেকর্ড বাজিয়ে শোনানো হয় ট্রাইব্যুনালে; যা যুক্তিতর্কে শক্তভাবে উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। ফোনালাপের একটি শেখ হাসিনা-শেখ ফজলে নূর তাপসের, একটি হাসিনার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি মাকসুদ কামালের এবং দুটি হাসিনার সঙ্গে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর। তাদের কথোপকথনে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনের নীলনকশা, নৃশংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত মেলে। এ ছাড়া, সাক্ষীদের জবানবন্দিতেও উঠে আসে নানা তথ্য-উপাত্ত। ফলে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত- দাবি প্রসিকিউশনের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেখ হাসিনার পতনের পর গত বছরের ১৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দায়ের হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই মাস পর অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর তদন্তকাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তদন্তে জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে দেশজুড়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, লাশ পুড়িয়ে ফেলাসহ সব মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান &amp;lsquo;মাস্টারমাইন্ড&amp;rsquo; বা &amp;lsquo;সুপিরিয়র কমান্ডার&amp;rsquo; হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টে গণহত্যার হুকুমদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১২ মে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুই ধাপে শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। গত ৩ আগস্ট সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয় এ মামলার বিচার। ওই দিন প্রধম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণও করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ৮ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের জেরার মাধ্যমে শেষ হয় মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের ধাপ। পরে দুই পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মামলার বিচার। এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দ তালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪ হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার ও শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন, যুগান্তর&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বৃহস্পতিবার দেশের সকল মার্কেট ও দোকাটপাট খোলা থাকবে: দোকান ব্যবসায়ী সমিতি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/635</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 15:29:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/635</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বৃহস্পতিবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত কথিত লকডাউন উপেক্ষা করে ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আগামী ১৩ নভেম্বর ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে অনেকটা ছন্নছাড়া অবস্থায় রয়েছে আওয়ামী লীগ। গণহত্যায় অভিযুক্ত দলটির কার্যক্রমও ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। আগামী নির্বাচনে দলটির অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। এই অবস্থায় বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারা দেশের নেতাকর্মীদের উসকানি দিয়ে মাঠে নামানোর পাঁয়তারা করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গণহত্যার অভিযোগে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা হবে বৃহস্পতিবার। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ তাদের অস্তিত্ব জানান দিতে চাচ্ছে। দলটি অনলাইনে &amp;lsquo;লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু স্থানে ঝটিকা মিছিল ছাড়া তেমন কোনো তৎপরতা কোথাও নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যেকোনো মূল্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রুখতে সারাদেশে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মার্কিনিদের মেধায় ঘাটতে আছে: ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/634</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 15:07:07 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/634</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[অভিবাসন ইস্যুতে কড়া অবস্থানে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বোল পাল্টেছেন। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য দক্ষ বিদেশি কর্মী দরকার। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিনিরা আসলে এসব কাজের যোগ্য না, তাদের মেধায় ঘাটতি আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, দীর্ঘ সময় বেকার থাকা আমেরিকানদের অনেক বেশি প্রশিক্ষণ দিতে হয়। তাছাড়া অদক্ষ কর্মীদের প্রতিরক্ষার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে নিয়োগ দিলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়। তাই এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে বিদেশি মেধাবীদের চান ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বের অর্থনীতিকে নেতৃত্ব দেওয়া দেশটির প্রধানের এমন মন্তব্যের পর আলোচনার পারদ চড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যের পর অভিবাসিত হয়ে আসা ছাত্রদের মার্কিন ভাগ্য আবারও খুলতে যাচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প একটি ঘোষণার মাধ্যমে নতুন এইচ-১বি ভিসা আবেদনের ওপর ১ লাখ ডলারের বিশাল ফি আরোপ করেন। এতে ভেঙে যায় অনেকের স্বপ্ন। তবে তা এবার কমে আসতে পারে। এইচ-১বি মূলত অ-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের এমন এক ভিসা যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থাগুলি দক্ষ বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দেয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফক্স নিউজের লরা ইনগ্রাহামকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তার প্রশাসন কি এইচ-১বি ভিসাকে অগ্রাধিকারহীন করতে যাচ্ছে? ট্রাম্প বলেন, &amp;lsquo;আপনাকে প্রতিভা আনতেই হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইনগ্রাহাম পাল্টা বলেন, &amp;lsquo;আমাদের প্রচুর প্রতিভা আছে।&amp;rsquo; ট্রাম্প জবাবে বলেন, &amp;lsquo;না আমাদের মোটেও নেই। আমাদের নির্দিষ্ট কিছু প্রতিভা নেই। মানুষকে শিখতে হয়, আপনি বেকার তালিকা থেকে কাউকে তুলে এনে বলতে পারেন না, আমি তোমাকে একটি কারখানায় রাখছি, আমরা মিসাইল বানাবো।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত সপ্তাহে মার্কিন শ্রম বিভাগ এইচ-১বি ভিসা অপব্যবহার নিয়ে ১৭৫টি তদন্ত শুরু করেছে। &amp;lsquo;প্রজেক্ট ফায়ারওয়াল&amp;rsquo; নামে পরিচিত এই উদ্যোগটি ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহারকারী কোম্পানিগুলিকে লক্ষ্য করে শুরু করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সেরা মেধাবীদের আসতে নিরুৎসাহিত করবে। তবে সাম্প্রতিক এই মন্তব্যের মাধ্যমে আগ্রাসী অভিবাসন সংস্কারের বিষয়ে ট্রাম্প অবস্থান শিথিল করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি নাগরিকদের বিশেষ দক্ষতা বা বিশেষ পেশার কাজে চাকরি করার অনুমতি দেয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর ব্যাপক অভিবাসন দমন অভিযান শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সিবিএস, সিএনএন&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্রাজিলে ১ লাখ গাছ কেটে ‘জলবায়ু বাঁচাও আন্দোলন’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/633</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 12:09:07 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/633</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চলতি বছরের &amp;lsquo;কপ৩০&amp;rsquo; সম্মেলনকে ঘিরে শুরু থেকেই রয়েছে নানা বিতর্ক। এবারের সম্মেলনের আয়োজক দেশ ব্রাজিলকে নিয়ে সমালোচনা যেন থামছেই না। কেননা এদিকে পরিবেশ বাঁচানোর স্লোগান দিলেও অ্যামাজনের ১ লাখ গাছ কেটে সম্মেলনের যাত্রা শুরু করেছে ব্রাজিল। জানা গেছে, বিদেশি প্রতিনিধিদের আনাগোনা সহজ করতেই চার লেনের হাইওয়ে তৈরির সময় গাছগুলো কাটতে হয়েছে। একদিকে পরিবেশবাদী প্রচারণা অন্যদিকে বৃক্ষনিধনের মতো কাজ করার বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। এপি, এএফপি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অ্যামাজন জঙ্গল। যার আরেক নাম বিশ্বের ফুসফুস। স্থানীয় কাঠুরে, খনিজ সম্পদ ও খামারিদের লোভের শিকার প্রতিদিন ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে পৃথিবীর এই শ্বাস-প্রশ্বাস যন্ত্র! পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম, ইকুয়েডর, ফরাসি গায়ানার সীমান্ত ঘেঁষা বিরাট বনভূমির (৭৫ লাখ বর্গকিমি.) ৬০ শতাংশই ব্রাজিল ভূখণ্ডে। স্বভাবতই ক্ষয়ক্ষতিতে যেমন ব্রাজিলের দায় সর্বাধিক, রক্ষাণাবেক্ষণেও মাথাব্যাথাটা ব্রাজিলেরই বেশি। ঠিক এ লক্ষ্যেই এবার জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন &amp;lsquo;কপ৩০&amp;rsquo; কেন্দ্র করে ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট (টিএফএফএফ) নামে ১২৫ বিলিয়ন ডলারের বন সংরক্ষণ তহবিল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল সরকার। বিরাট এ তহবিলের মূল ভরসা দাতা দেশগুলো। ইতিমধ্যেই অনুদান দিয়েছে নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগালের মতো বেশ কয়েকটি উন্নত দেশ। আশ্চর্যের বিষয় হলো- বন রক্ষার নামে হাত পাতছে বিশ্ব দরবারে অথচ সেই বন কেটেই তৈরি করেছে রাজকীয় সড়ক, এই নিয়েই সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশে দেশে। বিশ্বজুড়ে পরিবেশবিদ, জলবায়ু কর্মী ও সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে বিশ্বনেতারা বন রক্ষার বার্তা দিতে এসেছেন সেখানে সেই বনই যদি কেটে ফেলা হয়- তবে সেটাই বা কেমন পরিবেশ নেতৃত্ব? নতুন নির্মিত এই মহাসড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩ কিলোমিটার (৮ মাইল)। এটি বেলেম শহরের মূল কেন্দ্র থেকে সম্মেলনস্থল পর্যন্ত সংযোগ তৈরি করেছে যেন ২০০টি দেশ থেকে আমন্ত্রিত প্রায় ৫০ হাজার অতিথি ও প্রতিনিধি সহজে যাতায়াত করতে পারেন। যদিও ব্রাজিল সরকার গাছার কাটার বিষয়ে ভিন্নমত দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সড়কটি হবে &amp;lsquo;সবুজ ও টেকসই&amp;rsquo;। এতে সৌরচালিত এলইডি আলো, ৩০টির বেশি বন্যপ্রাণী পারাপার সেতু, সাইকেল লেন ও গাছের বেড়া থাকবে। কিন্তু পরিবেশবিদদের মতে, এটি কোনোভাবেই টেকসই উন্নয়ন নয়। কানাডিয়ান জলবায়ু কর্মী মাইক হুডেমা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, &amp;lsquo;আপনি জলবায়ুর নেতা হতে পারেন না, যদি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলবায়ু সমাধানকেই কেটে ফেলেন।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একজন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, &amp;lsquo;যদি তারা সত্যিই বিশ্বাস করতেন যে জলবায়ু পরিবর্তন এক ভয়ানক সংকট, তবে তারা পৃথিবীর ফুসফুস (অ্যামাজন বন) নিজেদের সুবিধার জন্য ধ্বংস করতেন না।&amp;rsquo; নতুন এই হাইওয়ে প্রকল্পের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল প্রায় দশ বছর আগে ব্রাজিলের পারা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। তখনই পরিবেশবিদরা এর বিরোধিতা করে বলেন, এটি অমাজনের বুকে নতুন ক্ষত তৈরি করবে। পরে প্রকল্পটি স্থগিত হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু (কপ৩০) আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হতেই প্রকল্পটি হঠাৎ নতুন করে চালু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রাজিলের পরিবেশ গবেষক লুইসা ফেরেইরা এ বিষয়ে বলেন, &amp;lsquo;এটি এক প্রকার &amp;lsquo;সবুজ ধোঁকাবাজি&amp;rsquo;। তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;যতই সৌর বাতি লাগান না কেন, বন কাটা মানেই পরিবেশ ধ্বংস। সম্মেলনের সাফল্য এখন এই বিরোধের মধ্যেই হারিয়ে যাচ্ছে।&amp;rsquo; অ্যামাজন রেইনফরেস্টকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। এটি বিশ্বের মোট কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ শোষণ করে রাখে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবৈধ বননিধন, কৃষি সম্প্রসারণ ও খনি প্রকল্পের কারণে এই অঞ্চল ভয়াবহ চাপে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা বারবার সতর্ক করেছেন, যদি অমাজনের মোট বনাঞ্চলের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ হারিয়ে যায়, তাহলে পুরো বনভূমি সাভানায় রূপ নেবে। এর ফলে বিলিয়ন টন কার্বন বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়বে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সামাজিক মাধ্যম ট্রুথে লিখেছেন, &amp;lsquo;তারা পরিবেশবাদীদের জন্য রাস্তা বানাতে গিয়ে অ্যামাজনকে ছিঁড়ে ফেলেছে। এটা এক ভয়ানক কেলেঙ্কারি!&amp;rsquo; এছাড়াও&amp;nbsp; ইউরোপ, কানাডা ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশ কয়েকটি পরিবেশ সংস্থা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত বন সংরক্ষণ, বন ধ্বংস নয়।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, এবারের ৩০তম জলবায়ু সম্মেলনটি ১০ থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত চলবে। সম্মেলনে ফসিল জ্বালানি নির্ভরতা কমানো, বন সংরক্ষণে অর্থায়ন, জলবায়ু অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহায়তা এবং ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অগ্রগতি পর্যালোচনা নিয়ে আলোচনা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্যাটিংয়ে সাদমান-জয়ের উদ্বোধনী জুটিতে ১০০ পার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/632</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 11:59:23 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/632</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আয়ারল্যান্ডের প্রথম ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার পর ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম দারুণভাবে ইনিংস গড়ে তুলছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দিনের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন মাহমুদুল হাসান জয়। শুরুতে বাউন্ডারি মেরে ইনিংসের গতি বাড়ান তিনি। কিছুক্ষণ পর তার সঙ্গে যোগ দেন বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও পরে তিনিও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেন। ইনিংসের একমাত্র ছক্কাটি এসেছে সাদমানের ব্যাট থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ওপেনিং জুটিতে ২১ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। দুজনই তুলে নিয়েছেন অর্ধশতক। জয় ৫৩ ও সাদমান ৫০ রানে অপরাজিত রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই আয়ারল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয়ে যায় মাত্র ১৪ বলেই। আগের দিন ৮ উইকেটে ২৭০ রান নিয়ে শুরু করা অতিথিরা যোগ করতে পেরেছে মাত্র ১৬ রান। সবশেষে ২৮৬ রানে অলআউট হয় তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও হাসান মুরাদ শিকার করেন ২টি করে উইকেট। নাহিদ রানা নেন ১টি উইকেট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকা ও আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়ন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/631</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 11:26:39 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/631</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকায় লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকে রাজধানী ও এর আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার মতো অপতৎপরতা রোধে ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর মধ্যে রাজধানীসহ ঢাকায় ১২ প্লাটুন ও আশপাশের জেলায় দুই প্লাটুনসহ মোট ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনার আগ পর্যন্ত বিজিবি মোতায়েন থাকবে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। এই রায়কে ঘিরে রাজধানী ঢাকায় &amp;lsquo;লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যে ৭ টি কাজ করলে বিষণ্ণতা কমে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/630</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 10:34:07 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/630</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আনন্দ-বিষাদ মানুষের জীবনে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে বিষাদ আমাদের মনকে সাময়িক বা দীর্ঘমেয়াদি যন্ত্রনার কারণ হতে পারে। আপনার মনকে বিষাদ থেকে দুরে রাখেতে ৭টি জিনিস করে দেখতে পারেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. অন্তত ১০ মিনিট ব্যায়াম করুন&lt;br /&gt;
হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং মন ও শরীর দুটিকেই সক্রিয় করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছু সময় ব্যায়াম করতে পারেন। দিনের শুরুতে গায়ে রোদ লাগানো বা হাঁটাহাঁটি করা আমাদের দেহে কর্টিসলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন কাজের মধ্যেই ব্যায়ামকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। সন্তানকে স্কুল থেকে আনা&amp;ndash;নেওয়ার পথে হাঁটতে পারেন, অফিসে যাওয়ার সময় কিছুটা পথ হেঁটে যেতে পারেন, লিফটের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন সিঁড়ি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. শরীরে রোদ লাগান&lt;br /&gt;
অনেকে দিনের বেশির ভাগ সময় চার দেয়ালের মধে৵ কাটান। এতে মনের ওপর চাপ বাড়ে। ভিটামিন ডির অভাবে হতাশা ও উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। তাই মন ভালো রাখতে প্রতিদিন সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক মিনিটের জন্য হলেও বাইরে বের হোন। বেরোনোর সময় না থাকলে দিনের বেলায় অন্তত জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়ান। প্রকৃতির আলো&amp;ndash;বাতাস মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩. প্রতিদিন একই সময়ে খান&lt;br /&gt;
প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেতে চেষ্টা করুন&lt;br /&gt;
প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেতে চেষ্টা করুনমডেল: তুর্জি। ছবি: প্রথম আলো&lt;br /&gt;
অনেক সময় জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে আমরা নানা ধরনের কঠিন পথ বেছে নিই; কিন্তু সহজ কাজও না জানার কারণে এড়িয়ে যাই। এই যেমন&amp;mdash;শুধু সঠিক সময়ে খাবার খাওয়ার মাধ্যমেও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। ব্রিটিশ মনোবিজ্ঞানী ডা. মার্থা ডেইরোস কোলাডো বলেন, প্রতিদিন ডিনারে বাড়িতে রান্না করা খাবার একই সময়ে খেতে চেষ্টা করুন। এ ধারাবাহিকতা মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪. প্রকৃতির কাছাকাছি থাকুন&lt;br /&gt;
ইট-পাথরের শহরে প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়া কিছুটা কঠিন বটে; তবে চাইলে বাড়ির পাশের কোনো পার্ক বা ছাদবাগানে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন। ইংল্যান্ডের ডার্বি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইলস রিচার্ডসন বলেন, প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখলে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে, মনও ভালো থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫. উদ্বেগ কমানোর ৫ ৪ ৩ ২ ১ কৌশল&lt;br /&gt;
সেভেন লায়ন ইয়ার্ড ওয়েলবিয়িং অ্যান্ড হোলিস্টিক হেলথ ক্লিনিকের মনোবিদ শার্লট আকিনিয়েমি অতিরিক্ত মানসিক চাপ অনুভব করলে &amp;lsquo;৫ ৪ ৩ ২ ১ কৌশল&amp;rsquo; ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এই মজার কৌশল হলো&amp;mdash;প্রথমে চারপাশে তাকান, এরপর পাঁচটি জিনিসের নাম বলুন, যা আপনি দেখতে পান; চারটি জিনিস যা আপনি স্পর্শ করতে পারেন, তিনটি জিনিস যা আপনি শুনতে পারেন; দুটি জিনিস, আপনি যেটির ঘ্রাণ নিতে পারেন এবং এমন একটি জিনিস, যেটির স্বাদ নিতে পারেন। মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে এটি খুবই কার্যকর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬. ডিজিটাল ডিটক্স করুন&lt;br /&gt;
হাতে তুলে নিন পড়ব পড়ব করেও পড়া না হওয়া চমৎকার কোনো বই&lt;br /&gt;
হাতে তুলে নিন পড়ব পড়ব করেও পড়া না হওয়া চমৎকার কোনো বইছবি: সাবিনা ইয়াসমিন&lt;br /&gt;
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সারাক্ষণ সক্রিয় থাকা অনেক সময় আমাদের অজান্তেই মনকে ভারাক্রান্ত করে। সেখানে যেহেতু মানুষ জীবনের ইতিবাচক বিষয়গুলো দেখাতেই বেশি পছন্দ করে, তাই অন্যের জীবনের সাফল্য বা আনন্দ দেখে নিজের জীবনকে ছোট মনে হতে পারে। জন্ম নিতে পারে হীনম্মন্যতা। তাই প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য ফোন বা ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন। হাঁটতে যান, প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলুন বা চুপচাপ জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকুন। এটিই &amp;lsquo;ডিজিটাল ডিটক্স&amp;rsquo;, যা মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেয় ও মনোযোগ বাড়ায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭. ছোট সাফল্যগুলো উদ্&amp;zwnj;যাপন করুন&lt;br /&gt;
আপনি নিজের জন্য ছোট কিছু লক্ষ্য সেট করুন। এরপর সেগুলোতে সফল হতে চেষ্টা করুন। অন্যের কাছে সেটি সহজ ও স্বাভাবিক মনে হলেও আপনার এই ছোট্ট সাফল্যের জন্য নিজেকে ধন্যবাদ দিন। নিজেকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলবেন না। নিজের ছোট সাফল্যগুলো উদ্&amp;zwnj;যাপন করুন। এতে মন চাপমুক্ত হবে। নতুন কাজে অনুপ্রেরণা পাবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: হ্যালো ম্যাগাজিন, প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ক্যারিবীয় সাগরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড মোতায়েন করলো যুক্তরাষ্ট্র </title>
		<link>https://shomoybhela.com/629</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 10:11:45 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/629</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ক্যারিবীয় সাগরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে কেন্দ্র করে গঠিত নৌবহর মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে ওই নৌবহর ক্যারিবীয় সাগরে পৌঁছে গেছে বলেও নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাদকবিরোধী অভিযানের আড়ালে যুদ্ধজাহাজের এই বিশাল বহর মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এটিকে কেন্দ্র করে ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা আরও বেড়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই স্ট্রাইক গ্রুপ অঞ্চলটিতে পাঠানো হয়। এ সময় ক্যারিবীয় ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে কথিত মাদকবাহী নৌযানের ওপর অন্তত ১৯টি হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এসব হামলায় নিহত হয়েছেন ৭৬ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবশ্য এই হামলাগুলোর প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রকে &amp;lsquo;সংকট তৈরি&amp;rsquo; এবং তার বামপন্থী সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করার অভিযোগ এনেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর সরকারের সম্পর্কও ক্রমেই তিক্ত হচ্ছে। ট্রাম্প পেত্রোকে &amp;lsquo;দুষ্কৃতকারী ও খারাপ লোক&amp;rsquo; বলে উল্লেখ করেছেন। এর জবাবে মঙ্গলবার পেত্রো তার দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময় বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, &amp;ldquo;মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবশ্যই ক্যারিবীয় অঞ্চলের মানুষের মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১১ নভেম্বর স্ট্রাইক গ্রুপটি যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন কমান্ডের দায়িত্বাধীন এলাকায় প্রবেশ করেছে। এই কমান্ড লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা তদারকি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৌবহরটিতে চার হাজারেরও বেশি নাবিক ও ডজনখানেক বিমানসহ ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড, বেশ কয়েকটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং অন্যান্য সহায়ক জাহাজ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানান, এই শক্তিবৃদ্ধির ফলে &amp;lsquo;অবৈধ কর্মকাণ্ড শনাক্ত, যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ও প্রতিরোধের সক্ষমতা বাড়াবে&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;মাদক পাচার ও আঞ্চলিক অপরাধী নেটওয়ার্ক&amp;rsquo; দমন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে নভেম্বরের শুরুতে এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ভেনেজুয়েলা সরকারকে উৎখাত বা যুদ্ধ শুরু করতে চান না। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ধ্বংস করা প্রতিটি নৌযান &amp;lsquo;২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু ঠেকায়&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া ভেনেজুয়েলায় স্থল হামলার পরিকল্পনা রয়েছে কি না&amp;mdash; এই প্রশ্নের সরাসরি কোনও উত্তর দেননি ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেছেন, &amp;ldquo;আমি এখনই বলব না যে, আমি কী করতে যাচ্ছি।&amp;rdquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, নোটাস&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দেখামাত্র ব্রাশফায়ারের নির্দেশ: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/628</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 09:24:33 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/628</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দেখামাত্র ব্রাশফায়ারের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই নির্দেশনা কেবল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নিরস্ত্র সাধারণ নাগরিকদের জন্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে ওয়্যারলেস বার্তায় সিএমপির সব ইউনিটকে এই নির্দেশ দেন কমিশনার। সাম্প্রতিক সময় চট্টগ্রামে ধারাবাহিকভাবে গুলি করে হত্যার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী খন্দকারপাড়ায় গত ৫ নভেম্বর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগ চলাকালে গুলিতে নিহত হন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা। ওই ঘটনায় আহত হন এরশাদ উল্লাহ নিজেও। পুলিশের ভাষ্য, পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারীরা নেমে এসে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে এবং অধিকাংশ ঘটনার মূল আসামিরা এখনো গ্রেফতার হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গোয়েন্দা নজরদারি ও আগাম প্রতিরোধে সীমাবদ্ধতা থাকায় নতুন করে কঠোর নির্দেশনা জারি করেন সিএমপি কমিশনার। বেতার বার্তায় তিনি বলেন, &amp;ldquo;শটগান হবে না, চায়না রাইফেলও বাদ&amp;mdash;এখন এসএমজি ব্রাশফায়ার মুডে থাকবে। দেখামাত্র ব্রাশফায়ার নিরস্ত্র জনসাধারণের জন্য নয়। যার হাতে অস্ত্র নেই, তার ওপর তো এসএমজি ইউজ করব না। সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী যারা, তাদের জন্য এই নির্দেশনা।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;আমার এলাকায় ঢুকে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করে যাবে&amp;mdash;এ রকম সাহস আর যেন কেউ না পায়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কমিশনার হাসিব আজিজ জানান, পুলিশ সদস্যদের দণ্ডবিধির ৯৬ থেকে ১০৬ ধারায় আত্মরক্ষার অধিকার সম্পর্কেও পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, &amp;ldquo;যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনে সব দায় আমি নেব।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া টহল টিমগুলোকে এসএমজির পাশাপাশি সিসা শটগান, দুটি গ্যাস গান এবং টিম ইনচার্জকে নাইন এমএম পিস্তল বহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নগরে স্থায়ী চেকপোস্টের সংখ্যা সাতটি থেকে বাড়িয়ে ১৩টি করারও নির্দেশ দেন সিএমপি কমিশনার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: কালের কণ্ঠ&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের হজ পালনের অনুমতি দেবে না সৌদি সরকার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/627</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 16:27:32 +0600</pubDate>
		<category>ভ্রমণ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/627</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের হজ পালনের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সৌদি সরকার। এ জন্য হজযাত্রী পাঠানো সব দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রত্যেক হজযাত্রীর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে অনুরোধ করেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর হজযাত্রীরা হজ পালনের জন্য ঝুঁকিমুক্ত&amp;mdash;এমন প্রত্যয়ন দিতে হবে। গতকাল সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় থেকে হজযাত্রী পাঠানো দেশগুলোকে পাঠানো এ-সংক্রান্ত চিঠিতে একজন হজযাত্রী যেসব শারীরিক পরিস্থিতিতে হজের অনুমতি পাবেন না, সে বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে। কোনো হজযাত্রীর শরীরের প্রধান অঙ্গগুলো অকার্যকর হলে তিনি হজের অনুমতি পাবেন না। এর মধ্যে রয়েছে- ডায়ালাইসিস চলছে এমন কিডনি রোগ, গুরুতর হৃদরোগ, সবসময় অক্সিজেন প্রয়োজন হয়&amp;mdash;এরূপ ফুসফুসের রোগ ও ভয়াবহ লিভার সিরোসিস। এ ছাড়া গুরুতর স্নায়বিক কিংবা মানসিক রোগ, স্মৃতিভ্রষ্টতাসহ অতি বয়স্ক ব্যক্তি, শেষ প্রান্তিকের গর্ভাবস্থা ও যে কোনো স্তরে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায়ও হজের অনুমতি মিলবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংক্রামক রোগ যেমন যক্ষ্মা, ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বর এবং কেমোথেরাপি কিংবা অন্য কোনো নিবিড় ইমিউনোথেরাপি চিকিৎসা গ্রহণ করছেন&amp;mdash;এমন ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তিকেও হজের অনুমতি দেবে না সৌদি সরকার। হজযাত্রী পাঠানো কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিমুক্ত প্রত্যয়ন করে নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মে প্রত্যেক হজযাত্রীর জন্য আবশ্যিকভাবে বৈধ স্বাস্থ্য সনদ ইস্যু করতে অনুরোধ করেছে সৌদি আরব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, &amp;lsquo;মসৃণ ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশ থেকে হজযাত্রী পাঠানোর ক্ষেত্রে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত বিধিনিষেধগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তর হজের নিবন্ধন না করার জন্য নিবন্ধন শুরুর আগেই মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। হজ এজেন্সিগুলোকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা নিতে সৌদি সরকারের অনুরোধে সে দেশে একটি কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি দুই চিকিৎসক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/626</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 11:02:37 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/626</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ধর্মেন্দ্রর টিম মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে শেষকৃত্য সম্পর্কিত বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি&lt;/strong&gt;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১০ নভেম্বর) শ্বাসকষ্টজনিত কারণে তাকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরুতে তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয় বলে জানা যায়। সোমবার রাতেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার দিনভর হাসপাতালের বাইরে ভিড় করেন তার পরিবারের সদস্য ও বলিউড তারকারা। দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল, দুই মেয়ে এষা দেওল ও আহানা দেওল ছাড়াও শাহরুখ খান, সালমান খান ও গোবিন্দর মতো তারকারা হাসপাতালে এসে তাকে দেখতে যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধর্মেন্দ্রর অসাধারণ বলিউড ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৬০ সালে &amp;lsquo;দিল ভি তেরা হম ভি তেরে&amp;rsquo; চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। পরবর্তীতে &amp;lsquo;ফুল অউর পাথর&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;আয়ে দিন বাহার কে&amp;rsquo; সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। সত্তর দশকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাকে বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের একজন হিসেবে অভিহিত করে। সেই সময়েই তিনি বলিউডে &amp;lsquo;অ্যাকশন হিরো&amp;rsquo; হিসেবে নিজের অবস্থান পোক্ত করেন এবং পান &amp;lsquo;হি-ম্যান অব ইন্ডিয়া&amp;rsquo; উপাধি। &amp;lsquo;শোলে&amp;rsquo;, &amp;lsquo;মেরা গাঁও মেরা দেশ&amp;rsquo;, &amp;lsquo;সীতা অউর গীতা&amp;rsquo;, &amp;lsquo;গুলামি&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;তহলকা&amp;rsquo;-র মতো চলচ্চিত্র তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নব্বইয়ের দশকে তিনি আবারও পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় শুরু করেন এবং পরবর্তীতে দুই ছেলে সানি ও ববি দেওলের সঙ্গে &amp;lsquo;যমলা পাগলা দেওয়ানা&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;আপনে&amp;rsquo; সিরিজের সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত &amp;lsquo;তেরি বাতোঁ মে অ্যাইসা উলঝা জিয়া&amp;rsquo; ছবিতে দেখা যায় তাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিনেমার পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিজেপির টিকিটে রাজস্থানের বিকানের আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধর্মেন্দ্রর ব্যক্তিজীবনও ছিল আলোচিত। ১৯৫৪ সালে প্রকাশ কৌরকে বিয়ে করেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনীর সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের ঘরে জন্ম নিয়েছেন দুই ছেলে&amp;mdash;সানি দেওল ও ববি দেওল। আর হেমা মালিনীর ঘরে জন্ম নিয়েছেন দুই মেয়ে&amp;mdash;এষা দেওল ও আহানা দেওল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বলিউডের &amp;lsquo;হি-ম্যান&amp;rsquo; ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গন হারাল এক অনন্য কিংবদন্তিকে, যিনি ছয় দশকের বেশি সময় ধরে কোটি দর্শকের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র; দ্যা হিন্দু, জি নিউজ&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিনোদন&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো রাজধানীতে মধ্যরাতে ৩ বাসে আগুন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/625</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 09:58:26 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/625</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[মধ্যরাতে রাজধানীতে তিনটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় রাইদা পরিবহনের দুইটি ও রাজধানী পরিবহনের একটি বাস পুড়ে গেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর তিনটি পৃথক স্থানে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানিয়েছে, মধ্যরাতে যাত্রাবাড়ীতে রাইদা পরিবহনের একটি বাসে, রায়েরবাগে রাজধানী পরিবহনের একটি বাসে এবং উত্তরা খালপাড়ে রাইদা পরিবহনের আরেকটি বাসে আগুনের খবর পায় সার্ভিস। পৃথক তিনটি আগুনের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নির্বাপণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে রাত একটার দিকে রায়েরবাগে, দুইটার দিকে যাত্রাবাড়ী এবং সবশেষ ভোর চারটায় সোনারগাঁও জনপদের খালপাড় এলাকায় বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে পোড়া তিনটি বাসই সড়কের পাশে পার্কিং করা ছিলো। যদিও অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণে ৯ জন নিহত, সমগ্র ভারতে সতর্কতা জারি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/624</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 09:37:55 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/624</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। সেই সঙ্গে এতে আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এই ঘটনার পর পুরো ভারতেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর বিবিসির।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলের সব থেকে কাছের হাসপাতালে অন্তত ৩০ জন আহতের চিকিৎসা চলছে। দিল্লি পুলিশের মুখপাত্র সঞ্জয় ত্যাগী বিবিসিকে জানিয়েছেন, হুন্ডাই আই-টুয়েন্টি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে। গাড়িতে তিনজন ছিলেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণ এতোটাই জোরালো ছিল যে তারা কয়েক মুহূর্তের জন্য হতবাক হয়ে যান। একজন বলেন, বিস্ফোরণে তার ঘরের জানালা কেঁপে উঠে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে একটি দোকানের মালিক বলেন, বিস্ফোরণের পরে তিনি তিনবার পড়ে যান, তারপরে নিজেকে সামলাতে পেরেছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গতকাল রাতেই। এ ছাড়া দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিরোধী দল নেতা রাহুল গান্ধীসহ দেশ ও বিদেশের অনেক নেতাই বিবৃতি জারি করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দিল্লিতে বিস্ফোরণের পর কলকাতা, মুম্বাইয়ের মতো বড় শহরগুলোতে রাত থেকেই বাড়তি পুলিশ বাহিনী রাস্তায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। বাড়তি সতর্কতা জারি হয়েছে ভারতের বিমানবন্দরগুলোতেও।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া বিস্ফোরণের পরে সতর্কতা জারি করেছে দিল্লিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। মার্কিন নাগরিকদের লাল কেল্লা ও চাঁদনি চক এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ দাবি করেছে, তারা উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কিলো বিস্ফোরক, বিস্ফোরণ ঘটানোর নানা রাসায়নিক, চারটি পিস্তল ও বন্দুক উদ্ধার করেছে। এতে দুই চিকিৎসকসহ সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে &amp;ndash; যারা জয়েশ-এ-মুহাম্মদ ও আনসার গাজওয়াতুল হিন্দ নামে দুটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে পুলিশ দাবি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে খবরে বলা হয়েছে, দিল্লির বিস্ফোরণের সঙ্গে অবশ্য ওই গ্রেপ্তারের কোনো যোগাযোগ নেই।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঘটনাস্থলে অমিত শাহ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাতেই বিস্ফোরণ-স্থল আর যে হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলছে, সেখানে গিয়েছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিস্তারিত জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অমিত শাহ জানিয়েছেন, এলিট কম্যান্ডো বাহিনী &amp;ndash; ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ড ও সন্ত্রাস দমন এজেন্সি &amp;ndash; ন্যাশানাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার কথায়, আমরা সবদিকই খতিয়ে দেখছি&amp;ndash; বিস্তারিত তদন্ত হবে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে ফলাফল সাধারণ মানুষের সামনে আনা হবে। ঘটনাস্থলে উত্তরপ্রদেশ সন্ত্রাস দমন স্কোয়াড, ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ড এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রত্যক্ষদর্শীরা যা বললেন&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্ফোরণের সময়ে ভিরু সিন্ধি ঘটনাস্থলের একেবারেই কাছে ছিলেন। তিনি বিবিসির দিলনাওয়াজ পাশাকে বলছিলেন, সিগন্যাল লাল হয়ে ছিল, গাড়িগুলি সব দাঁড়িয়ে ছিল সিগন্যালে হঠাৎই বিস্ফোরণ। তারপরেই ছয়-সাতটা গাড়িতে আগুন ধরে যায়। কয়েকজন গাড়িগুলো থেকে আহত অবস্থাতেই বেরিয়ে আসেন। আমি নিজেও দিল্লি পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে হাত লাগিয়ে কয়েকজনকে গাড়িগুলো থেকে উদ্ধার করি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিশান নামে এক অটোরিকশা চালক বলছেন, ঠিক তার সামনে একটি গাড়ি চলছিল&amp;ndash; মাত্রই কয়েক ফুট আগে। হঠাৎই ওই গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুহাম্মদ আসাদ নামে এক অ্যাম্বুলেন্স চালক জানান, বিস্ফোরণের পরে তিনি যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছন, সেখানে কয়েকটা গাড়িতে আগুন জ্বলছিল, আহতরা চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে ছিলেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;তিনবার মাটিতে পড়ে যাই&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওয়ালিউর রহমান নামে স্থানীয় এক দোকানদার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, বিস্ফোরণের সময়ে আমি দোকানে ছিলাম। হঠাৎই এতো জোরে বিস্ফোরণ হলো&amp;ndash; আমি জীবনে এতো জোর আওয়াজ শুনিনি। বিস্ফোরণের আওয়াজে আমি তিনবার মাটিতে পড়ে যাই, তারপর নিজেকে সামলাতে পেরেছি। তখন আশপাশের সবাই পালাচ্ছিল, আমিও দোকান ছেড়েই পালাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় বাসিন্দা রাজধর পান্ডে বলছেন যে বিস্ফোরণের সময়ে তিনি বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়েছিলেন। একটা আগুনের গোলা যেন গিলে খেতে আসছিল। বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পরে কী হয়েছে দেখার জন্য তিনি নিচে নেমে আসেন। তার বাড়ির জানালগুলোও সব কেঁপে উঠেছিল বিস্ফোরণের সময়ে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র-বিবিসি&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সারাদেশে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/623</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 09:24:39 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/623</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক খুনোখুনি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। দেশের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে হত্যার ঘটনা বেড়েছে। সর্বশেষ সোমবার পুরান ঢাকায় দিনের বেলা জনসমক্ষে গুলি করে হত্যা করা হয় একজনকে। নিহত তারিক সাইফ মামুনও &amp;lsquo;শীর্ষ সন্ত্রাসী&amp;rsquo; ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপরাধীদের হাতে এখন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। গণঅভ্যুত্থান চলাকালে এবং পরবর্তী সময়ে অনেক অস্ত্র-গুলি সন্ত্রাসীদের হাতে চলে গেছে। পুলিশের লুট হওয়া ১ হাজার ৩৪২টি অস্ত্র এখনও উদ্ধার করা যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে মাদক কারবারিদের সংঘর্ষে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের ব্যবহার দেখা গেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বুধবার রাতে চট্টগ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর জনসংযোগে গুলি চালানো হয়। এতে একজন নিহত, প্রার্থীসহ দুজন আহত হন। শুধু এটিই নয়; গত এক মাসে চট্টগ্রামে গুলিতে দুই রাজনীতিকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আর গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম শহর ও জেলায় খুন হয়েছেন ৩৫ জন। এর মধ্যে গুলিতে খুন ২২ জন। বাকিদের পিটিয়ে বা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে অন্তত ১৫টি ঘটেছে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া গত ১৫ মাসে খুলনায় ৪১ জন হত্যার শিকার হন। এর মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে ১৫টিতে। এ ছাড়া বগুড়ায় একই সময়ে ৮৪ জন নিহত হন। এর মধ্যে দুটিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে।&lt;br /&gt;
পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ) এএইচএম শাহাদাত হোসাইন সমকালকে বলেন, সংসদ নির্বাচনের সময় সহিংসতার বিষয়টি মাথায় রেখে দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। জোরদার করা হয়েছে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান। আর গুলির যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলো গুরুত্ব সহকারে তদন্তের পাশাপাশি জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঢাকা-চট্টগ্রামে একের পর এক গুলি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
চট্টগ্রামে গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসংযোগের সময় ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে সারোয়ার হোসেন বাবলাকে গুলি করে এক সন্ত্রাসী। ঘটনাস্থলেই বাবলা নিহত হন। এর আগে ২৫ অক্টোবর বিকেলে চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে যুবদলকর্মী আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় তাঁর আত্মীয় মুহাম্মদ রিয়াদও গুলিবিদ্ধ হন। গত ৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আবদুল হাকিম। তিনি রাউজানে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। গত ৬ জুলাই দুপুরে রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদলকর্মী মো. সেলিমকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় জড়িত কয়েকজনকে আইনের আওতায় এনেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ১ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের মধ্যে ঘটনার দিন শিপন মিয়া ও দুদিন পর ইয়াছিন মারা যান।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
খুলনায় গত ১ অক্টোবর দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশায় ঘুমন্ত অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয় তানভীর হাসান শুভকে (২৯)। এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর রূপসার নৈহাটিতে গুলি করে হত্যা করা হয় ইমরান হোসেন মানিককে। ২৪ সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন অনিক নামে এক যুবক। তার আগে আগস্টে খুলনা মহানগরীতে খুন হয় পাঁচজন; জুলাইয়ে&amp;nbsp; দুজন।&amp;nbsp; এভাবে খুলনায় গত বছর ৫ আগস্টের পর থেকে ৪১টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টিতে ব্যবহৃত হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে গত ১৬ জুলাই রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুজনকে হত্যার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর নবোদয় হাউজিং এলাকায় মো. ইব্রাহিম নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। রাত ৯টার দিকে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে আল আমিন নামের আরেক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এর আগে ২৫ মে রাতে বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায় বিএনপি নেতা কামরুল আহসানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি গুলশান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ২০ মার্চ রাতে গুলশানে পুলিশ প্লাজার সামনে সুমন মিয়া নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার ব্যবসা করতেন। ৩১ মার্চ সাভারে মো. রুবেল নামের এক নিরাপত্তাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গত ১ আগস্ট মহাখালীতে মুখোশপরা দুই ব্যক্তির ছোড়া গুলিতে আহত হন বক্ষব্যাধি হাসপাতালের কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা জামাল হোসেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বেপরোয়া ডাকাত-ছিনতাইকারী&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেপরোয়া হয়ে ওঠা কিছু সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতেও দেখা যাচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। চাঁদাবাজি-লুটপাটে বাধা পেলেই তারা গুলি ছুড়ছে। সম্প্রতি আলোচনায় আসে রাজশাহী-কুষ্টিয়া অঞ্চলের ডাকাত দল &amp;lsquo;কাকন বাহিনী&amp;rsquo;। দলটির প্রধান হাসানুজ্জামান কাকনের সহযোগীরা স্পিডবোট নিয়ে পদ্মা নদীতে দাপিয়ে বেড়ায়। চালায় এলোপাতাড়ি গুলি। গত ১৩ অক্টোবর বাহিনীর সদস্যরা প্রায় অর্ধশত গুলি ছোড়ে পাবনার ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়নের ইসলামপাড়া এলাকায়। ২৭ অক্টোবর তারা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার চরে দুই কৃষককে গুলি করে হত্যা করে। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন আরও দুজন।&lt;br /&gt;
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, কাকন ও তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান চলছে। এরই মধ্যে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, খুলনায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হুমায়ুন কবির ওরফে হুমার বাহিনী। প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে তার সহযোগীরা। সর্বশেষ গত ২৮ অক্টোবর দুটি বাড়িতে ১৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে তারা। সেই সঙ্গে চরমপন্থি সংগঠন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-জনযুদ্ধ) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শিমুল ভুঁইয়ার মদদপুষ্ট মুন্না বাহিনীও এলাকায় বেপরোয়া।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে খোদ রাজধানীতেই গুলি করে ছিনতাইয়ের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ১২ অক্টোবর ভোরে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় নাফিস আজিজ সিদ্দিক নামে এক যুবককে গুলি করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ২৭ মে সকালে মিরপুর ১০ নম্বরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পেছনের গলিতে প্রকাশ্যে গুলি করে মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীর ২২ লাখ টাকা ও বিদেশি মুদ্রা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনার ২০ দিন পর জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত অর্থের একাংশ উদ্ধার করে ডিবি। ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বনশ্রী এলাকায় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে বিপুল স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;অভিযানে ধরা পড়ছে অস্ত্র&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র ছাড়াও ধরা পড়ছে প্রচুর অবৈধ অস্ত্র। গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে বনলতা এক্সপ্রেস থেকে আটটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। অভিযানে ট্রেনের একটি বগি তল্লাশি করে পিস্তল ছাড়াও ১৪টি ম্যাগাজিন, ২৬ রাউন্ড অ্যামুনিশন, ২ দশমিক ৩৯ কেজি গান পাউডার ও ২ দশমিক ২৩ কেজি প্লাস্টিক বিস্ফোরক পাওয়া যায়। তখন জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এখনও অস্ত্র-গোলাবারুদের উৎস-গন্তব্যের বিষয়ে তেমন কিছু জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেলওয়ে জেলার পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ৬ নভেম্বর আইএসপিআর এক সংবাদ &amp;lrm;বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ৩০ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত আট দিনে ৯টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, সাতটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, ১৮টি ককটেল, ২৩টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর সেনাসদরের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এক মাসে ৬৫টি অবৈধ অস্ত্র ও ২৯৭টি গোলাবারুদ উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। একই সময় হারানো ৯ হাজার ৭৯৪টি অস্ত্র এবং দুই লাখ ৮৭ হাজার ৩৫৯টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
র&amp;zwj;্যাব-১১ গত ১ নভেম্বর জানায়, নরসিংদীর রায়পুরায় অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছে পাওয়া গেছে দুটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি দেশি বন্দুক, একটি দোনলা বন্দুক, দুটি এলজি, পাঁচটি পাইপগান, তিনটি ম্যাগাজিন ও ৮২ রাউন্ড গুলি।&lt;br /&gt;
গত ৩০ অক্টোবর চট্টগ্রামের রাউজানে র&amp;zwj;্যাবের অভিযানে এক বিএনপিকর্মীর বাড়ি থেকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি বন্দুক, একটি এয়ারগান, ১৫টি কিরিচ, চারটি রামদা, ১১টি কার্তুজ ও তিনটি চায়নিজ কুড়াল। গত ৯ সেপ্টেম্বর রংপুরের তাজহাট থানা এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ১০টি একনলা বন্দুক ও ৩৬ রাউন্ড রাবার কার্তুজ উদ্ধার হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাজহাট থানার ওসি শাহজাহান আলী বলেন, বাগানের ভেতর কারা, কেন অস্ত্র-গুলি মজুত করেছিল&amp;ndash; তা এখনও জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;উদ্ধার হয়নি পুলিশের ১,৩৪২ অস্ত্র&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, ২০২৪ সালে পুলিশের পাঁচ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ছয় লাখ ৫২ হাজার আটটি গোলাবারুদ লুট হয়। এর মধ্যে চলতি বছরের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত চার হাজার ৪২১টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধার হয়নি এক হাজার ৩৪২টি। গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে তিন লাখ ৯৪ হাজার ৭২১টি। বাকিগুলোর খোঁজ মেলেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/622</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 17:28:34 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/622</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভোক্তাদের জন্য অস্বস্তিকর খবর নিয়ে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। সংস্থাটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯ টাকা ২৭ পয়সা বাড়তে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় এই সুপারিশ করা হয়েছে। নভেম্বরের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি মেট্রিক টন সয়াবিন তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬২ ডলার এবং পাম তেলের দাম ১ হাজার ৩৭ ডলার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুপারিশ অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৮৯ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৮ টাকা ২৭ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। অপরদিকে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৮ টাকা ৮৫ পয়সা বৃদ্ধি করে ১৭৭ টাকা ৮৫ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, গত ৩ আগস্ট থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, গত এক বছরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ১৪ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বাণিজ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সূত্রাপুরে গুলিতে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন; আগেও তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয় </title>
		<link>https://shomoybhela.com/621</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 16:11:28 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/621</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর সূত্রাপুরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সামনে গুলি করে একজনকে হত্যা করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম তারিক সাইফ মামুন। সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তাকিক সাইফ মামুন একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকাল ১১টার দিকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কাছে মামুনের বুকে গুলি করে অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তি। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঢাকা মেডিক্যালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ জোনের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) আহসান উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সূত্রপুরে নিহত মামুন একজন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহত মামুনের বাবার নাম এসএম ইকবাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মোবারক কলোনি এলাকায়।&lt;br /&gt;
নিহতের খালাতো ভাই হাফিজ বলেন, তারিক সাইফ মামুন সাধারণ মানুষ। কি কারণে কারা তাকে হত্যা করল জানি না। সে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগেও মামুন হত্যার চেষ্টা করা হয়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অভিনেতা সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি মামুনকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। তখন ভুবন চন্দ্র শীল নামে একজন আইনজীবী মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তার মাথায় একটি গুলি লাগে। পরে তিনি মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও তারিক সাঈফ মামুন একসময় ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও এলাকার আতঙ্ক ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাদের গড়ে তোলা বাহিনীর নাম ছিল &amp;lsquo;ইমন-মামুন&amp;rsquo; বাহিনী। তারা দুজনই চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাইফ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি।&lt;br /&gt;
২০২৩ সালে জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে আসেন মামুন। তিনি ২৬ বছর ধরে কারাগারে ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: কালবেলা, কালেরকন্ঠ&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পুরান ঢাকায় একজনকে গুলি করে হত্যা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/620</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 14:13:12 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/620</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামি জানান, পুরান ঢাকার ন্যাশনাল হাসপাতালের সামনে একজনকে গুলি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের কলেজের সামনে ফাঁকা জায়গায় গুলি করে পালায় দুর্বৃত্তরা। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানান, ওই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/619</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 12:31:35 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/619</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বর &amp;lsquo;ঢাকা লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সদরদপ্তর থেকে মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ সোমবার থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে বাড়ানো হচ্ছে পুলিশের টহল, চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি। যে কোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, র&amp;zwj;্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে কোনো শঙ্কা নেই। সেনা সদস্যদের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না। গতকাল রোববার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সরকারি স্থাপনা, দলীয় কার্যালয় ও পরিবহন টার্মিনালে মোতায়েন থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে বসানো হবে বাড়তি চেকপোস্ট। একই সঙ্গে সাইবার ইউনিটও সক্রিয় থাকবে, যাতে সামাজিক মাধ্যমে গুজব বা উস্কানিমূলক পোস্ট শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের চলাচল, যোগাযোগ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত বার্তাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবি মেনে না নিলে আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে জনসভা থেকে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ সমমনা আট দল। তবে এদিন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সে ব্যাপারেও সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় কবে হবে, তা ১৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঘোষণা করবেন। এই দিন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে পলাতক অনেক আওয়ামী লীগ নেতা &amp;lsquo;ঢাকা লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। শনিবার রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ সদরদপ্তরের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, আওয়ামী লীগ নানাভাবে দেশে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা চালানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সামাজিক মাধ্যমে ঢাকা লকডাউন কর্মসূচির নামে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব অপতৎপরতা দেখে জেলা পর্যায় থেকে নেতাকর্মীরা যাতে ঢাকায় আসতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রতিটি জেলার পুলিশকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। চেকপোস্ট, টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত হয়ে কেউ যাতে বিশৃঙ্খল কার্যক্রম চালাতে না পারে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগ হুটহাট করে যাতে কোথাও মিছিল-মিটিং করতে না পারে, জানমালের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল রোববার দেশের অন্তত ১০টি জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৩ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে শনিবার তারা পুলিশ সদরদপ্তর থেকে নির্দেশনা পেয়েছেন। অভিযানের পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চেকপোস্টের ওপর। জেলা থেকে যাতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঢাকায় যেতে না পারেন, সেজন্য আজ সোমবার থেকে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হবে। বিশেষ করে জেলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে কঠোর নজরদারি থাকবে। সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আটক করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমপির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর উদ্দেশ্যে ঢাকায় গিয়ে অবস্থান করতে পারে। এটা ঠেকাতে বিভিন্ন মেস, হোস্টেল ও আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হবে। এ ছাড়া নজরদারি থাকবে ঝটিকা মিছিলের দিকে। মিছিল বের হলেই ছত্রভঙ্গ এবং সবাইকে আটক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত শনি ও রোববার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই লকডাউন কর্মসূচি কেন্দ্র করে ঢাকায় রাজনীতির মাঠও উত্তপ্ত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগবিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীরাও মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। &amp;lsquo;লকডাউন&amp;rsquo; ডাকা দলটির নেতাকর্মীরা মাঠে নামলে তাদের প্রতিহত করার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে আওয়ামী লীগবিরোধী দলগুলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, সামাজিক মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণা নজরে এসেছে। এসব বিষয়ে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমরা সতর্ক আছি। এ নিয়ে নগরবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে বৈঠক&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল আগামীকাল মঙ্গলবার। কিন্তু ১৩ নভেম্বরের ঢাকা লকডাউনকে সামনে রেখে গতকাল রোববার বিকেলেই সেই সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দীর্ঘ সময় ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ৬৪ জেলার এসপি, থানার ওসি ও মেট্রোপলিটন এলাকার পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। বৈঠক শেষে নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক কর্মকর্তা সমকালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১৩ নভেম্বর &amp;lsquo;ঢাকা লকডাউন&amp;rsquo; নিয়ে সরকার শঙ্কিত নয়। কারণ, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখন নিষিদ্ধ। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না। এ সংক্রান্ত যে তথ্য ছড়িয়েছে সেটা গুজব, এরকম কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ঘোষিত আগামী ১৩ নভেম্বরের &amp;lsquo;ঢাকা লকডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সরকার প্রস্তুত আছে। জনগণের জানমাল রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা হতে দেওয়া হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত ৫ নভেম্বর কিছু গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, সেনাবাহিনীর মাঠ পর্যায়ের ৫০ শতাংশ সদস্যকে বিশ্রাম ও নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে। ৪ নভেম্বরের কোর কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ঢাকা শহরে বিশৃঙ্খলা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের কর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। এ জন্য ফেসবুক গ্রুপ ও ভিডিও বার্তা নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, একটা ফেসবুক গ্রুপ বন্ধ করা হলে আরও একাধিক ভুয়া ফেসবুক গ্রুপ চালু করা হচ্ছে। এ জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীতে বাড়ছে বিষাক্ত সাপের উপদ্রপ! আতংকে রাজধানীবাসী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/618</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 10:03:02 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/618</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঝোপ-জঙ্গলে, গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ঘাঠে এতদিন সাপের দেখা মিলত। সেই সাপের দেখা মিলছে খোদ রাজধানী ঢাকাতে। সম্প্রতি রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একের পর এক বিষধর সাপের দেখা মিলছে। যেমন-রাসেল ভাইপার, শঙ্খ গোখরা, খোয়া গোখরা। কখনো সাপের দেখা দিলছে বহুতল ভবনের, কখনো বাসাবাড়ির ঘরের ভেতরে, কখনো গাড়ির পার্কিংয়ে কিংবা প্লে-গ্রাউন্ডে, কখনো আবার ৯/১০ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবনের কোনো বাড়ির ছাদে। এ নিয়ে রাজধানী জুড়েই বাসিন্দাদের মধ্যে চলছে আতঙ্ক। রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ী, কাফরুল, বনশ্রী, মিরপুর, খিলগাঁও, মোহাম্মদপুরের বছিলাসহ বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাপ নিয়ে তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। প্রায় তারা বিশাল আকৃতির সাপের দেখা পাচ্ছেন। যার মধ্যে গোখরার সংখ্যাই বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত বর্ষাকালে বৃষ্টির কারণে গর্তে পানি ঢুকে গেলে সাপ শুকনো আশ্রয়ের খোঁজে বাসাবাড়িতে চলে আসে। আবার আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তাদের প্রজননকাল হওয়ায় এই সময় সাপের সংখ্যা বেশি দেখা যায়। তারা বলছেন, সাপ দেখতে পেলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগের ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট বা বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মতো বিশেষজ্ঞ সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আর যদি কেউ সাপের কামড়ে শিকার হন, তবে যত দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব সরকারি হাসপাতালে রাসেলস ভাইপারসহ অন্যান্য বিষধর সাপের কামড়ের জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টি-ভেনম নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাপ প্রতিরেধের ব্যবস্থা হিসেবে তারা বলছেন, বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে সাপ লুকিয়ে থাকার জায়গা না পায়। গর্ত বা ঝোপঝাড়ের আশেপাশে যাওয়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে যে, পায়েরনিচে সাপ না পড়ে যায়। এছাড়া পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পেশাদার কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ পরিষেবা পেস্ট কনট্রোল সার্ভিসের ব্যবহার করতে পারে, কারণ ইঁদুরের মতো ছোট প্রাণী সাপের খাদ্য এবং এদের উপস্থিতি সাপকে আকর্ষণ করে এবং শিকার ধরতে সাপ মানুষের বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়ছে। রাজধানীর খিলগাঁওয়ের একটি বাড়ির ফ্লোর ভেঙে দুইটি বিষধর গোখরা, সাতটি বাচ্চা ও ১৮টি সাপের ডিম উদ্ধার করা হয়েছে। সাপের ভয়ে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা বাসা ছেড়ে পালিয়েছে। ঐ এলাকার বাসিন্দা মিরাজ হোসেন বলেন, আমাদের মতো এমন জনবহুল এলাকায় এমন বিষধর সাপের কথা চিন্তাই করা যায় না। এরপরও চার-পাঁচ দিন আগে আমাদের পাশের একটি বাসা থেকে ছোট-বড় দিয়ে ৯টা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সঙ্গে আরো বিপুল পরিমাণ ডিমও ছিল। আমরা সবাই ভয়ে আছি। তিনি বলেন, আমার প্রতিবেশী প্রায়ই বলে যে, তার ঘরের আশপাশে সাপ দেখেছে। আমরা প্রথমে বিশ্বাস করিনি। পরে আমিও একদিন দেখি একসঙ্গে দুইটা কালো গোখরা। তিনি বলেন, আমাদের খিলগাঁওয়ের কবরস্থানের পেছনে, চৌধুরী পাড়াসহ বেশ কয়েকটি জলাশয় রয়েছে। তবে এমন সাপের উপদ্রব কখনোই আমরা দেখিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা রেজওয়ান আহমেদ বলেন, একই বাসা থেকে ডিমসহ ২৭টি সাপ উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে। তিনি বলেন, সাপের দেখা এখন আমরা প্রায়দিনই পাচ্ছি। কপোতাক্ষ ভবনের অন্য একজন বাসিন্দা শ্রাবণ বিশ্বাস বলেন, কয়েক দিন আগে অফিস থেকে এসে গাড়ি পার্কিংয়ে রাখতেই শুনি একটি বিশাল গোখরা কোথা থেকে যেন আমাদের পার্কিং এরিয়াতে ঢুকে পড়েছে। পরে অ্যানিমেল অ্যাসোসিয়েশনে খবর দিলে তাদের লোকজন এসে সাপটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। শুধু গাড়ির পার্কিংয়ে নয়, বিল্ডিংয়ের ৯/১০ তলাতেও উঠে যাচ্ছে বিষধর সাপ। আমাদের পাশের একটি ভবনের পঞ্চমতলা থেকে এর আগে দুটো সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বসিলাসহ এর আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যেও। বসিলা গার্ডেন সিটি, বসিলা ওয়েস্ট ধানমন্ডি, মেট্রো হাউজিং, চন্দ্রিমা হাউজিং, ওয়াশপুর, ঘাটারচরসহ আশপাশের এলাকায় নিত্যদিনই দেখা মিলছে বিষধর সাপের। নূরুজ্জামান নামের বসিলার এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের এলাকায় ৯ তলা বাসা থেকেও তিন-চারটি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উত্তরার আরেক বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি কখন কোথা থেকে সাপ বের হয়ে আসে। কয়েক দিন আগে আমি আমার বাচ্চাকে নিয়ে প্লে গ্রাউন্ডে নিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি কাগজের নিচে কিছু একটা নড়াচড়া করছে। পরে একটা লাঠি দিয়ে কাগজ সরাতেই দেখি-বড় একটা কালো সাপ ফণা তুলে ফোঁস ফোঁস করছে। তারপর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ারের লোককে খবর দিলে তারা এসে সাপটিকে নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আদনান আজাদ বলেন, গত চার মাসে আমরা শুধু ঢাকা সিটি থেকেই ৩৫২টি সাপ উদ্ধার করেছি। এর মধ্যে মাত্র তিনটি বাদে বাকি সবগুলো পদ্মগোখরা, রাসেল ভাইপার, খৈয়া গোখরা ও রাজ কেউটের মতো মারাত্মক বিষধর সাপ পেয়েছি। তিনি বলেন, আমরা সবচেয়ে বেশি সাপ উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছি। সেখানকার ১১টি ভবনের ৭তলা, ৯ তলা, গাড়ির পার্কিংসহ বিভিন্ন ফ্ল্যাট থেকে এসব সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর বনশ্রী, খিলগাঁও ও আফতাবনগরে সাপের উপস্থিতি বেশি পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, যেসব উঁচু ভবন থেকে আমরা সাপ উদ্ধার করেছি তার আশপাশে কোনো না কোনো গাছ ছিল। সেই গাছগুলো বেয়েই হয়তো সাপগুলো ভবনের উপরে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আদনান আজাদ আরো জানান, শুধু খিলগাঁওয়ের একটি বাসা থেকেই কয়েক দিন আগে ছোট-বড় মোট ৩৮টি পদ্মগোখরা সাপ উদ্ধার করেছি। সেখানে সাপের ডিমও ছিল। আরেক বাসা থেকে এক ডজনের বেশি বাচ্চা সাপ উদ্ধার করছি। আগস্টে খৈয়া গোখরার প্রজননকাল ছিল। তখন এক বাসা থেকেই মা সাপসহ ২৭টি বাচ্চা উদ্ধার করেছিলাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ইত্তেফাক&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসলামী ব্যাংকের সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ! ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/617</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 17:52:10 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/617</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;রোববার (৯ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজির আহমেদ।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;দুদকের ইতিহাসে এটিই সর্ববৃহৎ দুর্নীতির মামলা বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:center !important&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, এস আলম গ্রুপের তিন প্রতিষ্ঠান- এস আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম স্টিলস লিমিটেড ও এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হয় ৯ হাজার ২৮৩.৯৩ কোটি টাকা, যা বর্তমানে লভ্যাংশসহ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৪৭৯.৬২ কোটি টাকায়।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঋণের নামে নেওয়া এই অর্থ জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয় এবং পরে সিঙ্গাপুরে পাচার করা হয়। এসব অনিয়মে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য, বিনিয়োগ কমিটির সদস্যসহ ৬৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:center !important&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;তদন্তে আরও দেখা যায়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকে ব্যাংকের বিনিয়োগ কার্যক্রমে বেপরোয়া অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘন শুরু হয়। ২০২০ সালে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এস আলম রিফাইনড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঋণসীমা ২ হাজার ৪০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা করে, যা ব্যাংকের মূলধনের ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। এতে ব্যাংখ কোম্পানি অ্যাক্ট ১৯৯১ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার স্পষ্টভাবে লঙ্ঘিত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;তদন্তে আরও জানা যায়, ইসলামী ব্যাংকের আইটি সফটওয়্যার ম্যানিপুলেশন করে অনুমোদনবিহীনভাবে ঋণসীমা বৃদ্ধি ও মেয়াদ পরিবর্তন করা হয়। সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহের আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে এসব লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এসব অর্থ বিভিন্ন নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান যেমন আহসান এন্টারপ্রাইজ, দুলারী এন্টারপ্রাইজ, ইউনাইটেড সুপার ট্রেডার্স ইত্যাদির মাধ্যমে এস আলম গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, এস এস পাওয়ার, এস আলম স্টিলস, এস আলম সিমেন্ট ও সোনালী ট্রেডার্সের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর রূপালী ব্যাংকের দিলকুশা শাখা থেকে ২৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ (২৩ দশমিক ৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সিঙ্গাপুরের ব্যাংক অব চায়না শাখায় এস এস পাওয়ার-১ লিমিটেডের অফশোর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এই ঘটনায় দায়ী ৬৭ জনের মধ্যে রয়েছেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, তার ভাই রাশেদুল আলম, সহিদুল আলম, স্ত্রী ফারজানা পারভীন, ছেলে আহসানুল আলম, মেয়ে মায়মুনা খানম, ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব উল আলম, মোহাম্মদ মনিরুল মাওলা, সাবেক চেয়ারম্যান মো. নাজমুল হাসান (পিএইচডি), সাবেক পরিচালকরা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিনিয়োগ কমিটির সদস্যসহ আরও অনেকে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;দুদক বলছে, এ মামলায় তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে আরও নতুন নাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের অর্থনৈতিক অনিয়মের এই ঘটনা এখন দেশের সবচেয়ে আলোচিত দুর্নীতির কেলেঙ্কারি হয়ে দাঁড়িয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘ফাং ওয়াং’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/616</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 17:07:07 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/616</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফিলিপাইন সাগরে সৃষ্ট টাইফুন ফাং ওয়াং প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। আজ রোববার গভীর রাতে ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে আসতে থাকায় দেশটির পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে এক লাখের বেশি মানুষকে এরই মধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রয়টার্স, বিবিসি ও আল জাজিরার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে আরেকটি শক্তিশালী টাইফুন &amp;lsquo;কালমায়েগি&amp;rsquo;তে ফিলিপাইনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মৃত্যু হয় অন্তত ২০৪ জনের, নিখোঁজ হন ১০৯ জন। গত শুক্রবারের ঘূর্ণিঝড়টিতে ভিয়েতনামেও পাঁচজন মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিপাইনের বায়ুমণ্ডলীয়, ভূ-ভৌতিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞান পরিষেবা প্রশাসন (পিএজিএএসএ) জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে উওয়ান নামে পরিচিত &amp;lsquo;ফাং ওয়াং&amp;rsquo; আজ রোববার রাতের প্রথম দিকে অরোরা প্রদেশে স্থলভাগে আঘাত হানবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার (প্রতি ঘণ্টায় ১১৫ মাইল) ও ২৩০ কিলোমিটার (১৪৩ মাইল) পর্যন্ত দমকা হাওয়া বয়ে যাবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘূর্ণিছড়টি কাতানদুয়ানেস, ক্যামারিনেস সুর ও অরোরা প্রদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এবং কেন্দ্রীয় অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা সংকেত নম্বর ৫ দেখাতে বলেছে। এ সময় ম্যানিলা শহর ও কাছাকাছি প্রদেশগুলোতে সংকেত ৩ নম্বর দেওয়া হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিপাইনের আবহাওয়া অফিস বলছে, ছোট দ্বীপ এলাকা কাতানদুয়ানেসে ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি আঘাত হানতে পারে। এটির প্রভাবে আজ ভোর থেকেই সেখানে ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে। বয়ে যাচ্ছে ঝোড়ো বাতাস। উপকূলীয় সড়কগুলোতে সমুদ্রের ঢেউ প্রবলভাবে ধাক্কা দিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কাতানদুয়ানেসের ভিরাক শহরের ৩৩ বছর বয়সী বাসিন্দা এডসন কাসারিনো এএফপিকে বলেন, &amp;lsquo;সকাল সাতটার দিকে ঢেউগুলো গর্জন শুরু করল। ঢেউ যখন সমুদ্রের তীরে ধাক্কা খাচ্ছিল, মনে হচ্ছিল মাটি কাঁপছে। এখন অনেক বৃষ্টি হচ্ছে, আর আমি বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ শুনতে পাচ্ছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল শনিবার এই দ্বীপের কিছু বাসিন্দাকে ঘরের চাল মজবুত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। স্থানীয় উদ্ধার তৎপরতা বিভাগের কর্মকর্তা রবার্টো মন্টেরোলা এএফপিকে বলেন, &amp;lsquo;বাসিন্দারা আমাদের ঐতিহ্য অনুসারে বড় দড়ি দিয়ে চালগুলো বেঁধে তা মাটিতে আঁকড়ে ধরে রাখার পদ্ধতি ব্যবহার করছেন; যেন বাতাসে উড়ে না যায়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় দ্বীপ লুজনের সোরসোগন শহরে কিছু মানুষ একটি গির্জায় আশ্রয় নিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপকূলীয় অরোরা প্রদেশে উদ্ধারকারী দলগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় চলে যেতে বলছেন। আজ রোববার গভীর রাতে কিংবা আগামীকাল সোমবার ভোরের দিকে ঘূর্ণিঝড়টি সেখানে আঘাত হানতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফিলিপাইনের আবহাওয়াবিদ বেনিসন এস্তারেজা গতকাল সাংবাদিকদের বলেছেন, টাইফুনের কারণে ২০০ মিলিমিটার (প্রায় ৮ ইঞ্চি) বা এর বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এতে ব্যাপক বন্যা দেখা দিতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পায়ের জ্বালাপোড়ার কারণ ও প্রতিকার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/615</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 16:13:40 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/615</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[পায়ে জ্বালাপোড়া করা বা বার্নিং ফিট সিনড্রোম একটি পরিচিত সমস্যা, যেখানে পায়ের তলা, গোড়ালি, উপরিভাগ এবং লেগ-এ জ্বালা ও ব্যথা হতে পারে। পুরুষের তুলনায় নারীরা এ রোগে বেশি ভোগেন। জ্বালা ও ব্যথা সাধারণত রাতে বেড়ে যায় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর উপসর্গ থাকে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;পায়ে জ্বালাপোড়ার প্রধান কারণ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পায়ে জ্বালাপোড়ার মূল কারণ স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা বা স্নায়ুর ক্ষতি। এ সমস্যার জন্য দায়ী কয়েকটি কারণ:&lt;br /&gt;
lভিটামিন-বির অভাব: থায়ামিন (B1), পাইরিডক্সিন (B6), সায়ানোকোবালামিন (B12), নিকোটানিক এসিড ও রাইবোফ্ল্যাভিনের অভাব।&lt;br /&gt;
lবিপাকীয় ও হরমোনের সমস্যা: ডায়াবেটিসের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হাইপোথাইরয়েডিজম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
lঅন্যান্য স্বাস্থ্যগত অবস্থা: কিডনি ফেইলিউর (হিমোডায়ালাইসিস রোগী), যকৃৎ (লিভার) ফাংশন খারাপ, কেমোথেরাপি গ্রহণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
lজীবনযাত্রার কারণ: দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘাম (যা পায়ে হয়), ইলফিটিং (ত্রুটিপূর্ণ) বা আঁটসাঁট জুতা পরিধান এবং অ্যালার্জিজনিত মোজা ব্যবহার।&lt;br /&gt;
lস্নায়ুর সমস্যা: স্নায়ু ইনজুরি, অবরুদ্ধ ও সংকোচন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;করণীয় ও চিকিৎসা কৌশল&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পায়ে জ্বালাপোড়া থেকে মুক্ত থাকার জন্য চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে সচেষ্ট থাকা ভালো:&lt;br /&gt;
lজুতা ও মোজা: সঠিক মাপের খোলা ও আরামদায়ক জুতা এবং আরামদায়ক সুতার মোজা ব্যবহার করা। পায়ের আর্চ সাপোর্ট, ইনসোল ও হিল প্যাড ব্যবহারে উপসর্গ লাঘব হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
lশারীরিক ব্যবস্থা: পায়ের পেশির ব্যায়াম এবং ঠান্ডা পানির (বরফ নয়) সেঁক উপসর্গ কমাতে উপকারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
lভিটামিন ও খাদ্য: রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সেবন করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ইনজেকশন নেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
lরোগ নিয়ন্ত্রণ: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখা, মদ্যপান ও ধূমপান থেকে বিরত থাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
lস্নায়ুর চিকিৎসা: স্নায়ু ইনজুরি বা সংকোচনের ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেখক: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পে স্কেলের বিষয়টি নির্বাচিত সরকার দেখবে: অর্থ উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/614</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 16:00:14 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/614</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আমার চূড়ান্ত কথা হবে ১৫ তারিখে। আইএমএফের সঙ্গে আমার জুমে কথা হয়েছে। ওরা বলেছে তোমাদের সার্বিক অর্থনৈতিক দিকটা আমরা অত্যন্ত হ্যাপি। ঠিক আছে যা যা করার তোমরা চেষ্টা করছো, করেছো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, ওদের কিছু কিছু রিকমেন্ডেশন আছে। যেমন রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। সেটা আমি স্বীকার করেছি, ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও লো। সেটার অনেক কারণ আছে। আমাদের লোকজন ট্যাক্স দিতে চায় না। আবার এনবিআর বন্ধ ছিল দুই মাস। সেটার জন্য আমাদের বিরাট একটা... হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি। দ্বিতীয় ওদের (আইএমএফ) আরেকটা ফাইন্ডিং আছে সামাজিক সুরক্ষার জন্য আরও বেশি ব্যয় করা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য শিক্ষা সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্যটা। খাদ্যটা আমরা মোটামুটি ভালো করছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আর একটা পে কমিশনের ব্যাপার আছে সেটা আমরা এখন কিছু বলতে পারি না, কারণ ওটা দেখা যাক কতদূর যায়। সেটা আগামী সরকারের..। আগামী সরকার হয়তো সেটা ইসে করতে পারে। যেহেতু আমরা করেছি ইনিশিয়েট করে ফেলেছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমাদের ব্যাংক সেক্টর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যাংক সেক্টরটা মোটামুটি যেটা শুরু হয়েছে, আর বাকিগুলো আস্তে আস্তে করবে। এই জিনিসগুলো আমরা আগামী সরকারের জন্য...।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাওয়া যাবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা রাজি হয়েছি আগেই, যে এখন কোনো প্রয়োজন নাই। ওরা রিভিউটা কমপ্লিট করে, কারণ ওরা বলছে তোমরা তো করে যাচ্ছ যে জিনিসগুলো, আমরাদের একটু দেখতে হবে একটা রাজনৈতিক সরকার এসে কতটুকটা ধারণ করে। ওটা তো একটা ইম্পর্টেন্ট জিনিস। আমরা ফেব্রুয়ারির দিকে ইলেকশনের সাথে সাথে ওরা আবার রিভিউতে আসবে, তারপর ওরা ডিসাইড করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: জাগো নিউজ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্টগ্রামে ভয়ংকর আন্ডারওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ক! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/612</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 13:10:28 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/612</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চট্টগ্রামের অপরাধ জগৎ অস্থির করে তুলেছে অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী গ্রুপ। কেউ কারাগারে বসে, আবার কেউ বিদেশের মাটিতে বসে কলকাঠি নাড়ছেন চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডের। এসব মাফিয়ার হাতের ইশারায় ১৪ মাসে প্রায় ২০টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তাদের হাতে চট্টগ্রামের প্রশাসন কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিএমপির মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপকমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, অপরাধ জগতে যেসব চক্র সক্রিয় হয়েছে তাদের গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ। অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার অভিযানও শুরু করেছে সিএমপির বিভিন্ন ইউনিট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল বলেন, জেলায় কয়েক মাসে হওয়া ১৬টি খুনের মামলার ৪৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। অস্ত্র উদ্ধারে চালানো হচ্ছে অভিযান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুসন্ধানে জানা যায়, এক বছর ধরে পরিবর্তন হতে থাকে চট্টগ্রাম আন্ডারওয়ার্ল্ডের গতিপথ। অপরাধ জগতে পুরোদমে সক্রিয়া হয় নতুন-পুরোনো মিলে অর্ধশতাধিক চক্র। সন্ত্রাসী&amp;nbsp; চক্রগুলো নগরী এবং জেলার বিভিন্ন এলাকার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, বালুমহলে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, ইট-বালু-সিমেন্ট সরবরাহ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ভূমি দখল-বেদখল, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাতের চাঁদাবাজি, গাড়ি স্টেশনে চাঁদাবাজি, পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ, জায়গা দখল-বেদখলসহ নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এসব অপরাধ আখড়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে সংঘাতে। শুরু হয়েছে &amp;lsquo;গ্যাংওয়ার&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের আগস্টে ক্ষমতার বদলের পর অপরাধ জগতে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব হয় সাজ্জাদ হোসেন ওরফে বুড়ির নাতির। পরে বুড়ির নাতি সাজ্জাদ পরিচিতি পায় ছোট সাজ্জাদ হিসেবে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ সাজ্জাদ গ্রেপ্তার হলেও বহাল তবিয়তে রয়েছে তার অপরাধ সাম্রাজ্য। নগরীর বায়েজিদ, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও এবং হাটহাজারী এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাণিজ্য, জুট ব্যবসা, বালুমহলসহ নানান অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে ছোট সাজ্জাদ বাহিনী। তার বিরুদ্ধে দুটি ডাবল মার্ডারসহ কমপক্ষে ১০টি হত্যা মামলা হয়েছে গত এক বছরে। কারাগারে থেকেও কয়েকটি হত্যার ইন্দনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ২০টির কাছাকাছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সময়ে অপরাধ জগতে ভয়ংকর রূপে আবির্ভাব হয়েছেন রাউজান উপজেলার রায়হান আলম। একটি ডাবল মার্ডারসহ চট্টগ্রাম নগরী এবং জেলার বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ১৭টি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে গত এক বছরে। এরমধ্যে জেলার রাউজান থানায় ১০টি, নগরীর বাকলিয়া থানায় ডাবল মার্ডারসহ দুটি, বায়েজিদ থানায় দুটি, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, পতেঙ্গা থানায় একটি করে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সর্বশেষ গত বুধবার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলাকে গুলি করে হত্যার মিশনে অংশগ্রহণ করে এই রায়হান। রাউজান ছাড়াও জেলার হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, বায়েজিদ এবং চান্দগাঁও এলাকার কিছু অংশের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করেন রায়হান। ছোট সাজ্জাদ ও রায়হানকে অপরাধ জগতের বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে যাচ্ছে সাজ্জাদ আলী ওরফে শিবির সাজ্জাদ ওরফে বড় সাজ্জাদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৯৯ সালের ২ জুন পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খানকে প্রকাশ্যে খুনের মাধ্যমে ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হন বড় সাজ্জাদ। ২০০৪ সালে দুবাই পালিয়ে যান। পরে চলে আসেন ভারতে। গত বছরের আগস্টের পর অপরাধ জগতে পুরোনো রূপে ফিরে আসেন সাজ্জাদ। ভারতে বসে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশসহ বিভিন্ন এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিযোগ রয়েছে, ১৪ মাসে তার ইন্দনে চট্টগ্রামে কমপক্ষে ২০টি খুনের ঘটনা ঘটে। বাকলিয়ার ডাবল মার্ডার, সরোয়ার বাবলাসহ ৯টি হত্যাকাণ্ড মিলে ১৫টির অধিক মামলা রয়েছে মোবারক হোসেন ইমনের বিরুদ্ধে। চাঁদাবাজি, দখলবাজি, বালুমহলের নিয়ন্ত্রণ, জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে ইমনের বিরুদ্ধে। নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ আখড়ার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে ইসমাইল হোসেন টেম্পুর বিরুদ্ধে। গত এক বছরে তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ হয়েছে ১৫টির মতো মামলা। তিনি বর্তমানে কারাগারে থাকলেও কমেনি তার বাহিনীর দাপট। এদের পাশাপাশি অপরাধ জগৎ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শহীদুল ইসলাম বুইস্যা নামের আরেক দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ মামলা রয়েছে ২০টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেসির জোড়া গোলে সেমিতে উঠলো মায়ামি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/611</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 12:08:49 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/611</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&amp;lsquo;বেস্ট অব থ্রি সিরিজের&amp;rsquo; প্রথম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে নাশভিলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ প্লে-অফের কনফারেন্স সেমিফাইনালে উঠেছে ইন্টার মায়ামি। দুর্দান্ত জয়ের দিন গোল করার পাশাপাশি করিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী মেসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে &amp;lsquo;বেস্ট অব থ্রি সিরিজের&amp;rsquo; প্রথম ম্যাচে মায়ামি জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচ নিজেদের করে নিয়েছিল নাশভিল। ফলে আজকের ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ছিল &amp;lsquo;বাঁচা-মরার&amp;rsquo;। চার গোলে নাশভিলকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়ে মায়ামি এখন কনফারেন্স সেমিফাইনাল খেলবে এফসি সিনসিনাটির বিপক্ষে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চেজ স্টেডিয়ামে নাশভিলের বিপক্ষে লিড পেতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি মায়ামির। মধ্যমাঠে নাশভিলের কোরকোরানের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান মেসি। সেই বল টেনে নিয়ে বক্সে ঢোকার আগমুহূর্তে মেসি চার ডিফেন্ডারের জটলার ভেতর থেকে শট নেন, বল যায় জালে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও এক গোল করেন মেসি। জর্দি আলবার লম্বা করে বাড়ানো বল নিয়ে সিলভেত্তি নাশভিল বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে ব্যাক পাসে পাঠানো বল পান মেসি। অনায়াসে গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয়ার্ধে মায়ামির দুই গোলই করেছেন আলেন্দে। ৭৩ মিনিটে জর্দি আলবা মেসির সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে টাচলাইনের কাছাকাছি চলে যান। এরপর ব্যাক পাসে বল জালের মুখে পাঠালে সহজেই গোল করেন আলেন্দে। দুই মিনিট পরই নিজের দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যান তিনি। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের চিপ করে বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান আলেন্দে। এটি মেসির ক্যারিয়ারের ৪০০তম অ্যাসিস্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কনফারেন্স ফাইনালে ওঠার লড়াই হতে পারে ২২ বা ২৩ নভেম্বর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্ম বিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/610</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 10:18:25 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/610</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বেতন বৃদ্ধি ও পদোন্নতির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল থেকে এ কর্মবিরতি শুরু করেছেন তারা। ফলে ৬৫ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি শামসুদ্দিন মাসুদ এ কর্মবিরতির ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাতে সরাসরি দশম গ্রেডের দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শিক্ষকরা পদযাত্রা শুরু করলে শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এবং সেখানে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শতাধিক শিক্ষক আহত হন বলে দাবি করেছেন শিক্ষক নেতারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষকরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষকরা &amp;lsquo;প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ&amp;rsquo; নামে চারটি সংগঠনের ব্যানারে সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। বিকেলে &amp;lsquo;কলম বিসর্জন কর্মসূচি&amp;rsquo; পালনের জন্য তারা শাহবাগের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন। শিক্ষকরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে যেতে চাইলে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় শতাধিক শিক্ষক আহত হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন শিক্ষক নেতাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। সাউন্ড গ্রেনেডের আঘাতে শিক্ষকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান নেন, যেখানে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক শামসুদ্দিন মাসুদ অভিযোগ করে বলেন, বিনা উসকানিতে পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় শতাধিক শিক্ষক আহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তারা আলোচনা করতে চাইলেও তারা যাবেন না। বহুবার কথা হয়েছে, কিন্তু কোনো ফল নেই। এবার রাজপথেই দাবি আদায় করে ফিরবেন। প্রজ্ঞাপন ছাড়া কোনোভাবেই ঘরে ফিরবেন না। তিনি প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার ইঙ্গিত দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি একই সুরে বলেন, আলোচনা বহুবার হয়েছে; কিন্তু কোনো ফল নেই। এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথেই থাকব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ&amp;rsquo;-এর ব্যানারে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন অংশসহ চারটি সংগঠন এ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। তাদের তিনটি দাবি হলো&amp;mdash;দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান; ১০ বছর ও ১৬ বছর চাকরি পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান-সংক্রান্ত জটিলতা ও সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং সহকারী শিক্ষকদের জন্য শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি প্রদান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: কালবেলা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/শিক্ষা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কাকন বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান  ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/609</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 10:08:14 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/609</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজশাহীর বাঘা, পাবনার আমিনপুর এবং ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর চরে কাকন বাহিনীর বিরুদ্ধে চলছে পুলিশ, র&amp;zwj;্যাব ও এপিবিএন সদস্যদের যৌথ অভিযান। পুলিশ এ অভিযানের নাম দিয়েছে &amp;lsquo;অপারেশন ফার্স্ট লাইট&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার ভোর ৪টা থেকে এই অভিযান শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত চলছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি কাকন বাহিনীর কথায় কথায় গুলি করা, মানুষ হত্যা, চরের বালু ও ফসল লুট, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগের ঘটনায় এ অভিযান চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অভিযানে ৫টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশি অস্ত্র, মাদক ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় কাকন বাহিনীর ২১ জনকে গ্রেপ্তা&amp;zwnj;র করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিমের অভিযান &amp;lsquo;অপারেশন ফার্স্ট লাইটে&amp;rsquo; ১২০০ সদস্য অংশ নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, গত ২৭ অক্টোবর চরে ফসল কাটাকে কেন্দ্র করে কাকন বাহিনীর গুলিতে ৩ জন কৃষক নিহত হন। এরপর রোববার ভোরে এ অভিযান শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে শক্তিশালী সামরিক ঘাটি স্থাপন করেছে ভারত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/608</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 17:46:17 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/608</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে শিলিগুড়ি করিডর বা &amp;lsquo;চিকেনস নেক&amp;rsquo; নামে পরিচিত অঞ্চলে আরও সেনাঘাঁটি স্থাপন করেছে ভারত। উত্তরবঙ্গের ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত শিলিগুড়ি করিডর ভারতের মূল ভূখণ্ডকে সাতটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করে। এই অঞ্চল চারদিক থেকে নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও চীনের ঘেরা বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর মধ্যে ভারতের সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সীমান্তের ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে আসাম রাজ্যের ধুবড়ি শহরে একটি ঘাঁটির ভিত্তি স্থাপন করেন। এর নাম রাখা হয়েছে &amp;lsquo;লাচিত বোরফুকান মিলিটারি স্টেশন&amp;rsquo;। এটি এসেছে আসামের ১৭ শতকের কিংবদন্তি কমান্ডার লাচিত বোরফুকানের নাম থেকে। বলা হয়ে থাকে, তিনি মোগল বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তের সবচেয়ে কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সামরিক স্টেশনটি শিলচরের মাসিমপুরে অবস্থিত। যার অবস্থান বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে। সেই তুলনায় নির্মিত লাচিত বোরফুকান মিলিটারি স্টেশন বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে বেশ কাছাকাছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরেকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তের ধুবড়ির কাছে বামুনি, বিহারের কিশনগঞ্জ এবং পশ্চিমবঙ্গের চোপড়ায় এই তিন নতুন ঘাঁটি তৈরি করা হয়। এই পদক্ষেপ ভারতের পূর্ব সীমান্তে প্রতিরক্ষা জোরদার করার বড় পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, ট্যাকটিক্যাল ঘাটতি পূরণ করা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চিকেনস নেককে অনেকে ভারতের দুর্বল অংশ মনে করলেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একে দেশের &amp;lsquo;সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা করিডর&amp;rsquo; বলে আখ্যা দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংশ্লিষ্ট একটি সেনা সূত্র জানায়, শিলিগুড়ি করিডর বহুস্তরীয় নিরাপত্তাবলয়ে সুরক্ষিত। নতুন ঘাঁটিগুলো আমাদের দ্রুত চলাচল, লজিস্টিকস এবং রিয়েল টাইম গোয়েন্দা তথ্য সংহত করার ক্ষমতা আরও বাড়াবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, ভারতীয় সেনাপ্রধানও বলেছিলেন, চিকেনস নেককে আমি দুর্বল অংশ হিসেবে দেখি না। এটি আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অঞ্চল। কারণ, পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থানরত আমাদের সব বাহিনী এখানে একত্রে মোতায়েন করা যায়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিলিগুড়ির কাছে সুখনায় অবস্থিত ত্রি-শক্তি কর্পস (৩৩-কর্পস) এই করিডরের প্রতিরক্ষা তদারক করে। আকাশপথে করিডরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে পশ্চিমবঙ্গের হাশিমারা বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন রাফাল যুদ্ধবিমান। এমনকি মিগ সিরিজের বিমান এবং ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র রেজিমেন্টও রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া, ভারত এই অঞ্চলে একটি উন্নত তিন স্তরের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্থাপন করেছে, যেখানে রয়েছে রাশিয়া থেকে আনা এস-৪০০ সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র, ইসরায়েল ও ডিআরডিওর যৌথভাবে তৈরি এমআরএসএএম সিস্টেম এবং দেশীয় আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই তিনটি মিলেই পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা কাভারেজ দেয়। তবে এই অঞ্চলে এস-৪০০ সিস্টেম মূলত চীন বা অন্য শত্রুপক্ষের বিমান অনুপ্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে স্থাপন করা হয়েছে বলে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​করাচি ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি শিপিং সেবা চালু করল পাকিস্তান ও বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/607</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 16:32:17 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/607</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[করাচি ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি শিপিং সেবা চালু করল পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। দুই দেশের এই পদক্ষেপকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমুদ্রপথে সরাসরি এই শিপিং সেবা চালুর ফলে পণ্য সরবরাহের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং বাণিজ্যিক কার্যকারিতা বহুগুণে বাড়বে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জাতীয় পরিষদে জমা দেওয়া এক লিখিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, &amp;ldquo;বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বেশ কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটেছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লিখিত প্রতিবেদনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &amp;ldquo;করাচি-চট্টগ্রাম সরাসরি শিপিং সেবা চালু হওয়ার ফলে পণ্য পৌঁছাতে সময় এখন ২৩ দিনের পরিবর্তে মাত্র ১০ দিন লাগছে। এতে লজিস্টিক ব্যবস্থার দক্ষতা বেড়েছে এবং পরিবহন ব্যয়ও অনেক কমেছে।&amp;rdquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে বাংলাদেশ ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পাকিস্তানি পণ্যের জন্য বন্দরগুলোতে ১০০ ভাগ পরিদর্শন বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে। ইসহাক দার এ পদক্ষেপকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;ldquo;এর ফলে দুই দেশের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং পণ্য পরিবহনের গতি আরও বাড়বে। কাস্টমসে বিলম্ব কমে যাওয়ায় পাকিস্তানি রফতানি এখন বাংলাদেশের বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর ঢাকায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নবম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উভয় দেশ বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হওয়া এক চুক্তির ভিত্তিতে পাকিস্তান ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন চাল রফতানি করেছে। ২ লাখ টন রফতানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাকিস্তান। ওই চাল সেই প্রতিশ্রুতির অংশ। ইসহাক দার নিশ্চিত করেন যে, আগামী মাসগুলোতেও এই কাঠামোর অধীনে চাল রফতানি অব্যাহত থাকবে। তার লিখিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও ডেনিম এক্সপোতে পাকিস্তানের দুই শতাধিক কোম্পানি অংশ নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও উৎপাদন খাতে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামুদ্রিক যোগাযোগের পাশাপাশি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এখন দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আকাশপথ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইসহাক দার জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের দুটি বেসরকারি বিমান সংস্থাকে বাংলাদেশ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। উভয় পক্ষ এখন সময়সূচি ও লজিস্টিক চূড়ান্ত করার কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে, এই ফ্লাইটগুলো চালু হলে ব্যবসা ও পর্যটন উভয় ক্ষেত্রেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সামা টিভি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেঙ্গু ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর! বাংলাদেশে কেন ব্যবহার হয় না </title>
		<link>https://shomoybhela.com/606</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 15:13:50 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/606</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ডেঙ্গুজ্বর দিনে দিনে মানুষের কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। ডেঙ্গু মোকাবিলার উপায় নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা। ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন বা টিকা আছে, বাংলাদেশ এই টিকা কেন ব্যবহার করা হয় না, মানুষের মধ্যে রয়েছে এমন প্রশ্নও।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক সময় বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ে চিন্তায় থাকত মানুষ। কিন্তু এখন আর কোনো মৌসুম নেই। বছরের যে কোনো সময়ই হতে পারে ডেঙ্গুজ্বর।&lt;br /&gt;
কীটতত্ত্ববিদরা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নগরায়নসহ নানা কারণে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। আর এ কারণেই ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের সংখ্যাও ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।&lt;br /&gt;
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একদিকে যেমন ডেঙ্গুর জীবাণু বহনকারী এডিস মশার বিস্তার ঠেকাতে হবে আবার ভ্যাকসিন বা টিকার ব্যবহারও বাড়ানোর কথা বলছেন তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোশতাক হোসেন বলছেন, এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর জন্য দুটি টিকা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে, সেগুলো ব্যবহারেও রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। আর এ কারণেই বিশ্বের অনেক দেশ ডেঙ্গু টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিলেও বাংলাদেশ এখনো এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।&lt;br /&gt;
এছাড়া টিকা ব্যবহারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির বিষয়টিও জড়িত বলে মনে করেন কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, টিকার অনুমোদন দিতে আগে এই রোগকে এপিডেমিক ডিক্লেয়ার করতে হবে। কিন্তু সেটা করলে তো সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে।&lt;br /&gt;
এছাড়া এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক আরও বেড়ে যেতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।&lt;br /&gt;
ডেঙ্গু মোকাবিলায় টিকার থেকে মানুষের সচেতনতা বেশি জরুরি বলেও মনে করেন অধ্যাপক বাশার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেবল বাংলাদেশ নয় ডেঙ্গুর প্রভাব রয়েছে বিশ্বজুড়েই। বিশেষ করে আফ্রিকা ও মধ্য আমেরিকার দেশগুলোতে এর ব্যাপ্তি ভয়াবহ। ইউরোপ-আমেরিকার নানা উন্নত দেশও ডেঙ্গুমুক্ত নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি&amp;#39;র তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৪০০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে বসবাস করছেন।&lt;br /&gt;
বিশ্ব বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর এমন প্রভাব থাকলেও এর ভ্যাকসিন বা টিকা খুব একটা বিস্তার লাভ করেনি। ডেঙ্গু মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত &amp;lsquo;ডেঙ্গাভেক্সিয়া&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;কিউডেঙ্গা&amp;rsquo; নামে দুই ধরনের টিকা পৌঁছেছে মানুষের হাতে।&lt;br /&gt;
ফ্রান্সের বহুজাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান সানোফি-এ্যাভেন্টিজের ডেঙ্গু টিকা &amp;lsquo;ডেঙ্গাভেক্সিয়া&amp;rsquo;র অনুমোদন দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া ২০২৩ সালে জাপানের তাকেদা ফার্মাসিউটিক্যালসের ডেঙ্গু টিকা &amp;lsquo;কিউডেঙ্গা&amp;rsquo;র অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দুই ডোজের এই টিকা শুধুমাত্র ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সিদের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
তবে এর কোনোটিই ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ বাংলাদেশে ডেঙ্গু টিকা ব্যবহারের সুযোগ নেই। এর কারণ হিসেবে দুই ধরনের টিকারই নানা সীমাবদ্ধতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা বলছেন কীটতত্ত্ববিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলছেন, &amp;lsquo;ডেঙ্গুর ভ্যাক্সিনের কিছু লিমিটেশনস আছে, একটা নির্দিষ্ট বয়সের মানুষকে ছাড়া দেওয়া যায় না, ১৬ বছরের নিচে বয়স হতে হয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;ডেঙ্গাভ্যাক্সিয়া দিতে হলে আগে একবার ডেঙ্গু হতে হবে। ডেঙ্গু যার জীবনে কখনো হয়নি তাকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বাংলাদেশে ডেঙ্গু টিকার ট্রায়াল&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখনো ডেঙ্গু টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি বাংলাদেশ। তবে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের আবিষ্কার করা ডেঙ্গু টিকার দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বা আইসিডিডিআরবি&amp;#39;র গবেষকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের লার্নার কলেজ অব মেডিসিন এবং বাংলাদেশের আইসিডিডিআরবি&amp;#39;র গবেষকরা যৌথভাবে এটি পরিচালনা করেছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ বা এনআইএই আবিষ্কৃত ওই টিকার নাম দেয়া হয়েছিল টিভি০০৫।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওই সময় বলা হয়েছিল, ভারতে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা সফল হলে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। তবে পরবর্তীতে এ নিয়ে আর আলোচনা এগোয়নি বলে জানান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোশতাক হোসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, &amp;lsquo;ধারাবাহিকভাবে ডেঙ্গু যে পর্যায়ে যাচ্ছে এবং এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে খুব একটা সফলতাও আমরা দেখাতে পারছি না তাতে ভ্যাকসিন আনা যায় কিনা এটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার সময় এসেছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডেঙ্গু ভ্যাসকিনের পাশাপাশি কমিউনিটি অ্যাওয়ারনেস বা সাধারণ মানুষের সচেতনতার কথা বলছেন কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন ব্যবহার করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশে। এটি নিতেও আমাদের সময় লাগবে কারণ এখানে সরকারি সিদ্ধান্ত, বিশেষজ্ঞ মতামত, ট্রায়ালসহ নানা বিষয় জড়িত।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;তবে মানুষ যদি নিজে থেকেই পরিচ্ছন্ন থাকা, পানি জমতে না দেওয়া, মশারি টাঙানো এমন পদক্ষেপগুলো নেয় তাহলে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমিয়ে আনা সম্ভব।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিবিসি বাংলা&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রিভিউ নিলেন  বিএনপি’র মনোনয় প্রত্যাশী! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/605</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 14:48:25 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/605</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফেনী সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে ক্রিকেটারের ভঙ্গিতে &amp;lsquo;রিভিউ আবেদন&amp;rsquo; করে আলোচনায় এসেছেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও ফেনী-২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী আলাল উদ্দিন আলাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি বাড়ির পাশে একটি ধানক্ষেতে গিয়ে হাত উঁচিয়ে ক্রিকেটীয় ভঙ্গিতে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। মুহূর্তের মধ্যেই ছবিটি ভাইরাল হয়ে পড়লে পুরো জেলায় বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কেউ কেউ তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ দলীয় প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে গত ৩ নভেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঘোষিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় তার নাম না থাকায় তিনি প্রতিবাদস্বরূপ ও মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে ধানক্ষেতে দাঁড়িয়ে &amp;lsquo;রিভিউ আবেদন&amp;rsquo; করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা ওই ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, &amp;lsquo;নো ক্যাপশন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, &amp;lsquo;অহিংসভাবে দলের কাছে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাতেই এ রিভিউর বিষয়টি করেছি। এটি যেহেতু চূড়ান্ত মনোনয়ন নয়, তাই আমরা প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য রিভিউ আবেদন করছি। এ প্রজন্মের প্রতিবাদের ভাষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। একসময় ফেনীকে &amp;lsquo;লেবানন&amp;rsquo; বা &amp;lsquo;মৃত্যুপুরী&amp;rsquo; বলা হতো, এখন এখানে প্রতিবাদের ধরণও যে বদলে গেছে&amp;mdash; সেটিই এই রিভিউর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছি।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দলীয় সূত্র জানায়, ফেনী-২ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্লাহ মানিক ও আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীসহ কয়েকজন নেতা। তাদের নিয়ে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফেনীর তিনটি আসনে প্রার্থীদের নামের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করেন। এতে ফেনী-১ আসনে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন এবং ফেনী-৩ আসনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সাপের কামড়ের প্রতিষেধক  ‘এন্টি ভেনম’ দেশের সব উপজেলায় সরবরাহের নির্দেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/604</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 14:33:12 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/604</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সাপের কামড়ের ওষুধ পর্যাপ্তভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করতে সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিটি উপজেলা সদরের কমপক্ষে দুটি ফার্মেসিতে ওষুধ রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই তথ্য বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রিটের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মীর এ কে এম নুরন্নবী শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট হাইকোর্ট উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্য সচিব, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি হয়েছিল ১৮ আগস্ট, যেখানে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুর অংশগ্রহণ করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মীর এ কে এম নুরন্নবী, সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট ইসমাঈল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুর রহমান ও তানিম খান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, সাপের কামড়ের ওষুধ সরবরাহের জন্য হাইকোর্টে রিট করেন অ্যাডভোকেট মীর এ কে এম নুরন্নবী। রিটের সঙ্গে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত দেশে সাপের কামড়ে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পাঁচ মাসে ৬১০ জন সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে রাসেলস ভাইপার নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি বছর জানুয়ারি থেকে ৪১৬ জন সাপের দংশনের শিকার হয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বিষধর সাপের কামড় ৯১টি এবং চন্দ্রবোড়া (রাসেলস ভাইপার) ১৮টি। এ দংশনের ফলে মোট ১১ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে পাঁচজন চন্দ্রবোড়ার কামড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে রাসেলস ভাইপার নিয়ে দেশে বিভিন্ন গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে সাপদংশনকে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের জাতীয় জরিপ অনুযায়ী দেশে বছরে চার লাখের বেশি মানুষ সাপের কামড়ে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে প্রায় ৭,৫০০ জনের মৃত্যু হয়। প্রধান বিষধর সাপের মধ্যে গোখরা, কালাচ্ (ক্রেইট), চন্দ্রবোড়া (রাসেলস ভাইপার) ও সবুজ সাপ অন্যতম। কিছু সামুদ্রিক সাপের কামড়ের তথ্যও আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চন্দ্রবোড়া ভাইপারিড গ্রুপের একটি বিষধর সাপ। বাংলাদেশে চন্দ্রবোড়ার উপস্থিতি ও এর কামড়ে মৃত্যুর ইতিহাস ১৯২০ সাল থেকেই স্বীকৃত। ২০১৩ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে চন্দ্রবোড়া বা উলুবোড়া সাপের কামড়ের প্রথম রিপোর্ট লিপিবদ্ধ হয়। প্রাথমিকভাবে রাজশাহী ও বরেন্দ্র অঞ্চলে এর প্রভাব বেশি দেখা গেলেও পরে ধীরে ধীরে ২৭টি জেলায় বিস্তৃত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডা. রোবেদ আমিন জানান, বিষধর সাপের কামড়ের কার্যকর চিকিৎসা ওষুধ। দেশের প্রধান বিষধর সাপের বিষ সংগ্রহ করে ঘোড়ার শরীরে প্রয়োগ করা হয় এবং ঘোড়ার রক্ত থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ওষুধ তৈরি করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে ওষুধ তৈরি করা হয় না; ভারতে তৈরি চারটি প্রধান বিষধর সাপের ওষুধ সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে সরবরাহ করে। ওষুধের ক্রয়, বিতরণ, সংরক্ষণ, প্রয়োগ ও প্রয়োগ পরবর্তী নজরদারি সম্পর্কে স্পষ্ট নীতিমালা না থাকলেও, এর সুফল লক্ষ্যণীয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মুহাম্মদ ইউনূসকে মন্তব্য রাখার ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা ও খেয়াল রাখা উচিত: </title>
		<link>https://shomoybhela.com/603</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 12:11:54 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/603</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে মন্তব্য রাখার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশটির সর্বভারতীয় গণমাধ্যম &amp;#39;নেটওয়ার্ক-১৮&amp;#39; গ্রুপের এডিটর-ইন-চিফ রাহুল জোশির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে শুক্রবার ভারত-বাংলাদেশ দ্বন্দ্বের বিষয়ে নিজের অভিমত তুলে ধরেন রাজনাথ সিং। সেখানেই তিনি বলেন, &amp;lsquo;ভারত কখনোই বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো বিভেদ চায় না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্টতই বলেন, &amp;lsquo;&amp;lsquo;ভারত যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে, যদিও আমরা আমাদের প্রতিবেশিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্য রাখি। নয়াদিল্লি কখনোই বাংলাদেশের সঙ্গে &amp;#39;উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক&amp;#39; চায় না। তাই ড. মুহাম্মদ ইউনূস যখনই মন্তব্য করবেন, তিনি যেন ভাবনা চিন্তা করে কথা বলেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পতনের পরই ভারত-বাংলাদেশ উভয় দেশের মধ্যেকার সম্পর্কে শীতলতা আসে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। অন্যদিকে অধ্যাপক ইউনূস দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুহাম্মদ ইউনূসের বেশকিছু মন্তব্য ভারত ভালোভাবে নেয়নি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নারী ক্রিকেটারের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ  নিয়ে মাশরাফির প্রভাবমুক্ত তদন্তের দাবি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/602</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 11:48:05 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/602</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা গুরুতর অভিযোগ। তিনি নারী দলের সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুসহ দায়িত্বে থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। জাহানারার এমন অভিযোগের প্রভাবমুক্ত তদন্ত দাবি করেছেন সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন মাশরাফি। ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে জাহানারা প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানান ম্যাশ। তিনি লেখেন, &amp;lsquo;বাংলাদেশের ক্রিকেট ও গোটা ক্রীড়াঙ্গনের স্বার্থে জাহানারা আলমের প্রতিটি অভিযোগ বিসিবি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে আশা করি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রভাবমুক্ত তদন্তের দাবি করে মাশরাফি আরও লেখেন, &amp;lsquo;আশা করি, বিসিবির তদন্ত কমিটি পুরোপুরি প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করবে এবং অভিযোগের সত্যতা পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, যেন এসবের পুনরাবৃত্তি আর কখনো না হয়। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন নিরাপদ হোক সবার জন্য।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) জনপ্রিয় ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাহানারা দাবি করেন, নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় সাবেক ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম তার সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করেছিলেন। তিনি বলেন, &amp;lsquo;উনি (মঞ্জুরুল ইসলাম) আমার কাছে আসলো, এসে আমার কাঁধে হাত দিয়ে বলছে- &amp;ldquo;তোর পিরিয়ডের কত দিন চলছে? পিরিয়ড শেষ হলে বলিস, আমার দিকটাও তো দেখতে হবে। পিরিয়ড শেষ হলে তখন ডাকবো, চলে আসিস।&amp;rdquo;&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবির কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করে জাহানারা বলেন, &amp;lsquo;দেড় বছরে অসংখ্যবার অভিযোগ করেছি। আমাদের তৎকালীন নারী উইংয়ের প্রধান নাদেল স্যারকে বারবার জানিয়েছি। এক- দু&amp;rsquo;দিন ঠিক থাকত, এরপর আবার আগের অবস্থায় ফিরে যেত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিমান বন্দরে বেপরোয়া লাগেজ চোর সিন্ডিকেট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/601</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 11:09:05 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/601</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিতর্ক, দুর্ঘটনা, সমালোচনা পিছু ছাড়ছে না হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের। একের পর বিতর্ক প্রতিষ্ঠানটি গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে, ফেলছে অস্বস্তিতে। সর্বশেষ কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সিলগালা করা স্ট্রংরুমের (ভল্ট) তালা ভাঙার রেশ কাটতে না কাটতেই ঘটল মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা, যা ঘটিয়েছেন এক দায়িত্বরত আনসার সদস্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন&lt;br /&gt;
তার পোশাকের ভেতরে লুকানো অবস্থায় পুরোনো মডেলের ১৫টি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। ঘটনা জেনে সেই আনসার সদস্যকে বাহিনী থেকে বহিষ্কার ও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান বলেছেন, আনসার সদস্যের কাছ থেকে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা সদস্য রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা নিয়েছে, যা বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্রমতে, দেশের প্রধান বিমানবন্দরে প্রতি বছর লাগেজসহ হাজার হাজার চুরির ঘটনা ঘটে আসছে, যা&amp;nbsp; কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। অনেকের মতে, বছরের পর বছর ধরে বিমানবন্দরে চোর ও লাগেজ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। যাদের মধ্যে নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যরাও জড়িত রয়েছে। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সরকারি হিসাবমতে, বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন গড়ে তিনটি লাগেজ চুরি বা গায়েব হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই লাগেজ গায়েব চক্র তত্পরতা চালালেও পুরোপুরি প্রতিরোধ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে কারা, কীভাবে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অপতত্পরতা চালাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী ও এভিয়েশন বিশ্লেষকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ১৮ অক্টোবর কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরও অগ্নিপ্রতিরোধী স্ট্রংরুমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য আমদানি করা বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। তবে সিলগালা অবস্থায় থাকা স্ট্রংরুমে তালা ভাঙা হয়। ঘটনার ১০ দিন পর ২৭ অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় জিডি হলে গত ৪ নভেম্বর তা প্রকাশ পায়। অনেকের আশঙ্কা, স্ট্রংরুম থেকে কয়েকটি অস্ত্র চুরি গেছে। সেই ঘটনার রেশ শেষ না হতেই কার্গো ভিলেজে ভস্মীভূত দ্রব্যের মাঝে থাকা ১৫টি বাটন ফোন লুকিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে বিমানবন্দরে যাত্রীর লাগেজ থেকে ৬ হাজার ৮০০ ইউরো (৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা) চুরির ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাঁচ কর্মীকে গত ৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়।&amp;nbsp; গত ২ আগস্ট ভারতের চেন্নাইগামী সেই যাত্রীর চেক করা লাগেজ থেকে ইউরো চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সিসিটিভির ফুটেজ থেকে কর্মীদের শনাক্ত করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলার পর আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনার আগে গত ৭ জানুয়ারি ওমরাহ পালন শেষে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরে লাগেজ খুইয়ে ফেলেন ভুক্তভোগী কাজী মোশতাক আহম্মেদ। ইমিগ্রেশনে দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়েও লাগেজ না পেয়ে অভিযোগ দেন বিমানের &amp;lsquo;লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড&amp;rsquo; বিভাগে। শেষ অবধি লাগেজ ফিরিয়ে দিতে না পেরে বিমান কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৯ হাজার টাকা দেয়। তবে ভুক্তভোগীর ভাষ্য, খোয়া যাওয়া লাগেজে ১১ কেজি ওজনের বিভিন্ন সামগ্রী ছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা। অথচ পাঁচ মাস পরে তাকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে ১৯ হাজার ৫২০ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেই ঘটনার পর ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান নাগরিক ও ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সৌদিপ্রবাসী এক যাত্রীর লাগেজ খোয়া যায়। বিমানবন্দরের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহযোগিতায় পরে তারা লাগেজ ফিরে পান। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি আরিফ প্রামাণিক নামে এক সৌদি আরবপ্রবাসী দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পথে দুষ্কৃতকারীরা তার টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজ থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুষ্কৃতকারীদের আটক এবং উদ্ধার করা টাকা ও মালামাল বুঝিয়ে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমানের &amp;lsquo;লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড&amp;rsquo; বিভাগের সূত্রমতে, প্রতিদিন গড়ে তিনটির মতো লাগেজ চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়। গত ছয় মাসে ৫৪০টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানতে চাইলে সিভিল এভিয়েশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাইরে যতই কয়েক স্তরের নিরাপত্তাবলয়। কিন্তু ভেতরে তেমন শক্তিশালী কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থাই নেই। বাইরে কড়াকড়ি, ভেতরে ঢিল। ভেতরের এই প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে সিন্ডিকেট চক্রের ঔদ্ধত্য এতটা বেপরোয়া। শাহজালালে এত এত বাহিনীর স্ট্রং সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও তারা কিছুই টের পেল না! সিভিল এভিয়েশনের সিকিউরিটি চুরি-পাচারসহ অমুক করে তমুক করে বলে অ্যাবসেক বাহিনী আনা হলো। কার্যত কিছুই হচ্ছে না! শো অফ হলো। সিন্ডিকেটবাজি থামছেই না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবশ্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বলেন, &amp;lsquo;নিরাপত্তাবলয় ছিল বলেই চোর সফল হতে পারেনি। এটা ব্যক্তির অসাধুতা, যা কোনোভাবেই পুরো আনসার বাহিনীর পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। বাহিনী যথেষ্ট ভালো কাজ করছে। ভালোদের কারণে খারাপদের এসব কর্মকাণ্ড আমরা শনাক্ত করতে পারছি।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহেদুল আলম ইত্তেফাককে বলেন, পুরো এয়ারপোর্টের মালিকানা অনেকটা সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের। সরকারের পক্ষ থেকে তারা এ দায়িত্বপ্রাপ্ত। এয়ারপোর্টের ভেতরে অন্য কোনো সংস্থার কর্তৃত্ব নেই। এর ভেতরে ভালো কিছু হলে প্রশংসা, মন্দ হলে নিন্দিত হতে হবে তাদেরই। অথচ এর ভেতরে কিছু ঘটলেই দেখা যায়, সবার মধ্যে দায়িত্ব এরিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি, এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ইত্তেফাককে বলেন, এভাবে একের পর অপ্রীতিকর ঘটনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচয়ে কলঙ্কের কালিলেপন করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির নামে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা দায় এড়াচ্ছেন এবং বিষয়টিকে বারবারই উপেক্ষা করে যাচ্ছেন। আর কতটা মূল্য দিলে বিমান এদের কাছ থেকে রেহাই পাবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ঢাকা পোস্ট, ইত্তেফাক&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আমরিকায় গরুর মাংসের দাম বৃদ্ধিতে তদন্ত করতে নির্দেশ ট্রাম্পের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/600</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 10:58:56 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/600</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের মাংস প্রক্রিয়াজাত (মিটপ্যাকিং) কোম্পানিগুলো গরুর মাংসের দাম বাড়াতে কারসাজি ও আঁতাত করছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনায় তিনি জাস্টিস বিভাগকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি এক্স পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এটি পরিচালনা করছেন কৃষিমন্ত্রী ব্রুক রলিন্স ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গেল স্লেটার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তদন্তে এখনও কোনও নির্দিষ্ট কোম্পানির নাম প্রকাশ করা হয়নি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রে চারটি বড় কোম্পানি (টাইসন ফুডস, কারগিল, জেবিএস ইউএসএ এবং ন্যাশনাল বিফ প্যাকিং কোম্পানি) দেশটির ৮৫ শতাংশ গরুর মাংস প্রক্রিয়াজাত করে, যা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে স্টেক, রোস্ট এবং অন্যান্য মাংসজাত পণ্য হিসেবে বিক্রি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, আমি জাস্টিস বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি মাংস প্রক্রিয়াজাত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে, যারা অবৈধ আঁতাত, মূল্য নির্ধারণ ও বাজার কারসাজির মাধ্যমে গরুর মাংসের দাম বাড়াচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ পদক্ষেপ এমন সময়ে এসেছে যখন মার্কিন জনগণ জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে ভুগছে। গত অক্টোবরের এক জরিপে দেখা যায়, ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন যে, জীবনযাত্রার ব্যয়ই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী ইস্যু।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাস্টিস বিভাগ ডিম উৎপাদক কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধেও মূল্য কারসাজির অভিযোগে পৃথক তদন্ত শুরু করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বহু বছরের খরায় গবাদি পশুর খাদ্য ও চারণভূমির সংকটে যুক্তরাষ্ট্রে গরুর পালের সংখ্যা ৭৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কমে নেমে এসেছে, যার ফলে গরুর মাংসের দাম রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেপ্টেম্বর মাসে গ্রাউন্ড চাক বিফের দাম প্রতি পাউন্ডে ৬.৩৩ ডলারে দাঁড়ায়, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩.৫ শতাংশ বেশি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: রয়টার্স]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি তুরস্কের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/599</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 10:00:29 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/599</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[সামরিক অভিযানের নামে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুসহ তার নেতৃত্বাধীন সরকারের ৩৭ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে তুরস্ক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের শীর্ষ সরকারি কৌঁসুলির দফতর থেকে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা সিএনএন ও টাইমস অফ ইন্ডিয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেতানিয়াহু ছাড়া যেসব কর্মকর্তার নামে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর, এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়া&amp;rsquo;আল জামির।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরোয়ানায় গাজায় গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গত সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী জোট ফ্লোটিলার ত্রাণ বহর আটকানোর ঘটনাকে অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে শুক্রবার পরোয়ানা জারির পরপরই এর নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সা&amp;rsquo;র এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, এই গ্রেফতারি পরোয়ানা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের &amp;lsquo;রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ বা পিআর কৌশল&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাকিস্তান থেকে আমদানি করা পাখির খাবারের নামে বিপুল সংখ্যক মাদক আটক! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/598</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 17:29:55 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/598</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;পাকিস্তান থেকে আগত চট্টগ্রাম বন্দরে পাখির খাদ্যের আড়ালে লুকিয়ে আনা প্রায় ২৫ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পপি সিড আটক করেছে কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা চালান দুটি জব্দ করে। আটক পণ্যের বাজারমূল্য সাড়ে ছয় কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে কাস্টমস।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, মেসার্স আদিব ট্রেডিং পাকিস্তান থেকে ৩২ হাজার ১০ কেজি বার্ড ফুড আমদানির ঘোষণা দেয়। ৯ অক্টোবর পণ্য চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। পরে এটি অফডক ছাবের আহমেদ টিম্বার কোম্পানি লিমিটেডে রাখা হয়। ১৪ অক্টোবর চালানটি খালাসের লক্ষ্যে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এম এইচ ট্রেডিং কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিমিটেড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২২ অক্টোবর কাস্টমস কনটেইনার দুটির খালাস স্থগিত করে। পরে কায়িক পরীক্ষায় প্রথম সারিতে ৭ হাজার ২০০ কেজি বার্ড ফুড পাওয়া গেলেও তার আড়ালে লুকানো ছিল ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি পপি সিড। এরপর নমুনা সংগ্রহ করে উদ্ভিদ সংগনিরোধ দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টার এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় পণ্যটি পপি সিড হিসেবে নিশ্চিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার এইচ এম কবির গণমাধ্যমকে বলেন, আমদানি নিষিদ্ধ পোস্তদানা জব্দের মাধ্যমে বাংলাদেশ কাস্টমস জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন ঘটিয়েছে। আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত আমদানিকারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গুম করার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/597</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 16:04:47 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/597</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রস্তাবিত আইনে গুম করার অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্তারিত আসছে..&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​একদিনে যে পরিমাণ চাঁদাবাজি হয় তা দিয়ে প্রতিদিন একটা গণভোট দেওয়া যাবে ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/596</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 15:18:33 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/596</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[একদিনে যে পরিমাণ চাঁদাবাজি হয় তা দিয়ে প্রতিদিন একটা গণভোট দেওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসর কাছে &amp;lsquo;জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও ওই আদেশের ওপর নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করা&amp;rsquo;সহ ৫-দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনরত জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশসহ আটটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে স্মারকলিপি প্রদানপূর্বক মতিঝিল শাপলা চত্ত্বরের জমায়েতে তিনি এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আব্দুল্লাহ তাহের বলেন, &amp;lsquo;আমরা রাজপথে এসেছি। প্রয়োজনে আবারও রক্ত দেবো। জুলাইয়ের অর্জন সনদকে ব্যর্থ হতে দেবো না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;সরকার চালাকি শুরুতে করেছে। আপনারা চালাকি করলেও আমরা আমাদের দাবি আদায় করবো, দাবি আদায়ে বাধ্য করা হবে। সময়ক্ষেপণ সরকারকে বিপদে ফেলবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একদিনের চাঁদাবাজি দিয়ে প্রতিদিন একটা গণভোট দেয়া যাবে উল্লেখ করে জামায়াতের এ নেতা বলেন, &amp;lsquo;গণভোট দিতে হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পরেও গণভোটের সময় থাকবে। একদিনে যে পরিমাণ চাঁদাবাজি হয় তা দিয়ে প্রতিদিন একটা গণভোট দেয়া যাবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;সরকারকে ভূমিকা পালন করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনার জন্য বলেই হবে না। বড় দলকে বলবো, আপনারা আলোচনার জন্য কমিটি গঠন করুন। দ্রুত বিএনপির পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য আসুন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;জনগণ আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন চায় না। সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে বাংলাদেশ আবারও অন্ধকারে যাবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ইত্তেফাক&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৯ মাসে ৮০ হাজার ভিসা বাতিল করেছে আমেরিকা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/595</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 13:47:12 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/595</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চঅভিবাসননীতি আরও কঠোর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন গত ৯ মাসে ৮০ হাজার নন&amp;ndash;ইমিগ্র্যান্টের ভিসা বাতিল করেছে। অনেকেরই বৈধ খণ্ডকালীন ভিসা থাকলেও নানা অপরাধ ও নিয়মভঙ্গের কারণে বাতিল করা হয়েছে তাদের ভিসা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। নির্বাচনি প্রচারে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবৈধ অভিবাসীমুক্ত করবেন। ক্ষমতায় এসে সে লক্ষ্যে নির্বাহী আদেশেও সই করেন ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্বাহী আদেশের পর প্রথমে ওয়াশিংটনে এবং পরবর্তীতে দেশজুড়ে অভিযান শুরু হয়। অভিযানে পুলিশ, কাস্টমস পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে হাজার হাজার নথিবিহীন অভিবাসীকে আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বছর যে ৮০ হাজার মানুষের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, তাদের সবাই নথিবিহীন অভিবাসী নন। অনেকে বৈধ খণ্ডকালীন ভিসাধারী ছিলেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এদের মধ্যে ১৬ হাজার জনের ভিসা বাতিল হয়েছে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর কারণে, ১২ হাজার জনের হামলা বা সহিংসতার অভিযোগে, আর ৮ হাজার জনের ভিসা চুরির অভিযোগে বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়ার আগে সবার কাছেই বৈধ খণ্ডকালীন ভিসা ছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রয়টার্সকে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, &amp;lsquo;যাদের ভিসা বাতিল হয়েছে, তাদের অর্ধেকই এই তিন ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, গত আগস্টে ৬ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। ভিসার মেয়াদ পার হয়ে যাওয়ার পরও থাকার পাশাপাশি আইনভঙ্গ ও &amp;lsquo;সন্ত্রাসবাদে সমর্থন&amp;rsquo; দেওয়ার অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত মে মাসে এক অনুষ্ঠানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে হাজার হাজার নন&amp;ndash;ইমিগ্র্যান্টের ভিসা বাতিল করেছে এবং এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। যাদের কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকারগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো টট্টগ্রামে বিএনপি’র দু’পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ৫ নেতা-কর্মী! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/594</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 12:09:15 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/594</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পাঁচ নেতা&amp;ndash;কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ তিনজন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক (বিলুপ্ত কমিটি) গোলাম আকবরের অনুসারী। বাকি দুজন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন রাউজান উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ, বাগোয়ান ইউনিয়ন কৃষক দলের সহসভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল, বাগোয়ান ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাগোয়ান ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি রবিউল হোসেন ও স্থানীয় বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ সোহেল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ জানায়, এ ঘটনার পর ওই গ্রামের বাসিন্দারা গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান প্রথম আলোকে দাবি করেন, এ ঘটনায় তাঁদেরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানতে চাইলে রাউজান রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন&amp;nbsp; বলেন, এলাকায় বিএনপির রাজনীতির দুই পক্ষ আলাদা অবস্থানে থাকলেও গোলাগুলির ঘটনাটি এলাকার আধিপাত্য নিয়ে হতে পারে। ঘটনায় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাউজানে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটেই চলেছে। গত এক বছরে এই উপজেলায় একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটছে। কখনো প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে, কখনো ছুরিকাঘাত বা পিটিয়ে এসব খুন করা হয়েছে। এসব ঘটনায় অস্ত্রধারী কিংবা মূল আসামিরা ধরা পড়েনি। এমনকি ঘটনায় ব্যবহৃত কোনো অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের ৫ আগস্টের পর সহিংসতায় এ উপজেলায় মোট ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ১২টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। সর্বশেষ গত ২৫ অক্টোবর যুবদলের কর্মী মুহাম্মদ আলমগীর আলমকে গুলি করে খুন করা হয়। এর আগে ৭ অক্টোবর খুন হন বিএনপির কর্মী মুহাম্মদ আবদুল হাকিম (৫২)। রাউজানের খামারবাড়ি থেকে ফেরার পথে হাটহাজারীর মদুনাঘাটে চলন্ত গাড়িতে গুলি করে হত্যা করে অস্ত্রধারীরা। এ ঘটনায়ও অস্ত্রধারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৩৭ বছরের তরুন কোহলি: কি খেয়ে ফিট থাকেন তিনি,জানুন খাবার তালিকা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/593</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 09:41:54 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/593</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৩৭ বছর বয়সেও বিরাট কোহলি যেন সময়কে থামিয়ে রেখেছেন। বয়স তাঁর জন্য শুধুই একটা সংখ্যা, প্রতিদিনই নতুন করে সেটার প্রমাণ দেন ভারতীয় এই ব্যাটসম্যান। কঠোর খাদ্যনিয়ম, শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন তাঁকে বছরের পর বছর রেখেছে সেরা ফিটনেসে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল ছিল তাঁর ৩৭তম জন্মদিন। ক্রিকেট&amp;ndash;ভক্তদের চোখে এখনো তিনি যেন সেই উদ্যমী, তরুণ কোহলি। গড়ন থেকে প্রাণশক্তি&amp;mdash;সব কিছুই যেন অবিকল একই। তাঁর শরীরের রহস্য লুকিয়ে আছে নিয়ম আর সংযমে। চলুন দেখা যাক, কীভাবে নিজেকে এমন ফিট রেখেছেন কোহলি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেছিলেন, &amp;lsquo;যখন আপনি ফিটনেস নিয়ে যাত্রা শুরু করবেন, তখন সব কিছুই চেষ্টা করে দেখতে হবে&amp;mdash;ভিটামিন, পানি, প্রোটিন। তারপর ধীরে ধীরে বুঝতে পারবেন, আসলে কোনটা আপনার জন্য কাজ করছে। তখনই আপনি ভারসাম্যটা খুঁজে পাবেন।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তাঁর কথা, জিমে ঘাম ঝরানোর চেয়ে খাদ্যাভ্যাস অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, &amp;lsquo;ফিটনেসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো খাবার। শরীরকে কষ্ট দেওয়া সহজ, কিন্তু সঠিকভাবে খাওয়া একটা মানসিক লড়াই। জিভের স্বাদ আর লোভই ঠিক করে দেবে, আপনি এগোবেন, না পিছাবেন।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিজের শৃঙ্খলা নিয়ে তাঁর কথা, &amp;lsquo;আমি চাইলে ছয় মাস একদম একই খাবার খেতে পারি, কোনো সমস্যা হয় না।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;lsquo;আমার প্রায় ৯০ শতাংশ খাবারই ভাপানো বা সেদ্ধ। শুধু লবণ, গোলমরিচ আর লেবুর রস থাকে। আমি স্বাদের পেছনে ছুটি না, দেখি শরীরের জন্য কোনটা ভালো&amp;rsquo;&amp;mdash;এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন কোহলি, &amp;lsquo;হালকা ড্রেসিংসহ সালাদ পছন্দ করি, অলিভ অয়েলে হালকা গ্রিল করা খাবার খাই। তরকারি এড়িয়ে চলি, কিন্তু ডাল খাই। তবে পাঞ্জাবি বলে রাজমা-লোভিয়া একটু খেতেই হয়।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০১৮ সালে একবার মারাত্মক অ্যাসিডিটি ও ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছিলেন কোহলি। চিকিৎসকেরা বলেছিলেন, তাঁর হাড়ে ক্যালসিয়াম কমে গেছে। তখনই সিদ্ধান্ত নেন&amp;mdash;মাংস ছেড়ে পুরোপুরি নিরামিষ খাবার খাবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে তিনি সম্পূর্ণ নিরামিষভোজী নন। ইউটিউবে ফুড শো কার্লি টেলস&amp;ndash;এ এক সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেছিলেন, দুগ্ধজাত খাবার এখনো তাঁর ডায়েটে থাকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কোহলির মতে, এক বাটি তাজা সবজি শরীরের পুষ্টি ঠিক রাখতে যথেষ্ট। তাঁর প্রিয় খাবার &amp;lsquo;সুপারফুড সালাদ&amp;rsquo;। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমি আগে প্রচুর মাংস খেতাম। তাই পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সালাদই সবচেয়ে ভালো বিকল্প মনে হয়েছে। এতে পুষ্টি যেমন মেলে, খাবারও থাকে হালকা।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই সুপারফুড সালাদ তাঁর নিজস্ব রেস্টুরেন্ট ওয়ান কমিউন&amp;ndash;এও পাওয়া যায়। এতে থাকে নানা ধরনের শাকপাতা, ভাজা কুমড়ার বীজ, রসালো তরমুজ আর রাজগিরার পপস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কোহলি চিনি, মিষ্টি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকেন। সারাক্ষণ শরীর আর্দ্র রাখেন প্রচুর পানি আর লেবু মেশানো গ্রিন টি খেয়ে। সকালে নাশতা হিসেবে খান সবজি দেওয়া ওমলেট বা উদ্ভিদভিত্তিক বিকল্প, সঙ্গে গ্লুটেনমুক্ত টোস্ট আর ফল। দুপুর-রাতের খাবারে থাকে হালকা প্রোটিন বা নিরামিষ খাবার&amp;mdash;ডাল, কুইনোয়া (গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের ভোজ্য বীজ), নানা শাকসবজি। বিকেলের নাশতায় থাকে বাদাম, বীজ আর প্রোটিন শেক। তাঁর খাদ্যতালিকা সাজানো পেশির পুনর্গঠন, দীর্ঘস্থায়ী শক্তি ও রোগপ্রতিরোধ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সপ্তাহে পাঁচ-ছয় দিন নিয়মিত অনুশীলন করেন কোহলি। শক্তি, সহনশক্তি আর নমনীয়তা&amp;mdash;তিন দিকেই ভারসাম্য রাখেন। স্কোয়াট, ডেডলিফট, ক্লিনের মতো ব্যায়াম দিয়ে বাড়ান শক্তি। সঙ্গে থাকে স্প্রিন্ট, ট্রেডমিলে দৌড়, হাই-ইনটেনসিটি ট্রেনিং&amp;mdash;যা তাঁর ক্ষিপ্রতা আর ফিটনেস ধরে রাখে। চোট এড়াতে ও চোট থেকে সেরে ওঠতে করেন যোগব্যায়াম ও স্ট্রেচিং।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মানসিক একাগ্রতা বজায় রাখতে প্রতিদিন ৭&amp;ndash;৮ ঘণ্টা ঘুম, নিয়মিত ধ্যান আর সময়মতো বিশ্রাম নিশ্চিত করেন কোহলি। রাতজাগা, দেরিতে খাওয়া, অ্যালকোহল&amp;mdash;সবই তাঁর নিষিদ্ধ তালিকায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই ধারাবাহিকতা, ভারসাম্য আর শৃঙ্খলাই তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে ফিট ক্রীড়াবিদদের একজন বানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: স্টার স্পোর্টস&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রাইমারিতে বিশাল নিয়োগ প্রকাশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/592</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 16:29:48 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/592</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ১০ হাজার ২১৯ জন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) প্রকাশ করা হবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নতুন করে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষায় বড় পরিসরে জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পরবর্তী ধাপে প্রকাশ করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে&amp;nbsp; বলেন, &amp;lsquo;বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল (আজ) দেশের জাতীয় পত্রিকাগুলোতে ১০ হাজার ২১৯ শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে চলতি বছরের ২৮ আগস্ট রাতে &amp;lsquo;সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫&amp;rsquo; প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিন দিন পর ৩১ আগস্ট গঠিত হয় আট সদস্যের &amp;lsquo;কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি&amp;rsquo;। এ কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সদস্যসচিব অধিদপ্তরের (পলিসি ও অপারেশন) পরিচালক। এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন এই কমিটিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সংশোধিত বিধিমালায় কিছু ত্রুটি থাকার কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বিলম্বিত হয়। পরবর্তী সময়ে ত্রুটি সংশোধন করে ২ নভেম্বর নতুনভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন বিধিমালায় &amp;lsquo;অন্যান্য বিষয়ে&amp;rsquo; শব্দের পরিবর্তে &amp;lsquo;বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন&amp;rsquo; শব্দটি যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে বিজ্ঞান বিষয়ের প্রার্থীরাও সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে। পদোন্নতির জন্য প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে অন্তত ১২ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা, মৌলিক প্রশিক্ষণ ও চাকরি স্থায়ীকরণ সম্পন্ন করতে হবে। সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক&amp;mdash;উভয় পদের প্রার্থীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, &amp;lsquo;সারা দেশে বর্তমানে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা জারির পর আমরা দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করব। নভেম্বরেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচন হলে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/591</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 15:32:13 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/591</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সরকারের সেই রূপরেখার সময়সীমা উল্লেখ করা আছে। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে। সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফেরত যাবে। আমরা সেটার দিকে তাকিয়ে আছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স ম্যাসে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি সদর দপ্তরের ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (জিওসি আর্টডক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;আপনারা জানেন শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। গত ১৫ মাস আমরা বাইরে রয়েছি। নির্বাচনের পর হয়তো আরও কিছুদিন থাকতে হবে। এ জন্য সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিঘ্নিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সেনাবাহিনী দায়িত্বপালন করছে, এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশ প্রতিদিন দেখেনি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, &amp;lsquo;কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সেনাবাহিনীর নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপপ্রচার চালাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমি আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই, সেনাবাহিনী প্রধান এবং সেনাবাহিনীর সিনিয়র নেতৃত্বের প্রতি বাহিনীর প্রতিটি সদস্য অনুগত। সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে সেভাবে ব্যাবস্থা নেওয়ার কিছু নেই। মিথ্যাকে সত্য দিয়েই প্রমাণ করতে হয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের পদত্যাগ, বললেন, ‘আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব’! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/590</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 15:22:25 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/590</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;পদত্যাগ করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। ভোট করব।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ বুধবার নিজ কার্যালয় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে ঝিনাইদহ-১ আসনে নির্বাচন করার কথা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর আপিল শুনানি শেষে ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমি নমিনেশন চেয়েছি। আমি আশাবাদী নমিনেশন পাব।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত বছর ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যে কারণে ঢাকায় আসছেন না ডা. জাকির নায়েক! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/589</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 14:52:15 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/589</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইসলামী বক্তা ড. জাকির নায়েককে আপাতত বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, একটি প্রতিষ্ঠান ২৮ ও ২৯ নভেম্বর জাকির নায়েককে দুই দিনের একটি কর্মসূচিতে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানাতে চেয়েছিল। এমনকি ঢাকার বাইরেও তার কিছু অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ছিল। তবে সাম্প্রতিক আলোচনায় উঠে আসে, তার আগমন ঘিরে বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে প্রচুর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য প্রয়োজন হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সভায় জানানো হয়, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বের কারণে বর্তমানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন সম্ভব নয়। এজন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের পর পরিস্থিতি অনুকূলে এলে জাকির নায়েকের সফর বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে নির্বাচনের আগে নয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ঢাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ভারত সরকার সন্ত্রাসে উসকানি ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের অভিযোগ আনে। এরপর তিনি দেশত্যাগ করে মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। মালয়েশিয়া সরকার তাকে পুত্রজায়া শহরে স্থায়ী আবাসনের অনুমতি দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলমসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অনলাইনে জুয়া খেললে বন্ধ হয়ে যাবে ইন্টারনেট! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/588</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 12:52:38 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/588</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;অনলাইন জুয়া বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) একযোগে কাজ শুরু করেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারের সর্বশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী, অনলাইন জুয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর শনাক্ত করে ইন্টারনেটের গতি সীমিত করা এবং বিকাশ বা অন্যান্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহারের মাধ্যমে বেটিংয়ে পেমেন্ট করলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি সভাকক্ষে আয়োজিত &amp;lsquo;অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে করণীয়&amp;rsquo; শীর্ষক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির কর্মকর্তা, বিকাশ এবং অন্যান্য পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অনলাইন জুয়ায় জড়িত প্রায় ৫ হাজার এমএফএস হিসাব ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। এখন একটি কমন ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সরকারি সংস্থা, অপারেটর ও প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য সমন্বয় ও নজরদারি করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, অনলাইন বেটিংয়ে জড়িত ব্যক্তিদের ফোন নম্বরের ইন্টারনেট গতি সীমিত করার বিষয়টি বিবেচনাধীন। পাশাপাশি সিম ও এমএফএসের ই-কে ওয়াইসি সমন্বয়ের বিষয়ে দ্রুত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, দেশকে অনলাইন জুয়া থেকে মুক্ত করতে হলে জুয়ার চক্রের সদস্যদের শনাক্ত, ট্রাফিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে লিংক স্লো করা এবং সংশ্লিষ্ট নম্বর বা এমএফএস অ্যাকাউন্ট যাচাই করে ব্লক করা জরুরি। তবে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হবে ন্যায্যতা ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় বিকাশের একজন প্রতিনিধি জানান, জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত দুই সপ্তাহে ৩৯৭টি মোবাইল নম্বর বন্ধ করা হয়েছে। অনলাইন কার্যক্রম ট্র্যাক করতে একটি ক্রলিং ইঞ্জিন উন্নয়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পেমেন্ট সিস্টেম এজেন্সির প্রতিনিধিরা জানান, সিম, মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সমন্বিত হলে অনলাইন জুয়া প্রতিরোধ আরও সহজ হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় আরও প্রস্তাব করা হয়&amp;mdash;অনলাইন স্ক্যাম ও জুয়া প্রতিরোধে মাদক অধিদপ্তরের মতো একটি বিশেষ সংস্থা গঠন এবং ক্রস-ডোমেইন মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের পর সিম সংখ্যা ১০টিতে সীমিত করার সিদ্ধান্ত জুয়া প্রতিরোধে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে যারা জুয়া খেলছেন, তাদের শনাক্ত করাও জরুরি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিডি প্রতিদিন, কালেরকন্ঠ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/তথ্যপ্রযুক্তি&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় কালমায়েগি আঘাতে কমপক্ষে ৬৬ জনের মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/587</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 12:41:35 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/587</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় কালমায়েগি আঘাত হানার ফলে কমপক্ষে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন&lt;/strong&gt;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এটি চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়গুলোর মধ্যে একটি। ঝড়ের কারণে কয়েক লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। খবর বিবিসির।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেবু দ্বীপ। এখানে ৪৯ জন নিহত হয়েছে এবং আরও ২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, মানুষ ছাদের ওপর আশ্রয় নিচ্ছেন, আর রাস্তায় গাড়ি ও কনটেইনার ভেসে যাচ্ছে। মৃতদের মধ্যে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের ছয়জন ক্রুও রয়েছেন। হেলিকপ্টারটি ত্রাণ কার্যক্রমে মিন্দানাও দ্বীপে পাঠানো হয়েছিল। আগুসান দেল সুর এলাকায় এটি বিধ্বস্ত হয়। পরে ছয়জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঝড়টি গতকাল ভোরে স্থলভাগে আঘাত হানে। বর্তমানে এটি কিছুটা দুর্বল হলেও ঘণ্টায় ৮০ মাইল (১৩০ কিমি) বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ এটি ভিসায়াস দ্বীপপুঞ্জ অতিক্রম করে দক্ষিণ চীন সাগরের দিকে যাবে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের উপপ্রশাসক রাফায়েলিতো আলেজান্দ্রো জানিয়েছেন, উদ্ধারকর্মীরা ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য আকাশ পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ ও উল্টে যাওয়া গাড়ি সরানোই প্রধান বাধা। প্রাদেশিক গভর্নর পামেলা বারিকুয়াত্রো বলেছেন, সেবুর পরিস্থিতি আগে কখনো এমন হয়নি। জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা জানিয়েছে, চার লাখের বেশি মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন। ঝড় ভিয়েতনামের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যেখানে এরই মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কক্সবাজারে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের  সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/586</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 12:14:08 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/586</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হাঁসের দিঘী ঢালায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হতাহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে চার নারী ও একজন শিশু রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, হতাহতদের বাড়ি কুমিল্লা বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনী ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া হাসপাতালে পাঠালে গুরুতর আহত দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম রেফার্ড করেছেন চিকিৎসকরা।&lt;br /&gt;
বিস্তারিত আসছে..&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন কোচ সালাউদ্দিন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/585</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 10:46:31 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/585</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পদ থেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার রাতে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সালাহউদ্দিনের সঙ্গে বিসিবির বর্তমান চুক্তি রয়েছে ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। তবে জানা গেছে, আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজই হবে তার জাতীয় দলের সঙ্গে শেষ দায়িত্ব। আজই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রায় দুই দশকের কোচিং অভিজ্ঞতা নিয়ে সালাহউদ্দিন বাংলাদেশের ক্রিকেটে পরিচিত মুখ। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলের সহকারী ও ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১০&amp;ndash;১১ মৌসুমে বিসিবির ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে স্পেশালিস্ট কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১৪ সালে সিঙ্গাপুর জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ ডিভিশন ৪ প্রতিযোগিতায় দলকে নেতৃত্ব দেন। তার অধীনে সিঙ্গাপুরের পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC) এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কর্তৃক স্বীকৃত লেভেল ৩ কোচিং সনদধারী সালাহউদ্দিনকে বাংলাদেশের অন্যতম সফল দেশীয় কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ও ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে একাধিক দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ডেইলি সান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র হলেন জোহরান মামদানি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/584</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 10:11:11 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/584</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জোহরান মামদানি ইতিহাসই গড়ে ফেললেন। প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশিয়ান বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি বনে গেলেন নিউইয়র্কের মেয়র। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার গভীর রাতে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই বিষয়টি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৮৪ লাখেরও বেশি জনসংখ্যার এই শহরে তার এই জয় ইতিহাস গড়ল। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শহর এবার পেল এক নতুন নেতৃত্ব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে নিউইয়র্কের মানুষ তার ধর্ম বা জাতিগত পরিচয়ের জন্য নয়, বরং তার মূল বার্তা&amp;mdash;&amp;lsquo;সাশ্রয়ী জীবনযাপন&amp;rsquo;&amp;mdash;এর জন্যই তাকে সমর্থন করেছেন। মামদানী নিজেকে &amp;lsquo;গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী&amp;rsquo; হিসেবে পরিচয় দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো, যিনি এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন। কুয়োমো ভোটের দিনে বলেন, &amp;lsquo;ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে এখন এক ধরনের গৃহযুদ্ধ চলছে। সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার এক দল আছে, যারা মাঝারি অবস্থানের ডেমোক্র্যাটদের চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে।&amp;rsquo;ব্রঙ্কসের জোশুয়া উইলসন বলেন, &amp;lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্সির পর থেকে রাজনীতি অনেক বেশি তীব্র হয়েছে। নতুন তরুণদের উঠে আসা অনেকেই ভয় পাচ্ছে। কিন্তু মামদানী এই পরিস্থিতিতে এক নতুন কণ্ঠ।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শেষ মুহূর্তে ট্রাম্প কুয়োমোকে সমর্থন দিলেও তা উল্টো ফল দেয়। এমনকি কুয়োমোর আগের সমর্থকরাও এবার মামদানীর পক্ষে ভোট দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামদানীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে আছে বিনামূল্যে বাস সেবা, সার্বজনীন শিশু যত্ন এবং ভাড়ার সীমা নির্ধারণ। তিনি বলেছেন, বড় কর্পোরেশন ও ধনীদের ওপর কর বাড়িয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে সামনে তার জন্য চ্যালেঞ্জও কম নয়। মধ্যপন্থীদের সমর্থন ধরে রাখা এবং প্রগতিশীলদের প্রত্যাশা পূরণ &amp;ndash; দুই দিকই সামলাতে হবে তাকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন আশরাফুল, টিম ডিরেক্টর রাজ্জাক! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/583</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 18:08:26 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/583</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচিং প্যানেলে যুক্ত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তাকে ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে দলের টিম ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন বাঁহাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খেলা ছাড়ার পর থেকেই কোচিং পেশায় সক্রিয় আশরাফুল ইতিমধ্যে লেভেল থ্রি কোচিং সার্টিফিকেট সম্পন্ন করেছেন। তিনি বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের সহকারী কোচ এবং জাতীয় ক্রিকেট লিগে বরিশাল দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া নারী ডিপিএলে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবির পরিচালক খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, &amp;ldquo;বাংলাদেশ ক্রিকেটের উত্থান শুরু আশরাফুলের হাত ধরেই। ওর খেলার অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের ব্যাটারদের অনেক কাজে আসবে। প্লেয়ারদের ট্যাকটিক্যাল ভুল কমাতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরেক পরিচালক আমজাদ হোসেন জানান, &amp;ldquo;আপাতত আয়ারল্যান্ড সিরিজ পর্যন্ত আশরাফুলের নিয়োগ হয়েছে। পরে বিশ্বকাপের আগে পুনর্বিবেচনা করা হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন দায়িত্ব পাওয়া আবদুর রাজ্জাক বলেন, &amp;ldquo;টিম ডিরেক্টর হিসেবে আমি সহায়তামূলক ভূমিকা রাখব। আশরাফুলকে এক সিরিজের জন্য নেওয়া হয়েছে, কাজের ধরন দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, &amp;ldquo;মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এখনো সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে আছেন। কাউকে সরানো হয়নি, বরং কোচিং প্যানেলে বাড়তি একজনকে যুক্ত করা হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এনসিপি’সহ ৩ রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিলো নির্বাচন কমিশন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/582</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 17:43:26 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/582</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিনটি দলকে নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিবন্ধন পেতে যাওয়া অন্য দুটি দল হলো&amp;mdash; বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও সাধারণ আম জনগণ পার্টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আখতার আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী), বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরো জানান, আগামীকাল দাবি-আপত্তি আহ্বান করে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি হলে চূড়ান্তভাবে সনদ দেয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্র্রথম আলো, ইউএনবি&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​নোয়াখালীতে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার ৬ যাত্রী নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/581</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 16:46:03 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/581</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার ছয় যাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও তিনজন নারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার কবিরহাট-বসুরহাট সড়কের ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কবিরহাট ফায়ার সার্ভিসের লিডার ফিরোজ আলম ও কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এসকে দেবনাথ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আহত কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্তারিত আসছে...&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেহেরপুর-২ আসনের মনোনয়ন দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দু’পক্ষের রণক্ষেত্রে , ২০ জন আহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/580</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 16:28:00 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/580</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;মেহেরপুর-২ আসনের মনোনয়ন দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দু&amp;rsquo;পক্ষের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে গাংনী উপজেলা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন এবং মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এসময় নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকার অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমজাদ হোসেন নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহরের বাসস্ট্যান্ড দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা করে। পরে আমজাদ হোসেনে তার কার্যালয়ে অবস্থান নিলে জাভেদের নেতাকর্মীরা অফিসেও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। নেতাকর্মীরা অফিসের সামনে থাকা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেন পক্ষের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করে বাসস্ট্যান্ডে আসেন। এসময় আমজাদ হোসেন পক্ষের উত্তেজিত নেতাকর্মীরা জাভেদ মাসুদ মিল্টনের অফিসের হামলা চালায়। অফিসের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র এবং চেয়ার বের করে আগুন ধরিয়ে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আমজাদ হোসনের নেতৃত্বে শহরে বিক্ষোভ মিছিল চলছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে ঘটনার শুরুতে পুলিশের একটি পিকআপ এবং পরে সেনাবাহিনীর কয়েকটি টহল গাড়ি আসলে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে আবারও হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হলে পুলিশের কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানি ইসরাইল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসঙ্গত, গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মেহেরপুরের দুটি আসনে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই মেহেরপুর-২ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের জন্য বিক্ষোভ মিছিল করেছিল জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন সমর্থকরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিএনপি’র প্রার্থী তালিকায় যায়গা হয়নি রুমিন ফারহানার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/579</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 12:32:06 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/579</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে সেই তালিকায় নেই দলের সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নাম। সে বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (৩ নভেম্বর) রাতে বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক টকশোতে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার প্রসঙ্গে মুখ খোলেন রুমিন ফারহানা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার মনোনয়ন আপাতত &amp;lsquo;অন হোল্ড&amp;rsquo; অবস্থায় রয়েছে। বিএনপির দীর্ঘদিনের সহযোগী কিছু দলের সঙ্গে জোটগত সমঝোতার কারণেই ৬৩টি আসন এখনো ঘোষণা করা হয়নি। পাশাপাশি নতুন কিছু দলের সঙ্গেও জোটের আলোচনা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১২-১৫ বছর ধরে সুখে-দুঃখে যেসব দল বিএনপির পাশে ছিল, তাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির আলোচনা হচ্ছে। তাই এখনো কিছু আসন ঝুলে আছে। দল &amp;lsquo;উইনেবল&amp;rsquo; প্রার্থী খুঁজে দেখছে সেই বিবেচনায় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দলের কিছু কর্মী মনোনয়ন না পেয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ, টায়ার পুড়িয়ে প্রতিবাদ করছেন&amp;mdash;এ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, বড় দলে প্রার্থীর সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। অনেক আসনে ১০-১২ জন করে প্রার্থী থাকায় চূড়ান্ত নির্বাচন কঠিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের আবেগকে শ্রদ্ধা করা উচিত। মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থীদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন এবং মনোনয়ন বণ্টনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মনোনয়ন তালিকার বিষয়ে সাবেক সংসদ সদস্য বলেন, তালিকাটি এখনো প্রাথমিক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন আসতে পারে কেউ বাদ পড়তে পারেন, আবার নতুন কেউ যুক্তও হতে পারেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কিছু আইনি জটিলতার কারণেও কয়েকটি আসনের মনোনয়ন স্থগিত রয়েছে। বাগেরহাট-২ আসনকে তিনি এর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নারী প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, যদি বিএনপি নারী মনোনয়ন ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে রাজি হয়, তাহলে চূড়ান্ত তালিকায় আরও নারী যুক্ত হওয়া সম্ভব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, এ ছাড়া কিছু আসনে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে, যার রায় এখনো অপেক্ষমাণ। এসব কারণে সেসব আসনে মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বাগেরহাট-২ আসনের কথা উল্লেখ করে বলেন, যেখানে একজন নিশ্চিত প্রার্থীর মনোনয়ন কেবল কমিশনের দ্বন্দ্বের কারণেই আটকে আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>টানা ৩ মাস বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় কমেছে, সামনে আরো কমার আশংকা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/578</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 12:25:32 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/578</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[টানা তৃতীয় মাসের মতো অক্টোবরেও কমেছে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয়। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই হ্রাসের হার ৭.৪৩ শতাংশ। রপ্তানিকারকরা আশঙ্কা করছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক এবং ব্যাংক খাতের চলমান সংকটের কারণে সামনের মাসগুলোতেও রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫&amp;ndash;২৬ অর্থবছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ ৩.৬৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ৪.১৩ বিলিয়ন ডলারের ছিল। তবে সেপ্টেম্বারের তুলনায় অক্টোবরে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রপ্তানিকারকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত শুল্ক এবং ইউরোপের প্রধান বাজারে চীনের সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের অর্ডারও কমছে। এছাড়া সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার জটিলতাও রপ্তানি কমার একটি কারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এম.এ. রহিম ফিরোজ বলেন, &amp;ldquo;আমাদের অর্ডার আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। বড় ক্রেতারাও অর্ডার কমিয়েছে। এর ফলে নিটিং ও ডাইং ইউনিটের কাজও কমে গেছে। আগামী নির্বাচনের আগে অর্ডারের প্রবাহ বাড়ার সম্ভাবনা নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে অর্ধেক পণ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে এবং একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, যা মোট রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৮.৩৯ শতাংশ কমেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী বলেন, &amp;ldquo;পোশাক রপ্তানি কমার তিনটি প্রধান কারণ&amp;mdash;নির্বাচনকালীন অস্থিরতার আশঙ্কায় ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্কের কারণে চীনা রপ্তানিকারকরা ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করার ফলে বাংলাদেশের অর্ডার কমে যাওয়া, এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খুলতে না পারা।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে ক্রেতারা ঝুঁকি নিতে চাইছে না, ফলে অর্ডার কমানো হয়েছে। চীনের রপ্তানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে, যা আমাদের বাজারকে কিছুটা সঙ্কুচিত করছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যান্য রপ্তানিকারকও জানিয়েছেন, সরকারের ঘোষণার পর অনেক আমানতকারী সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন। এতে গার্মেন্টস মালিকরা ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খুলতে পারছেন না। ব্যাংক পরিবর্তন করাও সহজ নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসে কেবল জুলাইয়েই রপ্তানি বেড়েছিল, পরের তিন মাসে টানা হ্রাস দেখা গেছে। তবে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ২.২২ শতাংশ বেড়েছে। এই চার মাসে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি হয়েছে ১৬.১৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫.৭৯ বিলিয়ন ডলার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অক্টোবর মাসে কেবল তৈরি পোশাক নয়, হিমায়িত ও জীবিত মাছের রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্য ১২ শতাংশ এবং কৃষিপণ্য ১০ শতাংশ। একই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ১৩ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্য ৭ শতাংশ এবং হোম টেক্সটাইল ১৪ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: টিবিএস, সমকাল&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচনে ভোটার প্রতি ১০ টাকা খরচ করতে পারবে প্রার্থীরা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/577</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 11:46:10 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/577</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আইন মন্ত্রণালয় সোমবার (৩ নভেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত অনুমোদনের পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকায় একজন ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা খরচ করতে পারবেন। এর বেশি ব্যয় করলে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে সোমবার। মঙ্গলবার সকালের দিকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবারের সংশোধনায় নির্বাচনী ব্যয় ও রাজনৈতিক দলের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত অর্থের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে, যা প্রার্থীরা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চূড়ান্ত আরপিও-র অনুচ্ছেদ ৪৪-এ নতুন সংযোজন অনুসারে, প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও অনুচ্ছেদ ১৩-এ প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা জামানত, যা আগে ২০ হাজার টাকা ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ পদক্ষেপের মাধ্যমে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সমতা নিশ্চিত করা হবে বলে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​নেপালে  তুষারধসে ৭ পর্বতারোহির মৃত্যু ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/576</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 11:30:57 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/576</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;নেপালের মাউন্ট ইয়ালুং রি-তে তুষারধসে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।&amp;nbsp; এর মধ্যে পাঁচজন বিদেশি পর্বতারোহী এবং দুই নেপালি গাইড।&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র শৈলেন্দ্র থাপা জানান, ৪,৯০০ মিটার উঁচু বেস ক্যাম্পে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদেশি পর্বতারোহীদের জাতীয়তা এবং পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহ থেকে নেপালে আবহাওয়ার অবনতি হচ্ছে, পাহাড়ে তুষারঝড়ের খবরও পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তুষারধসের পর উদ্ধারকারীরা পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছাচ্ছিলেন। একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়। থাপা বলেছেন, মঙ্গলবার ভোরবেলা এই উদ্ধার অভিযান আবার শুরু করার চেষ্টা করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাউন্ট ইয়ালুং রি ৫,৬০০ মিটার (১৮,৩৭০ ফুট) উচ্চতার একটি শৃঙ্গ। এটিকে নতুনদের জন্য একটি পর্বত হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যাদের উচ্চ পর্বত আরোহণের পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। নেপালে বিশ্বের ১৪টি উচ্চতম পর্বতের মধ্যে আটটি রয়েছে, যার মধ্যে মাউন্ট এভারেস্টও আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: যুগান্তর, কালেরকন্ঠ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ নিউইয়র্কে মেয়র নির্বাচন, এগিয়ে মামদানি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/575</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 10:53:24 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/575</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আজ ৪ নভেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল নগরী নিউইয়র্ক সিটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেয়র নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। প্রায় ৮০ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে প্রথম দিকের ভোটার টার্নআউট উল্লেখযোগ্য। এরই মধ্যে ৭ লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর নিউইয়র্কের এই নির্বাচনেই সর্বোচ্চ আগাম ভোট পড়েছে। রবিবার এক দিনেই আগাম ভোট দেন এক লাখ ৫১ হাজার মানুষ। তাছাড়া তরুণ ভোটারদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য, যাদের বয়স ৩৫ কিংবা তার চেয়ে কম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ও প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গণমাধ্যমের দৃষ্টিতে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানি। সবশেষ চারবারের জরিপে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি। নির্বাচনের একদিন আগে, সমর্থকদের নিয়ে সিটি হলের উদ্দেশে হেঁটে যান তিনি। এদিন তার হাতে সাদা ও নীল ব্যানার দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল- আমাদের সময় এখন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ও আবাসন সংকট নিয়ে বিতর্কের ফলে নিউেইয়র্কের বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের সমর্থন কমে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩৪ বছর বয়সী মামদানি প্রথম মুসলিম প্রার্থী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। তিনি আবাসন খাতের সংস্কার এবং জলবায়ু নীতির উপর জোর দিয়ে ক্যাম্পেইন চালিয়েছেন। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট ধারণায় বিশ্বাসী এই তরুণ প্রান্তিক এক প্রার্থী থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের আলোচিত মুখে পরিণত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত জুন মাসের দলীয় প্রার্থী বাঁছাইয়ের নির্বাচনে তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের ভোটার উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি। মামদানি আশা করছেন, আগেরবারের মতো এবারও তরুণ ভোটাররা তার পাশে থাকবেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতকে ভয় দেখাতে চীন থেকে হাঙর সাবমেরিন আনছে পাকিস্তান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/574</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 10:35:28 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/574</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[পাকিস্তান নৌবাহিনী আশা করছে, চীনের নকশায় তৈরি করা সাবমেরিন আগামী বছরে সক্রিয় কার্যক্রমে যুক্ত হবে। দেশটির শীর্ষ অ্যাডমিরাল চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের প্রভাব মোকাবিলায় এবং মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি জোরদারে বেইজিং আরও এগিয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত রোববার চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের নৌ&amp;ndash;প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ বলেন, ২০২৮ সালের মধ্যে পাকিস্তান আটটি হাঙর ক্লাস সাবমেরিন পাবে চীনের কাছ থেকে। এ সময় তিনি জানান, এই বিষয়ে দেশটির সঙ্গে পাকিস্তানের চুক্তি &amp;lsquo;সফলভাবে এগোচ্ছে।&amp;rsquo; তিনি বলেন, এসব সাবমেরিন পাকিস্তানের উত্তর আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরে টহল সক্ষমতা বাড়াবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চীনা সাবমেরিন নিয়ে এই অগ্রগতির খবর এমন এক সময়ে এল, যার কয়েক আগেই পাকিস্তান বিমানবাহিনী মে মাসে চীনা তৈরি জে-১০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ভারতের ফরাসি তৈরি রাফাল বিমান ভূপাতিত করে। পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর এই আকাশযুদ্ধ সামরিক বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছে। এতে চীনা প্রযুক্তির বিপরীতে পশ্চিমা অস্ত্র প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের সাবমেরিন চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম চারটি ডিজেলচালিত অ্যাটাক সাবমেরিন তৈরি হবে চীনে। বাকি চারটি তৈরি হবে পাকিস্তানে, যাতে দেশটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তান এরই মধ্যে চীনের মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের একটি জাহাজঘাঁটি থেকে ইয়াংসি নদীতে তিনটি সাবমেরিন নামিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অ্যাডমিরাল আশরাফ গ্লোবাল টাইমসকে বলেন, &amp;lsquo;চীনা উৎপাদিত প্ল্যাটফর্ম ও সরঞ্জাম নির্ভরযোগ্য, প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর অপারেশনাল প্রয়োজনের সঙ্গে মানানসই।&amp;rsquo; তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;আধুনিক যুদ্ধের ধারা বদলাচ্ছে। এখন মানববিহীন ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাকিস্তান নৌবাহিনী এসব প্রযুক্তির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে এবং চীনের সঙ্গে এ বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চীনের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ইসলামাবাদ। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে চীনের মোট অস্ত্র রপ্তানির ৬০ শতাংশের বেশি গেছে পাকিস্তানে। অস্ত্র বিক্রির পাশাপাশি চীন পাকিস্তানে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে আরব সাগরে প্রবেশের নিজস্ব পথ গড়ে তুলতে। প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ অর্থনৈতিক করিডর তৈরি করা হয়েছে, যা চীনের শিনজিয়াং অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পাকিস্তানের গভীর সমুদ্রবন্দর গোয়াদর পর্যন্ত বিস্তৃত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের নেতৃত্বে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের অংশ এই চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য বিকল্প পথ নিশ্চিত করা, যাতে মালাক্কা প্রণালি&amp;mdash;যা মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মাঝখানে অবস্থিত এবং যুদ্ধে সহজেই অবরুদ্ধ হতে পারে&amp;mdash;এড়িয়ে চলা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই উদ্যোগ চীনের প্রভাব বিস্তার করেছে আফগানিস্তান, ইরান এবং মধ্য এশিয়ার দিকে। একই সঙ্গে এটি কার্যত ভারতকে ঘিরে ফেলেছে&amp;mdash;কারণ চীনের মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের সঙ্গেও বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে। বর্তমানে ভারত দেশীয়ভাবে তৈরি পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন পরিচালনা করছে। এ ছাড়া ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি তিন শ্রেণির ডিজেলচালিত আক্রমণ সাবমেরিনও ভারতের হাতে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অ্যাডমিরাল আশরাফ বলেন, &amp;lsquo;চীনের সঙ্গে এই সহযোগিতা কেবল সামরিক হার্ডওয়্যারের বিষয় নয়; এটি একটি অভিন্ন কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি, পারস্পরিক আস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের প্রতিফলন।&amp;rsquo; তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;আগামী দশকে এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে। শুধু জাহাজ নির্মাণ ও প্রশিক্ষণ নয়, বরং যৌথ কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণা, প্রযুক্তি ভাগাভাগি এবং শিল্প সহযোগিতাও এতে যুক্ত হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধানের শিষে’র কান্ডারি হলেন কারা, কোন আসনে, জেনে নিন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/573</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 09:51:38 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/573</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কোন আসনে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, তার তালিকা প্রকাশ করেছে দলটি। জাতীয় সংসদের আসন ৩০০টি। এর মধ্যে কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি আর কিছু আসন জোটের শরিকদের জন্য রেখে দিয়েছে বিএনপি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ফেনী&amp;ndash;০১, বগুড়া&amp;ndash;০৭ ও দিনাজপুর&amp;ndash;০৩ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করবেন বগুড়া-৬ আসনে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রার্থী ঘোষণার আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পঞ্চগড়-১: মোহাম্মদ নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২: ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও&amp;ndash;১: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঠাকুরগাঁও-৩: মো. জাহিদুর রহমান জাহিদ, দিনাজপুর&amp;ndash;১: মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২: মো. সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩: বেগম খালেদা জিয়া, দিনাজপুর&amp;ndash;৪: মো.আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর&amp;ndash;৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), দিনাজপুর-৬: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নীলফামারী-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নীলফামারী-২: এ এইচ মো. সাইফুল্লাহ রুবেল, নীলফামারী&amp;ndash;৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নীলফামারী&amp;ndash;৪: মো. আব্দুল গফুর সরকার, লালমনিরহাট-১: মো. হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), লালমনিরহাট&amp;ndash;৩: আসাদুল হাবিব দুলু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রংপুর-১: মো. মোকাররম হোসেন সুজন, রংপুর-২: মোহাম্মদ আলী সরকার, রংপুর-৩: মো. সামসুজ্জামান সামু, রংপুর-৪: মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা, রংপুর-৫: মো. গোলাম রব্বানী, রংপুর-৬: মো. সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-১: সাইফুল ইসলাম রানা, কুড়িগ্রাম-২: মো. সোহেল হোসেন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রাম-৩: তাজভীর উল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪: মো. আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-১: খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, গাইবান্ধা&amp;ndash;২: মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু, গাইবান্ধা-৩: সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, গাইবান্ধা-৪: মোহাম্মদ শামীম কায়সার, গাইবান্ধা- ৫: মো. ফারুক আলম সরকার, জয়পুরহাট-১: মো. মাসুদ রানা প্রধান, জয়পুরহাট-২: আব্দুল বারী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বগুড়া-১: কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), বগুড়া-৩: আব্দুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪: মো. মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫: গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬: তারেক রহমান, বগুড়া-৭: বেগম খালেদা জিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: মো. সাজাহান মিয়াঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মো. হারুনর রশিদ, নওগাঁ-১: মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ- ২: মো. সামসুজোহা খান, নওগাঁ-৩: মো. ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪: ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নওগাঁ&amp;ndash;৬: শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, রাজশাহী-১: মো. শরীফ উদ্দীন, রাজশাহী&amp;ndash;২: মো. মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪: ডি এম ডি জিয়াউর রহমান, রাজশাহী-৫: নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬: আবু সাঈদ চাঁদ, নাটোর-১: ফারজানা শারমিন, নাটোর-২: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নাটোর-৪: মো. আব্দুল আজিজ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিরাজগঞ্জ- ১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), সিরাজগঞ্জ-২: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩: ভিপি আয়নুল হক, সিরাজগঞ্জ-৪: এম আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ-৫: মো. আমিরুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ&amp;ndash;৬: এম এ মুহিত, পাবনা-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), পাবনা&amp;ndash;২: এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩: মো. হাসান জাফির তুহিন, পাবনা-৪: হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা- ৫: মো.শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মেহেরপুর-১: মাসুদ অরুন, মেহেরপুর-২: মো. আমজাদ হোসেন, কুষ্টিয়া&amp;ndash;১: রেজা আহম্মেদ, কুষ্টিয়া-২: রাগীব রউফ চৌধুরী, কুষ্টিয়া- ৩: মো. জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪: সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, চুয়াডাঙ্গা-১: মো. শরীফুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা-২: মাহমুদ হাসান খান, ঝিনাইদহ-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঝিনাইদহ-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঝিনাইদহ-৩: মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, ঝিনাইদহ&amp;ndash;৪: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), যশোর-১: মো. মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-২: মোসা. সাবিরা সুলতানা, যশোর&amp;ndash;৩: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪: টি এস আইয়ুব, যশোর-৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), যশোর&amp;ndash;৬: কাজী রওনকুল ইসলাম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মাগুরা-১: মো. মনোয়ার হোসেন, মাগুরা-২: নিতাই রায় চৌধুরী, নড়াইল-১: বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, নড়াইল-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), বাগেরহাট-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), বাগেরহাট- ২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), বাগেরহাট- ৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), খুলনা- ১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), খুলনা&amp;ndash;২: নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪: আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলী আসগর, খুলনা-৬: মনিরুল হাসান বাপ্পী, সাতক্ষীরা-১: মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ, সাতক্ষীরা-৩: কাজী আলাউদ্দীন, সাতক্ষীরা-৪: মো. মনিরুজ্জামান, বরগুনা-১: মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, বরগুনা- ২: নুরুল ইসলাম মনি, পটুয়াখালী-১: আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), পটুয়াখালী-৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), পটুয়াখালী&amp;ndash;৪: এ বি এম মোশাররফ হোসেন, ভোলা-১: গোলাম নবী আলমগীর, ভোলা-২: মো. হাফিজ ইব্রাহীম, ভোলা-৩: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, ভোলা-৪: মো. নুরুল ইসলাম নয়ন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বরিশাল-১: জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২: সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), বরিশাল-৪: মো.রাজীব আহসান, বরিশাল&amp;ndash;৫: মো.মজিবর রহমান সরওয়ার, বরিশাল-৬: আবুল হোসেন খান, ঝালকাঠি-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঝালকাঠি-২: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টু, পিরোজপুর-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), পিরোজপুর-২: আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, পিরোজপুর-৩: মো. রুহুল আমিন দুলাল, টাঙ্গাইল-১: ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, টাঙ্গাইল-২: আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৩: এস এম ওবায়দুল হক নাসির, টাঙ্গাইল-৪: মো. লুৎফর রহমান মতিন, টাঙ্গাইল-৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), টাঙ্গাইল-৬: মো. রবিউল আউয়াল লাবলু, টাঙ্গাইল-৭: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৮: আহমেদ আজম খান, জামালপুর&amp;ndash;১: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২: এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩: মো. মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪: মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫: শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন, শেরপুর-১: সানসিলা জেবরিন, শেরপুর-২: মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর-৩: মো. মাহমুদুল হক রুবেল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ময়মনসিংহ-১: সৈয়দ এমরান সালেহ, ময়মনসিংহ-২: মোতাহের হোসেন তালুকদার, ময়মনসিংহ-৩: এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪: (স্থগিত), ময়মনসিংহ-৫: মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ- ৬: মো. আখতারুল আলম, ময়মনসিংহ&amp;ndash;৭: মো. মাহবুবুর রহমান, ময়মনসিংহ-৮: লুতফুল্লাহেল মাজেদ, ময়মনসিংহ-৯: ইয়াসের খাঁন চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ময়মনসিংহ- ১১: ফকর উদ্দিন আহমেদ, নেত্রকোনা-১: কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২: মো. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩: রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪: মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-৫: মো. আবু তাহের তালুকদার, কিশোরগঞ্জ-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), কিশোরগঞ্জ-২: মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩: ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪: মো. ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), কিশোরগঞ্জ-৬: মো. শরীফুল আলম, মানিকগঞ্জ-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), মানিকগঞ্জ-২: মঈনুল ইসলাম খাঁন, মানিকগঞ্জ-৩: আফরোজা খান রিতা, মুন্সিগঞ্জ-১: শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সিগঞ্জ-২: মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সিগঞ্জ-৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২: আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪: তানভীর আহমেদ রবিন, ঢাকা-৫: নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা&amp;ndash;৬: ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৯: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঢাকা- ১০: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঢাকা-১১: এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঢাকা-১৪: সানজিদা ইসলাম তুলি, ঢাকা-১৫: মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১৬: আমিনুল হক, ঢাকা-১৭: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঢাকা-১৮: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ঢাকা-১৯: দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা&amp;ndash;২০: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), গাজীপুর-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), গাজীপুর-২: এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন, গাজীপুর&amp;ndash;৬: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নরসিংদী-১: খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২: আব্দুল মঈন খান, নরসিংদী-৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নরসিংদী-৪: সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, নরসিংদী-৫: মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নারায়ণগঞ্জ-১: মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দীপু, নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩: মো. আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ&amp;ndash;৪: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), নারায়ণগঞ্জ-৫: মো. মাসুদুজ্জামান, রাজবাড়ী-১: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ফরিদপুর-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ফরিদপুর&amp;ndash;২: শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩: নায়াব ইউসুফ আহমেদ, ফরিদপুর-৪: শহীদুল ইসলাম বাবুল, গোপালগঞ্জ-১: মো. সেলিমুজ্জামান মোল্ল্যা, গোপালগঞ্জ&amp;ndash;২: কে এম বাবর আলী, গোপালগঞ্জ&amp;ndash;৩: এস এম জিলানী, মাদারীপুর&amp;ndash;১: কামাল জামান মোল্লা, মাদারীপুর-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), মাদারীপুর&amp;ndash;৩: আনিসুর রহমান, শরীয়তপুর-১: সাইদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর-২: মো. শফিকুল রহমান কিরণ, শরীয়তপুর&amp;ndash;৩: মিয়াঁ নুরুদ্দিন আহমেদ অপু, সুনামগঞ্জ-১: আনিসুল হক, সুনামগঞ্জ-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), সুনামগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), সুনামগঞ্জ&amp;ndash;৫: কলিম উদ্দিন মিলন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সিলেট-১: খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী, সিলেট- ২: মোছা. তাহসিনা রুশদীর, সিলেট-৩: মোহাম্মদ আবদুল মালিক, সিলেট-৪: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), সিলেট-৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), সিলেট&amp;ndash;৬: এমরান আহমেদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১: নাসির উদ্দিন আহমেদ মীঠু, মৌলভীবাজার-২: সওকত হোসেন সকু, মৌলভীবাজার-৩: নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪: মো. মজিবর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), হবিগঞ্জ&amp;ndash;২: আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৩: মো. জি কে গউস, হবিগঞ্জ-৪: এস এম ফয়সাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: এম এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া&amp;ndash;৩: মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: মুশফিকুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: মো. আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), কুমিল্লা-১: খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা- ২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), কুমিল্লা&amp;ndash;৩: কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪: মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৫: মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬: মো. মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৭: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), কুমিল্লা-৮: জাকারিয়া তাহের, কুমিল্লা-৯: মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০: মো. আব্দুল গফুর ভূঁইয়া, কুমিল্লা- ১১: মো. কামরুল হুদা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চাঁদপুর-১: আ ন ম এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২: মো. জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৩: শেখ ফরিদ আহমেদ, চাঁদপুর-৪: মো. হারুনুর রশিদ, চাঁদপুর-৫: মো. মমিনুল হক, ফেনী-১: বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২: জয়নাল আবেদীন, ফেনী-৩: আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-১: এ এম মাহবুব উদ্দিন, নোয়াখালী-২: জয়নাল আবেদীন ফারুক, নোয়াখালী-৩: মো. বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪: মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫: মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীম, লক্ষ্মীপুর-১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), লক্ষ্মীপুর&amp;ndash;২: মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩: মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-৪: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চট্টগ্রাম-১: নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২: সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), চট্টগ্রাম&amp;ndash;৪: কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), চট্টগ্রাম-৭: হুম্মম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮: এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), চট্টগ্রাম&amp;ndash;১০: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১১: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), চট্টগ্রাম&amp;ndash;১২: মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩: সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), চট্টগ্রাম-১৫: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), চট্টগ্রাম&amp;ndash;১৬: মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, কক্সবাজার-১: সালাহউদ্দিন আহমেদ, কক্সবাজার-২: (প্রার্থী ঘোষণা হয়নি), কক্সবাজার-৩: লুৎফুর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪: শাহজাহান চৌধুরী, খাগড়াছড়ি: আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙ্গামাটি: দীপেন দেওয়ান, বান্দরবান: সাচিং প্রু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খালেদা জিয়া দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে নির্বাচন করবেন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/572</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 18:29:06 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/572</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম পর্যায়ে ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ আসনে নির্বাচন করবেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটে দাঁড়াবেন বগুড়া-৬ আসন থেকে; আর মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থী হবেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম পড়ে শোনান মির্জা ফখরুল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রার্থী ঘোষণার আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে এই বৈঠক হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের প্রথমে নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সৃষ্ট সংগীত ও শরীরচর্চা বিষয়ক শিক্ষক পদ বাতিল করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/571</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 17:50:42 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/571</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সৃষ্ট সংগীত শিক্ষক পদ বাতিল করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বাতিল করা হয়েছে শরীরচর্চা শিক্ষকের পদও।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই দুটি পদ বাদ দিয়ে &amp;lsquo;সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫&amp;rsquo;-এ কিছু শব্দগত সংশোধনসহ নতুনভাবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, শিক্ষক পদ এখন দুটি ক্যাটাগরিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাসুদ আকতার খান। তিনি জানান, রবিবার সংশোধিত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগের বিধিমালায় চার ধরনের সহকারী শিক্ষক পদের মধ্যে সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক পদ যুক্ত ছিল। তবে নতুন সংস্করণে এই দুই পদ বাদ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর চাপে এসেছে কি না&amp;mdash;এমন প্রশ্নে অতিরিক্ত সচিব সরাসরি মন্তব্য না করে বলেন, &amp;lsquo;আপনারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া বিধিমালায় একটি শব্দগত সংশোধন আনা হয়েছে। আগের সংস্করণে বলা ছিল, শিক্ষক নিয়োগে ২০ শতাংশ পদ বিজ্ঞান বিষয়ে এবং ৮০ শতাংশ পদ &amp;lsquo;অন্যান্য বিষয়ে&amp;rsquo; স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য নির্ধারিত। তবে &amp;lsquo;অন্যান্য বিষয়ে&amp;rsquo; শব্দবন্ধটি বিভ্রান্তিকর হওয়ায় এখন বলা হয়েছে&amp;mdash;&amp;lsquo;বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশোধিত বিধিমালাটি দ্রুত কার্যকর করা হবে এবং আগের সব নির্দেশনা এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে হালনাগাদ করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে আরো ৫ জনের মৃত্যু,ভর্তি ১১৪৭ জন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/570</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 17:02:48 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/570</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮৮। এছাড়া গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১১৪৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২,৮২২ জনে। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়েছে, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৩২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৬৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৮৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৪৫ জন, খুলনা বিভাগে ৫৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৫ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ৭০ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রংপুরে ১৯ এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন (সিটি করপোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আমেরিকা পৃথিবীকে দেড়শো বার ধ্বংস্ব করতে সক্ষম: ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/569</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 13:11:59 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/569</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে যথেষ্ট পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা দিয়ে পৃথিবীকে ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়া যাবে।&amp;nbsp; সেইসঙ্গে রাশিয়া ও চীনও গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২ নভেম্বর) সিএবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ৬০ মিনিটস-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই দাবি করেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্পের দাবি, &amp;lsquo;উত্তর কোরিয়া একমাত্র দেশ নয়;যারা পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। রাশিয়া ও চীনও তা করছে, কিন্তু প্রকাশ্যে কিছু বলছে না।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, &amp;lsquo;রাশিয়া পরীক্ষা চালাচ্ছে, চীনও চালাচ্ছে&amp;mdash; কিন্তু তারা এসব নিয়ে কিছু বলে না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাক্ষাৎকারে উপস্থাপিকা নোরা ও&amp;rsquo;ডনেল তাকে বলেন, বর্তমানে কেবল উত্তর কোরিয়াই পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে। তখনই ট্রাম্প পাল্টা মন্তব্য করে এই দাবি করেন। মূলত কয়েকদিন আগেই ৩০ বছরের বেশি সময় পর আবারও পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, &amp;lsquo;অন্য দেশগুলো পরীক্ষা চালাচ্ছে। আমরাই একমাত্র দেশ যারা এই পরীক্ষা করি না। আমি চাই না যে আমরা একমাত্র দেশ হয়ে থাকি যারা পরীক্ষা চালায় না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে তা পরীক্ষা না করা বাস্তবসম্মত নয়। &amp;rsquo; ট্রাম্প প্রশ্ন তোলেন, &amp;lsquo;আপনি অস্ত্র বানালেন, কিন্তু পরীক্ষা করলেন না&amp;mdash; তাহলে জানবেন কীভাবে এটা কাজ করে কিনা?&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি নিয়েও গর্ব প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমাদের কাছে বিশাল পারমাণবিক শক্তি আছে&amp;mdash; যা আর কোনো দেশের নেই। রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানে, আর চীন অনেক পিছিয়ে। তবে পাঁচ বছরের মধ্যে তারা সমান পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;আমাদের পর্যাপ্ত পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা পৃথিবীকে ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়ার মতো। রাশিয়ারও অনেক আছে, আর চীনও দ্রুত এগোচ্ছে।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতের তেলেঙ্গানায়  বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে  ২০ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/568</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 12:41:35 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/568</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তেলেঙ্গানার রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় ভিকারাবাদ-হায়দরাবাদ মহাসড়কের চেভেলায় এ ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলকে ওভারটেক করতে গিয়ে দ্রুতগতির একটি পাথরবোঝাই লরি তেলেঙ্গানা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (আরটিসি) যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাকটি উল্টে গেলে এতে থাকা পাথর বাসের ওপর পড়ে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দুর্ঘটনার পরপর সাইবারাবাদ পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ১৬ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছেন। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জন হয়েছে বলে জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহতদের মধ্যে বাস চালক ও অন্তত ১০ জন নারী রয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চেভেল্লা কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের (সিএইচসি) সুপারিনটেনডেন্ট ডা. রাজেন্দ্র প্রসাদ জানান, দুর্ঘটনায় ২০ জন মারা গেছেন এবং তাদের মরদেহ আমাদের মর্গে আনা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, সামান্য আহত ৬ যাত্রীকে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহতদের পট্টনম মাহিন্দ্রা রেড্ডি ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস এবং ভাস্কর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি। আহতদের হায়দ্রাবাদের গান্ধী হাসপাতাল এবং ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: ডন, আল-জাজিরা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাঁদিয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/567</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 10:51:41 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/567</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;অবশেষে খরা কাটল। ২০০৫ ও ২০১৭ সালের ফাইনালে হারের আক্ষেপ ঘুচিয়ে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস লিখল ভারত। রোববার নাভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরল হারমনপ্রীত কৌরের দল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জয় পেতে রীতিমতো রেকর্ড গড়তে হতো দক্ষিণ আফ্রিকার। ২৯৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একটা সময় পর্যন্ত প্রোটিয়া অধিনায়ক লরা উলভার্টের ব্যাটে ভর করে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ৪২তম ওভারে দীপ্তি শর্মার বলে আমানজোত কৌরের এক অবিশ্বাস্য ক্যাচে উলভার্ট (১০১) ফিরতেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। এরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে প্রোটিয়াদের ইনিংস। ২৪৬ রানে অলআউট হয়ে আরও একবার বড় মঞ্চে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে ভারতের এই ঐতিহাসিক জয়ের অন্যতম রূপকার স্পিনার দীপ্তি শর্মা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট দুটি উইকেট নেন শেফালি ভার্মা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯৮ রানের বিশাল পুঁজি গড়ে। টস জিতে ভেজা মাঠের সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভারতকে অল্প রানে আটকে রাখার আশায় ফিল্ডিং বেছে নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্ট। কিন্তু তার সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দেন দুই ভারতীয় ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা মাত্র ১৭.৩ ওভারে ১০৪ রান তুলে ফেলে। ৮টি চারে ৪৫ রান করে মান্ধানা ফিরলেও শেফালি তার তাণ্ডব অব্যাহত রাখেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জেমিমাহ রদ্রিগেজকে (২৪) নিয়ে জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে রাখেন শেফালি। তবে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৩ রান দূরে থাকতে আউট হন তিনি। ৭টি চার ও ২ ছক্কায় ৮৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে শেফালি যখন ফেরেন, দলের রান তখন ১৬৬। মাঝপথে হারমানপ্রিত কৌর (২০) ও আমানজোত কৌর (১২) দ্রুত ফিরলেও, শেষদিকে হাল ধরেন দীপ্তি শর্মা ও রিচা ঘোষ। এই দুজন মারমুখী ব্যাটিংয়ে ৩৫ বলে ৪৭ রান যোগ করে দলকে তিনশোর কাছাকাছি নিয়ে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রিচা ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ রানের এক ঝড়ো ক্যামিও খেলে আউট হন। দীপ্তি শর্মা ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৫৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে শেষ বলে রান আউট হন। তার ব্যাটে ভর করেই ভারতের সংগ্রহ ২৯৮ পর্যন্ত পৌঁছায়। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আয়াবোঙ্গা খাকা ৯ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আফগানিস্তানে শক্তিশালী ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭জন নিহত ও প্রায়  ১৫০ জন আহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/566</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 03 Nov 2025 10:34:23 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/566</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে শক্তিশালী ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে অন্তত সাতজন নিহত ও প্রায় ১৫০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ। খবর আল জাজিরার।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সোমবার (৩ নভেম্বর) ভোরে হিন্দুকুশ অঞ্চলে মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে খোলম এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পের গভীরতা ১০ কিলোমিটার বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ২৮ কিলোমিটার (১৭ মাইল) জানানো হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইউএসজিএস জানায়, রোববার রাত থেকে সোমবার ভোরের দিকে বিশেষ করে, স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে খলম এলাকায় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। প্রায় ৫ লাখ ২৩ হাজার জনসংখ্যার নগরী মাজার-ই-শরিফের কাছেই এর উপকেন্দ্র ছিল। রাজধানী কাবুলে এএফপির সংবাদদাতারাও ভূমিকম্প অনুভব করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সামাঙ্গান প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র সামিম জোয়ানদা রয়টার্সকে জানান, &amp;lsquo;সকাল পর্যন্ত মোট ১৫০ জন আহত ও সাতজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং সবাইকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দেশটির পূর্বাঞ্চলে দুই মাস আগে আরেকটি ভূমিকম্পে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বালখ প্রদেশের মুখপাত্র হাজি জায়েদ জানান, ভূমিকম্পে মাজার-ই-শরিফের পবিত্র মাজারের (ব্লু মসজিদ) একটি অংশ ধ্বংস হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা এবং ভবনের ধ্বসে পড়া অংশের বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি শেয়ার করা হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়েকটি মরদেহ টেনে বের করছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো জামায়াতে ইসলামীর  আমির নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/565</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 15:58:14 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/565</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২০২৬-২০২৮ সালের জন্য আবারো আমির নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রবিবার দলটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা&amp;rsquo;ছুম শনিবার রাতে সংগঠনের আমির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৯ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের (সদস্য) রুকনদের কাছ থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম ভোট গণনা শেষ করেন। গতকাল শনিবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের আমির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এবারের ইজতেমা হবে নির্বাচনের পর! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/564</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 15:34:06 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/564</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;এবারের ইজতেমা ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে পর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। রোববার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে জুবায়ের ও সা&amp;rsquo;দপন্থিদের সঙ্গে বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে ধর্ম উপদেষ্টা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;বিশেষ পরিস্থিতির কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশে নির্বাচনের আমেজ শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচন উপলক্ষে ব্যস্ত থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাই নির্বাচন ও রমজানের পর ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে তাবলীগ জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে কারা আগে ইজতেমা করবে, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। উপদেষ্টা বলেন, &amp;lsquo;দুই গ্রুপের একসঙ্গে ইজতেমা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুইপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ইজতেমার তারিখ ঠিক করা হবে বলেও জানান ধর্ম উপদেষ্টা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শাহরুখ খানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ জন সিনা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/563</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 11:56:53 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/563</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের প্রশংসায় আবারও মুখ খুললেন ডব্লিউডব্লিউই কিংবদন্তি ও হলিউড তারকা জন সিনা। কিং খানকে &amp;lsquo;এক অবিরাম অনুপ্রেরণা&amp;rsquo; বলে সম্বোধন করে সিনা জানিয়েছেন, শাহরুখের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কথোপকথন ও সৌজন্য আজও তার মনে গেঁথে আছে। খবর বলিউড হাঙ্গামার।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার সূচনা হয় সম্প্রতি এক সেশনে, যেখানে এক ভক্ত শাহরুখকে জিজ্ঞেস করেন, এক শব্দে জন সিনাকে কীভাবে বর্ণনা করবেন? উত্তরে শাহরুখ খান বলেন , তিনি একজন রকস্টার। অত্যন্ত বিনয়ী ও সদয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই টুইট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং তা পৌঁছে যায় জন সিনার কাছেও। এরপর সিনা এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ লিখেন, আপনার সদয়তা ও আমাদের কথোপকথন আমি কখনও ভুলব না। ব্যক্তিগতভাবে এবং সারা বিশ্বের আপনার ভক্তদের মতো আমিও আপনার কাছ থেকে অবিরাম অনুপ্রেরণা পাই। ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জন সিনার শাহরুখ-ভক্তি নতুন নয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে মুম্বাইয়ে অনন্ত আম্বানির বিয়েতে দু&amp;rsquo;জনের সাক্ষাৎ হয়, যা সিনা পরবর্তীতে &amp;lsquo;অত্যন্ত আবেগঘন ও অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা&amp;rsquo; বলে বর্ণনা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগেও তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, শাহরুখ খানের &amp;lsquo;টেড টক&amp;rsquo; তার জীবনের এক বড় মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সিনার ভাষায়, শাহরুখ খানের একটি &amp;lsquo;টেড টক&amp;rsquo; আমার জীবনের ঠিক সেই সময়টায় এসেছিল, যখন আমি পরিবর্তনের সন্ধানে ছিলাম। তার কথা আমাকে গভীরভাবে ছুঁয়ে গিয়েছিল। সেগুলোই আমাকে কৃতজ্ঞতা শিখিয়েছে এবং আমি বুঝেছি আমার জীবনের প্রতিটি সুযোগই একেকটা জ্যাকপট, যা অপচয় করা ঠিক নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিনোদন&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুদানে গৃহযুদ্ধে গত ২ বছরে নিহত দেড় লাখ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/562</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 11:31:29 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/562</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দেশের ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সেনাবাহিনী আর প্যারামিলিটারি গ্রুপ র&amp;zwj;্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে সেসময় থেকে শুরু হয় সশস্ত্র সংঘাত। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংঘাতে সুদানজুড়ে মারা গেছে দেড় লাখের বেশি মানুষ। দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশে। প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি পশ্চিম দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশের শহর আরএসএফ বাহিনী নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর সেখানে তারা গণহত্যা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, সুদানে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকট চলছে। সুদানে কেনো এই পরিস্থিতি তৈরি হলো, তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সুদানে কেন গৃহযুদ্ধ?&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুদানে এখন যে গৃহযুদ্ধ চলছে, তার শুরুটা হয়েছিল ২০১৯ সালে তিন দশক ধরে প্রেসিডেন্ট থাকা ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার মধ্য দিয়ে। ১৯৮৯ সালে সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সুদানের ক্ষমতায় আসা ওমর আল-বশিরকে পদ থেকে সরাতে ২০১৯ সালে সুদানে ব্যাপক হারে বিক্ষোভ হয়। এর ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের পতন ঘটায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের ক্ষমতায় আসে সেনাবাহিনী। তবে সাধারণ মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখে। বিক্ষোভের মুখে সেনাবাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে সরকার প্রতিষ্ঠা হয়, কিন্তু ২০২১ সালের অক্টোবরে আরেকটি অভ্যুত্থানে ওই সরকারও ক্ষমতাচ্যুত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওই অভ্যুত্থানের পেছনে মূলত যে দুইজন ব্যক্তি ছিলেন, তারাই সুদানে চলমান সংঘাতের পেছনে রয়েছেন। এরা হলেন- জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং জেনারেল মোহামেদ হামদান দাগালো। জেনারেল আল-বুরহান সুদানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং সে কারণে তিনিই দেশটির প্রেসিডেন্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে দেশটির উপ-নেতা জেনারেল মোহামেদ হামদান দাগালো কুখ্যাত আধা-সামরিক বাহিনী র&amp;zwj;্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফের কমান্ডার। তিনি হেমেডটি নামেই বেশি পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অল্প কিছুদিন আগেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে ২০১৯ সালে ক্ষমতা থেকে সরাতে তারা দুজন একসাথে কাজ করেছেন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু এক পর্যায়ে আগামীতে দেশটি কিভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়েই এই দুই নেতার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। বিশেষ করে সুদানের ভবিষ্যৎ এবং দেশটির বেসামরিক শাসনে ফিরে যাওয়ার প্রস্তাবনা নিয়ে তারা ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মনে করা হয়, দুই নেতাই তাদের ক্ষমতা, সম্পদ ও প্রভাব বজায় রাখতে চাওয়ায় দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। তাদের দ্বন্দ্বের পেছনে অন্যতম ইস্যু ছিল আরএসএফের এক লাখের বেশি সৈন্যকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার প্রশ্নে। এই সৈন্যদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হলে নতুন বাহিনীকে কে নেতৃত্ব দেবেন সেটা নিয়েও দ্বন্দ্ব শুরু হয় দুই নেতার মধ্যে।&lt;br /&gt;
দুই নেতার মধ্যে এমন উত্তেজনা চলাকালীন অবস্থায় ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আরএসএফ সেনাদের সুদানের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তকে সেনাবাহিনী হুমকি হিসেবে দেখে। এর ধারাবাহিকতায় সে বছরের ১৫ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিছুদিনের মধ্যেই আরএসএফের সেনারা রাজধানী খার্তুমের একটা বড় অংশ দখল করে নেয়। সেনাবাহিনী প্রায় দুই বছর পর ২০২৫ সালের মে মাসে খার্তুমের দখল ফিরে পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আরএসএফ যোদ্ধা কারা?&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই আধা-সামরিক বাহিনীটি গঠিত হয় ২০১৩ সালে, যাদের নিয়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে অনেক বিতর্ক রয়েছে। এই বাহিনীর মূলে রয়েছে জানজাওয়িদ মিলিশিয়া গ্রুপ যারা দাফুরের বিদ্রোহীদের নিষ্ঠুরভাবে দমন করেছে। এই গ্রুপের নেতা ছিলেন জেনারেল দাগালো।&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক নিন্দা ও সমালোচনা সত্ত্বেও ওমর আল-বশির এই গ্রুপটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে স্বীকৃতি দেন, যার নামকরণ করা হয় বর্ডার ইন্টেলিজেন্স ইউনিটস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরে এই গ্রুপটির সদস্যরা সুদানের গোয়েন্দা বিভাগের অংশ হয়ে ওঠে। আরও কয়েক বছর পর ওমর আল-বশির আরএসএফ বাহিনীটি গঠন করেন। তিনি নিজে এই বাহিনীর কার্যক্রম তদারকি করলেও এর প্রধান ছিলেন জেনারেল দাগালো।&lt;br /&gt;
এই দাগালো পরে প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। আল-বশিরকে উৎখাতের পর সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বাধীন সরকারে তিনি উপ-প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;
জেনারেল দাগালো পরে আরএসএফকে একটি শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলেন। এর মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত তার ক্ষমতার উত্থান ঘটতে শুরু করে। আরএসএফ বাহিনী ইয়েমেন ও লিবিয়ার সংঘাতেও জড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয় সুদানের বেশ কয়েকটি সোনার খনিতেও তারা তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বড় ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠেছে। তার মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরের সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে ১২০ জনেরও বেশি প্রতিবাদকারীকে হত্যা করা।&lt;br /&gt;
দেশটির সেনাবাহিনীর বাইরে এরকম শক্তিশালী একটি বাহিনীর উপস্থিতিকেও সুদানের অস্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলতি বছরের জুনের শুরুতে আরএসএফ সুদানের সীমান্তের লিবিয়া ও মিশর সংলগ্ন অঞ্চল দখল করে।&lt;br /&gt;
এরপর অক্টোবরের শেষদিকে এল-ফাশের অঞ্চলের দখল নেওয়ার মাধ্যমে দারফুরের প্রায় শতভাগ ও পার্শ্ববর্তী কোর্দোফান অঞ্চলের সিংহভাগের ওপর দখল প্রতিষ্ঠা করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, আরএসএফ সুদানের বড় একটি অংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে সুদানে আরেকটি সরকার প্রতিষ্ঠা করার দাবি করছে। এর ফলে সুদান দ্বিতীয়বার বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর আগে ২০১১ সালে সুদান ভেঙে দক্ষিণ সুদান নামে একটি আলাদা দেশ তৈরি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সেনাবাহিনী কোন কোন এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে?&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুদানের উত্তর আর পূর্বের অধিকাংশ অঞ্চল সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। ধারণা করা হয়, সুদানের সেনাবাহিনীকে সহায়তা করছে মিশর। সুদানের সেনাবাহিনীকে মিশরের সমর্থন করার কারণ হিসেবে মনে করা হয় দুই দেশের সীমান্তে সংযোগ আর নীল নদ ঘিরে দুই দেশের অর্থনৈতিক নির্ভরতা।&lt;br /&gt;
সেনাপ্রধান জেনারেল বুরহান লোহিত সাগরে অবস্থিত পোর্ট সুদানকে তার প্রধান ঘাঁটি ও জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে পোর্ট সুদান শহর হিসেবে একেবারেই নিরাপদ নয়। আরএসএফ চলতি বছরের মার্চে সেখানে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে।&lt;br /&gt;
গত মার্চেই আরএসএফের হাত থেকে দারফুর শহর পুনর্দখল করে সেনাবাহিনী। যদিও সেনাবাহিনী যখন দারফুরের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়, তখন শহরটি পুরো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;
এর কিছুদিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গেজিরাও সেনাবাহিনী দখলে নেয়। কিন্তু অক্টোবরের শেষদিকে দারফুরের এল-ফাশের আরএসএফ সেনাদের দখলে যাওয়াকে সেনাবাহিনীর বড় পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সুদানে কি গণহত্যা চলছে?&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দারফুরের বহু মানুষ বিশ্বাস করে যে আরএসএফ ও তাদের সাথে জোটবদ্ধ মিলিশিয়া গোষ্ঠী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত অঞ্চলটিকে আরব শাসিত একটি এলাকায় পরিণত করতে চায়। গত বছরের মার্চে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এমনও তথ্য দিয়েছে যে সশস্ত্র সেনারা এক বছর বয়সী শিশুদেরও ধর্ষণ করেছে এবং যৌন নির্যাতন করেছে।&lt;br /&gt;
এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশুদের অনেকে আত্মহত্যা করারও চেষ্টা করেছে। এছাড়া গত বছরের মার্চেই দারফুরের স্থানীয় মাসালিট গোষ্ঠী ও আরব নয় এমন কিছু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আরএসএফ ও তাদের সশস্ত্র জোটসঙ্গীরা গণহত্যা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ওই অঞ্চলে করা জাতিসংঘের তদন্তে উঠে আসে যে আরএসএফের গণহত্যা ছাড়াও সুদানের সেনাবাহিনীও ব্যাপক মাত্রায় যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত।&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, তাদের কাছে এমন বক্তব্যও রয়েছে যে আরএসএফ সেনারা যৌন আক্রমণ করার সময় অনারব নারীদের উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করেছেন যে তাদের গর্ভে জোরপূর্বক &amp;zwnj;&amp;lsquo;আরব সন্তান&amp;rsquo; দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
এখন এল ফাশের অঞ্চল থেকে আসা সহিংসতা ও গণহত্যার যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ওই অঞ্চলে থাকা প্রায় আড়াই লাখ মানুষের ভবিষ্যত নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই আড়াই লাখ মানুষের একটা বড় অংশ জাতিগভাবে আরব নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আল-জাজিরা, আনাদোলু, রয়টার্স&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কেনিয়ায় পাহাড়ি ধসে ২১ জন নিহত, নিখোজ ৩০! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/561</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 11:17:33 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/561</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;কয়েক দিন ধরে প্রবল বর্ষণের জেরে বড় ভূমিধস ঘটেছে কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ এলগেও মারাকোয়েতের চেসোঙ্গোচ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন এবং এখনও নিখোঁজ আছেন ৩০ জন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার গভীর রাতে চেসোঙ্গোচ জেলার রিফ্ট উপত্যকা অঞ্চলে ঘটেছে এই ভূমিধস। নিহত ও নিখোঁজের পাশপাশি বেশ কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩০ জনকে হেলিকপ্টারে করে নিকটবর্তী এলডোরেট শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন করেছে কেনিয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূমিধসে রিফ্ট উপত্যকা অঞ্চলের এক হাজারেরও বেশি বাড়ঘর ধ্বংস হয়েছে এবং ব্যাপকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। শনিবার থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। তবে সড়ক নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়ায় এবং বৃষ্টি এখনও থাকায় উদ্ধার তৎপরতায় কাঙিক্ষত গতি আনা যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূমিধস থেকে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা স্টিফেন কিটোনি কেনিয়ার টেলিভিশন চ্যানেল সিটিজেন টেলিভিশনকে বলেছেন, অন্যান্য দিনের মতো তিনি স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে শুক্রবার রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে তাদের ঘুম ভেঙে যায় এবং তারা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটতে শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেনিয়ার পার্বত্য জেলা চেসোঙ্গোচে ভূমিধস বিরল কোনো দুর্যোগ নেয়। এর আগে ২০১০ এবং ২০১২ সালের বর্ষাকালেও ভূমিধস ঘটেছিল এই জেলায় এবং এ দুই ভূমিধসে কয়েক ডজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। তারপর ২০২০ সালে ব্যাপক বন্যায় একটি শপিং সেন্টার ভেসে গিয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশে আগমনে ভারতের করা মন্তব্যের জবাব দিলো বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/560</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 11:01:33 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/560</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চলতি মাসের শেষ দিকে ঢাকায় আসছেন ডা. জাকির নায়েক। তবে তার এই আগমনকে মোটেও ভালো চোখে দেখছে না নয়া দিল্লী। এ নিয়ে গত ৩০ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল বাংলাদেশকে বার্তাও দিয়েছিলেন। তবে এবার সেই বক্তব্যের জবাব দিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাকির নায়েক এখন আছেন মালয়েশিয়ায়। সেখান থেকে এ মাসের শেষ দিকে ঢাকায় আসবেন তিনি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ডা. জাকির নায়েক আগামী ২৮ ও ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশের একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন বলে জানা গেছে। স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের আয়োজনে অনুষ্ঠানটির স্থান হতে পারে আগারগাঁও এলাকায়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে তিনি দেশে পা রাখলেই তাকে যেন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়, বাংলাদেশের কাছে এমন কিছুই আশা করছে ভারত। বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশিষ্ট এই ইসলামি স্কলারের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মন্তব্য বাংলাদেশের নজরে এসেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মুখপাত্র এস. এম. মাহবুবুল আলম বাসসকে বলেন, &amp;lsquo;ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একজন বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে যে মন্তব্য করেছেন, তা আমাদের নজরে এসেছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;আমরাও বিশ্বাস করি যে, কোনো দেশের অন্য দেশের কোনো অভিযুক্ত বা পলাতক ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত ৩০ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল বলেন, &amp;lsquo;জাকির নায়েক একজন পলাতক আসামি। তিনি ভারতে ওয়ান্টেড। তাই আমরা আশা করি, তিনি যেখানেই যান না কেন, সংশ্লিষ্ট দেশ তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এবং আমাদের নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাইবান্ধায় গরু চোর  সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/559</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 10:41:10 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/559</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নাসিরাবাদ গ্রামের এক ব্যক্তির গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল তিনজন। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী ধাওয়া করলে তারা প্রাণ বাঁচাতে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে লাফ দেয়। পরে স্থানীয়রা তাদের ধরে বেধড়ক মারধর করে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় আরেকজনকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয়দের দাবি, নিহতরা সবাই পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার একটি সংঘবদ্ধ গরুচোর চক্রের সদস্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওসি আরও বলেন, মরদেহ বর্তমানে গোবিন্দগঞ্জ থানায় রাখা হয়েছে। তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনাটি সঠিকভাবে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নাইজেরিয়ায় সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/558</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 10:36:17 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/558</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের হত্যার অভিযোগ তুলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, নাইজেরিয়া সরকার পদক্ষেপ না নিলে মার্কিন সাহায্য বন্ধের পাশাপাশি দেশটিতে দ্রুত ও &amp;ldquo;নির্মম&amp;rdquo; হামলা চালানো হতে পারে। রবিবার (২ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সি (এএ) তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদমাধ্যম দুটি জানায়, ট্রাম্পের হুমকির একদিন আগেই নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে এবং উগ্র ইসলামপন্থিদের হামলায় দেশটিতে হাজার হাজার খ্রিস্টান নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, নাইজেরিয়ার সরকার যদি খ্রিস্টানদের হত্যা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে দেওয়া সব ধরনের সাহায্য অবিলম্বে বন্ধ করে দেবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;আমরা খুব সম্ভবত ওই লজ্জিত দেশে প্রবেশ করবো&amp;mdash;&amp;lsquo;বন্দুক গর্জে উঠবে&amp;rsquo;, যাতে ইসলামি সন্ত্রাসীদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করা যায়, যারা এসব ভয়াবহ নৃশংসতা চালাচ্ছে।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে তিনি কোন গোষ্ঠী বা কোন ঘটনাকে &amp;ldquo;নৃশংসতা&amp;rdquo; বলছেন, তা উল্লেখ করেননি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ট্রাম্প লিখেছেন, &amp;ldquo;আমি আমাদের ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারকে সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিচ্ছি। যদি আমরা হামলা চালাই, তা হবে দ্রুত, নির্মম এবং মধুর&amp;mdash; যেমনভাবে ওই সন্ত্রাসীরা আমাদের প্রিয় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। সতর্কবার্তা: নাইজেরিয়ার সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিক!&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাইজেরিয়া সরকার এখনো ট্রাম্পের ওই হুমকির বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর একদিন আগে ট্রাম্প জানান, আফ্রিকার শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী ও সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের &amp;lsquo;বিশেষ উদ্বেগের দেশ&amp;rsquo; তালিকায় যুক্ত করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মূলত সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ডানপন্থি রাজনীতিক ও প্রভাবশালী কিছু মহল দাবি করে আসছে, নাইজেরিয়ার সহিংস ঘটনাগুলো মূলত &amp;ldquo;খ্রিস্টান গণহত্যার&amp;rdquo; অংশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নাইজেরিয়ায় বহু বছর ধরে চলা সহিংসতা কার্যত দীর্ঘদিনের জটিল নিরাপত্তা সমস্যার ফল, যার পেছনে শুধু ধর্ম নয়, সন্ত্রাসবাদ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক বৈষম্যও বড় কারণ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: আল-জাজিরা, আনাদোলু&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা -আন্তর্জাতিক ডেস্ক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভোলায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ: আহত  ৫০ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/557</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 17:50:43 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/557</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভোলায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও ইটপাকটেল নিক্ষেপ করে উভয় পক্ষ। রাস্তার ওপর রাখা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অর্ধ শতাধিক কর্মী সমথর্ক আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জন্য এক দল অপর দলকে দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের নতুন বাজার ও পৌরসভার সামনে এ ঘটনা ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ সকাল ১১টায় নতুন বাজার বিজেপি কার্যালয় থেকে মিছিল বের করেন দলটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি সদর রোড ও চকবাজার ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে এসে সমাবেশ করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে নির্বাচন বিলম্বিত ও বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিএনপি দুপুর সাড়ে ১২টায় মহাজনপট্টি দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল বের করে। মিছিলটি সদর রোড, বাংলাস্কুল মোড় ঘুরে নতুন বাজার প্রবেশ করলে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষপের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি ও বিজেপি অফিস বেশ কিছু আসবাবপত্র। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাস্তার পাশের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনার পর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলার অভিযোগ করেছে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে ভোলা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রাইসুল আলম জানান, নির্বাচন বিলম্বিত ও বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দেয় বিএনপি। প্রশাসনের দেওয়া সময় অনুযায়ী দুপুর সাড়ে ১২টায় মিছিল শুরু করা হয়। বিজেপির ১২টার আগেই মিছিল শেষ করার কথা ছিল। তাদের (বিএনপির) মিছিল বাংলাস্কুল মোড়ে গেলে মুখোমুখি হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা তাদেরকে (বিজেপি) ফিরে যেতে বলেছিল। সে কথা উপেক্ষা করে তারা ঢিল ছোড়ে। এই ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল শুরু হয়। বিএনপিকে হেয় প্রতিপন্ন করতে কিছু বহিরাগত লোক ছিল সেখানে। দলীয় নেতারা তাদের তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগে করে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সোপান জানান, শান্তিপূর্ণ মিছিলে তারা (বিজেপি) হামলা চালিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজেপির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম জানান, বিজেপির অঙ্গ সংগঠনের প্রোগ্রাম ছিল। পুলিশের গাইডলাইন অনুযায়ী তারা সভা করেছেন। সভার শেষ পর্যায়ে বিএনপির একটি গ্রুপ হামলা চালিয়েছে বিএনপি ও বিজেপির জোট ও ঐক্য নষ্ট করার জন্য।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, তাদের আহত ছয়জনকে বরিশাল ও ৩০ জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। তবে বিএনপির মিছিলে হামলার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু শাহাদৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানান, বিএনপির মিছিলকারীরা ডিসি অফিসের সামের রাস্তা দিয়ে না গিয়ে জোর করে নতুন বাজারে দিকে রওয়ানা করে। প্রেস ক্লাবের সামনে আসলে বিজেপির পার্টি অফিস থেকে লোকজন পৌরসভার দিকে আগায়। এ সময় দু&amp;rsquo;পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। তখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারা আইন ভঙ্গ করেছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২০০৭ সালের পর জন্ম নিলে সারাজীবন ধুমপান নিষিদ্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/556</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 17:16:01 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/556</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে মালদ্বীপ। দেশটির সরকার ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর করেছে নতুন এক নিয়ম। ২০০৭ সালের জানুয়ারির পর যারা জন্মেছেন, তারা কেউই আর ধূমপান করতে পারবেন না। এর মধ্য দিয়ে মালদ্বীপ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে প্রজন্মভিত্তিক ধূমপান নিষিদ্ধের আইন কার্যকর করল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার মালদ্বীপের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি&amp;ndash;কে জানায়, &amp;lsquo;&amp;lsquo;২০০৭ সালের জানুয়ারির পর জন্ম নেওয়া কেউ তামাকজাত পণ্য ক্রয়, ব্যবহার কিংবা বিক্রি করতে পারবেন না।&amp;rsquo;&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু এই উদ্যোগের অনুমোদন দেন। তাঁর দপ্তর জানায়, &amp;lsquo;&amp;lsquo;এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা ও তামাকমুক্ত প্রজন্ম গঠনের পথে একটি বড় মাইলফলক।&amp;rsquo;&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন আইনে বলা হয়েছে, &amp;lsquo;&amp;lsquo;এই নিষেধাজ্ঞা সব ধরনের তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং বিক্রেতাদের তামাক বিক্রির আগে ক্রেতার বয়স যাচাই করতে হবে।&amp;rsquo;&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া এই নিয়ম মালদ্বীপ ভ্রমণকারী পর্যটকদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। এক হাজার ১৯১টি প্রবালদ্বীপ নিয়ে গঠিত দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটি নিরক্ষরেখা বরাবর প্রায় ৮০০ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত&amp;mdash;বিলাসবহুল রিসোর্ট ও পর্যটনের জন্য যেটি সুপরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে সব বয়সের মানুষের জন্য ই&amp;ndash;সিগারেট ও ভ্যাপিং পণ্য আমদানি, বিক্রি, বিতরণ, মজুত ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।&lt;br /&gt;
কেউ যদি অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে তামাকজাত পণ্য বিক্রি করে, তাকে ৫০ হাজার রুপিয়া পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। আর ভ্যাপিং যন্ত্র ব্যবহার করলে ৫ হাজার রুপিয়া জরিমানার বিধান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বে এ ধরনের প্রজন্মভিত্তিক ধূমপান নিষিদ্ধের আইন কার্যকরের চেষ্টা করছে যুক্তরাজ্য, যা এখন আইনি প্রক্রিয়াধীন। তবে এমন আইন প্রথম প্রণয়ন করেছিল নিউজিল্যান্ড&amp;mdash;২০২৩ সালের নভেম্বরে তারা সেটি বাতিল করে দেয়, কার্যকরের এক বছরেরও কম সময়ের মাথায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মালদ্বীপের এই সিদ্ধান্ত শুধু জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেই নয়, বৈশ্বিক তামাকবিরোধী আন্দোলনেও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: এএফপি&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিদেশিদের হাতে বন্দর ইজারার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনশন কর্মসূচি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/555</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 17:00:29 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/555</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন সংগঠনের নেতারা।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শ্রমিক নেতারা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দর লাভজনক সত্ত্বেও বিদেশি কোম্পানির ব্যবসায়িক স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদীদের এ অঞ্চলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিউমুরিং টার্মিনাল ও লালদিয়ার চর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। বিনা প্রতিরোধে এ চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার বন্দর এলাকায় একমাসের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার বিনা টেন্ডারে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিউমুরিং টার্মিনাল তুলে দেওয়ার আয়োজন সম্পন্ন করেছিল। গণ অভ্যুত্থানের পরও বর্তমান সরকার কেন আওয়ামী লীগের এ চক্রান্ত বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, তার জবাব সরকারকে দিতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারা আরও বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষায় চট্টগ্রামের নাগরিক, শ্রমিক, পেশাজীবী, ছাত্ররা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি দিয়ে দেশবিরোধী এ তৎপরতা প্রতিহত করা হবে। সম্প্রতি বন্দরের মাশুল বাড়ানো বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি করছেন তারা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার ওপর লাভে আছে। তারপরও বিদেশি কোম্পানির হাতে বন্দর তুলে দেওয়ার আগে তাদের মুনাফা নিশ্চিতের জন্য সরকার বন্দরের ট্যারিফ ৪১% বাড়িয়েছে। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার ও ন্যায্যতা নেই। কিন্তু বর্তমান সরকার যে রকম তড়িঘড়ি ও কারও মতামতের তোয়াক্কা না করে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে, তাতে প্রবল সন্দেহ গণীভূত হয়ে উঠেছে, সরকার কাদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে? অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে একাধিক বন্দর নেই, দেশের সিংহভাগ আমদানি রপ্তানি যে বন্দর দিয়ে হয়, সে বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে কেউ তুলে দেয় না। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থানগত কারণে এর সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব-নিরাপত্তার কৌশলগত প্রশ্নও যুক্ত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বাংলাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জামালপুরে ঝিনাই নদীতে নিখোঁজ পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনজনের লাশ উদ্ধার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/554</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 15:37:03 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/554</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জামালপুরের মাদারগঞ্জে চরভাটিয়ান গ্রামে ঝিনাই নদীতে নিখোঁজ পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পলি আক্তার (১২), আবু হোসেন (৮) ও সায়েবা আক্তার (৮) নামে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করে। নিখোঁজ রয়েছে আরো দুই শিশু। নিখোঁজ দু&amp;rsquo;জনকে উদ্ধারের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে ডুবুরি দল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা অনুমানিক ৩টার দিকে মাদারগঞ্জ উপজেলার চর ভাটিয়ানি মধ্যপাড়া গ্রামের ঝিনাই নদীর আনোয়ারের বাড়ির ঘাটে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ওই পাঁচ শিশু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তারা হলো- চর ভাটিয়ানি গ্রামের দুদু মিয়ার ১২ বছরের শিশুকন্যা পলি আক্তার ও আট বছরের শিশুপুত্র মো: আবু হোসেন। একই গ্রামের আজাদ মিয়ার ১০ বছরের শিশুকন্যা কুলসুম, একই উপজেলার বাউশী গ্রামের নুর ইসলামের আট বছরের শিশুকন্যা সায়েবা আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা একজনসহ পাঁচ শিশু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল্ল্যা সাইফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, &amp;lsquo;ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। শিশু কুলসুম ও অজ্ঞাতনামা শিশুর লাশ উদ্ধারে এখনো কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/সারাদেশ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিষেধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/553</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 15:21:24 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/553</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন এ নির্দেশনায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত কর্মকর্তাদের একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। সম্প্রতি বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন নিয়ে পরিপত্র জারি করেছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়, বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এর আগের পরিপত্র এবং অর্থ বিভাগের গত ৮ জুলাইয়ের এক চিঠিতে বিদেশ ভ্রমণ সীমিতকরণসহ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে আরও বলা হয়, &amp;lsquo;লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, জারিকৃত পরিপত্রগুলোর নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করে বিদেশ ভ্রমণের ঘটনা ঘটছে। মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও সচিব একই সময়ে বৈদেশিক সফরে যাচ্ছেন। একই মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা একসঙ্গে বিদেশে যাচ্ছেন। এ ধরনের প্রস্তাব প্রায়ই এ কার্যালয়ে প্রেরণ করা হচ্ছে যা আগের দেওয়া নির্দেশনাগুলোর পরিপন্থি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমতাবস্থায়, এর আগে জারি করা সব বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন এবং এখন থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত একান্ত অপরিহার্য কারণ ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয় নতুন পরিপত্রে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ পরিপত্রের কপি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সব উপদেষ্টার একান্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চরাঞ্চলে ত্রাস সৃষ্টি করা কে এই  কাকন বাহিনী’র ‘কাকন’! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/552</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 15:12:34 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/552</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রোকনুজ্জামান কাকন। সবাই ডাকেন &amp;lsquo;ইঞ্জিনিয়ার কাকন&amp;rsquo;। কুষ্টিয়া, পাবনার ঈশ্বরদী, সুজানগরের নাজিরগঞ্জ, নাটোরের লালপুর এবং রাজশাহীর বাঘা ও চারঘাটের বিস্তীর্ণ চরে এখন ভয়ংকর তিনি। কাকন বাহিনীর ভয়ে নদীতে মাছ ধরতে নামতে পারেন না জেলেরা। সাধারণ কৃষক চরের জমিতে করতে পারছেন না চাষবাস। সিরাজ সিকদার, লালচান ও পান্না বাহিনীর পর কাকন এখন পদ্মার চরে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছর ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পালাবদলের পর কাকন আত্মগোপনে চলে গেলেও সম্প্রতি ফের বেপরোয়া তাঁর বাহিনী। চরবাসীর অভিযোগ, কাকন বাহিনী কথায় কথায় গুলি করে মানুষ হত্যা করে। চর দখল, অবৈধ বালু উত্তোলন ও আধিপত্য বিস্তার করতে অস্ত্রের মহড়া, গুলি, ডাকাতি, নির্যাতন নিত্যদিনের ঘটনা। গত ছয় মাসে কাকনসহ বাহিনীর বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানাতেই ছয়টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া লালপুর ও বাঘা থানায় একাধিক মামলা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কাকন ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়া গ্রামের জমির মাস্টারের ছেলে কাকন থাকেন কখনও পাবনার ঈশ্বরদীতে, আবার কখনও নাটোরের লালপুরে। তাঁর বাহিনীতে তিন সন্ত্রাসী বেশ সক্রিয়। তারা হলেন ঈশ্বরদী যুবলীগ নেতা মিলন চৌধুরী, কুষ্টিয়ার কালু ও মুকুল। তারা এক হয়ে &amp;lsquo;কাকন বাহিনী&amp;rsquo;। এর মধ্যে মুকুল এখন কারাবন্দি। ফলে কাকন, মিলন ও কালু মিলে বাহিনী চালাচ্ছেন। বাহিনীতে রয়েছে শতাধিক অস্ত্রধারী সদস্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একসময় দক্ষিণাঞ্চলের &amp;lsquo;ত্রাস&amp;rsquo; সিরাজ সিকদারের সঙ্গে একই পথে চলাচল থাকলেও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কাকন ও কালু বাহিনী দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। পরে নিজ এলাকা ছেড়ে ঈশ্বরদীর ভাটাপাড়া এলাকায় থাকতে শুরু করেন কাকন। আধিপত্য বজায় রাখতে লালচান ও পান্না বাহিনীর সঙ্গে এক হয়ে ঈশ্বরদী ও লালপুরের পদ্মা চরাঞ্চলে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন কাকন। ২০০৬ সালে পান্না ও লালচান কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। এরপর দুই বাহিনীর অন্তত ৩২ সদস্য কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা পড়েন। এ সময় কাকন বিদেশে পালিয়ে যান। ২০০৯ সালে কাকন ও কালু দেশে ফিরে এসে দল গঠন করেন। ২০১৪ সালে &amp;lsquo;ক্রসফায়ারের ভয়ে&amp;rsquo; ফের দেশ ছাড়েন কাকন। ২০১৯ সালে দেশে ফিরে এলাকার পুরোনো লোকজনকে এক করে ফের সন্ত্রাসের পথে পা বাড়ান। সে সময়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় লালপুরের পদ্মা নদীতে বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে উত্থান হয় কাকনের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগে লালচানের উত্থান হয়েছিল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর আবেদের ঘাট ও চরের জমি দখল করে। আর বাঘা-লালপুরের চরের জমি দখল করে পান্না বাহিনীর নাম সামনে আসে। তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ, দখলবাজি, হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে বাঘা, দৌলতপুর ও লালপুর থানায় একাধিক মামলা ছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত সোমবার রাজশাহীর বাঘায় কাকন বাহিনীর সদস্যরা গুলি করে দুজনকে হত্যা করে। এর আগে গত ২৬ মে ঈশ্বরদীর সাঁড়াঘাটে বালুমহাল দখল করা নিয়ে কাকন বাহিনীর গুলিতে ছয়জন বিদ্ধ হন। গত ২৮ মে কয়েকজন কৃষককে পিটিয়ে দুটি গরু ছিনতাইয়ের পর সেগুলো চরে জবাই ও ভূরিভোজ করে বাহিনীর সদস্যরা। গত ৫ জুন সাঁড়াঘাটের ইসলামপাড়া বালুমহালে গুলি চালিয়ে নদীর আশপাশের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। গত ১১ জুন পদ্মা নদীতে চর দখল করতে এসে গোলাগুলির সময় কাকন বাহিনীর ছয় সদস্যকে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।&lt;br /&gt;
গত ২১ জুন সাঁড়াঘাটে গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং ১২ জুলাই চরে এক রাখালকে গুলি করে কাকনের লোকজন। গত ৬ অক্টোবর পদ্মা নদীতে হামলা চালিয়ে তরিয়া মহলের ইজারাদার মেহেদী হাসানের নৌকা ও স্পিডবোট ছিনতাই করা হয়। এ সময় অতর্কিত গুলিতে নদীর পাড়ে কাজ করার সময় দুই কৃষক গুলিবিদ্ধ হন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঈশ্বরদীর সাঁড়াঘাটের রানা খরিয়া তরিয়া মহল ঘাটের ইজারাদার মেহেদী হাসান জানান, তিনি গত বৈশাখে ৪৭ লাখ টাকা দিয়ে তরিয়া ঘাট ইজারা নেন। অথচ কাকন বাহিনী তাঁর ঘাট দখলে নিতে অন্তত পাঁচবার হামলা চালিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত বছর ৫ আগস্টের পর কাকন বাহিনী কুষ্টিয়ার কালু ও মুকুলকে একসঙ্গে নিয়ে জোট গঠন করে। তিন গ্রুপ এক হয়ে কাকন বাহিনীর নামে নদীতে রাজত্ব করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নৌ পুলিশ, ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও বালুমহাল-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বালু উত্তোলন নিয়ে ভেড়ামারা প্রান্তের ইজারাদার কাকন আলী ও ঈশ্বরদী প্রান্তের ইজারাদার সুলতান আলী বিশ্বাস টনির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল। কাকন বাহিনীর সদস্যরা স্পিডবোট ও নৌকায় করে এসে ঈশ্বরদীর সাঁড়াঘাট এলাকায় মাঝেমধ্যেই গুলি করে। গত ২২ মে সকালে বালুমহাল দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়। ঈশ্বরদীর সাঁড়াঘাট বালুমহালের ইজারাদার সুলতান আলী বিশ্বাস টনি বলেন, চরের আট কৃষককে পিটিয়ে জখম এবং কৃষকের গরু লুট করে কাকন বাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঈশ্বরদীর পদ্মার চরাঞ্চলে কৃষকের ওপর হামলা, গুলি, গরু লুটের বিষেয় ভুক্তভোগী কৃষক আবদুল মোত্তালিব বলেন, কাকন বাহিনীর লোকজন মাঝেমধ্যেই গুলি করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। পদ্মার চরে কেউ গেলে বা জেলেরা নদীতে মাছ ধরার আগ্রহ দেখালে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৮ দফা দাবিতে সিলেটে রেলপথ অবরোধ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/551</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 14:58:02 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/551</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রেলপথ সংস্কার সিলেট-কক্সবাজার ও সিলেট-ঢাকা রেলপথে দুটি নতুন ট্রেন চালুসহ আট দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষিত রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি চলবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল, শমশেরনগর, ভানুগাছ স্টেশনে দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটির পাশাপাশি সাধারণ মানুষও একাত্মতা প্রকাশ করে লাল পতাকাসহ স্টেশনগুলোতে অবস্থান নিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলনের সমন্বয়ক আজিজুল ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক আতিকুর রহমান আখই এক বিবৃতিতে সাধারণ জনগণকে ১ নভেম্বর ট্রেন ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন আগেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিলেট অঞ্চলের রেলপথের বেহাল অবস্থা দূর করতে এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বিগত ৪ মাস থেকে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর কুলাউড়ায় অবস্থান ধর্মঘট চলাকালে আন্দোলনকারীরা ট্রেন আটকালে রেলওয়ের ঢাকা অঞ্চলের ডিআরএম ১৫ দিনের মধ্যে আলোচনার আশ্বাস দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর ১০ অক্টোবর কুলাউড়া জংশন স্টেশনের ভিআইপি ওয়েটিং রুমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন রেলওয়ের ঢাকা অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. মহিউদ্দিন আরিফ। তবে বৈঠকে আশ্বাসে সন্তুষ্ট না হয়ে আন্দোলনকারীরা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১ নভেম্বর অবরোধের ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলনকারীদের ৮ দফা দাবি হলো- সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রুটে দুটি স্পেশাল ট্রেন চালু; আখাউড়া-সিলেট রেলপথ সংস্কার ও ডাবল লাইন বাস্তবায়ন; আখাউড়া-সিলেট সেকশনে অন্তত একটি লোকাল ট্রেন চালু; আখাউড়া-সিলেট সেকশনের সব বন্ধ স্টেশন পুনরায় চালু; কুলাউড়া জংশন স্টেশনে বরাদ্দকৃত আসনসংখ্যা বৃদ্ধি; কালনী ও পারাবত ট্রেনের যাত্রাবিরতি প্রত্যাহার; শিডিউল বিপর্যয় রোধে ত্রুটিমুক্ত ইঞ্জিন ব্যবহার ও যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনে অতিরিক্ত বগি সংযোজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলনকারীদের দাবি, রেলওয়ের অবহেলার কারণে সিলেটবাসী প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাই দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন। কুলাউড়া রেল স্টেশনে উক্ত কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাছ খান, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবেদ রাজা প্রমুখ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে অবরোধ চললেও সকাল সাড়ে আটটার পর সিলেট থেকে আসা ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস কুলাউড়া স্টেশন ছেড়ে চলে গেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কুলাউড়া স্টেশন মাস্টার রোমান আহমদ জানান, রেলপথ অবরোধ এর কারণে ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত শ্রীমঙ্গল ও সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর পাহাড়িকা মাইজগাঁও স্টেশন আটকানোর কারণে ট্রেন দুটির যাত্রায় বিলম্ব হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কমছে সবজির দাম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/550</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 13:42:58 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/550</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশে শীতকাল আসতে বাকি আরও মাস দেড়েক, তবে এরই মধ্যে বাজারে মিলতে শুরু করেছে শীতকালীন অনেক সবজি। এসব সবজির কল্যাণে বাজারেও ফিরতে শুরু করেছে স্বস্তি। যেসব সবজির দাম সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে, সেসব সবজির দাম প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে গেছে। বিশেষ করে শীতকালীন সবজি শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম কমার কারণে অন্যান্য সবজির দামও কমছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শ্যামবাজার, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া ও নিউমার্কেট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন বিভিন্ন সবজির সরবরাহ বাড়ায় একদিকে এসব সবজির দাম যেমন কিছুটা কমেছে, তেমনি বাজারে অন্যান্য সবজির চাহিদাও কিছুটা কমে এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে দামেও।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিন সপ্তাহ আগে ২০০ টাকায় কেজি বিক্রি হওয়া শিম এখন কেনা যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। একইভাবে ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপি গত সপ্তাহে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন কেনা যাচ্ছে ৫০ টাকার মধ্যে। তিন সপ্তাহ আগে বরবটি ও কাঁকরোল বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। এ দুটি সবজির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে গতকাল বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। ৭০ থেকে ৮০ টাকার ঢ্যাঁড়শ ও পটোলের দাম কমে নেমেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যান্য সবজির মধ্যে ৩০ টাকা কমে করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, ঝিঙা ৫০, মুলা ৩০ থেকে ৪০, কাঁচা পেঁপে ২৫, বেগুন ৬০ থেকে ৭০, টমেটো ৯০ থেকে ১০০ এবং প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছিল ১৪০ থেকে ১৭০ টাকায়। তা গতকাল কমে বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী শাহিন আহমেদ বলেন, শীতকালীন কিছু সবজির সরবরাহ বেশ বেড়েছে। এজন্য বাজার কমতির দিকে রয়েছে। পাইকারি বাজারেও দর কমতির দিকে। এ কারণে আমরাও কম দামে বিক্রি করছি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কমেছে মুরগির দাম: বাজারে সব ধরনের সবজির দর কমার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে মুরগি ও ডিমের বাজারেও। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। সোনালি জাতের মুরগিও ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহে ফার্মের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয় ১৪০ টাকা দরে। ডজনে ১০ টাকা কমে গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। মুরগি ও ডিমের দাম কমলেও স্থিতিশীল রয়েছে মাংসের দাম। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্রাপুর বাজারের ক্রেতা সোবহান হক বলেন, শীত আসছে, তাই সবজির দাম কমতির দিকে। আশা করি, সামনে আরও কমবে। শীতের সময় আমরা ইচ্ছামতো সবজি খেতে পারি। তবে বাজার সঠিকভাবে তদারকি করলে সবজির দাম আরও কমানো সম্ভব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বাজারদর&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ থেকে খুলছে সেন্ট মার্টিন, যেতে পারছে না কোনো পর্যটক! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/549</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 12:51:00 +0600</pubDate>
		<category>ভ্রমণ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/549</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দীর্ঘ নয় মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলে দেওয়া হলো দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন। তবে শনিবার (১ নভেম্বর) দ্বীপে কোনো পর্যটক যাচ্ছেন না। কারণ কোনো জাহাজ মালিকই পর্যটক পরিবহনের অনুমতি নেননি। ফলে পর্যটকশূন্যই থাকছে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্রটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে পর্যটকদের কেবল দিনে গিয়ে দিনে ফেরার শর্তে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও দ্বীপ ভ্রমণে মানতে হবে সরকারের নির্ধারিত ১২টি নির্দেশনা। এছাড়া দ্বীপে ওঠানামার একমাত্র জেটিঘাটের সংস্কারকাজ শেষ না হওয়ায় পর্যটকবাহী জাহাজ ঘাটে ভিড়তেও পারছে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, &amp;ldquo;প্রাথমিকভাবে &amp;lsquo;কর্ণফুলী এক্সপ্রেস&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;বার-আউলিয়া&amp;rsquo; নামের দুটি জাহাজ কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু জাহাজ মালিকরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। ফলে শনিবার কোনো জাহাজ সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে যাবে না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে সাত থেকে দশ ঘণ্টা সময় লাগে। সকালে রওনা দিয়ে দিনে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব। এর ওপর ট্যুরিজম বোর্ডের যাত্রী নিবন্ধনের সফটওয়্যারও এখনো চালু হয়নি। এমন অবস্থায় পর্যটকও পাওয়া যাবে না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেন্ট মার্টিন হোটেল&amp;ndash;মোটেল মালিক সমিতির নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ নুরুল আমিন বলেন, &amp;ldquo;দ্বীপে আড়াই শতাধিক হোটেল-রেস্টহাউজ আছে। গত বছর দেখেছি, ৮ ঘণ্টার পথ পেরিয়ে কেউ কেবল দিনের জন্য ঘুরতে আসে না। তাই এই নভেম্বর মাসে আমাদের কোনো প্রস্তুতিও নেই। ডিসেম্বর&amp;ndash;জানুয়ারিতে হয়তো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পর্যটকদের জন্য প্রস্তুতি নেব।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম বলেন, &amp;ldquo;৩১ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো জাহাজ অনুমতি নেয়নি। সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের জারি করা ১২ নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য এবার টেকনাফের পরিবর্তে কক্সবাজার শহর থেকেই জাহাজ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ভ্রমন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইউক্রেন কে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিতে সম্মত পেন্টাগন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/548</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 12:24:21 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/548</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন ইউক্রেনকে দীর্ঘ-পাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহে হোয়াইট হাউসকে সবুজ সংকেত দিয়েছে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলেও জানিয়েছে পেন্টাগন। প্রতিরক্ষা দপ্তরের এ সবুজ সংকেতের পর যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে কিনা সে ব্যাপারে চূড়ান্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে। তিন মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দীর্ঘদিন ধরে এক হাজার মাইলের বেশি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার গভীরে অবস্থিত জ্বালানি ও জ্বালানি-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে আঘাত হানা সম্ভব। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে গত অক্টোবর মাসে হোয়াইট হাউসে বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিতে চান না বলে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, &amp;lsquo;আমাদের দেশকে রক্ষা করার জন্য যে জিনিসগুলো প্রয়োজন, সেগুলো আমরা কাউকে দিতে চাই না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ মাসের শুরুতেই পেন্টাগনের জয়েন্ট স্টাফ হোয়াইট হাউসকে এ মূল্যায়নের বিষয়ে অবহিত করে। তার পরপরই ট্রাম্প ও জেলেনস্কির ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পেন্টাগনের সবুজ সংকেতের পর ইউরোপে ইউক্রেনের মিত্ররাও আশাবাদী হয়ে উঠছে। দুই ইউরোপীয় কর্মকর্তার মতে, এখন ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ না করার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের অজুহাত দেখানোর মতো তেমন আর কিছু নেই।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের কয়েক দিন আগে ট্রাম্প নিজেও বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে &amp;lsquo;অনেক টমাহক&amp;rsquo; আছে, যা ইউক্রেনকে দেওয়া &amp;lsquo;সম্ভব&amp;rsquo;। কিন্তু এর কয়েক দিনের মধ্যেই আচমকা অবস্থান বদলে ফেলেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের সময় উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই টমাহক প্রয়োজন। এরপর রুদ্ধদ্বার বৈঠকে তিনি জেলেনস্কিকে জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্র এই ক্ষেপণাস্ত্র দেবে না- অন্তত এই মুহূর্তে নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের দিনই ট্রাম্প টেলিফোনে কথা বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুতিন ট্রাম্পকে বলেন&amp;mdash; টমাহক ছোড়া হলে তা রাশিয়ার বড় শহর মস্কো ও সেন্ট পিটার্সবার্গে আঘাত হানতে পারে। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে বড় প্রভাব না পড়লেও যুক্তরাষ্ট্র&amp;ndash;রাশিয়া সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এসব ক্ষেপণাস্ত্র শুধু রুশ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহার করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রও এখন ইউক্রেনকে রুশ জ্বালানি স্থাপনাগুলোর অবস্থান ও দুর্বলতা শনাক্তে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এই সহায়তায় ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনী রাশিয়ার ভেতরে গভীর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে উফার বাশনেফট তেল শোধনাগারে সাম্প্রতিক হামলাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে কিয়েভ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্য গার্ডিয়ান জানায়, জেলেনস্কির সফরে আলোচনার মূল বিষয়ও টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ। ট্রাম্প সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওয়াশিংটন হয়তো ইউক্রেনকে এই অস্ত্র দিতে পারে। এটি ইউক্রেনের জন্য সবচেয়ে দূরপাল্লার অস্ত্র হবে, যা দিয়ে মস্কোতেও হামলা চালানো সম্ভব। তবে পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্পের নরম মনোভাব ইউক্রেনের তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি পুতিনের সঙ্গে আলাপে ইউক্রেনকে টমাহক দেওয়ার বিষয়টি তুলেছিলেন। কিন্তু পুতিন এতে খুশি হননি। ট্রাম্প পরে বলেন, &amp;lsquo;আমাদেরও এই ক্ষেপণাস্ত্র দরকার, তাই এখনই কিছু বলা কঠিন।&amp;rsquo; গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলেনস্কি ওয়াশিংটনে পৌঁছান। সেখানে তিনি বলেন, &amp;lsquo;টমাহকের কথা শুনেই মস্কো দ্রুত সংলাপে ফিরতে চায়।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন ইউক্রেইনকে টমাহক দিতে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত শূন্য হওয়া নিয়ে পেন্টাগনের আর আশঙ্কা নেই ঠিকই। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে ইউক্রেইনের সেনাদের প্রশিক্ষণ কীভাবে দেওয়া হবে সেটি নিয়েই মূলত চিন্তা আছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। সম্প্রতি শান্তি আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিতে পুতিনের অনীহায় ট্রাম্প এতটাই হতাশ হয়েছেন, তিনি গত সপ্তাহে রুশ তেল কোম্পানিগুলোর ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। একই সঙ্গে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা করার জন্য পুতিনের সঙ্গে বুদাপেস্টে যে বৈঠক হওয়ার কথা, তা আপাতত বাতিল করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, চলতি বছরের শেষের মধ্যে দূরপাল্লার সক্ষমতা বাড়ানোর আশা করছে ইউক্রেন, যাতে দেশের অনুকূলে &amp;lsquo;ন্যায্য শর্তে&amp;rsquo; যুদ্ধ শেষ করা যায়। তিনি লিখেছেন, &amp;lsquo;বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা এবং আমাদের সুনির্দিষ্ট আঘাত প্রায়ই একসঙ্গে মিলে এই যুদ্ধটি ইউক্রেনের অনুকূলে শেষ করার দিকে যাচ্ছে। বছরের শেষ নাগাদ দূরপাল্লার হামলার সব লক্ষ্য সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা দরকার, যার মধ্যে রয়েছে আমাদের দূরপাল্লার সক্ষমতার সম্প্রসারণও।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুর্বল শাসন ব্যবস্থাই বাংলাদেশের সরকার পতনের কারণ: অজিত দোভাল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/547</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 12:02:51 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/547</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[সম্প্রতি জেন-জি বিক্ষোভের মুখে নেপালে সরকারের পতন ঘটেছে। প্রায়ই একইভাবে সরকারের পতন ঘটেছে বাংলাদেশেও। তারও আগে সরকারের পতন ঘটে শ্রীলঙ্কায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দক্ষিণ এশিয়ার এই তিন দেশেরই সরকার পতনের প্রধান কারণ হিসেবে দুর্বল শাসন ব্যবস্থা বা কাঠামোকে দায়ী করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত দোভাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, দুর্বল শাসন ব্যবস্থা অনেক সময় একটি দেশের সরকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে অনানুষ্ঠানিক উপায়ে সরকার পরিবর্তনের পেছনেও এমন দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামোর ভূমিকা ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র গঠনের মূল শক্তি নিহিত থাকে কার্যকর শাসনব্যবস্থায়, যা জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার রাষ্ট্রীয় ঐক্য দিবস উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে অজিত দোভাল বলেন, রাষ্ট্র গঠন ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু রাষ্ট্রকে তার লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করে না, সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষাও পূরণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;ldquo;আজকের প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট রাখা। কেননা, এখন সাধারণ মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা রাখে। তাই রাষ্ট্রেরও তাদের সন্তুষ্টির প্রতি খেয়াল রাখতে হয়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;একটি জাতির শক্তি নিহিত থাকে তার শাসন ব্যবস্থায়। সরকার যখন প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কাজ করে, তখন জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সেই ব্যক্তিরা, যারা এসব প্রতিষ্ঠান তৈরি ও লালন করেন।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অজিত দোভাল দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসন মডেলের প্রশংসা করে বলেন, &amp;ldquo;ভারত এখন এক নতুন কক্ষপথে প্রবেশ করছে&amp;mdash; এক নতুন ধরনের শাসনব্যবস্থা, সমাজ কাঠামো এবং বৈশ্বিক অবস্থানে। বর্তমান সরকার প্রশাসনিক দুর্নীতি দমনে যে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন এনেছে, তা গভীর প্রভাব ফেলছে। সামনে আরও পদক্ষেপ আসতে পারে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;যখন পরিবর্তন আসে, তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লক্ষ্য পরিষ্কার রাখা&amp;mdash; ঝড়-ঝাপটার ভেতরেও যেন চোখ না বন্ধ হয়, ভয় বা বিভ্রান্তিতে যেন পথ হারানো না হয়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভালো শাসনের মূল উপাদান হিসেবে দোভাল নারীর সুরক্ষা, সমতা ও ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, &amp;ldquo;নারীর ক্ষমতায়ন আধুনিক শাসনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। শুধু ভালো আইন বা কাঠামো থাকলেই হবে না, এগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করাই সবচেয়ে জরুরি।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। অজিত দোভাল বলেন, &amp;ldquo;আমাদের এমন প্রযুক্তি কাজে লাগাতে হবে, যা শাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসেবার দক্ষতা বাড়ায়। তবে একইসঙ্গে সাইবার হামলার মতো প্রযুক্তিনির্ভর হুমকি থেকেও সমাজকে রক্ষা করতে হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: NDTV&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পুরোনো সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি পরিবহন খাত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/546</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 11:13:20 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/546</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকার সড়ক পরিবহন, বিশেষ করে বাস খাতে প্রকাশ্যে নেতাদের পরিবর্তন হয়েছে। তবে কৌশলে বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আত্মীয়-স্বজনসহ অন্য ঘনিষ্ঠরা। আর পলাতক এনায়েত চক্রের হাতে রয়েছে অর্ধশতাধিক বাস কম্পানির নিয়ন্ত্রণ। পরিবহন খাতের বিভিন্ন সূত্রে খোঁজ নিয়ে এ পরিস্থিতির কথা জানা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও এনা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বসুমতি ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদে এখনো বহাল আছেন খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। তাঁর ৪০টি ব্যাংক হিসাবে ১২৫ কোটি ৭২ লাখ ২৯ হাজার ২৮০ টাকা জমা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাঁর নিজের ও স্ত্রী-সন্তানদের নামে ২৩৫টি বাসের দালিলিক প্রমাণ মিলেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, এগুলো গোপনে বিক্রির চেষ্টা করছেন এনায়েত উল্লাহ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সড়ক পরিবহন খাতে প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি পালিয়ে দুবাইয়ে অবস্থান করলেও তাঁর চক্রের সদস্যরা কৌশলে বাস খাতের বড় বড় রুটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুরনো চক্রের ছায়া : জানা গেছে, রাজধানীতে চলাচলকারী &amp;lsquo;প্রজাপতি পরিবহন&amp;rsquo; কম্পানির নিয়ন্ত্রণ ছিল পঙ্কজ দেবনাথের হাতে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর পঙ্কজ দেবনাথ দৃশ্যপট থেকে দূরে চলে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়ে কম্পানির হাল ধরেন পঙ্কজের ডান হাত বলে পরিচিত কে এম রফিকুল ইসলাম। ২০১৪ সালে তিনি বিহঙ্গ পরিবহন কম্পানির পরিচালক ছিলেন। ওই সময় পরিবহনের চেয়ারম্যান ছিলেন পঙ্কজ দেবনাথ। কে এম রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, &amp;ldquo;পঙ্কজ দেবনাথের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। আমার ভাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্যবসার সুবাদে আমিও রাজনীতিতে যুক্ত ছিলাম। তবে আমি কারো &amp;lsquo;ডান হাত&amp;rsquo; নই।&amp;rdquo; এই কম্পানির পরিচালক পদে আছেন রফিকুলের শ্যালক রেদওয়ানসহ পরিবারের একাধিক সদস্য। এভাবে শুধু প্রজাপতি পরিবহন নয়, রাজধানীর উল্লেখযোগ্য পরিবহন কম্পানির নেতৃত্ব আওয়ামী লীগ চক্রের হাতেই রয়েছে। যদিও বিভিন্ন কমিটি থেকে আওয়ামী লীগপন্থীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বা পরিস্থিতির কারণে তাঁরা আর আগের পদে নেই। কেউ আছেন জেলে, কেউ আবার প্রাণ রক্ষায় পালিয়ে বিদেশে চলে গেছেন। পতিত আওয়ামী লীগ আমলে পরিবহন খাতে বড় চক্র গড়েছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। সড়ক পরিবহন মালিকদের বিভিন্ন সংগঠন, শাখা সংগঠন ও পরিবহন কম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো ছিল তাঁর চক্রের সদস্যদের দখলে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, শাখা কমিটি গঠন করতে না পারায় আগের চক্রের বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব হয়নি। পরিবহন কম্পানির রাস্তায় চলাচলের জন্য সব প্রক্রিয়ার সঙ্গেও পুরনো চক্রের সদস্যরা যুক্ত হয়ে আছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পাওয়া তথ্য মতে, আগে গড়ে ওঠা চক্রে সক্রিয় ছিলেন তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের এমপি, থানা আওয়ামী লীগ নেতা, ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাবেক নেতাকর্মী, পুলিশের সাবেক কমিশনার ও ট্রাফিক বিভাগের কিছু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তাঁরাই পরিবহনে চাঁদাবাজির সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত থেকে ফায়দা নিয়েছেন। জানা গেছে, রাজধানীতে অর্ধশতাধিক বাস কম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যান্য পরিচালক পদগুলোয় সাবেক পরিবহন নেতা খন্দকার এনায়েত উল্লাহর চক্রের সদস্যরা বহাল তবিয়তে আছেন। আগের চক্রের সদস্যরা রয়েছেন মিরপুর-১ ও মিরপুর-১২-এর বিভিন্ন স্ট্যান্ড, গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী ও ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল থেকে চলাচলকারী বিভিন্ন রুটের বাস কম্পানিতে। এসব কম্পানির মধ্যে প্রজাপতি ছাড়াও রয়েছে পরিস্থান, এনা, রবরব, বসুমতি ট্রান্সপোর্ট, মিরপুর সুপার লিংক, শিকড়, বিকল্প অটো সার্ভিস, বিহঙ্গ, রাজধানী, স্বাধীন, অছিম, ইতিহাস, ঠিকানা, রইছ, প্রত্যয় ও ওয়েলকাম। এ ছাড়া আছে মৌমিতা, বৈশাখী, আলিফ, মধুমতি, ইতিহাস, ঠিকানা, ভিআইপি, লাব্বাইক, রাইদা, আয়াত, হিমাচল, ঢাকার চাকা, রজনীগন্ধা ও রমজান পরিবহনসহ বিভিন্ন কম্পানি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবু এমডি এনায়েত উল্লাহ : আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও এনা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বসুমতি ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদে এখনো বহাল আছেন খন্দকার এনায়েত উল্লাহ। তাঁর অনুসারী ছিলেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির তৎকালীন ক্যাশিয়ার আবুল মুনসুর বুলবুল। এনা পরিবহন দেখভালের পাশাপাশি বুলবুল বসুমতির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নিয়েছেন। বুলবুলের হয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন সৈয়দ কামরুল হক (দুলাল), আল আমীন, নুরুন নবী (সবুজ), জসিম, আয়নালসহ বেশ কয়েকজন সদস্য। তাঁরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে আগে থেকেই জড়িত। আবুল মুনসুর বুলবুল কালের কণ্ঠকে বলেন, &amp;lsquo;৫ আগস্টের পর এনায়েত উল্লাহ চলে যাওয়ায় শূন্যপদ পূরণ করেছি মাত্র। একসময় তিনি ছিলেন আমাদের নেতা। এখন তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই।&amp;rsquo; জানা গেছে, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির উত্তর অংশের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণে এনায়েত উল্লাহর হয়ে কাজ করছেন তাঁর বন্ধু খোকন আহমেদ। তিনি ধানমণ্ডি থানা আওয়ামী লীগ নেতা ও এই সমিতির কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। এনায়েত চক্রের আরেকটি অংশের সক্রিয় সদস্য হুমায়ুন কবির তপন। তিনি পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির ক্যাশিয়ার ছিলেন। মিরপুরের বিভিন্ন বাস কম্পানি থেকে চাঁদাবাজি করছেন তপন। রাজধানী পরিবহনের চেয়ারম্যান পদে আছেন এনায়েত উল্লাহর বড় ভাই খন্দকার মনির। তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া বৃহত্তর মিরপুর অঞ্চলের শাখা কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। গাবতলী বাস টার্মিনালের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ এখন দেলোয়ার হোসেনের হাতে। তিনি শ্রমিক লীগ নেতা কালু শেখের ঘনিষ্ঠজন। দেলোয়ার অছিম পরিবহন কম্পানির চেয়ারম্যান, ইতিহাস ও ঠিকানা পরিবহনের পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি, মৌমিতা ও ওয়েলকাম পরিবহনের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক, রইছ পরিবহনের চেয়ারম্যান ও প্রত্যয় পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। বসুমতি ও রাজধানী পরিবহনসহ গাবতলীতে অধিকাংশ বাস কম্পানি তাঁর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি ৫০টি বাস ও ২০টি ভেকুর (মাটি কাটার যন্ত্র) মালিক। এ বিষয়ে জানতে দেলোয়ারের মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। প্রথমে তিনি কল কেটে দেন, পরে তাঁর ফোনে আর সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিভিন্ন বাস কম্পানির গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্রিয় রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি শাহিদা তারেখ দীপ্তি। তিনি প্রজাপতি পরিবহনের চেয়ারম্যান। বিহঙ্গ পরিবহনের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি পঙ্কজ দেবনাথ। তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তবে গত মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পরিবহন মালিকদের চাপে তিনি আগের অবস্থান থেকে সরে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরিস্থান পরিবহনের চেয়ারম্যান ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ শিরিন শান্তি। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইলিয়াস হোসেন মোল্লার ঘনিষ্ঠজন। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থান পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে বিএনপিপন্থীদের সরিয়ে পারিবারিকভাবে আধিপত্য গড়ে তোলেন তিনি। এখন পরিস্থান পরিবহন কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শান্তির স্বামী ওয়াজ উদ্দীন ও পরিচালক ছেলে মো. সাগর। মিরপুর সুপার লিংক পরিবহন কম্পানির চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইলিয়াস হোসেন মোল্লার চাচাতো ভাই হোসেন মোল্লা। শিকড় পরিবহনের উপদেষ্টা আওয়ামী লীগের সাবেক ওয়ার্ড কামিশনার আব্দুর রউফ ওরফে নান্নু। বিকল্প অটো পরিচালনা করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান। তিনি ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। রবরব পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি সুমন আলী। কম্পানির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন নোমান। ভিআইপি পরিবহনের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক আওয়ামী লীগের লালবাগ থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কম্পানির ব্যবস্থ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র:কালের কন্ঠ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/অনুসন্ধান&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশেই সাপের ‘এন্টি ভেনম’ তৈরি সম্ভব! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/545</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 10:27:35 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/545</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) তৈরি হচ্ছে চট্টগ্রামে অবস্থিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভেনম রিসার্চ সেন্টারে। এ সেন্টারে ইতিমধ্যে বিষধর রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিভেনম তৈরির পর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ হয়েছে। এতে সাফল্যও পাওয়া গেছে বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ক্যাম্পাসে পরিত্যক্ত দ্বিতল একটি ভবনের নিচতলায় &amp;lsquo;ভেনম রিসার্চ সেন্টার&amp;rsquo; পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় আট বছর আগে চারটি সাপ দিয়ে শুরু হয় গবেষণা। পরে সেন্টারটিতে সাপের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটেছে। সাপের সংখ্যা বেড়ে ৪০০টিতে দাঁড়িয়েছে। এগুলো ১০ প্রজাতির। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিষধর সাপ সংগ্রহ করা হয়। ভেনম রিসার্চ সেন্টারে পোষা সাপের বিষ দিয়েই সাপে কাটা রোগীর জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিষেধক। এই রিসার্চ সেন্টারের প্রধান গবেষক হিসেবে আছেন চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ। চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আবু সাঈদ রয়েছেন ভেনম রিসার্চ সেন্টারের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে। ৬ জনের এ গবেষণা দলে সহযোগী গবেষক হিসেবে রয়েছেন মিজানুর রহমান, মো. নোমান, রফিকুল ইসলাম ও আবদুল আউয়াল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভেনম রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে চমেক ক্যাম্পাসে ভেনম রিসার্চ সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনাল প্ল্যান কার্যক্রমের আওতায় পরিচালিত। এ গবেষণা কেন্দ্রে ইতিমধ্যে সাপের বিষ থেকে সংগৃহীত অ্যান্টিবডি ইঁদুরের শরীরে ক্লিনিক্যালি ট্রায়াল করা হয়েছে। এতে সাফল্য এসেছে। বর্তমানে এ কেন্দ্রে বিষধর সাপের মধ্যে রয়েছে পদ্মগোখরা, খৈয়া গোখরা, কালকেউটে, শঙ্খিনী, দুই প্রজাতির সবুজ বোড়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশে প্রতিবছর বর্ষায় চন্দ্রবোড়া, গোখরা, কালকেউটে, কিং কোবরা ও সবুজ বোড়ার মতো সাপের কামড়ের ঘটনা বাড়ে। আক্রান্তদের অনেকে চিকিৎসকের বদলে কবিরাজ বা ওঝার কাছে যান। ফলে অনেককে আর বাঁচানো যায় না। এভাবে দেশে প্রতিবছর ৬ হাজারের বেশি সাপে কাটা রোগী মারা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চমেক হাসপাতালের তথ্য বলছে, এ হাসপাতালে ২০২৪ সালে সাপে কাটা রোগী ভর্তি হয় ১ হাজার ২৮৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছে তিনজন। অ্যান্টিভেনম পেয়েছিল মাত্র ৫২ জন। ২০২৩ সালে ভর্তি ছিল ১ হাজার ৩৬৮ জন। এর মধ্যে মারা যায় দুজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভেনম রিসার্চ সেন্টারের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ বলেন, &amp;lsquo;রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টি ভেনম তৈরি করে ইতিমধ্যে আমরা ইঁদুরের শরীরে প্রবেশ করিয়েছি। পরীক্ষামূলক কাজ শেষ করে সফলও হয়েছি।&amp;rsquo; এ নিয়ে তৈরি করা গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ হলে দেশে অ্যান্টিভেনম তৈরির একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলেও প্রত্যাশা করেন এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সেন্টারের প্রধান সমন্বয়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ আবু সাঈদ বলেন, সাপের কামড় একটি গ্রামীণ সমস্যা। অতীতে এর চিকিৎসা শহরকেন্দ্রিক থাকলেও এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও মিলছে চিকিৎসা। দেশে বর্তমানে ভারতের তৈরি পলিভ্যালেন্ট অ্যান্টিভেনম ব্যবহার করা হয় বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/চিকিৎসা&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কানাডায় পাঠানোর কথা বলে নেপালে জিম্মি ৩ যুবক দেশে ফিরেছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/544</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 09:49:09 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/544</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নেপাল থেকে পাসপোর্টে লাগবে কানাডার ভিসা। কানাডায় পৌঁছার পর দিতে হবে ৫ লাখ টাকা। বাকি ৭ লাখ টাকা কাজ করে পরিশোধ করবেন। আর যেতে না পারলে নেপাল যাওয়ার খরচও ফ্রি। এমন লোভনীয় অফারে যে-কেউ হতে পারেন আগ্রহী। তাদের মিষ্টকথার ফাঁদে পড়ে অনেককে হারাতে হচ্ছে সর্বস্ব। নেপালে তৈরি হয়েছে মানব পাচারের নতুন এ রুট। এ চক্রে আছে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের দালালরা। সম্প্রতি দালালদের ডেরা থেকে সিলেটের তিন যুবক ফিরে আসার পর মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিলেট থেকে ওই চক্রের এক সদস্যকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দালাল চক্রের এমন ফাঁদে পা দিয়েছিলেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের ফুলসাইন্দ নাযাত টিল্লার শাহরিয়ার রহমান, দক্ষিণ সুরমার কুচাইয়ের হাফিজুর রহমান ও মোমিনখলার এম এ মান্না। ১৩ অক্টোবর দালালদের মাধ্যমে নেপালে যান এ তিন যুবক। এক দিন পর তাঁদের পাসপোর্ট নিয়ে যান দালালরা। আর তৃতীয় দিন হোটেল থেকে নিজেদের আস্তানায় নিয়ে দালালরা তাঁদের আটকে রাখেন। এরপর শুরু হয় টাকার জন্য নির্যাতন। নেপালে জিম্মি যুবকরা পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন দিয়ে কানাডায় পৌঁছার খবর দেন। তাঁরা ওই চক্রের সদস্য সিলেটের মিরাবাজারের মিজানুর আমিনের কাছে ৫ লাখ টাকা দিতে বলেন। এভাবে নানান কৌশলে তিন যুবকের পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা নিয়ে যায় চক্রটি। পরে মিজানুর আমিন গ্রেপ্তার হলে নেপালে মুক্তি পান তাঁরা। পাচারের শিকার শাহরিয়ার রহমানের খালাতো ভাই হুমায়ূন কবীর লিটন জানান, নেপালে যাওয়ার তিন দিন পরই ওই তিন যুবককে জিম্মি করে মানব পাচারকারী চক্র। তাঁদের পাসপোর্টে কানাডার ভুয়া ভিসা লাগিয়ে ভিডিও করে দেশে পাঠিয়ে টাকা দাবি করে। লিটন জানান, নির্যাতনের একপর্যায়ে শাহরিয়ারসহ তিন যুবককে কানাডার একটি ফোন নম্বর দিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন দেওয়ায় চক্রটি। তখন যুবকরা ফোন করে জানান, তাঁরা কানাডা পৌঁছে গেছেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে ১৫ দিনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত ৫ লাখ টাকা মিরাবাজারের মিজানুর আমিনের কাছে দিতে বলেন। এমন সংবাদ পেয়ে তিন যুবকের পরিবার প্রায় ৮ লাখ টাকা দিয়ে দেয়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারেন তাঁদের সন্তানরা পাচারকারীদের কবলে পড়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লিটন আরও জানান, পাচারের বিষয়টি বোঝার পর ২১ অক্টোবর তিনিসহ কয়েকজন মিলে মিজানুরের বাড়ি যান। শাহরিয়ারকে কানাডায় তাঁদের পরিচিত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিলে এখনই ১২ লাখ টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেন। মিজানুর তখন টালবাহনা শুরু করেন। তিনি ফোনে এক ভারতীয় ও নেপালির সঙ্গে কথা বলেন। ভারতীয়কে আগারওয়াল ও নেপালিকে শর্মাজি বলে সম্বোধন করছিলেন। পাচারের বিষয়টি টের পেয়ে শাহরিয়ারের বাবা সরফ উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে ২৮ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে মিজানুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে নেপালের বিমানবন্দরের পাশে একটি গাড়ি থেকে ওই তিন যুবককে ফেলে যান পাচারকারী চক্রের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার বিকালে তাঁরা দেশে ফিরেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানব পাচারকারী চক্রের তৎপরতা প্রসঙ্গে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার এডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিলেটে মানব পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ রকম আরও চক্র আছে। পুলিশ শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো বড় পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমা ‘বাহুবলী’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/543</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 18:01:32 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/543</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আবারও বড় পর্দায় ফিরছে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি &amp;lsquo;বাহুবলী&amp;rsquo;। তবে এটি নতুন কোনো গল্প নয়, বরং পরিচালক এস এস রাজামৌলির &amp;lsquo;বাহুবলী : দ্য বিগিনিং&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;বাহুবলী টু : দ্য কনক্লুশন&amp;rsquo; এই দুই পর্বকে একত্রিত করে উপস্থাপন করছেন নতুন রূপে, নাম &amp;lsquo;বাহুবলী : দ্য এপিক&amp;rsquo;। সিনেমাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, আগামীকাল শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই মহাকাব্যিক সংস্করণ। মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে ঝড় তুলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, এখন পর্যন্ত অগ্রিম বিক্রির মাধ্যমে &amp;lsquo;বাহুবলী : দ্য এপিক&amp;rsquo; আয় করেছে প্রায় ৫ কোটি রুপি। এর মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে বিক্রি হয়েছে ২.৫ কোটি রুপির টিকিট এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সমপরিমাণ আয় হয়েছে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, এটি পুনঃপ্রকাশিত ছবির জন্য এক নতুন মাইলফলক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুরোনো দুটি ছবিকে একত্রে পুনঃপ্রকাশ করা হলেও দর্শকদের আগ্রহ অপ্রত্যাশিতভাবে বেশি। এমনকি উদ্বোধনী দিনের টিকিট বিক্রির দিক থেকে এটি মহেশ বাবুর &amp;lsquo;খালেজা&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;মুরারি&amp;rsquo;-এর পুনঃপ্রকাশের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচনী নতুন প্রতিক ‘শাপলা কলি’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/542</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 16:23:41 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/542</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধন করে প্রতীক তালিকায় শাপলা কলি যুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা প্রতীক দাবি করে আসছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে সই করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিস্তারিত আসছে...&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/নির্বাচন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/541</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 15:57:57 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/541</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;আরো আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে ঘরোয়া লিগ গুলোতে নিয়মিত খেলেন তিনি। কিন্তু কিছু দিন আগে ইনজুরিতে পড়ায় আছেন মাঠের বাইরে। আর এবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে দুই ম্যাচ খেলার পরই ইনজুরিতে পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। যে কারণে এরপর আর কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি। তবে চোট কাটিয়ে ফেরার পথেই ছিলেন। নিয়মিত রিহ্যাভ সেশন করছিলেন তিনি। এরই মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অলরাউন্ডার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত চারদিন ধরে অসুস্থ মাহমুদউল্লাহ। শুরুতে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানা যায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। পরে হাসপাতালে ভর্তি হন রিয়াদ।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখনো হাসপাতালে থাকলেও মাহমুদউল্লাহর শারীরিক অবস্থার আগের থেকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২-১ দিনের মধ্যেই বাড়িতে ফিরতে পারবেন সাবেক এই ক্রিকেটার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচনের আগে গণভোট অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক: মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/540</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 15:32:48 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/540</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক এবং অবিবেচনা প্রসূত বলে মনে করছে বিএনপি। একই আয়োজনে এবং একই ব্যয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠান করা বাঞ্ছনীয় বলেও মনে করছে দলটি।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। সময় স্বল্পতা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিপুল অঙ্কের ব্যয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ব্যাপক লোকবল নিয়োগ এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মতো বিশাল আয়োজনের বিবেচনায় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট অনুষ্ঠান অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক এবং অবিবেচনাপ্রসূত। একই আয়োজনে এবং একই ব্যয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠান করা বাঞ্ছনীয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, যে সকল বিষয়ে ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্টসহ ঐকমত্য হয়েছে, তার উল্লেখ না রেখে এবং দীর্ঘ আলোচনায় যে সব প্রসঙ্গ আলোচনায় আসেনি তা অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অন্য সকল সুপারিশ অগ্রহণযোগ্য বিধায় আমারা একমত হতে পারছি না। আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, এই সকল সুপারিশ কেবল জাতিকে বিভক্ত করবে, ঐক্যের বদলে অনৈক্য সৃষ্টি করবে। মনগড়া যেকোনো সংস্কার প্রস্তাব গ্রহণ করলে জাতীয় জীবনে দীর্ঘ মেয়াদে অকল্যাণ ডেকে নিয়ে আসতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মির্জা ফখরুল বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ২৭০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যদি সংস্কার সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে গণভোটে অনুমোদিত সংবিধান সংস্কার বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হাস্যকর। জাতীয় সংসদে অনুমোদনের পর যেকোনো বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনপ্রাপ্তির পরই কেবল আইনে পরিণত হয়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং তা গণতান্ত্রিক রীতি ও সংসদীয় সার্বভৌমত্বের পরিপন্থি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, বিকল্প-২ প্রস্তাবে জুলাই সনদ আদেশের বিষয়টি বিল আকারে না দিয়ে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবসমূহ সরাসরি গণভোটে উপস্থাপন করা হবে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাকালে বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিকদলসমূহ কর্তৃক প্রদত্ত মতামত, ভিন্নমত ও নোট অব ডিসেন্ট গণভোটে উপস্থাপনের সুযোগ রাখা হয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফখরুল বলেন, দফাসমূহের বিপরীতে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলসমূহের মতামত, ভিন্নমত, নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখ করা হয়নি। অর্থাৎ ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং সুপারিশ একপেশে ও জবরদস্তিমূলকভাবে জাতির উপরে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাহলে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, দীর্ঘ প্রায় ১ বছরব্যাপী সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলসমূহের দীর্ঘ ধারাবাহিক আলোচনা ছিল অর্থহীন, অর্থ ও সময়ের অপচয়, প্রহসনমূলক এবং জাতির সঙ্গে প্রতারণা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্নমত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঐকমত্য কমিশন ভিন্নমত পোষণে রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকারকে আমলেই নেয়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংস্কারে বিএনপির ৩১ দফা, ২৭ দফা এবং ভিশন-২০৩০ কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সংশ্লিষ্ট সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ব্যক্তি ও শক্তিসমূহ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সার্বিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আসছে। সুতরাং, রাষ্ট্র কাঠামোর প্রকৃত গণতান্ত্রিক সংস্কার বিএনপির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক এজেন্ডা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশের বাজারে আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/539</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 11:19:07 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/539</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দেশের বাজারে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকায় বিক্রি হবে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ৮ হাজার ৯০০ টাকা বাড়িয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবশেষ গত ২৮ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১০ হাজার ৪৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল ২৯ অক্টোবর থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭১ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৯ বার, আর কমেছে মাত্র ২২ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে বেড়েছে ৬ বার, আর কমেছে মাত্র ৩ বার। আর গত বছর সমন্বয় করা হয়েছিল ৩ বার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা বানিজ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ম্যাচ হারার সাথে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/538</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 11:09:22 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/538</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ১৪ রানে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল ক্যারিবীয়রা।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৪৯ রানের জবাবে খেলতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান তোলে লিটন দাসরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশের হয়ে ৪৮ বলে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ বলে ২৩ রান আসে লিটন দাসের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া তাওহিদ হৃদয় ১২ ও জাকের আলী ১৭ রান করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয় না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। প্রথম ওভারে একবার জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ব্রেন্ডন কিং। দ্বিতীয় ওভারে এসেই তাকে আউট করেন তাসকিন আহমেদ। মিডঅফে তাওহিদ হৃদয়ের কাছে ১ রানে ক্যাচ হন কিং। দলীয় ১ রানে নিজেদের প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরপর অলিক আথানাজে আর শাই হোপ দুর্দান্ত খেলতে থাকনে। ৫৯ বলে ১০৫ রানের বড় জুটি গড়ে অবশেষে নাসুম আহমেদের শিকার হন আথানাজে। ৩৩ বলে ৫২ করা আথানেজে স্লগ সুইপ করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরের বলে নাসুম বোল্ড করেন নতুন ব্যাটার শেরফান রাদারফোর্ডকে (০)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পরে মুস্তাফিজুর রহমান তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরিয়ান হোপকে। ৩৬ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ৫৫ রান। এরপর আর তেমন কেউ মাঠে দাঁড়াতে পারেননি। পরে ক্যারিবীয়রা দেড়শর কাছাকাছি গেছে রোমারিও শেফার্ডের ১৬ বলে ১৩ আর রস্টন চেজের ১৫ বলে অপরাজিত ১৭ রানে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মুস্তাফিজুর রহমান ২১ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। দুটি করে উইকেট পান রিশাদ হোসেন আর নাসুম আহমেদ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ক্যারিবীয় অঞ্চলে ২৫০ কি.মি বেগে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মেলিসা’! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/537</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 10:54:06 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/537</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আটলান্টিক মহাসাগরে অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে &amp;lsquo;মেলিসা&amp;rsquo;। ঘূর্ণিঝড়টি ২৫০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে এসে ক্যারিবীয় অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের (এনএইচসি) তথ্যমতে, এটি ক্যাটাগরি&amp;ndash;৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ঝড়, যা প্রবল জলোচ্ছ্বাস ও বন্যা সৃষ্টি করে বহু এলাকা প্লাবিত করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়া &amp;lsquo;মেলিসা&amp;rsquo;র ছোবোলে এ পর্যন্ত সাতজনের প্রাণহানি ঘটেছে&amp;mdash;জ্যামাইকায় তিনজন, হাইতিতে তিনজন এবং ডোমিনিকান রিপাবলিকে একজন। আরও একজন নিখোঁজ বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। রেড ক্রসের হিসেবে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্তত ১৫ লাখ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জ্যামাইকা সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত। দেশটির সরকার জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি সহায়তা কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল খোলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, জ্যামাইকায় ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে, যা আরও বড় মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঝড়ের প্রভাব ইতোমধ্যে প্রতিবেশী কিউবায়ও পড়তে শুরু করেছে। দেশটির উপকূলীয় অঞ্চলগুলো থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, বুধবার ভোর নাগাদ &amp;lsquo;মেলিসা&amp;rsquo; কিউবার ভূমিতে আঘাত হানতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মেলিসা অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করেছে। তাদের মতে, এটি কেবল জ্যামাইকাই নয়, গোটা ক্যারিবীয় অঞ্চলের জন্য এক ভয়ংকর মানবিক সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: বিবিসি, মিন্ট, আলজাজিরা&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নরসিংদীতে স্ত্রী-সন্তানদের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন স্বামী: ২ জন নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/536</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 10:14:18 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/536</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নরসিংদীতে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত স্ত্রী-সন্তানসহ ছয়জনের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী-শিশুসহ দুজন মারা গেছেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ও দুপুর ১২টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সুজন চন্দ্র সরকার।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মারা যাওয়া দুজন হলেন, রিনা বেগম (৩৮) এবং তাঁর ছেলে ফরহাদ (১৫)। এ ঘটনায় রিনার আরেক ছেলে তাওহিদ (৭) চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ছাড়া পাওয়া তিনজন হলেন, রিনার ছেলে জিহাদ (২৪), বোন সালমা বেগম (৩৪) ও তার ছেলে আরাফাত (১৫)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া (৪৪) পেশায় একজন পিকআপ চালক ও ঘোড়াদিয়া এলাকার বাসিন্দা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টায় রিনা বেগম ও দুপুর ১২টায় ফরহাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রিনার শরীরের ৫৮ শতাংশ এবং ফরহাদের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে গত বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া এলাকায় স্ত্রী-সন্তানসহ ৬ জনের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালান ফরিদ মিয়া। শুক্রবার রাতে ফরিদ মিয়াকে একমাত্র আসামি করে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা করেন রিনার মা হোসনা বেগম। পরদিন শনিবার রাত ৮টার দিকে রায়পুরা থানার বারৈচা এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফরিদ মিয়া ও রিনা বেগম দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জের ধরে জিহাদ মিয়া (২৪), ফরহাদ (১২) ও তাওহীদ (৭) তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান রিনা। গত বুধবার রাত আড়াইটার দিকে ফরিদ মিয়া শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ঘুমিয়ে থাকা স্ত্রী-সন্তানসহ ছয়জনের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। পরে ঘরের বাইরে থেকে দরজায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন টিনের ঘরের দরজা ভেঙে দগ্ধ ছয়জনকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় দগ্ধ ছয়জনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তিনজনকে ভর্তি রেখে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, অগ্নিদগ্ধ ৬ জনের মধ্যে রিনা বেগম ও তাঁর ছেলে ফরহাদের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা হওয়ার পর একমাত্র আসামি ফরিদ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুদ্ধ বিরতির মধ্যেও হামলা চালিয়ে ২০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করলো ইসরাইল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/535</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 09:59:04 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/535</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আন্তর্জাতিক চুক্তি, মানবিক আহ্বান কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করছে না ইসরায়েল। দেশটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেও একের পর এক যুদ্ধাপরাধ করে যাচ্ছে। সর্বশেষ স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাতে গাজায় শক্তিশালী হামলা চালিয়ে ২০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবরে বলা হয়েছে, দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। দক্ষিণ রাফাহ সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনায় এক ইসরায়েলি সেনা আহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অঞ্চলটিতে &amp;lsquo;শক্তিশালী হামলার&amp;rsquo; নির্দেশ দেন। এরপরই মঙ্গলবারের এসব হামলা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর সবচেয়ে বড় সহিংসতা ছিল এটি। হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেড ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে জানিয়েছে, তারা এক নিখোঁজ বন্দীর মরদেহ হস্তান্তরের পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক বিবৃতিতে সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েলের এমন হামলা উদ্ধারকাজ ব্যাহত করবে। এতে গাজায় থাকা অবশিষ্ট ১৩ ইসরায়েলি বন্দীর মরদেহ উদ্ধারে বিলম্ব ঘটবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স অবশ্য বলেছেন, হামলা ও পারস্পরিক অভিযোগ সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল আছে। তিনি বলেন, &amp;lsquo;এর মানে এই নয় যে ছোটখাটো সংঘর্ষ হবে না।&amp;rsquo; ক্যাপিটল হিলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমরা জানি, গাজার ভেতর থেকে কোনো পক্ষ এক ইসরায়েলি সেনার ওপর হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েল প্রতিক্রিয়া জানাবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রেসিডেন্টের শান্তি উদ্যোগ অটুট থাকবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামাস রাফাহর ওই হামলায় নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে। গাজার চিকিৎসা সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, মঙ্গলবারের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তর গাজা সিটির সাবরা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে চারজন এবং দক্ষিণের খান ইউনিসে আরও পাঁচজন রয়েছেন। সূত্রগুলো জানায়, অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল জাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ গাজা সিটি থেকে জানিয়েছেন, একটি ক্ষেপণাস্ত্র আল-শিফা হাসপাতালের পেছনে পড়েছে এবং আকাশে ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। তিনি বলেন, &amp;lsquo;প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিস্ফোরণটি ছিল ভয়াবহ। আমরা ঘটনাস্থল থেকে ২০ মিনিট দূরে, তবু শব্দ স্পষ্ট শোনা গেছে। হাসপাতালের ভেতরে রোগী ও চিকিৎসক-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার সিভিল ডিফেন্স কর্মী ইব্রাহিম আবু রিশ বলেন, &amp;lsquo;এটা যুদ্ধবিরতির সরাসরি লঙ্ঘন। আমাদের কাছে হতাহত আছে, আমাদের দল ধসে পড়া ভবনে মানুষ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।&amp;rsquo; হামলার পর নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে গাজায় &amp;lsquo;শক্তিশালী হামলা চালানোর&amp;rsquo; নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে নির্দিষ্ট কারণ জানানো না হলেও, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ পরে এক বিবৃতিতে হামাসকে রাফাহর ঘটনার জন্য দায়ী করে বলেন, &amp;lsquo;হামাসকে এই হামলার জন্য বড় মূল্য দিতে হবে।&amp;rsquo; এপির খবরে দুই মার্কিন সরকারি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, গাজায় সর্বশেষ হামলা চালানোর আগে ইসরায়েল ওয়াশিংটনকে অবহিত করেছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার সরকারি জনসংযোগ কার্যালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ইসরায়েল এখনো গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে কঠোর বাধা দিচ্ছে। হামাস ইসরায়েলের এসব হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংগঠনটি টেলিগ্রামে বলেছে, গাজায় চলমান ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ &amp;lsquo;মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে শারম আল শেখে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রকাশ্য লঙ্ঘন।&amp;rsquo; তারা বলেছে, চুক্তির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি অটুট। আল জাজিরাকে গাজার হামাসের পলিটিক্যাল ব্যুরোর সদস্য সুহাইল আল-হিন্দি বলেছেন, &amp;lsquo;ইসরায়েল বুঝতে হবে, আমরা চুক্তিতে অটল। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ বন্ধ করতে হবে।&amp;rsquo; তিনি জানান, ইসরায়েলি বন্দীদের মরদেহ উদ্ধারে তাদের &amp;lsquo;বড় ধরনের বাধার&amp;rsquo; মুখে পড়তে হচ্ছে। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমরা মরদেহ উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। কোনো বিলম্বের দায় সম্পূর্ণ ইসরায়েলি দখলদারদেরই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/534</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 09:45:44 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/534</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় &amp;lsquo;মোন্থা&amp;rsquo; ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে। গতকাল মঙ্গলবার এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হয় এবং কাকিনাড়া উপকূল পার হয়ে মাছিলিপত্তনম ও কলিঙ্গপত্তনমের মধ্যবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়ে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর বিক্ষুব্ধ। বাংলাদেশের উপকূলে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল এবং গভীর সাগরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলাদেশে কতটা পড়বে, তা নির্ভর করছে এটি স্থলভাগে উঠার পর এর গতিপ্রকৃতির ওপর। আপাতত বলা যায়, বুধবার কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভারতের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোন্থার কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ, উড়িষ্যা ও তামিলনাড়ু রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় &amp;lsquo;রেড অ্যালার্ট&amp;rsquo; জারি করা হয়েছে। ঝড়ের কারণে উড়োজাহাজ ও রেল যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম বিমানবন্দরসহ একাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার আট শতাধিক ত্রাণশিবির খুলেছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ এবং সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মোন্থা দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ থেকে মূলত ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। থাইল্যান্ড ঘূর্ণিঝড়টির এ নাম দিয়েছে। যার অর্থ &amp;lsquo;সুগন্ধি ফুল&amp;rsquo;।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকায় আসছেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ড. জাকির নায়েক: জানেন না পররাষ্ট্র উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/533</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 17:25:05 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/533</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ও খ্যাতিমান চিন্তাবিদ ড. জাকির নায়েক আগামী ২৮ নভেম্বর ঢাকায় আসার বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছে স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। তবে ড. জাকিরের সফরের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপ&amp;zwnj;দেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাম্প্রতিক বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাকির নায়েক রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে বাংলাদেশে আসছেন এবং বিভিন্ন জেলায় ঘুরে তার কর্মসূচি পালন করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে কী বলবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, জাকির নায়েককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বলে আমি জানি না। আমি এ রকম কিছু শুনিনি। এটা আপনার (প্রশ্নকারী সাংবা&amp;zwnj;দিক&amp;zwnj;) কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে রোববার (১২ অক্টোবর) স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রোপাইটার আলী রাজ জানিয়েছিলেন প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসছেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ও খ্যাতিমান চিন্তাবিদ ড. জাকির নায়েক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলী রাজ জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৮ অথবা ২৯ নভেম্বর ঢাকায় ডা. জাকির নায়েকের প্রথম প্রোগ্রামটি হবে। তবে কেবল ঢাকাতেই নয়, ঢাকার বাইরেও এই প্রোগ্রাম করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ড. জাকির নায়েক এ আগমন কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশে নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ চ্যারিটি প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচালিত হবে বলেও জানান স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রোপাইটার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুবাই থেকে বিমান বন্দরে নেমেই অপহরণের শিকার প্রবাসী! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/532</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 16:57:27 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/532</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[হাসপাতালে শয্যাশায়ী অসুস্থ বাবাকে দেখার জন্য ছেলে ইমরান মুন্না ছুটে আসেন আরব আমিরাতের দুবাই থেকে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে নেমে বাড়ির উদ্দেশে ওঠেন সিএনজিচালিত অটোরিকশায়। অটোরিকশাটি পতেঙ্গা উড়াল সড়কে ওঠার পর অস্ত্রের মুখে মুন্না ও তাঁর এক আত্মীয়কে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল এই ঘটনা ঘটেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে, তবে অপহরণকারী ব্যক্তিদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় কোনো মামলাও হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন&amp;nbsp; বলেন, ঘটনাস্থল পতেঙ্গা হলেও ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় উদ্ধার হন। সেখানে মামলা করার কথা বললে অপহরণের শিকার ইমরান রাজি হননি, তবে তাঁকে বুঝিয়ে মামলা করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর ইসলাম&amp;nbsp; বলেন, ইমরান মুন্নার গ্রামের বাড়ি হাটহাজারী নজুমিয়াহাট এলাকায়। বিমানবন্দরে নেমে তিনি গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য অটোরিকশায় ওঠেন। সঙ্গে ছিলেন সুলাইমান নামের তাঁর এক আত্মীয়। তাঁদের বহনকারী অটোরিকশা শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কে ওঠার পর একটি প্রাইভেট কার এসে গতি রোধ করে। এরপর দেশি অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁদের বায়েজিদ বোস্তামী থানার আতুরার ডিপো এলাকার একটি পরিত্যক্ত কটন মিলের ভেতরে নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অপহরণের বিষয়টি গোপনসূত্রে জানতে পারে পতেঙ্গা থানা&amp;ndash;পুলিশ। পরে বায়েজিদসহ বিভিন্ন থানায় বিষয়টি জানায় তারা। এরপর খবর পেয়ে বায়েজিদ থানা&amp;ndash;পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দূর থেকে দেখে অপহরণকারী ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। উদ্ধার করা হয় প্রবাসী মুন্নাকে। পরে তাঁর আত্মীয় সুলাইমানকেও পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় প্রবাসীর লাগেজও।&lt;br /&gt;
অভিযানে থাকা বায়েজিদ বোস্তামী থানার এসআই মোহাম্মদ মোস্তফা প্রথম আলোকে বলেন, দুই ভুক্তভোগী ও অটোরিকশাচালকের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত থানায় বোঝানো হয়। কিন্তু তাঁরা কিছুতে মামলা করতে রাজি হচ্ছেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রবাসী ইমরান মুন্নার মুঠোফোনে রাতে যোগাযোগ করা হলে এই বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো, কালের কন্ঠ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভৈরবকে জেলা ঘোষণার দাবিতে  একযোগে সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/531</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 15:51:05 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/531</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[কিশোরগঞ্জের ভৈরবকে জেলা ঘোষণার দাবিতে নৌপথ অবরোধ করা হয়েছে। কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) একযোগে সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে নৌপথ অবরোধ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু ইউসুফ জানান, ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন জংশনে আন্দোলনকারীরা উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে রাখে। এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে । আন্দোলনের একপর্যায়ে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে ট্রেনের ক্ষতি সাধন করে। শুধু তাই নয় এ সময় যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে বিক্ষোভ সমাবেশ করে আন্দোলনকারীরা। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের মুখ্য সংগঠক ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল, জেলা বাস্তবায়ন মঞ্চের নেতা সাইদুর রহমান শাহরিয়ারসহ বক্তারা জানান, তাদের কর্মসূচি বাতিলের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা প্রদান করা হয়েছে এবং তাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধের ডাক দেন তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবারের ঘটনায় তারা বলেন, গতকাল ট্রেনচালক আন্দোলনকারীদের ওপর দিয়ে ট্রেন চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে কিছু লোক ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা দুঃখ প্রকাশ করেন। বক্তব্য শেষে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ প্রত্যাহার করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে ভৈরব নৌ- থানার( ওসি) মো. রাশেদুজ্জামান জানান, ভৈরব থেকে বিভিন্ন রুটে নৌ-চলাচল স্বাভাবিক আছে। কোনো সমস্যা নেই। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, সোমবার (২৭ অক্টোবর) ভৈরব জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে সকালে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট আটকে রাখে আন্দোলনকারীরা। এ সময় চালক ট্রেনটির হুইসেল বাজিয়ে চালানোর চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীরা উত্তেজিত হয়ে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জেলার খবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অস্ত্র মামলায় ক্যাসিনো সম্রাটের যাবজ্জীবন কারাদন্ড! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/530</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 15:22:44 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/530</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঢাকার অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার হোতা ও যুবলীগের সাবেক নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, সম্রাটের বিরুদ্ধে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রাখার অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছে। এ অপরাধেই তাকে এই সাজা দেওয়া হলো।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, পলাতক সম্রাটের এই সাজা তার গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে কার্যকর হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এর আগে, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে অস্ত্র আইনে সম্রাটের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। বিচার চলাকালে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অপরাধ&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ময়মনসিংহে  মাকে মেয়ে ভেবে তুলে নিয়ে  ধর্ষণ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/529</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 15:06:42 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/529</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ি থেকে তুলে ধানক্ষেতে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে ত্রিশাল থানায় এ অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী নারী। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ওই ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আকমল হোসেন (৩৮)। তিনি উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি কোম্পানিতে কাজ করেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ অক্টোবর ভোরে ওই গৃহবধূ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বসতঘর থেকে বের হয়ে টয়লেটে যান। টয়লেট থেকে বের হওয়া মাত্র তাকে পেছন থেকে মুখ চেপে বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে একটি ধানক্ষেতে নিয়ে যান আকমল। ওই সময় গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। ওই নারীর চিৎকারে স্বামী ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আকমল পালিয়ে যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গৃহবধূর ছোট ভাইয়ের দাবি, তার সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ভাগনিকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন আকমল। ঘটনার দিন ভোরে ভাগনির ওড়না জড়িয়ে টয়লেটে যান বোন। সেই ওড়না দেখে ভাগনি মনে করে তার বোনকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ভয়ে তার বোনের পরিবার থানায় যেতে পারেনি। তাদের নানা ধরনের ভয়ভীতি ও মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ওই অবস্থায় তিনি বোনকে নিয়ে থানায় গিয়ে বিস্তারিত জানালে পুলিশ মামলা নেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরী দেখতে মায়ের মতো। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে। এলাকার একটি প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য আকমল। তিনি মাস দুয়েক ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মেয়ে ভেবে মাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে&amp;mdash; লোকজন এমন কথা বললেও মামলার অভিযোগে এমন কিছু বাদী লেখেননি। মঙ্গলবার ওই গৃহবধূর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ইত্তেফাক, প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবুল কালাম আজাদের পরিবারকে দশ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে’ আইনি নোটিশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/528</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 14:36:10 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/528</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানী ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে দুর্ঘটনায় নিহত আবুল কালাম আজাদের পরিবারকে দশ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে সড়ক পরিবার ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব/সিনিয়র সচিব এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইনি নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে দশ কোটি টাকা এবং কালামের পরিবারের একজন সদস্যকে মেট্রোরেলে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ডাকযোগে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী এনামুল হক নবীন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, &amp;lsquo;গত ২৬ অক্টোবর সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের এমআরটি লাইন-৬ ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন পিয়ার নং ৪৩৩ হতে দুইটি বিয়ারিং প্যাড পড়ে যায়। এর মধ্যে একটি বিয়ারিং প্যাড পথচারী আবুল কালামের মাথায় পড়লে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত আবুল কালাম আজাদের তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি ছিলেন। আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী ও ২ টি শিশু সন্তান রয়েছে। আবুল কালাম আজাদের অর্থায়নে তার ছোট ভাই পড়াশোনা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মেট্রোরেল ব্যবস্থাপনার চরম গাফিলতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে আবুল কালাম নিহত হয়। এর ফলে আবুল কালাম আজাদের নিহত হওয়ার দায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ তাদের স্থাপনা সমূহ এবং সরঞ্জামাদি দেখভাল ঠিকমতো করেনি এবং কোথায় কখন কি ধরনের ত্রুটি আছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ না করে ত্রুটিযুক্ত অবস্থায় মেট্রোরেল পরিচালনা করে আসছেন। যা জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অধীনে পরিচালিত মেট্রোরেল দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলা করছেন এবং ত্রুটি যুক্ত রেখে ও জননিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন যার ফলে আবুল কালাম আজাদ নিহত হন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নোটিশে আরও বলা হয়, গত ২৭ অক্টোবর আবুল কালাম আজাদের নিহত হওয়ার জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণস্বরুপ পাঁচ লাখ টাকা সরকারি সহায়তা দিবেন এবং তার পরিবারের একজনকে মেট্রোরেলে চাকরি দিবে, যাহা খুবই সামান্য, বাস্তবতা বিবর্জিত এবং আস্পষ্ট ও অবমাননাকর। আবুল কালাম আজাদের নিহত হওয়া জন্য নোটিশ গ্রহীতারা ক্ষতিপূরণ ও তার পরিবারের জীবনযাপন করার জন্য আর্থিক সহায়তা স্বরূপ দশ কোটি টাকা আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দিবেন এবং তার পরিবারের একজন সদস্যকে মেট্রোরেলে স্থায়ী চাকরি দিবেন। অন্যথায় আপনাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাহা রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক নজির স্থাপন করবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্রাসেলসে হামলা হলে, মস্কোকে মানচিত্র থেকে মুছে দেব : হুশিয়ারি বেলজিয়ামের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/527</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 13:00:11 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/527</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রাশিয়া যদি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, তবে পালটা হামলা চালিয়ে মস্কোকে মানচিত্র থেকে মুছে দেবে ন্যাটো। এমন কঠোর হুঁশিয়ারিই দিয়েছেন বেলজিয়ামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী থিও ফ্রাঙ্কেন। একইসঙ্গে ইউরোপে ৬০০টি এফ&amp;ndash;৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার বেলজিয়ান দৈনিক ডি মর্গেনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্রাঙ্কেন বলেন, যদি (রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিন ব্রাসেলসের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, আমরা মস্কোকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলব।&lt;br /&gt;
ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইউরোপে যেসব সংশয় দেখা দিয়েছে, তা তিনি গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য করেন।&lt;br /&gt;
ফ্রাঙ্কেন বলেন, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাত এতটাই প্রবল যে সেটা অবিশ্বাস্য। কিন্তু প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শতভাগ ন্যাটো মিত্রদের পাশে থাকবে। ব্রাসেলসে ক্রুজ মিসাইল হামলা? এটা তো বোঝাই যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে কেউই দ্বিধা করবে না। পুতিনও এটা জানেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে তিনি সতর্ক করে দেন, রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে ছোট করে দেখার ভুল যেন কেউ না করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার ভাষায়, রাশিয়া এখন তার সামরিক সক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছে। তাদের যুদ্ধ অর্থনীতি এখন ন্যাটোর সব দেশ মিলে যত গোলাবারুদ তৈরি করে, তার চারগুণ উৎপাদন করছে। অথচ ইউরোপের এখনো কোনো কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড নেই।&lt;br /&gt;
ফ্রাঙ্কেন বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে সমস্যায় পড়েছে কারণ তারা পুরো পশ্চিমা বিশ্বের বিপক্ষে লড়ছে। ইউক্রেনীয়রা আমাদের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অর্থ দিয়েই যুদ্ধ চালাচ্ছে, নইলে অনেক আগেই তারা পরাজিত হতো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামীদিনের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফ্রাঙ্কেন বলেন, পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীনের যৌথ চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, চীন চায় ইউক্রেনের যুদ্ধ যতদিন সম্ভব চলুক, কারণ এতে পশ্চিমা বিশ্ব দুর্বল হবে। চীন বিপুল পরিমাণে রাশিয়ার কাঁচামাল কিনছে, অস্ত্র সরবরাহ করছে, আর রাশিয়ায় উত্তর কোরীয় সেনা পাঠানোকেও তারা ভালো চোখে দেখছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্রাঙ্কেন আরও বলেন, রাশিয়া নিকট ভবিষ্যতে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোতে বড় আক্রমণ করবে বলে মনে হয় না। কারণ, সেগুলো ন্যাটো সদস্য। খুব শিগগিরই ইউরোপে ৬০০টি এফ&amp;ndash;৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন হবে। রাশিয়ানরা এগুলোকে ভয় পায়, কারণ তাদের পক্ষে এগুলো শনাক্ত করা সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​গাজীপুরের টঙ্গীর মসজিদের খতিব ইমাম মুফতি মহিবুল্লা ‘র স্বীকারক্তি, তিনি অপহৃত হননি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/526</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 12:26:42 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/526</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম মুফতি মহিবুল্লাহ মিয়াজীর রহস্যজনক নিখোঁজের পেছনের আসল ঘটনা অবশেষে উদঘাটন করেছে পুলিশ। নিখোঁজের চার দিন পর জানা গেছে, তিনি অপহৃত হননি&amp;mdash;বরং স্বেচ্ছায় টঙ্গী থেকে বের হয়ে নিজেই পঞ্চগড় গিয়েছিলেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে তাকে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) তাকে আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) এক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে&amp;mdash;মহিবুল্লাহ ইসকন কর্তৃক অপহৃত হয়েছেন বলে যে অভিযোগ করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি শ্যামলী পরিবহনের বাসে নিজে টিকিট কেটে পঞ্চগড় যান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার গতিবিধি ট্র্যাক করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় ইমাম মহিবুল্লাহর সঙ্গে একই বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী ও বাসের সুপারভাইজারকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিজ্ঞাসাবাদে ইমাম মহিবুল্লাহ নিজেই পুরো ঘটনা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমি হাঁটতে গেছি। হাঁটতে যাওয়ার পরে আমার মাথায় আসলো যে আমি চলতে থাকি, যাই। কোন দিকে যাই বলতে পারি না। একপর্যায়ে অটো পাইছি, অটোতে উঠছি, মীরেরবাজার নামছি। নামার পরে মনে চাইল আমি জয়দেবপুর যাই। সিএনজিতে করে জয়দেবপুর গেছি। এরপর মনে হলো আমি বাসে উঠি। বাসে উঠে গাবতলী গেছি। সেখান থেকে মনে চাইল আমি টিকিট করি। কই যাব খেয়াল হইল&amp;mdash;পঞ্চগড় যাই। অনেক রাতে পঞ্চগড় নামছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;নামার পরে হাঁটতেছিলাম, কোন দিকে হাঁটতেছি জানি না। হাঁটতে হাঁটতে দেখি পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ লাইনস এগুলো পার হয়ে গেছি। একপর্যায়ে একটা শিকল কুড়িয়ে পাইলাম। ওইটা নিয়ে এক যায়গায় প্রস্রাব করতে বসলাম। প্রস্রাব করলাম আর পায়জামায় প্রস্রাব লাগল, এর পরে জামায়ও লাগল। জামা খুইলা ফালাইলাম, পায়জামাও খুললাম। কিন্তু খোলার পরে আবার পরতে হবে এই জিনিসটা আমি আর পারি নাই ঠাণ্ডায়। ঠাণ্ডায় ওইখানে শুইয়া পড়লাম আর পায়ে শিকল দিলাম। এইটা কেন করতেছি এইটার কোনো চিন্তাভাবনা আমার নাই, খালি যা মাথায় আসতেছে তা করতেছি।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে আলজাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সামি এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জানান, মহিবুল্লাহ মিয়াজীর অপহরণের দাবি পুরোপুরি অসঙ্গত। তিনি বলেন, &amp;lsquo;তিনি দাবি করেছিলেন ২২ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ৬টা ৫২ মিনিটে তিনি নিজ বাসা থেকে বের হন, ৬টা ৫৩ মিনিটে মসজিদ ত্যাগ করেন এবং ৭টা ১৮ মিনিটে ফিলিং স্টেশনের সামনে দিয়ে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সায়ের আরও জানান, চারটি ভিন্ন এঙ্গেল থেকে নেওয়া ফুটেজে অপহরণের কোনো চিহ্ন নেই। বরং দেখা যায়, মহিবুল্লাহ একাই দ্রুত গতিতে হেঁটে যাচ্ছেন। স্থানীয় ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. সোলেইমানও বলেন, &amp;lsquo;তিন দফায় পুলিশের বিভিন্ন শাখা আমাদের সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করেছে। হুজুরকে আমাদের ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে অপহরণ করা হয়নি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, গত ২২ অক্টোবর সকালে টঙ্গীর বাসা থেকে হাঁটতে বের হয়ে নিখোঁজ হন মুফতি মহিবুল্লাহ মিয়াজী। পরদিন সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সিতাগ্রাম এলাকায় মহাসড়কের পাশে শিকল বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অনুসন্ধান]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশে পর্যটন ব্যয় বেশী, ভ্রমনপিয়াসু মানুষ ছুটছেন বিদেশে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/525</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 12:10:55 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/525</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের বিরক্তির শেষ নেই। হোটেল-রিসোর্ট, বিমান টিকিট ও খাবারের মাত্রাতিরিক্ত খরচে নাকাল তারা। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে তাদের গুনতে হচ্ছে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি টাকা। ফলে আগ্রহ থাকলেও অতিরিক্ত খরচের কারণে বাংলাদেশ দেখার স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসছে দেশিবিদেশি পর্যটকদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট বুকিংডটকমে দেখা যায়, কক্সবাজারের মারমেইড বিচ রিসোর্টের প্রাইভেট পুলসহ সি ভিউ স্যুটের এক দিনের ভাড়া প্রায় ৫০ হাজার টাকা। তার সঙ্গে ট্যাক্স ও অন্যান্য চার্জ মিলে যুক্ত হয় আরও প্রায় ৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের ফুকেটের আতিকা ভিলাস জেরো ওশানফ্রন্ট পুল ভিলায় পাহাড় ও সি ভিউ, প্রাইভেট পুল এবং আরও অনেক সুযোগসুবিধাসহ এক দিনের ভাড়া আসে ৩০ হাজার টাকা। পর্যটন খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের ভ্রমণব্যয় কমপক্ষে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি। ওসব দেশে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এক দিন থাকার খরচ পড়ে ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা। অথচ বাংলাদেশে ২০ হাজার টাকার নিচে চিন্তাও করা যায় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারা আরও জানান, বাংলাদেশে লেইজার ট্যুরিজমের (শুধু বেড়ানোর উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারী) সংখ্যা কম। অন্য দেশ থেকে আসা পর্যটকরা বেশির ভাগই আসেন ব্যবসায়িক কাজে। এর মধ্যে গার্মেন্টের ক্রেতা, বিভিন্ন সরকারি কাজ বা প্রদর্শনীতে আসা ব্যক্তিই বেশি। ব্যবসায়িক ভ্রমণে আসা ব্যক্তিদের ভ্রমণব্যয় বহন করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোই। ফলে দেশের হোটেল মালিকরা লেইজার ট্যুরিজমে উৎসাহি হন না। তারা হোটেলের ভাড়া এমনভাবে তৈরি করেন যাতে ব্যবসায়িক ভ্রমণে আসা ব্যক্তিদের জন্য তা উপযোগী হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়াও পর্যটন কেন্দ্রের আশপাশের রেস্টুরেন্টগুলোতে খাবারের দামও থাকে চড়া। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বা স্থানীয় দুটি ক্ষেত্রেই আকাশপথে বাংলাদেশ থেকে বিমান ভাড়া অতিরিক্ত। আকাশপথে যাতায়াতে প্লেনের টিকিট একটি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি থাকায় সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া কঠিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা জানান, হোটেল নির্মাণের সবকিছুই বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। এজন্য পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল-রিসোর্টে ভাড়াও বেশি। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ রাফিউজ্জামান বলেন, দেশের হোটেল-রিসোর্টগুলোর ভাড়া বেশি এটা সত্য। বাংলাদেশে হোটেল ও রিসোর্ট, পার্ক বা ক্রুজ তৈরির যন্ত্রাংশের অধিকাংশই আমদানি করতে হয়। এতে নির্মাণ খরচ বাড়ায় ভাড়াও বাড়ানো হয়। এগুলো সরকারের রেগুলেটরি কমিশনকে নজরদারি করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসা পর্যটক আহসান হাফিজ জানান, কক্সবাজারে তিন তারকা মানের একটি হোটেলের ফ্যামিলি রুমে প্রতিদিনের ভাড়া ছিল প্রায় ৪০ হাজার টাকা। অথচ এই টাকায় তিনি থাইল্যান্ডে চার দিন থাকতে পারতেন। কক্সবাজারে চাঁদের গাড়িতে মেরিন ড্রাইভ ঘুরতে তার ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। সেখানে ব্যাংককে তিনি গ্যাব ও বোল্টের মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে তুলনামূলক সাশ্রয়ী খরচে ঘুরতে পারেন। কক্সবাজারের রেস্টুরেন্টে সাধারণ বাংলা খাবারের দামও অনেক বেশি। দেশের ট্যুর অপারেটররা জানান, হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করায় হোটেল ভাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন। কিন্তু একজন পর্যটক যে মূল্য দিয়ে সেবা নিচ্ছেন সে অনুযায়ী প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না। থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি একজন পর্যটক ১০ হাজার টাকা দিয়ে যে হোটেল নিচ্ছেন দেশে একই মানের হোটেলে দিতে হচ্ছে ৩০-৪০ হাজার টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জার্নি প্লাসের প্রধান নির্বাহী তৌফিক রহমান বলেন, পর্যটকদের সাশ্রয়ে বিভিন্ন সেবা দিতে হলে সরকারিভাবে শক্ত নীতিমালা তৈরি করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। জেলা প্রশাসনেরও নজরদারি লাগবে। একটি ইন্টারমিনিস্টারিয়াল বডি লাগবে, যারা পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ভ্রমন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্টগ্রামে বিএনপি নেতার ব্যানার টানাতে গেলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি: নিহত ১ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/524</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 11:00:34 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/524</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চট্টগ্রাম নগরীতে সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিযুক্ত ব্যানার টানানো নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে সাজ্জাদ (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার দিবাগত গভীররাতে বাকলিয়া থানাধীন সৈয়দ শাহ রোডের মদিনা আবাসিকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও ব্যাপক সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহত সাজ্জাদ বাকলিয়ার তক্তারপুল এলাকার বাসিন্দা আলমের ছেলে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায়। তিনি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাকলিয়া থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, &amp;lsquo;সৈয়দ শাহ রোডে ব্যানার টানানো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা এমদাদুল হক বাদশা ও বোরহান উদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সৈয়দ শাহ রোডে সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেনের ছবিসহ একটি ব্যানার টানায় বোরহানের অনুসারীরা। রাতে বাদশার অনুসারীরা সেটি নামিয়ে ফেলতে গেলে লোকজন নিয়ে বোরহান বাধা দেয়। এসময় তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে নিহত সাজ্জাদসহ ৮-১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্টগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় উল্টে গেলে ট্রেন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/523</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 10:23:11 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/523</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;চট্টগ্রামের সাগরিকা এলাকায় মালবাহী একটি ট্রেনে ধাক্কা দিয়েছে চালবোঝাই একটি ট্রাক। এতে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে ট্রাক, লাইনচ্যুত হয়েছে ট্রেন। দুর্ঘটনার ফলে মালবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে নগরীর সাগরিকা স্টেডিয়াম রেলগেইট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ভোরে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মালবাহী ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। সাগরিকা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক সিগন্যাল না মেনে ট্রেনের ইঞ্জিনে সজোরে আঘাত করে। এতে ট্রেনের ইঞ্জিন উল্টে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, &amp;lsquo;ট্রাক ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মালবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। লাইনটি শুধু মালবাহী ট্রেন ও কনটেইনার পরিবহনের জন্য ব্যবহার হয়। এতে যাত্রীবাহী কোনো ট্রেন চট্টগ্রামে সমস্যা হচ্ছে না। ট্রেনটি উদ্ধারের কাজ চলছে।&amp;rsquo;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজশাহী পদ্মার চরে ‘কাকন বাহিনী’র গুলিতে ২জন নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/522</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 10:15:47 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/522</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কথিত &amp;lsquo;কাকন বাহিনী&amp;rsquo;র গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নিহার চন্দ্র মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতরা হলেন উপজেলার চরাঞ্চল নীচ খানপুর গ্রামের মিনহাজ মণ্ডলের ছেলে আমান মণ্ডল (৩৬) ও শুকুর মণ্ডলের ছেলে নাজমুল মণ্ডল (২৬)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আহতরা হলেন চাঁন মণ্ডলের ছেলে মুনতাজ মণ্ডল (৩২) ও আশরাফ মণ্ডলের ছেলে রাবিক হোসেন (১৮)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে চরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। পরে অপর পক্ষের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন আমান মণ্ডল, মুনতাজ মণ্ডল ,নাজমুল মণ্ডল ও রাবিক হোসেন। এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ার কারণে প্রথমে তাদের উদ্ধার করা যায়নি। খবর পেয়ে লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রতিপক্ষরা সরে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ততক্ষণে আমান মণ্ডল মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডা. নিহার চন্দ্র মণ্ডল জানান, মুনতাজের শরীরের বিভিন অংশে শতাধিক, রাকিবের শরীরে প্রায় ৮০, নাজমুলের শরীরে প্রায় ৩৫ এবং আমানের মাথায়সহ শরীরের পাঁচ জায়গায় গুলি চিহৃ পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্ষতস্থান দেখে পুলিশের ধারণা, এগুলো পিস্তল ও রাবার বুলেটের ছোড়া গুলি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ ও নিহত-আহত পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, চলাঞ্চলে জমির দখলের আধিপত্য বিস্তার করে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার কথিত &amp;lsquo;কাকন বাহিনী&amp;rsquo;র লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চরাঞ্চলের নীচ খানপুর গ্রামের বেলাল হোসেন জানান, তারা লোকজন নিয়ে চর এলাকায় খড় কাটছিলেন। এসময় কাকন বাহিনীর লোকজন খড় কাটা জমির দখল নিতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। এতে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। এরমধ্যে দুজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় কাকন বাহিনীর কারোর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুপ্রভাত মণ্ডল জানান, হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৬ জনের মৃত্যু,  ৯৮৩ হাসপাতালে ভর্তি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/521</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 18:33:42 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/521</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ৯৮৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮৩ জন। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৪১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭১ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২২৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ৬২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪১ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৮ জন, রংপুর বিভাগে ১২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৭ জন ভর্তি হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, গত এক দিনে সারা দেশে ৯৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪১৪ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৬ হাজার ৪২৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২৬৯ জনের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টাকা কম না, অপচয় বেশি।! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/520</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 18:11:05 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/520</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের ক্যান্সার চিকিৎসার মূল সমস্যা টাকার অভাব নয়, বরং সিস্টেমের মধ্যে থাকা গলদ, দুর্নীতি আর অপচয় এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ক্যান্সার হাসপাতালে একই মানের দুটি চিকিৎসা যন্ত্রের দামে ১৪ কোটি টাকার পার্থক্য কেন? এই বাড়তি টাকায় হাসপাতালে কী ঢুকলো?&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এসময় তিনি সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, অদক্ষতা এবং জটিল সিস্টেমের গলদ নিয়ে সরাসরি সমালোচনা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্যান্সার চিকিৎসায় মেশিন ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নূরজাহান বেগম বলেন, একটি মেশিনের দাম ২৪ কোটি, অন্যটির ৩৮ কোটি টাকা- মান প্রায় একই, কিন্তু দামের পার্থক্য ১৪ কোটি কেন? কারণ সিস্টেমে এমন কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়, যা বাস্তবে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক ব্যয় বাড়িয়ে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আমাদের ভাবতে হবে, এই সিস্টেম থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায়। কারণ এই সিস্টেমটাই রোগীর চিকিৎসা বিলম্বিত করছে, জনগণের টাকা নষ্ট করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার মতে, সরকারি খাতে যন্ত্রপাতি কেনা বা প্রকল্প বাস্তবায়নের নিয়মগুলো এমনভাবে তৈরি যে, আসল প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি টাকা ব্যয় হয়- অথচ সেবার মান তাতে বাড়ে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;অপচয় বন্ধ করে রোগীর জন্য খরচ করুন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টাকা কম না, অপচয় বেশি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি হাসপাতালের অপ্রয়োজনীয় খরচের উদাহরণ টেনে বলেন, একটা ফুলের তোড়ায় ১৫০০&amp;ndash;১৬০০ টাকা খরচ হয়, অথচ এই টাকায় অন্তত একজন রোগীর ওষুধ কেনা যেত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, যেই অপচয়টা আমরা করছি, সেটা যদি আমি আমার রোগীর পেছনে খরচ করতে পারি- তাতেই হবে আসল উন্নয়ন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান বেগম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রিভেনশন থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার বাজেট কমে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি মনে করেন, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াই শুরু করতে হলে আগে থেকেই মানুষকে সচেতন করতে হবে। ক্যান্সার একদিনে হয় না- বছরের পর বছর তামাকের সংস্পর্শে, অস্বাস্থ্যকর খাবারে, জীবনযাপনে তৈরি হয়। স্কুলের মেয়েদের যদি এই শিক্ষা দেওয়া যেতো, তাহলে তারা ঘরে গিয়ে মাকে, দাদিকে বলতো। এতে রোগ আগেভাগে ধরা পড়ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;রোগীর কষ্ট, হাসপাতালের বিশৃঙ্খলা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান বেগম বলেন, একজন রোগী চিকিৎসার জন্য ২৬ হাজার টাকা খরচ করে, যার বেশিরভাগই ধার করা টাকা। তিনি হাসপাতালের বিশৃঙ্খল পরিবেশ নিয়ে বলেন, অনেক রোগী ভর্তি হতে না পেরে তিন দিন বারান্দায় ঘুমায়। কেউ রাস্তায় রাত কাটায়। অন্তত তাদের জন্য একটু জায়গা, একটু শৃঙ্খলার ব্যবস্থা থাকা উচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, রোগীর সঙ্গে অতিরিক্ত এটেনডেন্ট, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিনিধিদের অবাধ প্রবেশ হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট করছে। হাসপাতালের ইনডোরে ডাক্তার ছাড়া অন্য কেউ ঢুকতে পারবে না- এমন ব্যবস্থা করা দরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রাইভেট সেক্টর পারে, সরকার কেন পারে না?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারি ক্রয়নীতির জটিলতা নিয়ে তিনি বলেন, প্রাইভেট সেক্টর ইন্টারন্যাশনাল টেন্ডারে সরাসরি যন্ত্রপাতি কিনে আনতে পারে, সরকার কেন পারে না? নতুন নতুন নীতিমালা (পিপিআর) যুক্ত হচ্ছে, কিন্তু জটিলতা কমছে না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার মতে, এই সিস্টেমে যত নতুন ধারা যোগ হয়, জনগণ ততই &amp;lsquo;পৃষ্ঠ&amp;rsquo; হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান বেগম জানান, ক্যান্সার চিকিৎসায় আসল বাধা অর্থ নয়, বরং দুর্নীতি আর জটিল সিস্টেম। ১৪ কোটি টাকায় কী ঢুকলো প্রশ্নটি কেবল একটি যন্ত্রের নয়, পুরো ব্যবস্থার প্রতীক।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার কথায়, অপচয় বন্ধ করে সেই অর্থ যদি রোগীর জন্য খরচ করা যায়- সেটাই হবে আসল উন্নয়ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রাইমারিতে বড় নিয়োগ আসছে আগামী মাসে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/519</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 17:23:34 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/519</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;শিগগিরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। তিনি বলেন, &amp;lsquo;বর্তমানে সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারব।&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৭ অক্টোবর) মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শামসুজ্জামান বলেন, সারা দেশে এ মুহূর্তে ১৩ হাজার ৫০০ সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। আমরা শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালাটা হাতে পেলেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যাব। আশা করি খুব অল্প সময়ে অর্থাৎ আগামী নভেম্বর মাসে আমরা বিজ্ঞপ্তি দিতে পারব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, এর বাইরেও দীর্ঘদিনের একটা সমস্যা জমে আছে। সেটা হলো ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক এই মুহূর্তে চলতি দায়িত্বে অথবা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এটা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য খুব যন্ত্রণাদায়ক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মহাপরিচালক বলেন, আমরা প্রধান শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেড ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছি এবং সেই লক্ষ্যে কাজও হচ্ছে। খুব সহসাই দশম গ্রেড বাস্তবায়ন হবে। আর সহকারী শিক্ষক যারা আছেন তাদের ১১ তম গ্রেডের জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছি। পে কমিশনে এটা নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। শিক্ষকদের যে শূন্য পদগুলো আছে তা পূরণ করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, পদগুলো শূন্য থাকার পরও তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না একটি মামলার জন্য। আশা করছি খুব অল্প সময়ে এ মামলার রায় হয়ে যাবে। এর ফলে এই ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ আমরা পূরণ করতে পারব। একই সঙ্গে তখন সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও শূন্য হবে। এরপর ৩২ হাজার পদে আবারো নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে খুব গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা তাদের লিডারশিপ ট্রেনিংসহ অন্য ট্রেনিংগুলোকে কিভাবে আরো ইনক্লুসিভ করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মহাপরিচালক বলেন, আমরা প্রধান শিক্ষকদের ক্ষমতা বাড়াচ্ছি। আগে ক্ষুদ্র মেরামত বা স্লিপের জন্য প্রধান শিক্ষকরা দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারতেন। এটাকে বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করাসহ অন্যান্য জায়গাতেও কিভাবে তারা আর্থিকভাবে ক্ষমতাবান হতে পারেন সেই জায়গায় আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে নির্মাণ কাজ অথবা মেরামতের কাজের বিল প্রদানের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রধান শিক্ষক এবং আমাদের শিক্ষা অফিসারের যৌথ স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে। দুজনেরই প্রত্যায়ন ছাড়া কোনো বিল প্রদান করা হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মহাপরিচালক আরো বলেন, আমরা আশা করছি যে আগামী দিনগুলোতে প্রধান শিক্ষকদের আরো ক্ষমতা দিতে পারব। আমরা আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সারা দেশে যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে তার নির্মাণ কাজ থেকে শুরু করে সংস্কার কাজের জন্য অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এসব প্রকল্পের কাজ শেষে আশা করি আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে জরাজীর্ণ কোনো স্কুল থাকবে বলে আমি মনে করি না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/চাকরিরখবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ দক্ষ কর্মী নেবে জাপান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/518</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 17:00:09 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/518</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশ থেকে এক লাখ দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রগতি জানাতে জাপানের &amp;lsquo;ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কো-অপারেটিভস&amp;rsquo; (এনবিসিসি)-এর প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রবিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ২৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কো-অপারেটিভস&amp;rsquo; হলো ৬৫টিরও বেশি কম্পানির একটি জাপানি ব্যাবসায়িক ফেডারেশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যারা সম্প্রতি দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সুবিধার্থে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওআই) স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য জাপানে বাংলাদেশিদের প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেশন এবং কর্মসংস্থানের জন্য একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। যার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (টিআইটিপি) এবং স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার্স (এসএসডব্লিউও)-এর মতো কর্মসূচির আওতায় এক লাখের বেশি কর্মী নিয়োগ করা হবে।&lt;br /&gt;
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় প্রথম ধাপে আগামী বছর দুই হাজার দক্ষ কর্মী নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এর মধ্যে নির্মাণ খাত, সেবা খাত, এভিয়েশন খাত, গার্মেন্টস ও কৃষিতে সবচেয়ে বেশি কর্মী প্রয়োজন বলে জানান তারা। পাশাপাশি আগামী দিনে গাড়িচালক, অটোমোবাইল ও রিসাইক্লিং খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে বলেও জানান তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে খুলনা ও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় দুটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সম্ভাব্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইতোমধ্যেই এনবিসিসি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কেন্দ্র দুটি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা কর্মীদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে কোনো ঘাটতি রয়েছে কি না জানতে চান।&lt;br /&gt;
প্রতিনিধিদলের প্রধান, ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কো-অপারেটিভ ফেডারেশন (এনবিসিসি)-এর চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা, বলেন, &amp;lsquo;আমি গত মার্চ মাসে ট্রেনিং সেন্টার দুটি পরিদর্শন করেছিলাম। এবার এসে অবাক হয়েছি। সাত মাসের মধ্যে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রশিক্ষণ নিয়ে আমরা খুবই সন্তুষ্ট। আমরা আশাবাদী আগামী বছরই দুই হাজার দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে পারব।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
তবে প্রশিক্ষকদের ভাষাগত দক্ষতায় উন্নতি করা গেলে আরোি ভালো হতে পারে বলে জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;ভাষাগত দক্ষতা অর্জনই বড় চ্যালেঞ্জ&amp;rsquo; উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, &amp;lsquo;এজন্য ভার্চুয়াল ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। জাপান থেকে শিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নেবেন। পাশাপাশি জাপান থেকে প্রশিক্ষকদের এখানে নিয়ে এসে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় কি না সেটিও বিবেচনা করা যেতে পারে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় বাংলাদেশের নারীদের পারদর্শিতা ও কঠোর পরিশ্রমের কথাও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কেয়ারগিভিং সেক্টরে বাংলাদেশের নারীরা অনন্য। তারা অত্যন্ত যত্নশীল। ভাষাগত দক্ষতা ও অন্যান্য প্রশিক্ষণ পেলে বাংলাদেশের মেয়েরা জাপানের কেয়ারগিভিং সেক্টরে অনন্য ভূমিকা রাখবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, &amp;lsquo;প্রাথমিকভাবে কিছুটা কঠিন মনে হলেও বাংলাদেশের মেয়েদের একবার শিখিয়ে দিলে তারা নিজেরাই অন্যদের শেখাতে পারবে। একবার যাওয়া শুরু হলে অন্যরাও উৎসাহ পাবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এনবিসিসি প্রতিনিধিরা জানান, আগামী কয়েকবছরে জাপানে ৪ লাখের বেশি দক্ষ নার্সের প্রয়োজন হবে। তারা বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি নার্স নিয়োগের বিষয়ে বিবেচনা করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, &amp;lsquo;সরকার জাপানে কর্মী নিয়োগে অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।&amp;rsquo; এ ব্যাপারে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করবে বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মন্ত্রণালয় থেকে জাপানে কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে একটি নির্দিষ্ট সেল গঠন করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/কর্মসংস্থান]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আসন্ন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের জন্য ৪২ হাজার ৭৬১টি কেন্দ্র চূড়ান্ত করে তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/517</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 15:50:24 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/517</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের জন্য ৪২ হাজার ৭৬১টি কেন্দ্র চূড়ান্ত করে তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার নির্বাচন ভবনে তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;মোট ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি ভোট কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটকক্ষ ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি। আর মহিলা ভোটকক্ষ ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি। নতুন রাজনৈতিক দল ও দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চলতি সপ্তাহেই হবে বলে জানান ইসিসচিব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এনসিপির প্রতীক ইস্যুতে আখতার আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;&amp;lrm;বিধিমালায় শাপলা প্রতীক না থাকায় এনসিপিকে শাপলা দেওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশন স্ববিবেচনায় অন্য প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে। &amp;lrm;গণভোটের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে এখনো কোনো তথ্য আসেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচনের খবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজশাহীতে কুকুরের কামড়ে শিশুসহ ১২ জন আহত: আতংকিত এলাকাবাসী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/516</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 15:40:13 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/516</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজশাহীর বাঘায় বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলছে। ঘুরে বেড়ানো এক কুকুরের কামড়ে শিশুসহ ১২ জন পথচারী আহত হয়েছে। গতকাল রোববার (২৬ অক্টোবর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দিঘা নওদাপাড়া, পুকুরপাড়া, আঠালিয়াপাড়া, অমরপুরসহ লালপুর উপজেলার সাধুপাড়া, ধরবিলা লক্ষবাড়িয়া গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, গতকাল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হঠাৎ পাগলা কুকুর পথচারীদের ওপর আক্রমণ করে। এতে ১২ জন আহত হয়। তাদের অনেকেই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে দিঘা আঠালিয়া গ্রামের আহত নাজমুল হোসেনকে (২৫) সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কুকুরের কামড়ে আহত দিঘা নওদাপাড়া গ্রামের নাজিমুদ্দিন (৫৬) বলেন, &amp;lsquo;গতকাল দুপুরে বাড়ির পাশে পথে দাঁড়িয়েছিলাম। হঠাৎ কুকুর কামড়ে দেয়। পরে ভ্যাকসিন নিয়েছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আশাদুজ্জামন আসাদ বলেন, আহত কয়েকজন ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম বলেন, &amp;lsquo;এ বিষয়ে শুনেছি। তবে অতি দ্রুত কুকুরটি আটক করতে পারলে ভালো হয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বাঘা পৌরসভার প্রশাসক শাম্মী আক্তার বলেন, &amp;lsquo;উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ পৌরসভায় কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে, তা জেনেছি। তবে হাইকোর্টে রিট থাকায় উপজেলা ও পৌরসভা কর্তৃক নিধন বা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আইন মেনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভৈরব কে জেলা ঘোষণার দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা: পাথর নিক্ষেপ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/515</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 15:20:16 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/515</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[জেলা জেলা জেলা চাই ভৈরব জেলা চাই&amp;rsquo;, &amp;lsquo;ওয়ান টু থ্রি ফোর কিশোরগঞ্জ নো মোর&amp;rsquo;, &amp;lsquo;ইন্টেরিম সরকার জেলা মোদের দরকার&amp;rsquo;, ইত্যাদি স্লোগানে উত্তাল ভৈরবের রেলপথ। নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন লাল নিশান টানিয়ে আটকে ভৈরব জেলা ঘোষণার দাবিতে রেলপথ ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন ভৈরবের সর্বস্তরের জনতা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ট্রেন আটকে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় যাত্রী দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্মসূচি শেষ করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও রেলওয়ে পুলিশ সদস্যরা ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে আসলে উত্তেজিত জনতা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে এলোপাতাড়ি পাথর নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় জনতার ছোড়া পাথরে আশুগঞ্জ থেকে আসা ঢাকাগামী জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) নামে এক যাত্রীসহ অন্তত পক্ষে ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে রেলপথ ব্লকেড কর্মসূচির কারণে পাঁচটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। ভৈরবে দীর্ঘক্ষণ আটকে ছিল কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন। এছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মালবাহী ট্রেন আটকে ছিল নরসিংদীর দৌলতকান্দি স্টেশনে। তিতাস ট্রেন মেথিকান্দা ও কর্ণফুলী ট্রেন খানাবাড়ি স্টেশনে আটকে ছিল। চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চট্টলা ট্রেন আটকে ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তাল শহর স্টেশনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট কর্ণফুলী ট্রেন আটকে থাকায় যাত্রীরা পড়েন চরম বিপাকে। এসময় আটকে থাকা যাত্রীদের মাঝেও চরম উত্তেজনা দেখা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে কিশোরগঞ্জ জেলাকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় ভৈরবের সর্বস্তরের জনতার মাঝে। এরপর থেকে লাগাতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে ভৈরবের সর্বস্তরের মানুষ। এতে একাত্মতা ঘোষণা করে যোগ দেন ভৈরব বিএনপিসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা, জামায়াতে ইসলাম, ছাত্র শিবির, গণ অধিকার পরিষদ, খেলাফত মজলিস, ইসলামি আন্দোলন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেলপথ অবরোধ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ জাহিদুল, মওলানা শাহরিয়ার, গোলাম মহিউদ্দিন, মুহাম্মদ জুনায়েদ প্রমুখ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্লকেড কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ১৫ দিন লাগাতার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেয়ার পরও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের টনক নড়েনি। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষে ২৬ অক্টোবর সড়কপথ ব্লকেড, ২৭ অক্টোবর রেলপথ ব্লকেড ও ২৮ অক্টোবর নৌপথ ব্লকেড কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর ২ ঘণ্টা সড়ক পথ অবরোধ করা হলেও ইন্টেরিম সরকার আমাদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। আজ ১ ঘণ্টা রেলপথ অবরোধ করা হয়েছে। আগামীকাল নৌপথ ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবে সর্বস্তরের জনতা। সরকার জেলার দাবি মেনে না নিলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথ বন্ধ করে জেলার দাবিতে কর্মসূচি পালন করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ট্রেনে ও পুলিশকে পাথর নিক্ষেপের বিষয়ে ছাত্রনেতা শাহরিয়ার বলেন, &amp;lsquo;আমাদের আন্দোলন বানচাল করতে একটি মহল পাথর নিক্ষেপ করেছে। আমরা কর্মসূচি শেষে যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে তাৎক্ষণিক ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদ আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;আমরা স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করেছি। পাথর নিক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ ইউসুফ কথা বলতে রাজি হননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ট্রেন থামিয়ে ব্লকেড সৃষ্টি করে ট্রেনের মধ্যে রেললাইনে থাকা পাথর ও ইট নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জেলারখবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রকাশ্যে চুটিয়ে প্রেম করছেন জাস্টিন ট্রুডো ও কেটি পেরি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/514</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 15:02:15 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/514</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কেটি পেরির জন্মদিন ছিল ২৫ অক্টোবর। শনিবার সন্ধ্যাটি তাই বিশেষ হয়ে ধরা দিল জাস্টিন ট্রুডোর জন্যও। প্রেমিকাকে নিয়ে ঘুরতে বেরোলেন প্যারিসের রাস্তায়। এত দিন নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে লুকোচুরি করলেও এবারই প্রথম প্রকাশ্যে একে অপরের হাত ধরে ঘুরলেন তাঁরা। এবার আর রাখঢাক রাখলেন না, পৃথিবীকে জানিয়ে দিলেন তাঁদের প্রেমের খবর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জন্মদিনের সন্ধ্যায় কেটিকে নিয়ে ক্রেজি হর্স প্যারিস নামের এক থিয়েটারে যান ট্রুডো। সেখানে তাঁরা ক্যাবারে শো উপভোগ করেন। বের হওয়ার সময় পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন তাঁরা। এক ভক্ত কেটিকে এক জোড়া গোলাপ দিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানান। বাইরে গাড়ি অপেক্ষা করছিল। ভক্ত ও সাংবাদিকদের ভিড় ঠেলে কেটিকে আগলে গাড়িতে তুলে দেন ট্রুডো। পুরোটা সময় পরস্পরের হাত ধরাধরি করে ছিলেন তাঁরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে একটি ইয়টে কেটি পেরি ও জাস্টিন ট্রুডোর চুমুর ছবি ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়াচ্ছিল আরও আগে থেকে। জুলাইয়ের শেষ দিকে মন্ট্রিয়লের বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ল্য ভিয়লোঁতে কেটি পেরি ও জাস্টিন ট্রুডোর একসঙ্গে ডিনারের ছবি প্রকাশ্যে আসে। ৩০ জুলাই দ্য লাইফটাইম ট্যুরের অংশ হিসেবে মন্ট্রিয়লে আয়োজিত এক কনসার্টে পারফর্ম করেন কেটি পেরি। সেখানেও দর্শক সারিতে দাঁড়িয়ে কেটির গান উপভোগ করেন ট্রুডো। কয়েক দিনের ব্যবধানে ওই শহরের মাউন্ট রয়্যাল পার্কে হাত ধরাধরি করে হাঁটতে দেখা যায় তাঁদের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মার্কিন গায়িকা কেটি পেরি এবং কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দুজনই বিচ্ছেদের যন্ত্রণাদায়ক অধ্যায় পেরিয়ে এসেছেন। দুজনই খুঁজছেন জীবনসঙ্গী। সংসারে আবার থিতু হওয়ার তীব্র ইচ্ছা দুজনের মনেই। এ বছরের জুনে অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় কেটি পেরির। অন্যদিকে, ট্রুডোর ১৮ বছরের সংসার ভাঙে ২০২৩ সালে। কেটির বিচ্ছেদের পরের মাস থেকেই গুঞ্জন ছড়ায়, নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন গায়িকা! এত দিনে এসে সে গুঞ্জনে সিলমোহর দিলেন তাঁরা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা বিনোদন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জোট গড়তে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/513</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 14:29:31 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/513</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে বৃহৎ জোট গঠন করতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (২৭ অক্টোবর) যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য অটুট রাখতে চায় বিএনপি। আর ঐক্য বজায় রাখতে কেউ যেন বিভেদের পথে না যায় সেই বার্তাও দিতে চায় দলটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের প্রার্থীদের সঙ্গে দলের হাইকমান্ডের বৈঠক হচ্ছে। দল ও নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখার বার্তা দিতেই হাইকমান্ডের এই বৈঠক করছে বিএনপি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময়, আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যনির্ভর মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তরুণ-যুবকদের রাজনৈতিক ভাবনাকে ধারণ করে সামনের দিনে জাতি বিনির্মাণে কর্মসূচি প্রণয়ন করবে বিএনপি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (২৭ অক্টোবর) যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের শ্রদ্ধা নিবেদন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ঘুমের মধ্যে মাদ্রাসা ছাত্রকে গলা কেটে হত্যা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/512</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 13:01:25 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/512</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জের ধরে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ঘুমের মধ্যে এক মাদরাসা ছাত্রকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করা হয়েছে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। এর আগে, রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহত মো. নাজিম উদ্দিন (১৩) উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যার ছেলে। অপরদিকে, আটক আবু ছায়েদ (১৬) ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসার আবাসিক বিভাগে থেকে নাজিম ২২ পারা ও ছায়েদ ২৩ পারা পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করে। গত ১০-১৫ দিন আগে ফুটবল খেলা ও টুপি পরা নিয়ে নাজিম ও আবু ছায়েদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে মাদরাসার এক শিক্ষক বিষয়টি জানতে পেরে তাদের মধ্যে মিটমাট করে দেয়। কিন্তু এ ঘটনার জের ধরে নাজিমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সোনাইমুড়ী বাজার থেকে ৩শ&amp;#39; টাকা দিয়ে একটি ধারালো ছুরি কিনে নিয়ে আসে ছায়েদ। প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার রাতে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে ঘুমিয়ে যায় ১৪ জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক। রাত আড়াইটার দিকে অন্য ছাত্রদের অগোচরে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে ঘুমের মধ্যে নাজিমকে গলা কেটে হত্যা করে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, লাশের সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জেলার খবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন সামরিক বিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/511</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 12:21:22 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/511</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;দক্ষিণ চীন সাগরে আধঘণ্টার ব্যবধানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ও একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত এয়ারক্রাফট দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ-এর অংশ ছিল।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবশ্য যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হলেও সৌভাগ্যক্রমে পাঁচ ক্রু সদস্যই জীবিত রয়েছেন। তবে আধঘণ্টার ব্যবধানে ঘটা এই দুর্ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠছে মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তা মানদণ্ড নিয়ে।&lt;br /&gt;
সোমবার (২৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বার্তাসংস্থাটি বলছে, দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ থেকে উড্ডয়ন করা এক যুদ্ধবিমান ও একটি হেলিকপ্টার রোববার বিকেলে আধঘণ্টার ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর প্যাসিফিক ফ্লিট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্লিটের বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার পর এমএইচ-৬০আর সি হক হেলিকপ্টারের তিন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। আর এফ/এ-১৮এফ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটও ইজেক্ট করে নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন। মোট পাঁচজনই &amp;ldquo;সুরক্ষিত এবং স্থিতিশীল অবস্থায়&amp;rdquo; রয়েছেন।&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, দুটি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এপি বলছে, অবসর নেওয়ার আগে ইউএসএস নিমিৎজ বর্তমানে তার শেষ মিশনে অংশ নিচ্ছে। পুরো গ্রীষ্মজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করার পর এটি এখন ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের নেভাল বেস কিটস্যাপে ফিরে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করতে নিমিৎজকে সেখানে পাঠানো হয়েছিল।&lt;br /&gt;
অবশ্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমানবাহী রণতরীতে দুর্ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও মার্কিন নৌবাহিনীর আরেক রণতরী ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যান-এ পরপর কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ইউএসএস গেটিসবার্গ ভুলবশত ট্রুম্যান থেকে উড্ডয়ন করা একটি এফ/এ-১৮ জেটকে ভূপাতিত করে। এরপর চলতি বছরের এপ্রিলে আরেকটি এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান ট্রুম্যানের হ্যাঙ্গার ডেক থেকে পিছলে লোহিত সাগরে পড়ে যায়।&lt;br /&gt;
এরপর মে মাসে আবারও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। সেসময় লোহিত সাগরে ট্রুম্যান রণতরীতে অবতরণের সময় একটি এফ/এ সিরিজের যুদ্ধবিমান থামার তারে আটকে না গিয়ে সাগরে পড়ে যায়। আর তাই পাইলট দুজনকে বাধ্য হয়ে ইজেক্ট করতে হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এসব দুর্ঘটনায় কোনও নৌসেনা নিহত হননি। ঘটনাগুলোর তদন্ত শেষ হলেও চূড়ান্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করা হয়নি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিততে চায় লিটন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/510</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 12:00:21 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/510</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে আজ। সন্ধ্যা ৬টায় প্রথম ম্যাচ। সিরিজটির আলোচনার মাঝে গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ দলের পরবর্তী টেস্ট অধিনায়ক প্রসঙ্গও। যেখানে ভালোভাবেই বিবেচনায় থাকা লিটন দাসকে অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়েছে গতকাল চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;লিটনের কথায় পরিষ্কার, টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়ে বেশ ইতিবাচক তিনি। তিন সংস্করণেই নেতৃত্বের স্বাদ এর মধ্যে পাওয়া হয়েছে লিটনের। তবে পূর্ণকালীন অধিনায়কত্ব করছেন শুধু টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। টেস্টের নেতৃত্ব পেলে সেটিও লুফে নিতে চান এই উইকেটকিপার ব্যাটার, &amp;ldquo;খেলোয়াড় হিসেবে যখন আপনি খেলবেন, টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব এটা অনেক বড় পাওয়া।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আমার মনে হয় না কেউ &amp;lsquo;না&amp;rsquo; করবে (প্রস্তাব পেলে)। কিন্তু তাদের (বিসিবি) পক্ষ থেকে কোনো এখনো কিছু বলা হয়নি।&amp;rdquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;লিটন আরো যোগ করেন, &amp;lsquo;এখন পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে আমি কোনো কিছু জানি না। তাঁরা যদি যোগ্য মনে করে, অবশ্যই আমার সঙ্গে আলোচনা করবেন। দেখা যাক, কী সিদ্ধান্ত হয়।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যদিও জানা গেছে, লিটনের সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ হয়েছে বোর্ডের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও জানিয়েছিলেন, তাঁরা ক্রমান্বয়ে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলবেন। আগামী মাসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের আগে নতুন অধিনায়ক বেছে নেবে বিসিবি। তার আগে এই মুহূর্তে লিটনের ভাবনাজুড়ে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজটি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এই সিরিজ দিয়ে দলে ফিরেছেন এশিয়া কাপের মাঝপথে চোটে পড়া লিটন। চোটের কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে এবং সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটি খেলা হয়নি তাঁর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্যক্তিগতভাবে এই সিরিজটি তাই লিটনের জন্য চ্যালেঞ্জের। এটি ছাড়া আরো একটি চ্যালেঞ্জ জিততে চান লিটন। সেটি হচ্ছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। বিশ্বকাপের আগে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি ম্যাচ হাতে আছে বাংলাদেশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে রয়েছে সমান তিনটি করে ম্যাচ। এই ছয় ম্যাচে লিটনের চাওয়া, &amp;lsquo;সত্যি কথা বলতে আমি দুটি সিরিজে চাই আমাদের খেলোয়াড়রা যেন খুব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সেটা ব্যাটিংয়ে হতে পারে, বোলিংয়ে হতে পারে। আমি চাই যে এই ছয়টা ম্যাচে আমরা যতটা পিছিয়ে থাকব, ততটাই ভালো। পিছিয়ে থাকার মানে ম্যাচে না, চ্যালেঞ্জের কথা বলছি। আমি চাই যে বোলাররা যখন বল করবে, তারা যেন চাপের মধ্যে থাকে। যে জিনিসগুলো ভবিষ্যতে আমাদের অনেকটাই সাহায্য করবে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ভালো ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। টানা চারটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জয় এসেছে লিটনের হাত ধরে। আরেকটি সিরিজের আগেও ইতিবাচক ভাবনার কথাই শোনালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, &amp;lsquo;এটা সত্যি যে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলছি। এর মধ্যে বড় ব্যাপার হচ্ছে, আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলছি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সাময়িক বন্ধ থাকার পর উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোরেল চালু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/509</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 11:38:08 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/509</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;সাময়িক বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল সেবা পুনরায় চালু হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ১১টা থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পুরো রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং যাত্রীদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের সামনে মেট্রোরেলের একটি ভারি বিয়ারিং প্যাড ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান পথচারী আবুল কালাম। এর পরেই বন্ধ ছিলো এই রুটের মেট্রো চলাচল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ কবে, কোথায় আঘাত হানবে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/508</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 11:00:53 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/508</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড় &amp;lsquo;মোন্থা&amp;rsquo;য় পরিণত হয়েছে। এটি দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় বর্তমানে অবস্থান করছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার ভোর সাড়ে ৫টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, &amp;lsquo;মোন্থা&amp;rsquo; ২৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থকে ১৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থকে ১৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থকে ১২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থকে ১২৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। &amp;lsquo;মোন্থা&amp;rsquo; মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা অথবা রাতের দিকে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরর্বতী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানান, &amp;lsquo;মোন্থা&amp;rsquo; প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। যার কিছুটা প্রভাব বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পড়তে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে সোমবার সকাল ৭টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। উত্তর উত্তরপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৫-১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আবহাওয়া]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাবিতে সুইমিংপুলে ডুবে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/507</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 10:40:30 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/507</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাত পৌনে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সালেহ্ হাসান নকীব। এ সময় তিনি বলেন, &amp;lsquo;তোমরা যখন এখানে সমবেত হও, তখন আমরা ঘটনার সময় যারা উপস্থিত ছিলেন এবং মেডিকেলের কর্মকর্তাদের ভাষ্য জানার চেষ্টা করেছি। প্রশাসনের টপ ফরিদ স্যারসহ (সহ-উপাচার্য) প্রথমবারের মতো বিভাগের শিক্ষক-ছাত্র প্রতিনিধিদের তদন্তে রাখা হয়েছে। তাঁরা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা ব্যবস্থাটা নিয়ে ফেলব।&amp;rsquo; উপাচার্যের বক্তব্যের পর শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে চলে যান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহত শিক্ষার্থীর নাম সায়মা হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এবং মন্নুজান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা &amp;lsquo;তুমি কে, আমি কে, সায়মা সায়মা&amp;rsquo;, &amp;lsquo;আমার বোন মরল কেন, প্রশাসন জবাব দে&amp;rsquo;, &amp;lsquo;কে মেরেছে কে মেরেছে, প্রশাসন প্রশাসন&amp;rsquo; ইত্যাদি স্লোগান দেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাকসুর ভিপি ও শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, &amp;lsquo;ঘণ্টার পর ঘণ্টা আন্দোলন করার পরও প্রশাসনের কোনো টনক নড়ে না। বারবার এমন হত্যা হোক, সেটা আমরা চাই না। সায়মা হত্যার বিচার নিশ্চিত করেই আমরা এখান থেকে যাব।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিক্ষোভে রাকসুর জিএস সালাহ্উদ্দিন আম্মার বলেন, &amp;lsquo;সায়মা দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। একজন শিক্ষার্থী সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে, তাহলে কেন তাঁর ফিটনেস চেক করা হয়নি? রাকসুর প্রতিনিধিরা আজকে থেকে দায়িত্বগ্রহণ করেছে, দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, সায়মা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলের পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ দিতে হবে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে নামলে পানিতে ডুবে যান সায়মা হোসাইন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, &amp;lsquo;আমরা তাঁকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। মৃত্যুর কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্ত করতে হবে। আমরা মরদেহটি ময়নাতদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মর্গে প্রেরণ করেছি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তদন্ত কমিটি গঠন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সায়মা হোসাইনের মৃত্যুর ঘটনা অনুসন্ধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খানকে আহ্বায়ক করে তিনজন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জনসংযোগ দপ্তর থেকে রাত সাড়ে ১১টার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কমিটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলে ঘটনার পূর্বাপর পরিস্থিতি ও পরবর্তীতে রাবি চিকিৎসা কেন্দ্রে সায়মা হোসাইনের চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যালোচনা করে এই ধরনের দুঃখজনক ঘটনার দায়-দায়িত্ব নির্ধারণসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন এবং ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে হবে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুইমিং পুল বন্ধ থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ক্যাম্পাস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদিতে  প্রায় ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী গ্রেফতার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/506</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 10:16:57 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/506</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[বৈধ কাগজপত্র ছাড়া সৌদি আরবে অবস্থানের অভিযোগে গত সপ্তাহে প্রায় ২২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক বিবৃতিতে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ১৪ হাজার ৩৯ অবৈধ প্রবাসীকে দেশে পাঠানো হয়েছে। বসবাস, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত দেশব্যাপী অভিযানের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মন্ত্রণালয় জানায়, অক্টোবরের ১৬ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে যৌথ অভিযান চালায়। এতে ২২ হাজার ৬১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা সবাই সৌদি আইনের বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৫২ জন আবাসন আইন, চার হাজার ৩৯৪ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৪ হাজার ৫৬৭ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে জানানো হয়, ২৩ হাজার ২১ জনকে ভ্রমণ নথি প্রস্তুতের জন্য নিজ নিজ দেশের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ৯৩৯ জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নের প্রক্রিয়া চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গালফ নিউজ জানিয়েছে, বর্তমানে ৩১ হাজার ৩৭৪ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তাদের মধ্যে ২৯ হাজার ৮১৪ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৫৬০ জন নারী রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয়, পরিবহন বা নিয়োগে সহায়তাকারীরা ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল (প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা) জরিমানার মুখে পড়তে পারেন। এছাড়া অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তিও জব্দ করা হতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সাভারে ড্যাফোডিল-সিটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/505</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 09:56:35 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/505</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সাভারের আশুলিয়ার খাগান এলাকায় মধ্যরাতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (২৬ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে ভোর সাড়ে চারটা পর্যন্ত দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় সিটি ইউনিভার্সিটির। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো প্রকার সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই এলাকায় ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মিলে একটি বাসায় থাকেন। বাসাটি &amp;lsquo;ব্যাচেলর প্যারাডাইস হোস্টেল&amp;rsquo; নামে পরিচিত। রোববার সন্ধ্যায় ওই বাসার সামনে সিটি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল থেকে থুথু ফেললে তা ড্যাফোডিলের এক শিক্ষার্থীর শরীরে লাগে। এ নিয়ে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরে রাত ৯টার দিকে সিটি ইউনিভার্সিটির প্রায় ৪০-৫০ জন শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র ও ইট-পাটকেল নিয়ে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের ওই বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সিটি ইউনিভার্সিটির দিকে গেলে ব্যাপক সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একপর্যায়ে রাত ১২টার পর ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীরা সিটি ইউনিভার্সিটির ভেতরে ঢুকে শিক্ষার্থীদের অবরোধ করে ভাঙচুর শুরু করে। এসময় তারা প্রশাসনিক ভবনে কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট করে। পুড়িয়ে ফেলে তিনটি বাসসহ একটি প্রাইভেটকার। ভাঙচুর চালানো হয় আরও পাঁচ যানবাহনে। ভোরে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেলও ফাটানো হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ভোর সাড়ে ৪টার সিটি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু জায়গায় আগুন দেখা গেছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটেছে। উত্তেজনার এক পর্যায়ে গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাভার থানার ডিউটি অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, &amp;lsquo;পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ক্যাম্পাস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফ্রান্সের লুভ্যর জাদুঘরে চুরির ঘটনায় সন্দেহজনক ২ জন আটক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/504</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 18:28:55 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/504</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফ্রান্সের বিখ্যাত ল্যুভর জাদুঘরে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কর্মকর্তাদের ধারণা, এই দুজন গত সপ্তাহে জাদুঘর থেকে মূল্যবান অলংকার চোর চক্রের সঙ্গে জড়িত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফরাসি গণমাধ্যম লো পাহিসিয়ঁ&amp;rsquo;র বরাত দিয়ে রোববার এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। পাহিসিয়ঁ&amp;rsquo;র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটককৃতরা প্যারিসের উপশহর সেইন-সঁ-দনির বাসিন্দা। তাদের একজন চার্লস দো গল বিমানবন্দরে ছিলেন। দুজনের বয়স ৩০ এর কাছাকাছি। তাদের স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় আটক করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ল্যুভর জাদুঘরে চুরি হয় গত রোববার। তখন বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছিল, চোরেরা বৈদ্যুতিক মই ব্যবহার করে জাদুঘরের দ্বিতীয় তলায় ওঠে। পরে ভেতরের গ্যালাহি দা&amp;rsquo;পোলোতে (অ্যাপোলো গ্যালারি) যায়। সেখানে রাজকীয় গয়না, মুকুট ও প্রদর্শনীর জন্য কাচের তাকে হীরা ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চুরি হওয়া রত্নগুলোর বর্ণনায় সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, এর মধ্যে আছে তৃতীয় নেপোলিয়নের স্ত্রী সম্রাজ্ঞী ইউজেনির টিয়ারা। এতে ছিল ২১২টি মুক্তা, ১ হাজার ৯৯৮টি হীরক এবং ৯৯২টি রোজ-কাট হীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্রাজ্ঞী ইউজেনি বেল্ট বা কোমরবন্ধনী ব্যবহার করতেন। এটির কেন্দ্রে ছিল অলঙ্কৃত ফিতা। এতে ছিল ২,৪৩৮টি হীরা ও ১৯৬টি রোজ-কাট হীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাদুঘরে সম্রাজ্ঞীর কিছু হীরাখচিত ব্রোচের একটি ছিল ১৮৫৫ সালের। এটিকে &amp;lsquo;রেলিকুয়ারি ব্রোচ&amp;rsquo; বলা হয়। চুরি হওয়া অন্য অলংকারের মধ্যে আছে উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে লুই বোনাপার্টের স্ত্রী রানি হরটেন্স এবং লুই ফিলিপ প্রথমের স্ত্রী রানি মেরি অ্যামেলির ব্যবহার করা কানের দুল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮১০ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী মেরি লুইসকে বিয়ের সময় নেপোলিয়নের দেওয়া পান্নার গয়নার সেটে ছিল ৩২টি পান্না ও ১ হাজার ১৩৮টি হীরা। গয়নার সেটটি জাদুঘরে সংরক্ষিত হয় ২০০৪ সালে। ল্যুভর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিয়ে উপলক্ষে নেপোলিয়ন দুটি বিলাসবহুল গয়নার সেট তৈরি করতে বলেছিলেন। আরেকটি ছিল ওপাল ও হীরা দিয়ে তৈরি। এই সেটের মধ্যে পান্না ও হীরার এক জোড়া কানের দুল নিয়ে গেছে চোরেরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি ফ্রান্সের রেডিও নেটওয়ার্ক আরটিএল&amp;rsquo;কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির সরকারি কৌঁসুলি বলেন, চুরি হওয়া আটটি অলংকারের আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ দশমিক ৮ কোটি ইউরো বা ১০ কোটি ডলার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচন কমিশন শাপলা প্রতীক না দিলে রাস্তায় নামবে এনসিপি: সারজিস আলম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/503</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 18:15:26 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/503</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[নির্বাচন কমিশন (ইসি) যদি শাপলা প্রতীক না দেয় তাহলে রাস্তায় নামবে এনসিপি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন আইন প্রণেতা, আইনজ্ঞ ও আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, শাপলাকে নির্বাচনি প্রতীক দিতে কোনো আইনগত বাধা নেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) শাপলা প্রতীক দিচ্ছে না। তাদের যদি এটুকু স্বাধীনতা না থাকে, তাহলে নির্বাচনে তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারবো না। শাপলা প্রতীক পাবার জন্য যদি এনসিপিকে রাজপথে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যেতে হয়, তাহলে একইসঙ্গে এনসিপি ওই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনেরও আন্দোলন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ রোববার দুপুর পৌনে ২টায় কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সারজিস বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কবে হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চয়তা না থাকায়, শুধুমাত্র নির্বাচনের কথা বিবেচনা না নিয়ে এনসিপি মেরদণ্ড সোজা রেখে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি। যেদিন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা তৈরি হবে, সেদিনই জনগণের পক্ষ থেকে এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে। আওয়ামী লীগ প্রশ্নে, ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রশ্নে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, মৌলিক সংস্কার এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষায় বিএনপি ও জামায়াত এককভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবে না। সেক্ষেত্রে এনসিপির অংশগ্রহণ ও সহায়তা আবশ্যক।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে শুরু হয় এনসিপির সমন্বয় সভা। কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খানের সভাপতিত্বে জেলা সংগঠক ইকরাম হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথি ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারসহ কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির, দিদার শাহ প্রমুখ।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম আরও বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য এনসিপিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় সফর করছি। আশা করি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিটি জেলায় কমিটি হয়ে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায়ও কমিটি হয়ে যাবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রশাসনের সব স্তরে বড় দলগুলোর লোকজন বসে আছেন। তারা সুবিধা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন দলের লোক পরিচয় দিতে চান। আমি অমুক দলের ওসি, অমুক দলের এসপি, এরকম পরিচয় দিতে চান। এদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের আন্দোলনে গুলি করে যারা হত্যা করেছিল, তারা বিভিন্ন দলের সঙ্গে আঁতাত করে। প্রশাসন বা বিচার বিভাগে থাকা কর্মকর্তাদের সাথে আঁতাত করে আদালত থেকে জামিন নিয়ে আসছে। হাইকোর্টে একের পর এক জামিন হয়ে যাচ্ছে। কারণ, হাইকোর্টে এখনও আওয়ামী লীগের দোসররা বিচারকের আসনে বসে আছেন। বিভিন্ন আদালতে আইনজীবী থেকে বিচারকরা এই হত্যা মামলার আসামিদের জামিন দিয়ে দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সারজিস বলেন, জুলাই আন্দোলনের বিরুদ্ধে যাদের অবস্থান ছিল, তাদের আমাদের কোনো সংগঠনে নেব না। শুধু তাই নয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এনসিপি কেবল কয়েকটি আসনের জন্য কোনো অ্যালায়েন্সে যাবে না। কোনো দল যদি জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কমিটেড থাকে, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কমিটেড থাকে, তাহলেই তাদের সঙ্গে অ্যালায়েন্সে যাবে। এনসিপির সমন্বয় সভা উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমিসহ আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মুক্তির দিনে তুমুল উন্মাদনা পাওয়া থাম্মা মুভিটি ৩ দিনে ধস! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/502</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 17:24:55 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/502</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;দিওয়ালি উৎসবকে সামনে রেখে মুক্তি পেয়েছিল ম্যাডক ফিল্মসের আলোচিত হরর-কমেডি &amp;lsquo;থামা&amp;rsquo;। ভূত ও মানুষের সহাবস্থানের লড়াইকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ছবিটি নিয়ে মুক্তির আগে থেকেই ছিল তুমুল উন্মাদনা।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড় তোলে আয়ুষ্মান খুরানা ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ছবিটি। ওপেনিং কালেকশনেই &amp;lsquo;থামা&amp;rsquo; পেছনে ফেলে দেয় গত মাসের আলোচিত ছবি &amp;lsquo;সাইয়ারা&amp;rsquo;-র রেকর্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে দ্বিতীয় দিনেই সিনেমাটির আয়ে দেখা দেয় বড়সড় ধস। সিনে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতন ছবিটির শতকোটি আয়ের স্বপ্নকে আরও কঠিন করে তুলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম দিনে &amp;lsquo;থামা&amp;rsquo; ঘরে তোলে ২৪ কোটি রুপি&amp;mdash;যা আয়ুষ্মান খুরানাকে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত করে তোলে। সাফল্যের কৃতজ্ঞতায় তিনি মন্দিরে পূজাও দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু সেই গতি ধরে রাখতে পারেনি সিনেমাটি। দ্বিতীয় দিনে আয় কমে দাঁড়ায় ১৮.৬ কোটি রুপি, যা প্রায় ২২.৫০ শতাংশ কম। তৃতীয় দিনে নেমে আসে ১৩ কোটিতে, আর চতুর্থ দিনে তা আরও কমে হয় ৯.৫৫ কোটি রুপি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সব মিলিয়ে, মুক্তির মাত্র চার দিনে জাতীয় পর্যায়ে সিনেমাটির আয় দাঁড়িয়েছে ৬৫.১৫ কোটি রুপি, আর বিশ্বব্যাপী মোট সংগ্রহ ৯৩ কোটি রুপি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অগ্রীম বুকিংয়ের ঝড় দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, প্রথম সপ্তাহেই &amp;lsquo;থামা&amp;rsquo; ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছে যাবে। কিন্তু এখন সেটি অধরাই থেকে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবারের বক্স অফিস রিপোর্টেই বোঝা যাবে, দিওয়ালির এই ভূতুড়ে বিনোদন শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে কিনা&amp;mdash;নাকি হারিয়ে যাবে প্রাথমিক উন্মাদনার ভেতরেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৪ দিন পর বন্ধ হয়ে যাবে অতিরিক্ত সিম! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/501</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 17:06:46 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/501</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি মোবাইল সিম থাকলে সেগুলো বৃহস্পতিবারের (৩০ অক্টোবর) মধ্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে &amp;lsquo;ডি-রেজিস্টার&amp;rsquo; করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৬ অক্টোবর) এ নিয়ে জরুরি বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিটিআরসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, নিজ এনআইডিতে পছন্দমতো ১০টি সিম কার্ড রেখে অতিরিক্ত সিমকার্ডগুলো বৃহস্পতিবারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে ডি-রেজিস্টার (নিবন্ধন বাতিল)/মালিকানা পরিবর্তন করুন। আর মাত্র চার দিন বাকি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিজের এনআইডির বিপরীতে কতগুলো সিম নিবন্ধিত আছে তা যাচাই করার জন্য ব্যবহারকারীরা *১৬০০১#, এনআইডির শেষ ৪ ডিজিট পাঠিয়ে তথ্য জানতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদি গ্রাহক নিজে অতিরিক্ত সিম ডি-রেজিস্টার করতে ব্যর্থ হন, তাহলে কমিশন দৈবচয়নের ভিত্তিতে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে বলে সতর্ক করেছে বিটিআরসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের ঢাকায় ডেকেছে বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/500</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 16:58:30 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/500</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের ঢাকায় ডেকেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে আগামীকাল সোমবার বিকেলে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে বৈঠক করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সবাইকে ফোন করে ও ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার নেতাকে ফোন করে আমন্ত্রণ জানানো হয়। নবীন-প্রবীণ সব মনোনয়নপ্রত্যাশী সভায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন। নেতাদের অনেকেই ঢাকায় রওনা দিয়েছেন। বাকিদের কয়েকজন আজ রোববার রাতে ঢাকায় যাবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত সমকালকে জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিটি বিভাগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সঙ্গে কথা বলছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। সোমবার খুলনা বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেখানে নেতাদের &amp;zwj;গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন তারেক রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/499</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 16:37:09 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/499</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[জয় দিয়ে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এরপরের গল্পটা শুধুই হতাশার। টানা পাঁচ ম্যাচে হারের তেঁতো স্বাদ পেয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে টাইগ্রেসরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৬ অক্টোবর) মুম্বাইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে হানা দিয়েছে বৃষ্টি। এতে নির্ধারিত সময়ের ৩৫ মিনিট টস হয়েছে। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬ ম্যাচ খেলে ১ জয় ও ৫ হারে ২ পয়েন্ট নিয়ে আট দলের টুর্নামেন্টে টেবিলের তলানিতে আছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচের একাদশ থেকে একটি পরিবর্তন এনেছে টাইগ্রেসরা। ফারজানা হকের জায়গায় একাদশে জায়গা পেয়েছেন সুমাইয়া আকতার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, ৬ ম্যাচ খেলে সমান ৩টি করে জয় ও হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে থেকে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ভারত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ একাদশ: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), রুবাইয়া ঝিলিক, সুমাইয়া আকতার, শারমিন আক্তার, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, নিশিতা আকতার নিশি, নাহিদা আকতার ও মারুফা আকতার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​মেট্রোরেলে দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা : উপদেষ্টা ফাওজুল কবির </title>
		<link>https://shomoybhela.com/498</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 16:19:40 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/498</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সড়ক উপদেষ্টা বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবারের সব দায়-দায়িত্ব মেট্রোরেল গ্রহণ করবে। প্রাথমিকভাবে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এরপর যদি পরিবারের মধ্যে কর্মক্ষম কোনো সদস্য থাকে, তাকে মেট্রোরেলে চাকরি দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আহতদের জন্য তিনি পরে হাসপাতালে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করবেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফাওজুল কবির আরও বলেন, দুর্ঘটনায় সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, আজ দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে নিচে পড়ে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নীলফামারিতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল নানি-নাতনির! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/497</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 16:07:22 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/497</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[নীলফামারীর ডিমলায় মালবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় নানি-নাতনি নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নের গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতরা হলেন- গয়াবাড়ী ইউনিয়নের শুটিবাড়ী এলাকার আব্দুর সাত্তারের স্ত্রী সূর্য খাতুন (৫৫) ও তার নাতনি ১৪ দিনের নবজাতক শিশু সামিয়া আক্তার।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সূর্য খাতুন তার নাতনিকে নিয়ে টিকা দিতে বাড়ি থেকে হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পৌঁছালে অপরদিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মালবাহী পিকআপ ভ্যান তাদের ধাক্কা দেয়। এতে তারা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে এলাহী বলেন, মালবাহী পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা গাড়িটি আটক করেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/496</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 15:37:18 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/496</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়টির বর্তমান অবস্থান ও বাংলাদেশের উপকূলীয় বন্দরগুলো থেকে এর দূরত্ব সম্পর্কেও বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হয়েছে এবং বর্তমানে গভীর নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়, রোববার সকাল ৬টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সমুদ্র এলাকায় অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানতার সঙ্গে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে মাচিলিপত্তম ও কালিঙ্গাপত্তমের মধ্যবর্তী এলাকা ও কাকিনাড়ারার আশপাশ দিয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ স্থায়ী বেগ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার এবং দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আবহাওয়া]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে ১ জন নিহত, মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/495</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 15:19:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/495</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারের একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় নিচে থাকা একজন পথচারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে মেট্রোরেলের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগেও গত বছর সেপ্টেম্বরে ফার্মগেট এলাকায় বিয়ারিং প্যাড খুলে নিচে পড়ে গিয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন জানান, বিয়ারিং প্যাড খুলে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলে একজন পথচারী নিহত হয়েছেন বলে তাঁরা শুনেছেন। তবে তাঁর নাম, পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;
নিহত ব্যক্তির সঙ্গে থাকা একটি পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। তাতে নাম আবুল কালাম ও বাড়ি শরীয়তপুর লেখা। জন্মসাল ১৯৯০।&lt;br /&gt;
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনার কারণে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পুরো পথেই মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কখন চালু হবে, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রোরেলে একটি বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে। এ কারণে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকে ট্রেন চলাচল। এ ঘটনায় বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুতর নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়। এর মধ্যে দ্বিতীয়বার বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেট্রোরেলের লাইনের নিচে উড়ালপথের পিলারের সঙ্গে রাবারের এসব বিয়ারিং প্যাড থাকে। এগুলোর প্রতিটির ওজন আনুমানিক ১৪০ বা ১৫০ কেজি। এসব বিয়ারিং প্যাড ছাড়া ট্রেন চালালে উড়ালপথ দেবে যাওয়া কিংবা স্থানচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জন্যই মেট্রোরেলের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​পাবনায় ট্রাকচাপায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ ৩ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/494</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 11:07:16 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/494</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;পাবনায় ট্রাকচাপায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের বাঙ্গাবাড়িয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন পাবনা ক্যাডেট কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসমিয়া আক্তার, ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবু তোহা ও ভ্যানের ড্রাইভার আকরাম হোসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাবনার মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সকালে একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে পাবনা ক্যাডেট কলেজের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পেছন থেকে বাঁশবোঝাই একটি ট্রাক অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে ভ্যানটি উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা পুলিশকে খবর দিলে হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। এ ঘটনায় ট্রাকটিকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিলেও চালক পালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা পাবনা-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিডি প্রতিদিন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকা মেডিকেল কলেজে চলছে রমরমা হুইল চেয়ার বানিজ্য! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/493</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Oct 2025 10:14:03 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/493</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে পাঁচটি হুইলচেয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন পাঁচ নারী। আশপাশে আরও সাতটি হুইলচেয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন সাত যুবক। সবার চোখ সাইরেন বাজিয়ে ছুটে আসা অ্যাম্বুলেন্সের দিকে। অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগী নামতেই যে কোনো একজন ছুটে যাচ্ছেন এক নারীর চোখের ইশারায়। কত টাকা দেওয়া লাগবে? রোগীর স্বজনদের এমন প্রশ্নে উত্তর &amp;lsquo;খুশি হয়ে যা দিবেন তাই&amp;rsquo;। এরপর শুরু হয় সময় ও দূরত্ব মেপে বকশিশের নামে টাকা নেওয়া। যে রেট শুরু হয় ১০০ টাকা দিয়ে। অনেকক্ষেত্রে ৫০০-৭০০ টাকাও নেওয়া হয়। গতকাল সকাল ১০টার দিকে সরজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। এভাবে দিন ও রাতে শিফট ভাগ করে শতাধিক বহিরাগত দিয়ে ঢামেকে চলছে রমরমা হুইল চেয়ার বাণিজ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হুইল চেয়ারের এই বহিরাগত বাহকরা ঢামেকে রোগী ভর্তি থেকে শুরু করে উন্নত চিকিৎসার নামে রাতে রোগী ভাগিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটাচ্ছে। জরুরি বিভাগের সামনে চোখের ইশারায় সিরিয়াল ঠিক করে দেওয়া ওই নারী বলেন, তার নাম রুখসানা। ২৫ বছর ধরে এখানে অস্থায়ীভাবে কাজ করেন। ভর্তি থেকে শুরু করে সবকিছুই করে দিতে পারেন তিনি। হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী জানান, হুইল চেয়ারের বাহকরা সবাই ওয়ার্ড মাস্টার ও সরদারদের স্বজন অথবা পরিচিত লোক। মাসে চেয়ারপ্রতি ওয়ার্ড মাস্টারদের ১ হাজার এবং প্রতিদিন ১০০ টাকা করে অগ্রিম দিতে হয়। ওয়ার্ড মাস্টারের নিয়োগ করা সরদাররা এই টাকা তোলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংশ্লিষ্টরা জানান, জরুরি বিভাগে রুখসানা ও নতুন ভবনে শাহজাহান এই চত্রেুর নেতৃত্ব দেন। তাদের নেতৃত্বে জাহানারা জানু, রানু, বাবলী, চম্পা, পারুল, নাহিদা, শুকুর, মনির, মাহিদুলসহ শতাধিক জন এই চক্রে কাজ করেন। অনেকে পরিবারসহই হুইল চেয়ার বাণিজ্যে নাম লিখিয়েছেন। শুকুর বানু নামে এক নারী তার মেয়ে আঁখি, বড় ও সেঝো বোন, ভাগ্নেসহ একই পরিবারের ছয়জন মিলে হুইল চেয়ারে রোগী বহনের কাজ করেন। ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান বলেন, জনবল সংকটে এত হাজার হাজার রোগীর হুইল চেয়ার সেবা আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে বহিরাগত যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অনুসন্ধান]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​রাজধানীতে বসবাসকারী মানুষের গড় মাথাপিছু আয় বর্তমানে ৫ হাজার ১৬৩ মার্কিন ডলার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/492</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 18:33:36 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/492</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঢাকা জেলার মানুষের গড়ে মাথাপিছু আয় বর্তমানে ৫ হাজার ১৬৩ মার্কিন ডলার। এটি দেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয়ের প্রায় দুই গুণের কাছাকাছি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত অর্থবছর (২০২৪&amp;ndash;২৫) শেষে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ইকোনমিক পজিশন ইনডেক্স (ইপিআই) বা অর্থনৈতিক অবস্থান সূচক প্রণয়নবিষয়ক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে ঢাকার মানুষের মাথাপিছু আয়ের এমন তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সংস্থা, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি&amp;ndash;বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা চেম্বার জানায়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০১১ সালে করা জেলাভিত্তিক জিডিপির তথ্যকে ভিত্তি ধরে এ জেলার বিনিয়োগ, ভোগ, ব্যয়, আমদানি, রপ্তানি, আয়তন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রভৃতি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা জেলার মাথাপিছু আয়ের এ হিসাব অনুমান করা হয়েছে। যদিও ঢাকার মাথাপিছু আয় ও জিডিপির এসব তথ্যের সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সর্বশেষ গত মে মাসে জাতীয় মাথাপিছু আয়ের তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস। এতে উঠে আসে, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন (২০২৪&amp;ndash;২৫ অর্থবছর) ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার। এই মাথাপিছু আয় এযাবৎকালের রেকর্ড। এর আগের অর্থবছরের চেয়ে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৮২ ডলার। গত অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৩৮ ডলার। তবে বিবিএস বিভাগ বা জেলাভিত্তিক মাথাপিছু আয়ের হিসাব করে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাথাপিছু আয় ব্যক্তির একক আয় নয়। দেশের অভ্যন্তরীণ আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে এই হিসাব করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবিএসের হিসাবে দেখা গেছে, ২০২১&amp;ndash;২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ ডলার। এরপর ২০২২&amp;ndash;২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৪৯ ডলারে। গত অর্থবছরে তা আরও কমে ২ হাজার ৭৩৮ ডলার হয়। মূলত ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় বিবিএসের হিসাবে মাথাপিছু আয়ের পার্থক্য হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অর্থনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাতে ইলিশ ধরতে নামবে জেলেরা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/491</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 17:15:45 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/491</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[মা ইলিশ রক্ষার জন্য আরোপিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শনিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শেষ হচ্ছে, যার ফলে চাঁদপুরসহ উপকূলের হাজার হাজার জেলে ইলিশ শিকারে নামার জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে মাছ ধরার জন্য জেলেরা নৌকা, জাল মেরামত করে প্রস্তুত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৎস্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার গত বছরের চেয়ে মাছের উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণে বাড়তে পারে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, &amp;#39;নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ শিকার করতে দেওয়া হয়নি। এবার রেকর্ড পরিমাণে ইলিশ উৎপাদন হতে পারে।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা ইলিশ রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিনের জন্য দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে দেশের ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন এলাকায় এবং বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ ছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চালানো দুই শতাধিক মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্ধশতাধিক জেলেকে জেল-জরিমানা করা হয়। তবে, অভিযানে সময় অনেক জেলে সরকারের বরাদ্দ করা চাল পাননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার মধ্যরাতে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকেই উপকূলের জেলেরা জাল, নৌকা, ট্রলার ও অন্যান্য সরঞ্জাম প্রস্তুত করে গভীর সমুদ্রে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন। বিশেষ করে ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, লক্ষ্মীপুর ও বাগেরহাটসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেরা এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাঁদপুরে নদীতে নামার অপেক্ষায় রয়েছে মতলবের ৯ হাজার জেলে। ইলিশের প্রজনন কেন্দ্র হওয়ায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচরের চর ভৈরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার অঞ্চলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। পদ্মা ও মেঘনার এই ৭০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মা-ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা মোটামুটি সফল হয়েছে দাবি করে মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাশ দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, আশা করছি এবার মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে। আমরা আমাদের সামর্থ্যর সর্বোচ্চ দিয়ে অভিযান সফল করতে চেষ্টা করেছি। অভিযান শেষে আশা করছি জেলেরা নদীতে নামলে প্রচুর মাছ পাবে।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২২ দিনের অভিযানের বিষয়ে কথা হলে উপজেলা মৎস্য অভিযান টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি জানান, অনেক প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও উপজেলা টাস্কফোর্সের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে নদীতে মাছ ধরতে না গেলেও নিষেধাজ্ঞার পর বেশ কিছু জেলে সরকারি সহযোগিতা না পেয়ে এবং মহাজন ও এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করতে হয়েছে বলে আক্ষেপ করেছেন জেলেরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাদের অভিযোগ, মূল জেলেদের কিছু জেলে সরকারি সহযোগিতা থেকে বাদ পড়েছে। অথচ যারা মাছ ধরতে জীবনেও নদীতে নামেনি এমন বিভিন্ন পেশার বেশ কিছু মানুষ সরকারী সহায়তার কার্ড পেয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারা ক্ষোভ জানিয়েছেন। এমনকি বেশ কিছু জেলে সরকারি সহযোগিতা পেয়েও সরকারের নির্দেশনা না মেনে অবৈধ হবে নির্বিচারে মা ইলিশ শিকার করেছে তাদেরকে চিহ্নিত করে সরকারের পরবর্তী সহযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ারও আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্ত্রীর মৃত্যুর ১১ ঘন্টা পর মারা গেলেন স্বামী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/490</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 16:44:46 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/490</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;স্ত্রীর মৃত্যুর ১১ ঘণ্টা পর মারা গেছেন স্বামী। এমন হৃদয়স্পর্শী ঘটনা ঘটেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কাদিবাড়ী মৃধাপাড়া গ্রামে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওই দম্পতি হলেন জলিলুর রহমান (৭০) ও আঞ্জুয়ারা বেগম (৬৫)। গতকাল শুক্রবার বেলা ১টা ২৫ মিনিটে নিজ বাড়িতে মারা যান আঞ্জুয়ারা। আর দিবাগত রাত ১২টা ২৫ মিনিটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে মারা যান জলিলুর। প্রায় ৪০ বছরের দাম্পত্য জীবন ছিল তাঁদের। সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রামবাসী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জলিলুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। কয়েক দিন ধরে তিনি কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। গতকাল বেলা ১ একটা ২৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ মারা যান তাঁর স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম। তখন তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বজনেরা তাঁকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাতে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জলিলুর রহমান ও আঞ্জুয়ারা বেগম দম্পতির মৃত্যুর পর তাঁদের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। এই দম্পতির ছোট ছেলে রাকিবুল হাসান বলেন, &amp;lsquo;আমার বাবা কিছুটা অসুস্থ ছিলেন। গতকাল দুপুরে মা মারা যান। এতে বাবা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েন। নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ১২টার পর মারা যান। তাঁদের হারিয়ে আমরা এতিম হয়ে গেলাম।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বদলগাছী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য ও কাদিবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মন্টু মৃধা বলেন, জলিলুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁরা ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন। এমন ঘটনায় গ্রামের সবাই শোকার্ত। তাঁরা দুজন একে অপরের ছায়া ছিলেন, তাই আলাদা থাকতে পারলেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জেলার খবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ক্ষমতায় এলে ‘রেইনবো নেশন’ গড়তে চায় বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/489</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 15:50:31 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/489</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারে ৩১ দফার রূপরেখা ঘোষণা করেছিল বিএনপি। সেখানে দ্বিতীয় দফায় উল্লেখ আছে &amp;lsquo;রেইনবো নেশন&amp;rsquo; বা রংধনু জাতির দর্শন। বিভিন্ন সময়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে এ ধারণা জনগণের কাছে তুলে ধরা হয়।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;রেইনবো নেশন তত্ত্ব কী&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেইনবো নেশন তত্ত্ব হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ-পরবর্তী সময়ে একটি ধারণা, যা আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু প্রচলন করেন। এর মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি সমাজ গঠন করা, যেখানে জাতি, বর্ণ ও ধর্ম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা থাকবে। নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই তত্ত্বটিকে ব্যাপকভাবে পরিচিত করেন এবং একে তার &amp;lsquo;রংধনু জাতি&amp;rsquo;র আদর্শ হিসেবে ঘোষণা করেন।&amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি সব জাতিগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে &amp;lsquo;রেইনবো নেশন&amp;rsquo; গড়ে তুলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০২২ সালে ৩১ দফা ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন আমরা একটা রেইনবো নেশন তৈরি করব। অর্থাৎ যে নেশন সব সম্প্রদায় অন্তর্ভূক্ত হয়ে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। আগামীতে বিএনপি সরকারে এলে অবশ্যই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে সব সমস্যা বিবেচনা করা হবে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রেইনবো নেশনের ব্যাখ্যায় বলেন, আজকে নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা ও সংস্কৃতি পরিবর্তন হচ্ছে। এখানে অনেক ধর্মের ও বর্ণের মানুষ বাস করে। সবার ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতিকে প্রাধান্য বা সম্মান জানানোর জন্য রেইনবো নেশন। সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে মূলে রেখে নতুনভাবে রেইনবো নেশনের কথা বলা হচ্ছে। যা নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা রেইনবো নেশন নিয়ে বলেন, আমরা পেছনে ফেলে আগাবো না। সবাইকে নিয়ে একটা ইনক্লুসিভ ন্যাশন করার&amp;nbsp; কথা বলছি। এবং গত এক দশকে যেভাবে জাতিকে বিভাজিত করা হয়েছে বিভিন্ন ধোয়া তুলে। কখনো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ শক্তি, কখনো বলা হয়েছে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ, কখনো জঙ্গীবাদ, কখনো ধর্ম-মানে একেকবার একেকটা কার্ড সামনে আনা হয়েছে জাতিকে বিভাজিত করতে। সেই জায়গাটাতে আমরা মনে করি জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে আনবার জন্য এই রেইনবো নেশনের পরিকল্পনা।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বিএনপি রেইনবো নেশন কি বাস্তবায়ন করতে পারবে?&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রেইনবো নেশন বা &amp;lsquo;রংধনু জাতি&amp;rsquo; একটি নতুন ধারণা। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশকে বিভিন্ন সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমানাধিকারভিত্তিক সমাজে পরিণত করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় বাস্তবায়ন সহজ হবে না ধরে নেয়া যায়।&amp;nbsp; &amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং সামাজিক বিভাজন রেইনবো নেশনের বাস্তবায়নকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম, ভাষা ও আদর্শের ভিত্তিতে নানা বিভাজন দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক বিন্যাসকে জটিল করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি চাচ্ছে সব সম্প্রদায়, ভাষা ও ধর্মের মানুষ সমানভাবে সবকিছুতে অংশগ্রহণ করবে। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রয়োজন হবে সরকারের স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক সহনশীলতা, নাগরিক সমতার নিশ্চয়তা এবং সমাজে পারস্পরিক আস্থা গঠন। এসব ছাড়া রেইনবো নেশন তত্ত্ব কেবল দার্শনিক বা নীতিগত ঘোষণা হিসেবে থাকতেই পারে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অর্থাৎ, বাংলাদেশের বাস্তবতায় রেইনবো নেশন বাস্তবায়ন সম্ভাবনা রাখলেও তার পথে রয়েছে নানামুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। বিএনপির জন্য এটি হবে বড় ধরনের পরীক্ষার বিষয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১জন নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/488</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 14:44:58 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/488</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নাসিরউদ্দিন (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাচ্চু ও হারুন গোষ্ঠীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হলে এ ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সকালে উত্তেজনার জেরে দুপক্ষের লোকজন মাথায় হেলমেট, গায়ে লাইফ জ্যাকেট পরে এবং হাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে নাসিরউদ্দিন গুরুতর আহত হন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কিমের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/487</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 12:37:01 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/487</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এশিয়া সফরের সময় উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সময় শুক্রবার এশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, &amp;lsquo;আমি চাই, তিনিও জানুক আমরা সেখানে যাচ্ছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিমের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমি জানি না। তবে আমরা তাকে জানিয়েছি, তিনি জানেন আমি যাচ্ছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
কিম সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, &amp;lsquo;তার সঙ্গে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক রয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব পালনের সময় ২০১৯ সালে এই দুই নেতার সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় আগামী ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক। হোয়াইট হাউস বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনের ফাঁকে গিয়ংজু শহরে এই বৈঠক হবে। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এটিই দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: রয়টার্স/এএফপি/ডন&lt;br /&gt;
সময়ভেলা আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নভেম্বরে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/486</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 12:08:44 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/486</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন বলে আশা করছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারেক রহমানের দেশে ফেরার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, &amp;lsquo;খুব শিগগির নির্ধারিত তারিখটি জানতে পারবেন। আশা করি, নভেম্বরের মধ্যেই তিনি ফিরবেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোন কোন আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন&amp;mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, &amp;lsquo;দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তো অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তিনি তো সেটা সাক্ষাৎকারে বলেই দিয়েছেন। আসন পরে নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের যেকোনো আসন থেকে তিনি নির্বাচন করতে পারেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে কোন কোন আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন&amp;mdash;আজ সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল। জবাবে তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমরা আশা করছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত নেবেন নির্বাচন করবেন কি না। আমরা তো চাই তিনি নির্বাচনে অংশ নিন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিনা খরচে গুগলের ৫টি এআই প্রশিক্ষণ কোর্স! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/485</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 11:48:56 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/485</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন আর কোনো ভবিষ্যতের স্বপ্ন নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। এটি শুধু কাজের পদ্ধতিকে পরিবর্তন করছে না, বরং শিল্প এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। ব্যবসায় জটিল প্রক্রিয়া সরলীকরণ এবং দ্রুত, নির্ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই-এর অবদানকে একুশ শতকের বৃহত্তম প্রযুক্তিগত বিপ্লব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণেই পেশাজীবী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এআই-এর মৌলিক ধারণা ও প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জন করা এখন সময়ের দাবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুগল সম্প্রতি পাঁচটি এআই কোর্স এবং প্রশিক্ষণ টুল চালু করেছে। এই টুলগুলোর ব্যবহার ইচ্ছুকদের এআই প্রযুক্তির গভীরে প্রবেশ করতে সাহায্য করবে। গুগল জানিয়েছে, অনলাইন প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামগুলো ব্যবহারকারীদের তাদের কাজ বা ব্যবসায় এআই-এর সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে সাহায্য করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুগল-এর পাঁচটি প্রধান এআই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. প্রম্পটিং এসেনশিয়ালস (Prompting Essentials)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(সময়: ৬ ঘণ্টা, অনলাইন ও বিনা মূল্যে)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বিশেষ কোর্সটি মূলত কার্যকর এআই ব্যবহার শেখানোর জন্য তৈরি। গুগল-এর এআই বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত এই প্রোগ্রামে ব্যবহারকারীকে শেখানো হবে কীভাবে সুনির্দিষ্ট, স্পষ্ট এবং কার্যকর প্রম্পট বা নির্দেশ লিখতে হয়। এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী জেনারেটিভ এআই থেকে তার প্রত্যাশিত উত্তর বা ফলাফল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে বের করে আনতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোচ্য বিষয়:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কার্যকর প্রম্পট লেখার পাঁচটি মূল পদক্ষেপ এবং এর পেছনের যুক্তি&amp;mdash;যা আপনাকে এআই-কে নিখুঁত নির্দেশ দিতে সাহায্য করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দৈনন্দিন কাজকর্মে প্রম্পটিং কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে সময়ের সাশ্রয় এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষত ডেটা বিশ্লেষণ এবং আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশন স্লাইড তৈরির মতো জটিল কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রম্পটের ব্যবহার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কথোপকথনের মাধ্যমে পরিচালিত এআই এজেন্ট ব্যবহারের জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শসহ কার্যকর প্রম্পট তৈরি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২. এআই এসেনশিয়ালস (AI Essentials)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(সময়: ৫ ঘণ্টা, স্ব-শিক্ষামূলক)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই স্ব-শিক্ষামূলক কোর্সটি সব শিল্প এবং অভিজ্ঞতার স্তরের মানুষের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। দৈনন্দিন কাজকে আরও দ্রুত করতে এবং এআই ব্যবহার করার সময় উদ্ভাবনী উপায়ে চিন্তা করতে এই কোর্স অনুপ্রেরণা জোগাবে। এখানে শেখানো হবে কীভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এআই ব্যবহার করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোচ্য বিষয়:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে নতুন ধারণা এবং কনটেন্ট তৈরি করার কৌশল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্দেশ্য অনুযায়ী ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রম্পটে পর্যাপ্ত বিশদ তথ্য দেওয়ার গুরুত্ব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এআই সিস্টেমে থাকা পক্ষপাতের ঝুঁকিগুলো আবিষ্কার করা এবং তা দায়িত্বশীলভাবে পরিচালনা করা&amp;mdash;যা এআই-এর নৈতিক ব্যবহারের জন্য অপরিহার্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্রুত পরিবর্তনশীল এআই ল্যান্ডস্কেপ থেকে বর্তমান তথ্য ব্যবহার করা এবং এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩. ছোট ব্যবসার জন্য এআই (AI for Small Business)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ছোট এবং মাঝারি আকারের উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে এই প্রোগ্রামটি ডিজাইন করা হয়েছে। এই কোর্স আপনাকে শেখাবে কীভাবে আপনার ব্যবসায়ের বৃদ্ধির জন্য সঠিক এআই টুলস নির্বাচন করতে হয়। এই কোর্সে গুগল এআই ব্যবহার করে বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যা (যেমন: গ্রাহক পরিষেবা উন্নত করা বা ইনভেনটরি অপ্টিমাইজ করা) সমাধানের ব্যবহারিক সুযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪. শিক্ষাবিদদের জন্য জেমিনি জেনারেটিভ এআই (Generative AI for Educators with Gemini)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
(সময়: ২ ঘণ্টা)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সংক্ষিপ্ত কোর্সটি শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এখানে জেমিনি মডেল ব্যবহার করে কীভাবে সম্পূর্ণরূপে নতুন কনটেন্ট (টেক্সট, ছবি, বা অন্যান্য মিডিয়া) তৈরি করা যায়, তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেমিনি ব্যবহারের ক্ষেত্র:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় বাঁচানো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগতকৃত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা (যেমন: দ্রুত গ্রেডিং বা ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী কুইজ তৈরি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, পুরোনো শিক্ষামূলক উপকরণ আপডেট করা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজ দ্রুত শেষ করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে পাঠদান পদ্ধতিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫. শিক্ষার্থীদের জন্য এআই (AI for Students)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীরা কীভাবে পড়ালেখা এবং ভবিষ্যতের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে এআই-কে আরও ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে, তা বোঝানোর জন্যই এই কোর্সটি তৈরি। এখানে এআই ব্যবহারের চারটি প্রধান ক্ষেত্রে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হোমওয়ার্ক সহায়তা: দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও সংহত করে হোমওয়ার্কের আউটলাইন তৈরি করা এবং ধারণা স্পষ্ট করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরীক্ষা প্রস্তুতি: কঠিন বিষয়বস্তু সহজে বোঝার জন্য ইন্টারেকটিভ লার্নিং টুলস হিসেবে এআই-এর সাহায্য নেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেখালেখি: প্রবন্ধ বা রিপোর্ট লেখার কাঠামো তৈরি করা এবং ব্যাকরণগত ভুল সংশোধনের মাধ্যমে লেখার মান উন্নত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকরির সন্ধান: কার্যকর জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) তৈরি এবং চাকরির সাক্ষাৎকারের জন্য মক ইন্টারভিউ অনুশীলনের প্রস্তুতি নেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুগল বলেছেন, তাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো&amp;mdash;শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং উদ্যোক্তাসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য এআই-কে সহজলভ্য করা। এআই-এর জ্ঞানকে গণতান্ত্রিক ও স্বাভাবিক করার এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মজীবনের নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে বিশাল ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে গুগল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/তথ্যপ্রযুক্তি&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তুরস্কে  উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী  নৌকা ডুবে  অন্তত ১৪ জনের প্রাণহানী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/484</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 11:36:58 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/484</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মুগলা প্রদেশের উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে।&amp;nbsp; এতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গভর্নরের দপ্তর।&amp;nbsp; খবর রয়টার্সের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মুগলা গভর্নরের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, এক আফগান নাগরিক সাঁতরে তীরে উঠে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দুর্ঘটনার খবর দেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
স্থানীয় সময় রাত ১টার কিছু পর ওই ব্যক্তি জানান, মোট ১৮ জন যাত্রী নিয়ে রাবারের নৌকাটি যাত্রা শুরু করেছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই নৌকাটিতে পানি ঢুকে তা ডুবে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তল্লাশি অভিযানে অংশ নেওয়া উদ্ধারকর্মীরা পরে আরও একজন জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন, যিনি বোডরুম উপকূলের সেলেবি দ্বীপে পৌঁছাতে সক্ষম হন। এছাড়া সমুদ্র থেকে ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
গভর্নরের দপ্তর জানায়, নিখোঁজদের উদ্ধারে চারটি কোস্টগার্ড নৌকা, একটি বিশেষ ডাইভিং টিম এবং একটি হেলিকপ্টার অংশ নিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তুরস্কের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে দেশটিতে অনিয়মিত অভিবাসী আটক হওয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ লাখ ৫৫ হাজার, যার বেশিরভাগই আফগানিস্তান ও সিরিয়ার নাগরিক। চলতি বছরের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত তুরস্কে ১ লাখ ২২ হাজারের বেশি অনিয়মিত অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চোট কাটিয়ে দলে ফিরছেন লিটন, বাদ পড়লেন সৌম্য, সাইফুদ্দিন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/483</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 11:15:23 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/483</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ঘোষণা করা হয় স্কোয়াড। দলে ফিরেছেন এশিয়া কাপে চোটে পড়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়া নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস। কোন ম্যাচ না খেলেছেই বাদ পড়েছেন সৌম্য সরকার। নেই মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ স্কোয়াড: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি মাঠে গড়াবে আগামী ২৭ অক্টোবর। একদিন বিরতি দিয়ে ২৯ অক্টোবর দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচটি হবে ৩১ অক্টোবর। টাইগাররা সবগুলো ম্যাচই খেলবে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে। ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সারাদেশে ৭টি সড়ক দূর্ঘটনায় ১২ জন নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/482</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 10:49:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/482</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) ১১ কর্মকর্তা তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল সন্তান ও পরিজন নিয়ে হাওরের স্বচ্ছ জলরাশির বুকে হাউস বোটে ঘুরে বেড়াবেন। সাঁতার কাটবেন করচ গাছের নিচে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১১ কর্মকর্তার পরিবারের ৪১ সদস্য সুনামগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু এই আনন্দযাত্রার সমাপ্তি ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাদের নিয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সেঁজুতি ট্রাভেলসের বাসটি শুক্রবার ভোরে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজারসংলগ্ন শত্রুমর্দন বাঘেরকোনা গ্রামে খাদে পড়ে যায়। বাস থেকে ছিটকে পড়ে বাসের নিচে পড়ে প্রাণ যায় বিসিআইসি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্ত্রী মঞ্জুরা আক্তার (৩৭) ও মেয়ে আয়শা সিদ্দিকার (১০)। ভোরের আলো ফুটলেও চিরতরে নিভে যায় মা-মেয়ের জীবন প্রদীপ। আনন্দ ভ্রমণ নিমিষেই পরিণত হয় বিষাদে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আব্দুল্লাহ আল মামুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরের উদ্দেশে রওনা দিই। সিলেটের একটি জায়গায় থেমে আমরা ফজরের নামাজ আদায় করেছি। চালককে আমরা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও দিয়েছিলাম। এক সময় আমাদের মনে হয় চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। ছেলেকে উদ্ধার করলেও মেয়ে ও স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। পরে বাসের নিচে পাশাপাশি অবস্থায় তাদের দুজনকে পাওয়া যায়। আমি দেখেছি, আমার স্ত্রী মেয়েকে বাঁচানোর প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যাননি। শেষমেশ নিজেও বাঁচলেন না, মেয়েকেও বাঁচাতে পারলেন না। আমার ১৫ বছরের আরেকটি ছেলে আছে। আমাদের গোছানো পরিবার ছিল। সব শেষ হয়ে গেল। আমার বেঁচে থাকা এখন অর্থহীন। আমি এখন কী নিয়ে বাঁচব! তাঁর কান্নায় প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকের চোখ ভিজে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যাত্রীদের মাঝে ১৫-২০ জন নারী যাত্রী ছিলেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ভাঙ্গায় ট্রাকের ধাক্কায় ২ বাসযাত্রী নিহত&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
ফরিদপুরে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গামুখী লেনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসের পেছনে বেপরোয়া গতির ট্রাকের ধাক্কায় দুই যাত্রী নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের তারাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন&amp;ndash; মাগুরার শালিখা উপজেলার ঘোষগাতী গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মিনহাজুর রহমান সাকিব (২৪) এবং পাবনার বেড়া উপজেলার বনগ্রাম এলাকার জুয়েল রানার স্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন (৩০)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;রাজধানীতে সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় যুবক নিহত&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কলাপট্টি এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লাবাহী গাড়ির ধাক্কায় ইকবাল হোসেন (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। ইকবালের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার পশ্চিম চোখরা গ্রামে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;অসুস্থ মাকে দেখা হলো না ছেলের&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
অসুস্থ মাকে দেখতে গতকাল ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের চর আলগী গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন ছেলে মো. এবাদুল হক (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৫০)। কিন্তু বাড়ি পৌঁছানোর আগেই ঈশ্বরগঞ্জে পিকআপের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে তারা নিহত হন। আহত হয়েছেন তাদের নাতিসহ তিনজন। উপজেলার হরিপুর ব্যাপারীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নরসিংদীতে বাসচাপায় নিহত ৩&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর মাধবদীর রাইনাদি এলাকায় যাত্রীবাহী বাসচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন&amp;ndash; মাধবদীর রাইনাদি এলাকার অটোরিকশা চালক ফাহিম মিয়া (২৮) এবং অটোরিকশার যাত্রী সাব্বির (২৫) ও সিয়াম (২২)।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বাগেরহাটে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বাগেরহাটে গতকাল সকালে ফাল্গুনি পরিবহনের বাসচাপায় মো. শামীম তালুকদার (৩০) নামের এক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন। খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বাঁশখালীতে কাভার্ডভ্যানের চাকায় পিষ্ট শিশু&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুঁইছড়ি প্রেমবাজার এলাকায় গতকাল ভোরে বেপরোয়া কাভার্ডভ্যানের চাপায় মো. ফাহিম (৭) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চৌগাছায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
যশোরের চৌগাছা উপজেলার জাহাঙ্গীরপুরে গতকাল সকালে বালুবাহী ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। তারা হলেন উপজেলার বাশাপোল কালিয়াকুণ্ডু গ্রামের ইমন হোসাইন (১৯) ও আশরাফুল ইসলাম (১৫)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সমকাল, ঢাকা পোস্ট]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার সিদ্ধান্ত স্থগিত ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/481</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 10:33:08 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/481</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হচ্ছে। আগামী রোববার (২৬ অক্টোবর) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। গত ১২ অক্টোবর বিমানবন্দরটিকে &amp;lsquo;আন্তর্জাতিক&amp;rsquo; ঘোষণা করেছিল সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কক্সবাজার বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক বিমান উড্ডয়ন কমিটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কলকাতা-কক্সবাজার ফ্লাইটের মাধ্যমে এ বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরুর কথা ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে চলতি বছরের ২ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করতে দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়। ১২ অক্টোবর বিমানবন্দরটিকেকে &amp;lsquo;আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর&amp;rsquo; হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিএ-১ শাখা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিরাট-আনুশকা ভারতের ‘পাওয়ার কাপল’, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/480</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 10:11:41 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/480</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ক্রিকেট ও বলিউডের দীর্ঘদিনের মেলবন্ধনের অন্যতম দৃষ্টান্ত বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা। ভারতের এই তারকা দম্পতিকে ভক্তরা আদর করে ডাকেন &amp;lsquo;বিরুশকা&amp;rsquo; নামে। ভারতের &amp;lsquo;পাওয়ার কাপল&amp;rsquo; হিসেবেও পরিচিত তারা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০১৩ সালে একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনের শুটিং সেটে প্রথম দেখা হয় কোহলি ও আনুশকার। সেখান থেকেই শুরু হয় তাদের সম্পর্ক। চার বছরের প্রেমের পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ইতালির ফ্লোরেন্সের তুসকানিতে তারা বিয়ে করেন। এরপর ২০২১ সালে জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান ভামিকা, আর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আসে পুত্রসন্তান আকাই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মার সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ এখন ১৩০০ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮০৭ কোটি টাকা)। তাদেরকে ভারতের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী সেলিব্রিটি দম্পতি হিসেবে গণ্য করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এককভাবে বিরাট কোহলির মোট সম্পদ আনুমানিক ১০৫০ কোটি রুপি। বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে এ&amp;zwj;+ ক্যাটাগরির খেলোয়াড় তিনি। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রতি মৌসুমে তাকে দেয় ২১ কোটি রুপি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিসিসিআইয়ের বার্ষিক চুক্তি থেকে কোহলি পান ৭ কোটি রুপি। ম্যাচ ফি, টেস্টে ১৫ লাখ, ওয়ানডেতে ৬ লাখ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৩ লাখ রুপি নেন। যদিও টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে তিনি এখন অবসর নিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুমা, এমআরএফ, পেপসি, কোলগেট, মান্যবর, অডি, তিসো, স্যামসোনাইটসহ নানা ব্র্যান্ডের দূত তিনি। প্রতিটি চুক্তি থেকে আয় ৭.৫ থেকে ১০ কোটি রুপি পর্যন্ত। এছাড়া নিজস্ব পোশাক ব্র্যান্ড, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা ও বিনিয়োগ কার্যক্রম থেকেও কোহলির আয় বাড়ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, আনুশকা শর্মার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৫৫ কোটি রুপি। অভিনয়, ব্র্যান্ড প্রচার, প্রযোজনা সংস্থা ও ফ্যাশন ব্র্যান্ড থেকে তার আয় আসে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চলচ্চিত্রে প্রতি সিনেমার জন্য আনুশকা পান প্রায় ৭ কোটি রুপি। তার প্রযোজনা সংস্থা ক্লিন স্লেট ফিল্মজ থেকে নির্মিত হয়েছে &amp;lsquo;এনএইচ১০&amp;rsquo;, &amp;lsquo;পরী&amp;rsquo;, &amp;lsquo;পাতাল লোক&amp;rsquo; এর মতো জনপ্রিয় কাজ। ২০১৭ সালে চালু করা নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড &amp;lsquo;নুশ&amp;rsquo;ও তার আয় বাড়িয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আনুশকা ব্র্যান্ড প্রচার থেকে বছরে আয় ৫-১০ কোটি রুপি। ইনস্টাগ্রামে প্রতিটি পোস্ট থেকে আনুমানিক ৯৫ লাখ রুপি উপার্জন করেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দুই সন্তান ভামিকা ও আকাইকে নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করছেন বিরাট-আনুশকা দম্পতি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/বিনোদন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীতে পরিবহন নৈরাজ্য চরমে, দাপিয়ে বেড়াচ্ছে লক্কর ঝক্কর বাস ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/479</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 09:45:37 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/479</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;লুকিং গ্লাস নেই, পেছনের একটি ভেঙে পড়ে গেছে, বডির রং উঠে গেছে। সিগন্যাল লাইটের সবই ভাঙা। সিটগুলোর মধ্যে অনেক ভাঙা, অনেকগুলোর ফোম উঠে যাওয়ায় কাঠে বসছেন যাত্রীরা, জানালাও ভাঙা। স্টাফ কোয়ার্টার থেকে মিরপুর পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অছিম পরিবহন নামে এমন কিছু গাড়ি। শুধু অছিম নয়, বনশ্রী থেকে মিরপুর রুটে চলছে রবরব, গুলিস্তান থেকে গাজীপুরে ভিক্টর, তুরাগ, গাজীপুর পরিবহন, অনাবিল, আকাশ পরিবহনসহ রাজধানীতে চলাচল করা অনেক কোম্পানির ফিটনেসবিহীন গাড়ি। এদের বেশির ভাগের উঠে গেছে রং, নেই লুকিং গ্লাস। পেছনের গ্লাসও ভাঙা, ধুলা-ময়লা যেন নিত্যসঙ্গী আসনগুলোর। অনেকগুলোর পাখাও নেই, কোনোটা নষ্ট, আবার কোনোটা একদিকে ঘুরছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জানা যায়, দেশে বর্তমানে ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের সংখ্যা ৫ লাখের বেশি। বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ৫ লাখ যানবাহনের মধ্যে ৩০ শতাংশ রাস্তায় চলাচল করে না। আর ৭০ শতাংশ রাস্তায় চলাচল করছে, যা দেশের পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তায় বড় সংকট তৈরি করছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ। তবে ফিটনেসবিহীন যানবাহন তারা রাস্তায় পেলে জব্দ করে ডাম্পিংয়ে পাঠাচ্ছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। যাত্রীরা বলছেন, রাজধানী শহরে কোনোভাবেই চলতে পারে না এসব লক্কড়ঝক্কড় বাস। বাধ্য হয়ে উঠতে হচ্ছে এসব পরিবহনে। বাসমালিক ও রংচটা, ভাঙাচোরা বাসের ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ চান বিশেষজ্ঞরা। জানতে চাইলে বুয়েটের অধ্যাপক ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. হাদিউজ্জামান বলেন, রাজধানীতে চলাচল করা লক্কড়ঝক্কড় বাসগুলো সরানোর উদ্যোগ সরকারকে নিতে হবে। এসব পরিবহন সড়কে শ্রীহীন। তিনি আরও বলেন, চোখে দেখে ফিটনেস নির্ণয় না করে অটোমেশনের মাধ্যমে তা দেখা প্রয়োজন। এতে করে নকশা বদলানোর বিষয়টি ধরা সম্ভব। একজন মানুষ পাঁচ মিনিটে অনেক গাড়ি দেখছে। এ নিয়ম আসলে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নিয়ম অমান্য করে সন্ধ্যা থেকেই চলছে ভারী যানবাহন :&lt;/strong&gt; রাত ১০টার আগে রাজধানীর কোনো সড়কে ট্রাকসহ কোনো ভারী যান চলাচল নিষিদ্ধ। অথচ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিনিয়তই সারা দিন রাজধানীর সব রাস্তায় ট্রাকসহ সব ধরনের ভারী যানবাহন চলতে দেখা যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকেই বেপরোয়া গতিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বালু-মাটি এবং পণ্যবাহী ট্রাক ও লরি। এসব ট্রাকের কারণে রাজধানীর সড়কে চলাচলকারীরাও থাকেন চরম আতঙ্কে। সম্প্রতি রাজধানীর সড়কে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। মারাও গেছে অনেক মানুষ। একই সঙ্গে সড়কে যানজট বাড়ার অন্যতম কারণ এসব যানবাহন। আগে কিছুটা কড়াকড়ি থাকলেও গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর থেকে তা আর মেনে চলতে দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় নিবন্ধিত ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পিকআপ রয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৮টি। এর মধ্যে ট্রাক ৮৮ হাজার ১৫৫, পিকআপ ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭২ ও কাভার্ডভ্যান ৪৩ হাজার ৮৫১টি। নিবন্ধন ছাড়া রয়েছে তার চেয়ে দ্বিগুণ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চলছে অননুমোদিত পরিবহন : &lt;/strong&gt;বর্তমানে রাজধানীর সড়কে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। লাইসেন্সবিহীন এসব অবৈধ বাহনের লাগামহীন দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গোটা রাজধানীজুড়ে প্রধান সড়কগুলোতে বাধাহীনভাবে চলছে এসব অটোরিকশা। এ ছাড়া নগরীতে অবৈধভাবে চলছে আন্তজেলা বাস। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রামপুরা-কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক, মিরপুর সড়ক, পান্থপথ সড়ক, কলাবাগানসহ রাজধানীর প্রতিটি সড়কে দিন ও রাতে সমানতালে চলাচল করছে বিভিন্ন আন্তজেলা বাস। এর মধ্যে রামপুরা-কুড়িল বিশ্বরোড সড়কে চলাচল করছে স্টার লাইন, ইকোনো, আল বারাকা, হিমাচল, হিমালয়, লাল সবুজসহ অনেক আন্তজেলা বাস। যেগুলো চলাচল করছে ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী থেকে টঙ্গী পর্যন্ত। একই রোডে চলাচল করছে চাঁদপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত আল আরাফাহ সার্ভিস। হামদান বাস খুলনা থেকে এই রুটে উত্তরবঙ্গে যাতায়াত করে। একই রুটে শেরপুর থেকে সাদিয়া বাস, চট্টগ্রাম থেকে টঙ্গী সোহাগ পরিবহনের বাস চলাচল করছে। এই রুটে চলাচলকারী আন্তজেলা বাসগুলোর ১০-১২টি পয়েন্টে কাউন্টার রয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর কলাবাগান, শুক্রাবাদ, আসাদগেট, মালিবাগ, বাড্ডা, প্রগতি সরণি, এয়ারপোর্ট এলাকায় দূরপাল্লার পরিবহনগুলোর টিকিট কাউন্টার আছে। এসব&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/478</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 18:16:10 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/478</guid>
		<description> এ আই দিয়ে তৈরি ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ৮০৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪৭, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৫৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৩০, খুলনা বিভাগে ৪৯ জন, ময়মনসিংহে ৪৯ জন, রাজশাহীতে ৩৭, রংপুরে ১৭ এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে গত এক দিনে সারাদেশে ৭৭১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬০ হাজার ২৬৩ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৩ হাজার ১৭০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২৫৯ জনের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্ব বাজারে তেলের  দাম ৫ শতাংশ বেড়েছে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/477</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 17:30:51 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/477</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ৫ শতাংশ বেড়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার অন্যতম প্রধান দুটি তেল কোম্পানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এগুলো হলো- রসনেফট ও লুকঅয়েল। এর জেরেই এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৬৫ দশমিক ৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৫.২ শতাংশ বেড়ে ৬১.৫৩ ডলার হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আমার শান্তি আলোচনা কোথাও এগোচ্ছে না, তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিশ্লেষকদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, যার ফলে বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার জেরে রুশ তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাচ্ছে ভারত। শিল্প সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে ভারতই রুশ তেলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক হয়ে ওঠে। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশটি গড়ে দৈনিক প্রায় ১৭ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে এই রুশ তেল ইস্যুই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্কের অর্ধেকই এই তেল আমদানির জন্য আরোপ করেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র জানায়, ভারতের সবচেয়ে বড় বেসরকারি রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ রাশিয়া থেকে তেল আমদানি &amp;lsquo;বড় পরিসরে কমানো বা পুরোপুরি বন্ধ করার&amp;rsquo; পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেছেন, রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পুনর্বিন্যাস চলছে এবং রিলায়েন্স ভারত সরকারের নির্দেশনার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: ফোর্বস, ব্যারন&amp;rsquo;স, আল-আহরাম, এএফপি&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচন কমিশনকে ৩৬ প্রস্তাব দিলো বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/476</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 17:03:53 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/476</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ৩৬ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ প্রস্তাবসমূহ উপস্থাপন করেন দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নির্বাচন একটি উৎসবমুখর পরিবেশে হবে। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে যে শঙ্কা, তা কেটে যাবে।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;তিনি বলেন, বিগত তিন নির্বাচন, নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। গত ১৫ বছরে যাদের চরিত্র হনন করেছি, তারা বিগত ১৫ মাসে ঠিক হয়ে যাবে- এটা আশা করা ঠিক নয়। আমরা কমিশনকে সতর্ক করেছি এদের বিষয়ে সচেতন থাকতে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
প্রতিনিধিদলে আরো ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ ও সাবেক ইসি সচিব ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া।

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩৬ দফা প্রস্তাব&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১. বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্য এখনই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে এই সরকারের ও নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় ভূমিকা পালন করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২. নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে হবে। যেমন&amp;mdash; ডিসি, ইউএনও, এসপি, ওসি এবং ক্ষেত্রমতে কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, সবার জন্য প্রযোজ্য হবে।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
উল্লেখ্য যে জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনে এ ধরনের পুনর্বিন্যাস একটি রুটিন প্রক্রিয়া, যা অবশ্য করণীয়।

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩. বিগত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের অবৈধ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সব বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের কোনোরূপ নির্বাচনী দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৪. রিটার্নিং অফিসার হিসেবে প্রশাসনের অফিসারদের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তা (ইলেকশন সার্ভিস) কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে দক্ষ, সৎ, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৫. নির্বাচনকালীন নির্বাচনের সমগ্র প্রক্রিয়ায় জড়িত বেসামরিক প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব কর্মকর্তার বদলি, পদায়ন, অবস্থান, দায়িত্ব ও তাঁদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের ভার নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারে নিতে হবে। সব ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের কমপক্ষে এক সপ্তাহ পূর্ব হতে সামরিক বাহিনী, বিজিবি, র&amp;zwnj;্যাব, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৬. নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচনকালীন সময়ে অনিয়ম রোধে কমিটি গঠন ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বর্তমানে বিধান বলবৎ রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন, অবলোকন এবং নির্বাচনকে জনগণের নিকট দৃশ্যমান বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য বিচার বিভাগীয় ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদেরও ম্যাজিস্ট্রেরিয়্যাল ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৭. ভোটারগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ অবাধ, নির্বিঘ্ন, স্বচ্ছ ও দৃশ্যমান করার জন্য ভোটকেন্দ্রের গোপনীয় কক্ষের কার্যক্রম ব্যতীত ভোটকেন্দ্রের অন্যান্য অভ্যন্তরীণ দৃশ্য বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির নিমিত্ত সিসি ক্যামেরা সংস্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৮. নির্বাচনী সময়সূচি ঘোষণার সাথে সাথে প্রত্যেক জেলার জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে এবং প্রত্যেক উপজেলা/থানায় উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার কার্যালয়ে একটি করে অভিযোগ নিরসন কেন্দ্র (Complain Redress Centre) চালু করতে হবে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ প্রাপ্তির ১২ ঘণ্টার মধ্যে বা যত দ্রুত সম্ভব তা নিষ্পত্তি করে অভিযোগকারীকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৯. জুলাই ২০২৪ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সারা দেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিংবডি গঠিত হয়েছে। হঠাৎ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার ঠিক পূর্বমুহূর্তে এ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তড়িঘড়ি করে ১ নভেম্বরের মধ্যে নতুন করে নির্বাচন সম্পন্নের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হয়। এই কার্যক্রমের ফলে সারা দেশে শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বার্ষিক পরীক্ষার একাডেমিক কার্যক্রম, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, ভোটকেন্দ্রের নির্বাচনের প্রাক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একটি বৃহৎ কার্যক্রমে শিক্ষক/শিক্ষিকা, অভিভাবক/অভিভাবিকা তথা ভোটারদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিংবডি নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা স্থগিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১০. নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা পোলিং পারসোনাল তথা প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বমহলের নিকট চিহ্নিত এমন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়োগ প্রদান করা যাবে না। যেমন, ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ইত্যাদি। উল্লেখযোগ্য যে, ইতিমধ্যে ইসলামী ব্যাংক সারা দেশে প্রায় ৫০০০ কর্মকর্তা/কর্মচারীকে নিয়োগ বাতিল করেছে এবং এসব শূন্য পদে তড়িঘড়ি করে দলীয় লোকজন নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১১. লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে জুলাই &amp;rsquo;২৪ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলসমূহের নেতাকর্মীদের নামে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে দায়েরকৃত মিথ্যা, বানোয়াট ও গায়েবি মামলাসমূহ নির্বাচনী সময়সূচি জারির পূর্বেই প্রত্যাহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১২. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বেই বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় প্রদত্ত সকল অস্ত্র সরকারের কাছে জমা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৩. সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা অগণিত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৪. সীমান্ত পথে আসা অবৈধ অস্ত্র, নকল টাকা, কালো টাকার অনুপ্রবেশ বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৫. সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে এবং দূতাবাসগুলোতে চুক্তিভিত্তিক সকল নিয়োগ বাতিল করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৬. নির্বাচন অবাধ, বিশ্বাসযোগ্য, শান্তিপূর্ণ ও পক্ষপাতহীন হতে হবে। ভোটারদের স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগে সম্ভাব্য সকল প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৭. নির্বাচনে সম্ভাব্য সকল কারচুপির সুযোগ প্রতিরোধ করে নিখুঁত ও ত্রুটিমুক্ত ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৮. ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগে অর্থশক্তি, পেশিশক্তি ব্যবহার ও প্রভাব প্রতিরোধ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;১৯. নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত কোনো লোক নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২০. নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের গৃহীত সাংবিধানিক শপথের প্রতি অনুগত থেকে নিরপেক্ষ ও সাহসী হয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সংবিধান ও আইনের প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগে নির্ভীক হতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২১. নির্বাচন যে অবাধ, নিরপেক্ষ ও কারচুপিমুক্ত হচ্ছে তা দেশ ও জাতির কাছে দৃশ্যমান হতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২২. সকল ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৩. কোনো রাজনৈতিক দল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কর্তৃক বিতর্ক তৈরি করে এমন কোন বক্তব্য যাতে না দেয় তার প্রাক ব্যবস্থা থাকতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৪. নির্বাচনে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িকতার বিষ-বাষ্প ছড়ায়- এমন সকল অপপ্রচার রোধ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৫. ভোটারদের প্রভাবিত করে এরূপ ধর্মীয় প্রলোভন বা ধর্মীয় দণ্ড প্রদানের ভীতি প্রদর্শন রোধ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৬. অর্থ, দুর্নীতি ও সহিংসতা অর্থাৎ Trippple &amp;lsquo;C&amp;rsquo; (Cash, Corruption, Criminality)- এর অসৎ প্রভাবমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৭. ভোটকেন্দ্র নির্ধারণে বিধি-বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভোটকেন্দ্রকে ভোটারদের কাছাকাছি নিয়ে যেতে হবে। যতদূর সম্ভব কম সংখ্যক ভোটার নিয়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করাই উত্তম। এতে কম দূরত্ব অতিক্রম করে ভোটারগণ সহজেই ভোটকেন্দ্রে ভোটদানে উৎসাহিত হবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৮. নির্বাচনের যাবতীয় নিয়মকানুন-ভোটাধিকার, ভোটদান প্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে ভোটারসহ আপামর জনসাধারণকে পত্র-পত্রিকা, রেডিও-টেলিভিশন, লিফলেট ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভোটার সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২৯. নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইনে বর্ণিত সকল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের (রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ) সার্বিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে কোন গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩০. ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যসার্ধের মধ্যেই কেবল নয় বরং এর বাইরেও নির্বাচনী এলাকার যেকোনো স্থানে সন্ত্রাসী তৎপরতা তাৎক্ষণিকভাবে দমন করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩১. স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের তাদের নিজস্ব জেলায় দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না। তাছাড়া রাজনৈতিক মতাদর্শী বা কোনো দলীয় ভাবধারা প্রচার করে এমন পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেওয়া যাবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩২. আনসার ও ভিডিপি মোতায়েনের ক্ষেত্রে কোনক্রমেই নিজ জেলায় মোতায়েন করা যাবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩৩. কমিউনিটি পুলিশকে কোনোভাবেই ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন করা যাবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩৪. ছবিসহ ভোটার তালিকা পোলিং পার্সোন্যালসহ সকল পোলিং এজেন্টদেরকেও যথাসময়ে সরবরাহ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩৫. ভোট গণনা শেষ হবার পরপরই নির্বাচনের ফলাফল প্রতিটি কেন্দ্র হতে সরাসরি ঘোষণা করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;৩৬. প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ আইনানুগ স্বচ্ছতার সাথে করতে হবে। বিভিন্ন দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দানে ইচ্ছুক রেজিস্টার্ড প্রবাসী ভোটারদের তালিকা রাজনৈতিক দলকে যৌক্তিক সময়ের পূর্বেই সরবরাহ করতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;প্রসঙ্গত, অবশ্য পরে ড. আব্দুল মঈন খান সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তারা কোনো লিখিত প্রস্তাব দেননি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
যদিও বিএনপির এই নেতার হাতে &amp;lsquo;সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে করণীয় প্রস্তাবসমূহ নির্বাচন কমিশনের সহিত সভার জন্য প্রস্তাবিত কার্যপত্র&amp;rsquo; শীর্ষক একটি দলিল দেখা গেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সালমান শাহ’কে হত্যা করতে কিলার ভাড়া করেন শাশুড়ি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/475</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 16:23:46 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/475</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলা চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের সুপারহিট নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ২৯ বছর পর তার অকাল প্রয়াণকে ঘিরে এতদিন ধরে চলে আসা আলোচনা নতুন মোড় নিয়েছে। প্রায় তিন যুগ ধরে অপমৃত্যু বলা হলেও এ ঘটনায় হওয়া মামলার রিভিশন আবেদনের রায়ের প্রেক্ষিতে নতুন করে দায়ের করা হয়েছে হত্যা মামলা। যে রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি কালবেলার হাতে এসেছে। রায়ে উল্লেখিত আসামি রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে উঠে এসেছে। মিলেছে হত্যার পুরো ঘটনার বিবরণও। জবানবন্দিতে বলা হয়েছে, সালমান শাহকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে কিলার ভাড়া করেন তার শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। হত্যার পরিকল্পনা সাজানো হয় রাজধানীর গুলিস্তানের একটি বারে বসে। কিলারদের সঙ্গে চুক্তি হয় ১২ লাখ টাকায়। দেশের অঘোষিত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে আলোচিত আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, সালমানের স্ত্রী সামিরা হকসহ আরও ১১ জন অংশ নেন এই হত্যাকাণ্ডে। হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালিয়ে পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সালমানের পরিবারের দীর্ঘ ২৯ বছরের আইনি লড়াই শেষে সামিরা, ডনসহ ১১ বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করতে রায় দিয়েছেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক। এরই মধ্যে রমনা থানার দায়ের হওয়া এ হত্যা মামলাটি তদন্ত করে আগামী ৭ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, ডেবিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রায়ের বিবরণী থেকে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ক্যান্টনমেন্ট থানার আরেকটি মামলায় আদালতে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন আসামি রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। জবানবন্দিতে রেজভী বলেন, &amp;lsquo;ডন সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। সালমানের স্ত্রী সামিরার সঙ্গে ডনের গোপন সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং দৈহিক সম্পর্কও ছিল। অন্যদিকে সামিরার মায়ের সঙ্গে চিত্র প্রযোজক আসামি আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন ও দৈহিক সম্পর্ক ছিল। তাই সালমান ডনকে এড়িয়ে চলতেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে রেজভী বলেন, &amp;lsquo;সালমান শাহকে হত্যার আগের দিন ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গুলিস্তানের একটি বারে পরিকল্পনা করা হয়। ওইদিন রাত ৮টায় ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ ও আমি বারে যাই। সেখানে আরও ২ জন ছেলে ছাত্তার ও সাজু আসে। এরপর ফারুক ২ লাখ টাকা বের করে বলে, সামিরার মা ওই টাকা দিয়েছে। কথা ছিল সালমানকে শেষ করার জন্য মোট ১২ লাখ টাকা দেবে। কাজের আগে ৬ লাখ ও কাজের পরে ৬ লাখ। কিন্তু ২ লাখ টাকা পেয়ে ডনের সঙ্গে ফারুকের কথাকাটাকাটি হয়। পরে ফারুক রাগ করে বাইরে যায়। ২০ থেকে ২৫ মিনিট পরে আরও ৪ লাখ টাকা নিয়ে আসে। তখন ওখানেই ডন প্লাস্টিকের একটি দড়ি নিজের মাজায় বেঁধে উপরে কালো জ্যাকেট গায়ে দেয়। বাকি অর্ধেক রশি ফারুকের কাছে দেয়। এরপর তারা টাকা, সিরিঞ্জ, রিভলবার ইত্যাদি গুছিয়ে নেয়। সামিরার মা এবং আজিজ মোহাম্মদ ভাই দুজনে মিলেই সালমানকে শেষ করার ব্যাপারে ডন ও ফারুকের সঙ্গে কনটাক্ট হয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেজভী আরও বলেন, &amp;lsquo;এরপর ওই রাতে বার থেকে এফডিসি এসে শুটিং শেষে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রাত আড়াইটার সময় আমাকে সালমান শাহর বাসায় নিয়ে যায় ডন। ওই বাসায় ডন, ডেভিড ও ফারুকের যাতায়াত ছিল বলে দারোয়ান কিছু বলেনি। সালমানের বাসায় লিফটে ওঠার আগেই ডান পাশে রুবী নামে এক মেয়ের রুমের দরজায় ডন নক করলে রুবী নাইটি পরা অবস্থায় দরজা খোলে। এরপর বলে, &amp;ldquo;ও তোমরা এসেছ।&amp;rdquo; তখন ডন রুবীকে বলে, &amp;lsquo;আজিজ ভাই কোথায়?&amp;rsquo; বাথরুম থেকে আজিজ ভাই বের হয়ে আসে। এরপর আমরা উপরে উঠি। আজিজ ভাই চারতলায় নেমে যায়। আর আমরা ১১ তলায় নেমে সালমানের বাসায় যাই। দরজা আগে থেকেই চাপানো ছিল। দরজা খুলেই দেখা যায় সালমান বেডরুমে শুয়ে আছে। পাশে সামিরা নাই। তখন ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুকরা মিলে সালমানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় ফারুক তার পকেট থেকে ক্লোলোফর্মের সিসি বের করে সামিরাকে দেয়। সামিরা তা দিয়ে সালমানের নাকের ওপর চেপে ধরে। ডন সালমানের বুকের ওপর গিয়ে বসে। আর ফারুককে বলে, আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে ডাক। ফারুক তখন বাইরে গিয়ে আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে নিয়ে আসে। এরই মধ্যে সামিরার মা ড্রেসিংরুম থেকে বের হয়ে আসে। তখন ধস্তাধস্তি হচ্ছিল। সালমানের খুব শক্তি ছিল। ইনজেকশন দেওয়া যাচ্ছিল না। তখন সবাই মিলে সালমানকে ড্রেসিং রুমে নিয়ে ডেভিড সালমানের পা বাঁধে। আজিজ ভাই ডনকে ইনজেকশন দিতে বলে। পরে সামিরা পুশ করে, তার মা সামিরাকে পুশ করতে সাহায্য করে। পরে সালমান নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ইনজেকশন পুশ করার আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাই ফ্যানটা সালমান শাহর ঘাড়ের ওপর ছুড়ে মেরেছিল। ড্রেসিং রুমে একটা মই ছিল। আজিজ মোহাম্মদ ভাই আমাকে মইটা আনতে বলে। আমি এনে দিই। এরপর তিনি দড়ি চান। তখন ডন নিজের কোমরের দড়িটা খুলে আজিজ ভাইয়ের হাতে দেয়। আজিজ মোহাম্মদ ভাই নিজেই সিঁড়ি দিয়ে উঠে দড়িটি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বাঁধে। তাতে আমি, সামিরা, সামিরার মা সাহায্য করি। পরে সালমানের পায়ে বাঁধা রশিটা খুলে বুকের ওপর উঠে গলায় চাপ দিয়ে রাখে এবং পরীক্ষা করে দেখে যে নিঃশ্বাস নেই। উপরের রশিটা খানিকটা ঝুলিয়ে রাখা হয়, যাতে দেখানো যায় যে, লাশটাকে ঝোলানো থেকে খোলা হয়েছে। পরে সালমান সুইসাইড করেছে এটা দেখানোর জন্য তাকে তেল মালিশ করা হয়, কাপড় ভিজিয়ে শরীরে রাখা হয়। এরপর যে যার মতো চলে যাই। আমিও ফরিদপুর চলে যাই। এরপর কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। কিছুদিন পর ডনের সঙ্গে ঢাকায় দেখা হলে আমাকে জানায় দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নাই। আজিজ মোহাম্মদ ভাই সব ঠান্ডা করে দিয়েছে। পরে আমি আবার বাড়িতে গেলে ১৯৯৭ সালের ৪ঠা জুলাই ডন ও ডেভিড আমাদের বাড়িতে আসে। ডন আমাকে বলে, কেইসটা আবার নাড়া দিয়ে উঠেছে। যেহেতু আমাদের সঙ্গে ছিলে। এখন আমাদের সাহায্য করতে হবে। আমাকে তারা প্রয়াত চিত্রপরিচালক আলমগীর কবিরের ছেলে লেনিন সেজে সালমানের বাবা-মার বাসায় যেতে বলে। এরপর গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সালমানের ছোট ভাই বিল্টুকে অপহরণ করে সালমান হত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে বলে পরিকল্পনা হয়। তবে ওই বাসায় লেলিন সেজে গেলে আমি ধরা পড়ি। সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুধু আসামি রেজভীই নয়, আসামি রুবীও স্বীকার করেন এটি একটি হত্যাকাণ্ড। আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, রেজভী আহমেদের দোষ স্বীকারোক্তি অবজ্ঞা করার আইনগত কোনো সুযোগ নেই। তিনি জবানবন্দিতে ভিকটিম সালমান শাহকে হত্যা করার কথা বলেছেন। কিন্তু ওই স্বীকারোক্তির পরও পুলিশ কর্তৃক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে কোনো এজাহার দায়ের করা হয়নি। এতে আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে বলে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন। একই সঙ্গে ১৯৯৭ সালে সালমানের বাবা করমউদ্দিন চৌধুরীর হত্যা মামলা দাখিলের আবেদন ও আসামি রেজভীর স্বীকারোক্তির অনুলিপি সংযুক্ত করে রমনা থানায় হত্যা মামলার এজাহার দায়েরের নির্দেশ দেন আদালত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই নির্দেশের পর গত সোমবার মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ রায়ের বিষয়ে সালমানের মা নীলা চৌধুরী বলেন, &amp;lsquo;হত্যা মামলার যারা তদন্ত করল না, ২৯ বছরে সাক্ষী সব নষ্ট করে মামলাটাকে আত্মহত্যা বলে প্রমাণ করতে চাইলো তাদের বিচার চাই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সালমান শাহ হত্যা মামলার আইনজীবী আবিদ হাসান বলেন, &amp;lsquo;এ ঘটনায় আরও আগেই হত্যা মামলা হওয়া উচিত ছিল। আসামি রেজভীর জবানবন্দিতে কীভাবে স্ত্রী সামিরা, ডন, আজিজ মোহাম্মদসহ বাকি আসামিরা সালমান শাহকে হত্যা করে সব আছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকারের দুই  উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিলো! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/474</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 15:28:47 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/474</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে দুই ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টাকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা আরও সময় নিতে চেয়েছেন। এই দুই উপদেষ্টা হলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরও জানা গেছে, মাহফুজ আলম আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তিনি সরকারে থাকতে চান। আসিফ মাহমুদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করতে পারেন। অবশ্য কোনো বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে চেষ্টা করেও দুই উপদেষ্টার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আসিফ মাহমুদ গত ১৪ আগস্ট সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন। অন্যদিকে মাহফুজ আলম গত ২৮ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানে বলেন, &amp;lsquo;দুই মাস ধরে আমি অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি যে আমি কখন নেমে যাই। মানে আমি কখন নামব, আমি জানি না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রধান উপদেষ্টাসহ ২৩ জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছাত্র প্রতিনিধি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র বলছে, ছাত্র প্রতিনিধিদের কেউ না কেউ উপদেষ্টা পরিষদে শেষ পর্যন্ত থাকুক, এটা চান ছাত্র উপদেষ্টারা। তাঁরা মনে করছেন, না থাকলে উপদেষ্টা পরিষদে কেউ কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রধান উপদেষ্টাসহ ২৩ জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছাত্র প্রতিনিধি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার গঠনের সময় উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন ছাত্র প্রতিনিধি মো. নাহিদ ইসলাম। পরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক হন। এনসিপি গঠন করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাহফুজ আলম শুরুতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন। নিয়োগ পান গত বছরের ২৮ আগস্ট। পরে ১০ নভেম্বর তিনি উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তবে সে সময় তাঁকে কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করার পর তাঁকে তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ শুরুতে ছিলেন শ্রম মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। এ এফ হাসান আরিফকে (প্রয়াত) সরিয়ে আসিফ মাহমুদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় গত বছরের নভেম্বরে। এখন তিনি স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এমন ধারণা করতে অসুবিধা হয় না যে এই দুই ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টা এনসিপির ঘনিষ্ঠ। তাঁরা দলটির পরামর্শকের ভূমিকায় থাকেন। সর্বশেষ জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করা নিয়ে সংকটের মধ্যে ১৪ অক্টোবর রাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এনসিপির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে। বৈঠকে দলটির পক্ষে অন্য নেতাদের পাশাপাশি অংশ নেন একজন ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টাও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবশ্য এনসিপি নেতাদের মত হলো, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় বিভিন্ন দলের কাছ থেকে নাম নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে শুধু দুজন ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টাকে সরকার থেকে সরে যেতে বলা তাঁদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।&lt;br /&gt;
অবশ্য এনসিপি নেতাদের মত হলো, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় বিভিন্ন দলের কাছ থেকে নাম নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে শুধু দুজন ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টাকে সরকার থেকে সরে যেতে বলা তাঁদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়টি গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে এনসিপি নেতারা তুলেছেন বলে জানিয়েছে একটি দায়িত্বশীল সূত্র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন ঠিক করা হতে পারে। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য রাজনীতিতে আলোচনা তৈরি করেছে। বিএনপি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে দলীয় লোকদের অপসারণ চেয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের কোনো কোনো উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সমকাল, যুগান্তর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওপেনিং জুটিতে ১৫০ পার! মিরপুরে চলছে সাইফ-সৌম্য শো! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/473</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 15:07:52 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/473</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার শতক ছাড়ানো জুটি গড়েছেন।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ২২ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে ১৫৬ রানে ব্যাট করছে। সৌম্য সরকার ৭০ বলে ৭৮ রান করেছেন। সাইফ হাসান ৬৩ বলে ৭৮ রানে খেলছেন। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ওপেনিংয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েছিল বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে খেলছে। চার স্পিনার ও এক পেসার আছেন বাংলাদেশ একাদশে। ওয়েস্ট ইন্ডিজও চার নিয়মিত স্পিনার নিয়েছে তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ২০৭ রান করেও সহজ জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ২১৩ রান করে ইনিংসের শেষ বলে ক্যাচ ফেলে ম্যাচ টাই করে ফেলে বাংলাদেশ। সুপার ওভারে ১ রানের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল অঙ্কন, মেহেদী মিরাজ, নুরুল হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওয়েস্ট ইন্ডিজের একাদশ: ব্রেন্ডন কিং, আলিস আথানজে, কেসি কার্টি, শেই হোপ, শেরফান রাদারফোর্ড, আকিম আগুয়েস্তে, জাস্টিন গ্রেভস, রোস্টন চেজ, গুড়াকেশ মোতি, আকিল হোসেন, খেরি পেরি।&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিউজিল্যান্ডে প্রবল ঝড়ে বিদ্যুৎহীন  লাখো মানুষ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/472</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 12:57:21 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/472</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নিউজিল্যান্ডে প্রবল ঝড়ে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। সেই সঙ্গে দেশটিতে বাতিল করা শতাধিক ফ্লাইট। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া এই ঝড় নিউজিল্যান্ডের পুরো সাউথ আইল্যান্ড ও নর্থ আইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার (৯৬ মাইল) বেগে বয়ে যাওয়া ঝোড়ো বাতাসে প্রায় ৯০ হাজার বাড়িঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রবল এই ঝড়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে দেশটিতে ১০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্যান্টারবুরি ও রাজধানী ওয়েলিংটনসহ দেশের মধ্যাঞ্চলে জারি করা হয়েছে বিরল &amp;lsquo;রেড উইন্ড ওয়ার্নিং&amp;rsquo;, যা সবচেয়ে উচ্চমাত্রার সতর্কতা। পাশাপাশি দক্ষিণ দ্বীপে ভারি বৃষ্টিরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে, অপ্রয়োজনে ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে এবং আরও বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার জন্য প্রস্তুত থাকতে আহ্বান জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদ্যুৎ বিভ্রাট মূলত দক্ষিণ দ্বীপের ঘরবাড়িগুলোকেই বেশি প্রভাবিত করেছে বলে জানা গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপনের কাজ চলছে।&lt;br /&gt;
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রবল ঝড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে ঘরের ছাদ উড়ে গেছে, গাছ উপড়ে পড়েছে এবং বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে।&lt;br /&gt;
রাজধানী ওয়েলিংটনে মঙ্গলবার এক ব্যক্তি গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়লে নিহত হন। এছাড়া ওয়েলিংটনের এক নারীকে তীব্র ঝোড়ো বাতাস রাস্তার ওপর ছুড়ে ফেলে দেয়, যার ফলে তিনি বিপরীত দিকের গাড়ির সামনে পড়ে যান। সৌভাগ্যবশত তিনি বেঁচে যান। ঘটনাটি একটি গাড়ির ড্যাশক্যাম ভিডিওতে ধরা পড়ে ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রবল বাতাসের কারণে ওয়েলিংটনে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে, শহরের কিছু রাস্তা ও লাইব্রেরিও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ক্যান্টারবুরি অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলার সহায়তায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, একই ধরনের প্রবল বাতাস অস্ট্রেলিয়াতেও বইছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলজুড়ে তাপপ্রবাহ তৈরি হয়েছে ও বনভূমিতে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে অগ্নি-নিষেধাজ্ঞা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো নি:শর্ত ক্ষমা চাইলেন জামায়াত আমির! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/471</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 12:32:18 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/471</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[জাতির কাছে আবারও নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (২২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ক্ষমা চান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জামায়াত আমির বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে আজকের দিন পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যারা কষ্ট পেয়েছেন তাদের কাছে বিনা শর্তে ক্ষমা চাচ্ছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, জাতির কিছু কিছু লোক বলত ধরে নিলাম আপনারা কোনো অপরাধ করেন নাই, তারপরও আপনাদের এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জাতি মেনে নেয় নাই। আপনারা তো একটা অ্যাপোলোজি দিলেই পারেন। এই অ্যাপোলোজি আমরা মিনিমাম তিনবার দিয়েছি। প্রফেসর গোলাম আযম সাহেব দিয়েছেন, মতিউর রহমান নিজামী সাহেব দিয়েছেন এবং আমি নিজে দিয়েছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতির কাছে আবারও নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন জামায়াত আমির&lt;br /&gt;
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিদল&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, এই কিছুদিন আগে এ টি এম আজহারুল ইসলাম যখন জেল থেকে বের হলেন তখন আমি বলেছি শুধু এখন তো না, ১৯৪৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জামায়াতের দ্বারা কারও যদি কোনো ক্ষতি হয়ে থাকে আমি সব ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষে নিঃশর্তে আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই। আপনারা আমাদের ক্ষমা করে দেবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জামায়াত আমির আরও বলেন, আমরা মানুষ। আমাদের সংগঠন মানুষের সংগঠন। আমাদের ১০০টি সিদ্ধান্তে মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত ভুল হতে পারে। সিদ্ধান্তে জাতির ক্ষতি হলে আমার মাফ চাইতে অসুবিধা কোথায়?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, এখন মাফ চাওয়ার পরে বলে এই ল্যাংগুয়েজে মাফ চাইলে হবে না, ওই ল্যাংগুয়েজে মাফ চাইতে হবে। এ আরেক যন্ত্রণায় পড়লাম। বিনা শর্তে মাফ চাইলাম এরপর আর বাকি কী থাকল, তাই তো বুঝলাম না। আজকে আবার বলে দিলাম, ১৯৪৭ থেকে শুরু করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যে যেখানে যত কষ্ট পেয়েছেন তার জন্য, বিনা শর্তে যারা কষ্ট পেয়েছেন তাদের কাছে মাফ চাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পিআরসহ বিভিন্ন ইস্যুতে গণভোট আয়োজনের দাবি জানান জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, রমজানের আগে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সংবিধানসম্মত অধিকার অনুযায়ী দেশের সংখ্যালঘুরা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় শেষ ‍দিনের যুক্তিতর্ক আজ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/470</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 12:15:10 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/470</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আজ সর্বশেষ দিনের যুক্তিতর্ক তুলে ধরবে প্রসিকিউশন। এরপর রায়ের জন্য দিন ধার্য করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল বুধবার (২২ অক্টোবর) এই মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। পরে যুক্তিখণ্ডন করে প্রসিকিউশন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই মামলার সর্বশেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাইব্যুনালে আজ বক্তব্য তুলে ধরবেন চিফ প্রসিকিউটর। এছাড়া, এটর্নি জেনারেলও বক্তব্য রাখবেন।&lt;br /&gt;
এর আগে, শেখ হাসিনার মামলায় জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার, আহত, চিকিৎসকসহ ৫৪ জন সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যে উঠে আসে&amp;ndash; জুলাই গণহত্যা, নৃশংসতা, আওয়ামী লীগের আমলে গুম-খুনসহ নির্যাতনের নানা বিষয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন জুলাই আগস্টের গণহত্যাকালীন পুলিশের আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি তুলে ধরেন গণহত্যার পেছনের ঘটনাও। উঠে আসে নির্দেশদাতা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকাদের নাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসিকিউশন বলছে, এখন পর্যন্ত যেসব সাক্ষ্য, প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে, তা দ্বারা পৃথিবীর যেকোনো আদালতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আইন-আদালত]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরবারহ বাড়ায়, চাল ও সবজির দাম কিছুটা স্থিতিশীল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/469</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 12:05:03 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/469</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চালের দামের তেজ কমতে শুরু করেছে। সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারের উত্তাপও নামছে। কয়েকটি তো ১০ থেকে ২০ টাকা কমে মিলছে। শুল্কহ্রাস ও সরকার আমদানি করায় সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে চালে এক থেকে দুই টাকা কমেছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও কাঁচাবাজার, মহাখালী ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন ধান ওঠার পরও টানা দুই মাস চালের বাজার চড়া ছিল। তবে আমদানি শুল্ক কমানো ও সরকারি উদ্যোগে আমদানির প্রভাবে গতকাল খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি সরু বা মিনিকেট ৭২ থেকে ৮০ এবং মাঝারি বা বিআর-২৮ ও পায়জাম জাতের চাল ৫৮ থেকে ৬৬ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। মোটা বা গুটি স্বর্ণা ও চায়না ইরির কেজি ৫২ থেকে ৫৫ টাকা। ভারতীয় মাঝারি মানের চাল ৫৬ থেকে ৫৮ ও মোটা জাতের কেজি ৫০ থেকে ৫২ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬৩.২৫ শতাংশ শুল্ক-কর থেকে বর্তমানে বেশির ভাগ চাল আমদানিতে মাত্র ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের অক্টোবরের আপডেট ও আউটলুক প্রতিবেদনে চালের দর নিয়ে বলা হয়েছে, সরকারের ত্বরিত পদক্ষেপের কারণে চালের দাম কমতে শুরু করেছে। গত আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। যদিও গত বছরের এ সময়ের তুলনায় মোটা ও সরু চালের দাম এখনও ১৫ শতাংশ বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নভেম্বরের মধ্যে আরও চার লাখ টন খাদ্য আমদানির পরিকল্পনা করেছে।&lt;br /&gt;
জরুরি ক্রয়ের অংশ হিসেবে সরকার আন্তর্জাতিক দরপত্রের মেয়াদ ২৭ থেকে কমিয়ে ১৫ দিন করেছে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারের কোষাগারে ১৫ থেকে ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুত ছিল। সরকারের নানা পদক্ষেপের কারণে সামনের দিনগুলোতে চালের দাম স্বাভাবিক থাকবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে আউটলুক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কারওয়ান বাজারের জনতা রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী সৌরভ হোসেন বলেন, ভারত থেকে আমদানির কারণে চালের সরবরাহ বেড়েছে। এর প্রভাবে দাম কিছুটা কমছে।&lt;br /&gt;
গত সপ্তাহে বেশির ভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০, এমনকি দুয়েকটি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়। তবে গতকাল বেশ কয়েকটি সবজি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমে বিক্রি হতে দেখা যায়। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ থেকে ১০০। গত সপ্তাহে ৭০ থেকে ৮০ টাকার ঢ্যাঁড়শ বিক্রি হয় ৬০ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রায় ২০ টাকা কমে পটোল ৬০ থেকে ৭০, উচ্ছে ৮০ থেকে ১০০, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ ও মুলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। ধুন্দলে ক্রেতার খরচ হচ্ছে ৬০ টাকা, গত সপ্তাহে যা ছিল ৭০ থেকে ৮০। কাঁচা পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫, বরবটি ১০০ থেকে ১১০ এবং লম্বা বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। ২০ টাকার মতো কমে টমেটো ও শসা যথাক্রমে ১০০ থেকে ১১০ ও ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো কাঁচামরিচের কেজি ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগারগাঁওয়ের সবজি ব্যবসায়ী সাইফুল মিয়া বলেন, কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে সবজির দর বাড়লে সব জায়গায় বাড়ে। এখন বৃষ্টিপাত নেই। বাজারে সবজি বেশি আসছে, দামও কমছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশি মসুর ডাল আগের দাম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় এবং আমদানি মসুর ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে মুরগি, ডিম ও মাছের দামে তেমন হেরফের দেখা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/বাজারদর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর  নিজেদের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার বিল পাস  করলো ইসরায়েল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/468</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 11:06:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/468</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীর আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করার একটি বিল ইসরায়েলের পার্লামেন্টে প্রথম ধাপে পাস হয়েছে। বিলটি পূর্ণাঙ্গভাবে পাস হলে ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডটি ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত হবে এবং সেখানে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিজেই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েলি পার্লামেন্ট &amp;lsquo;নেসেট&amp;rsquo; দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব আরোপের একটি বিতর্কিত বিলের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। এটি কার্যত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংযুক্তিরই সমান এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার ১২০ আসনের নেসেটে ২৫-২৪ ভোটে বিলটি প্রাথমিকভাবে পাস হয়। এটি আইন হিসেবে কার্যকর হতে আরও তিন ধাপের ভোটে অনুমোদন পেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও তার দল লিকুদ পার্টি বিলটির বিরোধিতা করলেও কয়েকজন জোটসঙ্গী এবং বিরোধী এমপি এতে সমর্থন দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নেসেটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, &amp;ldquo;ইসরায়েল রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব জুদিয়া ও সামারিয়া অঞ্চলে (পশ্চিম তীর) প্রয়োগ&amp;rdquo; করার উদ্দেশ্যে বিলটি আনা হয়েছে। এখন এটি আরও আলোচনার জন্য সংসদের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটিতে পাঠানো হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ভোট এমন এক সময় হলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক মাস আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর সংযুক্তির অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সময়ে গাজায় যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও এই সময়টাতেই ইসরায়েল সফর করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি এক বিবৃতিতে এই ভোটকে &amp;ldquo;বিরোধী দলের উসকানি&amp;rdquo; বলে অভিহিত করে বলেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, &amp;ldquo;আসল সার্বভৌমত্ব আইন দেখানোর ভান করে নয়, বরং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমেই অর্জন করা যায়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মূলত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা হলে তা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে কার্যত শেষ করে দেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে এই ভোটে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হামাস, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান। ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, &amp;ldquo;আমরা নেসেটের ফিলিস্তিনি ভূমি সংযুক্তির প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা, এই অঞ্চলগুলো একক ভৌগোলিক ইউনিট, যার ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, &amp;ldquo;এই বিলগুলো দখলদার ইসরায়েলের উপনিবেশবাদী চেহারা স্পষ্ট করে দিয়েছে। পশ্চিম তীর দখলের এই প্রচেষ্টা অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য&amp;rdquo;। কাতার একে &amp;ldquo;ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের প্রকাশ্য লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ&amp;rdquo; হিসেবে বর্ণনা করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, &amp;ldquo;ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সব ধরনের বসতি স্থাপন ও সম্প্রসারণমূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে রিয়াদ&amp;rdquo;। জর্ডান বলেছে, &amp;ldquo;এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন, দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথে বাধা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে দখলকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ৭ লাখের বেশি ইসরায়েলি অবৈধ বসতিতে বাস করছে। আন্তর্জাতিক আইনে এসব বসতি অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পিচের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেও সিরিজ জিততে মরিয়া বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/467</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 10:54:27 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/467</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঘরের মাঠে সিরিজ হার ঠেকানোর পরীক্ষা মেহেদি হাসান মিরাজদের দলের সামনে। &amp;lsquo;ডু অর ডাই&amp;rsquo; ম্যাচে চিন্তার কারণ অধিনায়ক নিজেই। মাঠে পারফরম্যান্স নেই, ড্রেসিং রুমেও নিয়ন্ত্রণ হারানোর গুঞ্জন মিরাজকে নিয়ে। তৃতীয় ম্যাচে পরিবর্তন আসতে পারে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে দুপুর দেড়টায় ম্যাচটি মাঠে গড়াবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের হয়ে সবচেয়ে বাজে ক্যাপ্টেন্সির রেকর্ডের পথে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে চলেছেন মিরাজ। খালেদ মাসুদ পাইলট পরবর্তী সময়ে অধিনায়ক হিসেবে জয়ের হারে মিরাজের নিচে নেই আর কেউই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাঠে অধিনায়কের একের পর এক শিশুতোষ ভুলে ভুগছে বাংলাদেশ। গুঞ্জন আছে, ড্রেসিং রুমেও নেতৃত্ব হারিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। নিজের পারফরম্যান্স, সব মিলিয়ে আরো কোনঠাসা টাইগার দলপতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উইন্ডিজ সিরিজ জয়ে দুঃসময় একটু হলেও কমবে মিরাজের। তবে কাজটা কঠিন। ভয়ংকরর স্পিনবান্ধব পিচেও জিততে পারছে না টিম টাইগার। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সুপার ওভারে হেরে ১৯ মাসের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হয়েছে আরো। পছন্দের ফরম্যাটে একটা সিরিজ জয়ের আক্ষেপ মেটাতে ঘুরে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই টাইগারদের। দুই ম্যাচের মাঝে একদিন বিশ্রামে কাটিয়েছে দল। টি-টোয়েন্টির ক্রিকেটাররা করেছেন ব্যক্তিগত অনুশীলন। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে একাদশে আসতে পারে পরিবর্তন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্যাটিং ইউনিটে শক্তি বাড়াতে তানজিদ তামিমকে ফেরানো হতে পারে একাদশে। মিডল অর্ডারে অপশন হিসেবে আছেন জাকের আর শামীম। যদিও ব্যাট হাতে ধারাবাহিক নন কেউ। ওপেনিংয়ে সাইফকে বসালে ষষ্ঠ বোলিং অপশনের ভাবনাটাও থাকবে অধিনায়কের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানো ক্যারিবীয়ানদের মূল শক্তি আকিল হোসেন। টপ অর্ডারে বদল আনতে একমাত্র বিকল্প আমির জাংগু। তবে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার সম্ভাবনা কম সফররতদের। বরং মিরপুরের ঐ মন্থর উইকেটে শেষ ম্যাচেও কৌশলটা একই রাখতে চাইবেন শেই হোপের দল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম দুই ম্যাচের মতো শেষ ম্যাচেও উইকেট হবে ধীরগতির। স্পিনাররা দাপট দেখাবে, তবে টাইগারদের চিন্তার কারণ মিরাজ আর তানভীর। টার্নিং উইকেটেও দুজনের অধারাবাহিকতা ভোগাচ্ছে দলকে। পরিচিত হোম অব ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জটা এ দুজনেরও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের মার্চের পরে কোন ওয়ানডে সিরিজ জেতেনি বাংলাদেশ। অপেক্ষা বাড়ছে, কঠিন হচ্ছে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার রাস্তাটাও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রার্থী নির্বাচনের মাঝপথে বিএনপি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/466</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 10:31:05 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/466</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। বিশেষ করে ধাপে ধাপে সংসদ সদস্য প্রার্থী বাছাই করছে দলটির হাইকমান্ড। কেননা, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়াকে সুদূরপ্রসারী ও বহু স্তরের কাঠামোর মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে দলটি। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নীতিনির্ধারকরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী প্রার্থী তালিকা তৈরিতে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। ত্রুটিমুক্ত ও শক্তিশালী প্রার্থী তালিকা প্রণয়নের জন্য চলমান এই প্রক্রিয়া ছয়টি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রতিটি ধাপের গুরুত্ব ও উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রার্থী বাছাইয়ের মাঝপথে রয়েছে বিএনপি। বর্তমানে দলটির প্রার্থী বাছাইয়ে তৃতীয় ধাপ পুরোদমে চলছে। এই ধাপে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রসহ (এনআইডি) বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত মঙ্গলবার ছবি ও আইডি কার্ড জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় থাকলেও নানা কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। দু-এক দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। এই তথ্যাবলি চূড়ান্ত বাছাইয়ের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা তাদের পরিচয় ও বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাইয়ে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির গুলশান কার্যালয়, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এরই মধ্যে প্রথম ধাপে নিজস্ব সূত্র দিয়ে জরিপ করিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দ্বিতীয় ধাপে দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের ডেকে কথা বলার জন্য। তারা এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী বাছাইয়ের চতুর্থ ধাপ তথা দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর। এরপর প্রার্থীদের জমা দেওয়া আবেদন যাচাই শেষে বিএনপির নির্বাচনী মনোনয়ন বোর্ডে নেওয়া হবে সাক্ষাৎকার। তারপর ষষ্ঠ বা শেষ ধাপে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করে তাদের প্রত্যয়নপত্র বা চিঠি দেওয়া হবে। এবারের নির্বাচনে বিশেষত তরুণ এবং তৃণমূলে জনসম্পৃক্ততা, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এবং জনগণের কাছে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা আলাপকালে কালবেলাকে জানান, নির্বাচনী তপশিলের আগেই বিএনপি দলীয় প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দিলে অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও সক্রিয় হবে এবং কিছু সংকট দেখা দেবে। তা ছাড়া যে আসনে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন সেখানে প্রার্থীকে এখনই নির্দিষ্ট করা হলে মনোনয়ন ফর্ম বিক্রি কমবে, যা দলের আয়ের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। তারা বলেন, বিএনপি হচ্ছে সত্যিকারের একটি জনপ্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল। জনগণ তথা জনসমর্থনই এই দলের মূল ভিত্তি। নির্বাচনের সময় দলীয় মনোনয়ন বিক্রির ঘোষণা দিলে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজ নিজ অনুসারীদের নিয়ে দলবেঁধে দলীয় মনোনয়ন ফর্ম কিনতে আসেন। একই আসনে তিন থেকে সাত-আটজনেরও বেশি ব্যক্তি মনোনয়ন ফর্ম কেনেন। এতে দলের একটি বিরাট অংকের আয় হয়। সুতরাং নির্বাচনী তপশিলের আগেই প্রার্থীকে &amp;lsquo;সবুজ সংকেত&amp;rsquo; দিলে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান গতকাল বুধবার কালবেলাকে বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আমরা চেষ্টা করছি অক্টোবরের মধ্যেই একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করার। তবে বিষয়টি সরাসরি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তদারকি করছেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সরাসরি কথা বলেছেন। এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যেখানে সবাইকে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। নির্বাচনী তপশিলের আগেই প্রার্থী চূড়ান্ত করলে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিতে কোনো প্রভাব কি না&amp;mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মঈন খান বলেন, আমরা তো কাউকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিচ্ছি না। সুতরাং সেজন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। অক্টোবর মাস তো এখনো শেষ হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া গতকাল বুধবার কালবেলাকে বলেন, তার বিভাগের ২২টি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রায় সবার কাছ থেকে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও একটি করে পাসপোর্ট সাইজের ছবি নেওয়া হয়েছে। সেগুলো দলীয় কার্যালয়ে জমা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কিছু আসন আছে, যেখানে সম্ভাব্য প্রার্থীর সংখ্যা অনেক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই এরই মধ্যে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই মধ্যে অনেক প্রার্থী (সম্ভাব্য দুইশ আসন) দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি ফোনকল পেয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। বিষয়টিকে মনোনয়নের &amp;lsquo;সবুজ সংকেত&amp;rsquo; হিসেবেই দেখছেন তারা। যারা ফোন পেয়েছেন, তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা এই প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত মনোনয়ন হিসেবে দেখছেন না। বরং প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়াকে &amp;lsquo;নির্বাচনপূর্ব প্রাক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া&amp;rsquo; হিসেবেই দেখা হচ্ছে। অতীতের মতো শুধু মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নয়, এবার একটি পদ্ধতিগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যোগ্যতম নেতাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে বিএনপি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দুই ধাপ শেষ করেছে বিএনপি। প্রথম ধাপে গত কয়েক মাসে নিজস্ব বিশ্বস্ত সূত্রে সারা দেশে নির্বাচনী আসনে জরিপ চালিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দ্বিতীয় ধাপে দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে গুলশান কার্যালয়ে ডেকে কথা বলার দায়িত্ব দেন, যা এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। মূলত অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসন এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। যেসব আসনে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছেন বা অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিদ্যমান সেসব আসনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতারা বিভাগীয় ও আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে কাজ করছেন। দলীয় সূত্র বলছে, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। এমন আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে চলার বিষয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন শওকত বুধবার কালবেলাকে বলেন, তার বিভাগের সংসদীয় আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে তাদের একটি করে পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা নেওয়া হচ্ছে। শিগগির তিনি সেগুলো কেন্দ্রে জমা দেবেন। এর মধ্য দিয়ে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া আরও একধাপ অগ্রসর হলো বলে তিনি মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা যায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এরই মধ্যে প্রাথমিক জরিপ ও তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন করেছেন। এ ধাপে একাধিক জরিপের মাধ্যমে প্রতিটি আসনে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর জনসমর্থন, এলাকার সমস্যা সমাধানে তাদের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা মূল্যায়ন করা হয়। একই সঙ্গে দলীয় কর্মকাণ্ডে ত্যাগ ও তিতিক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপে দলের সিনিয়র নেতারা অঞ্চলভিত্তিক কোন্দলপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সম্পর্কে স্থানীয় নেতাদের মতামত সংগ্রহ করা হয়, যা ছিল প্রথম ধাপের জরিপ তথ্যের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সমন্বয়। তৃতীয় ধাপে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র (আইডি কার্ড, ছবি ইত্যাদি) সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো&amp;mdash;একাধিক প্রার্থীর উপস্থিতিতে দলীয় ঐক্য নিশ্চিত করা। চতুর্থ ধাপে দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রি ও জমাদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। পঞ্চম ধাপে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা বাছাইকৃত সম্ভাব্য প্রার্থীদের ভার্চুয়াল বা সশরীরে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন। এ সাক্ষাৎকারে প্রার্থীর অতীত কর্মজীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দলের ৩১ দফা রূপরেখা সম্পর্কে তার ধারণা মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টনের বিষয়টিও বিবেচনাও নেওয়া হবে। যাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সুযোগ নিতে না পারে। এরপর ষষ্ঠ ধাপে ৩০০ আসনের জন্য দলের এবং জোটের মনোনীত একক ও চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, অক্টোবরের মধ্যেই ৭০ শতাংশ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে বিএনপির। এ বাছাই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো&amp;mdash;তরুণ নেতৃত্বের ওপর গুরুত্বারোপ। বিএনপি মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, তাতে তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো জরুরি। এ কারণেই দলের হাইকমান্ড শতাধিক আসনে নতুন মুখ আনার পরিকল্পনা করছে। প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে এলাকার জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক শক্তি এবং জনগণের সঙ্গে প্রার্থীর নিবিড় সম্পৃক্ততাকে প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু কালবেলাকে বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপি এবার অভিজ্ঞ ও নবীনের একটি ভারসাম্যমূলক সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রার্থী বাছাই করা হবে দলের ভেতরে গ্রহণযোগ্যতা ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিচারে, যা নতুন নেতৃত্বের জন্য সুযোগ তৈরি করবে বলে আমি মনে করি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, দলের নীতিনির্ধারকরা আশা করছেন, বহু-স্তরীয় এ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এমন একটি তালিকা তৈরি করতে যা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এবং দলীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভালো ফল করার জন্য এ সুচিন্তিত প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়াকে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবেও বলতে পারেন। তবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বিষয়ে বিস্তারিত জানেন সাংগঠনিক সম্পাদকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জেনেভা ক্যাম্পে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন তরুন ‍নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/465</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 10:15:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/465</guid>
		<description> প্রতীকী ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় &amp;lsquo;ককটেল&amp;rsquo; বিস্ফোরণে মো. জাহিদ (২০) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
জাহিদ জেনেভা ক্যাম্পের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পাঁচ বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। রাজধানীর কল্যাণপুরে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের একটি দোকানে কাজ করতেন তিনি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহত তরুণের ভগ্নিপতি রবিন হোসেন বলেন, ভোরে জেনেভা ক্যাম্পের ভেতরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি চলছিল। সে সময়ে জাহিদ বাসা থেকে বাইরে বের হন। একটু সামনের দিকে এগিয়ে যান। তখন একটি ককটেল এসে তার মাথায় পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাহিদকে প্রথমে স্থানীয় ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয়েছিল বলে জানান রবিন হোসেন। তিনি বলেন, পরে জাহিদকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। পরীক্ষা করে ভোর সাড়ে চারটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন সেখানকার চিকিৎসক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘১০টি প্রকল্প চুক্তি বাতিল’ বিষয়ে কিছুই জানেনা ভারত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/464</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 17:56:08 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/464</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১০টি প্রকল্প ও চুক্তি বাতিলের বিষয়ে কিছু জানে না ভারত। ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে ভারতের সঙ্গে ১০টি প্রকল্প ও চুক্তি &amp;lsquo;বাতিল&amp;rsquo; করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে তথ্যটি তুলে ধরেন তিনি। সেই ফটোকার্ডে লেখা ছিল, হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে করা ১০ চুক্তি বাতিল, বাকিগুলোও বিবেচনাধীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মিডিয়া অফিসার জাগো নিউজকে বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো যোগাযোগ আমাদের সঙ্গে করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে, আসিফ মাহমুদ তার পোস্ট করা ফটোকার্ডে চুক্তিগুলো এবং প্রকল্পগুলোর নাম, সই হওয়ার সাল এবং বাতিল/স্থগিত/পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত তুলে ধরেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রকল্প ও চুক্তির মধ্যে রয়েছে- ত্রিপুরা-চট্টগ্রাম রেল সংযোগ প্রকল্প, অভয়পুর-আখাউড়া রেলপথ সম্প্রসারণ, আশুগঞ্জ-আগরতলা করিডর, ফেনী নদী পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, বন্দরের ব্যবহার সংক্রান্ত সড়ক ও নৌপথ উন্নয়ন চুক্তি, ফারাক্কা বাঁধ সংক্রান্ত প্রকল্পে বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতা প্রস্তাব, সিলেট-শিলচর সংযোগ প্রকল্প, পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন সম্প্রসারণ চুক্তি, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিরসরাই ও মোংলা আইইজেড) এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানি জিআরএসইর সঙ্গে টাগ বোট চুক্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টন প্রকল্পও স্থগিতের তালিকায় রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি পুনর্বিবেচনার আওতায় এবং গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন/পুনর্বিবেচনার মধ্যে রয়েছে। এছাড়া পূর্বে খসড়া অবস্থায় থাকা তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আলোচনায় রয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে চুক্তি বাতিলের প্রেক্ষাপট এবং তথ্য সম্পর্কে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সোমবার (২০ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, আজ এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলবো না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দুই দেশের মধ্যে কতটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং সেগুলোর ধরন বা শর্তাবলী সম্পর্কে প্রকাশ্যভাবে তথ্য পাওয়া খুবই সীমিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার পরিবর্তনের পরেও সরকারি ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকেও এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সাধারণ জনগণের জন্য প্রকাশ করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অন্তত ২০টি চুক্তি এবং ৬৬টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সহযোগিতা প্রকল্পের পরিধি সম্প্রসারিত করা হয়েছিল। তবে এসব চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলী সাধারণত প্রকাশ্যে পাওয়া যায় না, এবং পরে কোনো সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে কি না, সেটাও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>একনেকে ১৯৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/463</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 17:26:41 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/463</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;এক হাজার ৯৮৮ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টা এবং একনেকের চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প তিনটি, সংশোধিত প্রকল্প সাতটি এবং ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে মেয়াদ বৃদ্ধির তিনটি প্রকল্প রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, একনেক সভায় মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, যেগুলো বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৩ কোটি ২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে আসবে ৫০ কোটি টাকা, আর বাকি অর্থ ব্যয় হবে সরকারি কোষাগার থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্প হলো-&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কৃষি মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;পিআরও-অ্যাক্ট বাংলাদেশ: রেজিলিয়েন্স স্ট্রেন্থেনিং থ্রু এগ্রি-ফুড সিস্টেমস ট্রান্সফর্মেশন ইন কক্সেস বাজার&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ (২য় পর্যায়) (প্রস্তাবিত ৩য় সংশোধন)&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (৩টি) :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;খুলনা বিভাগ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধন)&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;জামালপুর শহরের নগর স্থাপত্যের পুনঃসংস্কার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ০১ থেকে ০৫ নং জোনের অভ্যন্তরীণ রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ (৩য় সংশোধিত)&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;উত্তরা লেক উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবন নির্মাণ&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;কিশোরগঞ্জ (বিন্নাটি)-পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর টোক জেলা মহাসড়ককে যথাযথমানে উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত)&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিল্প মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;বিএসটিআই&amp;#39;র পদার্থ (ফিজিক্যাল) ও রসায়ন (কেমিক্যাল) পরীক্ষণ ল্যাবরেটরির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;ঘোড়াশাল ৩য় ইউনিট রি-পাওয়ারিং প্রকল্প (২য় সংশোধিত)।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: &amp;lsquo;মানসিক হাসপাতাল, পাবনা-কে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তর&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রেলপথ মন্ত্রণালয় (২টি) :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের লেভেল ক্রসিং গেইটসমূহের পুনর্বাসন ও মান উন্নয়ন (৪র্থ সংশোধিত)&amp;rsquo; প্রকল্প।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল লেভেল ক্রসিং গেইটসমূহের পুনর্বাসন ও মান উন্নয়ন (৫ম সংশোধিত)&amp;rsquo; প্রকল্প। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল; স্বরাষ্ট্র এবং কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.); এবং শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান; এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় ও যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীরপ্রতীক; পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একনেক সভার কার্যক্রমে অংশ নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা বিভাগ, কালবেলা, প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেষ দিকে রিশাদ ঝড়ে ২১৩ রান সংগ্রহ বাংলাদেশের! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/462</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 17:02:21 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/462</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে আগে ব্যাটিং করেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে অল্প পুঁজি নিয়েও সহজ জয় পায় টাইগাররা। ফলে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন মেহেদি মিরাজ। স্পিন সহায়ক উইকেটে রান তুলতে&amp;nbsp; অবশ্য বেশ বেগ পেতে হয়েছে ব্যাটারদের। সৌম্য সরকার-মেহেদি মিরাজরা উইকেটে থিতু হয়েও গিয়ার পরিবর্তন করতে পারেননি। তাতে দুইশ রানও অনেক দূরে মনে হচ্ছিল। তবে শেষদিকে রিশাদ হোসেন রীতিমতো ঝড় তোলেন। ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৪ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন তিনি। তাতে দুইশ ছুঁয়েছে বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিরপুরে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান করেছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেছেন সৌম্য সরকার।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জামায়াত ও আওয়ামীলীগ মাসতুতো ভাই: সামান্তা শারমিন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/461</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 16:50:33 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/461</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, জামায়াত গণমানুষের দল নয়। জামায়াত ও আওয়ামী লীগকে মাসতুতো ভাই হিসেবেই আমরা দেখে এসেছি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামান্তা শারমিন বলেন, জামায়াত যদি মনে করে যে তারা ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্রের জন্য ভালো হবে, তাহলে তারা ভুল ভাবছে। ইতিপূর্বে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ জামায়াতকে ব্যবহার করেছে, আর এবার জামায়াত আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করছে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। বাংলাদেশের এবং বাইরের অনেক শক্তি এটা দেখানোর চেষ্টা করবে, বাংলাদেশ ইসলামিস্টের হাতে চলে যাচ্ছে। এভাবে আওয়ামী লীগ তার প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, সিভিল সোসাইটিতে আওয়ামী লীগের পক্ষের অনেকে সোচ্চার, আওয়ামী লীগের পক্ষের ভোট কোথায় যাবে। জামায়াত চেষ্টা করে যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের ভোটারদের অ্যাট্রাক্ট করতে, আওয়ামী লীগের ভোটটা যাতে তাদের থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামান্তা শারমিন আরও বলেন, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে এনসিপির রাষ্ট্রকর্ম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ কারণে এনসিপি এই পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে কোনোভাবে কমপ্লাই করতে বাধ্য নয়। আমরা নিজেদের জোট গঠনের চেষ্টা করব অথবা আমরা নিজেদের সক্ষমতা এই নির্বাচনেই পরখ করে দেখতে চাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/রাজনীতি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীতে মিডিয়াকর্মীর চাঞ্চল্যকর আত্মহত্যা: অপমৃত্যু মামলা দায়ের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/460</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 15:28:51 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/460</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর সোবহানবাগের বাসা থেকে গত শনিবার সন্ধ্যায় নারী সংবাদকর্মীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবার অপমৃত্যু মামলা করেছে। পরিবার বলেছে, শিগগিরই আরেকটি মামলা করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওই নারী সংবাদকর্মী অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঢাকা স্ট্রিমে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকা স্ট্রিমের বাংলা কনটেন্ট এডিটর আলতাফ শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকারীদের মধ্যে তিনিও ছিলেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে জানা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হক বলেন, গত রোববার রাতে ওই নারী সংবাদকর্মীর ভাই এই অপমৃত্যু মামলা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নারী সংবাদকর্মীর আরেক ভাই সঞ্জয় অধিকারী প্রথম আলোকে বলেন, বোনের মৃত্যুর পর তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা আরেকটি মামলা করবেন। শিগগিরই এই মামলা করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিযোগ ওঠা আলতাফ শাহনেওয়াজকে শাস্তির পরিবর্তে চাকরিতে পুনর্বহাল করার কথা বলা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা স্ট্রিমের রোববার দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ১৩ জুলাই অভিযোগ জমা পড়ে। পরে আলতাফ শাহনেওয়াজকে বার্তাকক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হয় এবং অভিযোগ তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সহকর্মীদের সঙ্গে আলতাফ শাহনেওয়াজের কিছু ক্ষেত্রে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে তাঁকে বার্তাকক্ষ থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। নারীর মৃত্যুর সঙ্গে আলতাফ শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই নারী সংবাদকর্মীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রোববার বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। তাতে বলা হয়েছে, এমন সব ঘটনায় কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে &amp;lsquo;আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/অনুসন্ধান]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচনে ‘এ আই’-এর অপব্যবহার  রুখতে সেল গঠন করা হবে: ইসি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/459</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 15:01:20 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/459</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সেল গঠনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা নির্ধারণ করে কেন্দ্র থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সঠিক তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত সেল গঠন করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) &amp;lsquo;ইন্টিগ্রেশন অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইন আপকামিং ন্যাশনাল পার্লামেন্ট ইলেকশন টু কাউন্টার মিসইনফরমেশন অ্যান্ড ডিজইনফরমেশন&amp;rsquo; শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
এনটিএমসি, এমআইএসটি, বিটিআরসি, সিআইডি, আইসিটি বিভাগ, আইএফইএস, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বেসিস, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্য চার নির্বাচন কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
সিইসি বলেন, &amp;lsquo;এআই-এর অপব্যবহার এখন বৈশ্বিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এর অপব্যবহার রোধে সমন্বিত কার্যক্রম হাতে নিতে চাই। অনেক দিন ধরেই আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় একটি কেন্দ্রীয় সেল গঠনের পরিকল্পনা করেছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরো বলেন, &amp;lsquo;আজকের কর্মশালা থেকে আমরা একটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ আশা করছি। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে, প্রত্যন্ত বা দুর্গম এলাকা থেকে যদি এআই ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়ানো হয়, তাহলে তা দ্রুত কিভাবে রোধ করা যাবে এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর মাধ্যমে সঠিক তথ্য কিভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে-তা বিবেচনায় নিতে হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য রোধে ২৪ ঘণ্টা সচল ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, &amp;lsquo;এটা ২৪ ঘণ্টার কাজ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কত জনবল লাগবে, ফ্যাক্ট-চেকিং মেকানিজম কিভাবে কাজ করবে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় কিভাবে হবে এবং কোথা থেকে মিথ্যা তথ্যের উৎপত্তি হচ্ছে, সেখানে সঠিক তথ্য কিভাবে দ্রুত পৌঁছানো যাবে- এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট সুপারিশ প্রয়োজন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;ফ্যাক্ট-চেকিং মেকানিজমকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে। শুধু একটি গাইডলাইন নয়, আমরা চাই সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত সুপারিশ।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, &amp;lsquo;সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। এক জরিপে দেখা গেছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভয়াবহতার কারণে বিশ্বের ৯২ শতাংশ নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এআই-এর অপব্যবহার রোধে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/নির্বাচন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের  বাড়িভাড়া বাড়লো, রয়েছে কিছু শর্ত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/458</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 14:38:55 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/458</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আজকের এই মুহূর্তটা শিক্ষা বিভাগের জন্য সত্যিই ঐতিহাসিক। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে এ অর্থ দুই ধাপে পাবেন তারা। মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমপিওভুক্ত শিক্ষক&amp;ndash;কর্মচারীদের জন্য ১ নভেম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২০০০ টাকা) এবং আগামী বছরের জুলাই থেকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মোট ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শতাংশ হারে এ ভাতা নিশ্চিত করতে পেরে একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষা উপদেষ্টা নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, শিক্ষকরা আরও অধিক সম্মানের দাবিদার এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্রের সচেষ্ট থাকা দরকার। এ পথটা সহজ ছিল না। নানা মতভেদ, বিতর্ক ও অভিযোগ সবকিছুই ছিল। কোনো বিতর্কের উত্তর না দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ক্রমাগত একটা ন্যায্য ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে গেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;নেপথ্যে থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উপদেষ্টা পরিষদ আর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কাজ করে গেছেন যেন শিক্ষকদের দাবি শোনা ও বোঝা হয়। মন্ত্রণালয় মনে করে এটি কারো একার জয় নয়। এটি যৌথ সাফল্য।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষকদের আন্দোলন আমাদের বাস্তবতা বুঝিয়েছে, সরকার দায়িত্বশীলভাবে সাড়া দিয়েছে, আর সবাই মিলে আমরা আজ এমন এক অবস্থানে এসেছি যেখানে সম্মান, সংলাপ আর সমঝোতাই জিতেছে। এখন সময় ক্লাশে ফিরে যাওয়ার। আজকের এ সমঝোতা হোক নতুন সূচনা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও শিক্ষাকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা আর গুণগত মানসম্মত শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে বাংলাদেশকে আমরা একটি&amp;nbsp; মর্যাদাসম্পন্ন জায়গায় নিয়ে যেতে পারব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে অনশন করছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। চলমান এ কর্মসূচিতে এরইমধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসাইন আজিজীসহ ৬ শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আদনান হাবিবুর রহমান এ তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ শিক্ষা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ : শুরুতেই সাইফ-হৃদয়ের বিদায় </title>
		<link>https://shomoybhela.com/457</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 14:28:52 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/457</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[প্রথম ওয়ানডেতে টস ভাগ্যটা সঙ্গ দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। সে ম্যাচে দলটা নিয়েছিল ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সাত পাঁচ না ভেবেই নিয়েছেন ব্যাট করার সিদ্ধান্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম ম্যাচে স্পিনারদের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখেছে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসে বাংলাদেশি স্পিনাররা তো রীতিমতো উৎসব করেছেন, ১০ উইকেটের ৮টাই শিকার করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেই একই রেসিপি বাংলাদেশের। পেসার তাসকিন আহমেদকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তার জায়গায় দলে ঢুকেছেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। তবে শুরুতেই&amp;nbsp; সাইফ হাসান ৬ রানে সাঝঘরে ফেরেন। তওহীদ হৃদয়ও বেশীক্ষণ টিকতে পারেন নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৮ রান,১৫ ওভার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের একাদশ&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা:  চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পুলিশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/456</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 12:54:06 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/456</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পুলিশ। ছাত্রী বর্ষাই জোবায়েদকে হত্যা করতে বলেন মাহীর রহমানকে। এরপর বর্ষা ও মাহীর মিলে জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। হত্যার দিনে মাহীরের সঙ্গে তার আরও দুই বন্ধু ছিল। হত্যার জন্য তারা নতুন দুটি সুইচ গিয়ার কেনে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, এটা বর্ষা ও মাহীরের পরিকল্পিত হত্যা। বর্ষার সঙ্গে মাহীরের ৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝে আবার বর্ষা জোবায়েদের ওপর দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় বর্ষা মাহীরকে না করে দেয়। এবং সে জোবায়েদেকে পছন্দ করে বলে জানায়। কিন্তু কিছুদিন পরই তার বয়ফ্রেন্ড মাহীরকে জানায় যে, জোবায়েদকে আর ভালো লাগে না। তখন জোবায়েদকে হত্যার পরিকল্পনা করে বর্ষা ও মাহীর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে জোবায়েদকে হত্যার এই পরিকল্পনা স্বীকার করেনি বর্ষা। পরে মাহীর ও বর্ষাকে মুখোমুখি করলে সব সত্যতা জানা যায়। জোবায়েদকে কীভাবে সরিয়ে দেওয়া যায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিকল্পনা করে তারা। এখন পর্যন্ত বর্ষাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জোবায়েদ হোসাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন। গত এক বছর ধরে জোবায়েদ হোসাইন পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় ১৫, নূরবক্স লেনে রওশান ভিলা নামের বাসায় বর্ষা নামের এক ছাত্রীকে ফিজিক্স, ক্যামিস্ট্রি ও বায়োলজি পড়াতেন। ওই ছাত্রী বর্ষার বাবার নাম গিয়াসউদ্দিন। এদিন বিকেল ৪টার ৪৫ মিনিটের দিকে ছাত্রীর বাসার তিনতলায় তিনি খুন হন। বাসার নিচতলার সিঁড়ি থেকে তিনতলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্ত পড়েছিল। তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরবর্তী সময়ে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বংশাল থানার সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি তারা তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করে রাখে। রোববার রাত ১১টার দিকে ওই ছাত্রী বর্ষাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ ওই ছাত্রীকে হেফাজতে নেয়। এদিন রাত ১১টার সময় আরমানিটোলার নূরবক্স লেনের নিজ বাসা থেকে তাকে পুলিশ প্রটোকলে গাড়িতে তোলা হয়। এর আগে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে খুনের শিকার জোবায়েদ হোসাইনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয় পুলিশ।গতকাল সোমবার জোবায়েদকে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/ক্রাইম]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সালমান শাহের রহস্যজনক মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলা দায়ের: সামিরা সহ আসামী ১১ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/455</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 12:21:58 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/455</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ঢাকাই সিনেমার ক্ষণজন্মা জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের রহস্যজনক মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে স্বপ্নের নায়ক খ্যাত অভিনেতা সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার আদালতের নির্দেশে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয়ার পর ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই এই মামলা দায়ের করেন শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন ওরফে সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামলার এজাহারে আসামি সামিরা হক ছাড়াও রয়েছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডন প্রমুখ। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, অভিনেতা সালমান শাহ হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে এই হত্যা মামলা চলবে বলে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চূড়ান্ত শুনানিতে উল্লেখ করা হয়, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন অভিনেতার মরদেহে বুকের বাম পাশে কালো দাগ ছিল এবং মল ও বীর্যও বের হয়েছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুনানিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘরে সিরিঞ্জ এবং স্ত্রীর ব্যাগে ক্লোরোফরম ওষুধ পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, অভিনেতার স্বজনদের অভিযোগ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আত্মহত্যার কথা উল্লেখ থাকলেও সিবিআইয়ের তদন্তে দেওয়া তথ্যে রয়েছে বড়সড় গড়মিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে সালমান শাহর অপমৃত্যুর মামলাকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। সেই সঙ্গে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এরআগে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছরে মারা যান সালমান শাহ। অভিনেতার হঠাৎ মৃত্যুকে &amp;lsquo;আত্মহত্যা&amp;rsquo; বলে দাবি করেন তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। তবে সেটি মেনে না নিয়ে অভিনেতার পরিবার আদালতে অভিযোগ করে আত্মহত্যা নয়, সুপরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসঙ্গত, সালমান শাহর প্রকৃত নাম ছিল শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। তার বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরী। ক্যারিয়ারের শুরুতে ছোটপর্দায় &amp;lsquo;আকাশ ছোঁয়া&amp;rsquo;, &amp;lsquo;দোয়েল&amp;rsquo;, &amp;lsquo;সব পাখি ঘরে ফেরে&amp;rsquo;, &amp;lsquo;সৈকতে সারস&amp;rsquo;, &amp;lsquo;নয়ন&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;স্বপ্নের পৃথিবী&amp;rsquo; সহ একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন।&amp;nbsp;ক্ষণজন্মা এই অভিনেতা মাত্র সাড়ে তিন বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মন জয় করে নিমিষেই খসে পড়েন চলচ্চিত্রের আকাশ থেকে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১৯৯৩ সালে সালমান শাহ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র &amp;lsquo;কেয়ামত থেকে কেয়ামত&amp;rsquo; মুক্তি পায়। প্রয়াত নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত সিনেমাটি দেখে মন্ত্রমুগ্ধের মতো আবিষ্কার করল এক নবাগত নায়কের অসাধারণ অভিনয়শৈলী। এমনি করে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা প্রেক্ষাগৃহ মুখী হলেন, পরিচালকরা হলেন আস্বস্ত। এমনি করে সুদিন ফিরে আসে বাংলার চলচ্চিত্রে। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি অচেনা অজানা সালমানকে। বাংলা চলচ্চিত্রের ত্রাতা হয়ে একে একে উপহার দিলেন দুর্দান্ত ২৭টি সিনেমা। অভিনয়ের জাদু দেখালেন, সবার মন জয় করলেন আবার কাউকে কিছু না-বলে একবুক চাপা অভিমান নিয়ে চলেও গেলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সালমান শাহ অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় &amp;lsquo;কেয়ামত থেকে কেয়ামত&amp;rsquo;, &amp;lsquo;দেন মোহর&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;তোমাকে চাই&amp;rsquo;। ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায় &amp;lsquo;বিক্ষোভ&amp;rsquo;, &amp;lsquo;আনন্দ অশ্রু&amp;rsquo;, &amp;lsquo;চাওয়া থেকে পাওয়া&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;বিচার হবে&amp;rsquo;। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় &amp;lsquo;জীবন সংসার&amp;rsquo;, &amp;lsquo;মহামিলন&amp;rsquo;, &amp;lsquo;স্বপ্নের পৃথিবী&amp;rsquo;, &amp;lsquo;স্বপ্নের ঠিকানা&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;এই ঘর এই সংসার&amp;rsquo; প্রভৃতি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা বিনোদন&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৯ জন সিনিয়র সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো </title>
		<link>https://shomoybhela.com/454</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 10:11:53 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/454</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) থাকা ৯ জন সিনিয়র সচিব ও সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবসর পাওয়া এই কর্মকর্তারা সবাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে সিনিয়র সচিব ও সচিব ছিলেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসে তাদের ওএসডি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৯ জনের মধ্যে দুজন সিনিয়র সচিব আর সাতজন সচিব রয়েছেন। সিনিয়র সচিবদের মধ্যে রয়েছেন- মো. মনজুর হোসেন ও মো. মশিউর রহমান। আর ওএসডি সচিবদের মধ্যে মো. সামসুল আরেফিন, মো. মিজানুর রহমান, মো. আজিজুর রহমান, মো. নূরুল আলম, ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, ড. এ কে এম মতিউর রহমান ও শফিউল আজিমকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।&lt;br /&gt;
সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়। ওই ধারা অনুযায়ী কারও চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই সরকার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিতে হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ৯ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব অবসরকালীন সুবিধা পাবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বর্ষাকে ‘জোবায়েদ’ হত্যার টোপ হিসেবে ব্যাবহার করেছে মাহির </title>
		<link>https://shomoybhela.com/453</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 09:59:39 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/453</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শৈশব থেকেই বার্জিস শাবনাম বর্ষার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মাহীর রহমানের। তবে টানা ৯ বছরের এ সম্পর্কে আর থাকতে চাচ্ছিলেন না বর্ষা। যা নিয়ে এক বছর ধরে দুজনের মধ্যে চলছিল টানাপোড়েন। এরই মধ্যে গৃহশিক্ষক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা মো. জোবায়েদ হোসেনের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন বর্ষা। এ তথ্য জানার পর সন্দেহ থেকে হিংসাত্মক হয়ে ওঠেন মাহীর। &amp;lsquo;প্রেমের&amp;rsquo; পথের কাঁটা সরিয়ে দিতে গত সোমবার দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে বর্ষাদের আরমানিটোলার বাড়িতেই খুনের পরিকল্পনা সাজায় প্রত্যাখ্যাত প্রেমিক। আর হত্যার আগে জোবায়েদকে ডেকে আনতে মাধ্যম বা টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় প্রেমিকা বর্ষাকেই। জোবায়েদ হত্যায় জড়িত অভিযোগে আটক মাহীর, তার দুই বন্ধু ও পুলিশের হেফাজতে থাকা বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করে গতকাল সোমবার এসব তথ্য জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক কর্মকর্তা। তারা বলেছেন, প্রেমের টানাপোড়েন থেকেই জোবায়েদকে হত্যা করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে জোবায়েদ হত্যার ঘটনায় ওইদিনই রাতভর জবি শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে স্বজনদের চাপের মুখে মাহীরকে গতকাল সকালে সংশ্লিষ্ট বংশাল থানা পুলিশের হেফাজতে দিয়ে যান তার মা রেখা খাতুন। যদিও থানার ওসি রফিকুল ইসলাম গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত মাহীর ও তার দুই বন্ধুকে আটকের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেননি। তবে মাহীরের খালু ইমরান শেখ গতকাল বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে কালবেলাকে বলেন, &amp;lsquo;আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে মাহীরের মা তাকে নিয়ে বংশাল থানায় দিয়ে এসেছেন। এরপর থেকে মাহীর পুলিশের হেফাজতেই আছে।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মাহীরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন ও জোবায়েদের প্রতি দুর্বলতা: আটক মাহীর ও বর্ষাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাদের মুঠোফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, প্রেমঘটিত বিষয় থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, মাহীর ও বর্ষার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত এক বছরে সেই সম্পর্কে ভাটা পড়ে। এই এক বছর ধরে বর্ষাকে গৃহশিক্ষক হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান পড়াতেন জোবায়েদ। এরই মধ্যে জোবায়েদের প্রতি বর্ষার দুর্বলতা তৈরি হয়, যা জেনে যায় মাহীর। তারপর ক্ষোভ ও হিংসার বশবর্তী হয়ে প্রতিহিংসা থেকে জোবায়েদকে শায়েস্তার সিদ্ধান্ত নেয়। এজন্য বন্ধুদের সঙ্গে পরিকল্পনা করে এবং বর্ষার কাছ থেকে জোবায়েদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য নেয়। জোবায়েদ কখন পড়াতে আসে, কোন দিক দিয়ে আসে এসব জেনে বর্ষাদের বাড়িতেই অবস্থান নেয় মাহীর। ঘটনার দিনে মাহীর-বর্ষার একাধিকবার ফোনে কথা বলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কাছাকাছি সময়ে, বর্ষার ফোন থেকে জোবায়েদের সঙ্গেও কথা বলার আলামত পেয়েছে পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় তিনজন, ছুরি চালায় মাহীর : গত রোববার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে আরমানিটোলার পানির পাম্প গলির &amp;lsquo;রওশন ভিলা&amp;rsquo; নামের বাড়ির সিঁড়ি থেকে রক্তমাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয় জোবায়েদের। খুন হওয়ার কাছাকাছি সময়ে সিসিটিভি ফুটেজে দুজন তরুণকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে, তবে তাদের মুখ স্পষ্ট নয়। মাহীরকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ঘটনার সময় মাহীর ও তার দুই বন্ধু ছিল। এ তিনজন ও জোবায়েদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে মাহীর ধারালো অস্ত্র দিয়ে জোবায়েদকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। বাকি দুজন জোবায়েদকে ধরে রাখে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মাহীরের হাতেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে। এ ঘটনায় জড়িত আরও দুজন পলাতক। তাদের একজন নাফিস ও বাকি একজনের নাম জানা যায়নি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ছেলেকে থানায় দেন মা : জোবায়েদ খুনের খবরে উত্তাল হয়ে ওঠে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। তার রাজনৈতিক সংগঠন ছাত্রদল বিক্ষোভ করে ঘটনাস্থল ও ক্যাম্পাসে। এসব কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে খুনিদের ধরতে অভিযানে নামে বংশাল থানা পুলিশ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) লালবাগ বিভাগ। পুলিশ ও ডিবি যৌথ অভিযানের আগে সন্দেহভাজন খুনিদের পালিয়ে থাকার সম্ভাব্য জায়গাগুলো শনাক্ত করে। এরপর মাহীরের বাড়ি রাজধানীর কদমতলী ও মাহীরের খালার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের পানগাঁও এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে থাকা একাধিক পুলিশ সদস্য বলেন, রোববার রাত ৩টায় পানগাঁওয়ে মাহীরের বড় খালার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সে সময় মাহীরের খালা, খালু ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে খালা ও খালু মাহীরের মাকে মোবাইল ফোনে এসব বিষয়ে জানান এবং মাহীরকে আইনের হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। সে অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সকালে ছেলেকে থানা হেফাজতে দিয়ে যান মা রেখা খাতুন। যদিও মাহীরকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, &amp;lsquo;এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই।&amp;rsquo; তবে মাহীরের খালু ইমরা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সার্বিক বিষয়ে পুলিশের লালবাগ বিভাগের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন বলেন, &amp;lsquo;সঠিক তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে সবকিছু এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এরই মধ্যে বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। আশা করছি আগামীকাল (আজ) সকাল ১০টার মধ্যে আপনাদের সুসংবাদ দিতে পারব।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বলেন, &amp;lsquo;আমরা পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করতে চেয়েছি। আসামি করতে চেয়েছি শিক্ষার্থী বর্ষা, তার বাবা-মা, বর্ষার প্রেমিক মাহীর রহমান এবং মাহীরের বন্ধু নাফিসকে। কিন্তু বংশাল থানার ওসি মামলা নিতে রাজি হননি।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে বংশাল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, &amp;lsquo;তারা যাদের নাম দিতে চান, আমরা সে নামেই মামলা নেব। শুধু পরামর্শ দিয়েছি, যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে গতকাল দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দলীয় সহকর্মীদের অংশগ্রহণে জোবায়েদের প্রথম জানাজা হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন তার বাবা, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা। এর আগে থানা থেকে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে মরদেহ নিয়ে কুমিল্লার হোমনায় কৃষ্ণপুর গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন পরিবারের সদস্যরা। সেখানে মাগরিবের নামাজের পর তাকে দাফন করা হয়। জোবায়েদের হত্যাকাণ্ডে তার গ্রামের বাড়ি ও এলাকায় পড়েছে শোকের ছায়া। এ ছাড়া হত্যার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে হোমনা সদর উপজেলায় বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় ছাত্রদল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/ক্রাইম&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতলো মরোক্কো! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/452</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 13:19:12 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/452</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফুটবল বিশ্বকে আবারও চমকে দিয়ে ইতিহাস গড়ল মরক্কো। লাতিন আমেরিকার পরাশক্তি আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে আফ্রিকার দেশটি। সান্তিয়াগোর এস্তাদিও ন্যাসিওনাল স্টেডিয়ামে সোমবার ভোরে অনুষ্ঠিত মেগা ফাইনাালের নায়ক ইয়াসির জাবিরি। যার জোড়া গোলই আর্জেন্টাইনদের শিরোপা স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ম্যাচের শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে মরক্কো। মাত্র ১২ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন উইঙ্গার ইয়াসির জাবিরি। এরপর ২৯ মিনিটে আবারও তার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে &amp;lsquo;আটলাস কাবস&amp;rsquo;রা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। বল দখলে এগিয়ে থাকা এবং বেশ কয়েকটি আক্রমণ করা সত্ত্বেও মরক্কোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেননি। পুরো টুর্নামেন্টে এই প্রথম কোনো ম্যাচে পিছিয়ে পড়া আর্জেন্টিনা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই জয় কেবল মরক্কোর প্রথম যুবা বিশ্বকাপ শিরোপাই নয়, এটি তাদের &amp;lsquo;সোনালী প্রজন্মের&amp;rsquo; হাত ধরে লেখা এক নতুন ইতিহাস। ২০০৯ সালে ঘানার পর প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে তারা এই গৌরব অর্জন করল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৫ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের পর ২০২৫ সালে চিলিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় মরক্কো। প্রায় ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে ফিরেই শিরোপা জয়ের এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ল মরক্কো। টুর্নামেন্টের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে টানা ছয়টি ম্যাচ জিতে অপ্রতিরোধ্য হিসেবেই ফাইনালে এসেছিল আর্জেন্টিনা। দিয়েগো প্লাসেন্তের শিষ্যদের জন্য &amp;#39;সপ্তস্বর্গে&amp;#39; পৌঁছানোটা ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু ৭৬% বলের দখল আর ২০টি শট নিয়েও জালের দেখা পেল না আর্জেন্টাইনরা। এতে ফেবারিট হয়েও শূন্য হাতেই মাঠ ছাড়তে হলো আর্জেন্টাইনদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সব বাহিনীর প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠকে ইসি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/451</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 13:11:37 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/451</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে সশস্ত্র বাহিনীসহ সব বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২০ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে সাড়ে ১০টার দিকে বৈঠকটি শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে তিন বাহিনীর প্রধানের প্রতিনিধি, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রধানরা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। এতে উপস্থিত আছেন নির্বাচন কমিশনাররাসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সভায় নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এরই মধ্যে সংসদ নির্বাচনে এক ডজন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। এগুলো হলো&amp;mdash; ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর কাজে সমন্বয় সাধন ও সুসংহতকরণ, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার রোধ ও নিয়ন্ত্রণ, নির্বাচনে বিদেশি সাংবাদিক ও প্রাক পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা সহযোগিতা দেওয়া, কৃত্রিম প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল ও মিথ্যা তথ্যের প্রচারণা রোধে কৌশল নির্ধারণ, পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থাপনা, নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন পরিকল্পনা, অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ, অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতামত/পরামর্শের আলোকে শান্তিশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণ, পার্বত্য/দুর্গম এলাকায় নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য হেলিকপ্টার সহায়তা দেওয়া ও ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি গুছিয়ে নিচ্ছে ইসি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ক্ষেত্রে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ঘোষণা করা হতে পারে তফসিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/নির্বাচন&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হংকংয়ে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লো কার্গো বিমান: ২ জন নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/450</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 10:08:22 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/450</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি কার্গো প্লেন রানওয়ে থেকে ছিটকে সাগরে পড়ে গেছে।&amp;nbsp; এতে বিমানবন্দরের দুজন কর্মী নিহত হয়েছেন।&amp;nbsp; তবে দুর্ঘটনাকবলিত প্লেনটিতে থাকা চার ক্রু সদস্য জীবিত আছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়ে থেকে ছিটকে সাগরে পড়ে যাওয়া এমিরেটসের ফ্লাইট ইকেএ ৯৭৮৮ পরিচালনা করছিল তুরস্কের কার্গো এয়ারলাইন এয়ার এ সি টি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে প্লেনটি দুবাই থেকে হংকং পৌঁছায়। পরে উত্তর দিকের রানওয়েতে নামার সময় প্লেনটি একটি যানবাহনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হংকং সিভিল অ্যাভিয়েশন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় বিমানবন্দরের দুজন গ্রাউন্ড স্টাফ সাগরে পড়ে যান। উদ্ধার করার পর তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে দুজনই মারা যান বলে পুলিশের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যম আরটিএইচকে জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে প্লেনে থাকা চারজন ক্রু সদস্য জীবিত আছেন এবং তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট রানওয়েটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তবে বিমানবন্দরের অন্য দুইটি রানওয়ে চালু রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুর্ঘটনার বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানে হংকং সরকারের ফ্লাইং সার্ভিসের হেলিকপ্টার এবং ফায়ার সার্ভিস বিভাগের উদ্ধার জাহাজও অংশ নেয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, সোমবার হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল এমন অন্তত ১১টি কার্গো ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পুরান ঢাকায় জবি ছাত্রদল নেতা খুন: আটক ছাত্রী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/449</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 10:00:50 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/449</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নূর বক্স লেনের একটি বাসায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র ও শাখা ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসেনের হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী বর্ষা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১১:২০ মিনিটে বর্ষাকে তার নিজ বাসা নূর বক্স রোডের রৌশান ভিলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদেরও কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;আটক ওই ছাত্রীর নাম বর্ষা আক্তার। তাকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন জুবায়েদ।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;টিউশনি করতে যাওয়ার পথে হত্যার শিকার হওয়া জুবায়েদের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এ বিষয়ে লালবাগ জোনের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, &amp;#39;প্রাথমিকভাবে ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে এবং বাড়ির অন্য সদস্যদেরও হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ইতোমধ্যে আমরা দুইজনকে শনাক্ত করতে পেরেছি। তাদের আটকের জন্য আমাদের কয়েকটি টিম মাঠে কাজ করছে। আশা করি খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে তাদেরকেও আটক করতে সক্ষম হব। এখন এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।&amp;#39;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টিউশনির বাসার সিঁড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় জুবায়েদকে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;এর দেড় ঘণ্টা পর ক্যাম্পাসে ঘটনা জানাজানি হলে ওই বাসা ঘিরে রাখে পুলিশ। পরে দীর্ঘ সাড়ে ছয় ঘণ্টা ধরে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও পিবিআই তদন্ত করে প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করে&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেষ ২ ওয়ানডেতে শক্তি বাড়াতে দলে অন্তর্ভুক্ত হলেন নাসুম আহমেদ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/448</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 17:38:05 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/448</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[স্পিন দিয়ে প্রথম ওয়ানডেতে ক্যারিবীয়দের নাকানিচুবানি খাইয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে নামার আগে টাইগারদের স্পিন বিভাগ হলো আরও শক্তিশালী। প্রথম ওয়ানডের পর ওয়ানডে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে। ধারণা করা হচ্ছে, মিরপুরের স্পিন-সহায়ক উইকেটের কথা মাথায় রেখে এবং বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য বাড়াতেই নাসুমকে দলে নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩০ বছর বয়সী এই স্পিনার প্রায় এক বছর পর আবারও ওয়ানডে দলে ফিরলেন। তিনি সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। এখন পর্যন্ত ১৮টি ওয়ানডে খেলে ৪.৪৮ ইকোনমি রেটে ১৬টি উইকেট শিকার করেছেন নাসুম।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, তিন ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ বর্তমানে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ ২১ ও ২৩ অক্টোবর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ স্কোয়াড: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ ও নাসুম আহমেদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চাঁদা না পেয়ে রিসোর্ট বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ -বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/447</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 17:12:53 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/447</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চাঁদা দাবি করায়, না পেয়ে গাজীপুর মহানগরীর টেক কাথোরা এলাকার একটি রিসোর্ট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। গত বুধবার সকালে রিসোর্টের প্রধান ফটকে এক ট্রাক বালু ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। হুমকি দেওয়া হয়েছে ওই রিসোর্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রিসোর্ট বন্ধ করে দেওয়া এবং চাঁদার অভিযোগে রিসোর্টের কর্তৃপক্ষ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ করেছে। যাঁর বিরুদ্ধে রিসোর্ট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তিনি হলেন মো. রাসেল রানা। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক এবং টেক কাথোরা এলাকার বাসিন্দা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, টেক কাথোরা এলাকায় রিভেরি নামের একটি রিসোর্ট প্রায় ১০ বছর ধরে পরিচালনা করছেন এহছানুল কাদীর নামের এক ব্যবসায়ী। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর থেকে নানাভাবে রিসোর্টে অতিথিদের যাতায়াত, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন বিএনপি নেতা রাসেল রানা। কয়েক মাস ধরে তিনি প্রতি মাসে ৬৫ হাজার করে চাঁদা দাবি করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে রিসোর্টে কর্মরত দুই ব্যবস্থাপককে ফোন করে চাঁদা না দিলে রিসোর্ট বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন রাসেল এবং তাঁদের চাকরি ছেড়ে এলাকা থেকে চলে যেতে বলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিযোগে আরও বলা হয়, বিএনপির ওই নেতা একপর্যায়ে সময় বেঁধে দেন ৪ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে রিসোর্ট পরিচালনা বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় রাসেল ও তাঁর লোকজন রিসোর্টে আক্রমণ করে ভাঙচুর করবেন এবং রিসোর্টে কর্মরত ব্যবস্থাপক ও স্টাফদের শারীরিকভাবে মারধর করবেন। এ ছাড়া রাসেল হুমকি দেন, রিসোর্টের যোগাযোগের জন্য যে দুটি অফিশিয়াল মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়, তা বন্ধ করে দিতে হবে, যাতে কোনো অতিথি বা অন্য কেউ রিসোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে বিএনপি নেতা রাসেল রিসোর্টের মাহবুব নামের এক ব্যবস্থাপককে ফোন করেন। সেই ফোন রেকর্ডে রাসেলকে বলতে শোনা যায়, &amp;lsquo;তুই ম্যানেজার, বেডা তোরে আমি বললাম, সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমার পক্ষে না আসা পর্যন্ত চেয়ারম্যান রিসোর্টে প্রবেশ করতে পারবে না। আর মাহবুব, এখন থেকে গেস্ট ঢোকানো বন্ধ। একটা গেস্টও যাতে না ঢোকে। আমি সিকিউরিটি গার্ডকে বলে দিতাছি। আজকে মনে হয় গেস্ট ঢুকসে, তা&amp;ndash;ই না। এখন থেকে আর একটা গেস্টও ঢুকবে না।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ সময় ব্যবস্থাপক মাহবুব বলেন, &amp;lsquo;চেয়ারম্যান এলে আমি কথা বলি।&amp;rsquo; তখন রাসেল রানা ভয় দেখিয়ে বলেন, &amp;lsquo;চেয়ারম্যান এখানে আসতে পারবে না। আসলে আমি এলাকার সব লোক নিয়ে ভেতরে ঢুকমু। আবার ওয়াজ আছে, ওয়াজের সব লোক নিয়া ঢুকতাছি খারা।&amp;rsquo; এরপর মাহবুব রিসোর্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা খায়রুলকে ফোন ধরিয়ে দিলে তাঁকে বিএনপি নেতা রাসেল রানা বলেন, &amp;lsquo;তুমি কি আমারে চিনো? বাড়ি কই তোমার? শোনো, এই রিসোর্টে অবৈধ ব্যবসা হয়, খারাপ অপকর্ম হয়, বুঝছ। এখন থেকে একটা গেস্টও ঢুকবে না। রিসোর্টের চেয়ারম্যানকে ঢুকতে দিবা না। সে যদি ঢুকে, তাইলে আমি কিন্তু তোমারে বাইর কইরা দিমু। ১১টার পরে যদি একটা লোক ঢুকে তাইলে তোমার পিঠের চামড়া থাকব না। বইলা দিলাম। গেইটে এখনই তালা দেও।&amp;rsquo;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বিষয়ে রিসোর্টের চেয়ারম্যান এহছানুল কাদীর বলেন, রাসেল রানা তাঁর দলবল লেলিয়ে দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিসোর্টের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যান। এ ছাড়া প্রতি মাসে তাকে ৬৫ হাজার টাকা চাঁদা দেওয়ার দাবি করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বিএনপি নেতা রাসেল রানা বলেন, ওই রিসোর্টে অবৈধ কাজ হয়। তাই এলাকার লোকজন নিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গেটের সামনে কে বা কারা বালুর বস্তা ফেলেছেন, সেটি জানেন না বলে দাবি করেন রাসেল রানা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গাজীপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সিদ্দিক হোসেন বলেন, রিসোর্ট বন্ধ করে দেওয়া এবং চাঁদা দাবির একটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে রিসোর্ট চালু করতে বললেও তারা সাহস পাচ্ছে না। এ ছাড়া রাসেল রানাও চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় টহল ও নজরদারি জোরদার: পুলিশ মহাপরিদর্শক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/446</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 16:49:43 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/446</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডসহ সম্প্রতি রাজধানী ও চট্টগ্রামে ৩টি আগুনের ঘটনার পর এ প্রদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, &amp;lsquo;দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সারা বছরই নিরাপত্তা জোরদারে নির্দেশনা থাকে। কেপিআই এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিমানবন্দরে আগুন লাগার পর মৌখিক নির্দেশে কেপিআই (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন) এলাকাগুলোয় অতিরিক্ত টহল ও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। জেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে বর্তমানে বঙ্গভবন, গণভবন, জাতীয় সংসদ, সচিবালয়, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ৫৮৭টি স্থাপনা কেপিআই হিসেবে চিহ্নিত। এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২০১৩ সালের সংশোধিত নীতিমালায় নিয়মিত টহল, প্রতিবেদন পাঠানো, সিসিটিভি, ভেহিকেল সার্চ মিরর ও লাগেজ স্ক্যানার স্থাপনের নির্দেশ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: কালবেলা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে  যেতে পারবে পর্যটকরা ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/445</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 15:20:34 +0600</pubDate>
		<category>ভ্রমণ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/445</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &amp;lsquo;পহেলা নভেম্বর থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন। তবে সেখানে তারা রাত্রিযাপন করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে নয় মাসের জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ ছিল। এতে দ্বীপের পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলও। যাতায়াত বন্ধ থাকায় জেটিঘাট এখন সুনসান নীরব, কর্মহীন সময় কাটাচ্ছেন জাহাজের কর্মচারীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার জানিয়েছিল, সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দ্বীপটিকে স্থানীয় জনগণকেন্দ্রিক টেকসই পর্যটন অঞ্চলে রূপ দিতে কাজ চলছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচন সামনে রেখে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/444</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 14:53:23 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/444</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারের নিরাপত্তায় দলটিকে এই গাড়ি কেনার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, একটি বুলেটপ্রুফ বাস কেনার অনুমতি দেওয়া হয় চলতি মাসের শুরুর দিকে। আর গত জুন মাসে একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কোন দেশ থেকে কোন মডেলের এই বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। তবে জাপান থেকে গাড়ি কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনের সময় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান জনসংযোগ করতে সারা দেশে যাবেন। মানুষের সঙ্গে মিশবেন। একদিকে তাঁদের নিরাপত্তা, অন্যদিকে জনসম্পৃক্ততা। এই সময়ে তাঁদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জরুরি। সে কারণে বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কোন দেশ থেকে কোন মডেলের এই বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। তবে জাপান থেকে গাড়ি কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুলেটপ্রুফ গাড়ির পর আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্যও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে বিএনপি। মন্ত্রণালয় সূত্র সম্প্রতি প্রথম আলোকে জানায়, একটি শটগান ও দুটি পিস্তলের লাইসেন্সের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ ধরনের অনুমতি সাধারণত দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি দূতাবাস, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের। রাজনৈতিক দলের জন্য এ ধরনের অনুমতি খুব কমই দেওয়া হয়েছে অতীতে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) সূত্রে জানা যায়, সাধারণত জাপান, কানাডা ও জার্মানি বুলেটপ্রুফ গাড়ি তৈরি করে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য গত শতকের নব্বইয়ের দশকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনা হয়েছিল। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর তাঁর জন্য আরেকবার বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানি করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নির্বাচনের সময় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান জনসংযোগ করতে সারা দেশে যাবেন। মানুষের সঙ্গে মিশবেন। একদিকে তাঁদের নিরাপত্তা, অন্যদিকে জনসম্পৃক্ততা। এই সময়ে তাঁদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জরুরি। সে কারণে বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বারভিডার নেতারা বলছেন, বাংলাদেশে আগে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানি করা হয়েছে জাপান ও কানাডা থেকে। যেমন শেখ হাসিনার জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ি জাপান থেকে আনা হয়েছিল। পরে সে গাড়ি কানাডা থেকে পরিবর্তন (কনভার্সন) করা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বারভিডার সভাপতি আবদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণত বেসরকারিভাবে কেউ বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানি করতে পারেন না। সরকারিভাবে আনা হয় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কারও ব্যবহারের জন্য। জাপান, কানাডা ও জার্মানি থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনা হয়। বুলেটপ্রুফ গাড়ি কিনতে খরচ হয় ২ লাখ ডলার (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা হিসেবে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা)। ৮০০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আনতে গেলে খরচ পড়বে প্রায় ২২ কোটি টাকা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানা, বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত গত জুনে খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন দেন। পরে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি বুলেটপ্রুফ বাস কেনারও অনুমতি চাওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে খালেদা জিয়া ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের ব্যবহারের কথা বলা হয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুলেটপ্রুফ গাড়ি-বাস আমদানির অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় নির্বাচনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান সারা দেশে প্রচারে যাবেন। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) জানিয়েছে, এই দুজন নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সময় গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের মদদে কিংবা তাদের নিয়োগ করা দেশি-বিদেশি এজেন্টের মাধ্যমে আক্রান্ত হতে পারেন। এসব দিক বিবেচনায় বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুলেটপ্রুফ গাড়ির পর আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্যও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে বিএনপি। মন্ত্রণালয় সূত্র সম্প্রতি প্রথম আলোকে জানায়, একটি শটগান ও দুটি পিস্তলের লাইসেন্সের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে এমন আশঙ্কা আছে, অস্থিরতা সৃষ্টিসহ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চালাতে পারে আওয়ামী লীগ। এই সময়ে জিয়া পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রতিহিংসার শিকার হতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দ্রুতই দেশে ফিরবেন, নির্বাচনে অংশ নেবেন।বিএনপি নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন সময় বিশেষ করে তারেক রহমানের দেশে না ফেরার পেছনে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা বলেছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা হয়েছিল। সেদিন খালেদা জিয়ার গাড়িসহ বহরের আরও চারটি গাড়ি ভাঙচুর করেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। খালেদা জিয়ার সেই গাড়িটি বুলেট প্রুফ ছিল না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুলেটপ্রুফ গাড়ির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারে সম্পৃক্ত হবেন। দুজন নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন। নির্বাচনী জনসভায় তাঁদের গমনাগমনের পথে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল ও তাদের নিয়োগ করা এজেন্ট অথবা সন্ত্রাসীদের কারণে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জীবননাশের হুমকি আছে। দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল ও প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর শত্রুভাবাপন্ন মনোভাবের কারণে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা জনসভা, রোডমার্চ বা রাজনৈতিক শোডাউনের সময় আক্রমণের শিকার হতে পারেন। খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বহুমাত্রিক নিরাপত্তা হুমকি বা ঝুঁকি থাকায় তাঁদের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কিনতে সংস্থার (এসবি) অনাপত্তি প্রদান করা হলো।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নাশকতার সম্পৃক্ততা পেলে কঠোরভাবে দমন করা হবে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/443</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 12:28:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/443</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজসহ অন্যান্য অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উসকানির মাধ্যমে জনজীবন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হবে না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি সংঘটিত একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার তা গভীরভাবে অবগত। আমরা সকল নাগরিককে আশ্বস্ত করতে চাই, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবৃতিতে সরকার আরও বলেছে, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, যদি এসব অগ্নিকাণ্ড নাশকতা হিসেবে প্রমাণিত হয়, এবং এর উদ্দেশ্য হয় জনমনে আতঙ্ক বা বিভাজন সৃষ্টি করা, তবে তারা সফল হবে কেবল তখনই, যখন আমরা ভয়কে আমাদের বিবেচনা ও দৃঢ়তার ওপর প্রাধান্য দিতে দেব।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আজ বেলা আড়াইটায় আগুন লাগে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) অবস্থিত অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইলস লিমিটেডের একটি কারখানায় আগুন লাগে, যা প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে গত মঙ্গলবার মিরপুরের শিয়ালবাড়ির একটি টিনের ছাউনির দোতলা রাসায়নিক গুদামে আগুন লাগে। এতে মৃত্যু হয় অন্তত ১৬ জনের।এসবের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ অতীতেও বহু কঠিন সময় অতিক্রম করেছে। আমরা ঐক্য, সংযম ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমাদের গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যেকোনো হুমকির মোকাবিলা করব। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সময়ভেলা/জাতীয়&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যশোরে আওয়ামীলীগ এমপি’র জমি চাষ করছে ‘বিএনপি কর্মীরা’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/442</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 11:28:33 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/442</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) রণজিত কুমার রায় এবং তাঁর দুই ছেলের জমি দখল করে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। কিছু জমিতে চাষ করা হয়েছে সবজি। বিএনপির স্থানীয় কর্মীরা তাঁদের প্রায় ১৪ বিঘা জমি এভাবে দখলে নিয়ে চাষ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রণজিত কুমার রায় যশোর-৪ (অভয়নগর ও বাঘারপাড়া এবং সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনের এমপি ছিলেন। ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন তিনি। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন রণজিত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রণজিত কুমার রায় দেশ ছেড়ে চলে যান বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। আত্মগোপনে আছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঘারপাড়ার খাজুরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, বন্দবিলা ইউনিয়নের সেকেন্দারপুর এবং চাঁপাতলা মৌজায় রণজিত কুমার রায় এবং তাঁর দুই ছেলে রাজীব কুমার রায় ও সজীব কুমার রায়ের ৯টি খতিয়ানে ৬৫১ দশমিক ১৬ শতক জমি রয়েছে। বেশির ভাগ জমির শ্রেণি ধানি। বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের আয়াপুর মৌজায় একটি খতিয়ানে রণজিতের ৩৮ শতক ধানি শ্রেণির জমি আছে বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নেছারউদ্দিন আল আজাদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রণজিত কুমার রায়ের কাছ থেকে বর্গা নিয়ে এসব স্থানীয়রা চাষাবাদ করতেন। ৫ আগস্টের পর থেকে জমিগুলো পতিত ছিল। স্থানীয় বিএনপির এক নেতা এবং কয়েজন কর্মী বর্গাদারদের এসব জমিতে ফসল করতে নিষেধ করেন। আমন মৌসুম শুরু হলে স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা ধানের চারা রোপণ করেছেন। দুটি জমির কিছু অংশে সবজি চাষ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো, সমকাল&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শিক্ষকদের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: প্রজ্ঞাপন জারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/441</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 10:43:11 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/441</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[টানা ৮ দিন আন্দোলনরত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন দুই হাজার টাকা হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের উপসচিব মরিয়ম মিতুর সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশক্রমে জানানো যাচ্ছে যে সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা নিম্নোক্ত শর্তাদি পালন সাপেক্ষে মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) প্রদান করা হলো :&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শর্তগুলো হলো&amp;mdash;&lt;br /&gt;
ক. উক্ত বাড়িভাড়া ভাতা পরবর্তী জাতীয় বেতনস্কেল অনুসারে সমন্বয় করতে হবে;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খ. &amp;lsquo;বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১&amp;rsquo;, &amp;lsquo;বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, কৃষি ডিপ্লোমা ও মৎস ডিপ্লোমা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)&amp;rsquo; এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারিকৃত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন/আদেশ/পরিপত্র/নীতিমালা অনুসরণপূর্বক নিয়োগের শর্তাদি পালন করতে হবে;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ. বর্ণিত ভাতাদি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক/কর্মচারীগণ কোন বকেয়া প্রাপ্য হবেন না;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘ. ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সব আর্থিক বিধি-বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঙ. এ ভাতা সংক্রান্ত ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোন অনিয়ম দেখা দিলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত অনিয়মের জন্য দায়ী থাকবেন;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চ. প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক জি.ও জারি করে জি.ও-এর ৪ (চার) কপি অর্থ বিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কনের জন্য প্রেরণ করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্তারিত আসছে..&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/শিক্ষা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্রগ্রাম বন্দরে ১২০০ টন কাঁচামাল নিয়ে জাহাজ ডুবি! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/440</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 10:03:18 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/440</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় ১২০০ টন সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল (বল ক্লে) বহনকারী একটি লাইটারেজ জাহাজ ডুবে গেছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাহাজটি বঙ্গোপসাগরের পতেঙ্গা উপকূলে প্রায় পুরোপুরি ডুবে যায়। তবে এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, জাহাজে থাকা ১৩ জন নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, &amp;lsquo;এমভি জায়ান&amp;rsquo; নামের জাহাজটিতে শুক্রবার রাতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর শনিবার সকালে উপকূলে নিয়ে আসার সময় পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি এলাকায় এটি ডুবে যায়। জাহাজটির তলায় ফাটল ধরায় হ্যাচে পানি ঢুকে পড়ে এবং সেটি ধীরে ধীরে ডুবে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, ডুবে যাওয়া জাহাজটি সি-ওয়ার্ল্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড মালিকানাধীন। তিনি বলেন, ১২০০ টন কাঁচামালসহ জাহাজটি ডুবে গেছে। তবে এটি বন্দর চ্যানেলের বাইরে থাকায় বর্তমানে বন্দর কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটছে না। জাহাজ মালিকপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চলমান যুদ্ধ বিরতির মধ্যেও ইসরাইলের হামলায় ৭ শিশু সহ  ১১ জন নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/439</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 09:55:25 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/439</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ১১ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতটি শিশু ও তিনজন নারী। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র আট দিন পরই ইসরাইল চুক্তি লঙ্ঘনের এ ঘটনা ঘটালো।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (১৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজা সিটির জায়তুন এলাকায় আবু শাহবান পরিবারের বেসামরিক একটি গাড়িতে ইসরাইলি বাহিনীর ট্যাংকের গোলা আঘাত হানে। গাড়িটিতে করে তারা তাদের নিজ বাড়ির অবস্থা দেখতে যাচ্ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, নিহতদের মধ্যে সাতটি শিশু ও তিনজন নারী।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;তাদের সতর্ক করা যেত বা অন্যভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু যা ঘটেছে, তা প্রমাণ করে দখলদার বাহিনী এখনো রক্তপিপাসু এবং নিরীহ বেসামরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংস্থাটি এক পৃথক বিবৃতিতে জানায়, জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) সহায়তায় তারা এখন পর্যন্ত নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছে। তবে দুটি শিশুর মরদেহ এখনো নিখোঁজ, কারণ প্রচণ্ড বিস্ফোরণে তাদের দেহাবশেষ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
হামাস এই ঘটনাকে &amp;lsquo;গণহত্যা&amp;rsquo; বলে নিন্দা জানিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সংগঠনটির দাবি, কোনো কারণ ছাড়াই ওই পরিবারের ওপর হামলা করা হয়েছে। এতইসঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন ইসরাইলকে&amp;nbsp; যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে চাপ দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে চলমান বন্দি বিনিময় চুক্তির মধ্যেই শনিবার পর্যন্ত ইসরাইল অন্তত ৩৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে গাজার মিডিয়া অফিস। খাদ্য ও চিকিৎসাসহ জরুরি সহায়তা প্রবাহও কঠোরভাবে সীমিত রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আল-জাজিরা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড: দূর্ঘটনা নাকি নাশকতা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/438</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 09:36:54 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/438</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে তিনটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। এরমধ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ এবং চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (সিইপিজেড) মতো দুটি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়ও (কেপিআই) লেগেছে সর্বনাশা আগুন। হঠাৎ কেন একের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা? বিশেষ করে কেপিআইর মতো স্থাপনায় কীভাবে এমন আগুন লাগল তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। এসব অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি নাশকতা- এমন প্রশ্নও এখন সামনে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বলেছেন, সম্প্রতি দেশে কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে আগুন লাগার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত বলে মনে করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিনির্বাপণের জন্য তাদের বিশেষায়িত একটি ইউনিট রয়েছে। তাদের রয়েছে দুটি অত্যাধুনিক ক্র্যাশ টেন্ডার। তবে মাঝেমধ্যেই বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মোকাবিলায় ২০১৮ সালে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে ২০০ জনবলের একটি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানো হয়। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ শুরুর দিকে তাদের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে জায়গাও ঠিক করে দিয়েছিল। তিন দফায় তা রেকি করাও সম্পন্ন করে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। তবে হঠাৎ রহস্যজনক কারণে তা বাতিল করে দেয় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেপিআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ এবং সিইপিজেডের আগুন অবশ্যই ভয়ংকর নাশকতার ঘটনা। তাতে অবশ্যই পার্শ্ববর্তী একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার হাত রয়েছে। তারা তৃতীয় কোনো পক্ষ দিয়ে এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। &amp;lsquo;কেপিআই&amp;rsquo; স্থাপনায় কেন এ ধরনের ঘটনা ঘটল? তাহলে তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। তাদের দুটি অত্যাধুনিক ক্র্যাশ টেন্ডার রয়েছে। তারপরও কেন এমন ঘটনা ঘটল?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) আমেরিকান কোম্পানি অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিকেল কোম্পানিতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। ১৭ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয় ফায়ার সার্ভিস। সিইপিজেডের ১ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর সড়কে অবস্থিত ভবনটিতে অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জিহং মেডিকেল কোম্পানি নামের দুটি প্রতিষ্ঠান আছে। ভবনটির আট তলা খালি। সাত তলায় অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড এবং জিহং মেডিকেল কোম্পানির গুদাম। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলছে ফায়ার সার্ভিস। অ্যাডামস ক্যাপে টাওয়েল ও ক্যাপ এবং জিহং মেডিকেল সার্জিক্যাল গাউনসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর মাত্র দুই দিন আগে মিরপুরে শিয়ালবাড়িতে আনোয়ার ফ্যাশন নামের একটি পোশাক কারখানা এবং শাহজালাল কেমিক্যাল গোডাউনের ভয়াবহ আগুনটি ২৮ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে নেয় ফায়ার সার্ভিস। তবে এর মধ্যে পুড়ে অঙ্গার হয়েছে ১৬টি তাজা প্রাণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরবর্তীতে তদন্তে উঠে এসেছে পোশাক কারখানার ওই ভবনের অনুমোদন ছিল না। ছিল না ফায়ার সেফটি সনদ। ফায়ার এক্সপার্টরা বলছেন, তাহলে কীভাবে একটি অবৈধ ভবনে পোশাক কারখানা চলছিল? কর্তৃপক্ষের চোখ তখন কোথায় ছিল?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিসের সাবেক পরিচালক (অপারেশন্স) মেজর (অব.) শাকিল নেওয়াজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ২০১৮ সালে বিমানবন্দরে ফায়ার স্টেশনের প্রস্তাব বিমান বাহিনীর বিরোধিতার কারণে বাদ দেয় সিভিল এভিয়েশন। অথচ আমাদের ২০০ জনবলের প্রস্তাব শুরুতেই অনুমোদন দিয়েছিল সিভিল এভিয়েশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এয়ারপোর্টে অগ্নি নিরাপত্তা কি যথাযথ আছে? তাহলে আগুনের বিষয়টি আঁচ করার পরও তা নেভানো সম্ভব হলো না? অগ্নি নিরাপত্তা টিম কি আছে? যদি থাকে কাজ করতে পারেনি কেন? এত তাড়াতাড়ি আগুন ছড়িয়ে পড়ল কেন? কী দ্রব্য ছিল? এগুলো কাদের? হাসিনা-পরবর্তী সময়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোনো ঝামেলা আছে কি? এসব বিষয়ের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি। কারণ বিমানবন্দর একটি &amp;lsquo;কেপিআই&amp;rsquo;। এর সঙ্গে দেশের মানসম্মান জড়িত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শাকিল নেওয়াজ বলেন, ছুটির আগের দিন গত বৃহস্পতিবার আগুন লেগেছে চট্টগ্রামের ইপিজেডের আমেরিকান কারখানায়। এবার বিমানবন্দরে আগুন লাগল আরেক ছুটির দিন শনিবার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, গত ২৭ ডিসেম্বর সচিবালয়ের সাত নম্বর ভবনে আগুন লাগার কারণ নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। ওই ভবনে ছিল অর্থ মন্ত্রণালয়, এলজিইডি মন্ত্রণালয়, রেল এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগ। সর্বনাশা আগুনে ছাই হয়ে গেছে রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি। এ ঘটনায় একাধিক তদন্ত কমিটি হলেও তা নাশকতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করতে পারেনি। তারা দাবি করেছিলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক এলাকায় সাহারা সুপার মার্কেটের পাশে ফেমাস কেমিক্যালস লিমিটেড নামে একটি টিনশেড সেমিপাকা গোডাউনে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। আগুন নির্বাপণের কাজ করার সময় তিনজন ফায়ার ফাইটার ও একজন পথচারীর নির্মম মৃত্যু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ভবিষ্যতের প্রস্তুতির জন্য ফায়ারের সাবেক ডিজি আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, দ্রুততর সময়ের মধ্যে সব সরকারি এবং বেসরকারি ভবনের ফায়ার ড্রিল সম্পন্ন করা দরকার। একই সঙ্গে ওই ভবনগুলোতে ফায়ার সেফটি সনদ আছে কি না তাও পরখ করে দেখা দরকার। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে ভবন নির্মাণে জড়িত সংস্থাগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য তার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মন্থর গতিতে ২০০ পার: ২ বল থাকতেই ‘কালো পিচে’ অলআউট বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/437</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 17:42:51 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/437</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;উইকেটে সময় কাটাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নাজমুল শান্ত, তাওহীদ হৃদয় কিংবা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের। ব্যাটে বল নিতেও কষ্ট হয়নি। কিন্তু প্রত্যাশা মিটিয়ে রান করতে পারেননি তারা। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের রহস্যে মোড়া কালো মাটির উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেনেটুনে ২০৭ রান করে দুই বল থাকতে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ক্যারিবীও অধিনায়ক শেই হোপ। ব্যাটারদের উইকেটের রহস্যের ফাঁদে ফেলতে চাননি তিনি। সন্ধ্যার পরে পড়া শিশিরের কথাও বিবেচনায় রেখেছিলেন। ব্যাটিংয়ে নেমেই ২.১ ওভারে ৮ রানে দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div style=&quot;margin-left:-12px; margin-right:-12px&quot;&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div style=&quot;margin-left:-12px; margin-right:-12px&quot;&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;চাপে পড়া দলকে উদ্ধার করলেও শান্ত ও হৃদয় ধীর গতির ব্যাটিং করেন। তিনে নামা শান্ত ৬৩ বলে দুই চারের শটে ৩২ রান করে আউট হন। হৃদয়ের সঙ্গে তার ৭১ রানের জুটি হয় তার। দলকে ভরসা দেওয়া হৃদয় ৯০ বলে ৫১ রান করেন। দলের রান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার আগেই সাজঘরে ফেরেন। তার ব্যাট থেকে তিনটি চারের শট আসে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অভিষিক্ত অঙ্কন ৭৬ বলে তিনটি চারের শটে ৪৬ রান করেন। তিনিও শুরুতে সময় নিয়ে খেলেছেন। বল খেলতে, উইকেটে সেট হতে অসুবিধা হয়নি তারও। কিন্তু রান করতে পারছিলেন না। স্লগে নিজের ফিফটির সঙ্গে দলের রান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ডানহাতি এই ব্যাটার।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;এরপর নুরুল হাসান সোহান (১০ বলে ৯) ক্রিজে এসেই আউট হলে দুইশ&amp;rsquo; রানের আগে আটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। রিশাদ হোসেন ও তানভীর ইসলাম ছোট্ট দুটি ইনিংস খেলে ওই শঙ্কা দূরে করেন। ইনিংসের প্রথম দুটি ছক্কা মারেন লেগ স্পিনার রিশাদ। তিনি ১৩ বলে তিন বাউন্ডারিতে ২৬ রান করেন। তানভীর এক ছক্কায় ৯ রান করেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশ ২৯৮ বলের ইনিংসে ১২ চারের সঙ্গে মাত্র তিনটি ছক্কা মারতে পেরেছে। ১৮৩টি ডট বল দিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জাইডেন সিলস ৭ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন। পার্ট টাইম স্পিনার জাস্টিন গ্রেভস ৫ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। স্পিনার রোস্টন চেক ১০ ওভারে ৩০ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। ৬০ বলে ৩৭টিই ডট দিয়েছেন তিনি। বাঁ-হাতি স্পিনার খেরি পেরি ১ উইকেট নিলেও ৬০ বলে ৪৬টিই ডট করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা স্পোর্টস&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মৃত্যুর মুখোমুখি হতে পারেন শেখ হাসিনা: দ্যা টেলিগ্রাফ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/436</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 17:29:34 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/436</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম &amp;lsquo;দ্য টেলিগ্রাফ&amp;rsquo; এক প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাকে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের খালা পরিচয় দিয়ে বলেছে, ৭৮ বছর বয়সি শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে &amp;lsquo;প্রাণঘাতী অস্ত্র&amp;rsquo; ব্যবহার করার নির্দেশ দেন। যার ফলে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসিকিউশন দাবি করেছে, শেখ হাসিনার আদেশেই দমন অভিযানের সময় নিহতদের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয় এবং আহতদের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়। শেখ হাসিনা অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, তার ১৫ বছরের শাসন অবসানের সময় যে গণঅভ্যুত্থান হয়, তাতে আনুমানিক ১,৪০০ জন প্রাণ হারায়।&lt;br /&gt;
এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ২০২৪ সালের জুলাই মাসে&amp;mdash;মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের সন্তানদের জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ থেকে। অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনে রূপ নেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে দেশত্যাগ করেন, কিছুক্ষণ পরেই ঢাকায় বিক্ষোভকারীরা তার সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে। একই দিনে ঢাকার একটি ব্যস্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৫২ জন নিহত হয়&amp;mdash; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম রক্তক্ষয়ী ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।&lt;br /&gt;
তার শাসনামলে ব্যাপক ভোট কারচুপি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেফতার, নির্যাতন ও গুমের অভিযোগ উঠেছিল&amp;mdash; যার মধ্যে শিশুদের গুমের ঘটনাও ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসিকিউটর ময়নুল করিম জানান, তার দল ফোন রেকর্ড, অডিও-ভিডিও প্রমাণ এবং সাক্ষ্য সংগ্রহ করেছে, যা শেখ হাসিনাকে সরাসরি ওই হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে যুক্ত করে।&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আমরা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারব যে, তিনি মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য। তার সরাসরি নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
আদালত ইতোমধ্যেই শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে; ধারণা করা হচ্ছে তারা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে জুলাই মাসে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি দোষ স্বীকার করেছেন।&lt;br /&gt;
তিনি স্বীকারোক্তিতে বলেন, শেখ হাসিনার নির্দেশেই তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর হেলিকপ্টার ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিলেন এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন।&lt;br /&gt;
প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম আদালতে বলেন, শেখ হাসিনা ১,৪০০ বার মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য। যেহেতু তা মানবিকভাবে সম্ভব নয়, তাই আমরা অন্তত একটি মৃত্যুদণ্ড দাবি করছি।&lt;br /&gt;
তার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা, নিজের ও পরিবারের জন্য। তিনি এক কঠোর অপরাধীতে পরিণত হয়েছেন এবং তার বর্বরতার জন্য কোনও অনুশোচনাও প্রকাশ করেননি, যোগ করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে রবিবার থেকে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন শুরু করবেন, যা আগামী সপ্তাহে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চূড়ান্ত রায় নভেম্বরের মধ্যভাগে ঘোষণা করা হতে পারে।&lt;br /&gt;
অভিযোগ প্রমাণিত হলে শেখ হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে, যার অর্থ ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বণ্টন করা হবে।&lt;br /&gt;
তার রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর দাবি, বিক্ষোভকারীদের সহিংস হামলার জবাবে বাধ্য হয়েই পুলিশ গুলি চালায়।&lt;br /&gt;
শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই আদালত অবমাননার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাও চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক&amp;mdash; যিনি এ বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্য সরকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন&amp;mdash;তিনিও বাংলাদেশে অনুপস্থিত অবস্থায় বিচারাধীন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তার খালার প্রভাব ব্যবহার করে নিজের পরিবারের জন্য জমির প্লট বরাদ্দে প্রভাব খাটিয়েছেন। যদিও তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে বাংলাদেশে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, যেখানে শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী দল বিএনপি এখন ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: দ্যা টেলিগ্রাফ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে কী কী খেতে হবে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/435</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 17:01:57 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/435</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর বেশির ভাগ মানুষ, বিশেষত নারীরা অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো লক্ষণ থাকে না। সাধারণত নরম হয়ে যাওয়া ভঙ্গুর হাড় হঠাৎ ভেঙে গেলে যে লক্ষণ প্রকাশ পায়, তখন বেশ দেরি হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অস্টিওপোরোসিসজনিত হাড়ভাঙা প্রবীণদের শয্যাশায়ী হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত পুরুষের তুলনায় নারীরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হন। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের ক্ষেত্রে এই রোগের ঝুঁকি বেশি। তবে পুরুষেরাও যে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন না, এমন নয়।&lt;br /&gt;
হাড়ের মূল উপাদান ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি। এর কোনো একটি উপাদানের অভাব দেখা দিলেই হাড় নরম হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই এসব উপাদানের জোগান অল্প বয়স থেকেই পর্যাপ্ত হতে হবে। কারণ, হাড় কতটা মজবুত হবে, তা অল্প বয়সেই নির্ধারিত হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেমন খাদ্যাভ্যাস প্রয়োজন&lt;br /&gt;
অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে যথেষ্ট আমিষ খেতে হবে, যা পেশি ও হাড়কে মজবুত করে। নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন&amp;ndash;ডি যুক্ত খাবার খেতে হবে। অভ্যাস করতে হবে প্রতিদিন কিছু ব্যায়ামের। ধূমপান করা যাবে না। যেসব খাবার হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, সেগুলো নিয়মিত খেতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্যালসিয়াম&lt;br /&gt;
হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম উপাদান ক্যালসিয়াম। শিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি, বাদাম, মটরশুঁটি, ডাল ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। দুধ বা দুধের তৈরি খাবার খেতে হবে রোজ। কাঁটাযুক্ত ছোট মাছেও ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিটামিন&amp;ndash;সি&lt;br /&gt;
ভিটামিন&amp;ndash;সি কোলাজেন নামে হাড়ের সংযোগস্থলের পিচ্ছিল পদার্থ তৈরিতে সহায়তা করে। এতে হাড়ের ঘর্ষণ কম হয়, যা হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন কিছু দেশীয় টকজাতীয় ফল যেমন পেয়ারা, আমলকী, আমড়া, জাম্বুরা ইত্যদি খেতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিংক&lt;br /&gt;
জিংকের অন্যতম উৎস সামুদ্রিক মাছ, লাল মাংস, চিংড়ি, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, বাদাম, শিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি, মটরশুঁটি, চিয়া সিড, সূর্যমুখীর বীজ, মাশরুম ইত্যাদি। শাকসবজিতে থাকা জিংক সহজে হজম হয় না। চেষ্টা করতে হবে প্রাণিজ উৎস থেকে জিংক নিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওমেগা&amp;ndash;৩ ফ্যাটি অ্যাসিড&lt;br /&gt;
সামুদ্রিক ও তৈলাক্ত মাছের অন্যতম উপাদান হচ্ছে ভিটামিন ডি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হাড়ের গঠনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। তাই নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খেতে হবে। এ ছাড়া চিয়া সিড, সূর্যমুখীর বীজ, বাদাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিটামিন&amp;ndash;ডি&lt;br /&gt;
ভিটামিন-ডির ৭০ ভাগ উৎস সূর্যের আলো। তাই প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট সূর্যের রোদ গায়ে মাখুন। শুধু খাবার থেকে কখনোই ভিটামিন ডির চাহিদা পূরণ হয় না। খাবারের মধ্যে তেলযুক্ত মাছ, মাছের তেল, ডিমের কুসুম, গরুর কলিজা, মাশরুম ইত্যাদি ভিটামিন ডির উৎস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেখা: পুষ্টিবিদ-ইকবাল হোসেন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এবার শাহ জালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/434</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 15:46:25 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/434</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;p&gt;ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;text-align:center&quot;&gt;শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের কার্গো ভিলেজে আগুন লেগেছে। কাছ থেকে দেখা যাচ্ছে ধোঁয়া&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের কার্গো ভিলেজে আগুন লাগে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে। ২৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে.|&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই সনদ স্বাক্ষরের আগে ভাঙচুর-আগুন, ৯০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/433</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 15:08:08 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/433</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে &amp;lsquo;জুলাই যোদ্ধা&amp;rsquo; ব্যানারে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলো শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শেরেবাংলা নগর থানা সূত্রে জানা যায়, সবগুলো মামলার বাদী পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর মধ্যে একটি মামলার বাদী একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট। বাকি তিনটি মামলার বাদী শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। মামলার সব আসামি অজ্ঞাত। প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ জনকে মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের আসামি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মামলায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের নাম রিমন চন্দ্র বর্মন।&lt;br /&gt;
এর আগে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) নিজেদের তিনটি দাবি জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে &amp;lsquo;জুলাই যোদ্ধা&amp;rsquo; ব্যানারে একদল লোক মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আন্দোলন করেন। পরে দুপুর দেড়টার দিকে সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেটে অবস্থান করা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগে থেকেই আন্দোলনকারীদের একাংশ সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান করছিল। সংসদ ভবনের ভেতরে থাকা অংশটি অনুষ্ঠানস্থলে যোগ দেয়।&lt;br /&gt;
একপর্যায়ে বাইরে থাকা অংশটি সংসদ ভবনের ১২ নম্বর গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকে। পরে ভেতরে থাকা অংশটি বাইরে চলে আসে। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ও চেয়ার নিক্ষেপ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কয়েক দফা সংঘর্ষে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীরা সড়কে আগুন ধরিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় নতুন অভিযানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি বাংলাদেশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/432</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 14:50:02 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/432</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবার হোয়াইটওয়াশড হওয়ার ধকল কাটিয়ে উঠার খুব একটা সময় পায়নি বাংলাদেশ। ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় নতুন অভিযানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। মিরপুর শের-ই-বাংলায় দুপুর দেড়টায় শুরু হবে খেলা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আফগানিস্তান সিরিজে ভরাডুবির পর বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে দলে। প্রথমবার ওয়ানডে দলে সুযোগ পাওয়া মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের অভিষেক হলো সিরিজের প্রথম ম&amp;zwj;্যাচেই। তরুণ উইকেটরক্ষক-ব&amp;zwj;্যাটারকে ক&amp;zwj;্যাপ পরিয়ে দিয়েছেন সাইফ হাসান। এ ছাড়া দীর্ঘদিন পর একাদশে ফিরেছেন সৌম্য সরকার।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দলে জায়গা হারিয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। জায়গা হয়নি মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও নাহিদ রানাদের। একাদশে ফিরেছেন দুই অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। অন্যদিকে, তিনজন করে পেসার ও স্পিনার নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একাদশ সাজিয়েছে শাই হোপের ওয়েস্ট ইন্ডিজ।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্রিকেটের অন্য দুই ফরম্যাটের তুলনায় ওয়ানডেতে কিছুটা আত্মবিশ্বাসী ছিল বাংলাদেশ। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে নিজেদের পছন্দের এই ফরম্যাটেই যেন বেশি ধুঁকছে টিম টাইগার্স। ওয়ানডেতে সর্বশেষ ১২ ম্যাচের ১১টিতেই হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আগামী ২০২৭ বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে ঘুরে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ একাদশ : সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: শাই হোপ (অধিনায়ক), অলিক আথানেজ, কেসি কার্টি, রোস্টন চেইস, জাস্টিন গ্রেভস, ব্র্যান্ডন কিং, গুডাকেশ মোতি, খ্যারি পিয়ের, শেরফান রাদারফোর্ড, জেইডেন সিলস, রোমারিও শেফার্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিসিবি, ক্রিকইনফো&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শিক্ষক আন্দোলনে বিএনপি’র সমর্থন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে প্রতিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/431</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 14:41:11 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/431</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শিক্ষকদের যুক্তিসঙ্গত আন্দোলনকে পুঁজি করে পতিত স্বৈরাচারের সহযোগীরা পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে, সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালে, সেটি প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বিএনপি কোনো নমনীয়তা প্রদর্শন করবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সাথে নীতিগতভাবে একমত। সর্বস্তরের শিক্ষকদের জন্য আমাদের অগ্রাধিকার হলো- যুক্তিসঙ্গত আর্থিক সুবিধার নিশ্চয়তাসহ চাকরির নিরাপত্তা, শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সামাজিক মর্যাদা ও তাদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;কারণ আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্র ও রাজনীতির সংস্কার কিংবা নাগরিক উন্নয়নে আমরা যত উদ্যোগই গ্রহণ করি না কেন, শিক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং শিক্ষকদের আর্থ সামাজিক নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা না গেলে কখনোই কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, জনগণের ভোটে বিএনপি আবারো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে রাষ্ট্রের সামর্থ্য অনুযায়ী শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বৃদ্ধি, চাকরি স্থায়ীকরণ এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার বিষয়ে বিএনপির কোনো দ্বিমত নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে শিক্ষকদের যুক্তিসঙ্গত আন্দোলনকে পুঁজি করে পতিত স্বৈরাচারের সহযোগীরা পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালে সেটি প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কোনো নমনীয়তা প্রদর্শন করবে না বলে বিবৃতিতে বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো, ডেইলি স্টার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুল পড়া ও খুশকি কমাবে করলা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/430</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 12:26:56 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/430</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[চুলে খুশকি নেই এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। খুশকির সঙ্গে চুল পড়ছে নিয়মিত। এ নিয়ে আপনার চরম দুশ্চিন্তা। কীভাবে দূর করবেন মাথার চুলে খুশকি আর চুলপড়া, তা আপনাকে ভাবিয়ে তুলছে। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও আপনার এ সমস্যা দূর করবে করলা। করলা ব্যবহার করে আপনি আপনার চুলপড়া ও খুশকির সমস্যা দূর করতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিয়মিত করলার রস খেলে দারুণ উপকার পাবেন। এতে চুলের যাবতীয় সমস্যা কমে যাবে। পাশাপাশি ত্বকের সমস্যাও এড়াতে পারবেন। এ ছাড়া একটা করলা মিক্সিতে বেটে এর রস বের করে নিন। নারিকেল তেলের সঙ্গে করলা রস ফুটিয়ে নিন। এই তেলটি আপনি চুলে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারবেন। বাজারচলতি করলার তেলও ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর করলা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। রোগমুক্ত জীবন কাটাতে সাহায্য করে এ সবজি। এমনকি করলা রস খেলে ভালো থাকে ত্বকও। কিন্তু এই আনাজ কি চুলের যত্ন নিতে পারে?&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলুন জেনে নেওয়া যাক, আপনার চুলপড়া ও খুশকি দূর করতে করলা যে উপকার করে&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চুলপড়া কমাতে সাহায্য করে করলা। কারণ করলার মধ্যে ভিটামিন এ ও সি রয়েছে, যা চুলের গোড়া মজবুত করে থাকে। করলায় অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা খুশকি দূর করে। এ ছাড়া করলা ব্যবহার করলে চুলের টেক্সচার উন্নত হয়। চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে। চুলের শুষ্ক ভাব কেটে যায় এবং চুল নরম হয়ে ওঠে। এমনকি চুলের অকাল পক্বতা রোধ করতেও সহায়তা করে করলা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর চুল পড়া বন্ধ করতে ব্যবহার করুন করলার মাস্ক। কারণ চুলের শুষ্ক ভাব দূর করতে করলার মাস্ক ব্যবহার আপনার চুল পড়া মুক্তি দিতে পারে। তাজা করলা নিয়ে তার রস বের করে নিন। এরপর পরিমাণমতো টকদই মিশিয়ে নিন। এই হেয়ার প্যাক চুলে ভালো করে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু করে নিলেই চুল হবে নরম ও সিল্কি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এভাবেই খুশকি দূর করুন। স্ক্যাল্প থেকে অতিরিক্ত তেল ও খুশকি দূর করতে করলার তেলের সঙ্গে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ব্যবহার করুন। সমপরিমাণ করলার তেল ও অ্যাপেল সিডার ভিনিগার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি ৩০ মিনিট স্ক্যাল্পে লাগিয়ে রাখুন। এবার শ্যাম্পু করে নিন। এভাবে ১৫ দিন করলে আপনার খুশকি দূর করা সম্ভব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/লাইফ স্টাইল]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৭টি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগির মৃত্যুর সংখ্যা বেশি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/429</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 11:49:50 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/429</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশে ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছর চিকিৎসাধীন যত রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের (৭৩ শতাংশ) বেশির মৃত্যু হয়েছে সরকারি সাত হাসপাতালে। আর তাদের বেশির ভাগই ভর্তি হওয়ার এক দিনের মধ্যেই মারা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৫৮ হাজার ২৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর ১৮টি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত এবং ৫৯টি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৬ হাজার ১৪২ জন রোগী। বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের সাতটি বড় সরকারি হাসপাতালেই বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১২ হাজার ৬৭০ জন ডেঙ্গু রোগী, যা মোট ভর্তির প্রায় ২২ শতাংশ। এসব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ১৭৭ জন রোগী, যা মোট মৃত্যুর ৭৩ শতাংশ। হাসপাতালগুলো হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ডিএনসিসির ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ভর্তি এবং মৃত্যুর পরিসংখ্যান উভয়েই ইঙ্গিত দেয়, এসব প্রধান হাসপাতালে মূলত জটিল অবস্থার রোগীরাই এসে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের সর্ববৃহৎ বিশেষায়িত হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে বছরজুড়ে ২ হাজার ৩৪০ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ভর্তি রোগীর ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। দেশে এই হাসপাতালেই এককভাবে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, &amp;lsquo;আমাদের এখানে যারা আসে, তারা মূলত বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে আসা রেফার্ড কেস। এদের বেশির ভাগেরই কোমরবিডিটি (একাধিক দীর্ঘমেয়াদি রোগ) থাকে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, বেশির ভাগ রোগী দেরিতে হাসপাতালে আসছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৩৭৮ জন রোগীর মধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শতকরা হিসাবে ভর্তির বিপরীতে মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. সাইদুর রহমান বলেন, &amp;lsquo;এখানে মূলত সংকটাপন্ন রোগীরাই ভর্তি হয়। বেসরকারি হাসপাতাল সাধারণত জটিল রোগী ভর্তি নেয় না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছর রাজধানী ছাড়া এককভাবে বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে। রাজধানীর বাইরে ধরলে এই বিভাগেই ভর্তি রোগীর মৃত্যুও সবচেয়ে বেশি&amp;mdash;৩৫ জন। শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৬৮৪ জন রোগীর মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভর্তি রোগীর তুলনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ১৮ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, &amp;lsquo;রোগীরা ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার সাত-আট দিন পর হাসপাতালে এসে থাকে। আমাদের আইসিইউ এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাও সীমিত।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্য প্রধান সরকারি হাসপাতালের মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৬১। এর মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভর্তির বিপরীতে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুহার ১ দশমিক ২৯ শতাংশ। মুগদা মেডিকেলে মারা গেছে ৩৪ জন, মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ডিএনসিসির ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২ হাজার ৪৭২ জনের মধ্যে মারা গেছে ১৮ জন, মৃত্যুহার শূন্য দশমিক ৭২ শতাংশ। চট্টগ্রাম মেডিকেলে ১ হাজার ২৬১ জন রোগীর মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, মৃত্যুহার ১ দশমিক ২ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, &amp;lsquo;রোগীরা কেন দেরিতে হাসপাতালে আসছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও টারশিয়ারি (বিশেষায়িত) পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষায় কোনো ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত ঠিক করতে হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আজকের পত্রিকা, যুগান্তর&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/স্বাস্থ্য]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাইকারি বাজারে চালের দাম কমলেও, কমেনি খুচরা বাজারে! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/428</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 11:38:33 +0600</pubDate>
		<category>কৃষি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/428</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে চালের দাম। এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারগুলোতে পাইকারি পর্যায়ে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বস্তাপ্রতি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আমদানির প্রভাবে চালের দামে ঊর্ধ্বমুখী গতি দিক বদলে নিম্নগামী হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে খুচরা পর্যায়ে চালের দাম এখনো কমেনি বলে দাবি করেছেন ভোক্তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজধানীর শ্যামবাজার, সূত্রাপুর ও নিউমার্কেট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, &amp;lsquo;মিনিকেট&amp;rsquo; হিসেবে পরিচিত সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে বস্তাপ্রতি ২ হাজার ৮০০ টাকায়, যা আগে ছিল ২ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায়। গত সপ্তাহে ২ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হওয়া পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ টাকায়। কাটারিভোগ চাল গত সপ্তাহে ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার টাকা প্রতি বস্তা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে তা কমে এসেছে ১ হাজার ৭০০ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া নাজিরশাইল চাল ২ হাজার টাকা প্রতি বস্তায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। স্বর্ণা চাল ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে মানভেদে প্রতি বস্তা চাল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।&lt;br /&gt;
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, এক মাসের ব্যবধানে সরু চালের দাম ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং মাঝারি মানের চালের দাম ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।&lt;br /&gt;
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট চাল আমদানি হয়েছে ১৩ লাখ টন। এর মধ্যে সরকারিভাবে ৮ লাখ ৩৫ হাজার টন এবং বেসরকারিভাবে প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার টন আমদানি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে আমদানি হওয়া চালের মধ্যে ৬ লাখ টন ভারত থেকে, ১ লাখ টন মিয়ানমার থেকে, ১ লাখ টন ভিয়েতনাম থেকে এবং বাকিগুলো পাকিস্তান থেকে এসেছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নতুন করে ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে, যেখানে প্রতি টনের দাম হবে ৩০৮ ডলার।&lt;br /&gt;
চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানির কারণে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, আর সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এ দাম আরও কমে আসবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শ্যামবাজারে চাল কিনতে আসা নিলয় আহমেদ নামে এক ক্রেতা&amp;nbsp; বলেন, &amp;lsquo;চালের দাম পাইকারি পর্যায়ে কমলেও খুচরা বাজারে সেভাবে কমেনি। তবে যেহেতু পাইকারি পর্যায়ে কমেছে, তাই আশা করা যায় আগামী সপ্তাহে খুচরা পর্যায়েও কমে আসবে। এ জন্য তদারকি সংস্থার নজরদারি আরও বাড়ানো দরকার।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
সূত্রাপুর বাজারের চাল ব্যবসায়ী শেখ মো. জহির বলেন, &amp;lsquo;বাজারে প্রচুর ভারতীয় চাল এসেছে। এ কারণে দাম কমছে। দেশীয় চালেরও পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আগামী দুই মাসে আমন ধান উঠলে সরবরাহ আরও বাড়বে আর দাম আরও কমে যাবে। দাম কম থাকলে আমাদের ব্যবসা ভালো হয়। আর দাম বেশি থাকলে সাধারণ মানুষ কেনাকাটা কম করে, বিক্রিও কম হয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে চট্টগ্রাম রাইস মিল মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন বলেন, &amp;lsquo;ভারতীয় চালের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় চালের চাহিদা কিছুটা কমেছে। আগে বাজার নিয়ন্ত্রণ করত বড় গ্রুপ, এখন যে কেউ চাল আমদানি করতে পারছে, ফলে প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে এবং দাম কমেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: খাদ্য অধিদপ্তর, কালবেলা, প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনার উন্নতি, পিছিয়ে ব্রাজিল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/427</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 10:54:12 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/427</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ড্রটা করেই ফেলেছিল। শেষ বাঁশির আগে গোল খেয়ে ৪-৩ গোলে হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে হংকংয়ে গিয়ে ড্র করেন হামজা-শমিতরা। র&amp;zwnj;্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে যার পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমান বাংলাদেশ ফিফা র&amp;zwnj;্যাঙ্কিংয়ে ১৮৩তম অবস্থানে আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার হালনাগাদ করা র&amp;zwnj;্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ পিছিয়েছে ব্রাজিল। জাপানের বিপক্ষে প্রথমার্ধে ২-০ গোলের লিড নিয়েও দ্বিতীয়ার্ধে ৩-২ গোলে হেরেছে। ছয় থেকে সাতে নেমে গেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে অক্টোবরের দুই প্রীতি ম্যাচে জেতায় এক ধাপ উন্নতি হয়েছে আর্জেন্টিনার। কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা তিনে নেমে গিয়েছিল। আবার দুইয়ে ফিরেছে। ফিফা র&amp;zwnj;্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে আছে ইউরো জয়ী স্পেন। তিনে আছে রাশিয়া বিশ্বকাপ জেতা ও কাতার বিশ্বকাপের রানার্স আপ হওয়া ফ্রান্স। তারা এক ধাপ পিছিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইংল্যান্ড ও পর্তুগাল যথাক্রমে চার ও পাঁচ নম্বর অবস্থান ধরে রেখেছে। দুই ধাপ এগিয়ে জার্মানি সেরা দশে ঢুকেছে। ফিফার হালনাগাদ করা র&amp;zwnj;্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে আফ্রিকার দেশ নাইজারের। নয় ধাপ এগিয়ে ১০৮ এ আছে তারা। সবচেয়ে বেশি আট ধাপ পিছিয়েছে গ্রিস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ফিফা&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আফগানিস্তানে পাক-বিমান হামলায় নিহত ৪০, আহত ১৭০ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/426</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 09:58:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/426</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন ৪০ জন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৭০ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্পিন বোলদাক শহরটির অবস্থান আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
স্পিন বোলদাকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করিমুল্লাহ জুবাইর আগা-এর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানিয়েছে, নিহত এবং আহতদের সবাই বেসমারিক এবং একটি বড় অংশই নারী ও শিশু।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সীমান্তে গত ১১ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সংঘাত, হামলা-পাল্টা হামলার পর ১৫ অক্টোবর থেকে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে যায় দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী। সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল ১৭ অক্টোবর শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১ টার দিকে। বিরতি শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।&lt;br /&gt;
হামলার শিকার এবং আহত হাজি বাহরাম নামের এক ব্যক্তি তোলো নিউজকে বলেন, &amp;lsquo;আমি ইতিহাসে কখনও এমন অবিচার দেখিনি। একটি দেশ, যারা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করে&amp;mdash; তারা এখানে নারী, শিশু ও বেসামরিক লোকজনের ওপরে হামলা করল। &amp;lsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মরদেহগুলো স্পিন বোলদাক জেলার কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।&amp;nbsp; শত শত স্থানীয় বাসিন্দা জানাজা ও দাফনে অংশ নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা, তোহো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি এনসিপি সহ ৪ দল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/425</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 09:34:01 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/425</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দলের নেতারা অংশ নিলেও যাননি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একইসঙ্গে বাম ধারার চারটি রাজনৈতিক দলও অংশ নেয়নি অনুষ্ঠানে। দলগুলো হলো- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী)।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিকে আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। এর কিছু আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান।&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানস্থলে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও অতিথিরা। তবে সেখানে দেখা যায়নি এনসিপি ও চারটি বাম রাজনৈতিক দলের নেতাদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ বিকেল পৌনে ৫টার দিকে এনসিপির মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন বলেন, এনসিপির কেউ জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যাননি। না যাওয়ার কারণ আগেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এনসিপি জানিয়েছে, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা ছাড়া তারা এখন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না।&lt;br /&gt;
আজ দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল জাতীয় ঐকমত্যের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে একটি কাগজে সই করছে।&lt;br /&gt;
জুলাই জাতীয় সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে সংশোধিত খসড়া না পেলে সনদে সই করবে না বলে গতকাল জানিয়েছিল বাম ধারার চারটি দল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ বিকেল পাঁচটায় সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির বলেন, সিপিবিসহ চার বাম দলের নেতাদের কেউ জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যাননি। তিনি বলেন, &amp;lsquo;আমরা কালই (বৃহস্পতিবার) আমাদের অবস্থান জানিয়েছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। প্রথম ধাপে গঠন করা ছয়টি সংস্কার কমিশনের (সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্য কমিশন।&lt;br /&gt;
প্রথম পর্বে ৩৩টি ও দ্বিতীয় পর্বে ৩০টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্য কমিশন। জাতীয় পার্টিকে এই আলোচনায় রাখা হয়নি। দলটিকে &amp;lsquo;ফ্যাসিবাদের দোসর&amp;rsquo; হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে দুই পর্বের আলোচনায় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ গতকাল জানিয়েছেন, কোনো দল চাইলে পরেও সনদে সই করতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, আজ বিকেল চারটায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। তার আগে বেলা ১টার দিকে &amp;lsquo;জুলাই যোদ্ধা&amp;rsquo; পরিচয় দিয়ে একদল লোক অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের সরিয়ে দেয়। এরপর পুলিশ ও &amp;lsquo;জুলাই যোদ্ধাদের&amp;rsquo; মধ্যে সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ইত্তেফাক, ডেইলি সান]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাজায় সৈন্য পাঠাতে  চায় পাকিস্তান, আজারবাইজান ও ইন্দোনেশিয়া! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/424</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 18:13:32 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/424</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঠিতব্য আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সৈন্য পাঠানোর সম্ভাব্য দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান, আজারবাইজান ও ইন্দোনেশিয়ার নাম সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে পলিটিকো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এবং সাবেক এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তিন দেশকে &amp;zwnj;সৈন্য সরবরাহের শীর্ষ প্রার্থী&amp;rdquo; হিসেবে দেখা হচ্ছে, যদিও এখনো কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণে সম্মতি জানায়নি।&lt;br /&gt;
এর আগে বুধবার সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা জানান, ইন্দোনেশিয়া ও আজারবাইজানের পাশাপাশি মিশর, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও (ইউএই) গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স) সৈন্য পাঠাতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইন্দোনেশিয়াই এখন পর্যন্ত একমাত্র দেশ, যারা প্রকাশ্যে সৈন্য পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দেশটি জানিয়েছে, জাতিসংঘের অনুমোদনে শান্তিরক্ষী মিশনের আওতায় তারা ২০ হাজার সেনা পাঠাতে প্রস্তুত। তবে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় জাতিসংঘের কোনো ভূমিকা বা ম্যান্ডেটের উল্লেখ নেই।&lt;br /&gt;
তথ্যের উৎস না জানিয়ে পলিটিকো আরও জানিয়েছে&amp;mdash;যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশরের সেনারা ইসরাইলের অভ্যন্তরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সঙ্গে অবস্থান করবে, যাতে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা যায়।&lt;br /&gt;
পলিটিকোর প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, হামাসকে নিরস্ত্র করাই এখন মার্কিন পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজায় যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এখন পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে এগোচ্ছে&amp;mdash;হামাসকে অস্ত্র সমর্পণে বাধ্য করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা, রয়টার্স&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময়ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চীন নতুন প্রজন্মের বায়োনিক হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করে সাড়া ফেলেছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/423</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 17:59:02 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/423</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভাবুন তো&amp;mdash;একদিন আপনার পাশে বসে কেউ কথা বলছে, হাসছে, চোখের পলক ফেলছে&amp;hellip;কিন্তু সে মানুষ নয়, রোবট! ঠিক এমনই এক চমক নিয়ে এসেছে চীনের একটি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাংহাইয়ের অ্যাহেড্যাম টেকনোলজি তৈরি করেছে এক নতুন প্রজন্মের বায়োনিক হিউম্যানয়েড রোবট, যার নাম ইএলএফ ভিওয়ান। এই রোবট দেখতে এতটাই বাস্তব মনে হয় যে প্রথম দেখায় কেউ সহজে বুঝতেই পারবেন না&amp;mdash;সে আসলে মানুষ নয়।&lt;br /&gt;
এই রোবটের রয়েছে ৩০টি চলনক্ষম অংশ (ডিগ্রিস অব ফ্রিডম)। এর মুখের ৩০টি পেশি নড়াচড়া করে ছোট ছোট ব্রাশলেস মোটর দিয়ে, যা একে হাসতে, কথা বলতে বা মুখভঙ্গি বদলাতে সাহায্য করে। এমনকি এই রোবট চোখের পলক ফেলতে পারে, মাথা নাড়াতে পারে, আর মানুষের মুখ দেখে তার অনুভূতি বুঝে নিতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই কাজটা সম্ভব হচ্ছে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল এবং ভিশন ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, যা মানুষের কথা ও আচরণ বুঝে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে পারে। মানে কেউ হাসলে সে হাসবে, কেউ দুঃখী মুখ করলে সে উদ্বিগ্ন হবে!&lt;br /&gt;
রোবটের মুখে লাগানো হয়েছে বায়োনিক স্কিন, যা মানুষের ত্বকের মতো নরম ও নমনীয়। এতে তৈরি হচ্ছে একেবারে বাস্তবসম্মত মুখভঙ্গি, যেন সত্যি মানুষ কথা বলছে!&lt;br /&gt;
অ্যাহেডফর্ম কোম্পানির মতে, তারা চায় রোবট যেন শুধু মেশিন না হয়&amp;mdash;বরং মানুষের সহচর ও সহকারী হয়। ভবিষ্যতে এই ধরনের রোবট হয়তো বয়স্ক মানুষদের সেবা দেবে, শিক্ষায় সহায়তা করবে, বা বাড়ির কাজেও সাহায্য করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এই রোবটকে ঘিরে কিছু প্রশ্নও উঠেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষ আর রোবটের সীমা মুছে গেলে অদ্ভুত অনুভূতি তৈরি হতে পারে&amp;mdash;যেখানে কিছু একটা অস্বাভাবিক লাগে, যদিও দেখতে সব ঠিকই থাকে। এ জন্যই এই রোবটদের মুখের ভঙ্গি, চোখের গতি ও কণ্ঠস্বর যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
এক সময় যে রোবটরা ছিল স্রেফ কল্পবিজ্ঞানের গল্পে, তারা এখন আমাদের বাস্তব জীবনের দরজায়। হয়তো আগামী দিনগুলোয় এমন এক বন্ধু আপনার সঙ্গেও থাকবে&amp;mdash;যে সব জানে, কথা বলে, কিন্তু মানুষ নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপনি কি চান, এমন এক রোবট বন্ধু আপনারও থাকুক?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: অ্যাহেডফ্রম টেকনোলজি, সিজিটিএন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে ভয়াবহ আগুন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/422</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 16:31:07 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/422</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) আল হামিদ টেক্সটাইল নামে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে। নয়তলা ভবনটিতে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে তাদের ৪টি ইউনিট কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্তারিত আসছে...]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন চীফ প্রসিকিউটার ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/421</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 15:41:14 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/421</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এই মামলার আরেক আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। আজ এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ পর্যায়ে চিফ প্রসিকিউটর এই মামলার দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড চান।&lt;br /&gt;
এই মামলায় মোট তিনজন আসামি। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বাইরেও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রয়েছেন। মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে &amp;lsquo;অ্যাপ্রুভার&amp;rsquo; (রাজসাক্ষী হিসেবে পরিচিত) হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাইব্যুনালকে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, তারা মনে করেন সাবেক আইজিপি মামুন ঘটনা সম্পর্কে পূর্ণ সত্য প্রকাশ করেছেন জবানবন্দিতে। তার বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটা ট্রাইব্যুনাল বিবেচনায় নেবেন।&lt;br /&gt;
পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করার জন্য প্রস্তুতি নিতে এক সপ্তাহ সময় চান। ট্রাইব্যুনাল আগামী সোমবার থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই মামলার বিচার চলছে। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই গ্রেফতার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/420</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 13:16:23 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/420</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদত কাদেরকে (৫৮) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রেফতাকৃত শাহাদত কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের চতুর্থ ভাই। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখার উপকমিশনার মোঃ তালেবুর রহমান বলেন, বুধবার রাতে ডিবির একটি টিম বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। এছাড়া ডিবি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ইত্তেফাক, ডেইলি সান]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/419</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 12:38:02 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/419</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।&lt;br /&gt;
বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রকাশিত ফলাফল শিক্ষার্থীরা তিনভাবে জানতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথমত, অনলাইনে www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা পরীক্ষা কেন্দ্র থেকেও ফল জানা যাবে। তৃতীয় পদ্ধতিতে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানা সম্ভব&amp;mdash; এক্ষেত্রে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC &amp;lt;স্পেস&amp;gt; বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর &amp;lt;স্পেস&amp;gt; রোল &amp;lt;স্পেস&amp;gt; বছর লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর ফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে একই দিন সকাল ১০টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হবে।&lt;br /&gt;
এদিকে, ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে https: //rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ড বা অন্যকোনো অফিসে সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী। সারা দেশে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: প্রথম আলো, কালের কন্ঠ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই জাতীয় সনদে সই করবে না- চারটি রাজনৈতিক দল! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/418</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 10:50:36 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/418</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[জুলাই জাতীয় সনদে সই করবে না বলে জানিয়েছে বামপন্থী চারটি রাজনৈতিক দল। বুধবার (১৫ অক্টোবর) দলগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই সনদের সংবিধানের চার মূলনীতি উল্লেখ করা হয়নি এবং আরও কয়েকটি কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দলগুলো হলো বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী)।&lt;br /&gt;
অন্যদিকে গণফোরাম হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সংক্রান্ত টেলিগ্রাম এবং ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত থাকবে&amp;mdash;এটি নিশ্চিত করা না হলে তারা স্বাক্ষর করবে না। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, &amp;#39;আগামীকালের মধ্যে যদি আমাদের এই অবস্থান প্রতিফলিত করে জুলাই সনদে সংশোধন আনা না হয়, তাহলে আমরা এতে স্বাক্ষর করব না।&amp;#39;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, &amp;#39;জুলাই সনদের পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস প্রতিফলিত হয়নি, তাই আমরা এতে স্বাক্ষর করব না।&amp;#39;&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;#39;জুলাই সনদের ৮৪ দফা সুপারিশের মধ্যে চারটি বাম দলের ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্টের ব্যাখ্যাগুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।&amp;#39;&lt;br /&gt;
বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, &amp;#39;আমরা কয়েকটি অঙ্গীকারের বিরোধিতা করেছি, যার মধ্যে একটি হলো&amp;mdash;জুলাই সনদকে কোনো আদালতে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। এই কারণেও আমরা এতে স্বাক্ষর করব না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ডেইলি স্টার]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চাকসুতে ভিপি-জিএস শিবিরের,  এজিএস ছাত্র দলের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/417</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 10:34:06 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/417</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহসভাপতি) ও জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। অন্যদিকে এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে জয়ী হয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ১৪টি হল ও একটি হোস্টেলের ফল অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। চাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন এ ফল ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত &amp;lsquo;সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট&amp;rsquo; প্যানেলের ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি ও জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে এজিএস নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।&lt;br /&gt;
চাকসুর ১৪টি হলের ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি ভোট পেয়েছেন ৭ হাজার ২২১টি আর জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব ভোট পেয়েছেন ৭ হাজার ২৯৫টি। অন্যদিকে এজিএস পদে আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ভোট পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৪১টি।&lt;br /&gt;
সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে হল সংসদের ভোট গণনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, ব্যবসা ও প্রশাসন অনুষদ ভবন, শহীদ হৃদয় তরুয়া অনুষদ ভবন ( নতুন কলা),&amp;nbsp; প্রকৌশল অনুষদ ভবন, বিজ্ঞান অনুষদ ভবন একযোগে ভোট গণনা শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ভবনের ১৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা।&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষবার নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২৭ হাজার ৫১৬ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ কবেন। চাকসুতে এবার ভোটার প্রায় ২৭ হাজার ৫১৬ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ১১ হাজার ১৫৬ জন। নির্বাচনে লড়তে প্রার্থী হয়েছেন ৯০৮ জন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ২৬ পদে লড়ছেন ৪১৫ প্রার্থী। একই সঙ্গে ১৪টি হল ও ১টি হোস্টেলে প্রার্থী হয়েছেন ৪৯৩ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেন্দ্রীয় সংসদে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২২ জন ও সহসাধারণ সম্পাদক পদে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।&lt;br /&gt;
একেকটি হলে পদসংখ্যা ১৪। সে হিসাবে ১৪টি হল ও ১টি হোস্টেলে মোট পদ ২১০টি। ছাত্রীদের ৫টি আবাসিক হলে ৭০টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২৩ জন। একজন করে প্রার্থী রয়েছে ১৬টি পদে। সে হিসাবে ৫৩টি পদে ভোট হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকসু নির্বাচনে লড়তে প্যানেল হয়েছে ১৩টি। এর মধ্যে ছাত্রদলের প্যানেল; ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল &amp;lsquo;সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট&amp;rsquo;, বামপন্থী ছাত্রসংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ১০টি সংগঠন মিলে &amp;lsquo;বৈচিত্র্যের ঐক্য&amp;rsquo; (৩ পদে কেউ নেই), ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ প্যানেল &amp;lsquo;দ্রোহ পর্ষদ&amp;rsquo; (৯টি পদে কেউ নেই) এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংগঠন স্টুডেন্ট&amp;rsquo;স অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি ও ছাত্র ফেডারেশনের জোটবদ্ধ প্যানেল &amp;lsquo;বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্যের&amp;rsquo; মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ত্রিপুরায় ৩ বাংলাদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/416</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Oct 2025 10:10:44 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/416</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ত্রিপুরায় ৩ বাংলাদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা করেছে ভারতীয়রা। নিহতদের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫৫ বিজিবির মিডিয়া সেল থেকে বুধবার দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।&lt;br /&gt;
নিহতরা হলেন-হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আলীনগর গ্রামের আশ্বব আলীর ছেলে জুয়েল মিয়া (৩২), বাসুল্লা গ্রামের কনা মিয়ার ছেলে পন্ডিত মিয়া (৪৫) এবং কবিলাশপুর গ্রামের কদ্দুস মিয়ার ছেলে সজল মিয়া (২০)।&lt;br /&gt;
ত্রিপুরার স্থানীয় দৈনিক সংবাদ পত্রিকার সাংবাদিক আশীষ চক্রবর্তী জানান, বুধবার সকালে খোয়াই জেলার বিদ্যাবিল এলাকায় পাহাড়ি আদিবাসীরা ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা করে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খোয়াই থানায় নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তারেকুর রহমান বলেন, রাতে বিজিবি নিহতদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে ভারতে কাছে পাঠিয়েছে। সেখান থেকে পাঠানো লাশের ছবিতে জুয়েল, পন্ডিত ও সজলকে শতভাগ শনাক্ত করা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলছে।&lt;br /&gt;
৫৫ বিজিবি জানায়, ২/৩ দিন আগে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী বিদ্যাবিল এলাকায় ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই থানাধীন কারেঙ্গিছড়া নামক স্থানে গোপনে প্রবেশ করে। স্থানটি সীমান্তের শূন্যলাইন থেকে ৪-৫ কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে এবং ভারতের ৭০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় ভারতীয় জনসাধারণ রাতের অন্ধকারে গরু চুরির আশঙ্কায় সংঘবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। ফলে ঘটনাস্থলেই ৩ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মরদেহ বর্তমানে ভারতের সাম্পাহার থানায় রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/সারাদেশ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিএনপি সহ সব  রাজনৈতিক দলকে ডেকেছে প্রধান উপদেষ্টা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/415</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 17:51:49 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/415</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকা জরুরি বৈঠকে অংশ নেবে বিএনপির প্রতিনিধিদল।রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।&lt;br /&gt;
বৈঠকে বিএনপির অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলটি বৈঠকে অংশ নেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে জরুরি বৈঠকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ৩৩টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি পাঠায় ঐকমত্য কমিশন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেট্রোরেলে চলাচল করা যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/414</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 17:11:03 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/414</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঢাকা মেট্রোরেলে চলাচল করা যাত্রীদের বড় সুখবর দিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। আগামী রোববার (২০ অক্টোবর) থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হচ্ছে। নতুন সূচি অনুযায়ী সকালে ট্রেন আধঘণ্টা আগে ছাড়বে এবং রাতের সময় চলাচল হবে আধঘণ্টা বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) এক বৈঠকে প্রথম ধাপে চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ডিএমটিসিএল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
ডিএমটিসিএল বলছে, আগামী মাসের মাঝামাঝি থেকে মেট্রোরেলের ট্রিপ সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হবে। ট্রিপ বাড়ালে দুই ট্রেনের মধ্যে অপেক্ষার সময় অন্তত দুই মিনিট কমে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে সেবা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর জন্য পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। আগামী রোববার থেকে দিনে এক ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় মেট্রোরেল চলাচলের চেষ্টা চলছে। ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আরও কিছুদিন পরীক্ষামূলক চলাচল প্রয়োজন, এবং তারা আশা করছেন আগামী মাসের মাঝামাঝি থেকে ট্রিপ সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেল চলাচলের সময় এবং ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গত মাসে নেওয়া হয়। এর প্রয়োগ হিসেবে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ডিএমটিসিএল প্রথমে দিনে এক ঘণ্টা অতিরিক্ত মেট্রোরেল চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
ডিএমটিসিএল সূত্র আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে সাড়ে চার লাখ যাত্রী চলাচল করেন। বাড়তি সময় ও ট্রিপ শুরু হলে এই সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ডিএমটিসিএল প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমানে সপ্তাহে ছয় দিন (শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার) উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে দিনের প্রথম ট্রেন সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ছাড়ে। নতুন সূচি অনুযায়ী আগামী রোববার থেকে এই প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে। এখন উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে সবশেষ ট্রেন রাত ৯টায় ছাড়ে; নতুন সূচিতে এটি রাত সাড়ে ৯টায় ছাড়বে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, বর্তমানে মতিঝিল থেকে দিনের প্রথম ট্রেন সকাল সাড়ে ৭টায় ছাড়ে; নতুন সূচিতে এটি সকাল ৭টায় ছাড়বে। রাতের সবশেষ ট্রেন এখন রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে, যা নতুন সূচিতে রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়বে। মতিঝিল থেকে ছাড়া সবশেষ ট্রেন উত্তরা উত্তর স্টেশনে পৌঁছায় রাত ১০টার পরে; নতুন সূচিতে এটি রাত পৌনে ১১টার দিকে পৌঁছাবে। এ ছাড়া বর্তমানে শুক্রবার মেট্রোরেল বিকেল ৩টা থেকে চলাচল শুরু করে; নতুন সূচিতে এটি আধা ঘণ্টা এগিয়ে বিকেল আড়াইটায় শুরু হবে। রাতের চলাচলের সময়ও আধা ঘণ্টা বাড়ানো হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে প্রথম মেট্রোরেল চালু হয়। শুরুতে চলাচল করত উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে স্টেশনের সংখ্যা বাড়ে। মতিঝিল পর্যন্ত সব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা শুরু হয় ২০২৩ সালের শেষ দিনে। এখন কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণের কাজ চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: সমকাল, ঢাকা পোস্ট]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফরিদপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় নারী ও শিশু নিহত! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/413</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 15:59:10 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/413</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি যাত্রীবাহী বাস অপর একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দিলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে এক শিশু ও এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্বসদরদী এলাকায় ঢাকা&amp;ndash;বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
নিহত নারীর নাম শামসুন্নাহার বেগম (৪০)। তিনি বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের স্ত্রী। নিহত শিশুর নাম রাবেয়া (৮)। সে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালি ইউনিয়নের লোডা গ্রামের বাসিন্দা হানিফ গাজীর মেয়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর মধ্যে শামসুন্নাহার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর শিশু রাবেয়ার চাচা ফিরোজ গাজী বলেন, দুর্ঘটনায় তার ভাতিজি রাবেয়া গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে দুপুর ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শাহবাগ অবরোধ শিক্ষকদের: যান চলাচল বন্ধ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/412</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 14:44:38 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/412</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তিন দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। অবরোধের কারণে শাহবাগ মোড়ের চতুর্দিকের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ মোড় অভিমুখে রওনা হন শিক্ষকরা। জাতীয় জাদুঘরের শাহবাগ থানার সামনে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। এর পর শিক্ষকরা ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তারা স্লোগান দেন, &amp;lsquo;বেতন নিয়ে টালবাহানা চলবে না&amp;rsquo;, &amp;lsquo;আমি কে, তুমি কে শিক্ষক শিক্ষক&amp;rsquo;, &amp;lsquo;প্রজ্ঞাপন দিতে হবে&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
তাদের তিনটি দাবি হলো, মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া দেওয়া; শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য চিকিৎসা ভাতা দেড় হাজার টাকা করা ; এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে বুধবার সকাল থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, প্রজ্ঞাপন না এলে দুপুর ১২টায় শাহবাগ মোড় অবরোধ করার কথা জানিয়েছিলেন। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর অনুরোধে তারা আরও কিছু সময় অপেক্ষা করেন। এ সময়ের মাঝে কোনো ফলপ্রসূ সমাধান না আসায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশ বাঁচাতে দ্রুত নির্বাচন দরকার: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর </title>
		<link>https://shomoybhela.com/411</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 14:32:59 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/411</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশ বাঁচাতে দ্রুত নির্বাচন দরকার জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আর বিভাজন করবেন না, আর কোনো দাবি তুলে বিভেদ তৈরি করবেন না। গণভোট, পিআর নিয়ে আর আন্দোলন করবেন না। নির্বাচনটা হতে দেন, দেশের মানুষ বাঁচুক। দেশের মানুষকে বাঁচাতে তাড়াতাড়ি ভোট হতে দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার দুপুরে গড়েয়া ইউনিয়নবাসীর সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পিআর পদ্ধতির বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, পিআর পদ্ধতি এখনো সাধারণ মানুষ বোঝে না। যে পদ্ধতি মানুষ বোঝে না, সে পদ্ধতি দিয়ে কিভাবে প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। আমি তো নিজেই পিআর বুঝি না। তাই পিআরের দাবি আগে না তুলে আগে নির্বাচন হোক, মানুষ অস্থিরতা থেকে বাঁচুক। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে চায়। আগে নির্বাচন হোক পরে পিআরের সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
জনগণের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতে সরকারে ছিলাম তাই সরকার কিভাবে পরিচালনা করতে হয় আমরা জানি। বিএনপি নির্বাচিত হলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। প্রত্যকটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য-শিক্ষা খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালবেলা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘প্রফেসর হোয়াইট নয়েস’ লুকে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ববি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/410</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 13:16:51 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/410</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[বলিউডের শৌখিন অভিনেতা ববি দেওল। বছর দুই আগে সুপারহিট &amp;lsquo;অ্যানিম্যাল&amp;rsquo; সিনেমায় নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে ঝড় তুলেছিলেন তিনি। সম্প্রতি শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানের সিরিজ &amp;lsquo;ব্যাডস অব বলিউড&amp;rsquo;-এও বহুল প্রশংসিত হয়েছে ববি দেওলের খলচরিত্র। বলিউডে নতুন ইনিংস শুরু করে ববি দেওল যে অপ্রতিরোধ্য, তা যেন আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন হয় না। এবার &amp;lsquo;প্রফেসর হোয়াইট নয়েস&amp;rsquo; লুকে সাড়া ফেলে দিলেন অভিনেতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কাপুর এবং খানদের পাশাপাশি বলিউডে এখন &amp;lsquo;টক অব দ্য টাউন&amp;rsquo; দেওল পরিবার। খুব আক্ষেপের সুরে ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, &amp;lsquo;বলিউড কোনোদিন দেওল পরিবারকে যোগ্য সম্মান দেয়নি।&amp;rsquo; কিন্তু &amp;lsquo;গাদার ২&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;অ্যানিম্যাল&amp;rsquo; দিয়ে হিন্দি সিনে ইন্ডাস্ট্রিকে যোগ্য জবাব ছুড়েছেন &amp;lsquo;দেওল ব্রাদার্স&amp;rsquo;। এবার যশরাজ ফিল্মসের পরবর্তী স্পাই ইউনিভার্সের জন্য ববিকে যে লুকে দেখা গেল, তাতে কৌতূহলের পারদ চড়েছে দর্শক-অনুরাগী মহলে। পরনে কালো ফ্রেমের চশমা। কাঁধ পর্যন্ত চুল শক্ত করে পনিটেল বাঁধা। গোঁফে বয়সের পাক ধরেছে! &amp;lsquo;রাফ অ্যান্ড টাফ&amp;rsquo; লুকে ধরা দিয়ে ববি দেওলের আগাম বার্তা &amp;lsquo;পপকর্ন নিয়ে বোসো। শুরু হচ্ছে। আগুন লাগিয়ে দেব।&amp;rsquo; যদিও কোন সিনেমার জন্য এমন লুক এখনই সেটা ফাঁস করেননি ববি। তবে কানাঘুষা চলছে যশরাজের নতুন গোয়েন্দা ব্রহ্মাণ্ডের নতুন লুকেই বড় চমক দেবেন ববি দেওল। জল্পনা জিইয়ে রেখে অভিনেতা বললেন, &amp;lsquo;আগামী ১৯ তারিখ ফাঁস করব।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, আলিয়া ভাটের &amp;lsquo;আলফা&amp;rsquo; ছবিতে অভিনেতাকে খলচরিত্রে পাওয়া যাবে। অ্যানিম্যানেল পর এবার এই ছবিতে ভিলেন বেশে কেমন চমক দেন তিনি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টির হোয়াইটওয়াশ-এর জবাব দিলো ওয়ানডেতে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/409</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 12:31:27 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/409</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[সিরিজটা আগেই খুইয়ে বসেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ম্যাচে দলের লক্ষ্য ছিল একটা জয় তুলে নিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ানো, সঙ্গে ওয়ানডে র&amp;zwj;্যাঙ্কিংয়ের জন্যও মূল্যবান কিছু পয়েন্ট তুলে নেওয়া। কিন্তু কোনো লক্ষ্যই শেষমেশ পূরণ করা হলো না। বাংলাদেশ আফগানিস্তানের কাছে তৃতীয় ওয়ানডেতেও হারল। এবার ব্যবধানটা হলো সবচেয়ে বেশি, ২০০ রানে হারের লজ্জায় ডুবল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আর তাতে আফগানিস্তানের কাছে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের কবলে পড়েছে দল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুরুতে ব্যাট করে আফগানিস্তান তুলেছিল ২৯৩ রান। জবাবে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ৯৩ রান তুলতেই। ব্যাট হাতে রান যা করেছেন সাইফ হাসানই। তার ৪৩ রানের পরের ১০ জন রান করেছেন যথাক্রমে ৭,৩,৭,৬,০,২,৪,৫,৯,২&amp;mdash; এ যেন রীতিমতো টেলিফোন ডিজিট!&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুরো সিরিজ যেমন ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগেছে, শেষ ম্যাচেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। ২৯৪ রান তাড়া করতে নেমে নাঈম শেখ কিছুটা সতর্কভাবে ইনিংস শুরু করতে চেয়েছিলেন, বাংলাদেশের ব্যাটিং যেভাবে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে শেষ কয়েক দিন ধরে, তাতে এই অ্যাপ্রোচকেই মনে হচ্ছিল যথার্থ, অন্য পাশে তো সাইফ হাসান মারছিলেনই!&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবেওপেনার নাঈম বিদায়ের পরই বিপত্তির শুরু। ৭ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৬ বলে ৩ রান করে বোল্ড হয়েছেন বিলাল সামির বলে। শান্তের এই সিরিজে রান মাত্র ১২, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের কোনো সিরিজে সর্বনিম্ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তৃতীয় উইকেটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। তবে রশিদ খান বল হাতে এসেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ইনিংসের ১৭তম ওভারে গুগলিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন হৃদয়, করেন ১২ বলে ৭ রান। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারেই সাইফ হাসানকে বোল্ড করেন রশিদ। ৫৪ বলে ৪৩ রান করা ওপেনারই ছিলেন দলের শেষ আশার প্রদীপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইফের বিদায়ের পর দ্রুতই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ। একই স্কোরে পরপর দুই বলে ফেরেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও শামীম হোসেন। মিরাজ উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দেন বিলাল সামির বলে, আর শামীম রানআউট হন মাত্র ১ রানে। ৪ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭০ রানে মহাবিপদে পড়ে বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপরও রশিদের আক্রমণ থামেনি। নুরুল হাসানকে এলবিডব্লু করে সিরিজে নিজের ১১তম উইকেট নিয়েছেন তিনি। এই উইকেট আফগানিস্তানের হয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ। আগের রেকর্ডটিও ছিল রশিদের দখলে, ২০১৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০ উইকেট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেষদিকে কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন তানভীর ইসলাম, কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। বিলাল সামির বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৫ রান করে। তখন বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে মাত্র ৮১ রান, হাতে বাকি ২ উইকেট। বিলাল শেষমেশ ৫ উইকেট নিয়েছেন। আর বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৯৩ রানে, লক্ষ্য থেকে ২০০ রান দূরে থাকতেই!ওয়ানডে ফরমেট ছিলো টাইগারদের পছন্দের সংস্করণ। তবে বর্তমানে একদমই যাচ্ছে তাই ব্যাটিং ইউনিট। তবে কি মুশফিক, রিয়াদকেই অনুভব করছে বাংলাদেশ! অন্তত, ভঙ্গুর ব্যাটিং দশায় অনেকবার মাথা সোজা করে দাড়িয়ে ছিলো তাদের ব্যাট!&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান তোলে ৯ উইকেটে ২৯৩ রান। ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও আবার থামেন ৯৫ রানে। মোহাম্মদ নবীর ঝোড়ো ৩৭ বলে ৬২ রানের ইনিংস আফগানিস্তানকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়। বাংলাদেশের হয়ে সাইফ হাসান ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন, যদিও তাকে দিয়ে কোটা পূরণের পথে হাঁটেননি অধিনায়ক মিরাজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৩৬ বছর পর চাকসু নির্বাচন হচ্ছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/408</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 10:11:50 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/408</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন আজ। দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর অপেক্ষার পর শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় সচল হতে যাচ্ছে চাকসু। নির্বাচনে ১৩টি পূর্ণাঙ্গ, ২টি আংশিক প্যানেলে ৯০৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। টানা উনিশ দিন পর সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিক প্রচার শেষ হয়। তবে মঙ্গলবারও ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রার্র্থীরা অনলাইনে প্রচারণায় মেতেছিলেন। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিনিধি বেছে নিতে উন্মুখ হয়ে আছেন। নির্বাচন ঘিরে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা। এর আগে ১৯৯০ সালে হয়েছিল চাকসু নির্বাচন। এরপর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর বন্ধ ছিল। এদিকে নির্বাচনের সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ হাজার ৫১৬ শিক্ষার্থী ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। যেখানে ১৬ হাজার ১৮৯ ছাত্র ও ১১ হাজার ৩২৯ ছাত্রী ভোটার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ও প্রকৌশল অনুষদের ১৫টি কেন্দ্রে মোট ৬০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩০০টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং ৭০০টি গোপন বুথ। এছাড়া দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য চাকসু ভবনে আলাদা ভোটকেন্দ্র রাখা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। চবি প্রশাসনও অবাধ ভয়ভীতিহীন নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে। ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র&amp;zwnj;্যাব, এপিবিএন, বিজিবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী, রোভার স্কাউট ও বিএনসিসি মিলিয়ে প্রায় ১৭০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। মঙ্গলবার চাকসু ভবনের সামনে র&amp;zwnj;্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কোনো হুমকি নেই। শুধু বাইরে থেকে ইন্ধন না এলে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিপি প্রার্থী : ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত &amp;lsquo;সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট&amp;rsquo; প্যানেলের ইব্রাহীম হোসেন রনি, দ্রোহ পর্ষদের ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ, স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন মাহফুজুর রহমান, সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ আব্দুর রহমান রবিন, বৈচিত্র্যের ঐক্যের ধ্রুব বড়ুয়া, অহিংস শিক্ষার্থী ঐক্যের মুহাম্মদ ফরহাদুল ইসলাম, সার্বভৌম শিক্ষার্থী ঐক্যের তাওসিফ মুত্তাকী চৌধুরী, সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদের তামজিদ উদ্দিন, রেভ্যুলেশন ফর স্টেট অব হিউম্যানিটির কেফায়েত উল্লাহ, স্বতন্ত্রভাবে লড়ছেন তানজীর রহমান আরাফাত, মুহাম্মদ ফয়সাল সিকদার, মো. আক্তারুজ্জামান, মো. আজিজুল হক, আহসান হাবীব (কবি), মো. ইয়াছিন আরাফাত, মো. মাহফুজুর রহমান, মোহাম্মদ শহিদুল আলম রিফাত (এস এ রিফাত), রিজাউর রহমান, শুভ্র জ্যোতি মণ্ডল, সীমান্ত দত্ত কাব্য, হাবিবুর রহমান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জিএস প্রার্থী : ছাত্রদলের মো. শাফায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত &amp;lsquo;সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট&amp;rsquo; প্যানেলের সাঈদ বিন হাবিব, দ্রোহ পর্ষদের ইফাজ উদ্দিন আহমদ ইমু, বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্যের চৌধুরী তাসনিম জাহান শ্রাবণ, স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন প্যানেলের রশিদ দিনার, সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ আব্দুর রহমান, বৈচিত্র্যের ঐক্যের সুদর্শন চাকমা, অহিংস শিক্ষার্থী ঐক্যের মুহাম্মদ ইয়াসিন উদ্দিন, সার্বভৌম শিক্ষার্থী ঐক্যের সাজ্জাদ হোসেন, সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদের সাকিব মাহমুদ রুমি, রেভ্যুলেশন ফর স্টেট অব হিউম্যানিটির কাজী মো. শাহারিয়ার উল্ল্যাহ, স্বতন্ত্রভাবে লড়ছেন আবদুল্লাহ যায়েদ, আল যুবায়ের তুর্য, নূর মোহাম্মদ বাপ্পী, মিনহাজুর রহমান মির্জা, মুহাম্মদ খোরশেদ, মো. আরাফাত (জিহাদ আরাফাত), মো. ইলিয়াছ (সানি মুন্না), মো. রাহেনুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু তালেব, মোহাম্মদ ইয়াছিন উদ্দীন, রাইয়ান আহম্মেদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকসু নির্বাচনে পদ ও প্রার্থীর সংখ্যা : চাকসুর ২৬ পদে নির্বাচনের জন্য মোট ১৩টি পূর্ণাঙ্গ ও দুটি আংশিক প্যানেলে ৪১৫ প্রার্থী লড়াই করছেন। ১৪টি হল ও একটি হোস্টেলের নির্বাচনে মোট ৪৯৩ প্রার্থী মাঠে আছেন। ১৩টি প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ২২ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ২১ জন, খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১২ জন, সহখেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১৪ জন, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহসাহিত্য সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৫ জন, দপ্তর সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহদপ্তর সম্পাদক পদে ১৪ জন, ছাত্রীকল্যাণ সম্পাদক পদে ১৩ জন, সহছাত্রীকল্যাণ সম্পাদক পদে ১০ জন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে ১১ জন, গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্পাদক পদে ১২ জন, সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ২০ জন, স্বাস্থ্য সম্পাদক পদে ১৫ জন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে ১৭ জন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ১৬ জন, যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক পদে ১৭ জন, সহযোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক পদে ১৪ জন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৯ জন, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ২০ জন এবং পাঁচ নির্বাহী সদস্য পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৮৫ জন। আর হল সংসদ নির্বাচনে ৯টি ছাত্র হলে ৩৫০ জন বিভিন্ন পদে লড়বেন। পাঁচটি ছাত্রী হলে বিভিন্ন পদে লড়বেন ১২৩ জন। শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলে বিভিন্ন পদে লড়বেন ২০ জন প্রার্থী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভোটকেন্দ্র : বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, বাণিজ্য (বিবিএ) ও আইটি ভবনের ৬০টি কক্ষে প্রায় ৭০০ বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে আইটি ভবনে ভোট দেবেন সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীরা। নতুন কলা ভবনে ভোট দেবেন শাহজালাল, এফ রহমান ও আলাওল হলের শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে ভোট দেবে শাহ আমানত ও মাস্টার দা সূর্য্য সেন হল শিক্ষার্থীরা। সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ভবনে ভোট দেবেন নওয়াব ফয়েজুন্নেসা, শামসুন নাহার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং অতীশ দীপঙ্কর হল শিক্ষার্থীরা। বাণিজ্য অনুষদ (বিবিএ) ভবনে ভোট দেবেন প্রীতিলতা, বিজয় ২৪, শহীদ ফরহাদ হোসেন হল ও শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা। এর পাশাপাশি দৃষ্টিহীনদের জন্য চাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এ কেন্দ্রে শুধু দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীরা দুই নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণে ৭০০ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেভাবে ভোট দিতে হবে : শিক্ষার্থীদের মোট পাঁচটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। এ নির্বাচনের ভোট গণনা হবে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। ১-৪ নম্বর ব্যালেট চাকসু এবং ৫ নম্বর ব্যালেট হল বা হোস্টেলের। গোপন কক্ষে নির্ধারিত কলম দিয়ে পছন্দের প্রার্থীর পাশে সম্পূর্ণ বৃত্ত ভরাট করতে হবে। প্রতিটি পদের জন্য একটি করে বৃত্ত ভরাট করতে হবে। চাকসুর নির্বাহী সদস্য পদে পাঁচটি, হল সংসদের জন্য তিনটি করে ভোট প্রদান করা যাবে। ভোটকক্ষে ১, ২, ৩, ৪ নম্বর লেখা এবং হলের নাম লেখা ব্যালট বাক্স থাকবে। ভোট সম্পন্ন করার পর নম্বর অনুযায়ী বক্সে ব্যালট পেপারগুলো ফেলতে হবে। সবমিলিয়ে একজন ভোটারকে কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে ৪০টি ভোট দিতে হবে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ২৬টি ও হল সংসদের ১৪টি পদে ভোট দিতে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট। ফলে একজন শিক্ষার্থীকে গড়ে প্রতি ২০ সেকেন্ডে একটি করে ভোট দিতে হবে। তবে ভোটাররা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওএমআর মেশিনে ভোট গণনা : এ নির্বাচনের ভোট হবে ব্যালট পেপারে। গণনা হবে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে ভোটারদের বৃত্ত পূরণ করে ভোট দিতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, &amp;lsquo;আমাদের ভোট হবে ব্যালটে। ভোটগ্রহণ শেষে গণনা হবে ওএমআর পদ্ধতিতে। অ্যানালগ পদ্ধতিতে গণনা করলে অনেক সময় লাগবে। তাই আমরা এ পদ্ধতিতে যাব না।&amp;rsquo; তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;গোপন কক্ষ ছাড়া সব কেন্দ্রে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। ব্যালট পেপার ছাপা হবে কমিশনের উপস্থিতিতে, সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখে। নির্বাচনে ব্যালট পেপারে থাকবে ২৪ অঙ্কের একটি নিরাপত্তা কোড ও একটি গোপন কোড। যা ওএমআর মেশিনে শনাক্ত করা যাবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফলাফল প্রকাশ : বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে চলবে গণনার কাজ। ফলাফল ঘোষণার ক্ষেত্রে, কেন্দ্রীয় সংসদের ফল প্রকাশ করা হবে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে এবং হল সংসদের ফল ঘোষণা করা হবে নিজ নিজ কেন্দ্র থেকে। এদিকে চবি ক্যাম্পাস থেকে শহরের দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার। সাড়ে ২৭ হাজার ভোটারের মধ্যে তিন চতুর্থাংশই ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করেন। আজ ভোটের দিন শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১১ বার চট্টগ্রাম নগর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করবে শাটল ট্রেন। এ ছাড়া চলাচল করবে ৩০টি বাস। প্রসঙ্গত, গত ২৮ আগস্ট সপ্তম চাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের জন্য ১২ অক্টোবর দিন ঠিক করা হলেও পরে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে সেটি পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভোটের দিনই ফলাফল চায় শিবির : নির্বাচনে অদৃশ্য প্রভাবের আশঙ্কা করছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়। ডাকসুর মতো চাকসু নির্বাচনেও ইঞ্জিনিয়ারিং কারচুপির আশঙ্কা করছেন তিনি। নির্বাচন শেষে আজই ফলাফল চান &amp;lsquo;সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট&amp;rsquo; প্যানেলের (ইসলামী ছাত্রশিবিরি) ভিপি প্রার্থী ইব্রাহীম হোসেন রনি। এদিকে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে ছাত্রদলকে সমর্থন জানিয়ে সহসাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন আনোয়ার হোসেন। মঙ্গলবার চাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্বের প্রত্যাশা সাবেক নেতাদের : চাকসু ও হল সংসদের সাবেক নেতারা শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন। বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তারা বলেন, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। যারা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। তারা চান এমন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে চাকসুতে এমন নেতৃত্ব আসুক, যারা শিক্ষার্থীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে। সব দল মত পথের শিক্ষার্থীদের জন্য যারা কাজ করবে তাদেরই শিক্ষার্থীরা বেছে নেবেন বলে মনে করেন তারা। ১৯৮৯ সালের ২৭ অক্টোবর চতুর্থ চাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন জাসদ ছাত্রলীগের মজহারুল হক শাহ চৌধুরী। নির্বাচনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ছাত্রশিবিরের জসিম উদ্দিন সরকার। মজহারুল হক পরবর্তীতে চতুর্থ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যও ছিলেন জাসদ থেকে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন চাকসুসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় জাতি অনেক যোগ্য নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। চাকসু হচ্ছে চবির ছাত্রছাত্রীর সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান। যারাই নির্বাচিত হয়ে আসুক তারা হয়তো কোনো না কোনো ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে নির্বাচিত হয়ে আসবেন। কিন্তু তারা সব মতের শিক্ষার্থীদের অধিকার ও দাবি দাওয়া নিয়ে কাজ করবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: যুগান্তর, কালের কণ্ঠ, সমকাল]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/407</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 09:55:37 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/407</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে একটি গার্মেন্ট ও কেমিক্যাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গতকাল বেলা পৌনে ১২টার দিকে শিয়ালবাড়ির একটি চার তলা ভবনে &amp;lsquo;আনোয়ার ফ্যাশন&amp;rsquo; নামে একটি গার্মেন্টে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে পাশের শাহ আলম কেমিক্যাল গুদামে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে ওই দুটি প্রতিষ্ঠানে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কিন্তু বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের কারণে আগুনের তীব্রতা অনেক বেশি হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খায় ফায়ার সার্ভিস। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গার্মেন্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেমিক্যাল ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফায়ার সার্ভিস সন্ধ্যা পর্যন্ত গার্মেন্টের ভিতর থেকে ১৬টি লাশ উদ্ধার করে। লাশগুলো পুড়ে রীতিমতো অঙ্গার হয়ে গেছে। তবে এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন গার্মেন্ট কর্মীরা। আগুনের সংবাদ শুনে অজানা আশঙ্কায় গার্মেন্টের দিকে ছুটতে থাকেন স্বজনরা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে নিখোঁজদের খোঁজে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন তারা। নিখোঁজদের ছবি হাতে নিয়ে বিলাপ করতে দেখা গেছে তাদের। এ সময় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনী। এরপর তাদের সঙ্গে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র&amp;zwnj;্যাব ও বিজিবি। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিস বলছে, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন হবে। গোডাউনে ব্লিচিং পাউডার, প্লাস্টিক, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ও বিভিন্ন কেমিক্যাল থাকার কারণে আগুনের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছেন সিআইডির ক্রাইম সিন ও কেমিক্যাল ল্যাব বিশেষজ্ঞরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে &amp;lsquo;আনোয়ার ফ্যাশন&amp;rsquo; গার্মেন্ট ভবনের নিচ তলায় বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনতে পান তারা। মুহূর্তেই আগুন জ্বলতে দেখেন গার্মেন্ট ও পাশে থাকা রাসায়নিকের গুদামে। খবর পেয়ে একে একে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে। জানা গেছে, পোশাক কারখানার নিচ তলায় ওয়াশ ইউনিট রয়েছে। সেখানে প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন পাশের রাসায়নিকের গুদামে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আগুন চার তলা পোশাক কারখানার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার পর কারখানা থেকে শ্রমিকেরা নানাভাবে বের হয়ে আসার চেষ্টা করেন। এর মধ্যেই অনেকে আটকা পড়েন। সরেজমিন দেখা যায়, নিখোঁজদের খোঁজে ঘটনাস্থল ছবি হাতে ছোটাছুটি করছেন স্বজনরা। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে অগ্নিদুর্ঘটনাকবলিত স্থান ও আশপাশের সড়ক। ১৪ বছর বয়সি ভাগনি মাহিরার ছবি হাতে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করছিলেন মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমার ভাগনি মাহিরা পোশাক কারখানার তিন তলায় কাজ করত। তাকে খুঁজে পাচ্ছি না। আগুন লাগার পর থেকে আমরা তাকে খুঁজছি। আশপাশের হাসপাতালেও খোঁজ নিয়েছি, কোথাও পাইনি। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন ধৈর্য ধরতে। নিখোঁজ নারগিস আক্তারের বড় বোন লাইজু বেগম বলেন, আমার বোন সকাল পৌনে ৮টায় কাজে আসে। বেলা সাড়ে ১১টায় খবর পাই আগুন লেগেছে। সেখানের একজনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানতে পারি কেউ ভিতর থেকে বের হতে পারেনি। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ পাইনি। এখনো কোনো খোঁজ নেই আমার বোনের। এই গার্মেন্টে কারখানাতেই কাজ করতেন ২০ বছর বয়সি রবিউল্লাহ। সকাল থেকে তার কোনো খোঁজ পাচ্ছে না পরিবার। ছেলের খোঁজে ছুটছেন মা- একবার পুলিশের দিকে, একবার সেনাবাহিনীর কাছে, আবার ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের কাছে। কোথাও থেকে কোনো খবর মিলছে না। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ছেলেটা আমার বেঁচে আছে তো? আবার চোখ মুছে তাকাচ্ছেন আগুনের ধোঁয়ায় ঢেকে থাকা ভবনের দিকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গার্মেন্টের দুই ফ্লোরে প্রায় ১০০ জন ছিলেন বলে জানিয়েছেন আরও কয়েকজন স্বজন। ফায়ার সার্ভিস বলছে, কর্মস্থলেই বিষাক্ত ধোঁয়ায় অজ্ঞান হয়ে পড়েন পোশাক কারখানাটির ওপর তলায় থাকা কর্মীরা। পরে সেই ভবনের ওপরের দিকে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়লে পুড়ে অঙ্গার হতে হয় তাদের। এ ছাড়া গার্মেন্ট ভবনের ছাদের দরজায় দুটি তালা লাগানো ছিল। এর ফলে কারখানার শ্রমিকরা কেউ ওপরে উঠতে পারেননি। গার্মেন্টের ভবন ও রাসায়নিকের গুদাম কোনোটিরই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছিল না বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেছেন, গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পুরোপুরি নেভেনি। এ আগুন নেভাতে কয়েকদিন লাগতে পারে। আজ বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শনের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, &amp;lsquo;এখন পর্যন্ত আমরা ১৬ জনের লাশ পেয়েছি। ধারণা করছি কেমিক্যাল গোডাউনে যখন আগুন লাগে, তখন বিস্ফোরণের ফলে বিষাক্ত গ্যাস বেরিয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। যারা মারা গেছেন তারা হয়তো বিস্ফোরণের পর বিষাক্ত গ্যাসের কারণে বের হতে পারেননি এবং ঘটনাস্থলে মারা যান। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আমরা বিস্তারিত তদন্ত করে জানতে পারব।&amp;rsquo; এদিকে ঢামেক হাসপাতাল সূত্র বলছেন, অগ্নিকাণ্ডে মামুন (৩৫), সোহেল (৩২) ও সুরুজ (৩০) নামে তিনজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, &amp;lsquo;সুরুজের শরীরের ২ শতাংশ দগ্ধসহ ইনহ্যালেশন ইনজুরি এবং মামুন ও সোহেলের ইনহ্যালেশন ইনজুরি রয়েছে। বর্তমানে তাঁদের জরুরি বিভাগের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তাঁদের শরীর স্ট্যাবল হলে ছেড়ে দেওয়া হবে।&amp;rsquo; আহত মামুনের আত্মীয় জোছনা জানান, মামুন ও সোহেল এআর ফ্যাশনে চাকরি করেন। মামুন কাটিং মাস্টার হিসেবে এবং সোহেল ফিনিশিংয়ের কাজ করেন। অন্যদিকে সুরুজ এ গার্মেন্টে যে পণ্য অর্ডার দেওয়া ছিল, সেগুলো কোয়ালিটি চেক করার জন্য এসেছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিখোঁজ যারা : রাত ১২টা পর্যন্ত ১৬ জন নিখোঁজ ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এনসিপির সহায়তা বুথে গিয়ে নিখোঁজদের নাম লিপিবদ্ধ করেছেন। এঁরা হলেন আবদুল আলিম (১৪), রিনা (১৭), সামিয়া (১৮), আসমা (১৪), তোফায়েল আহমেদ (১৮), মাহি (১৬), ছানোয়ার হোসেন, আলো (১৬), জয় (২০), মণি (১৪), খালিদ হাসান (২৯), মৌসুমী (১৮), আল মামুন (৮), ফারজানা বেগম (১৭), রতন (১৪) ও রবিন (১৬)। নিখোঁজদের তালিকায় নয়জন পুরুষ ও সাতজন নারী রয়েছেন। আর ময়নাতদন্তের জন্য ১৬ লাশ পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে। ওই লাশগুলোর মধ্যেও নারী সাতজন ও পুরুষ নয়জন বলে জানিয়েছেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার শোক : এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোকবার্তায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, &amp;lsquo;এ দুর্ঘটনায় নিরীহ মানুষের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক। আমরা এ শোকের সময়ে তাঁদের পরিবারের পাশে আছি।&amp;rsquo; অগ্নিকাণ্ডে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর্থিক সহায়তার ঘোষণা জামায়াতের : রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। নিহতদের পরিবারগুলোর প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে অন্যদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজিএমইএ&amp;rsquo;র শোক : গতকাল এক বিবৃতিতে পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ মিরপুরে শাহ আলী ওয়াশিং লিমিটেড ও রাসায়নিক গোডাউনে আগুন লেগে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাশাপাশি নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে যে কারখানায় আগুন লেগেছে, তা বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত কোনো পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি ওয়াশিং কারখানা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাবি’তে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ১৬ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/406</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 18:21:44 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/406</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২১ নং হলে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দ্বারা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের র&amp;zwj;্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ১৬ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন উপাচার্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২১ নং হলে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দ্বারা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের র&amp;zwj;্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত ১৬ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন উপাচার্য। গতকাল ২১ নং হলের প্রভোস্টের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার রাতের এ ঘটনায় আজকে সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্ট কর্তৃক একটি রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ১৬ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন।&lt;br /&gt;
মওলানা ভাসানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক কামরুজ্জামানকে সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী প্রক্টর আল আমিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরখাস্ত হওয়া ১৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের (২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের)। ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বলেন, &amp;lsquo;আমরা সবাই ভয় পেয়েছিলাম। দরজা বন্ধ, লাইট বন্ধ, সবাইকে সেনাবাহিনীর ট্রেনিংয়ের মতো দুই সারিতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার, আহত শতাধিক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/405</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 17:42:13 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/405</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে একটি রাসায়নিকের গুদামে আগুনের ঘটনায় ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিকেলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে ১২টি ইউনিট কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রূপনগরের শিয়ালবাড়ি এলাকায় বিইউবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি দোতলা টিনশেড ভবনে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আরও চারটি ইউনিট যুক্ত হয়।&lt;br /&gt;
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম বলেন, &amp;lsquo;আমরা বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাই। আমাদের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বেলা ১১টা ৫৬ মিনিটে। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়া তিনজনকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, আহত ব্যক্তিরা হলেন সুরুজ (৩০), আল মামুন (৩২) ও সোহেল (৩২)। সুরুজের শরীরে ২ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া দুজনেরই ধোঁয়ায় শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।&lt;br /&gt;
সার্জন আরও জানান, অন্য দুজনকে জরুরি বিভাগে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে। তবে কিছু সময় পর ছেড়ে দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে রাসায়নিকের গুদামটি কসমিক ফার্মার বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছে হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে কসমিক ফার্মার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মুনিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওই গুদামের সঙ্গে কসমিক ফার্মার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের ভবনের একটি ভবন পরে এটি অবস্থান। সেটি একটি দোতলা টিনশেড ভবন। সেখানে মূলত রাসায়নিকের গুদাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর সঙ্গে পোশাক সংশ্লিষ্ট কিছু সরঞ্জামের গুদামও থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা। তিনি জানান, ওই টিনশেড ভবনের আশপাশে দক্ষিণমুখী ভবনে পোশাক কারখানা আছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দেয়ার সুযোগ নেই: নির্বাচন কমিশন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/404</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 15:57:53 +0600</pubDate>
		<category>প্রেস বিজ্ঞপ্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/404</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিধিমালায় না থাকায় &amp;lrm;জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) শাপলা প্রতীক দেয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, &amp;lsquo;১৯ অক্টোবরের মধ্যে ইসির তপশিলের মধ্যে থাকা প্রতীক বেছে নিতে হবে এনসিপিকে। তা না হলে কমিশন নিজ বিবেচনায় এনসিপিকে প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে দেবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। ইসি সচিব বলেন, &amp;lsquo;এনসিপির সঙ্গে আমাদের দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। তারা আমাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন, আমরা তা দিয়েছি। শাপলা প্রতীকের বিষয়ে ইসি আগের অবস্থানেই আছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি সচিব আরও বলেন, &amp;lsquo;যেহেতু নির্বাচন বিধিমালায় নেই, তাই শাপলা প্রতীক দেওয়ার সুযোগ নেই। যদি তারা প্রতীক না চায়, তাহলে কমিশনের বিবেচনায় আমরা প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে দেবো। এনসিপি যদি এ মাসের ১৯ তারিখের মধ্যে নতুন প্রতীক জমা না দেয়, তাহলে এ বিষয়ে কমিশন নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
প্রবাসী ভোটারদের বিষয়ে কাজের অগ্রগতি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, পুরনো ১১টি দেশের সঙ্গে নতুন কর আরও চারটি দেশে ভোটার হালনাগাদ শুরু হবে। এ ছাড়া, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভোট দেয়ার অ্যাপ লঞ্চ করতে পারব বলে আশা করছি। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জরুরি যে সরঞ্জাম লাগবে তা আমাদের কাছে পৌঁছেছে।&lt;br /&gt;
ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় পর্যবেক্ষক নিয়ে সংবাদিকরা আমাদের সহযোগিতা করেছেন। নতুন ১২টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, গণভোট হবে কি হবে না এ বিষয় নির্বাচন কমিশনে এখনও কোনো কিছুই উপস্থাপন হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্য: চ্যানেল ১. একাত্তর টেলিভিশন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ড. ইউনুসকে  দু’ হাজার বছরের পুরোনো রোমান সিনেট ও আশেপাশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখালেন ইতালির মেয়র </title>
		<link>https://shomoybhela.com/403</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 15:42:33 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/403</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইতালির রোমের মেয়র রবার্তো গুয়ালতিয়েরির সঙ্গে তার কার্যালয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১৩ অক্টোবর) তিনি মেয়রের অফিসে যান। এসময় মেয়র রবার্তো গুয়ালতিয়েরি তার অফিসের বারান্দা থেকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দুই হাজার বছরের পুরোনো রোমান সিনেট ও আশেপাশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। পরে মেয়র প্রধান উপদেষ্টাকে রোমান সম্রাট দার্শনিক মার্কাস অরেলিয়াসের একটি খোদাই করা মূর্তি উপহার দেন। ফলকটিতে রোমান সম্রাট এবং দার্শনিক মার্কাস অরেলিয়াসের একটি খোদাই করা চিত্র রয়েছে এবং সম্প্রতি ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাসহ বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতাকে উপহার দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টা সোমবার রোমের মেয়রের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশি সম্প্রদায়কে সমর্থন করার জন্য এবং ইতালীয় সমাজ ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তাদের সফল সাংস্কৃতিক সংহতকরণ এবং অবদানের কথা উল্লেখ করেন। রোমের মেয়র রবার্তো গুয়ালতিয়েরির সঙ্গে তার কার্যালয়ে এক বৈঠকে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, &amp;lsquo;বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভালো যত্ন নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, ইতালিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আয়োজক অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন এবং দেশে ফিরছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেয়র গুয়ালতিয়েরি রোমের বহু সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক ভূমিকার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রশংসা করেন।&lt;br /&gt;
তিনি জুলিয়াস সিজারের যুগের রোমান সাম্রাজ্যের প্রাচীন ধ্বংসাবশেষের মধ্যে অবস্থিত তার অফিসে অধ্যাপক ইউনূসকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।&lt;br /&gt;
তার বারান্দা থেকে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে ঐতিহাসিক রোমান সিনেট এবং আশেপাশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার সফর প্রসঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যখন মেয়রের অফিসে যান তখন মেয়র রোমের দুই হাজার বছর পুরনো যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আছে, রোমান সিনেট আছে সেগুলো তার ব্যালকনি থেকে দেখিয়েছেন। এরপর মেয়র প্রধান উপদেষ্টাকে মার্কাস অরেলিয়াসের একটি খোদাই করা মূর্তি উপহার দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন, কালেরকন্ঠ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এক ক্লিকেই কারাগারে যাবে জামিননামা: আইন উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/402</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 15:24:50 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/402</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আসামিকে ১২টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এর কোনো কোনো ধাপে টাকাও খরচ করতে হয়। সব ধাপে হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই এসব হয়রানি নিরসনে আগামীকাল ১৫ অক্টোবর থেকে অনলাইনে কারাগারে জামিননামা পাঠানো হবে। এর ফলে জামিন পাওয়ার পর এক ক্লিকেই জামিননামা সংশ্লিষ্ট কারাগারে চলে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমরা আইন মন্ত্রণালয় থেকে অনেকগুলো সংস্কার করেছি। একদম নিজেরা করেছি। কারো কোনো সহযোগিতা ছাড়া। কাল অনলাইন জামিননামা (বেইল বন্ড) উদ্বোধন করব। এই জামিননামাটা, একটা লোক জামিন পাওয়ার পর আদালত থেকে শুরু করে ছাড়া (মুক্তি) পাওয়া পর্যন্ত ১২টা প্রক্রিয়াতে যেতে হয়। কোনো কোনো ধাপে টাকা দিতে হয়। ১২টা ধাপে তাকে হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। আগামীকাল আমরা পাইলট প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছি। একটা ক্লিক করবে, আদালতের রায় থেকে জামিননামা সরাসরি জেলখানায় পৌঁছে যাবে, যেখানে আসামি আছে। এটা সরকারের টাকা দিয়ে করেছি। কারো সহযোগিতা লাগেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমাদের সরবকারের অনেক টাকা, বিশ্বাস করেন অনেক টাকা। আমার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ১৬শ কোটি টাকা আছে। আমাদের আইজিআর অফিসে (রেজিস্টার অফিস) ১৫শ কোটি টাকা আছে। এগুলো কেউ খেয়াল করে না। আমরা নিজের টাকা নিজে ব্যবহার করে অনেক ভালো কাজ করতে পারি।&lt;br /&gt;
এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই হবে। বিচার বিভাগ পৃথক সচিবালয় আইন, গুম আইন, দুদক আইন, হিউম্যান রাইটস আইন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকার ভোজ্য তেলের দাম বাড়ায়নি: বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/401</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 15:11:25 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/401</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, &amp;lsquo;সরকার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায়নি। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া দাম বাড়ানোর এখতিয়ার নেই ব্যবসায়ীদের। যদি দামের তারতম্য ঘটে সরকার প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ব্যবহার করবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর পূর্বাচলে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) রাজদর্শন হলে ২০তম জাতীয় ফার্নিচার&amp;nbsp; মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়ানো ইস্যুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এতে বলা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ নতুন মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে ৬ টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে ১৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
ছাড়া বাজারে পাঁচ লিটারের প্রতি বোতল সয়াবিন তেল ২৩ টাকা বাড়িয়ে ৯৪৫ টাকা ও প্রতি লিটার খোলা পাম তেলের দাম ১৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৩ টাকা। নতুন এ দাম আজ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।&lt;br /&gt;
ফার্নিচারের ফাংশনাল ও এসথেটিক এট্রিবিউট হচ্ছে না জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, &amp;lsquo;প্রয়োজনীয় উদ্ভাবন হচ্ছে না। নীতিগতভাবে সরকার যত আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার; তা করছে। ব্যবসায়ীদের দরকার উদ্ভাবন বাড়ানো। ফার্নিচার শিল্পের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন নতুন বাজার খুঁজতে কাজ করছে। এই শিল্পে নান্দনিকতা ও রুচির বহিঃপ্রকাশ আছে। তা নিয়ে কাজ করতে হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;প্রাইসের জন্য নয়, উদ্ভাবনের জন্য ক্রেতারা আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিছু দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
ফার্নিচার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশীয় ফার্নিচার শিল্প দেশের শতভাগ চাহিদা পূরণ করছে এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য বিদেশে রফতানি হচ্ছে। এবারের মেলার মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় ফার্নিচার শিল্পের বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি রফতানি বাজার আরও সম্প্রসারণ করা। এবারের মেলায় মোট ৪৮টি শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার কোম্পানি অংশ নিচ্ছে। কনভেনশন সেন্টারটির গুলনকশা (হল-১), পুষ্পগুচ্ছ (হল-১) এবং রাজদর্শন (হল-৩) হলে পাঁচ দিন ধরে এই মেলা চলবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঘাস থেকে গুড় তৈরি করে স্বাবলম্বী খাদিজা বেগম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/400</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 14:58:17 +0600</pubDate>
		<category>কৃষি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/400</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাসিন্দা খাদিজা বেগম। অভাবের সংসারে বসে না থেকে নিজের মেধা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে সফলতা পেয়েছেন। ঘাস থেকে গুড় তৈরি করে সংসারের অভাব দূর করেছেন। পরিবারে সচ্ছলতার পাশাপাশি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌরসভার নাওরা মিঠাপুর গ্রামের মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম। তিনি মাত্র ১০ শতক জমিতে বিশেষ ধরনের ঘাস চাষ করে তৈরি করছেন গুড়। এ উদ্ভাবনী উদ্যোগ তাকে শুধু আর্থিক সচ্ছলতাই এনে দেয়নি বরং স্থানীয়দের কাছেও নতুন উদ্যোক্তা ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র জানায়, খাদিজা বেগমের তিন সন্তান। সংসারের অভাব তাকে নতুন কিছু করার প্রেরণা জোগায়। স্বামীর সীমিত আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়লে বিকল্প আয়ের পথ খুঁজতে থাকেন। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ১০ শতক জমিতে লিপিয়া (লাল জাতের) নামক বিশেষ জাতের ঘাস চাষ শুরু করেন। এ ঘাস থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গুড় তৈরির কৌশল শিখে নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুরুর দিকে ঘাসের রস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গুড় তৈরি করেন। এ গুড় তৈরি করে এলাকায় সাড়া ফেলেন। প্রতি কেজি গুড় ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। গুড় ও ঘাস বিক্রি করে দৈনিক গড় আয় প্রায় ১৩০০ টাকা। এক কেজি গুড় তৈরি করতে ৬০টি ঘাসের গাছ লাগে। যার ওজন প্রায় ১৫ কেজি। প্রতিটি গাছ লম্বায় প্রায় ৮ ফুট, আখের চেয়ে একটু চিকন। ৬০টির মতো ঘাসে রস হয় ৬-৭ কেজি। এতে ১ কেজি গুড় হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া তিনি ১ একর জমিতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফল ও সবজি চাষ করছেন। তার বাগানে আপেল, পেঁপে, আঙুর এবং সৌদি আরবের খেজুর গাছও আছে। এসব ফল ও সবজি বিক্রি করে তিনি প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ টাকার মত আয় করেন। সব মিলিয়ে তারা এখন স্বাবলম্বী। তাদের অভাবের সংসারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা। সন্তানেরাও এখন ভালোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছেন&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ফিচার]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আওয়ামী লীগের ভোট পেতে মরিয়া জামায়াত: রুহুল কবির রিজভী আহমেদ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/399</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 14:41:54 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/399</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ভোট পেতে জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ঝাঁপ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ওলামা দলের এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ অভযোগ করেন। কোরআন অবমাননা ও রাসূল (স.) নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে বিএনপির এই অঙ্গ-সংগঠনটি এ প্রতিবাদ সভা করে।&lt;br /&gt;
এতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতেই নভেম্বরে গণভোটের দাবি তুলেছে জামায়াত। শর্ত দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে তাদের কোনও মাস্টারপ্ল্যান আছে কি না তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, জাতীয় জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদ নির্বাচনের আগেই চলতি বছরে গণভোটের দাবি তুলেছে জামায়াত। বিপরীতে বিএনপি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট করার প্রস্তাব দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: যমুনা টিভি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আওয়ামী লীগের মিছিলে গেলে মেলে জন প্রতি ৫ হাজার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/398</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 14:34:20 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/398</guid>
		<description> মোবাইল থেকে ধারণকৃত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীসহ সারাদেশে প্রায়ই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিলের আয়োজন করছে। আর এসব মিছিলে অংশ নিলেই জনপ্রতি মিলছে ৫ হাজার টাকা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের অনেক টাকা আছে। ওই টাকা খরচ করে তারা আগামী নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চায়। ঝটিকা মিছিলে অংশ নিলেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে দেওয়া হচ্ছে ৫ হাজার টাকা। ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতারা এসব স্বীকারও করেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা রাস্তায় থাকতে হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে সোমবার (১৩ অক্টোবর) ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সভায় পুলিশ কর্মকর্তাদের ডিএমপি কমিশনার বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ইতিহাসের সেরা নির্বাচন। এই নির্বাচনে শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবাইকে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে।&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাহিদ  হাসানের ‘সতর্কবার্তা’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/397</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 14:21:59 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/397</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[তারকাদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহারের খবরটি নতুন কিছু নয়। মাঝে মাঝেই এমনটা শোনা যায়। এবার এ ঘটনা ঘটেছে নন্দিত অভিনেতা জাহিদ হাসানের সঙ্গে। এই অভিনেতার নামে সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ রয়েছে। যেগুলো জাহিদ হাসান ব্যবহার করেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিষয়টি নিয়ে শুভাকাঙ্খী ও ভক্তদের সতর্ক করলেন জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, আমার নামে ফেসবুকে অসংখ্য আইডি রয়েছে। কয়টি বন্ধ করব? একটি করলে পাঁচটি খুলে। এরা আমাদের থেকে একধাপ এগিয়ে। পরিচিত অনেকেই বিশ্বাস করে এসব আইডিতে যুক্ত হচ্ছেন। সবার উদ্দেশ্য বলতে চাই, এসব আইডি থেকে যদি কোনো ধরনের অর্থ চাওয়া হয় তাহলে আপনারা দেবেন না। একটি চক্র শিল্পীদের নামে ভুয়া আইডি খুলে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করছে। তাই সবাই সাবধান। দয়া করে এগুলো ফলো করবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী ববিতা, শাবানা, শাবনূর, দিলারা জামান, মৌসুমী, সাদিকা পারভীন পপি, সাদিয়া জাহান প্রভা, মাহিয়া মাহি, সারিকা সাবরিনা, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, মেহজাবীন চৌধুরী, অপি করিম, নাজিয়া হক অর্ষা, তানজিন তিশা, সাফা কবির, অভিনেতা আলমগীর, আফরান নিশো, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, আরিফিন শুভ, সিয়াম আহমেদ, জিয়াউল রোশান, আব্দুন নূর সজল, সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ, সালমা, ইমরান মাহমুদুলসহ অনেক তারকার নামে একাধিক ভুয়া আইডি রয়েছে। একাধিকবার তারা এ নিয়ে সতর্ক করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রাজধানীতে ডিপ ফ্রিজ থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/396</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 13:42:08 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/396</guid>
		<description> প্রতীকী ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&amp;lrm;রাজধানীর কলাবাগান এলাকার একটি বাসা থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সন্তানদের অভিযোগ পেয়ে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডিপ ফ্রিজ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী নজরুল ইসলাম পলাতক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lrm;কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, &amp;lsquo;প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে&amp;mdash;পারিবারিক কলহের জেরে ওই নারীকে হত্যা করে মরদেহ ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
ওই নারীর তিন মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার ভোরে তাদের বাবা নজরুল ইসলাম ঘুম থেকে ডেকে তুলে বাসা থেকে বের করে তিন মেয়েকে আদাবর নানাবাড়িতে রেখে আসেন। মায়ের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, &amp;lsquo;তোমার মা অন্য লোকের সঙ্গে চলে গেছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে বাবার কথায় সন্দেহ হওয়ায় মেয়েরা নানাবাড়ির স্বজনদের বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ বাসায় গিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ডিপ ফ্রিজে লাশটি উদ্ধার করে। &amp;lrm;&lt;br /&gt;
পুলিশ বলছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পলাতক নজরুল ইসলামকে আটকের চেষ্টা চলছে।&lt;br /&gt;
কলাবাগান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম সোমবার রাতে জানান, ওই নারী তাঁর স্বামী ও সন্তানদের সঙ্গে লন্ডন কলেজের পাশে একটি ভবনে থাকতেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতের তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ের বয়স ১৯ বছর, মেজো মেয়ের ১১ এবং ছোট মেয়ের ৫ বছর। ছোট মেয়ে তার ভাইয়ের বাসায় থাকত। পুলিশ ধারণা করছে, রোববার দিবাগত রাত ১১টা থেকে সোমবার সকাল ৭টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। নিহত নারীকে আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী নজরুল ইসলাম পলাতক।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/395</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 13:36:21 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/395</guid>
		<description> ছবি: সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আগুন লাগে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি জানান, রূপনগরের শিয়ালবাড়ি এলাকায় কসমিক ফার্মা নামের গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগার খবর আসে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম ১১টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এখন পর্যন্ত ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকালে টঙ্গীতে ফেমাস কেমিক্যাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈম, ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ ও নুরুল হুদার মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে পার্শ্ববর্তী দোকানের কর্মচারী বাবু হাওলাদারের (২৪) মৃত্যু হয়।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারতের ৩টি কফের সিরাপ-নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/394</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 13:07:31 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/394</guid>
		<description> ছবি:  সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[এই তিনটি কফ সিরাপ হলো ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান শ্রেসান ফার্মাসিউটিক্যালের তৈরি কোল্ডরিফ, রেডনেক্স ফার্মাসিউটিক্যালের তৈরি সিরাপ রেসপিফরেশ টিআর এবং শেপ ফার্মার তৈরি সিরাপ রিলাইফ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সিরাপগুলোতে ডায়াথিলিন গ্লাইকোল নামের একটি রাসায়নিকের অস্বাভাবিক উপস্থিতির কারণেই এই সতর্কবার্তা দিয়েছে ডব্লিউএইচও। শিশুদের কাশির সিরাপ তৈরির জন্য ডায়াথিলিন গ্লাইকোল একটি প্রয়োজনীয় রাসায়নিক, তবে কোনো সিরাপে যদি অনুমোদিত বা নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি ডায়াথিলিন গ্লাইকোল ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা রীতিমতো বিষে পরিণত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, এই তিন কফ সিরাপে ডায়াথিলিন গ্লাইকোলের উপস্থিতি নির্ধারিত বা অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে ৫০০ গুণ বেশি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত আগস্টে ভারতে শ্রেসান ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি কোল্ডরিফ সিরাপ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জন শিশুর। এর আগে ২০২৩ সালে অপর এক ভারতীয় কোম্পানির সিরাপ খেয়ে উজবেকিস্তান, ক্যামেরুন ও গাম্বিয়ার ১৪১ জন শিশুর প্রাণহানি হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভারতের ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের (সিডিসসিও) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডব্লিউএইচও&amp;rsquo;র সতর্কবর্তা সম্পর্কে তারা ওয়াবিহাল এবং এই সতর্কবার্তাকে আমলে নিয়ে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কঠোর ও নিখুঁত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন তারা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র : রয়টার্স]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইট ওয়াশের লজ্জা এড়াতে আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/393</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 12:59:38 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/393</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[আফগানিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে এমন দিন আগে কখনও আসেনি। আজ আবুধাবিতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ পাচ্ছে তারা। দুই ম্যাচের জয় ইতিমধ্যেই তাদের আত্মবিশ্বাস চাঙা করে তুলেছে, আর বাংলাদেশ দল যেন ছন্দ হারিয়ে দিশেহারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অবিশ্বাস্য এক জয়ের দেখা পায় আফগানিস্তান। ১৯০ রান তুলেই তারা বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেয় মাত্র ১০৯ রানে। বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ম্যাচটি একতরফা হয়ে যায়। আজমাতুল্লাহ ওমরজাই প্রথম চার উইকেটের মধ্যে তিনটি তুলে নেন, এরপর রশিদ খান তার জাদুকরী ঘূর্ণিতে পুরো ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে আফগান ব্যাটিং এখনো পুরোপুরি গুছিয়ে ওঠেনি। দ্বিতীয় ম্যাচে ইব্রাহিম জাদরান একাই লড়েছিলেন&amp;mdash;১৪০ বল খেলে মাত্র চারটি বাউন্ডারিতে ৪৫তম ওভার পর্যন্ত টিকে ছিলেন। ধীরগতির উইকেটে কিভাবে টিকে থাকতে হয়, সেই পাঠ তিনিই যেন বাকিদের শিখিয়ে দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
অন্যদিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন ব্যাটিং। প্রথম ম্যাচে ২২১ রান তুলেও আফগানিস্তানের কাছে হেরে যায় তারা ৫ উইকেটে। দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯০ রানের লক্ষ্য ছুঁতে গিয়েই ভেঙে পড়ে পুরো টপ অর্ডার। আফগান স্পিনারদের বিপক্ষে এখনো কোনো কার্যকর কৌশল খুঁজে পাচ্ছে না টাইগাররা। দলের স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদ বলেছেন, &amp;lsquo;আমাদের কখনও কখনও বোলার নয়, বলটার বিপরীতে খেলতে হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। পেসাররা ধারাবাহিকভাবে ভালো বল করছেন, স্পিনাররাও চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতা পুরো দলের পারফরম্যান্সকে নষ্ট করে দিচ্ছে।&lt;br /&gt;
২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে আফগানিস্তান। আজকের ম্যাচে বাংলাদেশ কি পারবে সান্ত্বনার জয় তুলে নিয়ে সিরিজে মান রক্ষা করতে? নাকি ইতিহাস গড়ে টাইগারদের প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করবে আফগানিস্তান&amp;mdash;এখন নজর সেদিকেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেক্সিকোতে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৬৪ ছাড়িয়েছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/392</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 12:51:36 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/392</guid>
		<description> প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা </description>
		<content:encoded><![CDATA[মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশটির মানুষ কঠিন সময় পার করছে। টানা ভারী বর্ষণ এবং ভূমিধসের কারণে সৃষ্টি হওয়া বন্যায় এখন পর্যন্ত ৬৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। আহত, নিখোঁজ এবং গৃহহীন মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ ও সেনাবাহিনী উদ্ধার ও সহায়তার কাজে নিযুক্ত রয়েছে, তবে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে মনে করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনাটি ঘটেছে সাম্প্রতিক কয়েকদিনে, যখন মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। প্রবল বর্ষণের কারণে নদী-বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে, ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, এবং অনেক গ্রাম ও শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে গেছে। এর ফলে বিপর্যস্ত মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী এবং উদ্ধার সংস্থাগুলোকে তৎপর হতে হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মেক্সিকোর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধান লাউরা ভেলাসকেজ জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভেরাক্রুজ, হিদালগো এবং পুয়েবলা প্রদেশ। মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে মৃতের সংখ্যা ১৭ জন বেড়ে যাওয়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করেছে। বন্যার পানিতে গ্রামাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, ভূমিধসের কারণে রাস্তা ও সেতু ভেঙে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাম জানিয়েছেন, উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিচ্ছে হাজারো সেনা, নৌযান, বিমান ও হেলিকপ্টার। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সহায়তা পৌঁছাতে ১০ হাজারেরও বেশি সেনা সদস্য, উদ্ধার সরঞ্জাম এবং যানবাহন মোতায়েন করা হয়েছে। বন্যায় গৃহহীনদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাকৃতিক দুর্যোগে মেক্সিকোর ৫৫টি শহরে প্রায় ১৬ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৩ লাখের বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছে। এখনো অন্তত ৬৫ জন নিখোঁজ, যার কারণে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। সরকারি ও সেনা বাহিনী উদ্ধার কাজকে ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করছে।&lt;br /&gt;
উদ্ধারকারীদের কাজ চলাকালীন, স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের পরিবার ও ঘরবাড়ি রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিভিন্ন ত্রাণসংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা ইতিমধ্যেই সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা, সিএনএন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকার বাতাসে দূষণ বেড়েই চলেছে, শীর্ষে লাহোর! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/391</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 12:41:09 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/391</guid>
		<description> দূষিত ঢাকার বাতাস </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঢাকার বাতাসে দূষণ বেড়ে গেছে। সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে আছে ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা। বায়ুমান নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ১৬১, যা গতকাল সোমবার ১০টায় ছিল ১৬০।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়ুদূষণের তালিকায় আজ ষষ্ঠ স্থানে, গতকাল ছিল ৫ম স্থানে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকালের মতো আজও বায়ুদূষণের শীর্ষে আছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বায়ুমান আজ ২৬৪। শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো হলো&amp;mdash;ভারতের দিল্লি, কুয়েতের কুয়েত সিটি, ভারতের কলকাতা ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোর কিনশাসা। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে ১৯১,১৮৫, ১৬৪ ও ১৬৩।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্&amp;zwnj;রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়ুদূষণ: বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী এক অদৃশ্য বিপদবায়ুদূষণ: বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী এক অদৃশ্য বিপদ&lt;br /&gt;
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়ুদূষণ সোরিয়াসিসসহ চর্মরোগের জন্য হতে পারে মারাত্মক: গবেষণাবায়ুদূষণ সোরিয়াসিসসহ চর্মরোগের জন্য হতে পারে মারাত্মক: গবেষণা&lt;br /&gt;
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আজ ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/390</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 12:06:25 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/390</guid>
		<description> শহীদ মিনারে জড়ো হচ্ছেন শিক্ষকরা </description>
		<content:encoded><![CDATA[বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার দাবিতে সারা দেশে কর্মবিরতি পালন করেছে &amp;lsquo;এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট&amp;rsquo;। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখে এসব দাবিতে তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন। একই সঙ্গে তারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ করবেন দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে আসা শিক্ষক-কর্মচারীরা। পাশাপাশি প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও শিক্ষকদের ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচিসহ সব আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী। তিনি বলেন, সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ ও চলমান কর্মবিরতি এবং অবস্থান কর্মসূচি চলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের ছেলেমেয়েরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়েন না, তাই তাদের কোনো চিন্তাও নেই। আমরা দীর্ঘদিন বঞ্চিত। এভাবে আর নয়। এবার দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবেন শিক্ষকরা।&lt;br /&gt;
এর আগে গতকাল সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অবস্থানরত শিক্ষক-কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ সময় তারা গত রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষকদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে আটক আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কর্মবিরতির ফলে সারা দেশের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এমনকি এ কারণে স্কুলগুলোয় টাইফয়েডের টিকা দেওয়া কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার স্কুলগুলোতে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
এর আগে গত রোববার দুপুরে রাজধানীর প্রেস ক্লাব এলাকায় শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েন শিক্ষকরা। এরপর গত গতকাল সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। অন্যদিকে সারা দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে তারা ইতিবাচক। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন তারা। অফিসের বাইরেও দুই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বৈঠক করছেন। এ অবস্থায় ঢাকায় শিক্ষকদের আন্দোলনে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছেন তারা। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন পান। তারা মূল বেতনের সঙ্গে মাসে ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। আর ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া পেতেন, যা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আগে বছরে ২৫ শতাংশ হারে বছরে দুটি উৎসব ভাতা পেলেও গত মে মাসে বাড়ানোর পর তারা ও এমপিওভুক্ত কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও ইনকিলাব মঞ্চ। দলগুলোর শীর্ষ নেতারা সোমবার বিকেলে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শিক্ষকদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং সরকারকে দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষকদের প্রতি সংহতি জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য শিক্ষকরা যে চেষ্টা করেন, তা জাতির জন্য আমানতস্বরূপ। আজ যদি তাদের রাস্তায় নামিয়ে দেওয়া হয়, দাবি না মানা হয়; তাহলে ভবিষ্যতে যে পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা কারও জন্য কল্যাণকর হবে না। আন্দোলন ঘিরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।&lt;br /&gt;
শিক্ষকদের উদ্দেশে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেন, আপনাদের দাবি আমাদেরও দাবি।&lt;br /&gt;
খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, শিক্ষকদের যদি রাস্তায় নামতে হয়, পুলিশের লাঠিপেটার শিকার হতে হয়; তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী অবিলম্বে শিক্ষকদের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, কালবেলা, যুগান্তর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হংকংয়ের বিপক্ষে জিততে চায় বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/389</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 11:48:26 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/389</guid>
		<description> বাংলাদেশ দলের কৃতি ফুটবলাররা </description>
		<content:encoded><![CDATA[হারের ক্ষতটা এখনও তরতাজা। ৯ অক্টোবর জাতীয় স্টেডিয়ামে শেষ মিনিটের গোলে হামজা চৌধুরী-শমিত সোমদের হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। সেই ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগাতে আজ আবার হংকংয়ের সামনে বাংলাদেশ। কাই তাকের ছাদঢাকা স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের তিন ফাইনালের প্রথম ফাইনাল মঙ্গলবার হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার দলের। মূল পর্বের স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে শেষ তিন ম্যাচের সবগুলোতেই জিততে হবে লাল-সবুজের দলকে। বাংলাদেশ-হংকং ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপ &amp;lsquo;সি&amp;rsquo;তে তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে হংকং। সমান ম্যাচে ১ পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশের অবস্থান টেবিলের তলানিতে। ঘরের মাঠে হংকংয়ের কাছে পরাজয়ে যে ধাক্কা খেয়েছেন জামাল ভূঁইয়া-সাদ উদ্দিনরা, সেটা সামাল দিতে আজ জয়ের বিকল্প নেই। কিন্তু এই ম্যাচে ক্যাবরেরার দলের প্রতিপক্ষ শুধু হংকংই নয়, গ্যালারির প্রায় ৫০ হাজার দর্শকও। ঢাকায় যেমন &amp;lsquo;বাংলাদেশ, বাংলাদেশ&amp;rsquo; স্লোগান উঠেছিল, এর বিপরীতটা হবে হংকংয়ে। তবে প্রতিপক্ষের ভরা গ্যালারির সামনে বাংলাদেশের ভালো খেলার ইতিহাস আছে। গত মার্চে শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন মিতুল মারমা-রাকিব হোসেনরা। তাই অ্যাওয়ে ম্যাচ হলেও বাংলাদেশ খুবই আত্মবিশ্বাসী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাসের মূলে আছে ঘরের মাঠে সর্বশেষ হংকংয়ের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্স। ম্যাচের শুরুতে সেট পিসে হামজার বিশ্বমানের গোল, তারপর ছন্দপতন। ৩ গোল খাওয়া। কিন্তু শেষ দিকে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-৩ করে বাংলাদেশ। তবে শেষ কয়েক সেকেন্ডে গোল খেয়ে হেরে যায়। বরাবরের মতো এই ম্যাচেও বাংলাদেশের ভরসার প্রতীক লিস্টার সিটির ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হামজা। সেদিন মধ্যমাঠ, রক্ষণ ও আক্রমণভাগ&amp;ndash; সব জায়গাতেই বিচরণ ছিল এ তারকার।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেই ম্যাচের আগে হামজাকে বেঞ্চে রাখার কথা বলা হংকং চায়নার কোচ অ্যাশলে ওয়েস্টউড গতকাল আসল সত্যটা বলেছেন, &amp;lsquo;হামজাকে বেঞ্চে রাখার কথাটি মজার ছলেই বলেছিলাম। হামজাকে কোন পজিশনে খেলাতাম, সেটা নিয়ে আমি দ্বিধায় থাকতাম। কাল (আজ) ওর ওপর বাড়তি নজর রাখতে হবে। সে ডিফেন্স করতেও পারদর্শী, আবার গোল করতেও।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগের ম্যাচে রক্ষণ বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে। আনফিট তপু বর্মণ ও হাফ ফিট তারিক রায়হান কাজী মাঠে নামলেও প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তি মেলাতে পারেননি। এই ম্যাচে অবশ্য পুরো ফিট তপুকে পাওয়ার আশা আছে। একই সঙ্গে একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আসতে পারে। ঢাকায় দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামানো কানাডা প্রবাসী শমিত সোমকে শুরুর একাদশে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ ক্যাবরেরা। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জায়ান আহমেদকেও দেখা যেতে পারে বেস্ট ইলেভেনে। গোলপোস্টের নিচে মিতুল কিছুটা নড়েবড়ে থাকলেও হংকংয়ে তাঁর ওপরই আস্থা রাখছেন কোচ। আর মাস্ট উইন ম্যাচে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকেও খেলানোর পরিকল্পনা আছে তাঁর। শুরুতে না হলেও বদলি হিসেবে দেখা যেতে পারে জামালকে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে কোচ যখনই নামান না কেন, দেশের জন্য খেলতে প্রস্তুত তিনি, &amp;lsquo;আমাদের এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি। আমি বিশ্বাস করি, এই তিন ম্যাচ থেকে ৯ পয়েন্ট আনা সম্ভব। আজ (মঙ্গলবার) বাঁচা-মরার লড়াই। জয় নিয়ে দেশে ফিরতে চাই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/388</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 11:37:34 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/388</guid>
		<description> বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পতাকা </description>
		<content:encoded><![CDATA[বিশ বছর পর যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) নবম বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আসন্ন জেইসি বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। আর পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির অর্থনৈতিক বিষয়কমন্ত্রী আহাদ খান চিমা। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে দুই দেশ। আহাদ খান চিমার ঢাকা সফরের সময় জেইসি বৈঠকে অংশ নেওয়া ছাড়াও একাধিক বৈঠকের কথা রয়েছে। সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন। দুই দেশের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সবশেষ বৈঠকটি ২০০৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্রে জানা গেছে, জেইসির বৈঠকে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী যখন ঢাকায় থাকবেন, কাছাকাছি সময়ে ইসলামাবাদ সফরের কথা রয়েছে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খানের আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার জন্য শেখ বশিরউদ্দীনের ওই সফরের কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
গত বছরের আগস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার অংশ হিসেবে ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা ইস্যু নিয়ে উদ্যোগ আর আলোচনা হচ্ছে। তাই এবারের জেইসি বৈঠকে দুই দেশ সরাসরি অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা করার বিষয়টি ঠিক করেছে। সে ক্ষেত্রে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো, কৃষিতে সহায়তা, আর্থিক সেবা খাত, ব্যাংকিংসহ সংশ্লিষ্ট খাতে কীভাবে সামনের দিনে সহায়তা এগিয়ে নেওয়া যায়, তাতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পরিমাণে শুল্ক ও কোটামুক্তভাবে চা, পাটজাত পণ্য, মেডিসিন, তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী আমদানির জন্য পাকিস্তানকে অনুরোধ করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আহাদ খান চিমার সফরটি হবে বাংলাদেশে পাকিস্তানি মন্ত্রী পর্যায়ের চতুর্থ সফর। সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে গত এপ্রিলে পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠকে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ। এরপর ঢাকা আসেন বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রথম বারের মতো ‘তিন খান’ একই মঞ্চে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/387</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 11:29:44 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/387</guid>
		<description> বলিউডের ‘তিন খান’ </description>
		<content:encoded><![CDATA[বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় তিন খান শাহরুখ খান, সালমান খান ও আমির খান প্রথমবারের মতো এক মঞ্চে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের প্রত্যাশা ছিলো এই তিন সুপারস্টারকে একসঙ্গে দেখা যাবে কোনো সিনেমা বা ইভেন্টে। এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে সৌদি আরবের রিয়াদে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর রিয়াদের বুলেভার্ড সিটি&amp;rsquo;র এসইএফ এরেনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনোদন সম্মেলন &amp;lsquo;জয় ফোরাম ২০২৫&amp;rsquo;। আর সেখানেই একসঙ্গে উপস্থিত থাকবেন তিন খান।&lt;br /&gt;
বিশেষ করে ১৭ অক্টোবরের সেশনে তারা অংশ নেবেন। নিজেদের দীর্ঘ অভিনয়জীবন, বলিউডের বর্তমান অবস্থা ও বিশ্ববিনোদন শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে সৌদি আরবের সরকারি প্রতিষ্ঠান জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটি (জিইএ)। জিইএ চেয়ারম্যান তুর্কি আলালশেখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করে লিখেছেন, সিনেমার সবচেয়ে বড় তারকারা এক জায়গায় আসছেন। ১৭ অক্টোবর জয় ফোরামে বক্তা হিসেবে যোগ দেবেন শাহরুখ খান, সালমান খান ও আমির খান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের জয় ফোরামে ৩০টিরও বেশি দেশের অতিথি অংশ নিচ্ছেন। তিন খানের পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন ইউটিউব তারকা মিস্টার বিস্ট, ইউএফসি প্রেসিডেন্ট ডানা হোয়াইট, ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগান, ইউএফসি চ্যাম্পিয়ন জন জোনস, মার্কিন উদ্যোক্তা ডেমন্ড জন এবং বাস্কেটবল কিংবদন্তি শাকিল ও&amp;rsquo;নিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে শাহরুখ খান একাই জয় ফোরামে অংশ নিয়েছিলেন। তখন তাঁর সঙ্গে জ্যাকি চ্যান ও জ্যঁ-ক্লদ ভ্যান ড্যামের সেলফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ বিনোদন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সেমিফাইনালে সাকিবের  মন্ট্রিয়াল রয়েল টাইগার্সের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/386</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 13:05:56 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/386</guid>
		<description> আইকন খেলোয়ার সাকিব আল হাসান </description>
		<content:encoded><![CDATA[কানাডা সুপার সিক্সটি টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে এটা ছিলো মাস্ট উইন ম্যাচ মন্ট্রিয়াল রয়েল টাইগার্সের। সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ব্র্যাম্পটন ব্লিটজকে ৪৩ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে সাকিব আল হাসানের দল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রবিবার ভ্যাঙ্কুবারে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৩০ রানের সংগ্রহ গড়ে মন্ট্রিয়াল রয়েল টাইগার্স। জবাবে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ৮৭ রানে থেমে যায় ব্র্যাম্পটন ব্লিটজের ইনিংস।&lt;br /&gt;
ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরুটা ছিল ঝোড়ো। ওপেনার জশ ব্রাউন ও দিলপ্রিত বাজওয়া মাত্র ২২ বলেই দলকে এনে দেন ৬১ রানের শক্ত জুটি। ব্রাউন করেন ১৯ রান, বাজওয়া আউট হওয়ার আগে খেলেন ১৮ বলে ৫৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তিনে নেমে দ্রুত রান তোলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান&amp;mdash;গ্রিভসকে পরপর দুই বলে বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি, ৭ বলে ১১ রান করে গ্রিভসেরই শিকার হন।&lt;br /&gt;
মিডল অর্ডারে রায়ান হিগিনস ও টম মুরস ব্যর্থ হলেও শেষদিকে শ্রেয়াস মোভভার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে (১২ বলে অপরাজিত ২২) দলকে পৌঁছে দেন ১৩০ রানে।&lt;br /&gt;
টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ব্র্যাম্পটন ব্লিটজ। মন্ট্রিয়ালের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্টিন গাপটিল, উইল স্মিদ ও জেমস ভিন্সরা বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। অধিনায়ক ডেভিড ভিসা করেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রান।&lt;br /&gt;
বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন ব্র্যাড কারি, অ্যান্ড্রু টাই ও ইসুরু উদানা&amp;mdash;তাদের নিখুঁত বোলিংয়েই প্রতিপক্ষকে মাত্র ৮৭ রানে আটকে দেয় মন্ট্রিয়াল রয়েল টাইগার্স। উল্লেখ্য, এই ম্যাচে বল হাতে নামেননি অধিনায়ক সাকিব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেষ পর্যন্ত ৪৩ রানের জয়ে গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় মন্ট্রিয়াল রয়েল টাইগার্স।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ স্পোর্টস&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত মদ পান করে ৬ জনের মৃত্যু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/385</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 12:20:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/385</guid>
		<description> ফাইল ছবি/সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত মদ পান করে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে । তবে পুলিশ বলছে, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। প্রাথমিক তদন্তে ৬ জনের মৃত্যু এবং ৩ জনের অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপ্স) জামাল আল নাসের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৃত্যু ব্যক্তিরা হলেন&amp;mdash; চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নফরকান্তি গ্রামের পূর্বপাড়ার ভ্যানচালক খেদের আলী (৪০), খেজুরা গ্রামের হাসপাতালপাড়ার মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিম (৪০), পিরোজখালি গ্রামের স্কুলপাড়ার ভ্যানচালক মোহাম্মদ লালটু ওরফে রিপু (৩০), শংকরচন্দ্র গ্রামের মাঝেরপাড়ার শ্রমিক মোহাম্মদ শহীদ (৪৫), ডিঙ্গেদহ গ্রামের টাওয়ারপাড়ার মিল শ্রমিক মোহাম্মদ সামির (৫৫) এবং ডিঙ্গেদহ এশিয়া বিস্কুট ফ্যাক্টরি পাড়ার শ্রমিক সরদার মোহাম্মদ লালটু (৫২)। ডিঙ্গেদহ এলাকার আলিম উদ্দিন সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত শনি ও রোববার রাত পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানায়।&lt;br /&gt;
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপ্স) জামাল আল নাসের জানান, রোববার (১২ অক্টোবর) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় এসে দুজন ব্যক্তি, অফিসার ইন চার্জ খালেদুর রহমানকে তাদের এলাকায় মৃত্যুর খবরটি জানান। তখন তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে, তাদের নির্দেশে তিনি তদন্ত শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুসন্ধানে দেখা যায়, যে যে ব্যক্তি মারা গেছেন, হাসপাতাল থেকে দেয়া তাদের মৃত্যুসনদে অ্যালকোহল পয়জনিংয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে লেখা। এ রকম ৬টি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরইমধ্যে ৪টি মরদেহের দাফন হয়ে গেছে। ২টি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরো জানান, গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তারা একসঙ্গে বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, সেই থেকে তারা অসুস্থতা বোধ করছিল। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে তাদের মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্ত চলছে। তারা কোত্থেকে ওই দ্রব্য কিনে পান করেছে তা তদন্ত করে জানার চেষ্টা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিঙ্গেদহ এলাকার একজন ব্যবসায়ী বলেন, কিছু দিন আগে ওপেন হাউজ ডে&amp;rsquo;তে ওই এলাকায় রেক্টিফাইড স্পিরিটসহ মাদকদ্রব্য বেচাকেনার বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়েছিল। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/জেলার খবর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চীনের শত্রু নয়, বন্ধু হতে চায় আমরেকিা: ডোনাল্ড ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/384</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 09:49:38 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/384</guid>
		<description> ছবি: সংগহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চীনের ক্ষতি নয়, বরং সহযোগিতা করতে চায়। শুক্রবার চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার কয়েক দিন পরই তিনি এমন মন্তব্য করলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রবিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল&amp;ndash;এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, চীন নিয়ে চিন্তা করবেন না, সব ঠিক হয়ে যাবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিরল ধাতু রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপকে &amp;lsquo;একটি সাময়িক ভুল&amp;rsquo; বলে বর্ণনা করেছেন। ট্রাম্প বলেন, অত্যন্ত সম্মানিত প্রেসিডেন্ট শি কেবল এক খারাপ মুহূর্তের মধ্যে ছিলেন। তিনি তার দেশের জন্য মন্দা চান না, আমিও চাই না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র চীনকে সাহায্য করতে চায়, ক্ষতি নয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ট্রাম্পের আগের হুমকি ও চলতি মাসের শেষে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক বাতিলের ইঙ্গিত দেওয়ার পর ওয়াল স্ট্রিটে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন হয়।&lt;br /&gt;
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, চীনের &amp;lsquo;অত্যন্ত আগ্রাসী&amp;rsquo; বিরল খনিজ রপ্তানিতে নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় আগামী ১ নভেম্বর থেকে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।&lt;br /&gt;
এর জবাবে বেইজিং অভিযোগ করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ &amp;lsquo;দ্বৈত নীতির আদর্শ উদাহরণ।&amp;rsquo; চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সেপ্টেম্বর থেকে ওয়াশিংটন একের পর এক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করছে, যা অন্যায়।&lt;br /&gt;
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিনিয়ত উচ্চ শুল্কের হুমকি দেওয়া চীনের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্কের সঠিক উপায় নয়।&lt;br /&gt;
বর্তমানে চীনা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক ৩০ শতাংশ, যা ট্রাম্প প্রশাসন আরোপ করেছিল চীনের তথাকথিত অন্যায্য বাণিজ্যনীতি ও ফেন্টানিল বাণিজ্যে সহায়তার অভিযোগে। এর জবাবে চীনও মার্কিন পণ্যের ওপ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে।&lt;br /&gt;
বিশ্বের দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তির মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনাগুলোর অন্যতম বড় বাধা হয়ে উঠেছে রেয়ার&amp;ndash;আর্থ বা বিরল খনিজ পদার্থ, যা আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অপরিহার্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের নতুন অবস্থান হয়তো বাণিজ্যযুদ্ধের উত্তাপ কিছুটা কমাতে পারে, তবে উভয় দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা এখনো বহাল রয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবরোধ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/383</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 15:14:55 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/383</guid>
		<description> অবরোধ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা </description>
		<content:encoded><![CDATA[জধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবরোধ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। রাস্তা থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের সরাতে পুলিশ লাঠিপেটা করেছে। সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ছুড়েছে। এতে কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া দেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। &amp;lsquo;এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট&amp;rsquo;-এর ব্যানারে এই কর্মসূচিতে তাঁরা অংশ নেন। তাঁদের অন্য দুটি দাবি হলো শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য চিকিৎসা ভাতা দেড় হাজার টাকা করা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করা। বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেওয়ায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তা দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমের নেতৃত্বে একটি দল আন্দোলনকারী শিক্ষকদের রাস্তা ছেড়ে দিতে আলটিমেটাম দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিসি মাসুদ আলম শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, &amp;#39;আপনারা শহীদ মিনারে চলে যান, পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হলো। পাঁচ মিনিট পরে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। আপনাদের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে চলে গেছেন। সুতরাং আপনারা এখানে রাস্তা অবরোধ করবেন না।&amp;#39;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুদানে আশ্রয়কেন্দ্রে ড্রোন হামলা, নিহত ৬০ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/382</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 14:47:33 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/382</guid>
		<description> ধ্বংস্বস্তুপে পরিনত হয়েছে আশ্রয় শিবির </description>
		<content:encoded><![CDATA[সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের অবরুদ্ধ শহর এল-ফাশারে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বিদ্রোহী র&amp;zwnj;্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। এই হামলায় অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।&lt;br /&gt;
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) শহরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্রটিতে হামলা চালানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা জানান, হামলার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে বহু নারী ও শিশু অবস্থান করছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, সড়কে জলাবদ্ধতাপানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই, সড়কে জলাবদ্ধতা&lt;br /&gt;
এল-ফাশারের স্থানীয় প্রতিরোধ কমিটি এ হামলাকে &amp;lsquo;গণহত্যা&amp;rsquo; বলে অভিহিত করেছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে শহরটির মানবিক বিপর্যয় আরও না বাড়ে।&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক আরএসএফের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির লাখো মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন, এবং প্রায় আড়াই কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকট ও দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
এল-ফাশার দারফুর অঞ্চলের শেষ রাজ্য রাজধানী, যা এখনও সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরএসএফ এই শহরটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে এল-ফাশার এখন যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ফ্রন্টে পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানবাধিকার সংস্থাগুলো শহরটির ভয়াবহ অবস্থা তুলে ধরে একে &amp;lsquo;খোলা আকাশের নিচে মর্গ&amp;rsquo; বা উন্মুক্ত মৃতঘর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/381</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 14:34:48 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/381</guid>
		<description> ধর্মঘটের একটি স্থির চিত্র (সংগৃহিত) </description>
		<content:encoded><![CDATA[রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল থেকে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়া সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিক নেতারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাচ্ছে না ইউনাইটেড ও সৌখিন পরিবহনের অন্তত ৩০০ গাড়ি। এতে অফিসগামী থেকে শুরু করে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্যেশে রওনা হওয়া যাত্রীরা বাস টার্মিনালে এসে পড়েছেন চরম বিপাকে। শ্রমিক নেতৃবৃন্দের নির্দেশে রোববার সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে চলা বিভাগের ময়মনসিংহসহ নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের সব দূরপাল্লার বাসচলাচল বন্ধ রয়েছে বলে পরিবহন শ্রমিকরা জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গন্তব্যের উদ্দেশে যেতে না পারায় বিপাকে পড়া যাত্রীরা বলেন, আলোচানার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক। পরে সকাল ৮টার পর&amp;nbsp; শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দাবিতে অনশন ধর্মঘটের ডাক দেয় কিছু বাস টার্মিনাল পরিবহন শ্রমিকরা, সব সমস্যার সমাধান করে রাজনীতিমুক্ত পরিবহন ব্যবস্থারও দাবি জানান তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর মাহমুদ আলম বলেন, এনসিপির কয়েকজনকে সামনে রেখে একটি পক্ষ বিষয়টি বড় করছে। তারা অনৈতিক সুবিধা নিতে প্রায়ই এমন ঝামেলা সৃষ্টি করে। গতকাল জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিনুল হক শামীম পরিচালিত ১৬ বাস বন্ধের পাশাপাশি একটি মনিটরিং টিম গঠন করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় বাস চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু ঢাকার নেতৃবৃন্দ তা মানতে নারাজ, যার কারণে ইউনাইটেড এবং সৌখিন পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকে। আজ সকাল থেকে বিভাগের চার জেলাসহ ঢাকাগামী কিশোরগঞ্জের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাদের দাবি নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ শ্রমিক অরুণের মুক্তি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাকিস্তানের ১৯ আফগান সীমান্ত পোস্ট দখলের দাবি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/380</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 13:08:13 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/380</guid>
		<description> পাকিস্তান-আফগানিস্তান </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;আফগানিস্তানের ১৯টি সীমান্ত পোস্ট দখলের দাবি করেছে পাকিস্তান। শনিবার (১১ অক্টোবর) আফগান সেনাবাহিনীর সঙ্গে রাতভর সংঘাতে এই সীমান্ত পোস্টগুলো দখলে এসেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবহিনী।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তানি সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, শনিবার রাতভর সংঘাতে পাকিস্তান সেনবাহিনীর আক্রমণের মুখে সীমান্তবর্তী আফগানিস্তানের ডুরান মেলা, তুর্কমানজাই, শহিদান, কুনার, চাগাইসহ ১৯টি পোস্ট থেকে পালিয়েছে আফগান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংঘাতের সময় এসব পোস্টে কয়েক ডজন আফগান সেনা নিহত এবং আহত হয়েছেন। তাদেরকে ফেলে রেখেই কর্মকর্তা ও সদস্যরা পালিয়েছেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের সেনবাহিনী।&lt;br /&gt;
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, পাকিস্তান ও আফগান তালেবান বাহিনীর মধ্যে শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি জানিয়েছেন, আফগান বাহিনীর &amp;lsquo;উসকানিমূলক&amp;rsquo; হামলার জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী শক্ত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ডন জানিয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী আন্তর্জাতিক সীমান্তে আফগান বাহিনীর বেশ কয়েকটি পোস্টে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এতে আফগান পোস্ট ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর &amp;lsquo;গুরুতর ক্ষতি&amp;rsquo; হয়েছে বলে দাবি তাদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবরে বলা হয়, হামলায় আর্টিলারি, ট্যাংক, হালকা ও ভারি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। আফগান বাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়ার আঙ্গুরআড্ডা, বাজাউর, কুররাম, দির, চিত্রাল এবং বেলুচিস্তানের বারামচায় পাকিস্তানি পোস্টে গুলি চালায়।&lt;br /&gt;
কাবুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, পাকিস্তান গত সপ্তাহে আফগান রাজধানীতে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবেই সীমান্তে লড়াই শুরু হয়েছে বলে দাবি তালেবান সীমান্তবাহিনীর।&lt;br /&gt;
তালেবান কর্মকর্তারা কুনার, নানগারহার, পাকতিকা, খোস্ত ও হেলমান্দ প্রদেশ থেকে সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইসলামাবাদ যদিও বিমান হামলার কথা অস্বীকার করেছে, তবে কাবুলকে সতর্ক করে বলেছে, &amp;lsquo;তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে নিজেদের মাটিতে আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
এদিকে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, &amp;lsquo;একাধিক আফগান সেনা নিহত হয়েছে&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;তালেবান যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
তারা আরও বলেছে, &amp;lsquo;দায়েশ ও খারেজি গোষ্ঠীর ঘাঁটিগুলো, যেগুলো আফগান অন্তর্বর্তী সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় চলছে, সেখানে আর্টিলারি, ট্যাংক, ড্রোন ও বিমান দিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান উভয় পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে কাতার, ইরান, সৌদি আরবের মতো প্রতিবেশী দেশগুলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, দ্যা ডন, কালবেলা&lt;br /&gt;
*সময় ভেলা/ আন্তর্জাতিক ডেস্ক&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ থেকে শুরু হচ্ছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/379</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 11:25:52 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/379</guid>
		<description> টিকা কার্যক্রমের লোগো </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। রবিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, &amp;lsquo;টাইফয়েডে এখনো দেশের শিশুদের মৃত্যু হয়&amp;mdash;এটা আমাদের লজ্জার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব ইনশাআল্লাহ।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
নূরজাহান বেগম বলেন, &amp;lsquo;আমাদের এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য&amp;mdash; রোগ প্রতিরোধ। যত বেশি মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের প্রতিরোধমূলক টিকার আওতায় আনা যাবে, ততই হাসপাতালে ভিড় ও চাপ কমবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা যদি প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে দেশে টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে।&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও এই টিকা পাবে।&lt;br /&gt;
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে এই টিকা, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নতুন সচিব নিযুক্ত হয়েছেন  মোহাম্মদ এহসানুল হক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/378</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 11:11:42 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/378</guid>
		<description> মোহাম্মদ এহসানুল হক </description>
		<content:encoded><![CDATA[জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিযুক্ত হয়েছেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ এহসানুল হক।&lt;br /&gt;
রবিবার (১২ অক্টোবর) তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।&lt;br /&gt;
এহসানুল হক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মোখলেস উর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন।&lt;br /&gt;
এহসানুল হক এর আগে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছিলেন।&lt;br /&gt;
এর মধ্য দিয়ে ২১ দিন শূন্য থাকার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব পদায়ন করা হলো।&lt;br /&gt;
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমানকে গত ২১ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে বদলি করা হয়। তারপর থেকে জনপ্রশাসন সচিবের পদটি ফাঁকা ছিল।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইজরায়েল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/377</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 11:02:47 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/377</guid>
		<description> ইসরায়েলি বাহিনী </description>
		<content:encoded><![CDATA[তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার থেকে ইসরায়েল-গাজা সীমান্তের &amp;lsquo;ইয়েলো লাইন&amp;rsquo; ক্রসিং দিয়ে সেনাদের ফিরিয়ে আনা শুরু হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত গাজার মধ্যাঞ্চলীয় শহর গাজার সিটির শেজাইয়া, আল তুফাহ এবং জেইতুন এলাকা, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের পূর্বাংশ এবং দক্ষিণাংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে গাজার অন্যান্য এলাকা থেকেও সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদিন দক্ষিণ গাজার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে উত্তর গাজায় ফিরে গেছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। যানবাহনের পরিমাণ কম এবং তেলের সংকট থাকায় অধিকাংশ ফিলিস্তিনি যাত্রা করেছেন পায়ে হেঁটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই ভাবে দক্ষিণ গাজার যেসব বাসিন্দা গাজার মধ্যঞ্চলীয় শহর গাজা সিটি এবং পূর্ব গাজায় আশ্রয় নিয়েছিলেন, তারাও নিজ নিজ এলাকায় ফেরা শুরু করেছেন। বাড়ি ফেরার জন্য সমুদ্রের তীরবর্তী আল রশিদ স্ট্রিট এবং সালাহ আল দীন রোড&amp;mdash; এ দু&amp;rsquo;টি সড়ক ব্যবহার করছেন তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি বাহিনীর গত ২ বছরের অভিযানে গাজার ৯০ শতাংশ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বস হয়ে গেছে, বাকি ১০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত। ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর একটি বড় অংশই ঘরবাড়ি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান থেকে জীবন বাঁচাতে যারা নিজেদের এলাকা ও বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের অধিকাংশের বাড়িঘর এখন ধ্বংস্তূপ। যেসব ফিলিস্তিনি ইতোমধ্যে নিজ&amp;nbsp; নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন, তারা তাঁবু খাটিয়ে বসবাস করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার সরকারি মিডিয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা এবং ধ্বংস্তূপের তলায় আটকে থাকা মৃতদের দেহাবশেষ উদ্ধার করতে ইতোমধ্যে উপত্যকাজুড়ে ৫ হাজার মিশন শুরু হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোমবার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত নতুন একটি পরিকল্পনার ব্যাপারে ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস সম্মতি জানানোর পর ১০ অক্টোবর শুক্রবার গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা এবং ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর ইসরায়েলের গত ৭৭ বছরের ইতিহাসে এটি ছিল সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী হামলা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হামাসের এই হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের উদ্ধার করতে পরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান &amp;zwj;শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সেই অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছেন ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েচেন আরও প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আবারো ব্যাটিং বিপর্যয়ে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/376</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 10:49:05 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/376</guid>
		<description> সম্মেলনে ক্যাপ্টেন মিরাজ </description>
		<content:encoded><![CDATA[বোলিং-ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ গতকাল নিজেদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছে। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তানদের রান যেখানে সহজেই ২০০ ছাড়াতে পারত, তার চেয়েও কমে ১৯০ রানে আটকে দিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু সিরিজ বাঁচানোর এমন দারুণ সুযোগ হেলায় হারাল বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে গতকাল টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে ১৯০ রানে আটকে গেছে আফগানিস্তান। এই মাঠে ওয়ানডেতে প্রথম ইনিংসে সর্বনিম্ন স্কোর। এই রান তাড়া করতে নেমে ২২.২ ওভারে ৫ উইকেটে ৯৯ রান ছিল বাংলাদেশের। হাতে ৫ উইকেট নিয়ে শেষ ১৬৬ বলে ৯২ রান বাংলাদেশ কেন, নামিবিয়া-আয়ারল্যান্ডও হেসেখেলে তাড়া করে জিততে পারবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ যেভাবে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে, গতকাল দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেটার ব্যতিক্রম হয়নি। ১০ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানে শেষ মিরাজের দল।&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার পরও ১২৯ বল বাকি ছিল। আফগানদের কাছে গত রাতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮১ রানের লজ্জাজনক হারে মিরাজ ব্যাটারদেরকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, আমাদের ব্যাটাররা যথেষ্ট দায়িত্ব নিচ্ছে না। ব্যাটিংয়ে আমাদের উন্নতি দরকার। যদি ওয়ানডেতে রান করতে না পারি, তাহলে আমরা টিকে থাকতে পারব না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আফগানিস্তান মূলত ৯ উইকেট পড়াতেই গতকাল আউট হয়েছে। কারণ, রহমত শাহ মাঝে চোটে পড়েছিলেন। ৯ উইকেট পড়ার পর ফের ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন। কিন্তু ১ বল মোকাবিলা করেই হুইলচেয়ারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। আফগানদের ৯ উইকেটের মধ্যে মিরাজ নিয়েছেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রিশাদ হোসেন ও তানজিম হাসান সাকিব। মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১ উইকেট। আর যে রানআউটটা হয়েছে, সেটা তানজিদ হাসান তামিম ডিপ মিড উইকেট থেকে ডিরেক্ট থ্রোতে স্টাম্প ভেঙেছেন। বোলারদের কৃতিত্ব দিয়ে মিরাজ বলেন, &amp;lsquo;আমার মতে বোলিংটা ভালোই হয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫০ ওভারে ১৯১ রানের লক্ষ্যে নেমে ১০.২ ওভারে ৪ উইকেটে ৫০ রানে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। চারটির মধ্যে আজমতউল্লাহ ওমরজাই নিয়েছেন ৩ উইকেট। এর মধ্যে নাজমুল হোসেন শান্ত যে রানআউট হয়েছেন দুই রান নিতে গিয়ে, সেটা ব্যাখ্যাতীত। সাইফ হাসান চার-ছক্কা মারার পর অপ্রয়োজনীয় আপার কাট খেলতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। পঞ্চম উইকেটে তাওহীদ হৃদয়-জাকের আলী অনিক ২৯ রানের জুটি গড়েন। সেই জুটিটাও ভেঙেছে হৃদয়ের দোষে। রশিদ খানকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন হৃদয়। এই রশিদের কাছেই এরপর নাকানিচুবানি খেয়েছে বাংলাদেশ। ৮.৩ ওভারে ১৭ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন আফগান এই লেগস্পিনার। দুই ওভার মেডেনও দিয়েছেন। একটা ক্যাচও ধরেন শর্ট কাভারে। যেখানে নাঙ্গেলিয়া খারোতের বলে জাকের ক্যাচিং অনুশীলন করিয়েছেন রশিদকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিরাজ বারবার গতকাল তাই বাজে ব্যাটিংয়ের কথাই উল্লেখ করেছেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, &amp;lsquo;আমাদের এই রান তাড়া করে সহজে জেতা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা আজ (গতকাল) জঘন্য ব্যাটিং করেছি। সতীর্থদের বলেছিলাম টপ অর্ডারে জুটি দরকার। কিন্তু সেটা আমরা করতে পারিনি। আমরা জুটি গড়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু দায়িত্ব তো নিতে হবে। সমস্যা সেখানেই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
এ বছর বাংলাদেশ ৭ ওয়ানডে খেলে কেবল একবারই ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পেরেছে। আর গতকাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে যে ভয়াবহ ধস হয়েছে বাংলাদেশের, সেটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না। এ বছরের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে দ্বিতীয় থেকে অষ্টম&amp;mdash;এই ৭ উইকেট দ্রুততম পড়ার লজ্জাজনক রেকর্ডটি এখন বাংলাদেশের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা, খেলাযোগ একাত্তর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তা হেফাজতে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/375</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 10:27:05 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/375</guid>
		<description> হেফাজতে ১৫ সেনা কর্মকর্তা </description>
		<content:encoded><![CDATA[&amp;lsquo;গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধে&amp;rsquo; জড়ানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) অভিযোগপত্রে নাম আসা সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৫ জনকে ঢাকায় সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জন কর্মরত ও একজন অবসর প্রস্তুতিকালীন ছুটিতে (এলপিআর) থাকা কর্মকর্তা। নোটিস করার পরও একজন কর্মকর্তা সাড়া দেননি। তবে সেনা সদর বলছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময়ই সংবিধান এবং প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ন্যায়বিচার বা ইনসাফের প্রশ্নে সেনাবাহিনী আপসহীন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে সেনা আইনের সঙ্গে মুখোমুখি দাঁড় না করানোর অনুরোধ জানিয়েছে রাষ্ট্রের প্রধান এই নিরাপত্তা বাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গতকাল ঢাকা সেনানিবাসের স্টাফ রোড মেসের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সেনা কর্মকর্তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে &amp;lsquo;আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;প্রয়োজন অনুযায়ী&amp;rsquo; তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ইতোমধ্যে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিরোধীমতের লোকদের গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গত বুধবার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বাহিনীর অবস্থান স্পষ্ট করল সেনাবাহিনী।&lt;br /&gt;
মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, গত ৮ অক্টোবর আইসিটিতে প্রথম দুটো চার্জশিট জমা পড়ে। এরপর তৃতীয় আরেকটা চার্জশিট জমা পড়ে। বেলা ১১টা থেকে ১টার মধ্যে আমরা টিভি স্ক্রলের মাধ্যমে জানতে পেরেছি চার্জশিট জমা পড়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করেছেন। চার্জশিটগুলোর মধ্যে একটা ছিল গুমসংক্রান্ত। যারা তখন ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন তাদের একটা বড় অংশের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ। আরেকটা ছিল র&amp;zwnj;্যাবের টিএফআই সেল নিয়ে। অন্যটা ছিল ৪-৫ আগস্টের রামপুরার ঘটনা নিয়ে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে গেল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা অভিযোগপত্রের বিষয়টি অবগত হয়েছি। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো চার্জশিট কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কোনো কপি আমরা পাইনি। আমরা জেনেছি, চার্জশিটে প্রায় ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে। এর মধ্যে অবসরে আছেন ৯ জন কর্মকর্তা, এলপিআরে আছেন ১ জন কর্মকর্তা ও কর্মরত আছেন ১৫ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেনাবাহিনীও চায় গুম, খুনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের সঠিক বিচার হোক উল্লেখ করে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ন্যায়বিচার বা ইনসাফের প্রশ্নে আপসহীন। বিভিন্ন মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগপত্রের বিষয়টি অবহিত হবার পরপরই ১৫ জন কর্মকর্তাকে আমরা আমাদের হেফাজতে নিয়েছি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ায় স্বপ্রণোদিত হয়ে এই কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদেশ দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, গত ৮ অক্টোবর কর্মরত ১৫ ও এলপিআরে থাকা একজন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য একটা আদেশ সংযুক্তি করে পাঠানো হয়। তারা ৯ অক্টোবরই ঢাকা সেনানিবাসে সেনা হেফাজতে আসেন। যদিও মেজর জেনারেল কবির নামে একজন সেনা কর্মকর্তা এখনো পর্যন্ত সাড়া দেননি। তার বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে এখন পর্যন্ত তথ্য হলো, তার স্ত্রী বলেছেন ৮ অক্টোবর সকালেই তিনি ঘর থেকে বের হয়েছিলেন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার জন্য। এরপর থেকে তার কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকে &amp;lsquo;এডব্লিউওএল&amp;rsquo; (ইলিগ্যাল এবসেন্ট) হিসেবে ঘোষণা করি। একই সঙ্গে স্থলবন্দর, বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর দিয়ে যেন তিনি দেশত্যাগ করতে না পারেন সেজন্য ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবিকে অবহিত করা হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়ও আমরা লোক পাঠিয়েছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে চার্জশিটের কপি পেলে আমরা অভিযুক্তদের কার কী অপরাধ তা খতিয়ে দেখব। পাশাপাশি ওই সেনা কর্মকর্তাদের বিচার প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে আমরা তাদের কাছ থেকে মতামত বা বক্তব্য চাইব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, র&amp;zwnj;্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে আটকে রেখে নির্যাতনের মামলায় ১৭ জন এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) বন্দি রেখে নির্যাতনের মামলায় ১৩ জন আসামি। দুই মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকের নাম রয়েছে আইসিটির আসামি তালিকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, সমকাল, ঢাকা পোস্ট&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কেমন হওয়া উচিত! জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/374</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 18:08:12 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/374</guid>
		<description> বাংলাদেশে এলপিজি : অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন </description>
		<content:encoded><![CDATA[এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেছেন, &amp;lsquo;দেশের স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে সিলিন্ডারের বাজার মূল্য ১২০০ টাকার বেশি হওয়ায় শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহারকারীরা যথাযথ সুবিধা পাচ্ছেন না। অথচ এর দাম ১ হাজার টাকা মধ্যে হওয়া উচিত।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত &amp;lsquo;বাংলাদেশে এলপিজি : অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা&amp;rsquo; শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফাওজুল কবির খান বলেন, &amp;lsquo;প্রতি বছর স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন কমছে। এসময় প্রায় ২০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট উৎপাদন কমছে। কিন্তু আমরা মাত্র ৭০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট নতুন গ্যাস সংগ্রহ করতে পেরেছি। এ জন্য এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে, যদিও এর উচ্চমূল্যের কারণে সমালোচনা হচ্ছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, &amp;lsquo;এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া প্রয়োজন, তাই স্বল্পমেয়াদে ঘাটতি মোকাবিলায় এলপিজি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। এলপিজির প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দাম। বর্তমানে ১২০০ টাকা দামের সিলিন্ডার কিছু ক্ষেত্রে বাজারে ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই দামের নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক উন্নয়ন এবং প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকারিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব ছাড়া দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/জাতীয়]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আগামীকাল ইতালির রোমে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/373</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 17:33:40 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/373</guid>
		<description> ড.মুহাম্মদ ইউনূস </description>
		<content:encoded><![CDATA[ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্টে যোগ দিতে ইতালির রোমে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আগামীকাল রোববার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রোমের উদ্দেশে যাত্রা করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।&lt;br /&gt;
সফরসূচি অনুযায়ী অধ্যাপক ইউনূস ফোরামের মূল অধিবেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।&lt;br /&gt;
পাশাপাশি তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য নিরসন, টেকসই উন্নয়নসহ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।&lt;br /&gt;
১৫ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: সময় টেলিভিশন, কালেরকণ্ঠ]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ব্লক বাস্টারে এগোচ্ছে সিনেমা ‘কান্তারা’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/372</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 17:05:14 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/372</guid>
		<description> ছবিটি সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[বছর তিনেক আগে মুক্তি পেয়েছিল বলিউড সিনেমা &amp;lsquo;কান্তারা&amp;rsquo;। ঋষভ শেট্টি পরিচালিত ওই ছবি বক্স অফিসে ঝড় তোলে সেই সময়। ২ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে এই ছবির প্রিক্যুয়েল &amp;lsquo;কান্তারা: চ্যাপটার ১&amp;rsquo;। প্রায় ১২৫ কোটি বাজেটের এই ছবি তিন বছর ধরে বানিয়েছেন ঋষভ। মুক্তির প্রথম দিনেই ৬১ কোটির ব্যবসা করে এই ছবি। পাঁচ দিনে সারা বিশ্বে ছবিটি ইতিমধ্যেই ৪১৫ কোটি রুপির ব্যবসা করে ফেলেছে বলে খবর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মহামারির ঠিক পরেই ২০২২ সালে ঋষভ শেট্টি অভিনীত, প্রযোজিত, পরিচালিত এই ছবি দর্শকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করে। শুধু ছবিটি নয়, অভিনেতা ঋষভকে নিয়েও শুরু হয় চর্চা। যদিও তিনি &amp;lsquo;কান্তারা&amp;rsquo;র সাফল্যের পরে ফের চলে যান অন্তরালে। তিন বছরের বিরতি নিয়ে ফের একই রকম সাড়া পেলেন দর্শকদের কাছ থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মোট পাঁচটি ভাষায় মুক্তি পেয়েছে এই ছবি। তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম ও হিন্দি। এই ছবির সঙ্গেই মুক্তি পেয়েছে বরুণ ধাওয়ান ও জাহ্নবী কপূর অভিনীত &amp;lsquo;সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী&amp;rsquo; যদিও &amp;lsquo;কান্তার ১&amp;rsquo;-এর পাশে দাঁড়াতে পারেনি এই ছবি। শুধু ভারতেই প্রথম তিন দিনে ২০০ কোটি টাকা আয় করে ফেলে এই ছবি। প্রথম সপ্তাহ পেরোনোর আগেই সারা বিশ্বে ৫০০ কোটির ঘরে এই ছবি। এর আগে &amp;lsquo;কেজিএফ ১&amp;rsquo;-এর মতো দক্ষিণী ছবি এত দ্রুত গতিতে ৫০০ কোটির গণ্ডি পেরিয়েছিল। তবে &amp;lsquo;কান্তারা ১&amp;rsquo; সেই নজির ভেঙে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ বিনোদন&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আমাদের সেফ এক্সিট প্রয়োজন নেই: আইন উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/371</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 16:30:38 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/371</guid>
		<description> আইন উপদেষ্টা:  ড. আসিফ নজরুল </description>
		<content:encoded><![CDATA[আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আজকাল অনেকেই সেফ এক্সিটের কথা বলছেন। আমি বলতে চাই উপদেষ্টা হিসেবে আমাদের সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই। তবে ভয়াবহ রাষ্ট্রকাঠামো থেকে এই জাতির সেফ এক্সিট হওয়া প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় তিনি এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইন উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন এখন সেফ এক্সিট নিয়ে নানা কথাবার্তা হচ্ছে। আমরা উপদেষ্টারা খুব নিশ্চিতভাবে জানি, আমাদের কারো কোনো সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই। আমরা গত ৫৫ বছর যে দুঃশাসন দেখলাম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দেখলাম; আমরা দেখলাম ব্যাংক লুট করে সাধারণ মানুষের আমানত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ ভয়াবহ অসুস্থ আত্মধ্বংসী রাষ্ট্র কাঠামো (অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধ) থেকে আমাদের সেফ এক্সিট প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বৃষ্টির অজুহাতে নিত্যপণ্যের বাজারে ফের অস্থিরতা ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/370</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 14:46:27 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/370</guid>
		<description> সংগৃহিত ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;বৃষ্টির অজুহাতে নিত্যপণ্যের বাজারে ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দুই সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৮০-১৮৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। অন্যান্য মুরগির দামও অসহনীয়। পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে আলু, দেশি পেঁয়াজ ও ডিমের দাম বেড়েছে। সঙ্গে উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি ও মাছ। এসব পণ্য কিনতে ক্রেতাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুক্রবার, নয়াবাজারে প্রতি কেজি বয়লার মুরগি বিক্রি হয় ১৯০ টাকা। একই মুরগি মালিবাগ কাঁচাবাজারে ২০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হয়। একই দাম রামপুরা বাজারেও। যদিও দুই সপ্তাহ আগে এই মুরগি বিক্রি হয় ১৮০-১৮৫ টাকা। শুক্রবার প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হয় ৩১০-৩২০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ৩০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া শুক্রবার পাকিস্তানি কক মুরগি বিক্রি হয় ২৮০-২৯০ টাকা। প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হয় ২৮০-৩০০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি মুরগি খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ ৬৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ডিমের দামও। শুক্রবার প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫২ টাকা। যা সাত দিন আগেও ৪৫-৫০ টাকা ছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;বৃষ্টির অজুহাতে বিক্রেতারা আরও বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। এর মধ্যে মানভেদে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০-২৮ টাকা; যা এক সপ্তাহ আগেও ১৮-২৫ টাকা ছিল। পাশাপাশি প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে ৭৫-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা এক সপ্তাহ আগেও ৬৫-৮০ টাকা ছিল। সঙ্গে খুচরা বাজারে সব ধরনের সবজির দাম এখনো উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। একাধিক সবজি ৭০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু সবজি কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। মরিচের দাম কিছুটা কমলেও এখনো ২০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;শুক্রবার প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হয় ৭০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি গোল বেগুন ১৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা,&amp;nbsp; শসা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, মুলা ৮০ টাকা, ধন্দুল ৮০ টাকা এবং ঝিঙা ৭০ টাকা বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতি কেজি চিচিঙ্গা বিক্রি হয় ৮০ টাকা, টমেটো ১৩০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা এবং বাঁধাকপি প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা বিক্রি হয়।।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;এদিন খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হয় ২৩০০-২৫০০ টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হয় ১৭০০-১৮০০ টাকা। আর ছোট আকারের ইলিশ বিক্রি হয় ৭০০-৭৫০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি রুই ৩৫০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, পাঙাশ ২২০-২৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৪৫০ টাকা, টেংরা ৮০০ টাকা ও চিংড়ি কেজিপ্রতি ১০০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ আজকের বাজারদর&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জেনে নিন’ স্বাস্থ্যকর ঘুমের ১২ অভ্যাস </title>
		<link>https://shomoybhela.com/369</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 14:22:07 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/369</guid>
		<description> সারাদিনের কাজের পরে আমাদের শরীর আর মন দুটোই একটুখানি বিশ্রাম চায় </description>
		<content:encoded><![CDATA[ঘুম হচ্ছে আমাদের শরীর আর মনের রিচার্জ বাটনসম। সারাদিনের কাজের পরে আমাদের শরীর আর মন দুটোই যেন একটুখানি বিশ্রামের জন্য মুখিয়ে থাকে। কিন্তু ঠিক সময়মতো ঘুম না আসা, মাঝরাতে উঠে বসে থাকা বা সকালে ঘুম থেকে উঠেই ক্লান্ত লাগা&amp;mdash; এসব কি আপনার পরিচিত সমস্যা?&lt;br /&gt;
ভালো ঘুম না হলে শরীর ক্লান্ত লাগে, মন খারাপ থাকে, কাজেও মন বসে না। অথচ কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে ঘুমের মান অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব। এই লেখায় আমরা এমন ১২টি সহজ ঘুমের অভ্যাস সম্পর্কে জানবো, যেগুলো মেনে চললে আপনি আরও ভালো ঘুম পাবেন আর সকালে উঠে নিজেকে সতেজ ও শক্তিময় মনে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;স্বাস্থ্য&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;কর ঘুমের ১২ অভ্যাস&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলুন দেখে নিই ঘুমকে আরও মধুর করে তুলতে ঠিক কোন কোন অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা দরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা&lt;/strong&gt; : ঘুমের নির্দিষ্ট সময় মানলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিকমতো কাজ করে। প্রতিদিন, এমনকি ছুটির দিনেও একই সময়ে ঘুমাতে গেলে আর ঘুম থেকে উঠলে ঘুম আসা সহজ হয়, ঘুমও গভীর হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঘুমের আগে একটি শান্ত রুটিন তৈরি করুন&lt;/strong&gt; : ঘুমের আগে যদি কিছু আরামদায়ক কাজ করার অভ্যাস করেন, যেমন&amp;mdash; বই পড়া, হালকা স্ট্রেচিং, ধ্যান বা গরম পানিতে গোসল, তাহলে মন ও শরীর দুটোই শান্ত হয়।&lt;br /&gt;
শুধু খেয়াল রাখবেন মোবাইল বা টিভির মতো স্ক্রিনের দিকে যেন না তাকান। কারণ এসব থেকে নীল আলো আসে, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার কমান&lt;/strong&gt; : ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ সব বন্ধ করে দিন। স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের হরমোন &amp;lsquo;মেলাটোনিন&amp;rsquo;-এর ক্ষরণে বাধা দেয়। ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নিয়মিত শরীরচর্চা করুন :&lt;/strong&gt; প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়াম করলে ঘুমের মান ভালো হয়। সকাল বা বিকেলে সূর্যের আলোয় হাঁটতে পারলে আরও ভালো। তবে ঘুমানোর এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ক্যাফেইন কম খান&lt;/strong&gt; : চা, কফি, চকোলেট বা কিছু ঠান্ডা পানীয়তে থাকা ক্যাফেইন অনেকক্ষণ পর্যন্ত শরীরে সক্রিয় থাকে। দুপুরের পর এগুলো না খাওয়ার চেষ্টা করুন, নইলে রাতে ঘুম আসতে দেরি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঘুমের ঘর আরামদায়ক করে তুলুন&lt;/strong&gt; : ঘর যেন ঠান্ডা, শান্ত ও অন্ধকার হয়। আরামদায়ক বিছানা, বালিশ আর পাতলা চাদর ঘুমের মান অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। প্রয়োজন হলে ব্ল্যাকআউট পর্দা, চোখ ঢাকার কাপড় বা সাদা শব্দের মেশিন ব্যবহার করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বিছানাকে শুধু ঘুমের জন্য রাখুন &lt;/strong&gt;: বিছানায় শুয়ে কাজ, গল্প বা মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। শরীর যেন বুঝতে শেখে&amp;mdash; বিছানায় মানেই ঘুম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;শুধু তখনই শুয়ে পড়ুন যখন ঘুম পাচ্ছে &lt;/strong&gt;: ঘুম না এলে বিছানায় শুয়ে উল্টাপাল্টা ভাবার বদলে উঠে কিছু শান্ত কাজ করুন। যেমন&amp;mdash; বই পড়া বা হালকা যোগব্যায়াম। ঘুম এলে তবেই আবার বিছানায় ফিরে যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;দিনের ঘুম কমান :&lt;/strong&gt; দুপুরে বেশি ঘুমালে রাতে ঘুমে সমস্যা হতে পারে। যদি ঘুমাতেই হয়, তাহলে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম সীমাবদ্ধ রাখুন এবং বিকেলের পরে ঘুমানো এড়িয়ে চলুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ঘুমের আগে মানসিক চাপ কমান&lt;/strong&gt; : চিন্তা বা দুশ্চিন্তা ঘুমের সবচেয়ে বড় শত্রু। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছুক্ষণ ধ্যান করুন, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন বা মনের ভাবনা একটি খাতায় লিখে ফেলুন&amp;mdash; দেখবেন মাথা হালকা লাগবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;রাতে হালকা খাবার খান &lt;/strong&gt;: ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার খাবেন না। এতে হজমে সমস্যা হতে পারে। অ্যালকোহল ও ধূমপানও ঘুমের মান নষ্ট করে, তাই এগুলো থেকেও দূরে থাকুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আলো নিয়ন্ত্রণে রাখুন&lt;/strong&gt; : দিনে বেশি আলোয় থাকুন আর রাতে আলো কমিয়ে দিন। রাতে হালকা রঙের আলো ব্যবহার করুন, অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ করে দিন এবং ফোনে &amp;lsquo;নাইট মোড&amp;rsquo; চালু রাখুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভালো ঘুমের জন্য দামি ওষুধ নয়, দরকার কিছু নিয়মিত এবং সহজ অভ্যাস। দিনের রুটিন, রাতের প্রস্তুতি, ঘরের পরিবেশ&amp;mdash; সবকিছুই ঘুমের মানে প্রভাব ফেলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ১২টি সহজ অভ্যাস যদি প্রতিদিন মেনে চলেন, তাহলে ঘুম শুধু গভীরই হবে না, সকালটাও হবে সুন্দর ও সতেজ। তবে ঘুমের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুভ সময়, সুস্থ ঘুমে জেগে উঠুন প্রতিটি সকাল!&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ লাইফ স্টাইল]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যু-গুজবে পরিবারের বিরক্ত প্রকাশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/368</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 12:45:44 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/368</guid>
		<description> ‘ইলিয়াস কাঞ্চন’ </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভালো নেই জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে অসুস্থ তিনি। বর্তমানে এ অভিনেতা লন্ডনে চিকিৎসাধীন। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে তার মৃত্যুর গুজব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে তার ছেলে মিরাজুল মইন জয় এক বার্তায় দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;
জয় বলেন, বাবা বর্তমানে অসুস্থ এবং চিকিৎসাধীন আছেন। নিয়মিত তার চিকিৎসা চলছে। দয়া করে কেউ কোনো গুজবে কান দেবেন না। দেশবাসীসহ সবার কাছে অনুরোধ করছি, আপনারা বাবার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, বাবার অসুস্থতার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে দেশ-বিদেশে নিরাপদ সড়ক চাই-এর কর্মী, বাবার ভক্ত এবং সাধারণ মানুষ যে আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন, বিশেষ করে শুক্রবার জুম্মার নামাজে বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন- এ জন্য আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই।&lt;br /&gt;
অভিযোগ করে জয় বলেন, দুঃখজনকভাবে, কিছু ইউটিউবার ও ফেসবুক ব্যবহারকারী সামান্য ভিউয়ের আশায় বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশ করছেন। এগুলো জনমনে আঘাত হানছে এবং বাবার ভক্তদের কষ্ট দিচ্ছে। আমরা এসব কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাই।&lt;br /&gt;
তিনি সর্বশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি কারো সত্যতা জানার প্রয়োজন হয়, তারা নিরাপদ সড়ক চাই কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। অযথা গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ বিনোদন ডেস্ক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ম্যাক্রোঁ আবারও সেবাস্তিয়ান লেকর্নুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/367</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 12:16:02 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/367</guid>
		<description> প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও প্রধানমন্ত্রী  সেবাস্তিয়ান লেকর্নুকে </description>
		<content:encoded><![CDATA[ফ্রান্সে টানা রাজনৈতিক নাটক ও অস্থিরতার পর প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আবারও সেবাস্তিয়ান লেকর্নুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। মাত্র চার দিন আগে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) রাতে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এলিসি প্রাসাদে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন। তবে বৈঠকে চরম ডানপন্থি ও চরম বামপন্থি দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেকর্নুর প্রত্যাবর্তন অনেকের কাছে বিস্ময়কর। কারণ মাত্র দুই দিন আগেই তিনি জাতীয় টেলিভিশনে বলেছিলেন, &amp;ldquo;আমি এই পদটির পেছনে ছুটছি না, আমার দায়িত্ব শেষ।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এবার তার হাতে সময় খুবই কম। আগামী সোমবারের মধ্যেই তাকে সংসদে আগামী অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে হবে। এলিসি প্রাসাদ জানায়, প্রেসিডেন্ট তাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে লেকর্নুকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/ আন্তর্জাতিক ডেস্ক&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিরিজ বাচাঁনোর লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/366</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 12:03:22 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/366</guid>
		<description> ক্যাপ্টেন </description>
		<content:encoded><![CDATA[ওয়ানডেতে চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের উত্থান। অথচ, প্রিয় সেই ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অবস্থা এখন সবচেয়ে ভঙ্গুর। আফগানিস্তানের মতো তুলনামূলক নবীন দলের বিপক্ষে টানা তৃতীয় সিরিজ হারের শঙ্কা চোখ রাঙাচ্ছে টাইগারদের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবুধাবিতে আজ দিবা-রাত্রির দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ নামছে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে। প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আফগানিস্তান। আজ হারলে একদিবসী ক্রিকেটে আফগানদের বিপক্ষে সিরিজ হারের হ্যাটট্রিক হয়ে যাবে মেহেদী হাসান মিরাজদের।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগের চারটি ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটি জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে শেষ দুটি সিরিজ জিতেছে আফগানরা। গত এক মাসে এশিয়া কাপ ও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে আফগানদের চারবার হারালেও ওয়ানডেতে ব্যর্থতার চোরাবালিতে হাবুডুবু খাচ্ছে বাংলাদেশ। এ বছর ওয়ানডেতে ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরেছে দল। সব মিলিয়ে গত ১২ মাসে মাত্র দুটি ওয়ানডে জিতেছে বাংলাদেশ।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাজে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় ওয়ানডে র&amp;zwnj;্যাংকিংয়ে দশে নেমে গেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে ২০২৭ সালের মার্চের র&amp;zwnj;্যাংকিংয়ে শীর্ষ আটে থাকতে হবে। প্রতিটি ম্যাচই তাই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে র&amp;zwnj;্যাংকিংয়ে সাতে থাকা আফগানিস্তানকে আজ হারাতে পারলে সিরিজে টিকে থাকার পাশাপাশি রেটিং পয়েন্ট বাড়বে বাংলাদেশের। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবারের শেষ ম্যাচটি রূপ নেবে অলিখিত ফাইনালে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগের ম্যাচে ভালো শুরুর পরও বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২২১ রানে। টি-টোয়েন্টিতে ছক্কার সুনামি বইয়ে দিলেও ওয়ানডে অভিষেকে ঝড় তুলতে পারেননি সাইফ হাসান। অধিনায়ক মিরাজ ও তাওহিদ হৃদয় ফিফটি পেলেও মেটাতে পারেননি সময়ের দাবি। সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত একদমই ছন্দে নেই। আফগান স্পিনের জবাব খুঁজে না পেয়ে ১৬৮টি ডটবল খেলেছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে এই জায়গায় উন্নতির কোনো বিকল্প নেই। মিরাজ, জাকের আলী ও নুরুল হাসানকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা শেষ করে দিয়েছিলেন রশিদ খান। তবে ব্যবধান গড়ে দেয় আজমত উল্লাহ ওমর জাইয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্য।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ এ দুজনকে ভালোভাবে সামলানোর ওপর নির্ভর করছে সিরিজের ভাগ্য। পাশাপাশি জ্বলে উঠতে হবে বোলারদেরও&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
:সময় ভেলা স্পোর্টস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন ভেনেজুয়েলার ‘মারিয়া কোরিনা মাচাদো’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/365</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 11:28:27 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/365</guid>
		<description> মারিয়া কোরিনা মাচাদো </description>
		<content:encoded><![CDATA[২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো।&lt;br /&gt;
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে ভেনেজুয়েলার এই রাজনীতিককে এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বেলা তিনটায় নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়রগেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস সাংবাদিকদের সামনে তার নাম ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
তিনি শুরুতেই বলেন, এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে &amp;quot;একজন সাহসী এবং নিবেদিতপ্রাণ শান্তির চ্যাম্পিয়নকে, একজন নারীকে যিনি অন্ধকারের মধ্যে গণতন্ত্রের শিখা জ্বলিয়ে রেখেছেন&amp;quot;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নোবেল প্রাইজ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আলফ্রেড নোবেলের উইলে উল্লেখিত শান্তি পুরস্কার প্রার্থী নির্বাচনের তিনটি শর্তই পূরণ করেছেন মাচাদো।&lt;br /&gt;
তিনি দেশের বিরোধী দলগুলোকে একত্রিত করেছেন, ভেনেজুয়েলার সমাজের সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে তিনি কখনো ছাড় দেননি, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পক্ষে তিনি দৃঢ় সমর্থন দেখিয়েছেন, বলছে নোবেল কমিটি।&lt;br /&gt;
মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেছেন, এই বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন শুনে তিনি &amp;quot;অবাক ও হতবাক&amp;quot; হয়ে গেছেন।&lt;br /&gt;
এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প পুরস্কার পেতে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছিলো। আবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই যে নোবেল শান্তি পুরস্কার চেয়েছেন সেটাও কোনো গোপন বিষয় নয়।&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই অল্প কয়েকজন বিশ্বনেতার একজন, যারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
কিন্তু, ট্রাম্পকে হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।&lt;br /&gt;
কারণ এই বছরের পুরস্কারের মনোনয়ন জানুয়ারিতেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনই যখন তার দ্বিতীয় মেয়াদ ওভাল অফিসে শুরু হচ্ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/আন্তর্জাতিক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আফগানিস্তান বনাম পাকিস্তান: দিনে দিনে শত্রু দেশে পরিণত হচ্ছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/364</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 10:58:33 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/364</guid>
		<description> সংগৃহিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ও পূর্বাঞ্চলীয় পাকতিকা প্রদেশে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের ঘটনায় পাকিস্তানকে সরাসরি দায়ী করেছে তালেবান সরকার। বৃহস্পতিবারের এ ঘটনায় দুই দেশের পুরোনো বৈরিতা আবারও সামনে এসেছে। তালেবান সরকারের মতে, পাকিস্তান তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে, যদিও ইসলামাবাদ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগটি স্বীকার বা অস্বীকার করেনি।&lt;br /&gt;
আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, কাবুল ও পাকতিকায় সংঘটিত বিস্ফোরণের জন্য পাকিস্তান দায়ী। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো প্রমাণ বা তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগের দিন তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ কাবুলে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পশতু ভাষায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মুজাহিদ লিখেন,&amp;lsquo;কাবুল শহরে একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।&amp;rsquo; যদিও তখন তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি বা কোনো দেশকে দায়ী করেননি।&lt;br /&gt;
এরপর পরদিন আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পাকিস্তানকে দায়ী করে বিবৃতি দিলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ঘটনাটি এমন এক সময় ঘটেছে, যখন তালেবান সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই উষ্ণ হচ্ছে, যা পাকিস্তানের জন্য কূটনৈতিকভাবে অস্বস্তিকর।&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবারই তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছান ছয় দিনের সফরে। তালেবান ক্ষমতায় আসার পর এটি ছিল তার প্রথম ভারত সফর। মুত্তাকির সফরের দিনই কাবুলে বিস্ফোরণ ঘটে, যা ইসলামাবাদের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে আফগান মহলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্ফোরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের মতে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর প্রধান নুর ওয়ালি মেহসুদসহ শীর্ষ নেতাদের টার্গেট করেই এ হামলা চালিয়েছে। তবে আফগান কর্মকর্তারা পরবর্তীতে জানান, মেহসুদ নিরাপদে আছেন।&lt;br /&gt;
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আহমদ শরিফ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, &amp;lsquo;পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে। জনগণের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং তা অব্যাহত থাকবে।&amp;rsquo; তবে তিনি আফগানিস্তানে হামলা চালানো হয়েছে কি না- সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য জানায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর ইসলামাবাদ অভিযোগ করে, কাবুল টিটিপি-কে আশ্রয় দিচ্ছে&amp;mdash; যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ওপর হামলার জন্য দায়ী। অন্যদিকে, তালেবান নেতারা দাবি করেন, পাকিস্তান আফগান ভূখণ্ডে হামলার অজুহাতে তাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে।&lt;br /&gt;
দুই দেশের সীমান্তে সহিংসতা ও হামলার পরিমাণ বাড়তে থাকায় বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে এক কূটনৈতিক অস্থিরতার জন্ম নিতে পারে- বিশেষ করে ভারত-তালেবান ঘনিষ্ঠতা ও পাকিস্তানের নিরাপত্তা-উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সময় ভেলা/আন্তর্জাতিক ডেস্ক]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চলতি মাসেই  দু’শো জনকে গ্রিন সিগনাল দেবে বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/363</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 10:36:14 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/363</guid>
		<description> বিএনপি’র লোগো </description>
		<content:encoded><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে বিএনপিতে। কয়েক দফা বাছাই শেষে এবার চূড়ান্ত প্রার্থীর খোঁজে দলটি। সূত্র জানান, চলতি অক্টোবরেই ২০০ আসনে দলীয় একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। আর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর কাছে ইতোমধ্যে প্রার্থীর তালিকা চেয়েছে বিএনপি। সমমনা দলগুলোও তাদের প্রার্থীর তালিকা বিএনপির কাছে হস্তান্তর করেছে। বিএনপির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আশা করছেন, যাচাইবাছাই শেষে আগামী মাসেই সব আসনে একক প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পারবে দলটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ প্রসঙ্গে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, &amp;lsquo;প্রতিটি আসনে আমাদের একাধিক যোগ্য প্রার্থী আছেন। নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টা আমাদের দেখতে হচ্ছে। সবাই যাতে একসঙ্গে কাজ করে সেই বিষয়টা নিশ্চিত করতে আমরা সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি। শিগগিরই আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে মাঠে কাজ করার জন্য আমরা গ্রিন সিগন্যাল দেব। তফসিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে আমরা চূড়ান্ত মনোনয়ন দেব।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা যায়, নির্বাচনের মাঠে ডোর টু ডোর প্রচার-প্রচারণায় গতি আনতেই সুনির্দিষ্ট প্রার্থীকে সবুজসংকেত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দলের মাঠপর্যায়ের নেতা ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের নেতারা কেন্দ্রকে জানিয়েছেন, নির্বাচনের মাঠে তাঁদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল জামায়াতে ইসলামী বহু আগে আসনভিত্তিক একক প্রার্থী চূড়ান্ত করে নির্বাচনের ক্যাম্পেইনে আছে। ভোট কেন্দ্র ও ভোটার টার্গেট করে দলটি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিটি আসনে বিএনপির একের অধিক প্রত্যাশী থাকায় সুনির্দিষ্টভাবে কেউই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে পারছে না। প্রচার-প্রচারণাও অনেকটা খাপছাড়া। মাঠপর্যায়ের এমন মতামত আমলে নিয়েই বিএনপির হাইকমান্ড শিগগিরই আসনভিত্তিক একক প্রার্থীকে সবুজসংকেত দেবে। এ ক্ষেত্রে যাতে কোনো গ্রুপিং কিংবা কোন্দল তৈরি না হয় সেজন্যও সাংগঠনিক প্রচেষ্টা চলছে। তা ছাড়া ২০১৮ সালে এক আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে সমালোচিত হয় বিএনপি। তাই এবার শুরু থেকে সতর্ক দলটি। এবার প্রতিটি আসনে গড়ে দলটির ন্যূনতম ৬ জন প্রার্থী মাঠে আছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীদের চেয়ে কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যেই বিরোধে জড়াচ্ছেন তাঁরা। এ অবস্থায় সেপ্টেম্বরজুড়ে ও অক্টোবরে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিএনপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কথা বলেছেন জেলা-উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে। বিভিন্ন পর্যায়ে জরিপও করা হয়েছে। রাজনীতির নতুন প্রেক্ষাপটে এই প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। এসব সম্ভাব্য একক প্রার্থীর তালিকা দলটির হাইকমান্ডের কাছে। তবে শঙ্কা থেকেই যায় ক্রোন্দলের।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইজরায়েল থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরলেন শহিদুল  ইসলাম: দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/362</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 10:02:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/362</guid>
		<description> বিমান বন্দরে শহিদুল আলম </description>
		<content:encoded><![CDATA[মানবাধিকারকর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরেছেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। দেশে ফিরে তিনি দেশবাসী ও সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একইসঙ্গে, তিনি ফিলিস্তিনকে মুক্ত না করা পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জোর আহ্বান জানান। শহিদুল আলম বলেন, &amp;#39;এখনও গাজা মুক্ত হয়নি। সেখানে এখনও আক্রমণ চলছে। আমাদের কাজ শেষ হয়নি। গাজাবাসীদের ওপর যে নির্যাতন হয়, তার তুলনায় আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা কিছুই নয়।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমসহ &amp;#39;কনশানস&amp;#39; জাহাজের সব সাংবাদিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও ক্রু সদস্যকে গত বুধবার ভোরে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী অপহরণ করে। এরপর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দপ্তর থেকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শহিদুল আলমকে আটকের পর জর্ডান, মিশর ও তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তার মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দেশে ফেরার আগে তিনি তেল আবিব থেকে তুরস্কে পৌঁছান। এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শহিদুল আলমের মুক্তি ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে সহায়তার জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: সময় টেলিভিশন, প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এ বছর সাহিত্যে নোবেল  পেয়েছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাস্লো ক্রাসনাহোরকাই </title>
		<link>https://shomoybhela.com/361</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 17:23:56 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/361</guid>
		<description> লেখক লাস্লো ক্রাসনাহোরকাই </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;২০২৫ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাস্লো ক্রাসনাহোরকাই। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সুইডিশ অ্যাকাডেমি তাকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারটি পেয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার খ্যাতিমান লেখক হান ক্যাং।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: রয়টার্স&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওএসডি হলেন এন বি আরের বেলাল হোসেন চৌধুরী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/360</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 17:13:31 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/360</guid>
		<description> বেলাল হোসেন চৌধুরী </description>
		<content:encoded><![CDATA[জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরীকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপসচিব মো. হুমায়ুন কবীরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী (পরিচিতি নম্বর ৩০০০৬৯), সদস্য (গ্রেড-২) ও প্রেসিডেন্ট, কাস্টমস, এক্সাইজ এবং মূল্য সংযোজন কর আপিল ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা-কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা এর বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সদস্য) নিয়োগ করা হলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: এন বি আর]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিজয়ের বাসভবন ঘিরে রেখেছে পুলিশ! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/359</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 16:24:51 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/359</guid>
		<description> বিজয় থালাপাতি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ বিজয় থালপতির চেন্নাইয়ের বাসভবনটি বোমা হামলায় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এসেছে। কয়েকদিন আগেই বিজয়ের রাজনৈতিক দলের একটি জনসভায় পদদলিত হয়ে ৪১ জনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে; এমন সময়ে এই নতুন হুমকি সৃষ্টি করেছে আতঙ্ক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে চেন্নাই পুলিশের কাছে একটি ফোন আসে। এক ব্যক্তি সেই ফোন কলে জানায়, ভবিষ্যতে বিজয় যদি আর কোনো জনসভা করেন, তবে তার বাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
এই হুমকির পরপরই তার নীলাঙ্কারাই এলাকার বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ; নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, হুমকিদাতার সেই ফোনটি এসেছিল কন্যাকুমারী থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, হুমকি পাওয়া মাত্র পুলিশের একটি বাহিনী বিজয়ের বাড়িতে পৌঁছায়। শুরু হয় তল্লাশি। যদিও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশ ইতোমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে; যিনি ফোন করেছিলেন, তার লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। তবে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এটি কোনও প্র্যাঙ্ক বা ভুয়া কল ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফুটবলে বাংলাদেশ, রাতে হংকংয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/358</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 15:50:06 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/358</guid>
		<description> দুুু’দলের অনুশীলনের মূহুর্ত </description>
		<content:encoded><![CDATA[১৯ বছর পর আবারও এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ম্যাচে হংকং চায়নার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৮টায়। এ ম্যাচে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামবে কাবরেরার দল, কেননা এশিয়ান কাপের রেসে টিকে থাকতে হলে হংকংয়ের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই। সর্বশেষ দল দুটির মোকাবেলা হয়েছিল ২০০৬ সাল।যেখান দুবারই হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল।বর্তমানে বাংলাদেশ দলের প্রধান খেলোয়াড় হলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা হামজা চৌধুরী। তিনি দেশে আসলেই যেন হুমড়ি খেয়ে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা। তার সঙ্গে আছেন শমিত সোম, ফাহামেদুলরাও। যে কারণে জয়ের আশায় বুক বাঁধছেন সমর্থকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;সি&amp;rsquo; গ্রুপে সিঙ্গাপুর এবং হংকয়ের পয়েন্ট সমান ৪ করে। ১ গোলে এগিয়ে থাকায় সিঙ্গাপুর আছে টেবিলের শীর্ষে, আর হংকং আছে দুইয়ে। বাংলাদেশ ও ভারতের পয়েন্টও সমান ১ করে। এখানেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশ আছে তিনে। কাল যদি ৩ পয়েন্ট নিতে পারে বাংলাদেশ, তাহলে তারা দুইয়ে উঠে আসবে। আর ড্র করলে হংকং উঠবে শীর্ষে, বাংলাদেশের অবস্থান থাকবে অপরিবর্তিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হংকংয়ের বিপক্ষে যদি পয়েন্ট হারায় বাংলাদেশ, তাহলে এশিয়ান কাপের রেস থেকে এক প্রকার ছিটকে যাবে তারা। যদিও কাগজে-কলমে একটা সম্ভাবনা থাকবে, তবে সেটি নামমাত্র। কাজেই হংকং চায়নার বিপক্ষে যেকোনো মূল্যেই হোক হাজমা-শমিতদের পয়েন্ট পেতেই হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে জয় তো আর মুখের কথায় নয়, তার জন্য তো মাঠের পারফরম্যান্সও থাকতে হবে। বাংলাদেশে আসার আগে হংকং চায়না প্রস্তুতি নিয়েছে বড় দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে। আর বাংলাদেশের ভারসা ঐ নেপাল-ভুটান। হংকং চায়নার মতো দলের বিপক্ষে খেলার আগে জামালরা প্রস্তুতি নিয়েছেন নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলে, তাও আবার সে ম্যাচটি ড্র হয়েছে গোলশূন্য। মাঠের খেলায় যা-ই হোক না কেন, প্রস্তুতির দিক থেকে বাংলাদেশ যে অনেক পিছিয়ে, সে নিয়ে অবশ্য কোনো সন্দেহ নেই। অন্যদিকে হংকং চায়না প্রস্তুতির কোনো কমতি রাখেনি। গত ১৫ জুলাই ইস্ট এশিয়ান কাপের ফাইনাল রাউন্ডে চীনের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে হংকং। এর আগের ম্যাচে হংকং খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। ২০১৮ বিশ্বকাপে জার্মানির মতো দলকে কোরিয়া হারিয়েছিল ২-০ গোলে। আর সেই দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হংকং হেরেছে মাত্র ২-০ ব্যবধানে। এতেই স্পষ্ট যে, হংকং চায়নার রক্ষণ ঠিক কতটা শক্তিশালী। তার আগে গত ৮ জুলাই শক্তিশালী জাপানের বিপক্ষে ৬-১ গোলে হেরেছে হংকং। এ বছর ম্যাট অর হংকংয়ের হয়ে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৭ ম্যাচ, গোল করেছেন ২টি। গত বছর ১৬ ম্যাচে তার গোল ছিল ৬টি। ২০২৩ সালে ৬ ম্যাচ খেলে কোনো গোলের দেখা পাননি। তার আগের বছর ৭ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ২টি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত নামের পাশে আছে ১১ গোল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ক্লাব ক্যারিয়ারেও তার পারফরম্যান্স খুব একটা খারাপ নয়। ২০২২ সাল থেকে তিনি খেলছেন চীনের ক্লাব শেনজেন পেং সিটির হয়ে। এর আগে কিচি এসসিতে তিনি খেলেছেন ৩ আসর। তার আগে তিনি ছিলেন সান ফ্রান্সিসকো ডোনস ক্লাবে। সর্বশেষ জাপানের বিপক্ষে হংকং চায়নার ম্যাচের চিত্রটা যদি একটু দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন তারা কতটা শক্তিশালী দল। এবং বাংলাদেশ তাদের ঠিক কতটা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত এক সপ্তাহ ধরে কঠোর অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। শেষ মুহূর্তে বুধবার দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শমিত সোম। তার আগের দিন অনুশীলন করেছেন হামজা চৌধুরী। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এই ফুটবলার। জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলন চলাকালীন হামজা বলেন, &amp;lsquo;যদিও আমার নিজের প্রতি কিছু প্রত্যাশা আছে, ফুটবলে সাফল্য একক প্রচেষ্টা নয়; এটি সম্মিলিত। হংকং ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে এবং কোচিং স্টাফ আমার সঙ্গে কিছু বিষয়ে আলোচনা করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ইনশাল্লাহ, পরিকল্পনা ঠিক আছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হাভিয়ের কাবরেরা খুব সম্ভবত এ ম্যাচে ৪-৩-৩ ফরমেশনেই পরিকল্পনা সাজাতে পারেন। গোল পোস্টের নিচে হয়তো থাকবেন মিতুল মারমা। রক্ষণে সাদউদ্দিন, তারেক কাজী, শাকিল আহাদ তপু এবং তপু বর্মনের ওপরেই ভরসা রাখবেন কাবরেরা। কিংবা জায়ান আহমেদ শুরুর একাদশে না থাকলেও বদলি হিসেবে হয়তো তিনি মাঠে নামবেন। মাঝমাঠে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম নিশ্চিতভাবেই থাকবেন। জামাল ভূঁইয়াকে শুরুর একাদশে কোচ রাখবেন কি না, সে ব্যাপারে অবশ্য নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এবং ফরোয়ার্ড লাইনে থাকতে পারেন রাকিব হোসেন, ফাহামেদুল ইসলাম এবং ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মালিবাগে দোকানের তালা ভেঙে ৫০০ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/357</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 15:26:07 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/357</guid>
		<description> বোরকা পড়ে ‍চুরির দৃশ্য </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত ফরচুন শপিং মলের শম্পা জুয়েলার্স নামে একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ উঠেছে। দোকানটি থেকে প্রায় ৫০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছে মালিকপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে চুরির এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের ধারণা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে ডিএমপির রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, আমাদের কাছে সংবাদ আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সম্ভবত গতকাল রাতে একদল চোর শম্পা জুয়েলার্স নামে দোকানটির সাটারের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। ওরা সেখানে থাকা স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে। মালিকপক্ষ আমাদের জানিয়েছে, দোকান থেকে প্রায় ৫০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মালিকপক্ষের একজন বলেন, আমরা আসলে এখনো এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারিনি। তবে দোকানে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমরা মার্কেটের এবং দোকানের আশপাশের ও দোকানের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। ঘটনাস্থলে সিআইডির টিম কাজ করছে। আশা করছি দ্রুত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে পারব। এই মুহূর্তে প্রাথমিকভাবে এর বেশি বলা যাচ্ছে না। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসেছি এবং সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দেখছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে পুলিশের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বুধবার রাত ৩টার দিকে শম্পা জুয়েলার্স নামের দোকানটিতে চোর চক্রের দুই সদস্য ঢোকে। তারা বোরকা পরে এসে দোকানটির শাটারের তালা কেটে স্বর্ণ চুরি করে। এ বিষয়ে শম্পা জুয়েলার্সের মালিক অচিন্ত্য বিশ্বাস বলেন, আমার দোকানে মোট প্রায় ৫০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিল। এর মধ্যে দোকানের স্বর্ণ ৪০০ ভরি আর বন্ধকি স্বর্ণ ছিল ১০০ ভরি। এছাড়া দোকান থেকে ৪০ হাজার নগদ টাকাও চুরি হয়েছে।&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য সময়ের মতো গত রাতেও দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। আজ সকালে মার্কেটের দারোয়ানের ফোনের মাধ্যমে খবর পাই দোকানে চুরি হয়েছে। এরপর দোকানে ছুটে এসে দেখি সব নিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>টানা বৃষ্টিতে রাজধানী জুড়ে তীব্র জলাবদ্ধতা: ভোগান্তিতে নগরবাসী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/356</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 15:03:36 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/356</guid>
		<description> রাজধানীবাসীর দূর্ভোগ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;রাজধানীতে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে টানা সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিরামহীন বৃষ্টি হয়েছে। ভোর থেকেই শুরু হওয়া এই বৃষ্টি ধীরে ধীরে প্রবল আকার ধারণ করলে রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে সকাল থেকেই দুর্ভোগে পড়েন অফিসগামী যাত্রী, সাধারণ পথচারী ও রিকশা&amp;ndash;অটোরিকশা চালকেরা।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;সরেজমিনে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর পুরান ঢাকা, আজিমপুর, নিউ মার্কেট, ধানমন্ডি, পল্টন, রামপুরা, কাকরাইল, মিরপুর রোড, মিরপুর ১ থেকে ২ নম্বর পর্যন্ত, মিরপুর ১০ ও ১১ নম্বর, কাজীপাড়া, কালশী এবং মতিঝিল এলাকার বহু সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে গেছে। কোথাও কোথাও রাস্তার ওপর জমে থাকা পানি ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেমে যেতে পারেনি পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;এ অবস্থায় সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। ধীরগতির যান চলাচল ও বিকল অটোরিকশার কারণে অনেক স্থানে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। কিছু এলাকায় মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন পানিতে আটকে পড়ায় ভোগান্তি বেড়েছে পথচারীদেরও।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;এদিকে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ বা দক্ষিণ&amp;ndash;পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ। গতকাল রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় মোট ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র:&amp;nbsp; আবহাওয়া অধিদপ্তর&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নওগাঁ ৬-আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ওমর ফারুক গ্রেফতার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/355</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 14:46:07 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/355</guid>
		<description> ওমর ফারুক </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;নওগাঁ-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য- মো. ওমর ফারুক সুমনসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের মোট পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তবে গ্রেফতারকৃতদের নওগাঁ-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মো. ওমর ফারুক সুমনের পরিচয় জানা গেলেও বাকি আসামিদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, নওগাঁ-৬ আসনের সাবেক এমপি মো. ওমর ফারুক সুমনসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুদ্ধ বিরতিতে একাত্মতা হামাস ও ইজরায়েলের: ডোনাল্ড ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/354</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 13:02:28 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/354</guid>
		<description> যুদ্ধ বিরতিতে উল্লাস গাজা বাসীদের </description>
		<content:encoded><![CDATA[গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির &amp;lsquo;প্রথম ধাপে&amp;rsquo; সহমত পোষণ করেছে- হামাস ও ইসরাইল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কাতারও।&lt;br /&gt;
গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত ইসরাইল-হামাস&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুদ্ধের অবসান, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, উপত্যকায় ত্রাণ প্রবেশ এবং বন্দি বিনিময়ের শর্ত রয়েছে এই চুক্তিতে। চুক্তির শর্ত পুরোপুরি মানতে ইসরাইলকে বাধ্য করার জন্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস। অন্যদিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তির পর সব জিম্মিকে ঘরে ফেরানোর অঙ্গীকার করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজায় সংঘাত বন্ধে মিশরে গত সোমবার থেকে শুরু হয় হামাস-ইসরাইল পরোক্ষ আলোচনা। টানা তিনদিনের মাথায় বুধবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবের প্রথম ধাপ মানতে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সম্মতিপত্রে স্বাক্ষরের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক বার্তায় তিনি জানান, এর ফলে খুব দ্রুত সব বন্দিকে মুক্তি দেয়া হবে এবং স্থায়ী শান্তির প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইসরাইল তার সেনাদের একটি নির্দিষ্ট রেখা পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নেবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই &amp;lsquo;ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন&amp;rsquo; ঘটনা সম্ভব করার জন্য কাতার, মিশর ও তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই বিবৃতি প্রকাশ করে হামাস। সেখানে গাজায় যুদ্ধের সমাপ্তি, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, উপত্যকায় সহায়তা প্রবেশ এবং বন্দি বিনিময়ের শর্ত সংবলিত একটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
একই সঙ্গে হামাস এই চুক্তির শর্ত সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করতে এবং ইসরাইলকে তা এড়িয়ে যেতে বা বিলম্ব করতে না দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, আরব মধ্যস্থতাকারী এবং আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারিও নিশ্চিত করেছেন, যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম পর্বের &amp;lsquo;সমস্ত শর্ত এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া&amp;rsquo; নিয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। এটি যুদ্ধ বন্ধ, জিম্মি ও বন্দিদের মুক্তি এবং সাহায্যের প্রবেশের দিকে নিয়ে যাবে, যার বিস্তারিত পরে জানানো হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;এই চুক্তির মাধ্যমে গাজায় চলমান সংঘাতের অবসান এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি নতুন পথ উন্মুক্ত হলো। প্রথম ধাপের সফলতাই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্যে একটি শক্তিশালী, টেকসই ও চিরস্থায়ী শান্তি কতটা সুদূরপ্রসারী হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা, সিএনএন, বিবিসি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকায় এক সঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন জেমস ও আলী আজমত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/353</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 11:33:17 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/353</guid>
		<description> জেমস ও আলী আজমত </description>
		<content:encoded><![CDATA[রক সংগীতপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নময় সন্ধ্যা! আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকার মঞ্চ মাতাতে যাচ্ছেন দুই দেশের দুই কিংবদন্তি- বাংলাদেশের রকস্টার নগর বাউল জেমস এবং পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ড জুনুন এর আলী আজমত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঐতিহাসিক কনসার্টটির আয়োজন করেছে অ্যাসেন বাজ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে জানানো হয়, রাজধানীর কুর্মিটোলায় অবস্থিত ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে হবে এই জমকালো কনসার্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেমস এবং আলী আজমত ছাড়াও এই কনসার্টে কি আরো কেউ থাকছেন কিনা, এমন প্রশ্নে আয়োজক প্রতিষ্ঠান অ্যাসেন গ্রুপের সাজ্জাদ আহমেদ বলেন, নগরবাউল জেমস এবং আলী আজমত দুজন সিনিয়র আর্টিস্ট, তাদের কনফার্ম করা হয়েছে। হয়তো পরবর্তীতে লাইন আপে আরো কেউ কেউ যুক্ত হতে পারেন। তবে সেটা নিশ্চিত হলেই আমরা ঘোষণা করবো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাজ্জাদ বলেন, আরেকটি বিষয়, ব্যান্ড জুনুন কিন্তু আসছে না, এই দলের প্রধান ভোকাল আলী আজমত- তিনি আসছেন সলো আর্টিস্ট হিসেবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;আলী আজমত ভয়েস অব জুনুন অ্যান্ড নগর বাউল জেমস লাইভ ইন ঢাকা&amp;rsquo; শিরোনামে কনসার্টটির জন্য এরই মধ্যে অনলাইন টিকিট প্ল্যাটফর্ম গেট সেট রক ওয়েবসাইটে শুরু হয়েছে এর অগ্রিম টিকিট বিক্রি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিন ক্যাটাগরিতে পাওয়া যাচ্ছে টিকিট। দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভিআইপি ৬ হাজার ৯৯৯ টাকা, প্রিমিয়াম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ৪৯৯ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আয়োজকরা জানান, ১৪ নভেম্বর কনসার্ট শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়। দর্শকের জন্য গেট খুলে দেওয়া হবে বিকাল ৫টায়। কনসার্টে প্রবেশ করা যাবে রাত ৮টা পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রেকর্ড সর্বোচ্চ দামে আজ বিক্রি হবে সোনা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/352</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 11:10:44 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/352</guid>
		<description> ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[অনেকটা পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে সোনার দাম। দেশের বাজারে আবারও বাড়ছে সোনার দাম। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) থেকে আবার সোনার দাম ভরিতে প্রায় সাত হাজার টাকা বাড়ছে। এ নিয়ে দেশের বাজারে টানা তিন দিন সোনার দাম বাড়ছে। তাতে সোনার সর্বোচ্চ দামের আরেকটি নতুন রেকর্ড হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সব থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। যা এতদিন ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাম নির্ধারণের তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অক্টোবরে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স আসছে ৯ কোটি ৮৮ লাখ ডলার&lt;br /&gt;
নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০১ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরআগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা; ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩০ টাকা; আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ দিকে সোনার দামের পাশাপাশি বেড়েছে রুপার দাম। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা পূর্বের দাম ছিল ৪ হাজার ৬৫৮ টাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৭১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হবে ৩ হাজার ৫৬ টাকায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৪৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা ছিল।&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাসিনার বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্য দেবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া </title>
		<link>https://shomoybhela.com/351</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 10:58:03 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/351</guid>
		<description> আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া </description>
		<content:encoded><![CDATA[ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ সাক্ষ্য দেবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধেও আজ সাক্ষ্য দেবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ মামলার গ্রেপ্তার চার আসামি হলেন শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পলাতক আসামিরা হলেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গত ১৪ জুলাই চানখারপুলের মামলায় পলাতক চার আসামিসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডে তে প্রথম জয় আফগানদের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/350</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 10:11:47 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/350</guid>
		<description> গুরবাজ </description>
		<content:encoded><![CDATA[টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে ওয়ানডে সিরিজে প্রথম জয় তুলে নিল আফগানিস্তান। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানরা। ১৭ বল তখনও বাকি ছিলো। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে আফগানদের জয় এনে দেন মোহাম্মদ নবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২২১ রান। এ রান টপকাতে গিয়ে খুব ধীরে-সুস্থে ব্যাটিং করতে থাকে আফগান ব্যাটাররা। কোনো তাড়াহুড়ো ছিলো না। তারা যেন জানতো, কিভাবে ব্যাটিং করলে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে, সেভাবেই তারা ব্যাটিং করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২২২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আফগানদের সূচনাটা ভালো এনে দেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইবরাহিম জাদরান। ৫২ রানের জুটি গড়ে তারা বিচ্ছিন্ন হন। ২৩ রান করেন ইবরাহিম।&lt;br /&gt;
সেদিকুল্লাহ আতাল ১৫ বলে ৫ রান করে আউট হন। এরপর রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও রহমত শাহ মিলে বড় জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৭৬ বলে ৫০ রান করে মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে যান রহমানুল্লাহ গুরবাজ।&lt;br /&gt;
৭০ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন রহমত শাহ। ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন হাশমত উল্লাহ শহিদি। আজমত উল্লাহ ওমরজাই ৪৪ বলে খেলেন ৪০ রানের ইনিংস। শেষ মোহাম্মদ নবি ৮ বল মোকাবেলা করে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তানজিম সাকিব একাই নেন ৩ উইকেট।&lt;br /&gt;
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২২১ রানে অলআউ হয় বাংলাদেশ। ৬০ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজ ও ৫৬ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। ৩টি করে উইকেট নেন রশিদ খান ও আজমাতউল্লাহ ওমরজাই।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় আট বাংলাদেশী প্রবাসী নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/349</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 09:47:40 +0600</pubDate>
		<category>প্রবাসে বাংলাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/349</guid>
		<description> ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় আট বাংলাদেশী প্রবাসী নিহত </description>
		<content:encoded><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় আট বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে দেশটির দুকুম সিদরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় বলে জানা গেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ওমান থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ওমানের প্রতিবেদনেও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুকুম সিদরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত ও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে টাইমস অব ওমান।&lt;br /&gt;
নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন আমিন সওদাগর, আরজু, রকি, বাবলু, শাহাবউদ্দিন, জুয়েল, রনি ও আলাউদ্দিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওমানের দুকুম সিদরা এলাকার সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে প্রবাসীদের বহনকারী গাড়িটি। এসময় মাছবাহী একটি কনটেইনার ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে তাদের গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন।&lt;br /&gt;
ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সচিব (শ্রম) আসাদুল হক গণমাধ্যমকে জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৮ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। এ ঘটনায় চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত চালককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন। বর্তমানে মরদেহগুলো মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বাংলাদেশে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ওয়ানডে মিশনে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/348</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 15:52:21 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/348</guid>
		<description> আবুধাবিতে আজ সন্ধ্যায় মাঠে গড়াবে খেলা </description>
		<content:encoded><![CDATA[আবুধাবিতে আজ বুধবার একে অপরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। দুই দলকেই দীর্ঘদিন পর ওয়ানে ডে ফরমেটে খেলতে দেখা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আফগানিস্তান সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছে আট মাস আগে, ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। সেটিও বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছিল। ফলে চলতি বছরে তারা এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ওয়ানডে খেলেছে।&lt;br /&gt;
অন্যদিকে বাংলাদেশ খেলেছে ছয়টি ওয়ানডে, তবে শেষ ম্যাচটি জুলাই মাসে। তুলনামূলকভাবে এখন কিছুটা ভালো অবস্থানে থাকলেও, টাইগাররা সেই ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই হেরেছে, জিতেছে মাত্র একটি।&lt;br /&gt;
এই অনিয়মিত ওয়ানডে সূচির কারণে দুই দলের একাদশ গঠনে প্রভাব পড়তে পারে। বাংলাদেশ চাইবে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজের জয় থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাসে ভর করে এগিয়ে যেতে। অন্যদিকে আফগানিস্তান মরিয়া থাকবে সব সংস্করণে টানা পাঁচ ম্যাচের হার কাটিয়ে উঠতে।&lt;br /&gt;
সব মিলিয়ে সিরিজটি হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে দীর্ঘদিন পর ওয়ানডে খেলতে নামায় পরিকল্পনা ও মাঠের ভুলত্রুটি দুই দলকেই ভোগাতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এবার আটক হলেন শহিদুল আলম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/347</link>
		<dc:creator><![CDATA[জাকির হোসেন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 15:20:34 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/347</guid>
		<description> শহিদুল আলমের ফাইল ছবি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়েছেন&amp;nbsp; বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। তার ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়েছেন&amp;nbsp; বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। তার&amp;nbsp; নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী এবং লেখক। আমাদের সমুদ্রে আটক করা হয়েছে এবং আমাকে ইসরায়েলের দখলদার বাহিনী অপহরণ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সক্রিয় সহযোগিতা এবং সহায়তায় যারা গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমি আমার সকল কমরেড এবং বন্ধুদের কাছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করছি। জানা গেছে, শহিদুল আলম &amp;lsquo;কনশান্স&amp;rsquo; নামের একটি জাহাজে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলা জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের কনভয়ে আক্রমণ করেছে এবং গাজার দিকে যাত্রা করার সময় বেশ কয়েকটি জাহাজকে আটক করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় যাওয়ার পথে কমপক্ষে দুটি নৌকায় উঠে পড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বুধবার অন্তত তিনটি জাহাজ আটক করেছে। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, গাজা সানবার্ডস, আলা আল-নাজ্জার ও আনাস আল-শরীফ নামের তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে অবৈধভাবে লোকজনকে আটক করা হয়েছে। গাজা উপকূল থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে বুধবার ভোরের দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;কনশান্স&amp;rsquo; নামের একটি জাহাজেও আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই জাহাজে ৯০ জনের বেশি সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছে, আইনি নৌ অবরোধ ভাঙার আরেকটি ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে। ওই জাহাজগুলো এবং যাত্রীদের ইসরায়েলের একটি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, সব যাত্রী নিরাপদ ও সুস্থ আছেন এবং তাদের দ্রুত দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন জানিয়েছে, আটককৃত নৌবহরগুলোতে গাজার ক্ষুধার্ত হাসপাতালগুলোর জন্য ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের বেশি মূল্যের ওষুধ, শ্বাসযন্ত্রের সরঞ্জাম ও পুষ্টিসামগ্রী ছিল।&lt;br /&gt;
গত কয়েক মাসে ইসরায়েল গাজায় প্রবেশের চেষ্টা করা একাধিক আন্তর্জাতিক সহায়তা বহরকে বাধা দিয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত এ অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।&lt;br /&gt;
এর আগের সপ্তাহে ইসরায়েল একই সংগঠনের প্রায় ৪৫টি জাহাজ আটক করেছিল। এসব জাহাজে রাজনীতিক ও অধিকারকর্মীদের পাশাপাশি সুইডেনের জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। ওই ঘটনার পর ইউরোপজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়েছেন&amp;nbsp; বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। তার&amp;nbsp; নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী এবং লেখক। আমাদের সমুদ্রে আটক করা হয়েছে এবং আমাকে ইসরায়েলের দখলদার বাহিনী অপহরণ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সক্রিয় সহযোগিতা এবং সহায়তায় যারা গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমি আমার সকল কমরেড এবং বন্ধুদের কাছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করছি। জানা গেছে, শহিদুল আলম &amp;lsquo;কনশান্স&amp;rsquo; নামের একটি জাহাজে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলা জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের কনভয়ে আক্রমণ করেছে এবং গাজার দিকে যাত্রা করার সময় বেশ কয়েকটি জাহাজকে আটক করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় যাওয়ার পথে কমপক্ষে দুটি নৌকায় উঠে পড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বুধবার অন্তত তিনটি জাহাজ আটক করেছে। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, গাজা সানবার্ডস, আলা আল-নাজ্জার ও আনাস আল-শরীফ নামের তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে অবৈধভাবে লোকজনকে আটক করা হয়েছে। গাজা উপকূল থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে বুধবার ভোরের দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;কনশান্স&amp;rsquo; নামের একটি জাহাজেও আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই জাহাজে ৯০ জনের বেশি সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছে, আইনি নৌ অবরোধ ভাঙার আরেকটি ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে। ওই জাহাজগুলো এবং যাত্রীদের ইসরায়েলের একটি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, সব যাত্রী নিরাপদ ও সুস্থ আছেন এবং তাদের দ্রুত দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন জানিয়েছে, আটককৃত নৌবহরগুলোতে গাজার ক্ষুধার্ত হাসপাতালগুলোর জন্য ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের বেশি মূল্যের ওষুধ, শ্বাসযন্ত্রের সরঞ্জাম ও পুষ্টিসামগ্রী ছিল।&lt;br /&gt;
গত কয়েক মাসে ইসরায়েল গাজায় প্রবেশের চেষ্টা করা একাধিক আন্তর্জাতিক সহায়তা বহরকে বাধা দিয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত এ অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।&lt;br /&gt;
এর আগের সপ্তাহে ইসরায়েল একই সংগঠনের প্রায় ৪৫টি জাহাজ আটক করেছিল। এসব জাহাজে রাজনীতিক ও অধিকারকর্মীদের পাশাপাশি সুইডেনের জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। ওই ঘটনার পর ইউরোপজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী এবং লেখক। আমাদের সমুদ্রে আটক করা হয়েছে এবং আমাকে ইসরায়েলের দখলদার বাহিনী অপহরণ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সক্রিয় সহযোগিতা এবং সহায়তায় যারা গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমি আমার সকল কমরেড এবং বন্ধুদের কাছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করছি। জানা গেছে, শহিদুল আলম &amp;lsquo;কনশান্স&amp;rsquo; নামের একটি জাহাজে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলা জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের কনভয়ে আক্রমণ করেছে এবং গাজার দিকে যাত্রা করার সময় বেশ কয়েকটি জাহাজকে আটক করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় যাওয়ার পথে কমপক্ষে দুটি নৌকায় উঠে পড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বুধবার অন্তত তিনটি জাহাজ আটক করেছে। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, গাজা সানবার্ডস, আলা আল-নাজ্জার ও আনাস আল-শরীফ নামের তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে অবৈধভাবে লোকজনকে আটক করা হয়েছে। গাজা উপকূল থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরে বুধবার ভোরের দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;কনশান্স&amp;rsquo; নামের একটি জাহাজেও আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই জাহাজে ৯০ জনের বেশি সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছে, আইনি নৌ অবরোধ ভাঙার আরেকটি ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে। ওই জাহাজগুলো এবং যাত্রীদের ইসরায়েলের একটি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, সব যাত্রী নিরাপদ ও সুস্থ আছেন এবং তাদের দ্রুত দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন জানিয়েছে, আটককৃত নৌবহরগুলোতে গাজার ক্ষুধার্ত হাসপাতালগুলোর জন্য ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের বেশি মূল্যের ওষুধ, শ্বাসযন্ত্রের সরঞ্জাম ও পুষ্টিসামগ্রী ছিল।&lt;br /&gt;
গত কয়েক মাসে ইসরায়েল গাজায় প্রবেশের চেষ্টা করা একাধিক আন্তর্জাতিক সহায়তা বহরকে বাধা দিয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত এ অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।&lt;br /&gt;
এর আগের সপ্তাহে ইসরায়েল একই সংগঠনের প্রায় ৪৫টি জাহাজ আটক করেছিল। এসব জাহাজে রাজনীতিক ও অধিকারকর্মীদের পাশাপাশি সুইডেনের জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। ওই ঘটনার পর ইউরোপজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা. বিবিসি. সিএনএন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৮ বছরেও অবকাঠামো গড়ে উঠেনি — রাস্তায় ক্লাস নিয়ে প্রতিবাদে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/346</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 28 Jul 2025 14:45:31 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/346</guid>
		<description> অবকাঠামো ছাড়া একটি বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে চলতে পারে? </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৮ বছরেও অবকাঠামো গড়ে উঠেনি &amp;mdash; রাস্তায় ক্লাস নিয়ে প্রতিবাদে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৫&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদক:&amp;nbsp;&lt;strong&gt;রাইহান ইসলাম, সময় ভেলা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সিরাজগঞ্জের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় গত আট বছর ধরে চলছে প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত কার্যক্রম, কিন্তু আজও গড়ে উঠেনি কোনও দৃশ্যমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন। ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বারবার বিঘ্নিত হচ্ছে। এই দীর্ঘদিনের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার বিরুদ্ধে আজ শিক্ষার্থীরা এক অভিনব প্রতিবাদের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে&amp;mdash; সড়কে বসেই নেয়া হয় ক্লাস!&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা বই-খাতা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। মূল ফটকের সামনের সড়কে বসেই চলে বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, সঙ্গীতসহ প্রায় সব বিভাগের ক্লাস। রাস্তার একপাশে শিক্ষার্থীরা প্ল্যাকার্ড হাতে বসে থাকে&amp;mdash; &amp;ldquo;আমরা ক্লাস চাই, বিল্ডিং নয়?&amp;rdquo;, &amp;ldquo;৮ বছরে অবকাঠামো নেই কেন?&amp;rdquo;,&amp;ldquo;রাস্তাই কি আমাদের শ্রেণিকক্ষ?&amp;rdquo; &amp;mdash; এমন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস এলাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীদের বক্তব্য&lt;br /&gt;
বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রায়হান বলেন, &amp;ldquo;প্রতিবছর ভর্তি নিচ্ছে, কিন্তু কোথাও স্থায়ী ক্লাসরুম নেই। গ্রীষ্মে গরমে, বর্ষায় বৃষ্টিতে আমাদের ক্লাস করতে হয়। এটা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জার।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মীম বলেন, &amp;ldquo;আমরা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি শুনতে শুনতে ক্লান্ত। অবকাঠামো ছাড়া একটি বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে চলতে পারে?&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অব্যবস্থাপনার চিত্র&lt;br /&gt;
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে। তখন থেকেই অস্থায়ী ভবনে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। এখনও পর্যন্ত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের কাজ কার্যত থেমে আছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে আশ্বাস দেওয়া হলেও, বাস্তবে কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ফলে শ্রেণিকক্ষ সংকট, গবেষণা ল্যাব, পাঠাগার, ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসন&amp;mdash; কিছুই সঠিকভাবে গড়ে উঠতে পারেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, &amp;ldquo;আমরাও চরম অসন্তোষের মধ্যে রয়েছি। ক্লাস নেয়ার মত পরিবেশ নেই। এটা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের প্রতি অবিচার।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিভাবকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাদের সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও পাচ্ছে না উপযুক্ত পরিবেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীদের দাবি&lt;br /&gt;
অবিলম্বে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ শুরু করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপাতত অস্থায়ীভাবে হলেও সকল বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবছর অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে স্বচ্ছভাবে রিপোর্ট উপস্থাপন করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই রাস্তায় ক্লাস নেয়া শুধুই প্রতিবাদ নয়, এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি এক তীব্র প্রশ্ন। উচ্চশিক্ষার নামে যখন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়, তখন অবকাঠামোগত দায়িত্বও সমানভাবে নিতে হয়। এই প্রতিবাদ যদি নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে, তবে হয়ত ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীরা প্রকৃত একটি বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে পাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মাইলস্টোন ট্রাজেডি : মুহূর্তেই ঝরে গেল অজস্র প্রাণ, ফেরা হবে না আর বাবা মায়ের কাছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/345</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Jul 2025 17:17:21 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/345</guid>
		<description> ২১ জুলাইয়ের মাইলস্টোন দুর্ঘটনা এক মর্মান্তিক  ট্র্যাজেডি, </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মাইলস্টোন ট্রাজেডি : মুহূর্তেই ঝরে গেল অজস্র প্রাণ, ফেরা হবে না আর বাবা মায়ের কাছে&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;nbsp;দুর্ঘটনার সময় ও পরিস্থিতি&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫, দুপুর ১টা ৬ মিনিটে, কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটি থেকে F‑7 BGI প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করেছিল&amp;mdash;মেশিনিক্যাল ত্রুটির কারণে মাত্র কয়েক মিনিট পরে এটি উত্তরায় মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমান ও পথ: বিমানটি সাধারণ রুটিন প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে ছিল; যান্ত্রিক ত্রুটির পর পাইলট ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে, কিছুটা খোলা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তবে বিমান নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং স্কুল ভবনে আঘাত হানে&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হতাহতের পরিসংখ্যান&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহত সংখ্যা: আপাতত ২০&amp;ndash;৩১ জন নিহত&amp;mdash;এর মধ্যে অধিকাংশই শিশু; Reuters জানায় অন্তত ২৫ শিশুসহ ২৭ জন&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আহত: প্রায় ১৬০&amp;ndash;১৭০ জন আহত, যাদের অনেকেই গুরুতর দগ্ধ অবস্থায়&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাণ বিসর্জন দানকারী: যেমন মেহরিন চৌধুরী, ৪৪ বছর বয়সী একজন শিক্ষক, একাধারে শতভাগ দগ্ধ হয়ে ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিরাপদে সরিয়ে দিতে গিয়েছিলেন&amp;mdash;পরে তিনি মারা যান&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;পাইলটের ত্যাগ ও মানবিকতা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মোঃ তৌকির ইসলাম যান্ত্রিক ত্রুটির মাত্রাতিরিক্ত সময়ে বিমান নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন, যাতে জনবসতিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে যাওয়া যায়&amp;mdash;শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেই নিহত হন&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্ধার, চিকিৎসা ও জনপ্রতিক্রিয়া&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উদ্ধার অভিযানের সময়: ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও র&amp;zwnj;্যাব দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চিকিৎসা ব্যবস্থা: সারাদেশে রক্তদানে এগিয়ে আসা শুরু হয়; বার্ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা মেডিকেল, সিএমএইচ সহ আটটি হাসপাতালে ৮৮&amp;ndash;১৭১ জন ভর্তি ছিলেন&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রক্তদানের গণজাগরণ: সামাজিক ও বিনোদন জগত থেকে রক্তদানে আগ্রহী ব্যক্তিরা এগিয়ে আসেন; দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি প্রয়োজনের খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের দাবি: ক্ষতিপূরণ, নিহতদের তালিকা প্রকাশ, ঝুঁকিপূর্ণ বিমান ব্যবহার বন্ধের দাবি&amp;mdash;শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও ৬ দফা ঘোষণা শুরু&amp;nbsp; । রাষ্ট্রীয় শোক: ব্যাপক শোকবৃক্ষ হিসেবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং সরকারের পক্ষ থেকে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
বিজ্ঞান ও নিরাপত্তা উদ্বেগ: সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ, অনেকে প্রশিক্ষণ বিমান শহরে বলে প্রশ্ন তোলে; আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলন নিয়ন্ত্রনে নিয়োজিত&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইএসপিআর (Inter‑Services Public Relations) একটি উচ্চস্তরের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যাকে মেশিনিক্যাল ত্রুটি ও দুর্ঘটনা প্রশমন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে বলা হয়েছে ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভবিষ্যৎ প্রতিরোধ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ঝুঁকিমুক্ত এলাকা চিহ্নিতকরণ, নিরাপত্তা প্রটোকল উন্নয়ন ও জনমত তৈরি&amp;mdash;এসব নিয়ে রাষ্ট্র ও নাগরিকদের জরুরি উদ্যোগের প্রয়োজন&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২১ জুলাইয়ের মাইলস্টোন দুর্ঘটনা এক মর্মান্তিক স্থানীয় ট্র্যাজেডি, যেখানে পাইলট ও শিক্ষক&amp;mdash;মানবিকতায় উদ্দীপিত&amp;mdash;তাঁদের প্রাণ বাজী রেখে প্রাণ রক্ষা চেষ্টা করেন। একইসঙ্গে এটি এক জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংকট, যেখানে শিশুদের নিরাপত্তা, হাসপাতালের প্রস্তুতি, জরুরি সেবার তাৎক্ষণিকতা ও সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বের প্রশ্ন উঠে। দুর্ঘটনার তদন্ত ও প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ নিয়েই বাংলাদেশ একটি জাতীয় শিক্ষা ও নিরাপত্তা সংলাপে জড়াতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডিপ্লোমাধারীদের সিডিসি প্রদানের অযৌক্তিক প্রস্তাব বাতিল , ক্যাডেট ও রেটিংসদের  চাকরি নিশ্চয়তার দাবিতে মানববন্ধন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/344</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Jul 2025 15:21:58 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/344</guid>
		<description> ডিপ্লোমাধারীদের সিডিসি প্রদানের অযৌক্তিক প্রস্তাব বাতিল , ক্যাডেট ও রেটিংসদের  চাকরি নিশ্চয়তার দাবিতে মানববন্ধন </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;ডিপ্লোমাধারীদের সিডিসি প্রদানের অযৌক্তিক প্রস্তাব বাতিল , ক্যাডেট ও রেটিংসদের&amp;nbsp; চাকরি নিশ্চয়তার দাবিতে&amp;nbsp;মানববন্ধন&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;তারিখ: ২০ জুলাই ২০২৫&lt;br /&gt;
স্থান: নৌ পরিবহন অধিদপ্তর, আগারগাঁও,&amp;nbsp;ঢাকা&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের সামুদ্রিক অর্থনীতি একটি সম্ভাবনাময় খাত, যেখানে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মেরিনারদের অবদান অপরিসীম। দেশের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক শিপিং খাতে কাজ করার লক্ষ্যে প্রতিবছর শত শত মেরিন ক্যাডেট ও রেটিংস সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবে চাকরি না পাওয়া এবং পেশাগত অগ্রগতিতে নানা বৈষম্যের কারণে তারা বর্তমানে মারাত্মক সংকটে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পটভূমিতে বাংলাদেশ মেরিনার্স কমিউনিটি ২০২৫ সালের ২০ জুলাই, রাজধানীর নৌ পরিবহন অধিদপ্তর, আগারগাঁও, ঢাকা-তে এক শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন আয়োজন করে। এতে তারা দুটি মূল দাবি উপস্থাপন করেন:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. ডিপ্লোমাধারীদের&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;nbsp;সিডিসি&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;(Certificate of Competency) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত অযৌক্তিক&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;প্রস্তাব&amp;nbsp;বাতিল করতে হবে।&lt;br /&gt;
২. প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্যাডেট ও রেটিংসদের জন্য চাকরির নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সিডিসি&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;(Certificate of Competency) কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সিডিসি&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বা সার্টিফিকেট অব কম্পিটেন্সি হল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি অনুমোদন, যা কোনও মেরিনারকে জাহাজে নির্দিষ্ট পদের দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা প্রদান করে। এই সনদ ছাড়া আন্তর্জাতিক জাহাজে কাজ করা সম্ভব নয়। এটি STCW (Standards of Training, Certification and Watchkeeping) কনভেনশন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার (IMO) নির্ধারিত মান অনুসরণ করে প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সম্প্রতি নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এমন একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যেখানে ডিপ্লোমাধারীদের জন্য সিটিসি পেতে অতিরিক্ত শর্ত আরোপের চিন্তাভাবনা করা হয়েছে, যা দেশের প্রচলিত নীতিমালার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এবং মেরিন পেশাজীবীদের সঙ্গে স্পষ্ট বৈষম্যমূলক আচরণ বলে মনে করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের নৌ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর প্রায় ৮০০-১০০০ জন ক্যাডেট ও রেটিংস পাশ করছেন। তারা অধিকাংশই সরকারি বা সরকার অনুমোদিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে IMO অনুমোদিত কোর্স সম্পন্ন করে থাকেন। কিন্তু তাদের একটি বড় অংশ বছর বছর অপেক্ষা করেও কোনো জাহাজে চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মেরিনারদের চাহিদা থাকলেও জব প্লেসমেন্ট সিস্টেমের অভাব, বেসরকারি শিপিং কোম্পানিগুলোর অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, এবং সরকারি দিকনির্দেশনার অভাব&amp;mdash;এই সমস্ত কারণে দক্ষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেরিনাররা বাস্তবজগতে স্থায়ী কর্মসংস্থান পাচ্ছেন&amp;nbsp;না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০ জুলাই সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শতাধিক মেরিন ক্যাডেট, মেরিনার , রেটিংস এবং তাদের অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;
তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানারে লেখা ছিল:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;অযৌক্তিক&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সিডিসি&amp;nbsp; শর্ত বাতিল করো&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&amp;quot;Stop Unnecessary Cadets Recruitment NOW&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;মেরিন ক্যাডেটদের চাকরি চাই&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, চাকরি নিশ্চিত করো&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। মানববন্ধন শেষে কমিউনিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত স্মারকলিপি নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে জমা দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন স্তরের মেরিনার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তারা বলেন&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;gt; &amp;ldquo;ডিপ্লোমা মেরিনারদের জন্য আলাদা শর্ত বসানো মানেই পেশাগতভাবে বৈষম্য সৃষ্টি করা। এটি শুধু অন্যায় নয়, এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির জন্যও হুমকি।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে বিশ্ববাজারে দক্ষ নাবিক ও মেরিনারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফিলিপাইন, ভারত, ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার মেরিনার বিশ্বের বিভিন্ন শিপিং লাইনে কাজ করছেন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। বাংলাদেশও এই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই, তবে তার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী নীতিমালা, জব প্লেসমেন্ট সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসারে স্বচ্ছ প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ ব্যবস্থা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদি এই মুহূর্তে ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ক্যাডেট-রেটিংসদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে একটি সম্ভাবনাময় খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ মেরিনার্স কমিউনিটির এই মানববন্ধন কেবল একটি দাবিদাওয়া নয়, এটি একটি সতর্ক সংকেত&amp;mdash;যা দেশের মেরিন খাতকে গঠনমূলক, টেকসই ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার, নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি অনুরোধ থাকবে, যেন তারা মানবিক, বাস্তবভিত্তিক ও পেশাগত সম্মান বজায় রেখে এই সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করেন। তাহলেই বাংলাদেশ তার সামুদ্রিক সম্ভাবনার প্রকৃত দ্বার উন্মোচন করতে পারবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাইবান্ধায় ‘কচু তোলা’ ও ‘আম পাড়া’ নিয়ে দুই খুন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/343</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 17:20:02 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/343</guid>
		<description> গাইবান্ধার দুটি উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুজন নিহত হয়েছেন। সাদুল্লাপুরে কচু তুলতে গিয়ে চাচাতো ভাইয়ের হাতে ভাই খুন হন, আর সুন্দরগঞ্জে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচার মৃত্যু হয়। শুক্রবার বিকেল থেকে রাতের মধ্যে দুটি ঘটনা ঘটে জেলার ফরিদপুর ও বেলকা ইউনিয়নে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গাইবান্ধার দুটি উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুজন নিহত হয়েছেন। সাদুল্লাপুরে কচু তুলতে গিয়ে চাচাতো ভাইয়ের হাতে ভাই খুন হন, আর সুন্দরগঞ্জে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচার মৃত্যু হয়। শুক্রবার বিকেল থেকে রাতের মধ্যে দুটি ঘটনা ঘটে জেলার ফরিদপুর ও বেলকা ইউনিয়নে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাদুল্লাপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের মীরপুর গ্রামে নিহত হন ফুয়াদ হোসেন (৪৫)। তিনি মৃত আফজাল হোসেন ওরফে দুলা মাস্টারের ছেলে। পুলিশ জানায়, মুক্তা বেগম নামে এক নারী তার বাবার কাছ থেকে ১৭ শতক জমি বন্ধক ও ১৮ শতক জমি বর্গা নিয়ে সেখানে কচু চাষ করেছিলেন। শুক্রবার বিকেলে তিনি স্বামী শাহারুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষেত থেকে কচু তুলছিলেন। এ সময় তার ভাই মামুন মিয়া এসে বাধা দেন। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মামুন তার বোনকে মারধর শুরু করলে চাচাতো ভাই ফুয়াদ হোসেন এবং তার স্ত্রী সান্তনা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু উত্তেজিত মামুন তার হাতে থাকা কাঁচি দিয়ে ফুয়াদের বুকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ফুয়াদকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার পর পুলিশ মামুন মিয়াকে আটক করেছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, রাতের দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা (মাঝবাড়ি) গ্রামে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ঘটেছে আরেকটি হত্যাকাণ্ড। নিহত জিয়ারুল ইসলাম (৪৪) ছিলেন মৃত জাফর আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে নছিরন বেওয়াকে গালিগালাজ করেন তার ছেলে ইব্রাহিম আলী। এতে প্রতিবাদ করেন নছিরনের আরেক ছেলে জিয়ারুল। পরে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হলে ইব্রাহিমের ছেলে সাইফুল ইসলাম এসে চাচা জিয়ারুলের বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই জিয়ারুলের মৃত্যু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে আসা জিয়ারুলের স্ত্রী আছমা বেগম ও ছেলে ইসমাইল হোসেনকেও ছুরিকাঘাত করেন সাইফুল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয়রা বলছেন, পারিবারিক সম্পত্তি ও সামান্য বিষয় নিয়ে সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে, যা সামাজিক বন্ধনকে দুর্বল করে দিচ্ছে। পুলিশ বলছে, পারিবারিক বিরোধে সহিংসতা ঠেকাতে সচেতনতা ও পারস্পরিক সমঝোতা জরুরি।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল ইতালি ও নেদারল্যান্ডসসহ ১৫ দল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/342</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 16:39:34 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/342</guid>
		<description> আইসিসির ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। মোট ২০টি দেশ অংশ নেবে এই প্রতিযোগিতায়। আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা আগেই জায়গা নিশ্চিত করেছিল। এছাড়া ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সও পরবর্তী আসরের জন্য বাছাইয়ের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ইতালি ও নেদারল্যান্ডস প্রথমবারের মতো জায়গা নিশ্চিত করল। এই দুটি ইউরোপীয় দেশ গতকাল বাছাইপর্বে সাফল্যের মাধ্যমে আসন্ন বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে। এর ফলে আসন্ন আসরের জন্য এখন পর্যন্ত ১৫টি দল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইসিসির ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। মোট ২০টি দেশ অংশ নেবে এই প্রতিযোগিতায়। আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা আগেই জায়গা নিশ্চিত করেছিল। এছাড়া ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সও পরবর্তী আসরের জন্য বাছাইয়ের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে খেলায় সরাসরি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র। আয়োজক ভারতকে এই পরিসংখ্যানের বাইরে রাখা হয়েছে। শ্রীলঙ্কা যদিও সুপার এইটে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল, তবুও আয়োজক হিসেবে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
র&amp;zwnj;্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড। আমেরিকা অঞ্চল থেকে ইতোমধ্যেই কানাডা বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে, যেটি ছিল ওই অঞ্চলের একমাত্র কোটা। ইউরোপ অঞ্চল থেকে দুটি দেশ&amp;mdash;ইতালি ও নেদারল্যান্ডস&amp;mdash;বিশ্বকাপে স্থান পেয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া আফ্রিকা, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে আরও পাঁচটি দল চূড়ান্ত হবে মূল বাছাইপর্ব শেষ হওয়ার পর। বর্তমানে সেই বাছাইপর্বের খেলা চলমান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া ১৫টি দেশ হলো: ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস।&lt;br /&gt;
বিশ্বকাপে নতুন মুখ হিসেবে ইতালি ও নেদারল্যান্ডসের আগমন ক্রিকেট বিশ্বে নতুন চ্যালেঞ্জ ও বৈচিত্র্য আনবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাঁধ মেরামতে অব্যবস্থাপনার খেসারত দিচ্ছে ফেনী-নোয়াখালীর মানুষ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/340</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 15:48:26 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/340</guid>
		<description> এই দুর্যোগ মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার মানুষ ফেনীর বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এই দুর্যোগ কি পূর্বাভাসহীন ছিল? পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই জানিয়েছিল, জুলাইয়ে বৃষ্টিপাত এবং নদীর পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পরও কেন দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি? কেন যথাসময়ে বাঁধ সংস্কার ও শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি? </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ফেনী ও নোয়াখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত এবং নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে এখনও পানির নিচে। শহর, গ্রাম, সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার&amp;mdash;সবকিছুই কার্যত থমকে আছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের পূর্ব প্রস্তুতির অভাব, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা এবং অদক্ষ ব্যবস্থাপনার ফলে আজকের এই দুর্ভোগ&amp;mdash;এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও এলাকাবাসী। ৯ জুলাই রেকর্ড বৃষ্টিপাতের দিন থেকেই ফেনী শহর এবং আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হতে থাকে। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় বাঁধ ভেঙে প্রবল গতিতে পানি ছড়িয়ে পড়ে ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও পরশুরাম উপজেলায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয়দের অভিযোগ, মে মাস থেকেই ফাটল দেখা দেওয়া বাঁধগুলো মেরামতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সংবাদকর্মীদের একাধিক প্রতিবেদনে এসব ফাটলের বিষয়ে সতর্ক করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি। সরকার ২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো মেরামতে প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল, কিন্তু এবার জুলাই মাসের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতেই সেই বাঁধগুলোর বেশিরভাগ অংশ ভেঙে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, এখন ৭ হাজার ৩৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ফেনী শহরের অব্যবস্থাপনার চিত্র আরও ভয়াবহ। শহীদুল্লা কায়সার সড়কসহ বহু এলাকা ডুবে গেছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রায় নেই বললেই চলে। স্থানীয় এক বাসিন্দা মন্তব্য করেন, জেলেই ভালো ছিলাম, অন্তত পানি উঠত না। পৌরসভার অকার্যকরতা, প্রশাসক দিয়ে দায়িত্ব চালানো ও নাগরিক দুর্ভোগে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৃষ্টি বন্ধ হলে পানি নেমে যাবে&amp;mdash;এ মন্তব্যকে এলাকাবাসী তাচ্ছিল্যের চোখে দেখছেন।&lt;br /&gt;
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ৮ জুলাই সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফেনীতে ২২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা মৌসুমি স্বাভাবিকতার মধ্যেই পড়ে। জলবায়ুবিদদের মতে, আষাঢ়-শ্রাবণের এই সময় দেশে এমন বৃষ্টিপাত নতুন নয়। তাই বর্ষাকাল এবং পূর্ণিমা-অমাবস্যার জোয়ার বিবেচনায় রেখে বাঁধ নির্মাণ ও জলনিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকাই মূলত ভয়াবহ জলাবদ্ধতা ও বন্যার কারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বন্যা পরিস্থিতির কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ, পরীক্ষা স্থগিত, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ এবং যাতায়াত বন্ধ হয়ে পড়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ফুলগাজীর ৬৭টি, পরশুরামের ২৭টি, ছাগলনাইয়ার ১৫টি, দাগনভূঞার ২টি এবং ফেনী সদরের ১টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বহু এলাকায় বেড়িবাঁধের ওপর দিয়েই পানি প্রবেশ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই দুর্যোগ মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার মানুষ ফেনীর বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এই দুর্যোগ কি পূর্বাভাসহীন ছিল? পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই জানিয়েছিল, জুলাইয়ে বৃষ্টিপাত এবং নদীর পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পরও কেন দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি? কেন যথাসময়ে বাঁধ সংস্কার ও শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর পরিস্থিতিও ফেনীর মতোই করুণ। জলাবদ্ধতার কারণে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, কবিরহাট, সেনবাগ, সোনাইমুড়ীসহ একাধিক উপজেলায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিসেফ ও ডব্লিউএফপি প্রস্তুত আছে, তবে এখনো মাঠে নামেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফেনী ও নোয়াখালীর মানুষ এখন ত্রাণ নয়, চায় স্থায়ী সমাধান। বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব, ঠিকাদার চক্রের আধিপত্য এবং প্রশাসনিক অসহায়ত্ব যেন আর না চলে&amp;mdash;এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানুষের জীবন ও সম্পদকে বাঁচাতে চাই সঠিক পরিকল্পনা, সময়োপযোগী বাস্তবায়ন এবং জনগণের অংশগ্রহণ&amp;mdash;তবে বন্যা মোকাবিলার ভবিষ্যৎ বাস্তব হবে, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত মার্কিন তরুণ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/339</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 15:34:03 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/339</guid>
		<description> সাইফুল্লাহ মুসাল্লেতের হত্যাকাণ্ড শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ইসরায়েলি দখলদারিত্ব, জাতিগত দমনপীড়ন এবং আন্তর্জাতিক নীরবতার একটি প্রতিচ্ছবি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, যদি এখনই জবাবদিহি নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে এই সহিংসতা আরও বাড়বে এবং এর বলি হবে নিরীহ সাধারণ মানুষ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এক মার্কিন তরুণ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত ওই যুবকের নাম সাইফুল্লাহ মুসাল্লেত, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ট্যাম্পা শহরের বাসিন্দা। ফিলিস্তিনে অবস্থিত তাঁর স্বজনদের দেখতে গিয়ে পশ্চিম তীরের রামাল্লার উত্তরে সিঞ্জিল শহরে গত শুক্রবার এই হামলার শিকার হন তিনি। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, সাইফুল্লাহ মুসাল্লেত, যিনি সাইফ আল-দিন নামেও পরিচিত, ফিলিস্তিনে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছুদিন থাকার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। সেখানে পৌঁছানোর কয়েকদিন পরই এই নৃশংস হামলায় তিনি প্রাণ হারান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিহতের চাচাতো বোন ফাতমাহ মুহাম্মদ একটি পোস্টে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন এবং এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সময়, মোহাম্মদ শালাবি নামের আরও এক ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের গুলিতে নিহত হন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁরা পশ্চিম তীরে একজন মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়ে অবগত আছেন। তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত মন্তব্য করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা এখন নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বসতিতে আগুন দেওয়া, যানবাহন ভাঙচুর, ফিলিস্তিনি কৃষকদের জমি দখল, এমনকি সরাসরি হত্যাকাণ্ড&amp;mdash;এ সবই যেন একটি বড় পরিকল্পনার অংশ। অধিকাংশ সময় এসব হামলার সময় ইসরায়েলি সেনারা উপস্থিত থেকে বসতি স্থাপনকারীদের নিরাপত্তা দেয়, অথচ প্রতিরোধ করতে গেলে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, পশ্চিম তীরে গড়ে ওঠা বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। এগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণকে বিতাড়িত করে অঞ্চলটিকে ইসরায়েলিকরণ করা হচ্ছে। এমনকি ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তাদের সহিংসতা বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও সরকারের সহযোগিতায় বসতি স্থাপনকারীরা এখন প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা করছে। সিএআইআরের উপপরিচালক এডওয়ার্ড আহমেদ মিচেল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র আগে কোনো হত্যার বিচার করেনি, তাই ইসরায়েল এখন নির্বিচারে মার্কিন ফিলিস্তিনি ও অন্যান্য ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে। তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন যদি মার্কিন নাগরিকের প্রাণহানির পরও চুপ থাকে, তবে তারা &amp;lsquo;আমেরিকা ফার্স্ট&amp;rsquo; নয়, বরং &amp;lsquo;ইসরায়েল ফার্স্ট&amp;rsquo; নীতিতে চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন প্রশাসনের সমালোচনায় যুক্ত হয়েছে ইনস্টিটিউট ফর মিডল ইস্ট আন্ডারস্ট্যান্ডিং (আইএমইইউ)। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের আইনি ও নৈতিক দায় হচ্ছে&amp;mdash;ইসরায়েলি সহিংসতা বন্ধ করা। কিন্তু তারা উল্টো সেই সহিংসতার পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনার পর হামাস এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডকে বর্বরতা আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানায়। একইসঙ্গে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা বসতি স্থাপনকারী ও তাদের সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে তারা পাল্টা অভিযোগ এনেছে যে, সহিংসতার সূত্রপাত নাকি হয়েছিল, যখন ফিলিস্তিনিরা একটি ইসরায়েলি গাড়িতে পাথর ছুঁড়ে মারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য মতে, গাজায় চলমান অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনী এ পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৭০০&amp;ndash;এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডকে তারা গণহত্যা বলেই মনে করছে। একইসঙ্গে পশ্চিম তীরে সহিংসতা, উচ্ছেদ এবং গণগ্রেপ্তার চলছেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাইফুল্লাহ মুসাল্লেতের হত্যাকাণ্ড শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ইসরায়েলি দখলদারিত্ব, জাতিগত দমনপীড়ন এবং আন্তর্জাতিক নীরবতার একটি প্রতিচ্ছবি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, যদি এখনই জবাবদিহি নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে এই সহিংসতা আরও বাড়বে এবং এর বলি হবে নিরীহ সাধারণ মানুষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা&amp;mdash;মানবাধিকারের আদর্শে তারা সত্যিই বিশ্বাস করে কি না, নাকি কূটনৈতিক স্বার্থে চোখ বন্ধ রেখেই চলবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: আল জাজিরা&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশ ক্রিকেট চলে কার কথায়? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/338</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 12:38:44 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/338</guid>
		<description> জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠছে সাম্প্রতিক সময়ে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান এবং সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সফরে জাতীয় দলের ব্যর্থ পারফরম্যান্সের পর কোচিং স্টাফদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিসিবির অভ্যন্তরেও। বিশেষ করে, দলের নির্বাচনী সিদ্ধান্ত, খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা ও রণকৌশল নির্ধারণে সালাউদ্দিনের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে উঠছে সমালোচনার ঝড়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠছে সাম্প্রতিক সময়ে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান এবং সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা সফরে জাতীয় দলের ব্যর্থ পারফরম্যান্সের পর কোচিং স্টাফদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিসিবির অভ্যন্তরেও। বিশেষ করে, দলের নির্বাচনী সিদ্ধান্ত, খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা ও রণকৌশল নির্ধারণে সালাউদ্দিনের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে উঠছে সমালোচনার ঝড়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র সহকারী কোচ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে একাদশ গঠনে পক্ষপাতিত্ব, অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ এবং দল পরিচালনায় অনিয়মের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, কিছু ক্রিকেটার সরাসরি বিসিবি কর্মকর্তাদের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করেছেন। যদিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক খেলোয়াড় এবং স্টাফ এই অভিযোগকে সন্দেহের চোখে দেখছেন, তবে সামগ্রিকভাবে সালাউদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুরু হয়েছে বোর্ড মহলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় দলের অনুশীলন ও ম্যাচ চলাকালীন তাঁর সরব উপস্থিতি এবং টিম পরিচালনায় অতিরিক্ত তৎপরতা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের চেয়েও প্রভাবশালী হিসেবে দেখা গেছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। অভিযোগ রয়েছে, একাদশ বাছাইয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সিমন্স এবং অধিনায়কের সিদ্ধান্তের আগেই সালাউদ্দিন প্রভাব বিস্তার করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম অবশ্য এই অভিযোগগুলোকে &amp;lsquo;ভিত্তিহীন&amp;rsquo; বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, প্রধান কোচই একাদশ নির্বাচন করেন, এবং তিনি সব কোচ ও নির্বাচকদের সঙ্গে সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নেন। সালাউদ্দিন বা অন্য কোনো সহকারী কোচের এককভাবে একাদশে প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে বোর্ডের বাইরে জোর গুঞ্জন চলছে, দলের কার্যক্রম অনেকাংশেই সালাউদ্দিনের কথায় পরিচালিত হচ্ছে, এবং প্রধান কোচ সিমন্স আছেন অনেকটাই &amp;lsquo;পরামর্শদাতা&amp;rsquo; ভূমিকায়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত প্রথম টি২০ ম্যাচে চার ওপেনার খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও বিসিবির মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, যার পেছনে সালাউদ্দিনের পরিকল্পনা ছিল বলে মনে করছেন কেউ কেউ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রসঙ্গে বিসিবির একজন পরিচালক জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে যে সালাউদ্দিন দল নির্বাচন থেকে শুরু করে খেলোয়াড়ের রোল নির্ধারণেও যুক্ত ছিলেন। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে আমরা এই অভিযোগগুলো যাচাই করছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু পরিষ্কারভাবেই জানান, একাদশ নির্বাচন কোচ ও অধিনায়ক মিলে করেন। নির্বাচকদের পরামর্শ নেওয়া হয় ঠিকই, তবে কোনো সহকারী কোচ একাদশ চূড়ান্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় দলের বর্তমান কাঠামোতে সালাউদ্দিনের ভূমিকা প্রসঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, কোচ সিমন্স প্রথম দিকে খেলোয়াড়দের ঠিকমতো না চিনে সালাউদ্দিনের ওপর কিছুটা নির্ভরশীল ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই নির্ভরতা কমে এসেছে। একজন বোর্ড কর্মকর্তা বলেন, নিক পোথাস যে ভূমিকায় ছিলেন হাথুরুসিংহের অধীনে, সালাউদ্দিন এখন অনেকটা সেই ভূমিকায় আছেন&amp;mdash;কোচের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সহযোগী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তা সত্ত্বেও প্রশ্ন থেকেই যায়&amp;mdash;সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠছে কেন? বিসিবির একজন পরিচালক বলেন, বোর্ডের ভেতরে কিছুটা আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, কারণ সাফল্য আসছে না। কোচিং স্টাফদের কেউ কেউ নিজের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে ভূমিকা রাখছেন বলেই অনেকে মনে করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সালাউদ্দিনের কাছে মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। বিসিবির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বোর্ডের পরবর্তী সভায় কোচিং স্টাফদের দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে আলোচনা হবে। যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো কোচ তার দায়িত্বের সীমা অতিক্রম করেছেন, তাহলে তাঁর চুক্তি বাতিল করাও হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় দলে যখন ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থতার গল্প জমছে, তখন বোর্ডের ভেতরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবি জোরালো হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দলে স্থায়ী কোচ না থাকা এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে দায়িত্ব বিভাজনের অস্পষ্টতা এই সংকটের মূল কারণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দায়সারা না করে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। কোচিং স্টাফদের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা, স্বচ্ছ দল নির্বাচন এবং পারফরম্যান্সের নিরিখে মূল্যায়নের ব্যবস্থা না হলে মাঠের পারফরম্যান্সে এই অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা চলতেই থাকবে&amp;mdash;এই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​প্রকাশ্যে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন, লাশের উপর দাঁড়িয়ে নৃত্য: নাগরিক নিরাপত্তা কোথায়? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/337</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 11:34:37 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/337</guid>
		<description> ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এমন একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়, যেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা, পুলিশ ও হাসপাতাল আছে, সেখানে কীভাবে এমন প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড ঘটে যায় এবং আশপাশের মানুষ কেউই কেন বাধা দেয় না? </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;রাজধানীর পুরান ঢাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে কংক্রিট বোল্ডার দিয়ে মাথা থেঁতলে মো. সোহাগ (৪৩) নামের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সারাদেশে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র&amp;zwj;্যাব, আর বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল থেকে পাঁচজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার ভিডিও দেখে অনেকেই শিউরে উঠেছেন। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড দেখে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে&amp;mdash;এই ভয়াবহ সহিংসতা কি নিছক ব্যবসায়িক বিরোধ, নাকি এটি রাজনীতির নামে সৃষ্ট অপরাধ সিন্ডিকেটের প্রকাশ্য উন্মাদনা?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বুধবার (৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ৩ নম্বর ফটকের সামনে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ভাঙারি ও পুরনো তারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মো. সোহাগকে কংক্রিটের পাথর দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তার নিথর দেহের ওপর দাঁড়িয়ে হামলাকারীদের কেউ কেউ উল্লাস প্রকাশ করে, যা ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়ে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত সোহাগের বড় বোন। মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। এরই মধ্যে র&amp;zwj;্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিন (২২) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। র&amp;zwj;্যাব আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মহিন ও রবিনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয়রা জানান, পুরান ঢাকার পুরনো তার ব্যবসার একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ছিল, যার নেতৃত্ব দিতেন নিহত সোহাগ। ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিলেন মহিন ও তার সহযোগীরা। তাদের সঙ্গে সোহাগের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের, একাধিকবার বৈঠক হয়েছে, উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমনকি কিছুদিন আগে সোহাগের গোডাউনে তালাও মেরে দেয় মহিনের পক্ষের লোকজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অনেকেই রাজনৈতিক পরিচয়ে পরিচিত। গ্রেপ্তারকৃতদের কেউ কেউ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। মামলার প্রধান দুই আসামি যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ&amp;ndash;জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক রজ্জব আলী পিন্টু ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবাহ করিম লাকিকে বহিষ্কার করেছে যুবদল। দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক সদস্য পদসহ আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে ওই দুই নেতাকে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দল তাদের এক কর্মী কালুকেও বহিষ্কার করেছে। চকবাজার থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব অপু দাস ও এক সময় ছাত্রদলে জড়িত মাহমুদুল হাসান মহিনকেও ছাত্রদল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মফিজুল ইসলাম বলেন, &amp;ldquo;নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, কেউই এই ঘটনার বাইরে থাকবেন না। ভিডিও এবং সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল রেকর্ড ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান বিশ্লেষণ করে প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনীতির মাঠেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গণসংহতি আন্দোলন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, এই নৃশংসতার রাজনীতি আর চলতে পারে না। হত্যার ভিডিও দেখে পুরো জাতি হতবাক। এই বর্বরতার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, মানুষের ভয়কে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা আমরা আগেও দেখেছি। এবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কঠোরভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, যেভাবে প্রকাশ্যে একজন মানুষকে কংক্রিট দিয়ে পিটিয়ে মারা হলো, তারপরও তাঁর নিথর দেহে আঘাত করা হলো&amp;mdash;এটি মানবিক শোক নয়, এটি এক ধরনের রাজনৈতিক নৃশংসতার বহিঃপ্রকাশ। এসব ঘটনায় বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই এখন একমাত্র উপায়। দ্রুততম সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই মত প্রকাশ করেন প্রবীণ অপরাধ সাংবাদিক ও &amp;lsquo;আজকের পত্রিকা&amp;rsquo;র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কামরুল হাসান। তিনি বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি যতদিন থাকবে, ততদিন এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। রাষ্ট্র যখন তার কার্যকারিতা হারায়, তখনই মানুষ নিজেই বিচারক হয়ে উঠে। এটাই ভয়াবহ। রাজনীতি, প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থায় দায়িত্বহীনতা তৈরি করেছে এই চক্র। এটি রোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি প্রশাসনিক জবাবদিহিতা জরুরি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এমন একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়, যেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা, পুলিশ ও হাসপাতাল আছে, সেখানে কীভাবে এমন প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড ঘটে যায় এবং আশপাশের মানুষ কেউই কেন বাধা দেয় না?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনায় সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিফিংয়ে বলেছেন, এই ধরনের অপরাধ বরদাশত করা হবে না। যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবশ্য রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদের বহিষ্কার শুধু দল থেকে নয়, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করা জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, শুধুমাত্র দলীয় চিঠিতে আজীবন বহিষ্কার করলেই দায় শেষ হয় না, বরং বিচারিক প্রক্রিয়ায় কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না হলে অপরাধীদের বার্তা যাবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে নিহত মো. সোহাগের পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তারা দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান। সোহাগের স্ত্রী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামীকে ওরা কেন এভাবে মেরে ফেললো? কী অপরাধ ছিল ওর? আমি শুধু চাই, ওদের ফাঁসি হোক, যেন আর কোনো স্ত্রীকে এমনভাবে স্বামী হারাতে না হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি ব্যবসা বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সীমায় সীমাবদ্ধ নয়&amp;mdash;এটি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার এক গভীর সংকেত। সমাজে যে সহিংসতা ও প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বিস্তার লাভ করেছে, তার রাশ টানতে না পারলে আগামী দিনে আরও ভয়াবহতা অপেক্ষা করছে বলে সতর্ক করছেন অনেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একের পর এক নৃশংসতা ও প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ডের পরও যদি বিচার না হয়, দায়ীদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে দেশের নাগরিক সমাজ আরও একধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। অতীতের অনেক ঘটনার মতো যেন এই ঘটনাও সময়ের স্রোতে মুছে না যায়&amp;mdash;সেই প্রত্যাশা আজ প্রতিটি সচেতন নাগরিকের।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​২৩ লাখ কোটি টাকার উচ্চ ঋণ ঝুঁকিতে পড়তে পারে বাংলাদেশ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/336</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Jul 2025 10:34:12 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/336</guid>
		<description> বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধেও বড় অঙ্কের ব্যয় হবে আগামী বছরগুলোতে। অর্থ বিভাগের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের আসল পরিশোধ হয়েছে ২০২ কোটি মার্কিন ডলার, যা ২০২৫-২৬ সালে বেড়ে দাঁড়াবে ২৯০ কোটি ডলারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে তা ৩৩৪ কোটি ডলারে উন্নীত হবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট দেশি ও বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২৩ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে শুরুতেই বড় অঙ্কের ঋণের চাপ বহন করতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ পূর্বাভাস দিয়েছে মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি-বিবৃতিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঋণের মধ্যে দেশি ঋণ থাকবে ১৩ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং বিদেশি ঋণ ১০ লাখ ১৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা। আগামী দুই অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ আরও বাড়বে। ২০২৬-২৭ অর্থবছর শেষে তা হবে ২৬ লাখ ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছর শেষে প্রায় ২৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঋণ-জিডিপির অনুপাত এখনো আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত সহনীয় সীমার মধ্যে থাকলেও অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এ হার ধীরে ধীরে বাড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই অনুপাত ছিল ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ, যা পরের বছর মূল বাজেটে বেড়ে হয় ৩৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার তা সংশোধন করে ৩৭ দশমিক ৪১ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। মধ্যমেয়াদি প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে তা দাঁড়াবে ৩৭ দশমিক ৭২ শতাংশে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারি হিসাব বলছে, গত অর্থবছরে দেশের মোট ঋণ ছিল ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। বাজেট প্রাক্কলনে এটি ২২ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত হিসাবে তা কমিয়ে ২১ লাখ ১১ হাজার ৯০০ কোটি টাকায় আনা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ অবস্থায় রাজস্ব আদায় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না পৌঁছানোয় ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধ নিয়ে চাপ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে অর্থ বিভাগ। বর্তমানে রাজস্ব-জিডিপির হার আট শতাংশের ঘরে ঘোরাফেরা করছে, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় খুবই কম। তার ওপর ২০২৬ সালের শেষে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ পাওয়া আরও কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। সুদের হার বাড়বে এবং পরিশোধের সময় কমে আসবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধেও বড় অঙ্কের ব্যয় হবে আগামী বছরগুলোতে। অর্থ বিভাগের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের আসল পরিশোধ হয়েছে ২০২ কোটি মার্কিন ডলার, যা ২০২৫-২৬ সালে বেড়ে দাঁড়াবে ২৯০ কোটি ডলারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে তা ৩৩৪ কোটি ডলারে উন্নীত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে সদ্য প্রকাশিত সরকারে মধ্যমেয়াদি ঋণ ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বলছে, পরিমাণে বেশি হওয়ায় দেশের ঋণ পরিস্থিতি নিম্ন থেকে প্রায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ স্তরে পৌঁছে গেছে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ ও রপ্তানি অনুপাত ১৪০ শতাংশে পৌঁছানোয় অর্থ বিভাগ উদ্বিগ্ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বাজেট বক্তব্যে বলেছেন, অতীত সরকারের রেখে যাওয়া সংকটময় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে বৈদেশিক ঋণের ব্যবহার এবং গ্রহণে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। তবে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঋণ-জিডিপির অনুপাত বর্তমানে যে অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, কর-জিডিপির অনুপাতের দুষ্টচক্র থেকে বের হয়ে দক্ষ ঋণ দর-কষাকষি এবং সুষম ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার এখনই উপযুক্ত সময়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;সিপিডি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​চট্টগ্রামে গৃহবধূকে টুকরো করে হত্যার ঘটনায় স্বামী পলাতক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/335</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 18:05:50 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/335</guid>
		<description> পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে ফাতেমা আক্তারকে ছুরি ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ ১১ টুকরো করে ঘরের বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় ভয়াবহ একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পাহাড়িকা হাউজিংয়ের এফজেড টাওয়ারের নবম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে এক গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নারীর নাম ফাতেমা আক্তার (৩৫)। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী মো. সুমন পলাতক রয়েছেন। পুলিশের ধারণা, তিনিই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে ফাতেমা আক্তারকে ছুরি ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ ১১ টুকরো করে ঘরের বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এমনকি শরীর থেকে মাংস আলাদা করে ফেলা হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ। হত্যার সময় ঘরে স্বামী-স্ত্রী দুজনই উপস্থিত ছিলেন। তাদের আট বছর বয়সী সন্তান তখন একজন আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, রাত একটার দিকে প্রতিবেশীরা ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ ও অস্বাভাবিক শব্দ শুনে আমাদের খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, নারীর মরদেহ ১১ টুকরো অবস্থায় ঘরের বিভিন্ন জায়গায় পড়ে আছে। তিনি আরও জানান, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। ঠান্ডা মাথায় স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফাতেমার মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ফাতেমা ও সুমনের বিয়ে হয়েছিল প্রায় ১০ বছর আগে। তাদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। সুমনের পেশা পিকআপ চালানো। ঘটনার সময় সুমন বাসায় থাকলেও হত্যার পরপরই পালিয়ে যান। তাঁর অবস্থান শনাক্তে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওসি কামরুজ্জামান বলেন, এই ঘটনায় থানায় মামলা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে। প্রাপ্ত তথ্য ও আলামতের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত ফাতেমা ও তার স্বামীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ ছিল দীর্ঘদিনের। তবে এমন ভয়াবহ পরিণতি হবে, তা কল্পনাও করেননি কেউ।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এসএসসি ফল প্রকাশ: পাসের হার ৬৮.৪৫%, শীর্ষে রাজশাহী, তলানিতে বরিশাল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/334</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 16:27:16 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/334</guid>
		<description> এ বছর গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। পাশাপাশি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড একযোগে ফল প্রকাশ করে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বছর গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। পাশাপাশি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি পাসের হার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে&amp;mdash;৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে যশোর বোর্ডে ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৬৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ। সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে&amp;mdash;৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফলাফল অনুযায়ী, এবার মোট ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা ৭৩ হাজার ৬১৬ জন এবং ছাত্র ৬৫ হাজার ৪১৬ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে। দেশের ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন। ২০২৪ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ কম। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ফল প্রস্তুত করা হয়েছে &amp;lsquo;বাস্তব মূল্যায়ন নীতির&amp;rsquo; ভিত্তিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বছর ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিকতা রাখা হয়নি। শিক্ষা বোর্ডগুলো আলাদা আলাদাভাবে ফল প্রকাশ করেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড একযোগে ফল প্রকাশ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বছর গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ কম। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। পাশাপাশি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি পাসের হার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে&amp;mdash;৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে যশোর বোর্ডে ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ঢাকা বোর্ডে ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৬৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ। সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে&amp;mdash;৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফলাফল অনুযায়ী, এবার মোট ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা ৭৩ হাজার ৬১৬ জন এবং ছাত্র ৬৫ হাজার ৪১৬ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে। দেশের ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন। ২০২৪ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ কম। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ফল প্রস্তুত করা হয়েছে &amp;lsquo;বাস্তব মূল্যায়ন নীতির&amp;rsquo; ভিত্তিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বছর ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিকতা রাখা হয়নি। শিক্ষা বোর্ডগুলো আলাদা আলাদাভাবে ফল প্রকাশ করেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফেনীতে ভয়াবহ বন্যা: প্লাবিত শতাধিক গ্রাম, পানিবন্দি দেড় লাখ মানুষ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/333</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 15:30:48 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/333</guid>
		<description> সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার দুর্গত এলাকায় পর্যায়ক্রমে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। স্পিডবোট, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিয়ে ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ফেনী জেলায় টানা বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলাসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং এসব নদীর অন্তত ২১টি পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে প্রবল স্রোতে পানি ঢুকে পড়েছে জনবসতিতে&lt;/strong&gt;। এতে ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদর উপজেলায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত দেড় লক্ষাধিক মানুষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলার ছয়টি উপজেলায় ১৩৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৯টিতে ইতোমধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন সাত হাজারেরও বেশি মানুষ। বন্যার্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ১টা থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্পিডবোটসহ দুর্গম এলাকায় পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার দুর্গত এলাকায় পর্যায়ক্রমে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। স্পিডবোট, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিয়ে ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। ছাগলনাইয়ার দক্ষিণ সতর এলাকার বাসিন্দা রবিউল হাসান বলেন, প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা পানির নিচে চলে যাচ্ছে। পানির তীব্র স্রোতে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। একই এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, রাস্তাঘাটে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ নেই, মোবাইল নেটওয়ার্কেও সমস্যা হচ্ছে। এখনো আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে শুকনো খাবার বা অন্য কোনো সহায়তা পাইনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা জহিরুল রাজু জানান, গেল বছরের ক্ষতি এখনো সামাল দিতে পারিনি, এরই মধ্যে আবারও ঘরের সব কিছু পানিতে ভেসে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত ও নদীর পানির চাপ কমতে শুরু করলেও ভাঙা বাঁধের অংশ দিয়ে পানি ঢুকে আরও নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফেনী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জেলায় টানা চার দিন ধরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবারও হালকা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে নদীর পানি বিপৎসীমার ২ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে ভাঙনের স্থান দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি ঢুকে প্লাবিত করছে নতুন নতুন এলাকা। পানি কমার পর বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদর উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ছয় উপজেলায় ত্রাণ সহায়তার জন্য সাড়ে ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বন্যার কারণে অনেক এলাকা বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। সড়কপথেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বন্যাকবলিত মানুষরা বলছেন, প্রতিবছর জুলাই-আগস্ট মাসে বাঁধ ভেঙে বন্যা হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান নেই। তারা দ্রুত ও কার্যকর বাঁধ মেরামত এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিতীয় দফায় শুল্ক আলোচনা শুরু, বেশিরভাগ বিষয়ে একমত দুই পক্ষ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/332</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 14:17:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/332</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা শুল্কসংক্রান্ত আলোচনার প্রথম দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার প্রথম দিন শেষে জানা গেছে, বেশিরভাগ ইস্যুতে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। তবে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসেনি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা শুল্কসংক্রান্ত আলোচনার প্রথম দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার প্রথম দিন শেষে জানা গেছে, বেশিরভাগ ইস্যুতে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। তবে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাত ৩টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, &amp;lsquo;বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনার প্রথম দিন শেষ হয়েছে। আগামী দুই দিন&amp;mdash; বুধবার ও বৃহস্পতিবার&amp;mdash; আলোচনা চলবে। যুক্তি-তর্কে অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। তবে এখনই শুল্ক ইস্যু নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়। ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আলোচনার প্রথম দিন সকালে ঢাকা থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনে পৌঁছে বৈঠকে অংশ নেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে কৃষি, জ্বালানি, বাণিজ্য ও মেধাস্বত্ববিষয়ক বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন। আলোচনায় অংশ নেয় ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) দপ্তরের প্রতিনিধিরাও। বৈঠকে একটি সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করাও আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হিসেবে জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন আলোচনার আগে ওয়াশিংটন থেকে এক বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুধু শুল্ক নয়, সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের দিক নিয়েও আলোচনা চলছে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রতিটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রথম দিনের আলোচনায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় এবং শুক্রবার দিনব্যাপী আলোচনা চলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান লেখেন, &amp;ldquo;প্রথম দিনের আলোচনার পরিধি ছিল ব্যাপক। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কৃষি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও মেধাস্বত্বসহ বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল তাদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছে এবং বক্তব্যও উপস্থাপন করেছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান ঢাকা ছাড়ার আগে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি চিঠি ও প্রস্তাবিত চুক্তির ডকুমেন্ট পাঠানো হয়েছে, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এতে সামরিক সরঞ্জাম, এলএনজি, গম, তুলা, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে ওই চুক্তির একটি এনেক্সার ডকুমেন্টও যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার পর্যন্ত তিনদিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদের (ইউএসটিআর) সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের আলোচনা চলবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা অনুযায়ী শুল্ক ছাড় দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ নমনীয় অবস্থান নিয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে না&amp;mdash; এ আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি গত এপ্রিল থেকে এলএনজি, গম ও তুলা আমদানি বাড়ানোর পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভিয়েতনামের তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। একইসঙ্গে ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের ওপর প্রস্তাবিত পারস্পরিক শুল্কহার বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ায় রপ্তানি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা করছেন দেশটির ব্যবসায়ীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহী। আলোচনার ফলাফল কী হয়, তা জানার জন্য এখনো অপেক্ষা করতে হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল  প্রকাশ আজ দুপুর ২টায় </title>
		<link>https://shomoybhela.com/331</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 10:49:25 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/331</guid>
		<description> ​চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত হবে। দুপুর ২টা থেকে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত হবে। দুপুর ২টা থেকে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১০ এপ্রিল। সারাদেশে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ কম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সাংবাদিকদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস পাঠিয়ে সহজেই তাদের ফল জানতে পারবে। এসএমএসে ফল জানতে চাইলে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে, এরপর আবার একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং সাল (২০২৫) লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। যেমন&amp;mdash; SSC DHA 123456 2025 লিখে পাঠালে ফিরতি মেসেজে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীন শিক্ষার্থীদের জন্য একইভাবে &amp;lsquo;Dakhil MAD রোল নম্বর ২০২৫&amp;rsquo; ফরম্যাটে ১৬২২২ নম্বরে মেসেজ পাঠিয়ে ফলাফল জানা যাবে। কারিগরি বোর্ডের জন্য টাইপ করতে হবে: SSC TEC রোল নম্বর ২০২৫ এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ফলাফল জানার সুযোগ রয়েছে। www.educationboardresults.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরীক্ষার নাম, পরীক্ষার বছর, শিক্ষাবোর্ড, রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলে ফলাফল দেখা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষাবোর্ডগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটেও একইভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। এছাড়া প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও অনলাইনে বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, কোনো জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হবে না। কেবল শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত মাধ্যমগুলো থেকেই ফল জানা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফল প্রকাশের পর ফলাফল নিয়ে যদি কোনো পরীক্ষার্থীর আপত্তি থাকে, তাহলে ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনপদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট ও টেলিটক বাংলাদেশের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষা বোর্ডগুলো এবার কেন্দ্রীয়ভাবে একযোগে নয়, বরং বোর্ডওয়ারি ফলাফল প্রকাশ করবে। বোর্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে&amp;mdash; ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ফল প্রকাশের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে আজ।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে সমন্বয়ক কমিটির সরকারকে ৩ দিনের আল্টিমেটাম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/330</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 16:38:32 +0600</pubDate>
		<category>ইতিহাসের পাতায় আজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/330</guid>
		<description> সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে গত ৮ জুলাই সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এই দিন রাজধানী ঢাকার শাহবাগ, বাংলামটর, মিন্টো রোড, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, কাঁটাবন, নীলক্ষেত, সায়েন্সল্যাব, চানখাঁরপুল, গুলিস্তান জিরো পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে গত ৮ জুলাই সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো &amp;lsquo;বাংলা ব্লকেড&amp;rsquo; কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এই দিন রাজধানী ঢাকার শাহবাগ, বাংলামটর, মিন্টো রোড, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, কাঁটাবন, নীলক্ষেত, সায়েন্সল্যাব, চানখাঁরপুল, গুলিস্তান জিরো পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকামুখী সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে। অবরোধ কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা সরকারকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম জানান, এই আন্দোলন সফল করতে &amp;lsquo;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন&amp;rsquo; ব্যানারে ৬৫ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জনকে সমন্বয়ক এবং ৪২ জনকে সহ-সমন্বয়ক করা হয়। তিনি জানান, ৯ জুলাই ছাত্র ধর্মঘট ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি পালিত হবে এবং ১০ জুলাই সারাদেশে সর্বাত্মক ব্লকেড কর্মসূচি পালন করা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বুধবার বেলা ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে &amp;lsquo;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন&amp;rsquo; ব্যানারে মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়। এছাড়াও তেজগাঁও কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা কারওয়ান বাজার থেকে ফার্মগেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গাবতলী হয়ে ঢাকায় প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন, ফলে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। সায়েন্সল্যাব মোড়ে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিনের কর্মসূচি চলাকালে ডিজিএফআই সুরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেন। তবে, আন্দোলনকারীরা এ বিষয়ে সরাসরি আলোচনা না করে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপকভাবে পালন করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রাজশাহী রেললাইন অবরোধ করেন। এদিন বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এর ফলে উভয় লেনে যানজট সৃষ্টি হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এছাড়া, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন আটকে আন্দোলন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা। সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থীরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা আগারগাঁও মোড় অবরোধ করেন। অন্যদিকে, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কারমাইকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মডার্ন মোড়ে অবরোধ করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: বাসস&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​‘রেড সি’তে গ্রীক মালিকানাধীন কার্গো জাহাজে হুথিদের ড্রোন ও গ্রেনেড হামলা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/329</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 16:22:53 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/329</guid>
		<description> জাহাজটির নাম &#039;ম্যাজিক সিজ&#039; ছিল। প্রথমে ছোট ছোট জাহাজগুলো জাহাজে আক্রমণ শুরু করে, তারা গুলি চালিয়ে এবং রকেট প্রপেলড গ্রেনেড (আরপিজি) ব্যবহার করে। এ হামলা জাহাজটিকে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তা পানিতে ডুবতে থাকে। পরে জাহাজের সব ক্রু সদস্য ওই জাহাজ ছেড়ে চলে যায় এবং একটি চলন্ত বাণিজ্যিক জাহাজ তাদের উদ্ধার করে। ইউকেএমটিও জানিয়েছে, সব ক্রু সদস্য নিরাপদ এবং সুস্থ রয়েছেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইয়েমেনের হোদেইদাহ বন্দরের দক্ষিণ-পশ্চিমে রেড সাগরে একটি লিবেরিয়ান পতাকাবাহী গ্রীক মালিকানাধীন জাহাজে হামলার পর তার সদস্যরা জাহাজ থেকে পালিয়েছে এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গত রোববার ৯৪ কিলোমিটার (৫১ নটিক্যাল মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে এ হামলা ঘটে। এটি ছিল এশিয়া-ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ শিপিং করিডরের মধ্যে এপ্রিলের পর থেকে ঘটে যাওয়া প্রথম হামলা। ইউকেএমটিও জানায়, হামলায় জাহাজের বহুমুখী ক্ষতি হয়েছে এবং এটি পানিতে ডুবতে শুরু করেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
জাহাজটির নাম &amp;#39;ম্যাজিক সিজ&amp;#39; ছিল। প্রথমে ছোট ছোট জাহাজগুলো জাহাজে আক্রমণ শুরু করে, তারা গুলি চালিয়ে এবং রকেট প্রপেলড গ্রেনেড (আরপিজি) ব্যবহার করে। এ হামলা জাহাজটিকে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তা পানিতে ডুবতে থাকে। পরে জাহাজের সব ক্রু সদস্য ওই জাহাজ ছেড়ে চলে যায় এবং একটি চলন্ত বাণিজ্যিক জাহাজ তাদের উদ্ধার করে। ইউকেএমটিও জানিয়েছে, সব ক্রু সদস্য নিরাপদ এবং সুস্থ রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ মেরিটাইম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যামব্রির মতে, হামলার সময় জাহাজটিতে চারটি অমানুষিক ভূমিকা পালনকারী যান (ইউএসভি) আক্রমণ চালায়, যার মধ্যে দুটি ইউএসভি জাহাজটির বন্দর দিকের অংশে আঘাত করে এবং জাহাজের মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এখন পর্যন্ত হামলার জন্য কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি, তবে অ্যামব্রির ধারণা, এটি &amp;quot;হুথি&amp;quot; বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পরিচিত আক্রমণ প্যাটার্নের সাথে মিলে যায়। হুথি গোষ্ঠীটি দীর্ঘদিন ধরে রেড সাগরের জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ চালিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে, যখন গাজায় ইসরাইলি হামলা শুরু হয়, তখন থেকেই হুথিরা বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ শুরু করে। তারা দাবি করে, এই আক্রমণগুলি গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদ হিসেবে চালানো হচ্ছে। নভেম্বর ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত, তারা ১০০টিরও বেশি আক্রমণ চালিয়েছে এবং দুটি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে, অন্য একটি জাহাজ দখল করে নিয়েছে এবং চারজন নাবিককে হত্যা করেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
যদিও হুথিরা জানুয়ারির পর হামলা বন্ধ করে দেয়, তারপরও তারা মাঝে মাঝে মিসাইল আক্রমণ চালিয়ে আসছে, যার মধ্যে সবচেয়ে সাম্প্রতিক মিসাইল আক্রমণটি ছিল রোববার, যখন তারা ইসরাইলের দিকে একটি মিসাইল ছুড়েছিল। তবে, ইসরাইলের সেনাবাহিনী এটি প্রতিহত করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে, যা পশ্চিমা দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও এই এলাকায় সক্রিয় হতে প্ররোচিত করবে। বিশেষত এটি এমন সময় ঘটছে যখন গাজার যুদ্ধের জন্য যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ঝুঁকিতে রয়েছে এবং ইরান তার পারমাণবিক প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করার কথা ভাবছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: আল জাজিরা&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরায়েল আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল: ইরানের প্রেসিডেন্ট </title>
		<link>https://shomoybhela.com/328</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 15:59:19 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/328</guid>
		<description> এদিন মার্কিন রক্ষণশীল উপস্থাপক টাকার কার্লসনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান জানান, ইসরায়েল তাঁকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে তারা সেই উদ্দেশ্যে সফল হয়নি। তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য আমি আমার জীবনকে কোরবানি দিতেও ভয় পাই না। আমাদের কোনো সরকারি কর্মকর্তা জীবন দিতে ভয় পান না। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি দাবি করেছেন, সংঘাতের সময়ে ইসরায়েল তাঁকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইসরায়েল তার বিরুদ্ধে কাজ করেছিল, তবে তারা ব্যর্থ হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিন মার্কিন রক্ষণশীল উপস্থাপক টাকার কার্লসনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান জানান, ইসরায়েল তাঁকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, তবে তারা সেই উদ্দেশ্যে সফল হয়নি। তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য আমি আমার জীবনকে কোরবানি দিতেও ভয় পাই না। আমাদের কোনো সরকারি কর্মকর্তা জীবন দিতে ভয় পান না।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এছাড়া, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায় না বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক বোমা বানাতে চায়নি, কারণ এটি ভুল এবং এটি আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার নির্দেশনারও বিরুদ্ধে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আমরা পারমাণবিক বোমার পেছনে কখনো ছুটিনি এবং এটি ধর্মীয়ভাবে হারাম। তিনি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন ট্রাম্পের কাছে ক্ষমতা রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার এবং ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণ করার। তবে, ট্রাম্প যদি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে না আসেন, তাহলে আরেকটি যুদ্ধ হতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিপক্ষে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান কখনো প্রথমে আক্রমণ করেনি, বরং বারবার যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেমন ইরাক যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এসময়, তিনি জানান, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি, রাশিয়া বা চীনের সামরিক সাহায্য ইরান চাইবে না, আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: মিডল ইস্ট আই&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​আপনার স্মার্টফোন থেকে ই-মেইল, পাসওয়ার্ডসহ ছবি ও বার্তা চুরি করছে যে অ্যাপ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/327</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 15:50:03 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/327</guid>
		<description> এরিক ডায়গল জানান, এই অ্যাপটি ইনস্টল হলে গোপনে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন চালু করে আশপাশের শব্দ ধারণ করতে পারে। এর পাশাপাশি, সামনের ও পেছনের ক্যামেরাও নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম হয়। অ্যাপটি সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে নিজেকে লুকিয়ে রাখে, যার ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা এটি সহজে চিহ্নিত করতে পারেন না। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে সক্ষম এমন একটি অ্যাপের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা গোপনে ব্যবহারকারীর ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড, কলের তালিকা, বার্তা, ছবি, অবস্থানসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে। কানাডার সাইবার নিরাপত্তা গবেষক এরিক ডায়গল এই ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। তাঁর দাবি, &amp;#39;ক্যাটওয়াচফুল&amp;#39; নামক অ্যাপটি একটি শিশুদের জন্য তৈরি নজরদারি অ্যাপ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, এটি বাস্তবে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের তথ্য চুরি করে এবং তা গুগলের ফায়ারবেস তথ্যভান্ডারে পাঠিয়ে দেয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এরিক ডায়গল জানান, এই অ্যাপটি ইনস্টল হলে গোপনে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন চালু করে আশপাশের শব্দ ধারণ করতে পারে। এর পাশাপাশি, সামনের ও পেছনের ক্যামেরাও নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম হয়। অ্যাপটি সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে নিজেকে লুকিয়ে রাখে, যার ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা এটি সহজে চিহ্নিত করতে পারেন না।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যায় না। তাই এটি ইনস্টল করতে হলে ফোনে সরাসরি প্রবেশাধিকার প্রয়োজন হয় এবং এটি অনলাইনে সাইডলোডিংয়ের মাধ্যমে ইনস্টল করা হয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই ধরনের স্টকারওয়্যার অ্যাপ ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ কারণে ব্যবহারকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, স্মার্টফোনে এমন ক্ষতিকর অ্যাপ থাকলে তা দ্রুত মুছে ফেলতে হবে এবং অ্যাপ ব্যবহারের আগে নির্মাতাদের সম্পর্কে অনলাইনে তথ্য খোঁজার পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও যাচাই করতে হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​কক্সবাজারের উখিয়ায় ইউপি সদস্য কামাল হোসেনের বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/326</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 15:34:41 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/326</guid>
		<description> নিহত কামাল হোসেনের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে কামাল হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে মনখালীর খালের পাশে বস্তাবন্দী একটি বস্তু দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বস্তা খুলে গলাকাটা মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। পরে স্বজনরা এসে মরদেহটি কামাল হোসেনের বলে শনাক্ত করেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় এক ইউপি সদস্যের বস্তাবন্দী গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের মনখালীর খাল থেকে পুলিশ এই মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত ইউপি সদস্য কামাল হোসেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং ওই এলাকার সিদ্দিক আহমদের ছেলে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) দুর্জয় সরকার বলেন, &amp;ldquo;কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তার তদন্ত চলছে।&amp;rdquo; তিনি আরও জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
নিহত কামাল হোসেনের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ১১টার দিকে কামাল হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে মনখালীর খালের পাশে বস্তাবন্দী একটি বস্তু দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বস্তা খুলে গলাকাটা মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। পরে স্বজনরা এসে মরদেহটি কামাল হোসেনের বলে শনাক্ত করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং স্থানীয় এলাকায় আরও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​কক্সবাজারে সাগরে গোসল করতে গিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/325</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 15:20:21 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/325</guid>
		<description> নিহত শিক্ষার্থী সাদমান রহমান (২২), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা। তাঁর মৃতদেহ সকাল সাড়ে ৯টায় সৈকতে ভেসে আসে, তবে অরিত্র হাসান ও আসিফ আহমেদ নামের দুই শিক্ষার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁরা দুজনও একই বিভাগ ও আবাসিক হলের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাদের বাড়ি বগুড়ার দক্ষিণ সনসনিয়া এবং নারুলি দক্ষিণে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে সাগরে গোসল করতে গিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল রবিবার সকাল ৭টার দিকে তারা সাগরে নামলে সেখান থেকে তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি। তাদের মধ্যে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও বাকি দুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চলছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
নিহত শিক্ষার্থী সাদমান রহমান (২২), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা। তাঁর মৃতদেহ সকাল সাড়ে ৯টায় সৈকতে ভেসে আসে, তবে অরিত্র হাসান ও আসিফ আহমেদ নামের দুই শিক্ষার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁরা দুজনও একই বিভাগ ও আবাসিক হলের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাদের বাড়ি বগুড়ার দক্ষিণ সনসনিয়া এবং নারুলি দক্ষিণে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল অনুসন্ধানে নামে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সি সেফ লাইফ গার্ড, জেলা প্রশাসন, সৈকতকর্মী, ফায়ার সার্ভিস ও পর্যটন পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতায় যুক্ত হয়েছেন। তবে, বৈরী আবহাওয়া এবং সাগরের উত্তাল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে। জানা গেছে, সাগরের তলদেশে সৃষ্ট গুপ্তখালের কারণে নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা আটকে থাকতে পারেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা জানান, গতকাল সাদমানসহ পাঁচ শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষা শেষে কক্সবাজারে বেড়াতে যান। তাঁদের মধ্যে তিনজন আজ সকাল ৭টার দিকে হিমছড়ি সৈকতে সাগরে গোসল করতে নেমে পানিতে ভেসে যান। কিছু সময় পর সাদমানের মৃতদেহ সৈকতে ভেসে উঠলেও অপর দুজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, &amp;#39;বঙ্গোপসাগরে বর্তমানে লঘুচাপ রয়েছে, যার কারণে সাগর উত্তাল। সৈকতে গোসল নিষিদ্ধ হলেও অনেকেই তা উপেক্ষা করছেন, এতে দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিকে, সি সেফ লাইফ গার্ডের আঞ্চলিক পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, &amp;#39;হিমছড়ি সৈকতে গোসল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে একাধিক গুপ্তখালের সৃষ্টি হয়েছে, এবং নিরাপত্তার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী গুপ্তখালে আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গত মাসেও কক্সবাজার সৈকতে সাগরে গোসল করতে গিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সৈকতে গোসল করতে গিয়ে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটছে, তবে সেখানে উদ্ধারকর্মীদের পর্যাপ্ত উপস্থিতি নেই।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং লোকজনকে সাগরে গোসল করতে নিষেধ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে কাজ করছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাজায় ৫ ইসরাইলি সেনা নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/324</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 15:06:54 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/324</guid>
		<description> জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গাজার উত্তর উপত্যকায় যুদ্ধের সময় পাঁচ সেনা নিহত হয়েছে এবং আরও দুই সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত সেনাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গাজার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উত্তর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উপত্যকায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংঘর্ষে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পাঁচ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইসরাইলি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিহত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছেন।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ঘটনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ঘটেছে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যখন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইসরাইল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হামাসের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মধ্যে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যুদ্ধবিরতি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পরোক্ষ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কাতারে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চলছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জেরুজালেম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;থেকে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বার্তা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংস্থা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এএফপি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মঙ্গলবার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তথ্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিশ্চিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করেছে।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইসরাইলি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেনাবাহিনী&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিবৃতিতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জানিয়েছে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গাজার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উত্তর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উপত্যকায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যুদ্ধের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সময়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পাঁচ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিহত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আরও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দুই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গুরুতর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আহত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছেন।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আহত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেনাদের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হাসপাতালে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ভর্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তাদের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পরিবারের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সদস্যদের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;খবর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দেওয়া&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গাজার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংঘর্ষটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দুই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বছর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ধরে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চলমান&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যুদ্ধের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সবচেয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দফার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অংশ।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যুদ্ধের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মধ্যে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রোববার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দোহায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুরু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যেখানে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইসরাইল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হামাসের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রতিনিধিরা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একসাথে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুরু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করেছিলেন।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তবে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুরুর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ফিলিস্তিনি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কর্মকর্তা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এএফপিকে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জানান&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সোমবারের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কোনো&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অগ্রগতি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ছাড়াই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শেষ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যুদ্ধবিরতির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এখনও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চলছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আবারও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুরু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হওয়ার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কথা।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সপ্তাহে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মার্কিন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রেসিডেন্ট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ডোনাল্ড&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ট্রাম্পের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশেষ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দূত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টিভ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উইটকফ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হামাস&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইসরাইলি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রতিনিধিদের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সাথে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যুদ্ধবিরতি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিশ্চিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জন্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যোগ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দেওয়ার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কথা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;তথ্যসূত্র: &lt;/strong&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এএফপি&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​রেকর্ড রেমিট্যান্স প্রবাহে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছেন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/323</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Jul 2025 14:53:37 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/323</guid>
		<description> বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, রেমিট্যান্সের জোয়ার রিজার্ভ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং অর্থনীতিকে বড় ধরনের স্বস্তি দিয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঢাকা, ৮ জুলাই, ২০২৫ (বাসস): অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এগারো মাসের মধ্যে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০২৪ সালে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও কম থেকে ২০২৫ সালের জুনে ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, দেশটি এখন অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এর ফলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থিতিশীলতা, তারল্য সংকট নিরসন ও বিভিন্ন কার্যক্রমে গতি এসেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, রেমিট্যান্সের রেকর্ড প্রবাহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশের মোট রিজার্ভ ২০২৫ সালের ২ জুলাই পর্যন্ত ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম৬) পদ্ধতি মতে, বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ বর্তমানে ২৬ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই ঊর্ধ্বগতি এসেছে রেমিট্যান্স প্রবাহের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির ফলে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থ বছরে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত রেমিট্যান্স।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই পরিমাণ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এটি কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রাপ্ত পূর্ববর্তী রেকর্ড ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে, যখন অনানুষ্ঠানিক হুন্ডি চ্যানেলের ওপর বিধি নিষেধ এবং প্রণোদনা বন্ড চালুর কারণে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেয়েছিল।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের মার্চ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেকর্ড ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এর ধারাবাহিকতায়, সদ্যসমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রতি মাসেই ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসস&amp;rsquo;কে বলেন, মানি লন্ডারিং কমে যাওয়া, প্রবাসী আয়ের ভালো প্রবাহ ও রপ্তানির উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;প্রায় ১১ মাস আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে এবং সর্বক্ষেত্রে পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেয়। ইতোমধ্যেই অর্থনীতি, প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে সংস্কারের জন্য নানামুখী নীতি নেওয়া হয়েছে, যা জনগণের আস্থা বাড়িয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, ডলার বিনিময় হার দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১২২ টাকার আশেপাশে স্থিতিশীল রয়েছে, যা একটি ইতিবাচক দিক।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;ডলারের দামের পতনের প্রধান কারণ সরবরাহ বৃদ্ধি। গত দুই বছরের মধ্যে ডলারের সরবরাহ এখন সর্বোত্তম অবস্থায় রয়েছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশের রেমিট্যান্স হঠাৎ করে বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকার পুঁজি বাজারে মূল্য কারসাজি ঠেকাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে আর রপ্তানি প্রায় ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা এই বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;প্রবাসীরা বৈধভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত হয়েছেন।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, রেমিট্যান্সের জোয়ার রিজার্ভ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং অর্থনীতিকে বড় ধরনের স্বস্তি দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;lsquo;ডলার সংকটের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। ব্যাংকগুলোর জন্য এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন সবকিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ড. জাহিদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে, বিপদগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাঁচাতে এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ড. জাহিদ হোসেন বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ। তিনি আরো বলেন, সরকার ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর প্রভাব থেকে ব্যাংকিং খাতকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আমরা মোটামুটি স্থিতিশীল অবস্থার দিকে যাচ্ছি। তবে বলব না যে, সংকট পুরোপুরি কেটে গেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি&amp;rsquo;র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আবদুল কাইউম চৌধুরী বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে রেমিট্যান্স ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের দ্রুত হ্রাসের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আরো বলেন, &amp;lsquo;বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে যে চাপ রয়েছে, তার মধ্যে এটি এক বিশাল অর্থনৈতিক স্বস্তি হিসেবে কাজ করছে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;তথ্যসূত্র: &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;বাসস&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​১০ জুলাই প্রকাশিত হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/322</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 17:35:54 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/322</guid>
		<description> ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হয় ১৫ মে। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা থাকায় ১৫ জুলাইয়ের আগেই ফল প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ জুলাই (বৃহস্পতিবার) প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, &amp;ldquo;ফল তৈরির কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কয়েকটি সম্ভাব্য তারিখ চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে নির্ধারিত দিনেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদিও তিনি সরাসরি ১০ জুলাইয়ের কথা বলেননি, তবে সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবিত তারিখগুলোর মধ্যে ১০ জুলাই-ই অগ্রাধিকার পেয়েছে এবং এ তারিখেই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টার সম্মতির ভিত্তিতে দিন চূড়ান্ত করা হবে। ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সিদ্দিক জোবায়ের ১০ অথবা ১১ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। তারই ভিত্তিতে শিক্ষা বোর্ডগুলো ১০ জুলাই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফল প্রকাশের দিন সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবে। এছাড়া নির্ধারিত ফরম্যাটে মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হয় ১৫ মে। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা থাকায় ১৫ জুলাইয়ের আগেই ফল প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রায় ১৯ লাখ ২৮ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এসএসসি পরীক্ষার তত্ত্বীয় অংশ শুরু হয়েছিল ১০ এপ্রিল এবং তা শেষ হয় ১৩ মে। পরে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৫ থেকে ২২ মে পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বছরের পরীক্ষাগুলো সম্পূর্ণ সিলেবাস, পূর্ণ নম্বর এবং পূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা গত কয়েক বছরের সীমিত পাঠ্যসূচিভিত্তিক পরীক্ষার ধারা থেকে একধাপ অগ্রসর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী রীতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছর সরকার প্রধান বা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করা হবে না এবং কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনও থাকছে না। তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ফলাফলের বিস্তারিত নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানান, বোর্ডগুলো ১৩ থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ জুলাই-ই ফল প্রকাশ করা হবে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড </title>
		<link>https://shomoybhela.com/321</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 16:01:39 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/321</guid>
		<description> চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশের বাধা অতিক্রম করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ছোড়ে এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এ সময় তাদের ওপর লাঠিচার্জও চালানো হয় বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের মধ্যে মো. শামছুল হক (৫৫) ও মো. ইউনুছ আলী (৫৭) আহত হন এবং তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের একটি দল আজ সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন &amp;#39;যমুনা&amp;#39;র উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় কাকরাইল মোড়ে জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জের মাধ্যমে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। অভিযানে অন্তত দুইজন আহত হন এবং ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা। তারা তিন দফা দাবি&amp;mdash;চাকরি পুনর্বহাল ও পুনর্বাসন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলার পুনঃতদন্ত এবং দণ্ডিত সদস্যদের মুক্তির দাবি তুলে আন্দোলন শুরু করেন। সকাল থেকে তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করলেও বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুপুর ১২টার কিছু আগে কাকরাইল মসজিদের কাছে পৌঁছালে পুলিশ তাদের থামিয়ে দেয়। রমনা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আতিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী যমুনা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো ধরনের সভা, সমাবেশ ও পদযাত্রা নিষিদ্ধ করায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশের বাধা অতিক্রম করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ছোড়ে এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এ সময় তাদের ওপর লাঠিচার্জও চালানো হয় বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের মধ্যে মো. শামছুল হক (৫৫) ও মো. ইউনুছ আলী (৫৭) আহত হন এবং তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলনকারীদের এক সদস্য মারুফ সরকার জানান, পুলিশ পদযাত্রায় বাধা দেওয়ার সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে এবং হঠাৎ করে চারদিকে থেকে ঘিরে ফেলে। এতে অনেকেই দিগ্বিদিক ছুটোছুটি করেন এবং ছত্রভঙ্গ হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন ও কাকরাইল এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যার যার মতো সরে গেছেন। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। হেফাজতে নেওয়া ১৩ জনকে যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশের আরেক কর্মকর্তা জানান, বারবার সরে যেতে বললেও আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করে যানজটের সৃষ্টি করছিল। পরে বাধ্য হয়ে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেডের মাধ্যমে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, বিডিআর বিদ্রোহ-পরবর্তী সময়ে বিপুল সংখ্যক সদস্য চাকরিচ্যুত হন এবং তাদের অনেকে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হন। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে যারা আন্দোলন করছেন তারা নিজেদের পুনর্বহাল, মামলা প্রত্যাহার ও দণ্ডপ্রাপ্তদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইসরায়েলের কারণে বিশ্ব ভয়াবহ পরিণতির শিকার হবে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/320</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 15:51:53 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/320</guid>
		<description> আরাগচি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের এই হামলার সাথে সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট” এবং এভাবে বোঝানো লজ্জা হবে যে, আন্তর্জাতিক আইন তখন কার্যত ‘চাপের আওতায়’ চলে গিয়েছে  । তিনি প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিগোচর করার তাগিদ জানান যে, এই আগ্রাসনের ‘অপরাধী’দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;রিও ডি জেনিরোতে চলা ১৭তম ব্রিকস সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে এখনই দায়ের মধ্যে আনা না হয়, তবে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পুরো বিশ্ব তার ফলস্বরূপ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হামলা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলিউশন ২২৩১ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-র সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ওই চুক্তির মূল্য পুনরায় তুলে ধরেন আরাগচি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-ইরানের সংঘাতে ইসরায়েল আকাশ ও স্থল হামলা চালায়। এসব হামলায় ইরানের প্রাণহানির সংখ্যা ৯৩৫ জন এবং আহত ৫ হাজার ৩৩২ জন বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে। ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ২৯ জন প্রাণ হারায় এবং প্রায় ৩৪০০ জন আহত হন&amp;nbsp; । শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২৪ জুন একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরাগচি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের এই হামলার সাথে সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট&amp;rdquo; এবং এভাবে বোঝানো লজ্জা হবে যে, আন্তর্জাতিক আইন তখন কার্যত &amp;lsquo;চাপের আওতায়&amp;rsquo; চলে গিয়েছে&amp;nbsp; । তিনি প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিগোচর করার তাগিদ জানান যে, এই আগ্রাসনের &amp;lsquo;অপরাধী&amp;rsquo;দের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিকস প্লাস সদস্য দেশগুলো সম্মেলনে এক বিবৃতিতে জানায়, ১৩ জুন থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হওয়া হামলা আইনগতভাবে অনুচিত; এ ধরণের অভিযানগুলো &amp;lsquo;নিরপেক্ষ সামাজিক অবকাঠামো&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কেন্দ্রে&amp;rsquo; চালানো হয়েছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়&amp;nbsp; ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন&amp;mdash;ব্রিকসে ইরানের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সরমাধ্যমে ইরানের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে, তবে যুদ্ধবিরতির পরও উত্তেজনা সহজেই থামছে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অতএব, আরাগচির হুঁশিয়ারি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্বব্যাপী বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে&amp;mdash;যদি ইসরায়েলের দায়িত্বশীলতার প্রশ্নে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা চুপ চাপ বসে থাকে। দুনিয়ার বৃহৎ শক্তিগুলো এখনো প্রতীক্ষার অবস্থা; তবে, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনের আশঙ্কা রয়েছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইলন মাস্কের নতুন দলকে ‘হাস্যকর ও বিভ্রান্তিকর’ বললেন ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/319</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 15:35:20 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/319</guid>
		<description> ট্রাম্প এই ঘোষণাকে হালকাভাবে না নিয়ে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশাল’-এ লিখেন, দুঃখজনকভাবে ইলন মাস্ক এখন রেললাইন থেকে ছিটকে যাওয়া একটি ট্রেন দুর্ঘটনার মতো। তিনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ঘনিষ্ঠ মিত্র ও বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ জুলাই) এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তৃতীয় কোনো রাজনৈতিক দল গঠন করাটা একেবারেই হাস্যকর। যুক্তরাষ্ট্রে দুই-দলের যে রাজনৈতিক কাঠামো, তা বহু বছর ধরেই চলে আসছে। এর বাইরে নতুন দল গঠন করলে শুধু বিভ্রান্তি তৈরি হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে ইলন মাস্ক ঘোষণা দেন, তিনি &amp;lsquo;আমেরিকা পার্টি&amp;rsquo; নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। এই দলের লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত দুই রাজনৈতিক দল&amp;mdash;রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট&amp;mdash;এর বাইরে বিকল্প রাজনৈতিক চর্চার সুযোগ সৃষ্টি করা। কয়েক সপ্তাহ ধরে মাস্ক এমন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়ে আসছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত গত সপ্তাহেই তিনি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প ও মাস্ক একসময় ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে জেতাতে মাস্ক উল্লেখযোগ্য অর্থ সহায়তা করেছিলেন এবং নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। নির্বাচনে জয়ী হয়ে ট্রাম্প তার প্রশাসনে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি&amp;rdquo; (ডিওজিই) নামে একটি দপ্তর চালু করেন এবং মাস্ককে এর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। এ দপ্তরের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি ব্যয় হ্রাস করা। তবে মাত্র ১৩০ দিনের মেয়াদে কাজ করার পর ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে মতানৈক্যের কারণে মাস্ক পদত্যাগ করেন। এরপর ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং তা সময়ের সঙ্গে তীব্র বিরোধে রূপ নেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প একটি বহুল আলোচিত কর ও ব্যয় পরিকল্পনা আইনে পরিণত করেন, যা &amp;lsquo;বিগ বিউটিফুল বিল&amp;rsquo; নামে পরিচিত। বিলটিতে করছাড় সংক্রান্ত কিছু ধারা রয়েছে, যা ইলন মাস্কের সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। মাস্ক ওই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে এর বিপরীতে বিকল্প রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির আহ্বান জানান এবং ঠিক পরদিন &amp;lsquo;আমেরিকা পার্টি&amp;rsquo; গঠনের ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প এই ঘোষণাকে হালকাভাবে না নিয়ে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম &amp;lsquo;ট্রুথ সোশাল&amp;rsquo;-এ লিখেন, দুঃখজনকভাবে ইলন মাস্ক এখন রেললাইন থেকে ছিটকে যাওয়া একটি ট্রেন দুর্ঘটনার মতো। তিনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প আরও বলেন, মাস্কের প্রস্তাবিত &amp;lsquo;ইলেকট্রিক ভেহিকল বাধ্যতামূলক নীতি&amp;rsquo; বাস্তবসম্মত নয়। তার মতে, এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, সকলকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনতে বাধ্য করা হতো, যা যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের উপর চাপ সৃষ্টি করত। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তিনি বরাবরই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে এসেছেন এবং তার নতুন কর আইনে ইভি গাড়ির ওপর থাকা করছাড় বাতিল করা হয়েছে, যাতে জনগণ নিজের পছন্দমতো গ্যাসচালিত, হাইব্রিড বা ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর যানবাহন কিনতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প কর্তৃক স্বাক্ষরিত বাজেট আইনের আওতায় সীমান্ত নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি উৎপাদনে ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য ও খাদ্য সহায়তা খাতে ব্যয় কমানো হয়েছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। মাস্কও এই বাজেট পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করেন এবং এখান থেকেই তার রাজনৈতিক দল গঠনের পটভূমি তৈরি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইলন মাস্কের এই রাজনৈতিক পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এমন একজন ব্যক্তির কাছ থেকে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক জগতে সক্রিয় থেকেছেন এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তার করে এসেছেন। তবে ট্রাম্পের মতো প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার কড়া সমালোচনার পর মাস্কের এই নতুন দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথ কতটা মসৃণ হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এখনো মাস্কের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই সমালোচনার কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব আসেনি। রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী চিত্রিত করার অভিযোগে বিএনপির প্রতিবাদ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/318</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 15:25:07 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/318</guid>
		<description> সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়েও দলটি মতামত দিয়েছে। সেখানে উল্লেখযোগ্য অনুচ্ছেদ ‘৭০’ এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ বিষয়ে বিএনপি ছাড় দিয়েছে বলে জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণের আন্তর্জাতিক নজির না থাকলেও, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপি এ বিষয়ে সম্মত হয়েছে। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত প্রস্তাবেও দলটি নমনীয়তা দেখিয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অভিযোগ করেছে, একটি পরিকল্পিত মহল ও চক্র দলটিকে &amp;lsquo;সংস্কারবিরোধী&amp;rsquo; হিসেবে চিত্রিত করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। রবিবার (৬ জুলাই) গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিযোগ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি গোষ্ঠী বিএনপিকে ভুলভাবে চিত্রায়িত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। কয়েকজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভাবছেন জনগণ সাড়া দিচ্ছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে জনগণ তাতে সাড়া দিচ্ছে না। এতে তাদের লাভ হবে না, কারণ বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে চেনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি অভিযোগ করেন, মিডিয়ার একটি অংশ ও কিছু ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী হিসেবে তুলে ধরতে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে তিনি ওই মহল বা ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দলটির সংস্কারের প্রতি অঙ্গীকার প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে &amp;lsquo;ভিশন ২০৩০&amp;rsquo;, ২০২২ সালে ঘোষিত ২৭ দফা এবং ২০২৩ সালের ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপি বারবার প্রমাণ করেছে যে, তারা একটি সংস্কারপন্থী দল। এসব কর্মসূচির ভিত্তিতে তারা দেশজুড়ে প্রচার ও কর্মসূচি চালিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষিত উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনের প্রেক্ষাপটে বিএনপিকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটিকে কেন্দ্র করে বিএনপি তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে। মির্জা ফখরুল বলেন, &amp;quot;নির্বাচনকে যারা বিলম্বিত করতে চায়, তারা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি নয়। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পক্ষের শক্তিও নয়।&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দলের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সংস্কার নিয়ে চলমান আলোচনা প্রক্রিয়ায় বিএনপি বিভিন্ন কমিশনের বেশিরভাগ সুপারিশে একমত হয়েছে। বিশেষ করে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশনের ৪৭টি সুপারিশের মধ্যে ৪৬টিতে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের ২০৮টির মধ্যে ১৮৭টিতে, বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের ৮৯টির মধ্যে ৬২টিতে এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট কমিশনের ২৪৩টির মধ্যে ১৪১টিতে বিএনপি একমত পোষণ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়েও দলটি মতামত দিয়েছে। সেখানে উল্লেখযোগ্য অনুচ্ছেদ &amp;lsquo;৭০&amp;rsquo; এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ বিষয়ে বিএনপি ছাড় দিয়েছে বলে জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণের আন্তর্জাতিক নজির না থাকলেও, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপি এ বিষয়ে সম্মত হয়েছে। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত প্রস্তাবেও দলটি নমনীয়তা দেখিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংসদের কার্যকারিতা বাড়াতে বিরোধী দলকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ দেয়ার প্রস্তাবসহ আসন অনুপাতে কমিটি ভাগাভাগির ক্ষেত্রেও বিএনপি একমত হয়েছে। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৯ পরিবর্তনেও তারা সম্মতি দিয়েছে বলে জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ, ন্যায়পাল আইনের আধুনিকায়ন এবং এসব ক্ষেত্রে আইনি কাঠামোতে বিশেষায়িত কমিটি গঠনের বিষয়েও বিএনপি একমত হয়েছে। বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের অংশ হিসেবে বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন বিষয়ে বিএনপি একমত হয়ে বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদের কার্যকারিতার মধ্যে কোনো অতিরিক্ত অর্গান বা বডির হস্তক্ষেপ চাই না। সেজন্যই আমরা এনসিসি জাতীয় কোনো ধারণার সঙ্গে একমত হইনি। তিনি আরও বলেন, বিএনপি চায় না দেশে পুনরায় কোনো স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠুক। এ উদ্দেশ্যেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কেউ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বহাল থাকতে পারবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, একটি সর্বজনগ্রাহ্য ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব। আমরা চাই দীর্ঘ আলোচনা যেন না হয়, বরং সংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্রুত সমাধানে পৌঁছানো হোক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি অভিযোগ করেছে যে, পরিকল্পিতভাবে তাদের সংস্কার উদ্যোগকে অস্বীকার করে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। দলটির দাবি, তারা ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক এবং বিভিন্ন বিষয়ে ছাড় দিয়েও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সঙ্গে একমত হতে কাজ করে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মালয়েশিয়া ফেরত তিনজন জঙ্গি নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/317</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 17:57:55 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/317</guid>
		<description> মব সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে কিছু এলাকায় যেমন কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও রংপুরে মব ভায়োলেন্সের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ইতোমধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রংপুরে একটি ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোনো অপরাধীই ছাড় পাবে না। যে অন্যায় করবে, সে এলাকায় থাকতে পারবে না, তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।” </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের &amp;lsquo;জঙ্গি ট্যাগ&amp;rsquo; দেওয়া নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা ভিত্তিহীন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরত পাঠানো তিনজন বাংলাদেশি কোনো ধরনের জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত নন। ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থিত রপ্তানি কার্গো ভিলেজ এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের হিমাগার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, &amp;ldquo;মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান পাঁচজনের বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের কেউই এখনও বাংলাদেশে ফেরত আসেননি। এ বিষয়ে আমরা সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি এবং তদন্ত করে দেখব। তবে বাংলাদেশে তাঁদের কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ততা নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দেশে বর্তমানে কোনো ধরনের জঙ্গি তৎপরতা নেই উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, &amp;ldquo;সবার সহযোগিতায় দেশে জঙ্গিবাদ নির্মূল সম্ভব হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় মিডিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। গত ১০ মাসে কেউ কোনো জঙ্গি তৎপরতার তথ্য দিতে পারেনি, কারণ এখন এ ধরনের কোনো তৎপরতা নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
রপ্তানি কার্গো ভিলেজ পরিদর্শন প্রসঙ্গে তিনি জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এখান থেকে শাকসবজি ও ফলমূল বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলনের কারণে রপ্তানি কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে, ফলে কৃষি পণ্য রপ্তানিতে ক্ষতির সম্মুখীন হন ব্যবসায়ীরা। তিনি বলেন, &amp;ldquo;রপ্তানির পরিমাণ বাড়ায় এখানকার কোল্ড স্টোরেজ বড় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এর আগে, উত্তরা পূর্ব থানা ও শিল্প পুলিশ সদর দফতর পরিদর্শনে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, &amp;ldquo;নির্বাচন শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর নির্ভর করে না। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দলগুলোরও নিজ নিজ প্রস্তুতি থাকতে হয়। তবে আমাদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার দিক দিয়ে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মব সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &amp;ldquo;সাম্প্রতিক সময়ে কিছু এলাকায় যেমন কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও রংপুরে মব ভায়োলেন্সের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ইতোমধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রংপুরে একটি ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোনো অপরাধীই ছাড় পাবে না। যে অন্যায় করবে, সে এলাকায় থাকতে পারবে না, তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, অতীতে এমন ঘটনায় সংবাদ আসতো না, এখন মিডিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তির কারণে দ্রুত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, &amp;ldquo;দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, কিন্তু শিল্প পুলিশের জনবল বাড়েনি। এই ইউনিটের জনবল ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে এবং সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কাজ করছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
উত্তরা পূর্ব থানার কিছু সমস্যার কথাও তিনি উল্লেখ করেন এবং জানান, ওয়াশরুমসহ কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে থানা পরিচালনার জন্য যেসব সহযোগিতা প্রয়োজন, তা ধাপে ধাপে নিশ্চিত করা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আশ্বাস দেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রেখে এবং সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​চাঁদপুরে পুলিশ কর্মকর্তার অস্ত্র চুরি, পিরোজপুর থেকে যুবক গ্রেপ্তার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/316</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 17:10:10 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/316</guid>
		<description> উল্লেখ্য, অস্ত্র চুরির সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা বাসায় ছিলেন না বলে দাবি করেছেন তিনি। ঘটনার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে চুরির ঘটনায় অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য কীভাবে চোরেরা জানল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ যেই বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে, সেখানে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য আলাদাভাবে বসবাস করেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার এক উপপরিদর্শকের বাসা থেকে সরকারি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন চুরির ঘটনায় পিরোজপুর জেলার রাজাপুর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে আবু সাঈদ (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৬ জুলাই) ভোর রাতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। অভিযান পরিচালনা করেন উপপরিদর্শক রুবেল হোসেন ও মো. রাকিব, সঙ্গে ছিলেন থানার আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ আলম রবিবার দুপুরে এই গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এই মামলায় আগে আরও দুইজনকে রাজধানী ঢাকার শাহআলী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন রুবেল খান (৩৫) ও মো. সুমন (৩০) । তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি সরকারি পিস্তল, ১৬ রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন। তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সুমন ও আবু সাঈদ সরাসরি অস্ত্র চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, আর রুবেল খান ছিলেন এসব অস্ত্রের ক্রেতা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
জানা গেছে, গত ৫ মে ফরিদগঞ্জ থানা চত্বর থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে উপপরিদর্শক রাকিব উদ্দিন ভূঁইয়ার বাসায় ঢুকে অজ্ঞাত ব্যক্তি তার সরকারি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, অস্ত্র চুরির সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা বাসায় ছিলেন না বলে দাবি করেছেন তিনি। ঘটনার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে চুরির ঘটনায় অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য কীভাবে চোরেরা জানল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ যেই বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে, সেখানে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য আলাদাভাবে বসবাস করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানান, সরকারি অস্ত্র চুরির ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের তৎপরতায় অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতার জন্য ধন্যবাদ জানান।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​দাউদকান্দিতে কৃষকদল নেতার মাথা ফাটানোর অভিযোগে বিএনপি নেতা বহিষ্কার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/315</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 16:31:22 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/315</guid>
		<description> কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় কৃষকদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির স্থানীয় নেতা মিজানুর রহমান প্রধানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। বহিষ্কারাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় কৃষকদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির স্থানীয় নেতা মিজানুর রহমান প্রধানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। বহিষ্কারাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শনিবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাতে দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুলাই দাউদকান্দি উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ও গোয়ালমারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমেদ হোসেন তালুকদারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিজানুর রহমান প্রধানের বিরুদ্ধে হামলায় ইন্ধন, মদদ ও নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির উপজেলা কমিটি মিজানুর রহমান প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তবে নোটিশের জবাব দলীয়ভাবে সন্তোষজনক বলে বিবেচিত হয়নি। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাও পাওয়া যায়। এ কারণে দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মিজানুর রহমান প্রধানকে দলে বহাল রাখা যায় না বলে সিদ্ধান্ত জানায় উপজেলা বিএনপি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বহিষ্কার প্রসঙ্গে দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, &amp;ldquo;মিজানুর রহমান প্রধানের লোকজন কৃষকদল আহ্বায়ক আহমেদ হোসেন তালুকদারের ওপর হামলা করেছে&amp;mdash;এমন একাধিক অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। এজন্য তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি জবাব দিলেও তা গ্রহণযোগ্য হয়নি। আমাদের স্থানীয় তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা মিলে গেছে। তাই তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;এই বহিষ্কার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট করা হলো&amp;mdash;বিএনপিতে কোনো অপরাধী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের স্থান নেই। দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সৎ ও নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেই এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন: পিআর পদ্ধতি না প্রচলিত ব্যবস্থা? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/314</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 16:13:25 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/314</guid>
		<description> গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলন। কিন্তু প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতিতে একজন প্রার্থী মোট ভোটের একটি নির্দিষ্ট অংশ পেলেই নির্বাচিত হন। ফলে ভোটের বড় একটি অংশ কার্যত অপ্রতিনিধিত্বশীল থেকে যায়। এই বৈষম্য থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিশ্বের অনেক দেশ সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এই পদ্ধতিতে একটি দল যত শতাংশ ভোট পায়, তত শতাংশ আসন পায় সংসদে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত বিষয় হয়ে উঠেছে নির্বাচন পদ্ধতি। বর্তমানে প্রচলিত &amp;#39;ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট&amp;#39; (FPTP) পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে অনেক রাজনৈতিক দল সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচন বা &amp;lsquo;প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন&amp;rsquo; (PR) পদ্ধতি চালুর দাবি তুলছে। অন্যদিকে এই পদ্ধতির বিরোধিতাও করছেন কিছু শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। ফলে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলন। কিন্তু প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতিতে একজন প্রার্থী মোট ভোটের একটি নির্দিষ্ট অংশ পেলেই নির্বাচিত হন। ফলে ভোটের বড় একটি অংশ কার্যত অপ্রতিনিধিত্বশীল থেকে যায়। এই বৈষম্য থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিশ্বের অনেক দেশ সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এই পদ্ধতিতে একটি দল যত শতাংশ ভোট পায়, তত শতাংশ আসন পায় সংসদে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
১৯৮৯ সালে প্রথম বেলজিয়ামে পিআর পদ্ধতি চালু হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১৭০টি গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে ৯১টি, অর্থাৎ ৫৪ শতাংশ দেশ এ পদ্ধতি অনুসরণ করে। উন্নত দেশগুলোর সংগঠন ও-ই-সি-ডি&amp;rsquo;র মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ৩৬টি দেশের মধ্যে ২৫টি এই পদ্ধতির আওতায় নির্বাচন পরিচালনা করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিগত জাতীয় নির্বাচনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, PR পদ্ধতি চালু থাকলে নির্বাচনী ফলাফল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায্য হতে পারত। যেমন ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি ৪০.৮৬ শতাংশ ভোট পেয়ে পেয়েছিল ১৯৩টি আসন, অপরদিকে আওয়ামী লীগ ৪০.২২ শতাংশ ভোট পেয়েও পেয়েছিল মাত্র ৬২টি আসন। একইভাবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৪৮.০৪ শতাংশ ভোট পেয়ে পেয়েছিল ২৩০টি আসন, অথচ বিএনপি ৩২.৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে মাত্র ৩০টি আসন পায়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এমন পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জামায়াতে ইসলামি, এনসিপি, এবি পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিআর পদ্ধতির দাবি জানিয়ে আসছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত এক মহাসমাবেশে তারা একত্রে এই দাবি তোলেন এবং বলেন, দেশের বাস্তবতায় এই পদ্ধতির বিকল্প নেই।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, এই পদ্ধতি চালু হলে কোনো দল এককভাবে ক্ষমতা দখল করে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে পারবে না। জামায়াতে ইসলামির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও বলেন, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি ছাড়া বাংলার মানুষ কোনো নির্বাচন গ্রহণ করবে না।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অন্যদিকে বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলো পিআর পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, পিআর পদ্ধতি দেশে ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তি সৃষ্টি করতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেশের বাস্তবতায় এই পদ্ধতিতে নির্বাচন আদৌ কতটা বাস্তবসম্মত তা নিয়ে ভেবে দেখা দরকার।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য সময় ও আইনি কাঠামো প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমীন টুলী বলেন, পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে অতীতের মতো এককভাবে সরকার পরিচালনার সুযোগ কমে আসবে। কারণ সরকার গঠনে বড় দলগুলোকে ছোট দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় আসতে হবে। তবে তিনি এটাও বলেন, আগামী নির্বাচনের আগেই এই পদ্ধতি কার্যকর করা সম্ভব নয়। কারণ প্রস্তাবনা, আইন প্রণয়ন, রাজনৈতিক সমঝোতা ও প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন হবে আরও সময়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, পিআর পদ্ধতি চালু হলে প্রতিটি দলের প্রার্থী তালিকা আগেই নির্বাচন কমিশনে জমা দেবে। পরে ভোট অনুযায়ী নির্ধারিত আসন পেয়ে সেই তালিকা অনুযায়ী সংসদ সদস্য মনোনীত হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তবে অনেক রাজনৈতিক নেতা এই প্রক্রিয়াকে দীর্ঘ ও জটিল বলে মনে করছেন। বিশেষ করে বর্তমান বাস্তবতায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না থাকলে এ ধরনের বড় পরিবর্তন কার্যকর করা কঠিন হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সবশেষে বলা যায়, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দেশে রাজনৈতিক আলোচনার নতুন দ্বার খুলেছে। তবে এ নিয়ে মতপার্থক্য এখনো তীব্র, এবং আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে এ বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা কঠিন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কোন ভুলে শেখ হাসিনা আজ ভারতে পলাতক? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/313</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 15:23:54 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/313</guid>
		<description> অবশেষে ৫ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে শেখ হাসিনা সামরিক হেলিকপ্টারে করে গণভবন ত্যাগ করেন। দেশ ছাড়ার আগে তিনি জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তা অনুমোদন পায়নি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;টানা ১৫ বছরের বেশি সময় বাংলাদেশের শাসনক্ষমতায় থাকার পর গত ১১ মাস ধরে ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ৫ হাজার ৬৯০ দিনের শাসন শেষে ছাত্র ও জনতার গণআন্দোলনের মুখে দেশ ত্যাগ করেন তিনি। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠনের কয়েক মাস পরই শুরু হয় কোটা সংস্কার ঘিরে আন্দোলন। আন্দোলনের বিস্তার, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো পরিস্থিতিকে ক্রমেই জটিল করে তোলে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে সরকার যখন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পেছনে অবস্থান নেয়, তখন থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রকট হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির ওপর ছাত্রলীগের হামলা এবং সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার বক্তব্য উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু বক্তব্য ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়, বিশেষত রাজাকারদের নাতি-পুতিদের প্রসঙ্গ তুলে ধরার বক্তব্যটি। এই বক্তব্যের পরপরই সারাদেশের শিক্ষাঙ্গনে প্রতিবাদ শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিশেষ করে ১৬ জুলাই রংপুরের শিক্ষার্থী আবু সাইদকে গুলি করে হত্যার পর আন্দোলন আরও বড় আকার ধারণ করে। ঢাকার রাজপথে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন রাস্তা অবরোধ করে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। গণপরিবহন, সরকারি কর্মকাণ্ড ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থবিরতা নেমে আসে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে প্রকাশ্য সমর্থন পাওয়া ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের একটি অংশ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এর মধ্যে আলোচনায় উঠে আসে ডিবি পুলিশ হারুন অর রশিদের ভূমিকা। আন্দোলনের অন্যতম ছয় সমন্বয়কারীকে তুলে নেওয়া এবং তাদের জোর করে বিবৃতি দিতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হলে তা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শেখ হাসিনার শাসনামলে নানা সময় বিতর্ক তৈরি হয়েছে গণতন্ত্রের চর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর দমন, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে। বিরোধী দল ও বিশ্লেষকরা বহুবার অভিযোগ করেছেন, সরকার প্রশাসন ও দলকে এক করে ফেলেছে এবং ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শেখ হাসিনার ভারতনির্ভর পররাষ্ট্রনীতিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। এক তরফা নীতি, বন্ধুহীন কূটনীতি, এবং পারিবারিক তোষণসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তার দীর্ঘ শাসনকালে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে ৬ জুলাই ছাত্ররা &amp;lsquo;বাংলা ব্লকেড&amp;rsquo; কর্মসূচি ঘোষণা করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। ১৬ই জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের উপর ছাত্রলীগ হামলা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। তবে দেশের মানুষ বেশী প্রতিবাদী হয়ে ওঠে আবু সাঈদের মৃত্যুতে। সারাদেশের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এরপর ১৮ জুলাই থেকে সারাদেশে নেট বন্ধ করে দিলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে চলে যায়। ছাত্র-জনতা সকলে মিলে রাস্তায় নেমে পরে সেই সময় ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। ১৮ জুলাই থেকে ৪ই আগস্ট পর্যন্ত বহু শিশু ও সাধারন জনগন প্রান হারায় এই&amp;nbsp; আন্দোলনের জন্য।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অবশেষে ৫ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে শেখ হাসিনা সামরিক হেলিকপ্টারে করে গণভবন ত্যাগ করেন। দেশ ছাড়ার আগে তিনি জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ জানালেও তা অনুমোদন পায়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ জামান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। একটি অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত গঠনের প্রস্তুতি চলছে। আমরা দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করছি, শিগগিরই শান্তি ফিরিয়ে আনা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এছাড়া তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন করে কারফিউ বা জরুরি অবস্থার প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দেশত্যাগের সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোটবোন শেখ রেহানা। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গণভবনে প্রবেশ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। একই দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, জনগণ ও দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব। এক মিনিটের জন্যও কোনো অনির্বাচিত সরকার যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে, তা নিশ্চিত করুন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
১৯৮১ সালে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন শেখ হাসিনা। এরপর ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিরোধী দলে গেলে আবারও এক পর্যায়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আবারও সরকার গঠন করেন তিনি এবং ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ১৬ বছর দেশ শাসন করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
কিন্তু সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনের সূত্র ধরে যেভাবে দেশজুড়ে ছাত্র-জনতার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তা সামাল দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি শাসনের পর জনসম্পৃক্ততার অভাব, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংকোচন এবং ভুল সিদ্ধান্তগুলোই তার শাসনের ইতি টেনে দেয়।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ  ইসলামের ইতিহাসে শোক, শিক্ষা ও আত্মত্যাগের তাৎপর্যপূর্ণ দিন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/312</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 14:49:20 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/312</guid>
		<description> বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানরা আজকের দিনটি নফল রোজা, নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দান-খয়রাত ও আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে পালন করছেন। দেশের প্রধান প্রধান মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বাদ জোহর ‘পবিত্র আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বক্তব্য রাখবেন মদিনাতুল উলুম মডেল ইনস্টিটিউট মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মো. মুজির উদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;আজ রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫, হিজরি ১০ মহররম, মুসলমানদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ দিন&amp;mdash;পবিত্র আশুরা। দিনটি ইসলামের ইতিহাসে গভীর বেদনা, শিক্ষা ও আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে বিবেচিত। হিজরি ৬১ সনের এই দিনে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে সত্য ও ন্যায়ের পতাকা উঁচিয়ে জীবন বিসর্জন দেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এই আত্মত্যাগ মানবজাতির জন্য সত্য, ন্যায় ও ইসলামের আদর্শে দৃঢ় থাকার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আশুরা শব্দের অর্থ দশম। এটি আরবি &amp;lsquo;আশারা&amp;rsquo; শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ &amp;lsquo;দশ&amp;rsquo;। আর মহররম অর্থ &amp;lsquo;সম্মানিত&amp;rsquo;। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়ে এসেছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আশুরার রোজা পালন করলে বিগত এক বছরের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। প্রাথমিকভাবে ইসলাম ধর্মে মহররম মাসের রোজা ফরজ ছিল, তবে দ্বিতীয় হিজরিতে রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পর আশুরার রোজা নফল হিসেবে বিবেচিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) আশুরার রোজা পালনের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন এবং এদিনের সঙ্গে একদিন পূর্বে (৯ মহররম) ও একদিন পরে (১১ মহররম) রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ, ইহুদিরাও আশুরার দিন রোজা পালন করত, সে জন্য নবী করিম (সা.) মুসলমানদের পৃথক ও স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ার শিক্ষা দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানরা আজকের দিনটি নফল রোজা, নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দান-খয়রাত ও আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে পালন করছেন। দেশের প্রধান প্রধান মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বাদ জোহর &amp;lsquo;পবিত্র আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য&amp;rsquo; শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বক্তব্য রাখবেন মদিনাতুল উলুম মডেল ইনস্টিটিউট মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মো. মুজির উদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে মুসলমানদের জীবনে আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরে শান্তি, সহমর্মিতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণীতে বলেন, আশুরার মর্মবাণী আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পথে দৃঢ়তা অর্জনে সাহস জোগায়। তিনি এই মহান দিনে শহীদ ইমাম হোসাইন (রা.) এবং কারবালায় শাহাদতবরণকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মুসলমানদের হাদিস মোতাবেক নেক আমল করার আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বেশ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মিছিলে ধারালো অস্ত্র&amp;mdash;যেমন দা, ছুরি, বল্লম, তরবারি, লাঠি, আতশবাজি বা পটকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এসব নিষিদ্ধ বস্তু ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট করে এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলমান আশুরাকে ইবাদতের মাধ্যমে পালন করলেও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শিয়া সম্প্রদায়ের মতো তাজিয়া মিছিল বা শরীর রক্তাক্ত করার মতো রীতিনীতি পালন করে থাকেন। ইসলামিক স্কলারদের মতে, শরীর রক্তাক্তকরণ, রণ-মহড়া, মোমবাতি জ্বালানো, মর্সিয়া পাঠ, বিয়ে বন্ধ রাখা, বিশেষ খাবার আয়োজন করে তা বাড়িতে বাড়িতে বিতরণ করা, এসবের কোনো হাদিসসম্মত ভিত্তি নেই। বরং এসব কুসংস্কার হিসেবে বিবেচিত। হাদিস মোতাবেক আশুরার সঠিক আমল হলো রোজা রাখা, নফল নামাজ পড়া, দোয়া করা, এবং পরিবার-পরিজনের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো খাবারের আয়োজন করা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইমাম হোসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ মুসলমানদের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। কারবালার ঘটনা আমাদের শেখায়, অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করে সত্যের পক্ষে দৃঢ় থাকা, ইসলামি আদর্শে অটল থাকা এবং মানবতার কল্যাণে আত্মোৎসর্গ করাই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়। এছাড়াও এইদিনে মুসা আঃ এর লোহিত সাগর পাড়ি দেওয়ার ঘটনাও এইদিনে করেছিল বলে জানা যায় ইহুদীদের ইতিহাসে। এইদিন তাদের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে মুসা আঃ তাদের নিয়ে সাগর পাড়ি দেন সেইসাথে ফেরাউনের দলের সমুদ্রপৃষ্ঠ হওয়ার ঘটনাও ইতিহাসে ঘাটলে জানা যায়। যার জন্য হযরত মোহাম্মদ সঃ এই দিনে রোজা রাখার কথা বলেছেন। তাই মুসলিম সমাজে এই পবিত্র আশুরার দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইলন মাস্কের নতুন রাজনৈতিক দল &#039;আমেরিকা পার্টি&#039; </title>
		<link>https://shomoybhela.com/311</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 06 Jul 2025 12:51:47 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/311</guid>
		<description> মাস্কের বিরুদ্ধে কিছু সমালোচনা রয়েছে, বিশেষত তার পূর্বে রিপাবলিকান দলের প্রতি সমর্থন এবং ট্রাম্পের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে। তিনি ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার দান করেছিলেন এবং সেই সময়টাতে ট্রাম্পের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে, ট্রাম্পের নীতি এবং বাজেট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তিনি তার মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেন, যা তাদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি করে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইলন মাস্ক ঘোষণা করেছেন যে তিনি একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেটি দুই পার্টি সিস্টেমের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স (টুইটার) মাধ্যমে &amp;#39;আমেরিকা পার্টি&amp;#39; নামে এই নতুন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করেন। যদিও দলটি নিবন্ধিত হয়েছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়, তিনি জানিয়েছেন যে এটি দেশের রাজনীতিতে একটি পরিবর্তন আনবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইলন মাস্ক, যিনি জন্ম সূত্রে মার্কিন নাগরিক না হওয়ায় প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অযোগ্য, এখনও দলের নেতৃত্ব কে দেবে সে সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করেননি। তবে, তার এই সিদ্ধান্ত মার্কিন রাজনীতিতে এক নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, বিশেষত যখন তিনি দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান দলের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মাস্কের নতুন দল গঠনের প্রস্তাব প্রথম আসে তার ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে। সম্প্রতি তিনি ট্রাম্পের প্রশাসনে কাজ করছিলেন, কিন্তু কিছু আর্থিক এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে তিনি তার পদত্যাগ করেন। এরপর, তিনি ট্রাম্পের নীতি ও পরিকল্পনার ব্যাপারে তীব্র সমালোচনা করতে শুরু করেন। তার এমন সমালোচনার পর, মাস্ক এক বার্তা পোস্ট করেন যেখানে তিনি তার অনুসারীদের কাছে জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করা উচিত কিনা?&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
উক্ত জরিপের ফলাফল ছিল বেশ স্পষ্ট। মাস্কের অনুসারীরা প্রায় ২-১ ভোটের ব্যবধানে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। মাস্ক তার পোস্টে লিখেছেন, যখন আমাদের দেশকে অপচয় ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেউলিয়া করা হচ্ছে, তখন আমরা একদলীয় ব্যবস্থা নিয়ে বসে আছি, যা গণতন্ত্র নয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই ঘোষণার পরপরই, বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আলোচনা শুরু করেছেন যে, মাস্কের নতুন দলটি মার্কিন রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও মাস্ক একটি নতুন দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তৃতীয় দলের পক্ষে জায়গা তৈরি করা একটি কঠিন কাজ হতে পারে। অতীতে, তৃতীয় দলের প্রার্থীরা চেষ্টা করলেও দেশের প্রধান দুটি দলের প্রভাবকে কাবু করতে পারিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গত বছর, গ্রীন পার্টি, লিবারটারিয়ান পার্টি এবং পিপলস পার্টি প্রার্থীরা ট্রাম্প এবং কমলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল, তবে তাদের তেমন কোনো সাফল্য ছিল না। তবুও, মাস্কের নতুন দলটি যদি সত্যিই প্রভাব ফেলে, তবে তা দেশটির রাজনীতির জন্য নতুন একটি দিগন্ত খুলে দিতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মাস্কের বিরুদ্ধে কিছু সমালোচনা রয়েছে, বিশেষত তার পূর্বে রিপাবলিকান দলের প্রতি সমর্থন এবং ট্রাম্পের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে। তিনি ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার দান করেছিলেন এবং সেই সময়টাতে ট্রাম্পের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে, ট্রাম্পের নীতি এবং বাজেট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তিনি তার মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেন, যা তাদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিশেষভাবে, মাস্কের লক্ষ্য ছিল ট্রাম্পের বাজেট পরিকল্পনা, যা ব্যাপক খরচ এবং কর কমানোর ব্যাপারে ছিল। এই পরিকল্পনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব ঘাটতি আগামী দশ বছরে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে, যা মাস্কের ব্যবসা, বিশেষ করে টেসলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তিনি পরিবেশবান্ধব গ্রীন ট্রানজিশনে কোনও ধরনের সরকারি সহায়তার বিরোধিতা করেছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এছাড়াও, ট্রাম্প মাস্কের জন্য সহায়তা প্রদান নিয়ে কথা বলেছেন এবং তাঁর দাবি, মাস্ক যদি সরকারি সহায়তা না পেতেন, তাহলে সম্ভবত তার কোম্পানিগুলো বন্ধ হয়ে যেত। এতে মাস্কের বিরুদ্ধে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল, যা তাদের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এখন পর্যন্ত, মাস্কের এই নতুন রাজনৈতিক দলের সম্পর্কে বিশদ তথ্য পাওয়ার জন্য কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে, কারণ ফেডারেল ইলেক্টোরাল কমিশনের কাছে দলটি নিবন্ধিত হয়েছে কি না, তা এখনও পরিষ্কার হয়নি। তবে, মাস্কের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তার পরিকল্পনার ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মাস্কের সিদ্ধান্তের পক্ষে এবং বিপক্ষে বিভিন্ন মতামত উঠে এসেছে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, তার দলটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তৃতীয় দলের হিসেবে ভূমিকা রাখবে এবং বিশেষত কিছু জনগণের কাছে এটি নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে। অন্যদিকে, কিছু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান দল, রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেটিক, এত শক্তিশালী যে তৃতীয় দলের জন্য জায়গা তৈরি করা খুবই কঠিন হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিকে, মাস্ক তার নতুন দলের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তন আনতে চান, তবে তার দলটি রাজনৈতিক দুনিয়ায় কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারবে তা সময়ই বলে দেবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা আর নেই </title>
		<link>https://shomoybhela.com/310</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Jul 2025 18:28:04 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/310</guid>
		<description> সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদা আর নেই। শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। পরে তাকে দ্রুত ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদা আর নেই। শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। পরে তাকে দ্রুত ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার শ্যালক আশফাক কাদেরী গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, সকালে গুলশানের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শামসুল হুদা। তখনই তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু পৌছানোর আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফেরার পর জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হবে। বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শামসুল হুদা বাংলাদেশের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ২০১২ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে প্রায় ৮৭ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি ছিল, যেখানে আওয়ামী লীগ ২৩০টি, বিএনপি ৩০টি ও জাতীয় পার্টি ২৭টি আসন পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেই সময় নির্বাচন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন শামসুল হুদা। তার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যবহার চালু করে। নির্বাচন আইন সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এই কমিশনে তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে কাজ করেন মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্যক্তিগত জীবনে এ টি এম শামসুল হুদা এক মেয়ে ও স্ত্রী রেখে গেছেন। তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফরিদপুরে। ১৯৪৩ সালের ১০ জুলাই ফরিদপুর সদর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৫৮ সালে মাধ্যমিক ও ১৯৬০ সালে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন প্রথম শ্রেণিতে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগদানের মাধ্যমে তার পেশাগত জীবনের শুরু হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকরি জীবনে তিনি বাগেরহাটের মহকুমা প্রশাসক, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও ব্যাংকিং বিভাগে সচিব এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নানা সামাজিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার কর্মদক্ষতা ও নিরপেক্ষতা তাকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত করেছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ টি এম শামসুল হুদার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​হজ শেষে দেশে ফিরলেন প্রায় ৬৬ হাজার বাংলাদেশি, বাকি আরও ২১ হাজার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/309</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Jul 2025 18:25:24 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/309</guid>
		<description> ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অফিস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১৫৭ জন মুসল্লি হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে যান। প্রথম ফ্লাইটটি ছেড়েছিল ২৯ এপ্রিল, আর সর্বশেষটি ৩১ মে। মূল হজ অনুষ্ঠিত হয় ৫ জুন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;চলতি বছরের হজ কার্যক্রম শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৬৫ হাজার ৫৭৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। হজ শেষে ২৫ দিনের ব্যবধানে এসব হাজি সৌদি আরব থেকে বিভিন্ন ফ্লাইটে দেশে এসেছেন। এখনো সৌদি আরবে অবস্থান করছেন প্রায় ২১ হাজার ৫৮৪ জন, যাদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া চলবে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অফিস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১৫৭ জন মুসল্লি হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে যান। প্রথম ফ্লাইটটি ছেড়েছিল ২৯ এপ্রিল, আর সর্বশেষটি ৩১ মে। মূল হজ অনুষ্ঠিত হয় ৫ জুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হজ শেষে যাত্রী পরিবহনে যুক্ত ছিল তিনটি বিমান সংস্থা&amp;mdash;বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাজি ফিরিয়ে এনেছে বিমান বাংলাদেশ, যারা এখন পর্যন্ত ৮৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করে দেশে এনেছে ৩০ হাজার ৪৪৩ জন হাজি। সৌদি এয়ারলাইন্স ৭২টি ফ্লাইটে ফিরিয়েছে ২৬ হাজার ৩৫৪ জন, আর ফ্লাইনাস পরিচালিত ২৩টি ফ্লাইটে এসেছেন ৮ হাজার ৭৭৬ জন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফেরত আসা যাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসেছেন ৫ হাজার ৭ জন, আর বেসরকারিভাবে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৬৬ জন। সব মিলিয়ে পরিচালিত হয়েছে ১৮০টি ফিরতি হজ ফ্লাইট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে হজ পালনের সময় সৌদি আরবে প্রাণ হারিয়েছেন ৪২ জন বাংলাদেশি হাজি। এদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ এবং ১১ জন নারী। অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে বার্ধক্য ও দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতার কারণে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হজযাত্রীদের সেবা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে সরকারের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর, মেডিকেল সাপোর্ট ও সহায়ক কর্মীদের টিম প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছে হজ অফিস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের হজ্ব কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অন্যান্য সরকারি সংস্থাও সমন্বিতভাবে কাজ করছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>টেক্সাসে আকস্মিক বন্যায় ২৪ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ প্রায় ২০ শিশুকন্যা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/308</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Jul 2025 18:22:36 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/308</guid>
		<description> টেক্সাসের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ড্যান প্যাট্রিক এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দ্রুত নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে আগেভাগে সতর্কবার্তা জারি করা সম্ভব হয়নি। এই বন্যাকে তিনি ‘ধ্বংসাত্মক’ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এত দ্রুত পানি বেড়েছে যে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি বোঝার আগেই বহু মানুষ পানিতে আটকে পড়ে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রঝড়ের কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। গত শুক্রবার, ৪ জুলাই, ঘটে যাওয়া এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে একটি গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে অবস্থানরত প্রায় ২০ জন মেয়েশিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পরপরই টেক্সাসের বিভিন্ন সংস্থা উদ্ধার অভিযান শুরু করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, মৌসুমি বৃষ্টির কারণে গুয়াদালুপে নদীর পানি হঠাৎ করে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়। মাত্র ৪৫ মিনিটে নদীর পানি ২৬ ফুট বা প্রায় ৮ মিটার বেড়ে যায়, যার ফলে আশপাশের এলাকা দ্রুত পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে। বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে টেক্সাস হিল কান্ট্রির কার কাউন্টি, যেখানে কারভিল নামক শহর ভয়াবহভাবে আক্রান্ত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টেক্সাসের লেফটেন্যান্ট গভর্নর ড্যান প্যাট্রিক এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দ্রুত নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে আগেভাগে সতর্কবার্তা জারি করা সম্ভব হয়নি। এই বন্যাকে তিনি &amp;lsquo;ধ্বংসাত্মক&amp;rsquo; বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এত দ্রুত পানি বেড়েছে যে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি বোঝার আগেই বহু মানুষ পানিতে আটকে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কার কাউন্টির শেরিফ ল্যারি লেইথা শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা গেছে। তবে তিনি আশঙ্কা করছেন, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। শেরিফের মতে, নিখোঁজ শিশুদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে এবং উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, কারভিলের নগর ব্যবস্থাপক ড্যালটন রাইস জানান, দুর্যোগটি এত দ্রুত ঘটেছে যে, রাডারেও তা আগে থেকে সনাক্ত করা যায়নি। তার ভাষায়, রাতের অন্ধকারে ভোর হওয়ার আগেই আকস্মিকভাবে পানি প্রবাহিত হয় এবং দুই ঘণ্টারও কম সময়ে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। ফলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পূর্ব প্রস্তুতির সময় মেলেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবিসি জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৩৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ মেয়েশিশুদের খোঁজে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারে নিয়োজিত রয়েছে ১৪টি হেলিকপ্টার ও ১২টি ড্রোন। সেই সঙ্গে শত শত উদ্ধারকর্মী কাজ করছেন বন্যাকবলিত এলাকায়। কিছু মানুষ গাছের ডালে আটকে ছিল, আবার কেউ কেউ প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নদীর পাশেই অবস্থিত গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে তখন প্রায় ৭০০ শিশু অবস্থান করছিল। অধিকাংশ শিশুকে উদ্ধার করা গেলেও কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এই ঘটনার পর টেক্সাসের বিভিন্ন সংস্থা, সরকারি ও বেসরকারি উদ্ধার টিম এবং স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো মাঠে কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতোমধ্যেই কার কাউন্টির কিছু এলাকায় বন্যার জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। সান অ্যান্টোনিও শহর থেকে প্রায় ১০৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই এলাকাগুলোতে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধারকাজ চলমান এবং নিখোঁজদের সন্ধানে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানি কিছুটা কমলেও এখনো বহু এলাকা পানির নিচে রয়েছে। কর্তৃপক্ষ সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আন্তর্জাতিক মান লঙ্ঘন করে ডিপ্লোমাধারীদের সিডিসি দেওয়ার প্রস্তাব বাতিল চেয়ে ৫ দফা দাবি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/307</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 11:36:43 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/307</guid>
		<description> বাংলাদেশের মেরিন সেক্টর থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক আয় অর্জিত হয়। স্বাধীনতার পর থেকে এটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। কিন্তু, বর্তমানে দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অভাবে এই খাত চরম সংকটে পড়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের মেরিন সেক্টর বর্তমানে এক মারাত্মক সংকটের মুখোমুখি। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়া সত্ত্বেও, ভুল নীতি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এ খাত তার গুরুত্ব হারাতে বসেছে। বিশেষ করে, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি শিক্ষার্থীদের অফিসার ক্যাডেট সিডিসি (Continuous Discharge Certificate) প্রদানের বিতর্কিত প্রস্তাবটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও দেশের বিদ্যমান বিধিমালার সরাসরি লঙ্ঘন, যা দেশের মেরিন খাতের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;মেরিন সেক্টরের বর্তমান সংকট&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের মেরিন সেক্টর থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক আয় অর্জিত হয়। স্বাধীনতার পর থেকে এটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। কিন্তু, বর্তমানে দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অভাবে এই খাত চরম সংকটে পড়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বিশেষ করে, বিদেশি জাহাজে বাংলাদেশি নাবিকদের কাজ পাওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনিক জটিলতা এবং ভিসা সমস্যার কারণে নতুন কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে, অনেক নতুন সিডিসিপ্রাপ্ত মেরিনার, বিশেষ করে ক্যাডেট ও রেটিং পর্যায়ের, বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছেন। আগামী মাসগুলোতে এই সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা দেশের মেরিন সেক্টরের জন্য এক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ডিপ্লোমাধারীদের সিডিসি বিতর্ক: আন্তর্জাতিক মানদণ্ড লঙ্ঘন&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে যে, মেরিন টেকনোলজি ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি পাস ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থীদের অফিসার ক্যাডেট পর্যায়ে সিডিসি প্রদান করা হোক। কিন্তু, এই প্রস্তাবটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং দেশের বিদ্যমান বিধিমালার সরাসরি লঙ্ঘন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আন্তর্জাতিক মানদণ্ড লঙ্ঘন:&lt;/strong&gt; ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি একটি এসএসসি-ভিত্তিক শিক্ষা কর্মসূচি, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী অফিসার ক্যাডেট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় STCW কোড A-III/1 অনুযায়ী অনুমোদিত প্রশিক্ষণ নয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আইনগত ত্রুটি:&lt;/strong&gt; বাংলাদেশ মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স ১৯৮৩ এবং নৌ অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত বিধি অনুযায়ী, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজির কোর্স মার্চেন্ট মেরিন শিক্ষায়তনের অনুমোদন, প্রশিক্ষণ মূল্যায়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণের বিধি ২৬ এর ধারা ৪ অনুযায়ী অনুমিত নয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;পরীক্ষক ও প্রশিক্ষকদের যোগ্যতা: &lt;/strong&gt;আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক এবং প্রশিক্ষকদের অবশ্যই বৈদেশিক জাহাজে চিফ ইঞ্জিনিয়ার এবং মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং অনুমোদিত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজির ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বৈষম্য:&lt;/strong&gt; মাত্র ৬ মাসের ট্রেনিং করে ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের অফিসার সিডিসি প্রদান করা অন্যান্য যোগ্য ক্যাডেটদের প্রতি এক ধরনের বৈষম্য, যা বাংলাদেশের মেরিন সেক্টরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মেরিন সেক্টরের জন্য ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে। এর ফলে, বাংলাদেশ IMO-এর হোয়াইট লিস্ট থেকে বাদ পড়তে পারে, আন্তর্জাতিক ম্যানিং এজেন্সিগুলোর আস্থা হারাবে, এবং সামগ্রিকভাবে দেশের মেরিন খাতের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ধ্বংস হবে। অতীতে ফিলিপাইনস এবং ভারত অনুরূপ ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য হয়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সংকট সমাধানে ৫ দফা দাবি&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের মেরিন পেশাজীবীরা এই সংকট সমাধানে ৫ দফা যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেছেন,&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;১. ডিপ্লোমাধারীদের ক্যাডেট সিডিসি দেওয়ার প্রস্তাব বাতিল: মেরিন টেকনোলজি ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমাধারীদের ক্যাডেট সিডিসি দেওয়ার প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং নৌ মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;২. চাহিদভিত্তিক কোটা নির্ধারণ: ক্যাডেট ও রেটিং রিক্রুটমেন্ট বন্ধ করে চাহিদাভিত্তিক কোটা নির্ধারণ করতে হবে। পূর্ববর্তী ব্যাচের শতভাগ অনবোর্ড না হলে নতুন ব্যাচ রিক্রুট বন্ধ করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;৩. ভিসা সমস্যা ও বিদেশি চাকরির বাজারে প্রবেশাধিকার:&lt;strong&gt; &lt;/strong&gt;ভিসা সমস্যা সমাধান ও বিদেশি চাকরির বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;৪. অবৈধ লেনদেন বন্ধ: নাবিক প্রশিক্ষণ ও নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের অবৈধ লেনদেন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;৫. ক্যাপ্টেন মাহবুবের মুক্তি:&lt;strong&gt; &lt;/strong&gt;ভেনিজুয়েলায় বন্দি ক্যাপ্টেন মাহবুবকে দ্রুত মুক্ত করে আনতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের মেরিন সেক্টর কেবল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি হাজারো দক্ষ তরুণের কর্মসংস্থানের প্রতীক এবং দেশের গৌরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এর মান ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেরিন পেশাজীবীরা মাননীয় উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, প্রত্যেক নাবিক একেকজন অঘোষিত রাষ্ট্রদূত। তাই রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে উপরিউক্ত দাবিগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব এই খাতের সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, যাতে বাংলাদেশের মেরিন সেক্টর দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন খালেদা জিয়া </title>
		<link>https://shomoybhela.com/306</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 10:50:31 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/306</guid>
		<description> খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের ঐক্যকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই ঐক্য আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ। আমাদের সকলকে একসঙ্গে থাকতেই হবে, যেন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে যেকোনো মূল্যে এবং গত বছরের ছাত্র আন্দোলন, বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রক্ত, মায়ের চোখের অশ্রুদের ত্যাগ যেন বৃথা না যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আজ বিএনপির আয়োজনে ভার্চুয়ালি এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন, যেখানে তিনি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় গত বছরের এই সময়ে ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের ঐক্যকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই ঐক্য আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ। আমাদের সকলকে একসঙ্গে থাকতেই হবে, যেন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় তিনি বলেন, গত বছর যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, তাতে বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য এবং সংগ্রামের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি, যেখানে সকল শ্রেণি-প্রতিবন্ধকতার ঊর্ধ্বে উঠবে এবং গণতন্ত্রের মঞ্চে বাংলাদেশ তার নিজের গৌরবময় অবস্থান ফিরে পাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু সময় পরস্পরের আস্থা এবং সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষত আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে, সঠিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা পদ্ধতি সম্পর্কে ভাবনা-চিন্তা করা উচিত। এটি বাংলাদেশের জন্য কতটা উপযোগী, তা পর্যালোচনা করা জরুরি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, প্রতিনিধিত্বমূলক পদ্ধতির কথা চিন্তা করা হয়েছে অনেক দেশের পক্ষ থেকে, কিন্তু আমাদের দেশের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান এবং বাস্তবতাকে যদি মনে রাখা যায়, তবে সেসব ধারণা দেশে কার্যকর হবে কিনা, তা পরীক্ষণ করা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এসময় বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে একটি কঠোর অবস্থান নিতে বলেন, যেখানে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সরব হন। তিনি সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করে বলেন, &amp;quot;এ সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, জনগণের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে, এবং একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের রক্তপাত ঘটিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থান আমাদের মুক্তির পথ দেখিয়েছে। এটি ফ্যাসিবাদের পতন এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার এক সুবর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও, খালেদা জিয়া বিচারহীন হত্যাকাণ্ড, গুম, এবং বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, &amp;quot;যাদের জীবন হারিয়েছে, তাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনের এবং তাদের পরিবারকে নিরাপত্তা এবং একটি সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা মেধাবী, তোমরা এই দেশের ভবিষ্যত। তোমাদের ঐক্যবদ্ধতার শক্তিতে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক এবং উন্নত দেশে পরিণত করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোচনা সভায় দলের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়, যেখানে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। সভার শেষে শহীদদের স্মরণে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, যা আন্দোলনের ইতিহাস এবং শহীদদের আত্মত্যাগকে সবার সামনে তুলে ধরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি তার প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী, এবং আমরা তার দেখানো পথে হাঁটছি। আমাদের লক্ষ্য হলো একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ, এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া, যেখানে সকল নাগরিকের অধিকার রক্ষা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক খান এবং দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষ ঘটনা হিসেবে, সভার শুরুতেই একটি তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যখন সাংবাদিক এহসান মাহমুদ, যিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, তাকে উপস্থিত জনগণের একাংশ &amp;#39;ফ্যাসিস্ট&amp;#39; এবং &amp;#39;স্বৈরাচারের সহযোগী&amp;#39; হিসেবে আখ্যায়িত করে হট্টগোল করতে শুরু করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও অন্য নেতৃবৃন্দ হস্তক্ষেপ করে তাকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনার পর, বিএনপি নেতারা বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই ধরনের প্রতিবাদ ও প্রতিবন্ধকতা দলের ভিতরে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে, এবং দলের বৃহত্তর ঐক্য বজায় রাখতে সকলকে শান্তিপূর্ণ ও সংযত থাকতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেষে, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান সকলকে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জন্য একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান, যেখানে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা থাকবে এবং বাংলাদেশের জনগণের অধিকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে, আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খালেদা জিয়া বলেন, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সরকার যদি এই সম্মিলনকে গুরুত্ব না দেয়, তবে আগামীতে আমাদের আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: বিএনপি মিডিয়া সেল&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/305</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 02 Jul 2025 10:09:29 +0600</pubDate>
		<category>ইতিহাসের পাতায় আজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/305</guid>
		<description> মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হয়ে নীলক্ষেত, সায়েন্স ল্যাব, বাটা সিগন্যাল মোড় হয়ে শাহবাগে গিয়ে জমায়েত হয়। এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা স্লোগান দেন, কোটা না মেধা, মেধা মেধা, আঠারোর পরিপত্র-পুনর্বহাল করতে হবে, কোটা প্রথা নিপাত যাক- মেধাবীরা মুক্তি পাক, ছাত্রসমাজ গড়বে দেশ, মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ ইত্যাদি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে আবারও অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা। ২০২৪ সালের ২ জুলাই, এক বছর পর তারা আবার শাহবাগে এসে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এদিন, প্রায় এক ঘণ্টা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এর আগে, মিছিল বের করা হয়, যার মধ্যে হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হয়ে নীলক্ষেত, সায়েন্স ল্যাব, বাটা সিগন্যাল মোড় হয়ে শাহবাগে গিয়ে জমায়েত হয়। এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা স্লোগান দেন, কোটা না মেধা, মেধা মেধা, আঠারোর পরিপত্র-পুনর্বহাল করতে হবে, কোটা প্রথা নিপাত যাক- মেধাবীরা মুক্তি পাক, ছাত্রসমাজ গড়বে দেশ, মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করার পর, বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে আন্দোলনকারীরা মূল সড়ক ছেড়ে দেন, যার ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, এটা শুধু শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের আন্দোলন নয়। এটা একটি রাষ্ট্রের বিষয়। মুক্তিযোদ্ধা কোটা আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এক নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোনো বংশগত পরম্পরার বিষয় নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয় আদর্শ। এই আদর্শকে আমরা তরুণেরা ধারণ করি। এজন্যই আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিন, ৩ জুলাই আন্দোলনকারীরা আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেবেন বলে ঘোষণা করেছেন নাহিদ। তিনি দেশব্যাপী সকল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একই ব্যানারে একই সময়ে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আব্দুল কাদির বলেন, ৪ দফা দাবিতে আমাদের এই আন্দোলন আগামী ৪ জুলাই হাইকোর্টের শুনানি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ছাত্রসমাজ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নায্য আন্দোলন জারি রাখবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিন, আরও একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়। ওইদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং প্রধান ফটকে এসে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ২৫ মিনিট অবরোধ করে রাখেন। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে বেলা ১১টায় ঝাল চত্বর থেকে মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক স্থানে এসে মিলিত হয়। শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের পক্ষে তাদের চার দফা দাবি তুলে ধরেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে ছিল, ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা। ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া। এছাড়াও, সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া এবং দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত ছিল। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ সংরক্ষিত ছিল। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের সুপারিশ করে মন্ত্রিসভা। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়। ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ হয়। এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের রায়ে ২০২৪ সালের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর থেকে চাকরি প্রত্যাশী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেদিনের আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা দিল। শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছ কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবি জানায় এবং তাদের দাবির প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। তারা বলেছে, সরকার যদি তাদের দাবি না মেনে নেয় তবে তারা আবারও রাজপথে নামবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​সাভারে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/303</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 16:17:11 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/303</guid>
		<description> সাভারে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। শুক্রবার (২৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে সাভার পৌরসভার কামাল গার্মেন্টস রোডের কাঠপট্টি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে, যেখানে রুহুল আমিন (২৬) নামক একজন তরুণকে ডেকে নিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার বন্ধু শামীম হোসেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সাভারে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। শুক্রবার (২৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে সাভার পৌরসভার কামাল গার্মেন্টস রোডের কাঠপট্টি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে, যেখানে রুহুল আমিন (২৬) নামক একজন তরুণকে ডেকে নিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার বন্ধু শামীম হোসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুহুল আমিনকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কামাল রোডের কাঠপট্টি এলাকায় নিয়ে যায় শামীম। সেখানে তাকে কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই ধারালো ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে শামীম। শামীম রুহুলের মাথা, পিঠ, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত রুহুল ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়লে শামীম পালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয়রা রুহুলকে পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত তাকে সাভার এনাম মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি করলেও শনিবার রাত ৮ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রুহুল আমিনের শরীরে বেশ কয়েকটি গভীর আঘাত ছিল এবং তার মৃত্যু সেসব আঘাতের কারণে হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রুহুল ও শামীমের ছোট ভাই ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, শামীম আমাদের বাসা থেকে রুহুলকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে গিয়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই শামীম রুহুলের উপর আক্রমণ করে। রুহুল গুরুতর আহত হয়ে পড়ে যায় এবং শামীম তখন পালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোহতাসিম বিল্লাহ জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং শামীমকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, সাভার এনাম মেডিকেল থেকে লাশ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হবে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে ময়নাতদন্তের পর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনার পর থেকে এলাকাবাসী হতবাক এবং শোকাহত। এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতঙ্ক এবং শঙ্কা বিরাজ করছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং শামীমের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক কখনও কখনও অবিশ্বাস্য ও হৃদয়বিদারক পরিণতির দিকে মোড় নিতে পারে। বন্ধুত্বের নামে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে সমাজের নিরাপত্তা এবং মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আওয়ামী লীগ শাসন পতনের অভূতপূর্ব সূচনা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/302</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 14:44:52 +0600</pubDate>
		<category>ইতিহাসের পাতায় আজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/302</guid>
		<description> কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ আন্দোলন একসময় ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে’ পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ শুধু কোটা সংস্কার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দাবির পরিসর ক্রমশ বড় হতে থাকে এবং একটি বৃহত্তর গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। যার ফলে ছাত্ররা, সাধারণ মানুষ, রিকশাচালক, শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
গত বছরের ১ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই দিনেই দেশের শিক্ষার্থীদের এক প্রতিবাদ থেকে সৃষ্টি হয় একটি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান, যা প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সূচনা হয়ে দাঁড়ায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ আন্দোলন একসময় &amp;lsquo;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে&amp;rsquo; পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ শুধু কোটা সংস্কার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দাবির পরিসর ক্রমশ বড় হতে থাকে এবং একটি বৃহত্তর গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। যার ফলে ছাত্ররা, সাধারণ মানুষ, রিকশাচালক, শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বৃহৎ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ আন্দোলনের সূচনা ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের সরকারি প্রজ্ঞাপনের পর হাইকোর্ট কর্তৃক পুনর্বহাল রায়ের প্রেক্ষিতে ঘটে। ২০১৮ সালে তীব্র ছাত্র আন্দোলনের পর সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করেছিল, কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে কোটা পুনঃপ্রবর্তিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, পশ্চাৎপদ জেলার জন্য ১০ শতাংশ, সংখ্যালঘুদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়। ছাত্ররা এই পুনঃপ্রবর্তনকে মেধাবীদের প্রতি বৈষম্য হিসেবে মনে করে প্রতিবাদে রাস্তায় নামে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকার তাদের প্রতিবাদ দমন করতে চাইলে পরিস্থিতি বিদ্রোহে রূপ নেয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারপন্থী সন্ত্রাসীরা একযোগে আক্রমণ চালালে অন্তত ১,৪০০ জন নিহত এবং প্রায় ২০,০০০ জন আহত হয়। এটি ছিল স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুর দমনপীড়ন। ২০০৮ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ছিল আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়ার পথে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা ঘটে ২০২৪ সালের ১ জুলাই, কিন্তু এর গোড়াপত্তন ৫ জুন ঘটে, যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাস্তায় নামে। এই আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার বই &amp;ldquo;জুলাই: মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু&amp;rdquo;তে লিখেছেন, ৫ জুন বিকেলে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে স্কুটি মেরামত করাচ্ছিলাম। তখন ফেসবুকে দেখি হাইকোর্ট কোটা পুনর্বহাল করেছে। মনে হলো ২০১৮ সালের অর্জনগুলো ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর ঢাবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বৈঠক শুরু হয় এবং রাতে &amp;lsquo;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী&amp;rsquo; ব্যানারে একটি মিছিল বের হয়। এতে স্লোগান ওঠে, &amp;quot;কোটা পদ্ধতি মানি না, হাইকোর্টের রায় মানি না, কোটা বাতিল করতেই হবে।&amp;quot; আন্দোলন দ্রুত অন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছড়িয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬ জুন ঢাবি, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে। ৯ জুন শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল করে অ্যাটর্নি জেনারেল বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। এর পরপরই রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে। শুনানির দিন ধার্য হয় ৪ জুলাই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১০ জুন আবারও মিছিল হয় এবং শিক্ষার্থীরা সরকারকে ৩০ জুনের মধ্যে ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন পুনর্বহাল করতে আল্টিমেটাম দেয়, না হলে সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করার ঘোষণা দেয়। আসিফ সজীব ভূঁইয়া স্মরণ করেন, আমরা ঈদের ছুটির আগে ৩০ জুন পর্যন্ত আন্দোলন শিথিল রেখেছিলাম, কিন্তু ৩০ জুন সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ঘোষণা না আসায়, ১ জুলাই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন শুরুর ঘোষণা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১ জুলাই ঢাবি, জাবি, রাবি, চবি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে পড়ে। ঢাবির শিক্ষার্থীরা &amp;lsquo;বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন&amp;rsquo;-এর ব্যানারে মিছিল বের করে, যা রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন, ৪ জুলাই পর্যন্ত দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও পরীক্ষার বর্জন চলবে। তিনি আরও তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন: ২ জুলাই দেশব্যাপী মহাসড়কে মিছিল, ৩ ও ৪ জুলাই রাজধানীতে সমাবেশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই আন্দোলন সময় গড়ানোর সাথে সাথে দেশের সাধারণ মানুষও এতে যোগ দিতে শুরু করে, যা এই প্রতিবাদকে একটি বৃহত্তর গণআন্দোলনে পরিণত করে। নাহিদ ইসলাম চারটি দাবি উত্থাপন করেন- ১. দ্রুত কোটা সংস্কারে কমিশন গঠন, ২. কোটা পূরণ না হলে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করা, ৩. একাধিকবার কোটা সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, ৪. প্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব মুহূর্ত, যেখানে ছাত্ররা এবং সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য দাবি জানায়। সেই আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া জনগণের ঐক্য আজ নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার আশা দেখিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; বাসস&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্বৈরাচার যেন আর কখনও মাথাচাড়া দিতে না পারে: প্রধান উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/301</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 13:58:11 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/301</guid>
		<description> প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, স্বৈরাচার যেন আর কখনও মাথাচাড়া দিতে না পারে, সেজন্য আমাদের এই মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করতে হবে। তিনি আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, গত বছর যে সংগ্রাম ছিল, তার লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আমরা শপথ নেব এবং প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করব, যাতে স্বৈরাচারের কোনো ধরনের আগমন কখনও না হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, স্বৈরাচার যেন আর কখনও মাথাচাড়া দিতে না পারে, সেজন্য আমাদের এই মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করতে হবে। তিনি আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, গত বছর যে সংগ্রাম ছিল, তার লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আমরা শপথ নেব এবং প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করব, যাতে স্বৈরাচারের কোনো ধরনের আগমন কখনও না হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, গত বছর জুলাইয়ে যে লড়াই হয়েছিল, তা ছিল এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থান। সেই আন্দোলনে তরুণ ছাত্র, জনতা, রিকশাচালক, শ্রমিকরা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আজকের এই কর্মসূচি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল&amp;mdash; &amp;lsquo;ফ্যাসিবাদের বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ এবং রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া&amp;rsquo;। এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা আমাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চলেছি। অধ্যাপক ইউনূস জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল কেবল একটি আন্দোলন নয়, এটি ছিল একটি স্বপ্ন&amp;mdash;নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য। আমরা আমাদের এই যাত্রা আবারও শুরু করব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বৈরাচারের পুনরুত্থান রোধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রতি বছর এই সময়টি উদযাপন করব, যাতে পরবর্তীতে আবার অভ্যুত্থান করার জন্য ১৬ বছর আমাদের অপেক্ষা করতে না হয়। আমরা সবাই মিলে এই সংগ্রাম চালিয়ে যাব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রইল। তারা ছিলেন গণতন্ত্রের পতাকা উঁচিয়ে ধরার সাহসী বাহিনী। তাদের ত্যাগ, সাহস এবং দৃঢ়তা আমাদের পথপ্রদর্শক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি জনগণকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই মাসে আবারও ঐক্য তৈরি হোক, গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি হোক। জনগণের সঙ্গে এক হয়ে আমরা এই সংকল্প পূরণ করব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা জানি, আমাদের সামনে কঠিন পথ আছে, কিন্তু আমরা জানি ইতিহাস সাক্ষী, জনগণ যখন জেগে ওঠে, তখন তাদের রুখে দিতে পারে না কেউ। তিনি আরও বলেন, এই জুলাই মাসকে পরিণত করি গণজাগরণের মাসে, ঐক্যের মাসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার উপস্থিত ছিলেন এবং তারা তাঁদের বক্তব্যে এই আন্দোলনের গুরুত্ব ও লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টা আশা ব্যক্ত করেন যে, জুলাই-আগস্ট মাসব্যাপী কর্মসূচি সফল হবে এবং এটি জাতির স্বপ্ন ও ঐক্যকে নতুন করে জাগ্রত করবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; বাসস&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলো বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/300</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 11:49:31 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/300</guid>
		<description> বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে, তবে তার ফেরার দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। রবিবার (২৯ জুন) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে, তবে তার ফেরার দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। রবিবার (২৯ জুন) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিছু গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর, বিএনপি এই অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়। শায়রুল কবির খান বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলে বিএনপি অফিসিয়ালি ঘোষণা দিয়ে জানাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের মাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টির গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তাকে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৮ সালে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়া তারেক রহমান বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। দলের নেতাকর্মীরা তার দেশে ফেরার বিষয়ে আশাবাদী হলেও, এখনো সরকার কিংবা আদালতের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, বিএনপি নেতারা বারবার বলছেন যে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যখন তিনি নিজে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন এবং এর ব্যাপারে পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বি এন পি মিডিয়া সেল&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জাপানে মার্কিন মেরিন সেনাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড </title>
		<link>https://shomoybhela.com/299</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 10:39:35 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/299</guid>
		<description> জাপানে এক মার্কিন মেরিন সেনাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত বছর অকিনাওয়া শহরে এক নারীকে শ্বাসরোধে ধর্ষণের চেষ্টা করার ঘটনায় আদালত এই সাজা প্রদান করেছে। অভিযুক্ত সেনার নাম জামেল ক্লিটন (২২), যিনি আদালতে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;জাপানে এক মার্কিন মেরিন সেনাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত বছর অকিনাওয়া শহরে এক নারীকে শ্বাসরোধে ধর্ষণের চেষ্টা করার ঘটনায় আদালত এই সাজা প্রদান করেছে। অভিযুক্ত সেনার নাম জামেল ক্লিটন (২২), যিনি আদালতে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাপানের নাহা জেলা আদালত মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করে। আদালতের একজন মুখপাত্র জানান, ক্লিটনকে সম্মতি ছাড়া জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করার জন্য সাজা দেওয়া হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছে যে, ক্লিটনের আচরণ ওই নারীর জীবনের জন্য বিপজ্জনক ছিল এবং তার এমন কর্মকাণ্ড সমাজের জন্যও ক্ষতিকর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ক্লিটনের আইনজীবীরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, ক্লিটন ওই নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেননি, বরং তাকে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ধরেছিলেন এবং পরে ছেড়ে দিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অকিনাওয়া অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। গত বছর প্রায় ৮০ জন মার্কিন সেনা সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল বিভিন্ন অপরাধে। ১৯৯৫ সালে তিন মার্কিন সেনা সদস্য ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণ করলে, জাপানে মার্কিন সেনা মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া ১৯৬০ সালের চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবিও ওঠে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ রায়ের ফলে, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সম্পর্কের ওপর নতুন প্রশ্ন উঠতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; এএফপি&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​সিরিয়ায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো ট্রাম্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/298</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 10:24:26 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/298</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিলের একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যা দেশটির পুনর্গঠন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের জন্য সহায়ক হতে পারে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ৫১৮ জন সিরীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিলের একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যা দেশটির পুনর্গঠন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের জন্য সহায়ক হতে পারে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ৫১৮ জন সিরীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সিদ্ধান্তটি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ছয় মাসেরও বেশি সময় পর নেওয়া হলো, যার ফলে সিরিয়ায় নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে সিরিয়ার সরকারের কার্যক্রম এবং দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা পুনঃস্থাপনে সহায়ক যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপটি সিরিয়ার উন্নয়ন, সরকারের কার্যক্রম এবং দেশের সামাজিক কাঠামো পুনর্গঠনের জন্য অপরিহার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহায়ক হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিরিয়ার সরকার দীর্ঘকাল ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নিষেধাজ্ঞার অধীনে ছিল, যা দেশটির গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত ২০১১ সালে হয়েছিল। এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর মধ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগসহ বহু দিক অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার ফলে সিরিয়ার অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেশটির পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা ব্যাহত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মে মাসে মধ্যপ্রাচ্য সফরের সময় সিরিয়ায় নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, &amp;quot;যুক্তরাষ্ট্র একটি স্থিতিশীল, একীভূত সিরিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা নিজস্ব এবং তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প আরও বলেন, একীভূত সিরিয়া, যা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলির জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি না করে এবং তার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, এটি অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি সমর্থন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, সিরিয়ার শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু নিষেধাজ্ঞা, যেমন আল-আসাদ এবং তার সহযোগী, আইএসআইএল (ISIS), ইরান ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিরিয়ার ৫১৮ জন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর এবং রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা আনা পাওলিনা লুনা একত্রে একটি প্রস্তাব পেশ করেছেন যাতে সিরিয়ার ওপর দীর্ঘমেয়াদী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা&amp;#39;র বিশেষভাবে নির্ধারিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসাবে মনোনীত হওয়ার বিষয়টি পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, আল-শারা&amp;#39;র গোষ্ঠী, আল-নুসরা ফ্রন্ট - যা বর্তমানে হায়াত তাহরির আল-শাম (HTS) নামে পরিচিত, তাদেরও বিদেশি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে মান্যতা দেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, আল-শারা&amp;#39; যিনি আগে আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি নামে পরিচিত ছিলেন, তার সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর থেকে সিরিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে এক বিদ্রোহী গোষ্ঠী গড়ে তুলেছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি আল-আসাদ সরকারকে উৎখাত করতে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ট্রাম্প সৌদি আরব সফরের সময় আল-শারা&amp;#39;র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে &amp;quot;আকর্ষণীয়&amp;quot; এবং &amp;quot;কঠিন&amp;quot; বলে প্রশংসা করেন। যদিও তাঁর অতীত আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক এবং তার পরবর্তী হামলা নিয়ে কিছু মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে, আল-শারা&amp;#39; তার শাসনকালে সিরিয়ার প্রতিবেশীদের জন্য কোনও হুমকি না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, সিরিয়ার নাগরিকদের জন্য সহানুভূতির বিষয়টি আরও একবার উঠে এসেছে যখন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের পর সিরিয়ার জনগণের ক্ষতির জন্য আন্তর্জাতিক তৎপরতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা গৃহীত হয়েছে। যদিও ট্রাম্পের প্রশাসন সন্ত্রাসবাদে যুক্ত সিরিয়ার এই সকল গোষ্ঠীগুলোর ব্যাপারে সচেতন রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, সিরিয়া এবং তার প্রতিবেশীদের জন্য যেকোনো প্রকার প্রভাব ফেলতে সক্ষম এমন বিষয়ের দিকে আরো মনোযোগ প্রদান করা হচ্ছে, যাতে অঞ্চলটিতে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; আল জাজিরা&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​গাজার স্কুল ও সাহায্য কেন্দ্রে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ৯৫ ফিলিস্তিনি নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/297</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 10:05:01 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/297</guid>
		<description> ইসরায়েলি বাহিনী আরও হামলা চালায় গাজার আল-আকসা হাসপাতালের উঠানে, যেখানে হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে ব্যাপক তছনছ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। হাসপাতালটি বহুবার ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণের লক্ষ্য হয়েছে, যা গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ৯৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছে। এই হামলার মধ্যে গাজা সিটির একটি সী-বিচ ক্যাফে, একটি স্কুল এবং খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের ওপর হামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে, গাজা সিটির আল-বাকা ক্যাফেতে এক বিমান হামলায় ৩৯ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে সাংবাদিক ইসলাম আবু হাটাবও রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে, খান ইউনিসে খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে এই হামলায়। এ ধরনের হামলা, যা খোদ মানবিক সহায়তা কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে, এরই মধ্যে ৬০০ ফিলিস্তিনির প্রাণহানির কারণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, গাজা সিটির আল-বাকা ক্যাফেতে হামলার সময় সেখানে বহু মানুষ&amp;mdash;মহিলারা এবং শিশুরা&amp;mdash;একটি জন্মদিনের পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমরা দেখেছি মানুষের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়েছে। সাংবাদিক ইসলাম আবু হাটাবসহ অন্যান্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল জাজিরার প্রতিবেদক, হানি মাহমুদ গাজার সিটি থেকে জানাচ্ছেন, ক্যাফেটিতে হামলা কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই করা হয়েছিল। এটি এমন একটি স্থান ছিল যেখানে বহু শরণার্থী এবং উদ্বাস্তুরা আশ্রয় নিত। এখানে বাস করা লোকদের জন্য এটা ছিল একটি স্বস্তির জায়গা। কিন্তু হামলার তীব্রতা এমন ছিল যে, রক্তের দাগ এখনো মাটিতে পড়ে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর ইসরায়েলি বাহিনী গাজা সিটির ইয়াফা স্কুলে হামলা চালায়, যেখানে কয়েকশো উদ্বাস্তুর আশ্রয় নেওয়া ছিল। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, স্কুলে পাঁচ মিনিটের সতর্কবার্তা দেয়ার পরই হামলা চালানো হয়। তাদের বক্তব্য, তারা কোথাও যেতে পারছেন না এবং দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মহল তাদের সহায়তায় সাড়া দেয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি বাহিনী আরও হামলা চালায় গাজার আল-আকসা হাসপাতালের উঠানে, যেখানে হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সেখানে ব্যাপক তছনছ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। হাসপাতালটি বহুবার ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণের লক্ষ্য হয়েছে, যা গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য বড় সংকট সৃষ্টি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই হামলা, বিশেষ করে গাজায় বিভিন্ন মানবিক সাহায্য কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করার পর মানবাধিকার সংস্থাগুলির তীব্র সমালোচনা দেখা যায়। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য পরিকল্পিতভাবে এই হামলাগুলি চালাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি বাহিনী অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে, তারা হামলার সময় কিছু ভুল হয়েছে এবং তারা ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করছে। তবে, হামলার প্রভাব এমন একটি স্থানে পড়েছে যেখানে হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল এবং তাদের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর এ হামলার পর, বিশ্ব নেতারা মানবিক সহায়তার ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছে, কিন্তু বর্তমানে গাজার পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহল এবং স্থানীয় জনগণ, দুই পক্ষই মনে করছে, এই হামলাগুলির মাধ্যমে গাজা অঞ্চলের প্রতি ইসরায়েলের নীতি আরও কঠোর হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনও মন্তব্য করেছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতার কথা বলবেন, তবে তিনি ইসরায়েলের মানবিক বিষয়গুলিতে আরও যত্নবান হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কাতার এবং মিশরও একটি নতুন শান্তির আলোচনা শুরু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু গাজায় অবস্থা কতটা ভয়াবহ তা স্পষ্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, গাজার উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন অঞ্চলে তারা অভিযান চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় নতুন গ্রাউন্ড অপারেশন শুরুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই হামলা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সহিংসতা দীর্ঘদিন ধরে চলছে এবং এর ফলে গাজার সাধারণ জনগণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; আল জাজিরা, রয়টার্স&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন: মির্জা ফখরুল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/296</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 17:23:35 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/296</guid>
		<description> নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি চীন সফর শেষে দলটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন&amp;mdash;এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি চীন সফর শেষে দলটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মির্জা ফখরুল জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গত ২২ জুন বিএনপির একটি ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল চীন সফরে যায় এবং ২৭ জুন দেশে ফেরে। সফরে এক চীন নীতির প্রতি বিএনপির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয় এবং দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা দেশের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছি, চীন ইতিবাচকভাবে সাড়া দিয়েছে। ভবিষ্যতে চীনের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব এলে বিএনপি সেটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের অবস্থান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন আন্তরিকতার সঙ্গে মিয়ানমারকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে&amp;mdash;তাদের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, জহির উদ্দিন স্বপন, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল এবং চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জুলাই ঘোষণাপত্র না দেওয়ায় রাজপথে কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/295</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 16:19:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/295</guid>
		<description> জুনায়েদ এটিকে কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ নয়, বরং জনগণের সাথে সরাসরি প্রতারণা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই অবহেলার দায় সরকারকেই নিতে হবে। যদি সরকার তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ রাজপথে কঠোর কর্মসূচিতে নামবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;প্রতিশ্রুত জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) । সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সরকার যদি দ্রুত এই ঘোষণাপত্র প্রকাশ না করে, তাহলে তারা জুলাই মাসজুড়ে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আজ সোমবার (৩০ জুন) রাজধানীর পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ এই ঘোষণা দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, গত ছয় মাস ধরে সরকার বারবার জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি জানান, সর্বশেষ গত মে মাসে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ঘোষণাপত্র প্রকাশের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু গত ২৫ জুন সেই সময়সীমা শেষ হলেও সরকার কোনো ঘোষণা বা ব্যাখ্যা দেয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুনায়েদ এটিকে কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ নয়, বরং জনগণের সাথে সরাসরি প্রতারণা বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই অবহেলার দায় সরকারকেই নিতে হবে। যদি সরকার তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ রাজপথে কঠোর কর্মসূচিতে নামবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুলাই মাসজুড়ে আপ বাংলাদেশ ধারাবাহিক কর্মসূচির পরিকল্পনা নিয়েছে। এই কর্মসূচিতে সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংগঠনটি সক্রিয় থাকবে বলে জানান জুনায়েদ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আপ বাংলাদেশ সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে কাজ করবে, যা অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে তুলনা করলে স্পষ্ট হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে আলী আহসান জুনায়েদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ যেমন কারো একার নয়, ঠিক তেমনি জুলাই আন্দোলনও কোনো একক দলের সম্পদ নয়। তিনি আন্দোলনকারীদের প্রকৃত দাবিগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ করে আহত আন্দোলনকারীদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং তাদের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব বলে তিনি মনে করেন। তবে আন্দোলনকারীদের সন্তান বা নাতি-নাতনীদের জন্য আলাদা সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি তিনি সমর্থন করেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, সরকার যদি গণঅভ্যুত্থান এবং কোটা সংস্কারসহ চলমান জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখায় এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপ বাংলাদেশ রাজপথেই তাদের দাবি আদায়ের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। তিনি প্রবাসী এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সাথেও নিয়মিত মতবিনিময় করার কথা জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুনায়েদ বারবার করে বলেন, আপ বাংলাদেশ জনগণের অধিকার রক্ষায় কাজ করে এবং ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতিতে অটল থাকবে। সরকারের প্রতি তাঁর আহ্বান, জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ এবং কোটা আন্দোলনসহ অন্যান্য জনসম্পৃক্ত ইস্যুগুলোতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুরির অভিযোগে কারখানার শ্রমিককে রশি দিয়ে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/294</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 15:39:05 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/294</guid>
		<description> সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক মিনিট ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, হৃদয়কে কারখানার ভেতরে একটি কক্ষে জানালার সঙ্গে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে বসানো হয়েছে। তিনি খালি গায়ে কাতরাচ্ছিলেন এবং তাঁর মুখ ও নাক থেকে রক্ত ঝরছিল। আশপাশের কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এত করে পিটানো হইছে, (তারপরও) কিছুই হয় নাই, মরে নাই।’ ভিডিওর অন্য অংশে দেখা যায়, তাঁকে টেনেহিঁচড়ে অন্য কক্ষে নেওয়া হচ্ছে। একজনের হাতে কাঠের লাঠিও দেখা গেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে চুরির অপবাদে এক তরুণ শ্রমিককে রশি দিয়ে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট পোশাক কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হত্যার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জনমনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;নিহত শ্রমিকের নাম হৃদয় (১৯) । তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শুকতার বাইদ গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে এবং কারখানাটিতে মেকানিক্যাল মিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত শনিবার ভোরের দিকে কোনাবাড়ীর গ্রিনল্যান্ড লিমিটেড কারখানায় এই নির্মম হত্যার ঘটনা ঘটে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক মিনিট ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, হৃদয়কে কারখানার ভেতরে একটি কক্ষে জানালার সঙ্গে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে বসানো হয়েছে। তিনি খালি গায়ে কাতরাচ্ছিলেন এবং তাঁর মুখ ও নাক থেকে রক্ত ঝরছিল। আশপাশের কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, &amp;lsquo;এত করে পিটানো হইছে, (তারপরও) কিছুই হয় নাই, মরে নাই।&amp;rsquo; ভিডিওর অন্য অংশে দেখা যায়, তাঁকে টেনেহিঁচড়ে অন্য কক্ষে নেওয়া হচ্ছে। একজনের হাতে কাঠের লাঠিও দেখা গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;হৃদয়ের বড় ভাই লিটন মিয়া জানান, শনিবার সন্ধ্যায় হৃদয়ের খোঁজ না পেয়ে তিনি ও তাঁদের মা কারখানায় যান। সেখানে গিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ এবং চুরির অভিযোগে হৃদয়কে মারধর করে হত্যার খবর জানতে পারেন। পরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে তাঁরা হৃদয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এ ঘটনায় লিটন মিয়া কোনাবাড়ী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর রোববার রাতে পুলিশ হাসান মাহমুদ নামে ওই কারখানার এক শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে। কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন জানান, হত্যার ঘটনায় আরও যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এদিকে ঘটনার পর গ্রিনল্যান্ড লিমিটেড কর্তৃপক্ষ একটি নোটিশ দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করে। তবে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কারখানাটি মাত্র দুই দিনের ছুটি দিয়েছে এবং আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকে কার্যক্রম চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঘটনার বিষয়ে জানতে গ্রিনল্যান্ড লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কামরুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তিন ডাইভিং বোট </title>
		<link>https://shomoybhela.com/293</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 09:53:54 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/293</guid>
		<description> ২০২১ সালের ১০ জুন খুলনা শিপইয়ার্ডে এই তিনটি ডাইভিং বোটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৫ সালের ৬ মে বোটগুলো সফলভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিটি বোটের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৮.৯০ মিটার, প্রস্থ ৯ মিটার এবং সর্বোচ্চ গতি ১৫ নটিক্যাল মাইল/ঘণ্টা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গত বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার নেভাল বার্থে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক ডাইভিং বোট&amp;mdash;পানকৌড়ি, গাংচিল ও মাছরাঙ্গা&amp;mdash;আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদর দপ্তর কর্তৃক কমিশনিং করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসান। তিনি নতুন বোটগুলোর অধিনায়কদের হাতে কমিশনিং ফরমান তুলে দেন এবং নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সেগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল গোলাম সাদেকসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, নাবিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
২০২১ সালের ১০ জুন খুলনা শিপইয়ার্ডে এই তিনটি ডাইভিং বোটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৫ সালের ৬ মে বোটগুলো সফলভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিটি বোটের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৮.৯০ মিটার, প্রস্থ ৯ মিটার এবং সর্বোচ্চ গতি ১৫ নটিক্যাল মাইল/ঘণ্টা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই ডাইভিং বোটগুলো উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে তৈরি হয়েছে। প্রতিটি বোটে রয়েছে অত্যাধুনিক সার্ভেল্যান্স রাডার, জিপিএস, ইকো-সাউন্ডার এবং আধুনিক কন্ট্রোল সিস্টেম। এছাড়াও, ১২.৭ মিমি হেভি মেশিন গান দ্বারা সজ্জিত এই বোটগুলো ডাইভিং কার্যক্রম, উদ্ধার ও স্যালভেজ অভিযান, দুর্যোগ ত্রাণ, শান্তিকালীন স্থল ও সমুদ্র নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ বহুবিধ প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত কাজে ব্যবহারের উপযোগী।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নাজমুল হাসান বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ভূরাজনৈতিক প্রয়োজনে একটি শক্তিশালী নৌবাহিনীর ভূমিকা অনবদ্য।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমরা একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও ত্রিমাত্রিক সক্ষমতাসম্পন্ন নৌবাহিনী গড়ে তুলতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছি। এই তিনটি বোট নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় নৌবাহিনীর কর্মপরিধি বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশের নৌবাহিনীর কৃতিত্ব আজ স্বীকৃত হচ্ছে বলে তিনি জানান। অ্যাডমিরাল হাসান বিশ্বাস করেন, দেশীয় প্রযুক্তির অংশগ্রহণে নির্মিত &amp;#39;পানকৌড়ি&amp;#39;, &amp;#39;গাংচিল&amp;#39; ও &amp;#39;মাছরাঙ্গা&amp;#39; ডাইভিং বোটগুলো নৌবাহিনীর যুগোপযোগী সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উদ্ধার, স্যালভেজ ও বিভিন্ন অপারেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা কেবল অস্ত্রের লড়াই নয়, এটি প্রযুক্তি ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গিরও লড়াই। এই তিনটি জাহাজ সেই ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের এক সাহসী পদক্ষেপ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​‘এনবিআর সংস্কার’ বিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর বার্তা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/292</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 17:46:45 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/292</guid>
		<description> অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সব কার্যক্রমকে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। রোববার (২৯ জুন) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সব কার্যক্রমকে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। রোববার (২৯ জুন) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাজেট ব্যবস্থাপনায় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো দুর্বল রাজস্ব সংগ্রহ ব্যবস্থা। দেশের প্রয়োজনের তুলনায় রাজস্ব সংগ্রহ অনেক কম, যার মূল কারণ রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থায় বিদ্যমান দুর্বলতা, অনিয়ম এবং দীর্ঘদিনের দুর্নীতি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই প্রেক্ষাপটে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এনবিআরের একটি অংশ গত দুই মাস ধরে রাজস্ব সংগ্রহ, আমদানি-রপ্তানি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। সরকার তাদের এই ধরনের কার্যক্রমকে সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্দোলনকারীরা কেবল সংস্কারের বিরোধিতায়ই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তারা অর্থবছরের শেষ দুই মাসে পরিকল্পিতভাবে রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে মারাত্মক অচলাবস্থা তৈরি করেছে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এনবিআর ভবন ছাড়াও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর, সোনামসজিদ স্থলবন্দর এবং ঢাকা কাস্টম হাউসসহ দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে শুল্কায়নসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দাবি পূরণের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হলেও আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অনমনীয় অবস্থানে অটল রয়েছে। সরকার মনে করে, আলোচনার মাধ্যমেই গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো যেত। কিন্তু তারা তা না করে দেশের অর্থনীতির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করছে, যা জাতীয় স্বার্থ এবং নাগরিক অধিকার পরিপন্থী।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই পরিস্থিতিতে দেশের আমদানি-রপ্তানি এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সচল রাখার জাতীয় স্বার্থে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন সকল কাস্টমস হাউস, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি), বন্ড কমিশনারেট এবং শুল্ক স্টেশনের সব শ্রেণির চাকরিকে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সরকার আশা প্রকাশ করে বলেছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দ্রুত কর্মস্থলে ফিরে আসবেন এবং আইনবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম থেকে সরে আসবেন। অন্যথায় দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বাতিল হলো ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/291</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 17:16:50 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/291</guid>
		<description> ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর শীর্ষ তিন নেতা সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ এবং আখতার হোসেন এই বিষয়ে প্রকাশ্য আপত্তি জানান। ইনকিলাব মঞ্চ নামের একটি সংগঠন ৮ আগস্ট কোনো দিবস মানবে না বলে জানিয়েছিল এবং সে দিনকে ‘বিপ্লব-বেহাত দিবস’ হিসেবে পালন করার ঘোষণা দেয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্টকে &amp;lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস&amp;rsquo; এবং ১৬ জুলাইকে &amp;lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, ৮ আগস্ট আর কোনো বিশেষ দিবস হিসেবে পালিত হবে না। রোববার (২৯ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এর আগে গত ২৫ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে জানানো হয়েছিল যে, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিনটিকে &amp;lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস&amp;rsquo; ঘোষণা করা হয়েছে। একই পরিপত্রে ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ায় দিনটিকে &amp;lsquo;নতুন বাংলাদেশ দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালনের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া, গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে &amp;lsquo;শহীদ আবু সাঈদ দিবস&amp;rsquo; হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;background-color:#FFFFFF&quot;&gt;৮ আগস্ট নিয়ে বিতর্ক ও নতুন সিদ্ধান্ত&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৮ আগস্টকে &amp;lsquo;নতুন বাংলাদেশ দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালনের ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর শীর্ষ তিন নেতা সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ এবং আখতার হোসেন এই বিষয়ে প্রকাশ্য আপত্তি জানান। ইনকিলাব মঞ্চ নামের একটি সংগঠন ৮ আগস্ট কোনো দিবস মানবে না বলে জানিয়েছিল এবং সে দিনকে &amp;lsquo;বিপ্লব-বেহাত দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালন করার ঘোষণা দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই যুক্তি দেন যে, ৫ আগস্ট যখন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সফল হয়েছিল, তখন সেটিই জাতীয় মুক্তির দিন। ৮ আগস্ট কেবল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দিন, যা আলাদাভাবে দিবস করার যৌক্তিকতা নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রেক্ষাপটে, রোববার অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, ৮ আগস্টকে আর কোনো বিশেষ দিবস হিসেবে পালন করা হবে না। পরিবর্তে, ৫ আগস্ট &amp;lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস&amp;rsquo; হিসেবে এবং ১৬ জুলাই &amp;lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালিত হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার পূর্বে জারি করা পরিপত্র সংশোধন করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১৬ জুলাই:&lt;/strong&gt; গত বছরের জুলাই মাসে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সূত্র ধরে ১৬ জুলাই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন পরবর্তীতে বৃহত্তর গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। এখন থেকে এই দিনটি &amp;lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালিত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৫ আগস্ট: &lt;/strong&gt;ছাত্র-জনতার ব্যাপক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এই দিনটি এখন &amp;lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস&amp;rsquo; হিসেবে পালিত হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​পারমাণবিক জাহাজে উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কিশোর আবদুল্লাহ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/290</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 16:21:40 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/290</guid>
		<description> বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো একজন স্কুল শিক্ষার্থী পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকারে চড়ে উত্তর মেরু অভিযানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরের কিশোর আবদুল্লাহ আল মাহমুদ রাশিয়ার একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে এই অনন্য সুযোগ লাভ করেছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম মঙ্গলবার (২৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো একজন স্কুল শিক্ষার্থী পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকারে চড়ে উত্তর মেরু অভিযানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরের কিশোর আবদুল্লাহ আল মাহমুদ রাশিয়ার একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে এই অনন্য সুযোগ লাভ করেছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম মঙ্গলবার (২৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোসাটম জানিয়েছে, আগামী আগস্ট মাসে এই রোমাঞ্চকর অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে। পরমাণুশক্তি চালিত আইসব্রেকার জাহাজে করে পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চলে এই অভিযান পরিচালিত হবে। এবারের প্রতিযোগিতায় রাশিয়া ছাড়াও বাংলাদেশ, বেলারুশ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, হাঙ্গেরি, ভিয়েতনাম, ভারতসহ বিশ্বের ২০টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। দীর্ঘ তিন ধাপের কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ২০ জন বিদেশি শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়, যাদের মধ্যে বাংলাদেশি কিশোর আবদুল্লাহ আল মাহমুদও রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রোসাটমের সহায়তায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে রাশিয়ার পারমাণবিক শিল্প তথ্যকেন্দ্র নেটওয়ার্ক। এবারের আসর ছিল প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ সংস্করণ। পাশাপাশি রাশিয়ার পারমাণবিক শিল্পের ৮০ বছর পূর্তি এবং উত্তর সমুদ্রপথ আবিষ্কারের ৫০০ বছর উপলক্ষে এ আয়োজনটি বিশেষভাবে উদযাপিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিযোগিতাটি অনলাইনে goarctic.energ ওয়েবসাইটে তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীরা একটি বৈজ্ঞানিক কুইজে অংশ নেয়। দ্বিতীয় ধাপে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একাধিক ওয়েবিনার আয়োজন করা হয়, যেখানে আলোচনার মূল বিষয় ছিল রোসাটমের আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপদভাবে বরফময় উত্তর মেরু এলাকায় শিপিং পরিচালনায় ব্যবহৃত বিশেষ প্রযুক্তি। এই ওয়েবিনার শেষে আরেকটি পরীক্ষা নেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চূড়ান্ত ধাপে শিক্ষার্থীদের একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে বলা হয়। এই প্রেজেন্টেশনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল&amp;mdash;কীভাবে নিজেদের দেশে পরমাণু প্রযুক্তি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে? একটি আন্তর্জাতিক বিচারক প্যানেল এসব প্রেজেন্টেশন মূল্যায়ন করে সেরা ২০ জন বিজয়ীকে নির্বাচিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোসাটম জানায়, এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য শুধু পরমাণু প্রযুক্তি ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করা এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা। পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা রাশিয়ার পরমাণু শক্তিচালিত আইসব্রেকার বহরে চড়ে উত্তর মেরু অভিযানে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। বিশ্বে একমাত্র রাশিয়ারই নিজস্ব পরমাণু আইসব্রেকারের বহর রয়েছে। FSUE Atomflot পরিচালিত এই বহরে বর্তমানে আটটি পরমাণু আইসব্রেকার রয়েছে, যেগুলো বরফাচ্ছাদিত অঞ্চল পাড়ি দিতে সক্ষম। গত ছয় বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এই অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এবারের অভিযানে শুধু বিদেশি শিক্ষার্থী নয়, রাশিয়ার উন্মুক্ত ও আন্তর্জাতিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবং অন্যান্য আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার বিজয়ী আরও ৪৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোসাটমের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে এবং পরমাণু প্রযুক্তির গুরুত্ব বোঝাতেই এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​গাজায় ত্রাণের আটায় বিষাক্ত মাদক মেশানোর অভিযোগ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/289</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 14:59:08 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/289</guid>
		<description> গাজাভিত্তিক একজন ফার্মাসিস্ট ও লেখক ওমর হামাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া পোস্টে দাবি করেন, খবরে এসেছে, ইসরায়েল আটার ব্যাগে করে চোরাপথে অক্সিকোডন ঢোকাচ্ছে। শুধু প্যাকেটে নয়, এমনকি আটার মধ্যেও মেশানো হচ্ছে মাদক। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গাজা উপত্যকায় বিতরণকৃত ত্রাণের আটায় নেশাজাতীয় মাদক মেশানোর অভিযোগ তুলেছে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যসামগ্রীতে উচ্চমাত্রার আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ মিশিয়ে দিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, আটায় আসক্তি সৃষ্টিকারী উপাদান মেশানোর মাধ্যমে গাজার জনগণের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সমাজ কাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার এক ভয়াবহ নতুন ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। আমরা এই অপরাধের জন্য ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীকে সরাসরি দায়ী করছি। এর উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনি সমাজে মাদকাসক্তির বিস্তার ঘটিয়ে তাকে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজাভিত্তিক একজন ফার্মাসিস্ট ও লেখক ওমর হামাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া পোস্টে দাবি করেন, খবরে এসেছে, ইসরায়েল আটার ব্যাগে করে চোরাপথে অক্সিকোডন ঢোকাচ্ছে। শুধু প্যাকেটে নয়, এমনকি আটার মধ্যেও মেশানো হচ্ছে মাদক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার মাদকবিরোধী কমিটি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সমর্থিত যেসব ত্রাণকেন্দ্র থেকে খাদ্য আসছে, তা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। কোনো সন্দেহজনক উপাদান পেলে তা দ্রুত স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে জাতিসংঘ চলতি সপ্তাহে গাজায় খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং একে &amp;lsquo;যুদ্ধাপরাধ&amp;rsquo; হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানায়, খাদ্য নিতে আসা মানুষের ওপর গুলি চালানো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত খাদ্য সংগ্রহে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ৪১০ জনের বেশি নিহত এবং তিন হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করে, ক্ষুধার্ত গাজাবাসীরা এখন এক নিষ্ঠুর বাস্তবতায় পড়েছে&amp;mdash;হয় অনাহারে মারা যাওয়ার ভয়, নয়তো খাদ্য সংগ্রহের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার আশঙ্কা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) চলতি বছরের ২৬ মে থেকে গাজায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে। তার আগে প্রায় দুই মাস ইসরায়েল গাজায় সকল খাদ্য ও রসদের প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়, যা জাতিসংঘের মতে, গণদুর্ভিক্ষের সতর্ক সংকেত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মে মাসে জাতিসংঘ জানায়, গাজার শতভাগ মানুষ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র: &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;আল &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;অ্যারাবিয়া&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশের সামুদ্রিক ভবিষ্যৎ কি পেশাগত মানহানির পথে হাঁটছে? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/288</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 12:36:26 +0600</pubDate>
		<category>সম্পাদকীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/288</guid>
		<description> বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্থার প্রেক্ষাপটে মেরিন ডিপ্লোমাধারীদের মেরিন ক্যাডেট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত কি না— সেটি নির্ভর করছে দেশের সামুদ্রিক খাতের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং পেশাগত মান রক্ষার উপর। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যাবস্থার প্রেক্ষাপটে মেরিন ডিপ্লোমাধারীদের মেরিন ক্যাডেট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত কি না&amp;mdash; সেটি নির্ভর করছে দেশের সামুদ্রিক খাতের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং পেশাগত মান রক্ষার উপর।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
প্রথমেই জানতে হবে, মেরিন ক্যাডেট ও মেরিন ডিপ্লোমা কোর্সের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য কী। মেরিন ক্যাডেট হচ্ছে এমন একটি পেশাদার প্রশিক্ষণধারী, যারা মূলত আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থা (IMO)-এর নির্ধারিত STCW কোর্সের অধীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং যারা নির্দিষ্ট সময় সমুদ্রে &amp;lsquo;সি টাইম&amp;rsquo; সম্পন্ন করে অফিসার হওয়ার জন্য প্রস্তুত হন। তাদের প্রশিক্ষণ কাঠামো, কোর্স কনটেন্ট, শৃঙ্খলা, মেডিকেল মান এবং আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত জ্ঞান এমনভাবে সাজানো হয়, যেন তারা ভবিষ্যতে মাস্টার মেরিনার বা চিফ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জাহাজ পরিচালনায় দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, মেরিন ডিপ্লোমা একটি সাধারণ কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম, যা মূলত ইনস্টিটিউশনভিত্তিক এবং দেশের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন। এটি আন্তর্জাতিক IMO স্ট্যান্ডার্ডে স্বীকৃত নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ের একটি কারিগরি কোর্স, যার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রাথমিক কিছু ধারণা লাভ করেন। যদিও এটিও একটি সম্মানজনক কারিগরি শিক্ষাক্রম, তবে এর কাঠামো, গভীরতা ও বাস্তব প্রশিক্ষণ মেরিন ক্যাডেট প্রোগ্রামের তুলনায় অনেকটাই সীমিত।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই দুটি পৃথক শিক্ষাক্রম ও প্রশিক্ষণ কাঠামোকে এক করে দেওয়ার দাবি শুধু বিভ্রান্তিকর নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক শিপিং ইন্ডাস্ট্রি যেভাবে যোগ্যতা যাচাই করে, তাতে করে মেরিন ডিপ্লোমাধারী যদি মেরিন ক্যাডেট হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তাহলে বাংলাদেশের জাহাজ পরিচালনা, নিরাপত্তা মান এবং নিয়োগপ্রাপ্তির হার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আরেকটি বড় প্রশ্ন হচ্ছে&amp;mdash;যদি মেরিন ডিপ্লোমাধারীকে মেরিন ক্যাডেট হিসেবে গণ্য করা হয়, তাহলে বাংলাদেশে প্রচলিত প্রফেশনাল ট্রেনিং কাঠামো কীভাবে মান বজায় রাখবে? বর্তমানে নটিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ক্যাডেট হিসেবে যাঁরা ভর্তি হন, তাদের বাছাই হয় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী মেডিকেল চেকআপ, ইংরেজি দক্ষতা, ফিজিক্যাল ফিটনেস এবং একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ের মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে ডিপ্লোমাধারীদের সেই মান অনুযায়ী যাচাই না করে যদি সরাসরি ক্যাডেটের মর্যাদা দেওয়া হয়, তাহলে পুরো সিস্টেমটির গ্রহণযোগ্যতা ও স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এছাড়া, মেরিন ক্যাডেটদের জন্য যে &amp;lsquo;সি টাইম&amp;rsquo; বা সমুদ্রে প্রশিক্ষণের বাধ্যবাধকতা আছে, তা মেরিন ডিপ্লোমাধারীদের প্রশিক্ষণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে না। &amp;lsquo;সি টাইম&amp;rsquo; শুধুমাত্র একটি সময়কাল নয়, এটি হচ্ছে একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সময়, যেখানে ক্যাডেটরা জাহাজ চালনা, যন্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম আইন মেনে চলা এবং নানা ধরনের শিপবোর্ড অপারেশন শেখে। ডিপ্লোমাধারীদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক নয় বলে তাদের হাতে-কলমে অভিজ্ঞতার ঘাটতি থেকেই যায়। এই ঘাটতি পূরণ না করে যদি তাদের ক্যাডেটের সমমর্যাদা দেওয়া হয়, তাহলে এর ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
আরেকটি দিক হলো আন্তর্জাতিক নিয়োগদাতাদের দৃষ্টিভঙ্গি। বর্তমানে ফিলিপাইন, ভারত, ইউক্রেন, চীন, গ্রিসসহ অনেক দেশ থেকে মেরিন ক্যাডেটরা আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিতে কাজ করছে। এসব নিয়োগদাতা প্রত্যাশা করে, একজন ক্যাডেট যেন IMO নির্ধারিত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে, স্ট্যান্ডার্ড কোর্স ফলো করে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সার্টিফিকেটধারী হন। যদি বাংলাদেশ এ স্ট্যান্ডার্ড থেকে বিচ্যুত হয়ে ডিপ্লোমাধারীদের ক্যাডেট হিসেবে পাঠাতে শুরু করে, তাহলে আন্তর্জাতিক নিয়োগদাতারা বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কাঠামো নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগে অনাগ্রহী হবে। এর ফলে যারা প্রকৃত ক্যাডেট হিসেবে কঠোর পরিশ্রম ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করেছে, তাদেরও কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ ছাড়া, মেরিন ক্যাডেট ও মেরিন ডিপ্লোমার মধ্যকার এই ভিন্নতা শুধু জ্ঞান বা দক্ষতার স্তরে নয়, বরং এটি একটি পেশাগত পরিচিতির বিষয়। একজন মেরিন ক্যাডেটের পরিচয়, দায়িত্ব, ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্র এবং র&amp;zwnj;্যাংকিং&amp;mdash;সবকিছুই সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত। একজন ক্যাডেট ধাপে ধাপে জাহাজের অফিসার হবেন, মাস্টার হবেন, পোর্ট ইন্সপেক্টর হবেন, কিংবা প্রশিক্ষক হবেন। কিন্তু মেরিন ডিপ্লোমা কোর্স মূলত কারিগরি সহকারী বা রেটিং পর্যায়ের কাজের জন্য প্রস্তুতি দেয়, যেমন জাহাজে ফিটার, ওয়েল্ডার বা টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করা। এই দুই ভিন্ন পেশাগত ধারা এক করে দিলে ভবিষ্যতে পেশাগত অস্পষ্টতা এবং সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে বর্তমানে যে কয়েকটি মেরিটাইম একাডেমি রয়েছে, সেখানে মেরিন ক্যাডেটদের জন্য পর্যাপ্ত পরিকাঠামো, অফিসার ইনস্ট্রাকশন, লাইসেন্সিং, কোর্স মডিউল এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফিলিয়েশন গড়ে উঠেছে। অন্যদিকে ডিপ্লোমা কোর্সগুলো পরিচালিত হয় মূলত টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে, যাদের অবকাঠামো বা স্টাফিং মেরিটাইম প্রফেশন অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়নি। সেই বাস্তবতাকে অস্বীকার করে যদি মেরিন ডিপ্লোমা আর ক্যাডেটদের এক করে ফেলা হয়, তাহলে এটি হবে একটি বিপরীতমুখী সিদ্ধান্ত, যা পুরো নটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাংলাদেশের মেরিন ডিপ্লোমাধারীরাও একটি সম্মানজনক কারিগরি শিক্ষাক্রম শেষ করেন। তাদের জন্যও আলাদা কর্মক্ষেত্র, প্রশিক্ষণ এবং রেটিং-ভিত্তিক উন্নয়নপথ থাকা উচিত। সরকার চাইলে তাদের জন্য &amp;lsquo;Apprentice Seafarer&amp;rsquo; বা &amp;lsquo;Technical Seafarer&amp;rsquo; নামে একটি পৃথক মর্যাদা নির্ধারণ করতে পারে, যাতে তারা ধাপে ধাপে যোগ্যতা অর্জন করে অফিসার হওয়ার সুযোগ পায়। তবে এটি কখনোই সরাসরি ক্যাডেটের মর্যাদা পাওয়ার সমান নয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
অতএব, বাংলাদেশে মেরিন ডিপ্লোমাধারীদের মেরিন ক্যাডেট হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান একদমই যুক্তিযুক্ত নয়। এটি পেশাগত মানহানির শামিল হবে, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস করবে এবং প্রকৃত ক্যাডেটদের জন্য বড় ধরণের অবিচার হবে। একে অপরের পেশাগত অবস্থানকে সম্মান জানানো এবং নিজ নিজ অবস্থানে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়াই হচ্ছে টেকসই সমাধান। ক্যাডেট হতে হলে ক্যাডেটের পথেই হাঁটতে হবে&amp;mdash;আলাদা প্রশিক্ষণ, আলাদা লক্ষ্য এবং আলাদা দায়বদ্ধতার সঙ্গে। জাতীয় স্বার্থেই এই বিষয়টিকে স্পষ্ট এবং সুসংহত রাখা জরুরি।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বিশ্ব সমুদ্র দিবস ২০২৫ উদ্‌যাপন করল বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় </title>
		<link>https://shomoybhela.com/287</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 10:57:29 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/287</guid>
		<description> ‘Wonder: Sustaining What Sustains Us’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্‌যাপিত হলো বিশ্ব সমুদ্র দিবস ২০২৫। রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য সেমিনার। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;lsquo;Wonder: Sustaining What Sustains Us&amp;rsquo;&amp;mdash;এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্&amp;zwnj;যাপিত হলো বিশ্ব সমুদ্র দিবস ২০২৫। রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য সেমিনার।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মোয়াজ্জেম হল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর রিয়ার অ্যাডমিরাল খন্দকার আখতার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন ফ্যাকাল্টি অব আর্থ অ্যান্ড ওশান সায়েন্সেসের ডিন কমোডর শেখ শহীদ আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন আহমদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেমিনারে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজির হোসেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুটি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেরিন ফিশারিজ ও অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের ইহসানুল হক (প্রথম) এবং পোর্ট অ্যান্ড শিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফাজলা রুহান নুহাস (দ্বিতীয়)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেমিনারে সমুদ্রসম্পদ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গভীর সমুদ্র থেকে মৎস্য আহরণ, খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, জাহাজ পরিবহন নিরাপত্তা, উচ্চতর সামুদ্রিক শিক্ষা ও গবেষণা, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থার সঙ্গে পারস্পরিক সংযোগ, সামুদ্রিক দূষণ প্রতিরোধ, ব্লু ইকোনমি, সমুদ্রভিত্তিক ট্যুরিজম এবং নীতিগত মাস্টারপ্ল্যান তৈরিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বলেন, &amp;ldquo;আমাদের লক্ষ্য হলো দক্ষ মেরিটাইম গ্র্যাজুয়েট তৈরি, মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতকে সমৃদ্ধ করা, যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;ldquo;বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, শিল্প-একাডেমিয়া সংযুক্তি ও বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা। দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপাচার্য। বক্তাদের স্মারক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই আয়োজন সামুদ্রিক জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইসরাইলি হামলায় গাজায় এক দিনেই কমপক্ষে ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/286</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 10:27:33 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/286</guid>
		<description> ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে হারেৎজ পত্রিকার এক অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনে এই সংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলে দাবি করা হয়। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অর্থনীতিবিদ মাইকেল স্পাগাট পরিচালিত গবেষণায় বলা হয়েছে, গাজায় এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক বিমান হামলায় কমপক্ষে ৮১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত চার শতাধিক। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিবিসি এই তথ্য জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
শনিবার দুপুরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হতাহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু এবং প্রায় সব হামলাই হয়েছে বেসামরিক এলাকাগুলোতে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গাজা নগরের একটি স্টেডিয়ামের কাছে, যেখানে বহু উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনি তাঁবু গেড়ে অবস্থান করছিলেন, সেখানে বিমান থেকে বোমা ফেলে অন্তত ১১ জনকে হত্যা করা হয়। আল-শিফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে। এই হামলার পরপরই চারদিকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি এবং কান্নার রোল পড়ে যায়। হামলার পরপরই হতাহতদের খুঁজতে স্থানীয় মানুষজন খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরাতে থাকেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আহমেদ কিশাউই নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এখানে তো কোনো সন্ত্রাসী ছিল না, শুধু সাধারণ মানুষ আর শিশু। অথচ কোনো রকমের দয়া না দেখিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি জানান, বিস্ফোরণে তাঁবুগুলো মাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;একই দিন গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায়ও আবাসিক ভবন ও অস্থায়ী তাঁবুতে বিমান হামলা চালানো হয়। এই হামলায় নিহত হন আরও অন্তত ১৪ জন, যাঁদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে। নিহতদের স্বজনরা জানান, হামলার সময় তাঁরা ঘুমিয়ে ছিলেন। সৌদ আবু তেইমা নামের এক বৃদ্ধা বলেন, এই শিশুরা তাদের কী ক্ষতি করেছিল? কেন তাদের প্রাণ গেল?&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া গাজার জাফা স্কুলের অদূরে তুফাহ নামের এক এলাকায় আবারও বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তুদের ওপর ফেলা হয় বোমা, যাতে পাঁচ শিশুসহ নিহত হন অন্তত আটজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মোহাম্মদ হাবিব নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এই হামলায় আমার বাবা, ভাতিজা ও প্রতিবেশী কয়েকটি শিশু নিহত হয়েছে। আমরা তো কিছুই করিনি, তাহলে আমাদের ওপর এই বর্বরতা কেন?&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে হারেৎজ পত্রিকার এক অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনে এই সংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলে দাবি করা হয়। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অর্থনীতিবিদ মাইকেল স্পাগাট পরিচালিত গবেষণায় বলা হয়েছে, গাজায় এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলমান এই সহিংসতায় আন্তর্জাতিক মহল বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও হামলা অব্যাহত রয়েছে। ফিলিস্তিনিদের মতে, এ হামলা শুধুমাত্র সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক জাতিগত নির্মূলের অংশ। গাজায় সাধারণ মানুষের এই বিপর্যয় এখন বিশ্ব বিবেকের বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্রঃ বিবিসি&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্বমঞ্চে সমুদ্র প্রযুক্তিতে এশিয়ার সেরা বাংলাদেশের ইউআইইউ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/285</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 16:19:09 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/285</guid>
		<description> সমুদ্রের অতল গহীনে প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখিয়ে বিশ্ব দরবারে গৌরব ছিনিয়ে এনেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU)। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মেরিন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘মেট রোভ কম্পিটিশন ২০২৫’-এ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘ইউআইইউ মেরিনার্স’ দল। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সমুদ্রের অতল গহীনে প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখিয়ে বিশ্ব দরবারে গৌরব ছিনিয়ে এনেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU)। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মেরিন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা &amp;lsquo;মেট রোভ কম্পিটিশন ২০২৫&amp;rsquo;-এ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির &amp;lsquo;ইউআইইউ মেরিনার্স&amp;rsquo; দল।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই প্রতিযোগিতার পাইওনিয়ার ক্লাসে এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে পঞ্চম স্থান দখল করেছে তারা। এছাড়াও, সেরা টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন ক্যাটাগরিতেও শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে ইউআইইউ মেরিনার্স।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
চার দিনব্যাপী এই আয়োজন মিশিগান অঙ্গরাজ্যের থান্ডার বে ন্যাশনাল মেরিন স্যাঙ্কচুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মিশর, বাংলাদেশ ও মেক্সিকোসহ ১৩টি দেশের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
প্রতিযোগিতায় প্রতিটি দল সমুদ্রের নিচে জটিল মিশন পরিচালনার উপযোগী রোবট তৈরি করে অংশ নেয়। আটটি সূচকের ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করা হয়, যার মধ্যে ছিল পণ্য প্রদর্শন, প্রকৌশল দক্ষতা, বিপণন, টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন, সহযোগিতামূলক মিশন, কোম্পানি স্পেসিফিকেশন, কর্পোরেট দায়িত্ব ও সেফটি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইউআইইউ মেরিনার্স দল এই মিশনে ৩৭৭ স্কোর অর্জন করে। পাশাপাশি, টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন বিভাগে ৮১ স্কোর পেয়ে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
দলের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে সাবমেরিন রোবটটি তৈরি করা হয়। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অ্যাডভান্সড আন্ডারওয়াটার রোবোটিক্স অ্যান্ড অটোমেশন (AURA) ল্যাবে কাজ করে তারা এই রোবট তৈরি করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
টিম লিডার ছিলেন কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাবাসসুম অর্চি। গবেষণা ও প্রযুক্তি বিভাগের নেতৃত্ব দেন ফারহান জামান। দলটির পেছনে একাডেমিক সহায়তা দিয়েছেন ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের চারজন শিক্ষক।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আবু সাঈদ মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, এই সাফল্য প্রমাণ করে আমাদের তরুণরা বৈশ্বিক প্রযুক্তি মঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নিতে প্রস্তুত। এটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, বরং দেশের জন্যও গর্বের বিষয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রযুক্তি ও দক্ষতা বড় ভূমিকা রাখবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​কিশোরগঞ্জের সেই মনু মিয়া আর নেই </title>
		<link>https://shomoybhela.com/284</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 15:11:54 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/284</guid>
		<description> জীবদ্দশায় মনু মিয়া ৩ হাজারেরও বেশি কবর খনন করেছেন। কোনো পরিবার থেকেই তিনি কখনোই পারিশ্রমিক বা বকশিশ গ্রহণ করেননি। তিনি বলতেন, তার এই কাজ কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। এই নিঃস্বার্থ সেবার কারণে এলাকার মানুষ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখতেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের আলগাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, মানুষের কাছে &amp;#39;শেষ ঠিকানার কারিগর&amp;#39; হিসেবে পরিচিত মো. মনু মিয়া (৬৭) আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে মনু মিয়া নিঃস্বার্থভাবে কবর খননের কাজ করে গেছেন। জীবনের এই মহৎ কাজের বিনিময়ে তিনি কখনো কারো কাছ থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি। আশেপাশের গ্রাম থেকে শুরু করে পুরো জেলাজুড়েই তিনি একজন সেবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন জয়সিদ্ধি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. বাহাউদ্দিন ঠাকুর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নিঃস্বার্থ সেবার এক ব্যতিক্রমী জীবন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মনু মিয়া কেবল কবর খননই করতেন না, বরং কোনো মানুষের মৃত্যুর খবর পেলেই খুন্তি, কোদালসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে ছুটে যেতেন কবরস্থানে। দূর-দূরান্তের কবর খনন করতে তার একমাত্র সঙ্গী ছিল একটি লাল রঙের ঘোড়া। বহু বছর আগে নিজের দোকান বিক্রি করে তিনি এই ঘোড়াটি কিনেছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে কিছুদিন আগে তিনি অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গেলে এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা তার সেই প্রিয় ঘোড়াটিকে নির্মমভাবে মেরে ফেলে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, ঘোড়ার এই আকস্মিক মৃত্যুর পর থেকেই মনু মিয়া শারীরিকভাবে আরও বেশি ভেঙে পড়েন। যদিও চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন, কিন্তু আর আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জীবদ্দশায় মনু মিয়া ৩ হাজারেরও বেশি কবর খনন করেছেন। কোনো পরিবার থেকেই তিনি কখনোই পারিশ্রমিক বা বকশিশ গ্রহণ করেননি। তিনি বলতেন, তার এই কাজ কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। এই নিঃস্বার্থ সেবার কারণে এলাকার মানুষ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখতেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকার আইনজীবী ও এলাকার সন্তান অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ রোকন রেজা জানান, হাসপাতালে অসুস্থ অবস্থায় তিনি মনু মিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেসময় অনেকেই তাকে নতুন ঘোড়া কিনে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু মনু মিয়া বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলেন&amp;mdash;&amp;lsquo;আমি এই কাজ করি আল্লাহকে খুশি করতে। মানুষের কাছ থেকে কিছু নিতে চাই না।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মনু মিয়ার মৃত্যুর খবরটি অভিনেতা খায়রুল বাসারের একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মনু মিয়ার সঙ্গে দুটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, &amp;ldquo;মনু কাকা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও লিখেছেন&amp;mdash;&amp;ldquo;এতদিন ঢাকায় ছিলেন। তিন দিন আগে বাড়ি ফিরেছেন। বলেছিলেন আগের চেয়ে বেশ সুস্থ। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার ইচ্ছা আল্লাহ কবুল করেছেন। সুস্থ থাকতেই আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে চেয়েছিলেন। হয়তো নিজের জন্মভূমি থেকেই আল্লাহ তাকে ডেকে নিয়েছেন। তার মহৎ কর্মের বিনিময়ে আল্লাহ নিশ্চয়ই তাকে জান্নাতের পুরস্কার দেবেন। সবাই মনু কাকার জন্য দোয়া করবেন।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মনু মিয়া চলে গেলেন, কিন্তু মানুষের প্রতি তাঁর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সেবা আর মহৎ কর্মের স্মৃতি অমলিন হয়ে থাকবে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>টেস্ট দলের অধিনায়কত্বও ছাড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/283</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 13:01:16 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/283</guid>
		<description> এই পরিস্থিতিতে দলের ভেতরে এবং বাইরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন শান্ত। বাংলাদেশের ক্রিকেটে আগে কখনো তিন সংস্করণে তিনজন আলাদা অধিনায়ক দেখা যায়নি। শান্ত নিজেও তিন সংস্করণে তিনজন অধিনায়কের পক্ষে ছিলেন না, বরং শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, একজন নেতার অধীনেই সবার চলা উচিত। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সংবাদ সম্মেলনের একদম শেষে নাটকীয়ভাবে উঠে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখলেন বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুতে ধারণা করা গিয়েছিল, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে হয়তো তিনি বিশ্রাম নিতে চান বা হয়তো আরেকটি সফরের কথা ঘোষণা করবেন। কিন্তু তা না করে তিনি বললেন, &amp;ldquo;আমার একটা ঘোষণা আছে&amp;rdquo;&amp;mdash;এই ঘোষণার মাধ্যমেই জানালেন, তিনি টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে আর থাকছেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শান্তর এমন ঘোষণার আগাম গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। বিশেষ করে তাঁকে ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অনেকেই অনুমান করেছিলেন, হয়তো তিনি নিজের সিদ্ধান্তে টেস্ট নেতৃত্ব থেকেও সরে যাবেন। অবশেষে তা-ই হলো। ২৮ জুন শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের সামনে শান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেন, তিনি আর বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চান না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, আমি বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আমি টেস্ট সংস্করণে আর এই দায়িত্ব পালন করতে চাই না। আমি সবাইকে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এটা ব্যক্তিগত কোনো কিছু নয়। পুরোপুরি দলের ভালোর জন্য আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমি মনে করি, এটাতে দলের ভালো কিছুই হবে। এই ড্রেসিংরুমে কয়েক বছর ধরে, লম্বা সময় ধরে আমার থাকার সুযোগ হয়েছে। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত যে তিনজন অধিনায়ক দলের জন্য সমস্যা হতে পারে। দলের ভালোর জন্য এখান থেকে সরে আসছি। যদি ক্রিকেট বোর্ড মনে করে, তিনটা অধিনায়কই রাখবে, এটা তাদের সিদ্ধান্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, আমি আশা করব, কেউ যেন এ রকম না মনে করে যে আমি ব্যক্তিগত কোনো কারণে বা রাগ থেকে সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। এটা আমি নিশ্চিত করলাম এটা দলের ভালোর জন্য, এখানে ব্যক্তিগত কিছু নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাজমুল শান্ত এই সিদ্ধান্তের কথা বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। যদিও বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনাপ্রধান নাজমূল আবেদীন দাবি করেছেন, &amp;ldquo;না, এ রকম কোনো কথা হয়নি।&amp;rdquo; জানা গেছে, নাজমূল আবেদীন গতকাল সন্ধ্যায় কলম্বোয় এসে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাজমুল শান্তকে তিন সংস্করণের অধিনায়ক ঘোষণা করে বিসিবি। এটি ছিল একটি বড় সিদ্ধান্ত। বিসিবি মনে করেছিল, একজন নেতৃত্বদানের জন্য পরিণত ব্যাটসম্যান হিসেবে শান্ত দেশের ক্রিকেটকে নতুন পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। শুরুতে তেমন প্রতিচ্ছবিও দেখা গিয়েছিল। ২০২৩ সালের এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের সময় শান্ত দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়া গড়ে তোলেন। কোচিং স্টাফের সঙ্গে তার আন্তরিক সম্পর্কও আলোচনায় আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু ধীরে ধীরে চাপ বাড়তে থাকে। ব্যাট হাতে শান্ত নিজের ফর্ম হারাতে থাকেন। এরপর বিসিবি ধাপে ধাপে নেতৃত্ব ভাগ করে দেয়। প্রথমে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক করা হয় লিটন দাসকে। শান্ত তখন স্বেচ্ছায় সে দায়িত্ব ছাড়েন। পরে ওয়ানডে অধিনায়কত্বও তাঁর হাত থেকে চলে যায়। গত ১২ জুন বিসিবি এক ঘোষণায় জানায়, ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এর ফলে শান্ত শুধু টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবেই থেকে যান&amp;mdash;যা ছিল আগাম সংকেত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পরিস্থিতিতে দলের ভেতরে এবং বাইরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন শান্ত। বাংলাদেশের ক্রিকেটে আগে কখনো তিন সংস্করণে তিনজন আলাদা অধিনায়ক দেখা যায়নি। শান্ত নিজেও তিন সংস্করণে তিনজন অধিনায়কের পক্ষে ছিলেন না, বরং শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, একজন নেতার অধীনেই সবার চলা উচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে বাস্তবতা ভিন্ন পথে মোড় নেয়। নেতৃত্ব হারানোর সঙ্গে সঙ্গে শান্তর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও সমালোচিত হতে থাকে। কলম্বো টেস্টে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতায় তিনি কিছুটা চাপেই ছিলেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে তার বক্তব্য স্পষ্ট&amp;mdash;এই সিদ্ধান্ত তিনি আবেগ বা হতাশা থেকে নেননি, বরং দলের সামগ্রিক মঙ্গল ভেবেই এই পথ বেছে নিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন প্রশ্ন উঠেছে, শান্তর বিকল্প হিসেবে কে হবেন বাংলাদেশের নতুন টেস্ট অধিনায়ক? বিসিবি এই বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি। অনেকের মতে, লিটন দাস বা মেহেদী হাসান মিরাজ হতে পারেন বিকল্প, আবার নতুন কাউকে নিয়ে ভাবতেও পারে বোর্ড। তবে এ বিষয়ে বিসিবি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দেওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, শান্তর এই সিদ্ধান্ত দলের ভেতরের নেতৃত্বগত বিভ্রান্তির ইঙ্গিতই দেয়। একজন খেলোয়াড় যখন এক বছরে তিনটি অধিনায়কত্ব পায়, আবার এক বছরে দুটি হারিয়ে ফেলে, তখন বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং স্থিরতার ঘাটতি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শান্ত বলেন, আমি এখনো দলের সঙ্গে থাকব। নিজের দায়িত্ব পালন করব একজন ব্যাটার হিসেবে। তবে নেতৃত্ব থেকে সরে গিয়ে দলের সামগ্রিক পরিবেশে হয়তো আরও গতি আসবে। আমার বিশ্বাস, যারা দায়িত্বে আসবেন তারা দলের জন্য ভালো করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক নেতৃত্ব সংকটে শান্তর এই বিদায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। এখন অপেক্ষা নতুন নেতৃত্বের জন্য&amp;mdash;যে নেতৃত্ব ভবিষ্যতের টেস্ট দলের জন্য নির্ভরতা হয়ে উঠতে পারে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশে নাবিকদের বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী উদযাপন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/282</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 18:27:27 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/282</guid>
		<description> অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নটিক্যাল ইন্সটিটিউটের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এম.এ. মালেক। তিনি তাঁর বক্তব্যে নাবিকদের অসামান্য অবদান, সামুদ্রিক পেশার গুরুত্ব এবং আধুনিক বিশ্বে তাঁদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঢাকা, বাংলাদেশ &amp;ndash; অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গত ২৫শে জুন ২০২৫ তারিখে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে &amp;lsquo;ডে অফ দ্যা সি ফেয়ার&amp;rsquo; বা বিশ্ব নাবিক দিবস পালিত হয়েছে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই দিনটি প্রতি বছর বিশ্বের সকল নাবিকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য উদযাপন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া (RAOWA) মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে দেশের সাবেক ও বর্তমান নাবিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আনাম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পর্বে চিফ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান নাবিকদের নানা চ্যালেঞ্জ, সমস্যা এবং সেগুলোর সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি তাঁর উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরেন কীভাবে নাবিকরা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করেন এবং কী ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। প্রেজেন্টেশনের শেষ বক্তা ছিলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন আব্দুল কাদীর। তিনি নাবিকদের পেশাগত জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং নবীন ও প্রবীণ নাবিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে নাবিকদের পেশাগত জীবন, তাঁদের কাজের পরিবেশ এবং অবদান নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রেজেন্টেশন প্রদর্শিত হয়। আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (আইএমও)-এর সেক্রেটারি জেনারেল আর্সেনিও ডোমিনগুয়েজ ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক পরিসরে নাবিকদের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের নাবিকদের অবদানকে বিশেষভাবে সাধুবাদ জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী। তিনি তাঁর বক্তব্যে নাবিকদের পেশাগত জীবনের উন্নয়নে দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তাঁর বক্তব্য দেন। তিনি সামুদ্রিক পেশায় নারীদের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নাবিকদের মধ্যে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নাবিকদের অংশগ্রহণে গান ও কথোপকথন অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। সিনিয়র ও জুনিয়র নাবিকদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আলাপচারিতা এবং স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠানটিকে আরও অর্থবহ করে তোলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই জানান, বছরের বেশিরভাগ সময় সমুদ্র ও বিদেশে কাটানোর কারণে দেশীয় পরিবেশে একে অপরের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগ খুব কম হয়। এ ধরনের মিলনমেলা নাবিকদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই এই আয়োজনকে অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মুসলিম প্রার্থী জোহরান মামদানির উত্থানের পেছনের গল্প </title>
		<link>https://shomoybhela.com/281</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 16:43:46 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/281</guid>
		<description> নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে প্রাপ্ত ভোট বিশ্লেষণ করে বোর্ড জানায়, দুই লাখেরও বেশি ভোটার কেবল একজন প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন, যার ফলে প্রাথমিকভাবে মামদানির জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে বিবেচিত হচ্ছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী হিসেবে ৩৩ বছর বয়সী জোহরান মামদানি প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা অর্জন করে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছেন। সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোকে পেছনে ফেলে তিনি এই জয় নিশ্চিত করেন বলে জানিয়েছে শহরের নির্বাচনী বোর্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে প্রাপ্ত ভোট বিশ্লেষণ করে বোর্ড জানায়, দুই লাখেরও বেশি ভোটার কেবল একজন প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন, যার ফলে প্রাথমিকভাবে মামদানির জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে বিবেচিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাবেক গভর্নর কুওমো, যিনি যৌন হয়রানির অভিযোগে পদত্যাগের পর আবার রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছিলেন, ফলাফল প্রকাশের পর মামদানিকে ফোনে অভিনন্দন জানান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথমবার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মামদানি নিউইয়র্কে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। পোস্টার, বিলবোর্ড, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণার বিস্তৃতি এবং তরুণ ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন তাকে নির্বাচনী লড়াইয়ে এগিয়ে রাখে।&lt;br /&gt;
তাঁর প্রচারণার মূল অঙ্গীকার ছিল সাশ্রয়ী আবাসন, ফ্রি বাস, ফ্রি চাইল্ড কেয়ার এবং উচ্চতর ন্যূনতম মজুরি। এজেন্ডাগুলোর অর্থায়নের উৎস হিসেবে ধনীদের ওপর নতুন কর আরোপের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জোহরান মামদানির ব্যক্তিগত ইতিহাসও অনেকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁর জন্ম উগান্ডার কাম্পালায়। সাত বছর বয়সে বাবা-মায়ের সঙ্গে নিউইয়র্কে আসেন। বাবা মাহমুদ মামদানি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং মা মিরা নায়ার একজন খ্যাতনামা ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১৮ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন মামদানি। তাঁর রাজনীতির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে নিম্ন আয়ের অভিবাসী ও অশ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীর অধিকারকে ঘিরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি নির্বাচনী প্রচারে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশেষ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। মধ্যরাতের বক্তব্যে মামদানি ধন্যবাদ জানান &amp;lsquo;বাংলাদেশি আন্টিদের&amp;rsquo;, যারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ঘরে ঘরে গিয়ে তাঁর প্রচার চালিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিউইয়র্কের একমাত্র বাংলাদেশি কাউন্সিলর শাহানা হানিফের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলায় প্রচারণামূলক ভিডিও প্রকাশ করেন মামদানি, যা স্থানীয় অভিবাসীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্বাচনের মূল ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ নভেম্বর। নির্বাচিত হলে জোহরান মামদানি হবেন নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে কমবয়সী ও প্রথম মুসলিম মেয়র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: সিবিএস নিউইয়র্ক, এপি&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তরুণদের আর্থিক স্বাধীনতায় কর্মজীবনের শুরুতে  নিতে হবে যে ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/280</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 16:14:45 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/280</guid>
		<description> কর্মজীবনের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণদের স্বপ্নীল চোখে ভবিষ্যতের ছবিটা কেমন? হয়তো স্থিতিশীল একটি চাকরি, একটি আরামদায়ক জীবন, আর নির্দিষ্ট বয়সে নিশ্চিন্ত অবসর। কিন্তু, প্রথাগত এই ধারণার বাইরেও এক ভিন্ন পথ রয়েছে, যেখানে ‘আর্থিক স্বাধীনতা’ নামক এক লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে জীবনের লাগাম নিজের হাতে নেওয়া যায় অনেক আগেই। সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত উইলিয়াম আররুডার একটি বিশ্লেষণমূলক লেখা এই তরুণদের জন্য যেন এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এটি কেবল দ্রুত অবসরের একটি চিত্র নয়, বরং নিজের শর্তে, নিজের গতিতে জীবনকে উপভোগ করার এক অনন্য কৌশল। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কর্মজীবনের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণদের স্বপ্নীল চোখে ভবিষ্যতের ছবিটা কেমন? হয়তো স্থিতিশীল একটি চাকরি, একটি আরামদায়ক জীবন, আর নির্দিষ্ট বয়সে নিশ্চিন্ত অবসর। কিন্তু, প্রথাগত এই ধারণার বাইরেও এক ভিন্ন পথ রয়েছে, যেখানে &amp;lsquo;আর্থিক স্বাধীনতা&amp;rsquo; নামক এক লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে জীবনের লাগাম নিজের হাতে নেওয়া যায় অনেক আগেই। সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত উইলিয়াম আররুডার একটি বিশ্লেষণমূলক লেখা এই তরুণদের জন্য যেন এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এটি কেবল দ্রুত অবসরের একটি চিত্র নয়, বরং নিজের শর্তে, নিজের গতিতে জীবনকে উপভোগ করার এক অনন্য কৌশল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনেক নতুন স্নাতক তাদের প্রথম পেশাদার কর্মজীবনে পা রাখছেন। তাদের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ আর অসীম সম্ভাবনা। এই সময়েই যদি আর্থিক স্বাধীনতার বীজ বোনা যায়, তবে ভবিষ্যতের পথ অনেকটাই মসৃণ হয়ে ওঠে। এর জন্য প্রয়োজন কিছু সুনির্দিষ্ট মানসিকতা, আচরণ এবং অভ্যাস গড়ে তোলা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, যেখানে তরুণদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ছে, সেখানে এই ১৬টি পদক্ষেপ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১. যোগ্যতার সঠিক মূল্য নির্ধারণ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপনার প্রথম চাকরির বেতন কাঠামো কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি আপনার ভবিষ্যৎ আয়ের ভিত্তি। কারণ, পরবর্তী বেতন বৃদ্ধি সাধারণত প্রথম বেতনের শতাংশ হিসেবেই নির্ধারিত হয়। তাই, শুরুতেই যদি আলোচনার মাধ্যমে একটি ভালো বেতন নিশ্চিত করা যায়, তবে তা সারা জীবনের উপার্জনকে প্রভাবিত করে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে বেতন নিয়ে আলোচনা কিছুআটা অস্বস্তিকর মনে হলেও, নিজের যোগ্যতা ও বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সচেতন থেকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আলোচনা করা অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল বেতন নয়, আপনার কর্মজীবনের মূল্যবোধকেও তুলে ধরে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;২. প্রথম বেতন, প্রথম সঞ্চয়&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নতুন চাকরি মানেই নতুন জীবন। আর নতুন জীবন মানেই নতুন অভ্যাস গড়ে তোলার সুবর্ণ সুযোগ। প্রথম বেতন হাতে পাওয়ার পর থেকেই সঞ্চয়কে একটি অবিচ্ছেদ্য অভ্যাসে পরিণত করুন। আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ, ধরা যাক ১০% থেকে ২০%, সরাসরি সঞ্চয় অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করুন। এতে সেই অর্থ আপনার হাতের নাগালের বাইরে থাকবে এবং অপচয়ের সম্ভাবনা কমবে। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর স্বয়ংক্রিয় সঞ্চয় প্রকল্পগুলো এই ক্ষেত্রে দারুণ সহায়ক হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৩. বেতন বাড়লেও খরচ নয়&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম বেতন পাওয়ার পর অনেকেই জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে চান। নতুন পোশাক, দামি গ্যাজেট বা বিনোদনমূলক খরচ &amp;ndash; এসবের হাতছানি প্রবল। কিন্তু মনে রাখবেন, আয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবনযাত্রার মান বাড়ালে সঞ্চয়ের সুযোগ কমে যায়। বরং, খরচ কম রেখে অতিরিক্ত অর্থ সঞ্চয় করার প্রবণতা আপনাকে দ্রুত আর্থিক স্বাধীনতার পথে এগিয়ে দেবে। &amp;lsquo;নিজের সামর্থ্যের নিচে জীবনযাপন&amp;rsquo; করাটা এক ধরনের শিল্প, যা শেখা গেলে ভবিষ্যতের জন্য অনেক বড় তহবিল তৈরি হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৪. এখনকার ছোট বিনিয়োগ, ভবিষ্যতের স্বস্তি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, তরুণদের জন্য ব্যবসার ক্ষেত্রগুলো হতে পারে এক চমৎকার বিনিয়োগের মাধ্যম, যা ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা গড়ে তোলে। প্রথাগত প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পেনশন স্কিমের পাশাপাশি, ছোট আকারের লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগে পুঁজি খাটানো যেতে পারে। যেমন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) বা স্টার্টআপে বিনিয়োগ, অথবা ডিজিটাল ব্যবসার অংশীদার হওয়া। এই ধরনের বিনিয়োগে যত দ্রুত সম্ভব এবং সর্বোচ্চ পরিমাণে অর্থ লাগানো উচিত।&lt;br /&gt;
কারণ হলো, আর্থিক প্রবৃদ্ধি বাড়ে দ্রুতগতিতে যখন বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদী হয়। যত আগে আপনি এই ধরনের ব্যবসায় বিনিয়োগ শুরু করবেন, তত বেশি লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এমনকি যদি আপনার কোম্পানি কোনো বিনিয়োগ ম্যাচিংয়ের সুযোগ দেয় (যেমন, কর্মীদের জন্য বিশেষ ব্যবসা তহবিল বা লাভ-বণ্টন স্কিম), সেটিও গ্রহণ করা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ। এই কৌশলগুলো আপনাকে ভবিষ্যতের জন্য একটি মজবুত আর্থিক ভিত্তি তৈরি করতে সাহায্য করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৫. স্বল্প খরচে উচ্চ রিটার্ন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ফি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা আপনার প্রকৃত রিটার্নকে কমিয়ে দেয়। তাই, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কম ফি-যুক্ত বিকল্পগুলো বেছে নেওয়া উচিত। বাংলাদেশের বাজারে সরকারি সঞ্চয়পত্র, বন্ড এবং কিছু নির্দিষ্ট মিউচুয়াল ফান্ড তুলনামূলকভাবে কম ফি-তে ভালো রিটার্ন দিতে পারে। বিনিয়োগের আগে বিভিন্ন ফান্ডের ফি কাঠামো ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৬. একাধিক আয়ের উৎস তৈরি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কেবল একটি আয়ের উৎসের উপর নির্ভর করে থাকাটা সবসময় নিরাপদ নয়। ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন টিউটরিং, ব্লগিং, ছোট অনলাইন ব্যবসা বা শখের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করা যেতে পারে। এই &amp;lsquo;পলিওয়ার্কিং&amp;rsquo; কেবল আপনার আয় বাড়ায় না, বরং নতুন দক্ষতা অর্জন, পেশাদার নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি এবং সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করে। এটি আর্থিক নিরাপত্তাকে সুদৃঢ় করে এবং অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে একটি শক্তিশালী ব্যাকআপ তৈরি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৭. ঋণ নেয়ার আগে দশবার ভাবুন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভালো ঋণ (যেমন শিক্ষা ঋণ বা আবাসন ঋণ) যেখানে আপনাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে, সেখানে উচ্চ সুদের ক্রেডিট কার্ড বা অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ঋণ আপনাকে আর্থিক সংকটে ফেলতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে বেরিয়ে আসার পর প্রথম দিকে অনেকেই ক্রেডিট কার্ড কিংবা কিস্তিতে মোবাইল/ল্যাপটপ কেনায় আকৃষ্ট হন। কিন্তু এই ধরনের উচ্চ সুদের ঋণ আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক চাপে ফেলতে পারে। তাই &amp;lsquo;ব্যাড ডেট&amp;rsquo; এড়িয়ে চলুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৮. সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপনার আয়-ব্যয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব রাখা এবং আপনার মোট সম্পদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। আপনি কতটা খরচ করছেন, কোথায় খরচ করছেন এবং কোথায় সঞ্চয়ের সুযোগ আছে &amp;ndash; এসব জানতে পারলে আপনি আপনার আর্থিক অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হতে পারবেন। এক্সেল শীট বা বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এই হিসাব রাখা যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৯. সকল সম্পদের সদ্ব্যবহার&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপনার অব্যবহৃত সম্পদকে আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহার করার কথা ভাবুন। যেমন, ছুটিতে বাইরে গেলে আপনার বাড়ি ভাড়া দিতে পারেন, বা যদি আপনার একটি গাড়ি থাকে যা আপনি খুব কম চালান, সেটি রাইড-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করতে পারেন। নিষ্ক্রিয় সম্পদকে আয়ের উৎসে পরিণত করার এই ধারণাটি আধুনিক শেয়ারিং অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১০. FIRE দর্শন: উদ্দেশ্যমূলক জীবনের প্রতিচ্ছবি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
FIRE অর্থাৎ Financial Independence, Retire Early &amp;ndash; এই ধারণাটি এখন বিশ্বজুড়ে তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। এটি কেবল দ্রুত অবসরের কথা বলে না, বরং একটি উদ্দেশ্যমূলক জীবনযাপনের দর্শনকে তুলে ধরে। এই বিষয়ে বিভিন্ন বই পড়া, অনলাইন কমিউনিটিতে যুক্ত হওয়া বা বিনিয়োগ ক্লাবগুলোতে অংশ নেওয়া আপনাকে এই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১১. &amp;#39;না&amp;#39; বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;ফোমো&amp;rsquo; (FOMO - Fear of Missing Out) বা বন্ধুদের সাথে তাল মিলিয়ে চলার মানসিকতা অনেক অপ্রয়োজনীয় খরচের কারণ হয়। বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রতিদিন আড্ডা দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় গ্যাজেট কেনা বা সমাজের চাপ থেকে মুক্তি পেতে &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই &amp;lsquo;না&amp;rsquo; বলা আসলে আপনাকে আর্থিক স্বাধীনতার &amp;lsquo;হ্যাঁ&amp;rsquo; বলতে সাহায্য করে। প্রতিটি খরচকে ভালোভাবে মূল্যায়ন করা এবং কেবল প্রয়োজনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ব্যয় করা আপনাকে মিতব্যয়ী হতে শেখাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১২. ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় কৌশলী হোন&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুধুমাত্র বেশি উপার্জনের পেছনে না ছুটে, এমন একটি কর্মজীবন বেছে নিন যা আপনার ব্যক্তিগত আগ্রহ এবং নমনীয়তার সাথে শক্তিশালী আয়ের সম্ভাবনাকে একত্রিত করে। আপনার পেশা যেন কেবল উপার্জনের মাধ্যম না হয়ে আপনার প্যাশন এবং দক্ষতার সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। স্টিভেন কভি যেমন বলেছেন, শুধু মই বেয়ে উঠবেন না &amp;ndash; নিশ্চিত করুন যে এটি সঠিক দেয়ালের বিরুদ্ধে হেলে আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১৩. বিনিয়োগের ব্যাপারে সক্রিয় থাকুন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আপনার বিনিয়োগ পোর্টফোলিও নিয়মিত পর্যালোচনা করা অত্যন্ত জরুরি। একজন বিশ্বস্ত আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিয়ে ছোটখাটো সমন্বয়ও আপনার বিনিয়োগের কার্যকারিতা বাড়াতে পারে। বিনিয়োগ পর্যালোচনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে আপনার ক্যালেন্ডারে যুক্ত করুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১৪. আজীবন শেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কর্মজীবনে সফলতার জন্য ক্রমাগত শেখার কোনো বিকল্প নেই। নতুন দক্ষতা অর্জন, শিল্পের প্রবণতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা আপনাকে কর্মক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক রাখবে। এটি একদিকে যেমন ছাঁটাই হওয়ার ঝুঁকি কমাবে, তেমনি যদি অপ্রত্যাশিতভাবে চাকরি হারান, তবে নতুন সুযোগ খুঁজে পেতে আপনার দক্ষতাগুলো সহায়ক হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১৫. পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অধিকাংশ ভালো চাকরিই নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে পাওয়া যায়। একটি শক্তিশালী পেশাদার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং তা নিয়মিত লালন করা আপনার কর্মজীবনের জন্য একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে। যদি কখনো চাকরি হারানোর মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, তবে আপনার নেটওয়ার্কই আপনাকে নতুন সুযোগ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১৬. অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা এড়িয়ে চলুন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিছু কেনাকাটা আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে আপনার সঞ্চয়কে নীরবে নিঃশেষ করে দেয়। যেমন, একটি গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বছরে অনেক বেশি হতে পারে, অথচ গাড়ি বেশিরভাগ সময়ই পার্ক করা থাকে। গণপরিবহন, রাইড-শেয়ারিং বা কারপুলিংয়ের মতো বিকল্পগুলো বেছে নিয়ে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো উচিত। কেবল যা আপনার সত্যিই প্রয়োজন, সেটাই কিনুন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অল্প বয়সে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করার স্বপ্ন দেখা অনেকের মধ্যেই রয়েছে। কিন্তু সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয় কেবল তখনই, যখন আপনি সময় থাকতে সিদ্ধান্ত নেন, পরিকল্পনা করেন এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখেন। বাংলাদেশে তরুণ জনসংখ্যা বিশ্বে অন্যতম। এই জনশক্তিকে যদি আর্থিকভাবে সচেতন করা যায়, তাহলে ব্যক্তি পর্যায়ের উন্নতির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাই কর্মজীবনের শুরুতেই এই ১৬টি কার্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন। বড় অর্থনৈতিক অর্জনের জন্য বড় বেতন নয়, দরকার বড় পরিকল্পনা আর ছোট ছোট সচেতন পদক্ষেপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: উইলিয়াম আররুডা, সিনিয়র কন্ট্রিবিউটর, ফোর্বস&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​পাঁচ দশক আগে বিশ্ব বাণিজ্যের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল যে প্রযুক্তি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/279</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 14:35:23 +0600</pubDate>
		<category>ইতিহাসের পাতায় আজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/279</guid>
		<description> প্রথম দিকে তারা অতিবেগুনী কালি ও বিভিন্ন অপটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষা চালান। পরে, উডল্যান্ডের মাথায় আসে মোর্স কোডের মত প্যাটার্ন ব্যবহার করার চিন্তা। এই কোডকে একটি গোল আকৃতিতে উপস্থাপন করে তৈরি হয় প্রথম প্রোটোটাইপ—যাকে তিনি বালির উপর স্কেচ করেছিলেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন একে অপরের থেকে আলাদা, ঠিক তেমনি প্রতিটি প্যাকেটজাত পণ্যের স্বতন্ত্র পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য জন্ম নেয় এক অসাধারণ প্রযুক্তি&amp;mdash;বারকোড। এটি স্ক্যান করার সঙ্গে সঙ্গেই পণ্যের সকল তথ্য এক মুহূর্তে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। ১৯৭৪ সালের ২৬ জুন, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ট্রয় শহরের মার্শ সুপারমার্কেটের ক্যাশ রেজিস্টারে প্রথমবারের মতো এই অনন্য উদ্ভাবন ব্যবহৃত হয়। সেই দিন একটি রিগলি কোম্পানির জুসিফ্রুট চুইংগাম স্ক্যান করার মধ্য দিয়ে বিশ্ব সাক্ষী হয় অটোমেটেড রিটেইল প্রযুক্তির এক যুগান্তকারী সূচনার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে, একবিংশ শতাব্দীতে বারকোড প্রতিটি পণ্যের অবিচ্ছেদ্য পরিচয়চিহ্ন হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। এটি বিশ্বব্যাপী পণ্যের গতিবিধি ও মজুত ব্যবস্থাপনার এক অব্যর্থ হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তবে বিস্ময়কর হলো, এই নিঃশব্দ প্রযুক্তি বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল মোর্স কোডের অনুপ্রেরণায়, এমন একটি উদ্যোগ হিসেবে যা প্রাথমিক অবস্থায় শিল্পমহলের কাছ থেকে তেমন স্বীকৃতি পায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আবিষ্কারের পেছনের মানুষ ও প্রক্রিয়া&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোড প্রযুক্তির জন্ম হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার ড্রেক্সেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির দুই ছাত্র&amp;mdash;বার্নার্ড সিলভার ও নরম্যান জোসেফ উডল্যান্ডের হাত ধরে। ১৯৪৮ সালে স্থানীয় একটি গ্রোসারি চেইনের সভাপতির অনুরোধে তারা এমন একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির পরিকল্পনা করেন যা পণ্যের দ্রুত শনাক্তকরণে সহায়তা করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রথম দিকে তারা অতিবেগুনী কালি ও বিভিন্ন অপটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষা চালান। পরে, উডল্যান্ডের মাথায় আসে মোর্স কোডের মত প্যাটার্ন ব্যবহার করার চিন্তা। এই কোডকে একটি গোল আকৃতিতে উপস্থাপন করে তৈরি হয় প্রথম প্রোটোটাইপ&amp;mdash;যাকে তিনি বালির উপর স্কেচ করেছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৫২ সালে তারা পেটেন্ট নেন &amp;lsquo;Classifying Apparatus and Method&amp;rsquo; নামে একটি পদ্ধতির উপর। তবে সেই প্রযুক্তি বাস্তবায়নযোগ্য হয়ে ওঠে অনেক পরে। মূলত, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং রিটেইল শিল্পের অস্বস্তি&amp;mdash;এই দুইয়ের কারণে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বারকোড বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রযুক্তিগত পরিপক্বতা ও বাস্তবায়নের ইতিহাস&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোড প্রযুক্তি পরিপক্ব হয়ে ওঠে মূলত ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে। সেসময় ডেভিড জে. কলিন্স নামে এক ইঞ্জিনিয়ার রেলগাড়ির সনাক্তকরণ ব্যবস্থায় রঙিন প্যাটার্ন ব্যবহার করে পরীক্ষা চালান। এই প্রযুক্তিকে ধরা হয়েছিল বারকোড স্ক্যানিংয়ের ভিত্তি হিসেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৭৩ সালে আইবিএম ইঞ্জিনিয়ার জর্জ লরর ইউনিভার্সাল প্রোডাক্ট কোড (UPC) নামে একটি স্কিম তৈরি করেন, যেটি পরে ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এই কোড ব্যবহার করে উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতারা পণ্যের ধরণ, গুণমান ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য আদান-প্রদান করতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৭৪ সালের ২৬ জুন, ওহাইও&amp;#39;র ট্রয় শহরে অবস্থিত মার্শ সুপারমার্কেটের চেকআউট কাউন্টারে প্রথমবারের মতো এই UPC কোড ব্যবহার করে স্ক্যান করা হয় একটি চুইংগামের প্যাকেট। সেই ঘটনা ছিল কার্যত এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা খুচরা বাণিজ্যের ইতিহাস বদলে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;শুরুতে বাধা, পরে স্বীকৃতি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোড প্রযুক্তি শুরুতে বিভিন্ন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। অনেকেই পণ্যের গায়ে স্থায়ীভাবে বারকোড ছাপানোর খরচ নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। ক্যান প্রস্ততকারক ও প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকেও এসেছিল নানান আপত্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রযুক্তির সুবিধাগুলো সামনে আসে। ক্যাশ কাউন্টার প্রক্রিয়া দ্রুত হয়, ইনভেন্টরি ট্র্যাকিং সহজ হয়, বিক্রয় পরিসংখ্যান রক্ষণাবেক্ষণে নির্ভুলতা আসে, এমনকি গ্রাহক সন্তুষ্টিও বাড়ে। ১৯৮০&amp;rsquo;র দশক নাগাদ বেশিরভাগ বড় খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তি গ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বারকোডের বিবর্তন: রৈখিক থেকে দ্বিমাত্রিক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাথমিকভাবে বারকোড ছিল একমাত্রিক বা রৈখিক&amp;mdash;সমান্তরাল কালো-সাদা দাগের মাধ্যমে তথ্য ধারণকারী। এই তথ্য সাধারণত কোড স্ক্যান করে কম্পিউটার সফটওয়্যারে পাঠানো হতো। তবে প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসে দ্বিমাত্রিক ম্যাট্রিক্স কোড&amp;mdash;যেমন কিউআর কোড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
QR কোডে একই জায়গায় অধিকতর তথ্য রাখা সম্ভব এবং তা বিভিন্ন দিক থেকে স্ক্যান করা যায়। আজকাল কিউআর কোড ব্যবহার হচ্ছে ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস, ডিজিটাল পেমেন্ট, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের সত্যতা যাচাইসহ নানা ক্ষেত্রে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ব্যবহারের বহুবিধতা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোড ব্যবহারের সীমা এখন শুধু সুপারমার্কেটে আটকে নেই। বিমানবন্দরে লাগেজ ট্র্যাকিং, ওষুধের বোতলের নিরাপত্তা যাচাই, মুভি টিকেট যাচাইকরণ, হাসপাতালের রোগী পরিচিতি ব্যবস্থাপনা, লাইব্রেরি বুক ট্র্যাকিং&amp;mdash;প্রত্যেক ক্ষেত্রেই এর প্রয়োগ বাড়ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলেন, বারকোড প্রযুক্তির সহজলভ্যতা, খরচে সাশ্রয় ও দ্রুত প্রসেসিং সময় একে অন্যান্য প্রযুক্তির চেয়ে এগিয়ে রেখেছে। যদিও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) ও ব্লুটুথ ভিত্তিক কিছু আধুনিক বিকল্প বাজারে এসেছে, তবু বারকোডের মত সর্বজনগ্রাহ্য প্রযুক্তি তারা হয়ে উঠতে পারেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বারকোড নিয়ে বিতর্ক&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোডের আবিষ্কারের কৃতিত্ব নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। উডল্যান্ড ও সিলভারকে সাধারণত এর উদ্ভাবক হিসেবে ধরা হলেও, পরবর্তীতে বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।&lt;br /&gt;
ডেভিড কলিন্সের স্ক্যানিং প্রযুক্তি, জর্জ লররের ডিজাইন, আইবিএম ও আরসিএর অবকাঠামোগত বিনিয়োগ&amp;mdash;সবই এই প্রযুক্তিকে বাস্তবতায় রূপ দিতে সহায়ক হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বারকোড ও বিশ্বব্যবসা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোডকে একটি নিঃশব্দ বিপ্লব বলা হয়, কারণ এটি বাজারে বিশাল পরিবর্তন এনেছে তেমন কোনো ঘোষণা বা প্রচার ছাড়াই। বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন কয়েক বিলিয়ন বার পণ্য স্ক্যান হয় বারকোডের মাধ্যমে। এটি বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনকে নির্ভুল ও দক্ষ করতে বড় ভূমিকা রেখেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশে বারকোড প্রযুক্তি স্থানীয় উৎপাদকদের পণ্য বিশ্ববাজারে নিতে সহায়তা করছে। আজকে বিশ্বজুড়ে কোন পণ্য কোথায় গেছে, কত বিক্রি হয়েছে, কী দামে বিক্রি হয়েছে&amp;mdash;সবই জানা যাচ্ছে এই ক্ষুদ্র রেখার মাধ্যমে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রতীকী গুরুত্ব ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১৯ সালে নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে বারকোড প্রযুক্তিকে &amp;lsquo;আধুনিক বিশ্বের নিরব সহচর&amp;rsquo; আখ্যা দিয়েছিল। বিশ্বের নানা জাদুঘরে আজ সংরক্ষিত আছে ১৯৭৪ সালের সেই চুইংগামের রেপ্লিকা। স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামে রাখা আছে সেই ঐতিহাসিক স্ক্যানিং মেশিনটিও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিটি পণ্যে বারকোডের ব্যবহার দোকানে দ্রুত ও নির্ভুল বিলিং নিশ্চিত করে গ্রাহকদের সময় বাঁচায়। এর মাধ্যমে ইনভেন্টরি বা মজুত ব্যবস্থাপনা সহজ হয়, ফলে পণ্যের ঘাটতি বা অতিরিক্ত মজুত এড়ানো যায় এবং খরচ কমে। বারকোড বিক্রয় ডেটা বিশ্লেষণ করে ব্যবসায়ের কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করে এবং পণ্যের উৎস থেকে গ্রাহক পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ট্র্যাক করতে সাহায্য করে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়ায় এটি বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য সহজ করে তুলেছে। সব মিলিয়ে, বারকোড আধুনিক ব্যবসা ও সাপ্লাই চেইনকে দক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত রাখতে অপরিহার্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বারকোডের ভবিষ্যৎ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)-এর সঙ্গে আরও বেশি সংযুক্ত হচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো বারকোড থাকবে দৃশ্যমান নয়, কিন্তু তার কাজ করবে আরও নিখুঁতভাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস; AccuGraphiX / History of Bar Codes&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃস্ট হয়ে আটমাস বয়সী শিশুসহ মায়ের করুণ মৃত্যু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/278</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 20:28:32 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/278</guid>
		<description> মাগুরার সদর উপজেলার টিলা গ্রামে রাইস কুকারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক মা ও তার আট মাস বয়সী শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা আওয়াল হোসেনের স্ত্রী সেতু খাতুন (৩৫) ও তার মেয়ে আনিসা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;মাগুরার সদর উপজেলার টিলা গ্রামে রাইস কুকারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক মা ও তার আট মাস বয়সী শিশু কন্যার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা আওয়াল হোসেনের স্ত্রী সেতু খাতুন (৩৫) ও তার মেয়ে আনিসা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে সেতু খাতুন রান্নার জন্য রাইস কুকারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে যান। এ সময় তাঁর কোলে ছিলেন শিশু আনিসা। বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুজনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বাড়ির লোকজন চিৎকার শুনে ঘরে ছুটে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাসুম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মা ও শিশু দুজনের মৃত্যু হয়। তাদের শরীরে বিদ্যুতের প্রভাব এবং পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জেলা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওহিদুল শেখ জানান, মরদেহ দুটি হাসপাতালের অস্থায়ী মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করছে এবং পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা এবং নিরাপদ ঘরোয়া যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় প্রশাসন ও চিকিৎসকরা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শীর্ষ কমান্ডার ও বিজ্ঞানীদের জানাজা শনিবার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/276</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 17:28:11 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/276</guid>
		<description> জাতীয় পর্যায়ের জানাজা শনিবার সকাল ৮টায় তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হবে এবং আজাদি স্কয়ারে শেষ হবে। একটি বিশাল শোক র‍্যালির মাধ্যমে শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হবে। এটি শুধু একটি জানাজা নয়—বরং ইরানি জাতির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ এবং ঐক্যের প্রকাশ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;h2&gt;&lt;br /&gt;
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার আবহে ইরানজুড়ে এখন শোকের ছায়া। সম্প্রতি ইসরায়েলি আগ্রাসনে শহীদ হওয়া শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও বিজ্ঞানীদের সম্মানে একটি জাতীয় জানাজার আয়োজন করা হয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, আগামী শনিবার (২৮ জুন) সকালে রাজধানী তেহরানে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সাধারণ জনগণ, সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ১৩ জুন ইসরায়েল বিনা উসকানিতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক, পারমাণবিক ও আবাসিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এই আগ্রাসনে ৬০০-রও বেশি ইরানি নাগরিক শহীদ হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতদের মধ্যে ছিলেন ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসেইন বাকেরি, আইআরজিসি প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি, খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল গোলাম আলি রাশিদ, এবং এরোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ। এছাড়াও ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক এই হামলায় শহীদ হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই নির্মম হামলার পর ইরান দ্রুত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়। &amp;lsquo;অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৩&amp;rsquo; নামে আইআরজিসি-এর এরোস্পেস ফোর্স ইসরায়েলের অধিকৃত অঞ্চলজুড়ে ২২ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এই হামলার চাপেই শেষপর্যন্ত ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শহীদ মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি ও তার দপ্তর প্রধান জেনারেল মাসউদ শানেয়ির দাফন তাদের নিজ শহর গোলপায়েগানে সম্পন্ন হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় পর্যায়ের জানাজা শনিবার সকাল ৮টায় তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হবে এবং আজাদি স্কয়ারে শেষ হবে। একটি বিশাল শোক র&amp;zwj;্যালির মাধ্যমে শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হবে। এটি শুধু একটি জানাজা নয়&amp;mdash;বরং ইরানি জাতির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ এবং ঐক্যের প্রকাশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনায় তেহরানসহ সারা দেশে ব্যাপক আবেগ সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের জনগণের সম্মিলিত শোক ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠবে এই জানাজা অনুষ্ঠান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ&lt;/h2&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​গাজার খান ইউনিসে বোমা বিস্ফোরণে ৭ ইসরায়েলি সেনা নিহত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/275</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 15:10:25 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/275</guid>
		<description> বর্তমানে গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা অভিযান চলমান রয়েছে। খান ইউনিস শহর এবং এর আশপাশের এলাকাগুলোকে উচ্চ-সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেখানে স্থল, বিমান ও ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিস শহরে একটি সাঁজোয়া যানে বিস্ফোরণের ঘটনায় সাতজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার, ২৪ জুন স্থানীয় সময়ে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ)। নিহত সেনারা সবাই ইসরায়েলের ৬০৫তম কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইডিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, খান ইউনিস শহরের উপকণ্ঠে একটি পুমা সাঁজোয়া ইঞ্জিনিয়ারিং যান লক্ষ্য করে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা বিস্ফোরক সংযুক্ত করে। এ সময় যানটি শহরের মধ্যে দিয়ে চলাচল করছিল এবং এর ভেতরে সাতজন সেনা অবস্থান করছিলেন। বিস্ফোরণের ফলে সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় এবং সেনারা আটকা পড়ে যানটির অভ্যন্তরে। আগুন নেভাতে সামরিক বাহিনী তৎপর হলেও, সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সাতজনই ঘটনাস্থলে নিহত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে পুরোপুরি পুড়ে যাওয়া সাঁজোয়া যানটি গাজার ভেতর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। IDF-এর প্রাথমিক তদন্ত অনুসারে, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং বিস্ফোরণটি সংঘটিত হয় আচ্ছাদিত বিস্ফোরক যন্ত্রের মাধ্যমে, যা যানে পূর্বে সংযুক্ত করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ পর্যন্ত নিহত ছয় সেনার নাম প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তাঁরা হলেন:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১. লেফটেন্যান্ট মাতান শাই ইয়াশিনোভস্কি (২১), কফার ইয়োনা।&lt;br /&gt;
২. স্টাফ সার্জেন্ট রোনেল বেন-মোশে (২০), রেহোভট।&lt;br /&gt;
৩. স্টাফ সার্জেন্ট নিভ রাদিয়া (২০), এলিয়াখিন।&lt;br /&gt;
৪. সার্জেন্ট রোনেন শাপিরো (১৯), মাজকেরেত বাতিয়া।&lt;br /&gt;
৫. সার্জেন্ট শাহার মানোয়াভ (২১), অশ্কেলন।&lt;br /&gt;
৬. সার্জেন্ট মায়ান বারুচ পার্লস্টাইন (২০), এশহার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সপ্তম সেনার নাম এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কনিষ্ঠ এবং সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, পুমা নামের এই ধরনের যান সামরিক প্রকৌশল কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয় এবং এটি বিস্ফোরক শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণসহ মাটির নিচের সুড়ঙ্গ ধ্বংস করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এই ধরণের যান সাধারণত ভারী সুরক্ষিত হয়ে থাকে, তবে এ ঘটনায় সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিস্ফোরণের দিন আরও একটি পৃথক ঘটনায় রকেট-চালিত গ্রেনেড (আরপিজি) হামলার শিকার হন আইডিএফ সেনারা। এই হামলায় দুজন সেনা আহত হন, তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, টাইমস অব ইসরায়েল সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই হামলাকে চলমান গাজা সংঘাতের অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই ঘটনার জন্য গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে এবং পাল্টা অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা অভিযান চলমান রয়েছে। খান ইউনিস শহর এবং এর আশপাশের এলাকাগুলোকে উচ্চ-সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেখানে স্থল, বিমান ও ড্রোন অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইডিএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে এবং সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, &amp;ldquo;আমাদের সৈন্যদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। আমরা দায়ীদের খুঁজে বের করে প্রতিহত করব।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলা ইসরায়েলের সামরিক অবস্থান এবং অভিযানের কৌশল নিয়ে নতুন করে চিন্তার অবকাশ তৈরি করেছে। বিশেষ করে, সাঁজোয়া যান ও প্রকৌশল ইউনিটের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আইডিএফকে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: আল জাজিরা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস ২০২৫ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/274</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 12:24:48 +0600</pubDate>
		<category>ফিচার</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/274</guid>
		<description> ২০২৫ সালের নাবিক দিবসকে ঘিরে এবছর ‘My Harassment-Free Ship’ শিরোনামে একটি বৈশ্বিক সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সমুদ্রপথে কর্মরত সব নাবিকের জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
২৫ জুন বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস। জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (IMO) ২০২৫ সালের নাবিক দিবসকে ঘিরে এবছর &amp;lsquo;My Harassment-Free Ship&amp;rsquo; শিরোনামে একটি বৈশ্বিক সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সমুদ্রপথে কর্মরত সব নাবিকের জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
IMO জানিয়েছে, এই দিবসটি শুধুমাত্র নাবিকদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের একটি দিন নয়; বরং এটি একটি যৌথ আহ্বান&amp;mdash;যার মাধ্যমে নাবিকদের প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা এবং ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সামুদ্রিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এবারের প্রচারণা মূলত তিনটি প্রধান লক্ষ্য সামনে রেখে পরিচালিত হচ্ছে: সমুদ্রে হয়রানির বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, শূন্য-সহনশীলতা নীতির বাস্তবায়নে শিল্প খাতে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিরাপদ অভিযোগ ও সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের প্রচারণায় প্রথমবারের মতো একটি ইন্টার&amp;zwnj;্যাকটিভ ওয়ার্ল্ড ম্যাপ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পতাকাধারী রাষ্ট্রভিত্তিক নীতিমালা, সহায়তা ও অভিযোগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য জানা যাবে। এর ফলে নাবিকেরা বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে হয়রানির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে সক্ষম হবেন। IMO এ উদ্যোগকে প্রযুক্তি ও সহযোগিতার মাধ্যমে নাবিকদের ক্ষমতায়নের একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় বলেন, &amp;ldquo;নাবিকরা বিশ্ববাণিজ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অথচ তারা প্রায়ই বৈষম্য, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতার শিকার হন। এই অবস্থার পরিবর্তনে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার প্রয়োজন&amp;mdash;যা শ্রমমান বজায় রাখা ও সাগরে মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে সহায়ক হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে IMO-এর মহাসচিব আর্শেনিও ডমিনগেজ এক ভিডিও বার্তায় বলেন, সমুদ্রকে যদি আমরা একটি বৈশ্বিক কর্মস্থল হিসেবে দেখি, তাহলে এর প্রতিটি জাহাজকে হয়রানিমুক্ত, সম্মাননির্ভর ও সহানুভূতিশীল পরিবেশে পরিণত করা জরুরি। এটি কেবল নাবিকদের মানসিক ও শারীরিক কল্যাণের জন্য নয়, বরং পুরো শিল্পখাতের স্থায়িত্বের জন্য অপরিহার্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, সমুদ্রে কর্মরত নারী নাবিকদের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পুরুষ নাবিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার অনেকগুলোই প্রতিবেদন হয় না, যার পেছনে রয়েছে প্রতিশোধের ভয় এবং অভিযোগ ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা। এই বাস্তবতায় এবারের প্রচারণা নাবিকদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া, প্রতিবাদ জানানোর সাহস জোগানো এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অভ্যন্তরীণ নীতিমালা ও প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের জন্য উদ্বুদ্ধ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
IMO এবছর সারা বিশ্বে জনপ্রিয় সামুদ্রিক ব্লগার ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। ভিডিও বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে এসব বার্তা সরাসরি নাবিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই উদ্যোগে শিপিং কোম্পানি, প্রশিক্ষণপ্রতিষ্ঠান ও সরকারগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে onboard প্রশিক্ষণ জোরদার করা, নিরাপদ অভিযোগ ব্যবস্থার প্রচলন, এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে হয়রানিবিরোধী মনোভাব গড়ে তোলার জন্য। IMO তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে এই প্রচারণা ছড়িয়ে দিতে পোস্টার, লোগো ও প্রচারণা সামগ্রী প্রকাশ করেছে। সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে #MyHarassmentFreeShip হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিজেদের অঙ্গীকার ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১০ সালে ম্যানিলা কনভেনশনে গৃহীত একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে ২৫ জুনকে &amp;lsquo;নাবিক দিবস&amp;rsquo; হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই দিনটির উদ্দেশ্য বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা নাবিকদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, অর্থনীতি ও সমাজে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া। দিনটি জাতিসংঘ স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক দিবস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের এই দিবসে IMO একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে: সাগরকে সকলের জন্য নিরাপদ করতে হলে, প্রতিটি জাহাজে শূন্য সহনশীলতা নীতির বাস্তবায়ন, সুশাসন, এবং সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র&lt;/strong&gt;: &lt;strong&gt;আইএমও&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরায়েলের তিন গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/273</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jun 2025 11:38:14 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/273</guid>
		<description> ফাঁসির আগে তাঁদের নীল রঙের কয়েদি-পোশাকে তোলা ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের বিচার বিভাগ। দেশটি প্রায়ই ইসরায়েলসহ অন্যান্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দণ্ড কার্যকর করে থাকে। গত কয়েক দিনে এ ধরনের একাধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। এর মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের জন্য স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের। তাঁর মৃত্যুদণ্ডও সম্প্রতি কার্যকর করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তিন ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর উরমিয়ায় আজ বুধবার সকালে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিযুক্তদের নাম ইদ্রিস আলী, আজাদ শোজাই ও রাসুল আহমদ রাসুল। ইরানের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিযুক্তরা হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যে দেশে সরঞ্জাম আনার চেষ্টা করছিলেন এবং তাঁরা ইসরায়েলের পক্ষে কাজ করছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তেহরান দাবি করেছে, ওই তিন ব্যক্তি জায়নবাদী রাষ্ট্রের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মধ্যে ছিল দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং ইরানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতি নেওয়া। বিচার বিভাগের বিবৃতি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা তুরস্ক সীমান্তবর্তী উরমিয়ায় আটক হন এবং দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফাঁসির আগে তাঁদের নীল রঙের কয়েদি-পোশাকে তোলা ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের বিচার বিভাগ। দেশটি প্রায়ই ইসরায়েলসহ অন্যান্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং দণ্ড কার্যকর করে থাকে। গত কয়েক দিনে এ ধরনের একাধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। এর মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের জন্য স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের। তাঁর মৃত্যুদণ্ডও সম্প্রতি কার্যকর করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ১৩ জুন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সামরিক সংঘাত শুরু হয়, যা সম্প্রতি নামমাত্র যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে থামানোর চেষ্টা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে ইরান অন্তত ৭০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাঁদের অনেকের বিরুদ্ধেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ইরান জানিয়েছে, সংঘাতের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা হবে এবং কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো, বিশেষত অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উচ্চ হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যায় ইরান বিশ্বে চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার সময় ও প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট, ইরান তার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে এবং ইসরায়েলের প্রভাব মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সংঘাত পরবর্তী সময়ে এমন কার্যক্রম দেশটির নিরাপত্তা নীতি ও কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: এএফপি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​আজ বিশ্ব ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসির জন্মদিন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/272</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 20:03:39 +0600</pubDate>
		<category>ফিচার</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/272</guid>
		<description> মাত্র ১১ বছর বয়সে হরমোনজনিত সমস্যা ধরা পড়েছিল মেসির শরীরে, যা তার স্বপ্নযাত্রাকে প্রায় থামিয়ে দিয়েছিল। সেই কঠিন সময়েই ত্রাতা হয়ে পাশে দাঁড়ায় স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। সেখান থেকেই শুরু হয় ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন সোনালী অধ্যায়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;আর্জেন্টিনার ছোট্ট শহর রোসারিও থেকে উঠে আসা এক নীরব বিপ্লবের নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্ম নেওয়া এই ক্ষুদে জাদুকর আজ কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ের স্পন্দন, বিশ্ব ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাত্র ১১ বছর বয়সে হরমোনজনিত সমস্যা ধরা পড়েছিল মেসির শরীরে, যা তার স্বপ্নযাত্রাকে প্রায় থামিয়ে দিয়েছিল। সেই কঠিন সময়েই ত্রাতা হয়ে পাশে দাঁড়ায় স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। সেখান থেকেই শুরু হয় ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন সোনালী অধ্যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৪ সালে বার্সার সিনিয়র দলে অভিষেকের পর, মেসি পরবর্তী ১৭ বছর ক্লাবটির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন। রেকর্ড ৭৮০ ম্যাচে তার বুট থেকে এসেছে অবিশ্বাস্য ৬৭২ গোল। বার্সেলোনা এবং পরবর্তীতে পিএসজির হয়ে জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;মেসির অর্জনের মুকুট:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ক্লাব ট্রফি:&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
লা লিগা: ১০ বার&lt;br /&gt;
কোপা দেল রে: ৭ বার&lt;br /&gt;
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: ৪ বার&lt;br /&gt;
ক্লাব বিশ্বকাপ ও সুপার কাপ: একাধিকবার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আন্তর্জাতিক অর্জন (আর্জেন্টিনার হয়ে):&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
ফিফা বিশ্বকাপ: ২০২২&lt;br /&gt;
কোপা আমেরিকা: ২০২১&lt;br /&gt;
ফিনালিসিমা: ২০২২&lt;br /&gt;
অলিম্পিক স্বর্ণপদক: ২০০৮&lt;br /&gt;
অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ: ২০০৫&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ব্যক্তিগত সম্মাননা:&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
ব্যালন ডি&amp;rsquo;অর: ৮ বার (বিশ্ব রেকর্ড)&lt;br /&gt;
ফিফা দ্য বেস্ট: ৩ বার&lt;br /&gt;
বিশ্বকাপ গোল্ডেন বল: ২০১৪ ও ২০২২&lt;br /&gt;
ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট: ৬ বার&lt;br /&gt;
লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৮ বার&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাঠে মেসির নিপুণ ড্রিবলিং, নীরব নেতৃত্ব, আর গোল উদযাপনে আকাশের দিকে তাকিয়ে কৃতজ্ঞতা জানানোর সেই চিরচেনা দৃশ্য আজ ফুটবল সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি শুধু গোলদাতার নাম নন, তিনি অনুপ্রেরণা ছড়ান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামি ক্লাবে খেললেও, তার পায়ের জাদু এতটুকুও কমেনি। মেসি আজ নিছকই এক ফুটবলারের নাম নন &amp;ndash; তিনি একটি যুগ, একটি দর্শন, একটি আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। বাংলাদেশেও তার লক্ষ লক্ষ অনুরাগী, যারা তার প্রতিটি খেলায় খুঁজে পান স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লিওনেল মেসি যেখানেই থাকুন না কেন, তার পায়ের জাদুতে ফুটবল বিশ্ব নতুন করে স্বপ্ন দেখতে থাকবে, যতদিন ফুটবল থাকবে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ঢাবিতে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/271</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 19:32:27 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/271</guid>
		<description> স্মরণ করা হয়, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ শুধু একজন রাজনৈতিক বা সমাজসেবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক অতুলনীয় দূরদর্শী শিক্ষাবিদ। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর উদ্যোগ ও ত্যাগ ছিল অবিস্মরণীয়। ঢাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি যেমন জমি দান করেছিলেন, তেমনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে জোর জনমত গঠনেও অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। ১৯২০ সালে পাস হওয়া ‘দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট’-এর নেপথ্যে তাঁর সক্রিয় ও নিরলস প্রচেষ্টা ছিল, যার ফলশ্রুতিতে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং জাতি গঠনের এক আলোকবর্তিকায় পরিণত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঢাকা, ২৪ জুন ২০২৫। আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা ও শিক্ষানুরাগী নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার এই প্রধান পীঠস্থান প্রতিষ্ঠায় যার অনবদ্য ভূমিকা ছিল, সেই মহান ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় তাঁরই নামে প্রতিষ্ঠিত সলিমুল্লাহ মুসলিম হল প্রাঙ্গণে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকাল ৯টায় সলিমুল্লাহ মুসলিম হল থেকে শুরু হয় এক বিশাল র&amp;zwj;্যালি। ব্রিটিশ কাউন্সিল সংলগ্ন ফুলার রোড হয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে র&amp;zwj;্যালিটি আবার হল প্রাঙ্গণে ফিরে আসে। এই র&amp;zwj;্যালির নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তাঁর সাথে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হল প্রশাসন জানিয়েছে, এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে দিনব্যাপী ছিল নানা সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক আয়োজন। এর মধ্যে ছিল মঞ্চনাটক, কবিতা আবৃত্তি এবং নবাব স্যার সলিমুল্লাহর জীবন ও যুগান্তকারী অবদানের ওপর একটি তথ্যবহুল সেমিনার। সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা গান, আবৃত্তি ও নৃত্যের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্মরণ করা হয়, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ শুধু একজন রাজনৈতিক বা সমাজসেবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক অতুলনীয় দূরদর্শী শিক্ষাবিদ। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর উদ্যোগ ও ত্যাগ ছিল অবিস্মরণীয়। ঢাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি যেমন জমি দান করেছিলেন, তেমনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে জোর জনমত গঠনেও অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। ১৯২০ সালে পাস হওয়া &amp;lsquo;দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট&amp;rsquo;-এর নেপথ্যে তাঁর সক্রিয় ও নিরলস প্রচেষ্টা ছিল, যার ফলশ্রুতিতে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং জাতি গঠনের এক আলোকবর্তিকায় পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অনুষ্ঠানমালায় বক্তারা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশের অগ্রযাত্রায় তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারা ও শিক্ষাদর্শকে বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুত্বারোপ করেন।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুদ্ধবিরতির মাঝেই ফের ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/270</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 18:46:38 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/270</guid>
		<description> টাইমস অব ইসরায়েল তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে ইসরায়েল। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় আশ্রয়কেন্দ্রে সাইরেন বাজলেও পরে আইডিএফ নিশ্চিত করে যে, ইসরায়েল এখন নিরাপদ এবং জনসাধারণ আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগ করতে পারে। অন্যদিকে, ইরান এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদুল রহিম মৌসাভি বলেন, যুদ্ধবিরতির পর আমরা কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়িনি। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যত শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেঙে পড়েছে। উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও হামলায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, যা নতুন করে বড় আকারের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে &amp;#39;তীব্র হামলার&amp;#39; নির্দেশ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তেহরানের শাসকগোষ্ঠীর ওপর প্রতিশোধমূলক আঘাত হানতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) কে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইডিএফ প্রধান এয়াল জামির ঘোষণা করেছেন, ইরানি শাসকদের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইসরায়েল শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানাবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টাইমস অব ইসরায়েল তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে ইসরায়েল। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় আশ্রয়কেন্দ্রে সাইরেন বাজলেও পরে আইডিএফ নিশ্চিত করে যে, ইসরায়েল এখন নিরাপদ এবং জনসাধারণ আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগ করতে পারে।&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, ইরান এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদুল রহিম মৌসাভি বলেন, যুদ্ধবিরতির পর আমরা কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়িনি। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানি বার্তা সংস্থা &amp;#39;ISNA&amp;#39; এবং নুর নিউজ একইসাথে দাবি করেছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার খবর &amp;#39;মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত&amp;#39;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে, ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছেন, &amp;quot;তেহরান কেঁপে উঠবে!&amp;quot; এর পরপরই ইসরায়েল তেহরানের বিভিন্ন স্থানে ভোরের দিকে হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে রাজধানীর কিছু অংশ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই হামলার জবাবে ইরানও চুপ থাকেনি। ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা &amp;#39;MDA&amp;#39; জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরায়েলের বিরশেবা শহরে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৪ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক চাপ সামাল দিতে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও, বাস্তব ময়দানে পুরোদস্তুর যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে এখন বড় আকারের সংঘাতের স্পষ্ট ঘণ্টাধ্বনি শোনা যাচ্ছে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য চরম হুমকি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনটি বেশি কার্যকর — হাঁটা না দৌড়ানো? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/269</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 16:17:15 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/269</guid>
		<description> ৩০ মিনিট ঢিমেতালে হাঁটলে যতোটা ক্যালরি পোড়ে, একই সময়ে দ্রুত হাঁটলে পোড়ে আরও বেশি ক্যালরি। অন্যদিকে, ১০ মিনিট মাঝারি গতি বা দ্রুত গতিতে দৌড়ালেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব। এ হিসেবে সময়ের দিক থেকে ১০ মিনিট দৌড় অনেক ক্ষেত্রেই ৩০ মিনিট হাঁটার সমান বা তার চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;শরীরচর্চার উপকারিতা নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে সময়ের সংকটের কারণে অনেকেই দীর্ঘ সময়ের ব্যায়াম করতে পারেন না। তাই অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন জাগে&amp;mdash;অল্প সময়ে যদি একই ধরনের উপকার পাওয়া যায়, তবে কোনটি হবে বেশি কার্যকর? বিশেষ করে প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা এবং ১০ মিনিট দৌড়&amp;mdash;এই দুটি বিকল্পের মধ্যে কোনটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের মেডিসিন বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডা. তাসনোভা মাহিন জানান, যেকোনো ধরনের ব্যায়ামে উপকারের পরিমাণ নির্ভর করে একাধিক বিষয়ের ওপর&amp;mdash;ব্যক্তির ওজন, হাঁটার বা দৌড়ের গতি, কতটা সময় ব্যায়াম করা হলো এবং ব্যায়ামের সময় হৃৎপিণ্ড ও শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি কতটা বাড়ল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩০ মিনিট ঢিমেতালে হাঁটলে যতোটা ক্যালরি পোড়ে, একই সময়ে দ্রুত হাঁটলে পোড়ে আরও বেশি ক্যালরি। অন্যদিকে, ১০ মিনিট মাঝারি গতি বা দ্রুত গতিতে দৌড়ালেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব। এ হিসেবে সময়ের দিক থেকে ১০ মিনিট দৌড় অনেক ক্ষেত্রেই ৩০ মিনিট হাঁটার সমান বা তার চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হৃৎপিণ্ডের সুস্থতায় মাঝারি বা ভারী ব্যায়াম বেশি গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম অথবা ৭৫ মিনিট ভারী ব্যায়াম করতে হবে, যাতে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্&amp;zwnj;রোগ বা দীর্ঘমেয়াদি অসুখের ঝুঁকি হ্রাস পায়। দৌড় সাধারণত মাঝারি বা ভারী ব্যায়ামের মধ্যে পড়ে, কারণ এতে হৃৎপিণ্ডের গতি ও শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত বাড়ে। হাঁটা তুলনামূলকভাবে হালকা ব্যায়াম হলেও, তা যদি দ্রুতগতিতে হয়, তবে মাঝারি ব্যায়ামের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট দৌড়ালে কম সময়েই ক্যালরি পোড়ানো এবং হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকার পাওয়া যায়। তবে এ সময়টাকে মাঝারি বা ভারী ব্যায়ামের গণ্ডিতে রাখতে হলে, ওয়ার্মআপ ও কুলডাউনের সময় বাদ দিয়ে অন্তত ১০ মিনিট কার্যকর ব্যায়াম করতে হবে। এছাড়া ব্যায়ামের সময় শ্বাসের গতি, ঘামের পরিমাণ এবং কথা বলার সক্ষমতা অনুযায়ী তা হালকা, মাঝারি বা ভারী&amp;mdash;এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্যায়াম হিসেবে হাঁটা অনেক সহজ এবং টেকসই অভ্যাস হলেও, দৌড় তুলনামূলকভাবে কম সময়ে বেশি উপকার এনে দিতে পারে। তবে বয়স, স্বাস্থ্য অবস্থা এবং ফিটনেস বিবেচনায় ব্যক্তিভেদে ব্যায়ামের ধরন ও সময় আলাদা হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো&amp;mdash;নিয়মিত থাকা এবং স্বাস্থ্যকর রুটিন বজায় রাখা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ডা. তাসনোভা মাহিন, স্কয়ার হাসপাতাল&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো গুগল পে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/268</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 14:43:58 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/268</guid>
		<description> গুগল পে ব্যবহারের জন্য গ্রাহককে ‘Google Wallet’ অ্যাপ ডাউনলোড করে সেখানে ‘Add a Card’ অপশনের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের কার্ড যুক্ত করতে হবে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে ফোনটিই হয়ে উঠবে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ওয়ালেট। যেকোনো এনএফসি-সক্ষম দোকান, অনলাইন শপিং, অ্যাপ সাবস্ক্রিপশন ও ইন-অ্যাপ পারচেজেও এটি ব্যবহার করা যাবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো গুগলের মোবাইল ওয়ালেট সেবা &amp;lsquo;গুগল পে&amp;rsquo;, যা গুগল ওয়ালেট নামেও পরিচিত। মঙ্গলবার (২৪ জুন ২০২৫) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী আয়োজনে গুগল, মাস্টারকার্ড, ভিসা এবং সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় সিটি ব্যাংক পিএলসি এই ডিজিটাল লেনদেন সেবা চালু করেছে। প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র সিটি ব্যাংকের গ্রাহকেরাই এই সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। গ্রাহকেরা তাদের মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ডটি গুগল ওয়ালেটে সংযুক্ত করে দেশ-বিদেশে এনএফসি-সক্ষম পেমেন্ট টার্মিনালে শুধুমাত্র ফোন স্পর্শ করে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুগল পে সেবাটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে এনএফসি (নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। এতে ব্যবহৃত হয়েছে উন্নত এনক্রিপশন ও টোকেনাইজেশন প্রযুক্তি, যা লেনদেনের সময় গ্রাহকের আসল কার্ড নম্বর প্রকাশ না করে নিরাপদ ভার্চুয়াল তথ্য ব্যবহার করে। এর ফলে ঝুঁকি কমে এবং তথ্যের গোপনীয়তা বজায় থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গুগল পে ব্যবহারের জন্য গ্রাহককে &amp;lsquo;Google Wallet&amp;rsquo; অ্যাপ ডাউনলোড করে সেখানে &amp;lsquo;Add a Card&amp;rsquo; অপশনের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের কার্ড যুক্ত করতে হবে। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে ফোনটিই হয়ে উঠবে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ওয়ালেট। যেকোনো এনএফসি-সক্ষম দোকান, অনলাইন শপিং, অ্যাপ সাবস্ক্রিপশন ও ইন-অ্যাপ পারচেজেও এটি ব্যবহার করা যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, এই সুবিধাটি ২৪/৭ গ্রাহক সহায়তা সেবা দ্বারা সমর্থিত হবে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংককেও এই সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও এটি আপাতত শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে এনএফসি সুবিধাসম্পন্ন স্মার্টফোনে ব্যবহারযোগ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, গুগল পে চালু হওয়া দেশের ফিনটেক খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি আন্তর্জাতিক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ আরও দৃঢ় করবে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজ থেকে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি কার্যকর </title>
		<link>https://shomoybhela.com/267</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jun 2025 12:14:37 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/267</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েল সর্বাত্মক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে এবং তা ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। তবে এই ঘোষণা এসেছে দুই দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি ছাড়াই, যা বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এক অস্থায়ী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েল সর্বাত্মক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে এবং তা ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। তবে এই ঘোষণা এসেছে দুই দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি ছাড়াই, যা বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এক অস্থায়ী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম &amp;lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&amp;rsquo;-এ লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়া শুরু হবে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময়) এবং তা ২৪ ঘণ্টায় ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। প্রথমে ইরান একতরফাভাবে সব সামরিক অভিযান বন্ধ করবে, ১২ ঘণ্টা পর ইসরায়েলও একই পথে হাঁটবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ট্রাম্প আরও বলেন, &amp;lsquo;২৪ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার পর, বিশ্বের সামনে ১২ দিনের যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি উদ্&amp;zwnj;যাপন করা হবে।&amp;rsquo; উভয় দেশ এ সময়কে &amp;lsquo;শান্তিপূর্ণ ও শ্রদ্ধাশীলভাবে&amp;rsquo; অতিক্রম করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক সামাজিক মাধ্যমে বলেন, এখনো যুদ্ধবিরতি বা সামরিক অভিযান বন্ধের কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। তিনি জানান, &amp;ldquo;ইসরায়েল যদি স্থানীয় সময় অনুযায়ী ভোর ৪টার মধ্যে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে তাদের অবৈধ হামলা বন্ধ করে, তাহলে আমাদের আর পাল্টা হামলা চালানোর কোনো ইচ্ছা নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ইরান ও ইসরায়েলের গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, সংঘাত থামাতে একটি অঘোষিত সমঝোতায় পৌঁছানো হয়েছে এবং সংঘর্ষ স্থগিত করা হয়েছে। ইরানের প্রেস টিভি ও ইসরায়েলের চ্যানেল টুয়েলভ এবং ওয়াইনেট এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে অঞ্চলজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে এবং আকাশসীমা খুলে দিয়েছে কুয়েত ও বাহরাইন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে মঙ্গলবার ভোরে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের বিরসেবা শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনজন নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী। এছাড়া ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন দেশটির পরমাণু বিজ্ঞানী সেদিঘ সাবের। এই হামলা তেহরানের শহরতলির ফেরদৌসী ও ভালি আসর এলাকার প্রধান সড়কের পাশে সংঘটিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে গত ১৩ জুন ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে বেশ কয়েকজন শীর্ষ পরমাণুবিজ্ঞানী ও সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আঘাত এবং পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে ধ্বংসযজ্ঞ&amp;mdash;সব মিলিয়ে অঞ্চলটিতে সৃষ্ট উত্তেজনার পারদ অনেক উঁচুতে পৌঁছায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানে হামলার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। রাশিয়া, চীন ও জাতিসংঘ হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচিতে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার নিরসনে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক হামলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত, বেসামরিক স্থাপনাসহ আবাসিক ভবনে ক্ষয়ক্ষতি এবং বেসামরিক প্রাণহানি ঘটেছে উভয় দেশেই। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি স্বাগত জানানো হলেও এটি কতটা স্থায়ী হবে&amp;mdash;তা এখনো অনিশ্চিত। কারণ, এখনো কোনো পক্ষ যুদ্ধ সমাপ্তির চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ অবস্থায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানিবাজার ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের ওপর যুদ্ধবিরতির এই অবস্থা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে আগামী কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহের ওপর। তবে আপাতত মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে&amp;mdash;যদিও এই স্বস্তি কতদিন স্থায়ী হবে, সেটাই দেখার বিষয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তিন দফা দাবিতে বিডিআর সদস্যদের আন্দোলন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/266</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 17:45:32 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/266</guid>
		<description> পুলিশের প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলেও শাহবাগ মোড়ে পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে তারা আর এগোতে পারেননি। সেখানে কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হলেও, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং আন্দোলনকারীরা সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান নেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫। আজ সকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর বরখাস্ত সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং পুনর্বিবেচনার দাবিতে একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছেন। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে সাবেক বিডিআর কর্মকর্তা, তাদের পরিবারের সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাবেশের শুরুতে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যান, যার ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে তারা তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবিগুলো হলো:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;১. পুনর্বহাল ও ক্ষতিপূরণ:&lt;/strong&gt; পিলখানাসহ সারা দেশের বিডিআর ইউনিটগুলোতে বিশেষ আদালত ও মহাপরিচালক এবং অধিনায়কের সামারি কোর্টের মাধ্যমে চাকরিচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত (৭৬ ব্যাচসহ) সব বিডিআর সদস্যকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধাসহ পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;২. স্বাধীন তদন্ত ও নিরপরাধের মুক্তি:&lt;/strong&gt; পিলখানা হত্যাকাণ্ডে গঠিত শর্তযুক্ত তদন্ত কমিশনকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন তদন্ত কমিশনে রূপান্তর করতে হবে। এর প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত &amp;quot;ব্যতীত&amp;quot; শব্দ এবং কার্যপরিধি ২ এর (ঙ) ধারা বাতিল করে কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে, যাতে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। মিথ্যা সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রায় ১৬ বছর ধরে কারাবন্দি নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;৩. সেনা কর্মকর্তাদের পুনর্বাসন ও &amp;#39;বিডিআর&amp;#39; নাম পুনঃস্থাপন: &lt;/strong&gt;২০০৯ সালের পিলখানা ঘটনার আলোকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ন্যায়পরায়ণ ও দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের সবাইকে পুনর্বাসন করতে হবে। একই সাথে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ধারণকারী &amp;quot;বাংলাদেশ রাইফেলস&amp;quot; তথা &amp;quot;বিডিআর&amp;quot; নামটি পুনঃস্থাপন করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার। তিনি বলেন, &amp;quot;সরকার এই দীর্ঘ সময়েও কেন এই মামলায় কোনো স্বচ্ছ ও সর্বজনগ্রাহ্য সমাধান দিতে পারেনি, তা জাতির কাছে প্রশ্ন। আমরা জানতে চাই, কোন আন্তর্জাতিক চাপে সরকার নীরব?&amp;quot; তিনি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, &amp;quot;এই বিষয়টি মানবিক ও জাতীয় নিরাপত্তা উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার।&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাবেশ শেষে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে আন্দোলনকারীরা &amp;#39;মার্চ ফর যমুনা&amp;#39; নামে একটি পদযাত্রা শুরু করেন। স্লোগানে মুখর হয়ে তারা যমুনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেও শাহবাগ এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। পুলিশের প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলেও শাহবাগ মোড়ে পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে তারা আর এগোতে পারেননি। সেখানে কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হলেও, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং আন্দোলনকারীরা সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান নেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্দোলনকারীরা সেখানে দাঁড়িয়ে সরকারের নীতির প্রতি অসন্তোষ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে এখনো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার রয়েছে এবং আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজ প্রণালি থেকে ফিরে গেল দুই সুপারট্যাংকার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/265</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 16:05:17 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/265</guid>
		<description> ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দুটি সুপারট্যাংকার হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করেও তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করে ফিরে গেছে। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দুটি সুপারট্যাংকার হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করেও তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করে ফিরে গেছে। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার &amp;lsquo;কোসউইজডম লেক&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;সাউথ লয়্যালটি&amp;rsquo; নামের দুটি খালি সুপারট্যাংকার হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রতিটি জাহাজের ধারণক্ষমতা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহনের উপযোগী। তবে উভয় জাহাজ গন্তব্যে না গিয়ে মাঝপথেই দিক পরিবর্তন করে। এটি বর্তমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিকল্প নৌরুট ব্যবহারের সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে বিশ্লেষণ করেছেন পর্যবেক্ষকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালি ঘিরে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বৃদ্ধির কারণে তেলবাহী জাহাজগুলোর মধ্যে ভিন্ন রুটে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। জাহাজমালিক ও তেল ব্যবসায়ীরা বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তাদের রুট নির্ধারণ করছেন। বিশেষ করে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার ফলে তেল পরিবহনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবেশপথ। এর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি, কারণ বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তর একে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ইরান অতীতে একাধিকবার হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।&lt;br /&gt;
বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিকভাবে সতর্কতা অবলম্বন করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র&lt;/strong&gt;: &lt;strong&gt;আল&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;জাজিরা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জমি ও পুরোনো বিরোধের জেরে রাজধানীতে তিন যুবক খুন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/264</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 15:35:08 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/264</guid>
		<description> তিনটি ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। খিলগাঁওয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে, পল্লবীতে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং কামরাঙ্গীরচরে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি। তিনটি খুনই এলাকাভিত্তিক সামাজিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
রাজধানী ঢাকায় তিনটি পৃথক ঘটনায় তিনজন যুবক খুন হয়েছেন। খুনের ঘটনাগুলো ঘটে খিলগাঁও, পল্লবী ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায়। নিহতরা হলেন মো. সাগর (২২), মো. রিফাত (২২) ও মো. রকি (৩১) । প্রতিটি ঘটনার পেছনে ছিল জমিসংক্রান্ত বিরোধ, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা পূর্বশত্রুতা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খিলগাঁওয়ের সাগর জমিসংক্রান্ত বিরোধে খুন হন। নিহত সাগরের মামাতো ভাই নাজিম উদ্দিন জানান, এক প্রতিবেশী আলিমউদ্দিন নিজের জায়গায় দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়েন। পরে রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে একদল লোক এসে দেয়াল ভাঙচুর করে এবং আলিমউদ্দিনের পরিবারকে মারধর করে। সাগর ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে আজ ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সাগর খিলগাঁওয়ের আমির আলীর ছেলে এবং পেশায় এয়ার কন্ডিশনার মেরামতের কাজ করতেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনে গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছুরিকাঘাতে নিহত হন মো. রিফাত (২২) । স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এক তরুণীকে ঘিরে রিফাত ও তাঁর বন্ধুদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ থেকেই বাগ্&amp;zwnj;বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁর এক বন্ধু রিফাতকে ছুরিকাঘাত করেন। রক্তক্ষরণে রিফাত মারা যান। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, রিফাত হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, কামরাঙ্গীরচর এলাকায় গতকাল রাত ১২টার দিকে মো. রকিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রকির সঙ্গে এলাকার কয়েকজনের পুরোনো বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। কামরাঙ্গীরচর থানার উপপরিদর্শক মো. মুসা জানান, এখনো এ ঘটনায় মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনটি ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। খিলগাঁওয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে, পল্লবীতে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং কামরাঙ্গীরচরে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি। তিনটি খুনই এলাকাভিত্তিক সামাজিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জুবাইদা রহমানকে ভোটার তালিকায় যুক্ত করলো নির্বাচন কমিশিন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/263</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 14:47:16 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/263</guid>
		<description> জুবাইদা রহমানের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়। যদিও তিনি কোনো রাজনৈতিক পদে নেই, তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তিনি দেশে ফেরার পর সিলেটে তাঁকে ঘিরে দলীয় কর্মীদের মধ্যে বেশ সাড়া পড়ে। শহরজুড়ে তাঁর নাম ও ছবি সম্বলিত বেনামি পোস্টার দেখা গেছে, যেখানে তাঁকে সিলেট-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখানোর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের তথ্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হালনাগাদ কার্যক্রমের আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে তিনি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি সূত্র জানিয়েছে, চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় জুবাইদা রহমানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তিনি গত মে মাসে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসেন এবং ঢাকায় অবস্থানকালে তাঁর ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সংগ্রহ করেন। এ কার্যক্রম শেষ হয় ঈদুল আজহার আগেই। এরপর ৫ জুন তিনি লন্ডনে ফিরে যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০৮ সালে প্রথমবার ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের সময় তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান যুক্তরাজ্যে ছিলেন এবং তখন তাঁরা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি। দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে ফিরে জুবাইদা রহমান ভোটার হতে যাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আখতার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, &amp;ldquo;ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তাঁর (জুবাইদা রহমান) তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।&amp;rdquo; তবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হবে নির্ধারিত সময়সীমা শেষে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী বছরের ২ জানুয়ারি খসড়া এবং ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার কথা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই জাতীয় নির্বাচন হলে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তা আগেই চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা আছে কমিশনের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পেশায় চিকিৎসক জুবাইদা রহমানের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়। যদিও তিনি কোনো রাজনৈতিক পদে নেই, তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তিনি দেশে ফেরার পর সিলেটে তাঁকে ঘিরে দলীয় কর্মীদের মধ্যে বেশ সাড়া পড়ে। শহরজুড়ে তাঁর নাম ও ছবি সম্বলিত বেনামি পোস্টার দেখা গেছে, যেখানে তাঁকে সিলেট-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখানোর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হলে একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হয়। ভোটার হলে তিনি দেশের যেকোনো নির্বাচনী আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে জুবাইদা রহমানের ভোটার হওয়া রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​সেনাবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি, নিহত ১ জন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/262</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Jun 2025 12:22:27 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/262</guid>
		<description> সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি চলছে। অভিযানের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার গাদালিয়া গ্রামে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনায় আবু সাঈদ (৩১) নামের এক রাজমিস্ত্রির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আবু সাঈদ পাশের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি স্থানীয় একটি বাড়িতে নির্মাণকাজের জন্য অবস্থান করছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা গেছে, দিরাই উপজেলার হাতিয়া গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান একরার হোসেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমানের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত শুক্রবার ওই বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন এবং গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিকেলে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল অস্ত্রধারীদের ধরতে হাতিয়া গ্রামে অভিযান চালায়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা নৌকায় করে পালিয়ে যায় এবং পার্শ্ববর্তী গাদালিয়া গ্রামে আশ্রয় নেয়। পরে সেনাবাহিনী ওই গ্রামে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়তে শুরু করে। সেনাবাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির পর অভিযানস্থলে আবু সাঈদের মরদেহ পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আবু সাঈদ কোনো রাজনৈতিক দল বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং তিনি খুবই নিরীহ প্রকৃতির ছিলেন। তবে তিনি কার গুলিতে মারা গেছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজ ইমতিয়াজ ভুঞা বলেন, &amp;ldquo;ঘটনাস্থল হাওরের একটি দুর্গম এলাকা। সেখানে পৌঁছাতে নৌকায় প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে।&amp;rdquo; তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিলেটে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই অভিযান পরিচালনা করেন। তার ভাষায়, &amp;ldquo;গত শুক্রবার একরার হোসেন ও আতিকুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধ হন। একরার পক্ষের সন্ত্রাসীরা নিয়মিত প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করছিল। রোববার অভিযানকালে সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলে সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি ছোড়ে। সন্ত্রাসীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। পরে একজনের মরদেহ পাওয়া যায়, যার পরিচয় পরে জানা যায়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি চলছে। অভিযানের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্ববাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/261</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 15:58:48 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/261</guid>
		<description> ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার সর্বশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিশ্ব অর্থবাজারে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আচরণে দেখা যাচ্ছে দ্বিধা ও সতর্কতা, অপরদিকে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের বাজারে নেমে এসেছে দাম। বিশ্বমহলে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক সংঘর্ষের আশঙ্কা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বিনিয়োগের গতিপ্রকৃতিতে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-family:verdana,geneva,sans-serif&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার সর্বশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিশ্ব অর্থবাজারে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আচরণে দেখা যাচ্ছে দ্বিধা ও সতর্কতা, অপরদিকে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের বাজারে নেমে এসেছে দাম। বিশ্বমহলে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক সংঘর্ষের আশঙ্কা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বিনিয়োগের গতিপ্রকৃতিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ববাজার বিশ্লেষণ বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের জন্য দুই সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে কিছু ইতিবাচক সাড়া মিললেও, পরে বাজার ফের অস্থির হয়ে পড়ে। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলো এই সংঘর্ষ প্রশমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন। এ ধরনের মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তোলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং নাসডাক সূচক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ করেছে। বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ, এবং ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতিমালার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা&amp;mdash;এই সবকিছুর সম্মিলিত প্রভাবেই বিনিয়োগকারীরা স্বল্পমেয়াদে ঝুঁকি এড়াতে আগ্রহী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫০ পার্ক ইনভেস্টমেন্টসের বিশ্লেষক অ্যাডাম সারহান বলেন, &amp;ldquo;মধ্যপ্রাচ্যে এখনো মিসাইল হামলা অব্যাহত, কোনো যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসেনি। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িত হতে পারে, এই শঙ্কাই বাজারকে অস্থির করছে।&amp;rdquo; তিনি আরও বলেন, সপ্তাহান্তে ঝুঁকি এড়াতে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউরোপের বাজারগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও এশিয়ার বাজারগুলোতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কোনো কোনো সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও অন্যগুলোতে পতন ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তেলের বাজারেও দেখা গেছে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দুই শতাংশের বেশি কমে গেছে। বিনিয়োগ বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইসরায়েলকে সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে না বা সামরিকভাবে জড়াচ্ছে না, এই খবরই মূলত তেলের দামে নিম্নগতি এনেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামে তুলনামূলকভাবে কম পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, সপ্তাহের শেষের দিকে দেশটিতে ছুটি থাকায় লেনদেন কম হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক্সটিবির বিশ্লেষক ক্যাথলিন ব্রুকস বলেন, &amp;ldquo;ট্রাম্প এখনই ইসরায়েলের হামলায় সরাসরি অংশ নিচ্ছেন না, এমন ঘোষণায় বাজার কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।&amp;rdquo; তিনি বলেন, &amp;ldquo;বিনিয়োগকারীরা এখন সর্বোচ্চ রাজনৈতিক উত্তেজনার সম্ভাবনা থেকে কিছুটা দূরে সরে এসেছে, যার ফলে তেলের দাম কমেছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহের সম্ভাব্য হুমকির কারণে দামের ঊর্ধ্বগতি সৃষ্টি করেছিল। এই আশঙ্কা ছিল যে, উত্তেজনা বাড়লে হরমুজ প্রণালী বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন চ্যানেলে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আপাতত বড় ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা থেকে বিরত রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষক ড্যান ক্যোাটসওয়ার্থ বলেন, &amp;ldquo;যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হস্তক্ষেপ করবে না, এটা স্বস্তিদায়ক। তবে ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের সময়সীমা বাজারে উদ্বেগ ধরে রেখেছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ সম্পর্কিত নীতিমালাও বাজারে অস্থিরতার আরেকটি বড় কারণ হয়ে উঠেছে। ২ এপ্রিল ঘোষিত শুল্ক নীতির ৯০ দিনের বিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে। ফলে নতুন করে কোনো চুক্তির সম্ভাবনা না থাকায় বিনিয়োগকারীদের আচরণে দ্বিধা পরিলক্ষিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মর্নিংস্টার মার্কেট কৌশলবিদ ডেভিড সেকেরা বলেন, &amp;ldquo;শুল্ক এখনই কার্যকর হচ্ছে না, তবে সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।&amp;rdquo; তিনি বলেন, &amp;ldquo;বাণিজ্য আলোচনায় কোনো অগ্রগতি বা ঘোষণাই আগামী দিনগুলোতে বাজারে ইতিবাচক বা নেতিবাচক ঢেউ তুলতে পারে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সামনের সপ্তাহগুলোতে বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যদি নতুন করে সংঘর্ষ বাড়ে কিংবা মার্কিন নীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন আসে, তাহলে তা তেলের সরবরাহ, জ্বালানির মূল্য এবং শেয়ারবাজারের সূচকে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা এখন নজর রাখছেন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। আর্থিক বিশ্লেষণ বলছে, এই মুহূর্তে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক সমাধান এবং নির্ভরযোগ্য বাণিজ্য নীতিমালা একান্ত প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র: &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;এএফপি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভেনেজুয়েলার কারাগারে বন্দি বাংলাদেশি ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/260</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 15:35:09 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/260</guid>
		<description> এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরপরই ভেনেজুয়েলার কোস্টগার্ড জাহাজটিকে আটক করে এবং আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নিয়ে আসে। এরপরের দিন অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারি জাহাজটির মাস্টার তথা ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা রুজু করে পাঠানো হয় কারাগারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের অধিবাসী ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান বিগত পাঁচ মাস ধরে বন্দি রয়েছেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার একটি কারাগারে। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি এক জটিল দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে আটক করে সে দেশের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আজ অবধি তার মুক্তির কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, যখন বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ এম ভি মেঘনা প্রেস্টিজ ভেনেজুয়েলার একটি বন্দরে অবস্থান করছিল। পণ্য লোড করার প্রক্রিয়া চলাকালে স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী জাহাজের নিমজ্জিত অংশ বা হুলের নিচে মাদকবিরোধী অনুসন্ধান প্রটোকল অনুযায়ী ডাইভিং টিম নামানো হয়। এই অনুসন্ধান চলাকালে এক ভেনেজুয়েলান ডুবুরি প্রাণ হারান এবং অপর একজন গুরুতর আহত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরপরই ভেনেজুয়েলার কোস্টগার্ড জাহাজটিকে আটক করে এবং আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নিয়ে আসে। এরপরের দিন অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারি জাহাজটির মাস্টার তথা ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা রুজু করে পাঠানো হয় কারাগারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ঘটনার পাঁচ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো তার মুক্তির কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। জাহাজের মালিক প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ জাহাজটিকে মুক্ত করে পুনরায় বাণিজ্য কার্যক্রমে ফিরিয়ে এনেছে ঠিকই, কিন্তু ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান এখনো ভেনেজুয়েলার কারাগারে বন্দি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, মাহবুবুর রহমানের দীর্ঘ কারাবাস এবং বিদেশের কারাগারে বন্দিত্ব তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। তার বাবা নূর মোহাম্মদ মোল্যা বলেন, &amp;ldquo;আমার ছেলেকে কেন এখনো দেশে ফিরিয়ে আনা গেল না, তা আমরা বুঝতে পারছি না। জাহাজ তো চলে এসেছে। কিন্তু ক্যাপ্টেন এখনো আসেনি। তার মুক্তির ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই। একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে তার প্রতি রাষ্ট্রের দায় রয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী বলেন, &amp;ldquo;আমি আর আমার দুই সন্তান খুব কষ্টে দিন পার করছি। আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই, তাকে যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, বন্দিত্বের কারণে মাহবুবুর রহমান শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন এবং মানসিক অবসাদেও ভুগছেন। যথাযথ আইনগত সহায়তা ও কূটনৈতিক তৎপরতা না থাকায় তার মুক্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে সাধারণত বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বৈদেশিক মিশন এবং সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তবে এ ঘটনায় ভেনেজুয়েলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা কেমন ছিল বা এখন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা বলেন, &amp;ldquo;আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তবে ভেনেজুয়েলার আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভেনেজুয়েলার জেল ব্যবস্থাপনা এবং বিচার প্রক্রিয়া অনেক সময় দীর্ঘায়িত হয়, বিশেষ করে বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে। আবার ভাষাগত সমস্যা, আইনি সহায়তার অভাব এবং কূটনৈতিক দূরত্ব&amp;mdash;এই তিনটি বড় বাধা তৈরি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেষ পর্যন্ত ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানের মুক্তি ও নিরাপদ দেশে ফেরা নির্ভর করছে বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ও আইনি সহায়তার ওপর।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জাতীয় পতাকা পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জয়ের গুজব </title>
		<link>https://shomoybhela.com/259</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 15:09:50 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/259</guid>
		<description> এই ভুয়া প্রচারণার সাথে জড়িত হিসেবে যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত, তিনি হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে এই ভুয়া প্রতিবেদন ও ছবি শেয়ার করা হয়, যার ফলে বিষয়টি মুহূর্তের মধ্যেই নজর কাড়ে দেশি-বিদেশি বহু দর্শকের। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু অনির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পরিবর্তনের বিষয়ে যে দাবি ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রেস উইং এক বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানায় যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এমন কোনো পদক্ষেপ বা পরিকল্পনার সাথে সম্পৃক্ত নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বিবৃতি এসেছে সেই সময়, যখন ফেসবুক, এক্স (পূর্বের টুইটার) এবং বিভিন্ন অনলাইন ফোরামে একটি ডিজিটালভাবে তৈরি পতাকার ছবি ভাইরাল হয়ে পড়ে। উক্ত ছবিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনে ইসলামি চাঁদ ও তারা যোগ করার প্রস্তাব উল্লেখ করা হয়, যা পাকিস্তান ও তুরস্কের জাতীয় প্রতীকের সাথে মিল রাখে। প্রেস উইং জানিয়েছে, এই কল্পিত পতাকার ছবিটি ভুয়া এবং এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রেস উইং-এর ফ্যাক্টচেক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, &amp;ldquo;বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, বিশেষ করে এক্স-এ এই মিথ্যা প্রচারণা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বলা হচ্ছে যে, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পতাকা পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছে, যা সম্পূর্ণরূপে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। এটি সামাজিক বিভ্রান্তি ও বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ভুয়া প্রচারণার সাথে জড়িত হিসেবে যে নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত, তিনি হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে এই ভুয়া প্রতিবেদন ও ছবি শেয়ার করা হয়, যার ফলে বিষয়টি মুহূর্তের মধ্যেই নজর কাড়ে দেশি-বিদেশি বহু দর্শকের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রেস উইং-এর বিবৃতিতে বলা হয়, &amp;ldquo;যে ডিজাইন শেয়ার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে কল্পিত। এতে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের দর্শকরা বিশেষভাবে সাড়া দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে এটি পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশের বাস্তবতা বা রাষ্ট্রীয় নীতির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একইসঙ্গে দেশের নিরপেক্ষ ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম &amp;lsquo;দ্য ডিসেন্ট&amp;rsquo; প্রকাশ করে যে, সজীব ওয়াজেদ জয় যে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই দাবি করেছেন, সেটি মূলত একটি এআই-প্রস্তুত প্রতিবেদন যার শিরোনাম ছিল &amp;ldquo;বাংলাদেশ তার পতাকায় পাকিস্তান ও তুরস্কের অনুকরণে ইসলামি চাঁদ যোগ করার কথা ভাবছে।&amp;rdquo; উক্ত প্রতিবেদনটি ৬ জুন প্রকাশিত হয় &amp;lsquo;রবার্ট ব্রাউন&amp;rsquo; নামে এক কাল্পনিক লেখকের নাম ব্যবহার করে। প্রতিবেদনে কোনো তথ্যসূত্র, প্রমাণ বা স্বীকৃত উৎস উল্লেখ করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্যাক্টচেক অনুসারে, এই ভুয়া প্রচারণার মূল উৎস হতে পারে একটি পাকিস্তানপন্থী এক্স অ্যাকাউন্ট @SouthAsiaIndex, যেখান থেকে গত ৪ জুন একটি কল্পিত পতাকার ছবি পোস্ট করা হয়। এই একই ছবি পরে সজীব ওয়াজেদের শেয়ার করা প্রতিবেদনে ব্যবহৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রেস উইং জানিয়েছে, &amp;ldquo;এই প্রচার পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার করে জাতীয়তাবাদী ও রক্ষণশীল শ্রোতাদের মধ্যে উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি তৈরির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বাংলাদেশে এমন কোনো আলোচনাই হয়নি যেখানে পতাকা পরিবর্তনের প্রশ্ন উঠেছে। এ ধরনের দাবি একেবারেই অসার ও গুজব নির্ভর।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, অতীতেও এমন প্রচার চালানো হয়েছে। প্রেস উইং জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের গণ-আন্দোলনের প্রেক্ষিতে কিছু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট যেমন @AsianDigest মিথ্যাভাবে দাবি করেছিল যে ছাত্রনেতারা নতুন জাতীয় পতাকার প্রস্তাব দিয়েছে। ওই পোস্টটি ৯০ হাজারের বেশি ভিউ পায়, তবে তা পরে যাচাই করে ভুল প্রমাণিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে প্রেস উইং দেশবাসী এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন এ ধরনের তথ্য শেয়ার করার আগে অবশ্যই তার সত্যতা যাচাই করেন। প্রেস উইং তাদের বিবৃতিতে আরও যোগ করে, &amp;ldquo;আমরা চাই না যে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ভিত্তিহীনভাবে জাতিকে বিভক্ত করুক। জাতীয় প্রতীক নিয়ে কল্পিত প্রচার-প্রচারণা অনভিপ্রেত এবং এর নিন্দা জানাই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারা বলেন, &amp;ldquo;বাংলাদেশে জাতীয় পতাকা পরিবর্তনের পক্ষে কোনো দাবি, আন্দোলন বা পরিকল্পনা রাষ্ট্রীয়ভাবে গৃহীত হয়নি। এসব কল্পিত প্রতিবেদন কেবল বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং সমাজে বিভেদ বাড়ায়। আমরা চাই তথ্য হোক সত্য, এবং জাতীয় ঐক্য অটুট থাকুক।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, &amp;ldquo;চলুন আমরা সত্য তথ্যকে প্রাধান্য দিই এবং ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকি। জাতীয় পতাকা দেশের সার্বভৌমত্ব, ত্যাগ এবং পরিচয়ের প্রতীক &amp;mdash; এর সঙ্গে খেলাচ্ছলে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারে অংশগ্রহণ জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া তথ্য তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এধরনের ঘটনা সরকার, মিডিয়া এবং নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় পতাকা কোনো একক সরকারের সম্পত্তি নয়, এটি একটি জাতির অস্তিত্ব ও গৌরবের প্রতীক। সুতরাং, এ নিয়ে কোনো ধরনের গুজব বা অসত্য প্রচার সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার করে বিভ্রান্তি তৈরি করার প্রয়াস সংবেদনশীলতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যম, ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান, এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দায়িত্বশীল তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো কিছু শেয়ার বা প্রচার করা যেমন ক্ষতিকর, তেমনি রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিকেও হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবশেষে প্রেস উইং আবারও স্পষ্ট করে জানায় যে, বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পতাকা পরিবর্তনের কোনো ধরনের চিন্তা, পরিকল্পনা বা আলোচনায় নেই। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের যথাযথ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তথ্য যাচাই করে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র: &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;বাসস&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পৃথিবীর স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে ভয়ংকর সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/258</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 12:23:36 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/258</guid>
		<description> এই ঘটনার জেরে লাখ লাখ সামুদ্রিক পাখি অনাহারে মারা যায়। হাজার হাজার হাম্পব্যাক তিমি হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায় বা দুর্বল হয়ে পড়তে দেখা যায়। অ্যালাস্কার গ্লেসিয়ার বে’র কাছে ২০১৬ সালে এক মৃত হাম্পব্যাক তিমি পাওয়া যায়, যার শরীরে অপুষ্টি ও বিষাক্ত অ্যালগাল টক্সিনের উপস্থিতি ধরা পড়ে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বিশ্বের সামুদ্রিক পরিবেশে এক গভীর পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ বা মেরিন হিট ওয়েভ। কয়েক দশক আগেও এমন ঘটনা ছিল তুলনামূলকভাবে বিরল। কিন্তু এখন এসব তাপপ্রবাহ এতটাই ঘন ঘন এবং ব্যাপকভাবে ঘটছে যে বিজ্ঞানীরা এগুলোর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই &amp;ldquo;সুপার মেরিন হিট ওয়েভ&amp;rdquo; নামে নতুন একটি পরিভাষা প্রয়োগ করছেন। বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং মানবসৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের কারণে পৃথিবীর জলবায়ু যেমন পাল্টে যাচ্ছে, তেমনি সমুদ্রের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রাও বাড়ছে অস্বাভাবিকভাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উষ্ণতার ঢেউ শুধু সামুদ্রিক পরিবেশেই নয়, প্রভাব ফেলছে আবহাওয়ার চক্র, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এবং অর্থনীতির উপরও। মৎস্য, সামুদ্রিক জীবন এবং উপকূলীয় সমাজের অস্তিত্বই এখন চ্যালেঞ্জের মুখে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এক রিপোর্টে দেখা যায়, বিশ্বের সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৪০ শতাংশ অঞ্চল একযোগে তাপপ্রবাহের কবলে পড়ে। যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের উপকূলবর্তী সাগরে রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির নজির পাওয়া গেছে; ঘটনাটি ঘটে বছরের একেবারে শুরুতে, যা পূর্ববর্তী সময়ে ছিল নজিরবিহীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://www.nytimes.com/2025/06/09/climate/see-how-marine-heat-waves-are-spreading-across-the-globe.html?smid=url-share&quot;&gt;https://www.nytimes.com/2025/06/09/climate/see-how-marine-heat-waves-are-spreading-across-the-globe.html?smid=url-share&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://www.nytimes.com/2025/06/09/climate/see-how-marine-heat-waves-are-spreading-across-the-globe.html?smid=url-share&quot; /&gt;&lt;a href=&quot;https://www.nytimes.com/2025/06/09/climate/see-how-marine-heat-waves-are-spreading-across-the-globe.html?smid=url-share&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://www.nytimes.com/2025/06/09/climate/see-how-marine-heat-waves-are-spreading-across-the-globe.html?smid=url-share&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডল বিষয়ক প্রশাসনের (NOAA) ওশেনোগ্রাফার বয়িন হুয়াং জানান, &amp;ldquo;এই তাপপ্রবাহ যেসব সামুদ্রিক অঞ্চলে দেখা দিয়েছে, সেসব অঞ্চলে অতীতে কখনো এমন উচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়নি।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার দুই উপকূলজুড়ে সম্প্রতি একাধিক তাপপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিখ্যাত প্রবালপ্রাচীর অঞ্চল। প্রবাল যখন অতিরিক্ত গরম পানিতে পড়ে, তখন তারা রঙ হারিয়ে সাদা হয়ে যায়, একে বলে ব্লিচিং। এবং এর ফলে ধীরে ধীরে প্রবাল মৃত হয়ে যায়। জানুয়ারি ২০২৩ থেকে মার্চ ২০২৫ সময়কালে বিশ্বের প্রায় ৮৪ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর ব্লিচিং পর্যায়ের উষ্ণতার শিকার হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমুদ্র উষ্ণ হওয়ার আরেকটি প্রধান প্রভাব হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। বিজ্ঞানীরা এতদিন ধরে বিশ্বাস করতেন, গলতে থাকা হিমবাহ এবং বরফচাদরের কারণে সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে। তবে ২০২৪ সালে দেখা গেছে, অধিকাংশ উচ্চতা বৃদ্ধির কারণ ছিল &amp;lsquo;থার্মাল এক্সপ্যানশন&amp;rsquo; বা তাপের কারণে পানির আয়তন বেড়ে যাওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর প্রভাব কেবল সামুদ্রিক জীবনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, প্রভাব পড়ছে মানবিক দুর্যোগেও। সমুদ্রের বাড়তি তাপ ঘূর্ণিঝড়ের গতি বাড়িয়ে দিচ্ছে, তাদের আরও ধ্বংসাত্মক করে তুলছে। দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে ২০২৪ সালে তাপপ্রবাহের কারণে ফিলিপাইনের উপরে পরপর বেশ কয়েকটি ট্রপিক্যাল সাইক্লোন আঘাত হানে, যা ছিল রেকর্ড সংখ্যক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী মার্তা মার্কোস বলেন, &amp;ldquo;যদি আমরা বুঝতে পারি যে জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে এসব চরম ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাহলে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারব।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তার নেতৃত্বে করা এক গবেষণায় দেখা যায়, গত কয়েক দশকের সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবেই দায়ী জলবায়ু পরিবর্তন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতসব ঘটনার মাঝে সবচেয়ে নজরকাড়া উদাহরণগুলোর একটি হচ্ছে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের &amp;ldquo;দ্য ব্লব&amp;rdquo; নামের তাপপ্রবাহ, যা ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এটি সমুদ্রের পৃষ্ঠের স্বাভাবিক প্রবাহকে রুদ্ধ করে দিয়ে খাদ্যচক্রের গোড়া থেকেই বিচ্যুতি ঘটায়&amp;mdash;ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন কমে যায়, তার সাথে সাথে কমে যায় মাছ, সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী ও পাখিদের খাবার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর প্রভাবে লাখ লাখ সামুদ্রিক পাখি অনাহারে মারা যায়। হাজার হাজার হাম্পব্যাক তিমি হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায় বা দুর্বল হয়ে পড়তে দেখা যায়। অ্যালাস্কার গ্লেসিয়ার বে&amp;rsquo;র কাছে ২০১৬ সালে এক মৃত হাম্পব্যাক তিমি পাওয়া যায়, যার শরীরে অপুষ্টি ও বিষাক্ত অ্যালগাল টক্সিনের উপস্থিতি ধরা পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হ্যাপিওয়েইল নামে একটি সংগঠন বিশাল ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে তিমির জনসংখ্যার উপর গবেষণা চালায় এবং ২০১২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে হাম্পব্যাক তিমির সংখ্যা ২০ শতাংশ কমে যাওয়ার তথ্য প্রকাশ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সংকট শুধু বড় প্রজাতির উপরেই নয়, আঘাত হানে ক্ষুদ্র প্রাণীতেও। ২০১২ সালে গালফ অফ মেইনে এক তাপপ্রবাহের কারণে নর্থার্ন শ্রিম্প প্রজাতির সংখ্যা ২৭ বিলিয়ন থেকে ২.৮ বিলিয়নে নেমে আসে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা আরও কমে প্রায় ২০০ মিলিয়নে এসে দাঁড়ায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উত্তর মেরিন গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বিজ্ঞানী ক্যাথি মিলস বলেন, &amp;ldquo;মৎস্যজীবীদের জন্য কাজ করাই সবসময় কঠিন, কিন্তু এখন জলবায়ু পরিবর্তন এটিকে আরেক মাত্রায় নিয়ে গেছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমন সংকট অনেক সময় গবেষণার সীমাবদ্ধতায় অজানাই থেকে যায়। গবেষণাগুলো বেশিরভাগই হয় অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কানাডা, স্পেন ও যুক্তরাজ্যে। কিন্তু আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া কিংবা দক্ষিণ আমেরিকার অনেক সামুদ্রিক অঞ্চলেই তেমন নজরদারি নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউনাইটেড কিংডমের মেরিন বায়োলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের ইকোলজিস্ট ড্যান স্মেইল বলেন, &amp;ldquo;অনেক অঞ্চলের তথ্যই আমাদের হাতে নেই, ফলে কী ঘটছে তা আমরা জানতেও পারি না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের শেষ দিকে, তাসমানিয়া উপকূলে বসবাসকারী একটি বিরল প্রজাতি &amp;mdash; রেড হ্যান্ডফিশ &amp;mdash; নিয়ে এক সংকটময় পরিস্থিতি দেখা দেয়। অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর আগাম পূর্বাভাসে জানানো হয়, তাপমাত্রা প্রাণঘাতী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তখন তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক ঝুঁকি কমাতে ২৫টি রেড হ্যান্ডফিশকে অ্যাকুয়ারিয়ামে স্থানান্তর করেন। প্রায় তিন মাস পর, ১৮টি মাছ নিরাপদে সমুদ্রে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, আর তিনটি মারা যায়, চারটি রাখা হয় প্রজনন গবেষণার জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমন ঘটনা প্রমাণ করে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পথ খুঁজতে গেলে শুধু প্রতিক্রিয়াশীল নয়, পূর্বপ্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের বায়োলজিকাল ওশেনোগ্রাফার অ্যালিস্টার হবডে বলেন, &amp;ldquo;চতুর মানুষদের যদি আপনি ভবিষ্যৎ দেখাতে পারেন, তাহলে তারা অনেক কিছুর পরিবর্তন করতে পারে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
বিজ্ঞানীরা জানেন, এসব সাময়িক সমাধান দীর্ঘমেয়াদে যথেষ্ট নয়। সামুদ্রিক উষ্ণতা এখনো কমানোর কার্যকর পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী গ্রহণ করা হয়নি। একদিকে বৈশ্বিকভাবে হ্রাস পায়নি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণ বেড়েই চলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিগত কয়েক দশকে মহাসাগরের বিশাল পরিমাণ তাপ শোষণের কারণে পৃথিবীর জলবায়ু ব্যবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। এখন সময় এসেছে গভীর ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই সংকট মোকাবিলায় বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার। কারণ এই সংকট আর কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি মানবিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও এক জটিল বাস্তবতা হয়ে উঠছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সূত্র:&lt;/strong&gt; দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/257</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 11:15:11 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/257</guid>
		<description> মামলার বিষয়ে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে চায় বলে জানিয়েছে। দলের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, &quot;নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যখন ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস নষ্ট হয়। আমরা সে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতেই আইনানুগ পথে যাচ্ছি।&quot; </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি অভিযোগ করছে, এই তিনটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সংবিধান ও নির্বাচন আইনের পরিপন্থীভাবে কাজ করেছেন এবং ভোটাধিকার হরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রেখেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে আগামীকাল রোববার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় মামলার আবেদন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় তাঁর সঙ্গে আরও তিনজন বিএনপি নেতা উপস্থিত থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছেন দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। একই দিনে সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মামলা সংক্রান্ত নথিপত্রের একটি অনুলিপি জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দশম (২০১৪), একাদশ (২০১৮) এবং দ্বাদশ (২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিটিতেই নির্বাচন কমিশন সরকারের প্রভাবাধীন হয়ে কাজ করেছে এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে নির্বাচনগুলোর ফলাফল জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটায়নি, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের নিরপেক্ষতা ও গণতান্ত্রিক ভিত্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে গত ১৬ জুন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে নির্বাচন বিষয়ক এই অভিযোগ নতুন মাত্রা পায়। ঐ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন কমিশনের অতীত ভূমিকা তদন্তে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তিনটি বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কেবল অগ্রহণযোগ্য নয়, বরং গণতন্ত্রের ভিত্তিমূলেই আঘাত হেনেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার মাধ্যমে তারা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় যাতে ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে এবং দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল প্রায় সব কটি বিরোধী দলের বর্জনের মধ্যে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক অভিযোগ ওঠে ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল ও বিরোধী দলের প্রার্থীদের প্রতিহত করার। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনও ব্যাপকভাবে বিতর্কিত হয়েছে, যেখানে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। দলটি নির্বাচনের দিন থেকে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মামলার বিষয়ে বিএনপি কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে চায় বলে জানিয়েছে। দলের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, &amp;quot;নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যখন ক্ষমতাসীন দলের স্বার্থে কাজ করে, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস নষ্ট হয়। আমরা সে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতেই আইনানুগ পথে যাচ্ছি।&amp;quot;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা বা কমিশনারদের কেউ এখনো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সাবেক সদস্যরা আইনি পরামর্শ নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনে তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: বাসস&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানের উত্তরসূরি ঠিক করলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/256</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jun 2025 10:23:21 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/256</guid>
		<description> খামেনি গোপনে একটি বিকল্প নেতৃত্ব তালিকা প্রস্তুত করেছেন যাতে যুদ্ধকালীন বা সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার পরিস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে শূন্যতা না দেখা দেয়। খামেনির ঘনিষ্ঠ তিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে নিশ্চিত করেছেন, তিনি ইতিমধ্যে মজলিশে খোবরেগান-ই-রাহবারি অর্থাৎ নেতৃত্ব নির্ধারণকারী পরিষদকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন কোনো দুর্যোগজনিত শূন্যতায় তাঁর দেওয়া নামের মধ্য থেকেই নতুন সর্বোচ্চ নেতা বেছে নেওয়া হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-family:verdana,geneva,sans-serif&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইরান-ইসরায়েল চলমান সামরিক সংঘাতের মধ্যে নিরাপত্তাজনিত কারণে নিজ বাসভবন ত্যাগ করে বাংকারে আশ্রয় নিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ইসরায়েলের সম্ভাব্য টার্গেট হয়ে ওঠায় তিনি সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে বিরত রয়েছেন। দেশ পরিচালনার বিষয়ে এখন কেবল বিশ্বস্ত দূতের মাধ্যমেই সেনা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিউইয়র্ক টাইমস&amp;ndash;এর এক অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, খামেনি গোপনে একটি বিকল্প নেতৃত্ব তালিকা প্রস্তুত করেছেন যাতে যুদ্ধকালীন বা সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার পরিস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে শূন্যতা না দেখা দেয়। খামেনির ঘনিষ্ঠ তিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে নিশ্চিত করেছেন, তিনি ইতিমধ্যে মজলিশে খোবরেগান-ই-রাহবারি অর্থাৎ নেতৃত্ব নির্ধারণকারী পরিষদকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন কোনো দুর্যোগজনিত শূন্যতায় তাঁর দেওয়া নামের মধ্য থেকেই নতুন সর্বোচ্চ নেতা বেছে নেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ খামেনি বর্তমানে বাইত রাহবারি নামের বিশেষ সুরক্ষিত দপ্তর ও বাসভবনে সাধারণত অবস্থান করে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে তিনি সেখানে আর থাকছেন না এবং অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। তাঁর ওপর ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠায় ইরান ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে খামেনি এখন কোনো মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা রেডিও ব্যবহার করছেন না। সংবেদনশীল নির্দেশনা এবং বার্তা বিনিময় হচ্ছে কেবলমাত্র একান্ত বিশ্বস্ত বার্তাবাহকের মাধ্যমে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খবরে বলা হয়, ১৩ জুন ভোররাতে ইসরায়েল কর্তৃক চালানো হামলাকে ইরান ১৯৮০&amp;ndash;৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করছে। ওই হামলায় রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে নজিরবিহীন। তবে ইরান ধীরে ধীরে পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমন সংকটকালে ইরানে শীর্ষ নেতৃত্বে দৃশ্যমান কোনো মতবিরোধ না থাকলেও একাধিক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার নিহত হওয়ায় অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি ড্রোন ও গোপনচরবৃত্তির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, সামরিক স্থাপনা ও তেল শোধনাগারগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডারদের মোবাইল ফোনসহ বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরান সরকার মনে করছে, এই যুদ্ধ দুইটি ফ্রন্টে সংঘটিত হচ্ছে&amp;mdash;একটি বাহ্যিকভাবে ইসরায়েলের বিমান ও ড্রোন হামলা, আর অন্যটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকি, যেখানে ইসরায়েলি গুপ্তচরদের সহায়তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় নাশকতা ঘটানো হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কথা স্বীকার করে পার্লামেন্টের স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মাদি বলেছেন, &amp;lsquo;এক ঘণ্টার মধ্যে আমাদের শীর্ষ কমান্ডাররা নিহত হয়েছেন, যা গোয়েন্দা ত্রুটিরই প্রমাণ।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তার এই ঝুঁকি বিবেচনায় দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক ঘোষণা দিয়ে বলেছে, যেসব ব্যক্তি শত্রু রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করছেন, তারা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ করেন, অন্যথায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল বিভিন্ন সময় তেহরানের জনবহুল এলাকাগুলো খালি করতে নির্দেশ দিয়েছে। এতে বহু বাসিন্দা শহর ছেড়েছেন। শহরের সড়কগুলো এখন প্রায় ফাঁকা। রাজধানীজুড়ে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারি চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও তথ্যপ্রবাহ সীমিত করতে ইরানে মাঝেমধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখা হচ্ছে। বিদেশি কলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকার বলছে, ইন্টারনেট এখন শত্রুদের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সংকটে ইরানে জাতীয় সংহতি লক্ষ্য করা গেছে। সরকারবিরোধী অধিকারকর্মী ও সমাজের নানা শ্রেণির মানুষ ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ফুটবল খেলোয়াড়, শিল্পী, চিকিৎসক সবাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানাচ্ছেন। রাজধানী তেহরান থেকে সরে যাওয়া লোকদের আশ্রয় দিতে হোটেল ও গেস্টহাউস বিনামূল্যে খোলা রাখা হয়েছে। সামাজিক সহায়তা কার্যক্রমও ত্বরান্বিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সবশেষে, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, &amp;ldquo;যুদ্ধ আর সহিংসতা দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না।&amp;rdquo; তবু এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি হামলার বিরোধিতা করে তিনি সরকারপন্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলছে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/255</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 17:17:06 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/255</guid>
		<description> ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর খ্যাতিমান বিশ্লেষক গিডিওন লেভি বলেছেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করেন, তবে যুদ্ধের গতিপথ আমূল বদলে যেতে পারে। তার এই সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ও তার কট্টরপন্থী জোটের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ, কারণ তারা ট্রাম্পের দ্রুত হস্তক্ষেপ আশা করেছিলেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর খ্যাতিমান বিশ্লেষক গিডিওন লেভি বলেছেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করেন, তবে যুদ্ধের গতিপথ আমূল বদলে যেতে পারে। তার এই সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ও তার কট্টরপন্থী জোটের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ, কারণ তারা ট্রাম্পের দ্রুত হস্তক্ষেপ আশা করেছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে লেভি জানান, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে &amp;#39;দুই সপ্তাহ&amp;#39; সময় মানে একরকম অনন্তকাল। তিনি মনে করেন, যদি ট্রাম্প সত্যিই অপেক্ষার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন এবং এটি নিছকই কৌশলগত বিলম্ব না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি অংশগ্রহণের সম্ভাবনা প্রতিদিন কমে আসছে। এই দোদুল্যমানতা ইসরায়েলের রাজনৈতিক নেতৃত্বের, বিশেষ করে নেতানিয়াহুর কৌশলগত প্রত্যাশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গিডিওন লেভি আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েল যদি ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে কিছু ধ্বংস করতে পারে বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে বড় ক্ষতি ঘটাতে সক্ষমও হয়, তবু এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। তার মতে, ইরান দ্রুতই তার সামরিক সক্ষমতা পুনরায় গড়ে তুলতে পারে। কারণ, ইতিহাসে ইরানের মতো রাষ্ট্রের প্রতিরোধ ও পুনর্গঠনের ক্ষমতা বারবার প্রমাণিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লেভি জোর দিয়ে বলেন, &amp;quot;এখানে কিছুই চূড়ান্ত সমাধান নয়।&amp;quot; তিনি গাজা উপত্যকার মতো দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা সংকটগুলোকে ইসরায়েলের অমীমাংসিত সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হবে, ইসরায়েলের সামরিক ও কূটনৈতিক ব্যয় ততই বাড়বে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ ইতোমধ্যেই অষ্টম দিনে প্রবেশ করেছে। এই সংঘাতে দুই দেশের সামরিক ও বেসামরিক উভয় পক্ষেই হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকা বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। ইসরায়েলের যুদ্ধনীতির ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশল ও সময় ব্যবস্থাপনার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গিডিওন লেভির বক্তব্য ইঙ্গিত দেয়, এই যুদ্ধ কেবল রণক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি জটিল ভূরাজনৈতিক দাবার ছক। প্রতিটি পক্ষই সময় ও সমর্থনের হিসাব করে পদক্ষেপ নিচ্ছে। ট্রাম্প যদি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রকে এই মুহূর্তে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে অনিচ্ছুক হন, তাহলে নেতানিয়াহুর জন্য এই যুদ্ধ কেবল সামরিক নয়, রাজনৈতিকভাবেও আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রামপুরায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে অর্থ ও মোবাইল ছিনতাই </title>
		<link>https://shomoybhela.com/254</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 16:38:12 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/254</guid>
		<description> রাজধানীর রামপুরায় ছিনতাইকারীর হামলার শিকার হয়েছেন আল মামুন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী। গতকাল শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় পশ্চিম রামপুরার বাগিচারটেক এলাকায় তাকে ছুরিকাঘাত করে নগদ ২৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;রাজধানীর রামপুরায় ছিনতাইকারীর হামলার শিকার হয়েছেন আল মামুন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী। গতকাল শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় পশ্চিম রামপুরার বাগিচারটেক এলাকায় তাকে ছুরিকাঘাত করে নগদ ২৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;আহত আল মামুনকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;আল মামুনের বড় ভাই আল আমিন জানান, আল মামুনের বাসা ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পশ্চিম রামপুরার বাগিচারটেক এলাকায়। ঘটনার সময় তিনি মাগরিবের নামাজ পড়ার জন্য বাসা থেকে বাগিচারটেক ৩ নম্বর গলির আনসার ক্যাম্প সংলগ্ন জামে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। মসজিদের কাছে পৌঁছালে কয়েকজন স্থানীয় মাদকসেবী তার পথরোধ করে। একপর্যায়ে তারা তাকে মারধর করে এবং মাথায় ছুরিকাঘাত করে সঙ্গে থাকা নগদ ২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;আল আমিন আরও জানান, স্থানীয়রা আল মামুনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকরা তার অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিষয়টি হাতিরঝিল থানাকে জানানো হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: ইরান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/253</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 14:39:21 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/253</guid>
		<description> সংঘর্ষের এই প্রেক্ষাপটে ইরান গত শুক্রবার ইসরায়েলের হাইফা শহরের দিকে অন্তত বিশটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে একজন নারীর মৃত্যু হয়েছে, ফলে ইসরায়েলে মৃত্যুর সংখ্যা ২৫-এ পৌঁছেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ না হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনায় ফিরবে না। জেনেভায় ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই কড়া বার্তা দেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সংঘাত দীর্ঘ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামিরও ঘোষণা করেছেন, ইসরায়েল &amp;#39;প্রলম্বিত অভিযানের&amp;#39; জন্য প্রস্তুত। জামিরের এই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর প্রতিক্রিয়া এল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, &amp;quot;ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আত্মরক্ষার অধিকার আমাদের সুরক্ষিত। আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না।&amp;quot; তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, &amp;quot;ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ না হলে আমরা কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরব না।&amp;quot;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আন্তর্জাতিক চাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বর্তমানে চলমান সংঘাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো&amp;mdash;যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি&amp;mdash;তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনায় অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন নোয়েল ব্যারট মন্তব্য করেছেন, &amp;quot;ইরান যেন হামলার বিরতির জন্য অপেক্ষা না করে আলোচনা শুরু করে। সামরিক উপায়ে এর সমাধান নাও হতে পারে।&amp;quot;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি ইরানকে আলোচনায় ফেরার জন্য ১৪ দিনের সময় দিয়েছেন, যদিও তিনি সময়সীমার আগেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো, &amp;quot;দেখা তাদের হুঁশ ফেরে কি না।&amp;quot;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;তবে আরাগচির ইউরোপ সফর নিয়ে কটাক্ষ করে ট্রাম্প বলেন, &amp;quot;ইরান ইউরোপের সঙ্গে নয়, আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়। ইউরোপ এই বিষয়ে কোনো সহায়তা করতে পারবে না।&amp;quot;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;চলমান সংঘাত ও হতাহতের চিত্র&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সংঘর্ষের এই প্রেক্ষাপটে ইরান গত শুক্রবার ইসরায়েলের হাইফা শহরের দিকে অন্তত বিশটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে একজন নারীর মৃত্যু হয়েছে, ফলে ইসরায়েলে মৃত্যুর সংখ্যা ২৫-এ পৌঁছেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ) পাল্টা হামলায় ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র মজুদাগার ও উৎক্ষেপণস্থলে আঘাত হানার কথা জানিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, তারা ইরানের সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংস করেছে এবং হামলায় বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে এ পর্যন্ত ২২২ জন নিহত হয়েছে। তবে একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, এই সংখ্যা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৬৩৯-এ পৌঁছেছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;অচলাবস্থা ও ভবিষ্যৎ শঙ্কা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;পরিস্থিতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং দুই দেশই ক্রমশ সরাসরি সামরিক সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে, কিন্তু ইসরায়েল ও ইরানের একে অপরের প্রতি দোষারোপ এবং পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই অচলাবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গভীর শঙ্কা তৈরি করেছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সূত্র: বিবিসি বাংলা&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পল্লবীতে ময়লার স্তূপ থেকে বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/252</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 13:07:44 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/252</guid>
		<description> রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার দিবাগত রাতে পল্লবীর ১৪ তলা বস্তির পেছনে কালশী স্টিল ব্রিজের নিচে একটি ময়লার স্তূপ থেকে এসব অস্ত্র ও গুলি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার দিবাগত রাতে পল্লবীর ১৪ তলা বস্তির পেছনে কালশী স্টিল ব্রিজের নিচে একটি ময়লার স্তূপ থেকে এসব অস্ত্র ও গুলি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি ওয়ারী বিভাগ এই অভিযান চালায়। রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে ডিবি সদস্যরা ময়লার স্তূপের ভেতর থেকে দুটি বিদেশি শটগান, একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ৫০ রাউন্ড তাজা পিস্তলের গুলি এবং ৩১০টি সিসা শটগানের গুলি উদ্ধার করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডিবির কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, অস্ত্র ও গুলিগুলো দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। তবে কে বা কারা এসব অস্ত্র ফেলে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা বিভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্বের সর্বোচ্চ গতির ইন্টারনেট স্যাটেলাইট এখন চীনের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/251</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 17:28:11 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/251</guid>
		<description> চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গবেষণা সংস্থা এবং সামরিক মহাকাশ প্রকল্পের সহায়তায় পরিচালিত এই গবেষণা শুধু চীনের ইন্টারনেট সক্ষমতাই নয়, বরং বৈশ্বিক স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড দুনিয়ায় এক নতুন বিপ্লবের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি উন্নয়নশীল ও দুর্গম এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, তা দূর করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। একইসঙ্গে, জলবায়ু পর্যবেক্ষণ, মহাকাশ গবেষণা, রিমোট সেন্সিং এবং সামরিক গোয়েন্দা কার্যক্রমেও এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্ব&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দৌড়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যেন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;লাফে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অনেকটা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এগিয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গেল।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইলন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মাস্কের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বহুল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আলোচিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টারলিংক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তিকে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পেছনে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ফেলে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আরও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উন্নত&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আরও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দ্রুতগতির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্যাটেলাইট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেবা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চালু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করেছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দেশটি।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিজ্ঞানীরা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দাবি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করছেন&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গতি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টারলিংকের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তুলনায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পাঁচ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গুণ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বেশি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্বের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যেকোনো&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্থানেই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিরবচ্ছিন্ন&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নির্ভরযোগ্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উচ্চগতির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কানেক্টিভিটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিশ্চিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পারবে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গণমাধ্যম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্লেষকদের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তথ্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অনুযায়ী&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ব্যবস্থা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পরিচালিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হচ্ছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পৃথিবীর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পৃষ্ঠ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;থেকে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;৩৬&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হাজার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কিলোমিটার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উচ্চতায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অবস্থিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জিওস্টেশনারি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কক্ষপথের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্যাটেলাইট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;থেকে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যেখানে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টারলিংকের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্যাটেলাইটগুলো&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সাধারণত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অবস্থান&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মাত্র&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;৫৫০&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কিলোমিটার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উচ্চতায়।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উচ্চতার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পার্থক্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুধু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ভৌগোলিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নয়&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তিগত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সক্ষমতার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;থেকেও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিপুল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পার্থক্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তৈরি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করেছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গবেষকরা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জানিয়েছেন&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উচ্চতায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সিগন্যাল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পাঠানো&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গ্রহণ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করাটা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বড়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চ্যালেঞ্জ।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সাধারণত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;লেজার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সিগন্যাল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যখন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পৃথিবীর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বায়ুমণ্ডল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অতিক্রম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তখন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিকৃত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পড়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংযোগে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জটিলতা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দেখা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দেয়।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কিন্তু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উদ্ভাবিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সীমাবদ্ধতা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কাটিয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উঠেছে।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রয়েছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;৩৫৭টি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মাইক্রো&lt;/span&gt;-&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মিররের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সমন্বয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তৈরি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অনন্যতর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ব্যবস্থা&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিকৃত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সিগন্যালকে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পুনর্গঠন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দ্রুত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নির্ভুলভাবে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ডেটা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রেরণ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এছাড়াও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ব্যবহৃত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হয়েছে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মাল্টি&lt;/span&gt;-&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্লেন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;লাইট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কনভার্টার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অত্যাধুনিক&lt;/span&gt; &amp;lsquo;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রিয়েল&lt;/span&gt;-&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;টাইম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পাথ&lt;/span&gt;-&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পিকিং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অ্যালগরিদম&lt;/span&gt;&amp;rsquo;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সিগন্যাল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ট্রান্সমিশনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সময়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রতিটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তথ্যের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জন্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সর্বোচ্চ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কার্যকর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পথ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নির্ধারণ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করে।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ফলে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ডেটা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ট্রান্সফারে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ল্যাগ&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সিগন্যাল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;লস&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিঘ্নিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংযোগের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সম্ভাবনা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শূন্যে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নেমে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এসেছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রাষ্ট্রায়ত্ত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গবেষণা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংস্থা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সামরিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মহাকাশ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রকল্পের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সহায়তায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পরিচালিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গবেষণা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুধু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সক্ষমতাই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নয়&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বরং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বৈশ্বিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্যাটেলাইট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ব্রডব্যান্ড&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দুনিয়ায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিপ্লবের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইঙ্গিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দিচ্ছে।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশেষজ্ঞদের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মতে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উন্নয়নশীল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দুর্গম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এলাকায়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সংযোগের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সমস্যাগুলো&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রয়েছে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দূর&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ব্যাপক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ভূমিকা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রাখতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পারে।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একইসঙ্গে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জলবায়ু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পর্যবেক্ষণ&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মহাকাশ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গবেষণা&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রিমোট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেন্সিং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এবং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সামরিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গোয়েন্দা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কার্যক্রমেও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গুরুত্বপূর্ণ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অবদান&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;রাখতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পারে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্লেষকরা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বলছেন&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টারলিংক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যেখানে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একাধিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিম্ন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কক্ষপথের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্যাটেলাইট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দিয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কাভারেজ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দেয়&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সেখানে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মাত্র&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উচ্চ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কক্ষপথ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্যাটেলাইট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;থেকেই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অনেক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বেশি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিস্তৃত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্থিতিশীল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পরিষেবা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দিতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সক্ষম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হচ্ছে।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টারলিংকের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মতো&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মেগা&lt;/span&gt;-&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কনস্টেলেশন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নির্ভরতার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বাইরে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গিয়ে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ধরনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বাস্তবায়নের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নজির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গড়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্বের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বর্তমান&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ভূরাজনৈতিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রেক্ষাপটে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চীনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তিগত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অগ্রগতি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুধুমাত্র&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রতিযোগিতা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নয়&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বরং&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তথ্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নিরাপত্তা&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মহাকাশ&lt;/span&gt;-&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রভাব&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিস্তার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বাণিজ্যিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আধিপত্য&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অর্জনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দিক&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;থেকেও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;একটি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কৌশলগত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিজয়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বলেই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অভিহিত&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করছেন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্লেষকরা।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;এই&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অর্জন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইলন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;মাস্কের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;স্টারলিংকের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ভবিষ্যৎ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;অবস্থান&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বাজার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;দখল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ক্ষমতার&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ওপরও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বড়&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ধরনের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রভাব&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ফেলতে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পারে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বলে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আশঙ্কা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করছেন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;পশ্চিমা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;টেলিকম&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;উদ্যোক্তারা।&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বিশ্বব্যাপী&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ব্রডব্যান্ড&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ইন্টারনেট&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;সরবরাহে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যে&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রতিযোগিতা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;শুরু&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;হলো&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তা&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;প্রযুক্তির&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গতিপথ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;যেমন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;বদলাবে&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তেমনি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গ্লোবাল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;কমিউনিকেশন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নেটওয়ার্কের&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ভূরাজনীতিতেও&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;নতুন&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চাপ&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তৈরি&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;করবে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;তথ্যসূত্র&lt;/span&gt;:&lt;/strong&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;চায়না&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;ডেইলি&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;গ্লোবাল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;টাইমস&lt;/span&gt;, &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;আল&lt;/span&gt; &lt;span style=&quot;font-family:nirmala ui,sans-serif&quot;&gt;জাজিরা&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক কৌশল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/250</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 16:23:42 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/250</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানে আক্রমণের পরিকল্পনা করেনি, তবে ড্রোন ও রকেট প্রতিরক্ষায় তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য মিসাইল প্রতিরক্ষা একটি বড় সংকট। ইসরায়েলের অ্যারো (Arrow) সিস্টেমের কার্যকারিতা উদ্বেগজনক মাত্রায় কমে এসেছে এবং পেন্টাগন পূর্বাঞ্চলে বিরোধ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানে হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ৫৮৫ এবং আহত ১,৩২৬ জন। এর মধ্যে ২৩৯ জন বেসামরিক নাগরিক ও ১২৬ জন নিরাপত্তা সদস্য রয়েছেন। এটি একটি সুপরিকল্পিত সামরিক হামলা ছিল, যেখানে ইরানের উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডের অন্তত দুই ডজন শীর্ষ কর্মকর্তাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সোমবারের তথ্য অনুসারে, তখন পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা ছিল ২২২ জন ও আহত ১,২৭৭ জন। এতে স্পষ্ট যে, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু ও মানবিক বিপর্যয়&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
হামলাগুলো কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, ইরানের পারমাণবিক কাঠামোর কেন্দ্রগুলোকেও লক্ষ্য করেছে। ফোর্ডো ইউরেনিয়াম উৎপাদন কেন্দ্র এবং দেশের শীর্ষ গবেষণা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিধ্বস্ত হয়েছে।&lt;br /&gt;
তবে এই সংঘাত কেবল কৌশলগত গভীরতা নয়, এক মানবিক বিপর্যয়ও বটে। ইসরায়েলের হামলায় প্রায় ১৪০ জন ইরানি গৃহহীন হয়েছেন। সরকারি ভবন, হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নতুন রূপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাহরাইন ও কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি থেকে দুর্বল স্থাপনাগুলো সরাতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে ইউএসএস কার্ল ভিনসন যুক্তরাজ্যের লেকেনহিথ ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করেছে এবং ইউএসএস নিমিৎজ ও ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের মতো বেশ কয়েকটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আকাশেও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ (F-22), এফ-৩৫ (F-35) এবং এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমানসহ অন্তত ৩০টি রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে অবতরণ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পেন্টাগন জানিয়েছে, এই পদক্ষেপগুলো আপাতত &amp;#39;রক্ষণাত্মক&amp;#39; এবং এর মূল লক্ষ্য মার্কিন সৈন্য ও সরঞ্জাম সুরক্ষা। তবে একই সাথে এগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো বড় ধরনের সামরিক মিশনে জড়িত হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি এখনও চূড়ান্তভাবে &amp;#39;হ্যাঁ&amp;#39; বা &amp;#39;না&amp;#39; বলেননি, তবে ইরানকে &amp;#39;শর্তবিহীন আত্মসমর্পণ&amp;#39; করার দাবি করেছেন। এই বক্তব্যই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র কৌশলে বা সরাসরি এই সংঘাতে যুক্ত হতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি তার কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন। তিনি &amp;#39;অপূরণীয় ক্ষতির&amp;#39; হুমকি দিয়ে বলেছেন, কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মধ্যপন্থী সমাধান খোঁজার চেষ্টা চলছে। ইউরোপীয় কূটনীতি সক্রিয় রয়েছে এবং জেনেভায় আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। এক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা কেমন হবে, তা ভবিষ্যতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানে আক্রমণের পরিকল্পনা করেনি, তবে ড্রোন ও রকেট প্রতিরক্ষায় তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য মিসাইল প্রতিরক্ষা একটি বড় সংকট। ইসরায়েলের অ্যারো (Arrow) সিস্টেমের কার্যকারিতা উদ্বেগজনক মাত্রায় কমে এসেছে এবং পেন্টাগন পূর্বাঞ্চলে বিরোধ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, রাশিয়া, চীন ও ইউরোপের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। সবাই সংঘাত কমানোর প্রস্তাব করছে এবং যুদ্ধবিরতি চাইছে। তবে এলোমেলো আক্রমণ-প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ বড় উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই মুহূর্তে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত বৈশ্বিক নিরাপত্তা কাঠামোর এক কঠিন পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র কেবল প্রতিরক্ষামূলক আচরণে সীমাবদ্ধ না থেকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কৌশলগত সিদ্ধান্তও নিয়েছে। যদিও তারা এখনও পূর্ণাঙ্গ হস্তক্ষেপে যায়নি, তবে এই সংঘাতের মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সাধারণ মানুষের জীবন ও আধুনিক অবকাঠামোর সুরক্ষা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। কূটনীতির টানাপোড়েন কোনো সহজ পথ দেখাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্য এখন &amp;#39;তীব্র অনিশ্চয়তার হ্রদ&amp;#39;, যেখানে সামরিক শক্তি, কূটনৈতিক কৌশল ও আন্তর্জাতিক চাপ&amp;mdash;সবই একসাথে ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সূত্র: এএফপি&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেরিনারস গ্রুপের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/249</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 18 Jun 2025 18:59:36 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/249</guid>
		<description> এই বিশেষ আয়োজনটি মেরিনারস গ্রুপ এবং সময় ভেলার যৌথ উদ্যোগে করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় শুধুমাত্র মেরিনার পরিবারের সন্তানরাই অংশ নিতে পারবে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র যেসব শিশু-কিশোর-কিশোরী অথবা তরুণ-তরুণীরা একজন মেরিনারের সন্তান, তারাই অংশগ্রহণের যোগ্য। ভিডিওগুলোতে থাকবে বাবার সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, আবেগময় গল্প, শৈশবের স্মৃতি এবং বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার বার্তা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাবা শব্দটির মধ্যে যেমন রয়েছে নির্ভরতার ছায়া, তেমনি লুকিয়ে আছে শক্তি, সাহস ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক গভীর উৎস। বাবা দিবস উপলক্ষে এই অনুভবকে হৃদয়ের গভীর থেকে প্রকাশ করতে মেরিনার পরিবারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন&amp;mdash; &lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;ভিডিও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;প্রতিযোগিতা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;২০২৫&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;। আয়োজনে মেরিনারদের সন্তানরা ভাগ করে নেবে তাদের বাবার প্রতি মমতা, স্মৃতি আর শ্রদ্ধার কথা, ভিডিও বার্তার মাধ্যমে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বিশেষ আয়োজনটি মেরিনারস গ্রুপ এবং সময় ভেলার যৌথ উদ্যোগে করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় শুধুমাত্র মেরিনার পরিবারের সন্তানরাই অংশ নিতে পারবে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র যেসব শিশু-কিশোর-কিশোরী অথবা তরুণ-তরুণীরা একজন মেরিনারের সন্তান, তারাই অংশগ্রহণের যোগ্য। ভিডিওগুলোতে থাকবে বাবার সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, আবেগময় গল্প, শৈশবের স্মৃতি এবং বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার বার্তা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;প্রতিযোগিতার&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;নির্দেশনা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিডিও হতে হবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রেকর্ড করা, যেখানে অংশগ্রহণকারী নিজে কথা বলবে। ভিডিওর ভাষা হতে পারবে বাংলা অথবা ইংরেজি। অংশগ্রহণকারীরা চাইলে নির্ধারিত কিছু প্রশ্ন বা টেমপ্লেট অনুসরণ করতে পারবে, তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। ভিডিওর শেষ অংশে বাবাকে উদ্দেশ্য করে একটি শুভেচ্ছাবার্তা রাখতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আয়োজকরা &amp;lsquo;ভিডিওতে যে বিষয়গুলো থাকতে পারে&amp;rsquo; শীর্ষক একটি প্রশ্নপত্রও প্রকাশ করেছেন, যেখানে অংশগ্রহণকারী তার বাবার পেশা, সম্পর্ক, স্মৃতি ও অনুভূতির কথা বলতে পারবে। যেমন&amp;mdash; শেষবার বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার অনুভূতি, বাবা সবচেয়ে বেশি কী নিয়ে কথা বলেন, তোমার কি বাবার মতো মেরিনার হতে ইচ্ছে করে?, এক কথায় বাবা মানে কী?&amp;mdash; এমন নানান প্রশ্নের উত্তরেই উঠে আসবে হৃদয়ের কথা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ভিডিওতে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;যে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;বিষয়গুলো&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;থাকবে&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;-&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
● আমার নাম &amp;ldquo;......&amp;rdquo;। আমার বাবার নাম &amp;ldquo;......&amp;rdquo;। তিনি একজন মেরিনার।&lt;br /&gt;
● শেষবার বাবার সাথে যখন দেখা হয়েছিল, তখন তোমার অনুভূতি কেমন ছিল?&lt;br /&gt;
● বাবা যখন ফোন করেন, তখন সবচেয়ে বেশি কী নিয়ে কথা হয়?&lt;br /&gt;
● এখন বাবাকে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে?&lt;br /&gt;
● বাবার কথা মনে পড়লে কি মন খারাপ হয়?&lt;br /&gt;
● তোমার কি বাবার মতো মেরিনার হতে ইচ্ছে করে?&lt;br /&gt;
● তোমার বাবা একজন মেরিনার&amp;mdash;এটা কি তোমার জন্য গর্বের বিষয়? কখনো বন্ধুদের কাছে তাঁর গল্প বলেছো?&lt;br /&gt;
● বাবা তোমাকে কি বলে অনুপ্রেরণা দেন?&lt;br /&gt;
● বাবার সাথে কাটানো কোন স্মৃতি সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে?&lt;br /&gt;
● বাবার জন্য কি কোনো ছবি আঁকা হয়েছে/ কবিতা লিখেছো? যদি হ্যাঁ, তাহলে সে অভিজ্ঞতাটা কেমন ছিল?&lt;br /&gt;
● বাবার সাথে জাহাজে যাওয়ার সুযোগ পেলে তোমার অনুভূতি কেমন হবে?&lt;br /&gt;
● যদি এখন হঠাৎ করে বাবা দরজায় এসে দাঁড়ায়&amp;mdash;তখন তুমি কী করবে?&lt;br /&gt;
● তুমি বড় হয়ে বাবার জন্য কী করতে চাও বা কী করার স্বপ্ন দেখো?&lt;br /&gt;
● এক কথায় তোমার কাছে &amp;lsquo;বাবা&amp;rsquo; মানে কী?&lt;br /&gt;
● বাবার জন্য তোমার বিশেষ বার্তা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ডেমো ভিডিও লিংকঃ&amp;nbsp;&lt;a href=&quot;https://youtu.be/-qVocwcATsg?feature=shared&quot;&gt;https://youtu.be/-qVocwcATsg?feature=shared&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ভিডিও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;জমা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;দিতে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;হবে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;কোথায়&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সকল ভিডিও &lt;strong&gt;Google Form&lt;/strong&gt; এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;Google Form link:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://forms.gle/6V9M4x11ZbeJXWcm9&quot;&gt;https://forms.gle/6V9M4x11ZbeJXWcm9&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভিডিও জমার শেষ তারিখ &lt;strong&gt;৩০&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;জুন&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;২০২৫&lt;/strong&gt;। ফরমটি স্ক্যানযোগ্য QR কোড আকারেও পোস্টারে সংযুক্ত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;পুরস্কার&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;স্বীকৃতি&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে নির্বাচিতদের জন্য থাকছে Mariners গ্রুপের পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং বিশেষ স্বীকৃতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&amp;ldquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;বাবা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;মানেই&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ভালোবাসার&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ঠিকানা&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;, &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;দূর&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;থেকেও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;যিনি&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;হৃদয়ের&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সবচেয়ে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;কাছে&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;hellip;&amp;rdquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বাক্যটিই যেন প্রতিযোগিতার মূল সুর&amp;mdash; দূর সমুদ্রে দায়িত্বপালনে ব্যস্ত বাবাদের প্রতি সন্তানের যে অটুট ভালোবাসা, সেটিই ভিডিও বার্তাগুলোয় ছড়িয়ে দিতে চায় আয়োজকেরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি সাধারণ আয়োজন নয়; বরং এটি মেরিনার গ্রুপের একটি ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে মেরিনার পরিবারগুলোতে নতুন করে সম্পর্কের বাঁধন জোরদার হবে এবং সন্তানদের মনে বাবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনুভূতি আরো গভীর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমুদ্রের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা বাবাদের জন্য, সন্তানদের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এই আয়োজন&amp;mdash; &amp;ldquo;ভিডিও প্রতিযোগিতা ২০২৫&amp;rdquo;&amp;mdash; এক মহতী প্রয়াস, যা ভালোবাসা, স্মৃতি ও সম্পর্ককে বন্দি করবে ডিজিটাল বার্তায়, হৃদয়ের ভাষায়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা ছড়াল সমুদ্রে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/248</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 18 Jun 2025 15:57:32 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/248</guid>
		<description> সংযুক্ত আরব আমিরাতের খোর ফাক্কান উপকূল থেকে প্রায় ২২ নটিক্যাল মাইল দূরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ছবিতে সমুদ্র থেকে বিশাল অগ্নিশিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। যদিও ছবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবুও অনেক ব্যবহারকারী দাবি করেছেন যে, এসব আগুনে জর্জরিত জাহাজগুলো মূলত তেলবাহী ট্যাংকার এবং এগুলো ইরানের জলসীমার কাছেই অবস্থান করছিল। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;১৭ জুন মঙ্গলবার, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নৌরুট হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি ওমান উপসাগরে অন্তত তিনটি জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সূত্র। এসব জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও পরিষ্কার নয়, তবে ঘটনাটি ঘটেছে ইরান-ইসরায়েল সামরিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনাস্থল ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের খোর ফাক্কান উপকূল থেকে প্রায় ২২ নটিক্যাল মাইল দূরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ছবিতে সমুদ্র থেকে বিশাল অগ্নিশিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। যদিও ছবিগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবুও অনেক ব্যবহারকারী দাবি করেছেন যে, এসব আগুনে জর্জরিত জাহাজগুলো মূলত তেলবাহী ট্যাংকার এবং এগুলো ইরানের জলসীমার কাছেই অবস্থান করছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে (Ambrey) জানায়, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এবং এটি কোনো নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যু বা চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় বলে মনে করছে। যদিও ঠিক কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে তা নিয়ে সংস্থাটি কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাসা&amp;rsquo;র ফায়ার ইনফরমেশন ফর রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (FIRMS) স্যাটেলাইট ডেটা বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে তিনটি সক্রিয় অগ্নিকেন্দ্রের অস্তিত্ব শনাক্ত করা গেছে। আগের কোনো দিনে এই অঞ্চলগুলোতে এমন অগ্নিচিহ্ন দেখা যায়নি, যা এই দাবিকে শক্তিশালী করছে যে ঘটনাটি সদ্যই ঘটেছে এবং এটি একটি বড় ধরনের সামুদ্রিক ঘটনা হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;হরমুজ প্রণালীর কাছে তিন জাহাজে আগুনের গুজব &amp;ndash; দ্যা ইকোনোমিক টাইমস&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে দ্যা ইকোনোমিক টাইমস তাদের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত &amp;lsquo;Gulf of Oman incident sparks rumours: Are ships on fire near Strait of Hormuz amid Iran-Israel escalation?&amp;rsquo; শিরোনামের এক প্রতিবেদনে দাবি করে মঙ্গলবার (১৭ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ইরানের উপকূলীয় সীমান্ত ঘেঁষা ওমান উপসাগরের জলে তিনটি পৃথক স্থানে বড় আকারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি গুজব।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;a href=&quot;https://x.com/sentdefender/status/1934795792046272750&quot;&gt;&lt;img alt=&quot;&quot; src=&quot;https://x.com/sentdefender/status/1934795792046272750&quot; /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
ইকোনমিক টাইমস দাবি করেছে তাদের নিজস্ব অনুসন্ধানে ফার্মস মানচিত্রে ওই মুহূর্তে এমন কোনো তাপচিহ্ন খুঁজে পায়নি, তবুও ছবি ও স্থানীয় রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আলোচনার ঝড় চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোতে গভীর সমুদ্রে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। যদিও ছবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি, তবুও কিছু ব্যবহারকারী জোর দিয়েই বলেছেন&amp;mdash;ছবিগুলো ইরানের উপকূল সংলগ্ন অঞ্চলের এবং সেগুলোর মধ্যে কমপক্ষে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরান বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। খোর ফাক্কান কন্টেইনার টার্মিনাল কিংবা আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। এই নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ করে তুলছে এবং গুজব ছড়ানোর পেছনে অবলম্বন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ব রাজনীতিতে হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব অপরিসীম। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১৭.৮ থেকে ২০.৮ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি বহনকারী জাহাজ চলাচল করে। এটি বিশ্বজুড়ে তেলের মোট সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এই অঞ্চলে যে কোনো অস্থিরতা কিংবা সঙ্কট বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ঠিক সেই সময়, যখন মাত্র চার দিন আগে, ১৩ জুন, ইসরায়েল ইরানের উপর বিমান হামলা চালায়। হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা। ইসরায়েল এই হামলার পক্ষে যুক্তি দেয় যে, এটি মূলত ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে বাধা দেওয়ার একটি প্রয়াস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে এবং পশ্চিমা চাপের প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বহুবার। ইরান দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে যে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও পশ্চিমা হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেশটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের কৌশলগত অধিকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিতর্কিত মন্তব্য। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন&amp;mdash;ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি পারমাণবিক চুক্তির সুযোগ নষ্ট করেছে এবং জনগণকে &amp;lsquo;তাৎক্ষণিকভাবে তেহরান ছাড়তে&amp;rsquo; বলেন। তার এই বক্তব্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে জ্বালানির ওপর ঘি ঢেলে দেওয়ার মতোই হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত উৎস জানার আগেই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা মিলে যেতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ওপেন সোর্স গোয়েন্দা তথ্যসূত্র ব্যবহার করে এই ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়া খুব সাধারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি শুধু সামাজিক উদ্বেগই নয়, বরং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও জ্বালানির প্রবাহে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকদের মতে, যদি ওমান উপসাগরে তিনটি জাহাজে সত্যিই আগুন ধরে থাকে, তবে সেটা নিছক দুর্ঘটনা হলেও তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে দৈনিক প্রায় ১৮ থেকে ২১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবাহিত হয়। এই প্রণালীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির বাজারে তীব্র অস্থিরতা সৃষ্টি করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হলো&amp;mdash;ঘটনার প্রকৃত কারণ ও উৎস নির্ধারণ করা, বিশেষ করে যখন এটি ভূ-রাজনৈতিকভাবে অতি স্পর্শকাতর এক অঞ্চলে ঘটছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা (যদি সত্যি হয়) এবং তাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া গুজবকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটি নিছক দুর্ঘটনা, কৌশলগত হামলা, না কি বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা&amp;mdash;তা সময়ই বলবে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট&amp;mdash;ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দ্ব যত দীর্ঘ হবে, ততই হরমুজ প্রণালী ও ওমান উপসাগর ঘিরে এমন অনিশ্চয়তা বারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সূত্র: সিবিএস নিউজ, মেরিন ইনসাইট, ইটি অনলাইন&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইসরায়েলি হামলা বন্ধে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ চায় ইরান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/247</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 18:31:42 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/247</guid>
		<description> চারদিন ধরে চলমান তীব্র বিমানযুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করতে ওয়াশিংটনের একটি ফোনকলই যথেষ্ট। তিনি উল্লেখ করেন, “যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সত্যিই কূটনীতির পক্ষে থাকেন এবং এই যুদ্ধ থামাতে চান, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;চারদিন ধরে চলমান তীব্র বিমানযুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করতে ওয়াশিংটনের একটি ফোনকলই যথেষ্ট। তিনি উল্লেখ করেন, &amp;ldquo;যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সত্যিই কূটনীতির পক্ষে থাকেন এবং এই যুদ্ধ থামাতে চান, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।&amp;rdquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আহ্বান কাতার, সৌদি আরব ও ওমানের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। বিনিময়ে তেহরান পরমাণু আলোচনায় নমনীয়তা প্রদর্শনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার ইজরাইলি সেনাবাহিনীর বিমানঘাঁটিতে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, &amp;ldquo;আমরা জয়ের পথে। আমরা ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করতে এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নির্মূল করতে সফল হচ্ছি।&amp;rdquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল শুক্রবার ইরানে বিমান হামলা শুরু করার পর থেকে দু&amp;rsquo;দেশের মধ্যে রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। এই হামলায় ইরানের সামরিক নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং পরমাণু কর্মসূচির মূল বিজ্ঞানীরা নিহত হন বলে ইসরায়েল দাবি করেছে। তারা আরও বলছে, ইরানের আকাশসীমা তাদের নিয়ন্ত্রণে এবং সামনে হামলা আরও জোরদার হবে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রেক্ষাপটে ইরান যে পাল্টা হামলা চালিয়েছে, তা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী ও সংঘাতপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, এই হামলায় ইসরায়েলের ৩৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে এবং বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানে ইতোমধ্যে ২২৪ জনের বেশি নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী, শিশু ও বয়স্ক বেসামরিক মানুষ বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রচার করেছে। সংবাদমাধ্যমে তেহরানের ধ্বংসপ্রাপ্ত রাস্তাঘাট, প্রেসিডেন্সিয়াল ভবন, পোড়া গাড়ি এবং আতঙ্কিত বাসিন্দাদের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। শহর ছাড়তে শুরু করেছেন বহু বাসিন্দা। পেট্রোল স্টেশন ও এটিএম বুথে দীর্ঘ সারি, অনেক জায়গায় নগদ অর্থ ফুরিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরানের সরকারি কর্মচারী গলামরেজা মোহাম্মদি (৪৮) বলেন, &amp;ldquo;আমি নিরুপায়। আমার দুই সন্তান রাতে ঘুমাতে পারে না&amp;mdash;বিমান প্রতিরক্ষা ও বিস্ফোরণের শব্দে। আমরা ডাইনিং টেবিলের নিচে লুকিয়ে থাকি।&amp;rdquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল জানায়, সোমবার ভোরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিব ও হাইফায় আঘাত হানে, এতে আটজন নিহত হন এবং বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাতে ছোড়া সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র আরও প্রায় ১০০ জনকে আহত করেছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড দাবি করেছে, তাদের নতুন কৌশল অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একে অপরকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে বাধ্য হয়েছে, ফলে আক্রমণ আরও কার্যকর হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে বলেন, &amp;ldquo;তেহরানের দাম্ভিক শাসক এখন এক কাপুরুষ খুনি, যিনি বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছেন। কিন্তু তেহরানের বাসিন্দারা এর মূল্য দেবে, শিগগিরই।&amp;rdquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে কূটনৈতিক অচলাবস্থাও প্রকট হচ্ছে। রবিবার ওমানে নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা বাতিল করা হয়েছে। ইরান জানায়, আক্রমণের মুখে তারা আলোচনায় বসতে পারবে না। সোমবার ইরানের সংসদ সদস্যরা এনপিটি (পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি) থেকে সরে আসার প্রস্তাব দেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে বিশ্ববাজার উদ্বিগ্ন। যুদ্ধ শুরুর পর শুক্রবার তেলের দাম বেড়ে যায়, তবে সোমবার তা কিছুটা কমে। অর্থাৎ, ইরানি তেল স্থাপনায় আঘাত সত্ত্বেও বিশ্ববাজার মনে করছে সরবরাহ পুরোপুরি ব্যাহত হবে না।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তেহরানের শিল্পশিক্ষক আর্শিয়া (২৯) রয়টার্সকে বলেন, &amp;ldquo;আমার পরিবার দমাভান্দে যাচ্ছে, তেহরান থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে। প্রতিদিন রাতে হামলা হয়, কোনো সাইরেন বাজে না, কোনো নিরাপদ আশ্রয়ও নেই। ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শত্রুতামূলক নীতির জন্য কেন আমাদের মূল্য দিতে হবে?&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। ইরানের মিত্র গাজা ও লেবাননের হামাস ও হিজবুল্লাহ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন আর তারা বড় হামলার সক্ষমতা রাখছে না বলে জানিয়েছে সামরিক বিশ্লেষকরা। নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে বলেছেন, যদিও ইরান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সব মিলিয়ে এই যুদ্ধ এখন শুধু ইসরায়েল-ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ধীরে ধীরে জটিল আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ ও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনার মধ্যেই অনিশ্চয়তার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব রাজনীতি।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​তাপসের ‘বিশেষ প্রতিনিধি’ খোরশেদ আলম গ্রেপ্তার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/246</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 18:27:16 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/246</guid>
		<description> ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পলাতক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ ও ‘বিশেষ প্রতিনিধি’ হিসেবে পরিচিত খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত আলোচিত কিশোর আবদুল্লাহ সিদ্দিক হত্যা মামলায় তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পলাতক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ ও &amp;lsquo;বিশেষ প্রতিনিধি&amp;rsquo; হিসেবে পরিচিত খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত আলোচিত কিশোর আবদুল্লাহ সিদ্দিক হত্যা মামলায় তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ বিভাগের একটি চৌকস দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খোরশেদ আলমকে আটক করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিআইডির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্ট ঢাকার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদের একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালে হঠাৎ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ১৭ বছর বয়সী কিশোর আবদুল্লাহ সিদ্দিক, যিনি তখন দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন এবং আন্দোলনকারীদের একটি সাংস্কৃতিক ইউনিটের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সেদিনের সংঘর্ষে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছিল, তাদের তালিকায় উঠে আসে খোরশেদ আলমের নাম, যিনি শুধু তাপসের &amp;lsquo;বিশেষ প্রতিনিধি&amp;rsquo; হিসেবেই নন, বরং দক্ষিণ নগরীর একাধিক আলোচিত প্রকল্প ও ঠিকাদারি বণ্টন ঘিরে ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর প্রভাবেই বিভিন্ন আন্দোলনকারীর ওপর হামলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ বিভাগের পরিদর্শক ফজলুল হক খান এই মামলার তদন্ত করছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই খোরশেদ আলম নজরদারিতে ছিলেন, তবে তার অবস্থান পরিবর্তন, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছিল না। গত সপ্তাহে পাওয়া কিছু নতুন তথ্য ও প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তদন্ত কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, খোরশেদ আলমের মোবাইল ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে, যেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি তাঁদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে খোরশেদ আলমের গ্রেপ্তার নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাপসপন্থী একাধিক নেতাকর্মী দাবি করেছেন, এটি একটি &amp;lsquo;রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র&amp;rsquo;, যেখানে প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারিয়ে নির্দিষ্ট মহলের চাপ মেনে চলেছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে নিহত কিশোর আবদুল্লাহ সিদ্দিকের পরিবার জানান, তাঁরা বহুদিন ধরে খোরশেদের গ্রেপ্তার দাবি করে আসছিলেন। গত বছর বেশ কয়েকবার তাঁরা গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থার দ্বারস্থ হন। আবদুল্লাহর মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, &amp;ldquo;আজও ছেলের জামাটা ধোয়া হয়নি, আমি শুধু ন্যায়বিচার চাই। যারা ওকে খুন করেছিল, তাদের সবার বিচার চাই।&amp;rdquo;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ভারতীয় মডেলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/245</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 18:23:35 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/245</guid>
		<description> গতকাল সোমবার উদ্ধার করা হয় তরুণী মডেল শীতল চৌধুরীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ। রোমাঞ্চকর বিনোদন জগতের এই উঠতি মুখের হঠাৎ করেই মৃত্যু নয়, ছিল নির্মম, নৃশংস এবং প্রতারণার পরিণতি। ঘটনায় জড়িত প্রেমিক সুনীলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফেলে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়—সুনীল নিজেই স্বীকার করেছেন শীতলকে হত্যা করে তাঁর মরদেহ একটি গাড়ির ভেতরে রেখে খালে ফেলে দেন তিনি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে সোনিপাতের একটি শান্ত খাল হঠাৎই রক্তাক্ত ট্র্যাজেডির প্রতীক হয়ে উঠেছে। সেখান থেকে গতকাল সোমবার উদ্ধার করা হয় তরুণী মডেল শীতল চৌধুরীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ। রোমাঞ্চকর বিনোদন জগতের এই উঠতি মুখের হঠাৎ করেই মৃত্যু নয়, ছিল নির্মম, নৃশংস এবং প্রতারণার পরিণতি। ঘটনায় জড়িত প্রেমিক সুনীলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফেলে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়&amp;mdash;সুনীল নিজেই স্বীকার করেছেন শীতলকে হত্যা করে তাঁর মরদেহ একটি গাড়ির ভেতরে রেখে খালে ফেলে দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হরিয়ানার পানিপাত জেলার খারখোদা থানার অধীনে থাকা রিলায়েন্স খালের পাশের গ্রামগুলো গত কয়েক দিন ধরেই ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। গত শনিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন মডেল শীতল চৌধুরী। পুলিশ জানায়, ওই দিন তিনি একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ের কাজে আহার গ্রামে যান। সেখানেই রাত সাড়ে দশটার দিকে তাঁর কথিত প্রেমিক সুনীল পৌঁছান। তাঁদের সম্পর্ক ছয় বছরের পুরনো হলেও, সেই সম্পর্ক যে এমন ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগিয়ে যাবে, তা কে জানত?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সুনীল শীতলকে তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে নেন। এরপর কিছুক্ষণ গাড়িতে সময় কাটান দুজন। একপর্যায়ে তাঁরা কোনো একটি বিষয়ে তর্কে জড়ান। তর্ক দ্রুত পরিণত হয় উত্তেজনাপূর্ণ বচসায়, যা পরে রূপ নেয় শারীরিক নির্যাতনে। সুনীল একপর্যায়ে তাঁর ওপর চড়াও হন, এবং বেদড়ক মারধরের পর একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন। রাত দেড়টার দিকে শীতল ভিডিও কলে তাঁর বোন নেহাকে জানান, সুনীল তাঁকে মারধর করছেন। তারপরই বন্ধ হয়ে যায় ফোন&amp;mdash;শুরু হয় এক নারীর নিখোঁজ হবার করুণ অধ্যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরদিন রোববার সকালে হরিয়ানা পুলিশ সোনিপাতের একটি খাল থেকে উদ্ধার করে সুনীলের গাড়ি। গাড়িটি পানিতে অর্ধডুবন্ত অবস্থায় ছিল। সুনীল নিজে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং দাবি করেন, গাড়িটি খালে পড়ে গিয়েছিল এবং তিনি সাঁতরে কোনোভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও শীতল ডুবে গেছেন। কিন্তু ঘটনার এমন সরল ব্যাখ্যায় পুলিশ সন্তুষ্ট হয়নি। শুরু হয় অনুসন্ধান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সোমবার সকালে পুলিশের হাতে আসে ভয়ঙ্কর প্রমাণ&amp;mdash;খারখোদার রিলায়েন্স খাল থেকে এক নারীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাতে ও বুকে থাকা উল্কিচিহ্ন দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়, মৃত নারীই হচ্ছেন মডেল শীতল চৌধুরী। মরদেহের বুক ও পেটে ছিল একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন, যেগুলো দেখে হত্যার পূর্বপরিকল্পনার ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিস্থিতির চাপে অবশেষে ধরা পড়ে যান সুনীল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন&amp;mdash;হত্যার কারণ প্রেমের সম্পর্কের অবনতি। জানা যায়, সুনীল বিবাহিত এবং তাঁর দুই সন্তান রয়েছে। এই বিষয়টি শীতল জানতে পারার পর থেকে সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরে। সুনীল শীতলকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, কিন্তু শীতল তা প্রত্যাখ্যান করেন। এমনকি শীতল নিজেও ছিলেন বিবাহিত, এবং তাঁর পাঁচ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। সম্পর্কের জটিলতা, প্রতারণা, প্রত্যাখ্যান এবং ব্যক্তিগত দহন&amp;mdash;সব মিলিয়ে এক গভীর বিক্ষোভের ফলাফলই ছিল এই ভয়াবহ হত্যা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন সুনীল পুলিশের হেফাজতে এবং তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং চার্জশিট প্রস্তুত করা হবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​বাংকারেও শান্তি মিলছে না ইজরাইলিদের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/244</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 18:15:01 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/244</guid>
		<description> ইসরায়েল চাইলেও এখন আর সহজে এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না—এমনটাই বলছে পর্যবেক্ষকরা। কারণ, তেহরান ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, যতক্ষণ না ইসরায়েল নিজেদের আগ্রাসনের দায় স্বীকার করে এবং দখলদারিত্ব থেকে সরে আসে, ততক্ষণ প্রতিশোধ চলবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;তেল আবিবের রাতগুলো এখন কেবল অন্ধকারে নয়, আতঙ্কেও ঢাকা পড়ে আছে। শহরের নিচে নির্মিত ভূগর্ভস্থ বাংকারগুলোর দেয়ালে গা ঠেকিয়ে দিন-রাত কাটাচ্ছে হাজার হাজার ইসরায়েলি নাগরিক। শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে শুরু হয়েছে এক অনিশ্চিত, শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনের জবাবে ইরান যে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাবে, সেটি অনুমেয় হলেও এর ভয়াবহতা ধারণারও বাইরে ছিল। ১৩ জুন রাত থেকে শুরু হওয়া ইরানের পাল্টা আঘাতে তেল আবিব, হাইফা, আশকেলনসহ অন্তত ১১টি শহরে আঘাত হেনেছে একের পর এক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। আকাশজুড়ে সাইরেনের শব্দ যেন যুদ্ধের ডাকে পরিণত হয়েছে। লোকজন প্রাণভয়ে দৌড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন বাংকারে&amp;mdash;কিন্তু সেখানেও মিলছে না নিশ্চিন্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইআরএনএর সূত্রমতে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল রেজা সাইয়াদ এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে বলেন, &amp;ldquo;দখলীকৃত অঞ্চল ত্যাগ করুন এবং অপরাধী প্রশাসনের মানবঢাল হবেন না। বাংকারগুলো আপনাদের রক্ষা করতে পারবে না।&amp;rdquo; এই সতর্কবার্তা যে নিছক হুমকি ছিল না, তা বোঝা গেছে হামলার বাস্তবতায়। বাংকারের ভেতরই ধসে পড়েছে ছাদ, কেঁপে উঠেছে মাটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি নাগরিকদের মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে&amp;mdash;বাংকারের অন্ধকারে আতঙ্কিত শিশুদের কান্না, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষের চিৎকার, এবং সহায়তাহীন বৃদ্ধদের আর্তনাদ। দিনের পর দিন এক টানা সাইরেন বাজায় বহু মানুষ এখন বাড়িতে ফিরতেও ভয় পাচ্ছেন। কাজেই তারা বেছে নিয়েছেন বাংকারেই রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত। কিন্তু ঘুম কি আসে আতঙ্কের মাঝে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল&amp;ndash;জাজিরা ও বিবিসি জানায়, ইরান পাঁচ দিন ধরে টানা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনী আইডিএফের মতে, অন্তত ৩৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। তেল আবিবের বাসিন্দাদের নিরাপত্তার কথা বলে তাদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। হাইফার তেল পরিশোধনাগার বন্ধ করে দিতে হয়েছে, সেখানে বেশ কয়েকবার হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত তিনজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলায় শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বেসামরিক অবকাঠামোরও। হাসপাতাল, স্কুল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, এমনকি শহরের মূল বিদ্যুৎকেন্দ্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত ও নিহতদের সঠিক সংখ্যা জানাতে পারছে না আইডিএফ, তবে হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত নিহত অন্তত ২৪ জন&amp;mdash;যাদের অধিকাংশই বাংকারের বাইরে ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি প্রশাসনের কড়া সমালোচনা শুরু হয়েছে দেশটির ভেতরেই। নাগরিকরা জানতে চাচ্ছেন, এত কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত বাংকারগুলো যদি রক্ষা না দিতে পারে, তাহলে এই &amp;lsquo;নিরাপত্তা&amp;rsquo; ছিল কিসের জন্য? কেন আগেভাগেই আগ্রাসন চালিয়ে এমন ভয়াবহ পাল্টা জবাব আমন্ত্রণ জানানো হলো?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের হাইফা শহরের একজন শিক্ষক দুঃখ করে বলেন, &amp;ldquo;প্রতিদিন সকালে ভাবি, আজ হয়তো বেঁচে ফিরব না। ছাত্রদের না দেখে গেলে কী হবে, সেটাই ভাবি।&amp;rdquo; চিকিৎসক, সাংবাদিক, এমনকি সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্যরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখছেন, ইরানের মতো শক্ত প্রতিপক্ষকে অবজ্ঞা করে ইসরায়েল যে ভুল করেছে, তা আজ চরম মূল্য দিয়ে বুঝতে হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইতিমধ্যে মার্কিন বিশেষজ্ঞরাও ইসরায়েলের আগ্রাসনের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মতে, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে খাটো করে দেখা ছিল মারাত্মক ভুল। সেই ভুলের মাশুল এখন গুনছে তেল আবিব, যার প্রতিটি রাস্তায়, প্রতিটি ইঞ্চিতে ছড়িয়ে আছে আতঙ্কের ধ্বনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল চাইলেও এখন আর সহজে এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না&amp;mdash;এমনটাই বলছে পর্যবেক্ষকরা। কারণ, তেহরান ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, যতক্ষণ না ইসরায়েল নিজেদের আগ্রাসনের দায় স্বীকার করে এবং দখলদারিত্ব থেকে সরে আসে, ততক্ষণ প্রতিশোধ চলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জীবন পরিণত হয়েছে এক দুঃস্বপ্নে। দিনে বেঁচে থাকার চেষ্টা, রাতে বাংকারের অন্ধকারে জীবন বাঁচানোর সংগ্রাম&amp;mdash;এটাই এখন ইসরায়েলিদের বাস্তবতা। আর এই বাস্তবতা যতটা ভয়াবহ, ততটাই অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ইঙ্গিত বহন করছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​শপথ ছাড়াই মেয়রের দায়িত্বে ইশরাক, উপদেষ্টা আসিফের পদত্যাগ দাবি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/243</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 18:08:36 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/243</guid>
		<description> ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে আগামী দিনের রাজনীতি ও প্রশাসনের গতিপথ কোনদিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে এই একটি প্রশ্নের ওপর—ইশরাক হোসেন মেয়রের চেয়ারে বসবেন কি না? </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-family:verdana,geneva,sans-serif&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ ছাড়াই দায়িত্ব পালনের চেষ্টায় আবারও আলোচনায় এসেছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। মঙ্গলবার দুপুরে নগর ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে জনগণকে মিথ্যা বার্তা দিয়েছেন এবং তিনি শপথ ভেঙেছেন। সেই কারণে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন ইশরাক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের এক রায়ের মাধ্যমে। ওই রায়ে আগের গেজেট বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বৈধ মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে। নির্বাচন কমিশন সে অনুযায়ী ২৭ এপ্রিল সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে এবং তা স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠিয়ে দেয় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়নি। এই বিলম্বকেই &amp;lsquo;রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত&amp;rsquo; ও &amp;lsquo;আইনের ব্যত্যয়&amp;rsquo; হিসেবে তুলে ধরেন ইশরাক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নগর ভবনে এসে ইশরাক হোসেন বলেন, &amp;ldquo;স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। একজন দায়িত্বশীল উপদেষ্টা হিসেবে এই বক্তব্য তার শপথ ভঙ্গ করেছে। জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ এবং আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন তাঁর উচিত ছিল। যেহেতু তিনি তা করেননি, তাঁর এই পদে বহাল থাকার নৈতিক অধিকার নেই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, গতকাল আসিফ মাহমুদ বলেন, &amp;ldquo;গেজেটের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় শপথ পড়ানো সম্ভব হয়নি।&amp;rdquo; তার এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইশরাক হোসেন প্রশ্ন তোলেন, &amp;ldquo;এ কথা সত্য হলে ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আর কখনো শপথ নেয়ার সুযোগ পাবেন না। বিষয়টি নিছক রাজনৈতিক নয়, এটি প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতা।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইশরাক আরও বলেন, &amp;ldquo;নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর নির্বাচন কমিশনের কাজ ছিল শুধু গেজেট প্রকাশ করা। তারা করেছে। এরপর দায়িত্ব পড়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের ওপর। তারা এখনও পর্যন্ত শপথ অনুষ্ঠানের কোনো প্রস্তুতি নেয়নি। বরং নানা অজুহাত তুলে সময়ক্ষেপণ করছে। শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই। অথচ তারা প্রশ্ন তুলছে&amp;mdash;আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না, কিংবা ট্রাইব্যুনালে আরজি সংশোধনের সুযোগ আছে কি না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইতোমধ্যে ইশরাক নগর ভবনের মিলনায়তনে ঢুকে পড়েন এবং ঢাকার ৭০টি ওয়ার্ডের সচিবদের নিয়ে এক সভায় বসেন। বেলা ১টা থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠকে তিনি প্রশাসনিক নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। তার আগের দিন সোমবারও পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন তিনি। এভাবে শপথ গ্রহণ ছাড়াই কার্যত মেয়রের দায়িত্ব পালন নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছে&amp;mdash;এটি আইনসঙ্গত কি না, বা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার নির্দেশ মানার বাধ্যবাধকতায় রয়েছেন কি না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপি নেতার এমন পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে নগর ভবনের সামনে গত এক মাস ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইশরাকপন্থী কর্মীরা &amp;lsquo;ঢাকাবাসী&amp;rsquo; ব্যানারে ১৪ মে থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। ১৫ মে থেকে নগর ভবনের সব ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন তাঁরা। আজও সেই তালা খুলে না দিয়ে তারা পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি শুধু একজন মেয়রের দায়িত্ব পাওয়ার প্রশ্ন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বৈধতা, স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সক্ষমতার প্রশ্ন। শপথ ছাড়াই মেয়রের দায়িত্ব পালন করার নজির তৈরি হলে ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দুর্বল হবে বলে মনে করেন তারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, &amp;ldquo;আমরা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। এখন যেহেতু শপথ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার বিভাগের, তাই তারা যা করছেন বা করছেন না, তা তাদের এখতিয়ারেই পড়ে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে আগামী দিনের রাজনীতি ও প্রশাসনের গতিপথ কোনদিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে এই একটি প্রশ্নের ওপর&amp;mdash;ইশরাক হোসেন মেয়রের চেয়ারে বসবেন কি না?&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাড্ডায় নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, পলাতক কথিত স্বামী ও সঙ্গী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/242</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 18:02:44 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/242</guid>
		<description> এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলে শুধু সুমির পরিবার নয়, পুরো সমাজের মধ্যে অপরাধের বিচারহীনতার শঙ্কা বাড়বে বলেও মন্তব্য করেছেন আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এ ধরনের ‘কথিত সম্পর্কের’ ছত্রছায়ায় অপরাধ ঢেকে ফেলার প্রবণতা সমাজে বিপজ্জনক বার্তা দেয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[রাজধানী ঢাকার উত্তর বাড্ডার একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ। নিহত ওই নারীর নাম সুমি আক্তার, বয়স ২৭। তিনি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বাসবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। মৃত্যুর কয়েকদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার হলেও ঘটনা ঘিরে রয়ে গেছে একাধিক প্রশ্ন, সন্দেহ আর শঙ্কার ছায়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুলিশ বলছে, সুমি নামে ওই নারী উত্তর বাড্ডার সোনা মিয়া মাতুব্বর রোডের চ-১০০ নম্বর বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। তার সঙ্গে রাসেল নামের এক ব্যক্তি স্বামী পরিচয়ে থাকলেও, তাদের মধ্যে আইনি বা ধর্মীয়ভাবে বৈধ কোনো বিয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রাসেল পেশায় ছিলেন একটি ট্রাভেল এজেন্সির কর্মী। ওই বাসায় প্রায় নিয়মিত আসতেন তার ভাগনে সাকিব। প্রতিবেশীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও নানা বিষয়ে ঝগড়া-কলহ লেগেই থাকত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত রোববার রাতে বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে সুমির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে এবং তা ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর পরদিনই অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন সুমির পরিবার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুমির ভগ্নিপতি মো. আরাফাত দাবি করেছেন, &amp;ldquo;রাসেল ও সাকিব নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। তাদের সঙ্গে সুমির নানা বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হত। আমরা নিশ্চিত, তারাই মিলে সুমিকে হত্যা করেছে। ঘটনার পর তারা দুজনেই পালিয়ে গেছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, সুমির পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল সীমিত। প্রায় তিন মাস আগে তিনি ঢাকায় আসেন এবং রাসেলের সঙ্গে একত্রে বসবাস শুরু করেন। ভাড়া নেওয়ার সময় তাদের স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো কাবিননামা, জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র ছিল না। বাড়ির মালিকও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, &amp;ldquo;আমরা ধারণা করছি, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে ঘটনাটি ঘটে। সঠিক সময় ও মৃত্যুর ধরন জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। তবে প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, &amp;ldquo;রাসেল ও তার সহযোগী সাকিব পলাতক। তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং মোবাইল কললিস্ট বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পারিপার্শ্বিক প্রমাণ ও সাক্ষ্য অনুযায়ী তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, ওই বাসায় প্রায়ই চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ পাওয়া যেত। তবে বিষয়টি নিয়ে কেউ পুলিশে অভিযোগ করেননি। এক প্রতিবেশী জানান, &amp;ldquo;সুমি মেয়েটা খুব চুপচাপ ছিল। বাসার বাইরে খুব একটা বের হত না। কিন্তু মাঝেমধ্যে ঝগড়ার শব্দ শুনতাম। তবে এত বড় কিছু ঘটবে ভাবিনি।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বাড়ির মালিক ও আশপাশের বাসিন্দারা পুলিশের তদন্তে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলে শুধু সুমির পরিবার নয়, পুরো সমাজের মধ্যে অপরাধের বিচারহীনতার শঙ্কা বাড়বে বলেও মন্তব্য করেছেন আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এ ধরনের &amp;lsquo;কথিত সম্পর্কের&amp;rsquo; ছত্রছায়ায় অপরাধ ঢেকে ফেলার প্রবণতা সমাজে বিপজ্জনক বার্তা দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তদন্তে অগ্রগতি আনতে পুলিশের পাশাপাশি ডিবি ও সিআইডির বিশেষ ইউনিটও মাঠে নামানো হতে পারে। অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দাখিল এবং বিচারিক কার্যক্রম শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পুলিশ।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​সাইবার হ্যাকিং থেকে টার্গেট কিলিং: বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের যত গোপন গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক </title>
		<link>https://shomoybhela.com/241</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 11:09:33 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/241</guid>
		<description> বিদেশের মাটিতে শত্রুর গোপন হত্যাকাণ্ড, স্যাটেলাইট ও সাইবার পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক চরবৃত্তি কিংবা শত্রু ঘাঁটিতে অদৃশ্য বিস্ফোরণ—সবকিছুতেই বারবার উঠে আসে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের নাম-ইসরায়েলের গোয়েন্দা ইউনিটগুলো। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে বৈরুতে ড্রোন হামলা&amp;mdash;বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত মোসাদ, শিন বেট ও ইউনিট ৮২০০-এর কার্যক্রম যেন বাস্তবের গুপ্তচর উপন্যাস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধারণা করা হয় বিশ্বের প্রায় প্রতিটি কূটনৈতিক সংকটে সরব অথবা নীরবভাবে জড়িয়ে থাকে এক রাষ্ট্রের নাম&amp;mdash;ইসরায়েল। তবে অধিকাংশ সময়ই সরাসরি সামরিক অভিযানের আগে ঘটে এক ধাপ গোপন, নিঃশব্দ ও রহস্যময় ঘটনা। বিদেশের মাটিতে শত্রুর গোপন হত্যাকাণ্ড, স্যাটেলাইট ও সাইবার পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক চরবৃত্তি কিংবা শত্রু ঘাঁটিতে অদৃশ্য বিস্ফোরণ&amp;mdash;সবকিছুতেই বারবার উঠে আসে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের নাম-ইসরায়েলের গোয়েন্দা ইউনিটগুলো। তাদের কার্যক্রম কখনো প্রকাশ্যে নয়, তবে প্রতিবারই ফলাফল হয় বিস্ময়কর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৫ সালের জুন মাসে তেহরানে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রাণঘাতী হামলার দিনেই স্পষ্ট হয়, ইসরায়েলি গোয়েন্দা ইতিহাসে এ যেন আরেক অধ্যায় । শুধু রকেট নয়, এই যুদ্ধ একান্তই তথ্যের, ছায়ার, এবং আধুনিক প্রযুক্তির। প্রশ্ন জাগে&amp;mdash;ইসরায়েল কীভাবে এতদূরে গিয়ে এমন নিখুঁত আঘাত হানে? কীভাবে নির্ভুল টার্গেট চিহ্নিত করে তা নিঃশব্দে ধ্বংস করে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরায়েল ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তাদের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তি আরও পুরনো। ব্রিটিশ শাসনামলে &amp;lsquo;শাই&amp;rsquo; নামের একটি গোয়েন্দা ইউনিট ছিল যা ছিল ইহুদি আধা-সামরিক সংগঠন &amp;#39;হাগানাহ&amp;#39;-এর&amp;nbsp;গোয়েন্দা&amp;nbsp;শাখা। এটি ইহুদি নিরাপত্তার প্রথম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হতো। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে গঠিত হয় তিনটি শক্তিশালী গোয়েন্দা বাহিনী&amp;mdash;মোসাদ, শিন বেট (শাবাক), এবং আমান।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;বিশ্বব্যাপী অপারেশনে &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;মোসাদ&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালে গঠিত মোসাদ ইসরায়েলের বিশ্বব্যাপী গোয়েন্দা কার্যক্রমের মূল চালিকাশক্তি। এই সংস্থার কাজ শুধু তথ্য সংগ্রহই নয়, বরং সেই তথ্যের ভিত্তিতে সরাসরি আক্রমণ পরিচালনা করা। বহির্বিশ্বে রাজনৈতিক হত্যা, গুপ্তচর নিয়োগ, নাশকতা কিংবা কৌশলগত হস্তক্ষেপ&amp;mdash;সবকিছুতেই মোসাদের পেছনে থাকায় সন্দেহ থাকে না কারও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফখরিজাদেহ হত্যাকাণ্ডে যেমন মোসাদের ভূমিকার কথা জোরেশোরে আলোচনা হয়, তেমনি ২০২৪ সালে বৈরুতে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহর বিস্ফোরণে মৃত্যু কিংবা ২০২৩ সালের ড্রোন হামলায় হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ের নিহত হওয়ার ঘটনা&amp;mdash;সব কিছুতেই মোসাদের ছায়া রয়েছে গভীরভাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বজুড়ে রয়েছে মোসাদের এজেন্ট, যারা কখনো কূটনৈতিক আড়ালে, কখনো মানবিক সংস্থার ছদ্মবেশে বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ছায়ারক্ষী &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;শিন বেট&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt; (শাবাক)&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের ভেতরের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট, যার আরেক নাম শাবাক, কাজ করে গাজা, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে সন্ত্রাসবাদ, আত্মঘাতী হামলা ও রাজনৈতিক হুমকি ঠেকাতে। যেখানে মোসাদ কাজ করে বিদেশে, সেখানে শিন বেট দেশের ভেতরে। নিজেদেরকে তারা বলে &amp;lsquo;ইসরায়েলি জনগণের অদৃশ্য ঢাল&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্য সংগ্রহে তারা ব্যবহার করে প্রযুক্তি ও মানব গোয়েন্দা (Humint)। সন্দেহভাজনদের অনুসরণ, অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র নজরে রাখা ও তাদের দৃষ্টিতে চরমপন্থীদের প্রতিরোধে তারা ছায়ার নিচে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;সামরিক গোয়েন্দার কারিগর &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;আমান&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;আমান&amp;rsquo; বা মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট মূলত ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর অধীনস্থ। তাদের সবচেয়ে আলোচিত ইউনিট তিনটি&amp;mdash;৮২০০, ৯৯০০ এবং ৫০৪।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই ইউনিটগুলো বিশেষভাবে কাজ করে নির্দিষ্ট টার্গেট শনাক্ত, সাইবার পর্যবেক্ষণ, স্যাটেলাইট নজরদারি, তথ্য বিশ্লেষণ এবং আক্রমণের স্থান নির্ধারণে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ডিজিটাল যুদ্ধে অদ্বিতীয় &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;ইউনিট ৮২০০&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
যদি মোসাদ হয় &amp;lsquo;তলোয়ার&amp;rsquo;, তবে ৮২০০ হলো ইসরায়েলের &amp;lsquo;কম্পিউটার মস্তিষ্ক&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এটি ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় গোয়েন্দা ইউনিট, যেখানে প্রায় ১০,০০০ অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, হ্যাকার, অ্যানালিস্ট এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ কাজ করেন। এই ইউনিট ইলেকট্রনিক আড়িপাতা, সিগন্যাল ডিকোডিং, সাইবার হুমকি প্রতিরোধ, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে গুপ্তচর তথ্য সংগ্রহের মতো দায়িত্বে নিয়োজিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১০ সালে ইরানে &amp;lsquo;স্টাক্সনেট&amp;rsquo; ভাইরাস দিয়ে পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংসের পেছনেও ছিল এই ইউনিট। বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এনএসএ-এর পর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এটি। ২০২৫ সালের জুনে ইরানের জাতীয় রেডিও ও টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারে বিঘ্ন ঘটানোর ঘটনায়ও হ্যাকিংয়ের ইঙ্গিত মেলে। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, জাতীয় রেডিও ও টেলিভিশন সংস্থা আইআরআইবি&amp;rsquo;র সূত্র বলছে&amp;mdash;নিউজ নেটওয়ার্কের প্লেআউট হ্যাকিংয়ের ফলেই এ বিঘ্ন ঘটে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;স্যাটেলাইটে অভিযানে &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;ইউনিট ৯৯০০&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
চোখ যেখানে পৌঁছায় না, সেখানে ৯৯০০ পৌঁছে যায় স্যাটেলাইট ও ড্রোনে। এই ইউনিট চিত্র ও মানচিত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে যুদ্ধ পরিকল্পনা করে দেয়। নগর এলাকায় সেনা পাঠানোর আগে তিন মাত্রিক মানচিত্র তৈরি করে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের ওপর সাম্প্রতিক নজরদারিতে &amp;lsquo;হরাইজন ১৩&amp;rsquo; স্যাটেলাইট ব্যবহার করে তারা সফলভাবে একাধিক ঘাঁটি শনাক্ত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২০ সালে এই ইউনিটের ভেতর আরও একটি সাব-ইউনিট গঠন করা হয় যা স্পেশাল ড্রোন গোয়েন্দা কার্যক্রমে নিয়োজিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;মানুষের গোপন তথ্য সংগ্রহে &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;ইউনিট ৫০৪&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স&amp;rsquo; বা হিউমিন্ট হচ্ছে ৫০৪-এর কাজ। তারা মোসাদ বা শিন বেটের সঙ্গে একত্রে কাজ করে গাজা, লেবানন এবং এমনকি ইউরোপেও তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শত্রুপক্ষের ঘাঁটিতে অনুপ্রবেশ, স্থানীয়দের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, এবং কখনো কখনো ঘুষ দিয়ে তথ্য পাওয়া এদের কাজের অঙ্গ। ৭ই অক্টোবরের হামলার পর এই ইউনিট সরাসরি গাজার ফ্রন্টলাইনেও সক্রিয় রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;ভবিষ্যতের যুদ্ধের পরিকল্পনায় &lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;lsquo;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;ব্রাঞ্চ ৫৪&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
২০২৩ সালে গঠিত এই নতুন ইউনিট ইরানের বিপ্লবী গার্ড &amp;lsquo;পাসদারান-ই-ইনকিলাব&amp;rsquo;-এর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর বর্তমান কমান্ডারের নাম কোনো অফিসিয়াল সূত্রে প্রকাশ করা হয়নি। ইসরায়েলি মিডিয়ায় এবং সরকারি পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, এ ইউনিট সদস্যের সংখ্যা কম (সংবাদ অনুযায়ী প্রায় ৩০ জন) ও পরিপূর্ণ গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালিত হয়, যার ফলে এর নেতৃত্বের পরিচয় সামনে আসে না ।&lt;br /&gt;
এই ইউনিটের কাজ হলো ইরানের আণবিক ও সামরিক ঘাঁটিগুলো চিহ্নিত করা, প্রতিদিন নতুন টার্গেট শনাক্ত এবং সে অনুযায়ী তথ্য বিশ্লেষণ করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর জন্য উপযোগী পরিকল্পনা তৈরি করা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইসরায়েলের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক মূলত বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় কয়েকধাপ এগিয়ে আছে। তারা শুধু প্রতিরক্ষা নয়, আক্রমণেও এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। প্রযুক্তি, মানুষ, আর কৌশলকে একসাথে মিশিয়ে তারা শত্রুকে আঘাত করে এমনভাবে&amp;mdash;যেখানে সময় পেরিয়ে গেলেও প্রতিদ্বন্দ্বী ঠিক বুঝে উঠতে পারে না কীভাবে হামলা হলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বজুড়ে চলমান ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার ছায়া যখন গভীরতর হয়, তখন পরিষ্কার হয়ে ওঠে&amp;mdash;ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শুধু গোপনেই নয়, গোটা যুদ্ধনীতি নিয়ন্ত্রণেও প্রভাব ফেলছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ইরানে মোসাদের &#039;রাইজিং লায়ন&#039; অভিযান: গুপ্তচরবৃত্তি, ড্রোন ঘাঁটি ও ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থনে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য </title>
		<link>https://shomoybhela.com/240</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 Jun 2025 10:30:53 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/240</guid>
		<description> মোসাদের অভিযান ‘রাইজিং লায়ন’ মূলত একটি বহুপদক্ষেপে গঠিত পরিকল্পনা, যার প্রথম ধাপকেই ‘নির্মূল অভিযান’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক &amp;#39;রাইজিং লায়ন&amp;#39; অভিযানের মধ্য দিয়ে। এই অভিযানে মোসাদের নেতৃত্বে ইরানের ভেতরে ঢুকে সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় নজিরবিহীনভাবে আঘাত হানা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত মোসাদ কীভাবে একাধিক বছর ধরে এই অভিযানকে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, কীভাবে ইরানের ভেতরে ড্রোন ঘাঁটি স্থাপন করেছে এবং কৌশলগত জায়গায় অস্ত্র বসিয়ে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর করেছে&amp;mdash;সবই উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
সেইসঙ্গে এই অভিযানে মোসাদের হুমকির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন খোদ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, &amp;ldquo;তারা সবাই এখন মৃত।&amp;rdquo; এই বক্তব্য একদিকে যেমন ইরানে ক্ষোভের আগুন বাড়িয়ে দিয়েছে, তেমনি মার্কিন প্রশাসনের ইসরাইল ঘেঁষা নীতির আরেকটি উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মোসাদের অভিযান &amp;lsquo;রাইজিং লায়ন&amp;rsquo; মূলত একটি বহুপদক্ষেপে গঠিত পরিকল্পনা, যার প্রথম ধাপকেই &amp;lsquo;নির্মূল অভিযান&amp;rsquo; নামে অভিহিত করা হয়েছে। এই ধাপের মধ্যেই ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতা, ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং ভূগর্ভস্থ বাংকারে আঘাত হানা হয়। ইসরাইলি নিরাপত্তা সূত্র জানায়, মোসাদ বহু বছর ধরে ইরানের শীর্ষ নেতাদের বাসা, বাংকার ও গোপন আশ্রয়স্থলের বিস্তারিত তথ্য সংবলিত ফাইল তৈরি করে। এ সকল তথ্য সংগ্রহে তারা আধুনিক স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং লোকাল গুপ্তচরদের সহায়তা নেয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মোসাদের এই অভিযানে সবচেয়ে নজরকাড়া দিক ছিল ইরানের ভেতরেই অস্ত্র ঘাঁটি স্থাপন এবং ড্রোন লঞ্চার প্রস্তুত করা। দ্বিতীয় এক ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অকার্যকর করার লক্ষ্যে তারা খোলা জায়গায় উচ্চ-নির্ভুল অস্ত্র স্থাপন করে, বিশেষ করে যেসব জায়গায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যাটারি ছিল, ঠিক তার আশেপাশেই। উদ্দেশ্য ছিল&amp;mdash;হামলার ঘণ্টা কয়েক আগে এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এর পাশাপাশি ইরানের এসফাজাবাদ এলাকায় স্থাপন করা হয় বিস্ফোরক ড্রোনের ঘাঁটি। সেখান থেকেই ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়। এমনকি সাধারণ যানবাহনের ভেতর লুকানো ছিল উন্নত বিস্ফোরক ও প্রযুক্তি, যেগুলো দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
একজন প্রথম সারির ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, মোসাদের অভিযানে একটি বিশেষ লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহনকারী ট্রাক। প্রতিটি ট্রাক ধ্বংস করা মানে চারটি করে ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা শেষ করে দেওয়া। এই ধরনের কৌশলিক পদক্ষেপ ইরানের সামরিক সক্ষমতা মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ করে দিতে সক্ষম হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই সবকিছুই যেন পূর্ব পরিকল্পিত এক চিত্রনাট্যের মতো কার্যকর হয়েছে। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এমন গভীর অনুপ্রবেশ ও সমন্বিত আক্রমণের ফলে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সামরিক বাহিনীর দুর্বলতা বিশ্বদরবারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই আক্রমণের আগেই ইসরায়েল গোপনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র আমদানি করে। যা ইরানে ব্যবহার করা হয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টার্গেট ধ্বংসে। মার্কিন সমর্থন ও সহযোগিতা ছাড়া এই ধরনের অভিযানের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেই মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এই পুরো অভিযানের বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আরও আলোচিত হয় যখন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি মোসাদের হুমকিকে সমর্থন করেন। নিহত ইরানি নেতাদের উদ্দেশ্যে তাঁর মন্তব্য, &amp;ldquo;তারা সবাই এখন মৃত&amp;rdquo;&amp;mdash;এটি ইরানের জন্য ছিল অপমানজনক এবং যুদ্ধ উসকে দেওয়ার মতো স্পষ্ট হুমকি। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যায়, তাহলে আরও ভয়াবহ হামলা আসবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনাময় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও আগেই নিষ্ক্রিয় করা হয়। ড্রোন ও বোমা বহনকারী গাড়িগুলোর মাধ্যমে এসব প্রতিরক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধ্বংস করা হয়। ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী যখন বুঝে ওঠার আগেই হামলা শেষ হয়ে যায়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মোসাদ এই আক্রমণের ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায় ড্রোন দিয়ে আঘাত হানার মুহূর্ত। ভিডিওগুলোতে স্পষ্টভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ধ্বংস হওয়া এবং ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একধরনের &amp;lsquo;মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ&amp;rsquo;&amp;mdash;যার মাধ্যমে শত্রুর মনোবল ভেঙে ফেলা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে মোসাদের গোপন নেটওয়ার্ক কাজ করেছে। তাদের সহযোগিতায় এই পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরে গোপনে গড়ে তোলা হয়। মোসাদের সাবেক উপ-প্রধান রাম বেন বারাক বলেন, &amp;ldquo;এই সফলতার পেছনে রয়েছে এমন এক ইরান সরকার, যার ওপর জনগণের বিশ্বাস কমে গেছে। ফলে গুপ্তচর প্রবেশ সহজ হয়েছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
এর আগেও গাজায় যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েল হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যা করে। বলা হয়, ওই হামলার ক্ষেত্রও পূর্বে থেকেই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। একই কৌশল প্রয়োগ করা হয় ইরানে। একে একে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশানা করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
মোসাদের এই অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে&amp;mdash;ইরান এর জবাবে কী করবে? সিএনএন এবং টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, ইরানও ইসরায়েলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাতে হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
বিশ্লেষকেরা বলছেন, &amp;lsquo;রাইজিং লায়ন&amp;rsquo; ছিল শুধু একটি শুরু। এর মাধ্যমে ইসরায়েল ইরানকে একধরনের চূড়ান্ত বার্তা দিল&amp;mdash;যেকোনো মুহূর্তে, যেকোনো স্থানে তারা আঘাত হানতে প্রস্তুত। একে মধ্যপ্রাচ্যের &amp;lsquo;ছায়াযুদ্ধের&amp;rsquo; নতুন রূপ বলছেন কেউ কেউ।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​জাতীয় ঐক্যের দৃষ্টান্ত হোক জুলাই ঘোষণাপত্র </title>
		<link>https://shomoybhela.com/239</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Jun 2025 15:46:51 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/239</guid>
		<description> মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘জুলাই বিপ্লব’কে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে হলে তার একটি আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক রূপরেখা থাকা প্রয়োজন—এমন ঘোষণাপত্র, যা শুধুমাত্র কোনো দলীয় স্বার্থে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থে গৃহীত হবে। বক্তারা দাবি করেন, ঘোষণাপত্রটি যেন কোনো রাজনৈতিক দলের একক কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত না হয়। এটি হতে হবে রাষ্ট্র সংস্কারের সর্বজনীন মানচিত্র। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের করিডোর যেন গত শনিবার বিকেলটা এক বিরল রাজনৈতিক বৈঠকের জন্য চেনা পথে হাঁটল না। &amp;lsquo;জুলাই ঘোষণাপত্র প্রস্তাবনা&amp;rsquo; শীর্ষক আলোচনা সভা ঘিরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তন পরিণত হয়েছিল দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বাস্তবতার এক বিকল্প কাঠামো নির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দুতে। আয়োজক নেক্সাস ডিফেন্স অ্যান্ড জাস্টিস (এনডিজে)। অংশ নেন রাজনৈতিক নেতা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, আইনজীবী, সাংবাদিক, ছাত্রনেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মূল প্রতিপাদ্য ছিল &amp;lsquo;জুলাই বিপ্লব&amp;rsquo;কে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে হলে তার একটি আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক রূপরেখা থাকা প্রয়োজন&amp;mdash;এমন ঘোষণাপত্র, যা শুধুমাত্র কোনো দলীয় স্বার্থে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থে গৃহীত হবে। বক্তারা দাবি করেন, ঘোষণাপত্রটি যেন কোনো রাজনৈতিক দলের একক কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত না হয়। এটি হতে হবে রাষ্ট্র সংস্কারের সর্বজনীন মানচিত্র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোচনার কেন্দ্রীয় বক্তব্যটি ছুঁয়ে যায় বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা। বলা হয়, দেশে গণতান্ত্রিক কাঠামো শুধু বিপন্ন নয়, বরং এক ধরনের ছদ্ম-গণতন্ত্রে পরিণত হয়েছে, যার পেছনে কাজ করছে সাংবিধানিক ফাঁকফোকর এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধ ব্যবহারের এক দীর্ঘপ্রথা। বক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, যদি এখনই একটি নিরপেক্ষ, আইনগত ও রাজনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণ না করা হয়, তবে ভবিষ্যতে কোনো সরকার এ আন্দোলনকে দমনমূলক নীতিতে ব্যাখ্যা করে ফেলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম শাহীদুজ্জামান।&amp;nbsp;সভাপতিত্ব করেন এনডিজের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ হাসান নাসির। বক্তব্যে তিনি বলেন, &amp;ldquo;জুলাই বিপ্লবের মূল লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক রূপান্তর। কিন্তু আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেই বিপ্লব অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। আমাদের স্বৈরাচার আমলে ঘটে যাওয়া গুম, হত্যা, নিপীড়নের বিচার হয়নি। সেই বিচার ছাড়া কোনো ভবিষ্যৎ রাজনীতি টেকসই হতে পারে না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, &amp;ldquo;আজ এমন একটি আবহ তৈরি করা হচ্ছে যেন নির্বাচনের প্রয়োজন নেই। অথচ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র কল্পনাও করা যায় না। আমরা চাই নির্বাচন হোক, তবে তার আগে রাষ্ট্রের ভেতরের ফাঁকফোকর সংস্কার করতে হবে। আওয়ামী লীগের বিচারও করতে হবে। সেই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যেও যেন অনৈক্য না থাকে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দীন মাহাদী বলেন, &amp;ldquo;জুলাই ঘোষণাপত্র আমাদের জাতীয় স্বার্থে প্রণয়ন করতে হবে। যদি কেউ এটিকে শুধু একটি দলের কর্মসূচি বলে অপবাদ দেয়, তাহলে ভবিষ্যতে যে সরকার আসবে তারা এটিকে দমনমূলক কার্যক্রম হিসেবে ব্যাখ্যা করবে। তখন কেউ বাঁচবে না।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;আমাদের দরকার একটি সংবিধানিক চুক্তি। যেখানে সব রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম ও আন্দোলনকারীরা বসে ঠিক করবে বাংলাদেশের আগামী পথ কী হবে।&amp;rsquo; তার এ আহ্বান ঘিরে মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থনের প্রতিধ্বনি ওঠে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত বলেন, &amp;ldquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান একটি অসম্পূর্ণ বিপ্লব। এই বিপ্লবকে চূড়ান্ত করতে হলে একটি প্রক্লেমেশনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে।&amp;rdquo; তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক ব্যর্থতার পেছনে দায়ী রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহারকে চিহ্নিত করে শুদ্ধির আহ্বান জানানো ছাড়া উপায় নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বলেন, &amp;ldquo;বিপ্লব এখনও অসমাপ্ত। শেখ হাসিনার আমলে গণতন্ত্রকে রূপান্তর করা হয়েছে একটি আয়নাঘরে, যেখানে সব প্রতিচ্ছবি বিকৃত। এই আয়নাঘর ভাঙতে হবে। জনগণের প্রতারণা ঠেকাতে এমন সংবিধান দরকার যা ক্ষমতার চূড়ান্ত মালিক জনগণকে বানাবে&amp;mdash;কাগজে নয়, বাস্তবে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভা সঞ্চালনা করেন কর্নেল (অব.) জাকারিয়া হোসেন। বক্তব্য রাখেন আরও অনেকে, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী, নিউ নেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, পত্রিকা &amp;lsquo;জবানের&amp;rsquo; সম্পাদক রেজাউল করিম রনি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সেক্রেটারি ফেরদৌস আরা খানম এবং আইনজীবী শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সভায় স্পষ্টতই রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রূপরেখা তৈরির আহ্বান উঠে আসে। বক্তারা মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতি আজ একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে প্রতিটি ভুল সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রকে আরও একধাপ পিছিয়ে দিতে পারে। তাই জুলাই ঘোষণাপত্র হতে পারে সেই অনন্য দলিল, যা আগামী দিনের বাংলাদেশ গঠনে একটি রাজনৈতিক চুক্তির ভিত্তি স্থাপন করবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আলোচনায় বিভিন্ন বক্তার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়, আগামী দিনে একটি নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হলে সংবিধান সংস্কার, বিচারব্যবস্থা পুনর্গঠন, গুম-খুনের বিচার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহিতা এবং সর্বোপরি একটি জাতীয় ঐকমত্য অপরিহার্য। জুলাই ঘোষণাপত্র তাই একক দলীয় কর্মসূচি নয়, বরং এটি হতে হবে জনগণের দাবির প্রতিচ্ছবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ আলোচনা সভার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহ কিংবা মাসের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই &amp;lsquo;জুলাই ঘোষণাপত্র&amp;rsquo; স্থান করে নিতে পারে। তবে বাস্তবায়নের পথ সহজ নয়&amp;mdash;প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, পারস্পরিক আস্থা এবং নেতৃত্বের সাহস।&lt;br /&gt;
সভা শেষে মিলনায়তনের বাইরে বের হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের কেউ কেউ আলোচনা করেন, এটি কি তবে তৃতীয় শক্তির উত্থানের আভাস? না কি বিদ্যমান কাঠামোতেই এক নতুন রাজনৈতিক সহাবস্থানের সূত্রপাত? এর উত্তর সময়ই দেবে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত&amp;mdash;জুলাই ঘোষণাপত্র এখন আর শুধুমাত্র প্রস্তাব নয়, এটি হয়ে উঠেছে একটি বিকল্প ভাবনার সাংবিধানিক খসড়া, যেখানে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে &amp;lsquo;জনগণ&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>​ক্ষমতায় গেলে ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রগঠনে পাশে চায় বিএনপি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/238</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Jun 2025 18:32:42 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/238</guid>
		<description> বৈঠক শেষে যখন সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি ফাঁস হয়, তখন দেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:verdana,geneva,sans-serif&quot;&gt;লন্ডনের চুপচাপ সন্ধ্যায় চ্যাথাম হাউসের পর্দার আড়ালে শুরু হয়েছিল একটি বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক। সময় ছিল প্রায় দেড় ঘণ্টা, দুই প্রান্তের দুই প্রধান মুখ&amp;mdash;প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আলোচনার পরিধি ছিল ব্যাপক, তবে এর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি। আর এই একান্ত বৈঠকের ফাঁকে বিএনপি জানিয়ে দিয়েছে&amp;mdash;যদি তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তারা জাতীয় পরামর্শদাতা হিসেবেই নয়, একজন দিকনির্দেশক হিসেবে সঙ্গে পেতে চায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈঠক শেষে যখন সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি ফাঁস হয়, তখন দেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, তারা এখন এমন এক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রূপকল্প তৈরি করছেন, যেখানে রাজনৈতিক পক্ষপাত নয় বরং জাতীয় স্বার্থই হবে মুখ্য। এর পেছনে অন্যতম বড় ভূমিকা রাখতে পারেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, &amp;lsquo;আমরা যদি আগামী নির্বাচনে জনগণের রায়ে ক্ষমতায় আসি, তবে দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং গণতান্ত্রিক অনুশাসনের শক্ত ভিত তৈরির জন্য ইউনূস সাহেবের মতামত, অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা কাজে লাগাতে চাই।&amp;rsquo; তার এই বক্তব্যে দলটির ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক দর্শনের এক পরোক্ষ প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, বিচারিক প্রক্রিয়া হবে দ্রুত, স্বচ্ছ এবং সকল রাজনৈতিক পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য। বিগত সময়ে বিএনপি যে সর্বাধিক রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে, সেই অভিজ্ঞতা থেকেই দলটি বিচারিক সংস্কারে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, &amp;lsquo;বিচার নিয়ে খেলাফ করলে জাতি আমাদের ক্ষমা করবে না। তাই আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ&amp;mdash;দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করবো।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই বৈঠকে নির্বাচনকালীন সময় নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। সূত্র বলছে, বিএনপি ডিসেম্বরের পরিবর্তে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দেয়। আর এই প্রস্তাবে প্রধান উপদেষ্টার দিক থেকে &amp;lsquo;ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া&amp;rsquo; পাওয়া গেছে বলেই জানান বৈঠকসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির মধ্যেও। সদস্যদের মধ্যে সর্বসম্মতভাবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রস্তাবটি নিয়ে সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে শুধুই কি নির্বাচন? সেই এক ঘণ্টা পঁচিশ মিনিটে কী এমন কথোপকথন হলো, যা দেশের সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ দর্শন বদলে দিল? বৈঠক-পরবর্তী একটি মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে। বিএনপির পররাষ্ট্র-বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, &amp;lsquo;এই আলোচনা ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও ফলপ্রসূ। আমরা আলোচনা করেছি কীভাবে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়েই ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায়। দেশের জন্য একটি উদার, গণতান্ত্রিক, এবং গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বৈঠকের পটভূমি ছিল আরও জটিল। কারণ, একই সময়ে বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছিল। দাবি করা হয়েছিল নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং তথ্য উপদেষ্টা মুনতাসীর কামালের পদত্যাগ। যদিও তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অন্তত একজন বিতর্কিত উপদেষ্টাকে দেখা গেছে, সেই আলোচনা পরোক্ষভাবে আরও কিছু বার্তা দিয়ে গেছে। হাফিজউদ্দিন আহমদ বলেন, &amp;lsquo;আমরা এখনো চাই তিনজন উপদেষ্টার পদত্যাগ। বিষয়টি সরকারের কোর্টে রয়েছে। বল এখন তাদের দিকেই।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, &amp;lsquo;এই সরকার অন্তর্বর্তী হলেও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা তাদের দায়িত্ব। যদি তারা সেটি না পারে, তাহলে জাতি তাদের বিশ্বাস হারাবে।&amp;rsquo; এর অর্থ দাঁড়ায়, বিএনপি এখনো কঠোর অবস্থানে থেকেও সংলাপ ও সমঝোতার পথে হেঁটেছে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং এর পরবর্তী সুশাসন নিশ্চিত করতে দলটি এখন বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি নিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, বৈঠকের পরপরই একাধিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ড. ইউনূসের একটি পুরোনো মন্তব্য। যেখানে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের পর গঠিত সরকারে তিনি কোনো দায়িত্ব নিতে চান না। তিনি বরং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিবেশ নিশ্চিত করতেই বেশি আগ্রহী। এই বক্তব্যকে অনেকেই তার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। তবে বৈঠকে তারেক রহমান ড. ইউনূসের এই অবস্থানকে সম্মান জানিয়ে বলেন, &amp;lsquo;রাষ্ট্রীয় কাজে তাঁর পরামর্শ প্রয়োজন হবে, দায়িত্ব নয়। আমরা তাঁকে পাশে চাইবো একজন অভিভাবক হিসেবে, নিয়ন্ত্রক হিসেবে নয়।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই মুহূর্তে দেশের রাজনৈতিক পরিসর এক দোলাচলের মধ্যে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার পর দেশ এখন একটি মৌলিক পরিবর্তনের অপেক্ষায়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, গণআন্দোলনের ঢেউ এবং বিচার ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে চলছে চুলচেরা বিতর্ক। এই পটভূমিতে বিএনপির এমন অবস্থান এবং ড. ইউনূসকে ঘিরে ভবিষ্যতের যে ভাবনা তারা তুলে ধরেছে, সেটি এক ধরনের কৌশলী রাজনীতি&amp;mdash;যা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সংগতি রেখে এগোতে চায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও দ্বিধান্বিত। কেউ বলছেন, এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কৌশল, যার মাধ্যমে বিএনপি আন্তর্জাতিক মহলে একটি উদার ও গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চায়। অন্যরা বলছেন, সত্যিই হয়তো দলটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জাতীয় ঐক্যভিত্তিক প্রশাসনের রূপরেখা তৈরির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বৈঠক একটি বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছে&amp;mdash;রাজনীতি এখন আর শুধু এককেন্দ্রিক শক্তির প্রদর্শনী নয়, বরং জাতীয় স্বার্থে অনেক পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে আগামী দিনের রাষ্ট্রচিত্র। আর সেই রাষ্ট্রচিত্রে বিএনপি তাদের ভবিষ্যৎ সরকারে নোবেল বিজয়ী ইউনূসকে একজন মেধাবী পথপ্রদর্শক হিসেবে দেখতে চায়। তিনি সরকারের অংশ না হলেও, সরকারকে পথ দেখানোয় থাকবে তাঁর উপস্থিতি&amp;mdash;এই বার্তাই যেন উঠে এলো তারেক-ইউনূস বৈঠকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইঙ্গিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একজন তরুণ ভোটারের কাছে এই বার্তা কতটা প্রাসঙ্গিক? হয়তো অনেকটাই। কারণ, রাজনীতির দুর্বোধ্য সমীকরণের বাইরে এসে জাতীয় ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি গঠনের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। এ এক নতুন রাজনীতির সূচনা, যেখানে যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা থাকবে সবচেয়ে বড় মাপকাঠি।&lt;br /&gt;
তবে প্রশ্ন এখনো থেকেই যায়&amp;mdash;এই বক্তব্য শুধুই কি কৌশল? নাকি সত্যিই একটি নতুন রাষ্ট্রদর্শনের সূচনা ঘটতে যাচ্ছে? সময়ই হয়তো দেবে সেই উত্তর। কিন্তু আপাতত ড. ইউনূস এবং বিএনপির এই সমীকরণে দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাত্রা&amp;mdash;যেখানে ক্ষমতা নয়, বরং &amp;lsquo;পরামর্শ&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;সহযোগিতা&amp;rsquo;র মডেল হয়ে উঠছে আগামীর রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রবিন্দু।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরান-ইসরায়েলের সংঘাতে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্বনেতারা উদ্বিগ্ন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/237</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Jun 2025 18:11:02 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/237</guid>
		<description> ইরান-ইসরায়েলের সংঘাতে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য, বিশ্বনেতারা উদ্বিগ্ন </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইরান&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ইসরায়েলের&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;মধ্যে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;দীর্ঘদিনের&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ভূরাজনৈতিক&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;বৈরিতা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;&lt;em&gt;হঠাৎ&lt;/em&gt;&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;করেই&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ভয়াবহ&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;রূপ&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;নিয়েছে&lt;/strong&gt;। &lt;strong&gt;&lt;em&gt;সাম্প্রতিক&lt;/em&gt;&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ঘটনাপ্রবাহে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;দু&amp;rsquo;দেশেরই&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সামরিক&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;অভিযানে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;জড়িয়ে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;পড়েছে&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;যেখানে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;লক্ষ্যবস্তু&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;হয়েছে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;পরমাণু&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;গবেষণা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;কেন্দ্র&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;সেনাঘাঁটি&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;শহুরে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;এলাকা&lt;/strong&gt;। &lt;strong&gt;দ্বন্দ্ব&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;এখন&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;আর&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সীমিত&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;নয়&lt;/strong&gt; &amp;mdash; &lt;strong&gt;তা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;আঞ্চলিক&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;নিরাপত্তার&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সীমানা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;পেরিয়ে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;গিয়েছে&lt;/strong&gt;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত সপ্তাহে ইসরায়েল মধ্যরাতে গোপনে অভিযান চালায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়। লক্ষ্য ছিল পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ঘাঁটি। ইসফাহান ও কেরমানশাহ শহরের উপকণ্ঠে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। নিহত হয়েছেন একাধিক সামরিক কর্মকর্তা ও গবেষক। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, এটি ছিল আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই হামলার জবাবে ইরান চালায় &amp;lsquo;অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি&amp;rsquo;। এক রাতেই ২০০টির বেশি ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় ইসরায়েলের অভ্যন্তরে। আঘাত হানে তেল আবিব, হাইফা এবং গাজা সীমান্ত এলাকায়। যদিও ইসরায়েলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে, তবুও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টেলিফোন আলোচনায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে শান্তির আহ্বান জানিয়েছেন। একইভাবে, ফ্রান্স, জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্র&amp;mdash;তিন দেশের নেতারাও পরিস্থিতির গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমাতে বলেছেন। রাশিয়া স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই উত্তেজনা গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই লড়াই শুধু গোলাবারুদের নয়, প্রযুক্তিরও। ইসরায়েল &amp;lsquo;ডীপ স্ট্রাইক ড্রোন&amp;rsquo; দিয়ে অত্যাধুনিক হামলা চালিয়েছে। ইরানও তাদের সর্বশেষ &amp;lsquo;বাসার থ্রি&amp;rsquo; ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা ১২০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংঘাত ভবিষ্যতের যুদ্ধের প্রযুক্তিগত রূপরেখা আঁকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুই দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবন আজ এক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। ইরানের চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে আহতদের ভিড়, ইসরায়েলে আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই না পেয়ে রাস্তায় রাত কাটাতে হচ্ছে বহু পরিবারের। খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সংঘাত আসলে বড় কোনো যুদ্ধের শুরু না তো? একদিকে সামরিক প্রতিক্রিয়া, অন্যদিকে কূটনৈতিক চাপ &amp;mdash; দুই পথেই দ্বন্দ্ব বেড়ে চলেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে নাকি মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আরও বারুদ ছড়িয়ে পড়বে &amp;mdash; এখন সে প্রশ্নই সামনে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস </title>
		<link>https://shomoybhela.com/236</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Jun 2025 17:31:07 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/236</guid>
		<description> প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ঘিরে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ঘিরে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। লন্ডনে অবস্থানকালে ব্রিটিশ চ্যানেল আইটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি বলেন, যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফিরে দুর্নীতির মামলায় আদালতে হাজির হয়ে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। রাজনৈতিক সংলাপ নয়, যেকোনো অভিযোগ মোকাবেলা করতে হবে আদালতের কাঠগড়ায়&amp;mdash;এমন বার্তা দিয়ে তিনি যেন এক নতুন যুগের সূচনা করলেন, যেখানে নিকট আত্মীয়দের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠলে তার প্রতিকার খোঁজা হবে রাষ্ট্রীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এমন বক্তব্য একজন এমপি বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার মুখ থেকে আসা অস্বাভাবিক নয়&amp;mdash;তবে তা যদি হয় জাতির ইতিহাসে দীর্ঘকাল প্রভাব ফেলে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যকে ঘিরে, তখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাত্রাও বেড়ে যায়। টিউলিপ সিদ্দিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি। তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বেশ সক্রিয় ও গ্রহণযোগ্য একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত, অতীতে ট্রেজারি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক তার খালা শেখ হাসিনার কাছ থেকে অবৈধভাবে জমি ও ঢাকার গুলশানে একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট গ্রহণ করেছেন। এসব সম্পদ বৈধভাবে তার নামে হস্তান্তরের কোনো প্রামাণ্য দলিল পাওয়া যায়নি বলেই কমিশনের দাবি। এই অভিযোগ সামনে আসার পরপরই টিউলিপ এক বিবৃতিতে বলেন, এটি বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের &amp;lsquo;রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার&amp;rsquo;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস অবশ্য স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এই বিষয়টি এখন সম্পূর্ণভাবে আইনি পরিসরে চলবে। তিনি আইটিভির সাংবাদিককে বলেন, &amp;ldquo;আমি তার (টিউলিপের) সঙ্গে কোনো বৈঠকে বসিনি, বসার প্রয়োজনও অনুভব করিনি। কারণ এটি একটি আইনি ইস্যু। আমি আদালতের বাইরে গিয়ে এসব আলোচনায় জড়াতে রাজি নই।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সাক্ষাৎকারের আগে টিউলিপ একটি চিঠির মাধ্যমে ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন। তার যুক্তি ছিল, ঢাকার দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে, যা আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করা সম্ভব হতে পারে। তবে ইউনূস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এই প্রত্যাখ্যানকে কেন্দ্র করে টিউলিপ এক বিবৃতিতে বলেন, &amp;ldquo;প্রধান উপদেষ্টা যদি সত্যিই স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতেন, তবে তিনি অন্তত আমার সঙ্গে একবার দেখা করতেন। তার এই অনীহা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাকে উৎসাহিত করছে।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টিউলিপের এই প্রতিক্রিয়াকে অনেকে একটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বক্তব্য বলেও ব্যাখ্যা করছেন। কারণ, তিনি সরাসরি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যার প্রভাব লন্ডনের রাজনৈতিক মহলেও পড়েছে। তবে ড. ইউনূস শুরু থেকেই বলে আসছেন, তার নেতৃত্বাধীন সরকার কোনোভাবেই প্রতিহিংসা বা দলীয় অবস্থান থেকে কাজ করছে না। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে বহুবার বলেছেন, &amp;ldquo;আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো এসেছে, সেগুলো নতুন নয়। ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের পর যখন শেখ হাসিনার সরকার পতন হয়, তখনই তার পরিবারের একাধিক সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসে। বিশেষ করে, দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ এবং জাল দলিল তৈরি করে জমি ও ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই ধারাবাহিকতায় টিউলিপ সিদ্দিকের নামও ওঠে আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এসব অভিযোগের কোনো প্রমাণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি কমিশন। তাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টিউলিপের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক নির্যাতনের অভিযোগও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবুও বিষয়টি যখন আদালতের প্রক্রিয়ায় গড়ায়, তখন সেটি বিচারাধীন হওয়ায় এ বিষয়ে বাড়তি কিছু বলা যেমন সাংবাদিকদের জন্য সংবিধান পরিপন্থী, তেমনি রাজনৈতিক মন্তব্য করাও প্রশাসনিক দায়িত্ববোধের পরিপন্থী&amp;mdash;এমনটি মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সমগ্র পরিপ্রেক্ষিতের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে ড. ইউনূসের স্পষ্ট অবস্থান। তিনি যখন আইটিভিকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন, তখন তার কণ্ঠে কোনো দ্বিধা ছিল না। বরং একজন প্রশাসক হিসেবে, একজন বিচারক হিসেবে এবং একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার কণ্ঠ ছিল দৃঢ় ও পরিপক্ব। তিনি বলেন, &amp;ldquo;আমি এই মামলায় আমার ব্যক্তিগত মতামত চাপিয়ে দিতে চাই না। আমি চাই, এটি আইনের মাধ্যমেই সমাধান হোক।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই বক্তব্য অনেকের কাছে একটি বড় বার্তার মতো প্রতীয়মান হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবার বা আন্তর্জাতিক পরিচিতি সম্পন্ন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তা আড়াল করা হয় প্রশাসনিক সদিচ্ছার অভাবে। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অন্তত বিষয়টি ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ড. ইউনূসের এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ তাকে &amp;lsquo;একজন সাহসী প্রশাসক&amp;rsquo; বলে অভিহিত করেছেন, কেউ আবার বলছেন, &amp;ldquo;আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও বিচার ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ইউনূস একটি কঠিন ও নৈতিক অবস্থান নিয়েছেন।&amp;rdquo; আবার কেউ কেউ বলেছেন, &amp;ldquo;এই বক্তব্য শুধু টিউলিপ নয়, সকল রাজনৈতিক পরিবারের জন্য একটি বার্তা&amp;mdash;আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে টিউলিপ সিদ্দিকের ভবিষ্যৎ এখন অনেকটাই বাংলাদেশের আদালতের ওপর নির্ভর করছে। যদি তিনি দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন, তাহলে হয়তো নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে যদি তিনি আদালতের মুখোমুখি হতে রাজি না হন, তাহলে এটি তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে বিষয়টি যদি আরও বহির্বিশ্বে আলোচিত হয়, তাহলে লেবার পার্টির ওপরও চাপ বাড়বে একজন এমপির আচরণ নিয়ে অবস্থান নিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ড. ইউনূসের সাম্প্রতিক এই মন্তব্য, টিউলিপের প্রতিক্রিয়া এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক শুদ্ধাচারের নতুন এক দিকচিত্র উপস্থাপন করছে। যেখানে পরিচয় নয়, অপরাধই মুখ্য। যেখানে ক্ষমতা নয়, আইনের শাসনই চূড়ান্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রেক্ষাপটে টিউলিপ সিদ্দিকের সামনে দুটি পথ&amp;mdash;হয় আদালতের মুখোমুখি হয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে, নয়তো বিদেশি মাটিতে থেকেই বাংলাদেশের জনগণের বিশ্বাস হারাতে হবে। তবে শেষ কথা বলবে আদালতই&amp;mdash;যেখানে দল নয়, প্রমাণই মুখ্য।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস </title>
		<link>https://shomoybhela.com/235</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 14 Jun 2025 16:38:56 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/235</guid>
		<description> চার দিনের যুক্তরাজ্য সফর শেষে শনিবার সকালে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;চার দিনের যুক্তরাজ্য সফর শেষে শনিবার সকালে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ছিলেন সরকারি সফরের অংশ হিসেবে যাওয়া উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য ও ব্যক্তিগত সহকারীদল। হিমশীতল ব্রিটিশ আবহাওয়ায় চার দিন অবস্থান শেষে দেশে ফিরলেও এই সফরের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অভিঘাত নিয়ে দেশে ফিরে এখনো আলোচনা চলছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অধ্যাপক ইউনূসের এই সফরটি ছিল রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার এই সফরের সময়কালেই যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস তাঁকে &amp;lsquo;কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&amp;rsquo;-এ ভূষিত করেন, যা তার সামাজিক ও মানবিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। পাশাপাশি, এই সফরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠক। দীর্ঘ সময় পর এই দুই আলোচিত ব্যক্তির মুখোমুখি আলোচনা রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, এই বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং উভয়পক্ষ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সম্মত হয়েছেন। বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে আগামী ২০২৬ সালের রমজান শুরুর আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই পথচলা সহজ হবে না&amp;mdash;দুর্নীতির বিচার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ ছাড়া জনগণের আস্থা অর্জন অসম্ভব হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সফরে আরেকটি আলোচিত ইস্যু ছিল বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের পুনরুদ্ধার। সফরের পূর্বেই অধ্যাপক ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছিলেন, প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়ে গেছে গত এক দশকে, যার একটি বড় অংশ যুক্তরাজ্যে স্থানান্তর হয়েছে। এই অর্থ পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং কিছু সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এমন এক সময় এই আলোচনা হয়, যখন শেখ হাসিনার শাসনামলের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের যুক্তরাজ্যস্থ সম্পদ জব্দের খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসে। এই প্রক্রিয়াকে বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতি বিরোধী লড়াইয়ের একটি বাস্তবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অনেকেই। তবে আওয়ামী লীগপন্থী মহলে এই সফরকে অপ্রাসঙ্গিক বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে, যার কারণে এই সফর নিয়ে দলটির একাধিক নেতা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার যুক্তরাজ্য সফরে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার, লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ এবং ডায়াসপোরা কমিউনিটির সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়। সেখানে তিনি বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অর্থনৈতিক সংকট ও মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন। অনেকেই এই সফরকে একটি &amp;lsquo;অফেনসিভ কূটনৈতিক পদক্ষেপ&amp;rsquo; বলেও অভিহিত করেছেন। কারণ, সফরের প্রতিটি মিটিংয়ে অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। এসব বৈঠকে তিনি বিদেশি সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছেন বলে বিশ্লেষকদের দাবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অধ্যাপক ইউনূস এমন এক সময়ে যুক্তরাজ্য সফরে যান, যখন দেশজুড়ে নির্বাচনকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে চলছে বিতর্ক। বিএনপির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানানো হলেও আওয়ামী লীগ সেই প্রস্তাব নাকচ করে আসছিল। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠনের পর এই সফর অনেক কিছু বোঝাতে সক্ষম হয়েছে। একদিকে বিএনপির সঙ্গে সরাসরি আলোচনা, অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ&amp;mdash;এই দুই কৌশল একইসঙ্গে বাস্তবায়ন করেছেন অধ্যাপক ইউনূস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে এই সফরকে ঘিরে বেশ কিছু সমালোচনাও উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনের সময় এগিয়ে এলেও প্রধান উপদেষ্টা এখনো একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি নমনীয়তা দেখাচ্ছেন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা বারবার অভিযোগ করে আসছেন যে, অধ্যাপক ইউনূস অতীতে সরকারবিরোধী শক্তিকে সমর্থন করেছেন। এমনকি তার নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি এবং গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়েও নানা সময় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব পালন এবং বিদেশ সফরে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে অধ্যাপক ইউনূস এই সফরে নিজের অবস্থান যথেষ্ট পরিস্কার করেছেন বলেই তার ঘনিষ্ঠজনেরা দাবি করেন। লন্ডনে বসবাসরত একজন বাঙালি সাংবাদিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, &amp;lsquo;এই সফর কেবল আনুষ্ঠানিক সফর ছিল না। এটি ছিল একটি সিগন্যাল&amp;mdash;বিশ্ববাসীকে জানানো যে, বাংলাদেশ এখন পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে।&amp;rsquo; তিনি আরও বলেন, &amp;lsquo;ড. ইউনূস এবং তারেক রহমানের বৈঠক স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এর রাজনৈতিক প্রভাব আগামী কয়েক মাসে দৃশ্যমান হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গেও একাধিক অনুষ্ঠান করেছেন অধ্যাপক ইউনূস। এসব অনুষ্ঠানে তিনি ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কৌশল, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক উদ্যোগ বিষয়ে আলোচনা করেন। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে একটি বক্তৃতায় তিনি বলেন, &amp;ldquo;আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেটি গড়ে তোলা সম্ভব যদি আমাদের মধ্যে উদ্ভাবন, সহানুভূতি ও দৃঢ়তা থাকে।&amp;rdquo; এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোড়ন তোলে এবং অনেকেই তাকে &amp;lsquo;ভবিষ্যতের রাষ্ট্রনায়ক&amp;rsquo; হিসেবেও উল্লেখ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সফরের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক ছিল কিং চার্লসের সঙ্গে একান্ত বৈঠক এবং সম্মাননা গ্রহণ। এটি অধ্যাপক ইউনূসের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে বলে কূটনৈতিক মহলের অভিমত। আগে থেকেই তিনি বিশ্বব্যাপী নোবেলজয়ী একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তবে এই সফর তার নতুন রাজনৈতিক পরিচয়কে আরও দৃঢ়তা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকায় ফেরার পর তাকে স্বাগত জানান সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কিছু রাজনৈতিক নেতা। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক কথা না বললেও, তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়, আগামী সপ্তাহে তিনি বিস্তারিত ব্রিফিং করবেন। এই ব্রিফিংয়ে তিনি সফরের মূল উদ্দেশ্য, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
এদিকে, এই সফরের প্রভাব ইতোমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই সফরের বিশ্লেষণ প্রকাশ হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কেউ কেউ আবার এই সফরকে &amp;#39;রাজনৈতিক নাটক&amp;#39; বলেও অভিহিত করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে সন্দেহ নেই যে, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফর বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তার এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী রাজনীতিতে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যেভাবে তিনি দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ মহলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করছেন, তা আগামী নির্বাচন ও সরকারের রূপকাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একই সঙ্গে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি যে সংকেত দিয়েছেন, তাও জনগণের কাছে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে গৃহীত হচ্ছে। এখন দেখার বিষয় হলো, এই সফরের বাস্তব প্রভাব কতটুকু হয়, এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে তিনি কতটা নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই সফরের পর অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর দেশের মানুষ এবং আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন অনেক বেশি। এই দৃষ্টিভঙ্গি সামনে রেখে তিনি কীভাবে আগামী সময়টাকে ব্যবস্থাপনা করেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সফর শেষ, কিন্তু অধ্যাপক ইউনূসের &amp;lsquo;বাংলাদেশ সংস্কার&amp;rsquo; এখনও অনেকটাই বাকি!&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লন্ডনে রাজকীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস </title>
		<link>https://shomoybhela.com/234</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Jun 2025 17:27:35 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/234</guid>
		<description> লন্ডনে রাজকীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশের&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;প্রধান&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;উপদেষ্টা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;অধ্যাপক&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;মুহাম্মদ&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ইউনূস&lt;/strong&gt; কেবলমাত্র একজন প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নন, বরং তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন স্বীকৃত &lt;strong&gt;অর্থনীতিবিদ&lt;/strong&gt;, &lt;strong&gt;সমাজ&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সংস্কারক&lt;/strong&gt; ও &lt;strong&gt;মানবকল্যাণে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;নিবেদিত&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ব্যক্তিত্ব&lt;/strong&gt;। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ধারণার পথিকৃত এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।আর সেই তিনি আজ(১২ই জুন) বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের অন্যতম সম্মানজনক স্বীকৃতি &amp;lsquo;কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড&amp;rsquo; গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক সেন্ট জেমস প্যালেসে এক বিশেষ আয়োজনে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পুরস্কার সমাজে সংহতি, সহনশীলতা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়ে থাকে। অধ্যাপক ইউনূস দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক ব্যবসা ও অর্থনৈতিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন। এই ক্ষেত্রগুলোতে তাঁর অবদানের জন্যই এবারের সম্মাননা তাঁকে প্রদান করা হচ্ছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে চার দিনের সরকারি সফরে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তাঁর সফরসূচির অংশ হিসেবে আজ তিনি বাকিংহাম প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়াও তিনি ওয়েস্টমিনস্টারে হাউস অব কমন্সের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোয়েলের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সামাজিক ব্যবসার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ইউনূস এর আগেও বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে ক্ষুদ্রঋণ মডেল বিশ্বের নানা দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্বাসের জোয়ারে ইসলাম: দশকে প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/233</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Jun 2025 14:55:39 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/233</guid>
		<description> বিশ্বাসের জোয়ারে ইসলাম: দশকে প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;গত&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;এক&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;দশকে&lt;/strong&gt; বৈশ্বিক ধর্মীয় ভূচিত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। নানা ধর্মের অনুসারী বাড়লেও, &lt;strong&gt;ইসলামের&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;অনুকূলে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;প্রবৃদ্ধির&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;হার&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;ছিল&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সবচেয়ে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;বেশী&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;লক্ষণীয়&lt;/strong&gt;। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ধর্মান্তরের হার মিলিয়ে ইসলাম এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ধর্ম হিসেবে উঠে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বের মুসলিম জনগোষ্ঠী বাড়ার পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে &lt;strong&gt;প্রাকৃতিক&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;জনসংখ্যা&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;বৃদ্ধি&lt;/strong&gt;। মুসলিম নারীদের সন্তান জন্মদানের হার অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় বেশি, যা এই প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, গড় হিসেবে একজন মুসলিম নারী ২.৯টি সন্তান জন্ম দেন, যেখানে অমুসলিম নারীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২.২।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​ইসলামের বিস্তার শুধু মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ এশিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়। আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের কিছু অংশেও এই ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে কাজাখস্তান, বেনিন ও লেবাননে মুসলিম জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। অন্যদিকে, ওমান ও তানজানিয়ায় মুসলিমদের অনুপাত কিছুটা কমেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ইসলামই একমাত্র প্রধান ধর্ম যেখানে ধর্মান্তরের মাধ্যমে ধর্ম গ্রহণের হার ধর্মত্যাগের তুলনায় বেশি। খ্রিষ্টধর্ম, হিন্দুধর্ম, এমনকি বৌদ্ধধর্মেও ধর্ম ত্যাগের হার ধর্ম গ্রহণের তুলনায় বেশি। খ্রিষ্টধর্মের ক্ষেত্রে প্রতি একজন নতুন ধর্মান্তরিত খ্রিষ্টানের বিপরীতে তিনজন ধর্ম ত্যাগ করেছেন বলে তথ্য উঠে এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​​&lt;br /&gt;
​​​​​​খ্রিষ্টধর্ম অনুসারীর সংখ্যা এখনও বিশ্বের সর্বোচ্চ&amp;mdash;প্রায় ২৩০ কোটি। তবে ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় ১.৮% হ্রাস পেয়েছে। অনেক দেশেই খ্রিষ্টান জনসংখ্যার অনুপাতে বড় পতন দেখা গিয়েছে, বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায়। শুধুমাত্র একটি দেশে খ্রিষ্টধর্ম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​​চীনসহ কিছু দেশ ধর্মহীনতার দিক থেকে অগ্রণী। চীনে প্রায় ১২৫ কোটি মানুষ কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না। বৈশ্বিকভাবে ধর্মহীন জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এখন প্রায় ২০০ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। ২০১০ সালের তুলনায় এই সংখ্যা ২৭ কোটি বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​বৌদ্ধধর্ম একমাত্র প্রধান ধর্ম যার অনুসারীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ মানুষ এই ধর্ম ত্যাগ করেছেন। হিন্দুধর্মের অনুসারীর সংখ্যা বাড়লেও (১২ কোটির বেশি), বিশ্ব জনসংখ্যার অনুপাতে এই ধর্মের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​​বর্তমান প্রবণতা বজায় থাকলে ইসলাম আগামী কয়েক দশকের মধ্যে খ্রিষ্টধর্মকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্ম হয়ে উঠতে পারে। কারণ, মুসলিম জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে কনিষ্ঠ এবং প্রজনন হারের দিক থেকে এগিয়ে। ধর্মীয় পরিচয়ের এ পরিবর্তন আগামী দিনে বৈশ্বিক রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​​বিশ্বের ধর্মীয় পরিচয় দিন দিন আরও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠছে। ইসলামের বিস্তার ও ধর্মহীনতার বৃদ্ধি একসঙ্গে আমাদের জানিয়ে দেয়, বিশ্বাসের পরিচয়ে মানুষ আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন ও পরিবর্তনমুখী। তথ্যভিত্তিক এই পরিবর্তন সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ক্ষেত্রেও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা: চীন সফরে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল </title>
		<link>https://shomoybhela.com/231</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Jun 2025 11:52:16 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/231</guid>
		<description> জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা: চীন সফরে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশ&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;জাতীয়তাবাদী&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;দল&lt;/strong&gt; (বিএনপি) নিজস্ব এক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ২০২৫ সালের জুন মাসের শেষ দিকে চীনের সফরে যাচ্ছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সফরটি আয়োজিত হয়েছে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির &amp;quot;Political Party Plus&amp;quot; কার্যক্রম-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে, যার মূল লক্ষ্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আন্তঃকমিউনিস্ট পার্টি-তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইতিমধ্যে ২০২৪ সালের অক্টোবর ও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে বিএনপি&amp;ndash;চীন সম্পর্কের রূপরেখা ইতিমধ্যে পরিমার্জিত হয়েছে, যেখানে প্রতিনিধি দর্শন, অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগকেন্দ্রিক আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চীনা রাষ্ট্রদূত Yao Wen বার্ধাঘরা ও গুলশানস্থ বিএনপি কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ও দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি বারবার &amp;ldquo;অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ না করা&amp;rdquo; এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইতিমধ্যে এই বিবৃতি ক্রমাগত নতুন বিনিয়োগ এবং কূটনৈতিক সহযোগিতার দৃষ্টিতে নতুন ভরসা জুগিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই সফর কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​সিরিজ বৈঠক ও বিনিয়োগচুক্তির প্রস্তুতি চলছে, যা ভবিষ্যতে অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক খাতে চীনের সাথে আরও ভালো সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। বিশেষভাবে, নিপি&amp;ndash;ব্রিজ, নদী ব্যবস্থাপনা, পানি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় ইত্যাদি বিষয় আলোচনার প্রধান আলোচ্যসূচি হিসেবে থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সফরের সারসংক্ষেপ:&lt;br /&gt;
সফরের সময়: জুন ২০২৫, মাসের শেষার্ধ&lt;br /&gt;
লিডারশিপ: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণকারী: চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (&amp;quot;Political Party Plus&amp;quot;)&lt;br /&gt;
আলোচ্যসূচি: রাজনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পানি ব্যবস্থাপনা, সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় চীনের মনোভাব: অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ না করে বন্ধুত্ব ও সম্মিলিত উন্নয়নের ওপর জোর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​​&lt;br /&gt;
এই সফর কেবল রাজনৈতিক পর্যায়ে নয়, বরং কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও একটি স্ট্র্যাটেজিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখতে হচ্ছে। চীন&amp;ndash;বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন স্তরে উন্নীত করা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিবেশে নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিয়ে সমন্বয়, পাশাপাশি চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি উন্নয়নে সহযোগিতা&amp;mdash;এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সফরের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/230</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Jun 2025 16:31:44 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/230</guid>
		<description> বাংলাদেশে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত? </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;&lt;em&gt;বাংলাদেশে&lt;/em&gt;&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;আবারও&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;বাড়ছে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;করোনাভাইরাসের&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;সংক্রমণ&lt;/strong&gt;। বিশেষ করে এপ্রিলের শেষ দিকে মাত্র একজন রোগী শনাক্ত হলেও মে মাসের শেষ সপ্তাহে তা দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি &amp;lsquo;এক্সএফজি&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;এক্সএফসি&amp;rsquo; নামে করোনার দুটি নতুন উপধরন শনাক্ত হয়েছে। এগুলো ওমিক্রনের JN-1 ভ্যারিয়েন্ট থেকে উদ্ভূত এবং তুলনামূলকভাবে বেশি সংক্রামক বলে মনে করছেন গবেষকেরা। ভারতসহ আশপাশের দেশগুলোতেও এই ধরন শনাক্ত হওয়ায় সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্যবিদেরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর করোনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালগুলোতে আবারও নমুনা সংগ্রহ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আপাতত শুধুমাত্র যেসব মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে RT-PCR ল্যাব রয়েছে, সেখানেই সীমিত আকারে পরীক্ষা শুরু হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও ময়মনসিংহের বিভাগীয় শহরগুলোতে এই কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে চালু হবে। লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক হালিমুর রশীদ জানিয়েছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এই কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে পরীক্ষার কিটের ঘাটতি। রাজধানীর প্রধান তিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দী, সলিমুল্লাহ) বর্তমানে কোনো করোনা টেস্ট কিট নেই। এতে রোগ শনাক্ত ও বিচ্ছিন্নকরণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ রোধে শুধু পরীক্ষা নয়, একইসঙ্গে টিকা কার্যক্রম আবারও শুরু করা জরুরি। কিন্তু টিকার মজুতও সীমিত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
করোনার প্রতিটি ঢেউয়ের সময় জনসচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে এবারের ঢেউয়ের আগে জনগণের মধ্যে তেমন সচেতনতা দেখা যাচ্ছে না। মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা একেবারেই কমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারকে এখনই মিডিয়া, স্কুল, অফিস ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মাধ্যমে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করা উচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​&amp;nbsp;করোনার নতুন ধরনগুলো দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম। তাই শুধু পরীক্ষার আওতা বাড়ানো নয়, টিকা কর্মসূচি পুনরায় চালু করা, হাসপাতালে কিট সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং হেলথওয়ার্কারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর নজরদারি বাড়ানো ও বিদেশফেরত যাত্রীদের বাধ্যতামূলক স্ক্রিনিং চালু করা এখন সময়ের দাবি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করোনা মহামারিকে গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি হিসেবে না রাখলেও প্রতিটি দেশকে স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে। বাংলাদেশকেও একই রকম প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে আগের মতো সংকট দেখা না দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। যদিও এই মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ নয়, কিন্তু অবহেলা করলে তা দ্রুত সংকটের দিকে যেতে পারে। স্বাস্থ্যব্যবস্থা, জনসচেতনতা, সরকারি নীতিনির্ধারণ এবং গণমাধ্যমের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই আগামী দিনের করোনা ঢেউ ঠেকানো সম্ভব।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির পথে বাংলাদেশ: ইভি উৎপাদনে সরকারি নীতিতে নতুন মাত্রা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/229</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 11 Jun 2025 11:39:55 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/229</guid>
		<description> পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির পথে বাংলাদেশ: ইভি উৎপাদনে সরকারি নীতিতে নতুন মাত্রা </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশে&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;পরিবেশবান্ধব&lt;/strong&gt; প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহন ব্যবস্থা ও ব্যাটারি শিল্পের বিকাশে সম্প্রতি শুরু হয়েছে এক নতুন যুগ। অন্তর্বর্তী সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে দেশে ইলেকট্রিক যানবাহন (ইভি) এবং লিথিয়াম-গ্রাফিন ব্যাটারি উৎপাদনে তৈরি হয়েছে অনুকূল পরিবেশ। দুইটি পৃথক এসআরও জারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কহার কমিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ১ শতাংশে। এর মাধ্যমে দেশীয় শিল্পে যেমন গতি আসবে, তেমনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বেড়ে গেছে বহুগুণ। মঙ্গলবার ১০ জুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুল্ক হ্রাসের ফলে ইলেকট্রিক বাইক, ত্রিচক্র ও চতুরচক্র যানবাহনের ব্যাটারি উৎপাদন এখন স্থানীয়ভাবে সম্ভব। আগে এসব কাঁচামালের আমদানিতে শুল্কহার ছিল ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত। নতুন হারে ১ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করায় উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, যার সুফল মিলবে সরাসরি ভোক্তা পর্যায়েও।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​&amp;nbsp;এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরপরই প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ে এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন যৌথভাবে চন্দ্রায় একটি আধুনিক লিথিয়াম ব্যাটারি কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে বছরে প্রায় ৮০ হাজার ব্যাটারি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটাও বাংলাদেশে তাদের বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​​লিথিয়াম-আয়ন ও লিথিয়াম-গ্রাফিন ব্যাটারি ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ প্রায় ৫০% পর্যন্ত হ্রাস পায়। তাছাড়া এগুলো তুলনামূলকভাবে হালকা, দীর্ঘস্থায়ী এবং পুনরায় চার্জ দেওয়া যায় সহজে। বর্তমানে অধিকাংশ ইজি বাইক ও রিকশা এখনও অ্যাসিড-ব্যাটারির উপর নির্ভরশীল, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। নতুন নীতিমালায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে এই পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন আশা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুরাতন ও রিফার্বিশড যন্ত্রাংশ আমদানির নামে রাজস্ব ফাঁকি ও ই-বর্জ্যের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ২০২২ সালের এসআরও নম্বর ১২৩ বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই নীতিগত সংস্কারে নেতৃত্ব দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তার প্রস্তাবনার ভিত্তিতে এনবিআরের চেয়ারম্যান, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব এবং বাণিজ্য সচিব সম্মিলিতভাবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ও প্রস্তাবকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অনুমোদন দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশে ইভি শিল্পে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিভিন্ন কারখানা ও প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। একইসাথে, স্থানীয় উৎপাদনের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার উপর নির্ভরতা কমবে এবং রপ্তানি বৈচিত্র্য অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
​​​​বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের শিল্পনীতিতে এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি শুধু প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের পথই তৈরি করছে না, বরং সবুজ অর্থনীতির দিকে জাতিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিচ্ছে। &amp;lsquo;সবুজ বাংলাদেশ&amp;rsquo; গঠনে এই উদ্যোগ একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে দেবে বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বনানীতে রেডি-মিক্স ট্রাকের চাপায় একজন মেরিনার সহ দুই বাইক আরোহীর মৃত্যু </title>
		<link>https://shomoybhela.com/227</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 May 2025 14:24:19 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/227</guid>
		<description> বাবার চিকিৎসায় ঢাকায় এসে প্রান গেলো আসিফের </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color:#000000&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-family:solaiman&quot;&gt;রাজধানীর বনানীতে একটি কংক্রিট রেডি-মিক্সের ট্রাকের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। রোববার (২৫ মে) সকাল ৯টার দিকে বনানী এলাকার একটি সড়কে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বনানী কাকলী বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি কংক্রিট মিক্সার ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।&amp;nbsp; এতে তারা ঘটনাস্থলেই মারা যান।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতদের মধ্যে একজনের নাম আশফাকুর রহমান আসিফ (২৫) (BMA 56th Batch) বলে জানা গেছে।&amp;nbsp; পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি জব্দ করলেও চালক পালিয়ে যায়।&amp;nbsp; প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মোটরসাইকেলটি রাস্তা থেকে পিছলে পড়ে গেলে ট্রাকটি তাদের উপর উঠে যায়।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই দুর্ঘটনা বনানী এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।&amp;nbsp; পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ট্রাকচালককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেটে প্রথমবারের মতো গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/226</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 May 2025 00:03:23 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/226</guid>
		<description> বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেটে প্রথমবারের মতো গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেটে প্রথমবারের মতো গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে! বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেট, গত ১৫ মে ২০২৫ তারিখে প্রথমবারের মতো &amp;lsquo;গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা&amp;rsquo; বিষয়ক একটি প্রযুক্তিগত সেমিনারের আয়োজন করে। পরিবেশবান্ধব নৌ-শিল্পের প্রসার এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এই উদ্যোগ শিক্ষাবিদ, শিল্প পেশাজীবী এবং ক্যাডেটদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উক্ত সেমিনারের মূল বক্তা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান এবং কমান্ড্যান্ট মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবির পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনর্ব্যবহার এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা দুজনেই বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, আগামী জুন ২০২৫-এ কার্যকর হতে যাওয়া &amp;lsquo;হংকং আন্তর্জাতিক কনভেনশন ফর দ্য সেফ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টালি সাউন্ড রিসাইক্লিং অব শিপস&amp;rsquo;-এর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ড. এ এম সারওয়ারউদ্দিন চৌধুরী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বলা বাহুল্য- তাঁর উপস্থিতি নৌ-শিল্পের পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার গুরুত্বকে আরও জোরালো করেছে। সেমিনারের আরো একটি বিশেষ অংশ ছিল-&amp;lsquo;ইনস্টিটিউট অব মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএমএআরইএসটি)&amp;rsquo; এবং &amp;lsquo;নটিক্যাল ইনস্টিটিউট (এনআই)&amp;rsquo; সদস্যপদ প্রচারণা। এই উদ্যোগ উপস্থিত সকল ক্যাডেটদের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নৌ-নেটওয়ার্কে সক্রিয় অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা জোগায়। আয়োজকরা এই সফল আয়োজনের জন্য পুরো দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একাডেমির একজন মুখপাত্র বলেন, &amp;ldquo;এই সেমিনার বাংলাদেশে টেকসই নৌ-অনুশীলনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও সক্ষমতা তৈরিতে আমরা গর্বিত।&amp;rdquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেটে অনুষ্ঠিত এই সেমিনার শুধু পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছে না, একইসঙ্গে নৌ-শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি সিলেটকে একটি পথপ্রদর্শক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভারত-পাকিস্তানকে অবিলম্বে সংঘাত থামাতে বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প- প্রয়োজনে সহায়তার আশ্বাস। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/225</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 08 May 2025 11:43:59 +0600</pubDate>
		<category></category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/225</guid>
		<description> ভারত-পাকিস্তানকে অবিলম্বে সংঘাত থামাতে বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প- প্রয়োজনে সহায়তার আশ্বাস। </description>
		<content:encoded><![CDATA[*ভারত-পাকিস্তানকে অবিলম্
প্রতিবেশী বৈরি দুই রাষ্ট্র ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের দামামা বাজছে। একটু এদিক-সেদিক হলেই এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে পুরো মাত্রার যুদ্ধ শুরু হতে পারে। তবে এমন পরিস্থিতিতে ভারত-পাকিস্তানকে অবিলম্বে সংঘাত থামাতে বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 ভারত ও পাকিস্তানকে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধ বন্ধে প্রয়োজনে দুই দেশকে সহায়তা করার প্রস্তাবও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

