নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় চীন—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সম্প্রতি চীন সফর শেষে দলটির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গত ২২ জুন বিএনপির একটি ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল চীন সফরে যায় এবং ২৭ জুন দেশে ফেরে। সফরে এক চীন নীতির প্রতি বিএনপির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয় এবং দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে চীন আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা দেশের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছি, চীন ইতিবাচকভাবে সাড়া দিয়েছে। ভবিষ্যতে চীনের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব এলে বিএনপি সেটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের অবস্থান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন আন্তরিকতার সঙ্গে মিয়ানমারকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে—তাদের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, জহির উদ্দিন স্বপন, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল এবং চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার।