ঘাস থেকে গুড় তৈরি করে স্বাবলম্বী খাদিজা বেগম

আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৫ ০২:৫৮:১৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৫ ০২:৫৮:১৭ অপরাহ্ন
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাসিন্দা খাদিজা বেগম। অভাবের সংসারে বসে না থেকে নিজের মেধা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে সফলতা পেয়েছেন। ঘাস থেকে গুড় তৈরি করে সংসারের অভাব দূর করেছেন। পরিবারে সচ্ছলতার পাশাপাশি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌরসভার নাওরা মিঠাপুর গ্রামের মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম। তিনি মাত্র ১০ শতক জমিতে বিশেষ ধরনের ঘাস চাষ করে তৈরি করছেন গুড়। এ উদ্ভাবনী উদ্যোগ তাকে শুধু আর্থিক সচ্ছলতাই এনে দেয়নি বরং স্থানীয়দের কাছেও নতুন উদ্যোক্তা ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

সূত্র জানায়, খাদিজা বেগমের তিন সন্তান। সংসারের অভাব তাকে নতুন কিছু করার প্রেরণা জোগায়। স্বামীর সীমিত আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়লে বিকল্প আয়ের পথ খুঁজতে থাকেন। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ১০ শতক জমিতে লিপিয়া (লাল জাতের) নামক বিশেষ জাতের ঘাস চাষ শুরু করেন। এ ঘাস থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গুড় তৈরির কৌশল শিখে নেন।

শুরুর দিকে ঘাসের রস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গুড় তৈরি করেন। এ গুড় তৈরি করে এলাকায় সাড়া ফেলেন। প্রতি কেজি গুড় ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। গুড় ও ঘাস বিক্রি করে দৈনিক গড় আয় প্রায় ১৩০০ টাকা। এক কেজি গুড় তৈরি করতে ৬০টি ঘাসের গাছ লাগে। যার ওজন প্রায় ১৫ কেজি। প্রতিটি গাছ লম্বায় প্রায় ৮ ফুট, আখের চেয়ে একটু চিকন। ৬০টির মতো ঘাসে রস হয় ৬-৭ কেজি। এতে ১ কেজি গুড় হয়।

এ ছাড়া তিনি ১ একর জমিতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফল ও সবজি চাষ করছেন। তার বাগানে আপেল, পেঁপে, আঙুর এবং সৌদি আরবের খেজুর গাছও আছে। এসব ফল ও সবজি বিক্রি করে তিনি প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ টাকার মত আয় করেন। সব মিলিয়ে তারা এখন স্বাবলম্বী। তাদের অভাবের সংসারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা। সন্তানেরাও এখন ভালোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছেন

সময় ভেলা/ফিচার

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক ও প্রকাশক : শামীম আহমেদ


অফিস :

অফিস : MG SAM Center, 12 Mohakhali C/A, Dhaka-1212

ইমেইল : info@shomoybhela.com

মোবাইল : +880 1335-149005