ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের হুমকি অব্যাহত রেখেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তেহরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে বিমান হামলাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রয়েছে।
সোমবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, কূটনীতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পছন্দ হলেও প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিধা করবেন না। সম্ভাব্য হামলার বিষয়টি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত আলোচনায় রয়েছে।
আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে কয়েক শ মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান সরকার একে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে আখ্যা দিলেও বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিহতদের বড় অংশই সাধারণ নাগরিক। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার নজির টেনে ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের ‘অজুহাত’ হয়ে উঠতে পারে। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ প্রশাসনের একটি অংশ কূটনৈতিক
সমাধানের পক্ষে মত দিচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত বিমান হামলায় রূপ নেয় নাকি আলোচনার টেবিলে নিষ্পত্তি হয়—সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির বড় প্রশ্ন।
সময়ভেলা | বিশ্ব
নিউজটি আপডেট করেছেন : নিজস্ব প্রতিবেদক



সময় ভেলা রিপোর্ট