বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (BMAAA) উদ্যোগে ১০ জানুয়ারি,২০২৬ (শনিবার) অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আবেগঘন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান— ‘Return to the Tide of Memories – BMAAA Get Together 2026’। এই আয়োজন প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটদের স্মৃতিচারণ, বন্ধুত্বের নবায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।
চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে আসা সকল ব্যাচের অ্যালামনাই অংশ নেন। পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে উপস্থিত হয়ে তারা যেন আবার ফিরে যান ক্যাডেট জীবনের স্মৃতিময় দিনগুলোতে।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল ক্যাডেট প্যারেড, খেলাধুলা, আনন্দঘন আড্ডা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও সুস্বাদু আপ্যায়ন। শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদনমূলক আয়োজন এবং পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ এই পুনর্মিলনীকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, সিনিয়র ও জুনিয়রদের সঙ্গে একত্রে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই।
অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম সোহরাওয়ার্দী বলেন, দক্ষ নাবিক তৈরিতে মেরিন একাডেমির অবদান গৌরবোজ্জ্বল। বিশ্ব নৌঅঙনে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে তুলতে সাবেক ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে এবং যেকোনো নাবিকের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত তাদের নৈতিক দায়িত্ব।
জেনারেল সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিবছর চাকরির বাজারে যৌক্তিক সংখ্যক ক্যাডেট অন্তর্ভুক্ত হওয়া জরুরি। নতুনদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা পুরোনো ও অভিজ্ঞ নাবিকদের দায়িত্ব বলেও তিনি মত দেন।
অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাক্তন ক্যাডেটদের পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা এবং মেরিন একাডেমির গৌরবময় ঐতিহ্যকে নতুন করে উদযাপন করা।
এই আয়োজনের অন্যতম কো-স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল মেরিনার্স গ্রুপ। আয়োজকদের মতে, স্পন্সরদের সহযোগিতা অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
BMAAA Get Together 2026’ শুধু একটি পুনর্মিলনী নয়, বরং এটি ছিল মেরিনারদের ঐক্য, বন্ধুত্ব ও গর্বের এক জীবন্ত প্রতিফলন—যেখানে অতীতের স্মৃতি, বর্তমানের আনন্দ এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা এক স্রোতে মিলিত হয়েছে।
সময়ভেলা | বিশেষ প্রতিবেদন
চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে আসা সকল ব্যাচের অ্যালামনাই অংশ নেন। পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে উপস্থিত হয়ে তারা যেন আবার ফিরে যান ক্যাডেট জীবনের স্মৃতিময় দিনগুলোতে।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল ক্যাডেট প্যারেড, খেলাধুলা, আনন্দঘন আড্ডা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও সুস্বাদু আপ্যায়ন। শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদনমূলক আয়োজন এবং পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ এই পুনর্মিলনীকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, সিনিয়র ও জুনিয়রদের সঙ্গে একত্রে সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই।
অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম সোহরাওয়ার্দী বলেন, দক্ষ নাবিক তৈরিতে মেরিন একাডেমির অবদান গৌরবোজ্জ্বল। বিশ্ব নৌঅঙনে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে তুলতে সাবেক ক্যাডেটদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে এবং যেকোনো নাবিকের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত তাদের নৈতিক দায়িত্ব।
জেনারেল সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিবছর চাকরির বাজারে যৌক্তিক সংখ্যক ক্যাডেট অন্তর্ভুক্ত হওয়া জরুরি। নতুনদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা পুরোনো ও অভিজ্ঞ নাবিকদের দায়িত্ব বলেও তিনি মত দেন।
অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাক্তন ক্যাডেটদের পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা এবং মেরিন একাডেমির গৌরবময় ঐতিহ্যকে নতুন করে উদযাপন করা।
এই আয়োজনের অন্যতম কো-স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল মেরিনার্স গ্রুপ। আয়োজকদের মতে, স্পন্সরদের সহযোগিতা অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
BMAAA Get Together 2026’ শুধু একটি পুনর্মিলনী নয়, বরং এটি ছিল মেরিনারদের ঐক্য, বন্ধুত্ব ও গর্বের এক জীবন্ত প্রতিফলন—যেখানে অতীতের স্মৃতি, বর্তমানের আনন্দ এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা এক স্রোতে মিলিত হয়েছে।
সময়ভেলা | বিশেষ প্রতিবেদন