এই সংঘাতকে খুবই ‘ভয়াবহ’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি উভয় দেশকে ভালোভাবে চিনি।উভয়ের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে। আমি চাই, তারা বিষয়টি মিটিয়ে নিক। আমি চাই, তারা থামুক।’

.মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘তারা পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। অন্তত এখন তারা থামবে বলে আশা করছি। উভয় দেশের সঙ্গেই আমাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমি চাই, এটা (সংঘাত) বন্ধ হোক।’

ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যদি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি, তাহলে অবশ্যই করব।’

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইরানও এই উত্তেজনা প্রশমনে এগিয়ে এসেছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম, যার বরাতে খবরটি নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা।

এর আগে, তিনি পাকিস্তান সফর করেন। দুই দেশের পররাষ্ট্র নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তেহরান জানায়, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে ইরান মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে তারা জানিয়েছে, উভয় দেশের সঙ্গেই ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী ইরান।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সীমান্তে ভারত- পাকিস্তান গোলাগুলি চলছে। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/224</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 May 2025 22:58:41 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/224</guid>
		<description> সীমান্তে ভারত- পাকিস্তান গোলাগুলি চলছে </description>
		<content:encoded><![CDATA[জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার পর সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে বুধবার ভোররাতে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। এর প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির বিমানবাহিনীর দাবি, তাদের পাল্টা আক্রমণে ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান, একটি ড্রোন এবং একটি ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস হয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার রাত থেকেই সীমান্তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) বরাবর ভারত ও পাকিস্তান সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি ও মর্টার হামলার ঘটনা ঘটেছে।

পাকিস্তানের আইএসপিআরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের কোটলি, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাগ ও মুজাফ্ফরবাদে ‘কাপুরুষোচিত’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এরইমধ্যে এর বদলা নিতে শুরু করেছে।

 পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের হাভেলি জেলার ডেপুটি কমিশনার ইমরান শাহীন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোররাতে সীমান্ত এলাকায় তীব্র গোলাবর্ষণ শুরু হয়। তিনি জানান, হাভেলির ফরওয়ার্ড কাহুটা শহরে দুটি মর্টার শেল একটি বসতবাড়িতে আঘাত হানে। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন পুরুষ নিহত হন এবং একাধিক নারী ও শিশু আহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ডেপুটি কমিশনার আরও জানান, সীমান্ত পেরিয়ে আসা গুলিতে পাশের আরেকটি গ্রামে এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে।

 ভারতীয় সেনাবাহিনী মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে জানিয়েছে, পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করে আবারও পুঞ্চ-রাজৌরির ভিম্বার গলিতে গোলাবর্ষণ করেছে। এর জবাবে ভারতও উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

 সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি আরও বড় সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেরিটাইম খাতের উন্নয়নে নেয়া পদক্ষেপ যে কারণে ফল দেয়নি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/223</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 May 2025 16:45:00 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/223</guid>
		<description> মেরিটাইম খাতের উন্নয়নে নেয়া পদক্ষেপ যে কারণে ফল দেয়নি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color:#101828; font-family:open sans,sans-serif,noto serif bengali,serif&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশ সরকার মেরিটাইম খাতের উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে সেগুলোর অনেকটাই বিচ্ছিন্ন, অপ্রতিষ্ঠিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবে কার্যকর হয়নি। &lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color:#101828; font-family:open sans,sans-serif,noto serif bengali,serif&quot;&gt;আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানির সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে কোনো সুসংগঠিত নিয়োগ চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সেভাবে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে ভারত বা ফিলিপাইন সরকারের মতো কোনো স্পষ্ট কূটনৈতিক রোডম্যাপও নেই, যেখানে মেরিটাইম খাতকে একটি বৈদেশিক আয়ের বড় উৎস হিসেবে কৌশলগতভাবে উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়। বিশেষ করে বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোয় মেরিটাইম বা সিফারার সংশ্লিষ্ট কোনো বিশেষজ্ঞ বা নিবেদিত কর্মকর্তা নেই, যিনি এসব বিষয়ে খোঁজখবর রাখবেন বা সমাধানের চেষ্টা করবেন। এতে যখন কোনো ক্যাডেট ভিসা সমস্যায় পড়েন বা বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির প্রয়োজন হয়, তখন তা আর এগোয় না। অন্য দেশের দূতাবাসগুলো যেখানে মেরিন অফিসার বা ক্রুদের জন্য আলাদা ডেস্ক চালু রাখে, সেখানে আমরা অনেকটাই অনুপস্থিত।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color:#101828; font-family:open sans,sans-serif,noto serif bengali,serif&quot;&gt;এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকারকে অবশ্যই একটি maritime-focused কূটনৈতিক কৌশল গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ যেসব দেশ বা অঞ্চল নিয়মিতভাবে সিফারার নিয়োগ করে, তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিতে হবে। এসব চুক্তিতে বাংলাদেশের ক্যাডেটদের নিয়োগের নিশ্চয়তা, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সি টাইম (Sea Time) সহায়তার বিষয়ে আলোচনা থাকা উচিত।&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গ্লোবাল মেরিটাইম ইন্ডাস্ট্রিকে আমরা পাঁচটি মেরিটাইম জোনে ভাগ করতে পারি। ফার ইস্ট জোন (চীন, জাপান, হংকং, কোরিয়া), সাউথ ইস্ট এশিয়ান জোন (সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়াসহ আসিয়ানের সদস্য দেশগুলো), মধ্যপ্রাচ্য জোন (আরব আমিরাত, সৌদিআরবসহ জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলো), ইউরোপিয়ান জোন (ইংল্যান্ড ও গ্রিসসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র), আমেরিকান জোন (পানামা ও যুক্তরাষ্ট্রসহ উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো), উল্লিখিত প্রতিটি জোনে প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে দুটি করে দূতাবাসে মেরিটাইম অ্যাটাশে বা কাউন্সেলর নিয়োগ করা প্রয়োজন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকারকে ভিসা ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিতে হবে&amp;mdash;এটি একটি দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক চুক্তি। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু দেশ সম্মত হয় মেরিন পেশাজীবীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে। যেমন আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা, ন্যূনতম ডকুমেন্টেশন রাখা, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত প্রদান, এমনকি একাধিক ভ্রমণের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেয়া।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বিশেষ করে সিঙ্গাপুর, হংকং, গ্রিস, সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই), মাল্টা ও নরওয়ের মতো দেশগুলোর সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করলে তাৎপর্যপূর্ণ সুবিধা পাওয়া সম্ভব। কারণ এ দেশগুলোয় প্রচুর সংখ্যক আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানির প্রধান কার্যালয় বা অপারেশনাল বেজ রয়েছে। এসব জায়গায় বাংলাদেশের ক্যাডেটদের ভিসা সহজ হলে নিয়োগ পাওয়া অনেকটাই নিশ্চয়তা পাবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এ এগ্রিমেন্ট শুধু ক্যাডেটদের উপকারে আসবে না; বরং এটি বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতকে বৈশ্বিকভাবে আরো দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যাবে। ফলে দেশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি &amp;lsquo;সেফ, স্কিল্ড ও ভিসা ফ্রেন্ডলি সাপ্লাই সোর্স&amp;rsquo; হিসেবে পরিচিত হবে আন্তর্জাতিক নাবিক নিয়োগকারীদের কাছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এমএলসি-২০০৬ অনুযায়ী ত্রিপক্ষীয় মেরিটাইম কমিটি গঠন: বাংলাদেশের সিফারারদের জন্য হতে পারে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এমএলসি-২০০৬-কে বলা হয় নাবিকদের অধিকার সুরক্ষার আন্তর্জাতিক দলিল বা ম্যাগনাকার্টা। বিশ্বব্যাপী মেরিটাইম শিল্পে শ্রমিক অধিকার ও কল্যাণের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গৃহীত হয় মেরিটাইম লেবার কনভেনশন (এমএলসি) ২০০৬। এ চুক্তি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) দ্বারা প্রণীত এবং এর মাধ্যমে সিফারারদের কাজের পরিবেশ, জীবনযাত্রার মান এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। এমএলসি-২০০৬-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ত্রিপক্ষীয় কমিটি, যা সরকারের পাশাপাশি শ্রমিক ও মালিক পক্ষের যৌথ অংশগ্রহণে একটি পরামর্শমূলক ও নীতিনির্ধারক প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। স্পেশাল ট্রাইপার্টাইট কমিটি (এসটিসি) গঠনের বিষয়টি মেরিটাইম লেবার কনভেনশন, ২০০৬-এর ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশ আইএলওর এই কনভেনশনের একটি স্বাক্ষরকারী দেশ হলেও এখন পর্যন্ত আমরা এসটিসি গঠন করিনি, যা কনভেনশনের শর্তানুযায়ী অপরিহার্য। এটি দ্রুত গঠন করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করা যায় এবং সমুদ্রভিত্তিক শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি কার্যকর ত্রিপক্ষীয় কমিটি গঠনের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি সিফারারদের অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক নিয়োগ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;ত্রিপক্ষীয় কাঠামোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এমএলসি-২০০৬-এর বিভিন্ন ধারা সরাসরি ত্রিপক্ষীয় কাঠামোর কথা বলে। আর্টিকেল (২)-এ বলা হয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে সিফারারদের অধিকার সুরক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যাতে তারা ন্যায্য কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তা এবং সঠিক মজুরি পায়। এসব সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সরকার, শিপ মালিক এবং সিফারারদের প্রতিনিধিদের পরামর্শ নেয়া আবশ্যক। আর্টিকেল ৫-এ বলা হয়েছে, প্রতিটি সদস্য দেশকে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জাহাজ মালিকদের ও নাবিকদের সংগঠনের সঙ্গে পরামর্শ অর্থাৎ জাহাজ মালিক ও নাবিক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মতামত নিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;রেগুলেশন ৫.১.৫-এ বলা হয়েছে, অভিযোগ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কার্যকর ও নিরপেক্ষ প্লাটফর্ম থাকা জরুরি, যা ত্রিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই সম্ভব। এছাড়া গাইডলাইন বি১.৪.১ ও বি৫.১.৪ ধারায় ট্রাইপার্টাইট কনসালটেশনের ভূমিকা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ত্রিপক্ষীয় কমিটির সম্ভাব্য উপকারিতা:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশে একটি কার্যকর ত্রিপক্ষীয় কমিটি গঠন করা হলে তা সিফারারদের জন্য নানা সুবিধা বয়ে আনতে পারে:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;১. সিফারারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সাধারণত নীতিনির্ধারণে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা উপেক্ষিত হয়। কিন্তু এ কমিটিতে ইউনিয়ন বা কর্মী প্রতিনিধি থাকলে সিফারারদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমস্যাগুলো সরাসরি আলোচনায় স্থান পাবে। ফলে ন্যায্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;২. মালিক পক্ষের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;শিপ মালিকরা অনেক সময় খরচ কমাতে গিয়ে শ্রমিক স্বার্থ উপেক্ষা করে। ত্রিপক্ষীয় কাঠামোয় মালিক পক্ষকে সরাসরি যুক্ত করে রাখা হলে তারা বাধ্য থাকবে ন্যূনতম শ্রম মান মেনে চলতে এবং শ্রমিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৩. বাস্তবভিত্তিক নীতিনির্ধারণ&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কমিটিতে শ্রমিক ও মালিক পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে নীতিমালার প্রণয়ন হবে বাস্তবতাভিত্তিক। ফলে তা শুধু কাগজে নয়, বাস্তবেও কার্যকর হবে। এটি নীতিনির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট হিসেবে কাজ করবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৪. আন্তর্জাতিক মান পূরণ&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এমএলসি ২০০৬-এর শর্ত অনুযায়ী, প্রতিটি সদস্য দেশকে অবশ্যই সিফারারদের জন্য অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা রাখতে হবে। একটি ট্রাইপার্টাইট কমিটি এসব বিষয় তদারক করতে পারবে, যা আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ নিশ্চিত করবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৫. নির্ভরযোগ্য অভিযোগ ব্যবস্থাপনা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;যদি কোনো সিফারার চাকরিতে অবিচার, বেতন না পাওয়া বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার মুখোমুখি হন, তাহলে এ কমিটি একটি বিশ্বস্ত, নিরপেক্ষ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এতে করে আইনি সহায়তা পাওয়া আরো সহজ ও কার্যকর হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৬. আন্তর্জাতিক নিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;যখন একটি রাষ্ট্র শ্রম অধিকার বাস্তবায়নে স্বচ্ছ ও কার্যকর কাঠামো গঠন করে, তখন তা আন্তর্জাতিক নিয়োগকারীদের জন্য একটি পজিটিভ বার্তা দেয়। বিদেশী শিপিং কোম্পানিগুলো বাংলাদেশী সিফারারদের নিয়োগে আগ্রহী হবে। কারণ তারা বুঝতে পারবে যে এখানে শ্রম আইন মেনে চলা হয় এবং অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কার্যকর।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৭. জাতীয় মেরিটাইম এমপ্লয়মেন্ট স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়নের ফোকাল পয়েন্ট&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;মেরিটাইম বিশেষজ্ঞদের দ্বারা এই স্পেশাল ট্রাইপার্টাইট কমিটি পরিচালিত হবে, যেখানে জাহাজ মালিক, নাবিক ও সরকার পক্ষের প্রতিনিধি থাকবে। মেরিটাইম হাবগুলোয় নিয়োগকৃত মেরিটাইম অ্যাটাশেরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি এই ত্রিপক্ষীয় কমিটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক সংযোগ রক্ষা করে কাজ করবেন। নাবিক কল্যাণ পরিদপ্তর এ টাইপার্টাইট কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নৌ উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত আইএলওর নাবিকদের অধিকারবিষয়ক সভায় যোগদান করেন। যেখানে জানানো হয়েছে, বিগত সরকারের সময়ে মেরিটাইম লেবার কনভেনশন অনুসরণ না করা এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি আইএলওকে না জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে আইএলওর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতা করার অঙ্গীকার এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আগ্রহ তুলে ধরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইএলও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে আপাতত বিরত থাকে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;এমএলসি ২০০৬ শুধু একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি নয়, বরং এটি একটি ব্যবস্থাগত দৃষ্টিভঙ্গি। যেখানে শ্রমিক, মালিক ও সরকার একত্রে কাজ করে একটি ন্যায্য, নিরাপদ ও টেকসই মেরিটাইম পরিবেশ গড়ে তোলে। বাংলাদেশের জন্য একটি ত্রিপক্ষীয় মেরিটাইম কমিটি গঠন হবে নাবিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরির একটি বড় পদক্ষেপ। এটি শুধু নাবিকদের জন্য নয়, বরং দেশের সামগ্রিক মেরিটাইম খাতের জন্যও একটি টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সমাধানের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;বাংলাদেশের মেরিন ক্যাডেটরা মেধা ও দক্ষতায় পিছিয়ে নন, কিন্তু কাঠামোগত দুর্বলতা, প্রশাসনিক উদাসীনতা এবং কৌশলগত ঘাটতির কারণে তারা চাকরি পাচ্ছেন না। ভিসা সমস্যা, মানের স্বীকৃতি এবং বিদেশী শিপিং কোম্পানির আস্থার অভাব মিলিয়ে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের পাশাপাশি সিফারার্স ইউনিয়ন ও বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে, স্থাপন করতে হবে স্বচ্ছ নেতৃত্ব এবং গড়তে হবে কমিউনিটি ইনস্টিটিউশন। নিজেদের কণ্ঠস্বর জোরালো করতে হবে এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;লিখেছেনঃ&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;ড. রেজাউল করিম চৌধুরী: ক্যাপ্টেন, মেরিটাইম পরামর্শদাতা, আইনজীবী; ফ্যাকাল্টি ইউনিভার্সিটি টেরেংগানু, মালয়েশিয়া&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;কাজী মো. আবু সাইদ: মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ও মেরিটাইম পলিসি গবেষক&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশকে প্রায় ৪০ কোটি ইউরো ঋণ ও অনুদান দিচ্ছে ইআইবি ও ইইউ। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/222</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 May 2025 10:48:55 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/222</guid>
		<description> বাংলাদেশকে প্রায় ৪০ কোটি ইউরো ঋণ ও অনুদান দিচ্ছে ইআইবি ও ইইউ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো ফ্রেমওয়ার্ক ঋণ অনুমোদন করেছে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি)। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অতিরিক্ত ৪৫ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেবে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৫৮তম বার্ষিক সভার সময় বাংলাদেশ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আর্থিক অংশীদারদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেয়। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য—টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত করা।

গতকাল মিলানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে ইআইবির সভাপতি নাদিয়া কালভিনোর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইআইবির চলমান সহায়তা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই ঋণ ও অনুদানের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান ইআইবি ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে কাঠামোগত চুক্তির আওতায় কাজ করে আসছে। এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য, পানি সরবরাহ, পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ছয়টি প্রকল্পে প্রায় ৬৩৫ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করেছে সংস্থাটি। মূলত ইইউ সদস্যদেশগুলোতে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ইআইবি বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ইইউর উন্নয়ন সহযোগিতা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৪ মে) মিলানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে অধিক বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এলডিসি উত্তরণ এবং মধ্যম আয়ের ফাঁদ অতিক্রমের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিনি ইইউ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আরও অনুদানভিত্তিক (ওডিএ) এবং সহজ শর্তের ঋণ সহায়তার আহ্বান জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এডিবির বার্ষিক সভার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই বৈঠকগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও জোরদার করছে। সরকার আশা করছে, বৈশ্বিক আর্থিক অংশীদারদের সঙ্গে এ ধরনের কৌশলগত সংলাপ দেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চিয়া সীড কীভাবে পেটের মেদ কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখে? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/221</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 06 May 2025 10:44:14 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/221</guid>
		<description> চিয়া সীড কীভাবে পেটের মেদ কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখে? </description>
		<content:encoded><![CDATA[চিয়া সিড সুপারফুড হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে যারা পেটের মেদ ঝরাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। তবে চিয়া সিড যেহেতু একটি বীজ সেহেতু এটি একাই পেটের মেদ ঝরাতে পারে না। এগুলো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি এবং বৈশিষ্ট্য বহন করে। ওজন কমানোর জন্য সুষম খাদ্য খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি। 

চিয়া সিডে থাকা উচ্চমাত্রার ফাইবার ওজন কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। মাত্র দুই টেবিল চামচ চিয়া সিডে প্রায় ১০ গ্রাম ফাইবার থাকে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে এবং ক্ষুধা কমায়, ফলে অপ্রয়োজনীয় খাওয়া কমে যায়। এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার পানি শোষণ করে জেলের মতো একটি পদার্থ তৈরি করে, যা হজম ধীর করে এবং ক্যালরি গ্রহণ কমাতে সহায়তা করে।

রক্তে গ্লুকোজের স্থিতিশীলতা চর্বি কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চিয়া সিড ইনসুলিনের মাত্রা হ্রাসে সাহায্য করে, যার ফলে শরীর চর্বিকে জ্বালানির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে।

এছাড়া চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। এই প্রদাহই অনেক সময় পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

চিয়া সিড হজম ব্যবস্থার উন্নতি ঘটায়। এতে থাকা ফাইবার অন্ত্রের গতি নিয়মিত রাখে এবং পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে, ফলে পেটের অংশ তুলনামূলকভাবে স্লিম দেখায়।

এতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও চর্বির সুষম সংমিশ্রণ থাকায় এটি দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করে, যা ব্যায়াম বা দৈনন্দিন কাজে সহনশীলতা বাড়ায় এবং চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে।

 সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং চিয়া সিডের মতো পুষ্টিকর উপাদানই হতে পারে ওজন কমানোর চাবিকাঠি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মানবিক করিডোর নিয়ে সরকার চুক্তি করেছে কিনা জানালেন খলিলুর রহমান। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/220</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 May 2025 14:56:23 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/220</guid>
		<description> মানবিক করিডোর নিয়ে সরকার চুক্তি করেছে কিনা জানালেন খলিলুর রহমান। </description>
		<content:encoded><![CDATA[গৃহযুদ্ধ কবলিত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবিক করিডোর স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো চুক্তি স্বাক্ষর করেনি বলে জানিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান।

রোববার (৪ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের শিরোনাম ছিল— ‘বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন, আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ।’

ড. খলিলুর রহমান বলেন, “মানবিক করিডোর নিয়ে এখন পর্যন্ত কেবল প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে, কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি। কিছু প্রতিবেশী দেশের গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে— বাংলাদেশ যেন আরাকানে আমেরিকার হয়ে প্রক্সি যুদ্ধ শুরু করছে। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। 

তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, “রোহিঙ্গাদের কখনোই বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। যদি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ পরিণত হবে প্রতিবেশী দেশগুলোর ‘ডাম্পিং গ্রাউন্ডে’।”

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পূর্বশর্ত হচ্ছে তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা। এ ধরনের সংকটের সমাধান শান্তিপূর্ণভাবে না হয়ে সংঘাতের মাধ্যমে হয়েছে বলে মনে করেন এই উপদেষ্টা।  তবে মিয়ানমারে যে সহিংসতা চলছে তা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের একটি সম্ভাব্য সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

 নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরোও বলেন- মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং নতুন করে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি হউক তা চায়না বাংলাদেশ।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনসিপি, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/219</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 May 2025 14:54:35 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/219</guid>
		<description> হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এনসিপি, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম। </description>
		<content:encoded><![CDATA[জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

হামলার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম লিখেন, “হাসনাতের গাড়িতে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী গাজীপুরে হামলা চালিয়েছে। গাড়ির গ্লাস ভেঙেছে, হাতে আঘাত লেগেছে। যারা কাছাকাছি আছেন, অনুগ্রহ করে হাসনাতকে প্রটেক্ট করুন।”

এনসিপি দাবি করেছে, হামলার আগের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী হাসনাত আব্দুল্লাহকে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিয়েছিলেন। তারা  বলেন, “নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ এ হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত।”

গাজীপুর জেলা প্রশাসক রবিউল হাসান জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দুর্বৃত্তরা হাসনাতের গাড়িতে হামলা চালায়। চালকের ভাষ্যমতে, মোটরসাইকেলযোগে আসা হামলাকারীরা পেছন থেকে গাড়িতে আঘাত করে, এতে কাচ ভেঙে যায়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে, তবে কাউকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, সকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

হামলার প্রতিবাদে রাত নয়টার দিকে গাজীপুরে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। পরে রাজধানীতেও এনসিপির উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হেফাজতের ওপর নৃশংসতার এক যুগ। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/218</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 05 May 2025 14:52:50 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/218</guid>
		<description> হেফাজতের ওপর নৃশংসতার এক যুগ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[২০১৩ সালের ৫ মে গভীর রাত। ঢাকার শাপলা চত্বরের মঞ্চে আগুনঝরা বক্তব্য দিচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে লাখো নেতাকর্মীর জমায়েত। চারপাশ ঘিরে আছে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা। অবস্থানকারীদের বারবার সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে হ্যান্ডমাইকে। হঠাৎ বিদ্যুতের আলো নিভে গেল। চারপাশে ভুতুড়ে অন্ধকার।

এর মধ্যেই তিন বাহিনীর সদস্যরা ফাঁকা গুলি আর কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে শুরু করেন। থেমে থেমে ভেসে আসছিল সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ। প্রায় ১০ মিনিট ধরে এমন পরিস্থিতির এক পর্যায়ে মঞ্চের মাইক বন্ধ হয়ে যায়। তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুলি, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে এগোতে শুরু করেন শাপলা চত্বরের দিকে। সৃষ্টি হয় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির।
শাপলা চত্বর ট্র্যাজেডিতে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নির্যাতনে নিরস্ত্র হেফাজত নেতাকর্মীরা নিহত ও আহত হন। অথচ সেই ঘটনার পর উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই আওয়ামী লীগ সরকার ৮৪ হাজার ৯৭৬ জনের নামে ৮৩টি মামলা দায়ের করে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৪১৬ জনের নাম উল্লেখ ছিল। এসব মামলায় বহু নিরীহ আলেম ও কর্মী বছরের পর বছর জেলজুলুমের শিকার হন, যদিও বেশিরভাগ অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।

ঢাকার চার থানায় দায়ের হওয়া ৪৮ মামলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৬টি পল্টন থানায়, যার মধ্যে ২২টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে ও ১৪টি এখনো তদন্তাধীন। মতিঝিল থানার ৬ মামলার ২টি নিষ্পত্তি হয়েছে, ২টি তদন্তাধীন এবং ২টি উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে আছে। রমনা থানার ২ মামলার একটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে, আরেকটি তদন্তাধীন। শাহবাগ থানার ৪টি মামলাই এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে মামলা: হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের হত্যা-নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত ১২ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা (মিস কেস) হয়েছে।

মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারসহ নয়জনকে আসামি করা হয়েছে। বাকিরা হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক ও পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম। এদের মধ্যে শামসুল হক টুকু, এ কে এম শহিদুল হক, জিয়াউল আহসান ও মোল্যা নজরুল ইসলাম অন্য মামলায় গ্রেফতার রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল বাকি ৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ২৭৫ কোটি ডলার। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/217</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 May 2025 19:49:52 +0600</pubDate>
		<category>প্রবাসে বাংলাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/217</guid>
		<description> এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ২৭৫ কোটি ডলার। </description>
		<content:encoded><![CDATA[সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বড় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ মাসে দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স। বর্তমান হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা), টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ প্রায় ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার বা ১ হাজার ১১৯ কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের এপ্রিলের তুলনায় এবার রেমিট্যান্স বেড়েছে ৭০ কোটি ডলার। গত বছরের একই মাসে এসেছিল ২০৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৪ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৪২ কোটি ডলার বেশি। ফলে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এছাড়া চলতি বছরের মার্চ মাসে এসেছে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স—৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যার মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা।

তালিকায় আরও দেখা যায়:

গত ডিসেম্বর মাসে এসেছিল প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার
জানুয়ারিতে এসেছে ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার

প্রবাসীদের এই অর্থনৈতিক অবদান দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদি আরব পৌঁছেছেন ২২২০৩ হজযাত্রী- মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন বাংলাদেশি। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/216</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 May 2025 13:57:31 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/216</guid>
		<description> সৌদি আরব পৌঁছেছেন ২২২০৩ হজযাত্রী- মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন বাংলাদেশি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[চলতি বছর হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ২২,২০৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ৫৪টি ফ্লাইটে তারা সৌদিতে গমন করেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪,৫৬৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ১৭,৫৩৯ জন হজযাত্রী।

হজ সম্পর্কিত হেল্প ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, এই ৫৪টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ২২টি, সৌদি এয়ারলাইনস ১৭টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ১৫টি।

এদিকে, হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ২ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। ২ মে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ফরিদুজ্জামান (৫৭) স্বাভাবিকভাবে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এর আগে, ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় মদিনায় খলিলুর রহমান (৭০) মৃত্যুবরণ করেন।

চলতি বছর হজ ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ৩১ মে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৫,২০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১,৯০০ জন হজ পালন করবেন।

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৫ জুন অনুষ্ঠিত হতে পারে পবিত্র হজ। ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হবে ১০ জুন এবং শেষ হবে ১০ জুলাই।
 হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।

 তাহ্সিনা ইসলাম, সময় ভেলা,ঢাকা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সিন্ধু নদে বাঁধ দিলে হামলা করবে পাকিস্তান : হুঁশিয়ারি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/215</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 May 2025 11:05:52 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/215</guid>
		<description> সিন্ধু নদে বাঁধ দিলে হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভারত যদি তাদের সীমান্তে সিন্ধু নদে বাঁধ বা এমন কোনো নির্মাণকাজ শুরু করে, তাহলে তা বরদাশত করবে না পাকিস্তান। এমন হলে সামরিকভাবে জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ।
জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ টেলিভিশন প্রোগ্রামে খাজা আসিফ বলেন, তারা যদি যেকোনও ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের চেষ্টা চালায় অবশ্যই আমরা হামলা চালাবো। ২২ এপ্রিল পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। নয়া দিল্লি যথাযথ প্রমাণ ছাড়াই ওই হামলার জন্য ইসলামাবাদকে দায়ী করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ধু নদের পানি বন্টন চুক্তি বাতিল, পাকিস্তানিদের ভিসা বাতিল করা, ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দেয়ার মতো একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভারত।

&#039;আগ্রাসন মানে শুধু বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলা ছোড়া নয়, বহুভাবে আগ্রাসন হয়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে পানিপ্রবাহ বন্ধ বা পানিপ্রবাহকে ভিন্নপথে চালিত করা।  কেননা এর ফলে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কারণে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়&#039;, বলেন পাকিস্তানের মন্ত্রী খাজা আসিফ।
 
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে আসিফ বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বার্থে তিনি পেহেলগাম হামলার নাটক মঞ্চস্থ করেছেন’। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতের ওপর বিশ্বব্যাপী চাপ আগের থেকে অনেক বেশি বেড়েছে। দেশটি যে পরিমাণ বৈশ্বিক সমর্থন প্রত্যাশা করেছিলো তা পেতে ব্যর্থ হয়েছে।’ আসিফ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মোদির অভিযোগ প্রত্যাখান করেছে।’
 
 তিনি আরও বলেন, ভারতের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড ও পানি নিয়ে রাজনৈতিক অঞ্চলে অশান্তি বাড়াবে। পাকিস্তান জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো চরম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নির্বাচন এপ্রিলের মধ্যে হওয়া উচিত: জামায়াত আমীর। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/214</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 May 2025 11:01:40 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/214</guid>
		<description> ফেব্রুয়ারি কিংবা এপ্রিলে নির্বাচন হওয়া উচিত: জামায়াত আমির </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলে নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।  
শনিবার (৩ মে) সকালে ঢাকার মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা ও মহানগরী আমির সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
 
 তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা এ বছর ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন দেয়ার কথা বলেছেন। ফেব্রুয়ারির শেষে এবং মার্চের তিন ভাগের দু’ ভাগ সময় জুড়ে রোজা থাকবে, তারপরেই ঈদ। এই সময় কোনো নির্বাচনের সময় নয়। আমরা দু’টি সময়কে উপযুক্ত মনে করি। একটি ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগে। তবে যদি এ সময়ের মধ্যে সংস্কারগুলো এবং বিচারের দৃশ্যমান প্রক্রিয়া জনমনে আস্থা সৃষ্টির পর্যায়ে না আসে তাহলে সর্বোচ্চ এপ্রিল পার হওয়া উচিত না। এখানে আমাদের দেশের আবহাওয়া এবং পারিপার্শ্বিকতার বিষয় আছে।’

 জামায়াত আ‌মির ব‌লেন, ফ্যাসিবাদের না‌কি ফ্যাসিবাদীদের পতন হ‌য়ে‌ছে চিন্তা করতে হচ্ছে। তি‌নি সরকার প্রস‌ঙ্গে ব‌লেন, এই সরকার জন-আকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। তাদের সহযোগিতা করছি। তবে সরকারের কিছু উপদেষ্টা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ করছেন। যা থেকে তাদের দূরে থাকার আহ্বান জানাই।

 কোরআনের বিপক্ষে যায় এমন কোনো সুপারিশ জনগণ মানবে না মন্তব্য করে নারী সংস্কার কমিটি বাতিলের দাবি তোলেন তিনি।
 
 ৫ আগস্টের পর কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করে ড. শফিকুর রহমান।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কৃষ্ণচূড়ার ছবি তুলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ফটোগ্রাফারের। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/213</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 03 May 2025 00:46:42 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/213</guid>
		<description> কৃষ্ণচূড়ার ছবি তুলতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ফটোগ্রাফারের। </description>
		<content:encoded><![CDATA[মেরিনার্স TV এর রিপোর্টার বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৫৮তম ব্যাচের রায়হান ইসলামের ঘনিষ্ঠ ফটোগ্রাফার বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু হল কৃষ্ণচূড়ার ছবি তোলা অবস্থায়।

রাজধানীর কুড়িল এলাকায় রেললাইনের পাশে কৃষ্ণচূড়া ফুলের ছবি তুলতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন ইসতিয়াক আহমেদ নামের এক ফটোগ্রাফার।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেলে।

 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল এক ভিডিওতে দেখা যায়, ক্যামেরা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে ট্রেন আসার মুহূর্তে তিনি ট্র্যাক থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে পারেননি। ফলে মর্মান্তিকভাবে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঢাকা রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। একইসাথে তরুণদের অনুরোধ করছি—এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে, যাতে এমন দুঃখজনক ঘটনা আর না ঘটে।”
এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত ইশতিয়াকের পরিবার ও বন্ধুবান্ধব তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দুই পুত্রবধূকে নিয়ে সোমবার দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/212</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 May 2025 18:48:00 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/212</guid>
		<description> অবশেষে দেশে ফিরছেন বেগম খালেদা জিয়া </description>
		<content:encoded><![CDATA[উন্নত চিকিৎসার জন্য চার মাস লন্ডনে অবস্থানের পর আগামী সোমবার (৫ মে) দেশে ফিরছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরবেন দুই পুত্রবধূ—ডা. জোবায়দা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি।

শুক্রবার (২ মে) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, ম্যাডাম আগামী ৫ তারিখ সকালে দেশে ফিরছেন। আমাদের জানা অনুযায়ী, তাঁর সঙ্গে দুই বউমাও আসছেন।’
তাদের সাথে আরোও থাকছেন—খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা ডা. আমিনুল হক চৌধুরী, এপিএস মাসুদুর রহমান এবং দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ও রূপা হক।
 
 দীর্ঘদিন ধরেই বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা, হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিসসহ একাধিক রোগে ভুগছেন। লন্ডনের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার লিভার সমস্যার জন্য বিশেষ চিকিৎসাপদ্ধতি (টিপস) গ্রহণ করা হয়েছে এবং হৃদযন্ত্রে স্টেন্টিংয়ের পর সেটি পুনরায় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

তার চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন জানান, “ক্রনিক কিডনি ডিজিজসহ অন্যান্য জটিলতা নিয়েও চিকিৎসা চলেছে। করোনার পরবর্তী কিছু জটিলতাও দূর করা হয়েছে। বর্তমানে তার স্বাস্থ্য স্থিতিশীল রয়েছে।”

 সূত্র জানিয়েছে, দেশে ফিরে খালেদা জিয়ার বড় পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান তার বাবার ধানমন্ডির বাসায় অবস্থান করবেন। তবে বেগম জিয়ার নিজস্ব বাসস্থান ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়গুলো বিএনপির হাইকম্যান্ড পর্যবেক্ষণ করছে।

 বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁর চিকিৎসা ও পরবর্তী কার্যক্রম দলীয়ভাবে পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সুন্দরবনের মধুসহ আরোও ২৪ পণ্য পেল জিআই সনদ। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/211</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 02 May 2025 14:36:08 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/211</guid>
		<description> জিআই স্বীকৃতি: ‘বিশ্বে বাংলাদেশের সুন্দরবনের মধুর নতুন ব্র্যান্ডিং হবে’ </description>
		<content:encoded><![CDATA[সুন্দরবনের মধু, কুমিল্লার খাদি, মধুপুরের আনারস, বরিশালের আমড়া এবং নরসিংদীর লটকনসহ দেশের আরও ২৪টি পণ্য গ্লোবাল ইন্ডিকেটর (জিআই) স্বীকৃতি পেয়েছে।

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে জিআই সনদ তুলে দেন। সভায় সৃজনশীল অর্থনীতিতে মেধাসত্বের গুরুত্বকে উল্লেখ করে আইনি কাঠামো উন্নয়ের মাধ‍্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন আগত অতিথিরা।

উল্লেখ্য, জামদানি শাড়ি দেশের প্রথম জিআই স্বীকৃত পণ্য। নতুন ২৪টি পণ্য যুক্ত হওয়ায় দেশে মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা এখন ৫৫টি।

 সুন্দরবনের মধু বাংলাদেশের জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) সনদ পেয়েছে। সুন্দরবনের ৬০ শতাংশ বাংলাদেশে এবং এখানকার মধু দেশজুড়ে জনপ্রিয়।
 বিশেষজ্ঞদের মতে, জিআই সনদ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মধুর চাহিদা ও দাম বাড়াবে। তবে ভারতের সঙ্গে জটিলতা এড়াতে দ্বিপাক্ষীক সমঝোতা দরকার।
 
 সবশেষ জিআই সনদ পাওয়া পণ্যগুলো হল–

নরসিংদীর লটকন, মধুপুরের আনারস, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই, মাগুরার হাজরাপুরী লিচু, সিরাজগঞ্জের গামছা, সিলেটের মনিপুরি শাড়ি, মিরপুরের কাতান শাড়ি, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা, কুমিল্লার খাদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি, গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গয়না, সুন্দরবনের মধু, শেরপুরের ছানার পায়েস, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি, গাজীপুরের কাঁঠাল, কিশোরগঞ্জের রাতাবোরো ধান, অষ্টগ্রামের পনির, বরিশালের আমড়া, কুমারখালীর বেডশিট, দিনাজপুরের বেদানা লিচু, মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর, নওগাঁর নাকফজলি আম, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ এবং ঢাকাই ফুটিকার্পাস তুলার বীজ ও গাছ।
নতুন ২৪টি পণ্য জিআই সনদ পাওয়ায় বাংলাদেশের স্থানীয় পণ্যের পরিচিতি ও গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এতে করে দেশের পণ্য রপ্তানি ও আয় বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আন্তর্জাতিক মে দিবস </title>
		<link>https://shomoybhela.com/210</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 May 2025 09:15:08 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/210</guid>
		<description> দেশ গড়ে তুলতে সে দেশের মানুষদের কঠিন  পরিশ্রমই সম্বল।। </description>
		<content:encoded><![CDATA[শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগে তার পারিশ্রমিক দাও&amp;rdquo; &amp;mdash; মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর এই বাণী আমাদের প্রতিটি শ্রমিকের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ন্যায্য আচরণের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রতি বছরের মতো এবারও মে দিবস উপলক্ষে মেরিনার্স গ্রুপ সম্মান জানায় তাদের সকল কর্মীদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে আজকে মেরিনার্স নামক ছোট্ট প্রতিষ্ঠানটি গ্রুপ অব কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন দেখছে। বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামের স্বীকৃতির দিন আজ। শ্রমিকদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিবছর পহেলা মে সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গুরুত্বের সঙ্গে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে আজ সরকারি ছুটি। এ বছর মে দিবসের প্রতিপাদ্য-&amp;lsquo;শ্রমিক-মালিক এক হয়ে, গড়ব এ দেশ নতুন করে।&amp;rsquo; আমরা বিশ্বাস করি, শ্রমিক শুধু কাজের মানুষ নয়&amp;mdash;তারা আমাদের পরিবারের অংশ; এই সভ্যতার স্থপতি। তাই মেরিনার্স গ্রুপ সবসময় শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ, সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। যাদের ঘাম আর পরিশ্রমের কারণে আজ সমাজের এই অভাবনীয় উন্নতি, সেই শ্রমিকের সম্মানেই হোক আগামী দিনের অগ্রগতি। মেরিনার্স গ্রুপ &amp;ndash; শ্রমিকের সঙ্গে, শ্রমিকের পাশে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকার মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/209</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 20:40:44 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/209</guid>
		<description> রাজধানীর মূল সড়কে চলতে পারবে না ব্যাটারিচালিত রিকশা: ডিএনসিসি প্রশাসক </description>
		<content:encoded><![CDATA[আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই-রিকশা) স্ট্যান্ডার্ড মডেল ও প্রোটোটাইপ নির্মাণ সংক্রান্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
রাজধানী ঢাকার মূল সড়কে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
 
 তিনি বলেন, শহরের পাড়া–মহল্লার অলিগলিতে শুধু অনুমোদিত ও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে।
মোহাম্মদ এজাজ আরও জানান, ঢাকা শহরের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও যানজট কমাতে ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই–রিকশা) জন্য মানসম্মত মডেল নির্ধারণ এবং নীতিমালা তৈরির লক্ষ্যে শিঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।

 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিইপিআরসি ইজিবাইক প্রকল্পের আওতায় নতুন মানসম্মত মডেলের তিন চাকার স্বল্পগতির ই-রিকশার টাইপ অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য একটি প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়। উক্ত প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরীক্ষামূলকভাবে নমুনা প্রস্তুতের জন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানান মোহাম্মদ এজাজ।

 সভায়  উপস্থিত ছিলেন  ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, পরিবহন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিরা।
সভা শেষে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিঘ্রই ই-রিকশা চালুর মাধ্যমে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে আ ক্র ম ণ করবে ভারত। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/208</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 30 Apr 2025 11:48:13 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/208</guid>
		<description> ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলা করবে ভারত: দাবি পাকিস্তানি মন্ত্রীর </description>
		<content:encoded><![CDATA[পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভারত আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
 
 রাজধানী ইসলামাবাদে মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দাসূত্রে আমরা জানতে পেরেছি যে, পেহেলগাম ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে যে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ ভারত এনেছে, তার জের ধরে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে দেশটি।”
এই বিষয়ে আতাউল্লাহ তারার বলেন, ‘ভারত নিজেরা বিচারক এবং শাস্তি কার্যকরকারী হিসেবে যা ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, পাকিস্তান তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। এ ধরনের আচরণ বেপরোয়া ও হঠকারী।’  

 পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই এই বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা সৃষ্টি এবং এর পরবর্তী পরিণতির দায়ভার সরাসরি ভারতের ওপর বর্তাবে।

 তিনি আরোও বলেন, ‘পাকিস্তান নিজেই সন্ত্রাসবাদের বড় শিকার। এ অভিশাপের যন্ত্রণা আমরা গভীরভাবে বুঝি। তাই আমরা সবসময় সন্ত্রাস ও তার যে কোনো রূপের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছি।’
 এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন বাহিনীর প্রধান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। ভারতের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, ওই রাতের বৈঠকে মোদি বলেছেন—জবাব দেওয়ার সময়, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ এবং কোন কৌশলে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, সে বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ ভোগ করবে।

পারমাণবিক ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা শুরু হয় ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলার পর। ওই হামলায় ২৬ জন প্রাণ হারান। নয়াদিল্লির দাবি, এই নৃশংস হামলার পেছনে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে ইসলামাবাদ এমন অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছ। 

 এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দ্রুত শান্তি রক্ষায় এগিয়ে আসা। নইলে এই যুদ্ধ ঠেকানো সম্ভব হবেনা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সীমান্তে ব্যাপক সেনা মোতায়েন ভারতের। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/207</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 22:51:45 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/207</guid>
		<description> প্রচুর সেনা মোতায়েন করছে ভারত, ব্যাপক মুভমেন্ট হচ্ছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে টানা পঞ্চম রাতেও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বরাবরের মতো ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তানের সেনা গুলি চালাতে শুরু করে। ভারত তার জবাব দিয়েছে। এদিকে, এক প্রতিবেদনে ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, সীমান্তে প্রচুর সেনা মোতায়েন করছে ভারত। 

 স্থানীয় সংবাদদাতা জানিয়েছেন, প্রতি রাতে রাত ১২টার পর গুলি চলতে থাকে এবং ভোরে থেমে যায়। ভারত সীমান্তে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করছে এবং প্রচুর মুভমেন্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

 ২৭ এপ্রিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ডজনেরও বেশি দেশের নেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ১০০টিরও বেশি কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি সন্ত্রাসী আস্তানাগুলো ধ্বংস এবং কঠোর শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন, যদিও পাকিস্তানের নাম তিনি সরাসরি উল্লেখ করেননি।
 এছাড়া, ভারত পাকিস্তানের দিকে বয়ে যাওয়া নদীগুলোর পানিপ্রবাহ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে এবং পাকিস্তানি দূতাবাসের কিছু কর্মী ও ভারতে সফররত পাকিস্তানি নাগরিকদের দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

 এদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলার পর ভারতের সামরিক পদক্ষেপ দ্রুতই আসবে।

 সীমান্তে পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ।  যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ শুরু হতে পারে। দুই দেশই নিজেদের অবস্থান থেকে কঠোর রয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এশিয়ার নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/206</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 22:49:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/206</guid>
		<description> এশিয়ার নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[বৃহৎ অর্থনীতির দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। মোট দেশজ উৎপাদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জিডিপির আকার এখন ৪৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৫০ কোটি ডলার। যা ২০২৪ সালের হিসাবের উপর ভিত্তি করে করা হয়।

 এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সম্প্রতি &quot;২০২৫ বেসিক স্ট্যাটিসটিকস&quot; এই শিরোনামে এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে যেখানে ৪৬ টি দেশের জিডিপির আকার উল্লেখ করা হয়েছে।তবে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হওয়া সত্ত্বেও সেই তালিকায় নেই জাপান।

 এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ায় এখন ভারতের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বড়। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

 অর্থনীতির আকারের দিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে চীন, ভারত, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তাইপে, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন। যা এডিবির পরিসংখ্যানে উল্লেখ হয়েছে।

 এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীনের জিডিপির আকার ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। এরপর দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারতের জিডিপির আকার ৩ লাখ ৯১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। তৃতীয় স্থানে থাকা কোরিয়ার জিডিপি হলো ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫০ কোটি ডলার।

 তাছাড়া বাংলাদেশের ওপর থাকা অন্য দেশগুলোর জিডিপির আকার হলো:  ইন্দোনেশিয়া ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৩০ কোটি ডলার, তাইপে ৭৯ হাজার ৫৯০ কোটি ডলার; থাইল্যান্ড ৫৪ হাজার ৫০ কোটি ডলার, ভিয়েতনাম ৪৭ হাজার ৬৩০ কোটি ডলার ও ফিলিপাইন ৪৬ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ এশিয়ায় নবম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। এডিবির এই পরিসংখ্যান দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লক্ষাধিক নতুন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে বাংলাদেশকে অনুরোধ জাতিসংঘের। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/205</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 16:44:04 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/205</guid>
		<description> নতুন এক লাখ ১৩ হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[মিয়ানমারের রাখাইন থেকে আসা নতুন ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইউনাইটেড নেশনন্স রিফিউজি এজেন্সি (ইউএনএইচসিআর)। সোমবার এই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত সরকারি সংস্থা রিফিউজি রিলিফ অ্যান্ড রিপ্যাট্রিশন কমিশনের কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা আনাদোলু এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে আমাদের চিঠি দিয়েছে ইউএনএইচসিআর। সেখানে মিয়ানমার থেকে উচ্ছেদ হয়ে বাংলাদেশে আসা নতুন প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।’

মিজানুর রাহমান জানান, নতুন এই রোহিঙ্গাদের অনেকে বর্তমানে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের আশেপাশে তাঁবু গেড়ে বসবাস করছেন। অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন স্কুল এবং মসজিদে।

রাখাইন রাজ্যে সেনা জান্তা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে এ নতুন রোহিঙ্গা ঢল দেখা দিয়েছে। সংঘর্ষে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়লেও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে রোহিঙ্গাদের প্রবেশ থামছে না। নাফ নদী ছাড়াও পাহাড়ি পথ ব্যবহার করে প্রতিদিন নতুন রোহিঙ্গা প্রবেশ করছেন বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রিত রয়েছে। নানা আন্তর্জাতিক তৎপরতা সত্ত্বেও তাদের প্রত্যাবাসন সম্ভব হয়নি। নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে নতুন রোহিঙ্গা প্রবেশ দেশের জন্য আরও সংকট তৈরি করতে পারে, এমন মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

 রাখাইনে সংঘর্ষের কারণে আরও রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসছে। মানবিক দিক বিবেচনায় আশ্রয় দিলেও এতে দেশের ওপর চাপ বাড়ছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে শাটডাউন কর্মসূচি। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/204</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 11:45:21 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/204</guid>
		<description> এবার দেশের সব পলিটেকনিকে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[ছয় দফা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) থেকে এ শাটডাউন কর্মসূচি শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবি না মানা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে..

চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে এবার দেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টানা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম কারিগরি ছাত্র আন্দোলন। 

 শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবিগুলো হলো- জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ পদোন্নতির রায় হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল করতে হবে। ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদবি পরিবর্তন, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চাকরিচ্যুত করতে হবে। ২০২১ সালে রাতের আঁধারে নিয়োগপ্রাপ্ত ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে বাতিল এবং সেই বিতর্কিত নিয়োগবিধি অবিলম্বে সংশোধন করতে হবে।

দ্বিতীয় দাবি, ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে যেকোনো বয়সে ভর্তির সুযোগ বাতিল করতে হবে। উন্নত বিশ্বের আদলে চার বছর মেয়াদি মানসম্পন্ন কারিকুলাম চালু করতে হবে এবং একাডেমিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে ইংরেজি মাধ্যমে করতে হবে।

তৃতীয় দাবি, উপসহকারী প্রকৌশলী ও সমমান (১০ম গ্রেড) থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও যেসব সরকারি, রাষ্ট্রীয়, স্বায়ত্তশাসিত ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নিম্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


চতুর্থ দাবি, কারিগরি সেক্টর পরিচালনায় পরিচালক, সহকারী পরিচালক, বোর্ড চেয়ারম্যান, উপসচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব পদে কারিগরি শিক্ষাবহির্ভূত জনবল নিয়োগ নিষিদ্ধ করতে হবে এবং তা আইনানুগভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এই পদগুলোয় অনতিবিলম্বে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ ও সব শূন্য পদে দক্ষ শিক্ষক ও ল্যাব সহকারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

পঞ্চম দাবি, স্বতন্ত্র &#039;কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা&#039; মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা ও &#039;কারিগরি শিক্ষা সংস্কার কমিশন&#039; গঠন করতে হবে।

 ষষ্ঠ দাবি, পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগের লক্ষ্যে একটি উন্নতমানের টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাশাপাশি নির্মাণাধীন চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (নড়াইল, নাটোর, খাগড়াছড়ি ও ঠাকুরগাঁও) পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পাস ও ডুয়েটের আওতাভুক্ত একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে আগামী সেশন থেকে শতভাগ সিটে ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

এই ছয় দফা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানের ভয়াবহ বিস্ফো-রণের নেপথ্যে ইসরায়েল। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/203</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 10:43:28 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/203</guid>
		<description> ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের নেপথ্যে ইসরায়েল, বলেছেন তেহরানের এমপি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইরানের বন্দর আব্বাসের শহিদ রাজি বন্দরে গত শনিবার ভয়াবহ বিস্ফোরণের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে দেশটির একজন সংসদ সদস্য। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

তেহরানের এমপি মোহাম্মদ সেরাজ বলেছেন, এই প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ইসরায়েলের। 

তিনি দাবি করেছেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কনটেইনারে বিস্ফোরণ রাখা হয়েছিল এবং দূর থেকে সম্ভবত স্যাটেলাইট বা টাইমারের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। 

এই বিস্ফোরণ কোনো দুর্ঘটনা নয় বলেও দাবি ইরানের এই সংসদ সদস্যের। 
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ছোট একটি আগুন থেকেই এই বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে ঠিক কোথায় থেকে আগুনের এই সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয় বলে জানান তিনি। 

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দর মোমেনি বলেন, শনিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে ছোট একটি আগুন দেখা যায়, তবে এই আগুনের কারণ এখনও জানা যায়নি। এক মিনিটের কম সময়ের মধ্যে ধোঁয়া এবং আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আশেপাশের কনটেইনারে পৌঁছায় এবং বিস্ফোরণ ঘটে। 

 তবে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখপাত্র হোসেন জাফারি জানিয়েছেন, নাশকতার আলামত পাওয়া যায়নি। তিনি বার্তাসংস্থা আইএলএনএ-কে জানিয়েছেন, কনটেইনারের ভেতর থাকা রাসায়নিক বস্তুর কারণে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। 

তিনি বলেন, বিষাক্ত ধোঁয়ার কারণে সেখানে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর প্রকৃত হতাহতের তথ্য জানা যাবে। তিনি জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, এটি প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূর থেকেও তা অনুভূত হয়েছে।
হরমুজগানের প্রাদেশিক সরকারের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশৌরি ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শনিবারের বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ১ হাজারের বেশি মানুষ।

কীভাবে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটল, তা নিয়ে এখনো ইরানে নানা কথা চলছে। পুরো বিষয়টি ঘিরে অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে...]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হলে এ জাতি বিজয়ী হবে-জামায়াত আমীর। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/202</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 29 Apr 2025 10:41:03 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/202</guid>
		<description> ঐক্যবদ্ধ থাকলে জাতিগতভাবে বিজয় আসবে: জামায়াত আমির </description>
		<content:encoded><![CDATA[জাতীয় স্বার্থে দল–মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির স্বার্থে জাতীয় ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ হলে এ জাতি বিজয়ী হবে।
ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সোমবার দুপুরে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আসুন একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে জাতীয় ব্যাপারে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। তাহলে এ জাতি বিজয়ী হবে। ব্যক্তিগতভাবে কেউ পরাজিত হতে পারে, কিন্তু জাতি বিজয় হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।”

জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘মাওলানা আব্দুস সুবহান রহ. তৃণমূল থেকে শীর্ষে’ গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠানে কথা বলেন তিনি। বইটি লিখেছেন আলী আহমাদ মাবরুর।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, জুলাই বিপ্লবের বিতাড়িত সরকার আব্দুস সুবহানকে অপমানিত করতেই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি করেছিল। তবে আজ সেই আওয়ামী লীগই অপমানিত হয়ে দেশ থেকে পালিয়েছে।

 ড. শফিকুর রহমান বলেন, যে সত্যিকার অর্থে দেশকে ভালোবাসে, সে কখনো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় না। মীর কাসেম আলী আমেরিকায় অবস্থান করছিলেন। তার কিছু বন্ধু তাকে বাংলাদেশে না আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন, দেশে গেলে আপনারও হয়তো একই পরিণতি হবে। কিন্তু মীর কাসেম বলেছিলেন— আমি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলব, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তিনি আরও বলেন, মীর কাসেম আলী দেশ ও জনগণকে ভালোবাসতেন। আর সেই ভালোবাসা থেকেই তিনি দেশের মাটিতে ফিরে এসেছিলেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এ সপ্তাহেই দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া,সঙ্গে থাকবেন দুই পুত্রবধূ। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/201</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 27 Apr 2025 13:19:57 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/201</guid>
		<description> দুই পুত্রবধূসহ এপ্রিলেই দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া </description>
		<content:encoded><![CDATA[সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই (এপ্রিল) লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান এবং খালেদা জিয়ার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানেরও দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়াকে লন্ডন থেকে দেশে ফেরাতে কাতারের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের আয়োজন করতে গত সপ্তাহে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে চিঠি লিখেছেন।
 
চিঠিতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, তবে ‘আশঙ্কামুক্ত’ নয়। তথাপি তিনি এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওনার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় চিকিৎসক বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে দেশে ফেরাতে পরামর্শ দিয়েছেন।
 বর্তমানে তারেক রহমানের বাসায় চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।

বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া ২০১৮ সালে একটি দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। কোভিড-১৯ মহামারির সময় বিগত সকার তাকে বিশেষ বিবেচনায় কারামুক্তি দেয়।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের এক আদেশে খালেদা জিয়া মুক্তি পান। এরপর দুর্নীতির যে দুটি মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন, সেগুলোর রায় বাতিল করেন আদালত।
প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন সর্বশেষ ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই লন্ডন সফর করেছিলেন। এরপর তার আর কোনো বিদেশ সফর হয়নি।

 খালেদা জিয়া দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে এপ্রিলের শেষ দিকে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে দেশে ফিরছেন। তার সঙ্গে তারেক রহমানের স্ত্রী ও কোকোর স্ত্রীরও দেশে ফেরার কথা রয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনার বিচার তাহলে শুরু হচ্ছে মে মাসে!! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/200</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 27 Apr 2025 13:17:50 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/200</guid>
		<description> শেখ হাসিনার বিচার শুরু হচ্ছে!! </description>
		<content:encoded><![CDATA[সুপিরিয়র কমান্ড হিসেবে শেখ হাসিনাই জুলাই গণহত্যার নির্দেশদাতা ছিলেন। তার বিচার হবে সুপিরিয়র কমান্ড হিসেবে। মে মাসে এ বিচার শুরুর প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়াও সুপিরিয়র কমান্ডের আসামি হিসেবে রয়েছেন শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিক, পালিয়ে যাওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ উচ্চপদস্থরা। গণহত্যার সুপিরিয়র কমান্ডের জন্য দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক চার্জশিট এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।

আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ট্রাইব্যুনালে সুপিরিয়র কমান্ডের বিচারের জন্য চার্জশিট উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রসিকিউশন। সুপিরিয়র কমান্ডের পাশাপাশি আরো দুটি চার্জশিট দাখিলের লক্ষ্যে রাতদিন কাজ করছে প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা। এরই মধ্যে আট ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে গণহত্যায় দায়ী করে একটি চার্জশিট গত সপ্তাহে দাখিল করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালে। ওই চার্জশিটের আলোকে চার্জ গঠনের জন্য শিগগিরই আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন সূত্র।
ট্রাইব্যুনালসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী মে মাসের প্রথমার্ধেই একাধিক মামলার বিচার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চার্জশিট দাখিলের পরপরই ট্রাইব্যুনাল চার্জ গঠনে সন্তুষ্ট হলে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। উপস্থাপন করা অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল চার্জ গঠনের আদেশ দিলেই আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। বিচারের জন্য আনুষ্ঠানিক কয়েকটি ধাপের মধ্যে রয়েছে ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট উপস্থাপন ও চার্জ গঠনের জন্য শুনানি।

 তদন্ত সংস্থার একটি সূত্র জানায়, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব ভিডিও ফুটেজ বড়পর্দায় দেখে গুলিবর্ষণকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নেওয়ার সময় অনেকেই তাদের তোলা ভিডিও ফুটেজ সরবরাহ করছেন তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন টিমকে। কোনো কোনো ঘটনাস্থলে তদন্ত সংস্থার সঙ্গে প্রসিকিউশনের একটি টিমও যাচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে। এ ছাড়া ভিডিও ফুটেজ দেখে ওই সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের এনেও জিজ্ঞাসাবাদ করে গুলিবর্ষণকারীর নাম ও পরিচয় শনাক্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

এখানে যারা অপরাধগুলো সংঘটিত করেছে, তাদের সংখ্যাও হাজার হাজার। এই বিবেচনায় মামলাগুলোর তদন্ত অনেক সময়সাপেক্ষ। কিন্তু তার মধ্যে যারা সুপিরিয়র কমান্ডার ছিলেন, অগ্রাধিকারভিত্তিতে তাদের মামলাগুলো এগিয়ে নিয়ে এসেছি। এখন চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। চার্জশিটে কোর্ট সন্তুষ্ট হলে চার্জ গঠনের পরই বিচার শুরু হয়ে যাবে। এতে আগামী মাসেই শেখ হাসিনার বিচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হার্ট অ্যাটাক হলে বুঝবেন যে লক্ষণে...!! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/199</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Apr 2025 21:25:58 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/199</guid>
		<description> হার্ট অ্যাটাকের যে লক্ষণগুলো কখনও এড়িয়ে যাবেন না! </description>
		<content:encoded><![CDATA[হার্ট বা হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য হার্টে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ দরকার হয়। হার্টে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালী যদি বন্ধ হয়ে যায় এবং এর ফলে যদি রক্ত হার্টে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে হার্টের মাংসপেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। আর তখনই হয় হার্ট অ্যাটাক।

 কিছু পূর্ব লক্ষণ বা বিপদচিহ্ন জেনে রাখা উচিত, যেসব দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
  
১.বুকে ব্যথা: সাধারণত বুকের মাঝখানে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। আস্তে আস্তে সেই ব্যথা চোয়ালে অথবা বাম কাঁধ ও হাতে ছড়িয়ে পড়ে থাকে। এই রকম ব্যথা দেখা দিলে অব্যশই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

২.শ্বাসকষ্ট ও দম ফুরিয়ে যাওয়া: যদি শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনও সমস্যা না থাকে এবং হঠাৎ করে শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, তবে সেটা খারাপ লক্ষণ। মূলত হৃদরোগ থেকে ফুসফুসে পানি জমা-সহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঠান্ডা ছাড়াও শ্বাস কষ্ট এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। অল্পতেই দম ফুরিয়ে যাওয়া, মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়াও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।

৩.অতিরিক্ত ঘাম হওয়া: অতিরিক্ত ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ। বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা হওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম, বুক ধড়ফড়, হঠাৎ শরীর খারাপ লাগতে শুরু করলে অব্যশই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

৪.অনিয়মিত পালস রেট: যদি অনেক বেশি নার্ভাস থাকেন বা কোথাও থেকে দৌড়ে আসেন পালস রেট ওঠা-নামা করতে পারে। তবে এটি যখন কোনও কারণ ছাড়াই হয়, তবে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের আগে এমনটা হয়ে থাকে।

হার্ট অ্যাটাক একটি জীবনঘাতী অবস্থা, যা অনেক সময় পূর্ব লক্ষণ দিয়েই সতর্ক করে। বুকের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, অনিয়মিত পালস রেট ইত্যাদি লক্ষণগুলো অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো সচেতনতা ও চিকিৎসা গ্রহণ করলে হার্ট অ্যাটাকের মারাত্মক পরিণতি এড়ানো সম্ভব। সুস্থ হৃদয়ের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সঠিক জীবনযাপন এবং সতর্কতা অপরিহার্য।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিএনপি, এনসিপি কিংবা সরকার।কারোও সাথেই দূরত্ব চায়না জামায়াত...। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/198</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Apr 2025 21:15:59 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/198</guid>
		<description> বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির দৌড়ঝাঁপ, জোটের নানা হিসাব </description>
		<content:encoded><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সরকার, বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি ও তরুণদের দল এনসিপি-কারোর সঙ্গেই দূরত্ব চায় না দলটি। এজন্য নির্বাচনের সময়সীমা ইস্যুতে বারবার অবস্থান পরিবর্তন কৌশলেরই অংশ। বিএনপির সঙ্গে থাকার বিষয়ে জামায়াতের ওপর তৃণমূলের একটি বড় অংশের চাপ রয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না করা হলেও নির্বাচনি মাঠ গোছাচ্ছে জামায়াত। দুই শতাধিক আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীও ঘোষণা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে দলীয় অবস্থানকে অনেকে ‘অস্পষ্ট’ বলছেন। পাশাপাশি এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির বিষয়েও দলীয় অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে সমালোচনা করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জামায়াতের এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিবন্ধন পাওয়া। অধিকাংশ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও দলটি প্রতীক নিয়ে তেমন প্রচারণা করতে পারছে না, যা রাজনৈতিক মাঠে জামায়াতকে পেছনে ফেলে দিচ্ছে। কৌশল হিসাবেই সরকার, বিএনপি ও এনসিপি-সবার সঙ্গে সম্পর্ক রাখছে। এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কারণ সরকারে তাদের প্রভাব আছে।

জামায়াত আমীর বলেন, সংস্কারের জন্য কতটুকু সময় লাগবে, নির্বাচন কখন হবে-এটা নিয়ে কথা। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ হচ্ছে ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে। এটা আমরা মনে করি, বুঝেশুনেই বলেছেন তিনি। এতে তার (প্রধান উপদেষ্টা) আন্তরিকতাও আছে বলে আমি মনে করি। এখন শুধু দেখতে চাই, তার দেওয়া সময়সীমার ভেতরে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের যাবতীয় পদক্ষেপ নেবেন। এর জন্য অনেকের অনেক শর্ত থাকতে পারে। আমাদের শর্ত হচ্ছে পাঁচটি খাতে কিছু সংস্কার লাগবে। এগুলো হচ্ছে-নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা, সিভিল প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন। এই প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো করে যদি নির্বাচনে যাওয়া যায়, তাহলে নির্বাচনটা অর্থবহ হবে এবং জনগণের মতের প্রতিফলন ঘটবে। এছাড়াও কিছু সংস্কার আছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে হবে। একটা নির্বাচিত সরকার এসে তারা এ দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি আরোও বলেন, সংস্কার ও বিচারের দৃশ্যমান প্রক্রিয়া যদি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এবং নির্বাচনের সমতল মাঠ তৈরির জন্য হয়, তাহলে নির্বাচন ডিসেম্বরে হতে পারে, জুনেও হতে পারে। আমরা কেন ফেব্রুয়ারির আগে বললাম, কেন রমজানের আগে বললাম? কারণ, রমজান মাস থাকবে ফেব্রুয়ারির ১৮ থেকে শুরু করে ২০ মার্চ। এরপর এপ্রিলে সাধারণত ঝড় শুরু হয়ে যায়, প্রাকৃতিক আবহাওয়া খারাপের দিকে যায়। তারপর কুরবানির ঈদ। আবার দুটি পাবলিক পরীক্ষা (এসএসসি ও এইচএসসি) এর মধ্যে পড়বে। এরপর বর্ষার মৌসুম। এসবের কারণে নির্বাচনটা মধ্য ফেব্রুয়ারির আগে হলে অনেক ভালো হয়।
নিজামীপুত্র বলেন, ‘বাংলাদেশ নতুনভাবে স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার কথা বলে কে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন চায় এটা পুরো ক্রিস্টাল ক্লিয়ার। এখন আবার শুরু করেছে সকালে এক কথা আর রাতে আরেক কথা বলা। আবার অন্যদিকে এক নেতার এক কথা আবার আরেক নেতার আরেক কথা। অর্থাৎ কোনোটার সঙ্গে কোনোটার মিল নেই। আর তাই তো দোয়া করি এটিএম আজহারুল ইসলাম সাহেব দ্রুত মুক্তি পেয়ে শহিদের এই রক্তভেজা সংগঠনটির (জামায়াত) হাল ধরুক।’

 এটা ঠিক,রাজনীতিতে ৩ টি ধারা দেখা যাচ্ছে। তবে এটাই শেষ কথা নয়! নির্বাচন ঘনিয়ে এলে দল ব্যক্তিগত লাভের হিসেব আর এম্পি হওয়ার নিশ্চয়তা কোন দলে গেলে বেশি থাকবে তার ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হবে কোন দল কোন জোটে থাকছে!]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল &#039; জনতা পার্টি&#039;....। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/197</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Apr 2025 18:23:07 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/197</guid>
		<description> ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা পার্টি বাংলাদেশ </description>
		<content:encoded><![CDATA[নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করল নতুন রাজনৈতিক দল &#039;জনতা পার্টি বাংলাদেশ&#039;।
গড়বো মোরা ইনসাফের দেশ&#039; স্লোগান নিয়ে দলটি তাদের ২৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে এবং নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের জন্য আবেদনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

 নতুন দলের কমিটিতে সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, মহাসচিব শওকত মাহমুদ ও মুখপাত্র হয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন।

নতুন এই দলে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সাংবাদিক, আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের ব্যক্তিরা স্থান পেয়েছেন। ১৯৯৩ সালে স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর থেকে ইলিয়াস কাঞ্চন সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে নির্বাচন করার আহ্বান জানানো হলেও এবারই প্রথম সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেন।

সর্বশেষ ২০২২-২০২৪ সেশনে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একুশে পদক, চলচ্চিত্র ও বাচসাস পুরস্কারেও ভূষিত হন।

‘জনতা পার্টি বাংলাদেশ’র মহাসচিব শওকত মাহমুদ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ২০২৩ সালের ২১ মার্চ বিএনপি থেকে বহিষ্কার হন তিনি।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেত্রী ফাতিমা তাসনিমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পাকিস্তান যে চুক্তি স্থগিত করলে ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে ভারতের!! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/196</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 26 Apr 2025 14:08:09 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/196</guid>
		<description> ভারত ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ স্থগিত করে পাকিস্তানকে কি সংকটে ফেলতে পারবে? </description>
		<content:encoded><![CDATA[ভারত কি সত্যিই পাকিস্তানে প্রবাহিত সিন্ধু ও এর দুটি শাখা নদ–নদীর পানি আটকে দিতে পারবে? ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গত মঙ্গলবার এক ভয়াবহ হামলার জেরে নয়াদিল্লি সিন্ধু অববাহিকার ছয় নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক একটি চুক্তি স্থগিত করায় অনেকের মনেই এ প্রশ্ন উঠছে।

১৯৬০ সালে এই চুক্তি করে ভারত-পাকিস্তান। এরপর পারমাণবিক শক্তিধর দেশ দুটি দুবার যুদ্ধে জড়ালেও চুক্তিটি স্থগিত হয়নি। তাই এতদিন আন্তসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনার এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে এই চুক্তি
ভারতের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য এই চুক্তিটি খুবই গুরুপূর্ণ।  চুক্তিটির মাধ্যমে কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বরফ গলে।  পাকিস্তান এই চুক্তি স্থগিত করলে ভারতের যে ভায়বহ পরিণতি হতে পারে তা এক প্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের জিও নিউজের সাংবাদিক আমির মির। 

তিনি বলেন, সিমলা চুক্তি থেকে সরে আসলে পাকিস্তান আর ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে আবদ্ধ থাকবে না।  যার ফলে কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ বা মধ্যস্থতার পথ খুলে যাবে।  যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা অন্য যে কেনো দেশ কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতা করতে পারবে।  যা ভারতের জন্য মোটেও সুখকর হবে না। 

হামিদ মির আরও বলেন, চুক্তিটি স্থগিতের ফলে লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুদ্ধবিরতির রেখা (সিএফএল) হিসেবে বিবেচিত হবে, যা কাশ্মীরের স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে সহায়ক হবে। এর মানে তখন পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামীরা যদি অস্ত্র নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আবর্তিত হয়, তখন পাকিস্তানকে কোনো দোষারোপ করতে পারেব না ভারত। 

আন্তর্জাতিকভাবে কোনো আইন নেই যা যুদ্ধবিরতির রেখা অতিক্রম করা নিষিদ্ধ। 

এই চুক্তি স্থগিতের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে হামিদ মির আরও বলেন, ভারত হয়তো ভাবতেও পারছে না, শিমলা চুক্তি স্থগিত হলে কী ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে।

 ভারতের তথাকথিত ‘পানি অবরোধ’ হয়তো পাকিস্তানকে একেবারে শুকিয়ে ফেলবে না, কিন্তু পাকিস্তানের ‘শিমলা অবরোধ’র পর ভারত নিজেই সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরায়েলের যে &#039;দীবাস্বপ্ন&#039; কখনো পূরণ হবেনা!! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/195</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 12:55:38 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/195</guid>
		<description> অসহায় হয়ে পড়েছে ইসরাইলি বাহিনী </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইসরায়েলে যে &#039;দিবাস্বপ্ন&#039; কখনো পূরণ হবেনা।
দখলদার ইসরাইল একটা প্রশ্ন বারবারই করে আসছে, তা হলো— ‘হামাস আত্মসমর্পণ করবে কবে?’ কিন্তু এই প্রশ্নটাই ভুল। কারণ, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে যুদ্ধ এখন আর কৌশল নয়, এখন টিকে থাকার এক সংগ্রাম চলছে। হামাসের অস্তিত্ব এখন গোটা ফিলিস্তিন জাতির প্রতীক।

এ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশ্লেষক ডেভিড হিয়ার্স্ট বলেন, ‘হামাসের পরিণতি আজ ফিলিস্তিনেরই পরিণতি’।

ইসরাইলের দিবাস্বপ্ন

গত ১৮ মাসের পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন। তারপর দুই মাসের অবরোধ ও ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার পরও ইসরাইল এখনো সেই দিবাস্বপ্ন দেখেই চলেছে যে, হামাসও ‘ফাতাহ’র মতো’ হবে—অর্থ নেবে, বন্দি দেবে, অস্ত্র ছাড়বে। 

তবে হামাস কখনোই ফাতাহ হতে রাজি নয়। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি বারবার বলে আসছে, তাদের দুটি মূল শর্ত রয়েছে। যে শর্তে তারা অনড়। তা হলো:

১) অস্ত্রত্যাগ নয়;

২) ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার।

তাদের প্রস্তাব ছিল—একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতির। সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি এবং গাজার প্রশাসনিক ক্ষমতা অন্য দলগুলোর হাতে ছেড়ে দেওয়া। তবুও আত্মসমর্পণ নয়।

 
 যুদ্ধ কখনো চিরস্থায়ী হয় না

ইসরাইলের যদি লক্ষ্য হয় ‘যুদ্ধেই সমাপ্তি’— সেক্ষেত্রে ফিলিস্তিনিদের জন্যও সেই একই লক্ষ্য। তাই তো যুদ্ধ দিয়ে এই দ্বন্দ্ব কখনো মীমাংসা হবে না। নেতানিয়াহু যতই চাপে থাকুন না কেন, গাজায় যতই ধ্বংসলীলা চালানো হোক না কেন, হামাসের ‘না’ শব্দটি আজ একক দলের প্রতিরোধ নয়—এটি গোটা একটা জাতির অস্তিত্ব রক্ষার ঘোষণা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেখ হাসিনা ও টিউলিপকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু: দুদক কমিশনার </title>
		<link>https://shomoybhela.com/194</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 10:09:26 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/194</guid>
		<description> বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[শেখ হাসিনা ও টিউলিপকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু: দুদক কমিশনার..

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ।
 
 ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেন। পরে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতি করে রাজউকের আবাসন প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করেছে দুদক।
 
 সবশেষ, নির্বাচন কমিশন (ইসি) শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ১০ সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ‘লক’ করে দিয়েছে।

সোমবার ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেনের স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় জানা যায়, ফেব্রুয়ারিতেই কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসব এনআইডি লক করা হয়।

গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বিভিন্ন মহল শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি জানিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় দুদক এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানানো হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৫৫ লাখ পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দেয়ার সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/192</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Apr 2025 11:51:54 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/192</guid>
		<description> ৫৫ লাখ পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে ৬ মাস। </description>
		<content:encoded><![CDATA[খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি আরও বড় করছে অন্তর্বর্তী সরকার। বর্তমানে এ কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারের কাছে কম দামে চাল বিক্রি করা হয়। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিক্রি করা হবে ৫৫ লাখ পরিবারের কাছে। শুধু তা–ই নয়, বর্তমানে চাল বিক্রি করা হয় বছরে পাঁচ মাস। এটা বাড়িয়ে ছয় মাস করা হচ্ছে।


বর্তমানে প্রত্যেক পরিবারের কাছে ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাল বিক্রি করা হয়। চালের পরিমাণ ও দাম অবশ্য একই রাখা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে

 সরকারের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, প্রতিবছরের মার্চ ও এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর গরিব মানুষের কাজের অভাব থাকে। তাই এ পাঁচ মাস নামমাত্র দামে পরিবারগুলোকে চাল কেনার সুযোগ দেওয়া হয়। এখন তা ছয় মাস করা হচ্ছে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পর্যায়ে বসবাসরত বিধবা, বয়স্ক, পরিবারপ্রধান নারী, নিম্ন আয়ের দুস্থ পরিবারপ্রধানদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়ার একটি তালিকা করা হয় তখন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে অবশ্য কেজিতে ৫ টাকা বাড়িয়ে চালের দাম করা হয় ১৫ টাকা।
 দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) নামের একটি কর্মসূচি চালু রয়েছে ২০১৩ সাল থেকে। খাদ্য অধিদপ্তর চাল সরবরাহ করলেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভিডব্লিউবি কর্মসূচিও চলবে। এর আওতায় ১৭০টি উপজেলায় ১০ লাখ ৪০ হাজার পরিবারকে ভিটামিন এ, বি১, বি১২, ফলিক অ্যাসিড, আয়রন ও জিংক–সমৃদ্ধ চাল ৩০ কেজি করে সারা বছর বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরে এ কর্মসূচিতে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন চাল বরাদ্দ রয়েছে। তবে প্রতিবছর কর্মসূচিটির আওতা ১০ শতাংশ করে বাড়ানোর কথা থাকলেও তা কার্যকর হচ্ছে না।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব মমতাজ আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, কর্মসূচি চলবে। তবে আওতা বৃদ্ধি সার্বিক বাস্তবতার ওপর নির্ভর করবে। দুই বছর পরপর নতুন তালিকা তৈরি করা হয় বলেও জানান সচিব]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রধান উপদেষ্টার কাতার সফর; কি সুবিধা পাবে বাংলাদেশ? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/191</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 11:54:15 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/191</guid>
		<description> রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গী হচ্ছেন চার নারী ক্রীড়াবিদ </description>
		<content:encoded><![CDATA[আর্থনা সম্মেলনে যোগ দিতে চার দিনের সফরে কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সরকার প্রধানের সফরটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার উপলক্ষ্য হলেও মূল লক্ষ্য কাতারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা। এক্ষেত্রে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) নিরবচ্ছিন্ন আমদানি, নতুন কর্মীর কর্মসংস্থান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া কিছু রোহিঙ্গাকে কাতারে পুর্নবাসনের অনুরোধ জানাতে পারে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার (২১ এপ্রিল) কাতার যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। কাতার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোহায় আগামী ২২-২৩ এপ্রিল আর্থনা সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন ড. ইউনূস। কাতার সফরকালে দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে অধ্যাপক ইউনূসের। খসড়া সূচি অনুযায়ী, সোমবার রাতে দোহার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধান উপদেষ্টা। সফরের দ্বিতীয় দিন তিনি আর্থনা সম্মেলনে যোগ দেবেন ও বক্তব্য রাখবেন। পরে কাতার চ্যারিটির আন্তর্জাতিক অপারেশনসের সহকারী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাওয়াফ আবদুল্লা আল হামোদি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একইদিন কাতারের আমিরের মাতা ও কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন মোজা বিনতে নাসেরের সঙ্গে অধ্যাপক ইউনূসের বৈঠকের কথা রয়েছে। পরে প্রধান উপদেষ্টা কাতার ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করবেন। একইদিন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে অধ্যাপক ইউনূসের। পরে কাতারের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন সেরিদা আল কাবিরের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে। এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টার কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রধান অফিস পরিদর্শনে গিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার কথা রয়েছে। সফরের তৃতীয় দিন রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে এক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ড. ইউনূসের। একইদিন কাতারের শিক্ষামন্ত্রীর অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে গ্যাসের উৎপাদন কমছে। এ কারণে এলএনজি আমদানি বাড়ানো জরুরি। কিন্তু ডলার সংকট থাকায় আমদানি বিল নিয়মিত পরিশোধ করা যাচ্ছে না। প্রধান উপদেষ্টার কাতার সফরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশটি থেকে নিরবচ্ছিন্ন এলএনজি আমদানি সরবরাহে সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ কাতারের কাছ থেকে এলএনজি আমদানি করে থাকে। এ নিয়ে দেশটির সঙ্গে চুক্তিও আছে। মাঝখানে ডলার সংকট থাকায় আমদানি বিল নিয়মিত পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। এ সমস্যা কিছুটা কেটে গেছে। তবে বাংলাদেশ এমন পরিস্থিতি চায়, আমদানি বিল বন্ধ হলেও যেন কাতার বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন এলএনজি সরবরাহ করে। এলএনজি আমদানির বাইরে সরকারপ্রধানের সফরে গুরুত্ব পাবে কাতারে বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থান ও রোহিঙ্গা সমস্যা। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার কাতার। প্রায় চার লাখের মতো বাংলাদেশি বর্তমানে দেশটিতে কাজ করেন। ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনে বাংলাদেশি কর্মীরা কাতারে অবকাঠোমো নির্মাণে অবদান রেখেছেন। ওই সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের জন্য কাতারকে ধন্যবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি নতুন করে যেন কর্মী নেয় দেশটি সেই অনুরোধ করবে বাংলাদেশ। কাতার এখন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, প্রকৌশলসহ নানা ক্ষেত্রের দক্ষ লোকজনকে কাজে নিতে চায়। তবে অল্প দক্ষ শ্রমিকদেরও যেন নেওয়া হয়, সেই অনুরোধ করবে বাংলাদেশ। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৪ এপ্রিল দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধান উপদেষ্টা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিভিন্ন জেলায় পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যানজটে চরম ভোগান্তি... </title>
		<link>https://shomoybhela.com/189</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 16 Apr 2025 15:27:47 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/189</guid>
		<description> সাতরাস্তায় টানা ৬ ঘণ্টা অবরোধ, যানজটে চরম ভোগান্তি </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশজুড়ে একাধিক জেলায় সড়ক-মহাসড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন দাবিদাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনাসহ একাধিক এলাকায় তীব্র যানজট ও চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। এতে করে অফিসগামী মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি অনেক জায়গায়। পণ্যবাহী পরিবহন ও জরুরি সার্ভিসের গাড়িগুলোকেও বাধার মুখে পড়তে হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ডিগ্রির স্বীকৃতি, চাকরিতে উচ্চতর পদে আবেদনের সুযোগ, ইক্যুয়াল গ্রেড কাঠামো এবং কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন। তারা অভিযোগ করছেন, দীর্ঘদিন ধরে বারবার দাবি জানানো হলেও সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চট্টগ্রামে একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী বলেন, &amp;lsquo;আমরা কোনো রাজনৈতিক দাবিতে নয়, নিজের ভবিষ্যতের দাবিতে আন্দোলন করছি। আমাদের ডিগ্রিকে সম্মান দেওয়া হোক, নইলে এই আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে।&amp;rsquo;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারি পর্যায়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনগুলোতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের যুগলচিত্র.. </title>
		<link>https://shomoybhela.com/188</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 14:34:29 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/188</guid>
		<description> বিনিয়োগ সম্মেলন শেষ ...প্রতিশ্রুতিগুলো প্রকৃত বিনিয়োগে রূপ দিতে চায় বিডা </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের যুগলচিত্র।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের অর্থনীতি গত এক দশকে দৃঢ় অগ্রগতি দেখিয়েছে। তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্য প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে ব্যাপক উন্নয়ন লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে দেশটি দক্ষিণ এশিয়ায় একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ জনশক্তি, প্রতিযোগিতামূলক শ্রমমূল্য এবং দ্রুত উন্নয়নশীল ভোক্তা বাজার&amp;mdash;এসবই বাংলাদেশকে বিনিয়োগকারীদের জন্য উপযোগী করে তুলছে। বর্তমানে সরকার &amp;#39;বিনিয়োগ সহজীকরণ&amp;#39; নীতির আওতায় একাধিক ইকোনমিক জোন ও হাইটেক পার্ক চালু করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিনিয়োগবান্ধব সুবিধাসমূহ:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) একক উইন্ডো সার্ভিসের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দিচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কর রেয়াত, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ), এবং বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করছে সরকার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চীন, ভারত, জাপান ও ইউরোপের অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে:&lt;br /&gt;
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অবকাঠামোগত দুর্বলতা, এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহে অস্থিরতা কিছু ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্ব ব্যাংকের Doing Business সূচকে সাম্প্রতিক উন্নতি হলেও, এখনো দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, চুক্তি প্রয়োগের আইনগত কাঠামো ও টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় আরও অগ্রগতি প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নে সরকারের কার্যকর নীতি, উদীয়মান বাজার ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আগামী দিনে আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করাবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরায়েল গোপনে গাজায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে: আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/187</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 15 Apr 2025 09:59:05 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/187</guid>
		<description> ইসরায়েল গোপনে গাজায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে: আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইসরায়েল গোপনে গাজায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে: আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ এপ্রিল ২০২৫&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় গোপনে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (HRW) এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একাধিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েল সম্প্রতি সাদা ফসফরাস (White Phosphorus) ব্যবহার করেছে&amp;mdash;যা যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার বৈধ হলেও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এর ব্যবহার আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজা ও দক্ষিণ লেবাননে সাদা ফসফরাস ব্যবহারের ভিডিও ও ছবির ভিত্তিতে এসব অভিযোগ উঠে। এই রাসায়নিক পদার্থটি বাতাসের সংস্পর্শে এলে জ্বলে উঠে এবং মানুষের শরীরে মারাত্মক দাহ্য ক্ষত তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব হিসেবে শ্বাসকষ্ট, ক্যান্সার ও পরিবেশগত ধ্বংস দেখা দিতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এছাড়া, ইরান দাবি করেছে, ইসরায়েল শুধু সাদা ফসফরাস নয়, ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়ামসহ আরও বিপজ্জনক রাসায়নিক অস্ত্র গোপনে গাজায় ব্যবহার করছে। এ অভিযোগের জবাবে ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা আন্তর্জাতিক আইনের সীমার মধ্যেই অস্ত্র ব্যবহার করছে এবং সাদা ফসফরাস কেবলমাত্র &amp;lsquo;স্মোক স্ক্রিন&amp;rsquo; বা ধোঁয়ার আবরণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজার কৃষিজমিতেও এসব রাসায়নিকের প্রভাব পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফিলিস্তিনের কৃষি সংগঠনগুলো জানায়, ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে মাটি বিষাক্ত হয়ে পড়ছে, ফলে কৃষকরা ক্যান্সারসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানবাধিকার সংস্থাগুলো এসব অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করতে আহ্বান জানিয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলা নববর্ষ ১৪৩২;  বাঙালির জীবনে এক নতুন আশার নাম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/186</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 14 Apr 2025 11:51:25 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/186</guid>
		<description> বাংলা নববর্ষ ১৪৩২;  বাঙালির জীবনে এক নতুন আশার নাম </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:24px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাংলা নববর্ষ ১৪৩২: বাংলার প্রাণের মানুষের নতুন অধ্যায়&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষ, বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য একটি অঙ্গ। এটি কেবল একটি ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের দিন, এটি বাংলা রাষ্ট্র নয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি এবং স্বতন্ত্র রাজনীতির এক অনন্য প্রতীক।&lt;br /&gt;
১৪৩২- বাংলা নববর্ষ ; বাংলাদেশের তাৎপর্যের উদযাপন রূপ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব .......&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;em&gt;&lt;strong&gt;ইতিহাসের আলোকে বাংলা নববর্ষ&lt;/strong&gt;&lt;/em&gt;&lt;br /&gt;
বাংলা সনের পন্থা রাজনৈতিক পরিস্থিতি মতভেদ নীতি গ্রহণযোগ্য গণনা অনুযায়ী, এই প্রবর্তন মোগল সম্রাট আকবর। কৃষিভিত্তিক সমাজে রাজস্বরার্থে সুবিধার্থে তিনি হিজরি চন্দ্র পঞ্জিকারের সঙ্গে সৌর পঞ্জিকারে বাংলা সনের প্রচলন করেন। আবিষ্কারের নাম ছিল &amp;#39;ফসলি সন&amp;#39;, পরবর্তীতে এটি পরিচিত হয় &amp;#39;বাংলা সন&amp;#39;। ১৫৮৪ সালকে ধরে বাংলায় গণনা শুরু হয়, যদিও ১৫৫৬ সাল থেকে শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:24px&quot;&gt;&lt;strong&gt;নববর্ষের তাৎপর্য ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষ নতুন বছরের সূচই নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক নবজাগর গণনা। &amp;quot;এসো হে বৈশাখ&amp;quot; গানের দিনটি শুরু হয়, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এবং আবহকে চিরায়ত রূপ দেয়। এই বছর মানুষ পুরাতন বছরের গ্লানি ঘোষণার নতুন আশা, স্বপ্ন নিয়ে আলোচনার অঙ্গীকার করে। ব্যবসায়ীরা হালখাতা গভীরতা দেন মেটানোর চেষ্টা করেন। এটি স্থাপনের বিকল্প এক সমাজবদ্ধতা ও সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের দিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:24px&quot;&gt;১৪৩২ বঙ্গাব্দ: এক নতুন সুচনার বার্তা&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৪৩২ বঙ্গাব্দে বিশ্বজুড়ে বিরাজমান নানা সংকট যেমন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং সামাজিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বাঙালির এই নববর্ষ এসেছে এক নতুন আশার আলো হয়ে। করোনা-পরবর্তী বিশ্বে মানুষের মধ্যে সম্পর্ক, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের মূল্যবোধ বেড়েছে বহুগুণে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ তেমনি একটি পরিপূর্ণতা নিয়ে এসেছে, যেখানে মানুষ আবার উৎসবমুখর জীবনে ফিরছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষের সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত দিক হলো এর বৈচিত্র্যপূর্ণ উদযাপন। নগর থেকে গ্রাম&amp;mdash;সর্বত্র এর আবহ ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের &amp;#39;মঙ্গল শোভাযাত্রা&amp;#39; বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইউনেস্কো ২০১৬ সালে এই শোভাযাত্রাকে &amp;lsquo;মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য&amp;rsquo; হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রামে মেলা, নাচ-গান, পিঠা-পুলি, হালখাতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ১৪৩২ সালে এই উৎসব আগের চেয়েও বেশি প্রাণবন্ত। করোনার দীর্ঘ ছায়া কাটিয়ে মানুষ যেন নতুন প্রাণশক্তিতে উদযাপন করেছে এবারের নববর্ষ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:24px&quot;&gt;&lt;strong&gt;খাদ্যসংস্কৃতির বৈচিত্র্য&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষ মানেই ভাত-ইলিশ, পান্তা-ইলিশ, এবং বাহারি পিঠার সম্ভার। যদিও পরিবেশ ও প্রাণ সংরক্ষণের স্বার্থে ইলিশ মাছ খাওয়ার বিপক্ষে মতও রয়েছে, তবে সংস্কৃতির অংশ হিসেবে এই খাবার আজও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ১৪৩২ সালে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ইলিশ সংরক্ষণে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে&amp;mdash;যেমন, ইলিশবিহীন নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান। অনেকেই এবার ইলিশের বিকল্প হিসাবে ট্যাংরা, চিংড়ি কিংবা ভেজিটেরিয়ান মেনু বেছে নিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;&lt;em&gt;বাঙালির পোশাক ও সাজসজ্জায় বৈশাখী আমেজ&lt;/em&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষে পোশাকে আসে এক নতুন মাত্রা। সাদা-লাল শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফুলের মালা, হাতে অলংকার&amp;mdash;সবই মিলে এই উৎসবকে করে তোলে চিরচেনা কিন্তু প্রতিবারই নতুন। ১৪৩২ সালের নববর্ষে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফ্যাশন হাউজগুলো তাদের কালেকশন সবার কাছে পৌঁছে দেয়, যেখানে লোকজ মোটিফ, আলপনা, সূর্যচিহ্ন ও প্রকৃতির অনুপ্রেরণা বিশেষভাবে স্থান পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:24px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রযুক্তি ও সামাজিক মাধ্যমে নববর্ষ&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
নববর্ষ এখন আর কেবল মঞ্চ কিংবা মাঠে সীমাবদ্ধ নয়। ১৪৩২ সালে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে নববর্ষের নানা দিক উঠে এসেছে। ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা বিনিময়, অনলাইন কনসার্ট, ডিজিটাল গ্যালারি, মোবাইল ফটো কনটেস্ট&amp;mdash;এসব নতুন প্রজন্মের জন্য নববর্ষ উদযাপনের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষের সঙ্গে একটি বিশাল বাণিজ্যিক ক্ষেত্র জড়িত। পোশাক শিল্প, খাবার, উপহার সামগ্রী, সজ্জাসামগ্রী, মেলা, হোটেল-রেস্টুরেন্ট&amp;mdash;সবকিছুরই চাহিদা বাড়ে এই সময়ে। ১৪৩২ সালে বৈশাখ কেন্দ্রিক বিক্রির পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতি জানিয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে নববর্ষ একটি মৌসুমি চাঙ্গাভাব আনে, যা কর্মসংস্থানেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;শিশু-কিশোর ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
নববর্ষ উদযাপনে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এখন একটি স্থায়ী রীতি। স্কুল-কলেজগুলোতে বৈশাখী মেলা, র&amp;zwj;্যালি, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং আলপনা আঁকা হয়। ১৪৩২ বঙ্গাব্দে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে &amp;lsquo;বর্ণাঢ্য বৈশাখ&amp;rsquo; কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে শিশুদের মধ্যে নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার আগ্রহ তৈরি হয়, যা একটি জাতির দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের ভিত্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:24px&quot;&gt;&lt;strong&gt;নববর্ষ ও ধর্মীয় সহাবস্থান&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষ একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব হিসেবে বিবেচিত। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান&amp;mdash;সব ধর্মের মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে। ১৪৩২ সালে এই সহাবস্থানের চিত্র ছিল বিশেষভাবে উজ্জ্বল। যদিও নানা সময়ে কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী এই উৎসবের বিরোধিতা করেছে, তবুও মূলধারার বাঙালি সমাজ সর্বদা এই উৎসবকে উদারতা, সম্প্রীতি ও ঐক্যের নিদর্শন হিসেবে ধরে রেখেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong&gt;নববর্ষ ও পরিবেশ সচেতনতা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পরিবেশবান্ধব উদযাপন এখন সময়ের দাবি। ১৪৩২ বঙ্গাব্দে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে প্লাস্টিকবর্জ্যহীন বৈশাখ উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অনেক জায়গায় মাটির বাসন, কাপড়ের ব্যাগ, পাতা দিয়ে মোড়ানো খাবার পরিবেশিত হয়েছে। এই ধারা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক দিক নির্দেশনা হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নববর্ষ উদযাপনের আনন্দের মাঝেও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নিরাপত্তা হুমকি, নারী হয়রানি, ভিড়ের ব্যবস্থাপনা এবং বাণিজ্যিকীকরণ&amp;mdash;এই সব বিষয় নিয়ে সচেতন থাকতে হয়। ১৪৩২ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি, হেল্পডেস্ক এবং স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ হলো বাঙালির জীবনে এক নতুন আশার নাম। এটি শুধু অতীতকে সম্মান জানিয়ে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক প্রতীক। এই নববর্ষ যেন হোক অসাম্প্রদায়িক, পরিবেশবান্ধব, সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ এবং মানবিকতায় পরিপূর্ণ। আমাদের দায়িত্ব হলো এই উৎসবকে কেবল বিনোদনের সীমায় আবদ্ধ না রেখে সংস্কৃতি চর্চার এক মঞ্চ হিসেবে গড়ে তোলা, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি গর্বিত বাঙালি পরিচয় দিতে সক্ষম হবে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>Bangladesh: A Nation United in Protest </title>
		<link>https://shomoybhela.com/185</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2025 10:15:44 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/185</guid>
		<description> Bangladesh: A Nation United in Protest </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&lt;strong&gt;April 12, 2025, March for Gaza in Bangladesh&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;On April 12, 2025, Bangladesh witnessed a significant demonstration in solidarity with the Palestinian people, condemning Israeli actions in Gaza and advocating for justice and peace. This march, organized by various student groups, political parties, and civil society organizations, was a powerful expression of the nation&amp;#39;s unwavering support for Palestine.​&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The march will be began at the National Press Club in&amp;nbsp; Shahbag, Dhaka; around 1500 hours, where participants gathered to form a human chain, symbolizing unity and solidarity with the Palestinian people. Carrying Palestinian flags and placards with slogans such as &amp;quot;Free Free Palestine&amp;quot; and &amp;quot;Stop Genocide,&amp;quot; the demonstrators marched through the streets, chanting anti-Israel slogans and calling for international intervention to halt the violence in Gaza.​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&lt;strong&gt;Background and Context&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;Bangladesh, a Muslim-majority nation with a history of supporting Palestinian rights, has consistently condemned Israeli military actions in Gaza. The government&amp;#39;s stance is reflected in its diplomatic policies and public pronouncements. Prime Minister Sheikh Hasina has publicly condemned Israeli actions in Gaza, referring to them as acts of genocide. The government&amp;#39;s stance aligns with the sentiments expressed by the public through various marches and demonstrations across the country.​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The demonstration was organized by the Palestine Solidarity Committee Bangladesh, a coalition of left-leaning political parties and civil society organizations. Harun Or Rashid, a central leader of the Revolutionary Communist League, chaired the event and called on the international community to expel Israel from the United Nations and ensure justice for Palestinians. Mushrefa Mishu, General Secretary of the Democratic Revolutionary Party, highlighted the mass killings of unarmed Palestinians by the Israeli army in recent conflicts. Masud Rana, Coordinator of the Socialist Party of Bangladesh (Marxist), criticized the support Israel receives from the U.S. government. Other speakers included Abdullah Kafee Ratan of the Communist Party of Bangladesh and Khalequzzaman Lipon of the Socialist Party of Bangladesh. ​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&amp;nbsp;Global Solidarity in the March for Gaza &amp;ndash; April 12, 2025&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;On April 12, 2025, the world witnessed a powerful outpouring of solidarity for Gaza as millions took to the streets across continents, demanding an immediate ceasefire and an end to the ongoing humanitarian crisis. This coordinated global movement, known as the &amp;quot;Global Day of Action,&amp;quot; united individuals from over 120 cities in 45 countries, including major demonstrations in London, New York City, Washington, D.C., Paris, Cairo, and Dhaka .&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The Catalyst for Action&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The urgency of this global mobilization stemmed from the escalating violence in Gaza, where Israeli military operations had resulted in the deaths of more than 23,000 Palestinians, including over 10,000 children, in just over three months. The conflict had devastated Gaza&amp;#39;s infrastructure, leaving much of its population displaced, starving, and at growing risk of disease .&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;&amp;nbsp;&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;In Bangladesh, the call for justice resonated deeply. On April 7, 2025, a nationwide &amp;quot;Global Strike for Gaza&amp;quot; saw students, activists, and political groups across universities and cities protesting Israeli actions in Gaza. The demonstrations were marked by widespread participation, with many educational institutions voluntarily closing to support the global &amp;quot;No Work, No School&amp;quot; campaign. Outlets of foreign brands like KFC, Pizza Hut, Puma, and Bata were vandalized by enraged mobs for allegedly supporting the Zionist cause .&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The following day, April 8, witnessed protests in various districts, including Gaibandha, Khulna, Meherpur, Narayanganj, Pabna, Pirojpur, Shariatpur, and Mymensingh. These rallies, human chains, and demonstrations were organized by people from all walks of life, demanding an immediate end to the genocide and mass destruction in Gaza by Israeli forces .&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;A Unified Global Voice&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The April 12 marches were not merely protests; they were a unified global voice condemning the violence in Gaza and calling for an end to the war. In London, as many as 500,000 people marched on Parliament Square to demand an immediate ceasefire and condemn their own government&amp;#39;s support of Israel&amp;#39;s actions . Similarly, in Dublin, organizers of a march that saw more than 100,000 participants called it the largest rally for Palestinian rights in Irish history .&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;h3&gt;&amp;nbsp;&lt;/h3&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The Global Day of Action on April 12, 2025, underscored the power of collective action and international solidarity. It sent a clear message to governments and international bodies that the people of the world stand united in their demand for justice and peace for Gaza. The movement highlighted the importance of global awareness and action in addressing humanitarian crises and holding accountable those responsible for violations of human rights.&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The March for Gaza on April 12, 2025, was a testament to the strength of global solidarity and the unwavering commitment of individuals and communities worldwide to advocate for justice and human rights. It demonstrated that when people unite across borders and cultures, their collective voice can challenge injustice and inspire change. As the world continues to grapple with conflicts and humanitarian crises, the events of April 12 serve as a powerful reminder of the impact of unified, peaceful protest in the pursuit of a more just and compassionate world.&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&lt;strong&gt;Public Sentiment and Participation&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The April 12 march was part of a broader wave of protests across Bangladesh in response to the ongoing violence in Gaza. In previous months, nationwide demonstrations, including the &amp;quot;Global Strike for Gaza&amp;quot; on April 7, 2025, saw students, activists, and political groups protesting Israeli actions in Gaza. These rallies took place across universities and cities, calling for an end to the violence and justice for Palestinians. Outlets of foreign brands like KFC, Pizza Hut, Puma, and Bata were vandalized by enraged mobs for allegedly supporting the Zionist cause. ​&lt;a class=&quot;flex h-6 overflow-hidden rounded-xl px-2.5 text-[0.5625em] font-medium text-token-text-secondary! bg-[#F4F4F4]! dark:bg-[#303030]! transition-colors duration-150 ease-in-out&quot; href=&quot;https://en.wikipedia.org/wiki/2025_in_Bangladesh?utm_source=chatgpt.com&quot; rel=&quot;noopener&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;Wikipedia&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&lt;strong&gt;Government Response&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The Bangladeshi government has been vocal in its condemnation of Israeli actions in Gaza.&amp;nbsp; The government&amp;#39;s stance aligns with the sentiments expressed by the public through various marches and demonstrations across the country.​&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;The April 12, 2025, March for Gaza in Bangladesh was a powerful demonstration of solidarity with the Palestinian people. It reflected the nation&amp;#39;s deep-rooted support for Palestine and its commitment to advocating for Palestinian rights on the international stage. As global attention remains focused on the situation in Gaza, Bangladesh&amp;#39;s continued support for Palestine remains a significant aspect of its foreign policy and national identity.&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট  সামিট- ২০২৫: বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেখাবে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/184</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 11:54:39 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/184</guid>
		<description> বাংলাদেশ এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt; বাংলাদেশ&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;বিশ্ব অর্থনীতির গতিপথের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগের ধারণাও পরিবর্তিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে আয়োজিত হতে যাওয়া &amp;quot;ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫&amp;quot; বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের একত্রিত করবে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। এই সামিটের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি, উন্নয়নশীল দেশের সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে একটি নতুন বিশ্ব অর্থনৈতিক চিত্র গঠন করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সামিটের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫ এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির বিপ্লব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার পুনর্গঠন চলছে। এর প্রেক্ষিতে, বিনিয়োগের নতুন খাত যেমন: গ্রিন এনার্জি, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃষি প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;সামিটের মূল উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ol&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;উন্নয়নশীল দেশের স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তাদের জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রযুক্তিনির্ভর নতুন খাতে বিনিয়োগের দিকনির্দেশনা প্রদান&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালার বিষয়ে আলোচনা ও প্রস্তাবনা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সংযোগ স্থাপন&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
&lt;/ol&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সামিটের কাঠামো ও আয়োজন:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫-এর আয়োজন করা হবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে। এটি হবে এক সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠান, যেখানে থাকবে:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মূল&amp;nbsp; আলোচনা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
	বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ, বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করবেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিনিয়োগ মেলা ও এক্সিবিশন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
	উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা তাদের প্রকল্প প্রদর্শন করতে পারবেন, যাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সৃষ্টি হয়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিজনেস ম্যাচমেকিং ও নেটওয়ার্কিং সেশন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
	উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ও যোগাযোগের সুযোগ থাকবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;কারিগরি কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
	বিভিন্ন শিল্প ও খাতভিত্তিক বিনিয়োগ পদ্ধতি, নীতিমালা ও প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;১. &lt;strong&gt;গ্রিন ইনভেস্টমেন্ট ও টেকসই উন্নয়ন:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে নবায়নযোগ্য শক্তি, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো ও কার্বন নিরপেক্ষ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;২. &lt;strong&gt;ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও ফিনটেক:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
ব্লকচেইন, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ডিজিটাল পেমেন্ট ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-ভিত্তিক ফিনটেক স্টার্টআপে বিনিয়োগের সুযোগ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;৩. &lt;strong&gt;কৃষিভিত্তিক প্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তা:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
আধুনিক কৃষি পদ্ধতি, স্মার্ট ফার্মিং ও কৃষি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের গুরুত্ব।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;৪. &lt;strong&gt;স্বাস্থ্যসেবা ও বায়োটেকনোলজি:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসার।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;৫. &lt;strong&gt;নারী উদ্যোক্তা ও এসএমই উন্নয়ন:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
নারী নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অর্থায়নের পথ উন্মুক্ত করা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও গুরুত্ব:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ, শ্রমবাজার ও ভৌগোলিক অবস্থান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলছে।&lt;br /&gt;
সরকারের তরফ থেকে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা, ইকোনোমিক জোন, আইটি পার্ক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নের কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্র প্রসারিত হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণের কারণসমূহ:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;দক্ষ জনবল ও প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজার&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রযুক্তি খাতে দ্রুত উন্নয়ন&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;স্বল্প খরচে উৎপাদন সুবিধা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রত্যাশিত ফলাফল ও প্রভাব:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;এই সামিট থেকে বিশ্বব্যাপী ও দেশীয় পর্যায়ে যে ফলাফলগুলি প্রত্যাশিত:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ol&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;নতুন নতুন স্টার্টআপ ও প্রকল্পে অর্থায়ন&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;নীতিনির্ধারকদের জন্য ভবিষ্যত বিনিয়োগ নীতিমালা গঠনের রূপরেখা তৈরি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
&lt;/ol&gt;
&amp;nbsp;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫ শুধু একটি ইভেন্ট নয়, এটি&amp;nbsp; বিশ্ব অর্থনীতিকে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;নতুন দৃষ্টিভঙ্গি &lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;দেখাবে। এই সামিটের মাধ্যমে উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন এবং আন্তর্জালিক সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে একটি আরও সংহত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল বিশ্ব। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ, যেখানে ভবিষ্যতের জন্য অর্থনৈতিক ভিত শক্তিশালী করা সম্ভব।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইসরাইলের নির্মমতা ও ফিলিস্তিনিদের দুরবস্থার প্রকৃত চিত্র </title>
		<link>https://shomoybhela.com/179</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 08 Apr 2025 10:51:54 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/179</guid>
		<description> শুধু আবেগ নয়, কৌশলী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;​ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাত দীর্ঘদিনের। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর উদ্বেগের কারণ হয়েছে। এই প্রতিবেদনে, এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত সংঘটিত ইসরায়েলি সামরিক অভিযান, ফিলিস্তিনি জনগণের উপর এর প্রভাব, এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে।​&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;সাম্প্রতিক ইসরায়েলি সামরিক অভিযান&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;এপ্রিল ২০২৫-এ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় তাদের অভিযান সম্প্রসারণ করে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন যে, &amp;quot;মোরাগ করিডোর&amp;quot; নামে একটি নতুন নিরাপত্তা করিডোর স্থাপন করা হবে, যা গাজা উপত্যকাকে বিভক্ত করবে এবং হামাসের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। এই করিডোরটি পূর্বে অবস্থিত মোরাগ নামক ইসরায়েলি বসতির স্থানে স্থাপিত হচ্ছে, যা রাফাহ এবং খান ইউনিসের মধ্যে অবস্থিত।​&lt;a class=&quot;flex h-6 overflow-hidden rounded-xl px-2.5 text-[0.5625em] font-medium text-token-text-secondary! bg-[#F4F4F4]! dark:bg-[#303030]!&quot; href=&quot;https://en.wikipedia.org/wiki/Morag_Corridor?utm_source=chatgpt.com&quot; rel=&quot;noopener&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;Wikipedia&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ নির্দেশ দেন যে, সামরিক বাহিনী গাজার আরও গভীরে প্রবেশ করবে এবং হামাসের হাতে আটক বন্দীদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই অভিযানের ফলে গাজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ ও গোলাবর্ষণ হয়, যার ফলে বহু ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হন।​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ফিলিস্তিনি জনগণের উপর প্রভাব&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ফলে ফিলিস্তিনি জনগণ মারাত্মক মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, সংঘাতের ফলে ৫০,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছেন। এছাড়াও, প্রায় ৯০% জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা তাদের জীবনযাত্রাকে চরমভাবে প্রভাবিত করেছে।​&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো খাদ্য, পানি ও ওষুধের মারাত্মক সংকটের কথা জানিয়েছে। ইসরায়েলের অবরোধের ফলে এই সংকট আরও তীব্র হয়েছে, এবং গাজা প্রায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। ​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;সাংবাদিকদের উপর হামলা&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে। এপ্রিল ৭, ২০২৫-এ খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্যবহৃত একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিক হেলমি আল-ফাকাওয়ি নিহত হন এবং নয়জন আহত হন। এই হামলায় আরও একজন সাংবাদিক আহমেদ মনসুর পরে মারা যান, যা সাংবাদিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। ​&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ফিলিস্তিনি সাংবাদিক সমিতির মতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে ২১০ জনের বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে।​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া এসেছে। ফ্রান্স, মিশর এবং পশ্চিম তীরের নেতারা কায়রোতে এক সম্মেলনে যুদ্ধবিরতি পুনরায় শুরু করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন। তবে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতে গাজা নিয়ন্ত্রণ ও সেখানকার জনগণকে স্থানান্তরের পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানান।​&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট মানবিক সংকটের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তবে, ইসরায়েলি সরকার হামাসের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান বজায় রেখেছে এবং সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।​&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযান ফিলিস্তিনি জনগণের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কারণ হয়েছে। মানবিক সংকট, সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, এই সংঘাতের সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জরুরি হয়ে উঠেছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;&amp;nbsp;হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিমদের&amp;nbsp; করণীয় কাজ&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;বর্তমানে ফিলিস্তিনের নিরীহ জনগণের উপর ইসরাইলের চলমান নিষ্ঠুর ও অমানবিক হামলা গোটা মুসলিম বিশ্বকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। শিশু, নারী ও সাধারণ মানুষ যখন বর্বর হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে, তখন একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের করণীয় কী, তা জানা ও পালন করা একান্ত জরুরি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;করণীয়সমূহ:&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;১. দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
আল্লাহই চূড়ান্ত সাহায্যকারী। তাই মুসলিম উম্মাহর উচিত ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য দোয়া করা, কুরআন তিলাওয়াত ও ইস্তিগফার করা এবং কিয়ামুল লাইল, দোহার নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা। রাসূল (সা.) বলেছেন, &lt;em&gt;&amp;ldquo;দোয়া মুমিনের হাতিয়ার&amp;rdquo;&lt;/em&gt;।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;২. মানবিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
যেখানে সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, সেখানে অর্থনৈতিক সহায়তা ও ত্রাণসামগ্রী প্রেরণ করা মুসলিমদের অন্যতম দায়িত্ব। বিশ্বস্ত সংস্থার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ, পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য পাঠানো উচিত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৩. তথ্য প্রচার ও জনমত গঠন:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসরাইলের নির্মমতা ও ফিলিস্তিনিদের দুরবস্থার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে হবে মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া ও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। এর মাধ্যমে বিশ্ববাসীর মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে এবং আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;৪. পণ্য বয়কট ও অর্থনৈতিক প্রতিরোধ:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরাইল-সমর্থিত কোম্পানি ও তাদের পণ্য বর্জন করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকর পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ তাদের আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করতে সাহায্য করতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;strong style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;৫. ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখা:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;মুসলিম উম্মাহর মধ্যে দলাদলি ও বিভক্তি না রেখে একটি কণ্ঠে ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি। আল্লাহ কুরআনে বলেন:&lt;br /&gt;
&lt;em&gt;&amp;ldquo;তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পরে বিভেদ সৃষ্টি করো না&amp;rdquo;&lt;/em&gt; (সূরা আলে ইমরান: ১০৩)।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৬. ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
যে কোনো জাতি, ধর্ম বা গোষ্ঠীর মানুষের উপর অন্যায় হলে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ইসলামি নীতিমালার অংশ। মুসলমান হিসেবে আমাদের কণ্ঠ উচ্চ করা উচিত&amp;mdash;যেখানেই জুলুম, সেখানেই প্রতিবাদ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৭. ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস ও চেতনা শিক্ষা দেওয়া:&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
ফিলিস্তিনের ইতিহাস, মুসলিমদের ভূমিকা, আল-আকসা মসজিদের গুরুত্ব&amp;mdash;এসব বিষয়ে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করতে হবে, যাতে তারা মুসলিম উম্মাহর প্রতি দায়িত্বশীল হতে শেখে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;ইসরাইলের নিষ্ঠুর হামলার সময় আমাদের শুধু আবেগ নয়, কৌশলী ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ঈমান, একতা, দোয়া, সচেতনতা ও সাহায্যের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারে। আল্লাহ যেন আমাদের ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দেন, এবং তাঁদের বিজয় দান করেন&amp;mdash;এই প্রার্থনা করি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মেরিনার্স গ্রুপের সুদমুক্ত ব্যবসা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/178</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 09 Mar 2025 09:44:43 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/178</guid>
		<description> রমজান উপলক্ষে FMCG (ফাস্ট মুভিং কনজ্যুমার গুডস) পণ্যে বিশেষ মূল্যছাড় !!! </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মেরিনার্স গ্রুপের সুদমুক্ত ব্যবসা ও রমজান উপলক্ষে FMCG পণ্যে বিশেষ মূল্যছাড়&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:22px&quot;&gt;&amp;nbsp;!!!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রমজান মাস মুসলমানদের জন্য এক পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ সময়, যেখানে তারা নিজেদের ইবাদত-বন্দেগি, সহানুভূতি ও সমাজসেবা বৃদ্ধি করেন। এই মাসে সব ধরনের ভালো কাজের দিকে মনোযোগ দেয়া হয়, আর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোরও থাকে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অফারের ব্যবস্থা। এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে &lt;strong&gt;মেরিনার্স গ্রুপ&lt;/strong&gt;, যা একটি সুদমুক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং রমজান মাস উপলক্ষে তাদের FMCG (ফাস্ট মুভিং কনজ্যুমার গুডস) পণ্যে বিশেষ মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা করেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মেরিনার্স গ্রুপের সুদমুক্ত ব্যবসা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মেরিনার্স গ্রুপ একটি সুদমুক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যা ইসলামের অর্থনৈতিক মূলনীতি অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। গ্রুপটি তাদের প্রতিটি কার্যক্রমে সুদ বা হারাম উপকরণের ব্যবহার থেকে বিরত থাকে এবং শুদ্ধভাবে ব্যবসা করে থাকে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মেরিনার্স গ্রুপ তাদের গ্রাহকদের কাছে একটি আস্থার নাম হয়ে উঠেছে, যেহেতু তারা ব্যবসায় সততা, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা রক্ষা করে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;রমজান উপলক্ষে FMCG পণ্যে বিশেষ মূল্যছাড়!!!&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;রমজান মাসে মুসলমানরা অতিরিক্তভাবে যেসব পণ্য প্রয়োজন, তার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্যদ্রব্য এবং অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যবহারের পণ্য। মেরিনার্স গ্রুপ এই পণ্যগুলির উপর বিশেষ মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা করেছে, যাতে রমজান মাসে গ্রাহকরা সাশ্রয়ী মূল্যে তাদের প্রয়োজনীয় FMCG পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এই অফারটি গ্রাহকদের জন্য একটি বড় সুবিধা, কারণ তারা এখন আরও কম দামে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারছেন, যা তাদের রমজান মাসের প্রস্তুতি সহজ করবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;গ্রাহকদের জন্য সুবিধা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মেরিনার্স গ্রুপের এই বিশেষ মূল্যছাড় সুবিধা প্রদান গ্রাহকদের জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ। এই ছাড়ের মাধ্যমে, মেরিনার্স গ্রুপ তাদের গ্রাহকদের শুধু সাশ্রয়ী মূল্যই প্রদান করছে না, বরং তাদের ইবাদত ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয়তা পূরণে সহায়কও হচ্ছে। FMCG পণ্যের এই বিশেষ অফারগুলো, &lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তাদের দুটি কম্ব অফার বর্তমানে খুব জনপ্রিয় ,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:20px&quot;&gt;একটি ৩৫০ টাকা, একটি ৪৫০ টাকা&lt;/span&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;
&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৩৫০ টাকা কম্ব অফারে&amp;nbsp; থাকছে,,,&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০১.একটি ৪০০ গ্রামের মেরিন মুড়ি,&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০২. ১ কেজি মেরিন প্রিমিয়াম চিনিগুড়া চাল,&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৩. মেরিন নুডুলস ১২০ গ্রাম দুইটা,&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৪.আইরিচ লাচ্ছা সেমাই&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৫. আইরিচ ভার্মিছিলি সেমাই&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৬. ট্রিংক ম্যাংগো ছয় প্যাক&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৭. ট্রিংক অরেঞ্জ&amp;nbsp; ছয় প্যাক&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৪৫০ টাকা কম্ব অফারে&amp;nbsp; থাকছে,,,,&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০১.একটি ৪০০ গ্রামের মেরিন মুড়ি,&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০২. ১ কেজি মেরিন প্রিমিয়াম চিনিগুড়া চাল,&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৩. মেরিন নুডুলস ১২০ গ্রাম দুইটা,&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৪.আইরিচ লাচ্ছা সেমাই&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৫. আইরিচ ভার্মিছিলি সেমাই&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৬. ট্রিংক ম্যাংগো ছয় প্যাক&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৭. ট্রিংক অরেঞ্জ&amp;nbsp; ছয় প্যাক&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৮.মেরিন সরিষার তেল ২৫০ মিলি&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০৯.মেরিন বার-বি-কিউ চানাচুর ১৪০ গ্রাম&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এছাড়াও বিস্তারিত জানতে এবং পণ্য ঘরে বসে অনলাইনে অর্ডার করতে, ভিজিট করুন মেরিনাস&amp;nbsp; গ্রুপের ই-কমার্স&amp;nbsp; সাইট&amp;nbsp; merino.com&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সামাজিক দায়িত্ব ও প্রতিষ্ঠানটির মূলনীতি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মেরিনার্স গ্রুপ শুধু ব্যবসা করে না, বরং তাদের সামাজিক দায়িত্বও পালন করে থাকে। তারা তাদের ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের জন্য ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে চায়। সুদমুক্ত ব্যবসায় নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরার মাধ্যমে তারা একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ সৃষ্টি করছে। রমজান মাসে তাদের এই বিশেষ মূল্যছাড়ের মাধ্যমে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের গ্রাহকদের আর্থিক সচ্ছলতা এবং সুখ-সান্ত্বনা বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মেরিনার্স গ্রুপের সুদমুক্ত ব্যবসা ও রমজান উপলক্ষে FMCG পণ্যে বিশেষ মূল্যছাড়ের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ, যাতে তারা রমজান মাসের বিশেষ প্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারেন। মেরিনার্স গ্রুপের এই ধরনের উদ্যোগ তাদের ব্যবসার শুদ্ধতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দেয়, যা তাদের একটি সামাজিক দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকায় ট্রাফিক জ্যামে হার মানছে মেগা পরিকল্পনাগুলো , প্রতিদিন সড়কে চলাচলকারী যানবাহন: প্রায় ১৫ লাখ। </title>
		<link>https://shomoybhela.com/177</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Feb 2025 09:04:22 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/177</guid>
		<description> হার মানছে মেগা পরিকল্পনাগুলো </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;
&lt;h3&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম একটি বহুবিধ সমস্যা, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অপ্রতিরোধ্য এক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে হাজির হয়। এই সমস্যাটি শুধু শহরের সড়ক ব্যবস্থার উপর নয়, বরং সার্বিক অর্থনীতি, পরিবেশ, মানুষের স্বাস্থ্য এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। ঢাকা শহরের ট্রাফিক পরিস্থিতি নিয়ে আরও বিস্তারিত এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলো।&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;১. ঢাকা শহরের যানবাহনের পরিসংখ্যান&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকা শহরের যানবাহনের সংখ্যা এবং তাদের ব্যবহারের ধরন এই ট্রাফিক জ্যামের প্রধান কারণ:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;যানবাহনের সংখ্যা:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;বর্তমানে ঢাকার সড়কপথে ৩০ লাখেরও বেশি যানবাহন চলাচল করছে, যার মধ্যে ২৫-৩০% হল বাস, ট্রাক এবং পণ্য পরিবহনকারী গাড়ি।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রতিদিনের যানবাহন চলাচল:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;প্রায় ১৫ লাখ যানবাহন প্রতিদিন শহরের রাস্তায় চলাচল করে। এর মধ্যে, মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিকশা, বাস এবং ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিক্রির পরিমাণ:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;গত কয়েক বছরে প্রতিদিন প্রায় ২,০০০-৩,০০০ নতুন গাড়ি ঢাকায় যুক্ত হচ্ছে, যার কারণে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে, ফলে ট্রাফিক জ্যাম বাড়ছে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;২. সড়কপথের সংকীর্ণতা&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকা শহরের সড়কপথ এখনও অনেক জায়গায় অসম্পূর্ণ এবং সংকীর্ণ। শহরের বিভিন্ন এলাকার সড়কপথের প্রস্থ কিছুটা অপ্রতুল, বিশেষ করে পুরনো ও জনবহুল এলাকায়। এছাড়া, রাস্তার উন্নয়নও পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়নি।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;রাস্তার গুণগত মান:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;অনেক সড়ক অসমান, খানা-খন্দে ভর্তি, যার ফলে যানবাহন চলাচলে অতিরিক্ত সময় লেগে যায়। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে অবৈধ পার্কিং ও দোকান-পাটের কারণে সড়কগুলো আরো সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;উন্নত রাস্তা:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;উন্নত রাস্তা নির্মাণে সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে, কিন্তু পুরনো রাস্তা সংস্কারে তেমন অগ্রগতি নেই।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৩. ট্যাক্সি, অটোরিকশা এবং সিএনজির ভূমিকা&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকায় সিএনজি, অটোরিকশা এবং ট্যাক্সির মত ছোট যানবাহনগুলোর সংখ্যা বাড়ছে, যা ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি করার অন্যতম প্রধান কারণ।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সিএনজি/অটোরিকশা:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২০,০০০ নতুন সিএনজি বা অটোরিকশা ঢাকায় আসে, যা রাস্তার গতি কমিয়ে দেয় এবং জ্যাম বাড়ায়।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;ট্যাক্সি/রিকশা:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;এসব যানবাহন সড়কগুলোর ২০%-২৫% অংশ নিয়ে থাকে এবং প্রায় ৬০% রাস্তায় অবৈধ পার্কিং করে, যা আরো সমস্যা সৃষ্টি করে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৪. গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং ট্রাফিক প্রবাহ&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকা শহরের কিছু সড়ক যেমন: মগবাজার, কারওয়ান বাজার, বনানী, এবং দারুস সালাম-এ যানবাহনের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। বিশেষ করে অফিস টাইম এবং স্কুল/কলেজের সময়ে এসব সড়কে চলাচল অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। প্রধান সড়কগুলিতে অন্যান্য যাত্রীদের জন্য পৃথক লেন ব্যবস্থা না থাকার কারণে যানজট বৃদ্ধি পায়।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মতিঝিল-গুলিস্তান এলাকা:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;এই এলাকার ব্যস্ততা বিশেষভাবে প্রবল, কারণ এটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। অফিসের কর্মী, ব্যবসায়ী এবং সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা এই সড়কগুলোতে প্রচুর যানবাহন চলে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৫. সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম শুধু সময় নষ্ট করে না, বরং সড়ক দুর্ঘটনাও অনেকাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় দুর্ঘটনা এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটে। ট্রাফিক আইন এবং সড়ক সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;দুর্ঘটনা পরিসংখ্যান:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;২০২৩ সালে, ঢাকা শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫,০০০ মানুষ আহত এবং ৫০০ এর বেশি মানুষ মারা গেছে। এগুলির অধিকাংশই সড়ক জ্যামের কারণে ঘটে থাকে, যখন যানবাহনগুলো খুব ধীরে চলে এবং রাস্তার মধ্যে অবৈধ পার্কিং থাকে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৬. পরিবেশ দূষণ&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকার ট্রাফিক জ্যামের কারণে বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। গ্যাস, ধোঁয়া, এবং সাসপেনডেড পার্টিকুলেট ম্যাটার (SPM) বৃদ্ধির ফলে বাতাসে বায়ু দূষণের পরিমাণ ৫-৭ গুণ বেড়ে গেছে। পরিবেশবিদরা সতর্ক করছেন, বিশেষ করে ঢাকার বায়ুর দূষণ অন্যান্য শহরের তুলনায় মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বায়ুদূষণ:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ঢাকার বায়ুর মধ্যে থাকা SPM (Suspended Particulate Matter) এবং NOx (নাইট্রোজেন অক্সাইড) এর মাত্রা ৫৫ থেকে ৮০ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুনির্দিষ্ট সীমা ২০ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার এর চেয়ে তিন গুণ বেশি।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৭. সরকারের পদক্ষেপ এবং সমাধানের পরিকল্পনা&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যামের সমাধানে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তবে তা ততটা কার্যকর হয়নি। তবে সরকার দীর্ঘমেয়াদি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে নজর দিচ্ছে:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মেট্রোরেল:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;প্রথম লাইনের নির্মাণ কাজ:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ঢাকার মেট্রোরেল লাইন ৬-এর প্রথম অংশের নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন। এই অংশটি উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২৫ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্প চালু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;যাত্রী সেবা:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;মেট্রোরেল চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৬ লক্ষ যাত্রীকে সেবা প্রদান করবে। এটি শহরের যানজট কমানোর পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করবে&lt;/span&gt;।&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাস র&amp;zwj;্যাপিড ট্রানজিট (BRT):&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;এই প্রকল্পটি ঢাকার প্রধান সড়কগুলিতে আলাদা লেন তৈরি করবে, যা বাস এবং অন্যান্য গণপরিবহনের জন্য সাশ্রয়ী হবে। BRT সিস্টেম চালু হলে যানবাহন চলাচল আরো গতিশীল হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;নতুন সড়ক নির্মাণ:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ঢাকা শহরের একাধিক জায়গায় নতুন সড়ক ও সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে, যেমন- দক্ষিণখান, মিরপুর, এবং কুর্মিটোলা এলাকায়। তবে, রাস্তাগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;h4&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;৮. ভবিষ্যত পরিকল্পনা&lt;/span&gt;&lt;/h4&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম মোকাবিলা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দরকার:&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;ট্রাফিক সিস্টেমের আধুনিকীকরণ:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ট্রাফিক সিগন্যাল, সিসিটিভি মনিটরিং এবং ডিজিটাল যানবাহন ব্যবস্থাপনা সিস্টেম চালু করা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;পাবলিক ট্রান্সপোর্টের উন্নয়ন:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ঢাকায় উন্নত বাস সিস্টেম, মেট্রো, সাইকেল ট্র্যাক এবং ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের ওপর জোর দিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
	&lt;li&gt;
	&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;কর্মসূচি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি:&lt;/strong&gt;&amp;nbsp;ট্রাফিক আইনের প্রয়োগ শক্তিশালী করা, জনগণকে সচেতন করা এবং রোড শেয়ারিং (Carpooling) এর মতো বিকল্প ব্যবস্থা প্রচার করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
	&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
	&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম একটি অত্যন্ত জটিল সমস্যা, যা সড়ক অবকাঠামো, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার অভাব, এবং প্রশাসনিক অসঙ্গতি থেকে উদ্ভূত। এই সমস্যা মোকাবিলায় সরকারকে কেবল উন্নয়ন প্রকল্পগুলির দিকে মনোযোগী হতে হবে না, বরং জনগণের সচেতনতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধও বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলেই আমরা একটি সচল, পরিবেশবান্ধব এবং আরামদায়ক ঢাকা শহর পেতে সক্ষম হবো।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শেষ রক্ষা পেলোনা আর্জেন্টিনা,৩ গোলের জয়ে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল যুবারা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/176</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 17 Feb 2025 09:18:05 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/176</guid>
		<description> ৩ গোলে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল যুবারা </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;চিলিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক সেরে রেখেছিল ব্রাজিলের যুবারা। আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জিততে হলে করতে হতো ৪ গোল। কিন্তু প্যারাগুয়ের বিপক্ষে চার গোল তো দেয়া হয়নি, বরং ৩-২ গোলে হেরেছে ক্লদিও এচেভেরির দল। ফাইনাল পর্ব শেষে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তাই অনেকটা হেসেখেলেই কনমেবল অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল ব্রাজিল।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;নিজেদের ম্যাচটা শেষ করেই ব্রাজিল দল চলে এসেছিল আর্জেন্টিনা ম্যাচের ভেন্যুতে। প্যারাগুয়ের তৃতীয় গোলের পর তাদের উচ্ছ্বাসই ছিল সবচেয়ে বেশি। ডিয়েগো লিওনের সেই গোলের পর আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জয়ের জন্য করতে হতো আরও ৫ গোল। কিন্তু ৮২ মিনিটে গোল হজমের পর ৫ গোল দেয়ার স্বপ্ন দেখাটাও বেশ কঠিনই বটে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;আর্জেন্টিনার হারের এপিটাফ অবশ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল আরও অনেকটা আগেই। চিলির বিপক্ষে ব্রাজিল ৩-০ গোলে জিতেছিল কয়েক ঘণ্টা আগেই। এমন অবস্থায় শিরোপা জিততে আর্জেন্টিনার জন্য ভরসা ছিল গোল ব্যবধান। চার গোলের নিচে জয় পেলেও তাদের লাভ হতো না সে অর্থে। কিন্তু আর্জেন্টিনা যুবারা ম্যাচে পিছিয়ে যায় ৩০ মিনিটেই। লুকা কেমেটের গোল লিড নেয় প্যারাগুয়ে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বিরতির পর ফের গোল হজম করে তারা। তিয়াগো ইসায়াসের গোলে ২-০ তে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে অবশ্য ৬৭ মিনিটের মাঝে ম্যাচে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। জোড়া গোল ক্যারিজোর। কিন্তু সেখান থেকে শিরোপার দৌড়ে আর্জেন্টাইন যুবারা নিজেদের আর এগিয়ে নিতে পারেনি। উল্টো ডিয়েগো লিওনের ৮২ মিনিটের গোল নিশ্চিত করে ব্রাজিলের শিরোপা।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে কি কি বিশেষ সুবিধা থাকছে মেরিনারদের জন্য? </title>
		<link>https://shomoybhela.com/173</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 16:09:45 +0600</pubDate>
		<category>মেরিন নিউজ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/173</guid>
		<description> চালু হবে বিশেষ ইমিগ্রেশন  বুথ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বাংলাদেশের প্রায় ২০,০০০ নৌ-কর্মকর্তা ও নাবিক দেশী ও বিদেশী সমুদ্রগামী বিভিন্ন প্রকারের জাহাজে কর্মরত থেকে আন্তর্জাতিক নৌ অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং দেশের জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা বয়ে এনে দেশের অর্থনীতিতে অনবদ্য অবদান রেখে চলেছে। এই বিশেষায়িত রেমিট্যান্স যোদ্ধাগন সমুদ্রগামী জাহাজে যোগদান তথা সাইন-অন এবং চাকুরী শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন তথা সাইন অফ করণকালীন সময়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরসমূহে প্রবেশ এবং বহির্গমনের সময় বিড়ম্বনা ও বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে আগমন ও বহির্গমকালীন সময়ে সীফ্যায়ারারদের চেকিং এর জন্য বিশেষ কাউন্টার/বুথ না থাকায় সীফ্যায়ারারগন যথাযথ সময়ে জাহাজে যোগদানে ব্যর্থ হয়ে চাকুরী হারাচ্ছে এবং চাকুরীর সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে। ফলশ্রুতিতে বিদেশী জাহাজ মালিকগণ পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নাবিক নিয়োগ দিয়ে জাহাজ পরিচালনা করে থাকেন। এতে বাংলাদেশী নাবিকরা বেকার হয়ে পড়ছেন এবং দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;উল্লেখ্য, একজন সীফ্যায়ারারের বেতন পদ অনুযায়ী প্রতিমাসে ৫০০ ইউএস ডলার থেকে ২০.০০০ (বিশ হাজার) ইউএস ডলার হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই বিশেষায়িত রেমিট্যান্স যোদ্ধাগনকে Frontliner Key Worker বিবেচনায় তাদের জন্য আলাদা ইমিগ্রেশন বুথ রাখা হয়েছে। সেখানে ইমিগ্রেশনের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরসমূহে সীফ্যায়ারারদের জন্য বিশেষ বুথ অথবা যৌথভাবে একটি বুথ এর ব্যবস্থা করা হলে তারা নির্বিঘ্নে এবং স্বপ্ন সময়ে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন এবং যথাসময়ে জাহাজে যোগদান করতে পারবেন। এখানে উল্লেখ্য যে বাংলাদেশি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন ২৫ ৫০ জন সীফ্যায়ারার আসা যাওয়া করেন। তাই বাংলাদেশী সমুদ্রগামী সীফ্যায়ারারদের চাকুরীর বাজার সমুন্নত রাখতে এবং বাংলাদেশের জন্য বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ উন্মুক্ত/সচল রাখার স্বার্থে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরসমূহে সীফ্যায়ারারদের ভ্রমণের জন্য বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের প্রয়োজন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বর্ণিত প্রেক্ষাপটে গত ১০/০২/২০২৫ এ বাংলাদেশী সীফ্যায়ারারদের সমুদ্রগামী জাহাজে চাকুরীর জন্য বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গমন এবং চাকুরী হতে অব্যাহতি নিয়ে দেশে ফিরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহে আগমনের পর ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে সীফ্যায়ারারদের জন্য &amp;quot;বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথ চালুকরণের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানোর যথা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০১.কমোডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;(ই), বিএসপি, এনইউপি, বিসিজিএম, বিসিজিএমএস, এনডিসি, বিএন,&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;nbsp;মহাপরিচালক, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;০২.ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ( চলতি দায়িত্ব)&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পবিত্র শবে-বরাত রাতে বইমেলাই  হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/172</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Feb 2025 12:11:25 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/172</guid>
		<description> N/A </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;অমর একুশে বইমেলা ২০২৫: সাহিত্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় প্রখ্যাত &amp;#39;অমর একুশে বইমেলা&amp;#39;, যা দেশের বইপ্রেমীদের কাছে একটি বিশেষ উৎসব। এ বছরও একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকার বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশাল চত্বরে। বইমেলা কেবল একটি বই কেনার জায়গা নয়, এটি এক একটি সংস্কৃতির মেলবন্ধন, যেখানে একদিকে যেমন বইয়ের বিশাল সংগ্রহ পাওয়া যায়, অন্যদিকে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও চিন্তার আদান-প্রদানও ঘটে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বইমেলার তাৎপর্য&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশের সাহিত্যিক, প্রকাশক, পাঠক এবং গবেষকদের জন্য বইমেলা একটি অসাধারণ সুযোগ। এখানে নতুন প্রকাশিত বই, পুরনো ক্লাসিক, সাহিত্যের নানা শাখার বই এবং বিশেষ ধরনের জ্ঞানমূলক গ্রন্থ পাওয়া যায়। মেলা শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, আন্তর্জাতিক প্রকাশকরা এবং লেখকরাও এখানে অংশগ্রহণ করেন, যা এই মেলাকে আন্তর্জাতিক স্তরে একটি মর্যাদা দেয়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;&lt;strong&gt;সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজের প্রতিচ্ছবি&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বইমেলা কেবল বই কেনার উৎসব নয়, এটি এক ধরনের সামাজিক মিলনমেলা। পাঠকরা বই নিয়ে আলোচনা করেন, সাহিত্যিকরা নিজের কাজের ওপর আলোকপাত করেন এবং সংস্কৃতির নানা রূপের সঙ্গে পরিচিত হন। নতুন প্রজন্মের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার জায়গা, যেখানে তারা সৃজনশীলতার প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং দেশীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নতুন বইয়ের প্রকাশনা ২০২৫&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবারের বইমেলায় অনেক জনপ্রিয় লেখক এবং নতুন লেখক তাঁদের বই প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন ধরণের সাহিত্যিক কাজ যেমন উপন্যাস, গল্প, কবিতা, সায়েন্স ফিকশন, ইতিহাস, সমাজবিদ্যা, জীবনবোধ, ও রাজনৈতিক বিষয়ক বইয়ের সমাহার দেখা যাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১.&amp;nbsp;&lt;strong&gt;কবিতা ও গল্পের নতুন দিশা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
এই বছর কবিতার বইয়ের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তরুণ কবিরা তাঁদের নতুন কবিতার বই দিয়ে সাহিত্যাঙ্গনে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করছেন। ছোটগল্পের ক্ষেত্রেও নতুন ভাবনা ও চিন্তা উঠে এসেছে, যা পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২.&amp;nbsp;&lt;strong&gt;উপন্যাসের গঠন ও চিন্তা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু নতুন উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া কিছু ঐতিহাসিক উপন্যাসও বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিষয়ের উপর নির্ভর করে লেখা উপন্যাসগুলি পাঠকদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দিতে সাহায্য করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩.&amp;nbsp;&lt;strong&gt;বৈজ্ঞানিক ও শিক্ষামূলক বই&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
পাঠকরা এখন শুধু সাহিত্যই নয়, বরং বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রযুক্তি, ইতিহাস, সমাজবিদ্যা সম্পর্কিত বইয়ের দিকে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এই বইমেলায় বেশ কিছু নতুন গবেষণা গ্রন্থ এবং শিক্ষা বিষয়ক বই প্রকাশিত হয়েছে, যা পাঠকদের চিন্তা ও জ্ঞানের দিক থেকে সমৃদ্ধ করছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৪.&amp;nbsp;&lt;strong&gt;নতুন লেখকদের পথচলা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
একুশে বইমেলা নতুন লেখকদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। তরুণ লেখকরা তাঁদের প্রথম বইয়ের মাধ্যমে মেলায় অংশ নিচ্ছেন, এবং তাদের রচনাগুলি নতুন রুচি, ভাষা ও ধারার পরিচয় দিচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বিশেষ আকর্ষণ&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বছরের বইমেলায় কিছু বিশেষ বই প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলোর ওপর পাঠকদের আগ্রহ বেশি। জনপ্রিয় লেখকরা তাঁদের নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন, যা পাঠকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। একদিকে যেমন সাহিত্যপ্রেমীরা তাদের প্রিয় লেখকদের নতুন বই পেয়ে আনন্দিত হচ্ছেন, অন্যদিকে নতুন লেখকদের বইও তাদের নিজের স্বকীয়তা ও ধারা তুলে ধরছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন বইয়ের প্রকাশনা বইমেলার প্রাণকেন্দ্র। লেখকরা তাঁদের সৃজনশীলতা, চিন্তা ও অনুভূতি নতুন বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করেন, এবং পাঠকরা সেই বইগুলোর মাধ্যমে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। একুশে বইমেলা শুধু একদিনের অনুষ্ঠান নয়, এটি সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অসাধারণ যাত্রাপথ, যা পাঠকদের চিন্তাধারা এবং সৃজনশীলতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ বছরের বইমেলায় বেশ কিছু নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে, যা বিভিন্ন সাহিত্যপ্রেমীদের নজর কাড়ছে। এই বইগুলোর মধ্যে রয়েছে কবিতা, ছোট গল্প, উপন্যাস, গবেষণা, ইতিহাস এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণমূলক রচনা। মেলার প্রধান আকর্ষণ হিসেবে স্থান পায় দেশের জনপ্রিয় লেখকদের নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:14px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মেলার আয়োজন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতি বছরই মেলার আয়োজন ও নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়। বইমেলা চলাকালীন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, সেমিনার এবং কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া, নিরাপত্তার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় যাতে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে বইমেলার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অমর একুশে বইমেলা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। এটি শুধু বইপ্রেমীদের জন্য নয়, প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য একটি সৃজনশীল উৎসব, যা দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ব্যক্ত করে। মেলাটির মাধ্যমে আমরা আমাদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পর্যটকশূন্য সেন্ট মার্টিনে এখন কী হচ্ছে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/169</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 17:11:33 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/169</guid>
		<description> পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় পরিচালিত দ্বীপের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্লিন-আপ প্রোগ্রাম’। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনে চলছে ৯ মাসের পর্যটক যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা। এ অবস্থায় দ্বীপের পরিবেশ-প্রতিবেশের উন্নতি ঘটাতে চলছে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। উদ্দেশ্য হলো দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় পরিচালিত দ্বীপের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে &amp;lsquo;ক্লিন-আপ প্রোগ্রাম&amp;rsquo;।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই প্রকল্পের প্রথম পর্বে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যালায়েন্সের (বিএসএ) যৌথ উদ্যোগে গত মঙ্গলবার ও গতকাল বুধবার দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলেছে। এই দুই দিনে দ্বীপ থেকে ৪১০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন। তিনি বলেন, গতকাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক জমির উদ্দিন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্লাস্টিক বর্জ্যগুলোর মধ্যে একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিন, প্লাস্টিকের কাপ, পানির বোতল, প্লাস্টিক স্ট্র, টুথপেস্টের প্যাকেট, শ্যাম্পুর প্যাকেট ও চকলেটের মোড়ক রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুই দিনব্যাপী কার্যক্রমের প্রথম দিন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হয়। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি ও পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের ২৬৬ স্বেচ্ছাসেবক। তাঁরা সেন্ট মার্টিনের একাংশে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। টেকনাফ উপজেলার ইউএনও শেখ এহসান উদ্দিন শপথবাক্য পাঠ করানোর মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>কুয়েত প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট গ্রহণের অনুরোধ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/168</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 15:49:03 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/168</guid>
		<description> মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) প্রকল্প মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় কুয়েত প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) প্রকল্প মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় কুয়েত প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বার্তায় বলা হয়, মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং এই পাসপোর্ট প্রিন্টের কাজে ব্যবহৃত মেশিন, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। ফলে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট সময়মত ডেলিভারি দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ অবস্থায় এমআরপি পাসপোর্টের পরিবর্তে ই-পাসপোর্ট গ্রহণ করার জন্য কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনুরোধ করা হলো।&lt;br /&gt;
এছাড়া যে সব ব্যক্তির ই-পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা আছে তাদের জন্য সীমিত পরিসরে চলতি বছরের ডিসেম্বর ২০২৫ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর হতে ইস্যু করে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে বিতরণ করা হবে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১২ দিন পর কারখানা বন্ধের খবর প্রকাশ, তবুও বাড়ছে শেয়ারের দাম </title>
		<link>https://shomoybhela.com/167</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 14:30:15 +0600</pubDate>
		<category>শেয়ার বাজার</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/167</guid>
		<description> ডিএসইর মাধ্যমে আজই কোম্পানিটি তাদের কারখানা বন্ধের কথা জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;কোম্পানির উৎপাদন বন্ধের খবরেও শেয়ারবাজারে দাম বাড়ছে শেয়ারের। আর এ ঘটনা ঘটেছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি সাফকো স্পিনিং মিলসের শেয়ার নিয়ে। আজ বুধবার লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টায় প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ টাকা ৪০ পয়সায়।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে ডিএসইর মাধ্যমে আজই কোম্পানিটি তাদের কারখানা বন্ধের কথা জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের। কোম্পানিটি জানায়, লোকসান কমাতে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কারখানার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছে। আপাতত দুই মাসের জন্য কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ। দুই মাসের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও নির্ধারিত সময় পর কোম্পানিটি আবার উৎপাদনে ফিরবে কি না, বিষয়টি নিশ্চিত করেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। ডিএসইতে দেওয়া তথ্যে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্রুততম সময়ে আবারও উৎপাদন শুরুর চেষ্টা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোম্পানির পক্ষ থেকে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানোর আগে ডিএসইর একটি দল ৩ ফেব্রুয়ারি সরেজমিন কারখানা বন্ধের খবর জানতে পারে। এরপরই তা ডিএসইর পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয়। ডিএসইর প্রতিনিধিদলের সরেজমিন পরিদর্শনের পাওয়া তথ্য প্রকাশের এক সপ্তাহের বেশি সময় পর কোম্পানির পক্ষ থেকে কারখানা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কারখানা বন্ধ থাকলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে সেই তথ্য গোপন রাখা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাফকো স্পিনিংয়ের সবশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটি দেড় কোটি টাকার বেশি লোকসান করেছে। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল সাড়ে সাত কোটি টাকার বেশি। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির লোকসান ছয় কোটি টাকার মতো কমেছে। তারপরও লোকসানের ধাক্কা সামলাতে না পেরে কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাফকো স্পিনিং ২০২২ সালের পর বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এ কারণে কোম্পানিটি বর্তমানে দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে জেড শ্রেণিভুক্ত।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তেলের সংকট কতদিনে কাটবে, জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/166</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 14:19:51 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/166</guid>
		<description> তেলের সংকট কতদিনে কাটবে, জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আগামী সাত থেকে দশদিনের মধ্যে তেলের বাজার স্থিতিশীল হবে এবং বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট কাটবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন।&lt;br /&gt;
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নৌ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, রমজানকে সামনে রেখে ছোলা, বুট, খেজুর, ডাল ও চিনির মূল্য অস্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ নেই। আমাদের এসব পণ্যের সংকটও নেই। রোজায় সব পণ্যের দাম আরও কমবে বলেও এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাজারে তেলের সংকট চলছে, এই সুযোগে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে&amp;mdash; এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে উপদেষ্টা বলেন, এই মুহূর্তে আপনারা যদি বাজারে দেখেন রমজানের যত পণ্য যেমন- খেজুর, ছোলা, ডাল, তেল, চিনি; এগুলোর মধ্যে শুধু তেলে একটা সমস্যা বিরাজ করছে। আশা করি আগামী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে তেলের বাজার স্থিতিশীল থেকে নিম্নমুখী হয়ে যাবে এবং সরবরাহের যে ঘাটতি সেটা দূর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আল্লাহর রহমতে অন্য কোনো পণ্যে আমরা সংকট দেখছি না। ইনশাআল্লাহ কিছু দিনের মধ্যেই তেলের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সয়াবিন তেলের সঙ্গে বিক্রেতাদের অন্য প্রোডাক্ট নিতে বাধ্য করা হচ্ছে&amp;mdash; এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে লোক পাঠিয়েছি। কিছু জায়গায় স্বীকৃতি এবং কিছু জায়গায় অস্বীকৃতি, আমরা দুটোই পেয়েছি। এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে এবং হলে ভোক্তা অধিকারের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দাবি আদায়ে আপনারা রাস্তায় নামেন, আমাদের ঘেরাও করেন : ফারুকী </title>
		<link>https://shomoybhela.com/165</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 14:17:32 +0600</pubDate>
		<category>শিক্ষা ও সংস্কৃতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/165</guid>
		<description> অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী মনে করেন, চলচ্চিত্রের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী মনে করেন, চলচ্চিত্রের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত।&lt;/strong&gt; বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বাংলাদেশ ফিল্ম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাতীয় চলচ্চিত্র সম্মেলনে তিনি এমনটা মন্তব্য করেন।&lt;br /&gt;
ফারুকী বলেছেন, আমি বিশ্বাস করি, চলচ্চিত্রের আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত। ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্রের সামগ্রিক উন্নতি করা সম্ভব নয়। আমারা সবাই জানি আমাদের সমস্যা কি, সমাধান কোথায়। তার আগে স্টেকহোল্ডারদের একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা উচিৎ, যার তত্ত্বাবধানে একটি কর্মশালা হবে; যা আমাদের চলচ্চিত্র সংস্কারে প্রথম ধাপ হবে। এছাড়া দাবি আদায়ে আপনারা রাস্তায় নামেন, আমাদের ঘেরাও করেন। আন্দোলন করে আমাদের বাধ্য করেন যাতে আমরা চলচ্চিত্র সংস্কারে তৎপর হই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lsquo;সংস্কারে চলচ্চিত্র, পরিবর্তনে দেশ&amp;rsquo; প্রতিপাদ্য ধারণ করে আয়োজিত এ সম্মেলনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিনয়শিল্পী, নির্মাতাসহ সিনেমা সংশ্লিষ্ট চার শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে চলচ্চিত্র বিষয়ক স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠনের দাবিসহ চলচ্চিত্রের সংস্কারের ১৮টি প্রস্তাব তুলে ধরে বিএফএসএ।&lt;br /&gt;
স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। তবে আমরা চলে যাওয়ার আগে সংস্কৃতির সবকিছুকে এক ছাতার নিচে একত্রিত করে যাব এবং মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে কিছু সুপারিশ করে যাব। যাতে ভবিষ্যতে যেকোনো সরকার সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি বলেন, যে দেশে এত মানুষ চায় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিটা দাঁড়াক, সে দেশে যদি ইন্ডাস্ট্রি এখনও না দাঁড়ায় বা আমরা যারা নীতিনির্ধারক পর্যায়ে আছি তারা যদি ঠিকমত কাজ না করি, তাহলে এটি লজ্জার বিষয়। আমাদের সকলের জন্যই লজ্জার বিষয়।&lt;br /&gt;
ফারুকী বলেন, আমি ঘটনাচক্রে সংস্কৃতি উপদেষ্টা। কিন্তু আসলে তো আমি একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। আমি ক্ষুদ্র সময়ের জন্য এখানে আছি, দুইদিন পরে আবার চলচ্চিত্র নির্মাণে চলে যাব। আমাকে যদি প্রশ্ন করেন জুলাই অভ্যুত্থানের পরে দেশে নানা সংস্কার চলছে। তবে চলচ্চিত্রের কোনো সংস্কারের বিষয়ে ঠিকঠাক কাজ করা হয়েছে কিনা; আমার স্বীকারোক্তি হবে, না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ের বণ্টনও সঠিকভাবে হয়নি বলে মনে করেন ফারুকী। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় সংস্কৃতি বা চলচ্চিত্র দেখার জন্য তৈরি হয়নি। তারপরও তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এগুলোকে রাখা হয়েছে। পৃথিবীর সব জায়গায় চলচ্চিত্র ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে একত্রে রাখা হলেও আমাদের দেশে তা করা হয়নি। চলচ্চিত্র জগতের সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য এখন পর্যন্ত এক জায়গায় নেই। ফলে এ বিষয়ে সমন্বিত কোনো উদ্যোগও নেওয়া যাচ্ছে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলচ্চিত্রের সংকট সমাধানে শিল্পী-কলাকুশলী বা অংশীজনদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংকটের সমাধান নিয়ে রাস্তায় নামেন, আমাদের ঘেরাও করে কাজ করতে বাধ্য করেন। চলচ্চিত্রের সকল অংশীজনকে নিয়ে আওয়াজ তুলে সবগুলো দাবি বাস্তবায়ন করেন। এ ছাড়া সমাধান আসবে না। এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্র জগতে বাংলাদেশে যা হচ্ছে, তা ব্যক্তি উদ্যোগে হচ্ছে। রাষ্ট্র কখনও কিছু দিতে পারেনি।&lt;br /&gt;
সম্মেলনে আলোচনা করেন চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য আকরাম খান, জনপ্রিয় গীতিকার ও&amp;nbsp; নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক লতিফুল ইসলাম শিবলী, নির্মাতা রায়হান রাফী, প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, অভিনয়শিল্পী ইমতিয়াজ বর্ষণ, জান্নাতুল ফেরদৌসি ঐশী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিডিয়া সেলের সদস্য মাশরুর আলম প্রমুখ।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আমনের ক্ষতি পোষাতে বোরো উৎপাদনে করণীয় </title>
		<link>https://shomoybhela.com/164</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 14:12:23 +0600</pubDate>
		<category>মতামত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/164</guid>
		<description> ২০২৪ সালের দুটি বন্যা কৃষককে যেমন হতাশ করেছে তেমনি ফলনেও ঘাটতি তৈরি করেছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বিভিন্ন মৌসুমে ধান চাষে দেশের কৃষকরা ঈর্ষণীয় অবদান রাখছে। এরমধ্যে নতুন জাতের ধান আবিষ্কারের গল্পও রয়েছে। তবে এবার কৃষকের অসহায়ত্ব ধরা পড়েছে প্রকৃতির কাছে। ২০২৪ সালের দুটি বন্যা কৃষককে যেমন হতাশ করেছে তেমনি ফলনেও ঘাটতি তৈরি করেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩-২৪ অর্থবছরের আমন মৌসুমে ধানের ফলন হয়েছিল ১ কোটি ৬৬ লাখ টনের বেশি। আমনে চলতি অর্থবছরে ১ কোটি ৬৮ লাখ টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বন্যা। বন্যা ঘরবাড়ির সাথে কৃষি জমিও নষ্ট করে। নষ্ট হয় কৃষকের ফসল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের আগস্ট ও অক্টোবর মাসে ভারী বৃষ্টিপাত ও নদীর পানি বৃদ্ধির অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যার কারণে দেশে প্রায় ১১ লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়ে যায়। অপ্রত্যাশিত এই দুর্যোগ মোকাবিলায় দরকার ছিল পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা। প্রয়োজন ছিল পরবর্তী সিজনের ফসল যেন পরিপূর্ণ হয় সেইরূপ প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা। তার চিত্রও মেলেনি সরেজমিনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক দুটি বন্যায় আমনের উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায় ধানের ফলন গতবারের তুলনায় কমে ১ কোটি ৪০ লাখ টনে নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। খাদ্য ঘাটতি মেটাতে সরকার ৫ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় আমনের প্রায় দুই লাখ হেক্টর আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবার অক্টোবরের শুরুর দিকে শেরপুর ও ময়মনসিংহের আকস্মিক বন্যায় প্রায় এক লাখ হেক্টর আমনের ফসলি জমি ক্ষতির শিকার হয়। সব মিলিয়ে এবার আবাদি এলাকা কমেছে প্রায় আড়াই লাখ হেক্টর। এর ধারাবাহিকতায় বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা আগেই ধারণা করেছিল, আমনের উৎপাদন গতবারের চেয়ে কমে নেমে আসতে পারে ১ কোটি ৪০ লাখ টনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৪ সালের ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় দেশের ২৩টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, নাটোর, খুলনা, নড়াইল, বাগেরহাট এবং যশোর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব অনুযায়ী ভয়াবহ এ বন্যায় আউশ, আমন ধান, শাকসবজি, আদা, হলুদ, ফলবাগান, মরিচ, পান, তরমুজ, পেঁপে, টমেটোসহ বিভিন্ন ফসলের ৯ লাখ ৮৬ হাজার ২১৪ মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল যা একেবারেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ধানের উৎপাদনে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন্যার কারণে আমনের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। আবার অনেক এলাকায় দেরিতে আবাদ করায় উৎপাদন হয়েছে কম।&lt;br /&gt;
একদিকে ফলনের ঘাটতি অপরদিকে দেখা দিয়েছে সার নিয়েও দেখা দিয়েছে জটিলতা। তবে বোরো মৌসুমের আগে সামগ্রিকভাবে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার মজুদের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ডিএই&amp;rsquo;র উপ-পরিচালক (সার ব্যবস্থাপনা) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশে বোরো মৌসুমের জন্য পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চলতি বোরো ধানের উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি কৃষক, কৃষিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোরো ধানের উৎপাদন নিশ্চিতকরণে&amp;mdash;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মানসম্পন্ন বীজের ব্যবহার নিশ্চিত করা: উচ্চফলনশীল (HYV) ও রোগ প্রতিরোধী জাতের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীল জাত যেমন ব্রি-৮১, ব্রি-৮৯ ইত্যাদি প্রচলন বাড়ানো। কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বীজ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করা।&lt;br /&gt;
সেচ ও পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা: পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সেচ খাল ও গভীর নলকূপ সচল রাখা। ভূগর্ভস্থ পানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং পানির অপচয় রোধ করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আধুনিক সেচ পদ্ধতি (Alternate Wetting and Drying-AWD) প্রয়োগ করা সার ও কীটনাশকের পর্যাপ্ত সরবরাহ: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও জিংকের সরবরাহ নিশ্চিত করা। সারের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাতে কৃষক সহজে পেতে পারে। পোকামাকড় ও রোগবালাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা: আগাম বন্যা ও খরার পূর্বাভাস কৃষকদের কাছে পৌঁছানো। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকায় বোরো ধানের বিকল্প জাত চাষ করা। শৈত্যপ্রবাহ থেকে রক্ষা পেতে উপযুক্ত সময়ে চারা রোপণ করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কৃষি ঋণ ও প্রণোদনা প্রদান: ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও প্রণোদনা প্রদান। উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকারি ভর্তুকি ও বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও প্রশিক্ষণ: কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি শেখানোর জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরামর্শ দেওয়া। মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্দিষ্ট মাত্রায় সার প্রয়োগ নিশ্চিত করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধানের ন্যায্য মূল্য ও বিপণন নিশ্চিতকরণ: সরকারিভাবে ধানের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকদের সরাসরি বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া। কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত গুদাম ও শীতাতপনিয়ন্ত্রিত সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের উৎপাদন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। কৃষক, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগই উৎপাদন বৃদ্ধির চাবিকাঠি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমীরণ বিশ্বাস ।। কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিএনপির ৫২৪ নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/163</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 13:10:37 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/163</guid>
		<description> বিএনপির ৫২৪ নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সারাদেশে বিএনপির ৫২৪ জন নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে দলটি।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বিএনপির মামলা বিষয়ক তথ্য সেলের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন খান এ অভিযোগ জমা দেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তিনি জানান, আন্দোলনে ৫২৪ জন নেতাকর্মীসহ মোট ৮৪৮ জন মারা গেছেন। বাকিরা বিএনপির নেতাকর্মীদের আত্মীয়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;চিফ প্রসিকিউটর বরাবর আবেদনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জুলাই ২০২৪ হতে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত বিএনপির মতো একটি রাজনৈতিক দলকে ধ্বংস ও নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে বিএনপি নেতাকর্মী, সমর্থক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী ও অন্যান্যদের নির্বিচারে গুলি করে, নির্যাতন করে ও ধারালো অস্ত্র দ্বারা গণহত্যা করে শহীদ করায়, বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগগুলো কমপ্লেইন রেজিস্টারভুক্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিভাগ দ্বারা তদন্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদালতে বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এছাড়া সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহার প্রসিকিউটর কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক হলেন ডা. নাসির উদ্দীন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/162</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 13:06:31 +0600</pubDate>
		<category>স্বাস্থ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/162</guid>
		<description> জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন। তিনি এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের (পার-১) উপসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/স্বাস্থ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও সহযোগী অধ্যাপক পদে বদলি/পদায়ন করা হলো।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;প্রজ্ঞাপনে বদলি/পদায়নকৃত এই কর্মকর্তা আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় পরবর্তী কর্মদিবসে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি মর্মে গণ্য হবেন। অবমুক্তির সময় তিনি বর্তমান কর্মস্থল হতে ছাড়পত্র গ্রহণ করবেন এবং এইচআরএম ডাটাবেজ থেকে মুভ আউট হবেন এবং যোগদানের পর ন্যস্তকৃত বিভাগে/কর্মস্থলে মুভ ইন হবেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হলো টিউলিপ উদ্যান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/161</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 13:02:17 +0600</pubDate>
		<category>ভ্রমণ</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/161</guid>
		<description> টিউলিপ ফুল ঘিরে পর্যটনে নতুনমাত্রা যোগ করেছে উত্তরের পর্যটনের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;পর্যটনে ইকো ট্যুরিজমকে বাস্তবায়ন করতে টানা চার বছর ধরে প্রান্তিক নারীদের হাত দিয়ে ভিনদেশি উচ্চমূল্যের টিউলিপ ফুল চাষ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও)। টিউলিপ ফুল ঘিরে পর্যটনে নতুনমাত্রা যোগ করেছে উত্তরের পর্যটনের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া। এ বছরও বাহারি প্রজাতির ৯ জাতের ফুল আবাদ করা হচ্ছে। টিউলিপ দেখতে ভিড় করতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। পর্যটকের কথা চিন্তা করে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে টিউলিপ উদ্যান।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;দর্জিপাড়ায় ফিতা কেটে রোববার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে টিউলিপ বাগান পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান এবং ইএসডিওর পরিচালক (প্রশাসন) ড. সেলিমা আখতার দম্পতি। এখন থেকে দর্শনার্থীরা বাগানে প্রবেশ করে দেখতে পারবেন অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর ভিনদেশি টিউলিপের বাগান।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;বাগানে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি লাইনে সবুজ পাতার মাঝে মাঝে ফুটতে শুরু করেছে বাহারি প্রজাতির টিউলিপ। গতবারের চেয়ে আরও নতুন করে ৯ প্রজাতির টিউলিপ আবাদ করা হয়েছে। এবারের জাতগুলো হচ্ছে সানি রাজকুমার, পিঙ্ক আর্ডোর, প্যারেড, অক্সফোর্ড, কমলা ভ্যাব বরলশ, ফেরডেক্স, অ্যাপেলডুম, ব্লাশিং এলিট ও মেস্টিক ভ্যান ইউজক। গতবারের জাতগুলো ছিল অ্যান্টার্কটিকা (সাদা), ডেনমার্ক (কমলা ছায়া), লালিবেলা (লাল), ডাচ সূর্যোদয় (হলুদ), স্ট্রং গোল্ড (হলুদ), জান্টুপিঙ্ক (গোলাপি), হোয়াইট মার্ভেল (সাদা), মিস্টিক ভ্যান ইজক (গোলাপি), হ্যাপি জেনারেশন (সাদা লাল শেড) ও গোল্ডেন টিকিট (হলুদ)। এসব টিউলিপের সৌন্দর্যে তেঁতুলিয়া হয়ে উঠবে একখন্ড নেদারল্যান্ড। পর্যটনে ইকো ট্যুরিজম যুক্ত হওয়ায় নতুনমাত্রা তৈরি হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;জানা যায়, এই ফুলটির বৈজ্ঞানিক নাম &amp;lsquo;টিউলিপা&amp;rsquo;। এটিকে নেদারল্যান্ডসের ফুল বলা হয়। শীত প্রধান অঞ্চলের টিউলিপ ফুল। যা অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত&amp;nbsp; &amp;nbsp;গুরুত্বপূর্ণ ফুল উৎপাদনকারী উদ্ভিদ। এটি বাগানে কিংবা কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করা হয়। ফুলদানীতে সাজিয়ে রাখার জন্য এর আবেদন অনন্য। বর্ষজীবি ও কন্দযুক্ত প্রজাতির এ গাছটি লিলিয়াসিয়ে পরিবারভূক্ত উদ্ভিদ। টিউলিপের প্রায় ১৫০ প্রজাতি এবং এদের অসংখ্য সংকর রয়েছে। বিভিন্ন ধরণের হাইব্রিডসহ টিউলিপের সকল প্রজাতিকেই সাধারণভাবে টিউলিপ নামে ডাকা হয়। টিউলিপ মূলত বর্ষজীবি ও শীত প্রধান দেশের বসন্তকালিন ফুল হিসেবে পরিচিত। এর বীজগুলো ঠিক পিয়াজের মতো। রোপণের ২১-২২ দিনের মধ্যে চারা গজিয়ে ফুল এসে যায়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;চাষি রবিউল ইসলাম ও মুর্শিদা খাতুন বলেন, চতুর্থবারের মতো এ অঞ্চলে নেদারল্যান্ডের রাজকীয় টিউলিপ আবাদ শুরু হয়েছে। প্রথমবার এ অঞ্চলে টিউলিপ চাষ সাফল্যের পর ধারাবাহিকভাবেই প্রতি বছর এখন ভারি শীত মৌসুমে এ ফুলের আবাদ করছেন তারা। প্রান্তিক চাষিদের ফুল চাষে আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোস্যাল ডেভলেভমেন্ট অর্গানাইজেশন ইএসডিও। গত তিন বছর ধরে প্রান্তিক নারীদের স্বাবলম্বী করতে কাজ করে যাচ্ছে সংস্থাটি। এবার ফুল চাষের পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজম হিসেবে বিদেশে শাক-সবজি আবাদ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইএসডিওর হেড অফ ইনক্লুসিভ মাইক্রোফিন্যান্স আইনুল হক বলেন, এবারও ইউএসডিও দর্জিপাড়ায় প্রান্তিক নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে টিউলিপ ফুলের আবাদ শুরু করেছি। বাগানে ফুল ফুটতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে কয়েক ধরনের ফুল ফুটে গেছে। আগামী জাতীয় দিবস ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস রাঙাবে আমাদের টিউলিপ। মুগ্ধ করবে পর্যটকদের।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইএসডিওর পরিচালক (প্রশাসন) ড. সেলিমা আখতার বলেন, আমরা খুব আনন্দিত যে চতুর্থবারের মতো তেঁতুলিয়ার দর্জিপাড়ায় টিউলিপ চাষ শুরু করতে পেরেছি। আমরা টিউলিপের ব্লাব (বীজ) বপনের উদ্বোধন করেছি। নারী ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের প্রান্তিক নারীদের সহযোগিতায় এ বছরও টিউলিপ আবাদ করেছি। আসলে এ ফুল ফোটাতে এখানকার প্রান্তিক নারীরা অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাদের হাতে ফোটা টিউলিপের নজরকাড়া সৌন্দর্যে পর্যটকদের মোহিত করছে, আকৃষ্ট করছে। সবাই টিউলিপ দেখে মুগ্ধ হোক। ভ্রমণে হোক, বনভোজনে হোক সবাই যাতে এ ফুল দেখতে পারে তাহলে আমাদের উদ্যোগ সার্থক হবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, বাংলাদেশের খামার পর্যায়ে টিউলিপ চাষে চতুর্থবারের মতো আমরা&amp;nbsp; উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার দর্জিপাড়া গ্রামে টিউলিপ চাষ করা হচ্ছে। তবে এবার একটু দেরি হয়ে গেছে। কারণ নেদারল্যান্ড থেকে ব্লাব (বীজ) এলসি করে অনেকটাই চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে ফুলগুলো অনেক দিন থাকবে। আশা করছি, আগামী দুই মাস এ টিউলিপের রাজসিক সৌন্দর্য ও সৌরভ ছড়াবে সারা দেশে। টিউলিপ ঘিরে আমরা সারা বছরই ইকো ট্যুরিজমের মাধ্যমে উচ্চ মূল্যের ফুল, ফল চাষ করবো। ইতোমধ্যে আমরা চাষিদের উচ্চ মূল্যের ফলের চারা দিয়েছি। বিশেষ করে টিউলিপ চাষে পর্যটকের আগমনে আমাদেরকে বিস্মিত করে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>লাল চালের ভাত খাওয়ার উপকারিতা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/160</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 12:35:55 +0600</pubDate>
		<category>লাইফস্টাইল</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/160</guid>
		<description> লাল চাল স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিতে ভরপুর এবং স্বাদে সুস্বাদু। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;লাল চাল স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিতে ভরপুর এবং স্বাদে সুস্বাদু। এটি একটি হোল গ্রেইন যার বাইরের তুষের স্তর এবং জীবাণু অক্ষত থাকে এবং তাই এতে ফাইবার, খনিজ এবং ভিটামিন বেশি থাকে। এছাড়াও এটি সাদা, পালিশ করা চালের মতো তীব্র প্রক্রিয়াজাতকরণের শিকার হয় না এবং তাই এটি আরও স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর।&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;আমাদের খাবার এবং সাদা ভাতের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ়। পোলাও বা কোনো ধরনের ভাত ছাড়া আমাদের খাবার বেশিরভাগ সময়েই অসম্পূর্ণ থাকে। আমরা বেশিরভাগই সাদা ভাতের প্রচুর ক্যালোরি এবং অবাঞ্ছিত কার্বোহাইড্রেট সম্পর্কে জানি না।ভাত সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়ার পরিবর্তে লাল চাল খাওয়া অনেক স্বাস্থ্যকর বিকল্প বলে মনে হয়। লাল চালের উপকারিতা চলুন জেনে নেওয়া যাক-&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;&amp;nbsp;১. ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;গবেষণায় দেখা গেছে যে লাল চাল ফাইটিক অ্যাসিড, ফাইবার এবং প্রয়োজনীয় পলিফেনল সমৃদ্ধ। এটি একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট যা শর্করার ধীরে ধীরে নিঃসরণে সহায়তা করে, তাই আমাদের সুস্থ রাখে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;২. হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;লাল চাল আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ যা হাড়কে শক্তিশালী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৩. হৃদরোগ দূরে রাখে&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;লাল চাল ধমনীর বাধা রোধে সাহায্য করে। এতে সেলেনিয়ামও রয়েছে যা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো, এটি উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তনালী রোগের মতো হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৪. হজম স্বাস্থ্য ভালো রাখে&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;উচ্চ ফাইবার উপাদানের কারণে লাল চাল অন্ত্রের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং অ্যাসিড শোষণ রোধ করে এবং এইভাবে হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। তাই হজমশক্তি ভালো রাখতে চাইলে নিয়মিত লাল চালের ভাত খেতে পারেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;৫. ওজন ব্যবস্থাপনা&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;লাল চালে ম্যাঙ্গানিজ এবং ফসফরাস রয়েছে, যা শরীরের চর্বি সংশ্লেষণ করতে এবং স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর উচ্চ ফাইবার উপাদান দীর্ঘক্ষণ পেট ভরে রাখে। যে কারণে বারবার খাওয়া প্রতিরোধ করে। এর ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাসা নিয়ে ‘শিল্পের বড়াই’ করা বাবুই এখন বিলুপ্তির পথে </title>
		<link>https://shomoybhela.com/159</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 12:22:27 +0600</pubDate>
		<category>ফিচার</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/159</guid>
		<description> রজনীকান্ত সেনের স্বাধীনতার সুখ কবিতায় বাবুই পাখি চড়ুই পাখিকে বলেছিল ‘কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়’। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;রজনীকান্ত সেনের স্বাধীনতার সুখ কবিতায় বাবুই পাখি চড়ুই পাখিকে বলেছিল &amp;lsquo;কষ্ট পাই, তবু থাকি নিজের বাসায়&amp;rsquo;।&lt;/strong&gt; এক যুগ আগেও পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে আর্কষণীয় শিল্প সমৃদ্ধ বাসা নিয়ে চড়ুই পাখির সঙ্গে বড়াই করলেও এখন আর তেমন দেখা যায় না বাবুই পাখিকে। পরিবেশ বিপর্যয় ও অতিরিক্ত পরিমাণে তালগাছ নিধন করায় আবাসস্থলসহ জীবন সংকটে পড়েছে বাবুই পাখি। বিলুপ্ত প্রায় পাখিটি এখনো নারকেল গাছ, খেজুর গাছ ও তালগাছে বাসা বেঁধে কোনোরকমে বেঁচে আছে।&lt;br /&gt;
সম্প্রতি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ, গোসাইরহাটসহ অন্যান্য উপজেলা ঘুরে বাবুই পাখির এমন জীবনচিত্র দেখা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জানা যায়, এক যুগ আগেও জেলার ফসলি মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত থাকত বাবুই পাখি। প্রাকৃতিকভাবে ফলদ বিভিন্ন বৃক্ষ থেকে খাবার খেয়ে মনের আনন্দে তৈরি করত পশু-পাখির মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় শিল্প-সমৃদ্ধ বাসা। বাবুই পাখির এমন শিল্প-সমৃদ্ধ বাসা নিয়ে প্রকৃতিপ্রেমী রজনীকান্ত সেনসহ অনেক কবি ও সাহিত্যিক রচনা করেছেন কালজয়ী গল্প-কবিতা। কিন্তু বর্তমানে পরিবেশের বিপর্যয়, উজাড়সহ অতিরিক্ত পরিমাণে তালগাছ নিধন করায় জীবনসংকটে পড়েছে বাবুই পাখি।&lt;br /&gt;
নিখুঁত কারুকাজে বাসা তৈরি করে শিল্পের কারিগর হিসেবে পরিচিতি পাওয়া বাবুই পাখি এখন বাড়ির কোণের নারকেল গাছ, সুপারি গাছ, খেজুর গাছসহ তালগাছে বাসা বেঁধে কোনোরকমে বেঁচে আছে। আগের মতো তালপাতা পাওয়া না যাওয়ায় খেজুর ও নারকেল গাছের পাতা দিয়েও তারা এখন বাসা তৈরি করছে। বৃক্ষ নিধনের ফলে বন উজাড় হওয়ায় ঝড়বৃষ্টিতে বাসা ভেঙে গেলে অন্য গাছে আশ্রয়ও নিতে পারে না তারা। ফসলি মাঠে কিটনাশকসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার ব্যবহার করায় প্রাকৃতিক খাবার সংকটে রয়েছে পাখিটি। এছাড়া শিকারিরা বাবুই পাখি শিকার বন্ধ করছে না। আবার কেউ কেউ বাসাবাড়ি সাজাতে বাবুই পাখির বাসা গাছ থেকে নামিয়ে নিয়ে যায়। প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, তালগাছসহ বাবুই পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও খাদ্য সংকটের সমাধান না হলে শিগগিরই পাখিটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব শরীয়তপুরের সদস্য সচিব এস এম মজিবুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বাবুই পাখি সাধারণত উঁচু গাছে বাসা বাঁধতে পছন্দ করে। বাবুই পাখি বাসা বাঁধার জন্য তালগাছ বেশি পছন্দ করে। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় তালগাছ নিধন, বন উজাড় করায় বাবুই পাখি বাসা বাঁধতে না পারায় বর্তমানে আবাসস্থল সংকটে পড়েছে। এছাড়াও প্রাকৃতিকভাবে তারা বিষমুক্ত খাবার না পাওয়ায় খাদ্য সংকটেও রয়েছে। প্রতিকূল পরিবেশকে গাছ রোপণ করে পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল সৃষ্টি করলেই বাবুই পাখি প্রকৃতিতে টিকে থাকবে।&lt;br /&gt;
শরীয়তপুরে প্রতিনিয়ত তালগাছের সংখ্যাহ্রাস পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বন বিভাগ শরীয়তপুরের কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে দুর্যোগ প্রশমনে তাল, খেজুর রোপণসহ স্বমন্বিত প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প প্রস্তাব আকারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রস্তাবটি পাস হলে আমরা শরীয়তপুরে চাহিদা অনুযায়ী তাল ও খেজুর গাছ রোপণ করব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শরীয়তপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক ঢাকা পোস্টকে বলেন, বাবুই পাখি পরিবেশের জন্য উপকারী পাখি। বাবুই পাখি ফসলি মাঠের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে জীবনধারণ করে। এছাড়াও তারা বনের ফল খায়। বাবুই পাখি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো, পরিবেশের বিপর্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন, নির্বিচারে তালগাছ কর্তন, খাদ্যের অভাব ও অসাধু শিকারিদের ফাঁদ। যদি এসব সমস্যা না থাকত, তাহলে বাবুই পাখি স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকত, আমাদের উপকারে আসত।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১৯০ কোটি টাকায় এমওপি সার ও রক ফসফেট আমদানির অনুমোদন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/158</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 12:18:46 +0600</pubDate>
		<category>কৃষি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/158</guid>
		<description> রাশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন এমওপি সার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার টন রক ফসফেট আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;রাশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন এমওপি সার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার টন রক ফসফেট আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯০ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২০২৪-২০২৫ বছরে টিএসপিসিএল-এর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের মেসার্স জেনট্রেড এফজেডই এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন রক ফসফেট (৭০% বিপিএল মিনিমাম) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৮২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন রক ফসফেটের দাম পড়বে ২২৮.৫০ মার্কিন ডলার।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এছাড়া বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় রাশিয়ার ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রোডিন্টরগ) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশননের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৮ম লটের ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। রাশিয়ার প্রোডিন্টরগ থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ১০৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ২৯৪.৫০ মার্কিন ডলার।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শবে বরাতেও ক্ষমা পাবে না যারা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/157</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 12:12:59 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/157</guid>
		<description> শবে বরাত ক্ষমার রাত। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে ক্ষমা করেন। গুনাহ মাফ করেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;শবে বরাত ক্ষমার রাত। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে ক্ষমা করেন। গুনাহ মাফ করেন। তবে এ রাতেও আল্লাহ তায়ালা এ রাতেও দুই শ্রেণীর মানুষকে ক্ষমা করেন না। তারা হলেন অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী ও মুশরিক ব্যক্তি।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;মুয়াজ বিন জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে তাঁর সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;হিংসা বিদ্বেষ লালন একটি মন্দ স্বভাব। যার ফলে আমাদের অনেক নেক আমল; ভালো কাজ, নেকি ও পুণ্য নষ্ট হয়ে যায়। হিংসা বা অহংকার মানুষের পতন ঘটায়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;إياكُم والحَسَدَ، فإنَّ الحَسَدَ يأكُلُ الحَسَناتِ كما تأكُلُ النَارُ الحَطَبَ&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;হিংসা থেকে সাবধান! কেননা হিংসা নেকীকে এমনভাবে ধ্বংস করে; যেমন আগুন লাকড়ি ধ্বংস করে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯০৩)&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;সাহাবি হজরত যুবাইর ইবনুল আওয়াম রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের পূর্বেকার উম্মতের একটি রোগ তোমাদের মধ্যেও সংক্রমিত হয়েছে। তা হলো, পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ ও ঘৃণা। আর এ রোগ মুণ্ডন করে দেয়। আমি বলছি না যে, চুল মুণ্ডন করে দেয়। বরং, এটা দীনকে মুণ্ডন (ধ্বংস) করে দেয়।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ঐ মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন! তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তোমরা যদি একে অপরকে না ভালোবাসো, তবে ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে বলবো না যে, পারস্পরিক ভালোবাসা কোন্ কাজের মাধ্যমে মজবুত হয়? তোমরা পরস্পর সালামের বিস্তার ঘটাও। (সুনানে তিরমিজি : ২৫১০)&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিয়োগ দিচ্ছে এসএমসি, আবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত </title>
		<link>https://shomoybhela.com/156</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 12:05:29 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/156</guid>
		<description> নিয়োগ দিচ্ছে এসএমসি, আবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগ অফিসার পদে একাধিক জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারি থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;h1&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;এক নজরে এসএমসি&amp;nbsp; নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/h1&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;প্রতিষ্ঠানের নাম&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;চাকরির ধরন&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;বেসরকারি চাকরি&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;প্রকাশের তারিখ&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;পদ ও লোকবল&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;১টি ও ১ জন&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;চাকরির খবর&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ঢাকা পোস্ট জবস&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;আবেদন করার মাধ্যম&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;অনলাইন&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;আবেদন শুরুর তারিখ&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;আবেদনের শেষ তারিখ&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;অফিশিয়াল ওয়েবসাইট&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;https://www.smc-bd.org&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;আবেদন করার লিংক&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;অফিশিয়াল নোটিশের নিচে&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;প্রতিষ্ঠানের নাম: এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;পদের নাম: অফিসার&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;বিভাগ: কোয়ালিটি কন্ট্রোল&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;পদসংখ্যা: ০১টি&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;শিক্ষাগত যোগ্যতা: ফার্মেসি/রসায়ন/ফলিত রসায়ন/বায়ো কেমিস্ট্রিতে এমএসসি&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;অন্যান্য যোগ্যতা: ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় ভালো যোগাযোগ দক্ষতা&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;চাকরির ধরন: ফুলটাইম&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;কর্মক্ষেত্র: অফিসে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;কর্মস্থল: ময়মনসিংহ (ভালুকা)&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;অন্যান্য সুবিধা: লাভের ভাগ, বিমা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পারফরম্যান্স বোনাস, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর বেতন পর্যালোচনা, বছরে ৩টি উৎসব বোনাস, লিভ ক্যাশমেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা এবং ইনসেনটিভ বোনাস।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে &lt;a href=&quot;https://jobs.bdjobs.com/jobdetails.asp?id=1338502&amp;amp;fcatId=-1&amp;amp;ln=1&quot;&gt;ক্লিক করুন&lt;/a&gt;।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মোবাইল সাংবাদিকতার ওপর পিআইবির প্রশিক্ষণ নিলেন ডিআরইউর সদস্যরা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/155</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 11:59:14 +0600</pubDate>
		<category>গনমাধ্যম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/155</guid>
		<description> পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্যদের মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি)। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্যদের মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি)।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- পিআইবির অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) পারভীন সুলতানা রাব্বী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) তথ্য, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, পিআইবির সহকারী প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সোমবার প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। তিনদিনের এই কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে মোবাইল সাংবাদিকতা করার নানা দিক নিয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া তিনদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ডিআরইউর ৩৫ জন সদস্য অংশ নেন। রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের পিআইবিতে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এতে সভাপতিত্ব করেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;কর্মশালায় প্রশিক্ষক ও বক্তারা বলেন, আগামী দিনে সাংবাদিকতায় যারা টিকে থাকতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর দক্ষ হতে হবে। সেক্ষেত্রে মোবাইল সাংবাদিকতার ওপর প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া জ্ঞান যারা বাস্তব অর্থে কাজে লাগাতে পারবেন তারা ভালো করবেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তারা বলেন, অন্য পেশার মানুষ কিংবা সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে পার্থক্য আছে। তারা চাইলেই যে কোনো তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন না। বর্তমানে লেখা, ছবি এবং ভিডিওর সত্যতা যাচাই করার নানা ধরনের উপায় আছে। সাংবাদিকদের সেসব জায়গা থেকে পরীক্ষা করে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। অন্যথায় গ্রহণযোগ্যতা হারাবে গণমাধ্যম।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকার অখুশি হবে এমন সংবাদ প্রকাশে ভয় পাচ্ছে গণমাধ্যম: জি এম কাদের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/154</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Feb 2025 11:52:32 +0600</pubDate>
		<category>গনমাধ্যম</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/154</guid>
		<description> সরকার অখুশি হবে এমন সংবাদ প্রকাশে ভয় পাচ্ছে গণমাধ্যম: জি এম কাদের </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;গণমাধ্যমকর্মীরা কাজ করতে গিয়ে যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি চাপের মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি বলেন, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা বা সরকার অখুশি হবে, এমন সংবাদ প্রকাশে ভয় পাচ্ছে গণমাধ্যম।&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;margin-left:0px; margin-right:0px&quot;&gt;আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জি এম কাদের এসব কথা বলেন। জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী গণমাধ্যমে এই বিবৃতি পাঠিয়েছেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের হল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/153</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 15:47:06 +0600</pubDate>
		<category>ক্যাম্পাস</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/153</guid>
		<description> ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের হল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা কলেজ শাখার সব হল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হাসান ও সদস্য সচিব মো. মিল্লাদ হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা কলেজ শাখার অধীন সব হল কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। ছাত্রদলের ঢাকা কলেজ শাখার আহ্বায়ক পিয়াল হাসান ও সদস্য সচিব মো. মিল্লাদ হোসেন আজ এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।&lt;br /&gt;
এছাড়া শিগগিরই এসব হল ইউনিটগুলোর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।&lt;/span&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্মার্টফোনের জগতে ঝড় তুলবে গুগল, ফাঁস হলো পিক্সেল ৯এ আসার তারিখ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/152</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 15:43:06 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/152</guid>
		<description> গুগল পিক্সেল ৯এ ফোনটি টেনসর জি-৪ চিপসেটের সঙ্গে আসতে পারে, যা পিক্সেল ৯ সিরিজেও রয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে আসছে গুগল পিক্সেল ৯এ। &lt;/strong&gt;এ নিয়ে সম্প্রতি নানা জল্পনা শোনা যাচ্ছে। জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই জানা গেল গুগলের এই নতুন মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন বাজারে আসার তারিখ। একইসঙ্গে, অনলাইনে ডিভাইসটির দাম ছড়িয়ে পড়েছে। ডিলল্যাবসের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন এই পিক্সেল ফোনে ৪৮ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা ও টেনসর জি৪ প্রসেসর থাকবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গুগল পিক্সেল ৯এ ইউরোপের বাজারে ১৯ মার্চ ছাড়া হবে। বিক্রি শুরু হতে পারে ২৬ মার্চ থেকে। সেখানে ফোনটির বেস মডেলটি ৫৪৯ ইউরো মূল্যে পাওয়া যাবে। এটি ১২৮ জিবি স্টোরেজের বেস মডেলের দাম এবং বাংলাদেশে প্রায় ৬৯,৫০৮ টাকার সমান। এটি ২৫৬ জিবি স্টোরেজ অপশনেও মিলবে, যার দাম ৬৪৯ ইউরো (প্রায় ৮২,০০০ টাকা)।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ইউরোপে ১২৮ জিবি মডেলটি আইরিস, অবসিডিয়ান, এবং পিওনি পোরসেলেন &amp;mdash; এই চারটি রঙে পাওয়া যাবে। আর ২৫৬ জিবি মডেলটি কেবল আইরিস এবং অবসিডিয়ান রঙের বিকল্পে উপলব্ধ। উল্লেখ্য, পিক্সেল ৯এ ভারতে আসার কথা রয়েছে, তবে বাজারে আসার দিনক্ষণ এবং দাম এই মুহূর্তে অজানা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;গুগল পিক্সেল ৯এ স্পেসিফিকেশন (সম্ভাব্য)&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;গুগল পিক্সেল ৯এ ফোনটি টেনসর জি-৪ চিপসেটের সঙ্গে আসতে পারে, যা পিক্সেল ৯ সিরিজেও রয়েছে। এতে ৮ জিবি র&amp;zwj;্যাম এবং ২৫৬ জিবি পর্যন্ত ইনবিল্ট স্টোরেজ মিলবে। ৬.৩ ইঞ্চি অ্যাকুয়া ডিসপ্লে এবং গরিলা গ্লাস ৩ প্রোটেকশন থাকবে। প্রাইমারি ক্যামেরা হবে ৪৮ মেগাপিক্সেলের, সঙ্গে ১৩ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা থাকবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এছাড়া, এই স্মার্টফোনে ৫,১০০ এমএএইচ ক্ষমতার ব্যাটারি থাকতে পারে যা ২৩ ওয়াট ওয়্যার্ড চার্জিং ও ৭.৫ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট করবে। এটি অ্যান্ড্রয়েড ১৫ সফটওয়ারে রান করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সবশেষে, ধুলো ও পানি প্রতিরোধের জন্য ফোনটি আইপি৬৮ রেটিং অফার করতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্রের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের ‘নীলচক্র’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/151</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 15:37:41 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/151</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্রের ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের ‘নীলচক্র’ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে ১৪ ফেব্রুয়ারি ৮ম বারের মত বসছে&amp;nbsp; &amp;lsquo;গোল্ডেন স্টেট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৫&amp;rsquo;। উৎসবটি চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এই ফেস্টিভ্যালটিতে মূলত উদীয়মান স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতিভা দেখানোর আয়োজন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের নানা দেশ থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতারা অংশ নিয়ে থাকেন সেখানে। আর সেখানে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের ছবি &amp;lsquo;নীলচক্র&amp;rsquo;।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;জানা গেছে, এ উৎসবের &amp;lsquo;ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ&amp;rsquo;বিভাগে অফিসিয়ালি নির্বাচিত হয়েছে &amp;lsquo;নীলচক্র&amp;rsquo; সিনেমাটি। পরিচালক মিঠু খান ও উৎসবের ওয়েব সাইটে এ বিষয়ে তথ্যটি জানানো হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এর আগে আমেরিকান ফিল্ম মার্কেটে&amp;nbsp; &amp;lsquo;নীলচক্র&amp;rsquo; আন্তর্জাতিকভাবে প্রিমিয়ার করা হয়। লাস ভেগাসের ওই প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন সিনেমাটির প্রযোজক এনায়েত আকবর মিলন, আসিফ আকবর ও নীলচক্র সিনেমার আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে থাকা জে জে রজার্স।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। সঙ্গে রয়েছেন মন্দিরা চক্রবর্তী। আরও আছেন ফজলুর রহমান বাবু, শিরীন আলম, খালেদা আক্তার কল্পনা, শাহেদ আলী প্রমুখ। এ সিনেমায় প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় দেখা যাবে সংগীতশিল্পী বালামকে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিয়ন্সের ইতিহাস! </title>
		<link>https://shomoybhela.com/150</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 15:33:48 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/150</guid>
		<description> অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সংগীত পুরস্কার ‘গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সংগীত পুরস্কার &amp;lsquo;গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&amp;rsquo;। প্রতিবারের মতো এবারও যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে বসেছিল এই আসর। ৬৭ তম এই আয়োজনে বিশ্বখ্যাত তারকাদের দ্যুতিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এই সেরা অনুষ্ঠান। বছরজুড়ে সেরা গান, সুর, অ্যালবাম ও সেরা সংগীত তারকাদের সম্মানিত করা হল আয়োজনটির মধ্য দিয়ে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এবার গ্র্যামির মঞ্চে ফের ইতিহাস গড়লেন বিয়ন্সে। এখন পর্যন্ত ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক গ্র্যামি পেয়েছেন এই শিল্পী। এবার আরও এক নতুন ইতিহাস গড়লেন তিনি।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মার্কিন পপ তারকার ঝুলিতে রয়েছে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক গ্র্যামি পাওয়ার নজির। এবার আরও এক নতুন ইতিহাস গড়লেন তিনি। ৫০ বছর পর এই প্রথমবার কোনো কৃষ্ণাঙ্গ সংগীতশিল্পী গ্র্যামি জিতলেন বেস্ট কান্ট্রি অ্যালবাম বিভাগে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মূলত, ৬৭তম গ্র্যামির জৌলুস আরও বাড়িয়ে তুলেছেন বিয়ন্সে। এবারের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে মোট ১১টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। গতবছর মুক্তি পেয়েছিল বিয়ন্সের অ্যালবাম কাউবয় কার্টার। কান্ট্রি মিউজিকের এই অ্যালবামের জন্যই ১১টি গ্র্যামির জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন বিয়ন্সে। এবারের গ্র্যামিতে এতগুলি মনোনয়ন আর কেউ পাননি।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অর্জুনকে দেখে অবাক ভক্তরা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/149</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 15:28:33 +0600</pubDate>
		<category>বিনোদন</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/149</guid>
		<description> বলিউড অভিনেতা অর্জুন কাপুর, ভূমি পেডনেকার এবং রকুল প্রীত সিংকে একটি সিনেমার প্রমোশনে একসঙ্গে দেখা যায়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&lt;strong&gt;বলিউড অভিনেতা অর্জুন কাপুর, ভূমি পেডনেকার এবং রকুল প্রীত সিংকে একটি সিনেমার প্রমোশনে একসঙ্গে দেখা যায়। যেখানে ভিড়ের মধ্যে থেকে হঠাৎ ভেসে আসে মালাইকার নাম। এমন অদ্ভুত ঘটনায় অবাক মঞ্চে উপস্থিত তারকারাও।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমি, অর্জুন এবং রকুল মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক তখনই ভিড়ের মধ্যে থেকে কেউ জোরে চিৎকার করে বলে ওঠেন মালাইকা। নামটা শুনে এক মুহূর্তের জন্য হতবাক হয়ে যান অর্জুন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তারপর রকুল প্রীতও অর্জুনের দিকে তাকিয়ে হাসতে শুরু করেন। তবে অর্জুন নিজেকে সামলে নেন। এমন একটা অভিব্যক্তি তার, যেন কিছু শুনতেই পারছেন না। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;অর্জুন কাপুরের এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তদের কাছ থেকেও একের পর মজার কমেন্ট আসতে থাকে। কেউ লিখেছেন, &amp;lsquo;রকুল প্রীতের মুখের দিকে তাকান, দেখুন কেমন মুচকি হাসছেন।&amp;rsquo; কারও প্রশ্ন, &amp;lsquo;অর্জুন কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন না?&amp;rsquo;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;প্রসঙ্গত, মালাইকা এবং অর্জুন ২০১৮ সালে ডেটিং শুরু করেছিলেন। যদিও তারা কখনও সম্পর্ক নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেননি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় একসঙ্গে ছবি দেখে সকলেই বুঝতে পারতেন তাদের মধ্যে সম্পর্ক কতটা গভীর।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;প্রায়ই একসঙ্গে ছুটি কাটাতেন এবং একে অপরের জন্মদিনও পালন করতেন। তাদের প্রেমের বেশ কিছু ঝলক সবসময়ই ভক্তদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>অ্যাথলেটিক্সের খালেক আর নেই </title>
		<link>https://shomoybhela.com/148</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 15:22:46 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/148</guid>
		<description> সাবেক ক্রীড়াবিদ, কোচ ও বিকেএসপির উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খালেক সোমবার সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;বাংলাদেশের অ্যাথলেটিক্সের বেশ পরিচিত মুখ আব্দুল খালেক। সাবেক ক্রীড়াবিদ, কোচ ও বিকেএসপির উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খালেক সোমবার সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;ক্রীড়াঙ্গনে পুরোনা ব্যক্তিদের খোঁজ-খবর রাখা অনেকটাই নেশা সিনিয়র ক্রীড়া সংগঠক ইউসুফ আলীর। আব্দুল খালেকের মৃত্যুতে অত্যন্ত ব্যথিত কণ্ঠে বলেন,&amp;lsquo;অ্যাথলেটিক্সই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান। সারা জীবন অ্যাথলেটিক্সের পেছনেই ব্যয় করেছেন। এমন নিবেদিতপ্রাণ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব খুব কমই রয়েছে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিক্সে।&amp;rsquo;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামীমা সাত্তার মিমোর খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন খালেক। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন,&amp;lsquo;খালেক ভাই নিজে হার্ডলার ছিলেন। জাতীয় পর্যায়ে তার পদক রয়েছে। পরবর্তীতে বিটিএমসির কোচ ছিলেন। এরপর বিকেএসপিতে কর্মজীবন শেষ করেছেন। অত্যন্ত অমায়িক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।&amp;rsquo;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;খালেকের পরিবার প্রায় পুরোটাই ক্রীড়াঙ্গনের। খালেকের অন্য দুই ভাই তালেব ও নাইম দুই জনই অ্যাথলেটিক্স করতেন। খালেকের স্ত্রী মালা চৌধুরিও ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত। গত কয়েক বছর যাবৎ শারীরিক অসুস্থায় ভুগছিলেন। খালেকের মতো ব্যক্তিত্ব ক্রীড়া পুরস্কার না পাওয়ায় আফসোস ঝরল মিমোর কন্ঠে,&amp;lsquo;অনেক খেলোয়াড় তার হাতে তৈরি হয়েছে বিটিএমসি এবং বিকেএসপিতে। খালেক ভাই অ্যাথলেটিক্সে অবদানের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ছিলেন।&amp;rsquo;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:13px&quot;&gt;আব্দুল খালেকের প্রথম জানাজা সোমবার সিএমএইচ হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিজ জেলা মুন্সিগঞ্জে আরেকটি হবে। কৃতি অ্যাথলেট ব্যক্তিত্বের প্রয়াণে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন শোক প্রকাশ করেছে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মাদ্রিদের শেষ ৬ মিনিটের জাদুতে স্তব্ধ ম্যানচেস্টার সিটি </title>
		<link>https://shomoybhela.com/147</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:59:36 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/147</guid>
		<description> মাদ্রিদের শেষ ৬ মিনিটের জাদুতে স্তব্ধ ম্যানচেস্টার সিটি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ইতিহাদে ম্যানচেস্টার সিটির ভক্তরা হাজির করেছিলেন বিশাল এক টিফো। যেখানে রদ্রির ব্যালন ডি&amp;rsquo; অরের ছবি। আর তাতে লেখা, &amp;lsquo;তোমাদের কান্না এবারে থামাও।&amp;rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু সেই ব্যানারটাই আসলে রিয়াল মাদ্রিদকে তাঁতিয়ে দিলো কি না অনেকটা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করা এখন অবান্তর। রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচটা তো জিতেছেই, বরং ক্যামেরার সামনে নিজেদের ব্যাজ দেখিয়ে ভিনিসিয়ুস মনে করিয়ে দিলেন লস ব্লাঙ্কোসদের ট্রফি ক্যাবিনেটে ১৫টা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এখনো শোভাবর্ধন করে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ম্যাচটা রিয়াল যেভাবে জিতেছে সেটা নিয়েই বরং আরও বেশি আলোচনা হতে পারে। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যানসিটি এগিয়ে ছিল ২-১ গোলে। সেখান থেকে যোগ করা সময় মিলিয়ে মোট ৬ মিনিটের মাথায় রিয়াল বদলালো ম্যাচের ভাগ্য। বিশ্বব্যাপী চলমান ভালোবাসার সপ্তাহে, রিয়াল মাদ্রিদ যেন বাধ্য করলো ফুটবলকে আরও একটু বেশি ভালোবাসতে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলকে এদিন ব্যর্থ করেছেন রিয়ালের তারকারা। গোল পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে, ব্রাহিম দিয়াজ আর জ্যুড বেলিংহাম। ৩&amp;ndash;২ গোলের জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর পথে খানিকটা এগিয়ে গেল কার্লো আনচেলত্তির দল। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি প্লে&amp;ndash;অফ পর্বের ফিরতি লেগের ম্যাচটা আবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।&amp;nbsp;&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাকিবকে মিস করবো’ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/146</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:55:54 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/146</guid>
		<description> ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাকিবকে মিস করবো’ </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাংলাদেশ স্কোয়াডে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের। দল ঘোষণার পর মাস খানেক পার হলেও এতদিন দল নিয়ে কোনো কথা বলেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য মিরপুরে শেষ অনুশীলনের আগে আজ বুধবার মুখোমুখি হন গণমাধ্যমের।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সেখানে জানতে চাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে সাকিবের না থাকায় তাকে মিস করবেন কি না। জবাবে শান্ত বলেন, &amp;#39;হ্যাঁ অবশ্যই মিস করবো।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরক্ষণেই আবার বললেন, &amp;#39;আসলে এই প্রশ্নটা আমার মনে হয় কেন করলেন আপনি? আমরা সবাই জানি এই উত্তর অনেক খেলোয়াড় দিয়েছে। আমরা জানি সাকিব ভাইকে মিস করবো। থাকলে ভালো হতো এই উত্তর অনেকবার পেয়েছেন। তা আমার মনে হয় না যে একটা এত বড় টুর্নামেন্টে যাওয়ার আগে এই প্রসঙ্গে কথা বলাটা যৌক্তিক।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। যা টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে টিম টাইগার্সের সর্বোচ্চ সাফল্য। এ বিষয়ে শান্ত বলেন, &amp;#39;লাস্ট যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটা খেলেছিলাম, ভালো একটা স্মৃতি ছিল। সেমিফাইনাল খেলেছিলাম, অবশ্যই এটা একটা বাড়তি অনুপ্রেরণা দেবে আমাদের। পাশাপাশি দেশের মানুষের প্রত্যাশা, পাশাপাশি পরিবারের প্রত্যাশা, খেলোয়াড়দের প্রত্যাশা তো আছেই। তাই ওভারঅল এখন পর্যন্ত আমরা যেভাবে প্রিপারেশন নিতে পেরেছি তাতে আলহামদুলিল্লাহ, বিশ্বাস করছি ভালো অবস্থানে যাওয়া সম্ভব।&amp;#39;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
টুর্নামেন্টে ভারত ছাড়াও গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের অপর দুই প্রতিপক্ষ স্বাগতিক পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। ফলে তিনটা ম্যাচই বড় দলের বিপক্ষে, যেখানে জয়ের সমীকরণটাও বেশ কঠিন। তা সত্ত্বেও অবশ্য বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
শান্ত বলছিলেন, &amp;lsquo;আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে যাচ্ছি।&amp;rsquo; একইসঙ্গে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করছেন না জানিয়ে শান্ত বলেন, &amp;lsquo;আমার কাছে বাড়তি চাপ মনে হয় না। ৮ দলই ডিজার্ভ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার, কোয়ালিটি টিম। আমাদের দলের ওই সামর্থ্য আছে আমি বিশ্বাস করি। বাড়তি চাপ কেউ অনুভব করবে না। সবাই এটাই (চ্যাম্পিয়ন হতে) চায় মনেপ্রাণে, বিশ্বাস করে নিজেদের সামর্থ্য আছে।&amp;rsquo;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেভিল হান্টে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে : জিএম কাদের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/145</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:52:08 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/145</guid>
		<description> ডেভিল হান্টে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে : জিএম কাদের </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;&lt;strong&gt;অপারেশন ডেভিল হান্টের নামে ঢালাওভাবে বিরোধী মত দমন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। একইসঙ্গে ডেভিল হান্টে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এই অভিযোগ করেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, জাতীয় পার্টির ওপর জুলুম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ও গ্রেপ্তার হলে তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না। সভা, সমাবেশ ও মিছিলের মতো স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;জাতীয় পার্টির অফিস, নেতা-কর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হচ্ছে দাবি করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, এখন নতুন করে আবার ডেভিল হান্ট কর্মসূচির আওতায় জাতীয় পার্টি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া শুরু হয়েছে। গতকাল গাজীপুর মহানগর জাতীয় পার্টির কিছু নেতার নামে গায়েবি মামলা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&lt;span style=&quot;font-size:16px&quot;&gt;একইসঙ্গে নিরপরাধ জনগণের উপর জুলুম ও হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান জিএম কাদের।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জুলাই আন্দোলনে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা, আশঙ্কা জাতিসংঘের </title>
		<link>https://shomoybhela.com/144</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:48:20 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/144</guid>
		<description> জুলাই আন্দোলনে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা, আশঙ্কা জাতিসংঘের </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্টে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এতে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনীগুলোর দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ শিশু ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে যে তাদের ৪৪ জন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাবেক সরকার এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংস উপাদানগুলোর পাশাপাশি, গত বছরের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের সময় পদ্ধতিগতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর সাথে জড়িত ছিল।&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে একটি সরকারি নীতি উঠে এসেছে যা সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের এবং সমর্থকদের আক্রমণ ও সহিংসভাবে দমন করার নির্দেশ দেয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো উদ্বেগ উত্থাপনকারী এবং জরুরিভাবে আরও ফৌজদারি তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত মৃত্যুর তথ্যের ভিত্তিতে, প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে যে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন এবং এদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনীগুলোর দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। প্রতিবেদনটি নির্দেশ করেছে যে নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ ছিল শিশু। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে যে তাদের ৪৪ জন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনকারী উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত থেকে। কিন্তু এর পেছনে ছিল ধ্বংসাত্মক ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতি এবং প্রশাসন থেকে সৃষ্ট বিস্তৃত ক্ষোভ, যা অর্থনৈতিক বৈষম্যের সৃষ্টি করেছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষমতায় থাকার জন্য সাবেক সরকার ক্রমাগত&amp;nbsp; সহিংস পন্থা ব্যবহার করে এই বিক্ষোভগুলো দমনে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করেছিল।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ক বলেন, &amp;ldquo;এই নৃশংস প্রতিক্রিয়া ছিল সাবেক সরকারের একটি পরিকল্পিত এবং সমন্বিত কৌশল, যা জনতার বিরোধিতার মুখে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চেয়েছিল।&amp;rsquo;&amp;rsquo;&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;ldquo;বিক্ষোভ দমন করার কৌশলের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জ্ঞাতসারে, তাদের সমন্বয় ও নির্দেশনায় শত শত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ব্যাপক নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক এবং নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে।&amp;rsquo;&amp;rsquo;&amp;nbsp;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গাজায় ধ্বংসস্তূপে এখনও মিলছে লাশ, নিহত ছাড়াল ৪৮ হাজার ২০০ </title>
		<link>https://shomoybhela.com/143</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:40:55 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/143</guid>
		<description> লিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আরও ৮ ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আরও ৮ ফিলিস্তিনির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর ফলে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪৮ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দীর্ঘ ১৫ মাসের বেশি সময় পর গত মাসেই ফিলিস্তিনের গাজায় কার্যকর হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি। তবে এরপর থেকেই সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে নিহতদের লাশ। আর এতে করে বেড়েই চলেছে প্রাণহানির সংখ্যা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বার্তাসংস্থাটি বলছে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মী ও উদ্ধারকর্মীরা গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আরও ৮ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৪৮ হাজার ২১৯ জনে পৌঁছেছে বলে মঙ্গলবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন এবং তারাও প্রাণহানির এই সংখ্যার মধ্যে রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আরও ১০ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এতে করে ইসরায়েলি আক্রমণে আহতের সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৬৬৫ জনে পৌঁছৈছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গাজায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তিন-পর্যায়ের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দি বিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিল।&lt;br /&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>‘নগদ’ কার্যালয়ে ‍দুদকের অভিযান </title>
		<link>https://shomoybhela.com/142</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:36:23 +0600</pubDate>
		<category>ব্যবসা ও বাণিজ্য</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/142</guid>
		<description> ‘নগদ’ কার্যালয়ে ‍দুদকের অভিযান </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;strong&gt;বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস &amp;lsquo;নগদ&amp;rsquo;র প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে অর্থপাচারের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান পরিচালনা করছেন। অভিযানে লেনদেনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুদকের জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অভিযোগসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফএস) প্রায় পাঁচ হাজার অবৈধ এজেন্ট রয়েছে। এসব এজেন্টের মাধ্যমে গত এক বছরে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এজেন্টরা হুন্ডির মাধ্যমে ওই টাকা পাচার করেছে। এসব বিষয় সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতেই আজকের অভিযান। পর&amp;zwnj;্যায়ক্রমে অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্লাটফর্মের লেনদনের তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করা হবে বলে দুদকের একটি সূত্রে জানা গেছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বাসায় গিয়ে চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে দেখে এসেছেন </title>
		<link>https://shomoybhela.com/141</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:33:09 +0600</pubDate>
		<category>রাজনীতি</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/141</guid>
		<description> বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসকরা বাসায় গিয়ে দেখে এসেছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসকরা বাসায় গিয়ে দেখে এসেছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডা. জাহিদ বলেন, আপনারা জানেন বেগম খালেদা জিয়া গত ৮ জানুয়ারি থেকে লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন আছেন। এই মুহূর্তে বেগম জিয়া তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে আছেন। তিনি প্রফেসর পেট্রিক কেনেডি, জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তার বাসা থেকে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাঝেমধ্যে যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয় সেগুলো করানো হচ্ছে। ডাক্তাররা তাকে বাসায় গিয়ে দেখে এসেছেন। উনার শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে স্থিতিশীল। আপনারা উনার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।&lt;br /&gt;
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, বাসায় উনার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান, সৈয়দা শর্মিলা রহমান ও তিন নাতনী ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, জাহিয়া রহমান ও জাফিয়া রহমান তাদের দাদির যত্ন নিচ্ছেন। ফলে মানসিকভাবে তিনি অনেকটা আগের চেয়ে ভালো আছেন। সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ডা. জাহিদ বলেন, এখানকার চিকিৎসকরা যেদিন উনাকে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেবেন বা তারা যদি মনে করেন উনি বিদেশ থেকে দেশে যাওয়ার মতো অবস্থার মধ্যে আছেন তখনই তিনি দেশে ফিরবেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্ত্রীসহ পুলিশ কর্মকর্তা বদরুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা </title>
		<link>https://shomoybhela.com/140</link>
		<dc:creator><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 12 Feb 2025 14:27:16 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="false">https://shomoybhela.com/140</guid>
		<description> অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার এস এম বদরুল আলম ও তার স্ত্রী মাসুমা আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুদকের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।&amp;nbsp;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বদরুল আলমের স্ত্রী মাসুমা আলম দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ৮২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে ৬০ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩২ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ১০৯ ধারা তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বদরুলকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তাকারী হিসাবে আসামি করা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

</channel>
</rss>