ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে টানা দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
এ সময় জেলার ৭ উপজেলার প্রায় ২ লাখ জেলে কর্মহীন হয়ে পড়বেন। তবে এবারই প্রথম ১৩ হাজার ৬০০ জেলে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী পাবেন বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।
জেলা মৎস্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। তাদের মধ্যে ৯০ হাজার ২০০ জেলে পরিবারকে মাসে ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাল দেওয়া হবে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাস এই সহায়তা চলবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার খবরে জেলেরা নৌকা-ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরছেন। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউ সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখছেন। তবে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় জেলে পল্লীতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জেলেদের অভিযোগ, চাল সহায়তা সময়মতো মেলে না এবং শুধু চাল দিয়ে সংসার চলে না। তারা অভিযানের সময় ঋণের কিস্তি স্থগিত ও নিত্যপণ্যের সহায়তা চেয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, অভিযান সফল করতে ব্যাপক প্রচার ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রথম সপ্তাহেই চাল বিতরণ করা হবে। ঋণের কিস্তি স্থগিতের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশে ইলিশের ৬টি অভয়াশ্রমের মধ্যে দুটি রয়েছে ভোলায়—মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে।
সময়ভেলা | ভোলা